পিয়াসা-মৌকে ‘স্বীকার করে না’ অভিনয়শিল্পী সংঘ

পিয়াসা-মৌকে ‘স্বীকার করে না’ অভিনয়শিল্পী সংঘ

পিয়াসা-মৌকে ‘স্বীকার করে না’ অভিনয়শিল্পী সংঘ। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

‘যিনি বা যারা অনেকদিন ধরে অভিনয় করেন না, মডেলিং করেন না, তাকে কি অন্যভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়া যেত না বা তার আর কোনো পরিচয় নাই?এমন অভিযোগে সাধারণ কেউ অভিযুক্ত হলে তাকে যেভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়, সেভাবে এ দুই নারীকে পরিচয় করানো সম্ভব ছিল বলে আমরা মনে করি।’

ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মরিয়ম আক্তার মৌকে মডেল ও অভিনেত্রী হিসেবে প্রচারের বিরোধিতা করেছে টিভি নাটকের অভিনয়শিল্পীদের সংগঠন অভিনয়শিল্পী সংঘ।

তারা বলছে, ‘ব্যক্তিগত পরিচয়, প্রভাব, কখনও বাহ্যিক সৌন্দর্য, কিছু ক্ষেত্রে কপালের জোড়ে দু-একটি বিজ্ঞাপন বা নাটকে কাজ করলেই তাকে মডেল বা অভিনেত্রী বলা যায় কি না সেই ভাবনাটা জরুরি হয়ে উঠছে।’

অভিনয়শিল্পী সংঘের বক্তব্য ফেসবুকে শেয়ার করেছেন অভিনয় সংশ্লিষ্ট অনেকেই। দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানও তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্টটি শেয়ার করেছেন।

অভিনয়শিল্পী সংঘ অবশ্য ‘মডেল বা অভিনয়শিল্পী’ পরিচয়ের মানদণ্ড সুস্পষ্ট করেনি। তবে তারা বলছে, ‘অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় কেউ কোনো টাইম পাসিং সোস্যাল প্লাটফর্মে, ফ্রেন্ডলি মেইড ভিডিওতে অভিনয় করেছে, মডেল হিসেবে হয়তো ছবি আছে বাসার পাশের কোনো টেইলরের দোকানে অথবা একটা দুটো বিলবোর্ডে, সেও সোস্যাল মিডিয়াতে নিজেকে অ্যাক্টর বা মডেল দাবি করছে। অথচ মডেল বা অভিনেতা/অভিনেত্রী হয়ে ওঠার জন্য যে নিষ্ঠা, একাগ্রতা, জ্ঞান, দর্শন, প্রস্তুতি, সামাজিক ও পেশাদার দায়বদ্ধতা প্রয়োজন সেসবের কিছুই তার নেই।

‘আবার হুট করে এসেও কেউ মডেল বা অভিনেতা হয়ে ওঠে না তাও না। সেক্ষেত্রে শতভাগ একাগ্রতার সাথে নিজেকে তৈরি করতে হয় আরও ভালো কাজের জন্যে এবং শিল্পী হিসেবে পরিপূর্ণতার দিকে এগিয়ে যাবার জন্য। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংগঠন, সক্রিয় সাংস্কৃতিক সংগঠন, অভিজ্ঞ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ তার আগ্রহ ও নিষ্ঠাকে গুরুত্ব দিয়ে তাকে গাইড করে, তার মধ্যে শিল্পী হয়ে ওঠার আকাঙ্ক্ষা তৈরি করে। কালাচারাল অ্যাক্টিভিস্ট, বিনোদন জগতের স্টেক হোল্ডার, মডেল বা অভিনেত্রী তকমা নেবার বা দেবার আগে, তার কাজ, কাজের প্রতি আগ্রহ, সামাজিক দায়বদ্ধতা, প্রস্তুতি প্রভৃতি বিষয় বিবেচ্য হওয়া জরুরি।’

সংবাদমাধ্যমকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, ‘গণমাধ্যম যখন হেডলাইন করবেন, সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো থেকে যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কাজে তার নিষ্ঠা, তার অবদান প্রভৃতি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে তার তার পেশা উল্লেখ করবেন এটাই প্রত্যাশিত।’

পিয়াসা ও মৌয়ের বাসায় অভিযানের দিকে ইঙ্গিত করে অভিনয়শিল্পী সংঘ বলেছে, ‘কোথাও পুলিশি অভিযানে ধর-পাকড় হলে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় হেডলাইন হয় অমুক মডেল বা অভিনেতা/অভিনেত্রী গ্রেপ্তার; যা অবধারিতভাবে হয়ে ওঠে আকর্ষর্ণীয় সংবাদ। এ ধরনের হেডলাইন; সর্বজন শ্রদ্ধেয়, প্রথিতযশা অভিনেতা অভিনেত্রী, মডেলসহ বিনোদন মাধ্যমে নিষ্ঠার সাথে কর্মরত সকলের জন্য সামাজিক ভাবে অত্যন্ত বিব্রতকর এবং অসম্মানজনক হয়ে ওঠে।’

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক ও অভিনেতা আহসান হাবিব নাসিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অভিনেত্রী শব্দটি ব্যবহারের মাধ্যমে দেশ বরেণ্যদের অসম্মান করা হচ্ছে। দিলারা জামান, শর্মিলী আহমেদ, সুবর্ণা মুস্তাফা, শমী কায়সার, বিপাশা হায়াত বা তার পরের প্রজন্মের শ্রদ্ধেয় সবাইকে অপমান করা হচ্ছে।’

এই বক্তব্যের মাধ্যমে পিয়াসা ও মৌ অভিনয়শিল্পী সংঘের কেউ না বোঝাতে চাইছেন কিনা, প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা তাদের ডিজওন করছি।’

কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘মডেলিং বা অভিনয় নিয়ে যার কোনো একাগ্রতা নেই, কোনো কন্ট্রিবিউশন নেই, তাকে আমরা কেন ওন করব? কেউ প্রভাব খাটিয়ে, পরিচিত থাকার কারণে কোনো কাজ করলে কি তিনি সেই কাজকে ওন করেন? ধরেন, আমি দুই দিন ফুটবল খেললাম আমার এলাকার মাঠে, দুটি গোলও দিলাম। তাতেই কি আমি ওই এলাকার ফুটবল খেলোয়াড় হয়ে গেলাম।’

নাসিম জানান, যারা অভিনয় বা মডেলিং করেন এবং এটা নিয়ে স্ট্রাগলে আছেন, একাগ্রতা ও নিষ্ঠা আছে, তাদের পাশে সবসময় অভিনয়শিল্পী সংঘ দাঁড়িয়েছে।

পিয়াসা ও মৌ এর বাসা থেকে মদ উদ্ধার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যদি আমি সিগারেট খাই, সেটা কি আমি ভালো বলে প্রতিষ্ঠিত করতে পারব?’

তাহলে অভিনয়শিল্পী সংঘের সদস্যদের সবাই এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বাইরে কিনা, প্রশ্ন করলে সরাসরি কোনো জবাব দেননি নাসিম। তিনি বলেন, ‘এমন আচরণ কে করবে কে করবে না, সেটা তার ব্যাপার। সেটা ভালো না মন্দ, তার জন্য আইন রয়েছে। আমি কিছুক্ষণ আগেই বলেছি, সেটা কি আমি ভালো বলে প্রতিষ্ঠিত করতে পারব? আর সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, আমাদের বক্তব্য মডেল/অভিনেত্রী বলা নিয়ে।’

তিনি বলেন, ‘যিনি বা যারা অনেকদিন ধরে অভিনয় করেন না, মডেলিং করেন না, তাকে কি অন্যভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়া যেত না বা তার আর কোনো পরিচয় নাই?এমন অভিযোগে সাধারণ কেউ অভিযুক্ত হলে তাকে যেভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়, সেভাবে এ দুই নারীকে পরিচয় করানো সম্ভব ছিল বলে আমরা মনে করি।’

আরও পড়ুন:
কল্যাণ তহবিল গঠন করার দাবি নাটকের শিল্পীদের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আসছে ‘এক্সট্র্যাকশন-টু’, থাকবে কি বাংলাদেশ

আসছে ‘এক্সট্র্যাকশন-টু’, থাকবে কি বাংলাদেশ

‘এক্সট্র্যাকশন’ সিনেমার দৃশ্যে ক্রিস। ছবি: সংগৃহীত

এক্সট্র্যাকশন সিনেমার বাংলাদেশ অংশের সমন্বয়ক আরিক আনাম খান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হলিউডের এমন প্রোডাকশনে আমরা খুবই ছোট অংশ। আমরা আগে থেকে কিছুই বলতে পারি না। এক্সট্র্যাকশন-টু নিয়ে সংশ্লিষ্টরা আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ এখনও করেনি।’

ওটিটি জায়ান্ট নেটফ্লিক্সের তুমুল আলোচিত কনটেন্ট এক্সট্র্যাকশন। বাংলাদেশে এই ওয়েব ফিল্মটি নিয়ে ছিল ব্যাপক আগ্রহ। কারণ রাজধানী ঢাকাকে দেখানো হয়েছিল সিনেমায়।

মুক্তির পর সবচেয়ে বেশি দেখা নেটফ্লিক্স সিনেমা হয়ে ওঠে এক্সট্র্যাকশন। মুক্তির প্রথম চার সপ্তাহে বিশ্বব্যাপী ৯৯ মিলিয়ন পরিবার দেখে সিনেমাটি।

২০২০-এর এপ্রিলে মুক্তি পায় এক্সট্র্যাকশন। সিনেমার শেষে জানিয়ে দেয়া হয়েছিল, আসবে দ্বিতীয় কিস্তি। শনিবার নেটফ্লিক্স আনুষ্ঠানিকভাবে জানাল, শিগগিরই আসছে এক্সট্র্যাকশন-টু। প্রকাশ করেছে একটি টিজারও।

টিজারটি শুরু হয়েছে প্রথম পর্ব যেখান থেকে শুরু হয়েছে, সেখান থেকেই। গুলিবিদ্ধ হয়ে সেতু থেকে নদীতে পড়ে গিয়েছিলেন ক্রিস। টিজারে নদীর তলদেশ থেকে উঠে আসতে দেখা গেছে তাকে।

এক্সট্র্যাকশন-এর মতো এক্সট্র্যাকশন-টুতেও থাকছেন থর খ্যাত ক্রিস হেমসওয়ার্থ, পরিচালনা করবেন স্যাম হারগ্রেভের আর প্রযোজক হিসেবে থাকছেন জো এবং অ্যান্থনি রুশো।

এখন প্রশ্ন হলো, এক্সট্র্যাকশনের মতো এক্সট্র্যাকশন-টুতেও কি বাংলাদেশকে দেখা যাবে বা বাংলাদেশের সম্পৃক্ততা থাকবে?

এ বিষয়ে নিউজবাংলার সঙ্গে কথা হয় এক্সট্র্যাকশন সিনেমার বাংলাদেশ অংশের সমন্বয়ক আরিক আনাম খানের সঙ্গে।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘হলিউডের এমন প্রোডাকশনে আমরা খুবই ছোট অংশ। আমরা আগে থেকে কিছুই বলতে পারি না। এক্সট্র্যাকশন-টু নিয়ে সংশ্লিষ্টরা আমাদের সঙ্গে কোনো যোগাযোগ এখনও করেনি।’

আরও পড়ুন:
কল্যাণ তহবিল গঠন করার দাবি নাটকের শিল্পীদের

শেয়ার করুন

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ‘মুজিব আমার পিতা’র প্রিমিয়ার

প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিনে ‘মুজিব আমার পিতা’র প্রিমিয়ার

‘মুজিব আমার পিতা’ নিয়ে বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের স্টার সিনেপ্লেক্সে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক। ছবি: নিউজবাংলা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রচনা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ অবলম্বনে সিনেমাটি নির্মাণ হয়। গত ১৬ সেপ্টেম্বর এটি সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এটি মুক্তি পাবে সারা দেশে।

জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবর্ষ ও স্বাধীনতার সুবর্ণজয়ন্তী উপলক্ষে নির্মাণ হয় দেশের প্রথম ফিচার-লেংথ অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র মুজিব আমার পিতা

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার রচনা ‘শেখ মুজিব আমার পিতা’ অবলম্বনে এটি নির্মাণ হয়।

গত ১৬ সেপ্টেম্বর চলচ্চিত্রটি সেন্সর ছাড়পত্র পেয়েছে। আগামী ১ অক্টোবর থেকে এটি মুক্তি পাবে সারা দেশে।

আইসিটি বিভাগের অর্থায়নে নির্মিত সিনেমাটি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার জন্মদিন ২৮ সেপ্টেম্বরে প্রিমিয়ার হবে।

ওই দিন রাজধানীর বসুন্ধরা সিটি শপিং কমপ্লেক্সের স্টার সিনেপ্লেক্সে বেলা তিনটায় হবে প্রিমিয়ার। এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী হাছান মাহমুদ।

তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি (আইসিটি) প্রতিমন্ত্রী জুনাইদ আহমেদ পলক রোববার দুপুরে এক সংবাদ সম্মেলনে এ কথা জানান।

এর আগে স্টার সিনেপ্লেক্সে সিনেমাটির কলাকুশলী ও সাংবাদিকদের নিয়ে একটি শো হয়।

সে প্রিমিয়ার শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন আইসিটি প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘নতুন প্রজন্মের শিশু-কিশোরদের কাছে বঙ্গবন্ধুর জীবনের গল্প পৌঁছে দেয়া আমাদের দায়িত্ব। আমার মনে হয় ওদের জানানোর জন্য অ্যানিমেশনের চেয়ে ভালো মাধ্যম আর হতে পারে না।

‘একইভাবে বঙ্গবন্ধুর ছেলেবেলা সম্পর্কে তার সুযোগ্য কন্যা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার চেয়ে ভালো আর কেউ বলতে পারবে না। এই দুইয়ের যুগলবন্দি করা হয়েছে চলচ্চিত্রটিতে।’

চলচ্চিত্রটি নির্মাণে আইসিটি বিভাগ দুই কোটি টাকা দিয়েছে জানিয়ে প্রতিমন্ত্রী পলক বলেন, এ অর্থের পুরোটা খরচ হয়নি।

দেশের সর্ববৃহৎ টু-ডি অ্যানিমেশন নির্মাতা প্রতিষ্ঠান প্রোলেন্সার স্টুডিও এটি নির্মাণ করেছে।

৪৭ মিনিটের চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে প্রায় দুই বছর সময় লেগেছে বলে জানান পরিচালক সোহেল মোহাম্মদ রানা।

তিনি বলেন, ‘আমরা যখন কাজ শুরু করেছিলাম, অনেকে বিশ্বাসই করতে পারেনি বাংলাদেশে বসে ফিচার-লেংথ অ্যানিমেশন চলচ্চিত্র নির্মাণ করা সম্ভব, কিন্তু আমরা বিশ্বাস হারাইনি।

‘সিনেমাটি নির্মাণ করতে গিয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা হলো, এখনই হয়তো বিশ্বমানের অ্যানিমেশন বানানো সম্ভব নয়। তবে আমরা যাত্রাটা শুরু করেছি।’

পরিচালক আরও বলেন, “শত সীমাবদ্ধতার মধ্যে সেরা কাজ করার চেষ্টা করেছি। চলচ্চিত্রটি নির্মাণ করতে গিয়ে আমরা ওয়ার্কশপ করে অ্যানিমেটর তৈরি করেছি। আমি বিশ্বাস করি সামনে এরাই দেশের অ্যানিমেশন শিল্পের দৃশ্যপট বদলে দেবে এবং এই নতুন দিনের সূচনাটা হচ্ছে ‘মুজিব আমার পিতা’ বড় পর্দায় মুক্তি পাওয়ার মধ্যে দিয়ে।”

সংবাদ সম্মেলনে স্টার সিনেপ্লেক্সের চেয়ারম্যান মাহবুব রহমান রুহেল ঘোষণা করেন, তাদের সব শাখায় টিকিটের দাম অর্ধেক রাখা হবে।

আরও পড়ুন:
কল্যাণ তহবিল গঠন করার দাবি নাটকের শিল্পীদের

শেয়ার করুন

‘আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না’

‘আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না’

গায়ক কবীর সুমন। ফাইল ছবি

ফেসবুকে পোস্ট করা ভিডিওর ক্যাপশনে সুমন লেখেন, ‘বাঙালি মিডিয়াকর্মীদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ, আমার বাবা-মা, আমার গুরুদের দোহাই, বাংলা ভাষা, বাংলা গানের দোহাই, আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না। বিশেষ করে বাংলাদেশের মিডিয়াকর্মীদের প্রতি এই সনির্বন্ধ অনুরোধ।’

মরণোত্তর দেহদানের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কবীর সুমন। গত বুধবার ৭২ বছর বয়সি এ শিল্পী দেহদানের অঙ্গীকারপত্রে সই করেন। বৃহস্পতিবার সেই অঙ্গীকারপত্রের ছবি নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন তিনি।

খবরটি দুই বাংলার সংবাদমাধ্যমেই প্রকাশ পায়। সুমনের দাবি, সে সংবাদে বাংলাদেশের সংবাদকর্মীরা তাকে ‘জীবনমুখী গানের শিল্পী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

শিল্পী শনিবার তার ফেসবুকে করা পোস্টে এমন দাবি করেন।

ভিডিওর ক্যাপশনে সুমন লেখেন, ‘বাঙালি মিডিয়াকর্মীদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ, আমার বাবা-মা, আমার গুরুদের দোহাই, বাংলা ভাষা, বাংলা গানের দোহাই, আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না।

‘বিশেষ করে বাংলাদেশের মিডিয়াকর্মীদের প্রতি এই সনির্বন্ধ অনুরোধ। তারা প্রায় সব সময় আমার নামের আগে এই কথা প্রয়োগ করে থাকেন।’

তিনি আরও লেখেন, ‘মহান শিল্পী শ্রীযুক্ত নচিকেতা চক্রবর্তীর গানের ক্যাসেটে ওই কথাটি ছিল, থাকত: জীবনমুখী বাংলা গান বা গান। আমার গানের কোনো অ্যালবামে ওই কথাটি ছিল না; থাকে না। দয়া করে আমার নামের আগে ওই কথাগুলি লিখবেন না। দয়া করে।’

ভিডিওতে সুমন জানান, তিনি সব সময় আধুনিক বাংলা গান নিয়ে কাজ করে এসেছেন। আর এখন বাংলা খেয়াল নিয়ে কাজ করছেন।

আরও পড়ুন:
কল্যাণ তহবিল গঠন করার দাবি নাটকের শিল্পীদের

শেয়ার করুন

আগেরটা রেখেই কেন নতুন কাজ

আগেরটা রেখেই কেন নতুন কাজ

নির্মাতা এস এ হক অলিক ও গিয়াস উদ্দিন সেলিম। ফাইল ছবি

‘গলুই’ ও ‘গুনিন’ এস এ হক অলিক ও গিয়াস উদ্দিন সেলিমের নতুন কাজ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দুজনই পেয়েছেন সরকারি অনুদান। অনুদানে অলিক নির্মাণ করবেন ‘যোদ্ধা’ আর সেলিম নির্মাণ করবেন ‘কাজলরেখা’ সিনেমা। অথচ পুরনো কাজ শেষ না করেই নতুন কাজ শুরু করেছেন তারা।

দেশের দুই খ্যাতিমান নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম এবং এস এ হক অলিক। দুজনই তাদের নতুন সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

নতুন সিনেমা গলুই-এর দৃশ্যধারণ করতে অলিক এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন টাঙ্গাইলের মহেরা জমিদারবাড়িতে।

অন্যদিকে গিয়াস উদ্দিন সেলিম ১০ অক্টোবর থেকে দৃশ্যধারণে যাবেন। তিনি গুনিন নামে একটি ওয়েব ফিল্ম নির্মাণ করবেন।

গলুইগুনিন অলিক ও সেলিমের নতুন কাজ। অথচ দুজনের কাছেই পুরনো কাজ জমা পড়ে আছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দুজনই পেয়েছিলেন সরকারি অনুদান।

সরকারি অনুদানে অলিক নির্মাণ করবেন ‘যোদ্ধা’ আর সেলিম নির্মাণ করবেন ‘কাজলরেখা’। অথচ পুরনো কাজ শেষ না করেই নতুন কাজ শুরু করেছেন ওই দুই পরিচালক। কিন্তু কেন?

দুজন পরিচালকই নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন, তাদের কাজ শুরু করার প্রধান অন্তরায় ছিল করোনা পরিস্থিতি।

অলিক বলেন, ‘যোদ্ধা সিনেমার দৃশ্যধারণ শীতে করতে হবে। গত শীতে করোনার কারণে করা সম্ভব হয়নি। আগামী শীতে করতে পারব আশা করি। গলুই-এর পরেই যোদ্ধার কাজ ধরার ইচ্ছা আছে।’

সেলিম বলেন, ‘প্রথমত, সিনেমাটি করার জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে সময় বাড়িয়ে নিয়েছি। দ্বিতীয়ত, কাজলরেখা বড় বাজেটের সিনেমা। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সিনেমা নির্মাণের জন্য টাকা পাওয়া কঠিন। তাই কাজটি ধরা হয়নি।’

অলিকের মতো সেলিমও জানান, গুনিন-এর কাজ শেষ করেই কাজলরেখার কাজ শুরু করবেন।

সিনেমা নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে সময় বাড়িয়ে নিয়েছেন নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদ। ‘শ্যামা কাব্য’ নামের একটি সিনেমা নির্মাণ করবেন তিনি। এটিও ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারি অনুদান পাওয়া।

আরও পড়ুন:
কল্যাণ তহবিল গঠন করার দাবি নাটকের শিল্পীদের

শেয়ার করুন

মেকআপ ছাড়াই ক্যামেরার সামনে বাপ্পী-মিতু

মেকআপ ছাড়াই ক্যামেরার সামনে বাপ্পী-মিতু

অভিনয়শিল্পী বাপ্পী ও জাহারা মিতু। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে ইতিহাসবিদ ও সাহিত্যিক মুনতাসীর মামুনের উপন্যাস ‘জয় বাংলা’ অবলম্বনে। বাপ্পী ও মিতু প্রথমবারের মতো অভিনয় করছেন দেশের গুণী পরিচালক কাজী হায়াৎ-এর পরিচালনায়। সব মিলিয়ে আনন্দিত বাপ্পী-মিতু।

এফডিসিতে শুরু হয়েছে জয় বাংলা সিনেমার শুটিং। শনিবার ছিল সিনেমাটির দৃশ্যধারণের প্রথম দিন। এতে অভিনয় করছেন বাপ্পী চৌধুরী ও জাহারা মিতু। সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সিনেমাটি পরিচালনা করছেন কাজী হায়াৎ।

দৃশ্যধারণ শেষে সিনেমার অভিনয়শিল্পীরা কথা বলেছেন নিউজবাংলার সঙ্গে। সিনেমার শুটিংয়ের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা জানান তারা।

জাহারা মিতু বলেন, ‘আমি দেড় বছর পর সিনেমার শুটিংয়ের জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালাম। কমান্ডোর শুটিংয়ের পর আর কাজ করিনি। এর মধ্যে কিছু ফটোশুট করেছি।’

তবে বাপ্পী এর মধ্যেও সিনেমার জন্য কিছু দৃশ্যধারণে অংশ নিয়েছেন। তবে নতুন কাজে নতুন অভিজ্ঞতা তার।

বাপ্পী বলেন, ‘জয় বাংলা পিরিয়ডিক্যাল একটি সিনেমা। এখানে আমার লুক ও পোশাকে ভিন্নতা থাকছে।’

সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে ইতিহাসবিদ ও সাহিত্যিক মুনতাসীর মামুনের উপন্যাস ‘জয় বাংলা’ অবলম্বনে। বাপ্পী ও মিতু প্রথমবারের মতো অভিনয় করছেন দেশের গুণী পরিচালক কাজী হায়াৎ-এর পরচিালনায়। সব মিলিয়ে আনন্দিত বাপ্পী-মিতু।

সিনেমার প্রেক্ষাপট ১৯৬৮ থেকে ৭১। সেই সময়ের সাজপোশাকেই দেখা যাবে অভিনয়শিল্পীদের।

জাহারা মিতু বলেন, ‘আমরা সিনেমায় কোনো মেকআপ ব্যবহার করছি না। আমি প্রথমে একটু অবাক হলেও পরে বুঝতে পেরেছি যৌক্তিক কারণেই এটা করা হচ্ছে। কাজী হায়াৎ গুণী পরিচালক, তিনিও খুব যত্ন নিয়ে সব বুঝিয়ে দিচ্ছেন।’

মুক্তিযুদ্ধের সময়ের সিনেমা হলেওে উপন্যাসের মতো সিনেমাতেও দেখানো হচ্ছে না।

বাপ্পী ও মিতু জুটির এটি দ্বিতীয় সিনেমা। এর আগে যন্ত্রণা নামের একটি সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন তারা। সেই সিনেমার অল্প কিছু দৃশ্যধারণ হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কল্যাণ তহবিল গঠন করার দাবি নাটকের শিল্পীদের

শেয়ার করুন

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে

লেক্সি লুনা নামের পর্নস্টারকে নির্বাচিত করা হয়েছে মহাকাশে বিশেষ ভিডিওটির জন্য। ছবি: সংগৃহীত

মহাকাশে সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনা যখন চলছে, তখন পর্নোগ্রাফি ইন্ডাস্ট্রিও সেখানে বিশেষ দৃশ্যধারণের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রচুর দর্শক টানতে এবং বিপুল ভিউ পেতে এডাল্ট কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্ল্যাটফর্ম এ উদ্যোগ নেয়। এর জন্য মহাকাশ ভ্রমণ সংস্থা স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের রকেটের সাহায্য নেয়া হবে। লেক্সি লুনা নামের একজন পর্নস্টারকে নির্বাচিত করা হয়েছে বিশেষ এই ভিডিওটির জন্য।

মহাকাশ এক বিস্ময়। সেখানে কী আছে, তা নিয়ে গবেষণা করে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। সেখানে গবেষণার জন্য কিছু মানুষ যান, থাকেন। তবে সেই জীবন নির্ভর করে গাণিতিক সমীকরণের ওপর। বিশ্ববাসীর তাই জায়গাটি নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই।

মহাকাশের নানা দৃশ্য দর্শকরা দেখেছেন বিদেশি সিনেমায়। তবে তার সবটুকুই গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশনে করা বা সেট তৈরি করে নির্মিত। স্পেসে গিয়ে দৃশ্যধারণের ঘটনা এখনও ঘটেনি মানব-ইতিহাসে। আর এমন প্রতিকূল পরিবেশে দৃশ্যধারণ সম্ভব কি না তা নিয়েও ছিল না কোনো ধারণা।

তা ছাড়া যেখানে মহাকাশ নিয়ে প্রয়োজনীয় গবেষণাই অনেক সময় ও অর্থের ব্যাপার, সেখানে মহাকাশে সিনেমার দৃশ্যধারণ তো অকল্পনীয়।

তবে দীর্ঘদিনের গবেষণার ফলে কিছু অগ্রগতি এসেছে মহাকাশে নানা রকম কাজের ব্যাপারে। তাই এখন বিপুল অর্থের বিনিময়ে হলেও দর্শকদের আরও রোমাঞ্চিত করতে ও নতুন দৃশ্য দেখানোর কথা ভাবছেন কেউ কেউ।

এই যেমন টম ক্রুজকে নিয়ে মহাকাশে সিনেমার দৃশ্যধারণের ঘোষণা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ২০২০ সালের মে মাসে এমন কাজ করার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করে নাসা। স্পেস স্টেশনের বাইরে সেই শুটিং করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। তবে সেটি বাস্তবায়ন হয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত করেনি নাসা বা আন্তর্জাতিক কোনো গণমাধ্যম।

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে
পর্নোগ্রাফি ইন্ডাস্ট্রি মহাকাশে বিশেষ দৃশ্যধারণের উদ্যোগ নিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

চলতি মাসেই মহাকাশে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, অক্টোবর মাসেই মহাকাশে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমার দৃশ্যধারণ করবে দেশটি। এর জন্য একজন পরিচালক ও অভিনেত্রী যাবেন মহাকাশে। সিনেমার নাম দ্য চ্যালেঞ্জার

সিনেমার জন্য এসব পরিকল্পনা যখন চলছে, তখন পর্নোগ্রাফি ইন্ডাস্ট্রিও মহাকাশে পর্নোগ্রাফি দৃশ্যধারণের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রচুর দর্শক টানতে এবং বিপুল ভিউ পেতে এডাল্ট কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্ল্যাটফর্ম এ উদ্যোগ নেয়। এর জন্য মহাকাশ ভ্রমণ সংস্থা স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের রকেটের সাহায্য নেয়া হবে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য ইনডিপেনডেন্ট

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে
স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। ছবি:সংগৃহীত

লেক্সি লুনা নামের একজন পর্নোস্টারকে নির্বাচিত করা হয়েছে বিশেষ এই ভিডিওটির জন্য। এরই মধ্যে লেক্সির জন্য টিকিটের তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে।

যে সংস্থাটি লেক্সিকে পাঠাচ্ছে সেই সংস্থার রব কেমিনোফি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘সাধারণ মানুষের কাছে যখন মহাকাশে যাওয়ার বিকল্প রাস্তা তৈরি হয়েছে। আমরাও চাই মহাকাশে যেতে। এর জন্য আমরা লেক্সি লুনাকে সেখানে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
কল্যাণ তহবিল গঠন করার দাবি নাটকের শিল্পীদের

শেয়ার করুন

সেলিম ভাইয়ের কাজ করছি এটাই গুরুত্বপূর্ণ: পরীমনি

সেলিম ভাইয়ের কাজ করছি এটাই গুরুত্বপূর্ণ: পরীমনি

অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

পরীমনি বলেন, ‘সেলিম ভাই শুধু আমাকে না, প্রত্যেকটা ক্যারেক্টারকে এমনভাবে বিশ্বাস করে, সেই বিশ্বাসের ওপর ভরসা ও বিশ্বাস আমাদেরও আছে।’

শুটিংয়ে ফিরছেন পরীমনি। ১০ অক্টোবর থেকে শুটিংয়ে অংশ নেয়ার কথা আছে তার। মামলা, কারাভোগের সব মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণা মাড়িয়ে চিরচেনা লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের জগতে ফিরতে যাচ্ছেন তিনি।

নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিমের গুনিন ওয়েব ফিল্মটি হতে যাচ্ছে বিরতির পর পরীমনির প্রথম কাজ। এতে তিনি অভিনয় করবেন রাবেয়া চরিত্রে। চরিত্রটি তৈরি করেছেন কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক। তার উপন্যাস ‘গুনিন’ অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে ওয়েব ফিল্মটি।

সেলিমের পরিচালনায় ওয়েব ফিল্ম প্রীতি তে প্রীতি, স্বপ্নজাল এ শুভ্রা হওয়ার পর এবার সেলিমের নির্দেশনায় পরীমনি হতে যাচ্ছেন রাবেয়া।

এ প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, ‘আমার কাজে ফেরা হচ্ছে গুনিন দিয়ে। সেলিম ভাইয়ের কাজের ক্ষেত্রে আমার কাছে যেটি গুরুত্বপূর্ণ সেটা শুধুই সেলিম ভাই। মানে, আমি সেলিম ভাইয়ের কাজ করছি এটাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

সেলিম ভাইয়ের কাজ করছি এটাই গুরুত্বপূর্ণ: পরীমনি
মুখোশ সিনেমার ডাবিংয়ে পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

‘সেলিম ভাই শুধু আমাকে না, প্রত্যেকটা ক্যারেক্টারকে এমনভাবে বিশ্বাস করে, সেই বিশ্বাসের ওপর ভরসা ও বিশ্বাস আমাদেরও আছে।’

স্বপ্নজালের শুভ্রা তকমাটি খুলে গুনিন এর রাবেয়া কি পারবে পরীমনিকের জাপটে ধরতে, জানতে চাইলে পরী বলেন, ‘সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি চরিত্র। এটা এখনই বলা যাবে না। বলে দিলে সেলিম ভাই আমাকে মারবে।’

গুনিন ছাড়াও পরীমনি যুক্ত আছেন বায়োপিক নামের একটি সিনেমায়। যেখানে পরীমনির বিপরীতে অভিনয় করবেন সিয়াম আহমেদ। আর পরিচালনা করবেন সঞ্জয় সমদ্দার। এটির শুটিং অক্টোবরে শুরু হবার কথা শোনা গিয়েছিল।

সেলিম ভাইয়ের কাজ করছি এটাই গুরুত্বপূর্ণ: পরীমনি
নিজের বাসায় পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

তবে পরীমনি এটি নিয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি। তিনি বলেন, ‘বায়োপিকের জন্য ছয় মাস তো চলেই গেল সাইন ও প্রিপারেশন মিলিয়ে। আরেকটু সময় লাগবে।’

পরীমনি এও জানান, আগামীতে আর কী কী কাজ রয়েছে এবং তিনি কোন শুটিং করতে যাচ্ছেন তা ধীরে ধীর সবই জানাবেন তিনি।

প্রীতিলতা সিনেমায় প্রীতিলতা চরিত্রে অভিনয় করছেন পরীমনি। রাশিদ পলাশের পরিচালনায় ২৮ অক্টোবর থেকে সিনেমার শুটিং শুরু হতে যাচ্চে। সিনেমাটি নিয়ে শুক্রবার এফডিসিতে মিট দ্য প্রীতিলতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে টিম প্রীতিলতা।

সেলিম ভাইয়ের কাজ করছি এটাই গুরুত্বপূর্ণ: পরীমনি
অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমাটিতে পরীমনি প্রীতিলতা চরিত্রটি কতটুকু ফুটিয়ে তুলতে পারবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখন তো কেউ কেউ সংবাদে স্বপ্নজাল খ্যাত বা রক্ত খ্যাত অভিনেত্রী বলে। অনেক সময় ভালোবাসা সীমিহীন খ্যাত নায়িকা হিসেবে ধরা হয় বা পরিচয় করিয়ে দেয়। একেকটা অ্যাচিভমেন্ট থাকে না জীবনে, হতে পারে প্রীতিলতা নতুন একটা অ্যাচিভমেন্ট।’

আরও পড়ুন:
কল্যাণ তহবিল গঠন করার দাবি নাটকের শিল্পীদের

শেয়ার করুন