কোরবানির কাটাকাটি থেকে দূরে থাকি: ফারিয়া

কোরবানির কাটাকাটি থেকে দূরে থাকি: ফারিয়া

অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। ছবি: সংগৃহীত

ভক্ত-অনুরাগীদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ফারিয়া বলেন, ‘আমরা একটা কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। শুধু আমরা না, পুরো বিশ্ব। তাই আমরা যেন সবাই সবার প্রতি আরেকটু সহানুভূতিশীল হই, তাহলে এই সময়টা পার করা একটু সহজ হবে।’

কোরবানির ঈদে প্রতিবারের মতো এবারও একটি খাসি কোরবানি দিচ্ছেন দেশের বিনোদন অঙ্গনের জনপ্রিয় মুখ শবনব ফারিয়া। জানালেন, কোরবানি দিলেও কাটাকাটি থেকে দূরে থাকেন তিনি। এদিন রাখেন না তেমন কোনো কাজ।

কোরবানি নিয়ে নিউজবাংলাকে শবনব ফারিয়া বলেন, ‘আমার জন্মের পর থেকেই আমার নাম দিয়ে একটা করে খাসি কোরবানি দেয়া হয়। ২০১৩ সালে একদিন আমার বাবা বলল, তুমি এই বছরে আড়াই লাখ টাকার বেশি ইনকাম করেছ?

‘তখন আমি আসলে নাটক করতাম না। বেসিক্যালি ফটোশুট, টিভিসি এইগুলো করতাম। তখন আমি বললাম হ্যাঁ, এ বছর তো আড়াই লাখ টাকার উপরে ইনকাম ছিল। তখন বাবা বলল এই বছর থেকে তোমার কোরবানি তোমার দিতে হবে। সেই যে ২০১৩ থেকে শুরু, বাসা থেকেই একটা খাসি কেনা হয়। কিন্তু ওইটার টাকাটা আমার দিতে হয়। তার আগ পর্যন্ত বাবা দিত। ওই বছর থেকে আমি দেয়া শুরু করেছি। ওটা এখন পর্যন্ত কন্টিনিউড।’

তবে এই অভিনেত্রী জানালেন, পরিবারের পক্ষ থেকে তার মা একটা গরুও কোরবানি দেন।

কোরবানি ঈদ কীভাবে কাটান জানতে চাইলে ফারিয়া বলেন, ‘কোরবানি ঈদে আমার আসলে কোনো ব্যস্ততা থাকে না। কারণ কোরবানিতে যেহেতু অনেক বেশি কাটাকাটি হয়, তাই ওগুলো থেকে আমি দূরে থাকার চেষ্টা করি। দেখা যায় ঘুম থেকে একটু দেরিতে উঠি। আম্মা কী কী রান্না করবে সেগুলো একটু আম্মার সঙ্গে দেখি।’

কোরবানির কাটাকাটি থেকে দূরে থাকি: ফারিয়া
অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। ছবি: নিউজবাংলা

ছোটবেলার কোরবানি ঈদের স্মৃতি নিয়ে শবনম ফারিয়া বলেন, ‘ছোটবেলার ঈদ তো একটু অন্য রকমই থাকে। ছোটবেলায় আমি হাটে যেতে চাইতাম। কিন্তু হাটের বাইরে পর্যন্ত যাওয়ার পরে আর কখনও যেতাম না। প্রতি বছরই বায়না করতাম যে, আমি যেতে চাই কিন্তু আমার শুচিবাই আছে। এটা একটা মজার বিষয়। বাবা বলত তুমি তো যাবা না, তুমি কেন যেতে চাও? ছোটবেলায় গরু বা ছাগল যেটা কিনে আনা হতো আমি খুব এক্সসাইটেড থাকতাম, সেগুলোকে খাওয়ানো নিয়ে।’

শবনম ফারিয়া জানালেন, তিনি মেহমানদারিতে খুব বেশি সরেস নন। বললেন, ‘আমি তো রান্না খুব একটা করতে পারি না। কেউ বাসায় আসলে আম্মা রান্না করে দিলে সেটা খাওয়াতে পারি।’

কোরবানির কাটাকাটি থেকে দূরে থাকি: ফারিয়া
অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। ছবি: সংগৃহীত

এবারের ঈদে আপনার কয়টা নাটক আসছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এই ঈদে যখন নাটকের শুটিং ছিল তখন ঢাকায় লকডাউন। আমরা কেউই ওভাবে কাজ করতে পারিনি। ঈদের জন্য আমি আলাদা করে নাটক করেছি মাত্র চারটা। কিন্তু হয়তো আগের কোনো নাটক যেতে পারে। যেটা গত বছরও গেছে।

‘রোজার ঈদেও আমরা শুটিং করতে পারিনি। কিন্তু পুরনো যে নাটকগুলো ছিল সেগুলো দেখানো হয়’-বলেন ফারিয়া।

কোরবানির কাটাকাটি থেকে দূরে থাকি: ফারিয়া
অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। ছবি: নিউজবাংলা

নতুন কাজের পরিকল্পনা প্রসঙ্গে ফারিয়া বলেন, ‘ঈদের ঠিক এক সপ্তাহ পর থেকেই এক ওয়েব সিরিজের শুটিং শুরু করার কথা ছিল। কিন্তু লকডাউনের কারণে আমি এখনও জানি না এটার কী হবে। আরেকটা ওয়েব ফিল্মে কাজ করার কথা রয়েছে। ঈদের পর এই দুটা নিয়েই ব্যস্ত থাকার কথা ছিল। কিন্তু লকডাউনের কারণে কবে থেকে শুটিং হবে, তা অনিশ্চিত।’

কোরবানির কাটাকাটি থেকে দূরে থাকি: ফারিয়া
অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। ছবি: নিউজবাংলা

ভক্ত-অনুরাগীদের ঈদের শুভেচ্ছা জানিয়ে ফারিয়া বলেন, ‘আমরা একটা কঠিন সময়ের মধ্য দিয়ে যাচ্ছি। শুধু আমরা না, পুরো বিশ্ব। তাই আমরা যেন সবাই সবার প্রতি আরেকটু সহানুভূতিশীল হই। কারণ এই সময়ে আসলে আমরা সবাই একটু বিরক্ত থাকি। অনেকেরই বিভিন্ন ধরনের অর্থনৈতিক, পারিবারিক জটিলতা যাচ্ছে। তাই একজন আরেকজনের প্রতি যদি একটু সহানুভূতিশীল থাকি তাহলে এই সময়টা পার করা একটু সহজ হবে।’

আরও পড়ুন:
‘ওয়েব সিরিজে ফোকাস করতে চাই’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পরীমনির শিল্পী সমিতির সদস্যপদ থাকবে কি?

পরীমনির শিল্পী সমিতির সদস্যপদ থাকবে কি?

পরীমনি ও জায়েদ খান। ছবি: সংগৃহীত

সিদ্ধান্ত কবে আসতে পারে, জানতে চাইলে জায়েদ জানান, সভা বা আলোচনার সিদ্ধান্ত জানাতে সংবাদ সম্মেলন করা হবে। সেটি কবে হবে তা গণমাধ্যমকে জানিয়ে দেয়া হবে।

চলচ্চিত্র শিল্পী সমিতিতে পরীমনির সদস্যপদ থাকবে কি না, তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। পরীমনির বিরুদ্ধে মামলা হওয়ার কারণে এসব কথা উঠছে। এ নিয়ে সংবাদ সম্মেলন করতে চেয়েছে শিল্পী সমিতি।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক জায়েদ খান নিউজবাংলাকে বলেন, ’পরীমনির সদস্যপদ থাকবে কি না, সেটা এখনই বলা যাচ্ছে না। আমাদের কার্যনির্বাহী কমিটির সভা বা আলোচনার পরই এ সিদ্ধান্ত নেয়া হবে।’

সিদ্ধান্ত কবে আসতে পারে, জানতে চাইলে জায়েদ জানান, সভা বা আলোচনার সিদ্ধান্ত জানাতে সংবাদ সম্মেলন করা হবে। সেটি কবে হবে তা গণমাধ্যমকে জানিয়ে দেয়া হবে।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে এক মামলায় আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনিকে চার দিনের জন্য রিমান্ডে নিয়েছে পুলিশ। একই মামলায় এই অভিনেত্রীর মামা পরিচয় দেয়া আশরাফুল ইসলাম দীপুকেও চার দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।

পরীমনিকে বৃহস্পতিবার রাতে আদালতে তোলা হলে শুনানি শেষে এ আদেশ দেন ঢাকা মুখ্য মহানগর আদালতের হাকিম মামুনুর রশীদ।

মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক একটি মামলায় প্রযোজক-পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজ ও তার সহযোগী সবুজ আলীকেও চার দিনের রিমান্ড দিয়েছে আদালত।

আরও পড়ুন:
‘ওয়েব সিরিজে ফোকাস করতে চাই’

শেয়ার করুন

পরীমনির বাসায় কেন যাব: প্রশ্ন চয়নিকার

পরীমনির বাসায় কেন যাব: প্রশ্ন চয়নিকার

চয়নিকা চৌধুরী ও পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

পরীমনির সংকটে তার পাশে চয়নিকা চৌধুরীকে দেখা যাচ্ছে না কেন, তা জানতে চাওয়া হয় নির্মাতার কাছে। তিনি বলেন, পরীমনির সঙ্গে তার যোগাযোগ ও আড্ডা নিতান্ত পেশাগত কারণে।

বিশ্বসুন্দরী সিনেমার পর নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর পরিচালনায় চিত্রনায়িকা পরীমনির কাজ করার কথা ছিলঅন্তরালে নামের ওয়েব সিরিজে।

চয়নিকা নিউজবাংলাকে জানান, আগস্টের শেষে তাদের কাজটি শুরু করার কথা।

১৩ জুন রাতে পরীমনি তাকে বোট ক্লাবে হেনস্তার অভিযোগ করে যখন সংবাদ সম্মেলন করছিলেন, তখন তার পাশে দেখা গেছে চয়নিকা চৌধুরীকে।

র‌্যাবের অভিযানে পরীমনি গ্রেপ্তার হয়ে এখন পুলিশের হাতে। পরীমনির এই সংকটে চয়নিকা চৌধুরী কেন পাশে নেই, তা নিয়ে আলোচনা চলছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে।

এ প্রসঙ্গে জানতে চাইলে চয়নিকা চৌধুরী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘১৩ জুন রাতে আমি পরীমনির কাছে গিয়েছিলাম তার দেয়া স্ট্যাটাস পড়ে। বিষয়টা কিন্তু এমন না যে, আমি সব আগে থেকেই জানতাম।’

চয়নিকা আরও বলেন, ‘অনেকে অনেক কথাই বলবে। আমি গেলেও আলোচনা-সমালোচনা করবে; না গেলেও আলোচনা-সমালোচনা করবে। এতে আমার কিছু যায় আসে না।’

চয়নিকা বলেন, ‘পরীমনির বাসায় অভিযান চলার কথা শুনে সেখানে আমি কেন যাব? আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল। আইন অনুযায়ী সেখানে কাজ হবে, এটাই তো স্বাভাবিক।

‘আমার সেখানে কী করার আছে? আর সেখানে গেলেই কি আমি পরীমনির বাসায় যেতে পারতাম?’

বিশ্বসুন্দরী সিনেমার পর থেকেই পরীমনি ও চয়নিকাকে একসঙ্গে দেখা গেছে অনেকবার। তাদের ঘনিষ্ঠতা নিয়ে জানতে চাইলে চয়নিকা বলেন, ‘আমার পরিচালিত প্রথম সিনেমায় পরীমনি কাজ করেছে। কাজের কারণেই অনেক দিন আমরা একে অপরের সঙ্গে মিশেছি। আমাদের মধ্যে একটা সম্মানের সম্পর্ক আছে।’

পরীমনির বাসায় কেন যাব: প্রশ্ন চয়নিকার
নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরীর সঙ্গে চিত্রনায়িকা পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

তিনি বলেন, ‘তার (পরীমনি) ব্যক্তিগত বিষয় নিয়ে যেমন আমার কোনো আগ্রহ ছিল না, তেমনি পরীমনিও তার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে আমার সঙ্গে আলোচনা করত না। আমাদের কথা-আড্ডা হতো কাজ নিয়ে; কাজের ধরন নিয়ে।

‘আমি আগেই বলেছি, আমি পরিচ্ছন্ন জীবনযাপন করি। শুধু পরীমনি কেন, কারও ব্যক্তিগত বিষয় জানার আগ্রহ ও সময় আমার নেই।’

নিজের পেশাদারত্বের পরিচয় দিতে গিয়ে চয়নিকা বলেন, ‘আমি যাদের নিয়ে কাজ করি, তাদের সবাইকেই অনেক সম্মান করি। অভিনয়শিল্পী থেকে শুরু করে ক্যামেরার পেছনে যারা কাজ করেন, সবাই আমার কাছে সম্মানিত।

‘আমি খুব পরিচ্ছন্ন জীবনযাপন করি। সেটা আমার সঙ্গে যারা কাজ করেন সবাই জানেন। আমার স্বভাব মানুষের বিপদে পাশে থাকা। আর এটা আমি মানবিকভাবেই চেষ্টা করি।’

আরও পড়ুন:
‘ওয়েব সিরিজে ফোকাস করতে চাই’

শেয়ার করুন

আইনজীবীকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন পরীমনি

আইনজীবীকে জড়িয়ে ধরে কাঁদলেন পরীমনি

বনানী থানা থেকে অ্যাম্বুলেন্সযোগে আদালতে পৌঁছান পরীমনি। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

আদালতের কাঠগড়ায় এক পরিচিত আইনজীবীকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত এই অভিনেত্রী। পরে রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী তাকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। তবে বিচারক তাকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন। 

মাদক মামলায় গ্রেপ্তার আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনিকে আদালতে নেয়া হয়েছে অ্যাম্বুলেন্সে। বনানী থানা থেকে রাত ৮টার দিকে রওনা দিয়ে ২৭ মিনিট পর ঢাকা মুখ্য মহানগর আদালত প্রাঙ্গণে পৌঁছায়।

আদালতের কাঠগড়ায় এক পরিচিত আইনজীবীকে জড়িয়ে কান্নায় ভেঙে পড়েন ঢাকাই চলচ্চিত্রের আলোচিত এই অভিনেত্রী। রাত ৮টা ৩৩ মিনিটে এজলাসে আসন গ্রহণ করেন বিচারক মো. মামুনুর রশিদ।

আদালত কক্ষে ওকালতনামায় পরীমনির সই নেয়া নিয়ে দুই পক্ষের আইনজীবীরা বিবাদে জড়িয়ে পড়েন। একপর্যায়ে বিচারক এজলাস থেকে নেমে যান।

বিবাদ থামলে নীলাঞ্জনা রেফাত সুরভীর দেয়া ওকালতনামায় সই করেন পরীমনি।

রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য সাত দিনের রিমান্ড আবেদন করেন। তবে বিচারক তাকে চার দিনের রিমান্ডে পাঠানোর আদেশ দেন।

এই অভিনেত্রীর পক্ষে শুনানি করন নীলাঞ্জনা রেফাত সুরভীসহ আরও কয়েকজন আইনজীবী। তারা রিমান্ড বাতিল এবং জামিন চেয়ে আবেদন করেন।

পরীমনির পাশাপাশি বনানী থানায় মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে আরেকটি মামলায় আদালতে তোলা হয় পরিচালক-প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজকে।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বনানী থানায় পরীমনি, রাজ ও আরও দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে মামলা দুটি করে র‌্যাব।

এর আগে র‌্যাব কার্যালয়ে পরীমনি ও রাজকে আটকের বিষয়ে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানোর পর বনানী থানায় নিয়ে আসে বাহিনীটি।

র‌্যাব জানায়, অ্যালকোহলের চাহিদা মেটাতে পরীমনি নিজ বাসায় ‘মিনি বার’ স্থাপন করেছিলেন।

ব্রিফিংয়ে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘পরীমনির বাসার মিনি বারে বিভিন্ন বিদেশি মদ, ইয়াবা, এলএসডি ও আইস পাওয়া গেছে। পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদে আমরা এ তথ্য জেনেছি।

‘আমরা জেনেছি, ২০১৬ সালে অ্যালকোহলে আসক্ত হন তিনি। চাহিদা মেটাতেই এই মিনি বার স্থাপন করেন। বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডিজে পার্টির আয়োজন করতেন। এই মিনি বারে অ্যালকোহল সরবরাহ করতেন নজরুল ইসলাম রাজ।’

পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান শেষে বুধবার রাতে তাকে নিজেদের জিম্মায় র‌্যাবের হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই অভিনেত্রীর বাসায় অভিযান শেষ হতেই বনানীতেই অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় প্রযোজক-পরিচালক রাজকে।

র‍্যাব জানায়, পরীর বাসা থেকে জব্দ করা হয়েছে আট বোতল প্লাটিনাম লেভেল, তিনটি ব্ল্যাক লেভেল, দুটি সিভাস সিগ্যাল, দুটি ফক্স গ্রোভ, একটি ব্লু লেভেল, দটি গ্ল্যানলিভেট, একটি গ্ল্যানফিডিচ বোতল।

এ ছাড়া এই অভিনেত্রীর বাসা থেকে জব্দ হয়েছে চার গ্রাম আইস ও এক স্লট ভয়ংকর মাদক এলএসডি। জব্দতালিকায় একটি বং পাইপের কথাও বলা হয়েছে।

আর চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজের অফিস থেকে বিপুল মদ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। জব্দতালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে তার বাসায় মিলেছে সাত বোতল গ্ল্যানলিভেট, দুটি গ্ল্যানফিডিচ, চারটি ফক্স গ্রোভ, একটি প্লাটিনাম লেভেল।

এর বাইরে সিসায় ব্যবহৃত চারকোলের একটি প্যাকেট, দুই সেট সিসার সরঞ্জাম, দুই ধরনের সিসা তামাক, সিসা সেবনের জন্য ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের একটি রোল, ৯৭০ পিস ইয়াবার কথাও বলা হয়েছে জব্দতালিকায়।

এ ছাড়া যৌনাচারের জন্য ব্যবহৃত ১৪টি বেআইনি সরঞ্জাম, একটি সাউন্ড বক্স ও দুটি মোবাইল ফোন এবং একটি মেমোরি কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘ওয়েব সিরিজে ফোকাস করতে চাই’

শেয়ার করুন

পরীমনির বাসা ছিল ‘মিনি বার’

পরীমনির বাসা ছিল ‘মিনি বার’

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘আমরা জেনেছি, ২০১৬ সালে অ্যালকোহলে আসক্ত হন তিনি। চাহিদা মেটাতেই এই মিনি বার স্থাপন করেন। বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডিজে পার্টির আয়োজন করতেন। এই মিনি বারে অ্যালকোহল সরবরাহ করতেন নজরুল ইসলাম রাজ।’

অ্যালকোহলের চাহিদা মেটাতে পরীমনি নিজ বাসায় ‘মিনি বার’ স্থাপন করেছিলেন বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

ঢাকাই সিনেমার এই অভিনেত্রীকে আটকের পরদিন বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানায় বাহিনীটি।

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘পরীমনির বাসার মিনি বারে বিভিন্ন বিদেশি মদ, ইয়াবা, এলএসডি ও আইস পাওয়া গেছে। পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদে আমরা এ তথ্য জেনেছি।

‘আমরা জেনেছি, ২০১৬ সালে অ্যালকোহলে আসক্ত হন তিনি। চাহিদা মেটাতেই এই মিনি বার স্থাপন করেন। বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডিজে পার্টির আয়োজন করতেন। এই মিনি বারে অ্যালকোহল সরবরাহ করতেন নজরুল ইসলাম রাজ।’

পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান শেষে বুধবার রাতে তাকে নিজেদের জিম্মায় র‌্যাবের হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই অভিনেত্রীর বাসায় অভিযান শেষ হতেই বনানীতেই অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় প্রযোজক-পরিচালক রাজকে।

র‍্যাব জানায়, পরীর বাসা থেকে জব্দ করা হয়েছে আট বোতল প্লাটিনাম লেভেল, তিনটি ব্ল্যাক লেভেল, দুটি সিভাস সিগ্যাল, দুটি ফক্স গ্রোভ, একটি ব্লু লেভেল, দুটি গ্ল্যানলিভেট, একটি গ্ল্যানফিডিচ বোতল।

এ ছাড়া এই অভিনেত্রীর বাসা থেকে জব্দ হয়েছে চার গ্রাম আইস ও এক স্লট ভয়ংকর মাদক এলএসডি। জব্দ তালিকায় একটি বং পাইপের কথাও বলা হয়েছে।

আর চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজের অফিস থেকে বিপুল মদ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। জব্দতালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে তার বাসায় মিলেছে সাত বোতল গ্ল্যানলিভেট, দুটি গ্ল্যানফিডিচ, চারটি ফক্স গ্রোভ, একটি প্লাটিনাম লেভেল।

এর বাইরে সিসায় ব্যবহৃত চারকোলের একটি প্যাকেট, দুই সেট সিসার সরঞ্জাম, দুই ধরনের সিসা তামাক, সিসা সেবনের জন্য ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের একটি রোল, ৯৭০ পিস ইয়াবার কথাও বলা হয়েছে জব্দতালিকায়।

এ ছাড়া যৌনাচারের জন্য ব্যবহৃত ১৪টি বেআইনি সরঞ্জাম, একটি সাউন্ড বক্স ও দুটি মোবাইল ফোন এবং একটি মেমোরি কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘ওয়েব সিরিজে ফোকাস করতে চাই’

শেয়ার করুন

পরীমনির মদের লাইসেন্স ছিল, তবে...

পরীমনির মদের লাইসেন্স ছিল, তবে...

পরীমনির বাসা থেকে জব্দ করা মদের বোতল। ছবি: নিউজবাংলা

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘পরীমনি ২০১৬ সাল থেকে মাদক সেবন করতেন। এমনকি ভয়ংকর মাদক এলএসডি ও আইসও সেবন করতেন। তার বাসায় একটি মিনি বারও রয়েছে। তিনি বাসায় নিয়মিত মদের পার্টি করতেন। চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ পরীমনির বাসায় এসব মাদক সাপ্লাই (সরবরাহ) করতেন।’

পরীমনির বাসায় তার একটি মদের লাইসেন্সের কপি পেয়েছে র‍্যাব। তবে সেটি আইনসিদ্ধ ছিল না বলে জানিয়েছেন এলিট বাহিনীটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে র‍্যাব সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আইনসিদ্ধ পদ্ধতিতে গতানুগতিক নিয়ম অনুযায়ী পরীমনির বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়। যা একটি লাইসেন্সে কাভার করে না। পাশাপাশি তার বাসায় লাইসেন্সের একটি কপি পেয়েছি, তবে তা আইনসিদ্ধ নয় এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল।’

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘পরীমনি ২০১৬ সাল থেকে মাদক সেবন করতেন। এমনকি ভয়ংকর মাদক এলএসডি ও আইসও সেবন করতেন। তার বাসায় একটি মিনি বারও রয়েছে। তিনি বাসায় নিয়মিত মদের পার্টি করতেন। চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ পরীমনির বাসায় এসব মাদক সাপ্লাই (সরবরাহ) করতেন।’

পরীমনির মদের লাইসেন্স ছিল, তবে...
পরীমনিকে আটকের বিষয়ে ব্রিফিংয়ের পর তাকে বনানী থানায় নিয়ে যায় র‌্যাব। ছবি: নিউজবাংলা
আরও পড়ুন:
‘ওয়েব সিরিজে ফোকাস করতে চাই’

শেয়ার করুন

পরীমনি-রাজের বিরুদ্ধে মাদকের মামলা

পরীমনি-রাজের বিরুদ্ধে মাদকের মামলা

পরীমনিকে আটকের বিষয়ে ব্রিফিংয়ের পর তাকে বনানী থানায় নিয়ে যায় র‌্যাব। ছবি: নিউজবাংলা

এর আগে পরীমনি ও রাজকে আটকের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে ব্রিফিংয়ে আসে র‌্যাব। বাহিনীটি জানায়, অ্যালকোহলের চাহিদা মেটাতে পরীমনি নিজ বাসায় ‘মিনি বার’ স্থাপন করেছিলেন। সেখানে নেশা জাতীয় পণ্য সরবরাহ করতেন পরিচালক-প্রযোজক রাজ।

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি ও প্রযোজক-পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন মামলা করেছে র‍্যাব।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে মামলা দায়ের হয় বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আজম।

এর আগে পরীমনি ও রাজকে আটকের বিষয়ে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানোর পর বিকেলে বনানী থানায় নিয়ে আসা হয়। সেখানেই পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়।

বনানী থানা থেকেই পরীমনি ও রাজকে আদালতে তোলার কথা রয়েছে।

এর আগে র‌্যাব কার্যালয়ে পরীমনি ও রাজকে আটকের বিষয়ে বিস্তারিত গণমাধ্যমে তুলে ধরে র‍্যাব। বাহিনীটি জানায়, অ্যালকোহলের চাহিদা মেটাতে পরীমনি নিজ বাসায় ‘মিনি বার’ স্থাপন করেছিলেন।

ব্রিফিংয়ে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘পরীমনির বাসার মিনি বারে বিভিন্ন বিদেশি মদ, ইয়াবা, এলএসডি ও আইস পাওয়া গেছে। পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদে আমরা এ তথ্য জেনেছি।

‘আমরা জেনেছি, ২০১৬ সালে অ্যালকোহলে আসক্ত হন তিনি। চাহিদা মেটাতেই এই মিনি বার স্থাপন করেন। বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডিজে পার্টি আয়োজন করতেন। এই মিনি বারে অ্যালকোহল সরবরাহ করতো নজরুল ইসলাম রাজ।’

পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান শেষে বুধবার রাতে তাকে নিজেদের জিম্মায় র‌্যাবের হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই অভিনেত্রীর বাসায় অভিযান শেষ হতেই বনানীতেই অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় প্রযোজক-পরিচালক রাজকে।

র‍্যাব জানায়, পরীর বাসা থেকে জব্দ করা হয়েছে ৮ বোতল প্লাটিনাম লেভেল, তিনটি ব্ল্যাক লেভেল, ২টি সিভাস সিগ্যাল, ২টি ফক্স গ্রোভ, একটি ব্লু লেভেল, ২টি গ্ল্যানলিভেট, একটি গ্ল্যানফিডিচ বোতল।

এ ছাড়া, এই অভিনেত্রীর বাসা থেকে জব্দ হয়েছে ৪ গ্রাম আইস ও এক স্লট ভয়ংকর মাদক এলএসডি। জব্দ তালিকায় একটি বং পাইপের কথাও বলা হয়েছে।

আর চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজের অফিস থেকে বিপুল মদ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। জব্দ তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে তার বাসায় মিলেছে সাত বোতল গ্ল্যানলিভেট, ২টি গ্ল্যানফিডিচ, চারটি ফক্স গ্রোভ, একটি প্লাটিনাম লেভেল।

এর বাইরে সীসায় ব্যবহৃত চারকোলের একটি প্যাকেট, দুই সেট সীসার সরঞ্জাম, দুই ধরনের সীসা তামাক, সীসা সেবনের জন্য ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের একটি রোল, ৯৭০ পিস ইয়াবার কথাও বলা হয়েছে জব্দ তালিকায়।

এ ছাড়া, যৌনাচারের জন্য ব্যবহৃত ১৪টি বেআইনি সরঞ্জাম, একটি সাউন্ড বক্স ও দুটি মোবাইল ফোন সেট এবং একটি মেমোরি কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘ওয়েব সিরিজে ফোকাস করতে চাই’

শেয়ার করুন

পরীমনি-রাজসহ ৪ জন বনানী থানায়

পরীমনি-রাজসহ ৪ জন বনানী থানায়

পরীমনিকে আটকের বিষয়ে ব্রিফিংয়ের পর তাকে বনানী থানায় নিয়ে যায় র‌্যাব। ছবি: নিউজবাংলা

এর আগে পরীমনি ও রাজকে আটকের বিষয়ে বিস্তারিত গণমাধ্যমে তুলে ধরে র‍্যাব। বাহিনীটি জানায়, অ্যালকোহলের চাহিদা মেটাতে পরীমনি নিজ বাসায় ‘মিনি বার’ স্থাপন করেছিলেন।

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি ও প্রযোজক-পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজকে র‍্যাব সদর দপ্তর থেকে বনানী থানায় আনা হয়েছে।

পরীমনি, রাজ ও তাদের সঙ্গে আটক আরও দুজনের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা হতে পারে বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন বনানী থানার ওসি নূরে আজম। তিনি বলেন, ‘মামলার কাজ চলমান রয়েছে।’

মাদক আইনে মামলা হতে পারে পরীমনির বিরুদ্ধে। রাজের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে মাদক ও পর্নোগ্রাফি আইনে।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে পরীমনি ও রাজকে আটকের বিষয়ে বিস্তারিত গণমাধ্যমে তুলে ধরে র‍্যাব। বাহিনীটি জানায়, অ্যালকোহলের চাহিদা মেটাতে পরীমনি নিজ বাসায় ‘মিনি বার’ স্থাপন করেছিলেন।

ব্রিফিংয়ে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘পরীমনির বাসার মিনি বারে বিভিন্ন বিদেশি মদ, ইয়াবা, এলএসডি ও আইস পাওয়া গেছে। পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদে আমরা এ তথ্য জেনেছি।

‘আমরা জেনেছি, ২০১৬ সালে অ্যালকোহলে আশক্ত হন তিনি। চাহিদা মেটাতেই এই মিনি বার স্থাপন করেন। বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডিজে পার্টির আয়োজন করতেন। এই মিনি বারে অ্যালকোহল সরবরাহ করতেন নজরুল ইসলাম রাজ।’

পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান শেষে বুধবার রাতে তাকে নিজেদের জিম্মায় র‌্যাবের হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই অভিনেত্রীর বাসায় অভিযান শেষ হতেই বনানীতেই অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় প্রযোজক-পরিচালক রাজকে।

র‍্যাব জানায়, পরীর বাসা থেকে জব্দ করা হয়েছে আট বোতল প্লাটিনাম লেভেল, তিনটি ব্ল্যাক লেভেল, দুটি সিভাস সিগ্যাল, দুটি ফক্স গ্রোভ, একটি ব্লু লেভেল, দুটি গ্ল্যানলিভেট, একটি গ্ল্যানফিডিচ বোতল।

এ ছাড়া এই অভিনেত্রীর বাসা থেকে জব্দ হয়েছে চার গ্রাম আইস ও এক স্লট ভয়ংকর মাদক এলএসডি। জব্দতালিকায় একটি বং পাইপের কথাও বলা হয়েছে।

আর চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজের অফিস থেকে বিপুল মদ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। জব্দতালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে তার বাসায় মিলেছে সাত বোতল গ্ল্যানলিভেট, দুটি গ্ল্যানফিডিচ, চারটি ফক্স গ্রোভ, একটি প্লাটিনাম লেভেল।

এর বাইরে সিসায় ব্যবহৃত চারকোলের একটি প্যাকেট, দুই সেট সিসার সরঞ্জাম, দুই ধরনের সিসা তামাক, সিসা সেবনের জন্য ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের একটি রোল, ৯৭০ পিস ইয়াবার কথাও বলা হয়েছে জব্দতালিকায়।

এ ছাড়া যৌনাচারের জন্য ব্যবহৃত ১৪টি বেআইনি সরঞ্জাম, একটি সাউন্ড বক্স ও দুটি মোবাইল ফোন এবং একটি মেমোরি কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
‘ওয়েব সিরিজে ফোকাস করতে চাই’

শেয়ার করুন