এবার নাটক বানালেন অভিনেতা নিকুল

এবার নাটক বানালেন অভিনেতা নিকুল

নাটকের দৃশ্যে ইমতিয়াজ বর্ষণ ও অর্ষা (বায়ে) এবং নির্মাতা নিকুল মন্ডল। ছবি: সংগৃহীত

নুরুলের শেষের কবিতা প্রসঙ্গে নিকুল মন্ডল বলেন, ‘এ নাটক দিয়ে আমার পরিচালক হিসেবে যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে। অনেক আবেগ ও প্রত্যাশা মিশে আছে এ কাজটির সঙ্গে।’

নানামাত্রিক চরিত্রে অভিনয় দিয়ে বেশ জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন অভিনেতা নিকুল মন্ডল। তাকে দেখা গেছে দেবী চলচ্চিত্রেও।

তবে এবার নির্মাতা পরিচয়ে হাজির হয়েছেন এই অভিনেতা।

প্রথমবারের মতো নুরুলের শেষের কবিতা নামে একটি নাটক নির্মান করলেন তিনি। এ নাটকটি রচনা করেছেন সাংবাদিক লিমন আহমেদ।

নাটকটিতে এক কবির নিরব প্রেম ও বিরহ ফুটে উঠেছে৷ নাটকে কবি চরিত্রে অভিনয় করেছেন ঊনপঞ্চাশ বাতাস খ্যাত তারকা ইমতিয়াজ বর্ষণ। আর তার প্রেমিকা চরিত্রে দেখা যাবে লাক্স তারকা নাজিয়া হক অর্ষাকে৷

এছাড়াও নাটকটিতে গুরুত্বপূর্ণ একটি চরিত্রে অভিনয় করেছেন ট্রান্সজেন্ডার নারী হোচিমিন।

নুরুলের শেষের কবিতা প্রসঙ্গে নিকুল মন্ডল বলেন, ‘এ নাটক দিয়ে আমার পরিচালক হিসেবে যাত্রা শুরু হতে যাচ্ছে। অনেক আবেগ ও প্রত্যাশা মিশে আছে এ কাজটির সঙ্গে।

‘আমি ধন্যবাদ জানাই আমার এ নাটকের সঙ্গে সম্পৃক্ত সবাইকে। খুব ভালো একটি টিম পেয়েছি বলে কোনো বাজে অভিজ্ঞতা ছাড়াই নাটকটির কাজ শেষ করতে পেরেছি। সবার ভালোবাসা নিয়ে পরিচালনায় নিয়মিত হতে চাই।’

এবার নাটক বানালেন অভিনেতা নিকুল
নুরুলের শেষের কবিতা নাটকের দৃশ্যে অভিনেতা ইমতিয়াজ বর্ষণ ও অভিনেত্রী নাজিয়া হক অর্ষা। ছবি: সংগৃহীত

নাটকটিতে একটি গান রয়েছে। সেটি লিখেছেন এ প্রজন্মের জনপ্রিয় গীতিকবি জাহিদ আকবর। আর গানটিতে কণ্ঠ দিয়েছেন দেবলীনা সুর।

এবার নাটক বানালেন অভিনেতা নিকুল
নুরুলের শেষের কবিতা নাটকের দৃশ্যে অভিনেতা মাসুম বাশার ও অভিনেত্রী মিলি বাশার। ছবি: সংগৃহীত

নাটকটিতে আরও অভিনয় করেছেন শহীদুল্লাহ সবুজ, মিলি বাশার, মাসুম বাশার, আনন্দ খালেদ, হিল্লোল সরকার, জাহিদ হিমেল, জুয়েল মিয়াসহ অনেকে।

এবার নাটক বানালেন অভিনেতা নিকুল
শুটিং সেটে ট্রান্সজেন্ডার নারী হোচিমিন ইসলাম (বায়ে)ও অভিনেত্রী নাজিয়া হক অর্ষা । ছবি: সংগৃহীত

শিগগিরই নাটকটি একটি বেসরকারি টেলিভিশনে প্রচার হবে বলে নিশ্চিত করেছেন নির্মাতা নিকুল মন্ডল।

আরও পড়ুন:
শাটডাউনে নাটকের শুটিং কীভাবে
টিভি নাটকে ট্রান্সজেন্ডার নারী হোচিমিন
শুটিং চালু রাখতে সম্মিলিত চেষ্টা
প্রথমবার একসঙ্গে নিশো-তানহা
প্রথমবার ইরফান-তৌসিফ, মাঝে তানহা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না’

‘আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না’

গায়ক কবীর সুমন। ফাইল ছবি

ফেসবুকে পোস্ট করা ভিডিওর ক্যাপশনে সুমন লেখেন, ‘বাঙালি মিডিয়াকর্মীদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ, আমার বাবা-মা, আমার গুরুদের দোহাই, বাংলা ভাষা, বাংলা গানের দোহাই, আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না। বিশেষ করে বাংলাদেশের মিডিয়াকর্মীদের প্রতি এই সনির্বন্ধ অনুরোধ।’

মরণোত্তর দেহদানের আনুষ্ঠানিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন করেছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী কবীর সুমন। গত বুধবার ৭২ বছর বয়সি এ শিল্পী দেহদানের অঙ্গীকারপত্রে সই করেন। বৃহস্পতিবার সেই অঙ্গীকারপত্রের ছবি নিজ ফেসবুক অ্যাকাউন্টে প্রকাশ করেন তিনি।

খবরটি দুই বাংলার সংবাদমাধ্যমেই প্রকাশ পায়। সুমনের দাবি, সে সংবাদে বাংলাদেশের সংবাদকর্মীরা তাকে ‘জীবনমুখী গানের শিল্পী’ হিসেবে উল্লেখ করেছেন।

শিল্পী শনিবার তার ফেসবুকে করা পোস্টে এমন দাবি করেন।

ভিডিওর ক্যাপশনে সুমন লেখেন, ‘বাঙালি মিডিয়াকর্মীদের প্রতি সনির্বন্ধ অনুরোধ, আমার বাবা-মা, আমার গুরুদের দোহাই, বাংলা ভাষা, বাংলা গানের দোহাই, আমাকে জীবনমুখী গায়ক বলবেন না।

‘বিশেষ করে বাংলাদেশের মিডিয়াকর্মীদের প্রতি এই সনির্বন্ধ অনুরোধ। তারা প্রায় সব সময় আমার নামের আগে এই কথা প্রয়োগ করে থাকেন।’

তিনি আরও লেখেন, ‘মহান শিল্পী শ্রীযুক্ত নচিকেতা চক্রবর্তীর গানের ক্যাসেটে ওই কথাটি ছিল, থাকত: জীবনমুখী বাংলা গান বা গান। আমার গানের কোনো অ্যালবামে ওই কথাটি ছিল না; থাকে না। দয়া করে আমার নামের আগে ওই কথাগুলি লিখবেন না। দয়া করে।’

ভিডিওতে সুমন জানান, তিনি সব সময় আধুনিক বাংলা গান নিয়ে কাজ করে এসেছেন। আর এখন বাংলা খেয়াল নিয়ে কাজ করছেন।

আরও পড়ুন:
শাটডাউনে নাটকের শুটিং কীভাবে
টিভি নাটকে ট্রান্সজেন্ডার নারী হোচিমিন
শুটিং চালু রাখতে সম্মিলিত চেষ্টা
প্রথমবার একসঙ্গে নিশো-তানহা
প্রথমবার ইরফান-তৌসিফ, মাঝে তানহা

শেয়ার করুন

আগেরটা রেখেই কেন নতুন কাজ

আগেরটা রেখেই কেন নতুন কাজ

নির্মাতা এস এ হক অলিক ও গিয়াস উদ্দিন সেলিম। ফাইল ছবি

‘গলুই’ ও ‘গুনিন’ এস এ হক অলিক ও গিয়াস উদ্দিন সেলিমের নতুন কাজ। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দুজনই পেয়েছেন সরকারি অনুদান। অনুদানে অলিক নির্মাণ করবেন ‘যোদ্ধা’ আর সেলিম নির্মাণ করবেন ‘কাজলরেখা’ সিনেমা। অথচ পুরনো কাজ শেষ না করেই নতুন কাজ শুরু করেছেন তারা।

দেশের দুই খ্যাতিমান নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিম এবং এস এ হক অলিক। দুজনই তাদের নতুন সিনেমা নিয়ে ব্যস্ত সময় পার করছেন।

নতুন সিনেমা গলুই-এর দৃশ্যধারণ করতে অলিক এখন ব্যস্ত সময় পার করছেন টাঙ্গাইলের মহেরা জমিদারবাড়িতে।

অন্যদিকে গিয়াস উদ্দিন সেলিম ১০ অক্টোবর থেকে দৃশ্যধারণে যাবেন। তিনি গুনিন নামে একটি ওয়েব ফিল্ম নির্মাণ করবেন।

গলুইগুনিন অলিক ও সেলিমের নতুন কাজ। অথচ দুজনের কাছেই পুরনো কাজ জমা পড়ে আছে। ২০১৮-১৯ অর্থবছরে দুজনই পেয়েছিলেন সরকারি অনুদান।

সরকারি অনুদানে অলিক নির্মাণ করবেন ‘যোদ্ধা’ আর সেলিম নির্মাণ করবেন ‘কাজলরেখা’। অথচ পুরনো কাজ শেষ না করেই নতুন কাজ শুরু করেছেন ওই দুই পরিচালক। কিন্তু কেন?

দুজন পরিচালকই নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন, তাদের কাজ শুরু করার প্রধান অন্তরায় ছিল করোনা পরিস্থিতি।

অলিক বলেন, ‘যোদ্ধা সিনেমার দৃশ্যধারণ শীতে করতে হবে। গত শীতে করোনার কারণে করা সম্ভব হয়নি। আগামী শীতে করতে পারব আশা করি। গলুই-এর পরেই যোদ্ধার কাজ ধরার ইচ্ছা আছে।’

সেলিম বলেন, ‘প্রথমত, সিনেমাটি করার জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে সময় বাড়িয়ে নিয়েছি। দ্বিতীয়ত, কাজলরেখা বড় বাজেটের সিনেমা। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে সিনেমা নির্মাণের জন্য টাকা পাওয়া কঠিন। তাই কাজটি ধরা হয়নি।’

অলিকের মতো সেলিমও জানান, গুনিন-এর কাজ শেষ করেই কাজলরেখার কাজ শুরু করবেন।

সিনেমা নির্মাণের জন্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করে সময় বাড়িয়ে নিয়েছেন নির্মাতা বদরুল আনাম সৌদ। ‘শ্যামা কাব্য’ নামের একটি সিনেমা নির্মাণ করবেন তিনি। এটিও ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারি অনুদান পাওয়া।

আরও পড়ুন:
শাটডাউনে নাটকের শুটিং কীভাবে
টিভি নাটকে ট্রান্সজেন্ডার নারী হোচিমিন
শুটিং চালু রাখতে সম্মিলিত চেষ্টা
প্রথমবার একসঙ্গে নিশো-তানহা
প্রথমবার ইরফান-তৌসিফ, মাঝে তানহা

শেয়ার করুন

মেকআপ ছাড়াই ক্যামেরার সামনে বাপ্পী-মিতু

মেকআপ ছাড়াই ক্যামেরার সামনে বাপ্পী-মিতু

অভিনয়শিল্পী বাপ্পী ও জাহারা মিতু। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে ইতিহাসবিদ ও সাহিত্যিক মুনতাসীর মামুনের উপন্যাস ‘জয় বাংলা’ অবলম্বনে। বাপ্পী ও মিতু প্রথমবারের মতো অভিনয় করছেন দেশের গুণী পরিচালক কাজী হায়াৎ-এর পরিচালনায়। সব মিলিয়ে আনন্দিত বাপ্পী-মিতু।

এফডিসিতে শুরু হয়েছে জয় বাংলা সিনেমার শুটিং। শনিবার ছিল সিনেমাটির দৃশ্যধারণের প্রথম দিন। এতে অভিনয় করছেন বাপ্পী চৌধুরী ও জাহারা মিতু। সরকারি অনুদানপ্রাপ্ত সিনেমাটি পরিচালনা করছেন কাজী হায়াৎ।

দৃশ্যধারণ শেষে সিনেমার অভিনয়শিল্পীরা কথা বলেছেন নিউজবাংলার সঙ্গে। সিনেমার শুটিংয়ের প্রথম দিনের অভিজ্ঞতা জানান তারা।

জাহারা মিতু বলেন, ‘আমি দেড় বছর পর সিনেমার শুটিংয়ের জন্য ক্যামেরার সামনে দাঁড়ালাম। কমান্ডোর শুটিংয়ের পর আর কাজ করিনি। এর মধ্যে কিছু ফটোশুট করেছি।’

তবে বাপ্পী এর মধ্যেও সিনেমার জন্য কিছু দৃশ্যধারণে অংশ নিয়েছেন। তবে নতুন কাজে নতুন অভিজ্ঞতা তার।

বাপ্পী বলেন, ‘জয় বাংলা পিরিয়ডিক্যাল একটি সিনেমা। এখানে আমার লুক ও পোশাকে ভিন্নতা থাকছে।’

সিনেমাটি নির্মিত হচ্ছে ইতিহাসবিদ ও সাহিত্যিক মুনতাসীর মামুনের উপন্যাস ‘জয় বাংলা’ অবলম্বনে। বাপ্পী ও মিতু প্রথমবারের মতো অভিনয় করছেন দেশের গুণী পরিচালক কাজী হায়াৎ-এর পরচিালনায়। সব মিলিয়ে আনন্দিত বাপ্পী-মিতু।

সিনেমার প্রেক্ষাপট ১৯৬৮ থেকে ৭১। সেই সময়ের সাজপোশাকেই দেখা যাবে অভিনয়শিল্পীদের।

জাহারা মিতু বলেন, ‘আমরা সিনেমায় কোনো মেকআপ ব্যবহার করছি না। আমি প্রথমে একটু অবাক হলেও পরে বুঝতে পেরেছি যৌক্তিক কারণেই এটা করা হচ্ছে। কাজী হায়াৎ গুণী পরিচালক, তিনিও খুব যত্ন নিয়ে সব বুঝিয়ে দিচ্ছেন।’

মুক্তিযুদ্ধের সময়ের সিনেমা হলেওে উপন্যাসের মতো সিনেমাতেও দেখানো হচ্ছে না।

বাপ্পী ও মিতু জুটির এটি দ্বিতীয় সিনেমা। এর আগে যন্ত্রণা নামের একটি সিনেমার শুটিংয়ে অংশ নিয়েছিলেন তারা। সেই সিনেমার অল্প কিছু দৃশ্যধারণ হয়েছে।

আরও পড়ুন:
শাটডাউনে নাটকের শুটিং কীভাবে
টিভি নাটকে ট্রান্সজেন্ডার নারী হোচিমিন
শুটিং চালু রাখতে সম্মিলিত চেষ্টা
প্রথমবার একসঙ্গে নিশো-তানহা
প্রথমবার ইরফান-তৌসিফ, মাঝে তানহা

শেয়ার করুন

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে

লেক্সি লুনা নামের পর্নস্টারকে নির্বাচিত করা হয়েছে মহাকাশে বিশেষ ভিডিওটির জন্য। ছবি: সংগৃহীত

মহাকাশে সিনেমা নির্মাণের পরিকল্পনা যখন চলছে, তখন পর্নোগ্রাফি ইন্ডাস্ট্রিও সেখানে বিশেষ দৃশ্যধারণের উদ্যোগ নিয়েছে। প্রচুর দর্শক টানতে এবং বিপুল ভিউ পেতে এডাল্ট কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্ল্যাটফর্ম এ উদ্যোগ নেয়। এর জন্য মহাকাশ ভ্রমণ সংস্থা স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের রকেটের সাহায্য নেয়া হবে। লেক্সি লুনা নামের একজন পর্নস্টারকে নির্বাচিত করা হয়েছে বিশেষ এই ভিডিওটির জন্য।

মহাকাশ এক বিস্ময়। সেখানে কী আছে, তা নিয়ে গবেষণা করে যাচ্ছেন বিজ্ঞানীরা। সেখানে গবেষণার জন্য কিছু মানুষ যান, থাকেন। তবে সেই জীবন নির্ভর করে গাণিতিক সমীকরণের ওপর। বিশ্ববাসীর তাই জায়গাটি নিয়ে কৌতূহলের শেষ নেই।

মহাকাশের নানা দৃশ্য দর্শকরা দেখেছেন বিদেশি সিনেমায়। তবে তার সবটুকুই গ্রাফিক্স, অ্যানিমেশনে করা বা সেট তৈরি করে নির্মিত। স্পেসে গিয়ে দৃশ্যধারণের ঘটনা এখনও ঘটেনি মানব-ইতিহাসে। আর এমন প্রতিকূল পরিবেশে দৃশ্যধারণ সম্ভব কি না তা নিয়েও ছিল না কোনো ধারণা।

তা ছাড়া যেখানে মহাকাশ নিয়ে প্রয়োজনীয় গবেষণাই অনেক সময় ও অর্থের ব্যাপার, সেখানে মহাকাশে সিনেমার দৃশ্যধারণ তো অকল্পনীয়।

তবে দীর্ঘদিনের গবেষণার ফলে কিছু অগ্রগতি এসেছে মহাকাশে নানা রকম কাজের ব্যাপারে। তাই এখন বিপুল অর্থের বিনিময়ে হলেও দর্শকদের আরও রোমাঞ্চিত করতে ও নতুন দৃশ্য দেখানোর কথা ভাবছেন কেউ কেউ।

এই যেমন টম ক্রুজকে নিয়ে মহাকাশে সিনেমার দৃশ্যধারণের ঘোষণা দিয়েছিল যুক্তরাষ্ট্রের মহাকাশ গবেষণা সংস্থা নাসা। ২০২০ সালের মে মাসে এমন কাজ করার ইচ্ছার কথা প্রকাশ করে নাসা। স্পেস স্টেশনের বাইরে সেই শুটিং করার পরিকল্পনা ছিল তাদের। তবে সেটি বাস্তবায়ন হয়েছে কি না, তা এখনও নিশ্চিত করেনি নাসা বা আন্তর্জাতিক কোনো গণমাধ্যম।

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে
পর্নোগ্রাফি ইন্ডাস্ট্রি মহাকাশে বিশেষ দৃশ্যধারণের উদ্যোগ নিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত

চলতি মাসেই মহাকাশে সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে রাশিয়া। আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য নিউ ইয়র্ক টাইমস জানিয়েছে, অক্টোবর মাসেই মহাকাশে একটি পূর্ণদৈর্ঘ্য সিনেমার দৃশ্যধারণ করবে দেশটি। এর জন্য একজন পরিচালক ও অভিনেত্রী যাবেন মহাকাশে। সিনেমার নাম দ্য চ্যালেঞ্জার

সিনেমার জন্য এসব পরিকল্পনা যখন চলছে, তখন পর্নোগ্রাফি ইন্ডাস্ট্রিও মহাকাশে পর্নোগ্রাফি দৃশ্যধারণের উদ্যোগ নিয়েছে।

প্রচুর দর্শক টানতে এবং বিপুল ভিউ পেতে এডাল্ট কনটেন্ট ক্রিয়েটর প্ল্যাটফর্ম এ উদ্যোগ নেয়। এর জন্য মহাকাশ ভ্রমণ সংস্থা স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্কের রকেটের সাহায্য নেয়া হবে বলে জানিয়েছে আন্তর্জাতিক গণমাধ্যম দ্য ইনডিপেনডেন্ট

ইলন মাস্কের রকেটে পর্নোগ্রাফি হবে মহাকাশে
স্পেসএক্সের প্রধান নির্বাহী ইলন মাস্ক। ছবি:সংগৃহীত

লেক্সি লুনা নামের একজন পর্নোস্টারকে নির্বাচিত করা হয়েছে বিশেষ এই ভিডিওটির জন্য। এরই মধ্যে লেক্সির জন্য টিকিটের তোড়জোড় শুরু হয়ে গেছে।

যে সংস্থাটি লেক্সিকে পাঠাচ্ছে সেই সংস্থার রব কেমিনোফি সংবাদমাধ্যমকে বলেন, ‘সাধারণ মানুষের কাছে যখন মহাকাশে যাওয়ার বিকল্প রাস্তা তৈরি হয়েছে। আমরাও চাই মহাকাশে যেতে। এর জন্য আমরা লেক্সি লুনাকে সেখানে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
শাটডাউনে নাটকের শুটিং কীভাবে
টিভি নাটকে ট্রান্সজেন্ডার নারী হোচিমিন
শুটিং চালু রাখতে সম্মিলিত চেষ্টা
প্রথমবার একসঙ্গে নিশো-তানহা
প্রথমবার ইরফান-তৌসিফ, মাঝে তানহা

শেয়ার করুন

সেলিম ভাইয়ের কাজ করছি এটাই গুরুত্বপূর্ণ: পরীমনি

সেলিম ভাইয়ের কাজ করছি এটাই গুরুত্বপূর্ণ: পরীমনি

অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

পরীমনি বলেন, ‘সেলিম ভাই শুধু আমাকে না, প্রত্যেকটা ক্যারেক্টারকে এমনভাবে বিশ্বাস করে, সেই বিশ্বাসের ওপর ভরসা ও বিশ্বাস আমাদেরও আছে।’

শুটিংয়ে ফিরছেন পরীমনি। ১০ অক্টোবর থেকে শুটিংয়ে অংশ নেয়ার কথা আছে তার। মামলা, কারাভোগের সব মানসিক ও শারীরিক যন্ত্রণা মাড়িয়ে চিরচেনা লাইট-ক্যামেরা-অ্যাকশনের জগতে ফিরতে যাচ্ছেন তিনি।

নির্মাতা গিয়াস উদ্দিন সেলিমের গুনিন ওয়েব ফিল্মটি হতে যাচ্ছে বিরতির পর পরীমনির প্রথম কাজ। এতে তিনি অভিনয় করবেন রাবেয়া চরিত্রে। চরিত্রটি তৈরি করেছেন কথাসাহিত্যিক হাসান আজিজুল হক। তার উপন্যাস ‘গুনিন’ অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে ওয়েব ফিল্মটি।

সেলিমের পরিচালনায় ওয়েব ফিল্ম প্রীতি তে প্রীতি, স্বপ্নজাল এ শুভ্রা হওয়ার পর এবার সেলিমের নির্দেশনায় পরীমনি হতে যাচ্ছেন রাবেয়া।

এ প্রসঙ্গে পরীমনি বলেন, ‘আমার কাজে ফেরা হচ্ছে গুনিন দিয়ে। সেলিম ভাইয়ের কাজের ক্ষেত্রে আমার কাছে যেটি গুরুত্বপূর্ণ সেটা শুধুই সেলিম ভাই। মানে, আমি সেলিম ভাইয়ের কাজ করছি এটাই আমার কাছে গুরুত্বপূর্ণ।

সেলিম ভাইয়ের কাজ করছি এটাই গুরুত্বপূর্ণ: পরীমনি
মুখোশ সিনেমার ডাবিংয়ে পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

‘সেলিম ভাই শুধু আমাকে না, প্রত্যেকটা ক্যারেক্টারকে এমনভাবে বিশ্বাস করে, সেই বিশ্বাসের ওপর ভরসা ও বিশ্বাস আমাদেরও আছে।’

স্বপ্নজালের শুভ্রা তকমাটি খুলে গুনিন এর রাবেয়া কি পারবে পরীমনিকের জাপটে ধরতে, জানতে চাইলে পরী বলেন, ‘সম্পূর্ণ ভিন্ন একটি চরিত্র। এটা এখনই বলা যাবে না। বলে দিলে সেলিম ভাই আমাকে মারবে।’

গুনিন ছাড়াও পরীমনি যুক্ত আছেন বায়োপিক নামের একটি সিনেমায়। যেখানে পরীমনির বিপরীতে অভিনয় করবেন সিয়াম আহমেদ। আর পরিচালনা করবেন সঞ্জয় সমদ্দার। এটির শুটিং অক্টোবরে শুরু হবার কথা শোনা গিয়েছিল।

সেলিম ভাইয়ের কাজ করছি এটাই গুরুত্বপূর্ণ: পরীমনি
নিজের বাসায় পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

তবে পরীমনি এটি নিয়ে নির্দিষ্ট করে কিছু জানাননি। তিনি বলেন, ‘বায়োপিকের জন্য ছয় মাস তো চলেই গেল সাইন ও প্রিপারেশন মিলিয়ে। আরেকটু সময় লাগবে।’

পরীমনি এও জানান, আগামীতে আর কী কী কাজ রয়েছে এবং তিনি কোন শুটিং করতে যাচ্ছেন তা ধীরে ধীর সবই জানাবেন তিনি।

প্রীতিলতা সিনেমায় প্রীতিলতা চরিত্রে অভিনয় করছেন পরীমনি। রাশিদ পলাশের পরিচালনায় ২৮ অক্টোবর থেকে সিনেমার শুটিং শুরু হতে যাচ্চে। সিনেমাটি নিয়ে শুক্রবার এফডিসিতে মিট দ্য প্রীতিলতা অনুষ্ঠানের আয়োজন করে টিম প্রীতিলতা।

সেলিম ভাইয়ের কাজ করছি এটাই গুরুত্বপূর্ণ: পরীমনি
অভিনেত্রী পরীমনি। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমাটিতে পরীমনি প্রীতিলতা চরিত্রটি কতটুকু ফুটিয়ে তুলতে পারবেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এখন তো কেউ কেউ সংবাদে স্বপ্নজাল খ্যাত বা রক্ত খ্যাত অভিনেত্রী বলে। অনেক সময় ভালোবাসা সীমিহীন খ্যাত নায়িকা হিসেবে ধরা হয় বা পরিচয় করিয়ে দেয়। একেকটা অ্যাচিভমেন্ট থাকে না জীবনে, হতে পারে প্রীতিলতা নতুন একটা অ্যাচিভমেন্ট।’

আরও পড়ুন:
শাটডাউনে নাটকের শুটিং কীভাবে
টিভি নাটকে ট্রান্সজেন্ডার নারী হোচিমিন
শুটিং চালু রাখতে সম্মিলিত চেষ্টা
প্রথমবার একসঙ্গে নিশো-তানহা
প্রথমবার ইরফান-তৌসিফ, মাঝে তানহা

শেয়ার করুন

সত্যিকারের ‘জেমস বন্ড’ হলেন ডেনিয়েল ক্রেগ

সত্যিকারের ‘জেমস বন্ড’ হলেন ডেনিয়েল ক্রেগ

ডেনিয়েল ক্রেগ

যুক্তরাজ্যের রাজকীয় নৌবাহিনীর প্রধান র‌্যাডাকিন জানান, সত্যিকারের বন্ডের মতই দেশকে নিরাপদ রাখতে রাজকীয় বাহিনীর নৌ কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত নানা ধরনের অভিযানে অংশ নেন। প্রযুক্তি আর দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তারা বন্ডের মতোই অপ্রতিরোধ্য।

জেমস বন্ড হয়ে রূপালী পর্দা কাঁপাচ্ছেন ডেনিয়েল ক্রেগ। এবার যুক্তরাজ্যের রাজকীয় নৌবাহিনীর কর্মকর্তা হয়ে সত্যিকারের বন্ডের বেশে আবির্ভূত হলেন জিরো জিরো সেভেন খ্যাত এই তারকা।

সিনেমার পর্দায় বিশ্বখ্যাত ‘জেমস বন্ড’ চরিত্রটিও একজন ব্রিটিশ নৌবাহিনী কমান্ডরের। বিশ্বজুড়ে একের পর এক অভিযানের মধ্য দিয়ে ব্রিটেনকে নিরাপদ রাখাই তার লক্ষ্য।

গত ১৫ বছর ধরে পর্দার জেমস বন্ড হিসেবে পরিচিতি পাওয়া ডেনিয়েল ক্রেগও রাজকীয় নৌবাহিনীতে কমান্ডার হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন। এক বিবৃতিতে ক্রেগের নিয়োগ প্রসঙ্গে রাজকীয় বাহিনীর প্রধান এডমিরাল স্যার টনি র‌্যাডাকিন বলেছেন, ‘সম্মানিত কমান্ডার ডেনিয়েল ক্রেগকে স্বাগত জানিয়ে আমি আনন্দিত।’

র‌্যাডাকিন জানান, সত্যিকারের বন্ডের মতই দেশকে নিরাপদ রাখতে রাজকীয় বাহিনীর নৌ কর্মকর্তারা প্রতিনিয়ত নানা ধরনের অভিযানে অংশ নেন। প্রযুক্তি আর দক্ষতাকে কাজে লাগিয়ে তারা বন্ডের মতোই অপ্রতিরোধ্য।

বিবৃতিতে জানানো হয়, কমান্ডার পদবি গ্রহণের মধ্য দিয়ে সম্মানের দিক থেকে রাজকীয় নৌবাহিনী পরিবারে ডেনিয়েল ক্রেগ এখন সপ্তম সর্বোচ্চ ব্যাক্তিত্ব।

সম্প্রতি জেমস বন্ড সিরিজের ‘নো টাইম টু ডাই’ সিজনে অংশ নিয়ে রূপালী পর্দায় পঞ্চমবারের মত বন্ড হলেন ডেনিয়েল ক্রেগ। এই সিনেমাটিতে ব্রিটিশ সামরিক বাহিনীর নতুন কিছু প্রযুক্তিকে হাজির করা হয়েছে পৃথিবীর সামনে।

ব্রিটিশ প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয় জানিয়েছে, ‘নো টাইম টু ডাই’ সিনেমাটিতে তাদের ৪৫ এয়ার ডিফেন্সের এইচএমএস ড্রাগন নামে একটি নতুন ডেস্ট্রয়ারকে হাজির করা হয়েছে। ৮ হাজার টন ওজন এবং ১৫২ মিটার দীর্ঘ এই যুদ্ধজাহাজটিতে বিশ্বের আধুনিকতম বিভিন্ন প্রযুক্তি সংযুক্ত করা হয়েছে। গত জুলাইয়ে স্কটল্যান্ডে অনুষ্ঠিত সামরিক মহড়ায় অগ্রসরমান একটি মিসাইলকে লাখ লাখ টুকরোয় ছিন্ন ভিন্ন করে দিয়েছে এই জাহাজের নিরাপত্তা প্রযুক্তি।

নতুন নিয়োগের মধ্য দিয়ে অবৈতনিক কর্মকর্তা হলেও ডেনিয়েল ক্রেগ নানা গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালন করবেন।

রাজকীয় নৌ বাহিনীর প্রধান র‌্যাডাকিন বলেন, ‘আমাদের সম্মিানিত অবৈতনিক কর্মকর্তারা বিভিন্ন দেশে রাষ্ট্রদূতের ভূমিকা পালন ছাড়াও এই বাহিনীর শক্তিমত্তাকে সারা বিশ্বের সামনে তুলে ধরেন।’

আরও পড়ুন:
শাটডাউনে নাটকের শুটিং কীভাবে
টিভি নাটকে ট্রান্সজেন্ডার নারী হোচিমিন
শুটিং চালু রাখতে সম্মিলিত চেষ্টা
প্রথমবার একসঙ্গে নিশো-তানহা
প্রথমবার ইরফান-তৌসিফ, মাঝে তানহা

শেয়ার করুন

তিন মহাদেশে একসঙ্গে মুক্তি পাবে ‘মিশন এক্সট্রিম’

তিন মহাদেশে একসঙ্গে মুক্তি পাবে ‘মিশন এক্সট্রিম’

মিশন এক্সট্রিম সিনেমায় আরিফিন শুভ। ছবি: সংগৃহীত

মিশন এক্সট্রিম এর অন্যতম পরিচালক, প্রযোজক ও লেখক সানী সানোয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে ৩ ডিসেম্বর ২০২১ বিশ্বব্যাপী মুক্তির ঘোষণা দেন। তিনি বলেন, ‘দেশের আগেই বিদেশে বুকিং শুরু হওয়াতে আমরা বেশ খুব আনন্দিত। তবে, দেশ-বিদেশে ডিস্ট্রিবিউশনের পাশাপাশি আমরা মিশন এক্সট্রিম এর প্রচারণার কাজ ফের ব্যাপক আয়োজনে শুরু করতে যাচ্ছি।’

বাংলাদেশের চলচ্চিত্র ইতিহাসে প্রথমবারের মতো বাংলাদেশসহ বিশ্বের তিনটি মহাদেশে মুক্তি পেতে যাচ্ছে বহুল আলোচিত এবং প্রতীক্ষিত পুলিশ অ্যাকশন থ্রিলার সিনেমা মিশন এক্সট্রিম

ঢাকার দর্শকদের সঙ্গে একই সময়ে নিউইয়র্ক, সিডনি এবং অকল্যান্ডের প্রেক্ষাগৃহেও সিনেমাটি দেখতে পাবেন দর্শকরা। যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ড ছাড়া আরও ১১টি দেশে সিনেমাটি মুক্তির বিষয় সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে নিশ্চিত করেছে প্রযোজনা সংস্থা কপ ক্রিয়েশন।

যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি বায়েস্কোপ ফিল্মস এর কর্ণধার রাজ হামিদ বলেন, ‘হলিউডের বিখ্যাত সব সিনেমাগুলোর মতো নিউইয়র্কে মিশন এক্সট্রিম এর প্রিমিয়ার শো হবে ৩ ডিসেম্বর রাত ১২টা ১ মিনিটে। জ্যামাইকা মাল্টিপ্লেক্সে সিনেমা কমপ্লেক্সে ৩ ডিসেম্বর থেকে ৯ ডিসেম্বর পর্যন্ত মোট ২৭টি শো চূড়ান্ত করা হয়েছে। আমরা এই সিনেমাটি দিয়ে কোভিড পরবর্তী পৃথিবীতে সবাইকে স্বাগত জানাতে চাই। মুক্তির খবর শুনে যুক্তরাষ্ট্র প্রবাসী বাংলাদেশিরাও খুব আনন্দিত।’

বায়েস্কোপ ফিল্মস এর আরেক কর্ণধার নউশাবা রশিদ বলেন, ‘৩ ডিসেম্বর নিউইয়র্ক ছাড়াও লস এঞ্জেলেস, সানফ্রানসিসকো, মিয়ামীর অদূরে ওয়েস্ট পামবীচে সিনেমাটি মুক্তি দেয়া হচ্ছে। পরবর্তী ধাপে মুক্তি পাবে ডালাস, অস্টিন, হিউস্টন, ভার্জিনিয়ার কয়েকটি সিটি, ডিসি, বোস্টন, নিউজার্সি, এটলান্টা, ফিনিক্স, সিয়াটল, পোর্টল্যান্ড, ডেট্রয়েট, সাক্রোমেন্টো, রিভারসাইড এবং প্রথমবারের মতো নিউইয়র্ক অঙ্গরাজ্যের অ্যালবানি ও অ্যালাবামার হান্টসভিল এ। মিশন এক্সট্রিম এর প্রতি যুক্তরাষ্ট্র দর্শকদের প্রবল আকাঙ্ক্ষা বিবেচনা করে এতটা ব্যাপকভাবে মুক্তির আয়োজন করেছি। আশা করি সিনেমাটি এখানকার দর্শক হৃদয় জয় করে নিতে সামর্থ্য হবে।’

এদিকে অস্ট্রেলিয়া এবং নিউজিল্যান্ড ভিত্তিক ডিস্ট্রিবিউশন কোম্পানি বঙ্গজ ফিল্মস এর কর্ণধার তানিম মান্নান বলেন, ‘প্রবাসে বাংলা সিনেমা নির্বাচনের ক্ষেত্রে আমরা বরাবরই রুচিশীল সিনেমার সঙ্গে থাকার চেষ্টা করি। আমাদের প্রচেষ্টার মূলে থাকে প্রবাসী দর্শকরা যেন তাদের মূল্যবান সময় এবং অর্থের বিনিময়ে কোনোভাবেই সিনেমা হলে এসে হতাশ না হন। আমাদের ভীষণ জনপ্রিয় আয়োজনের মধ্যে ঢাকা অ্যাটাক অন্যতম এবং আমি বিশ্বাস করি মিশন এক্সট্রিম আমাদের দর্শকদের তার থেকেও বেশি বিনোদিত করবে।’

বঙ্গজ ফিল্মের সাফিন আজম জানান, ‘অস্ট্রেলিয়ার সিডনি, ক্যানভেরা, পার্থ, মেলবোর্নসহ আরও বেশ কয়েকটি শহরে সিনেমাটি প্রদর্শিত হবে, সে সঙ্গে রয়েছে নিউজিল্যান্ডের অকল্যান্ডসহ অন্যান্য শহরে। সে লক্ষ্যে আগামী ১ অক্টোবর থেকে বঙ্গজ ফিল্মস অস্ট্রেলিয়া ও নিউজিল্যান্ডে অগ্রিম টিকেট বিক্রয় শুরু করতে যাচ্ছে। টিকেট কেনা যাবে www.bongozfilms.com ওয়েবসাইট থেকে।

এর আগে মিশন এক্সট্রিম এর অন্যতম পরিচালক, প্রযোজক ও লেখক সানী সানোয়ার আনুষ্ঠানিকভাবে ৩ ডিসেম্বর ২০২১ বিশ্বব্যাপী মুক্তির ঘোষণা দেন।

তিনি বলেন, ‘দেশের আগেই বিদেশে বুকিং শুরু হওয়াতে আমরা বেশ খুব আনন্দিত। তবে, দেশ-বিদেশে ডিস্ট্রিবিউশনের পাশাপাশি আমরা মিশন এক্সট্রিম এর প্রচারণার কাজ ফের ব্যাপক আয়োজনে শুরু করতে যাচ্ছি।’

অচিরেই সিনেমাটি বিশ্বব্যাপী মুক্তির চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করা হবে বলেও জানায় সিনেমাটির অপর পরিচালক ফয়সাল আহমেদ।

মিশন এক্সট্রিম এর কেন্দ্রীয় চরিত্রে রয়েছেন আরিফিন শুভ তাসকিন রহমান, জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী, সাদিয়া নাবিলা, সুমীত সেনগুপ্ত, রাইসুল ইসলাম আসাদ, ফজলুর রহমান বাবু, শতাব্দী ওয়াদুদ, মনোজ প্রামাণিক, ইরেশ জাকের, মাজনুন মিজান, সুদীপ বিশ্বাস, সৈয়দ আরেফ, রাশেদ খান অপু, দীপু ইমাম, এহসানুর রহমান, ইমরান শওদাগর।

মিশন এক্সট্রিম সিনেমাটি পুলিশের কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিট (সিটিটিসি)-এর কিছু শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মাণ করা হয়েছে। কাহিনি, চিত্রনাট্য ও সংলাপ লিখেছেন পুলিশের অ্যান্টি টেররিজম ইউনিটের পুলিশ সুপার সানী সানোয়ার। সিনেমাটির সহযোগী প্রযোজক হিসেবে রয়েছে মাইম মাল্টিমিডিয়া ও ঢাকা ডিটেকটিভ ক্লাব।

মিশন এক্সট্রিম ও মিশন এক্সট্রিম-২ এর মধ্যে প্রথম পর্ব মুক্তি পেতে যাচ্ছে ৩ ডিসেম্বর। পরবর্তীতে স্বল্প সময়ের ব্যবধানে দ্বিতীয় খণ্ড মুক্তি দেয়া হবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

আরও পড়ুন:
শাটডাউনে নাটকের শুটিং কীভাবে
টিভি নাটকে ট্রান্সজেন্ডার নারী হোচিমিন
শুটিং চালু রাখতে সম্মিলিত চেষ্টা
প্রথমবার একসঙ্গে নিশো-তানহা
প্রথমবার ইরফান-তৌসিফ, মাঝে তানহা

শেয়ার করুন