বৃষ্টি, প্লিজ কথা শোনো: বুবলী

বৃষ্টি, প্লিজ কথা শোনো: বুবলী

চিত্রনায়িকা বুবলী। ছবি: সংগৃহীত

চারটি ছবি পোস্ট করে নায়িকা লেখেন, ‘প্রিয় বৃষ্টি, তোমাকে অনেক অনেক ভালোবাসি। কিন্তু শুটিংয়ের আগে বা পরে আসলে হয় না? শুটিং এর সময়ই কেনো আসতে হবে?’

প্রকৃতিতে এখন আষাঢ় মাস। থেমে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। কাজ না থাকলে, ঘরে বসে বৃষ্টি দেখতে ভালো লাগলেও, যারা কাজে বাইরে বা রাস্তায় থাকেন তাদের জন্য বৃষ্টি সমস্যা তৈরি করে।

চিত্রনায়িকা বুবলীর অবস্থা একেবারে সে রকম। বৃষ্টি তার অন্যতম প্রিয় ঋতু। বৃষ্টি মুডেও থাকছেন ইদানীং। কিন্তু কাজের সময় বৃষ্টি এলে তিনি কিছুটা বিরক্ত হন।

সোমবার সন্ধ্যায় ফেসবুক স্ট্যাটাসের মাধ্যমে এ কথা জানিয়েছেন ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় এ নায়িকা।

চারটি ছবি পোস্ট করে নায়িকা লেখেন, ‘প্রিয় বৃষ্টি, তোমাকে অনেক অনেক ভালোবাসি। কিন্তু শুটিংয়ের আগে বা পরে আসলে হয় না? শুটিং এর সময়ই কেনো আসতে হবে?’

বৃষ্টিকে অনুরোধের সুরে তিনি লেখেন, ‘প্লিজ, কথা শোনো’। হ্যাসট্যাগ দিয়ে লেখেন, ‘খোলা চিঠি বৃষ্টির কাছে’, ‘বৃষ্টি মুড’।

বুবলী এখন অভিনয় করছেন রিভেঞ্জ নামের সিনেমায়। এতে বুবলীকে দেখা যাবে রোশানের বিপরীতে। সিনেমাটি পরিচালনা করছেন মো. ইকবাল।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘বৃষ্টির কারণে দৃশ্যধারণে একটু অসুবিধা হচ্ছে, কিন্তু শুটিং থেমে নেই। এখন রাজধানীর প্রিয়াঙ্কা শুটিংস্পটে চলছে দৃশ্যধারণ। আর ৭-৮ দিন লাগবে শুটিং শেষ করতে।’

বৃষ্টি, প্লিজ কথা শোনো: বুবলী
রিভেঞ্জ সিনেমার অ্যাকশন দৃশ্যের শুটিং। ছবি: সংগৃহীত

সোমবার সিনেমাটির আরেকটি স্থিরচিত্র প্রকাশ পেয়েছে অনলাইনে। রিভেঞ্জ সিনেমার নায়ক রোশান তার ফেসবুক পেজে অ্যাকশন দৃশ্যের একটি ছবি পোস্ট করেছেন। ছবিতে দেখা যাচ্ছে, চারদিকে অনেক মানুষ, তার মধ্যে মারপিট করছেন রোশান ও সহশিল্পী।

পরিচালক বলেন, ‘ছবিটি দেখে সবাই ভালো লাগার কথা জানাচ্ছেন। সিনেমা আরও ভালো হয়েছে। অপেক্ষা করেন, বাংলা সিনেমাকে অনেক দূর নিয়ে যাব।’

কোরবানি ঈদে সিনেমাটি মুক্তি দেয়ার ইচ্ছার কথা জানিয়েছেন পরিচালক।

আরও পড়ুন:
পোস্টারে এতো রক্ত কেন?
শাকিবের পর এল বুবলীর ঝলক
বুবলীর ঈদের সাজ
পারপলে কে বেশি চোখ টানছে?
দুর্ঘটনা পরিকল্পিত: বুবলী

শেয়ার করুন

মন্তব্য

বদলেছে কাজ, বদলেছে আজরার পরিচয়

বদলেছে কাজ, বদলেছে আজরার পরিচয়

আজরা মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত

আজরা বলেন, ‘যদিও এদেশের মানুষ আমাকে চিনবে মডেল আজরা হিসেবে। কিন্তু আমি মডেলিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকলেও, আমি কিন্তু এখন আর মডেল হিসেবে কাজ করছি না। আমার পরিচিতি এখন বদলে গেছে।’

দেশের ফ্যাশন জগতে আলোচিত এবং জনপ্রিয় নাম আজরা মাহমুদ। বাংলাদেশের জনপ্রিয় একজন র‌্যাম্প মডেল ও কোরিওগ্রাফার তিনি। এই সময়ে এসে একজন সফল উপস্থাপিকা হিসেবেও নিজেকে প্রতিষ্ঠিত করেছেন।

সম্প্রতি রাজধানী থেকে দুই জন নারীকে আটক করার পর তাদের নামের পাশে মডেল পরিচয় ব্যবহার করার পর নানা প্রশ্ন উঠেছে।

কাকে বা কাদের আজরা মডেল মনে করেন, কখন তিনি নিজেকে মডেল পরিচয় দেয়া উচিৎ মনে করেন, কখন করেন না, এসব বিষয় নিয়ে তিনি কথা বলেছেন নিউজবাংলার সঙ্গে।

আজরা বলেন, ‘আমাকে যদি বলেন, আমি কাকে মডেল বলতে পারি, অডিয়েন্সের সামনে যে ফ্যাশন বা প্রডাক্ট তুলে ধরেন, তিনিই আমার কাছে মডেল।’

নিজের উদারহণ দিয়ে আজরা বলেন, ‘আমি তো অনেক কিছু করি। আমি স্টাইলিং করি, হোস্টিং করি, কোরিওগ্রাফি করি। আমাকে যখন মানুষ বলে যে, আজরা আপু, আপনার পরিচয় কী হিসেবে দেব। তখন কিন্তু আমি তাদেরকে বলি যে, আমার পরিচয় মডেল হিসেবে লিখ না।’

মডেলিংয়ে এখন অনিয়মিত আজরা। তাই সে পরিচয়টাকে তিনি প্রকাশ করতে করতে চান না। বর্তমান কাজের পরিচয় দিতেই বেশি স্বাচ্ছ্বন্দ বোধ করেন তিনি।

বদলেছে কাজ, বদলেছে আজরার পরিচয়
আজরা মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত

এ নিয়ে আজরা বলেন, ‘যদিও এদেশের মানুষ আমাকে চিনবে মডেল আজরা হিসেবে। কিন্তু আমি মডেলিংয়ের সঙ্গে জড়িত থাকলেও, আমি কিন্তু এখন আর মডেল হিসেবে কাজ করছি না। আমার পরিচিতি এখন বদলে গেছে।’

প্রসঙ্গ ধরে আজরা আরও বলেন, ‘আমি যে কাজের সঙ্গে জড়িত ছিলাম, সেই কাজের সঙ্গে এখনও জড়িত আছি কি না, সেভাবে করেই তো আমি আমার পরিচয় দেব।’

আজরার মতে একজন মানুষের তার বর্তমান পরিচয় ব্যবহার করা উচিত। তিনি বলেন, একজন ব্যক্তি যদি অনেক আগে মডেলিং করে থাকে এবং তিনি যদি লেজেন্ডারি কেউ হতে না পেরে থাকে, তাহলে এখন তাকে কেন মডেল বলা হবে।’

বদলেছে কাজ, বদলেছে আজরার পরিচয়
আজরা মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত

মডেল বা অভিনেত্রীরা অভিযুক্ত হলেই ক্লিক বাড়াতে নানা রকম আকর্ষণ তৈরি করা হয় বলে মনে করেন আজরা।

তিনি বলেন, ‘আমরা এমন একটা যুগে বাস করি, যেখানে ক্লিক-বাইট খুব গুরুত্বপূর্ণ। নিউজটা পড়ানোর জন্য আকর্ষণ তৈরি করতে বিষয়গুলো সামনে আনা হয় বেশি করে। তেমনই একটা ফাঁদে আমরা সবাই পরে আছি।’

সামজিক যোগাযোগ মাধ্যমে অনেকেই এখন নানা রকম ভিডিও বানিয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছেন। তাদের টেলিভিশন, পত্রিকায় প্রচারের প্রয়োজন হয় না। তাদেরকে জনপ্রিয়, মডেল, অভিনেত্রী বা অন্য পরিচয় পরিচিত করাকে কীভাবে দেখেন আজরা?

বদলেছে কাজ, বদলেছে আজরার পরিচয়
আজরা মাহমুদ। ছবি: সংগৃহীত

আজরা বলেন, ‘আমরা অনেক আনস্ট্রাকচার ওয়েতে বড় হচ্ছি। বিদেশেও যারা ইউটিউবার, যারা গান করেন, তাদের মাঝে অনেকেই অনেক ভালো গান গেয়ে জনপ্রিয় হয়েছেন। তবে তাকে মডেল বা অভিনেত্রী হিসেবে প্রমোট করার আগে কম্পানি বা ফ্যাশন হাউজগুলোর ভালোভাবে যাচাই করে নেয়া উচিৎ।’

আজরা জানান, এন্টারটেইনমেন্ট ইন্ডাস্ট্রি একে অপরের ওপর নির্ভরশীল। একে ওপরকে সাপোর্ট করেই এগিয়ে যেতে হবে বলে মনে করেন আজরা মাহমুদ।

আরও পড়ুন:
পোস্টারে এতো রক্ত কেন?
শাকিবের পর এল বুবলীর ঝলক
বুবলীর ঈদের সাজ
পারপলে কে বেশি চোখ টানছে?
দুর্ঘটনা পরিকল্পিত: বুবলী

শেয়ার করুন

নেটফ্লিক্সের সিনেমায় বাংলাদেশি পণ্য নিয়ে ‘আপত্তিকর’ সংলাপের প্রতিবাদ

নেটফ্লিক্সের সিনেমায় বাংলাদেশি পণ্য নিয়ে ‘আপত্তিকর’ সংলাপের প্রতিবাদ

দ্য লাস্ট মার্সেনারি চলচ্চিত্রের পোস্টার। ছবি: আইএমডিবি

নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে ভ্যান ড্যাম অভিনীত ছবি ‘দ্য লাস্ট মার্সেনারি’। এতে একটি দৃশ্যে দেখা যায়, একজন অভিনয়শিল্পী বলছেন, ‘হ্যাঁ, এটা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট’। প্রত্যুত্তরে আরেকজন বলেন, ‘এটা মেড ইন ফ্রান্স। তবে যদি এটি বাংলাদেশ থেকে আসে, তাহলে আমি ধ্বংস হয়ে যাব।’

কয়েক দিন আগে যুক্তরাষ্ট্রের বিনোদনধর্মী প্রতিষ্ঠান নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া একটি চলচ্চিত্রে বাংলাদেশি পণ্য নিয়ে ‘আপত্তিকর’ সংলাপের প্রতিবাদে ঝড় উঠেছে।

প্রথমে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে নেটফ্লিক্স ব্যবহারকারী কানাডাপ্রবাসী বাংলাদেশি সাংবাদিক মুহম্মদ খান এই সংলাপের প্রতিবাদ করেন। পরে যুক্তরাষ্ট্র, কানাডাসহ বিভিন্ন দেশে বসবাসকারী অনেক প্রবাসী মুহম্মদ খানের ফেসবুক ওয়ালে লিখে প্রতিবাদ করেন। প্রতিবাদ করেছেন দেশের অনেকে।

বাংলাদেশের রপ্তানি আয়ের প্রধান খাত তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের শীর্ষ সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসানও উষ্মা প্রকাশ করেছেন ওই সংলাপে।

গত ৩০ জুলাই নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে ভ্যান ড্যাম অভিনীত ছবি ‘দ্য লাস্ট মার্সেনারি’। চলচ্চিত্রটি এখন এই ওটিটি প্ল্যাটফর্মের জনপ্রিয়তার তালিকার সেরা দশে অবস্থান করছে।

বহুল ভিউ হওয়া ছবিটিতে বাংলাদেশি পণ্যবিরোধী প্রচারণার মতো গুরুতর অভিযোগ উঠেছে। চলচ্চিত্রটির একটি সংলাপে তার প্রমাণও মেলে।

অনেকেই মন্তব্য করেছেন ডেভিড চারহন পরিচালিত ফ্রেঞ্চ ভাষার এ ছবির মাধ্যমে বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যকে নিম্নমানের বলে প্রচার চালানো হচ্ছে।

ছবিটির ১ ঘণ্টা ৪১ মিনিটে শুরু হওয়া দৃশ্যে দেখা যায়, একজন অভিনয়শিল্পী বলছেন, ‘হ্যাঁ, এটা বুলেটপ্রুফ জ্যাকেট (Ah, yes. Bulletproof tuxedo)’।

প্রত্যুত্তরে আরেকজন বলেন, ‘এটা মেড ইন ফ্রান্স। তবে যদি এটি বাংলাদেশ থেকে আসে, তাহলে আমি ধ্বংস হয়ে যাব (Made in France. If it was from Bangladesh, I,d be gone.)।

সংলাপটি নিয়ে মুহম্মদ খান তার ফেসবুক ওয়ালে লিখেছেন…

#হোক_প্রতিবাদ

"The Last Mercenary" : এ বছরই মুক্তি পাওয়া নেটফ্লিক্স অরিজিনাল মুভি। জানি না বাংলাদেশে কতজন দেখছে, তবে কানাডায় আজকের 'টপ টেন' তালিকায় ৭-এ। মানে, লাখো কানাডিয়ান দেখছে মুভিটা। সারা বিশ্ব মিলে নিশ্চয়ই কোটি দর্শক!

মুভিটার শেষভাগে এসে একটা ডায়লগ কোনোভাবেই মেনে নিতে পারলাম না। পরিচালক ডেভিড চ্যারন কিংবা দারুণ জনপ্রিয় অভিনেতা জ্যঁ-ক্লদ ভ্যান ড্যাম-এর মুভিতে এমন ডায়লগ কোনোভাবেই আশা করিনি। ডায়লগটা এমন : Ah, yes. Bulletproof tuxedo. Made in France. If it was from Bangladesh, I,d be gone.

বাংলাদেশকে, আরও স্পষ্ট করে বললে বাংলাদেশে তৈরি পণ্যকে খুব নিম্নমানের হিসেবে প্রমাণের চেষ্টা করা হয়েছে এখানে। (স্ক্রিনশট দেখলেই বুঝবেন। অথবা মুভিটার ১ ঘণ্টা ৪১ মিনিটের পরপরই আছে ডায়লগটা)

বিষয়টাকে নেহাত সিনেমার একটা ডায়লগ মনে করলে আমার মনে হয় চরম বোকামি হবে। এটা খুব প্রচ্ছন্নভাবে করা হয়েছে বলেই ধরে নেয়া ভালো। এবং বাংলাদেশের বা বাংলাদেশে তৈরি পণ্যের নেগেটিভ ব্র্যান্ডিংয়ের জন্য এসব মুভি যে মোক্ষম অস্ত্র, তা চোখে আঙুল দিয়ে দেখানোর প্রয়োজন আছে বলে মনে হয় না! একটা জুতসই প্রতিবাদ হওয়া দরকার না?’

নেটফ্লিক্সের সিনেমায় বাংলাদেশি পণ্য নিয়ে ‘আপত্তিকর’ সংলাপের প্রতিবাদ

নেটফ্লিক্সের সিনেমায় বাংলাদেশি পণ্য নিয়ে ‘আপত্তিকর’ সংলাপের প্রতিবাদ

সুজন হোসেন নামের একজন লেখেন, ‘আমরা বুলেটপ্রুফ কিছু তৈরি করি না। তার পরেও এর সঙ্গে বাংলাদেশের নাম জুড়ে নিম্নমানের প্রমাণ করাটা সত্যিকার অর্থে একটা গভীর চক্রান্ত। বিশেষ করে বাংলাদেশের পোশাক, চামড়া, ওষুধ এবং অন্যান্য রপ্তানিযোগ্য পণ্য ব্যবসা ক্ষতিগ্রস্ত করার উদ্দেশ্যে এসব করা হচ্ছে।’

সুমন কায়সার লিখেছেন, ‘এত দেশ থাকতে বাংলাদেশ! প্রতিদ্বন্দ্বীদের উদ্দেশ্যমূলক প্রচার হওয়া অসম্ভব না।’

শেখ শাফায়েত হোসেন লিখেছেন, ‘খান ভাই, এ রকম একটি বিষয় নিয়ে বাংলাদেশের সংবাদমাধ্যমেও প্রতিবাদ হওয়া দরকার। একজন বিজনেস রিপোর্টার হিসেবে আমি তো ভাই কোনোভাবেই মেলাতে পারছি না।

‘বাংলাদেশের রপ্তানি পণ্যের ৮০ শতাংশের বেশি তৈরি পোশাক। এসব পোশাকের মান এতই ভালো যে, এই লকডাউনের মধ্যেও কারখানা খুলে পোশাক বানিয়ে বিদেশে পাঠানো হচ্ছে। পোশাকের বাইরে অন্য যেসব পণ্য বিদেশে রপ্তানি হয়, এগুলোও দেশের মধ্যে থেকে বাছাই করা সেরা পণ্য। তাহলে কেন বিদেশি মুভিতে বাংলাদেশের পণ্য নিম্নমানের বোঝানোর চেষ্টা করা হচ্ছে বুঝলাম না।’

সাংবাদিক নাসরিন গীতি লেখেন, ‘এটা সচেতনভাবেই ফিল্ম মেকার ব্যবহার করেছেন। দুঃখজনক। জুতসই প্রতিবাদ দরকার।’

রাশেদুজ্জামান লিটু লেখেন, ‘অবশ্যই এর যথার্থ প্রতিবাদ হওয়া উচিত। এভাবে কূটকৌশল অবলম্বন করে বাংলাদেশি পণ্যের প্রতিযোগীর দালালি করে মুভির মতো একটা গণমাধ্যমকে ব্যবহার করে অতিরিক্ত স্বার্থ হাসিলের যে অপপ্রয়াস মি. পরিচালক ডেভিড চ্যারন করেছেন, তার তীব্র নিন্দা জানাচ্ছি। তার এই নেতিবাচক উক্তির ফলে আমাদের তৈরি পোশাকের বাজারে যে মর্যাদাহানি হয়েছে, তার বিপরীতে তাকে ক্ষতিপূরণসহ ক্ষমা প্রার্থনা করতে হবে।’

বিজিএমইএর সভাপতিরও উদ্বেগ

বাংলাদেশে তৈরি পোশাকশিল্পের মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএর সভাপতি ফারুক হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘মুভিটি আমি দেখিনি। তবে যা শুনছি…সত্যিই যদি বাংলাদেশের পণ্য নিয়ে এ ধরনের কোনো সংলাপ কোনো ছবিতে দেয়া হয়ে থাকে, তাহলে প্রতিবাদ করছি।’

তিনি বলেন, ‘আমরা সব সময় উন্নত মানের পোশাক রপ্তানি করি, সে কারণেই বিশ্বের বিখ্যাত ব্র্যান্ডগুলো আমাদের পোশাক কেনে। কোনো চলচ্চিত্র বা মুভিতে বাংলাদেশকে নিয়ে বিতর্কিত কোনো সংলাপ মোটেই সমীচীন নয়।’

মহামারি করোনাভাইরাসের মধ্যেও গত ২০২০-২১ অর্থবছরে বিভিন্ন পণ্য রপ্তানি করে ৩ হাজার ৮৭৫ কোটি ৮৩ লাখ (৩৮.৭৬ বিলিয়ন) ডলার বিদেশি মুদ্রা আয় করেছে বাংলাদেশ। এর মধ্যে তৈরি পোশাক রপ্তানি থেকে এসেছে ৩১ দশমিক ৪৫ বিলিয়ন ডলার।

নেটফ্লিক্স একটি মার্কিন বিনোদনধর্মী প্রতিষ্ঠান। ১৯৯৭ সালের ২৯ আগস্ট মাসে রিড হ্যাস্টিংস এবং মার্ক রেন্ডোল্ফ দ্বারা যুক্তরাষ্ট্রের ক্যালিফোর্নিয়া রাজ্যের স্কটস ভ্যালি শহরে প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি মূলত সংস্থান মিডিয়া দর্শন এবং প্রয়োজন মাফিক অনলাইন।

নেটফ্লিক্স পরবর্তী সময়ে চলচ্চিত্র এবং ছোট পর্দার ধারাবাহিক, চলচ্চিত্র পরিচালনায় সম্প্রসারিত হয়, এর সঙ্গে ইন্টারনেটভিত্তিক অনলাইনে চলচ্চিত্রের বণ্টনও চালু করে।

নেটফ্লিক্স ২০১৩ সালে কনটেন্ট (নাটক, চলচ্চিত্র, ভিডিও) প্রযোজনা শিল্পে প্রবেশ করে।

আরও পড়ুন:
পোস্টারে এতো রক্ত কেন?
শাকিবের পর এল বুবলীর ঝলক
বুবলীর ঈদের সাজ
পারপলে কে বেশি চোখ টানছে?
দুর্ঘটনা পরিকল্পিত: বুবলী

শেয়ার করুন

‘মৌ’ নামের মিলে বিব্রত সাদিয়া ইসলাম মৌ

‘মৌ’ নামের মিলে বিব্রত সাদিয়া ইসলাম মৌ

নৃত্যশিল্পী, মডেল, অভিনেত্রী সাদিয়া ইসলাম মৌ। ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিন মডেলিংয়ে কাজ না করেও কি একজন মডেল পরিচয় দিতে পারেন কি না জানতে চাইলে সাদিয়া ইসলাম মৌ বলেন, ‘অনেক দিন আগে কাজ করত, কিন্তু এখন করে না, তারপরও সেই মানুষ যদি নিজেকে সেই পরিচয়ে পরিচিত করতে পছন্দ করেন তাহলে তো আর কারও কিছু করার নাই।’

বিত্তবানদের ব্ল্যাকমেইলের অভিযোগে সম্প্রতি গ্রেপ্তার কথিত মডেল মরিয়ম আখতার মৌ-এর সঙ্গে নামের মিলের কারণে বিব্রতকর পরিস্থিতিতে পড়তে হচ্ছে বলে জানালেন জনপ্রিয় নৃত্যশিল্পী, মডেল ও অভিনেত্রী সাদিয়া ইসলাম মৌ।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় নিউজবাংলাকে এমন কথা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘ঘটনার রাত থেকেই আমি বিব্রত হচ্ছি। আমার নামের সঙ্গে মিলে গেছে এমন একজনকে পুলিশ ধরেছে। আর এতেই অনেকে আমার পরিবার, স্বজন, বন্ধুদের নিউজ লিংক পাঠাতে ছাড়েনি। অথচ তারা কিন্তু দেখছে যে এটা আমি না।

‘আমাকে হয়তো অনেকে বিষয়টি বলতে সাহস পায়নি, কিন্তু আমার পরিচিত মানুষদের অনেক বিরক্ত ও বিব্রত করেছে। তারা (পরিবার-পরিজনরা) যতই বলছে নিউজটা খুলে দেখ, এটা সাদিয়া ইসলাম মৌ না, তারপরও তারা এমন কথাও বলেছে যে, এদের তো অনেক কিছুই লুকানো থাকে।’

এসব বন্ধ করার জন্য সহকর্মী, অভিনয়শিল্পী, জুনিয়ররা সবাই ফেসবুকে লিখছেন দেখে খুবই সম্মানিত বোধ করছেন।

মৌ নামটি দেশের অনেকেরই থাকতে পারে, তাই নাম ব্যবহারের ক্ষেত্রে আরও সতর্ক হওয়ার আহ্বান জানান সাদিয়া ইসলাম মৌ।

‘মৌ’ নামের মিলে বিব্রত সাদিয়া ইসলাম মৌ
নৃত্যশিল্পী, মডেল, অভিনেত্রী সাদিয়া ইসলাম মৌ। ছবি: সংগৃহীত

প্রেপ্তার হওয়া দুজন নারীর পরিচয়ে মডেল-অভিনেত্রী থাকার বিষয়টি নিয়ে নানা প্রশ্ন উঠেছে। তারা আসলেই মডেল কি না তা নিয়েও বিতর্কে জড়াচ্ছেন শিল্পীরা। অভিনেত্রী-মডেল পরিচয় গণমাধ্যমে না লেখার অনুরোধ ও এসেছে সংগঠন থেকে।

মডেল কাদের বলা যাবে? জানতে চাইলে সাদিয়া ইসলাম মৌ বলেন, ‘মডেল তাদেরকে বলব যারা রেগুলার স্টেজে কাজ করছে, ফ্যাশন শো করছে, রেগুলার সম্মানি নিচ্ছে একজন মডেল হিসেবে, যখন মডেল খোঁজা হয় পোর্টফলিও দেখা হয়, ঐখানে যাদের আমরা দেখি তাদেরকে আমরা মডেল বলব।’

‘মৌ’ নামের মিলে বিব্রত সাদিয়া ইসলাম মৌ
নৃত্যশিল্পী, মডেল, অভিনেত্রী সাদিয়া ইসলাম মৌ। ছবি: সংগৃহীত

রোববার রাতে আটক দুই নারীর মধ্যে মৌ খানের মিডিয়ায় কাজের কোনো রেকর্ড না পাওয়া গেলেও পিয়াসা অনেকদিন আগে কাজ করেছেন বিজ্ঞাপনে।

দীর্ঘদিন মডেলিংয়ে কাজ না করেও কি একজন মডেল পরিচয় দিতে পারেন কি না জানতে চাইলে সাদিয়া ইসলাম মৌ বলেন, ‘অনেক দিন আগে কাজ করত, কিন্তু এখন করে না, তারপরও সেই মানুষ যদি নিজেকে সেই পরিচয়ে পরিচিত করতে পছন্দ করেন তাহলে তো আর কারও কিছু করার নাই।

‘মৌ’ নামের মিলে বিব্রত সাদিয়া ইসলাম মৌ
নৃত্যশিল্পী, মডেল, অভিনেত্রী সাদিয়া ইসলাম মৌ। ছবি: সংগৃহীত

‘কিন্তু তাকেই বুঝতে হবে যে, সে নিজের মডেল পরিচয় দেবে কি না। কিছু রেসপনসিবিলিটি কিন্তু আমাদের আর্টিস্টদেরও থাকে।

‘যত যাই বলি, আমি যদি ফাইট করে এই যুগে ফিরে না আসতাম তাহলে এখনকার বাচ্চারা আমাকে মডেল হিসেবে চিনত না। আমি যতই পরিচয় দেই ওদেরকে যে, আমি মডেল মৌ, এখনকার বাচ্চারা কিন্তু আমাকে চিনবে না। আমি এখনও মডেলিংয়ের কাজ করছি বলে এখনকার কিছু ছেলে-মেয়েরা আমাকে চেনে।

‘মৌ’ নামের মিলে বিব্রত সাদিয়া ইসলাম মৌ
নৃত্যশিল্পী, মডেল, অভিনেত্রী সাদিয়া ইসলাম মৌ। ছবি: সংগৃহীত

‘তাই আমার পরিচয়টাও আমার বুঝে শুনে দিতে হবে।’

মৌ জানান, তিনি খুব অল্প বয়সে মিডিয়ায় এসেছেন। প্রথমে ছিলেন নৃত্যশিল্পী। একটা-দুইটা মডেলিং করার পর দর্শকরা তাকে পছন্দ করতে শুরু করেন।

‘মৌ’ নামের মিলে বিব্রত সাদিয়া ইসলাম মৌ
নৃত্যশিল্পী, মডেল, অভিনেত্রী সাদিয়া ইসলাম মৌ। ছবি: সংগৃহীত

বলেন, ‘মডেলিংকে একটা প্রফেশনাল জায়গায় নিয়ে আসার পেছনে কিন্তু খুব অল্প কয়েকজনের হাত রয়েছে।’

আরও পড়ুন:
পোস্টারে এতো রক্ত কেন?
শাকিবের পর এল বুবলীর ঝলক
বুবলীর ঈদের সাজ
পারপলে কে বেশি চোখ টানছে?
দুর্ঘটনা পরিকল্পিত: বুবলী

শেয়ার করুন

হানি সিংয়ের বিরুদ্ধে স্ত্রী শালিনীর মামলা

হানি সিংয়ের বিরুদ্ধে স্ত্রী শালিনীর মামলা

হানি সিং ও তার স্ত্রী শালিনী। ছবি: সংগৃহীত

প্রেম ও বিয়ে মিলে হানি ও শালিনীর ২০ বছরের সম্পর্ক। ২০১১ সালে শিখ রীতি অনুযায়ী দিল্লির ফার্ম হাউজে বিয়ে করেন তারা। সে বছরই ককটেল সিনেমায় ‘আংরেজি বিট’ শিরোনামের এক গান গেয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠে হানি সিং।

বলিউডের জনপ্রিয় র‍্যাপ গায়ক হানি সিংয়ের বিরুদ্ধে মামলা করেছেন তার স্ত্রী শালিনী তলওয়ার।

যৌন হেনস্থা, মানসিক নির্যাতন, ও আর্থিক ভাবে নিগ্রহের অভিযোগে মঙ্গলবার দিল্লির তিস হাজারি কোর্টে এই মামলা করেছেন শালিনী।

আগামী ২৮ আগস্টের মধ্যে হানি সিংহকে তার জবাব দেয়ার নির্দেশ দিয়েছে আদালত।

সেই সঙ্গে আদালত আরও একটি নির্দেশ জারি করেছে যে, হানি সিং ও শালিনীর নামে যৌথ ভাবে যে সমস্ত স্থাবর-অস্থাবর সম্পত্তি রয়েছে তা এই সময়ের মধ্যে কোনো ভাবেই বিক্রি করা যাবে না।

প্রেম ও বিয়ে মিলে হানি ও শালিনীর ২০ বছরের সম্পর্ক। ২০১১ সালে শিখ রীতি অনুযায়ী দিল্লির ফার্ম হাউজে বিয়ে করেন তারা। সে বছরই ককটেল সিনেমায় ‘আংরেজি বিট’ শিরোনামের এক গান গেয়ে জনপ্রিয় হয়ে উঠে হানি সিং।

এরপর ‘ব্লু আইজ’, ‘হাই হিল’ ও ‘লুঙ্গি ডান্স’-এর মতো একাধিক হিট গান উপহার দিয়েছেন শ্রোতাদের।

আরও পড়ুন:
পোস্টারে এতো রক্ত কেন?
শাকিবের পর এল বুবলীর ঝলক
বুবলীর ঈদের সাজ
পারপলে কে বেশি চোখ টানছে?
দুর্ঘটনা পরিকল্পিত: বুবলী

শেয়ার করুন

কাল্পনিক ক্রিকেট কাহিনিতে রাজকুমার-জাহ্নবী

কাল্পনিক ক্রিকেট কাহিনিতে রাজকুমার-জাহ্নবী

বলিউড তারকা রাজকুমার রাও ও জাহ্নবী কাপুর। ছবি: সংগৃহীত

স্পোর্টস ড্রামাভিত্তিক চলচ্চিত্রের এই জোয়ারে এবার ক্রিকেট নিয়ে কাল্পনিক গল্পের সিনেমার জুটি বাঁধছেন বলিউড তারকা রাজকুমার রাও ও জাহ্নবী কাপুর। এটি নির্মাণ করবেন ‘গুঞ্জন সাক্সেনা’ খ্যাত পরিচালক শরণ শর্মা

বাস্তব অথবা কাল্পনিক, যেকোনো গল্পতেই স্পোর্টস ড্রামা ভিত্তিক সিনেমার ট্রেন্ড চলছে বলিউডে।

চলতি বছরে বলিউডে মুক্তি পেল দুই দুটি স্পোর্টস ভিত্তিক চলচ্চিত্র। যার একটি এক বক্সারের গল্প নিয়ে ফারহান আখতার অভিনীত তুফান । আরেকটি পরিনীতি চোপড়া অভিনীত ব্যাডমিন্টন খেলোয়ার সাইনা নেহওয়ালের বায়োপিকসাইনা

এছাড়া গত বছরের শেষের মুক্তি পায় রাজকুমার রাও অভিনীত স্পোর্টস ব্ল্যাক কমেডি নির্ভর সিনেমা ছলাং। এদিকে মুক্তির অপেক্ষায় রয়েছে ক্রিকেট নিয়েই নির্মিত শহিদ কাপুর অভিনীত সিনেমা জার্সি

স্পোর্টস ড্রামাভিত্তিক চলচ্চিত্রের এই জোয়ারে এবার ক্রিকেট নিয়ে কাল্পনিক গল্পের সিনেমার জুটি বাঁধছেন বলিউড তারকা রাজকুমার রাও ও জাহ্নবী কাপুর।

এই সিনেমাটি নির্মাণ করবেন গুঞ্জন সাক্সেনা খ্যাত পরিচালক শরণ শর্মা। তবে এখনও নাম ঠিক হয়নি সিনেমাটির।

জানা গেছে, রাজকুমার ও জাহ্নবী দুজনেই ক্রিকেটারের চরিত্রে অভিনয় করবেন।

করণ জোহরের প্রযোজনা সংস্থা ধর্মা প্রোডাকশনের প্রযোজনার আগামী বছরের শুরুতেই সিনেমাটির শুটিং শুরু হতে পারে।

এর আগেও রুহি সিনেমায় জুটি বেঁধেছিলেন রাজকুমার ও জাহ্নবী।

কাল্পনিক ক্রিকেট কাহিনিতে রাজকুমার-জাহ্নবী
বলিউড তারকা রাজকুমার রাও ও জাহ্নবী কাপুর। ছবি: সংগৃহীত

এই মুহূর্তে বাঁধাই দো সিনেমার কাজ নিয়ে ব্যস্ত রাজকুমার। এছাড়া তার হাতে রয়েছে হাম দো হামারে দো এবং মুনিকা ও মাই ডার্লিং নামের এই দুই সিনেমা।

অন্যদিকে জাহ্নবী এই মুহূর্তে ব্যস্ত বাবা বনি কাপুর প্রযোজিত সিনেমা হেলেন নিয়ে। এছাড়া তার হাতে দোস্তানা টু-এর কাজও রয়েছে।

আরও পড়ুন:
পোস্টারে এতো রক্ত কেন?
শাকিবের পর এল বুবলীর ঝলক
বুবলীর ঈদের সাজ
পারপলে কে বেশি চোখ টানছে?
দুর্ঘটনা পরিকল্পিত: বুবলী

শেয়ার করুন

শিল্পার পাশে মাধবন

শিল্পার পাশে মাধবন

বলিউড তারকা শিল্পা শেঠি ও আর মাধবন। ছবি: সংগৃহীত

মাধবন লিখেছেন, ‘তুমি আমার পরিচিত একজন শক্ত মানুষ এবং আমার পূর্ণ বিশ্বাস যে এই চ্যালেঞ্জটি তুমি সম্মান ও মর্যাদায় সঙ্গেই কাটিয়ে উঠবে। তোমার ও তোমার পরিবারের জন্য সব সময় আমাদের প্রার্থনা থাকবে।’

পর্নো সিনেমা বানানোর মামলায় রাজ কুন্দ্রাকে গ্রেপ্তারের পর থেকেই কুরুচিকর মন্তব্য ও কটাক্ষের শিকার হচ্ছেন বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি।

এসবের প্রতিবাদে সোমবার সংবাদমাধ্যম ও নেটিজেনদের দৃষ্টি আকর্ষণ করে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে একটি বিবৃতি দিয়েছেন অভিনেত্রী।

সেখানে শিল্পা লিখেছেন, ‘হ্যাঁ! গত কয়েক দিন খুব কঠিন ছিল আমার জন্য। তার ওপরে ভুয়া অভিযোগ, ভুয়া রটনা এবং অন্যায্য আক্রমণ সহ্য করে যাচ্ছি। শুধু আমি নই, আমার পরিবারও বিদ্রূপের শিকার হচ্ছে।’

শিল্পার প্রতি সমর্থন ও সাহস যুগিয়ে সেই পোস্টের নিচে একটি কমেন্ট করেছেন দক্ষিণী ও বলিউড অভিনেতা আর মাধবন।

শিল্পার ইনস্টাগ্রামে সেই পোস্টের নিচে মাধবন লিখেছেন, ‘তুমি আমার পরিচিত একজন শক্ত মানুষ এবং আমার পূর্ণ বিশ্বাস যে এই চ্যালেঞ্জটি তুমি সম্মান ও মর্যাদায় সঙ্গেই কাটিয়ে উঠবে। তোমার ও তোমার পরিবারের জন্য সব সময় আমাদের প্রার্থনা থাকবে।’

শিল্পার পাশে মাধবন

বলিউড অভিনেত্রী শিল্পা শেঠি ও তার স্বামী রাজ কুন্দ্রা। ছবি: সংগৃহীত

পর্নো সিনেমা বানানোর মামলায় গত ১৯ জুলাই শিল্পা শেঠির স্বামী রাজ কুন্দ্রাকে গ্রেপ্তার করে মুম্বাই পুলিশ। বিচারধীন এই মামলায় আপাতত জেলে রয়েছেন রাজ।

আরও পড়ুন:
পোস্টারে এতো রক্ত কেন?
শাকিবের পর এল বুবলীর ঝলক
বুবলীর ঈদের সাজ
পারপলে কে বেশি চোখ টানছে?
দুর্ঘটনা পরিকল্পিত: বুবলী

শেয়ার করুন

পিয়াসা-মৌকে ‘স্বীকার করে না’ অভিনয়শিল্পী সংঘ

পিয়াসা-মৌকে ‘স্বীকার করে না’ অভিনয়শিল্পী সংঘ

পিয়াসা-মৌকে ‘স্বীকার করে না’ অভিনয়শিল্পী সংঘ। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

‘যিনি বা যারা অনেকদিন ধরে অভিনয় করেন না, মডেলিং করেন না, তাকে কি অন্যভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়া যেত না বা তার আর কোনো পরিচয় নাই?এমন অভিযোগে সাধারণ কেউ অভিযুক্ত হলে তাকে যেভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়, সেভাবে এ দুই নারীকে পরিচয় করানো সম্ভব ছিল বলে আমরা মনে করি।’

ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মরিয়ম আক্তার মৌকে মডেল ও অভিনেত্রী হিসেবে প্রচারের বিরোধিতা করেছে টিভি নাটকের অভিনয়শিল্পীদের সংগঠন অভিনয়শিল্পী সংঘ।

তারা বলছে, ‘ব্যক্তিগত পরিচয়, প্রভাব, কখনও বাহ্যিক সৌন্দর্য, কিছু ক্ষেত্রে কপালের জোড়ে দু-একটি বিজ্ঞাপন বা নাটকে কাজ করলেই তাকে মডেল বা অভিনেত্রী বলা যায় কি না সেই ভাবনাটা জরুরি হয়ে উঠছে।’

অভিনয়শিল্পী সংঘের বক্তব্য ফেসবুকে শেয়ার করেছেন অভিনয় সংশ্লিষ্ট অনেকেই। দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসানও তার ফেসবুক অ্যাকাউন্টে পোস্টটি শেয়ার করেছেন।

অভিনয়শিল্পী সংঘ অবশ্য ‘মডেল বা অভিনয়শিল্পী’ পরিচয়ের মানদণ্ড সুস্পষ্ট করেনি। তবে তারা বলছে, ‘অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় কেউ কোনো টাইম পাসিং সোস্যাল প্লাটফর্মে, ফ্রেন্ডলি মেইড ভিডিওতে অভিনয় করেছে, মডেল হিসেবে হয়তো ছবি আছে বাসার পাশের কোনো টেইলরের দোকানে অথবা একটা দুটো বিলবোর্ডে, সেও সোস্যাল মিডিয়াতে নিজেকে অ্যাক্টর বা মডেল দাবি করছে। অথচ মডেল বা অভিনেতা/অভিনেত্রী হয়ে ওঠার জন্য যে নিষ্ঠা, একাগ্রতা, জ্ঞান, দর্শন, প্রস্তুতি, সামাজিক ও পেশাদার দায়বদ্ধতা প্রয়োজন সেসবের কিছুই তার নেই।

‘আবার হুট করে এসেও কেউ মডেল বা অভিনেতা হয়ে ওঠে না তাও না। সেক্ষেত্রে শতভাগ একাগ্রতার সাথে নিজেকে তৈরি করতে হয় আরও ভালো কাজের জন্যে এবং শিল্পী হিসেবে পরিপূর্ণতার দিকে এগিয়ে যাবার জন্য। সেক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট সংগঠন, সক্রিয় সাংস্কৃতিক সংগঠন, অভিজ্ঞ গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ তার আগ্রহ ও নিষ্ঠাকে গুরুত্ব দিয়ে তাকে গাইড করে, তার মধ্যে শিল্পী হয়ে ওঠার আকাঙ্ক্ষা তৈরি করে। কালাচারাল অ্যাক্টিভিস্ট, বিনোদন জগতের স্টেক হোল্ডার, মডেল বা অভিনেত্রী তকমা নেবার বা দেবার আগে, তার কাজ, কাজের প্রতি আগ্রহ, সামাজিক দায়বদ্ধতা, প্রস্তুতি প্রভৃতি বিষয় বিবেচ্য হওয়া জরুরি।’

সংবাদমাধ্যমকে দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান জানিয়ে বলা হয়, ‘গণমাধ্যম যখন হেডলাইন করবেন, সংশ্লিষ্ট সংগঠনগুলো থেকে যাচাই এবং সংশ্লিষ্ট কাজে তার নিষ্ঠা, তার অবদান প্রভৃতি গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনায় নিয়ে তার তার পেশা উল্লেখ করবেন এটাই প্রত্যাশিত।’

পিয়াসা ও মৌয়ের বাসায় অভিযানের দিকে ইঙ্গিত করে অভিনয়শিল্পী সংঘ বলেছে, ‘কোথাও পুলিশি অভিযানে ধর-পাকড় হলে অনেক ক্ষেত্রেই দেখা যায় হেডলাইন হয় অমুক মডেল বা অভিনেতা/অভিনেত্রী গ্রেপ্তার; যা অবধারিতভাবে হয়ে ওঠে আকর্ষর্ণীয় সংবাদ। এ ধরনের হেডলাইন; সর্বজন শ্রদ্ধেয়, প্রথিতযশা অভিনেতা অভিনেত্রী, মডেলসহ বিনোদন মাধ্যমে নিষ্ঠার সাথে কর্মরত সকলের জন্য সামাজিক ভাবে অত্যন্ত বিব্রতকর এবং অসম্মানজনক হয়ে ওঠে।’

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে অভিনয়শিল্পী সংঘের সাধারণ সম্পাদক ও অভিনেতা আহসান হাবিব নাসিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অভিনেত্রী শব্দটি ব্যবহারের মাধ্যমে দেশ বরেণ্যদের অসম্মান করা হচ্ছে। দিলারা জামান, শর্মিলী আহমেদ, সুবর্ণা মুস্তাফা, শমী কায়সার, বিপাশা হায়াত বা তার পরের প্রজন্মের শ্রদ্ধেয় সবাইকে অপমান করা হচ্ছে।’

এই বক্তব্যের মাধ্যমে পিয়াসা ও মৌ অভিনয়শিল্পী সংঘের কেউ না বোঝাতে চাইছেন কিনা, প্রশ্ন করলে তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ, আমরা তাদের ডিজওন করছি।’

কারণ ব্যাখ্যা করে তিনি বলেন, ‘মডেলিং বা অভিনয় নিয়ে যার কোনো একাগ্রতা নেই, কোনো কন্ট্রিবিউশন নেই, তাকে আমরা কেন ওন করব? কেউ প্রভাব খাটিয়ে, পরিচিত থাকার কারণে কোনো কাজ করলে কি তিনি সেই কাজকে ওন করেন? ধরেন, আমি দুই দিন ফুটবল খেললাম আমার এলাকার মাঠে, দুটি গোলও দিলাম। তাতেই কি আমি ওই এলাকার ফুটবল খেলোয়াড় হয়ে গেলাম।’

নাসিম জানান, যারা অভিনয় বা মডেলিং করেন এবং এটা নিয়ে স্ট্রাগলে আছেন, একাগ্রতা ও নিষ্ঠা আছে, তাদের পাশে সবসময় অভিনয়শিল্পী সংঘ দাঁড়িয়েছে।

পিয়াসা ও মৌ এর বাসা থেকে মদ উদ্ধার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘যদি আমি সিগারেট খাই, সেটা কি আমি ভালো বলে প্রতিষ্ঠিত করতে পারব?’

তাহলে অভিনয়শিল্পী সংঘের সদস্যদের সবাই এ ধরনের কর্মকাণ্ডের বাইরে কিনা, প্রশ্ন করলে সরাসরি কোনো জবাব দেননি নাসিম। তিনি বলেন, ‘এমন আচরণ কে করবে কে করবে না, সেটা তার ব্যাপার। সেটা ভালো না মন্দ, তার জন্য আইন রয়েছে। আমি কিছুক্ষণ আগেই বলেছি, সেটা কি আমি ভালো বলে প্রতিষ্ঠিত করতে পারব? আর সবচেয়ে বড় বিষয় হলো, আমাদের বক্তব্য মডেল/অভিনেত্রী বলা নিয়ে।’

তিনি বলেন, ‘যিনি বা যারা অনেকদিন ধরে অভিনয় করেন না, মডেলিং করেন না, তাকে কি অন্যভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়া যেত না বা তার আর কোনো পরিচয় নাই?এমন অভিযোগে সাধারণ কেউ অভিযুক্ত হলে তাকে যেভাবে পরিচয় করিয়ে দেয়া হয়, সেভাবে এ দুই নারীকে পরিচয় করানো সম্ভব ছিল বলে আমরা মনে করি।’

আরও পড়ুন:
পোস্টারে এতো রক্ত কেন?
শাকিবের পর এল বুবলীর ঝলক
বুবলীর ঈদের সাজ
পারপলে কে বেশি চোখ টানছে?
দুর্ঘটনা পরিকল্পিত: বুবলী

শেয়ার করুন