১৬ তেই ‘সেক্সি’, ছাড়তে হয়েছে বলিউড

১৬ তেই ‘সেক্সি’, ছাড়তে হয়েছে বলিউড

অভিনেত্রী রিয়া সেন। ছবি: সংগৃহীত

রিয়া জানান, এই কথা শুনতে শুনতে হাঁফিয়ে উঠতেন তিনি। অভিনয় শুরু কারার পর, সেখানেও ঘটে একই ঘটনা। তাকে আবেদনময়ী করে উপস্থাপন করা হতো।

রিয়া সেন অভিনীত সিনেমা বা ফটোশুট মানেই যেন শরীরী অভিব্যক্তি, অতিরিক্ত ছোট পোশাক। সাঁতারের পোশাকেও তাকে প্রায়ই দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় তুলতে।

এসব কারণেই হয়তো দর্শকদের কাছ থেকেও রিয়ার শুনতে হয় ‘মারাত্মক উষ্ণ’ বা ‘সেক্সি’ শব্দগুলো।

সুচিত্রা সেনের ছোট নাতনি রিয়ার ক্ষেত্রে ‘সেক্সি’ ট্যাগ নতুন নয়। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই তাকে দেয়া হয় এ তকমা।

শুক্রবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এমন কথাই জানিয়েছেন রিয়া। একই কারণে বলিউডে অভিনয় শুরু করেও সেখানে টিকে থাকতে পারেননি তিনি।

রিয়া বলেন, ‘মাত্র ১৬ বছর বয়সে স্কুলে পড়ার সময় প্রথম শুনি, আমি সেক্সি! সেই শুরু। ছোট বয়স থেকেই যৌনতার এই তকমা নিয়ে চলতে হয়েছে আমার।’

১৬ তেই ‘সেক্সি’, ছাড়তে হয়েছে বলিউড

রিয়া জানান, এই কথা শুনতে শুনতে হাঁফিয়ে উঠতেন তিনি। অভিনয় শুরু কারার পর, সেখানেও ঘটে একই ঘটনা। তাকে আবেদনময়ী করে উপস্থাপন করা হতো।

১৬ তেই ‘সেক্সি’, ছাড়তে হয়েছে বলিউড

রিয়া বলেন, ‘তখন আমি ছোট। পরিচালকরা যা বলতো, তাই করতাম। ছোট পোশাক পরতে রাজি হতাম। বেশি মেক-আপ করতাম। বুঝতে পারিনি যে এটাতে আবেদন আরও বেড়ে যেত।’

১৬ তেই ‘সেক্সি’, ছাড়তে হয়েছে বলিউড

রিয়া অকপটে স্বীকার করে বলেন, ‘এখন বুঝি, অনেক সিনেমায় অভিনয় করেও কেন হাতেগোনা কয়েকটি দর্শকদের প্রশংসা পেয়েছিল। সবাই কেন বলতেন, রিয়া বাজে অভিনেত্রী। কেবল যৌন আবেদনময়ী। দর্শক, সমালোচকদের কোনো দোষ নেই। আমাকে প্রায় সব ছবিতেই ওইভাবে দেখানো হয়েছিল।’

১৬ তেই ‘সেক্সি’, ছাড়তে হয়েছে বলিউড

অভিনয় থেকে অনেক দূরে এখন রিয়া সেন। কিন্তু এখন যখন তার অভিনীত সিনেমা দেখেন, নিজেই সেটা বুঝতে পারেন। লজ্জায় নিজেকে আড়াল করে ফেলতে চান। তার মনে হয়, যেটা তিনি নন সেটাই জোর করে দিনের পর দিন পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন।

১৬ তেই ‘সেক্সি’, ছাড়তে হয়েছে বলিউড

রিয়ার দাবি, সবাই মনে করতেন পর্দার আর বাস্তবের রিয়া এক। কিন্তু তত দিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে। দর্শক মনে ছাপ ফেলেছে তার অভিনীত মানহীন সিনেমা। তাই ভাবমূর্তি বদলাতে বলিউড থেকে, অভিনয় থেকে এক সময় নিজেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হন তিনি।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

এক্সট্রিম মিশনে যুদ্ধংদেহি আরিফিন শুভ

এক্সট্রিম মিশনে যুদ্ধংদেহি আরিফিন শুভ

মিশন এক্সট্রিম সিনেমায় আরিফিন শুভর নতুন লুক। ছবি: সংগৃহীত

বহুল প্রতীক্ষিত এ সিনেমাটির প্রথম পর্ব ৩ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কপ ক্রিয়েশন। তবে প্রযোজক পরিবেশক সমিতিতে মুক্তির তারিখ বরাদ্দ করার জন্য এখনও আবেদন করেনি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান।

যেন যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত আরিফিন শুভ। দুই হাতে ছুরি, তীক্ষ্ণ দৃষ্টি, হাঁটুর ওপরে রাখা আগ্নেয়াস্ত্র আর তার দেহ সৌষ্ঠব- সব মিলিয়ে মনে হচ্ছে এখনই সব বিনাশ হবে তার হাতে।

আর হবেই-বা না কেন? এক্সট্রিম এক মিশনে নেমেছেন শুভ। এই মিশনের সঙ্গে জড়িয়ে আছে দেশের নিরাপত্তা। এতে কোনোভাবেই হেরে যাওয়া যাবে না।

শনিবার রাতে প্রকাশ পেয়েছে মিশন এক্সট্রিম সিনেমায় আরিফিন শুভর নতুন লুক। সেখানে যুদ্ধংদেহি অবতারে হাজির হয়েছেন এই অভিনেতা।

এর আগের পোস্টারে শুভকে পাওয়া গেছে আগ্নেয়াস্ত্র হাতে। দেশের নিরাপত্তা নিশ্চিতের জন্য গঠিত একটি চৌকস দলের সদস্য তিনি।

বহুল প্রতীক্ষিত এ সিনেমাটির প্রথম পর্ব ৩ ডিসেম্বর মুক্তি পাবে বলে জানিয়েছে প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান কপ ক্রিয়েশন। তবে প্রযোজক পরিবেশক সমিতিতে মুক্তির তারিখ বরাদ্দ করার জন্য এখনও আবেদন করেনি প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান।

৩ ডিসেম্বর তারিখটি ফাঁকা আছে বলে জানিয়েছে সমিতির সূত্র। সিনেমাটির প্রযোজক আবেদন করলে তারিখটি পাবেন বলে জানিয়েছে সমিতি।

সিনেমায় অভিনয় করেছেন আরিফিন শুভ, জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশী, এ বি এম সুমন, তাসকিন রহমান, সাদিয়া আন্দালিব নাবিলাসহ অনেকে।

মিশন এক্সট্রিম-এর কাজ শুরু হয় ২০১৯ সালের মার্চ মাসে। ঈদে মুক্তির কথা থাকলেও গত দুই বছর করোনার কারণে সিনেমাটি মুক্তি পায়নি। দুটি পর্বে নির্মিত হয়েছে সিনেমাটি।

মিশন এক্সট্রিম এবং মিশন এক্সট্রিম ২ সিনেমা দুটি পরিচালনা করেছেন সানি সানোয়ার ও ফয়সাল আহমেদ।

এই সিনেমার মাধ্যমে জান্নাতুল ফেরদৌস ঐশীর বড় পর্দায় অভিষেক হবে। সিনেমাটি পুলিশের কাউন্টার টেররিজম ইউনিটের (সিটিটিসি) কিছু শ্বাসরুদ্ধকর অভিযান থেকে অনুপ্রাণিত হয়ে নির্মিত। শিগগিরই সেন্সর বোর্ডে জমা দেয়া হবে সিনেমাটি।

শেয়ার করুন

পদ্মাপুরান: প্রকাশ পেল এক ঝলক, ৮ অক্টোবর মুক্তি

পদ্মাপুরান: প্রকাশ পেল এক ঝলক, ৮ অক্টোবর মুক্তি

পদ্মাপূরাণ সিনেমার দৃশ্যে সাদিয়া মাহি ও সুমিত সেনগুপ্ত। ছবি: সংগৃহীত

নির্মাতা রাশিদ পলাশ বলেন, ‘দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ৮ অক্টোবর সারাদেশে সিনেমাটি মুক্তি দিচ্ছি আমরা। এর আগে প্রচারণার অংশ হিসেবে শনিবার রাত ৮ টায় আমরা সিনেমাটির এক ঝলক প্রকাশ করলাম।’

পদ্মা নদীর বিবর্তন আর পদ্মাপাড়ে বসবাসরত মানুষের জীবননির্ভর গল্প নিয়ে পদ্মাপুরান নামে চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন নির্মাতা রাশিদ পলাশ।

শনিবার রাত ৮টায় প্রকাশ পেল সিনেমাটির এক ঝলক। আগামী ৮ অক্টোবর সিনেমাটি মুক্তি পাবে বলে নিউজবাংলাকে জানান নির্মাতা রাশিদ পলাশ।

তিনি বলেন, ‘দুর্গাপূজা উপলক্ষে আগামী ৮ অক্টোবর সারাদেশে সিনেমাটি মুক্তি দিচ্ছি আমরা। এর আগে প্রচারণার অংশ হিসেবে শনিবার রাত ৮ টায় আমরা সিনেমাটির এক ঝলক প্রকাশ করলাম।’

পদ্মাপুরান: প্রকাশ পেল এক ঝলক, ৮ অক্টোবর মুক্তি
পদ্মাপূরাণ সিনেমার দৃশ্যে প্রসূন আজাদ ও সুমিত সেনগুপ্ত। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমাটির ৩৪ সেকেন্ডের এই ঝলক প্রকাশ করা হয়েছে পদ্মাপুরান-এর অফিসিয়াল ফেসবুক পেজে।

চলতি মাসের শুরুর দিকে সেন্সর ছাড়পত্র পায় পদ্মাপুরান। এর আগে গত মার্চে সিনেমাটির ‘নোনা’ শিরোনামের একটি গান ইউটিউবে প্রকাশ করা হয়। প্রকাশের পরপরই গানটি বেশ সাড়া ফেলে।

পদ্মাপুরান: প্রকাশ পেল এক ঝলক, ৮ অক্টোবর মুক্তি
পদ্মাপূরাণ সিনেমার দৃশ্যে সুমিত সেনগুপ্ত,সাদিয়া মাহি ও প্রসূন আজাদ । ছবি: সংগৃহীত

পুণ্য ফিল্মসের প্রযোজনায় নির্মিত পদ্মাপুরান সিনেমায় অভিনয় করেছেন প্রসূন আজাদ, সাদিয়া মাহি, শম্পা রেজা, জয়রাজ, সুমিত সেনগুপ্ত, কায়েস চৌধুরী, সুচনা শিকদার, রেশমী, হেদায়েত নান্নু, আশরাফুল আশিষ, সাদিয়া তানজিন।

শেয়ার করুন

আমার ভাগ্য এত খারাপ কেন: ইভ্যালি ইস্যুতে ফারিয়া

আমার ভাগ্য এত খারাপ কেন: ইভ্যালি ইস্যুতে ফারিয়া

অভিনেত্রী শবনম ফারিয়া। ছবি: সংগৃহীত

‘বিরক্ত’ শবনম ফারিয়া শনিবার সন্ধ্যায় বিবৃতি পাঠিয়েছেন সংবাদমাধ্যমে। ফারিয়ার দাবি, বিভিন্ন সংবাদের তথ্য বিভ্রান্তিকর, এমনকি প্রতিবেদন প্রকাশের আগে তার বক্তব্যও নেয়া হয়নি। ‘অপ্রয়োজনীয় আলোচনা’র অংশ হওয়ায় নিজের ভাগ্য নিয়েও আক্ষেপ করেছেন তিনি।

গ্রাহকের অর্থ আত্মসাতের মামলায় ইভ্যালির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন গ্রেপ্তার হওয়ার পর প্রতিষ্ঠানটির সঙ্গে বিভিন্ন সময়ে যুক্ত তারকা ব্যক্তিত্বদের নিয়ে বিভিন্ন খবর প্রকাশ হচ্ছে সংবাদ মাধ্যমে। তাদের নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও চলছে আলোচনা।

তিন মাস ইভ্যালির প্রধান গণসংযোগ কর্মকর্তা ছিলেন ছোট পর্দায় জনপ্রিয় মুখ শবনম ফারিয়া। তাকে নিয়েও সংবাদ মাধ্যমে কয়েকটি প্রতিবেদন বেড়িয়েছে। এতে বলা হয়, তিন মাস চাকরি করেও বেতন পাননি ফারিয়া।

এসব প্রতিবেদন নিয়ে ‘বিরক্ত’ শবনম ফারিয়া শনিবার সন্ধ্যায় বিবৃতি পাঠিয়েছেন সংবাদমাধ্যমে। তার দাবি, এসব সংবাদের তথ্য বিভ্রান্তিকর, এমনকি প্রতিবেদন প্রকাশের আগে তার বক্তব্যও নেয়া হয়নি। ‘অপ্রয়োজনীয় আলোচনা’র অংশ হওয়ায় নিজের ভাগ্য নিয়েও আক্ষেপ করেছেন তিনি।

বিবৃতিতে ফারিয়া বলেন, ‘দুদিন ধরে খেয়াল করছি, আমার সঙ্গে কথা না বলে কেউ কেউ বিভিন্ন রকমের সংবাদ প্রকাশ ও প্রচার করছে। সেসব খবরের শিরোনাম দেখে ভেতরের খবর না পড়ে মন্তব্য করতে কিছু মানুষের সম্ভবত খুব ভালো লাগে! যা সত্যি খুবই দুঃখজনক।

‘ক্যারিয়ারের শুরু থেকে আমি অনুভব করি, গণমাধ্যমকর্মীদের কেন যেন আমার প্রতি বিশেষ ভালোবাসা আছে। তবে কয়েকজন কারণে অকারণে আমাকে জড়িয়ে সংবাদ প্রকাশে বিশেষভাবে আগ্রহী থাকেন। সম্ভবত আমি সব সময় কল রিসিভ করতে পারি না, ভনিতা করি না, কাউকে তেলানোর ক্ষমতা আমার নেই এমন আরও কিছু কারণ থাকতে পারে। তাই বেশির ভাগ সাংবাদিক ভাইদের প্রিয় তালিকায় আমার নাম একদম শেষের দিকে।’

ইভ্যালির সঙ্গে চাকরি-সম্পর্কের ব্যাখ্যা দিয়ে তিনি বলেন, “কিছু বিষয় এখন পরিষ্কার করার সময় এসেছে। আমি জুন-জুলাই এই দুই মাস একটি ‘ই-কমার্স সাইটে’ তাদের গণসংযোগ বিভাগে কাজ করেছি। আমি সেখানে যোগদানের ১৫ দিন পর থেকেই বাংলাদেশ ব্যাংকের একটি রিপোর্ট চলে আসায় তাদের কার্যক্রম অনেকটাই কমে এসেছিল। জুলাইয়ের পর আমার দাপ্তরিক কোনো কাজই ছিল না! তাই আগস্টে আমি চাকরি ছেড়ে দেয়ার সিদ্ধান্তে আসি।”

ফারিয়া বলেন, “অনেকেই জানতে চেয়েছেন, আমাকে দেখে কেউ অর্ডার করে থাকলে তাতে আমার মতামত কী? আমি যোগদানের পরের সপ্তাহ থেকেই ‘সাইক্লোন অফার’ বন্ধ হয়ে টি-টেন চালু হয়েছে। যেটি ছিল, যেখানে পণ্য পেলেই টাকা দেবে! সুতরাং আমাকে দেখে অর্ডার দিয়ে ফেঁসে যাওয়ার কোনো সুযোগই নেই। কেউ নিজেকে এসব বলে সান্ত্বনা দিলে কিংবা নিজ স্বার্থ হাসিলে শুধু হেনেস্তা করার জন্য আমাকে টানলে আমার সত্যিই কিছু বলার/করার নেই।”

নিজে কখনও প্রকাশ্যে কোথাও ইভ্যালিকে ‘প্রোমোট’ করেননি দাবি করে ফারিয়া বলেন, ‘কখনও বলিনি আপনারা বিশ্বাস রাখেন কিংবা আস্থা রাখেন। কারণ সেখানে দাপ্তরিক কাজের বাইরে আমার কোনো কিছু প্রচার প্রকাশের কোনো চুক্তি ছিল না। যেহেতু আমি পেশায় অভিনেত্রী সুতরাং আমাকে কোনো কোম্পানির প্রচারের কাজে অংশ নিলে আলাদা সম্মানি দিতে হয়। সেখানে সেই সুযোগ নেই।

‘আমি শুধু আমার ব্যক্তিগত প্রোফাইল থেকে ১০০০ কোটি টাকার যে চুক্তি হওয়ার কথা ছিল সেই সংবাদ শেয়ার করেছিলাম। যেটা সেদিন বাংলাদেশের ফেসবুক ইউজার মানুষের মধ্যে সম্ভবত অর্ধেক মানুষই শেয়ার করেছিল।’

ইভ্যালি ছাড়ার কথা আনুষ্ঠানিকভাবে না জানানোর ব্যাখ্যা দিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘কারণ আমি অহেতুক আলোচনার অংশ হতে চাইনি। আরিফ আর হোসাইন ভাই যখন বললেন, তিনি আর এখানে কাজ করছেন না, তখনও আপনারা তাকে নিয়ে ট্রোল করলেন। চাকরি ছাড়লেও সমস্যা, কাজ করলেও সমস্যা! কোথায় যাব? অপ্রয়োজনীয় আলোচনার অংশ হতে ভালো লাগে না। কিন্তু আমার ভাগ্য এত খারাপ কেন, যেন আমারই সব সময় আলোচনা/সমালোচনায় পড়তে হয়।’

তিনি বলেন, ‘কিছু গণমাধ্যম লিখছে আমি নাকি অভিযোগ করেছি বেতন পাইনি! কাকে অভিযোগ করেছি? কখন অভিযোগ করেছি? কীভাবে করেছি? এই প্রমাণ কেউ দিচ্ছে না! আমার অভিযোগ থাকলে সেটা আমি প্রতিষ্ঠানটির এইচআর ডিপার্টমেন্টে করব। সাংবাদিক ভাইদের কেন করব? তারা কি আমাকে বেতন দেবে?

‘আমি যেই কোম্পানিতে কাজ করেছি তারা এখন একটা খারাপ পরিস্থিতির মধ্যে দিয়ে যাচ্ছে। আশা করব তারা সব দায় পরিশোধ করে করে গ্রাহকদের পাশে থাকবে।’

শেয়ার করুন

এ এক অন্য শখ

এ এক অন্য শখ

শখের বেবি শাওয়ারের ছবি (বাঁয়ে) ও শখের আগের ছবি। ছবি: সংগৃহীত

মাতৃত্বের কারণেই শখের এ পরিবর্তন। এ সময় নারীর অবয়ব ও চেহারায় পরিবর্তন আসে। স্বাভাবিকভাবে শখেরও এসেছে।

টিভি নাটকের জনপ্রিয় মুখ আনিকা কবীর শখ। অভিনয় করেছেন সিনেমাতেও। কিন্তু এখন তিনি অভিনয়ে অনিয়মিত।

এর কারণ, মা হতে যাচ্ছেন শখ। সম্প্রতি তার মা হবার খবর আসে দেশের গণমাধ্যমগুলোতে। এবার পাওয়া গেল শখের বেবি শাওয়ার আয়োজনের খবর এবং দেখা মিললো শখের।

শুক্রবার ছিল শখের বেবি শাওয়ারের আয়োজন। এর বেশ কিছু ছবি পাওয়া গেছে ফেসবুকে। নৃত্যশিল্পী, অভিনেত্রী ও মডেল তাশদিক নমিরা আহমেদ ফেসবুকে ছবিগুলো পোস্ট করেছেন।

ছবিগুলো দেখে সবাই অভিনন্দন জানালেও অবাক হয়েছেন শখকে দেখে। চিরচেনা, টিভি পর্দার সেই শখের সঙ্গে বেবি শাওয়ারের ছবিতে পাওয়া শখের মিল খুঁজে পাচ্ছেন না নেটিজেনরা।

তবে নমিরা আহমেদ ফেসবুকে যে পোস্ট করেছেন সেই পোস্টের ক্যাপশনে তিনি নিশ্চিত করেছেন যে ছবিতে যাকে দেখে অচেনা লাগছে তিনিই শখ।

ক্যাপশনে নমিরা লিখেছেন, ‘শখের বেবি শাওয়ার। মাশাআল্লাহ, ভালো থাক, সুস্থ থাক। জন ও শখ তোমাদের অভিনন্দন।’

মাতৃত্বের কারণেই শখের এ পরিবর্তন। এ সময় নারীর অবয়ব ও চেহারায় পরিবর্তন আসে। স্বাভাবিকভাবে শখেরও এসেছে।

গাজীপুরের এক ব্যবসায়ীর সঙ্গে ২০২০ সালের ১২ মে বিয়ে হয় শখের। তার স্বামীর নাম আতিকুর রহমান জন।

তার গ্রামের বাড়ি গাজীপুরের কালিয়াকৈর থানার বলিয়াদি গ্রামে। শখ এখন সেখানেই থাকেন। রাজধানীর উত্তরাতেও থাকেন মাঝে-মাঝে।

জনপ্রিয় এ মডেল-অভিনেত্রী কয়েক বছর ধরে অভিনয়ে প্রায় অনিয়মিতই। ফেইসবুকেও দেখা যায় না তাকে।

শেয়ার করুন

অর্ণবকে নিয়ে মিউজিক্যাল ফিল্ম মুক্তি এ মাসেই

অর্ণবকে নিয়ে মিউজিক্যাল ফিল্ম মুক্তি এ মাসেই

অর্ণবকে নিয়ে মিউজিক্যাল ফিল্ম ‘আধখানা ভালো ছেলে আধা মস্তান’ এর পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

নির্মাতা আবরার আতহার বলেন, ‘আধখানা ভালো ছেলে আধা মস্তান ফিল্মে একজন শিল্পীর জীবনের দ্বৈত রূপের মধ্য থেকে নিজের সত্তাকে খুঁজে বের করার গল্প দেখানো হয়েছে। এখানে আমার আর অর্ণবের কথপোকথনের মধ্য দিয়ে জীবনের অনেক দোটানা আর দ্বিধার কথা উঠে এসেছে।’

মুক্তি পেতে যাচ্ছে সংগীতশিল্পী অর্ণবকে নিয়ে নির্মিত আবরার আতহার পরিচালিত মিউজিক্যাল ফিল্ম আধখানা ভালো ছেলে আধা মস্তান। শুক্রবার সিনেমাটির আনুষ্ঠানিক পোস্টার প্রকাশের মধ্য দিয়ে ঘোষণা করা হয়েছে মুক্তির তারিখ। ভিডিও স্ট্রিমিং প্ল্যাটফর্ম চরকিতে মিউজিক্যাল ফিল্মটি মুক্তি পাবে ২৩ সেপ্টেম্বর।

আধখানা ভালো ছেলে আধা মস্তান মিউজিক্যাল ফিল্মে থাকবে নতুন সংগীতায়োজন অর্ণবের গাওয়া জনপ্রিয় ১২টি গান। সেই সঙ্গে জানা যাবে অর্ণবের জীবনের কিছু অজানা গল্প, যা শোনাবেন অর্ণব নিজে ও তার কাছের মানুষেরা। শুক্রবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এসব তথ্য জানানো হয়।

নির্মাতা আবরার আতহার এ বছরের শুরুর দিকে এর কাজ শুরু করেন। ঢাকা, মুন্সিগঞ্জ ও কক্সবাজের হয়েছে এর শুটিং। অর্ণবের সঙ্গে মিউজিক্যাল ফিল্মটিতে দেখা যাবে তার পরিবার ও বন্ধুদের। গানের অংশগুলোতে অর্ণবের সঙ্গে বাজিয়েছেন তার অর্ণব ও ফ্রেন্ডস দলের সদস্যরা।

চরকির প্রধান পরিচালন কর্মকর্তা রেদওয়ান রনি বলেন, ‘অর্ণব সবার প্রিয় একটি নাম। অর্ণবের গানের সঙ্গে বাঙালি শ্রোতাদের অনেক অনেক আবেগ আর স্মৃতি জড়িয়ে আছে। এ কারণেই অর্ণবকে নিয়ে আবরার আতহারের এ কাজটি সবার সামনে নিয়ে আসা।’

নির্মাতা আবরার আতহার বলেন, ‘আধখানা ভালো ছেলে আধা মস্তান ফিল্মে একজন শিল্পীর জীবনের দ্বৈত রূপের মধ্য থেকে নিজের সত্তাকে খুঁজে বের করার গল্প দেখানো হয়েছে। এখানে আমার আর অর্ণবের কথপোকথনের মধ্য দিয়ে জীবনের অনেক দোটানা আর দ্বিধার কথা উঠে এসেছে। মূলত, আমরা সবাই আধখানা ভালো, আধা মস্তান। এই ফিল্ম আমার ও অর্ণবের আত্ম উপলব্ধির যাত্রা। আশা করি সবাই এর মধ্যে নিজের জীবনের প্রেম, বিচ্ছেদ আর দোটানাকে খুঁজে পাবে।’

গত বৃহস্পতিবার চরকির অফিসিয়াল ফেসবুক পেইজে একটি ছবি প্রকাশের মধ্য দিয়ে প্ল্যাটফর্মটি ‘আধখানা ভালো ছেলে আধা মস্তান’ মুক্তির আভাস দেন। আর আজ অফিসিয়াল পোস্টার মুক্তি দিয়ে ধোঁয়াশা কিছুটা দূর করে দিলো তারা। এবার অপেক্ষা পুরো ছবির, যার মুক্তির মধ্য দিয়ে এক অজানা অর্ণবকে দেখতে পাবে বিশ্বজুড়ে ছড়িয়ে থাকা বাংলা সিনেমা ও গানপ্রেমী দর্শক।

শেয়ার করুন

২০ বছরে ভালোবাসা-অবজ্ঞা দুটাই পেয়েছি: চয়নিকা

২০ বছরে ভালোবাসা-অবজ্ঞা দুটাই পেয়েছি: চয়নিকা

নির্মাতা চয়নিকা চৌধুরী পূর্ণ করলেন নির্মাণ জীবনের ২০ বছর। ছবি: সংগৃহীত

চয়নিকা বলেন, ‘আসলে এই ২০ বছরের পথ চলা এতো সহজ ছিল না। মনে হচ্ছে এইতো সেদিন, আসলে সেদিন না, বিশাল একটা জার্নি। এখানে কিন্ত পথ চলাটা মসৃণ ছিল না, ছিল বন্ধুর, উঁচু-নিচু অনেক প্রতিবন্ধকতা। ফ্যামিলি থেকে কোনো প্রতিবন্ধকতা পাইনি, তাদের পূর্ণ সাপোর্ট পেয়েছি। যদিও পরিচালকের কোনো জেন্ডার নেই, কিন্তু একজন মেয়ে হিসেবে অনেক ভালো-মন্দ দেখেছি।’

টেলিভিশন নাটক নির্মাণের পরিচিত নাম চয়নিকা চৌধুরী। ২০০১ সালের ১৮ সেপ্টেম্বর এই দিনে প্রথম নির্মাণ শুরু করেন নাটক শেষ বেলায়। সেই হিসেবে আজ নির্মাতা জীবনের ২০ বছর পূর্ণ করলেন চয়নিকা।

তবে তার নির্মাণ করা প্রচারিত প্রথম নাটক এক জীবনে । যে নাটকটি ২০০১ সালের অক্টোবর প্রচারত হয় বিটিভিতে।

চয়নিকা চৌধুরী নির্মাতা জীবনের ২০ বছর পূরণের দিনে নিউজবাংলার সঙ্গে আলাপ করলেন এই পথ চলার অভিজ্ঞতা নিয়ে। তিনি জানালেন, দীর্ঘ এই সময়ে মানুষের ভালোবাসা যেমন পেয়েছেন পাশাপাশি অবজ্ঞাও পেয়েছেন।

চয়নিকা বলেন, ‘আসলে এই ২০ বছরের পথ চলা এতো সহজ ছিল না। মনে হচ্ছে এইতো সেদিন, আসলে সেদিন না, বিশাল একটা জার্নি। এখানে কিন্ত পথ চলাটা মসৃণ ছিল না, ছিল বন্ধুর, উঁচু-নিচু অনেক প্রতিবন্ধকতা। ফ্যামিলি থেকে কোনো প্রতিবন্ধকতা পাইনি, তাদের পূর্ণ সাপোর্ট পেয়েছি। যদিও পরিচালকের কোনো জেন্ডার নেই, কিন্তু একজন মেয়ে হিসেবে অনেক ভালো-মন্দ দেখেছি।

‘ভালো মানুষ দেখেছি, খারাপ মানুষও দেখেছি। ভালোবাসা পেয়েছি, আবার পাশাপাশি অপমান অবজ্ঞাও পেয়েছি। এসব উৎরিয়ে আমার কাছে মনে হয়েছে আসলে কাজটাই আসল। এমনও হয়েছে আমি একটা স্ক্রিপ্ট নিয়ে গিয়ে ৪ ঘন্টা বাইরে বসে ছিলাম। আমাকে কেউ পাত্তাই দেয় নি। এমনও হয়েছে প্রথম নাটকে আমি হিরোই পাইনি। আমিতো পরিচালনা জানি না কিছু, আমি ভালো হিরো পাইনি।’

তিনি বলেন, ‘এমনও হয়েছে আমি আগে বলতে পারিনি আমার নাটকটি কোন চ্যানেলে যাবে। আমাকে পরীক্ষা দিয়ে হয়েছে। আমাকে নাটক বানিয়ে আগে জমা দিয়ে হয়েছে, প্রিভিউ হয়েছে, এরপর ঠিক হয়েছে নাটকটি যাচ্ছে কিনা।’

তবে আজকের দিনে দাঁড়িয়ে এসব ঘটনা নিয়েই গর্ববোধ করেন চয়নিয়া। তিনি বলেন, ‘যা হয় ভালোর জন্যই হয়। আমি খুব গর্ববোধ করি। এইসব ঘটনায় আমার আস্থা বেড়েছে এবং আমি আরও অভিজ্ঞ হয়েছি।’

চয়নিকা জানালেন, এই ২০ বছরের নির্মাতা জীবনে তিনি এপর্যন্ত নাটক-টেলিফ্লিম মিলিয়ে ৪১৫, ১৬টি সিরিয়াল এবং একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেছেন।

এইদিনে দাঁড়িয়ে দীর্ঘ এইপথ চলায় তার সব শিল্পী, কলাকুশলী ও সহকর্মী ও দর্শকদের ভালোবাসা জানান চয়নিকা।

শেয়ার করুন

মাহির ছবি তুলতে নাজেহাল স্বামী

মাহির ছবি তুলতে নাজেহাল স্বামী

ফেসবুকে মাহির পোস্ট করা ছবি। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

‘এটা ছবি তোলার কেমন স্টাইল’ কথাটি মাহি বলেছেন রাকিব সরকারকে। কারণ মাহির পোস্ট করা সাতটি ছবির একদম শেষ দুটি ছবিতে রাকিব সরকারকে দেখা গেছে মাহির ছবি তুলতে।

ঢাকাই সিনেমার অভিনেত্রী মাহিয়া মাহি। ১৩ সেপ্টেম্বর বিয়ে করেছেন এ অভিনেত্রী। বিয়ের পর নতুন স্বামীকে নিয়ে গিয়েছিলেন নিজ এলাকা রাজশাহীতে, ফিরেছেনও।

শুক্রবার শুটিংয়ে অংশ নেন মাহিয়া মাহি। এফডিসিতে করেছেন বুবুজান সিনেমার দৃশ্যধারণ। এসময় নতুন স্বামী রাকিবকে সঙ্গে নিয়ে গিয়েছিলেন মাহি।

শুক্রবার রাতে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে কিছু ছবি প্রকাশ করেন মাহি। যেখানে মাহিকে দেখা যায় বড় টেডি বিয়ার নিয়ে নানা ঢংয়ে ছবি তুলতে। ছবিগুলো তুলেছেন মাহির নতুন স্বামী রাকিব সরকার।

ফটো ক্রেডিটের কথা মাহি নিজেই জানিয়েছেন তার পোস্টের ক্যাপশনে। মাহি আরও লিখেছেন, ‘আমি অনেক খুশি গিফট পেয়ে কিন্তু ঘটনা হলো এটা ছবি তোলার কেমন স্টাইল।’

‘এটা ছবি তোলার কেমন স্টাইল’ কথাটি মাহি বলেছেন রাকিব সরকারকে। কারণ মাহির পোস্ট করা সাতটি ছবির একদম শেষ দুটি ছবিতে রাকিব সরকারকে দেখা গেছে মাহির ছবি তুলতে।

আর এই ছবি তোলার ভঙ্গি ছিল কিছুটা অদ্ভুত। মাহির পোস্ট করা ছবিতে দেখা যায়, মেঝেতে গড়াগড়ি খেয়ে মাহির ছবি তুলছেন রাকিব। এমন ভঙ্গি দেখেই মূলত মাহি তার ক্যাপশন লিখেছেন।

ছবির মন্তব্যের ঘরে রাকিব সরকার মাহিকে উদ্দেশ করে লিখেছেন, ‘তোমার খুশিতে আমি খুশি।’

মন্তব্যের ঘরে অন্য মন্তব্যগুলো পড়ে সহজেই ধারণা করা যায় যে রাকিবকে সবাই নতুন করে আবিষ্কার করলো ছবিগুলো দেখে।

রাকিব গাজীপুরের বাসিন্দা। সেখানে তিনি ব্যবসা করেন এবং রাজনীতির সঙ্গেও যুক্ত।

শেয়ার করুন