কানের মার্শে দ্যু ফিল্মে নুহাশের প্রথম সিনেমা

নুহাশ হুমায়ূন ও তার সিনেমার পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

কানের মার্শে দ্যু ফিল্মে নুহাশের প্রথম সিনেমা

মার্শে দ্যু ফিল্ম কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল আয়োজিত একটি প্ল্যাপফর্ম। যেখানে চলচ্চিত্র দুনিয়ার বাঘা বাঘা পেশাদাররা একত্র হোন। মার্শে দ্যু ফিল্মে নির্বাচিত সিনেমাগুলোর মধ্যে থেকে সেই পেশাদাররা তাদের পছন্দ হওয়া সিনেমায় অর্থ বা সিনেমার বিভিন্ন রকম সেবা দেয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হন।

নুহাশ হুমায়ূনের প্রথম সিনেমার নাম মুভিং বাংলাদেশ। দেশে পাঠাও অ্যাপে যাত্রা শুরুর গল্প নিয়ে হচ্ছে সিনেমাটি। কীভাবে এক দল তরুণ ঢাকার যানজটে অতিষ্ঠ হয়ে নিজেরাই একটি উপায় বের করে ফেললো- সে গল্পই দেখানো হবে সিনেমায়।

নিউজবাংলাকে নুহাশ জানিয়েছিলেন, সিনেমার স্ক্রিপ্টটি নিয়ে ভারতের প্রোডাকশন মার্কেট ফিল্ম বাজারে গিয়েছিলেন তারা এবং সেখানে নির্বাচিত হয়েছিল সিনেমাটি। এটি গত বছরের কথা।

এবার তিনি জানালেন আরও একটি নতুন ও আনন্দের খবর। আর সেটি হলো তার প্রথম সিনেমাটি জায়গা করে নিয়েছে বিশ্ব সিনেমার মর্যাদাপূর্ণ আসর কান চলচ্চিত্র উৎসবের মার্শে দ্যু ফিল্মে।

মার্শে দ্যু ফিল্ম কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যাল আয়োজিত একটি প্ল্যাপফর্ম। যেখানে চলচ্চিত্র দুনিয়ার বাঘা বাঘা পেশাদাররা একত্র হোন। মার্শে দ্যু ফিল্মে নির্বাচিত সিনেমাগুলোর মধ্যে থেকে সেই পেশাদাররা তাদের পছন্দ হওয়া সিনেমায় অর্থ বা সিনেমার বিভিন্ন রকম সেবা দেয়ার জন্য চুক্তিবদ্ধ হন।

খবরটি নুহাশ তার ফেসবুকে জানিয়ে লিখেছেন, ‘এটি আমাদের জন্য অনেক বড় অনুপ্রেরণার। আমাদের সিনেমার ফরাসি প্রযোজক বিচ কোয়ান ট্রান এবং তাইওয়ানের প্রযোজক প্যাট্রিক মাও হুয়াংকে অনেক ধন্যবাদ।’

বাংলাদেশ থেকে গুপী বাঘা প্রোডাকশনের ব্যানারে সিনেমাটি প্রযোজনা করছেন আরিফুর রহমান ও বিজন ইমতিয়াজ। এর আগে এই প্রোডাকশনের ব্যানারে আরিফুর রহমানের প্রযোজনায় মাটির প্রজার দেশে সিনেমাটি করেছিলেন বিজন ইমতিয়াজ।

মুভিং বাংলাদেশ সিনেমার চিত্রনাট্য ফিল্ম বাজার ছাড়াও লোকার্নো চলচ্চিত্র উৎসবের ওপেন ডোর কনসালটেন্সি থেকে চিত্রনাট্য বিষয়ে পরামর্শ পাবে।

সিনেমায় থাকবে ২০১৪-১৫ সালের প্রেক্ষাপট। চলতি বছরে সিনেমাটির শুটিং শুরু হওয়ার কথা।

আরও পড়ুন:
নুহাশ হুমায়ূনের প্রথম সিনেমা ‘মুভিং বাংলাদেশ’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

আসছে ‘কৃষ ফোর’

আসছে ‘কৃষ ফোর’

কৃষ সিনেমার পোস্টারে হৃতিক রোশন। ছবি: সংগৃহীত

২০০৩ সালে মুক্তি পায় কৃষ ফ্রাঞ্চাইজির প্রথম সিনেমা ‘কোয়ি মিল গ্যায়া।’ এই সিনেমার হাত ধরেই ২০০৬ সালে মুক্তি পায় ‘কৃষ’। এরপর ২০১৩ সালে মুক্তি পায় ‘কৃষ থ্রি’।

গত ২৩ জুন পূর্ণ হলো বলিউডের অন্যতম সফল ও দর্শক নন্দিত সিনেমা ‘কৃষ’ এর ১৫ বছর।

এর একদিন পরেই কৃষ ফোর নিয়ে আসার ঘোষণা দিলেন এই সিনেমার সুপারহিরো হৃতিক রোশন।

নিজের ইনস্টাগ্রামে একটি ভিডিও পোস্ট করে হৃতিক লেখেন, ‘অতীতের ঘটনা শেষ। দেখা যাক ভবিষ্যতে কী আসছে। কৃষ ফোর।’

এরপর আলাদা আলাদা হ্যাশট্যাগ দিয়ে লিখেন, ‘কৃষের ১৫ বছর’ ও ‘কৃষ ফোর’।

২০০৩ সালে মুক্তি পায় কৃষ ফ্রাঞ্চাইজির প্রথম সিনেমা কোয়ি মিল গ্যায়া। এই সিনেমার হাত ধরেই ২০০৬ সালে মুক্তি পায় কৃষ। এরপর ২০১৩ সালে মুক্তি পায় কৃষ থ্রি

এরপর গত দুই তিন বছর ধরেই জল্পনা চলছিল কৃষ সিরিজের পরবর্তী সিনেমা নিয়ে।

সবশেষ ২০১৮ সালে পরিচালক রাকেশ রোশন ঘোষণা করেছিলেন ২০২০ সালে মুক্তি পাবে কৃষ ফোর

এরপর ২০১৯ সালে একটি ইন্টারভিউতে হৃতিক জানিয়েছিলেন শিগগিরই শুরু হবে কৃষ ফোর এর শুটিং।

কিন্তু মাঝে রাকেশ রোশনের অসুস্থতাসহ নানা কারণে পিছিয়ে যায় সিনেমার কাজ।

ফলে কিছুটা হতাশও হয়েছিলেন এই সুপারহিরোর ভক্তরা। তবে হৃতিকের পোস্টের পর ফের খুশির হাওয়া বইছে ভক্তদের মাঝে।

আরও পড়ুন:
নুহাশ হুমায়ূনের প্রথম সিনেমা ‘মুভিং বাংলাদেশ’

শেয়ার করুন

শুক্রবার ফারিয়ার পোলাও চাই-ই চাই

শুক্রবার ফারিয়ার পোলাও চাই-ই চাই

অভিনেত্রী নুসরাত ফারিয়া। ছবি: সংগৃহীত

পোলাওয়ের সঙ্গে কোন খাবারটি ফারিয়ার বেশি পছন্দ, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পোলাওয়ের সঙ্গে আমার সবচেয়ে পছন্দ বাদাম রোস্ট এবং গরুর মাংস ভুনা।’

দুই বাংলাতেই জনপ্রিয় নুসরাত ফারিয়া। আশিকি খ্যাত এ অভিনেত্রীর আরও অনেকের মতোই আছে নানা রকম শখ। এই তো কিছুদিন আগে জানিয়েছিলেন তার সংগ্রহে রয়েছে ১২০০ জোড়া জুতা। এটা তার শখগুলোর একটি।

শুক্রবার আরেকটি শখের কথা জানালেন ঢাকাই সিনেমার এই অভিনেত্রী। আর সেটি হলো, শুক্রবার আসলেই দুপুরের খাবার টেবিলে তার পোলাও চাই-ই চাই। কাজের জন্য বাইরে থাকলে অন্য বিষয়। কিন্তু ঘরে থাকলে যদি শুক্রবারে পোলাও না পান, তাহলেই মন খারাপ হয়ে যায় তার।

শুক্রবার দুপুরে ফেসবুকে একটি ছবি পোস্ট করেছেন ফারিয়া। ছবিতে ফারিয়াকে বিষণ্ন চেহারায় দেখা যাচ্ছে। এই বিষণ্নতাকে ইঙ্গিত করে তিনি ছবির ক্যাপশনে লিখেছেন, ‘যখন শুনি, শুক্রবারে পোলাও রান্না হয় নাই।’

বিষয়টি নিয়ে নুসরাত ফারিয়ার সঙ্গে কথা হয়ে নিউজবাংলার। নুসরাত ফারিয়া বলেন, ‘শুক্রবার দিন বাসায় পোলাও-মাংস রান্না হয়। ছোটবেলা থেকেই এমনটা দেখে আসছি। তাই অভ্যাস হয়ে গেছে। যখন শুনি শুক্রবার পোলাও হয়নি, তখন মনটা খারাপ হয়ে যায়।’

পোলাওয়ের সঙ্গে কোন খাবারটি ফারিয়ার বেশি পছন্দ, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘পোলাওয়ের সঙ্গে আমার সবচেয়ে পছন্দ বাদাম রোস্ট এবং গরুর মাংস ভুনা।’

শুক্রবার ফারিয়ার পোলাও চাই-ই চাই
বিভিন্ন লুকে নুসরাত ফারিয়া। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমায় অভিনয়ের জন্য নুসরাত ফারিয়াকে শরীর ঠিক রাখতে হয়। এই ধরনের খাবার তার শরীরের জন্য ভালো না খারাপ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এক দিন, এক বেলা এগুলো খেলে অসুবিধা নেই। তা ছাড়া এক দিন, এক বেলা তো একটু চিট করাই যায়।’

নুসরাত ফারিয়া সম্প্রতি একটি কাজ করেছেন। তার ভিডিও ও ছবি প্রকাশ করেছেন ফেসবুকে। কিন্তু সেটা কী কাজ, তা বলেননি।

এ ছাড়া ফারিয়া অপারেশন সুন্দরবন, ঢাকা ২০৪০ সিনেমাগুলোর কাজ শেষ করেছেন। কলকাতায় বিবাহ অভিযান সিনেমার দ্বিতীয় কিস্তিতে অভিনয় করার কথা রয়েছে তার। কিন্তু কোভিডের কারণে শুরু হচ্ছে না সিনেমার শুটিং।

আরও পড়ুন:
নুহাশ হুমায়ূনের প্রথম সিনেমা ‘মুভিং বাংলাদেশ’

শেয়ার করুন

অনুপম খেরকে চেনেন না তার এলাকারই মানুষ!

অনুপম খেরকে চেনেন না তার এলাকারই মানুষ!

বলিউড অভিনেতা অনুপম খের। ছবি: সংগৃহীত

রূপালি পর্দা ও বিভিন্ন টিভি শো এর বদৌলতে সুপরিচিত মুখ তিনি। শুধু ভারতই নয় বিশ্বের অনেক দেশেই রয়েছে তার অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী। কিন্তু তাকেই চিনলেন না তার এলাকারই মানুষ!

বলিউডের খ্যাতিমান অভিনেতা অনুপম খের। নিজের ক্যারিয়ারে পাঁচ শতাধিক চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন জাঁদরেল এই অভিনেতা।

রূপালি পর্দা ও বিভিন্ন টিভি শো এর বদৌলতে সুপরিচিত মুখ তিনি। শুধু ভারতই নয় বিশ্বের অনেক দেশেই রয়েছে তার অসংখ্য ভক্ত-অনুরাগী।

কিন্তু তাকেই চিনলেন না তার দেশেরই মানুষ! শুধু দেশের বললে ভুল হবে, তার জন্মস্থান হিমাচল প্রদেশের বাসিন্দাই চিনলেন না তাকে!

এমন এক বাস্তব পরিস্থিতির মুখোমুখি হয়েছেন এ অভিনেতা। তাই মজা করে বলেছেন, ‘এক বালতি পানিতে ডুবে মরতে ইচ্ছে করছে আমার!’

এই ঘটনার একটি ভিডিও ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেছেন অনুপম।

গত কয়েকদিন ধরে হিমাচল প্রদেশে নিজের গ্রামে রয়েছেন এই অভিনেতা। সেখানে থাকাকালীন একদিন সকালে হাঁটতে বেরিয়েছিলেন তিনি। হাঁটার সময় পথের মধ্যে এক ব্যক্তির সঙ্গে দেখা হয় তার।

ভিডিওতে দেখা যায়, একথা সেকথার পর জ্ঞানচাঁদ ঠাকুর নামের ওই ব্যক্তিকে অনুপম জিজ্ঞেস করেন উনি তাকে চেনেন কি না। সরল ভাবে সেই ব্যক্তি সেই প্রশ্নের জবাবে না বলেন।

এরপর অভিনেতা নিজের মাস্ক খুলে তাকে জিজ্ঞেস করেন যে এবার চেনা লাগছে কি না। এবারও লোকটি হাসির সঙ্গে জবাব দেন ‘না’।

অনুপম জিজ্ঞেস করেন, ‘দাদা কি সিনেমা দেখেন?’ ওপাশ থেকে জবাব আসে, ‘দেখি, তবে কম।’

এসব শুনে যারপরনাই অবাক হয়েছেন খ্যাতিমান এই অভিনেতা।

তারপর মজা করেই চোখে মুখে বিষন্ন ভাব নিয়ে বলেন, ‘এই লজ্জা আমি লুকাই কোথায়? এক বালতি জলে ডুবে মরতে ইচ্ছে করছে আমার!’

এই ভিডিওটি পোস্ট করে অনুপম লিখেছেন, ‘আমি সব সময় গর্বের সঙ্গে বিশ্বের কাছে ঘোষণা করি যে, আমি ৫১৮ টি সিনেমা করেছি। আমার ধারণা যে প্রত্যেকে (অন্তত ভারতে) আমাকে চেনে।’

এরপর ওই ব্যাক্তির নাম উল্লেখ করে তিনি লেখেন, ‘তবে জ্ঞানচাঁদ জি খুব নিরীহভাবে আমার আত্মবিশ্বাসকে ছিন্নভিন্ন করে দিয়েছে। আমার পরিচয় নিয়ে তার কোনো ধারণা ছিল না। এটি মজাদারভাবে হৃদয় বিদারক এবং তবুও সুন্দরভাবে সতেজ! আমাকে আমার পা মাটিতে রাখতে সাহায্য করার জন্য আমার বন্ধুকে ধন্যবাদ!’

আরও পড়ুন:
নুহাশ হুমায়ূনের প্রথম সিনেমা ‘মুভিং বাংলাদেশ’

শেয়ার করুন

শুটিং নেই, মাছ বিক্রি করছেন অভিনেতা

শুটিং নেই, মাছ বিক্রি করছেন অভিনেতা

প্রসেনজিতের সঙ্গে শ্রীকান্ত মান্না (বাঁয়ে) ও মাছ বিক্রির মুহূর্তে অভিনেতা। ছবি: সংগৃহীত

শ্রীকান্ত মান্না বলেন, ‘অভিনয়ে এখন রোজগার বন্ধ। তাই মাছ বিক্রি করে পেটের খিদে মেটাতে হচ্ছে। সৎ কাজ, তাই লজ্জা নেই, আফসোস নেই। তাছাড়া আমি তো একা নই। কত মানুষ অসহায়। লড়ছে। আমিও লড়ছি।’

কলকাতার মঞ্চ, নাটক, সিনেমার অভিনেতা শ্রীকান্ত মান্না। ‘সংস্তব’ নাট্যদলে অভিনয় করছেন ২৫ বছর ধরে। এই পৃথিবী তোমার আমার, বেগ ফর লাইফ, রাজকাহিনী, গ্ল্যামার সিনেমায় তাকে দেখা গেছে পার্শ্ব চরিত্রে। শ্রীকান্ত অভিনীত স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ছিপি জিতেছে একাধিক পুরস্কার।

এই অভিনেতা এখন মাছের বাজারে মাছ বিক্রি করছেন। এমন তো হতেই পারে যে তিনি মাছ বিক্রেতার চরিত্রে অভিনয় করছেন! কিন্তু না, এটা তার কোনো নাটক বা সিনেমার চরিত্র না। পরিস্থিতি তাকে মাছ বিক্রি করতে বাধ্য করেছে।

কোভিড পরিস্থিতির কারণে অনেক কিছুই তছনছ হয়ে গেছে। সিনেমা, টেলিভিশনের অনেক মানুষই এখন কর্মহীন। শ্রীকান্ত মান্নাও তাদের একজন, যিনি কাজ হারিয়েছেন।

তাই জীবন চালাতে বাজারে মাছ বিক্রি করতে শুরু করেছেন এ অভিনেতা। ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে তিনি বলেন, ‘অভিনয়ে এখন রোজগার বন্ধ। তাই মাছ বিক্রি করে পেটের খিদে মেটাতে হচ্ছে। সৎ কাজ। তাই লজ্জা নেই, আফসোস নেই। তাছাড়া আমি তো একা নই। কত মানুষ অসহায়। লড়ছে। আমিও লড়ছি।’

মিঠুন চক্রবর্তী, প্রসেনজিৎ চট্টোপাধ্যায়, সব্যসাচী চক্রবর্তী, আবীর চট্টোপাধ্যায়, পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়দের মতো খ্যাতিমান অভিনেতাদের সঙ্গে কাজ করা শ্রীকান্ত আজ অনেকের কাছেই উজ্জ্বল উদাহরণ।

অভিনেত্রী শ্রীলেখা ফেসবুকে লিখেছেন, ‘কোনো কাজ ছোট নয়, তবু প্রশ্ন থেকেই যায়। পরিশ্রম করে নিজের সংসার চালাচ্ছেন এই শিল্পী। আপনাকে শ্রদ্ধা জানাই।’

সংসারে কারা আছেন জানতে চাইলে শ্রীকান্ত জানান, ঘরে দাদা, বৌদি আছেন। আর তিনি অবিবাহিত।

শ্রীকান্ত তার নাট্যগুরু দ্বিজেন বন্দ্যোপাধ্যায়ের কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমার গুরু বলেছিলেন, অভিনয়কে বাঁচিয়ে রাখতে জীবনে যে পরিস্থিতিই আসুক, তার মোকাবিলা করতে হবে। অভিনয়ের প্রতি এতটাই ভালোবাসা প্রয়োজন। অভিনয়কে বাঁচাতেই এই লড়াই।’

শ্রীকান্ত আরও বলেন, ‘আবার সবকিছু ঠিক হয়ে যাবে। আবার চরিত্র আসবে। আবার শুরু হবে মঞ্চ ও ক্যামেরার সামনে অভিনয়।’

আরও পড়ুন:
নুহাশ হুমায়ূনের প্রথম সিনেমা ‘মুভিং বাংলাদেশ’

শেয়ার করুন

ডাবিং নিয়ে ভয়ে থাকেন পূজা

ডাবিং নিয়ে ভয়ে থাকেন পূজা

হৃদিতা সিনেমার ডাবিংয়ে পূজা। ছবি: সংগৃহীত

পূজা লেখেন, ‘একটি সিনেমার সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো ডাবিং। কোনো ভালো কাজ শুরু করার আগে আমি প্রার্থনা করে নেই, যাতে কাজটি আমি ভালো করতে পারি। কারণ দিনশেষে কাজটি আমার, ভালো হলে দর্শক আমাকে বলবে খারাপ হলে আমাকেই বলবে। তাই ভালোই করতে চাই।’

ঢাকাই সিনেমার হালের নামকরা অভিনেত্রী পূজা চেরী অভিনীত সিনেমা হৃদিতা। সিনেমাটির শুটিং শেষ হয়েছে। এখন চলছে ডাবিং।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে বৃহস্পতিবার রাতে এসব তথ্য জানিয়েছেন অভিনেত্রী পূজা।

পূজা লেখেন, ‘একটি সিনেমা যখন ফাইনাল হয় তখন আমার শুটিং করা সবচেয়ে সহজ মনে হয়; যদিও সহজ না। কিন্তু একটি সিনেমার সবচেয়ে কঠিন কাজ হলো ডাবিং। যেটা কিনা আমি সবচেয়ে ভয়ে থাকি। কারণ আমার মনে হয় স্পটে যতুটুকু অভিনয় করি তার থেকে অনেক গুণ ভালো করতে হয় ডাবিং এ, যাতে অভিনয় আরো ভালো লাগে।’

তিনি আরও লেখেন, ‘সবকিছু ভালোভাবে শেষ করে শুরু হলো সিনেমাটির ডাবিং। কোনো ভালো কাজ শুরু করার আগে আমি প্রার্থনা করে নেই, যাতে কাজটি আমি ভালো করতে পারি। কারণ দিনশেষে কাজটি আমার, ভালো হলে দর্শক আমাকে বলবে খারাপ হলে আমাকেই বলবে। তাই ভালোই করতে চাই ।’

হৃদিতা সিনেমার পরিচালক ইস্পাহানী আরিফ জাহান। তার সঙ্গে হওয়া পূজার কিছু কথা উল্লেখ করে লেখেন, ‘ডাবিং শুরু করার আগে আমাদের পরিচালক ইস্পাহানী আরিফ জাহান স্যার বললেন গানটি দেখবে? আমি অনেক খুশি হয়ে বললাম অবশ্যই। দেখেই মনটা ভালো হয়ে গেলো। তারপর কঠিন কাজটি করতে গেলাম।’

ডাবিং নিয়ে ভয়ে থাকেন পূজা
ডাবিং রুমের বাইরে পূজা চেরী। ছবি: সংগৃহীত

ডাবিংয়ের বর্ণনা দিয়ে পূজা লেখেন, ‘গেলাম মাইক্রোফোনের সামনে। হেডফোনটি কানে পরলাম। মনে মনে বললাম হে ঈশ্বর ডাবিংটা যেনো ভালো হয়। আস্তে আস্তে দেখলাম প্রায় অর্ধেকটা শেষ করে ফেলেছি। ইস্পাহানী আরিফ জাহান স্যারকে জিজ্ঞাস করলাম কেমন হচ্ছে? তারা বললেন খুব ভালো। শুনে খুব খুশি লাগলো। নিজের কোনো কাজ কেউ ভালো বললে আসলেই খুব শান্তি লাগে।’

সবশেষে পূজা জানান, ভালোভাবে সবকিছু শেষ করতে পারলে শিগগিরই প্রেক্ষাগৃহে হৃদিতা সিনেমাটি দেখতে পারবেন দর্শকরা।

কথাসাহিত্যিক আনিসুল হকের উপন্যাস ‘হৃদিতা’ অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি। গত বছরের ৯ নভেম্বর সন্ধ্যায় বিএফডিসিতে কেক কেটে ঘরোয়াভাবে অনুষ্ঠিত হয় সিনেমাটির মহরত। এরপর ১১ নভেম্বর রাজধানীর উত্তরার শুরু হয় সিনেমার শুটিং।

আরও পড়ুন:
নুহাশ হুমায়ূনের প্রথম সিনেমা ‘মুভিং বাংলাদেশ’

শেয়ার করুন

দেড় বছর পর প্রেক্ষাগৃহে শাকিব খান, পরিচালকের ক্ষোভ

দেড় বছর পর প্রেক্ষাগৃহে শাকিব খান, পরিচালকের ক্ষোভ

নবার এলএলবির পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

শুক্রবার দেশের ১৬টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে নবাব এলএলবি। সিনেমায় অভিনয় করেছেন শাকিব খান, মাহিয়া মাহি, শহীদুজ্জামান সেলিম, স্পর্শিয়া, রাশেদ অপু, শায়েদ আলী, সুমন আনোয়ার।

শাকিব খান প্রযোজিত ও অভিনীত বরী সিনেমাটি মুক্তি পেয়েছিল ২০২০ সালের ১৪ ফেব্রুয়ারি। গত বছরের শেষ দিকে কিছু সিনেমায় মুক্তি পেলেও ঢাকাই সিনেমার জনপ্রিয় নায়ক শাকিব খানের সিনেমার আর মুক্তি পায়নি।

প্রায় দেড় বছরের বিরতি কাটিয়ে আবারও মুক্তি পেতে যাচ্ছে শাকিব খান অভিনীত সিনেমা নবাব এলএলবি। অনন্য মামুন পরিচালিত সিনেমাটি গত বছরের ডিসেম্বর মাসে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম আই থিয়েটারে মুক্তি পায়। এবার সিনেমাই সিনেমাটি মুক্তি পেতে যাচ্ছে প্রেক্ষাগৃহে।

শুক্রবার দেশের ১৬টি প্রেক্ষাগৃহে মুক্তি পেতে যাচ্ছে নবাব এলএলবি। সিনেমায় অভিনয় করেছেন শাকিব খান, মাহিয়া মাহি, শহীদুজ্জামান সেলিম, স্পর্শিয়া, রাশেদ অপু, শায়েদ আলী, সুমন আনোয়ার।

ফেসবুক স্ট্যাটাসে পরিচালক অনন্য মামুন সিনেমার মুক্তির বিষয়টি নিয়ে লেখেন, ‘খুব গালাগালি করতে ইচ্ছা করছে, এত নেতা এত সংগঠন, কাজটা কি আপনাদের? চলচ্চিত্র তো বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটা শিল্প। সব শিল্প প্রতিষ্ঠান যদি স্বাস্থ্যবিধি মেনে খোলা থাকতে পারে, তাহলে সিনেমা হল কেন খোলা থাকবে না।

‘জবাব দেয়ার কি কেউ আছে, হলের সংখ্যা ১৬ তে নেমে আসছে। এরপর কী করবেন, নাকি নেতারা কেউ আর সিনেমা বানাবেন না বা প্রযোজনা করবে না। তাই কোনো মাথা ব্যথা নেই। আমি একাই যুদ্ধ করবো।’

দেড় বছর পর প্রেক্ষাগৃহে শাকিব খান, পরিচালকের ক্ষোভ
নবার এলএলবির সিনেমার দৃশ্যে শাকিব খান। ছবি: সংগৃহীত

নবাব এলএলবি সিনেমার মুক্তির কথা জানিয়ে পরিচালক লেখেন, ‘কাল (শুক্রবার) নবাব এলএলবি রিলিজ হবে, আগামী সপ্তাহে কসাই, আর ঈদে অমানুষ। সারা বাংলাদেশ একটা হল খোলা থাকলে একটা হলেই রিলিজ করবো।’

সিনেমাটির প্রায় ১০ মিনিট কেটে সেন্সর ছাড়পত্র দিয়েছে সেন্সর বোর্ড। নারী ধর্ষণের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ নিয়েই গড়ে উঠেছে সিনেমার কাহিনি।

স্টার সিনেমাপ্লেক্স (বসুন্ধরা ও সীমান্ত সম্ভার) ব্লকবাস্টার সিনেমাস (যমুনা ফিউচার পার্ক), সেনা সিনেমা (ঢাকা ক্যান্টনমেন্ট), বিজিবি মিলনায়তন (পিলখানা), সেনা মিলনায়তন (সাভার সেনানিবাস), গীত সিনেমা (ঢাকা), চাঁদমহল সিনেমা (কাঁচপুর), চান্ধিমা সিনেমা (শ্রীপুর), বর্ষা সিনেমা (জয়দেবপুর), শাপলা সিনেমা (রংপুর), পুরবী সিনেমা (ময়মনসিংহ), ওভিরুচি সিনেমা (বরিশাল), রাজ সিনেমা (কুলিয়ারচর), মোহন সিনেমা (হবিগঞ্জ), মাধবী সিনেমা (মধুপুর) হলে সিনেমাটি দেখতে পাবেন দর্শকরা।

আরও পড়ুন:
নুহাশ হুমায়ূনের প্রথম সিনেমা ‘মুভিং বাংলাদেশ’

শেয়ার করুন

মদ কিনতে গিয়ে প্রতারিত শাবানা আজমি

মদ কিনতে গিয়ে প্রতারিত শাবানা আজমি

বলিউড অভিনেত্রী শাবানা আজমি। ছবি: সংগৃহীত

অনলাইনে কেনাকাটার ক্ষেত্রে এর আগে অনেক তারকাই তাদের তিক্ততার কথা জানিয়েছেন। কিন্তু এবার সরাসরি অনলাইন প্রতারণার শিকার হলেন বর্ষীয়ান অভিনেত্রী শাবানা আজমি।

অনলাইনে মদ কিনতে গিয়ে বিপাকে পড়লেন বলিউডের জাঁদরেল অভিনেত্রী শাবানা আজমি।

অনলাইনে কেনাকাটার ক্ষেত্রে এর আগে অনেক তারকাই তাদের তিক্ততার কথা জানিয়েছেন। কিন্তু এবার সরাসরি অনলাইন প্রতারণার শিকার হলেন বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রী।

টুইট করে সে কথা নিজেই জানিয়েছেন অভিনেত্রী।

শাবানা আজমির কথায়, অর্ডার করে পুরো টাকা পেমেন্ট করা হলেও তিনি মদ পান নি। এমনকি যে অনলাইন প্রতিষ্ঠানে মদের অর্ডার করেছিলেন সেখানকার নম্বরে একাধিকবার যোগাযোগ করেও ব্যর্থ হয়েছেন তিনি।

সেই টুইটে শাবানা অভিযোগ তুলেছেন মুম্বাইয়ের ‘লিভিং লিক্যুইড’ নামে একটি স্পষ্ট ও অনলাইন মদ ডেলিভারি প্রতিষ্ঠানের নামে।

হ্যাশটাগ ‘লিভিং লিক্যুইড’ দিয়ে টুইটে অভিনেত্রী লিখেন, ‘সাবধান, আমি এদের কাছে প্রতারিত হয়েছি। মদ কেনার জন্য পুরো টাকা পেমেন্ট করেছি। কিন্তু অর্ডার নেয়ার পর তাদেরকে বারবার ফোন দেয়া হলেও তারা আর আমার ফোন ধরেন নি।’

পাশাপাশি টুইটে ওই প্রতিষ্ঠানের অনলাইন পেমেন্ট নম্বরও শেয়ার করেছেন শাবানা।

শাবানা আজমির এই টুইটের পর রীতিমতো হতবাক অনেকে। কেউ কেউ আবার মদ কেনার জন্য বর্ষীয়ান এই অভিনেত্রীকে নিয়ে রসিকতা করতেও পিছপা হননি।

তবে আবার অনেকেই পরামর্শ দিয়েছেন এই প্রতারণার বিরুদ্ধে পুলিশের দ্বারস্থ হতে।

আরও পড়ুন:
নুহাশ হুমায়ূনের প্রথম সিনেমা ‘মুভিং বাংলাদেশ’

শেয়ার করুন