সোনমের জন্য মার খেয়েছিলেন অর্জুন

সোনমের জন্য মার খেয়েছিলেন অর্জুন

বলিউডের তারকা ভাইবোন অর্জুন কাপুর ও সোনম কাপুর। ছবি: সংগৃহীত

অর্জুন জানালেন, তারা দুই ভাইবোন একই স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। সেই সময় একবার স্কুলের সিনিয়র ক্লাসের ছেলেরা সোনমের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করলে তাদের সঙ্গে হাতাহাতি হয় অর্জুনের। এমনকি স্কুল থেকেও কিছুদিনের জন্য বহিস্কারও করা হয়েছিল তাকে!

সম্পর্কে চাচাতো ভাই বোন হলেও অর্জুন ও সোনম কাপুরের বন্ধনের কথা বলিউডে সর্বজনবিদিত। প্রায় পিঠাপিঠি বয়সী তারা। মাত্র কয়েকদিনের ব্যবধানে জন্ম এই দুই তারকা ভাই-বোনের। বড় সোনম কাপুর।

সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে অর্জুন তাদের ছোটবেলার মজার এক গল্প শোনালেন।

জানালেন, তারা দুই ভাইবোন একই স্কুলে পড়াশোনা করেছেন। সেই সময় একবার স্কুলের বড় ক্লাসের ছেলেরা সোনমের সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেন। এরপর প্রতিবাদ করতে গিয়ে তাদের হাতে মারও খেয়েছিলেন অর্জুন। এমনকি স্কুল থেকেও কিছুদিনের জন্য বহিস্কারও করা হয়েছিল তাকে!

অর্জুন বলেন, ‘ছোট থেকে আমি আর সোনম এক স্কুলেই পড়াশোনা করেছি। তখন একটু উপরের ক্লাসে পড়ি আমরা। আমরা দুজনেই স্কুলে বাস্কেটবল খেলতাম। আমি তখন বেশ মোটাসোটা চেহারার হলেও শান্ত ছিলাম। আজও আমি হুটহাট করে রেগে যাই না।

‘হঠাৎ একদিন কাঁদো কাঁদো মুখে সোনম এসে জানালো উপরের ক্লাসের ছেলেরা নাকি তার হাত থেকে বাস্কেটবল কেড়ে নিয়েছে ও তার সঙ্গে দুর্ব্যবহার করেছে। এসব শুনে আমার মাথাটা তখন হঠাৎ করে গরম হয়ে গেল। সোনমকে জিজ্ঞেস করাতে সে দেখিয়ে দিল কোন ছেলেটি তার সঙ্গে এই ব্যবহার করেছে। ব্যাস, তারপরে আগেপিছে না দেখে আমি ওই ছেলেটির কাছে গিয়ে চিৎকার করে গালিগালাজ দেয়া শুরু করলাম।’

সোনমের জন্য মার খেয়েছিলেন অর্জুন
বলিউডের তারকা ভাইবোন অর্জুন কাপুর ও সোনম কাপুর। ছবি: সংগৃহীত

এরপর হাসতে হাসতে অর্জুন বলেন, ‘প্রথম কয়েক মুহূর্ত আমার মুখে ওইসব গালিগালাজ শুনে স্রেফ হাঁ হয়ে গিয়েছিল ছেলেটি। তারপর বেধড়ক মারতে শুরু করলো আমায়। ওরকম ঘুঁষি খেয়ে আমার চোখে কালশিটে দাগ পড়ে গিয়েছিল। এরপর স্কুল থেকেও বহিষ্কার করা হয়েছিল আমাকে। কারণ ঝামেলার শুরু করেছিলাম আমিই। যাতা রকমের গালাগালি দিয়েছিলাম।’

সোনমের জন্য মার খেয়েছিলেন অর্জুন
বলিউডের তারকা ভাইবোন অর্জুন কাপুর ও সোনম কাপুর। ছবি: সংগৃহীত

‘এর কিছুদিন পর সোনম কাছ থেকে জানতে পারি ওই ছেলেটি জাতীয় পর্যায়ে বক্সিং খেলোয়াড়। শুনে তো তখন আমি স্রেফ হাঁ। বুঝেছিলাম ভুল জায়গায় পাকামো করে ফেলেছি।’

অর্জুন আরও বলেন, ‘এরপর সবকিছু মিটলে আমি সোনমকে বলে দিয়েছিলাম এবার থেকে স্কুলে নিজের ঝামেলা নিজে মেটাবি। খবরদার আমাকে ডাকবি না। এসবের পাল্লায় আমি আর পড়তে চাই না।’

আরও পড়ুন:
হৃত্বিকের সিরিজ থেকে সরে গেলেন মনোজ বাজপেয়ী

শেয়ার করুন

মন্তব্য

পরীমনির মদের লাইসেন্স ছিল, তবে...

পরীমনির মদের লাইসেন্স ছিল, তবে...

পরীমনির বাসা থেকে জব্দ করা মদের বোতল। ছবি: নিউজবাংলা

‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আইনসিদ্ধ পদ্ধতিতে গতানুগতিক নিয়ম অনুযায়ী পরীমনির বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়। যা একটি লাইসেন্সে কাভার করে না। পাশাপাশি তার বাসায় লাইসেন্সের একটি কপি পেয়েছি, তবে তা আইনসিদ্ধ নয় এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল।’

পরীমনির বাসায় তার একটি মদের লাইসেন্সের কপি পেয়েছে র‍্যাব। তবে সেটি আইনসিদ্ধ ছিল না বলে জানিয়েছেন এলিট বাহিনীটির আইন ও গণমাধ্যম শাখার পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে র‍্যাব সদর দপ্তরে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান তিনি।

তিনি বলেন, ‘সুনির্দিষ্ট অভিযোগের ভিত্তিতে আইনসিদ্ধ পদ্ধতিতে গতানুগতিক নিয়ম অনুযায়ী পরীমনির বাসায় অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানের সময় তার বাসা থেকে বিপুল পরিমাণ মাদক জব্দ করা হয়। যা একটি লাইসেন্সে কাভার করে না। পাশাপাশি তার বাসায় লাইসেন্সের একটি কপি পেয়েছি তবে তা আইনসিদ্ধ নয় এবং মেয়াদোত্তীর্ণ ছিল।’

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘পরীমনি ২০১৬ সাল থেকে মাদক সেবন করতেন। এমনকি ভয়ঙ্কর মাদক এলএসডি ও আইসও সেবন করতেন তিনি। তার বাসায় একটি মিনি বারও রয়েছে। তিনি বাসায় নিয়মিত মদের পার্টি করতেন। চলচ্চিত্র প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ পরীমনির বাসায় এসব মাদক সাপ্লাই (সরবরাহ) করতেন।’

পরীমনির মদের লাইসেন্স ছিল, তবে...
পরীমনিকে আটকের বিষয়ে ব্রিফিংয়ের পর তাকে বনানী থানায় নিয়ে যায় র‌্যাব। ছবি: নিউজবাংলা
আরও পড়ুন:
হৃত্বিকের সিরিজ থেকে সরে গেলেন মনোজ বাজপেয়ী

শেয়ার করুন

আদালতের পথে পরী-রাজ, ৭ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ

আদালতের পথে পরী-রাজ, ৭ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ

পরীমনি-রাজকে আদালতে আনা হচ্ছে, এমন খবরে ঢাকা মুখ্য মহানগর হাকিম আদালতে নিরাপত্তা জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ।

আলোচিত অভিনেত্রী পরীমনি ও প্রযোজক-পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজকে আদালতে তোলা হচ্ছে। মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলায় তাদের প্রত্যেককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ৭ দিন করে রিমান্ড চাইবে পুলিশ।

আদালত প্রাঙ্গণে থাকা নিউজবাংলার জ্যেষ্ঠ প্রতিবেদক সামদানী হক নাজুম জানিয়েছেন, পরীমনি ও রাজকে আদালতে তোলাকে কেন্দ্র করে নিরাপত্তাব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে। মোতায়েন করা হয়েছে অতিরিক্ত পুলিশ। আসামিদের বিচারক মামুনুর রশীদের ৩৪ নম্বর আদালতে তোলা হতে পারে।

আদালতে পরীমনির পক্ষে লড়বেন নীলাঞ্জনা রেফাত সুরভীসহ আরও কয়েকজন আইনজীবী। তারা রিমান্ড বাতিল এবং জামিন চেয়ে আবেদন করবেন।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বনানী থানায় পরীমনি, রাজ ও আরও দুজনের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইনে পৃথক দুটি মামলা করে র‌্যাব।

এর আগে র‌্যাব কার্যালয়ে পরীমনি ও রাজকে আটকের বিষয়ে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানোর পর বনানী থানায় নিয়ে আসা হয়।

র‌্যাব জানায়, অ্যালকোহলের চাহিদা মেটাতে পরীমনি নিজ বাসায় ‘মিনি বার’ স্থাপন করেছিলেন।

ব্রিফিংয়ে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘পরীমনির বাসার মিনি বারে বিভিন্ন বিদেশি মদ, ইয়াবা, এলএসডি ও আইস পাওয়া গেছে। পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদে আমরা এ তথ্য জেনেছি।

‘আমরা জেনেছি, ২০১৬ সালে অ্যালকোহলে আসক্ত হন তিনি। চাহিদা মেটাতেই এই মিনি বার স্থাপন করেন। বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডিজে পার্টির আয়োজন করতেন। এই মিনি বারে অ্যালকোহল সরবরাহ করতেন নজরুল ইসলাম রাজ।’

আদালতের পথে পরী-রাজ, ৭ দিনের রিমান্ড চাইবে পুলিশ

পরীমনিকে আটকের বিষয়ে ব্রিফিংয়ের পর তাকে বনানী থানায় নিয়ে যায় র‌্যাব। ছবি: সাইফুল ইসলাম/নিউজবাংলা

পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান শেষে বুধবার রাতে তাকে নিজেদের জিম্মায় র‌্যাবের হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই অভিনেত্রীর বাসায় অভিযান শেষ হতেই বনানীতেই অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় প্রযোজক-পরিচালক রাজকে।

র‍্যাব জানায়, পরীর বাসা থেকে জব্দ করা হয়েছে আট বোতল প্লাটিনাম লেভেল, তিনটি ব্ল্যাক লেভেল, দুটি সিভাস সিগ্যাল, দুটি ফক্স গ্রোভ, একটি ব্লু লেভেল, দটি গ্ল্যানলিভেট, একটি গ্ল্যানফিডিচ বোতল।

এ ছাড়া এই অভিনেত্রীর বাসা থেকে জব্দ হয়েছে চিার গ্রাম আইস ও এক স্লট ভয়ংকর মাদক এলএসডি। জব্দতালিকায় একটি বং পাইপের কথাও বলা হয়েছে।

আর চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজের অফিস থেকে বিপুল মদ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। জব্দতালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে তার বাসায় মিলেছে সাত বোতল গ্ল্যানলিভেট, দুটি গ্ল্যানফিডিচ, চারটি ফক্স গ্রোভ, একটি প্লাটিনাম লেভেল।

এর বাইরে সিসায় ব্যবহৃত চারকোলের একটি প্যাকেট, দুই সেট সিসার সরঞ্জাম, দুই ধরনের সিসা তামাক, সিসা সেবনের জন্য ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের একটি রোল, ৯৭০ পিস ইয়াবার কথাও বলা হয়েছে জব্দতালিকায়।

এ ছাড়া যৌনাচারের জন্য ব্যবহৃত ১৪টি বেআইনি সরঞ্জাম, একটি সাউন্ড বক্স ও দুটি মোবাইল ফোন এবং একটি মেমোরি কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
হৃত্বিকের সিরিজ থেকে সরে গেলেন মনোজ বাজপেয়ী

শেয়ার করুন

ডিজে পার্টি থেকে বিপুল অর্থ পেতেন রাজ

ডিজে পার্টি থেকে বিপুল অর্থ পেতেন রাজ

প্রযোজক-পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজ। ছবি: সংগৃহীত

রাজের আয়োজিত ডিজে পার্টিতে কারা থাকতেন সেই তথ্যও র‍্যাব পেয়েছে। তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানায়নি তারা। র‍্যাবের ভাষ্য, এ নিয়ে তাদের বিশ্লেষণ চলছে।

প্রযোজক-পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজের বাসায় ডিজে পার্টিসহ নানা রকম আয়োজন চলত নিয়মিত। সেই সব পার্টি থেকে তিনি বিপুল পরিমাণ অর্থ উপার্জন করতেন বলে সংবাদ সম্মেলনে জানিয়েছে র‍্যাব।

এসব পার্টিতে কারা থাকতেন সেই তথ্যও র‍্যাব পেয়েছে। তবে এ ব্যাপারে বিস্তারিত জানায়নি তারা। র‍্যাবের ভাষ্য, এ নিয়ে তাদের বিশ্লেষণ চলছে।

বুধবার রাতে বনানীতে পরীমনির বাসায় অভিযান শেষ না হতেই চলচ্চিত্র পরিচালক রাজের বাসায় অভিযান চালায় র‍্যাব। ওই বাসা থেকে ইয়াবা, মদ ও যৌনাচারের সরঞ্জাম জব্দ করা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে র‍্যাব জানিয়েছে, রাজের বিরুদ্ধে মাদক ও ডিজিটাল কনটেন্টসংক্রান্ত আইনে মামলা করা হবে।

রাজের অফিস থেকে বিপুল মদ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। জব্দ তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে, তার বাসায় মিলেছে সাত বোতল গ্ল্যানলিভেট, দুটি গ্ল্যানফিডিচ, চারটি ফক্স গ্রোভ, একটি প্লাটিনাম লেভেল।

এর বাইরে সিসায় ব্যবহৃত চারকোলের একটি প্যাকেট, দুই সেট সিসার সরঞ্জাম, দুই ধরনের সিসা তামাক, সিসা সেবনের জন্য ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের একটি রোল, ৯৭০ পিস ইয়াবার কথাও বলা হয়েছে জব্দতালিকায়।

এ ছাড়া যৌনাচারের জন্য ব্যবহৃত ১৪টি বেআইনি সরঞ্জাম, একটি সাউন্ড বক্স ও দুটি মোবাইল ফোন এবং একটি মেমোরি কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
হৃত্বিকের সিরিজ থেকে সরে গেলেন মনোজ বাজপেয়ী

শেয়ার করুন

পরীমনি-রাজের বিরুদ্ধে মাদকের মামলা

পরীমনি-রাজের বিরুদ্ধে মাদকের মামলা

পরীমনিকে আটকের বিষয়ে ব্রিফিংয়ের পর তাকে বনানী থানায় নিয়ে যায় র‌্যাব। ছবি: নিউজবাংলা

এর আগে পরীমনি ও রাজকে আটকের বিষয়ে বিস্তারিত জানাতে ব্রিফিংয়ে আসে র‌্যাব। বাহিনীটি জানায়, অ্যালকোহলের চাহিদা মেটাতে পরীমনি নিজ বাসায় ‘মিনি বার’ স্থাপন করেছিলেন। সেখানে নেশা জাতীয় পণ্য সরবরাহ করতেন পরিচালক-প্রযোজক রাজ।

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি ও প্রযোজক-পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজের বিরুদ্ধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন মামলা করেছে র‍্যাব।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে মামলা দায়ের হয় বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন বনানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূরে আজম।

এর আগে পরীমনি ও রাজকে আটকের বিষয়ে ব্রিফিংয়ে বিস্তারিত জানানোর পর বিকেলে বনানী থানায় নিয়ে আসা হয়। সেখানেই পুলিশের কাছে তাদের হস্তান্তর করা হয়।

বনানী থানা থেকেই পরীমনি ও রাজকে আদালতে তোলার কথা রয়েছে।

এর আগে র‌্যাব কার্যালয়ে পরীমনি ও রাজকে আটকের বিষয়ে বিস্তারিত গণমাধ্যমে তুলে ধরে র‍্যাব। বাহিনীটি জানায়, অ্যালকোহলের চাহিদা মেটাতে পরীমনি নিজ বাসায় ‘মিনি বার’ স্থাপন করেছিলেন।

ব্রিফিংয়ে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘পরীমনির বাসার মিনি বারে বিভিন্ন বিদেশি মদ, ইয়াবা, এলএসডি ও আইস পাওয়া গেছে। পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদে আমরা এ তথ্য জেনেছি।

‘আমরা জেনেছি, ২০১৬ সালে অ্যালকোহলে আসক্ত হন তিনি। চাহিদা মেটাতেই এই মিনি বার স্থাপন করেন। বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডিজে পার্টি আয়োজন করতেন। এই মিনি বারে অ্যালকোহল সরবরাহ করতো নজরুল ইসলাম রাজ।’

পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান শেষে বুধবার রাতে তাকে নিজেদের জিম্মায় র‌্যাবের হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই অভিনেত্রীর বাসায় অভিযান শেষ হতেই বনানীতেই অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় প্রযোজক-পরিচালক রাজকে।

র‍্যাব জানায়, পরীর বাসা থেকে জব্দ করা হয়েছে ৮ বোতল প্লাটিনাম লেভেল, তিনটি ব্ল্যাক লেভেল, ২টি সিভাস সিগ্যাল, ২টি ফক্স গ্রোভ, একটি ব্লু লেভেল, ২টি গ্ল্যানলিভেট, একটি গ্ল্যানফিডিচ বোতল।

এ ছাড়া, এই অভিনেত্রীর বাসা থেকে জব্দ হয়েছে ৪ গ্রাম আইস ও এক স্লট ভয়ংকর মাদক এলএসডি। জব্দ তালিকায় একটি বং পাইপের কথাও বলা হয়েছে।

আর চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজের অফিস থেকে বিপুল মদ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। জব্দ তালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে তার বাসায় মিলেছে সাত বোতল গ্ল্যানলিভেট, ২টি গ্ল্যানফিডিচ, চারটি ফক্স গ্রোভ, একটি প্লাটিনাম লেভেল।

এর বাইরে সীসায় ব্যবহৃত চারকোলের একটি প্যাকেট, দুই সেট সীসার সরঞ্জাম, দুই ধরনের সীসা তামাক, সীসা সেবনের জন্য ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের একটি রোল, ৯৭০ পিস ইয়াবার কথাও বলা হয়েছে জব্দ তালিকায়।

এ ছাড়া, যৌনাচারের জন্য ব্যবহৃত ১৪টি বেআইনি সরঞ্জাম, একটি সাউন্ড বক্স ও দুটি মোবাইল ফোন সেট এবং একটি মেমোরি কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
হৃত্বিকের সিরিজ থেকে সরে গেলেন মনোজ বাজপেয়ী

শেয়ার করুন

পরীমনি-রাজসহ ৪ জন বনানী থানায়

পরীমনি-রাজসহ ৪ জন বনানী থানায়

পরীমনিকে আটকের বিষয়ে ব্রিফিংয়ের পর তাকে বনানী থানায় নিয়ে যায় র‌্যাব। ছবি: নিউজবাংলা

এর আগে পরীমনি ও রাজকে আটকের বিষয়ে বিস্তারিত গণমাধ্যমে তুলে ধরে র‍্যাব। বাহিনীটি জানায়, অ্যালকোহলের চাহিদা মেটাতে পরীমনি নিজ বাসায় ‘মিনি বার’ স্থাপন করেছিলেন।

ঢাকাই চলচ্চিত্রের জনপ্রিয় অভিনেত্রী পরীমনি ও প্রযোজক-পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজকে র‍্যাব সদর দপ্তর থেকে বনানী থানায় আনা হয়েছে।

পরীমনি, রাজ ও তাদের সঙ্গে আটক আরও দুজনের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা হতে পারে বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন বনানী থানার ওসি নূরে আজম। তিনি বলেন, ‘মামলার কাজ চলমান রয়েছে।’

মাদক আইনে মামলা হতে পারে পরীমনির বিরুদ্ধে। রাজের বিরুদ্ধে মামলা হতে পারে মাদক ও পর্নোগ্রাফি আইনে।

এর আগে বৃহস্পতিবার বিকেলে পরীমনি ও রাজকে আটকের বিষয়ে বিস্তারিত গণমাধ্যমে তুলে ধরে র‍্যাব। বাহিনীটি জানায়, অ্যালকোহলের চাহিদা মেটাতে পরীমনি নিজ বাসায় ‘মিনি বার’ স্থাপন করেছিলেন।

ব্রিফিংয়ে র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘পরীমনির বাসার মিনি বারে বিভিন্ন বিদেশি মদ, ইয়াবা, এলএসডি ও আইস পাওয়া গেছে। পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদে আমরা এ তথ্য জেনেছি।

‘আমরা জেনেছি, ২০১৬ সালে অ্যালকোহলে আশক্ত হন তিনি। চাহিদা মেটাতেই এই মিনি বার স্থাপন করেন। বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডিজে পার্টির আয়োজন করতেন। এই মিনি বারে অ্যালকোহল সরবরাহ করতেন নজরুল ইসলাম রাজ।’

পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান শেষে বুধবার রাতে তাকে নিজেদের জিম্মায় র‌্যাবের হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই অভিনেত্রীর বাসায় অভিযান শেষ হতেই বনানীতেই অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় প্রযোজক-পরিচালক রাজকে।

র‍্যাব জানায়, পরীর বাসা থেকে জব্দ করা হয়েছে আট বোতল প্লাটিনাম লেভেল, তিনটি ব্ল্যাক লেভেল, দুটি সিভাস সিগ্যাল, দুটি ফক্স গ্রোভ, একটি ব্লু লেভেল, দুটি গ্ল্যানলিভেট, একটি গ্ল্যানফিডিচ বোতল।

এ ছাড়া এই অভিনেত্রীর বাসা থেকে জব্দ হয়েছে চার গ্রাম আইস ও এক স্লট ভয়ংকর মাদক এলএসডি। জব্দতালিকায় একটি বং পাইপের কথাও বলা হয়েছে।

আর চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজের অফিস থেকে বিপুল মদ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। জব্দতালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে তার বাসায় মিলেছে সাত বোতল গ্ল্যানলিভেট, দুটি গ্ল্যানফিডিচ, চারটি ফক্স গ্রোভ, একটি প্লাটিনাম লেভেল।

এর বাইরে সিসায় ব্যবহৃত চারকোলের একটি প্যাকেট, দুই সেট সিসার সরঞ্জাম, দুই ধরনের সিসা তামাক, সিসা সেবনের জন্য ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের একটি রোল, ৯৭০ পিস ইয়াবার কথাও বলা হয়েছে জব্দতালিকায়।

এ ছাড়া যৌনাচারের জন্য ব্যবহৃত ১৪টি বেআইনি সরঞ্জাম, একটি সাউন্ড বক্স ও দুটি মোবাইল ফোন এবং একটি মেমোরি কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
হৃত্বিকের সিরিজ থেকে সরে গেলেন মনোজ বাজপেয়ী

শেয়ার করুন

পরীমনির বাসা ছিল ‘মিনি বার’

পরীমনির বাসা ছিল ‘মিনি বার’

র‍্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘আমরা জেনেছি, ২০১৬ সালে অ্যালকোহলে আসক্ত হন তিনি। চাহিদা মেটাতেই এই মিনি বার স্থাপন করেন। বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডিজে পার্টির আয়োজন করতেন। এই মিনি বারে অ্যালকোহল সরবরাহ করতেন নজরুল ইসলাম রাজ।’

অ্যালকোহলের চাহিদা মেটাতে পরীমনি নিজ বাসায় ‘মিনি বার’ স্থাপন করেছিলেন বলে জানিয়েছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‌্যাব)।

ঢাকাই সিনেমার এই অভিনেত্রীকে আটকের পরদিন বৃহস্পতিবার বিকেলে প্রেস ব্রিফিংয়ে এসব তথ্য জানায় বাহিনীটি।

র‌্যাবের লিগ্যাল অ্যান্ড মিডিয়া উইংয়ের পরিচালক কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘পরীমনির বাসার মিনি বারে বিভিন্ন বিদেশি মদ, ইয়াবা, এলএসডি ও আইস পাওয়া গেছে। পরীমনিকে জিজ্ঞাসাবাদে আমরা এ তথ্য জেনেছি।

‘আমরা জেনেছি, ২০১৬ সালে অ্যালকোহলে আসক্ত হন তিনি। চাহিদা মেটাতেই এই মিনি বার স্থাপন করেন। বিভিন্ন সময় তার বাসায় ডিজে পার্টির আয়োজন করতেন। এই মিনি বারে অ্যালকোহল সরবরাহ করতেন নজরুল ইসলাম রাজ।’

পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান শেষে বুধবার রাতে তাকে নিজেদের জিম্মায় র‌্যাবের হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই অভিনেত্রীর বাসায় অভিযান শেষ হতেই বনানীতেই অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় প্রযোজক-পরিচালক রাজকে।

র‍্যাব জানায়, পরীর বাসা থেকে জব্দ করা হয়েছে আট বোতল প্লাটিনাম লেভেল, তিনটি ব্ল্যাক লেভেল, দুটি সিভাস সিগ্যাল, দুটি ফক্স গ্রোভ, একটি ব্লু লেভেল, দুটি গ্ল্যানলিভেট, একটি গ্ল্যানফিডিচ বোতল।

এ ছাড়া এই অভিনেত্রীর বাসা থেকে জব্দ হয়েছে চার গ্রাম আইস ও এক স্লট ভয়ংকর মাদক এলএসডি। জব্দ তালিকায় একটি বং পাইপের কথাও বলা হয়েছে।

আর চলচ্চিত্র প্রযোজক ও পরিচালক নজরুল ইসলাম রাজের অফিস থেকে বিপুল মদ জব্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে র‍্যাব। জব্দতালিকায় উল্লেখ করা হয়েছে তার বাসায় মিলেছে সাত বোতল গ্ল্যানলিভেট, দুটি গ্ল্যানফিডিচ, চারটি ফক্স গ্রোভ, একটি প্লাটিনাম লেভেল।

এর বাইরে সিসায় ব্যবহৃত চারকোলের একটি প্যাকেট, দুই সেট সিসার সরঞ্জাম, দুই ধরনের সিসা তামাক, সিসা সেবনের জন্য ব্যবহৃত অ্যালুমিনিয়াম ফয়েলের একটি রোল, ৯৭০ পিস ইয়াবার কথাও বলা হয়েছে জব্দতালিকায়।

এ ছাড়া যৌনাচারের জন্য ব্যবহৃত ১৪টি বেআইনি সরঞ্জাম, একটি সাউন্ড বক্স ও দুটি মোবাইল ফোন এবং একটি মেমোরি কার্ড জব্দ করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
হৃত্বিকের সিরিজ থেকে সরে গেলেন মনোজ বাজপেয়ী

শেয়ার করুন

বিপুল অর্থ পেতে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করতেন পরীমনিরা

বিপুল অর্থ পেতে ‘ব্ল্যাকমেইল’ করতেন পরীমনিরা

র‌্যাব জানায়, চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ এবং মিশু হাসান নামে এক ব্যক্তির হাত ধরে পরীমনি অর্থের ‘মোহে ডুবে যান’ বলে জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে।

মাদকদ্রব্যসহ আটকের পর প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে পরীমনির কাছ থেকে বেশ কিছু তথ্য পাওয়ার দাবি করেছে র‌্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটেলিয়ন (র‌্যাব)। বাহিনীটি বলছে, বিভিন্ন পার্টিতে যোগ দিয়ে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের সঙ্গে ঘনিষ্টতার সুযোগে ব্ল্যাক মেইল করে বিপুল অর্থ আয় করতেন পরীমনিসহ কয়েকজন মডেলের একটি চক্র।

চলচ্চিত্র পরিচালক ও প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজ এবং মিশু হাসান নামে এক ব্যক্তির হাত ধরে পরীমনি অর্থের ‘মোহে ডুবে যান’ বলে জিজ্ঞাসাবাদে উঠে এসেছে।

পরীমনির বনানীর বাসায় অভিযান শেষে বুধবার রাতে তাকে নিজেদের জিম্মায় র‌্যাবের হেডকোয়ার্টারে নিয়ে যাওয়া হয়। এই অভিনেত্রীর বাসায় অভিযান শেষ হতেই বনানীতেই অভিযান চালিয়ে আটক করা হয় রাজকে।

র‌্যাব হেডকোয়ার্টারে মাঝরাত পর্যন্ত জিজ্ঞাসাবাদ করা হয় বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেন বাহিনীটির দায়িত্বশীল কয়েকটি সূত্র। তারা বলছেন, বিপুল পরিমাণ অর্থের কারণে উশৃঙ্খল জীবনযাপন করতেন পরীমনি। বিভিন্ন মহলের উচ্চ পর্যায়ের ব্যক্তিদের সঙ্গে যোগাযোগের কথাও জানিয়েছেন তিনি। এদের মধ্যে প্রভাবশালী ব্যবসায়ী, রাজনীতিবিদ, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তারাও রয়েছেন।

সূত্রগুলো জানায়, র‌্যাবের গোয়েন্দা শাখা বেশ কিছুদিন ধরে রাজধানীর বিভিন্ন পার্টি, তাদের আয়োজক ও কয়েকজন বিতর্কিত সেলিব্রেটির কর্মকাণ্ডের ওপর নজরদারি করে আসছিল। এর ধারাবাহিকতায় একটি সিন্ডিকেটের তথ্য পায় তারা। এই সিন্ডিকেটে পরিচিত সেলিব্রেটিসহ, উঠতি মডেল এমন অনেক নারী জড়িত। তারা সবসময় মাদকের সংস্পর্শে থাকে এবং বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির কাছ থেকে নানা সময় ব্ল্যাকমেইলের মাধ্যমে টাকা হাতানোর মত কাজও করেছে। সেই সঙ্গে উৎশৃঙ্খল আচরণের কারণেও কাউকে কাউকে নজরদারিতে আনে র‌্যাব।

প্রথমে দুই মডেল ফারিয়া মাহবুব পিয়াসা ও মরিয়ম আক্তার মৌকে আটক করার পর বাকিদেরও আইনের আওতায় আনতে অভিযানে নামে বাহিনীটি।

র‌্যাব জানায়, গত বুধবার পিয়াসা ও মৌয়ের সহযোগী মিশু নামে এক ব্যক্তিকে গ্রেপ্তার করা হয়। মিশু মূলত বিভিন্ন পার্টির আয়োজন করতো। সেসব পার্টিতে মিশুর আমন্ত্রণে পরীমনি নিয়মিত অংশ নিত। তাই মিশুকে গ্রেপ্তারের পর পরীমনির বাসায় অভিযান চালানো হয়।

র‌্যাব বলছে, প্রযোজক নজরুল ইসলাম রাজের হাত ধরেই পরীমনির উত্থান। রাজই বিশিষ্ট লোকদের সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিয়ে অর্থ উপার্জনের পথ দেখিয়েছিল পরীমনিকে। তারা সবাই একই সিন্ডিকেটের সদস্য বলে প্রাথমিকভাবে জানা গেছে।

এ ছাড়া, র‌্যাব সদস্যদের উপস্থিতির পর সহযোগিতা না করে ফেইসবুক লাইভে থেকে যাদের যাদের ফোন করেছিলেন তাদের সম্পর্কেও জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়েছে পরীমনিকে।

আরও পড়ুন:
হৃত্বিকের সিরিজ থেকে সরে গেলেন মনোজ বাজপেয়ী

শেয়ার করুন