টাইগার ও দিশার গাড়ি আটকাল পুলিশ

টাইগার ও দিশার গাড়ি আটকাল পুলিশ

জিম থেকে একই গাড়িতে করে ফিরছিলেন টাইগার ও দিশা। ফেরার পথে মুম্বাইয়ের ব্যান্ডস্ট্যান্ড এলাকায় ড্রাইভিংয়ের মজা নিচ্ছিলেন এই তারকা জুটি। আর এই কারণে সেই সময়ই মুম্বাই পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের গাড়ি থামানো হয়।

বলিউডের হালের ক্রেজ টাইগার শ্রফ ও দিশা পাটানির গাড়ি আটক করেছিল মুম্বাই পুলিশ।

লকডাউনের বিধি অমান্য করায় বুধবার মুম্বাইয়ের ব্যান্ডস্ট্যান্ড এলাকায় তাদের গাড়ি আটক করে পুলিশ।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, জিম থেকে একই গাড়িতে করে ফিরছিলেন টাইগার ও দিশা। গাড়ির সামনে চালকের পাশের আসনে বসে ছিলেন দিশা। আর টাইগার ছিলেন গাড়ির পিছনে। ফেরার পথে মুম্বাইয়ের ব্যান্ডস্ট্যান্ড এলাকায় ড্রাইভিংয়ের মজা নিচ্ছিলেন এই তারকা জুটি। আর এই কারণে সেই সময়ই মুম্বাই পুলিশের পক্ষ থেকে তাদের গাড়ি থামানো হয়।

যদিও আধার কার্ড দেখানোর পর তাদের গাড়ি ছেড়ে দেয়া হয় বলেই জানা গেছে।

বেশ কিছুদিন ধরেই প্রেমের সম্পর্কে আছেন টাইগার ও দিশা। যদিও এই সম্পর্কের কথা প্রকাশ্যে স্বীকার করেন না তারা। বরাবরই নিজেদের ‘ভালো বন্ধু’ হিসেবেই দাবি করে এসেছেন এই তারকা জুটি।

এই বছর মার্চে টাইগারের জন্মদিনেও তার পরিবারের সঙ্গে দেখা গিয়েছিল দিশাকে। প্রাইভেট ডিনারে টাইগারের মা ও দুই বোনের সঙ্গে যোগ দিয়েছিলেন অভিনেত্রী।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

চলে গেলেন সত্যজিৎ রায়ের ‘বিমলা’

চলে গেলেন সত্যজিৎ রায়ের ‘বিমলা’

পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেত্রী স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত। ছবি: সংগৃহীত

১৯৮৪ সালে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পর্দায় অভিনয়ের যাত্রা শুরু স্বাতীলেখার। এরপর সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত সিনেমা ‘ঘরে বাইরে’-তে ‘বিমলা’ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। যে চরিত্রের জন্য ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান অভিনেত্রী।

চলে গেলেন সত্যজিৎ রায়ের ঘরে বাইরে সিনেমার বিমলা খ্যাত টালিউডের বর্ষীয়ান অভিনেত্রী স্বাতীলেখা সেনগুপ্ত।

হৃদরোগে আক্রান্ত হয়ে বুধবার কলকাতার এক বেসরকারি হাসপাতালে তার মৃত্যু হয় বলে জানিয়েছে ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যম।

গত ২২ মে ৭১ বছরে পা দিয়েছিলেন স্বাতীলেখা। দীর্ঘ দিন ধরে কিডনির সমস্যায় ভুগছিলেন তিনি। তার ডায়ালিসিস চলছিল। ২১ দিন আইসিইউতেও ভর্তি ছিলেন অভিনেত্রী।

১৯৮৪ সালে সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায় ও ভিক্টর বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে পর্দায় অভিনয়ের যাত্রা শুরু স্বাতীলেখার।

এরপর সত্যজিৎ রায়ের বিখ্যাত সিনেমা ঘরে বাইরে–তে ‘বিমলা’ চরিত্রে অভিনয় করেছিলেন তিনি। যে চরিত্রের জন্য ব্যাপক জনপ্রিয়তা পান অভিনেত্রী।

এই সিনেমা থেকেই সৌমিত্র ও স্বাতীলেখার জুটিকে পছন্দ করেছিলেন ভক্ত- অনুরাগীরা। কিন্তু তারপরে মঞ্চের বাইরে আর দেখা যায়নি অভিনেত্রীকে।

দীর্ঘ ৩১ বছর পরে বেলাশেষে সৌমিত্রের সঙ্গেই পর্দায় ফিরেছিলেন তিনি।

বেলাশেষে’র ব্যাপক জনপ্রিয়তা ও এই জুটি রসায়নে আপ্লুত দর্শকদের জন্য ফের বেলাশুরু নামের আরেকটি সিনেমা বানালেন প্রযোজক-পরিচালক নন্দিতা রায় ও শিবপ্রসাদ মুখোপাধ্যায়।

কিন্তু সিনেমাটি মুক্তি আগেই চলে গেলেন বর্ষীয়ান এই দুই তারকা। গত বছর নভেম্বরে মারা যান সৌমিত্র চট্টোপাধ্যায়। আর আজ চলে গেলেন স্বাতীলেখাও।

শেয়ার করুন

গণমাধ্যমের সামনে সাদের না আসার কী কারণ

গণমাধ্যমের সামনে সাদের না আসার কী কারণ

নির্মাতা আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ। ছবি: সংগৃহীত

সাদ ব্যক্তিগত কারণে মিডিয়ায় কথা বলেন না। ও মারাত্মক প্রেসার ফিল করে এবং এ ব্যাপারে সে খুবই আনকম্ফোর্টেবল ফিল করে। বিশ্বাস করেন, ওর অ্যাংজাইটি লেবেলটা এরকম। ওকে একটু ফিল্মটা শেষ করতে দেন।

বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ আসর কান চলচ্চিত্র উৎসবের ৭৪তম আসরের অফিশিয়াল সিলেকশনে জায়গা করে নিয়েছে বাংলাদেশের সিনেমা রেহানা মরিয়ম নূর। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন আবদুল্লাহ মোহাম্মদ সাদ।

এমন আনন্দের সংবাদের পরও সাদ কথা বলেননি গণমাধ্যমে। কিন্তু কেন? বিদেশি গণমাধ্যমে সাদের কথা প্রকাশের পর দেশের গণমাধ্যমে প্রকাশ পেয়েছে তার কথা। সেই কথাও আবার পাঠানো হয়েছে বিজ্ঞপ্তি আকারে।

কিন্তু কেন এমন হচ্ছে। সাদ কি দেশের সংবাদমাধ্যমের চেয়ে বিদেশি সংবাদমাধ্যমকে বেশি গুরুত্ব দিচ্ছেন? এমন প্রশ্ন উঠেছে সাংবাদিক মহলে।

স্বাভাবিকভাবে এমন ভালো সংবাদের পর নির্মাতা সম্পর্কে জানার আগ্রহও তৈরি হয়। কিন্তু সাদের ব্যাপারে তার কাছ থেকে জানার কোনো সুযোগ পাওয়া যাচ্ছে না।

এমন নানা বিষয় নিয়ে নিউজবাংলা একটি প্রশ্নপত্র ই-মেইলেপাঠায় রাজিব মহাজনের কাছে। তিনি রেহানা মারিয়াম নূর সংশ্লিষ্ট এবং সাদের কাছের মানুষ। সিনেমাটি কানের যাওয়ার অফিসিয়াল সিলেকশনসহ সাদের বক্তব্য মেইলের মাধ্যমে তিনিই পাঠিয়েছিলেন গণমাধ্যমে।

নিউজবাংলার পাঠানো প্রশ্নগুলো হলো -

১) নির্মাতা আবদুল্লাহ মোহাম্মাদ সাদের বক্তব্য বিদেশি সংবাদমাধ্যমে যেটা প্রকাশ পায় সেটাও কি বিজ্ঞপ্তি আকারে পাঠানো হয়, নাকি সাদ কথা বলেন? বিদেশিরা কোন পদ্ধতিতে সাদের মন্তব্য চান?

২) যদি উত্তরে বলেন, তিনি বিদেশি সংবাদমাধ্যমে কথা বলেন। তাহলে কি তিনি দেশের সংবাদমাধ্যমকে এড়িয়ে চলেন?

৩) যদি বলেন, তিনি কোনো মিডিয়াতেই কথা বলেন না, সবখানেই বিজ্ঞপ্তি পাঠানো হয়, তাহলে তা দেশের সংবাদমাধ্যমে আগে কেন পাঠানো হয় না? বিশেষ কোনো কারণ রয়েছে কি?

৪) আগ্রহীরা বা সাংবাদিকরা সাদ সম্পর্কে কীভাবে জানবে?

৫) কানের মতো আন্তর্জাতিক পরিসরে গিয়ে মিডিয়ার সঙ্গে কথা বলার প্রয়োজন হলে সাদ কি তা করবেন না?

৬) মিডিয়ায় সাদের কথা না বলার কারণ কি শুধুই ব্যক্তিগত? নাকি অন্য কিছু?

গণমাধ্যমের সামনে সাদের না আসার কী কারণ
বাঁ থেকে- আব্দুল্লাহ মোহম্মদ সাদ, সিঙ্গাপুরের প্রযোজক জেরেমি চুয়া ও রাজিব মহাজন। ছবি: সংগৃহীত

মেইল পাঠানোর কয়েকদিন পর ফিরতি মেইলে রাজিব মহাজন লেখেন-

হ্যাঁ, আমরা সাদের বক্তব্য বিজ্ঞপ্তি আকারে পাঠাই, কিন্তু বিদেশি গণমাধ্যমকে আমরা কখনও আলাদাভাবে মূল্যায়ন করিনি। সবাইকে একইভাবে সব তথ্য দেয়ার চেষ্টা করেছি।

সংবাদ আগে কিংবা পরে পৌছানোর ব্যাপারটি আমাদের অনিচ্ছাকৃতভাবে ঘটেছে। তবে ভবিষ্যতে যেন এমন কনফিউশন তৈরি না হয় সে ব্যাপারে আমরা সতর্ক আছি।

অবশ্যই সাদের সম্পর্কে জানার উপায় আছে। যেহেতু এই মুহূর্তে কান উৎসবে পাঠানোর জন্য আমাদের ছবির চূড়ান্ত এডিটিং, সাউন্ড মিক্সিং, কালার গ্রেড চলছে এবং পাশাপাশি ফিল্ম রিলিজ রিলেটেড বিভিন্ন ম্যাটেরিয়াল পাঠাতে লাগাতার কাজ চলছে তাই সাদকে অনেক ব্যস্ত থাকতে হচ্ছে। যে কারণে এই মুহূর্তে আমরাও সাদকে ডিস্টার্ব করতে চাইতেছি না।

তবে সাদ কোনোভাবেই কোনো সাংবাদিকদের প্রতি ডিসরেসপেক্টফুল হতে চায় না। সবাইকে সমানভাবে সম্মান দেয়।

আর কানে আমরা প্রেস মিট করব যেভাবে তারা আয়োজন করে থাকে। সেখানে বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেয়ার চেষ্টা করব সবাই মিলে।

আপনি ঠিক বলেছেন, সাদ ব্যক্তিগত কারণে মিডিয়ায় কথা বলেন না। ও মারাত্মক প্রেসার ফিল করে এবং এ ব্যাপারে সে খুবই আনকম্ফোর্টেবল ফিল করে।

যে কারণে তাকে আমরা কখনও প্রেসার দেই না। আর আপনি জানেন, একবার কোথাও কথা বললে, একটার পর একটা ইন্টারভিউ দিতে হবে এবং লিটিরালি ও মারা যাবার অবস্থা হবে। বিশ্বাস করেন, ওর অ্যাংজাইটি লেবেলটা এরকম। ওকে একটু ফিল্মটা শেষ করতে দেন।

তবে আমি ওকে নিজে রাজি করাইছি, কান প্রিমিয়ারের পর আমরা একটা সংবাদ সম্মেলন করব শুধু প্রশ্নের উত্তর দেবার জন্য। তখন আপনারা তাকে সরাসরি প্রশ্ন করার সুযোগ পাবেন। সাদের বন্ধু হিসেবে আমার অনুরোধ এটা নিয়ে ভুল বুঝবেন না প্লিজ।

শেয়ার করুন

সিঙ্গার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বন্যা, বিশ্বজিৎ সম্পাদক

সিঙ্গার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বন্যা, বিশ্বজিৎ সম্পাদক

রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা ও কুমার বিশ্বজিৎ। ছবি: সংগৃহীত

১৫ জুন অনুষ্ঠিত হয় ‘সিঙ্গার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ এর চতুর্থ সাধারণ সভা। অস্থায়ী আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার সভাপতিত্বে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমে অনুষ্ঠিত এই সভায় দেশের বিভিন্ন প্রজন্মের ৫০ জন সংগীতশিল্পী অংশ নেন।

‘সিঙ্গার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ এর সভাপতি রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা, তপন চৌধুরী ও সামিনা চৌধুরীকে সহ সভাপতি এবং কুমার বিশ্বজিৎকে সাধারণ সম্পাদক করে ২৩ সদস্য বিশিষ্ট কার্যনির্বাহী কমিটি গঠন করা হয়েছে।

এই কমিটির অন্যান্য দায়িত্বপ্রাপ্তরা হলেন, সহ সাধারণ সম্পাদক হাসান আবিদুর রেজা জুয়েল, সাংগঠনিক সম্পাদক জয় শাহরিয়ার, অর্থ সম্পাদক চন্দন সিনহা, প্রচার ও প্রকাশনা বিষয়ক সম্পাদক সোমনুর মনির কোনাল, সংস্কৃতি বিষয়ক সম্পাদক কিশোর দাস, প্রযুক্তি ও প্রশিক্ষণ বিষয়ক সম্পাদক সাব্বির জামান, আইন ও আন্তর্জাতিক বিষয়ক সম্পাদক মইদুল ইসলাম খান শুভ, দফতর বিষয়ক সম্পাদক ইউসুফ আহমেদ খানভ

কার্যকরী সদস্যবৃন্দ রবি চৌধুরী, আঁখি আলমগীর, অনিমা রায়, আলিফ আলাউদ্দিন, লাবিক কামাল গৌরব, ইলিয়াস হোসেইন, সমরজিত রায়, পিন্টু ঘোষ, সন্দিপন দাস, সাজিয়া সুলতানা পুতুল ও সাহস মোস্তাফিজ।

এর পাশাপাশি ১৭ সদস্য বিশিষ্ট উপদেষ্টা কমিটিও ঘোষণা করা হয়। এই কমিটিতে আছেন ফেরদৌসী রহমান, সৈয়দ আবদুল হাদী, নিয়াজ মোহাম্মদ চৌধুরী, খুরশীদ আলম, রফিকুল আলম, ফকির আলমগীর, লিনু বিল্লাহ, শাহীন সামাদ, রথীন্দ্রনাথ রায়, পাপিয়া সারোয়ার, ফেরদৌস আরা, তপন মাহমুদ, ইয়াকুব আলী খান, ফাতেমা তুজ জোহরা, আবিদা সুলতানা, কিরণ চন্দ্র রায় ও শাফিন আহমেদ।

১৫ জুন অনুষ্ঠিত হয় ‘সিঙ্গার্স অ্যাসোসিয়েশন অব বাংলাদেশ’ এর চতুর্থ সাধারণ সভা। অস্থায়ী আহ্বায়ক কমিটির আহ্বায়ক রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যার সভাপতিত্বে অনলাইন প্ল্যাটফর্ম জুমে অনুষ্ঠিত এই সভায় দেশের বিভিন্ন প্রজন্মের ৫০ জন সংগীতশিল্পী অংশ নেন।

সভার শুরুতেই বিগত সময়ে প্রয়াত সকল সঙ্গীতশিল্পীদের প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

সিঙ্গার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বন্যা, বিশ্বজিৎ সম্পাদক
সিঙ্গার্স অ্যাসোসিয়েশনের সদস্যদের একাংশ। ছবি: সংগৃহীত

সংগীত সংশ্লিষ্ট তিন সংগঠনের চলমান ১৭ দফা দাবি সংক্রান্ত বিষয়ে মাননীয় সংস্কৃতি বিষয়ক প্রতিমন্ত্রীর সঙ্গে ২ দফা বৈঠকের অগ্রগতির বিস্তারিত আলোচনা হয় সভায়।

সংগঠনের উপদেষ্টা রফিকুল আলম ২০২১-২০২৩ সালের জন্য কার্যনির্বাহী কমিটির নাম প্রস্তাব করেন। সভায় সর্বসম্মতিক্রমে নতুন কার্যনির্বাহী কমিটি আগামী দুই বছরের জন্য দায়িত্ব গ্রহণ করে।

সদ্য দায়িত্বপ্রাপ্ত কমিটির সভাপতি রেজওয়ানা চৌধুরী বন্যা সমাপনী বক্তব্যে বাংলাদেশের সকল সংগীতশিল্পীর আর্থিক ও নৈতিক অধিকার আদায়ে সংগঠন নিরলসভাবে কাজ করে যাবে এই প্রত্যয় ব্যক্ত করে সভার ইতি টানেন।

শেয়ার করুন

কঙ্গনার বিরুদ্ধে এফআইআর, পাসপোর্ট রিনিউতে বাধা

কঙ্গনার বিরুদ্ধে এফআইআর, পাসপোর্ট রিনিউতে বাধা

বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

তবে পাসপোর্ট রিনিউ কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে অভিনেত্রীকে সাফ জানিয়ে দেয়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের থাকায় মুম্বাই হাইকোর্টের নির্দেশ ছাড়া পাসপোর্ট রিনিউ করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

সোশ্যাল মিডিয়ায় সাম্প্রদায়িকতার বিষ ছড়ানোয় ও ধর্মীয় সম্প্রীতি নষ্ট করার অভিযোগে গত বছরের অক্টোবরে বলিউডের ‘কন্ট্রোভার্সি কুইন’ হিসেবে পরিচিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউতের বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের করেছিল মুম্বাইয়ের একটি আদালত।

এবার সেই এফআইআর-এর জেরেই এই অভিনেত্রী রিনিউ করতে পারছেন না তার পাসপোর্ট।

এই জন্য মুম্বাই হাইকোর্টের দ্বারস্থ হয়েও লাভ হলো না কঙ্গনার।

মঙ্গলবার মুম্বাই হাইকোর্ট জরুরি ভিত্তিতে কঙ্গনার আবেদনের শুনানি নাকচ করে দিল।

সেই আবেদনে অভিনেত্রী জানিয়েছিলেন আদালত যাতে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরকে তার পাসপোর্ট রিনিউ করে দেয়ার নির্দেশ দেয়।

তবে পাসপোর্ট রিনিউ কর্তৃপক্ষের তরফ থেকে অভিনেত্রীকে সাফ জানিয়ে দেয়া হয়েছে তার বিরুদ্ধে এফআইআর দায়ের থাকায় মুম্বাই হাইকোর্টের নির্দেশ ছাড়া পাসপোর্ট রিনিউ করা তাদের পক্ষে সম্ভব নয়।

নিজের আইনজীবীর মাধ্যমে আদালতে আবেদন জানিয়েছিলেন কঙ্গনা। তবে মুম্বাই হাইকোর্ট জানায়, নায়িকার আবেদনে গলদ রয়েছে। কারণ অভিনেত্রী নিজের আবেদনে সব রকম তথ্য দেননি।

কঙ্গনার বিরুদ্ধে এফআইআর, পাসপোর্ট রিনিউতে বাধা
বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

আগামী ২৫ জুন কঙ্গনার এই আবেদন নতুন করে শুনবে আদালত।

আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর শেষ হচ্ছে কঙ্গনা পাসপোর্টের মেয়াদ। তার আসন্ন সিনেমা ধাকড়-এর শুটিংয়ের জন্য অল্প দিনের মধ্যেই হাঙ্গেরি যাওয়ার কথা রয়েছে অভিনেত্রীর।

শেয়ার করুন

বিজ্ঞাপনে জায়েদ খান

বিজ্ঞাপনে জায়েদ খান

বিজ্ঞাপনের ফটোশুটে চিত্রনায়ক জায়েদ খান। ছবি: সংগৃহীত

দীর্ঘদিন পর বিজ্ঞাপনে কাজ করার কারণ জানতে চাইলে বলেন, ‘এই বিজ্ঞাপনের আইডিয়াটা আমার কাছে ভালো লেগেছে। তাছাড়া ঈদের মধ্যে পাঞ্জাবি কিনতে গিয়েছিলাম এখানে। আমার খুবই পছন্দ হয়েছে। তাই এখান থেকে কাজের প্রস্তাব আসায় না করিনি।’

চিত্রনায়ক জায়েদ খান দীর্ঘদিন পর কাজ করলেন বিজ্ঞাপনে। তার কথায়, ’১৯ বছর কাজ করলাম বিজ্ঞাপনে’। ফিরলেন তো একেবারে রাজকীয় ঢংয়ে। শেরওয়ানি সঙ্গে, মাথায় পাগড়ি, হাতে তরবারি নিয়ে তোলা ছবিগুলোতে জায়েদ যেন রাজপুত্র।

জায়েদ খান বলেন, ‘অনেক তরুণী ছবিগুলো দেখে রাজপুত্রই বলছে আমাকে।’

চিত্রনায়ক জায়েদ খানের এই মডেল হওয়া রয়েল মালাবার জুয়েলারি অ্যান্ড ফ্যাশন মলের জন্য। ফটোশুট হয়েছে, শিগগিরই এর ভিডিও প্রকাশ পাবে।

দীর্ঘদিন পর বিজ্ঞাপনে কাজ করার কারণ জানতে চাইলে বলেন, ‘এই বিজ্ঞাপনের আইডিয়াটা আমার কাছে ভালো লেগেছে। তাছাড়া ঈদের মধ্যে পাঞ্জাবি কিনতে গিয়েছিলাম এখানে। আমার খুবই পছন্দ হয়েছে। তাই এখান থেকে কাজের প্রস্তাব আসায় না করিনি।’

এতদিন বিজ্ঞাপন না করার কারণ জানিয়ে জায়েদ বলেন, ‘আমার কাছে প্রচুর বিজ্ঞাপনের প্রস্তাব আসে। কিন্তু আমি করি না। কারণ সিনিয়ররা বলেছিলেন, বিজ্ঞাপন করে বিলবোর্ড বা টিভিতে বেশি বেশি দেখা গেলে প্রেক্ষাগৃহে দর্শক কম দেখতে আসবে। তাই করা হয়নি।’

বিজ্ঞাপনে জায়েদ খান

তাহলে কি এখন বিজ্ঞাপনে নিয়মিত হবেন? জায়েদ বলেন, ‘আগে দেখি ছবিগুলো বিলবোর্ডে দেখে কেমন লাগে; ভিডিওটি প্রকাশের পর কেমন সাড়া পাই। তবে কাজের আইডিয়া ভালো লাগলে তো কাজ করব নিশ্চয়ই।’

গৌতম সাহার কোরিওগ্রাফিতে চিত্রগ্রাহক হিসেবে কাজ করেছেন নাঈম আহমেদ।

বিজ্ঞাপনে জায়েদ খান

জায়েদ খান ২০০২ সালে ব্রিটল বিস্কুটের একটি বিজ্ঞাপনে কাজ করেন। যেখানে ‘ব্রিটল বিস্কুট খাইতে খাইতে যায় বেলা...’ কথার একটি গান ব্যবহার করা হয়েছিল।

শেয়ার করুন

জয়ার প্রযোজনায় সুমন, অনুদান পেলেন অমিতাভ, পিপলু

জয়ার প্রযোজনায় সুমন, অনুদান পেলেন অমিতাভ, পিপলু

জয়ার প্রযোজনায় সিনেমা নির্মাণ করবেন সুমন। অমিতাভ রেজাও পেয়েছেন সরকারি অনুদান। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা

রইদ নামের সিনেমা প্রযোজনা করবেন জয়া আর পরিচালনা করবেন মেজবাউর রহমান সুমন। অমিতাভ রেজা নির্মাণ করবেন পেন্সিলে আঁকা পরী নামের সিনেমা।

রুচিশীল ও শিল্পমানসমৃদ্ধ পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র নির্মাণে সরকারি পৃষ্ঠপোষকতা ও সহায়তা দিয়ে আসছে সরকার। তারই ধারবাহিকতায় ২০২০-২১ অর্থবছরে অনুদানপ্রাপ্তদের নাম প্রকাশ করেছে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়।

পূর্ণদৈর্ঘ্য ২০টি চলচ্চিত্রকে অনুদানের জন্য বিবেচনা করা হয়েছে যাদের, তারা হলেন-

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমা ক্ষমা নেই। প্রযোজক ও পরিচালক জাহাঙ্গীর হোসেন মিন্টু ( ইমি)।

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমা সাড়ে তিন হাত ভূমি। প্রযোজক ও পরিচালক নঈম ইমতিয়াজ নেয়ামুল।

মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক সিনেমা মৃত্যুঞ্জয়ী। প্রযোজক বেগম বদরুন নেছা খানম, পরিচালক উজ্জ্বল কুমার মণ্ডল।

শিশুতোষ সিনেমা মাইক । প্রযোজক এফ এম শাহীন, পরিচালক হাসান জাফরুল ও এফ এম শাহীন।

শিশুতোষ সিনেমা নুলিয়াছড়ির সোনার পাহাড়। প্রযোজক ও পরিচালক লুবানা শারমিন।

সাধারণ শাখায় জয় বাংলা। প্রযোজক মিটু শিকদার, পরিচালক কাজী হায়াৎ।

সাধারণ শাখার সিনেমা জামদানী। প্রযোজক মো. জানে আলম, পরিচালক অনিরুদ্ধ রাসেল।

চাঁদের অমাবস্যা (সাধারণ শাখা)। পরিচালক ও প্রযোজক জাহিদুর রহিম অঞ্জন।

রইদ (সাধারণ শাখা)। প্রযোজক জয়া আহসান, পরিচালক মেজবাউর রহমান সুমন।

পেন্সিলে আঁকা পরী (সাধারণ শাখা)। প্রযোজক মাহজাবিন রেজা চৌধুরী, আসাদুজ্জামান, অমিতাভ রেজা। সিনেমাটি পরিচালনা করবেন অমিতাভ রেজা।

জলে জ্বলে (সাধারণ শাখা)। প্রযোজক ও পরিচালক অরুণ চৌধুরী।

অসম্ভব (সাধারণ শাখা)। পরিচালক ও প্রযোজক অরুণা বিশ্বাস।

ভাঙন (সাধারণ শাখা)। প্রযোজক ও পরিচালক মীর্জা শাখাওয়াত হোসেন।

দাওয়াল (সাধারণ শাখা)। প্রযোজক ও পরিচালক রকিবুল হাসান চৌধুরী (পিকলু)।

বলি (সাধারণ শাখা)। প্রযোজক রেজাউর রহমান খান (পিপলু আর খান) পরিচালক ইকবাল হোসাইন চৌধুরী।

শ্রাবণ জোৎস্নায় (সাধারণ শাখা)। প্রযোজক তামান্না সুলতানা, পরিচালক আব্দুস সামাদ খোকন।

দেশান্তর (সাধারণ শাখা)। প্রযোজক ও পরিচালক আশুতোষ ভট্টাচার্য (আশুতোষ সুজন)

গলুই (সাধারণ শাখা)। প্রযোজক খোরশেদ আলম খসরু, পরিচালক এস এ হক অলিক।

দেয়ালের দেশ (সাধারণ শাখা)। প্রযোজক মাহফুজুর রহমান, পরিচালক ইব্রাহিম খলিল মিশু।

জলরঙ (সাধারণ শাখা)। প্রযোজক দেলোয়ার হোসেন দিলু, পরিচালক কবিরুল ইসলাম রানা (অপূর্ব রানা)।

২০টি সিনেমার মধ্যে সর্বোচ্চ ৭০ লাখ টাকা পাচ্ছেন চাঁদের অমাবস্যা সিনেমার জন্য পরিচালক ও প্রযোজক জাহিদুর রহিম অঞ্জন। ৫০ লাখ টাকা পাবে মাইক সিনেমাটি। এছাড়া মৃত্যুঞ্জয়ী, জয় বাংলা, জামদানীদাওয়াল সিনেমা সংশ্লিষ্টরা পাবেন ৬৫ লাখ টাকা করে। আর বাকিরা সবাই পাবেন ৬০ লাখ টাকা করে। ২০টি সিনেমার মোট বাজেট ১২ কোটি ২০ লাখ টাকা।

শেয়ার করুন

প্রটোকলের আশা ছিল, পাইনি: পরীমনি

প্রটোকলের আশা ছিল, পাইনি: পরীমনি

ডিবি কার্যালয়ের উদ্দেশে বাসা থেকে বের হওয়ার সময় ক্যামেরাবন্দি হন পরীমনি। ছবি: নিউজবাংলা

‘আমি অপেক্ষা করছিলাম যে, কেউ আমাকে প্রোটোকল দিয়ে নেয় কিনা। আসলে কেউ আসে নাই। সো আমারই যেতে হচ্ছে। কারণ আমার তো যাইতে হবে। কথা বলতে হবে তাদের সাথে।’

আলোচিত চলচ্চিত্র অভিনেত্রী পরীমনি মঙ্গলবার নিজ বাসা থেকে ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) গোয়েন্দা শাখার (ডিবি) কার্যালয়ে যাওয়ার পথে পুলিশি প্রটোকল পাওয়ার আশা করেছিলেন। তবে সেটা না পেয়ে শেষপর্যন্ত নিজের ব্যক্তিগত গাড়িতে চড়েই বনানী থেকে রওনা হন মিন্টো রোডের উদ্দেশে।

ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগে মামলায় প্রধান অভিযুক্তরা গ্রেপ্তার হওয়ার পরদিন পরীমনিকে ডিবি কার্যালয়ে ডেকে পাঠানো হয়। ডিবির কর্মকর্তারা জানান, মামলার তদন্তের জন্য পরীমনির বক্তব্য দরকার। আর সে জন্যই ডাকা হয় পরীমনিকে।

এতে সাড়া দিয়ে বেলা সোয়া ৩টার দিকে নিজের বাসা থেকে একটি সাদা রংয়ের প্রাইভেট কারে বেরিয়ে যান পরীমনি। এ সময় তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি অপেক্ষা করছিলাম যে, কেউ আমাকে প্রোটোকল দিয়ে নেয় কিনা। আসলে কেউ আসে নাই। সো আমারই যেতে হচ্ছে। কারণ আমার তো যাইতে হবে। কথা বলতে হবে তাদের সাথে।’

কোথায় যাচ্ছেন জানতে চাইলে তিনি শুরুতে বলেন, ‘ডিসি অফিস।’ পরে সংশোধন করে বলেন, ‘ডিবি অফিস।’

পরীমনিকে পুলিশের নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল কিনা, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘নিয়ে যাওয়ার কথা ছিল না। তবে আমি আশা করছিলাম যে, আমি একটা প্রোটোকল পাব।’

তাহলে প্রোটোকল ছাড়াই যাচ্ছেন কেন- এমন প্রশ্নে পরীমনি বলেন, ‘আমার তো এখন সাংবাদিক ভায়েরা আছেন। আপনারা আছেন। তবে আমি কোনো প্রোটোকল চাইনি। আসলে মনে মনে আশা করছিলাম, কিন্তু মনে মনে চাইলে তো আর হয় না। আমি বলিনি তাদেরকে।

‘এখন তো আমার মনে হয় রাস্তায় হঠাৎ করে আমাকে কেউ আক্রমণ করবে না। আমি এখন নিরাপদ আমার মনে হয়। কারণ সবাই এখন জানে জিনিসটা।’

বাসা থেকে বের হওয়ার প্রায় পৌনে দুই ঘণ্টা পর মিন্টো রোডের গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে পৌঁছান পরীমনি। এর প্রায় দুই ঘণ্টা পর বেরিয়ে তিনি পুলিশ মহাপরিদর্শক (আইজিপি) বেনজীর আহমেদ ও পুলিশের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

পরীমনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘আপনারা দেখতে পাচ্ছেন আমি আসলে মেন্টালি কতটা স্ট্রং হয়ে গেছি। সবাই এত সাপোর্ট দিয়েছেন…।’

এর আগে রোববার রাতে এক ফেসবুক পোস্টে ধর্ষণ ও হত্যাচেষ্টার অভিযোগ তুলে দেশজুড়ে আলোচনার জন্ম দেন পরীমনি। ওই পোস্টে তিনি লেখেন, ‘এই বিচার কই চাইব আমি? কোথায় চাইব? কে করবে সঠিক বিচার? আমি খুঁজে পাইনি গত চার দিন ধরে। থানা থেকে শুরু করে আমাদের চলচ্চিত্রবন্ধু বেনজীর আহমেদ আইজিপি স্যার! আমি কাউকে পাই না মা (প্রধানমন্ত্রী)।’

তবে ডিবি কার্যালয় থেকে বেরিয়ে পুলিশের উচ্ছ্বসিত প্রশংসা ছিল পরীমনির কণ্ঠে।

আইজিপি বেনজীর আহমেদের বিষয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পরীমনি বলেন, ‘আমার একমাত্র ভরসা উনিই ছিলেন। আমি সে পর্যন্ত পৌঁছাতে পারতেছিলাম না বলেই এসব কথা। তিনি যখন জেনেছেন এই কথাটা, বেনজীর স্যার যখন জেনেছেন, তার কান অবধি গেছে, কান অবধি পৌঁছাতে পেরেছি, তখন তো আপনারা দেখলেন, কয়েক ঘণ্টা লাগছে মাত্র।

‘আমার তো মূল বিশ্বাসটা ওইটাই ছিল, তার কান অবধি পৌঁছালে সে একদম সেটা নিজের মতো করে দেখে নেবে।’

পুলিশের ভূমিকা নিয়ে প্রথম দিকে হতাশার কারণ জানতে চাইলে পরীমনি বলেন, ‘আমি ওই পর্যন্ত যেতে পারছিলাম না, এটা নিয়েই তো এতক্ষণ কথা বলছি।’

ডিবি কার্যালয়ে যাওয়ার অভিজ্ঞতা জানিয়ে পরীমনি বলেন, ‘এখানে এসে আমি আসলে মেন্টালি অনেক রিফ্রেশড। আমি যে কাজে ফিরব, এটা কেউ আমাকে কিন্তু বলেনি। আমার আশপাশে যারা ছিল তারা সবাই আমাকে সান্ত্বনা দেয়ার চেষ্টা করেছে কিন্তু আমার যে কাজে ফিরতে হবে, আমাকে এই শক্তিটা তারা (পুলিশ) জুগিয়েছেন এতক্ষণ ধরে।’

গোয়েন্দা পুলিশ কার্যালয়ে কী বিষয়ে কথা হয়েছে জানিয়ে এই অভিনেত্রী বলেন, ‘আমার কাজ নিয়ে কথা বলেছে, আমাকে নানা রকম গুড ভাইভ দেয়া হচ্ছে। আমার নরমাল লাইফে কীভাবে ফিরে যাব। আমি এতটা তাদের কাছে আশা করিনি। তারা এতটা বন্ধুসুলভ, একটা ম্যাজিকের মতো হয়ে গেছে।

গোয়েন্দা পুলিশের যুগ্ম কমিশনার হারুন-অর-রশিদেরও প্রশংসা করেন পরীমনি। বলেন, ‘এত তাড়াতাড়ি হারুন স্যার যেভাবে ম্যাজিকের মতো কয়েক ঘণ্টার মধ্যে…। ঘুমিয়ে মানুষ জাগে সকালে, সেইটাও আমি সুযোগটা পাইনি। মানে ঘুমানোরই আমি টাইম পাইনি। তার আগেই দেখলাম যে এত দ্রুত কাজগুলো (আসামিদের গ্রেপ্তার) হয়ে গেছে।’

শেয়ার করুন