সুশান্ত মৃত্যু তদন্তে নতুন মোড়, গ্রেপ্তার বন্ধু সিদ্ধার্থ

player
সুশান্ত মৃত্যু তদন্তে নতুন মোড়, গ্রেপ্তার বন্ধু সিদ্ধার্থ

সুশান্ত সিং রাজপুত (বাঁয়ে) ও গ্রেপ্তার হওয়া তার বন্ধু সিদ্ধার্থ পিঠানি। ছবি: সংগৃহীত

গত বছর ১৪ জুন মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে উদ্ধার করা হয় সুশান্তের ঝুলন্ত মরদেহ। গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ একই ফ্ল্যাটে থাকতেন সুশান্তের সঙ্গে।

বলিউড অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের রহস্যজনক মৃত্যু ঘটনার মামলায় তদন্ত নতুন মোড় নিয়েছে।

এই মামলায় তার বন্ধু সিদ্ধার্থ পিঠানিকে বৃহস্পতিবার হায়দরাবাদ থেকে গ্রেপ্তার করেছে তদন্তকারী সংস্থা নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরো (এনসিবি)।

গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থকে এরইমধ্যে নেয়া হয়েছে মুম্বাইয়ে। এই মামলায় এর আগে সিবিআই ও এনসিবি একাধিকবার তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছে।

গত বছর ১৪ জুন মুম্বাইয়ের বান্দ্রায় নিজের অ্যাপার্টমেন্ট থেকে উদ্ধার করা হয় সুশান্তের ঝুলন্ত মরদেহ। গ্রেপ্তার সিদ্ধার্থ একই ফ্ল্যাটে থাকতেন সুশান্তের সঙ্গে।

সুশান্তের রহস্যজনক মৃত্যুর পর তার অনেক বন্ধুই ছিল পুলিশের সন্দেহের তালিকায়।

অভিনেতার মৃত্যুর পর বলিউডে ড্রাগ ব্যবসা ও স্বজনপোষণ নিয়ে সরব হয় পুরো ভারত। তদন্তের দাবি উঠতেই তার বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তীসহ বেশ কয়েকজন অভিনেতা ও পরিচালকে তলব করে তদন্তকারী সংস্থা।

রিয়ার বিরুদ্ধে আদালতে মামলাও করে সুশান্তের পরিবার। গত বছর সেপ্টেম্বরে মাদককাণ্ডে গ্রেপ্তার হয়েছিলেন রিয়া। একমাস কারাবন্দি থাকার পর এখন জামিনে মুক্ত আছেন তিনি।

সুশান্তের মৃত্যুর পর মাদককাণ্ডে অন্যতম অভিযুক্ত হিসেবে নাম ওঠে সিদ্ধার্থের। সুশান্তের মৃত্যুর পর রিয়ার কল রেকর্ডে জানা গিয়েছিল ওই বছরে সিদ্ধার্থের সঙ্গে প্রায় একশ বার কথা হয়েছে তার।

সুশান্ত মৃত্যু তদন্তে নতুন মোড়, গ্রেপ্তার বন্ধু সিদ্ধার্থ
সুশান্তের বান্ধবী রিয়া চক্রবর্তী। যার নামে মামলা করে সুশান্তের পরিবার। ছবি: সংগৃহীত

সুশান্তকে নিয়ে তদন্তকারী সংস্থা ও সংবাদমাধ্যমের কাছে একাধিক বার কথা বললেও রিয়ার প্রসঙ্গ এড়িয়ে যান সিদ্ধার্থ।

জানা যায়, ফ্ল্যাটে সুশান্তের ঝুলন্ত মৃতদেহ দেখে পুলিশকে খবর দেন সিদ্ধার্থ।

সিবিআইয়ের তদন্তে সুশান্তের গৃহপরিচারকের বয়ান অনুযায়ী সিদ্ধার্থই প্রথম সুশান্তকে ঝুলন্ত অবস্থায় দেখেছিলেন। ১৬৪ ধারা অনুযায়ী সিদ্ধার্থের বয়ান রেকর্ড করেছিল সিবিআই।

এনসিবির প্রধান সমীর ওয়াংখেড়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে জানিয়েছেন, মাদকসহ সিদ্ধার্থকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। শিগহিরই তাকে আদালতে তোলা হবে।

এবার সিদ্ধার্থের গ্রেপ্তারে মৃত্যু রহস্যের নতুন কোনো দিন উঠে আসে কিনা এখন সেটাই দেখার অপেক্ষায় সবাই।

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘এত নোংরামি কেন ছি ছি ছি’

‘এত নোংরামি কেন ছি ছি ছি’

অভিনেত্রী সুচরিতা। ছবি: সংগৃহীত

সুচরিতা বলেন, ‘ভোট ভালোভাবে হোক এটাই আমি আশা করি। এখানে তো দেখছি কাদা ছোড়াছুড়ির চেয়েও বেশি নোংরামি হচ্ছে। উফ, এসব বলতে খারাপ লাগে আমার। এত নোংরামি কেন ছি ছি ছি।’

আগের সময় না এখন, সিনেমার জন্য কোন কালটা ভালো? এমন প্রশ্নে নিজের সময়কে এগিয়ে রাখতে চান অভিনেত্রী সুচরিতা। কারণটাও জানালেন হাসিভরা কণ্ঠে, বললেন, ‘আমার সময় তো অবশ্যই ভালো।’ কেন? ‘আমি ছিলাম, তাই।’

সুচরিতা সিনেমায় আসেন ১৯৬৯ সালে, শিশুশিল্পী হিসেবে। ১৯৭২ সালে অভিনয় করেন নায়িকা হয়ে। জনপ্রিয়তা ধরা দেয়া ১৯৭৭ সালে যাদুর বাঁশী সিনেমায় অভিনয়ের পর।

সে সময়টা অনেক কষ্ট করে অভিনয় করতে হতো সুচরিতাসহ অন্য শিল্পীদের। এখন তো অনেক সুযোগ-সুবিধা আছে, তাই এখনকার শিল্পীদের ভাগ্য ভালো বলে মনে করেন এ অভিনেত্রী।

সুচরিতা বলেন, ‘ভালো ড্রেস এসেছে, মেয়েরা ফিগার কনসাস হচ্ছে, ভালো নাচছে। বাইরের সিনেমা দেখে দেখে ভালো এক্সপ্রেশন, গেটআপ দিচ্ছে শিল্পীরা।’

এতসবের পরেও সাফল্য আসছে না এ সময়ের শিল্পীদের, এটাই সুচরিতার দুঃখ।

‘এত নোংরামি কেন ছি ছি ছি’
অভিনেত্রী সুচরিতা। ছবি: সংগৃহীত

সুচরিতা শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী হিসেবে জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পান হাঙর নদী গ্রেনেড সিনেমার জন্য। সিনেমাটি মুক্তি পায় ১৯৯৭ সালে। সিনেমায় তিনি যুক্ত হয়েছিলেন সিনেমাটির পরিচালক প্রয়াত চাষী নজরুল ইসলামের ছোট মেয়ের মাধ্যমে।

সুচরিতা বলেন, ‘সিনেমায় আমার তরুণ ও বৃদ্ধ বয়সের চরিত্র ছিল। চাষী নজরুল ইসলামের মেয়ে, সে আমাকে বলল যে বাবা একটা সিনেমা বানাচ্ছে, আন্টি তুমি কাজ করবে কি না। আমি বলেছিলাম, বাপরে বাপ, এমন পরিচালকের সিনেমার প্রস্তাব কেউ ফিরিয়ে দেয়! আসলে সেই আমাকে সিনেমায় সিলেক্ট করেছিল।

তুমুল ব্যস্ত এ অভিনেত্রীর বয়স বেড়েছে, কমেছে তার সিনেমার কাজ। সংসারে অনেকটা সময় দিতে পারছেন তিনি। অভিনেত্রীর স্বামী মারা গেছেন। বাড়িতে আছে বড় ছেলে আর ছোট মেয়ে। তাদের সঙ্গে অনেক মজার সময় কাটাচ্ছেন সুচরিতা।

তিনি বলেন, ‘খুব মজা লাগে ওদের সঙ্গে সময় কাটাতে। ওরা তো বন্ধুর মতো। এখনকার বাচ্চারাই এ রকম। সবকিছু শেয়ার করে। আমি ভালো বিদেশি সিনেমা পছন্দ করি দেখতে; ওরা সেসব ছবি বের করে রাখে নেট থেকে।’

সন্তানদের সঙ্গে সিনেমা নিয়েও কথা হয়। সুচরিতার ভাষ্যে, ‘হবে না! রক্ত তো।’ অভিনেত্রীর সন্তানরা বাইরে লেখাপড়া করেছে, তাদের মনটাও সরল ও উদার।

সুচরিতা বলেন, ‘ওদের কোনো চাহিদা নেই। বরং আমি যাই কিনি তিনটা কিনি। আমার দুই ছেলে-মেয়ে, তাই তিনটাই কিনি। কাপড় হোক, সোনা হোক, আমাদের তিনজনের জন্য তিনটা কিনি।’

‘এত নোংরামি কেন ছি ছি ছি’
অভিনেত্রী সুচরিতা। ছবি: নিউজবাংলা

কিছুটা একা হয়ে গেলে পুরোনো কথা মনে পড়ে সুচরিতার। বলেন, ‘একটু একটু তো হয়ই, অস্বীকার করব কেন।’

২০২২-২৪ মেয়াদে শিল্পী সমিতির কার্যকরী সদস্য হিসেবে তিনি নির্বাচন করছেন মিশা-জায়েদ প্যানেল থেকে। নির্বাচন করতে এসে দেখছেন শিল্পীদের কাদা ছোড়াছুড়ি, যা কষ্ট দিচ্ছে তাকে।

সুচরিতা বলেন, ‘ভোট ভালোভাবে হোক এটাই আমি আশা করি। এখানে তো দেখছি কাদা ছোড়াছুড়ির চেয়েও বেশি নোংরামি হচ্ছে। আমাদের একটি ডিনার পার্টি ছিল, ওখানে গিয়ে জায়েদ খান অনেক কান্নাকাটি করেছে। র‍্যাব, পুলিশ কারা যেন এসেছিল। উফ, এসব বলতে খারাপ লাগে আমার। এত নোংরামি কেন ছি ছি ছি।

‘তুমি শিল্পী আমি শিল্পী। আজকে ওদিকে যারা আছেন, তাদের সঙ্গে কাজ করতে হবে না? জায়েদ খানের কাজ করতে হবে না? কষ্ট লাগে, শিল্পী তো শিল্পীমনা হতে হবে তাই না?’

শেয়ার করুন

‘পুতুলনাচের ইতিকথা’র কুসুম হচ্ছেন জয়া

‘পুতুলনাচের ইতিকথা’র কুসুম হচ্ছেন জয়া

দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান। ছবি: সংগৃহীত

পরিচালক সুমন বলেন, ‘এই সিনেমাটির জন্য দুটো জিনিস খুব জরুরি ছিল। দক্ষ অভিনেতা ও বড় বাজেট। ভালো অভিনেতা নির্বাচনের পাশাপাশি সিনেমাটির বিপণনের দিকটাও মাথায় রাখতে হয় এখন। আবীর, জয়া, পরম সেই ব্যালান্সটা করতে পারবে।’

মানিক বন্দ্যোপাধ্যায়ের উপন্যাস ‘পুতুলনাচের ইতিকথা’ নিয়ে সিনেমা বানাতে যাচ্ছেন পশ্চিমবঙ্গের পরিচালক সুমন মুখোপাধ্যায়। সিনেমাটির নামও রাখা হচ্ছে মূল উপন্যাসের নামেই। আর এতে প্রধান এক চরিত্রে অভিনয় করবেন দুই বাংলার জনপ্রিয় অভিনেত্রী জয়া আহসান।

এ ছাড়া আরও প্রধান দুই চরিত্রে অভিনয় করবেন পশ্চিমবঙ্গের জনপ্রিয় অভিনেতা আবীর চট্টোপাধ্যায় ও পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়।

উপন্যাসের কুসুমের ভূমিকায় অভিনয় করবেন জয়া। আর শশীর চরিত্রে আবীর ও কুমুদের চরিত্রে অভিনয় করবেন পরমব্রত।

সিনেমায় নাকি শশীর চরিত্রটিই বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। এ নিয়ে ভারতীয় সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারকে পরিচালক সুমন বলেন, ‘আমার মতে মানিকবাবুর সৃষ্টির মধ্যে শশী অসম্ভব জোরালো একটা চরিত্র।’

তিনি আরও বলেন, ‘এই সিনেমার জন্য দুটি জিনিস খুব জরুরি ছিল। দক্ষ অভিনেতা ও বড় বাজেট। ভালো অভিনেতা নির্বাচনের পাশাপাশি সিনেমাটির বিপণনের দিকটাও মাথায় রাখতে হয় এখন। আবীর, জয়া, পরম সেই ব্যালান্সটা করতে পারবে।’

শেয়ার করুন

ইভ্যালির গ্রাহকের মামলায় তাহসানকে আগাম জামিন

ইভ্যালির গ্রাহকের মামলায় তাহসানকে আগাম জামিন

গায়ক ও অভিনেতা তাহসান রহমান খান। ফাইল ছবি

ইভ্যালির হয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় আগাম জামিন চেয়ে বুধবার হাইকোর্টে আবেদন করেন তাহসান রহমান খান। বৃহস্পতিবার তাকে জামিন দেয় হাইকোর্ট।

ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান ইভ্যালির হয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে করা মামলায় কণ্ঠশিল্পী ও অভিনেতা তাহসান রহমান খানকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।

বিচারপতি শেখ মো. জাকির হোসেন ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ বৃহস্পতিবার জামিনের এ আদেশ দেয়।

আদালতে তাহসানের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী সানজিদা খানম। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল মহিউদ্দিন দেওয়ান।

তাহসানের আইনজীবী ও তার ফুফু সানজিদা খানম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘তিনি (তাহসান) বিদেশে থাকায় জামিন আবেদন করতে দেরি হয়েছে। বিদেশ থেকে এসেই তিনি জামিন আবেদন করেছেন। আদালত শুনানি নিয়ে ৬ সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছে।’

গত ১৩ ডিসেম্বর এ মামলায় দুই অভিনেত্রী রাফিয়াত রশিদ মিথিলা ও শবনম ফারিয়াকে ৮ সপ্তাহের জামিন দিয়েছিল হাইকোর্ট।

বিচারপতি জাহাঙ্গীর হোসেন সেলিম ও বিচারপতি মো. আতোয়ার রহমানের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের জামিন দেয়।

ইভ্যালির হয়ে অর্থ আত্মসাতের অভিযোগে তাহসান, মিথিলা ও শবনম ফারিয়াসহ নয়জনের বিরুদ্ধে গত ৪ ডিসেম্বর মামলা হয়।

সাদ স্যাম রহমান নামে ইভ্যালির এক গ্রাহক মামলা করেন। মামলায় ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেল, চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিন, তাহসান, মিথিলা ও শবনম ফারিয়াসহ নয়জনকে আসামি করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, প্রতারণামূলকভাবে গ্রাহকদের টাকা আত্মসাৎ ও সহায়তা করা হয়েছে। আত্মসাৎ করা টাকার পরিমাণ ৩ লাখ ১৮ হাজার টাকা, যা উদ্ধার করা সম্ভব হয়নি।

এ মামলায় ইভ্যালির এমডি মোহাম্মদ রাসেল ও চেয়ারম্যান শামীমা নাসরিনকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। বাকিদের বিষয়ে তদন্ত চলছে।

শেয়ার করুন

‘আমি তো প্লাস্টিকের পুতুল নই’

‘আমি তো প্লাস্টিকের পুতুল নই’

বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। ছবি: সংগৃহীত

শারীরিক গঠন নিয়ে বাজে মন্তব্যের সমালোচনা করে কৃতি বলেন, ‘যখন আমি হাসি তখন সত্যিই কখনো কখনো আমার নাকের ফুটাগুলো বড় হয়ে যায়, কিন্তু সেটাই তো স্বাভাবিক। তাই না? আরে বাবা, আমি তো আর প্লাস্টিকের পুতুল নই।’

পান থেকে চুন খসলেই এখন সোশ্যাল মিডিয়ায় ট্রলিংয়ের শিকার হন তারকারা। শরীরের গঠন নিয়েও কুরুচিকর মন্তব্যের মুখে পড়েন তারা।

সমালোচনার শিকার হওয়া তেমন একজন বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। এ নিয়ে নায়িকার সাফ কথা, ‘আমি কোনো প্লাস্টিকের পুতুল নই। আর আমার কিছু পরিবর্তনের দরকার নেই।’

ভারতীয় এক সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে অভিনেত্রী বলেন, ‘এমন সময় ছিল যখন আমাকে বলা হয়েছে, আমার ঠোঁটটা লাইনার দিয়ে ভরাট করতে, যাতে সেটা মোটা লাগে। এটা আমার কাছে অর্থহীন মনে হতো। একবার আমি সেটা করেও ছিলাম।

‘আমাকে এটাও বলা হয়েছিল যে, আমি হাসলে আমার নাকের ফুটোগুলো বড় দেখায়। সেটা নিয়ে হাসির খোরাক হব আমি, সবাই সমালোচনা করবে। যখন আমি হাসি, তখন সত্যি কখনো কখনো আমার নাকের ফুটোগুলো বড় হয়ে যায়, কিন্তু সেটাই তো স্বাভাবিক, তাই না? আরে বাবা, আমি তো আর প্লাস্টিকের পুতুল নই।’

‘আমি তো প্লাস্টিকের পুতুল নই’
বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। ছবি: সংগৃহীত

কৃতি আরও বলেন, অনেকেই তার হাসির ধরন নিয়েও কটাক্ষ করেন। এ নিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি তো ওই রকম হাসি নিয়েই জন্মেছি। কী করব? হয়তো অনেকেই সরাসরি বলে না এটা চেঞ্জ করে নাও, তবে ঘুরিয়ে ফিরিয়ে বলে। সবাইকেই বোধ হয় শুনতে হয় এই ধরনের কথা।

‘আজকাল সবাই চায় সবসময় পারফেক্ট দেখতে লাগবে। তাই তো ইনস্টাগ্রামেও আজকাল এত ফিল্টার। আমাকে তো একবার অচেনা একজন বলেছিল, আমার কোমরটা একটু ভারী করতে। এদেরকে পাত্তা দেয়ার দরকার নেই। আপনি খেয়াল রাখবেন এদের কথা এক কান দিয়ে শুনবেন, অন্য কান দিয়ে বের করে দেবেন।’

‘আমি তো প্লাস্টিকের পুতুল নই’
বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। ছবি: সংগৃহীত

কৃতি অভিনীত সবশেষ সিনেমা হাম দো হামারে দো মুক্তি পেয়েছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম ডিজনি প্লাস হটস্টারে।

এ মুহূর্তে অভিনেত্রীর হাতে রয়েছে বেশ কয়েকটি সিনেমার কাজ। অক্ষয়ের নায়িকা হিসেবে বচ্চন পাণ্ডেতে থাকছেন তিনি।

‘আমি তো প্লাস্টিকের পুতুল নই’
বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। ছবি: সংগৃহীত

এ ছাড়াও আদিপুরুষ সিনেমায় প্রভাসের সঙ্গে কাজ করছেন। পাশাপাশি ভেড়িয়া, গণপত, শেহজাদার মতো আলোচিত সিনেমা রয়েছে কৃতির হাতে।

শেয়ার করুন

নৌকায় মোশাররফ-পার্নোর সারাদিন

নৌকায় মোশাররফ-পার্নোর সারাদিন

বিলডাকিনি সিনেমার দৃশ্যে পার্নো মিত্র ও মোশাররফ করিম। ছবি: নিউজবাংলা

সিনেমার লোকেশন হিসেবে নওগাঁকে বেছে নেয়ার কারণ জানতে চাইলে পরিচালক বলেন, ‘গল্পের সঙ্গে আত্রাই নদী ও পতিসর কাচারি বাড়ির মিল রয়েছে; তাই এখানে শুটিং করছি। আমাদের প্রায় ৭০ ভাগ শুটিং শেষ।’

দেশের জনপ্রিয় অভিনেতা মোশাররফ করিম অভিনীত নতুন সিনেমা বিলডাকিনি। জানুয়ারির প্রথম থেকে সিনেমার শুটিং চলছে নওগাঁয়। ১২ জানুয়ারি থেকে সেখানে শুটিংয়ে অংশ নিয়েছেন মোশাররফ করিম। মঙ্গলবার দুপুর থেকে সিনেমার শুটিংয়ে যোগ দিয়েছেন ভারতীয় অভিনেত্রী পার্নো মিত্র।

সিনেমাটি নির্মাণ করছেন ফজলুল কবীর তুহিন। বুধবার তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আজ (বুধবার) সারাদিন আমরা নওগাঁর আত্রাই নদীতে শুটিং করছি। আত্রাইয়ে বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের স্মৃতিবিজড়িত পতিসর রবীন্দ্র কাচারি বাড়িতেও হবে শুটিং। ২৫ জানুয়ারি পর্যন্ত আমরা এখানেই থাকব।’

সিনেমার লোকেশন হিসেবে নওগাঁকে বেছে নেয়ার কারণ জানতে চাইলে পরিচালক বলেন, ‘গল্পের সঙ্গে আত্রাই নদী ও পতিসর কাচারি বাড়ির মিল রয়েছে; তাই এখানে শুটিং করছি। আমাদের প্রায় ৭০ ভাগ শুটিং শেষ।’

অভিনেতা মোশাররফ করিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নওগাঁ চমৎকার একটি জেলা। এ জেলার প্রকৃতি, নদী, মানুষ, খাবার সব কিছুই অসাধারণ। শুটিংয়ের এই কয়েক দিনেই সবকিছু অনেক আপন মনে হয়েছে। খুব ভালো লাগছে। সময়গুলো খুব উপভোগ করছি।’

নূরুদ্দিন জাহাঙ্গীরের লেখা উপন্যাস অবলম্বনে নির্মিত হচ্ছে সিনেমাটি। এটি ২০১৯-২০ অর্থবছরে সরকারি অনুদান পেয়েছে। অন্ধকারাচ্ছন্ন এক জনপদের গল্প এটি।

এক নারীকে ধর্ষণ এবং তার সন্তানসম্ভবা হয়ে পড়া নিয়ে এগিয়ে যাবে সিনেমাটির গল্প। শোষণ ও নির্যাতনের বিরুদ্ধে সামাজিক জাগরণের গল্প বিলডাকিনি।

শেয়ার করুন

মালয়ালাম সিনেমা ‘লুকা’ বাংলায় আসছে চরকিতে

মালয়ালাম সিনেমা ‘লুকা’ বাংলায় আসছে চরকিতে

‘লুকা’ সিনেমার দৃশ্যে তোভিনো থমাস ও আহানা কৃষ্ণা। ছবি: সংগৃহীত

দক্ষিণ ভারত কোচির ভীষণ মেধাবী স্ক্র্যাপ আর্টিস্ট লুকা আর নীহারিকা। একটি প্রদর্শনীতে তাদের পরিচয় এবং এরপর প্রেম, কিন্তু হঠাৎ এক অপ্রত্যাশিত মৃত্যুর পর সবকিছু বদলে যায়। এই ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ অফিসার আকবর। ধীরে ধীরে খুলতে থাকে রহস্যের জট। এমনই এক গল্পের সিনেমা ‘লুকা’।

২০১৯ সালে মুক্তি পাওয়া জনপ্রিয় রোমান্টিক-ড্রামা ঘরানার মালয়ালাম সিনেমা লুকার বাংলা ডাবিং আসছে ওটিটি প্ল্যাটফর্ম চরকিতে।

আগামী ২০ জানুয়ারি রাত ৮টায় চরকিতে মুক্তি পাবে সিনেমাটি। বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানিয়েছে এই ওটিটি প্ল্যাটফর্মটি।

দক্ষিণ ভারত কোচির ভীষণ মেধাবী স্ক্র্যাপ আর্টিস্ট লুকা আর নীহারিকা। একটি প্রদর্শনীতে তাদের পরিচয় এবং এরপর প্রেম, কিন্তু হঠাৎ এক অপ্রত্যাশিত মৃত্যুর পর সবকিছু বদলে যায়। এই ঘটনার তদন্তে নামে পুলিশ অফিসার আকবর। ধীরে ধীরে খুলতে থাকে রহস্যের জট। এমনই এক গল্পের সিনেমা লুকা

সিনেমাটিতে অভিনয় করেছেন, তোভিনো থমাস, আহানা কৃষ্ণা, আনোয়ার শেরিফ, নিথিন জর্জসহ অনেকে। মুক্তির পর সে সময় ব্যবসা সফল হয়েছিল সিনেমাটি।

তোভিনো থমাসের অভিনয়ের সঙ্গে এই সিনেমায় বেশ নজর কাড়ে আহানা কৃষ্ণাও।

মালয়ালাম সিনেমা ‘লুকা’ বাংলায় আসছে চরকিতে
‘লুকা’ সিনেমার দৃশ্যে তোভিনো থমাস। ছবি: সংগৃহীত

লুকা ছাড়াও তোভিনো অভিনীত মিন্নাল মুরলি, মারি-টু, কালকি, লুসিফার, ভাইরাসসহ রয়েছে বেশ কিছু জনপ্রিয় সিনেমা।

শেয়ার করুন

ন্যান্সির করোনা, এখন ‘মোটামুটি ভালো’

ন্যান্সির করোনা, এখন ‘মোটামুটি ভালো’

সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি। ছবি: সংগৃহীত

বর্তমানে ন্যান্সির শারীরিক অবস্থা কেমন জানতে চাইলে মহসিন বলেন, ‘দুদিন ধরে বেশ ঠান্ডা জ্বর ছিল। আজকে একটু কমেছে। তবে এখনও শুষ্ক কাশি রয়েছে। আগের তুলনায় এখন মোটামুটি ভালো।’  

করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি। বুধবার দুপুরে নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন তার স্বামী গীতিকার মেহেদী মহসিন। জানিয়েছেন, এখন তার শারীরিক অবস্থা মোটামুটি ভালো।

তিনি জানান, মঙ্গলবার তার করোনা টেস্টের রিপোর্ট পজিটিভ আসে।

বর্তমানে ন্যান্সির শারীরিক অবস্থা কেমন জানতে চাইলে মহসিন বলেন, ‘দুদিন ধরে বেশ ঠান্ডা জ্বর ছিল। আজকে একটু কমেছে। তবে এখনও শুষ্ক কাশি রয়েছে। আগের তুলনায় এখন মোটামুটি ভালো।’

এর আগে করোনার দুই ডোজ টিকাও নিয়েছেন ন্যান্সি।

গত বছরের আগস্টে গীতিকার মেহেদী মহসীনকে বিয়ে করেন ন্যান্সি। সম্প্রতি তৃতীয় সন্তানের মা হওয়ার খবর জানিয়েছেন এ সংগীতশিল্পী। অনাগত সন্তানের নাম রেখেছেন মেহনাজ।

এর আগে তার রোদেলা ও নায়লা নামের দুই সন্তান রয়েছে।

শেয়ার করুন