‘ঢাকা সে করাচি’: সংগীতে ভয়কে জয় শেখ দিনার

‘ঢাকা সে করাচি’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রের পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

‘ঢাকা সে করাচি’: সংগীতে ভয়কে জয় শেখ দিনার

বিভাজনের দুর্ভেদ্য দেয়াল শিল্প আর সংগীতে অতিক্রমের চেষ্টা রয়েছে ‘ঢাকা সে করাচি’ চলচ্চিত্রে। প্রায় ২৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের দুই শহর ঢাকা আর করাচি। এই দুই শহরের কয়েকজন সংগীত শিল্পী সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছেন এই চলচ্চিত্রে।

ইউটিউবে জানুয়ারিতে মুক্তি পাওয়া স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র ‘ঢাকা সে করাচি’। বাংলায় অর্থ দাঁড়ায় ঢাকা থেকে করাচি।

মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে পাকিস্তানকে থেকে আলাদা হয়ে স্বাধীন বাংলাদেশের জন্ম ৫০ বছরে পড়েছে। একাত্তরে পাকিস্তানি সেনাবাহিনীর নৃশংসতা এখনও ক্ষত তৈরি করে রেখেছে বাঙালির হৃদয়ে। রাজনৈতিক বিভিন্ন ইস্যুতেও দুই মেরুতে দুই দেশ।

বিভাজনের এই দুর্ভেদ্য দেয়াল শিল্প আর সংগীতে অতিক্রমের চেষ্টা রয়েছে ‘ঢাকা সে করাচি’ চলচ্চিত্রে। প্রায় ২৪০০ কিলোমিটার দূরত্বের দুই শহর ঢাকা আর করাচি। এই দুই শহরের কয়েকজন সংগীত শিল্পী সম্প্রীতির বার্তা ছড়িয়ে দিয়েছেন এই চলচ্চিত্রে।

ঢাকা সে করাচিতে প্রধান নারী চরিত্রে আছেন বাংলাদেশের সংগীতশিল্পী শেখ দিনা। এটি নির্মাণের কয়েক মাস আগে তিনি ঘুরে আসেন করাচি শহর। অংশ নেন সেখানকার সংগীত উৎসবে।

বাংলাদেশ থেকে পাকিস্তানে যাওয়ার গল্পটা সহজ ছিল না। জাতিগত বিশাল বিভাজন, রাজনৈতির দূরত্ব, বিপদের শংকা আর মানসিক দ্বিধা অতিক্রম কীভাবে করেছেন, সেই গল্প নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন শেখ দিনা।

‘ঢাকা সে করাচি’: সংগীতে ভয়কে জয় শেখ দিনার
সংগীতশিল্পী শেখ দিনা। ছবি: সংগৃহীত

পরিচিত জন, স্বজন-পরিবার, এমনকি নিজের সঙ্গেও যুদ্ধ করতে হয়েছে দিনাকে। কঠিন সেই সময়ের অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘আমি ২০২০ সালের মার্চের ৩ তারিখে পাকিস্তান গিয়েছিলাম। বাংলাদেশে যেমন ফোক ফেস্ট হয়, পাকিস্তানে সে রকম একটা ফেস্টিভ্যাল হয়, যেটার নাম ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ পারফর্মিং আর্ট (নাপা)। সেখানে আরও অনেক দেশের মিউজিশিয়ানরা গিয়েছিলেন। আমি বাংলাদেশের প্রতিনিধিত্ব করি। ২২ মার্চ আমি দেশে ফিরে আসি।’

পাকিস্তান যাবার প্রস্তুতি যখন শেষ, সে সময় প্রবল চাপের মুখে দিনা সিদ্ধান্ত পরিবর্তনের কথাও একবার ভেবেছিলেন।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমার পরিচিত জন, বন্ধু-স্বজন এবং পরিবারের সদস্যরা পাকিস্তান যাবার ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করছিল। অনেকেই বলেছে, পাকিস্তানের ভিসা পাসপোর্টে দেখলে অন্য দেশের যেতে অসুবিধা হবে। আমি ঘাবড়ে যেতে থাকি, উৎসাহ হারাতে থাকি এবং ভাবতে থাকি যে থাক যাব না ফেস্টিভ্যালে। তবে দেশকে প্রতিনিধিত্ব করার টানে, বাংলা ভাষা, বাংলা গান ছড়িয়ে দিতেই আমি শেষপর্যন্ত পাকিস্তান যাই।’

‘ঢাকা সে করাচি’: সংগীতে ভয়কে জয় শেখ দিনার
পাকিস্তানের ন্যাশনাল অ্যাকাডেমি অফ পারফর্মিং আর্টস ফেস্টিভ্যালের আয়োজন। ছবি: সংগৃহীত

পাকিস্তানে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নেয়ার সময় আরেকটি বিষয় ভেবেছিলেন দিনা। সেটা হলো, বাংলাদেশে যখন ফোক ফেস্ট হয়, তখন তো অনেক পাকিস্তানি শিল্পী এখানে আসেন। এমনকি ঈদের সময় প্রচুর পাকিস্তানি পোশাক আসে বাংলাদেশে। সেগুলো এদেশের মানুষ পরেও। তাহলে তিনি পাকিস্তানে গেলে সমস্যা কোথায়!

বাধার পাহাড় ডিঙিয়ে শেষপর্যন্ত পাকিস্তানে যান শেখ দিনা। সেখানে গান করার অভিজ্ঞতা জানিয়ে তিনি বলেন, ‘সে যে এক কেমন অনুভূতি, আমি বলে প্রকাশ করতে পারব না। ফেস্টিভ্যালে আমার একটি গান ছিল- আমার হাত বান্ধিবি, পা বান্ধিবি, মন বান্ধিবি কেমনে? আমার চোখ বান্ধিবি, মুখ বান্ধিবি, পরান বান্ধিবি কেমনে?

‘এই গানটির সঙ্গে একটা পারফর্মেন্স ছিল। সেটা এমন, একজন নারী নৃত্যশিল্পীর তার হাত-পা-মুখ বাঁধা, সে ধীরে ধীরে তার বাঁধন খুলে নৃত্য করতে শুরু করে।

‘ঢাকা সে করাচি’: সংগীতে ভয়কে জয় শেখ দিনার
পাকিস্তানের এআরওয়াই নিউজ চ্যানেলে ‘ও আমার দেশের মাটি’ গানটি পরিবেশন করছেন শেখ দিনা। ছবি: সংগৃহীত

“এই গানটি গাওয়ার সময় আমি আর নিজেকে নিয়ন্ত্রণ করতে পারিনি। আমি কাঁদছিলাম আর গানটি গাইছিলাম। আমার সেই নারীদের কথা মনে পড়ছিল, যারা মুক্তিযুদ্ধে দেশের জন্য, ভাষার জন্য সম্ভ্রম হারিয়েছেন। আমি পাকিস্তানের এআরওয়াই নিউজ চ্যানেলের অনুষ্ঠানে গিয়েছিলাম। সেখানে ‘ও আমার দেশের মাটি গানটি গেয়েছি। আমি ওদের প্রচুর বাংলা গান শোনাতে চেয়েছি এবং শুনিয়েছিও।”

পাকিস্তানে সেই সংগীত উৎসবে দিনা ব্যাপক সমাদৃত হন। সেখানকার সাউন্ড অফ কোলাচি নামের একটি ব্যান্ডের সঙ্গে দিনা ফেস্টিভ্যালে পারফর্ম করেন। পরে ওই ব্যান্ড দলের সদস্যরাই দিনার বন্ধু হয়ে যায়।

তার সেই পাকিস্তানি বন্ধুরা বাংলাদেশ ও মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে কী ভাবেন, সে কথাও নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন দিনা।

‘আমি যে প্রজন্মের সঙ্গে মিশেছি, তারা মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে তেমন কিছু জানে না। তারা শুধু জানে যে, একটা ঝামেলা হয়েছিল। আরেকটা বিষয় তারা জানে যে, বাংলাদেশি নারীদের পাশবিক ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল।’

‘ঢাকা সে করাচি’ স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্রে অবশ্য দুই দেশের সংঘাতের বিশদ বিবরণ নেই। তবে দূরত্বের দুর্ভেদ্য দেয়ালের প্রসঙ্গ আছে, সেই সঙ্গে আছে বিভেদের পরেও কাছাকাছি আসা মানুষের বাধা অতিক্রমের আকুতি।

পাকিস্তানে যাওয়ার আগে দিনার মানসিক দ্বন্দ্ব চিত্রায়িত হয়েছে এই চলচ্চিত্রে। আর আছে কিছু সুন্দর সংগীত। এই গান আর সুরের টানেই সব ভয় ভেঙে পাকিস্তান উড়াল দিয়েছিলেন দিনা।

‘ঢাকা সে করাচি’: সংগীতে ভয়কে জয় শেখ দিনার
সংগীতশিল্পী শেখ দিনা। ছবি: সংগৃহীত

চট্টগ্রামের মেয়ে দিনা নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় থেকে স্নাতক শেষ করেছেন। সংগীতকে পেশা হিসেবে নেয়ার ইচ্ছা নেই। তবে সংগীতের প্রতি ভালোবাসা প্রগাঢ়। দেশের সংগীতকে দেশের বাইরেও ছড়িয়ে দিতে চান তিনি। ২০১৮ সালে গড়ে তোলেন নিজের ব্যান্ড ‘একতারা’।

দেশের বাইরে দিনার প্রথম পারফরম্যান্স ইংল্যান্ডের বার্মিংহামে। ২০১৯ সালের আগস্টে একাই সেখানে যান তিনি। বার্মিংহাম কনটেম্পোরারি মিউজিক গ্রুপের আয়োজনে ট্রান্সফর্মিং ন্যারেটিভ বাংলাদেশ, বার্মিংহাম ও পাকিস্তান নামের একটি আয়োজন হয়েছিল সেখানে। ১৫টি দেশের মিউজিশিয়ানরা যোগ দেন আয়োজনে।

দিনা বলেন, ‘ওখানেই আমার পরিচয় হয় পাকিস্তানের শিল্পীদের সঙ্গে। তখন তারা আমার বন্ধু ছিল না। এখন হয়েছে। তারাই বলে যে, আমাদের দেশে একটা ফেস্টিভ্যাল হয়, সেখানে তোমার নাম দেব আমরা। এভাবে যোগাযোগ শুরু এবং ফেস্টিভ্যালে অংশ নেয়া।’

২০২০ সালে সংগীত নিয়ে আবারও ইংল্যান্ডে যাবার সুযোগ আসে দিনার। তবে কোভিড ১৯ মহামারির কারণে যেতে পারছিলেন না। তখন আর্ট কাউন্সিল ইংল্যান্ড, ব্রিটিশ কাউন্সিল, ট্রান্সফর্মিং ন্যারেটিভ মিলে শর্টফিল্ম তৈরির পরিকল্পনা করে। ততদিনে দিনা ঘুরে এসেছেন পাকিস্তান।

দিনা ও তার পাকিস্তানি বন্ধুরা মিলে ‘ঢাকা সে করাচি’ নির্মাণের পরিকল্পনা জমা দিলে সেটি অনুমোদন পায়। দিনা বাংলাদেশ থেকে এবং তার পাকিস্তানি বন্ধুরা পাকিস্তানে দৃশ্যধারণ করে নির্মাণ করেছেন এই শর্টফিল্ম।

২০২১ সালের জানুয়ারিতে এটি আপলোড হয় ইউটিউবে। যেখানে উঠে এসেছে ভয় জয় করার গল্প। দিনা বলেন, ‘এটি আমার গল্প। সত্য গল্প।’

এই সত্য খুঁজে নেয়ার শক্তি অর্জন করেছেন সংগীতের শক্তিতে।

শেখ দিনার ফেসবুকে একটি পেজ আছে। সেখানে নামের পাশে বৈষ্ণবী শব্দটি ব্যবহার করেছেন তিনি। কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এটা আমার খুব কাছের এক বন্ধুর দেয়া নাম। তাই এটা ব্যবহার করেছি।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

শ্রাবন্তীর নতুন প্রেমিককে সাদরে গ্রহণ করেছে পরিবার

শ্রাবন্তীর নতুন প্রেমিককে সাদরে গ্রহণ করেছে পরিবার

নতুন প্রেমিকের জন্মদিনে শ্রাবন্তীর বাড়িতে কেট কাটার আয়োজন। ছবি: সংগৃহীত

তবে এবার প্রকাশ্য এলো শ্রাবন্তীর বাড়িতে অভিরূপের জন্মদিন উদযাপনের ছবি। নিজের পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে অভিরূপের জন্মদিনে কেক কেটেছেন শ্রাবন্তী।

বেশ কিছুদিন ধরেই গুঞ্জন চলছে টালিউডের জনপ্রিয় অভিনেত্রী নতুন প্রেমে মজেছেন।

তৃতীয় বিয়ে ভাঙার পর নাকি জমিয়ে প্রেম করছেন ব্যবসায়ী প্রেমিক অভিরূপ নাগ চৌধুরীর সঙ্গে।

কিন্তু এতো গুঞ্জনের মধ্যে কখনোই এক ফ্রেমে দেখা যায়নি দুজনকে। সম্প্রতি একই ফ্রেমে ধরা দিয়েছেন দুজন।

শ্রাবন্তীর ঘনিষ্ঠমহলের বরাত দিয়ে ভারতীয় এক গণমাধ্যম বলছে, দুদিন আগে ব্যবসায়ী অভিরূপ নাগ চৌধুরীকে জন্মদিনে উপহার হিসাবে হিরের আংটি দিয়েছেন অভিনেত্রী।

আংটি পরা সেই ছবি নিজের ফেসবুকে পোস্টও করেন অভিরূপ নাগ। তার ক্যাপশনে লেখেন, ‘সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ মানুষের কাছ থেকে পাওয়া।’ সেই সঙ্গে তাকে ধন্যবাদ ও জানিয়েছেন অভিরূপ।

তবে এবার প্রকাশ্য এলো শ্রাবন্তীর বাড়িতে অভিরূপের জন্মদিন উদযাপনের ছবি। নিজের পরিবারকে সঙ্গে নিয়ে অভিরূপের জন্মদিনে কেক কেটেছেন শ্রাবন্তী।

সেই ছবিতে কালো রঙের পোশাকে চেয়ারে বসা অবস্থায় দেখা যায় শ্রাবন্তীকে। অভিরূপকেও দেখা যায় কালো পাঞ্জাবিতে।

শ্রাবন্তীর নতুন প্রেমিককে সাদরে গ্রহণ করেছে পরিবার
শ্রাবন্তীর নতুন প্রেমিক অভিরূপের ফেসবুক পোস্ট। ছবি: সংগৃহীত

ছবিতে দেখা যাচ্ছে শ্রাবন্তীর দিদি স্মিতাকে কেক খাইয়ে দিচ্ছেন অভিরূপ। আর ছবির একদম বাঁ পাশে বসে রয়েছেন শ্রাবন্তীর মা।

পরিবারের এই হাসিখুশি ছবি দেখেই বোঝাই যায় ইতিমধ্যেই শ্রাবন্তীর পরিবার সাদরে গ্রহণ করেছেন মেয়ের নতুন বন্ধুকে।

শ্রাবন্তীর নতুন প্রেমিককে সাদরে গ্রহণ করেছে পরিবার
নতুন প্রেমিক অভিরূপের জন্মদিনে শ্রাবন্তীর বাড়িতে কেট কাটার আয়োজন। ছবি: সংগৃহীত

শ্রাবন্তী ও অভিরূপ একই আবাসনের বাসিন্দা। মাস দুয়েক ধরে নাকি বেশ ঘনিষ্ঠতা তৈরি হয়েছে দুজনের।

যদিও এই সম্পর্ক নিয়ে দুজনের কেউই এখনও মুখ খোলেননি।

শেয়ার করুন

বিক্ষোভের মুখে অক্ষয়, পোড়ানো হলো কুশপুত্তলিকা

বিক্ষোভের মুখে অক্ষয়, পোড়ানো হলো কুশপুত্তলিকা

বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমারের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ। ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যম বলছে, বেশ কিছু দিন ধরেই এই সংগঠন দুইটি ‘পৃথ্বীরাজ’ সিনেমার নাম পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে আসছে। ‘পৃথ্বীরাজ’ বলে মহান সম্রাটকে অপমান করা হচ্ছে বলেই তাদের মত।

বেশ কিছু দিন ধরেই বলিউড অভিনেতা অক্ষয় কুমারের আসন্ন সিনেমা পৃথ্বীরাজ এর নাম পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে আসছে হিন্দুত্ববাদী সংগঠন রাজপুত করনি সেনা।

এবার একই দাবি জানিয়ে শুক্রবার অক্ষয়ের বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করে কুশপুত্তলিকা পোড়াল দেশটির আরেক সংগঠন হিন্দুত্ববাদী সংগঠন ‘অখিল ভারতীয় ক্ষত্রিয় মহাসভা।’

অক্ষয়ের পাশাপাশি সিনেমাটির প্রযোজক আদিত্য চোপড়ার কুশপুত্তলিকাও পোড়ানো হয়।

ভারতীয় একাধিক গণমাধ্যম বলছে, বেশ কিছু দিন ধরেই এই সংগঠন দুইটিপৃথ্বীরাজ সিনেমার নাম পরিবর্তনের দাবি জানিয়ে আসছে। পৃথ্বীরাজ বলে মহান সম্রাটকে অপমান করা হচ্ছে বলেই তাদের মত।

অখিল ভারতীয় ক্ষত্রিয় মহাসভার দাবি সিনেমাটির নাম হওয়া উচিত ‘হিন্দু সম্রাট পৃথ্বীরাজ চৌহান’ বা ‘সম্রাট পৃথ্বীরাজ চৌহান।’ একই দাবি রাজপুত করনি সেনা সংগঠনটিরও।

তাদের মতে সর্বশেষ স্বাধীন হিন্দু সম্রাট হিসেবে রাজত্ব করে গিয়েছেন পৃথ্বীরাজ চৌহান। তাই সম্রাটের প্রতি সম্মান জানিয়ে সিনেমার নাম ঠিক করা উচিত।

অখিল ভারতীয় ক্ষত্রিয় মহাসভা দাবি জানায়, সিনেমাটি মুক্তির আগে ক্ষত্রিয় ও রাজপুত সমাজের মাথাদের দেখাতে হবে। তারাই ঠিক করবে সিনেমাটি আসলে লোকসমাজে দেখানোর যোগ্য কি না।

বিক্ষোভের মুখে অক্ষয়, পোড়ানো হলো কুশপুত্তলিকা
পৃথ্বীরাজ সিনেমার পোস্টারে অক্ষয় কুমার ও মানুষী চিল্লার। ছবি: সংগৃহীত

সংগঠনটি আরও দাবি পক্ষ থেকে বলা হয়, নির্মাতারা যদি তাদের দাবি মেনে না নেয়, তবে পৃথ্বীরাজকেযোধা আকবরপদ্মাবত সিনেমার মতোই বিরোধের মুখে পড়তে হবে।

এই সিনেমায় অক্ষয়ের বিপরীতে অভিনয় করছেন প্রাক্তন বিশ্বসুন্দরী মানুষী চিল্লার।

শেয়ার করুন

‘ছায়াবৃক্ষ’র কাজ শেষ হচ্ছে শ্রীমঙ্গলে

‘ছায়াবৃক্ষ’র কাজ শেষ হচ্ছে শ্রীমঙ্গলে

ছায়াবৃক্ষ সিনেমার অভিনয়শিল্পী নিরব ও অপু বিশ্বাস। ছবি: সংগৃহীত

নিরব বলেন, ‘আমরা এখান থেকে খবর পাচ্ছি যে ঢাকায় অনেক বৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু এখানে কিন্তু এত বৃষ্টি হচ্ছে না। তবে দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে একবার করে বৃষ্টি হচ্ছে এখানে।’

সরকারি অনুদানের সিনেমা ছায়াবৃক্ষ। বন্ধন বিশ্বাসের পরিচালনায় সিনেমাতে উঠে আসবে চা বাগানের শ্রমিকদের নানা ঘটনা। সিনেমার শেষ লটের কাজ চলছে শ্রীমঙ্গলে। রোববার শেষ হচ্ছে সিনেমার দৃশ্যধারণ।

নিউজবাংলাকে পরিচালক বলেন, ‘আমাদের শেষ লটের শুটিং চলছে। ১৬ জুন থেকে শুরু করেছিলাম। আশা করছি আগামীকাল (২০ জুন) দৃশ্যধারণ শেষ হবে। সিনেমার সব অভিনয়শিল্পীদের নিয়েই এখানে শেষ লটের শুটিং শেষ করছি।’

নিউজবাংলাকে সিনেমার অন্যতম কেন্দ্রীয় চরিত্রের অভিনেতা নিরব বলেন, ‘আমরা এখান থেকে খবর পাচ্ছি যে ঢাকায় অনেক বৃষ্টি হচ্ছে। কিন্তু এখানে কিন্তু এত বৃষ্টি হচ্ছে না। তবে দুপুর সাড়ে তিনটার দিকে একবার করে বৃষ্টি হচ্ছে এখানে। সেটাতে খুব একটা অসুবিধা হচ্ছে না। শুটিং ভালোই চলছে।’

সিনেমায় আরও অভিনয় করছেন অপু বিশ্বাস, কাজী নওশাবা, সুমিত সেনগুপ্ত, শতাব্দী ওয়াদুদ, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু।

‘ছায়াবৃক্ষ’র কাজ শেষ হচ্ছে শ্রীমঙ্গলে
বাঁ থেকে- নিরব, অপু বিশ্বাস, সুমিত ও নওশাবা। ছবি: সংগৃহীত

অধিকাংশ সিনেমায় মেক-আপ করে অভিনয়শিল্পীদের উজ্জ্বল করলেও, ছায়াবৃক্ষ সিনেমায় অভিনয়শিল্পীদের মুখে কালো রং ব্যবহার করে অনুজ্জ্বল করা হয়েছে। এটা সিনেমার অন্যতম চমক। এমন লুকে পুরো একটি সিনেমায় এ অভিনয়শিল্পীদের আগে দেখা যায়নি।

এই সিনেমার মাধ্যমে প্রথমবারের মতো অপুর বিপরীতে অভিনয় করছেন চিত্রনায়ক নিরব। সিনেমাটি ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের অনুদানপ্রাপ্ত। সিনেমা কাজ শুরু হয় গত বছর। তানভীর আহমেদের চিত্রনাট্যে সিনেমাটি।

শেয়ার করুন

নিজেকে বদলে ফেলেছেন অর্জুন রামপাল

নিজেকে বদলে ফেলেছেন অর্জুন রামপাল

বলিউড অভিনেতা অর্জুন রামপাল। ছবি: সংগৃহীত

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে অর্জুনের নতুন সিনেমা ধাকাড় এর জন্যই নাকি তার এই ভোলবদল। সিনেমায় খল চরিত্রে দেখা যাবে অর্জুনকে। তার চরিত্রের নাম রুদ্রবীর।

বলিউড অভিনেতা অর্জুন রামপালকে চেনার উপায় নেই। নিজেকে বদলে ফেলেছেন তিনি। চুলে প্ল্যাটিনাম ব্লন্ড রং করিয়ে চমকে দিয়েছেন সবাইকে। শুক্রবার ইনস্টাগ্রামে নিজের নতুন লুকের ছবি পোস্ট করেছেন অর্জুন।

ছবিতে তার সাদা রংয়ের চুল দেখে অবাক হয়েছেন নেটিজেনরা। অর্জুনের চুলের নতুন এই স্টাইল করেছেন আলিম হাকিম। বলিউডের সাইফ আলি খান, সঞ্জয় দত্ত, ক্রিকেটার হার্দিক পান্ডেসহ আরও অনেক তারকাকেই সাজিয়েছেন তিনি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে অর্জুনের নতুন সিনেমা ধাকাড় এর জন্যই নাকি তার এই ভোলবদল। সিনেমায় খল চরিত্রে দেখা যাবে অর্জুনকে। তার চরিত্রের নাম রুদ্রবীর।

অ্যাকশন ঘরানার এ সিনেমায় কেন্দ্রীয় চরিত্রে দেখা যাবে কঙ্গনা রানাউতকে। কঙ্গনা রানাউত এ সিনেমায় এজেন্ট অগ্নি নামের একজন গোয়েন্দা কর্মকর্তার চরিত্রে অভিনয় করবেন।

নিজেকে বদলে ফেলেছেন অর্জুন রামপাল
নতুন লুকে বলিউড অভিনেতা অর্জুন রামপাল। ছবি: সংগৃহীত

গত ফেব্রুয়ারি মাসে মধ্য প্রদেশে সিনেমাটির দৃশ্যধারণে অংশ নেন অর্জুন। ২০২০ সালের অক্টোবর মাসে সিনেমাটি মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু করোনার কারণে তা সম্ভব হয়নি। চলতি বছরের অক্টোবরে মুক্তি পেতে পারে কঙ্গনা-অর্জুন ধাকাড়

গিত জানুয়ারি মাসে সিনেমার প্রথম পোস্টার প্রকাশের একদিন পরই নতুন ধামাকা লুকে সবার সামনে আসেন অর্জুন রামপাল।

নিজেকে বদলে ফেলেছেন অর্জুন রামপাল
জানুয়ারিতে ইনস্টাতে পোস্ট করা অর্জুনের রুদ্রবীর চরিত্রের ছবি। ছবি: সংগৃহীত

অর্জুন তার ইনস্টাগ্রামে পোস্টারটি শেয়ার করেছিলেন। সেখানে তাকে পাওয়া গেছে ছেঁড়া গেঞ্জি, শরীরে আঁকা ট্যাটু, লেদার জ্যাকেট, চোখে কালো চশমা ও মাথায় টুপি পরা অবস্থায়।

ছবির ক্যাপশনে তিনি লিখেছেন, ‘শয়তানের নতুন নাম রুদ্রবীর! অধীর আগ্রহে অপেক্ষা করছি এমন একটি খলচরিত্রে অভিনয়ের জন্য। যে একই সঙ্গে ভয়ংকর, প্রাণঘাতী ও তুলনাহীন।’ সিনেমার পরিচালক রঞ্জিস রাজি ঘাই।

শেয়ার করুন

১৬ তেই ‘সেক্সি’, ছাড়তে হয়েছে বলিউড

১৬ তেই ‘সেক্সি’, ছাড়তে হয়েছে বলিউড

অভিনেত্রী রিয়া সেন। ছবি: সংগৃহীত

রিয়া জানান, এই কথা শুনতে শুনতে হাঁফিয়ে উঠতেন তিনি। অভিনয় শুরু কারার পর, সেখানেও ঘটে একই ঘটনা। তাকে আবেদনময়ী করে উপস্থাপন করা হতো।

রিয়া সেন অভিনীত সিনেমা বা ফটোশুট মানেই যেন শরীরী অভিব্যক্তি, অতিরিক্ত ছোট পোশাক। সাঁতারের পোশাকেও তাকে প্রায়ই দেখা যায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ঝড় তুলতে।

এসব কারণেই হয়তো দর্শকদের কাছ থেকেও রিয়ার শুনতে হয় ‘মারাত্মক উষ্ণ’ বা ‘সেক্সি’ শব্দগুলো।

সুচিত্রা সেনের ছোট নাতনি রিয়ার ক্ষেত্রে ‘সেক্সি’ ট্যাগ নতুন নয়। মাত্র ১৬ বছর বয়সেই তাকে দেয়া হয় এ তকমা।

শুক্রবার ভারতীয় সংবাদমাধ্যমকে দেয়া সাক্ষাৎকারে এমন কথাই জানিয়েছেন রিয়া। একই কারণে বলিউডে অভিনয় শুরু করেও সেখানে টিকে থাকতে পারেননি তিনি।

রিয়া বলেন, ‘মাত্র ১৬ বছর বয়সে স্কুলে পড়ার সময় প্রথম শুনি, আমি সেক্সি! সেই শুরু। ছোট বয়স থেকেই যৌনতার এই তকমা নিয়ে চলতে হয়েছে আমার।’

১৬ তেই ‘সেক্সি’, ছাড়তে হয়েছে বলিউড

রিয়া জানান, এই কথা শুনতে শুনতে হাঁফিয়ে উঠতেন তিনি। অভিনয় শুরু কারার পর, সেখানেও ঘটে একই ঘটনা। তাকে আবেদনময়ী করে উপস্থাপন করা হতো।

১৬ তেই ‘সেক্সি’, ছাড়তে হয়েছে বলিউড

রিয়া বলেন, ‘তখন আমি ছোট। পরিচালকরা যা বলতো, তাই করতাম। ছোট পোশাক পরতে রাজি হতাম। বেশি মেক-আপ করতাম। বুঝতে পারিনি যে এটাতে আবেদন আরও বেড়ে যেত।’

১৬ তেই ‘সেক্সি’, ছাড়তে হয়েছে বলিউড

রিয়া অকপটে স্বীকার করে বলেন, ‘এখন বুঝি, অনেক সিনেমায় অভিনয় করেও কেন হাতেগোনা কয়েকটি দর্শকদের প্রশংসা পেয়েছিল। সবাই কেন বলতেন, রিয়া বাজে অভিনেত্রী। কেবল যৌন আবেদনময়ী। দর্শক, সমালোচকদের কোনো দোষ নেই। আমাকে প্রায় সব ছবিতেই ওইভাবে দেখানো হয়েছিল।’

১৬ তেই ‘সেক্সি’, ছাড়তে হয়েছে বলিউড

অভিনয় থেকে অনেক দূরে এখন রিয়া সেন। কিন্তু এখন যখন তার অভিনীত সিনেমা দেখেন, নিজেই সেটা বুঝতে পারেন। লজ্জায় নিজেকে আড়াল করে ফেলতে চান। তার মনে হয়, যেটা তিনি নন সেটাই জোর করে দিনের পর দিন পর্দায় ফুটিয়ে তুলেছেন।

১৬ তেই ‘সেক্সি’, ছাড়তে হয়েছে বলিউড

রিয়ার দাবি, সবাই মনে করতেন পর্দার আর বাস্তবের রিয়া এক। কিন্তু তত দিনে অনেক দেরি হয়ে গেছে। দর্শক মনে ছাপ ফেলেছে তার অভিনীত মানহীন সিনেমা। তাই ভাবমূর্তি বদলাতে বলিউড থেকে, অভিনয় থেকে এক সময় নিজেকে সরিয়ে নিতে বাধ্য হন তিনি।

শেয়ার করুন

কানের ‘ডিসিশন মেকার’ দেশের তারেক আহমেদ

কানের ‘ডিসিশন মেকার’ দেশের তারেক আহমেদ

তারেক আহমেদ। ছবি: সংগৃহীত

তারেক বলেন, ‘এবার কান ফোকাস করেছে সাউথ এশিয়াকে। তাই তারা আমাকে নির্বাচন করেছে। এখানে আমার কাজ মূলত যারা তথ্যচিত্রের জন্য প্রজেক্ট জমা দেবেন তাদের বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া।

বিশ্ব চলচ্চিত্রের অন্যতম মর্যাদাপূর্ণ চলচ্চিত্র আসর কান চলচ্চিত্র উৎসবের ‘ডিসিশন মেকার’ হিসেবে যুক্ত হয়েছেন দেশের চলচ্চিত্র কর্মী তারেক আহমেদ। তিনি মূলত কান ফিল্ম ফেস্টিভ্যালের চলচ্চিত্র বাজারে যে তথ্যচিত্রগুলো জমা পরবে সেখানে ‘ডিসিশন মেকার’ হিসেবে কাজ করবেন।

কানে এমন আনুষ্ঠানিক দায়িত্ব বাংলাদেশ থেকে তারকে মাহমুদই প্রথম পেয়েছেন বলে নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করেছেন তারেক মাহমুদ নিজেই।

তিনি বলেন, ‘এবার কান ফোকাস করেছে সাউথ এশিয়াকে। তাই তারা আমাকে নির্বাচন করেছে। এখানে আমার কাজ মূলত যারা তথ্যচিত্রের জন্য প্রজেক্ট জমা দেবেন তাদের বিভিন্ন পরামর্শ দেয়া। এই কাজগুলো আমি অনলাইনে করব।’

তিনি আরও বলেন, ‘এর বাইরে আরও একটি কাজ করা যাবে, সেটি হলো, কানে পার্টির মতো নানা আয়োজন থাকে। সেখানে চলচ্চিত্র ও টিভির অনেক মানুষ থাকেন। সেখানে আমাদের দেশের সিনেমা বা টিভি মিডিয়ায় কীভাবে ভ্যালু অ্যাড করা যায়, তা নিয়েও কথা বলার সুযোগ পাওয়া যাবে। এটা কিন্তু ডিসিশন মেকারের বাইরের কাজ।’

শুক্রবার সন্ধ্যায় এ বিষয়ে একটি বিজ্ঞপ্তি পাঠান নির্মাতা ও সাংস্কৃতিক ব্যক্তিত্ব নাসির উদ্দিন ইউসুফ বাচ্চু। ঢাকা ডকল্যাবের পক্ষ থেকে তিনি জানান, ঢাকা ডকল্যাবের পরিচালক তারেক আহমেদ বিশ্বের অন্যতম প্রধান মর্যাদাপূর্ণ কান চলচ্চিত্র উৎসবে 'ডিসিশন মেকার' হিসাবে মনোনীত হয়েছেন।

এটি বাংলাদেশের জন্য গৌরবের বিষয়। বাংলাদেশের চলচ্চিত্র জগতের জন্য সুখবর।

তারেক আহমেদ স্বল্পদৈর্ঘ চলচ্চিত্র ফোরামের প্রতিষ্ঠাকালীন কর্মী ও আন্তর্জাতিক স্বল্পদৈর্ঘ ও মুক্ত চলচ্চিত্র উৎসবের সাবেক পরিচালক।

শেয়ার করুন

চুরি করে গ্রেপ্তার ক্রাইম সিরিজের দুই অভিনেত্রী

চুরি করে গ্রেপ্তার ক্রাইম সিরিজের দুই অভিনেত্রী

পুলিশের অনুমান, অপরাধমূলক ধারাবাহিকে কাজ অবচেতনে তাদের মনে ছায়া ফেলেছিল। তার থেকেই হয়তো এই অপরাধ।

চুরির অভিযোগে ভারতের জনপ্রিয় ক্রাইম সিরিজ ‘ক্রাইম পেট্রোল’ ও ‘সাবধান ইন্ডিয়া’র দুই অভিনেত্রীকে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বাই পুলিশ।

ভারতীয় পুলিশের বরাত দিয়ে দেশটির সংবাদমাধ্যম আনন্দবাজারের প্রতিবেদনে বলা হয়, সম্প্রতি সুরভী শ্রীবাস্তব ও মহসিনা শেখ নামে ওই দুই অভিনেত্রীর বিরুদ্ধে লক্ষাধিক টাকা চুরির অভিযোগ ওঠে। মুম্বাইয়ের রয়্যাল পামস সোসাইটিতে ওই অভিনেত্রীদের সঙ্গে থাকা এক পেইং গেস্ট অভিযোগটি করেন।

মুম্বাই পুলিশের উপকমিশনার (ডিসিপি) চৈতন্য দেশটির সংবাদমাধ্যমকে জানান, অভিযুক্ত দুই অভিনেত্রী অনেক দিন ধরেই মুম্বাইয়ের অভিজাত এলাকা রয়্যাল পামস সোসাইটিতে থাকছিলেন। আচমকাই সেখানকার আরেক বাসিন্দার লক্ষাধিক টাকা চুরি যায়।

এ নিয়ে সুরভী ও মহসিনার বিরুদ্ধে থানায় লিখিত অভিযোগ দেন ভুক্তভোগী নারী।

পুলিশ জানায়, দুই অভিনেত্রীকে সিসিটিভি ফুটেজ দেখানোর পর মুখোমুখি বসিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। তখন অপরাধের কথা স্বীকার করেন তারা। চুরির টাকা কোথায় রেখেছেন, সেই জায়গাও দেখিয়ে দেন।

তবে কী কারণে তারা এ ধরনের অপরাধ করলেন, সে বিষয়ে কিছুই জানাননি দুই অভিনেত্রী।

পুলিশের অনুমান, অপরাধমূলক ধারাবাহিকে কাজ অবচেতনে তাদের মনে ছায়া ফেলেছিল। তার থেকেই হয়তো এই অপরাধ।

শেয়ার করুন