অভিনয় ‘ভুলে’ গেছেন মেহজাবিন

অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী। ছবি: সংগৃহীত

অভিনয় ‘ভুলে’ গেছেন মেহজাবিন

তুমুল ব্যস্ত এই অভিনেত্রী এবার ঈদের আগে কাজ করেননি বা করতে পারেননি। করোনা সংক্রমনের কারণে বন্ধ রেখেছিলেন সব শুটিং। এই বিরতি নেহাতই কম নয়; ৫৪ দিনের।

দেশীয় নাটকের অন্যতম জনপ্রিয় অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী। যার নামেই নাটক হিট! দর্শকরা অপলক দৃষ্টিতে দেখেন তার অভিনয়। নানা রকম চ্যালেঞ্জিং চরিত্রে অভিনয় করে অনেক আগেই অর্জন করেছেন পরিচালকদের আস্থা।

নাটকে প্রযোজক-পরিচালকদের প্রথম পছন্দ এই অভিনেত্রী। তাই নাটকের কাজে তাকে ব্যস্তও থাকতে হয় প্রচণ্ড। আর ঈদ বা উৎসবের আগে তো কথাই নেই। তাকে নিয়েই ঈদের নাটক করতে চান সবাই।

তুমুল ব্যস্ত এই অভিনেত্রী এবার ঈদের আগে কাজ করেননি বা করতে পারেননি। করোনা সংক্রমনের কারণে বন্ধ রেখেছিলেন সব শুটিং। এই বিরতি নেহাতই কম নয়; ৫৪ দিনের।

শনিবার (২২ মে) ৫৪ দিনের বিরতি কাটিয়ে শুটিংয়ে ফিরেছেন জনপ্রিয় এ অভিনেত্রী। সেকথা জানিয়েছেন তার ফেসবুক পেজে। এ বিষয়ে কথা হয়েছে নিউজবাংলার।

মেহজাবিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘নির্মাতা ভিকি জাহেদের খণ্ড নাটক দিয়ে নাটকে ফিরলাম।’

এটি তার ক্যারিয়ারের সর্বোচ্চ বিরতি কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘না, গত বছর (২০২০ সাল) আমি চার মাস কাজ করিনি। সেই হিসেবে এটাকে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ বিরতি বলতে হবে।’

ফেসবুক পেজে ৬ সেকেন্ডের একটি ভিডিও শেয়ার করে মেহজাবিন লিখেছেন, ‘৫৪ দিন পর শুটিংয়ে ফিরছি। মনে হচ্ছে অভিনয় ভুলে গেছি’।

শুটিংয়ে ফেরার বিষয় ছাড়াও নিউজবাংলা আরেকটি বিষয়ে কথা বলতে চায় মেহজাবিনের সঙ্গে।

শুক্রবার (২১ মে) অভিনেত্রী হাসিন রওশন তার ফেসবুক অ্যাকাউন্ট থেকে একটি ছবি পোস্ট করেন। ক্যাপশনে লেখা, ‘এন্ডিং ঈদ ইন স্টাইল’। যেখানে হাসিনের স্বামী-সন্তানসহ কিছু মানুষকে দেখতে পাওয়া যায়। আরও দেখা যায় নির্মাতা আদনান আল রাজিব ও মেহজাবিনকে।

অভিনেত্রী হাসিন রওশন ছাড়া অপরিচিত কিছু মানুষের সঙ্গে আদনান আল রাজিব ও মেহজাবিনকে দেখে তাদের সম্পর্ক নিয়ে দীর্ঘ দিনের গুঞ্জন যেন আরও একবার মাথাচাড়া দিয়ে ওঠার সুযোগ পেল।

অভিনয় ‘ভুলে’ গেছেন মেহজাবিন
অভিনেত্রী হাসিন রওশনের এফবি একাউন্ট থেকে ২১ মে পোস্ট করা ছবিটি। ছবি: সংগৃহীত

ছবির নিচে একজন মন্তব্যকারী আদনান আল রাজিবকে উদ্দেশ্য করে লিখেছেন, ‘জল তাইলে আরো ঘোলা হল, রাজিব ভাই।’

চাইলে প্রশ্নটির উত্তর নাও দিতে পারেন- এমন সুযোগ রেখে বিষয়টি নিয়ে মেহজাবিনকে প্রশ্ন করা হলে, তিনি কোনো উত্তর দিতে বা মন্তব্য করতে চাননি।

মেহজাবিন বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমি কথা বলতে চাই না। এটা একটা ঘরোয়া আয়োজন ছিল। সেখানে আমার পরিচিতজনরাই ছিলেন।’

আরও পড়ুন:
নিজ ঘরে হবে ঈদ উদযাপন: মেহজাবিন
‘মেহু’র জন্মদিনে ভক্তদের ডিপি কাণ্ড
অনলাইনে হয়রানি না করার আহ্বান মেহজাবিনের

শেয়ার করুন

মন্তব্য

হাজার কোটি টাকা নিয়ে বসে ব্যাংক, ঋণ নিতে আগ্রহ নেই

হাজার কোটি টাকা নিয়ে বসে ব্যাংক, ঋণ নিতে আগ্রহ নেই

হলের পরিবেশ ভালো হলে আর যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সিনেমা চালালে যে মুনাফা ভালোই হয়, তা দেখিয়েছে স্টার সিনেপ্লেক্স। ফাইল ছবি

সিনেমা হল তৈরি, সংস্কারের জন্য তহবিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক জোগান দিলেও ঋণ দেবে বাণিজ্যিক ব্যাংক। তবে গত চার মাসে কোনো ব্যাংক থেকে একটি আবেদনও পড়েনি। ঋণ নেয়ার সময় আছে আর ৯ মাস। এই বিশেষ তহবিল থেকে ঋণ পাওয়া যাবে ৪ শতাংশ সুদে। তবে চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা চাইছেন, সুদহার আরও কমিয়ে ২ শতাংশ করা হোক। আবার শিল্প টিকিয়ে রাখতে ঋণ নয়, অনুদান দেয়ার কথাও বলছেন কেউ কেউ। সাধারণত চলচ্চিত্র শিল্পে বিনিয়োগের অভিজ্ঞতা নেই বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর। এ কারণে ব্যাংকগুলো এমন ঋণে স্বস্তিবোধ করছে না।

সিনেমা হল তৈরি, সংস্কারের জন্য এক হাজার কোটি টাকার তহবিল নিয়ে বসে রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। তবে ঋণ নিতে কেউই আগ্রহী নয়।

গত বছর জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার দেয়ার সময় প্রধানমন্ত্রীর ঘোষণা ছিল, চলচ্চিত্রশিল্পের জন্য বিশেষ তহবিল করবেন তিনি। এরপর গত ১৪ ফেব্রুয়ারি এই তহবিল করার কথা জানায় বাংলাদেশ ব্যাংক।

জানানো হয়, প্রথমে দেয়া হবে ৫০০ কোটি টাকা, এরপর চাহিদা থাকলে দ্বিতীয় ধাপে দেয়া হবে আরও ৫০০ কোটি টাকা।

তহবিল কেন্দ্রীয় ব্যাংক জোগান দিলেও ঋণ দেবে বাণিজ্যিক ব্যাংক। তবে গত চার মাসে কোনো ব্যাংক থেকে একটি আবেদনও পড়েনি। ঋণ নেয়ার সময় আছে আর ৯ মাস।

এই বিশেষ তহবিল থেকে ঋণ পাওয়া যাবে ৪ শতাংশ সুদে। তবে চলচ্চিত্রসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা চাইছেন, সুদহার আরও কমিয়ে ২ শতাংশ করা হোক।

আবার শিল্প টিকিয়ে রাখতে ঋণ নয়, অনুদান দেয়ার কথাও বলছেন কেউ কেউ।

নব্বইয়ের দশক থেকে চলচ্চিত্রশিল্প জৌলুস হারাতে শুরু করে। জেলায় জেলায় বন্ধ হয়ে যাচ্ছে সিনেমা হল। করোনা পরিস্থিতি এ ক্ষেত্রে হয়েছে নতুন অনুঘটক। সিনেমা হল চালানোর চেয়ে বিপণিবিতান বা অন্য প্রতিষ্ঠান করলে আয় ভালো হয়। তাই হলের মালিকরা হাঁটছেন ওই পথেই।

তবে হলের পরিবেশ ভালো হলে আর যুগের সঙ্গে তাল মিলিয়ে সিনেমা চালালে যে মুনাফা ভালোই হয়, তা দেখিয়েছে স্টার সিনেপ্লেক্স আর যমুনার মাল্টিপ্লেক্স। তবে করোনা পরিস্থিতিতে এসব প্রতিষ্ঠানও ভালো নেই। তাই অন্যরা এই মুহূর্তে বিনিয়োগে যেতে চাইছেন না।

হাজার কোটি টাকা নিয়ে বসে ব্যাংক, ঋণ নিতে আগ্রহ নেই

সিনেমা হল তৈরি, সংস্কারের জন্য এক হাজার কোটি টাকার তহবিল রয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংকে। ফাইল ছবি

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক সিরাজুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আবেদন করার এখনও অনেক সময় আছে। গত কয়েক মাসে করোনা পরিস্থিতি খারাপ হয়েছে। ঋণ দেয়ার ক্ষেত্রে ব্যাংকগুলো এখন আগের চেয়ে আরও সতর্ক হয়েছে।’

ব্যাংক এশিয়ার ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) মো. আরফান আলী বলেন, ‘সাধারণত চলচ্চিত্রশিল্পে বিনিয়োগের অভিজ্ঞতা নেই ব্যাংকগুলোর। এ কারণে ব্যাংকগুলো এমন ঋণে স্বস্তিবোধ করছে না।’

চলচ্চিত্র প্রদর্শক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল নিউজবাংলাকে জানান, তহবিল গঠনের পর সুদহার ৪ শতাংশ থেকে কমিয়ে ২ শতাংশ করার জন্য কেন্দ্রীয় ব্যাংকে আবেদন করা হয়েছে।

ঋণ মিলবে যে যে খাতে

চলচ্চিত্রের হারানো ঐতিহ্য ফিরিয়ে আনতে সিনেমা হলগুলোর জন্য এক হাজার কোটি টাকার পুনঃ অর্থায়ন তহবিল গঠন করে বাংলাদেশ ব্যাংক জানায়, সিনেমা হল সংস্কার, আধুনিকায়ন ও মেশিনারি, যন্ত্রাংশ, প্রযুক্তি ক্রয় এবং নতুন সিনেমা হল নির্মাণের উদ্দেশে এই তহবিল থেকে ঋণ মিলবে।

বিভিন্ন শপিং কমপ্লেক্সে বিদ্যমান সিনেমা হলসহ নতুনভাবে নির্মিত সিনেমা হলগুলোও এই তহবিলের আওতায় ঋণসুবিধা পাবে।

তহবিলের আওতায়ে একজন সর্বোচ্চ পাঁচ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ নিতে পারবে।

ঋণের সুদে ছাড়

সার্কুলারে বলা হয়, বিভাগীয় শহরের জন্য এই ঋণের সুদহার ৫ শতাংশ ও এর বাইরের এলাকার জন্য সাড়ে ৪ শতাংশ। আর এই ঋণ শোধ করা যাবে আট বছর পর্যন্ত। প্রথম বছরে ঋণ পরিশোধে ছাড় মিলবে (গ্রেস পিরিয়ড)।

তবে চলতি মূলধন বাবদ কোনোরূপ ঋণ দেয়া হবে না। এ ছাড়া এ তহবিলের আওতায় গৃহীত ঋণ দিয়ে কোনোভাবেই অন্য কোনো ঋণের দায় শোধ করা যাবে না। বাংলাদেশ ব্যাংকের নিজস্ব তহবিল থেকে এই পুনঃ অর্থায়নের অর্থ দেবে।

মূলত ব্যাংকগুলো এই ঋণ প্রদান করবে, এর বিপরীতে বাংলাদেশ ব্যাংক থেকে পুনঃ অর্থায়ন নিতে পারবে। আর সময়মতো ঋণ শোধ না করলে ব্যাংকগুলোর হিসাব থেকে কেটে নেবে বাংলাদেশ ব্যাংক। ফলে বিচার-বিবেচনা করে ব্যাংকগুলোকে এই ঋণ দিতে হবে।

তহবিলে কেন অনীহা

ব্যাংক এশিয়ার এমডি মো. আরফান আলী নিউজবাংলাকে বলেন, শিল্প খাত হিসেবে চলচ্চিত্র খাতে ব্যাংকারদের জানাশোনা অনেক কম। এ জন্য এ খাতের ঋণ বিতরণেও আগ্রহ দেখাচ্ছে না বেশির ভাগ ব্যাংক।

তিনি বলেন, শুধু ঋণ দিলেই হবে না, ব্যাংকগুলোকে টিকে থাকতে হলে সেই ঋণের অর্থ আবার ফেরত আনতে হবে।

প্রদর্শক সমিতির সাধারণ সম্পাদক আওলাদ হোসেন উজ্জ্বল নিউজবাংলাকে বলেন, সার্কুলারে বলা হচ্ছে ঋণ পরিশোধে সময় পাওয়া যাবে ৮ বছর। এটা ১২ বা ১৫ বছর করা প্রয়োজন।

তিনি আরও বলেন, ‘ঋণ নিতে জায়গা মর্টগেজ দেয়ার জন্য বলা হয়েছিল। এটা শিথিল করার অনুরোধ করেছি। কোনো ব্যাংক না দিতে চাইলে সেটা বাংলাদেশ ব্যাংক দেখবে। কারণ, এটা সরকার ঘোষিত তহবিল।’

পরিচালক মুশফিকুর রহমান গুলজার নিউজবাংলাকে বলেন, সিনেমা হলমালিকদের ঋণ দেয়া হলেও সিনেমা তৈরির জন্য তহবিল প্রয়োজন। শুধু হল নির্মাণ করলে হবে না, সিনেমাও তো লাগবে। এ জন্য এফডিসির মাধ্যমে এ খাতে অর্থ বরাদ্দ প্রয়োজন।

এ জন্য শুধু হলমালিকদের না চলচ্চিত্র নির্মাতাদেরও স্বল্প সুদে ঋণ দেয়ার ব্যবস্থা করা হোক। যে ঋণ এফডিসির মাধ্যমে চলচ্চিত্রের নিয়মিত পরিচালকদের মধ্যে বিতরণ করা হবে। তাতে করে হলমালিকরা ভালো ছবি পাবেন এবং দর্শক হলে ফিরতে শুরু করবে।

তিনি বলেন, রুগ্‌ণ চলচ্চিত্রশিল্পকে টেনে তুলতে ঋণ দিয়ে তেমন সফলতা আসবে না। ওই তহবিল অনুদান হিসেবে বিতরণ করা হলে চলচ্চিত্রপাড়ায় সুদিন ফিরতে পারে।

বহুবিধ সংকটে এই শিল্প

করোনাকালে সিনেমা হল বন্ধ ছিল টানা সাত মাসের বেশি। এরপর গেল বছরের অক্টোবরে হল খুলে দেয়ার পরও অধিকাংশ হলের মালিক হল খোলেননি।

হলমালিকরা বলছেন, দীর্ঘদিন হল বন্ধ থাকলেও বিদ্যুৎ বিল, কর্মীদের বেতন-ভাতা সবই দিতে হয়েছে। অনেক মালিক ভাড়া করে হল চালান, তাদের প্রতি মাসে উচ্চমূল্যের ভাড়া গুনতে হয়েছে।

হাজার কোটি টাকা নিয়ে বসে ব্যাংক, ঋণ নিতে আগ্রহ নেই

১৯৫৪ সালে শুরু হওয়া মধুমিতা সিনেমা হলটি মাগুরা জেলার প্রথম হল। দেনার দায়ে যেকোনো মুহূর্তে বন্ধ হয়ে যেতে পারে বলে জানিয়েছেন হলটির মালিক বাবুল মিয়া। ছবি: নিউজবাংলা

নব্বইয়ের দশকে দেশে প্রায় দেড় হাজার সিনেমা হল চালু ছিল। বিভিন্ন সংকটে বন্ধ হতে হতে বর্তমানে মাত্র ১৫০টি হল চালু আছে। তবে এসব হলেও তেমন দর্শক মিলছে না। মূলত উন্নত প্রদর্শনকেন্দ্র না থাকা এবং ভালো চলচ্চিত্র নির্মাণ না হওয়ায় এ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে। পরিস্থিতি এতই নাজুক যে বিনিয়োগের অর্থ ফেরত আসবে কি না, এমন অনিশ্চয়তায় করোনার গত এক বছরে নতুন সিনেমা নির্মাণের সাহস পাচ্ছেন না কেউ।

২০১২ সালের ৩ এপ্রিল চলচ্চিত্রকে শিল্প হিসেবে ঘোষণা দেয়া হলেও এখন পর্যন্ত এ খাত শিল্প হিসেবে কোনো সুবিধাই পায়নি। ফলে এই শিল্প থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে বেশির ভাগ মানুষ।

আরও পড়ুন:
নিজ ঘরে হবে ঈদ উদযাপন: মেহজাবিন
‘মেহু’র জন্মদিনে ভক্তদের ডিপি কাণ্ড
অনলাইনে হয়রানি না করার আহ্বান মেহজাবিনের

শেয়ার করুন

তিনি প্রখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার নীল রানাউত

তিনি প্রখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার নীল রানাউত

নীল রানাউতের তৈরি অভিনব কস্টিউম আর মডেলিংয়ের ছবিগুলো এরই মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে দেয় ইনস্টাগ্রামে।

ঘরে পাওয়া সব ধরনের অব্যবহৃত কাপড় ও জিনিসপত্র নীল রানাউত পোশাক তৈরিতে কাজে লাগাতেন। মা ও দাদির প্যাটিকোট, ব্লাউজ থেকে শুরু করে রেলস্টেশনে ফেরি করে তার বাবার ছোলা বিক্রির কাজে ব্যবহৃত সিলভারের ছোট বাটিও কাজে লাগাতেন তিনি। এ ছাড়া কলাপাতা, ফুল, মানুষের কৃত্রিম চুলসহ আরও হরেক রকমের জিনিস তিনি লাগিয়েছেন রকমারি ও সৃজনশীল পোশাক তৈরির কাজে।

বলিউড কাঁপানো অভিনেত্রীদের পোশাকের আদলে কস্টিউম বানিয়ে নেন ত্রিপুরার ছেলে নীল রানাউত। সেই কস্টিউম পরে তাদের মতো করে মেকআপ নিয়ে তাদের স্টাইলে ছবি তুলে বিভিন্ন সামাজিক মাধ্যমে পোস্ট দিতেন তিনি।

তার অভিনব কস্টিউম আর মডেলিংয়ের ছবিগুলো এরই মধ্যে ব্যাপক সাড়া ফেলে দেয় ইনস্টাগ্রামে।

গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেয়া নীলের সৃজনশীল কাজের প্রশংসা করেন তার স্বপ্নের তারকা কঙ্গনা রানাউত নিজেও।

পারিবারিক নাম সর্বজিৎ সরকার হলেও তার পরিচিতি ছাপিয়ে গেছে নীল রানাউত নামেই।

সুপরিচিতি পাওয়া নাম নীল রানাউতের কারণ তিনি ব্যাখ্যা দিয়েছেন ভারতের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমের সঙ্গে দেয়া সাক্ষাৎকারে।

নীল তার প্রিয় রং। আবার নীল তার পোষা প্রাণীর নাম। দুই মিলিয়ে তিনি নিয়েছেন নীল নামটি। আর নামের রানাউত অংশটি তিনি নিয়েছেন তার প্রিয় তারকা কঙ্গনা রানাউতের নাম থেকে।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম টিকটিক আর ইনস্টাগ্রামে জনপ্রিয় নীল রানাউতের সৃজনশীলতা মুগ্ধ করে সোশ্যাল মিডিয়া ব্যক্তিত্ব ও দিল্লির জনপ্রিয় মডেল কুশা কাপিলাকে।

কাপিলার বিভিন্ন পরামর্শে নিজের প্রতি আত্মবিশ্বাস আরও দৃঢ় হয় নীলের।

কাপিলার মাধ্যমে নীলের যোগাযোগ হয় দিল্লির প্রভাবশালী ফ্যাশন ডিজাইনার আবু জানি সন্দ্বীপ কসলার সঙ্গে। এরপর আর পেছনে ফিরতে হয়নি নীলকে।

তিনি প্রখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার নীল রানাউত

ফুল, কলাপাতা, মানুষের কৃত্রিম চুলসহ আরও হরেক রকমের জিনিস কাজে লাগিয়ে রকমারি ও সৃজনশীল পোশাক তৈরি করে মডেল হয়েছেন নীল রানাউত। ছবি: সংগৃহীত

সন্দ্বীপ কসলার তৈরি পোশাকে র‍্যাম্প মডেলও বনে যান তিনি।

এক প্রতিক্রিয়ার নীল বলেন, ‘প্রথমে ভীষণ কষ্ট হয়েছিল হাই-হিল পরে হাঁটতে। দিল্লির বিলাসবহুল হোটেলে থেকে টানা অনুশীলন করে পরে আয়ত্ত করে নিয়েছিলাম হাই-হিল পরে হাঁটার। হাজারো দর্শকের সামনে র‍্যাম্পে হাঁটা শুরু করতে গিয়ে ভীষণ নার্ভাস ছিলাম। কাপিলার কথায় আত্মবিশ্বাস ফিরে পেলাম আর জীবনের প্রথম যুদ্ধজয়ের অভিজ্ঞতা নিলাম করতালির মধ্য দিয়ে।’

তিনি প্রখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার নীল রানাউত

গ্রামের এক দরিদ্র পরিবারে জন্ম নেয়া নীল রানাউতের সৃজনশীল কাজের প্রশংসা করেন তার স্বপ্নের অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত নিজেও। ছবি: সংগৃহীত

শুরুর গ্লানি

নীলের বাবা-মা, আত্মীয়-স্বজন কেউই পছন্দ করতেন না তার এমন সৃষ্টিশীল কাজকে। সবার অমতে যাত্রা শুরু করতে হয় তাকে।

ঘরে পাওয়া সব ধরনের অব্যবহৃত কাপড় ও জিনিসপত্র তিনি পোশাক তৈরিতে কাজে লাগাতেন। মা ও দাদির প্যাটিকোট, ব্লাউজ থেকে শুরু করে রেলস্টেশনে ফেরি করে তার বাবার ছোলা বিক্রির কাজে ব্যবহৃত সিলভারের ছোট বাটিও কাজে লাগাতেন তিনি।

এ ছাড়া কলাপাতা, ফুল, মানুষের কৃত্রিম চুলসহ আরও হরেক রকমের জিনিস তিনি লাগিয়েছেন রকমারি ও সৃজনশীল পোশাক তৈরির কাজে।

তিনি প্রখ্যাত ফ্যাশন ডিজাইনার নীল রানাউত
বলিউড অভিনেত্রী কিয়ারা আদভানি ও যুক্তরাষ্ট্রের জনপ্রিয় মডেল ও অভিনেত্রী কিম কার্দাশিয়ানের রূপে নীল রানাউত। ছবি: সংগৃহীত

নিজের আত্মতৃপ্তিও ভাগাভাগি করেছেন বিভিন্ন সাক্ষাৎকারে। দিল্লিতে সেই জমকালো ফ্যাশন শোতে অংশ নেয়া, নামীদামি ব্যক্তিদের সঙ্গে ওঠাবসা আর বড় বড় হোটেলে থাকার পর এখন আর তাকে নিজের কাজের জন্য পারিবারিক বাধার শিকার হতে হয় না।

নিজের পরিবার ও বন্ধুবান্ধব নীলকে তার কাজের জন্য গুরুত্ব দিতে এখন আর ভুল করেন না।

আরও পড়ুন:
নিজ ঘরে হবে ঈদ উদযাপন: মেহজাবিন
‘মেহু’র জন্মদিনে ভক্তদের ডিপি কাণ্ড
অনলাইনে হয়রানি না করার আহ্বান মেহজাবিনের

শেয়ার করুন

ভুয়া কেন্দ্র থেকে টিকা নিয়ে আতঙ্কে মিমি চক্রবর্তী

ভুয়া কেন্দ্র থেকে টিকা নিয়ে আতঙ্কে মিমি চক্রবর্তী

তৃতীয় লিঙ্গের কিছু মানুষ, রূপান্তরকামী ও দুস্থদের ভ্যাকসিনেশনে উ'ৎসাহিত করতে টিকা দিয়ে সংকটে পড়ে গেছেন অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। ছবি: সংগৃহীত

খোদ কলকাতার বুকে টিকা জালিয়াতিতে স্তম্ভিত যাদবপুর কেন্দ্রের এমপি অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। তার সংশয় হাজার হাজার মানুষকে টিকা বলে, অন্য কোন ওষুধ দিল না তো? আতঙ্কে রয়েছেন অভিনেত্রী।

করোনার টিকা জালিয়াতের খপ্পরে পড়েছেন কলকাতা যাদবপুরের লোকসভা সদস্য ও অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী।

মঙ্গলবার কলকাতা কসবার ১০৭ নম্বর ওয়ার্ডের একটি টিকা শিবিরে কোভিশিল্ড টিকা নিয়েছিলেন মিমি চক্রবর্তী। কিন্তু টিকার প্রতিবেদন পাচ্ছিলেন না বলে খটকা লাগে। তারপর মিমির উদ্যোগে ধরা পড়ে দেবাঞ্জন দেব নামে এক ভুয়া আইএএস।

তিনি বলেন, ‘আমার কাছে দেবাঞ্জন দেব আসেন নিজেকে আইএএস অফিসার এবং কলকাতা পৌরসভার যুগ্ম কমিশনার হিসেবে পরিচয় দেন। প্রচার করেন, কলকাতা পৌরসভা এই শিবিরের আয়োজক।’

কসবায় বিনামূল্যে প্রতিষেধক শিবিরে উৎসাহ দিতে কোভিশিল্ড টিকা নিয়ে প্রতারণার শিকার মিমির কথায়, ‘মঙ্গলবার কসবায় একটি ভ্যাকসিন ড্রাইভ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল আমাকে। তৃতীয় লিঙ্গের কিছু মানুষ, রূপান্তরকামী ও দুস্থদের ভ্যাকসিনেশনের আয়োজন করা হয়েছিল সেখানে। আমি টিকা নিলে তারা যদি আগ্রহী হয় সেই ভাবনা থেকে সেখানে যাওয়া।’

মিমি কসবা শিবির থেকে টিকা নেন কিন্তু তাঁর মুঠোফোনে প্রতিষেধক প্রাপ্তির কোন বার্তা আসেনি। মিমি বলেন, ‘উদ্যোক্তাদের বিষয়টি নজরে এনেছিলাম কিন্তু তখন তারা বলেন, আপনার ফোনে ম্যাসেজ এসে যাবে।’

তিন-চার ঘণ্টা পরও টিকা নেয়ার তথ্য না আসায় আয়োজকদের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তারা সদুত্তর দিতে পারেনি। তখন মিমি চক্রবর্তী কলকাতার কসবা থানার বিষয়টি জানান।

কসবা থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখেন, গত ১০ দিন ধরে স্থানীয় ইউকো বিল্ডিংয়ের দোতলায় এই শিবির চলছে। তাৎক্ষণিকভাবে প্রশাসন ওই শিবির বন্ধ করে দেয়। পুলিশ দেবাঞ্জনের ভুয়া পরিচয় পত্র, কলকাতা পুরসভার নকল সীলমোহর, কাগজপত্র, অভিযুক্তর ব্যবহৃত টয়োটা গাড়ি জব্দ করেছে।

নিজের পরিচয় গোপন রাখতে দেবাঞ্জন গাড়িতে নীল বাতি ও গাড়ির পেছনে কাঁচে রাজ্য সরকারের বিশেষ স্টিকার লাগিয়ে রাখত। দেবাঞ্জনকে গ্রেপ্তার করে ঘটনার তদন্ত করছেন প্রশাসনের উচ্চ পদস্থ অফিসার এ কে হেমব্রম।

খোদ কলকাতার বুকে টিকা জালিয়াতিতে স্তম্ভিত যাদবপুর কেন্দ্রের এমপি অভিনেত্রী মিমি চক্রবর্তী। তার সংশয় হাজার হাজার মানুষকে টিকা বলে, অন্য কোন ওষুধ দিল না তো? আতঙ্কে রয়েছেন অভিনেত্রী।

আরও পড়ুন:
নিজ ঘরে হবে ঈদ উদযাপন: মেহজাবিন
‘মেহু’র জন্মদিনে ভক্তদের ডিপি কাণ্ড
অনলাইনে হয়রানি না করার আহ্বান মেহজাবিনের

শেয়ার করুন

‘ইন্ডিয়া’ নাম মুছে ফেলতে চান কঙ্গনা

‘ইন্ডিয়া’ নাম মুছে ফেলতে চান কঙ্গনা

বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। ছবি: সংগৃহীত

এবার কঙ্গনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মন্তব্য করেছেন ইংরেজদের দেয়া ‘ইন্ডিয়া’ নাম মুছে ফেলা হোক। ইন্ডিয়ার বদলে দেশের নাম ‘ভারত’ থাকুক।

বলিউডের ‘কন্ট্রোভার্সি কুইন’ হিসেবে পরিচিত অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত যেন বিতর্কের মধ্যমণিতেই থাকতে ভালোবাসেন। সম্প্রতি, নানা বিতর্কের জেরে তার টুইটার অ্যাকাউন্টটিও বন্ধ করে দিয়েছে স্বয়ং টুইটার কর্তৃপক্ষ।

তারপরেও বিতর্কিত মন্তব্য করা বাদ দেননি কঙ্গনা। ভারতের কেন্দ্রীয় সরকারের স্বঘোষিত অনুগামী এই অভিনেত্রী হামেশাই দেশপ্রেমের বুলি ওড়াতে ভালোবাসেন। এবারও তার ব্যতিক্রম হলো না।

এবার কঙ্গনা সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে মন্তব্য করেছেন ইংরেজদের দেয়া ‘ইন্ডিয়া’ নাম মুছে ফেলা হোক। ইন্ডিয়ার বদলে দেশের নাম ‘ভারত’ থাকুক।

সেই পোস্টে কঙ্গনা লেখেন, ‘ভারত তখনই নিজেদের শ্রেষ্ঠত্ব তুলে ধরতে পারবে, যখন দেশটি তাদের আধ্যাত্মিকতা ও প্রজ্ঞায় মোড়ানো প্রাচীন আমলের অসাধারণ সভ্যতায় ফিরতে পারবে। বিশ্ব আমাদের তাকিয়ে দেখবে এবং আমরা বৈশ্বিক নেতা হিসেবে আবির্ভূত হব। আমরা নগরায়ণের দিকে এগিয়ে যাব, তবে পশ্চিমা বিশ্বকে নকল করে নয়। আমরা আমাদের শেকড় বেদ, গীতা ও যোগব্যায়াম ধরে রাখব। আমরা কি দাসত্বের নাম ইন্ডিয়া থেকে ভারতে ফিরে আসতে পারি না?’

এই অভিনেত্রী বলছেন, ভারতের নাম ইন্ডিয়া দিয়েছে ব্রিটিশরা। ইন্ডিয়ার আক্ষরিক অর্থ সিন্ধু নদের পূর্ব দিক। বলুন তো, কেউ কি কোনো সন্তানকে আলাদা আলাদা অঙ্গের নামে ডাকতে পারে। বিষয়টির গোড়াতেই গলদ রয়েছে।

‘এবার ভারত নাম নিয়ে বলতে দিন। নামটি তিনটি সংস্কৃত শব্দ থেকে এসেছে। তিনটি সংস্কৃত শব্দ—‘ভা’ অর্থে ‘ভাব’, ‘র’ অর্থে ‘রাগ’ ও ‘ত’ অর্থে ‘তাল’ মিলিয়ে ভারত শব্দটি তৈরি হয়েছে।’

‘ইন্ডিয়া’ নাম মুছে ফেলতে চান কঙ্গনা
বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। ছবি: সংগৃহীত

এখানেই শেষ করেননি কঙ্গনা। বলেন, ‘হ্যাঁ, আমাদের পূর্বপুরুষরা দাসত্বের মধ্যে ছিল। সভ্যতার সঙ্গে সংস্কৃতি, রীতিনীতি ও সৌন্দর্যবোধের ব্যাপারগুলোও বিবর্তিত হয়েছে। প্রত্যেকটা নামেরই একটা প্রাণ আছে। ব্রিটিশরা এটা জানত। আর তাই তারা বিভিন্ন জায়গার ও স্থাপনায় নতুন নতুন নাম দেয়। আমাদের অবশ্যই হারানো খ্যাতি ফিরিয়ে আনতে হবে। ভারত নাম দিয়েই হোক শুরু।’

‘ইন্ডিয়া’ নাম মুছে ফেলতে চান কঙ্গনা
বলিউড অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। ছবি: সংগৃহীত

কঙ্গনার এই যুক্তি অনেকে সমর্থন করলেও একমত নন অনেকেই। কেউ কেউ বলছেন কঙ্গনা ভারত নামের উৎস সম্পর্কেই জানেন না। তারা বলছেন, পুরাণকাহিনি শকুন্তলা আর দুষ্মন্তের পুত্র ভরত রাজার নাম থেকে এসেছে ‘ভারত’।

আরও পড়ুন:
নিজ ঘরে হবে ঈদ উদযাপন: মেহজাবিন
‘মেহু’র জন্মদিনে ভক্তদের ডিপি কাণ্ড
অনলাইনে হয়রানি না করার আহ্বান মেহজাবিনের

শেয়ার করুন

ঈদে আসছে ‘লিডার’

ঈদে আসছে ‘লিডার’

‘লিডার-আমিই বাংলাদেশ’ সিনেমার শুটিং থেকে তোলা ছবিতে শাকিব খান ও বুবলী। ছবি: সংগৃহীত

চলচ্চিত্রটির প্রযোজক সৈয়দ আশিক রহমান বলেন, ‘আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, আগামী ঈদুল আজহায় বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে লিডার-আমিই বাংলাদেশ রিলিজ হবে ইনশাআল্লাহ।’

আগামী ঈদুল আজহায় মুক্তি পেতে যাচ্ছে ঢাকাই চলচ্চিত্রের সুপারস্টার শাকিব খান ও চিত্রনায়িকা বুবলী অভিনীত চলচ্চিত্র লিডার- আমিই বাংলাদেশ। ইতিমধ্যে সিনেমাটির ৬০ ভাগ শুটিং শেষ হয়েছে।

সিনেমাটির নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া লিমিটেডের পক্ষ থেকে বুধবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

গত ২৫ মে রাজধানীর উত্তরায় শুটিং শুরু হয়েছিল এই সিনেমাটির। উত্তরার বিভিন্ন লোকেশনে টানা ৮ দিন শুটিং শেষে অল্প কিছু দিনের বিরতি দেয়া হয়।

পরে গত ১৭ জুন থেকে এফডিসিতে সেট বানিয়ে টানা ৫ দিন শুটিং হয়। সেট পরিবর্তনের জন্য ২ দিনের বিরতি দিয়ে আবার বৃহস্পতিবার থেকে শুরু হবে টানা ১০ দিনের শুটিং।

বেঙ্গল মাল্টিমিডিয়া লিমিটেডের পরিচালক ও চলচ্চিত্রটির প্রযোজক সৈয়দ আশিক রহমান বলেন, ‘ইতিমধ্যে ৬০ ভাগ শুটিং অত্যন্ত সফলতার সাথে শেষ হয়েছে। আমরা সর্বোচ্চ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি, আগামী ঈদুল আজহায় বাংলাদেশসহ আন্তর্জাতিক অঙ্গনে লিডার-আমিই বাংলাদেশ রিলিজ হবে ইনশাআল্লাহ।’

চলতি বছরের ১৮ ফেব্রুয়ারি সিনেমাটির মহরত অনুষ্ঠিত হয়।

দেলোয়ার হোসেন দিলের গল্পে সিনেমাটি পরিচালনা করছেন তপু খান।

ঈদে আসছে ‘লিডার’

‘লিডার-আমিই বাংলাদেশ’ সিনেমায় ফার্স্ট লুকে শাকিব খান ও বুবলীর। ছবি: সংগৃহীত

তপু খান বলেন, ‘প্রতিদিন শাকিব ভাই, বুবলীসহ সবাই যথাসময়ে সেটে এসে শুটিং করছেন। বৃষ্টির কারণে কিছুটা সমস্যায় পড়লেও আমরা ইতিমধ্যে ৬০ ভাগ শুটিং শেষ করতে পেরেছি। সামনের কাজগুলোও একইভাবে শেষ করতে পারব বলে আমার বিশ্বাস।’

আরও পড়ুন:
নিজ ঘরে হবে ঈদ উদযাপন: মেহজাবিন
‘মেহু’র জন্মদিনে ভক্তদের ডিপি কাণ্ড
অনলাইনে হয়রানি না করার আহ্বান মেহজাবিনের

শেয়ার করুন

আসছে ‘কিল বিল’-এর রিমেক, প্রধান চরিত্রে কে?

আসছে ‘কিল বিল’-এর রিমেক, প্রধান চরিত্রে কে?

‘কিল বিল’ সিনেমার রিমেক বানাবেন বলিউড নির্মাতা অনুরাগ কাশ্যপ। ছবি: সংগৃহীত

তবে এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পরিচালকের ঘনিষ্ঠ একজন জানান, এখনও একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এই সিনেমার ব্যাপারটি। তবে এই খবর সংবাদমাধ্যমের কাছে কীভাবে পৌঁছালো সেটাই বুঝে উঠতে পারছি না!

২০০৩ সালে মুক্তি পেয়েছিল হলিউডের সাড়া জাগানো সিনেমা ‘কিল বিল’।

আমেরিকান মার্শাল আর্ট নির্ভর এই সিনেমাটি নির্মাণ করেছিলেন খ্যাতিমান পরিচালক কোয়েন্টিন টরেন্টিনো।

ব্যাপক অ্যাকশন নির্ভর এই সিনেমার মূখ্য চরিত্রে উমা থুরম্যানের অভিনয় করেন আজও স্মরণ করে দর্শকরা।

ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যম বলছে, এবার এই কিল বিল সিনেমার হিন্দি রিমেক নির্মাণ করতে যাচ্ছেন বলিউডের নামকরা পরিচালক অনুরাগ কাশ্যপ।

যদিও এ ব্যাপারে অনুরাগ কাশ্যপ কিংবা তার টিমের কেউ মুখ খোলেননি এখনও।

তবে এ প্রসঙ্গে নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পরিচালকের ঘনিষ্ঠ একজন জানান, এখনও একেবারে প্রাথমিক পর্যায়ে রয়েছে এই সিনেমার ব্যাপারটি। তবে এই খবর সংবাদমাধ্যমের কাছে কীভাবে পৌঁছালো সেটাই বুঝে উঠতে পারছি না!

সিনেমাটির হিন্দি রিমেকে উমা থুরম্যানের ভূমিকায় কৃতি শ্যাননকে দেখা যাবে সেই খবরের সত্যতাতেও সায় জানিয়েছেন অনুরাগের সেই ঘনিষ্ঠজন।

আসছে ‘কিল বিল’-এর রিমেক, প্রধান চরিত্রে কে?
বলিউড অভিনেত্রী কৃতি শ্যানন। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

শোনা যাচ্ছে আর অল্প কিছুদিনের মধ্যেই নাকি একাধিক মার্শাল আর্ট আর তলোয়ার ও বন্দুক চালানোর প্রশিক্ষণও শুরু করে দেবেন কৃতি।

আরও পড়ুন:
নিজ ঘরে হবে ঈদ উদযাপন: মেহজাবিন
‘মেহু’র জন্মদিনে ভক্তদের ডিপি কাণ্ড
অনলাইনে হয়রানি না করার আহ্বান মেহজাবিনের

শেয়ার করুন

একই বাড়িতে থাকবেন সুশান্তের দুই বান্ধবী অঙ্কিতা-রিয়া?

একই বাড়িতে থাকবেন সুশান্তের দুই বান্ধবী অঙ্কিতা-রিয়া?

এ খবর প্রকাশের পর থেকে সুশান্তের ভক্তদের মাঝে ছড়িয়েছে কৌতূহল। এবার কি তাহলে এক বাড়িতে থেকে মুখোমুখি হবেন সুশান্তের সাবেক দুই বান্ধবী? তবে পুরোটাই নির্ভর করছে রিয়া ও অঙ্কিতার সিদ্ধান্তের ওপর।

অভিনেতা সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পর এক বছর ধরে বলিউডের আলোচিত দুই অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী ও অঙ্কিতা লোখান্ডে। দুজনই সুশান্তের সাবেক বান্ধবী।

তাদের মধ্যে সুশান্তের মৃত্যুর ঘটনায় করা মামলার অভিযুক্তও রিয়া। যদিও রিয়াকে প্রেমিকা হিসেবে কোনোদিনই পরিচয় দেননি সুশান্ত। কিন্তু তার মৃত্যুর পর রিয়া নিজেই সুশান্তের প্রেমিকা ছিলেন বলে দাবি করেন।

অন্যদিকে সুশান্ত ও অঙ্কিতার প্রেমকাহিনি শুধু বলিউড নয়, ভক্তকূলও জানত। ২০১৬ সালে ভেঙে যায় তাদের টানা সাত বছরের সম্পর্ক। ওই বছরই সুশান্তের সঙ্গে পরিচয় রিয়ার।

এবার শোনা যাচ্ছে এক ছাদের নিচে থাকতে পারেন সুশান্তের এই দুই সাবেক বান্ধবী।

ভারতীয় একাধিক সংবাদমাধ্যমে বলা হচ্ছে, বিগ বসের ১৫ নম্বর সিজনের জন্য দুজনের কাছেই প্রস্তাব গেছে।

এ খবর প্রকাশের পর সুশান্তের ভক্তদের মধ্যে দেখা গেছে কৌতূহল। এবার এক বাড়িতে থেকে সুশান্তের সাবেক দুই বান্ধবী মুখোমুখি হবেন কি না, সে প্রশ্ন অনেকের।

তবে পুরোটাই নির্ভর করছে রিয়া ও অঙ্কিতার সিদ্ধান্তের ওপর।

একই বাড়িতে থাকবেন সুশান্তের দুই বান্ধবী অঙ্কিতা-রিয়া?
বলিউড অভিনেত্রী অঙ্কিতা লোখান্ডে। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

সুশান্তের মৃত্যুর পর তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছেন অঙ্কিতা। তার মৃত্যু নিয়ে সরাসরি রিয়ার দিকে আঙুল না তুললেও সুশান্তকে নিয়ে রিয়ার একাধিক দাবিকে ‌মিথ্যা বলেছেন অঙ্কিতা।

একই বাড়িতে থাকবেন সুশান্তের দুই বান্ধবী অঙ্কিতা-রিয়া?
বলিউড অভিনেত্রী রিয়া চক্রবর্তী। ছবি: ইনস্টাগ্রাম

অন্যদিকে অঙ্কিতা ‘সুশান্তের বিধবা’ সাজার চেষ্টা করছেন বলে মন্তব্য করেছেন রিয়া।

তর্ক-বিতর্কে ভরপুর বিগ বস শোতে এই দুই অভিনেত্রী অংশ নিলে যে টিআরপি রাতারাতি বাড়বে, তা নিয়ে দ্বিমত নেই কারও।

তাই হয়তো বিগ বসের ১৫ নম্বর সিজনে রিয়া-অঙ্কিতাকেই তুরুপের তাস হিসেবে দেখছেন নির্মাতারা।

আরও পড়ুন:
নিজ ঘরে হবে ঈদ উদযাপন: মেহজাবিন
‘মেহু’র জন্মদিনে ভক্তদের ডিপি কাণ্ড
অনলাইনে হয়রানি না করার আহ্বান মেহজাবিনের

শেয়ার করুন