‘জাত গোখরো’ মিঠুনের বিরুদ্ধে এফআইআর

player
‘জাত গোখরো’ মিঠুনের বিরুদ্ধে এফআইআর

জনসভায় মিঠুন চক্রবর্তী। ছবি: সংগৃহীত

জনসভায় মিঠুন তার অভিনীত সিনেমা সংলাপ বলেছিলেন। যার মধ্যে ছিল- ‘আমি জল ঢোঁড়াও নই, বেলে বোড়াও নই, আমি জাত গোখরো, এক ছোবলে ছবি’- এই সংলাপটি।

টালি-বলির জনপ্রিয় অভিনেতা মিঠুন চক্রবর্তী। পশ্চিমবঙ্গের বিধানসভা নির্বাচনে এবার বিজেপির হয়ে কাজ করেছেন তিনি। প্রার্থী না হলেও প্রচারে অংশ নিয়েছেন এ অভিনেতা।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গের মানিকতলা থানায় মিঠুনের বিরুদ্ধে ফার্স্ট ইনফরমেশন রিপোর্ট (এফআইআর) করা হয়েছে। নির্বাচনী প্রচারে অভিনেতার বিরুদ্ধে উস্কানিমূলক বক্তব্য দেয়ার অভিযোগ করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার এ অভিযোগ এনেছে উত্তর কলকাতা যুব তৃণমূল। একই অভিযোগ আনা হয়েছে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের বিরুদ্ধেও।

‘বাংলার ভালর জন্যই রাজনৈতিক দল বদলে বিজেপিতে যোগ দিয়েছেন বলে জানিয়েছিলেন মিঠুন। এর আগে তিনি তৃণমূলের রাজনীতি করতেন।

বিজেপির ব্রিগেড সমাবেশে আনুষ্ঠানিক ভাবে বিজেপিতে যোগ দিয়েছিলেন মিঠুন। সেখানে বক্তৃতা দিতে গিয়ে নিজের অভিনীত সিনেমার কয়েকটি জনপ্রিয় সংলাপ বলেন এ অভিনেতা।

সংলাপগুলোর মধ্যে সবার প্রথমে ছিল ‘আমি বাঙালি, আমি গর্বিত আমি বাঙালি’- এই সংলাপটি। এর পর তিনি বলেন, ‘আমি জানি আপনারা কোন ডায়লগটি শুনতে অপেক্ষা করছেন।’ এ কথা বলেই তিনি ‘মারব এখানে, লাশ পরবে শ্মশানে’ সংলাপটি শোনান এবং বলেন, ‘এটা তো চলতেই থাকবে। এবার একটা নতুন ডায়লগ শোনাই।

এই বলে তিনি শোনান, ‘আমি জল ঢোঁড়াও নই, বেলে বোড়াও নই, আমি জাত গোখরো, এক ছোবলে ছবি।’ হর্ষ ধ্বনিতের ফেটে পড়েন সমাবেশে আসা জনগণ।

এফআইআরে বলা হয়েছে, ওই সংলাপেই উত্তেজনা ছড়িয়েছে রাজ্যে। একজন তারকা হিসাবে প্রকাশ্য মঞ্চে এই ধরনের সংলাপের ব্যবহার করে মিঠুন দায়িত্বজ্ঞানহীন কাজ করেছেন।

নির্বাচনী প্রচারের ময়দানে বিজেপির রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষও ‘জায়গায় জায়গায় শীতলখুচি’ হবে বলে মন্তব্য করেছিলেন। তার বিরুদ্ধেও উস্কানিমূলক মন্তব্য করার অভিযোগ আনা হয়েছে তৃণমূলের পক্ষ থেকে।

আরও পড়ুন:
কলকাতা নির্বাচনে তারকাদের জয়-পরাজয়
ভোট হলো না পার্নোর, নুসরাত গেলেন সপরিবারে
শ্রাবন্তীর বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা

শেয়ার করুন

মন্তব্য

অর্ধেক জনবলের অফিসে ফিরল সরকার

অর্ধেক জনবলের অফিসে ফিরল সরকার

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব হলে ১৭ মার্চ থেকে ঘোষণা করা সাধারণ ছুটিতে জরুরি সেবা ছাড়া অফিস আদালত ছিল বন্ধ। পরে এক পর্যায়ে অর্ধেক লোকবল দিয়ে অফিস চালানোর আদেশ আসে। গত বছর লকডাউন ও শাটডাউনেও ছিল একই পরিস্থিতি।

করোনার তৃতীয় ঢেউ ছড়িয়ে পড়ায় আবার অর্ধেক জনবল দিয়ে সরকারি-বেসরকারি দপ্তর পরিচালনার নির্দেশ জারি করেছে সরকার।

রোববার মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. সাইফুল ইসলামের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

সোমবার থেকে নতুন এ বিধি নিষেধ কার্যকর হবে। বহাল থাকবে আগামী ৬ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সকল সরকারি, বেসরকারি, আধা সরকারি, স্বায়ত্বশাসিত অফিসগুলো স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণপূর্বক অর্ধেক সংখ্যক কর্মকর্তা-কর্মচারী দিয়ে পরিচালনা করতে হবে। অন্যান্য কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ কর্মস্থলে অবস্থান করবেন এবং দাপ্তরিক কার্যক্রম ভার্চুয়ালি করবেন।

২০২০ সালের মার্চে দেশে করোনার প্রাদুর্ভাব হলে ১৭ মার্চ থেকে ঘোষণা করা সাধারণ ছুটিতে জরুরি সেবা ছাড়া অফিস আদালত ছিল বন্ধ। পরে এক পর্যায়ে অর্ধেক লোকবল দিয়ে অফিস চালানোর আদেশ আসে।

২০২১ সালের এপ্রিলে প্রথমবারের মতো যখন লকডাউন দেয়া হয়, সে সময়ও একই পদ্ধতিতে চলে অফিস। একই বছরের ১ জুলাই থেকে শাটডাউন হিসেবে পরিচিতি পাওয়া বিধিনিষেধেও একই পদ্ধতিতে চলে অফিস।

গত ৪ অক্টোবর করোনার দ্বিতীয় ঢেউ নিয়ন্ত্রণে আসার পর ব্যবসা প্রতিষ্ঠান ও অফিস আদালতে ফেরে স্বাভাবিক অবস্থা। তবে ৯ জানুয়ারি করোনার তৃতীয় ঢেউয়ের প্রাথমিক লক্ষণ নিশ্চিত হওয়ার চার দিন পর আবার ১১ দফা বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়। এরপর আবার অর্ধেক জনবলে অফিস করতে বলা হয়।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সুপ্রিম কোর্ট আদালতগুলোর বিষয়ে প্রয়োজনীয় নির্দেশনা জারি করবে।

ব্যাংক, বিমা ও আর্থিক প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে বাংলাদেশ ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান বিভাগ প্রয়োজনীয় নির্দেশনা দেবে বলেও জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
কলকাতা নির্বাচনে তারকাদের জয়-পরাজয়
ভোট হলো না পার্নোর, নুসরাত গেলেন সপরিবারে
শ্রাবন্তীর বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা

শেয়ার করুন

১৭ ইটভাটাকে ৪৩ লাখ টাকা জরিমানা

১৭ ইটভাটাকে ৪৩ লাখ টাকা জরিমানা

ভেড়ামারায় রোববার সকাল থেকে অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালায় পরিবেশ অধিদপ্তর। ছবি: নিউজবাংলা

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদা পারভীন জানান, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন অনুযায়ী এসব ভাটাকে জরিমানা করা হয়েছে। ভাটাগুলো অবৈধ জায়গায় স্থাপিত এবং জ্বালানি হিসেবে কাঠ পোড়ানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে।

কুষ্টিয়ার ভেড়ামারায় ১৭টি অবৈধ ইটভাটায় অভিযান চালিয়ে ৪৩ লাখ ১০ হাজার টাকা জরিমানা করেছে পরিবেশ অধিদপ্তর।

রোববার সকাল থেকে সারাদিন অভিযানে নেতৃত্ব দেন পরিবেশ অধিদপ্তর ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদা পারভীন।

তিনি জানান, অভিযানে এমএইচটি ইটভাটাকে ২ লাখ ৫০ হাজার টাকা, আরএমবিকে ২ লাখ ৫০ হাজার, এম আর আই ইটভাটাকে ২ লক্ষ ৫০ হাজার, মানিক ব্রিকসকে ২ লাখ, এমএইচ ব্রিকসকে এক লাখ, মা ব্রিকসকে এক লাখ, এএমবি ব্রিকসকে ৪ লাখ, বিবিএফ ব্রিকসকে ২ লাখ, এমবিএফ ব্রিকসকে ৪ লাখ, বিবিএফ ব্রিকসকে ৪ লাখ, ফোর স্টারকে দেড় লাখ, এএমবি ব্রিকসকে ২ লাখ, কে অ্যান্ড বিকে ৩ লাখ, এমআরএম ব্রিকসকে ৩ লাখ, এমএসএস ব্রিকসকে ৩ লাখ টাকা, এসআরবিকে ২ লাখ ৬০ হাজার এবং একতারা ইটভাটাকে ২ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়।

এ সময় বিবিএফ নামের ইটভাটার চুলার আংশিক ভেঙে ফেলা হয়েছে।

অভিযানের সময় সরেজমিনে দেখা যায়, অধিকাংশ ভাটা মালিক আগে থেকেই প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছেন। কিছু কিছু ইটভাটায় জ্বালানি কাঠের স্তুপ একদিন আগে সরিয়ে ফেলা হয়েছে। অনেক ভাটায় অভিযান পরিচালনাকারীদের জন্য বসার চেয়ার এনে পরিষ্কার করে রাখা হয়। আর অধিকাংশ জরিমানার টাকা প্রস্তুত ছিল, কিছুক্ষণের মধ্যেই তারা টাকা বের করে দেন।

অভিযানে পরিবেশ অধিদপ্তর কুষ্টিয়া অফিসের কর্মকর্তা, পুলিশ ও র্যাব সদস্যরা অংশ নেন।

কুষ্টিয়ার পরিবেশবাদী খলিলুর রহমান মজু জানান, এভাবে অভিযান চালিয়ে প্রকৃত উদ্দেশ বাস্তবায়িত হবে না। অভিযান শেষে ভাটাগুলো আবার কাঠ পুড়িয়ে পরিবেশ দূষণ করতে থাকবে। সরকারের সদিচ্ছা থাকলে সঠিকভাবে অভিযান চালিয়ে ভাটাগুলোকে নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আনা সম্ভব।

কুষ্টিয়া নাগরিক সমাজের প্রতিনিধি বঙ্গবন্ধু পরিষদের জেলা সভাপতি মতিউর রহমান লালটু জানান, সরকারি প্রণোদনা প্যাকেজের আওতায় অ্যাসোসিয়েশন করে ইটভাটা পরিবেশবান্ধব উপায় ইট পোড়ানোর ব্যবস্থা করতে পারে। এতে কৃষিজমি রক্ষার পাশাপাশি পরিবেশ দূষণমুক্ত থাকবে। ভাটা মালিকরাও লাভ করতে পারবেন।

কুষ্টিয়া পরিবেশ ক্লাবের সভাপতি রাশিদুল ইসলাম বিপ্লব জানান, প্রশাসনকে ম্যানেজ করতে প্রত্যেকটি ভাটা থেকে অ্যাসোসিয়েশনের নামে দুই লাখ ৪০ হাজার টাকা করে তোলা হয়েছে। যেসব ভাটা এসব টাকা দেয়নি সেখানেই পরিবেশ অধিদপ্তর অভিযান চালায়।

নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট সাঈদা পারভীন জানান, ইট প্রস্তুত ও ভাটা স্থাপন আইন অনুযায়ী এসব ভাটাকে জরিমানা করা হয়েছে। ভাটাগুলো অবৈধ জায়গায় স্থাপিত এবং জ্বালানি হিসেবে কাঠ পোড়ানোর প্রমাণ পাওয়া গেছে।

তিনি বলেন, ‘এভাবে অভিযান চালিয়ে একসময় ভাটা গুলোকে আমরা নিয়মতান্ত্রিক পদ্ধতিতে আনতে পারব বলে আশা করি। অধিকাংশ ভাটা মালিকেরই উচ্চ আদালতে রিট করা আছে। সে কারণে আদালতের নির্দেশনার বাইরে আমরা যেতে পারছিনা।’

কুষ্টিয়া পরিবেশ অধিদপ্তরের উপপরিচালক আতাউর রহমান জানান, কুষ্টিয়া জেলায় ১৬১টি ইটভাটা রয়েছে। এর মধ্যে ১৮টি ভাটার পরিবেশের ছাড়পত্র রয়েছে। অন্যসব ইটভাটা মালিক দীর্ঘদিন ধরে আইন লঙ্ঘন করে দিনের পর দিন ভাটা পরিচালনা করে আসছেন। অনেকে আবার হাইকোর্টে রিট করে স্থগিতাদেশ এনে ইটভাটা পরিচালনা করছেন।

অবৈধ এসব ইটভাটার বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ অধিদপ্তরের এই কর্মকর্তা। তিনি বলেন, একটি অভিযান পরিচালনা করতে গেলে প্রশাসনের অনেকগুলো উইং সংযুক্ত করতে হয়। এ কারণে যে কোন জায়গা থেকে ভাটা মালিকদের কাছে আগে তথ্য ফাঁস হয়ে থাকতে পারে।

ভাটা মালিকদের পক্ষ থেকে টাকার বিনিময়ে ম্যানেজ করার বিষয়টি অস্বীকার করেন তিনি।

আরও পড়ুন:
কলকাতা নির্বাচনে তারকাদের জয়-পরাজয়
ভোট হলো না পার্নোর, নুসরাত গেলেন সপরিবারে
শ্রাবন্তীর বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা

শেয়ার করুন

করোনায় কাবু আদালত, আক্রান্ত ১০ বিচারক

করোনায় কাবু আদালত, আক্রান্ত ১০ বিচারক

সংক্রমণ ব্যাপক হারে ছড়ালেও হবিগঞ্জের আদালত পাড়ায় নেই স্বাস্থ্যবিধি। ছবি: নিউজবাংলা

শুধু বিচারকই নন, অনেক আইনজীবী, আইনজীবীর সহকারীসহ আদালতের কাজে নিয়োজিত আরও অনেকেই করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

হবিগঞ্জ আদালতের ১০ বিচারক করোনায় আক্রান্ত হয়েছেন।

রোববার বিকেলে হবিগঞ্জ চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত থেকে পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, হবিগঞ্জ জেলার বিচার বিভাগে মোট ২৮ জন বিচারক দায়িত্ব পালন করছেন। এর মধ্যে ১০ জনই করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। গত কয়েকদিনে তাদের শরীরে করোনা শনাক্ত হয়।

আক্রান্ত বিচারকদের মধ্যে রয়েছেন, ল্যান্ড সার্ভে ট্রাইব্যুনালের বিচারক সিরাজাম মুনীরা, সিনিয়র সহকারী জজ তানিয়া ইসলাম, সহকারী জজ অভিজিৎ চৌধুরী, সাজিদ-উল-হাসান চৌধুরী, মো. আব্দুল হামিদ, চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মোহাম্মদ সুলতান উদ্দিন প্রধান ও মো. জাকির হোসাইন, জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট ফখরুল ইসলাম, রাহেলা পারভীন ও তাহমিনা হক।

আক্রান্ত বিচারকরা বর্তমানে নিজ নিজ বাসায় আইসোলেশনে রয়েছেন।

এদিকে, প্রায় অর্ধেক বিচারক করোনায় আক্রান্ত হওয়ায় বিঘ্নিত হচ্ছে জেলার বিচারকাজ।

শুধু বিচারকই নন, অনেক আইনজীবী আইনজীবীর সহকারীসহ আদালতের কাজে নিয়োজিত আরও অনেকেই করোনা আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে, ১০ বিচারকসহ সংশ্লিষ্ট অনেকেই করোনায় আক্রান্ত হলেও হবিগঞ্জ আদালত পাড়ায় মানা হচ্ছে না স্বাস্থ্যবিধি।

রোববার হবিগঞ্জ চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে গিয়ে দেখা যায়, অধিকাংশ বিচারপ্রার্থীর মুখে নেই মাস্ক। বহুতল ভবনের প্রতিটি ফ্লোরের বারান্দায় বিচারপ্রার্থীদের ভিড়। একে অপরের শরীর ঘেঁষে জটলা পাকিয়ে আছেন তারা।

এ অবস্থায় ওই আদালত পাড়া থেকেই করোনা সংক্রমণ ব্যপক হারে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে।

হবিগঞ্জ আদালতের পরিদর্শক মো. আনিসুর রহমান বলেন, ‘১০ জন বিচারক করোনাভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন জানতে পেরেছি। তাই আদালত পাড়ায় স্বাস্থ্যবিধি মানাতে কোর্ট পুলিশ কাজ করছে।’

আরও পড়ুন:
কলকাতা নির্বাচনে তারকাদের জয়-পরাজয়
ভোট হলো না পার্নোর, নুসরাত গেলেন সপরিবারে
শ্রাবন্তীর বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা

শেয়ার করুন

সেনা-পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা করত তারা

সেনা-পুলিশ পরিচয়ে প্রতারণা করত তারা

গ্রেপ্তার হলেন চক্রের হোতা ফুয়াদ আমিন ইশতিয়াক ওরফে সানি, অন্যতম সহযোগী সাইমা শিকদার নিরা ওরফে আরজে নিরা ও আব্দুল্লাহ আফিফ সাদমান ওরফে রিশু। ছবি: নিউজবাংলা

র‍্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, ‘একজন ট্রান্সজেন্ডার নারী বিউটি ব্লগারকে যৌন নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলা করেন ওই নারী। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‍্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা, র‍্যাব-১ ও র‍্যাব-২ এর যৌথ অভিযানে গত রাত থেকে শুরু করে আজ দুপুর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।’ এরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র নিয়ন্ত্রণ করতেন।

সেনা ও পুলিশ কর্মকর্তা পরিচয় দিয়ে বিভিন্ন শ্রেণী-পেশার নারী-পুরুষদের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে হেনস্থা ও ব্ল্যাকমেইল করতো চক্রটি। এছাড়া অনলাইনেও ভিকটিমদের ফাঁদে ফেলতেন তারা।

সম্প্রতি ট্রান্সজেন্ডার নারী বিউটি ব্লগারকে যৌন নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার ঘটনা তদন্ত করতে নেমে এই প্রতারণা চক্রের হোতাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে র‍্যাপিড অ্যাকশন ব্যাটালিয়ন (র‍্যাব)।

শনিবার রাত থেকে রোববার দুপুর ১টা পর্যন্ত রাজধানীর ফার্মগেট ও মহাখালী এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার হলেন- হোতা ফুয়াদ আমিন ইশতিয়াক ওরফে সানি, অন্যতম সহযোগী সাইমা শিকদার নিরা ওরফে আরজে নিরা ও আব্দুল্লাহ আফিফ সাদমান ওরফে রিশু।

অভিযানে ভিকটিমের ছিনিয়ে নেয়া মোবাইল উদ্ধারসহ জব্দ করা হয় প্রতারণার কজে ব্যবহৃত অবৈধ ওয়াকিটকি সেট, খেলনা পিস্তল, মোবাইল ও একাধিক ব্যাংকের কার্ড।

রোববার বিকেলে কারওয়ান বাজার র‍্যাব মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব কথা বলেন র‍্যাবের মুখপাত্র কমান্ডার খন্দকার আল মঈন।

তিনি বলেন, ‘একজন ট্রান্সজেন্ডার নারী বিউটি ব্লগারকে যৌন নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টার ঘটনার রাজধানীর ভাটারা থানায় মামলা করেন ওই নারী। গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে র‌্যাব সদর দপ্তরের গোয়েন্দা শাখা, র‌্যাব-১ ও র‌্যাব-২ এর যৌথ অভিযানে গত রাত থেকে শুরু করে আজ দুপুর পর্যন্ত অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

এরা একটি সংঘবদ্ধ অপরাধী চক্র নিয়ন্ত্রণ করতেন। গ্রেপ্তার ইশতিয়াক এই চক্রের হোতা, গ্রেপ্তার আরজে নিরা ও গ্রেপ্তার সাদমান আফিফ ওরফে রিশু তার অন্যতম সহযোগি।

তিনি আরও বলেন, গ্রেপ্তারকৃতরা গত দুই বছর ধরে বিভিন্ন কৌশলে জিম্মি, ব্ল্যাকমেইল ও প্রতারণা করে বিভিন্ন শ্রেণী পেশার নারী-পুরুষদের অর্থ হাতিয়ে নিত। তারা সাধারণত সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ব্যবহার করে বিভিন্নজনের সঙ্গে সখ্যতা গড়ে তোলেন। এরপর কৌশলে বিভিন্ন সময়ের আপত্তিকর ছবি ও ভিডিও ধারণ করে ভিকটিমদের হেনস্থা ও ব্ল্যাকমেইল করত। তাদের ভাড়া বাসা ব্যবহার করে জোরপূর্বক আপত্তিকর ভিডিও ধারণ করে ব্ল্যাকমেইল করতো। এছাড়া অনলাইনেও ভিকটিমদের ফাঁদে ফেলত তারা। গ্রেপ্তারকৃতরা নিজেদেরকে সেনা কর্মকর্তা ও পুলিশ কর্মকর্তা হিসেবে পরিচয় দিত।

কমান্ডার খন্দকার আল মঈন বলেন, কিছুদিন আগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভিকটিম ট্রান্সজেন্ডার নারীর সঙ্গে গ্রেপ্তার সাদমান আফিফ রিশুর পরিচয় হয়। পরিচয়ের সূত্রে গত ১০ জানুয়ারি রাজধানীর বসুন্ধরার একটি বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে একটি রেস্টুরেন্টের সামনে রিশুর সঙ্গে ভিকটিমের সাক্ষাত হয়। এরপর সারপ্রাইজ দেয়ার কথা বলে কৌশলে ভিকটিমকে বসুন্ধরা আবাসিক এলাকায় ইশতিয়াকের ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। বাসায় নেয়ার পরে ইশতিয়াক, নিরা ও রিশু জোর করে ভিকটিমকে মারধর, শ্লীলতাহানী ও যৌন নিপীড়ন করার পাশাপাশি ভিডিও ধারণ করে। এসময় তারা ট্রান্সজেন্ডার ওই নারীর সঙ্গে থাকা মোবাইল ফোন, স্বর্ণালঙ্কার ও টাকা ছিনিয়ে নেয় এবং এক লাখ টাকা দাবি করে।

র‍্যাব জানায়, ওই নারীকে ব্লাকমেইলের এক পর্যায়ে তারা আইন-শৃঙ্খলা ও সামরিক বাহিনীর পরিচয় দিয়ে ভয়-ভীতি দেখায়। ওই ট্রান্সজেন্ডার নারীকে থানায় নিয়ে যাওয়ার কথা বলে রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় ঘুরিয়ে রামপুরায় নামিয়ে দেন।

এক প্রশ্নের জবাবে র‍্যাবের এই কর্মকর্তা বলেন, গ্রেপ্তার ইশতিয়াক এর আগের দুটি মামলা রয়েছে। ইতোপূর্বে বিভিন্ন মামলায় সে কারাভোগ করেছে। তারা এর আগেও এমন প্রতারণা করেছেন। তাদের বিরুদ্ধে মামলাও রয়েছে।

আরও পড়ুন:
কলকাতা নির্বাচনে তারকাদের জয়-পরাজয়
ভোট হলো না পার্নোর, নুসরাত গেলেন সপরিবারে
শ্রাবন্তীর বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা

শেয়ার করুন

ইসি নিয়ে জটিলতা দূর করবে, বিএনপির বক্তব্য উদভ্রান্তের প্রলাপ: কাদের

ইসি নিয়ে জটিলতা দূর করবে, বিএনপির বক্তব্য উদভ্রান্তের প্রলাপ: কাদের

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের। ফাইল ছবি

‘রাজনীতির মাঠে পরাজিত বিএনপি এখন নির্বাচন কমিশন গঠন আইন নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। এই আইনকে শুধু নয়, তারা বরাবরের মতো নির্বাচন ও নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাঁয়তারা করছে। তারই ধারাবাহিকতায় নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রচুর পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ ও বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ মাধ্যমে ষড়যন্ত্রের নতুন নতুন নাটক মঞ্চায়ন করেও বিএনপি’র মরা গাঙ্গের খরা কাটেনি। তাই তারা উদভ্রান্তের মতো প্রলাপ বকতে শুরু করেছে।’

নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে আইন করতে জাতীয় সংসদে তোলা বিলের সমালোচনা করে বিএনপির বক্তব্যকে ‘উদভ্রান্তের প্রলাপ’ আখ্যা দিয়েছেন আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদের।

রোববার দলের দপ্তর সম্পাদক বিপ্লব বড়ুয়া স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ কথা জানানো হয়।

নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে সংবিধানে আইনের কথা বলা থাকলেও স্বাধীনতার ৫০ বছরেও এ আইনটি হয়নি। আগামী ফেব্রুয়ারিতে মেয়াদ শেষ হতে যাওয়ার আগে নতুন নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতি যখন বিভিন্ন দলের সঙ্গে সংলাপ করেন, তখন সবচেয়ে বেশি আলোচিত হয় এই আইনের বিষয়টি নিয়ে। এরই মধ্যে এই আইনের একটি বিল জাতীয় সংসদে উত্থাপন হয়েছে।

নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে রাষ্ট্রপতির আগের দুই সংলাপে বিএনপি অংশ নিলেও এবার তারা এই আলোচনা বর্জন করেছে। ২০১৮ সালের ডিসেম্বরে দলীয় সরকারের অধীনে নির্বাচনে অংশ নিলেও দলটি নির্বাচনকালীন নির্দলীয় সরকারের দাবিতে ফিরে গেছে। পাশাপাশি নির্বাচন কমিশন গঠনে যে বিল আনা হয়েছে, তার সমালোচনা করেছেন দলটির সংসদ সদস্যরা।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘রাজনীতির মাঠে পরাজিত বিএনপি এখন নির্বাচন কমিশন গঠন আইন নিয়ে জনগণকে বিভ্রান্ত করতে অপতৎপরতায় লিপ্ত হয়েছে। এই আইনকে শুধু নয়, তারা বরাবরের মতো নির্বাচন ও নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার পাঁয়তারা করছে। তারই ধারাবাহিকতায় নির্বাচনি প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার লক্ষ্যে প্রচুর পরিমাণ অর্থ বিনিয়োগ ও বিদেশে লবিস্ট নিয়োগ মাধ্যমে ষড়যন্ত্রের নতুন নতুন নাটক মঞ্চায়ন করেও বিএনপি’র মরা গাঙ্গের খরা কাটেনি। তাই তারা উদভ্রান্তের মতো প্রলাপ বকতে শুরু করেছে।’

বিবৃতিতে বলা হয়, ‘নির্বাচন কমিশন গঠন আইন সম্পর্কিত বিলটির উপর জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্বকারী সকল রাজনৈতিক দল আলোচনা করবেন এবং নিজেদের মতামত ব্যক্ত করবেন। সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী আইন প্রণয়নের ক্ষমতা মহান জাতীয় সংসদের উপর ন্যস্ত রয়েছে। সে মোতাবেক সংসদে উত্থাপিত বিলটি যথাযথ প্রক্রিয়া ও সাংবিধানিক রীতি-নীতির মধ্য দিয়েই পাস হবে বলে আশা রাখে।

‘বিএনপি নেতৃবৃন্দ উত্থাপিত আইনটি সম্পর্কে সম্পূর্ণরূপে না জেনে এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে এই প্রক্রিয়াকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অভিপ্রায়ে নানা ধরনের বিভ্রান্তিকর মন্তব্য ও অপপ্রচার চালিয়ে যাচ্ছে।’

গণতান্ত্রিক কাঠামো ও আইনি প্রক্রিয়ার প্রতি বিএনপির কোনো শ্রদ্ধাবোধ নেই মন্তব্য করে কাদের বলেন, ‘বন্দুকের নলের মুখে অসাংবিধানিক ও অবৈধ পন্থায় ক্ষমতা দখল করে যাদের নেতা নিজেকে রাষ্ট্রপতি ঘোষণা করতে পারে, আইনি কাঠামোর প্রতি তাদের আস্থা থাকবে না এটাই স্বাভাবিক। সংবিধান ও আইন লঙ্ঘনের মধ্য দিয়ে যাদের জন্ম তাদের কাছে যে কোনো আইনি কাঠামোই তামাশা মনে হবে। কারফিউ মার্কা গণতন্ত্রের যে প্রহসনের বীজ তাদের অস্থিমজ্জায় প্রথিত তা থেকে এখনো তারা বেরিয়ে আসতে পারেনি।’

নির্বাচন কমিশন গঠনে আইন প্রণয়নের দাবি সব মহল থেকে উঠে এসেছে মন্তব্য করে আওয়ামী লীগ নেতা বলেন, সব রাজনৈতিক দল ও নাগরিক সমাজের দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আইনের খসড়া মন্ত্রিসভা অনুমোদন দিয়েছে। এই বিল সংসদে পাসের মধ্য দিয়ে নির্বাচন কমিশন গঠন নিয়ে জটিলতা নিরসনে সমাধানের স্থায়ী পথ উন্মুক্ত হতে চলেছে।

আরও পড়ুন:
কলকাতা নির্বাচনে তারকাদের জয়-পরাজয়
ভোট হলো না পার্নোর, নুসরাত গেলেন সপরিবারে
শ্রাবন্তীর বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা

শেয়ার করুন

সিনেমা হল নির্মাণে স্বল্প সুদে ঋণ দেবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

সিনেমা হল নির্মাণে স্বল্প সুদে ঋণ দেবে সরকার: তথ্যমন্ত্রী

রোববার জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে তথ্যমন্ত্রীসহ অতিথি ও আয়োজকরা। ছবি: নিউজবাংলা

২০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবে ভারতের ‘কুজহানগাল’ সেরা চলচ্চিত্র, ফিনল্যান্ডের ‘দ্য আদার সাইড অব দি রিভার’ সেরা প্রামাণ্যচিত্র, ফ্রান্সের ‘আ সামার প্লেস’ সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য ও নারীনির্মাতা বিভাগে ইরানের ‘সাহারবানু’ সেরা ফিচার ফিল্মের পুরস্কার পায়। দর্শক পছন্দে সেরা চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেছে বাংলাদেশের ‘চন্দ্রাবতী কথা’ ও ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’। আর বাংলাদেশ প্যানোরামা বিভাগে সেরা চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে ‘আজব কারখানা’।

সারাদেশে বন্ধ হয়ে যাওয়া সিনেমা হলগুলো পুনরায় চালু, পুরনো হলগুলো সংস্কার ও আধুনিকায়ন এবং নতুন হল নির্মাণে স্বল্প সুদে ঋণ দেবে সরকার৷ এ জন্য সরকার এক হাজার কোটি টাকার তবহিল গঠন করেছে।

রোববার রাজধানীতে জাতীয় জাদুঘর মিলনায়তনে ২০তম ঢাকা আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের সমাপনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তথ্যমন্ত্রী ড. হাছান মাহমুদ এ তথ্য জানিয়েছেন।

গত ১৫ জানুয়ারি প্রায় ৭০টি দেশের ২২৫টি সিনেমা নিয়ে শুরু হওয়া এই উৎসবে জাতীয় জাদুঘর, গণগ্রন্থাগার, অলিয়ঁস ফ্রসেজসহ কয়েকটি স্থানে চলচ্চিত্র দেখানো হয়। সমাপনী অনুষ্ঠানে বিভিন্ন বিভাগে পুরস্কার বিতরণ করেন মন্ত্রী ড. হাছান।

ভারতের ‘কুজহানগাল’ সেরা চলচ্চিত্র, ফিনল্যান্ডের ‘দ্য আদার সাইড অব দি রিভার’ সেরা প্রামাণ্যচিত্র, ফ্রান্সের ‘আ সামার প্লেস’ সেরা স্বল্পদৈর্ঘ্য ও নারীনির্মাতা বিভাগে ইরানের ‘সাহারবানু’ সেরা ফিচার ফিল্মের পুরস্কার পায়। দর্শক পছন্দে সেরা চলচ্চিত্র পুরস্কার জিতেছে বাংলাদেশের ‘চন্দ্রাবতী কথা’ ও ‘লাল মোরগের ঝুঁটি’। আর বাংলাদেশ প্যানোরামা বিভাগে সেরা চলচ্চিত্র পুরস্কার পেয়েছে ‘আজব কারখানা’।

তথ্যমন্ত্রী জানান, ‘সিনেমা হল নির্মাণ, পুরনো হল চালু কিংবা আধুনিকায়নে এমনকি মার্কেটের সঙ্গে সিনেপ্লেক্স নির্মাণেও মেট্রোপলিটন এলাকার বাইরে ৪ দশমিক ৫ শতাংশ ও মেট্রোপলিটন এলাকায় ৫ শতাংশ হারে ব্যাংককে লভ্যাংশ দিয়ে একজন উদ্যোক্তা দশ কোটি টাকা পর্যন্ত ঋণ পাবেন।

‘এ জন্য প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে এক হাজার কোটি টাকার তহবিল গঠন হয়েছে। বঙ্গবন্ধু-কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার নেতৃত্বে চলচ্চিত্র শিল্প যাতে ঘুরে দাঁড়ায় এবং বাংলা চলচ্চিত্র যেন বিশ্বময় জায়গা করে নিতে পারে সে লক্ষ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি।

‘তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় থেকে চলচ্চিত্র নির্মাণে বার্ষিক অনুদানের সংখ্যা ও পরিমাণ বাড়ানো হয়েছে। আশা করি এসব উদ্যোগ আমাদের চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য সুদিন বয়ে আনবে।’

অনুষ্ঠানে সুন্দর দেশ, সমাজ ও পৃথিবী গড়তে চলচ্চিত্র অনন্য ভূমিকা রাখতে পারে বলে মন্তব্য করেন তথ্যমন্ত্রী। বলেন, ‘এদেশের কালজয়ী চলচ্চিত্রগুলো আমাদের স্বাধিকার আন্দোলনে, স্বাধীনতা সংগ্রাম ও স্বাধীনতা-উত্তরকালে দেশ গঠনে ভূমিকা রেখেছে। একইসঙ্গে অনেক বিষয় যা সমাজ ও সমাজপতিরা ভাবে না, সেগুলোও চলচ্চিত্রের মাধ্যমে উঠে আসে, সমাজকে পথ দেখায়।’

উৎসবের মূল আয়োজক রেইনবো ফিল্ম সোসাইটির বোর্ড সদস্য মফিদুল হকের সভাপতিত্বে ও উৎসব পরিচালক আহমেদ মুজতবা জামালের পরিচালনায় সমাপনী অনুষ্ঠানে আরো বক্তব্য দেন শিল্পকলা একাডেমির মহাপরিচালক লিয়াকত আলী লাকী ও ঢাকা ক্লাবের প্রেসিডেন্ট খন্দকার মশিউজ্জামান রোমেল।

আরও পড়ুন:
কলকাতা নির্বাচনে তারকাদের জয়-পরাজয়
ভোট হলো না পার্নোর, নুসরাত গেলেন সপরিবারে
শ্রাবন্তীর বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা

শেয়ার করুন

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ১৫ জন

বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার পেলেন ১৫ জন

বাংলা একাডেমি আয়োজিত অমর একুশে বইমেলা ২০২২-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার তুলে দেবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

সাহিত্যের বিভিন্ন ক্ষেত্রে অবদান রাখা ১৫ জনকে এ বছর বাংলা একাডেমি সাহিত্য পুরস্কার দেয়া হচ্ছে।

রোববার সন্ধ্যায় এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বাংলা একাডেমি ২০২১ সালের জন্য পুরস্কারের জন্য মনোনীতদের নাম ঘোষণা করে।

পুরস্কারপ্রাপ্তরা হলেন কবিতায় আসাদ মান্নান, বিমল গুহ, কথাসাহিত্যে ঝর্ণা রহমান, বিশ্বজিৎ চৌধুরী, প্রবন্ধ/গবেষণা হোসেনউদ্দীন হোসেন, অনুবাদে আমিনুর রহমান, রফিক-উম-মুনীর চৌধুরী, নাটকে সাধনা আহমেদ, শিশুসাহিত্যে রফিকুর রশীদ, মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক গবেষণায় পান্না কায়সার, বঙ্গবন্ধুবিষয়ক গবেষণায় হারুন-অর-রশিদ, বিজ্ঞান/কল্পবিজ্ঞান/পরিবেশ বিজ্ঞানে শুভাগত চৌধুরী, আত্মজীবনী/স্মৃতিকথা/ভ্রমণকাহিনিতে সুফিয়া খাতুন, হায়দার আকবর খান রনো ও ফোকলোরে আমিনুর রহমান সুলতান।

বাংলা একাডেমি আয়োজিত অমর একুশে বইমেলা ২০২২-এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আনুষ্ঠানিকভাবে এ পুরস্কার তুলে দেবেন বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়।

প্রতিষ্ঠার পাঁচ বছর পর ১৯৬০ সাল থেকে নিয়মিতভাবে সাহিত্য পুরস্কার দিয়ে আসছে বাংলা একাডেমি।

আরও পড়ুন:
কলকাতা নির্বাচনে তারকাদের জয়-পরাজয়
ভোট হলো না পার্নোর, নুসরাত গেলেন সপরিবারে
শ্রাবন্তীর বিরুদ্ধে পুলিশের মামলা

শেয়ার করুন