‘মহাগুরু’ ‘পাগলু’র টক্কর, দিদিকে এক হাত শ্রাবন্তীর

মিঠুন চক্রবর্তী ও দেবের নির্বাচনী মহড়া। ছবি: সংগৃহীত

‘মহাগুরু’ ‘পাগলু’র টক্কর, দিদিকে এক হাত শ্রাবন্তীর

দেব নির্বাচনী প্রচার আগেই শুরু করলেও মিঠুন কাজটি শুরু করেছেন বৃহস্পতিবার থেকে। সকাল থেকে মোট চারটি রোড শো করছেন মিঠুন। ‘ডিস্কো ড্যান্সার’কে একঝলক দেখতে মরিয়া ছিলেন জনতাও।

কলকাতার রিয়েলিটি শোয়ের বিচারকের মঞ্চে দুজনে থাকেন পাশাপাশি। তবে জীবনের রিয়েলিটিতে তারা দুই মঞ্চে।

তারা হলেন ‘মহাগুরু’ মিঠুন চক্রবর্তী আর ‘পাগলু’ দেব। দুজনে একসময় এক রাজনীতি করলেও এবার করছেন ভিন্ন রাজনীতি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, দেব অধিকারী এখন ‘দিদির সৈনিক’ আর মিঠুন চক্রবর্তী ‘মোদীর তারকা সেনাপতি’।

দেব নির্বাচনী প্রচার আগেই শুরু করলেও মিঠুন কাজটি শুরু করেছেন বৃহস্পতিবার থেকে। মহড়া শুরু হয় বাঁকুড়া থেকে।

বৃহস্পতিবার সকাল থেকে মোট চারটি রোড শো করছেন মিঠুন। ‘ডিস্কো ড্যান্সার’কে একঝলক দেখতে মরিয়া ছিলেন জনতাও।

পূর্ব মেদিনীপুরের পটাশপুরের টিকরাপাড়া হাইস্কুল মাঠে প্রচারে নেমেছিলেন দেব। পশ্চিমবাংলার ভোটমঞ্চে দেব-মিঠুনের একইদিনে টক্কর এই প্রথম।

অন্যদিকে বিজেপিতে যোগ দিয়েই টিকিট পেয়েছেন কলকাতার অভিনেত্রী শ্রাবন্তী। বেহালা পশ্চিম কেন্দ্র থেকে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনি।

‘মহাগুরু’-‘পাগলু’র টক্কর, দিদিকে এক হাত শ্রাবন্তীর
বিজেপি’র হয়ে মনোনয়ন জমা দিচ্ছেন শ্রাবন্তী। ছবি: সংগৃহীত

মঙ্গলবার মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন এই অভিনেত্রী। তার পর যে মন্তব্য করেছেন, তাতে মনে হলো বর্তমান মূখ্যমন্ত্রীকে এক হাত নিলেন তিনি।

মনোনয়নপত্র জমা দেয়ার ছবি পোস্ট করে তিনি ক্যাপশনে লেখেন, ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীজির নেতৃত্বে পশ্চিমবঙ্গকে দুর্নীতি, তোলাবাজি মুক্ত করে, বেহালা পশ্চিমে শুধু ক্লাবে ক্লাবে ফূর্তি করার দান খয়রাতি নয়, সামাজিক উন্নয়নের সঙ্গে সোনার বাংলার সংকল্প নিয়ে বেহালা পশ্চিমে সুখে-দুঃখে সব সময় পাশে দাঁড়ানোর শপথ নিয়ে আজ মনোনয়ন পত্র জমা দিলাম।’

শেয়ার করুন

মন্তব্য

চলে গেলেন মিতা হক

চলে গেলেন মিতা হক

একুশে পদকপ্রাপ্ত সংগীত শিল্পী মিতা হক। ছবিটি ফেসবুক থেকে নেয়া।

অভিনয়শিল্পী রুনা খান জানান, করোনায় আক্রান্ত হওয়ার পর সুস্থ হয়ে হাসপাতাল থেকে শুক্রবার বাড়ি ফেরেন মিতা হক। এরপর আবার অসুস্থ হয়ে পড়ায় তাকে শনিবার ভর্তি করা হয় রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে।

একুশে পদকপ্রাপ্ত রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী মিতা হক মারা গেছেন। রাজধানীর একটি হাসপাতালে কিডনি সমস্যা এবং করোনা-পরবর্তী জটিলতা নিয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার ভোর ৬টায় তার মৃত্যু হয়।

নিউজবাংলাকে খবরটি নিশ্চিত করেছেন মিতা হকের ভাগ্নি অভিনয়শিল্পী রুনা খান।

তিনি জানান, মিতা হকের কিডনি সমস্যা প্রায় পাঁচ বছর। তার নিয়মিত ডায়ালাইসিস করতে হতো।

রুনা খান আরও বলেন, ‘মিতা হক করোনা পজিটিভ হয়েছিলেন এবং করোনা নেগেটিভ হয়ে হাসপাতাল থেকে শুক্রবার বাড়ি ফিরেছিলেন। এরপর আবার কিডনি এবং করোনা-পরবর্তী সমস্যার কারণে শনিবার তাকে ভর্তি করা হয় রাজধানীর শ্যামলীর বাংলাদেশ স্পেশালাইজড হাসপাতালে।

‘সেখানে শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় তাকে লাইফ সাপোর্টে নেয়া হয়। রোববার ভোরে তাকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক।’

রুনা খান বলেন, ‘চিকিৎসকদের ভাষ্যমতে মিতা স্ট্রোক করেছিলেন।’

শ্রদ্ধা নিবেদনের জন্য বেলা ১১টায় মিতা হকের মরদেহ ছায়ানট ভবনে নেয়া হবে। সেখান থেকে নেয়া হবে কেরানীগঞ্জ। বাবার কবরের পাশে দাফন করা হবে রবীন্দ্রসংগীতশিল্পী মিতা হককে।

মিতা হকের জন্ম ১৯৬২ সালে। সংগীত শিক্ষা শুরু চাচা ওয়াহিদুল হকের কাছে। পরে ওস্তাদ মোহাম্মদ হোসেন খান ও সনজীদা খাতুনের কাছে গান শেখেন। ১৯৭৭ সাল থেকেই বাংলাদেশ টেলিভিশন ও বেতারে সংগীত পরিবেশনা শুরু করেন তিনি।

মিতা হকের এককভাবে মুক্তি পাওয়া অ্যালবামের সংখ্যা ২৪টি। এর মধ্যে ১৪টি ভারত থেকে ও ১০টি বাংলাদেশ থেকে। সুরতীর্থ নামে একটি সংগীত প্রশিক্ষণ দল পরিচালনা করতেন তিনি। এ ছাড়া তিনি ছায়ানটের রবীন্দ্রসংগীত বিভাগের প্রধান ছিলেন এবং রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের সহসভাপতির দায়িত্ব পালন করেন।

২০১৬ সালে শিল্পকলা পদক লাভ করেন মিতা হক। সংগীতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য বাংলাদেশ সরকার তাকে ২০২০ সালে একুশে পদক প্রদান করে।

মিতা হকের স্বামী অভিনেতা-পরিচালক খালেদ খান ২০১৩ সালের ২০ ডিসেম্বর মৃত্যুবরণ করেন। এই দম্পতির একমাত্র কন্যাসন্তান ফারহিন খান জয়িতা।

শোক

মিতা হকের মৃত্যুতে গভীর শোক ও দুঃখ প্রকাশ করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী মরহুমার আত্মার মাগফিরাত কামনা করেন এবং তার শোকসন্তপ্ত পরিবারের সদস্যদের প্রতি গভীর সমবেদনা জানান।

মিতা হকের মৃত্যুতে শোক জানিয়েছেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী কে এম খালিদ। শোকবার্তায় তিনি জানান, মিতা হক তার গানের মধ্য দিয়ে এ দেশের রবীন্দ্রসংগীতপ্রেমীদের হৃদয়ে চিরকাল বেঁচে থাকবেন।

শেয়ার করুন

ইন্দ্রনগরের ‘গুন্ডা’র পর পাওয়া গেল ‘গুন্ডি’কে

ইন্দ্রনগরের ‘গুন্ডা’র পর পাওয়া গেল ‘গুন্ডি’কে

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর উৎসাহিত হন দীপিকা। একদিন পর তিনি ইনস্টাতে জানান দেন দ্রাবিড়ের চেয়ে কোনোভাবেই কম না দীপিকা। ছোটবেরার একটি ছবি পোস্ট করে তার ক্যাপশনে লেখেন, ‘ইন্দ্রনগরের গুন্ডি আমি’।

নিজেকে নিজেই ‘গুন্ডি’ খেতাব দিলেন বলিউড অভিনেত্রী দীপিকা। শনিবার ইনস্টাতে এক পোস্টের মাধ্যমে সবাইকে তিনি জানিয়েছেন এই খবর। সঙ্গে নিজের ছোটবেলার একটি ছবিও শেয়ার করেছেন দীপিকা।

ইনস্টার সেই পোস্টে নিজেকে ‘ইন্দ্রনগরের গুন্ডি’ দাবি করেছেন। গুন্ডি তো পাওয়া গেল; তাহলে গুন্ডাটা কে?

ভারতীয় ক্রিকেটার রাহুল দ্রাবিড় সম্প্রতি একটি বিজ্ঞাপনের মাধ্যমে বেশ আলোচনায় এসেছেন। সেখানে দেখা যায়, বাইশ গজের পিচে ঠান্ডা মাথার দ্রাবিড় হঠাৎই মাথা গরম স্বভাবের হয়ে গেছেন।

রাস্তার মধ্যে হঠাৎ চিৎকার করে উঠছেন তিনি। অতিরিক্ত রেগে গিয়ে ব্যাট দিয়ে গাড়ির সাইড গ্লাস ভেঙে দিচ্ছেন; কারও গাড়ির দিকে ডিম ছুঁড়ে মারছেন। ভিডিওতে নিজেকে ‘ইন্দ্রনগরের গুন্ডা’ বলে দাবি করেন দ্রাবিড়।

ভিডিওটি ভাইরাল হওয়ার পর উৎসাহিত হন দীপিকা। একদিন পর তিনি ইনস্টাতে জানান দেন দ্রাবিড়ের চেয়ে কোনোভাবেই কম না দীপিকা। ছোটবেরার একটি ছবি পোস্ট করে তার ক্যাপশনে লেখেন, ‘ইন্দ্রনগরের গুন্ডি আমি’।

দ্রাবিড়ের বিজ্ঞাপনের মতো ভাইরাল হয় দীপিকার ইনস্টা পোস্ট। ছবি দেখে আপ্লুত তার স্বামী রণবীর সিং।

সম্প্রতি সিদ্ধার্থ আনন্দের পরিচালিত ‘পাঠান’ সিনেমার শুটিং শেষ করেছেন তিনি।

শেয়ার করুন

পারপলে কে বেশি চোখ টানছে?

পারপলে কে বেশি চোখ টানছে?

এই দুই জনপ্রিয় নায়িকাকে এক বিন্দুতে মেলানোর সুযোগ নেই। তারপরও কখনও কখনও মিলে যায় তাদের কিছু কাজ। এই যেমন হঠাৎ করেই দুজনকে পাওয়া গেল পারপল ড্রেসে।

নায়িকা দুজনেই। বিদ্যা সিনহা মিম ও বুবলী। তাদের ভক্তের অভাব নেই। প্রেক্ষাগৃহে বসে তাদের অভিনীত সিনেমা কতজন দেখে তার হিসেব না থাকলেও অনলাইনে তাদের ফলোয়ার কত, তা জানা যায় সহজেই।

মিম সিনেমায় বুবলীর চেয়ে সিনিয়র। ফলোয়ারের দিক থেকেও এগিয়ে মিম। মিমকে ফেসবুকে ফলো করে চার দশমিক পাঁচ মিলিয়ন মানুষ। পেজটিও ভেরিফায়েড।

অন্যদিকে বুবলী পরে এসে এগিয়েছেন ভালোই। শাকিব খানকে জড়িয়ে এত আলোচনা যাকে নিয়ে, তার ভেরিফায়েড ফেসবুকের ফলোয়ার দুই দশমিক আট মিলিয়ন।

এই দুই জনপ্রিয় নায়িকাকে এক বিন্দুতে মেলানোর সুযোগ নেই। তারপরও কখনও কখনও মিলে যায় তাদের কিছু কাজ। এই যেমন হঠাৎ করেই দুজনকে পাওয়া গেল পারপল ড্রেসে।

শুক্রবার মিম পারপল ড্রেস পরা একটি আকর্ষণীয় একটি ছবি পোস্ট করেন তার সাড়ে চার মিলিয়ন ভক্তের সেই ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে। একদিন পর সেই ছবিতে রিয়্যাক্ট পড়েছে ঊনআশি হাজার আর কমেন্ট চার হাজার।

অন্যদিকে বুবলী পারপল ড্রেসের তিনটি ছবি ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে পোস্ট করে লিখেছেন, ‘পারপল ডে’। শনিবার পোস্ট করা হয়েছে ছবি তিনটি।

কয়েক ঘণ্টায় সেই পোস্টে রিয়্যাক্ট পড়েছে বাইশ হাজার আর কমেন্ট সংখ্যা এক দশমিক তিন কে।

দুই নায়িকার ছবির নিচে অসংখ্য প্রশংসা বাক্য আর স্টিকার। বোঝাই যাচ্ছে দুজনকেই তুমুল পছন্দ করে মানুষ। অনলাইনে ভালোবাসা প্রকাশের সংখ্যায় মিম এগিয়ে থাকলেও একদিন পর ছবি পোস্ট করে প্রতিযোগিতায় খারাপ করেননি বুবলী।

তবে সিনেমায় এগিয়ে আছেন বুবলী। ক্যাসিনো, চোখ, আমিই বাংলাদেশ-দ্য লিডার নামের তিনটি সিনেমার সঙ্গে যুক্ত বুবলী। আর মিম অভিনীত দামাল সিনেমাটির কাজ চলছে।

শেয়ার করুন

মুক্তি পেছাল কঙ্গনার ‘থালাইভি’

মুক্তি পেছাল কঙ্গনার ‘থালাইভি’

বলিউডের অনেক সিনেমার মুক্তিই আটকে গেছে করোনার কারণে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো কঙ্গনা রানাউত অভিনীত তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা বায়োপিক থালাইভি।

করোনায় দ্বিতীয় ঢেউ চলছে ভারতে। দিনকে দিন জটিল উঠছে করোনা পরিস্থিতি। সে কারণেই পিছিয়ে যাচ্ছে সিনেমা মুক্তির তারিখ।

এরই মধ্যে সালমান খান তার রাধে: দ্য মোস্ট ওয়ান্টেড ভাই সিনেমার মুক্তির তারিখ পেছানোর ইঙ্গিত দিয়েছেন। এছাড়া এপ্রিলে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল সূর্যবংশীয় সিনেমার। কিন্তু সে আর হচ্ছে না।

বলিউডের অনেক সিনেমার মুক্তিই আটকে গেছে করোনার কারণে। এবার সেই তালিকায় যুক্ত হলো কঙ্গনা রানাউত অভিনীত তামিলনাড়ুর মুখ্যমন্ত্রী জয়ললিতা বায়োপিক থালাইভি

আগামী ২৩ এপ্রিল মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল সিনেমাটির। তবে এই সিনেমার জন্য আরও কিছুটা অপেক্ষা করতে হবে সিনেমা প্রেমী ও কঙ্গনা ভক্তদের।

সিনেমাটির প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের একটি বিবৃতি টুইটারে শেয়ার সে খবর নিজেই জানিয়েছেন কঙ্গনা।

বিবৃতিতে জানানো হয়েছে, ‘এই সিনেমাটি তৈরি করতে আমাদের পুরো টিম অনেক ত্যাগ স্বীকার করেছে। এই চ্যালেঞ্জিং ও একই সঙ্গে সুন্দর এই যাত্রার জন্য আমরা সিনেমার প্রত্যেক কলাকুশলীকে ধন্যবাদ জানাই।’

সেই সঙ্গে বিবৃতিতে বলা হয়েছে, ‘এই সিনেমাটি যেহেতু একই সঙ্গে অনেকগুলি ভাষাতে মুক্তি পাবে তাই আমরা চাইব সব ভাষাতেই সিনেমাটি একই দিনে মুক্তি পাক। আগামী ২৩ এপ্রিল থালাইভি মুক্তি পাওয়ার কথা থাকলেও কোভিড-১৯ পরিস্থিতি, লকডাউনের কারণে সিনেমাটি এখনই মুক্তি দিতে আমরা প্রস্তুত নই। সরকারি নিয়ম মেনেই আমরা থালাইভির মুক্তি স্থগিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন এ. এল. বিজয়। সিনেমার চিত্রনাট্য লিখেছেন বাহুবালির লেখক বিজেন্দ্র প্রসাদ ও মধন কারকি।

‘পুরাচ্চি থালাইভি’ বা ‘বিপ্লবী নেতা’ খ্যাত জয়ললিতার পুরুষতান্ত্রিক সমাজে একজন অভিনেত্রী থেকে মুখ্যমন্ত্রী হয়ে ওঠার যাত্রা দেখা যাবে এ সিনেমায়।

শেয়ার করুন

ইউটিউবারের কনটেন্টে মাহির অস্বস্তি

ইউটিউবারের কনটেন্টে মাহির অস্বস্তি

মাহির দাবি, তার এই বক্তব্য থেকে একশ সিনেমার প্রসঙ্গটি কেটে অন্য কারও বক্তব্যের পাশে বসিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে। যা কি না অন্য অর্থ প্রকাশ করছে।

দেশের জনপ্রিয় নায়িকা মাহিয়া মাহি নাকি পারিশ্রমিক বেশি নেন। হ্যাঁ, তিনি নিজেও বিষয়টি স্বীকার করেন। তার এই সময়ের উপলব্ধি, অনেক সিনেমা না করে বেশি বাজেটের কম সিনেমা করা ভালো।

তাই বলে করোনা পরিস্থিতিতেও কী মাহি এমন মনোভাব নিয়ে থাকবেন? মাহি বলেন, ‘কম বাজেটের একশ সিনেমা করার চেয়ে বছরে দুটি সিনেমা করা ভালো সিদ্ধান্ত আমার কাছে। যারা আমাকে এফোর্ড করতে পারবে, আমি তাদের কাজ করব।’

শুক্রবার ফেসবুকে প্রকাশিত এক ভিডিও বার্তায় নায়িকা এসব কথা বলেন। তবে তার এই বক্তব্য দেয়ার কারণ অন্য।

দুই এপ্রিল একটি অ্যাওয়ার্ড প্রদান অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন মাহি। করোনা পরিস্থিতিতে মাহি পারিশ্রমিক বেশি নিলে তাকে নিয়ে সিনেমা কম হবে, মোট সিনেমার সংখ্যাও কমে যাবে, এমন প্রশ্ন করা হয় তাকে। যার উত্তরে তিনি বলেন, ‘কম বাজেটের একশ সিনেমার চেয়ে বড় বাজেটের দুটি সিনেমা ভালো।’

মাহির দাবি, তার এই বক্তব্য থেকে একশ সিনেমার প্রসঙ্গটি কেটে অন্য কারও বক্তব্যের পাশে বসিয়ে ব্যবহার করা হচ্ছে। যা কি না অন্য অর্থ প্রকাশ করছে।

উল্লেখ্য, মে মাসে শাপলা মিডিয়া থেকে একশ সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা এসেছে। একশ সিনেমার বাজেট ও মান নিয়ে সিনেমা সংশ্লিষ্টদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়া আছে।

মাহি ভিডিওতে বলেন, ‘যারা কাজটি করেছেন তাদের বলি, আপনার এই কনটেন্টের জন্য কারও সঙ্গে দা-কুমড়া সম্পর্ক হয়ে যেতে পারে আমার। অন্য কারও ক্ষতি করলে নিজেরও ক্ষতি হয়।’

শাপলা মিডিয়া প্রযোজিত সিনেমা ছাড়াও মাহি অভিনীত আশীর্বাদ, যাও পাখি বলো তারে, দুই নয়নের আলো সিনেমাগুলো আছে মুক্তির অপেক্ষায়।

শেয়ার করুন

ভোট দিলেন শ্রাবন্তী, জয় নিয়ে আশাবাদী

ভোট দিলেন শ্রাবন্তী, জয় নিয়ে আশাবাদী

শ্রাবন্তী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোনো গন্ডগোল দেখছি না। এত দূর যখন পৌঁছেছি, জয়ের আশা তো করবই।’

ভারতের পশ্চিমবঙ্গের ৪৪টি আসনে চলছে চতুর্থ দফায় বিধানসভার নির্বাচন। তার মধ্যে রয়েছে বেহালা পশ্চিমও। সেখানে বিজেপির হয়ে প্রার্থী হয়েছেন কলকাতার অভিনেত্রী শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায়।

শনিবার সকাল সকালই মাকে সঙ্গে নিয়ে ভোট দিয়েছেন শ্রাবন্তী। ভোট দিয়ে বেরিয়ে জানালেন জয় নিয়ে আশাবাদী তিনি।

শ্রাবন্তী বলেন, ‘এখন পর্যন্ত কোনো গন্ডগোল দেখছি না। এত দূর যখন পৌঁছেছি, জয়ের আশা তো করবই।’

এ ছাড়া সারা দিন বিভিন্ন ওয়ার্ডে বুথে ঘুরে পরিস্থিতি দেখবেন বলেন জানান স্থানীয় গণমাধ্যমকে।

গত মার্চে কলকাতার একটি বিজেপি রাজ্য সভাপতি দিলীপ ঘোষের হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন শ্রাবন্তী।

কিন্তু পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ হিসেবে বিভিন্ন মহলে পরিচিত ছিলেন শ্রাবন্তী। তৃণমূল ও রাজ্য সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচিতেও দেখা গেছে এই অভিনেত্রীকে।

শ্রাবন্তী চট্টোপাধ্যায় বাংলাদেশের সিনেমাতেও অভিনয় করেছেন। অভিনয় করেছেন যৌথ প্রযোজনার সিনেমাতেও। এ দেশের দর্শকদের কাছে তিনি বেশ জনপ্রিয়।

শেয়ার করুন

অনলাইনে হয়রানি না করার আহ্বান মেহজাবিনের

অনলাইনে হয়রানি না করার আহ্বান মেহজাবিনের

মেহজাবিন লিখেছেন, ‘বর্তমান সমাজের একটি প্রধান সমস্যা হচ্ছে অনলাইন হ্যারাসমেন্ট। একজন মানুষকে চরমভাবে হয়রানি করা হয় এই মাধ্যমে। একজন মানুষকে না জেনে, না চিনে অহেতুক হয়রানি করা হচ্ছে এই মাধ্যমে।’

ছোটপর্দায় জনপ্রিয় ও ব্যস্ততম অভিনেত্রী মেহজাবিন চৌধুরী। টিভি চ্যানেল ঘোরালেই কোনো না কোনো চ্যানেলে তার নাটক চোখে পড়ে। সেসব নাটকে কত রকমের গল্প দেখা যায় ইয়াত্তা নেই।

এর মাঝে কোনো কোনো নাটক বিনোদনের পাশাপাশি সমাজের জন্য ভালো ও শিক্ষণীয় বার্তা দেয়। তাই হয়তো নাটকের বাইরেও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সে বার্তাই জানালেন মেহজাবিন।

নিজের অভিনীত ‘ভাইরাল গার্ল’ নামে একটি নাটকের লিঙ্ক ও ছবি ফেসবুক পেজে শেয়ার করেছেন মেহজাবিন।

সেখানে লিখেছেন, ‘বর্তমান সমাজের একটি প্রধান সমস্যা হচ্ছে অনলাইন হ্যারাসমেন্ট। একজন মানুষকে চরমভাবে হয়রানি করা হয় এই মাধ্যমে। একজন মানুষকে না জেনে, না চিনে অহেতুক হয়রানি করা হচ্ছে এই মাধ্যমে।’

‘এই নাটকটির প্রধান মেসেজ ছিল, কারও সম্বন্ধে না জেনে, না যাচাই করে কোনো ভিডিও বা ঘটনা অনলাইন মাধ্যমে শেয়ার করলে তার জীবনের কত বড় ক্ষতি হয় সেটা বোঝানো।’

‘আমরা সবাই এই নাটকের শিক্ষা আমাদের জীবনেও বাস্তবায়ন করব অনলাইনে। অযথা কাউকে হয়রানি করব না, কোনো ঘটনা না জেনে, না যাচাই করে শেয়ার করব না।’

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয় মেহজাবিন চৌধুরী। ফেসবুকে তার রয়েছে ৪২ লাখের বেশি ফলোয়ার।

শেয়ার করুন