কঠোর দৃষ্টির অক্ষয়

নতুন লুকে অক্ষয় কুমার

কঠোর দৃষ্টির অক্ষয়

রাজস্থানের জয়সলমিরে বচ্চন পান্ডে সিনেমার শুটিং চলছে। শুটিংয়ের অল্প কিছু ছবি প্রকাশ পেয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো অক্ষয় কুমারের লুক।

একে একে সব বাঁধাধরা নিয়ম ভেঙ্গে ফেলছেন অক্ষয় কুমার। লাক্সমি সিনেমায় একজন ট্রান্সজেন্ডারের ভূমিকায় অভিনয়ের পর বচ্চন পান্ডে সিনেমায় এক নতুন অবতারে দেখা যাবে বৈচিত্র্যময় অক্ষয় কুমারকে।

রাজস্থানের জয়সলমিরে বচ্চন পান্ডে সিনেমার শুটিং চলছে। শুটিংয়ের অল্প কিছু ছবি প্রকাশ পেয়েছে। তার মধ্যে একটি হলো অক্ষয় কুমারের লুক।

ছবিতে অক্ষয়কে দেখা যায় দুই রঙয়ের চোখে। এক চোখ বাদামি, আরেক চোখ নীল। কঠোর দৃষ্টিতে তাকিয়ে অক্ষয় তার চরিত্রের শক্তি ও গভীরতাই হয়তো বোঝাতে চাইছেন।

অভিনেত্রী কৃতি শ্যাননের বিপরীতে অভিনয় করছেন অক্ষয়। কৃতি শ্যাননের সঙ্গে তিনি এর আগে হাউজফুল ৪ এ অভিনয় করেছেন।

সিনেমা পরিচালনায় আছেন ফারহাদ সামজি ও প্রযোজনায় সাজিদ নাদিয়াদওয়ালার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান নাদিয়াদওয়ালা গ্র্যান্ডসন এন্টারটেইনমেন্ট।

নতুন রূপে অক্ষয়কে দেখতে উন্মুখ হয়ে আছেন তার ভক্তরা। তবে তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে ২৬ জানুয়ারি ২০২২ পর্যন্ত।

বচ্চন পান্ডের আগে মুক্তি পাবে অক্ষয় অভিনীত বেল বটমরাকসা বান্ধান

আরও পড়ুন:
রাত পোহালেই বিয়ে তাদের
প্রথম গাওয়া গানের স্মৃতিচারণে অভিতাভ
‘তান্ডব’ সিরিজ নিয়ে ভারত জুড়ে তাণ্ডব

শেয়ার করুন

মন্তব্য

‘পোস্টারের এই অবস্থা, মুভি কেমন হবে…’

‘পোস্টারের এই অবস্থা, মুভি কেমন হবে…’

তুমি আছো তুমি নেই সিনেমার দুটি পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

সিনেমার কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন দীঘি। তিনি একটি পোস্টার শেয়ার করেছেন তার ফেসবুকে। সেখানে অবশ্য অধিকাংশই শুভেচ্ছা বার্তা। একজন লিখেছেন, ‘পোস্টারের ডিজাইন আরও উন্নত হওয়া উচিত ছিল। যাই হোক, অভিনন্দন।’

পোস্টার দেখতে ভালো না হলেই যে সিনেমা ভালো হবে না, এমনটা বলা যায় না। করোনার আগের অনেক সিনেমার পোস্টার-ট্রেলার দেখে ফেসবুকে প্রশংসায় পঞ্চমুখ ছিলেন সিনেমাপ্রেমীরা। তবে শেষপর্যন্ত সেসব সিনেমা দর্শকদের ভালো লাগেনি, ফলে ব্যবসা সফলও হয়নি।

অন্যদিকে পোস্টার বা ট্রেলার ভালো হয়নি, কিন্তু সিনেমাটি দেখে দর্শক মুগ্ধ হয়েছেন, এমন উদাহরণও খুব একটা নেই।

সম্প্রতি প্রকাশ পাওয়া তুমি আছো তুমি নেই সিনেমার পোস্টার তেমন মন ভরাতে পারেনি চলচ্চিত্রপ্রেমীদের। ফেসবুকে প্রকাশিত পোস্টারের মন্তব্য পড়ে তেমনটাই ধারণা করা যায়।

তুমি আছো তুমি নেই সিনেমায় অভিনয় করেছেন এ প্রজন্মের অভিনয়শিল্পী দীঘি এবং আসিফ ইমরোজ। সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন ঢাকাই সিনেমার নামকরা পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু। স্বাভাবিকভাবেই সবার প্রত্যাশা ছিল বেশি।

ফেসবুকের বিভিন্ন গ্রুপ ও ব্যক্তিগত আইডি থেকে প্রকাশ হয়েছে সিনেমার পোস্টার। সেখানে অনেক মন্তব্যের মধ্যে একটি মন্তব্য এমন- ‘পোস্টারের এই অবস্থা। মুভি কেমন হবে.....’

তুমি আছো তুমি নেই সিনেমার পোস্টার নিয়ে বিভিন্ন মন্তব্য। ছবি: সংগৃহীত

আরও অনেক মন্তব্যের মধ্যে রয়েছে,

‘১৯৭১ সালের পোস্টার’

‘এই পোস্টার দেখে আমি হিরো আলমের ফ্যান হয়ে গেছি’

‘২০২১ সাল চলে পোস্টার দেখলে কে বলবে’

‘সেকেলে ভাব! এখন ২০২১’

‘পোষ্টার দেখেই করোনা পালাইছে’

‘কোন আমলের পোস্টার’

‘২০২১ এ আইসা যদি এইরকম র্থাড ক্লাস মার্কা পোস্টার বানায় হাহা তো দিবই বুঝেন নাই ব্যাপার টা’

সিনেমার কেন্দ্রীয় নারী চরিত্রে অভিনয় করেছেন দীঘি। তিনি একটি পোস্টার শেয়ার করেছেন তার ফেসবুকে। সেখানে অবশ্য অধিকাংশই শুভেচ্ছা বার্তা। মন্তব্যকারীরা তাকে অভিনন্দন জানিয়েছেন বড় পর্দায় অভিষিক্ত হওয়ার জন্য।

তবে একজন ইংরেজিতে লিখেছেন ভিন্ন কথা। বাংলায় তার অর্থ হয়- ‘পোস্টারের ডিজাইন আরও উন্নত হওয়া উচিত ছিল। যাই হোক, অভিনন্দন।’

সিনেমার পোস্টার ও দীঘিকে শুভেচ্ছা জানিয়ে একজনের মন্থব্য। ছবি: সংগৃহীত

তুমি আছো তুমি নেই সিনেমাটির মাধ্যমে বড় পর্দায় অভিষেক হতে যাচ্ছে দীঘির। কিন্তু প্রথম সিনেমার পোস্টার নিয়ে দর্শকদের এমন মন্তব্যে দীঘির কোনো প্রতিক্রিয়া আছে কিনা জানতে যোগাযোগ করা হয়েছিল। তবে তিনি ফোন ধরেননি।

বিষয়টি নিয়ে কথা বলেছেন সিনেমার পরিচালক দেলোয়ার জাহান ঝন্টু।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘পুরনো সময়, নতুন সময় বলে কিছু নেই। পুরনো এই ডিজাইনগুলোই দর্শকরা পছন্দ করে। নতুন ডিজাইনে পোস্টার করলে দর্শক সিনেমা দেখতে যায় না।’

তিনি আরও বলেন, ‘সিনেমার গল্প ও নির্মাণে নতুনত্ব আনতে হবে। তাহলে দর্শকরা সিনেমা দেখতে যাবে।’

আরও পড়ুন:
রাত পোহালেই বিয়ে তাদের
প্রথম গাওয়া গানের স্মৃতিচারণে অভিতাভ
‘তান্ডব’ সিরিজ নিয়ে ভারত জুড়ে তাণ্ডব

শেয়ার করুন

মধ্যরাতের গান ছুঁলো কোটি প্রাণ

মধ্যরাতের গান ছুঁলো কোটি প্রাণ

অনানুষ্ঠানিক আয়োজনে গাইছেন শিল্পীরা। ছবি: সংগৃহীত

ব্যান্ড তারকা হামিন আহমেদ বলেন, ‘সবার প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, যখন প্রতিদিন একটি করে মিউজিক ভিডিও রিলিজ হচ্ছে তার পাশাপাশি এটাও হয়তো দর্শক-শ্রোতাদের কোথাও না কোথাও খুব আন্দোলিত করছে।’

ভাইরাল সংস্কৃতির যুগে ইতিবাচক কনটেন্টের চেয়ে বেশি নেতিবাচক কনটেন্টই ভাইরাল হতে দেখা যায়। আবার এর উল্টো চিত্র যে একেবারে দেখা যায় না, তাও না।

সম্প্রতি গান বাংলার ফেসবুক লাইভে একটি অনানুষ্ঠানিক গান আড্ডা ঝড় তুলেছে নেট দুনিয়ায়। এক সপ্তাহে এক কোটি দর্শক দেখেছেন সেই গান আড্ডা। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে গান বাংলা কর্তৃপক্ষ।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাত এক টায় গান বাংলার লাইভে আসেন সংগীতশিল্পী তাপস, ব্যান্ড তারকা হামিন আহমেদ, সংগীতশিল্পী মিজান, আরেফিন রুমি, অটামনাল মুন, পারভেজ, অদিত, ঐশী, রেশমি, লুইপা, নাদিয়া ডোরা, দোলা, তাশফি, র‌্যাপার এবিডি ও শামিম হাসান।

দুটি ভিন্ন পোস্টে কোটি অরগানিক ভিউ হয় অনানুষ্ঠানিক সেই গান আড্ডা। এমন গান আড্ডার শ্রোতাপ্রিয়তাকে ‘অত্যন্ত ইতিবাচক’ বলে উল্লেখ করেছেন ইউনিভার্সিটি অব লিভারপুলের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো এবং ইউল্যাব ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক, জনসংস্কৃতি গবেষক সুমন রহমান।

গান বাংলার এমন আড্ডায় প্রায় নিয়মিতই উপস্থিত থাকেন ব্যান্ড তারকা হামিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘দর্শক-শ্রোতাদের দিক থেকে বলতে গেলে, এক সঙ্গে এতজন তারকা শিল্পী ক্যাজুয়ালি বসে গান গাওয়ার এমন দৃশ্য কেউ কখনও দেখেনি। দর্শকরাতো সবসময় সাজানো অনুষ্ঠান দেখে অভ্যস্থ। এখানে সম্পূর্ণ তার বিপরীত ঘটেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সবার প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, যখন প্রতিদিন একটি করে মিউজিক ভিডিও রিলিজ হচ্ছে তার পাশাপাশি এটাও হয়তো দর্শক-শ্রোতাদের কোথাও না কোথাও খুব আন্দোলিত করছে।’

এ প্রসঙ্গে তাপস বলেন, ‘মানুষ যে ভালো কিছু চায় এবং তা পেলে সাদরে গ্রহণ করে তা এর মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণিত হলো। আমাদের জনপ্রিয়তার এমন অবস্থান নিয়ে মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই। দর্শক-শ্রোতাদের জানাই আন্তরিক অভিবাদন।’

গান বাংলা টেলিভিশনের ফেসবুক পেজ থেকে বিভিন্ন গানের অনুষ্ঠান, কনসার্ট প্রচারিত হয়ে আসছে।

আরও পড়ুন:
রাত পোহালেই বিয়ে তাদের
প্রথম গাওয়া গানের স্মৃতিচারণে অভিতাভ
‘তান্ডব’ সিরিজ নিয়ে ভারত জুড়ে তাণ্ডব

শেয়ার করুন

ঢাকায় ডিজনির ‘রায়া অ্যান্ড দ্য লাস্ট ড্রাগন’

ঢাকায় ডিজনির ‘রায়া অ্যান্ড দ্য লাস্ট ড্রাগন’

রায়া অ্যান্ড দ্য লাস্ট ড্রাগন সিনেমার পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

বহুকাল আগে কুমন্দ্রা নামের এক কাল্পনিক পৃথিবীতে মানুষ ও ড্রাগন মিলেমিশে বাস করত। একসময় অশুভ শক্তির হুমকিতে পড়ে সেই সভ্যতা। তখন মানুষকে বাঁচাতে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিল ড্রাগনেরা।

২০২০ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ওয়াল্ট ডিজনির অ্যানিমেটেড সিনেমা রায়া অ্যান্ড দ্য লাস্ট ড্রাগনের। তবে মহামারি করোনার কারণে বেশ কয়েকবার পেছাতে হয়েছে সিনেমাটির মুক্তির তারিখ।

অবশেষে ৫ মার্চ সিনেমাটি মুক্তি দিতে চলেছে ওয়াল্ট ডিজনি স্টুডিও।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে একই দিনে ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

রায়া অ্যান্ড দ্য লাস্ট ড্রাগন সিনেমার গল্পে দেখা যাবে, বহুকাল আগে কুমন্দ্রা নামের এক কাল্পনিক পৃথিবীতে মানুষ ও ড্রাগন মিলেমিশে বাস করত। একসময় অশুভ শক্তির হুমকিতে পড়ে সেই সভ্যতা। তখন মানুষকে বাঁচাতে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিল ড্রাগনেরা।

এর ৫০০ বছর পর সেই অশুভ শক্তি আবার ফিরে আসে। ভেঙে পড়া পৃথিবী ও বিচ্ছিন্ন মানুষদের এক করতে সর্বশেষ ড্রাগনটিকে খুঁজে বের করার দায়িত্ব পড়ে রায়া নামের মেয়েটির ওপর। রায়া কি পারবে ড্রাগনটিকে খুঁজে বের করতে?

এ সিনেমা নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত হয়নি পিক্সার স্টুডিওস। পুরো সিনেমাটি নির্মাণ করেছে ওয়াল্ট ডিজনি।

অ্যানিমেশন ছবির দুনিয়ায় অনন্য এক নাম ওয়াল্ট ডিজনি পিকচার্স। টয় স্টোরি, ফ্রোজেনসহ বহু রেকর্ড গড়া সিনেমা দর্শকদের উপহার দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আর তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওতো রীতিমতো অ্যানিমেশন ছবির সাম্রাজ্যের রাজা বনে আছে।

পিক্সারের ঝুলিতে আছে ২৭টি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড, সাতটি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড, ১১টি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসহ আরও অসংখ্য পুরস্কার।

অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডে ২০০১ সাল থেকে শুরু হওয়া শ্রেষ্ঠ অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র বিভাগে পিক্সারের প্রায় সব ছবিই মনোনয়ন পেয়ে আসছে।

আরও পড়ুন:
রাত পোহালেই বিয়ে তাদের
প্রথম গাওয়া গানের স্মৃতিচারণে অভিতাভ
‘তান্ডব’ সিরিজ নিয়ে ভারত জুড়ে তাণ্ডব

শেয়ার করুন

নেটফ্লিক্সের ৪১টি প্রজেক্ট, সৃজিতের ‘রে’

নেটফ্লিক্সের ৪১টি প্রজেক্ট, সৃজিতের ‘রে’

নেটফ্লিক্সে আসছে ৪১টি নতুন কনটেন্ট। ছবি: সংগৃহীত

ওটিটিতে নতুন মুখ ও আঞ্চলিক শিল্পীর গুরুত্ব বেড়েছে। যেমন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়কে দেখা যাবে ‘আরণ্যক’ নামের কনটেন্টে। রাইমা সেনকে ‘মাই’ নামের কনটেন্টের মাধ্যমে ওয়েবে দেখা যাবে প্রথমবার।

নতুন ৪১টি ভারতীয় কনটেন্ট মুক্তির পরিকল্পনা নিয়েছে নেটফ্লিক্স। ২০২১ সালজুড়ে মুক্তি পাবে কনটেন্টগুলো। এর মধ্যে কলকাতার জনপ্রিয় পরিচালক সৃজিত মুখার্জির একটি প্রজেক্ট রয়েছে। যার নাম রে

এটিই সৃজিতের প্রথম নেটফ্লিক্স প্রজেক্ট। সত্যজিৎ রায়ের ছোটগল্প অবলম্বনে এটি নির্মিত হবে হিন্দি ভাষায়। সিরিজে অভিনয় করেছেন আলি ফজল, কে কে মেনন, মনোজ বাজপেয়ি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, নেটফ্লিক্সের সঙ্গে নাকি বড় একটি চুক্তি হয়েছে কারান জোহরের। ৪১টির মধ্যে ৫টি কনটেন্ট প্রযোজনায় যুক্ত আছেন তিনি। যার মধ্যে মাধুরী দীক্ষিতের ফাইন্ডিং অনামিকা, আজিব দাস্তানাস, মীনাক্ষী সুন্দরেশ্বর, সার্চিং ফর শীলা এবং ফ্যাবিউলাস লাইভস অব বলিউড ওয়াইভসের দ্বিতীয় সিজন।

দিল্লি ক্রাইম, শি, জামতারা, মাসাবা মাসাবা, লিটল থিংস সিরিজগুলোর পরবর্তী সিজন আসবে চলতি বছরে। বম্বে বেগমস, ডিকাপলড, ফিলস লাইক ইশক, ইয়ে কালি কালি আঁখে আছে মুক্তির তালিকায়।

কার্তিক আরিয়ানের ধামাকা, অর্জুন কাপুর-রাকুল প্রীত সিংয়ের সর্দার কা গ্র্যান্ডসন এবং তাপসী পান্নু ও বিক্রান্ত মেসির হাসিন দিলরুবা প্রিমিয়ার হবে নেটফ্লিক্সে। কপিল শর্মার ওয়েব শোও পাওয়া যাবে এখানে।

‘রে’ কনটেন্টের দৃশ্যে মনোজ বাজপেয়ি (বাঁয়ে), সৃজিত মুখার্জি। ছবি: সংগৃহীত

ওটিটির জনপ্রিয়তা বাড়ছে, একই সঙ্গে বাড়ছে নতুন মুখ নিয়ে কাজ করার প্রবণতা। থিয়েটার ও বিভিন্ন অঞ্চলের শিল্পীদের গুরুত্ব বেড়েছে।

যেমন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়কে দেখা যাবে আরণ্যক নামের কনটেন্টে। রাইমা সেনকে মাই নামের কনটেন্টের মাধ্যমে ওয়েবে দেখা যাবে প্রথমবার। রাভিনা ট্যান্ডনকেও প্রথমবার ওয়েবে দেখা যাবে।

আরও পড়ুন:
রাত পোহালেই বিয়ে তাদের
প্রথম গাওয়া গানের স্মৃতিচারণে অভিতাভ
‘তান্ডব’ সিরিজ নিয়ে ভারত জুড়ে তাণ্ডব

শেয়ার করুন

সুখবর দিলেন শ্রেয়া

সুখবর দিলেন শ্রেয়া

শ্রেয়া ঘোষাল। ছবি: সংগৃহীত

সন্তানের নামটি রাখা হয়েছে বাবা-মার নামের অংশ থেকে। মায়ের নাম শ্রেয়া ঘোষাল থেকে শ্রেয়া আর বাবার নাম শিলাদিত্য থেকে নেয়া হয়েছে দিত্য। এই দুই মিলে হয়েছে শ্রেয়াদিত্য।

চারবার ভারতীয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল। জাতীয় স্বীকৃতি পাওয়ার পাশাপাশি পেয়েছেন কোটি মানুষের ভালোবাসা। সীমানা পেরিয়ে তার কণ্ঠের জাদু পৌঁছে গেছে আরও বহু দূরে।

আরও এক অতুলনীয় প্রাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে শ্রেয়ার। মা হতে যাচ্ছেন তিনি। বৃহস্পতিবার তার ফেসবুকে বেবি বাম্পের একটি ছবি পোস্ট করে এই সুখবর জানিয়েছেন শ্রেয়া।

ছবি পোস্ট করে শ্রেয়া লেখেন, ‘আমাদের সন্তান শ্রেয়াদিত্য আসছে। আপনাদের খবরটি জানাতে পেরে শিলাদিত্য ও আমি খুবই শিহরিত। জীবনের নতুন অধ্যায়ের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার এই মুহূর্তে আপনাদের ভালোবাসা ও আশীর্বাদ কাম্য।’

সন্তানের নামটি রাখা হয়েছে বাবা-মার নামের অংশ থেকে। মায়ের নাম শ্রেয়া ঘোষাল থেকে শ্রেয়া আর বাবার নাম শিলাদিত্য থেকে নেয়া হয়েছে দিত্য। এই দুই মিলে হয়েছে শ্রেয়াদিত্য।

ছবিতে দেখা যায় ‘বেবি বাম্প’ আগলে রেখেছেন শ্রেয়া। শেয়ারের পরপরই দ্রুত ভাইরাল হয়েছে ছবিটি। তিন ঘণ্টার মধ্যে ২ লাখ ৯৬ হাজার লাইক ও রিয়্যাক্ট পড়েছে ছবিটিতে। সেই সঙ্গে মন্তব্য পড়েছে ১৯ হাজারের বেশি।

সেখানে বেশির ভাগ মন্তব্যেই সন্তান আর শ্রেয়ার জন্য শুভ কামনা জানিয়েছেন সবাই। সাড়ে ৩ হাজারের বেশি শেয়ারও হয়েছে ছবিটি।

শ্রেয়ার জন্ম মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরে। ১৬ বছর বয়সে তিনি একটি রিয়্যালিটি সংগীত প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ও বিজয়ী হন। এই অনুষ্ঠান থেকেই শ্রেয়া ভারতের সংগীতাঙ্গনে নিজের খুঁটি পাকাপোক্ত করেন।

পাঁচ বছর আগে ছোটবেলার বন্ধু শিলাদিত্যকে বিয়ে করেন শ্রেয়া। বিয়ের আগে ১০ বছর প্রেম করেছেন এই জুটি। সে কথাও অনেক সাক্ষাৎকারে বলেছেন শ্রেয়া। শিলাদিত্য পেশায় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী ও একটি ওয়েবসাইটের যুগ্ম কর্তা। এবার জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন এই জুটি।

আরও পড়ুন:
রাত পোহালেই বিয়ে তাদের
প্রথম গাওয়া গানের স্মৃতিচারণে অভিতাভ
‘তান্ডব’ সিরিজ নিয়ে ভারত জুড়ে তাণ্ডব

শেয়ার করুন

নজরুলের বাণীতে শামিল বাঁধন

নজরুলের বাণীতে শামিল বাঁধন

মিউজিক্যাল ফিল্মের দৃশ্যে বাঁধন। ছবি: সংগৃহীত

এমন কাজ টাকা বা জনপ্রিয়তার জন্য নয় বরং নারীর প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি যেন সরল হয়, সুন্দর হয়, সে জন্যই কাজটি করেছেন বলে জানান বাঁধন।

শান্তি ও সাম্যের পরিবেশ কে না চায়। যেখানে ভয়, ভীতি ও দুর্বল থাকবে নির্ভয়ে; বন্ধনের কারাগার হবে চুরমার; দুঃখ, দৈন্য, গ্লানি, বিদ্বেষ হয়ে থাকবে অহেতুক হয়ে।

শাশ্বত এই কথাগুলো অর্ধশত বছর আগে লিখে গেছেন জাতীয় কবি কাজি নজরুল ইসলাম। ‘জয় হোক’ শিরোনামের গানে পাওয়া যায় কথাগুলো। গানটির আবেদন যেন সমসময়ের। তাই তো এখনও গানটি গাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন শিল্পীরা।

সম্প্রতি নজরুলের এই গানটি গেয়েছেন কণ্ঠশিল্পী সুস্মিতা আনিস। নতুন করে এর সংগীতায়োজন করেছেন অর্ণব। এর মিউজিক্যাল ফিল্ম নির্মাণ করেছেন পিপলু আর খান। আর এতে মডেল হয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।

মিউজিক্যাল ফিল্মের কিছু দৃশ্য দেখে ধারণা করা যায় যে, প্রতীকী রূপে চিত্রায়িত করা হয়েছে গানটি।

নিউজবাংলাকে বাঁধন বলেন, ‘জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের দর্শন ও ভাবনার গভীরতা সম্পর্কে আমার তেমন জানা ছিল না। এই গানটির কাজ করতে গিয়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম। বিষয়গুলো আমাকে ছুঁয়ে গেছে। আমি চাই গানটির মর্মকথা সবখানে পৌঁছে যাক।’

সাধারণ লুকে বাঁধন (বাঁয়ে), মিউজিক্যাল ফিল্মের দৃশ্যে তিনি। ছবি: সংগৃহীত

তিনি আরও বলেন, ‘বেশ কিছু ক্ষেত্রে নারীর প্রতি সমাজের যে বাঁকা দৃষ্টিভঙ্গি, কিছু অসংগতি, একটা দম বন্ধ হওয়া অবস্থা, ভয়, অধিকার হননের চেষ্টাকে আমরা দৃশ্যকাব্যে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।’

এমন কাজ টাকা বা জনপ্রিয়তার জন্য নয় বরং নারীর প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি যেন সরল হয়, সুন্দর হয়, সে জন্যই কাজটি করেছেন বলে জানান বাঁধন।

জয় হোক গানের মিউজিক্যাল ফিল্মে বাঁধন। ছবি: সংগৃহীত

বান্দরবনে হয়েছে মিউজিক্যাল ফিল্মটির দৃশ্যধারণ। বান্দরবনের থানচি থেকে তিন ঘণ্টা বোটে চেপে যেতে হয় রিমাক্রিতে। সেখানে হয়েছে শুটিং। এর জন্য দুই দিন সাঙ্গু নদীতে থাকতে হয়েছে বাঁধনকে।

গত ২৬ ও ২৭ ফেব্রুয়ারি কাজটি করে ১ মার্চ ঢাকায় ফিরেছেন বাঁধন। গানটি প্রকাশ পাবে ২৬ মার্চ।

আরও পড়ুন:
রাত পোহালেই বিয়ে তাদের
প্রথম গাওয়া গানের স্মৃতিচারণে অভিতাভ
‘তান্ডব’ সিরিজ নিয়ে ভারত জুড়ে তাণ্ডব

শেয়ার করুন

‘যারা মন্তব্য করে তাদের কাজ নাই’

‘যারা মন্তব্য করে তাদের কাজ নাই’

ঢাকাই সিনেমার পরিচালক শাহীন সুমন। ছবি: নিউজবাংলা

‘ভালো সিনেমা কোনটা আর মন্দ সিনেমা কোনটা? অনেক টাকা খরচ করলেই কি ভালো সিনেমা হয়? টিমওয়ার্ক ভালো হলে সেই সিনেমা ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শাকিব খানের সিনেমাও তো ফ্লপ করে। তাহলে? আবার কম বাজেটের সিনেমাও ক্লিক করতে পারে। আর ১০০ সিনেমার মধ্যে ১০টা সিনেমা তো লাগতেও পারে।’

প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়া সম্প্রতি ১০০ সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে। ১০০ জন পরিচালক এসব সিনেমা নির্মাণ করবেন। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সিনেমাগুলোর সবকিছু সমন্বয় করছেন ঢাকাই সিনেমার নামী পরিচালক শাহীন সুমন।

সিনেমাগুলো নির্মাণের ঘোষণার পর থেকেই প্রশংসার পাশাপাশি হচ্ছে সমালোচনাও। সিনেমার মান, বাজেট নিয়ে নেতিবাচক কথা চলছে অনেক আড্ডা, আলোচনায়।

নিউজবাংলা সে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছে শাহীন সুমনের সঙ্গে।

১০০ সিনেমার অধিকাংশের বাজেট নাকি ২০ লাখের মতো। এই বাজেটে সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে হয়তো ভালো চলতে পারে। কিন্তু তেমন কোনো উদাহরণ আমাদের দেশে নেই।

সিনেমার বাজেট কোনোভাবেই কম না। ধরেন কোনো ক্যামেরাম্যান দুই লাখ টাকা নেন। তাকে আমরা বলেছি তুমি কিছু কম টাকা নিয়ে কাজটি করো। সবাই যার যার জায়গা থেকে কিছু কম টাকা নিচ্ছে বলে যত টাকা প্রয়োজন ছিল, সেটা লাগছে না।

আমরা সবাই সিনেমা হল খোলার যুদ্ধে নেমেছি। যদি ১০০ সিনেমা নির্মিত হয়, তাহলে দুই বছরের রসদ থাকবে। প্রতি সপ্তাহে যদি হল মালিক সিনেমা পায়, তাহলে তারাও হল খুলতে উৎসাহী হবে। আর হল খুললে কাজও বাড়বে। তাই কিছু কম টাকা পেলেও কাজ করছেন সবাই।

ভালো প্রোডাকশন নির্মাণের জন্য যা কিছু লাগছে, সব আমরা পরিচালকদের সরবরাহ করছি। সেটা টাকা, অভিনয়শিল্পী, টেকনিশিয়ান সবকিছুই।

যে পরিচালকদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে, তাদের অনেকেই নিয়মিত সিনেমা নির্মাণের সঙ্গে ছিলেন না। নিয়মিত সিনেমা না বানালেও ভালো সিনেমা হয়তো নির্মাণ করা যায়। কিন্তু ১০০ পরিচালকের অনেকেরই ভালো বা ব্যাবসাসফল সিনেমা নেই। তাদের কেন সিনেমা বানাতে দিলেন?

কথায় আছে ‘অস্ত্র জমা দিয়েছে কিন্তু ট্রেনিং জমা দিই নাই’। আমাদের পরিচালকরা কিন্তু কেউ শুটিংয়ের ট্রেনিং জমা দেয় নাই। আমি তাদের শুটিং দেখে মুগ্ধ। এত বছর পর সিনেমা বানাতে গিয়েও তারা অনেক ভালো কাজ করছে।

এটা তাদের জন্য একটা দরজা। এখানে ভালো কাজ করতে পারলে অন্য জায়গাতেও তারা কাজ করার সুযোগ পাবে। নতুন সিনেমার সুযোগ আসবে তাদের কাছে।

আর মাঠে থাকলে খেলা যায়। এই পরিচালকের অনেকে তো মাঠেই নাই, খেলবে কীভাবে। এই সিনেমার মাধ্যমে তারা দেখানোর সুযোগ পাবে। আমি তাদের কোনোভাবেই খাটো করে দেখছি না। হয়তো সুযোগ পায়নি বলে দেখাতে পারেনি। এবার সেটা হয়ে যেতে পারে।

সিনেমাগুলো মুক্তির পরিকল্পনা কেমন আপনাদের। শুনেছি অ্যাপেও মুক্তি পাবে সিনেমাগুলো। কিন্তু অ্যাপে কী ধরনের সিনেমা দর্শকরা দেখতে চান, তা নিয়ে কোনো জরিপ আছে কি আপনাদের?

প্রত্যেকটি সিনেমা আগে হলে মুক্তি পাবে। তারপর অ্যাপে ও টিভিতেও মুক্তি পাবে। অ্যাপ নির্মাণের কাজ চলছে।

অ্যাপের দর্শকদের ধরন নিয়ে আরেকটি কমিটি আছে। তারা এগুলো নিয়ে কাজ করছে। আমি এগুলো ভালো বুঝি না। আমি বুঝি চলচ্চিত্র নির্মাণ। আমি সেটি নিয়ে কাজ করছি।

সামনে পরিচালক সমিতির নির্বাচন। নির্বাচনে আপনি মহাসচিব প্রার্থী হিসেবে লড়বেন। এই ১০০ সিনেমার ঘোষণা আপানাকে নির্বাচনে জেতাতে সাহায্য করবে।

এটা যদি কেউ বলে, তাহলে কিছু করার নাই। কারণ, আমি কিন্তু ১০০ সিনেমা ঘোষণা দেয়ার এক বছর আগে থেকেই বলছি যে আমি নির্বাচন করব। আমার সভাপতি হবে সোহানুর রহমান সোহান। এর মধ্যে ১০০ সিনেমার ঘোষণা হয়ে গেছে। এটা কাকতালীয় বলতে পারেন।

সেলিম খান আমার বন্ধু, খুব কাছের বন্ধু। তার সিনেমায় আগ্রহ আছে। আমি চেষ্টা করছি সেই আগ্রহ যেন নষ্ট না হয়ে যায়। ১০০ জন পরিচালককে সিনেমা দিয়েছি, কারও মুখ দেখে দিইনি। লটারি করে দিয়েছি।

যারা এসব কুৎসা রটায়, তারা পাঁচটা সিনেমা নিয়ে এসে দিক না। তাহলে তো সিনেমা হয়, কিছু লোক কাজ করতে পারে। আমি তো ভালো কাজ করছি, খারাপ কিছু করি না। এই ১০০ সিনেমা হওয়ার কারণে অনেকেই কাজ করতে পারছে।

১০০ সিনেমার চেয়েও নাকি একটি ভালো সিনেমা বা ব্যবসাসফল সিনেমার শক্তি বেশি। আপনি কি তাই মনে করেন?

ভালো সিনেমা কোনটা আর মন্দ সিনেমা কোনটা? অনেক টাকা খরচ করলেই কি ভালো সিনেমা হয়? টিমওয়ার্ক ভালো হলে সেই সিনেমা ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শাকিব খানের সিনেমাও তো ফ্লপ করে। তাহলে? আবার কম বাজেটের সিনেমাও ক্লিক করতে পারে। আর ১০০ সিনেমার মধ্যে ১০টা সিনেমা তো লাগতেও পারে।

যারা মন্তব্য করে, তারা মন্তব্য করার জন্যই বসে থাকে। যারা সমালোচনা করে তাদের কোনো কাজ নাই, তারা এগুলাই করবে। আমাদের কাজ হলো কাজ করা। আমরা কাজ করছি।

আরও পড়ুন:
রাত পোহালেই বিয়ে তাদের
প্রথম গাওয়া গানের স্মৃতিচারণে অভিতাভ
‘তান্ডব’ সিরিজ নিয়ে ভারত জুড়ে তাণ্ডব

শেয়ার করুন

ad-close 103.jpg