সিনেমায় নিজেকে আটকে রাখতে চাই: প্রিয়াঙ্কা

নিজের বইয়ের প্রচ্ছদ হাতে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

সিনেমায় নিজেকে আটকে রাখতে চাই: প্রিয়াঙ্কা

‘সিনেমায় অবদান রাখার ক্ষেত্রে আমার নাম স্মরণ রাখা হোক, এটাই আমি চাই। আমার কাজের শিল্পকে আমলে নেয়া হোক, এটা আমি চাই। এক জন শিল্পী, অভিনেত্রী, প্রযোজক কিংবা লেখক হিসেবেও বিনোদন জগতে যে আওয়াজ আমি তুলতে চাই, তাকে যেন গুরুত্ব দেয়া হয়।’

এক দশকের অভিনয় জীবনে দর্শকদের তুমুল জনপ্রিয় কিছু কাজ উপহার দিয়েছেন প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস। তেমনই একটি হলো নেটফ্লিক্সে তার নতুন সিনেমা দ্য হোয়াইট টাইগার

অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি এ সিনেমার নির্বাহী প্রযোজক হিসেবেও কাজ করেছেন। সিনেমাটি নেটফ্লিক্সে মুক্তি পেয়েছে শুক্রবার।

নেটফ্লিক্সে মুক্তি পাওয়া কন্টেন্ট ও এর সংশ্লিষ্ট কলাকুশলীদের সঙ্গে দর্শকদের আরও একাত্মতা তৈরির জন্য নেটফ্লিক্স কিউ নামে একটি ওয়েবসাইট রয়েছে। সেখানে নতুন কন্টেন্টের অভিনয়শিল্পী বা পরিচালকদের সাক্ষাৎকার প্রকাশ করা হয়।

নেটফ্লিক্স কিউয়ের সাংবাদিক ক্রিস্টা স্মিথ এমনই একটি সাক্ষাৎকার নিয়েছেন বলিউড-হলিউড মাতানো প্রিয়াঙ্কার।

দ্য হোয়াইট টাইগার সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন চপ চপ, ফারেনহাইট ৪৫১ খ্যাত পরিচালক রামিন বাহরানি। সিনেমার গল্প ধার করা হয়েছে ২০০৮ সালের ম্যান বুকার পুরস্কার জিতে নেয়া অরবিন্দ আদিগারের উপন্যাস থেকে।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া এ সিনেমায় ম্যাডাম পিংকি নামে একজন ধনী ভারতীয়-আমেরিকান নারীর চরিত্রে অভিনয় করেছেন। পিংকি ম্যাডাম তার গাড়িচালক বলরামকে (আদর্শ গৌরব) সহায়তা করেন ইচ্ছা পূরণে। কিন্তু এর ফল আশানুরূপ হয় না।

‘একটা মানুষ, যেখানে তার জন্ম ও বেড়ে ওঠা, সেই পারিপার্শ্বিকতা থেকে নিজেকে বের করে নিয়ে আসা—এই অবস্থার সঙ্গে আমি খুব ভালোভাবে পরিচিত। আমি এমন এক জন মানুষ যে সবসময় বিকশিত হয়েছে, বেড়ে উঠতে চেয়েছে। আমি প্রচণ্ড উচ্চাকাঙ্ক্ষী’, বলেন প্রিয়াঙ্কা।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া জোনাস

২০০৮ সালের ডিসেম্বরে প্রিয়াঙ্কা বিয়ে করেন যুক্তরাষ্ট্রের সংগীতশিল্পী নিক জোনাসকে। এ নিয়ে অভিনেত্রী বলেন, ‘নিজের পেশার সঙ্গে মিল রেখে জীবনসঙ্গী খুঁজে পাওয়ার মধ্যে এক ধরনের স্বাধীনতা আছে, যা আপনার কাজের জায়গাকে আরও বেগবান করে। আমরা দুজনই একে অপরের মধ্যে এই দারুণ জিনিসটা খুঁজে পেয়েছি।’

কিশোরী বয়সে প্রিয়াঙ্কা যুক্তরাষ্ট্রে যান। থাকতেন লোয়ার সেডার র‍্যাপিডসে। ১৭ বছর বয়সে তিনি বিশ্বসুন্দরী প্রতিযোগিতায় জিতে নেন বিজয়ীর মুকুট। তখন থেকেই আন্তর্জাতিক অঙ্গনে একটি পরিবর্তন তৈরির ইচ্ছা নিজের মধ্যে খুঁজে পান। এ ইচ্ছা থেকেই তিনি হয়ে ওঠেন ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় অভিনেত্রীদের এক জন।

এরপর ২০১৫ সালে কোয়ান্টিকো সিরিজের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্রের দর্শকদের কাছেও জনপ্রিয় হতে থাকেন প্রিয়াঙ্কা। যুক্তরাষ্ট্রের দর্শকরা খুব শক্ত করেই প্রিয়াঙ্কার হাত ধরে রেখেছে এখনও।

‘কোয়ান্টিকো আমার জন্য গর্বের একটি কাজ। তার অনেকগুলো কারণের একটি হলো, সেখানে এক জন ভারতীয়-আমেরিকানের চরিত্রে অভিনয় করেছি। ওই চরিত্রটি নিউ ইয়র্ককে সুরক্ষা দিত’, বলেন প্রিয়াঙ্কা।

ভবিষ্যৎ সম্পর্কে পরিষ্কার দৃষ্টি রাখা প্রিয়াঙ্কা কথা চালিয়ে যান। বলেন, ‘দক্ষিণ এশিয়ার সেরা গল্পগুলো বলার বাধ্যবাধকতা বোধ করি। এক জন অভিনেত্রী ও এক জন প্রযোজক হিসেবে এটাই আমার উদ্দেশ্য।’

ভারতীয়দের কাছে আপনার অবস্থান সম্পর্কে আমি ঠিকমতো বলতে পারব না। কিন্তু ভারতের গল্প নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রে তৈরি সিনেমার সেটে একই সঙ্গে একজন প্রযোজক ও অভিনেত্রী হিসেবে অবস্থান করার অভিজ্ঞতা কেমন?

প্রিয়াঙ্কা: ভারতে আমি ৬০ এরও বেশি সিনেমা করেছি। চরিত্রগুলোর মধ্যে অনেক ভিন্নতাও ছিল। সহযোগী অভিনেত্রী, কেন্দ্রীয় চরিত্র, খলচরিত্র সবকিছু। নিজেকে এ সিনেমার সঙ্গে জড়ানো অনেক আনন্দের অভিজ্ঞতা। নিজের ব্যক্তিগত সাফল্য চরিত্রের মধ্যে টেনে আনি না। যে চরিত্রগুলোতে আমি অভিনয় করি তাদের নিজস্ব সত্তা আছে। সেটে থাকা অবস্থায় চরিত্রগুলোকে সচেতনভাবে ফুটিয়ে তুলতে সে চরিত্রের প্রতি আস্থা রাখা জরুরি। তার জন্য প্রতিনিয়ত অনুপ্রেরণা প্রয়োজন। ঠিক তখনই আমি আমার সেরা কাজটা বের করে আনতে পারি।

বিশ্বের একটি বড় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে আমার দীর্ঘ ক্যারিয়ার আছে। তার মানে এই নয় যে, বিশ্বের অপর প্রান্তের আরেকটি বড় ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রিতে ক্যারিয়ার নতুনভাবে শুরু করার ক্ষেত্রে আমি কোনো অগ্রাধিকার পাব এবং এ সম্পর্কে আমি তীব্রভাবে সচেতন। যেটা আমি কোয়ান্টিকোর সঙ্গে করেছি। এই তো কিছু বছর আগেই, যুক্তরাষ্ট্রে করা আমার প্রথম কাজ, যেমন কাজ আমি আসলেই এ দেশে করতে চাই। ভারতে কাজ করার সৌভাগ্য যখন হলো, তখন আমি যেভাবে ধীরে ধীরে আমার ক্যারিয়ার গড়েছি, এখানেও তাই।

যে পরিমাণ খ্যাতি ও সাফল্যের কথা আপনার নামে শোনা যায়, তা থাকা সত্ত্বেও যুক্তরাষ্ট্রে এসে একই পরিমাণ কাজ করার ইচ্ছা। এর জন্য অনেক নম্রতা এবং ব্যাপক পরিমাণ আত্মবিশ্বাস প্রয়োজন। এই আত্মবিশ্বাস কোথায় পেয়েছেন?

প্রিয়াঙ্কা: আমি ভেবে দেখেছি, যা কিছুই আমি করি না কেন, তা এক ধরনের আত্মবিশ্বাস থেকেই জন্মায়। এর জন্য বেড়ে ওঠার সময়টাকে আমি কৃতিত্ব দেব। আমার মা-বাবা আমাকে এমন একটি পরিবেশে বড় করেছেন, যেখানে আমার মতামতকে গুরুত্ব দেয়া হতো। আমাকে কখনো বলা হয়নি, ‘এটা করবে না কারণ আমি নিষেধ করেছি’। কোনো একটি কাজ করা বা না করার পেছনের কারণটা আমাকে বুঝিয়ে বলা হতো। যে কোনো দুঃসাহসিক কাজে মা-বাবা আমাকে অনুপ্রেরণা দিতেন। ১২ বছর বয়সে আমার আঙ্কেল আন্টির সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে চলে আসি। এটা আমার নিজের সিদ্ধান্ত ছিল। আমি তাদের বলেছি, আমার ভাইবোনদের সঙ্গে আমি যুক্তরাষ্ট্রে থাকতে চাই এবং এখানকার স্কুলে পড়তে চাই। তারা তখন ভারতে। আমার এ কথা তারা হেসে উড়িয়ে দেননি। নতুন কিছুর স্বাদ নেয়ার উদ্দীপনা এখান থেকেই এসেছে।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

খুব ছোট বয়সে আমি পরাজয়ের স্বাদও পেয়েছি। যখন সিনেমা জগতে পা রাখি, আমাকে বের করে দেয়া হয়েছিল কারণ সঠিক মানুষগুলোর সঙ্গে আমার পরিচয় ছিল না। আমি কাজ করে সব কিছু শিখেছি এবং দ্রুত শিখেছি যেন আমার চেয়ে আরও একটু ভালো কাজ আমাকে সরাতে না পারে। যে খ্যাতি চাও, যে সাফল্য চাও তার সবই তুমি পাবে। কিন্তু প্রাসঙ্গিক থাকতে হলে, তোমাকে তোমার কাজের জায়গাতেও প্রাসঙ্গিক থাকতে হবে। সবাই কখনোই সব কিছু জানতে পারে না, তাই আমি চেষ্টা করি জীবনের এক জন ছাত্রী হয়ে থাকার। আমি শুনি, পর্যবেক্ষণ করি, চলার পথে প্রতিনিয়ত নিজেকে নতুন কিছু শেখাই। চার বা পাঁচ বছর আগে আমি প্রযোজনা শুরু করি। প্রযোজনার প্রতিটা ছোটখাটো জিনিস আমাকে শিখতে হয়েছে।

প্রযোজক হওয়ার পেছনে কী আপনাকে অনুপ্রেরণা দিয়েছে?

প্রিয়াঙ্কা: যেকোনো ভাবেই আমি সিনেমা তৈরির কাজে নিজেকে আটকে রাখতে চাই। পেছনের দিকে তাকালে একটা মজার ঘটনা মনে পড়ে, আমার যখন ৩০ বছর হলো, আমার মা আমাকে বলল, ‘৩০ বছরের বুড়ো বয়সে নায়িকার কাজ তোমাকে দেয়া হবে না। প্ল্যান বি নিয়ে চিন্তা করো।’

তখন আমার মনে হলো, ওহ, সে তো ঠিক কথাই বলছে। কাজ পাওয়া বন্ধ হয়ে গেলে আমি কী করব! নারী অভিনেত্রীদের জন্য এটা একটা চিন্তার বিষয়। ছেলেদের জন্য একথা সবসময় সত্যি না।

আমার প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান চালু হয় এবং আমি চাইনি যে অভিনেত্রী হিসেবে আমার নাম দিয়ে কোম্পানি চলুক। তাই আমি ভারতের আঞ্চলিক গল্পগুলোতে নজর দিলাম। যেগুলো হিন্দি ভাষার না, বলিউড না। মারাঠি বা পাঞ্জাবি গল্প।

যুক্তরাষ্ট্রে যখন অভিনয় শুরু করি, প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানটাও আমি এখানে নিয়ে আসতে চাইলাম। আমরা অসাধারণ কিছু সিনেমা ও টেলিভিশন শো বানিয়েছি, যেগুলোর ঘোষণা আমরা খুব দ্রুতই দেব। দ্য হোয়াইট টাইগারের নির্বাহী প্রযোজক ছিলাম। মিন্ডি কালিংয়ের সঙ্গে আমি একটি সিনেমা করছি, যেটা আমরা দুজন মিলেই প্রযোজনা করছি। আরও কিছু কাজ এখনও চলছে।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
দ্য হোয়াইট টাইগারের সেটে প্রিয়াঙ্কা চোপড়া, রাজকুমার রাও ও আদর্শ গৌরব

দ্য হোয়াইট টাইগার সিনেমায় দর্শকরা আপনার অভিনয়ের ব্যাপ্তি ও গভীরতা সম্পর্কে জেনেছে। অভিনেতা হিসেবে আর কী অর্জন করতে চান?

প্রিয়াঙ্কা: হায় ঈশ্বর! খুব ভারী একটা প্রশ্ন। অনেক বেশি। আমি উত্তরাধিকার অর্জন করতে চাই। সিনেমায় অবদান রাখার ক্ষেত্রে আমার নাম স্মরণ রাখা হোক, এটাই আমি চাই। আমার কাজের শিল্পকে আমলে নেয়া হোক, এটা আমি চাই। এক জন শিল্পী, অভিনেত্রী, প্রযোজক কিংবা এক জন লেখক হিসেবেও বিনোদন জগতে যে আওয়াজ আমি তুলতে চাই, তাকে যেন গুরুত্ব দেয়া হয়।

আমি একটি প্রবন্ধ পড়েছিলাম যেখানে আপনাকে বর্ণনা করার জন্য খুব সুন্দর একটি আখ্যা দেয়া হয়েছিল। বলা হয়েছিল, আপনি চিন্তা ও মনের দিক থেকে সুন্দর।

প্রিয়াঙ্কা: কী?! কে বলেছে?

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া

আপনাকে সামনাসামনি দেখার পর আমিও একমত। এত সৌন্দর্য নিয়ে আপনি যখন একটি কামরায় প্রবেশ করেন, তখন তার সঙ্গে এক ধরনের শক্তি থাকে। আপনাকে ঘিরে এবং আপনার চাওয়াকে ঘিরে কিছু অনুধাবন তৈরি হয়। এ বিষয়টা কীভাবে পরিচালনা করেন?

প্রিয়াঙ্কা: এটা খুব অদ্ভুত একটা প্রশ্ন। সারা জীবন আমি নিরাপত্তাহীনতায় ভুগেছি। নিজেকে আমি আত্মবিশ্বাসী হওয়া শিখিয়েছি। শিখিয়েছি কীভাবে শারীরিক, মানসিক ও বুদ্ধিতে নিজের সেরাটা বের করে আনতে হয়। ছোটবেলায় আমি খুব লাজুক ছিলাম। অনেক বেশি মেকআপ করতাম। ফ্যাশন সম্পর্কে কোনো ধারণা ছিল না। এখন ৪০ এর কাছাকাছি এসে আমি ভাবি নিজেকে এই জায়গায় নিয়ে আসতে আমাকে কত না পরিশ্রম করতে হয়েছে। তার মধ্যে একটি উপায় ছিল নিজেকে কীভাবে ভালো লাগে তা জানা। এই জানাটা ইন্ডাস্ট্রির অভিজ্ঞ মানুষদের সঙ্গে কাজ করতে গিয়েই জেনেছি। তারা আমাকে বলেছে- এই চুলে তোমাকে ভালো লাগে, চুল পার্ম করো না বা চোখের সব পাপড়ি তুলে ফেলো না।

পুরোটাই আসলে কাজ করে নিজেকে পুরোপুরি জানার মধ্যে। বিবর্তনই এ খেলার আসল নাম। সবসময় তোমাকে ভাবতে হবে, তুমি প্রতিনিয়ত বদলাচ্ছো। সারা জীবন আমি এটাই করেছি। কিন্তু হ্যাঁ, সিনেমায় কাজ করতে গিয়ে আমাকে মাঝে মধ্যে শুনতে হয়েছে যে, আমি চরিত্র থেকে বের হয়ে আসছি। অভিনেত্রী হিসেবে এটা না ঘটানোই আমার কাজ। যে চরিত্র আমি করছি, সে মানুষটা হয়ে যাওয়াই আমার কাজ।

আপনি এমন একটা কথা বললেন, যেটা স্বাভাবিকভাবেই আপনার স্বামী নিকের প্রসঙ্গ আনে। নিক আপনার উচ্চাশা ভালোবাসে। আপনাদের আলাদা আলাদা উচ্চাশাগুলো একত্র করে চলাটা কী রকম?

প্রিয়াঙ্কা: সারা দিনের কাজ শেষে বাসায় গিয়ে কাজ সম্পর্কে কারো সঙ্গে কথা বলা এবং এমন কিছু জেনে নেয়া যা আপনাকে পরবর্তী দিনের জন্য অনুপ্রেরণা দেবে। নিক আর আমার সম্পর্ক এমনই। আমাদের ক্যারিয়ার আলাদা, শিল্পী হিসেবে একে অপরের কাজ নিয়ে কথা বলার এ স্বাধীনতা আমাদের আছে। শিল্প নিয়ে আদান প্রদান হয়ে থাকে আমাদের মধ্যে। আমি যদি বলি, এই সিনে আমি আটকে গেছি, তখন সে বলবে, বিষয়টা এভাবে চিন্তা করো। এটা আমাদের আরও ভালো করে তোলে।

প্রিয়াঙ্কা চোপড়া
স্বামী নিক জোনাসের সঙ্গে প্রিয়াঙ্কার সেলফি

খুব সুন্দর। এ সম্পর্ক থেকে আরও সুন্দর কী কী তৈরি হয় তা দেখার জন্য আমি অপেক্ষা করছি। একসঙ্গে কাজ করবেন কি?

প্রিয়াঙ্কা: বলা যেতে পারে আমরা তা শুরু করে দিয়েছি এবং খুব শিগগিরই এটা নিয়ে আপনি জানতে পারবেন।

অভিনয়ের পাশাপাশি মানবপ্রীতিও আপনার কাছে অগ্রাধিকার পায়। আপনি ইউনিসেফের সঙ্গে কাজ করেন, নারীদের উন্নত সুযোগ-সুবিধার জন্য একটি টেকনোলজি স্টার্টআপের সঙ্গেও আপনি যুক্ত। নারী ও তরুণীদের উন্নয়নের জন্য আপনি অনেক শক্তি প্রয়োগ করেছেন।

প্রিয়াঙ্কা: এটা আমার মধ্যে ছোটবেলা থেকেই ছিল। এটা আমার দায়িত্ব। ব্যারিলিতে আমার মা-বাবার একটা স্থানীয় হাসপাতাল ছিল। যাদের চিকিৎসার সামর্থ্য থাকত না, তাদের জন্য সে হাসপাতালে সবসময় জায়গা থাকত। তারা গ্রামে গ্রামে বিনা মূল্যে চিকিৎসা দিত।

এমন প্রকৃতির মাঝেই আমি বড় হয়েছি। ১৭ বছর বয়সে যখন মিস ওয়ার্ল্ড হলাম, তখন কোনো কিছুর প্রভাবের যে শক্তি আছে, তা নজরে এল। পেজেন্টে এসে দেখলাম, আমি যা বলছি, সবাই তা লিখে নিচ্ছে। তখন আমার মনে হয়েছে আমার এমন কিছু বলা উচিত যা গুরুত্বপূর্ণ। বিনোদন জগতে আসার পর এই জায়গাটাকে আমি মনোযোগ দিলাম। আমার সামাজিক দায়িত্ব পালন করার জন্য এ প্ল্যাটফর্মটাকে খুব ভালো করে কাজে লাগালাম।

যে জায়গাগুলোতে নজর দেয়া প্রয়োজন প্রতি বছর আমি তার ওপর কাজ করি। মানবতার কাজে যখন পাবলিক ফিগাররা কাজ করে, তখন তাদের বার্তাগুলো খুব সহজেই ছড়িয়ে পড়ে। এ কাজটা আমি খুব গুরুত্বের সঙ্গে নেই। আমার পক্ষে যা সম্ভব এবং যেভাবে সম্ভব, তা আমি ফিরিয়ে দিতে চাই।

আরও পড়ুন:
পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে চাপ দিতে প্রিয়াঙ্কার মানা
বিয়ের ধারণা নিয়ে ‘স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলেন না’ প্রিয়াঙ্কা
ভুল নম্বরে প্রিয়াঙ্কার ক্ষুদেবার্তা!

শেয়ার করুন

মন্তব্য

মধ্যরাতের গান ছুঁলো কোটি প্রাণ

মধ্যরাতের গান ছুঁলো কোটি প্রাণ

অনানুষ্ঠানিক আয়োজনে গাইছেন শিল্পীরা। ছবি: সংগৃহীত

ব্যান্ড তারকা হামিন আহমেদ বলেন, ‘সবার প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, যখন প্রতিদিন একটি করে মিউজিক ভিডিও রিলিজ হচ্ছে তার পাশাপাশি এটাও হয়তো দর্শক-শ্রোতাদের কোথাও না কোথাও খুব আন্দোলিত করছে।’

ভাইরাল সংস্কৃতির যুগে ইতিবাচক কনটেন্টের চেয়ে বেশি নেতিবাচক কনটেন্টই ভাইরাল হতে দেখা যায়। আবার এর উল্টো চিত্র যে একেবারে দেখা যায় না, তাও না।

সম্প্রতি গান বাংলার ফেসবুক লাইভে একটি অনানুষ্ঠানিক গান আড্ডা ঝড় তুলেছে নেট দুনিয়ায়। এক সপ্তাহে এক কোটি দর্শক দেখেছেন সেই গান আড্ডা। বৃহস্পতিবার এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই তথ্য জানিয়েছে গান বাংলা কর্তৃপক্ষ।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি রাত এক টায় গান বাংলার লাইভে আসেন সংগীতশিল্পী তাপস, ব্যান্ড তারকা হামিন আহমেদ, সংগীতশিল্পী মিজান, আরেফিন রুমি, অটামনাল মুন, পারভেজ, অদিত, ঐশী, রেশমি, লুইপা, নাদিয়া ডোরা, দোলা, তাশফি, র‌্যাপার এবিডি ও শামিম হাসান।

দুটি ভিন্ন পোস্টে কোটি অরগানিক ভিউ হয় অনানুষ্ঠানিক সেই গান আড্ডা। এমন গান আড্ডার শ্রোতাপ্রিয়তাকে ‘অত্যন্ত ইতিবাচক’ বলে উল্লেখ করেছেন ইউনিভার্সিটি অব লিভারপুলের সিনিয়র রিসার্চ ফেলো এবং ইউল্যাব ইউনিভার্সিটির অধ্যাপক, জনসংস্কৃতি গবেষক সুমন রহমান।

গান বাংলার এমন আড্ডায় প্রায় নিয়মিতই উপস্থিত থাকেন ব্যান্ড তারকা হামিন আহমেদ। তিনি বলেন, ‘দর্শক-শ্রোতাদের দিক থেকে বলতে গেলে, এক সঙ্গে এতজন তারকা শিল্পী ক্যাজুয়ালি বসে গান গাওয়ার এমন দৃশ্য কেউ কখনও দেখেনি। দর্শকরাতো সবসময় সাজানো অনুষ্ঠান দেখে অভ্যস্থ। এখানে সম্পূর্ণ তার বিপরীত ঘটেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সবার প্রতি সম্মান রেখেই বলছি, যখন প্রতিদিন একটি করে মিউজিক ভিডিও রিলিজ হচ্ছে তার পাশাপাশি এটাও হয়তো দর্শক-শ্রোতাদের কোথাও না কোথাও খুব আন্দোলিত করছে।’

এ প্রসঙ্গে তাপস বলেন, ‘মানুষ যে ভালো কিছু চায় এবং তা পেলে সাদরে গ্রহণ করে তা এর মধ্য দিয়ে আবারও প্রমাণিত হলো। আমাদের জনপ্রিয়তার এমন অবস্থান নিয়ে মহান সৃষ্টিকর্তার কাছে আমরা কৃতজ্ঞতা জানাই। দর্শক-শ্রোতাদের জানাই আন্তরিক অভিবাদন।’

গান বাংলা টেলিভিশনের ফেসবুক পেজ থেকে বিভিন্ন গানের অনুষ্ঠান, কনসার্ট প্রচারিত হয়ে আসছে।

আরও পড়ুন:
পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে চাপ দিতে প্রিয়াঙ্কার মানা
বিয়ের ধারণা নিয়ে ‘স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলেন না’ প্রিয়াঙ্কা
ভুল নম্বরে প্রিয়াঙ্কার ক্ষুদেবার্তা!

শেয়ার করুন

ঢাকায় ডিজনির ‘রায়া অ্যান্ড দ্য লাস্ট ড্রাগন’

ঢাকায় ডিজনির ‘রায়া অ্যান্ড দ্য লাস্ট ড্রাগন’

রায়া অ্যান্ড দ্য লাস্ট ড্রাগন সিনেমার পোস্টার। ছবি: সংগৃহীত

বহুকাল আগে কুমন্দ্রা নামের এক কাল্পনিক পৃথিবীতে মানুষ ও ড্রাগন মিলেমিশে বাস করত। একসময় অশুভ শক্তির হুমকিতে পড়ে সেই সভ্যতা। তখন মানুষকে বাঁচাতে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিল ড্রাগনেরা।

২০২০ সালে মুক্তি পাওয়ার কথা ছিল ওয়াল্ট ডিজনির অ্যানিমেটেড সিনেমা রায়া অ্যান্ড দ্য লাস্ট ড্রাগনের। তবে মহামারি করোনার কারণে বেশ কয়েকবার পেছাতে হয়েছে সিনেমাটির মুক্তির তারিখ।

অবশেষে ৫ মার্চ সিনেমাটি মুক্তি দিতে চলেছে ওয়াল্ট ডিজনি স্টুডিও।

বিশ্বের অন্যান্য দেশের সঙ্গে একই দিনে ঢাকার স্টার সিনেপ্লেক্সেও মুক্তি পাবে সিনেমাটি।

রায়া অ্যান্ড দ্য লাস্ট ড্রাগন সিনেমার গল্পে দেখা যাবে, বহুকাল আগে কুমন্দ্রা নামের এক কাল্পনিক পৃথিবীতে মানুষ ও ড্রাগন মিলেমিশে বাস করত। একসময় অশুভ শক্তির হুমকিতে পড়ে সেই সভ্যতা। তখন মানুষকে বাঁচাতে নিজেদের জীবন উৎসর্গ করেছিল ড্রাগনেরা।

এর ৫০০ বছর পর সেই অশুভ শক্তি আবার ফিরে আসে। ভেঙে পড়া পৃথিবী ও বিচ্ছিন্ন মানুষদের এক করতে সর্বশেষ ড্রাগনটিকে খুঁজে বের করার দায়িত্ব পড়ে রায়া নামের মেয়েটির ওপর। রায়া কি পারবে ড্রাগনটিকে খুঁজে বের করতে?

এ সিনেমা নির্মাণের সঙ্গে যুক্ত হয়নি পিক্সার স্টুডিওস। পুরো সিনেমাটি নির্মাণ করেছে ওয়াল্ট ডিজনি।

অ্যানিমেশন ছবির দুনিয়ায় অনন্য এক নাম ওয়াল্ট ডিজনি পিকচার্স। টয় স্টোরি, ফ্রোজেনসহ বহু রেকর্ড গড়া সিনেমা দর্শকদের উপহার দিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি।

আর তাদের সহযোগী প্রতিষ্ঠান পিক্সার অ্যানিমেশন স্টুডিওতো রীতিমতো অ্যানিমেশন ছবির সাম্রাজ্যের রাজা বনে আছে।

পিক্সারের ঝুলিতে আছে ২৭টি অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ড, সাতটি গোল্ডেন গ্লোব অ্যাওয়ার্ড, ১১টি গ্র্যামি অ্যাওয়ার্ডসহ আরও অসংখ্য পুরস্কার।

অ্যাকাডেমি অ্যাওয়ার্ডে ২০০১ সাল থেকে শুরু হওয়া শ্রেষ্ঠ অ্যানিমেটেড চলচ্চিত্র বিভাগে পিক্সারের প্রায় সব ছবিই মনোনয়ন পেয়ে আসছে।

আরও পড়ুন:
পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে চাপ দিতে প্রিয়াঙ্কার মানা
বিয়ের ধারণা নিয়ে ‘স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলেন না’ প্রিয়াঙ্কা
ভুল নম্বরে প্রিয়াঙ্কার ক্ষুদেবার্তা!

শেয়ার করুন

নেটফ্লিক্সের ৪১টি প্রজেক্ট, সৃজিতের ‘রে’

নেটফ্লিক্সের ৪১টি প্রজেক্ট, সৃজিতের ‘রে’

নেটফ্লিক্সে আসছে ৪১টি নতুন কনটেন্ট। ছবি: সংগৃহীত

ওটিটিতে নতুন মুখ ও আঞ্চলিক শিল্পীর গুরুত্ব বেড়েছে। যেমন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়কে দেখা যাবে ‘আরণ্যক’ নামের কনটেন্টে। রাইমা সেনকে ‘মাই’ নামের কনটেন্টের মাধ্যমে ওয়েবে দেখা যাবে প্রথমবার।

নতুন ৪১টি ভারতীয় কনটেন্ট মুক্তির পরিকল্পনা নিয়েছে নেটফ্লিক্স। ২০২১ সালজুড়ে মুক্তি পাবে কনটেন্টগুলো। এর মধ্যে কলকাতার জনপ্রিয় পরিচালক সৃজিত মুখার্জির একটি প্রজেক্ট রয়েছে। যার নাম রে

এটিই সৃজিতের প্রথম নেটফ্লিক্স প্রজেক্ট। সত্যজিৎ রায়ের ছোটগল্প অবলম্বনে এটি নির্মিত হবে হিন্দি ভাষায়। সিরিজে অভিনয় করেছেন আলি ফজল, কে কে মেনন, মনোজ বাজপেয়ি।

ভারতীয় সংবাদমাধ্যম বলছে, নেটফ্লিক্সের সঙ্গে নাকি বড় একটি চুক্তি হয়েছে কারান জোহরের। ৪১টির মধ্যে ৫টি কনটেন্ট প্রযোজনায় যুক্ত আছেন তিনি। যার মধ্যে মাধুরী দীক্ষিতের ফাইন্ডিং অনামিকা, আজিব দাস্তানাস, মীনাক্ষী সুন্দরেশ্বর, সার্চিং ফর শীলা এবং ফ্যাবিউলাস লাইভস অব বলিউড ওয়াইভসের দ্বিতীয় সিজন।

দিল্লি ক্রাইম, শি, জামতারা, মাসাবা মাসাবা, লিটল থিংস সিরিজগুলোর পরবর্তী সিজন আসবে চলতি বছরে। বম্বে বেগমস, ডিকাপলড, ফিলস লাইক ইশক, ইয়ে কালি কালি আঁখে আছে মুক্তির তালিকায়।

কার্তিক আরিয়ানের ধামাকা, অর্জুন কাপুর-রাকুল প্রীত সিংয়ের সর্দার কা গ্র্যান্ডসন এবং তাপসী পান্নু ও বিক্রান্ত মেসির হাসিন দিলরুবা প্রিমিয়ার হবে নেটফ্লিক্সে। কপিল শর্মার ওয়েব শোও পাওয়া যাবে এখানে।

‘রে’ কনটেন্টের দৃশ্যে মনোজ বাজপেয়ি (বাঁয়ে), সৃজিত মুখার্জি। ছবি: সংগৃহীত

ওটিটির জনপ্রিয়তা বাড়ছে, একই সঙ্গে বাড়ছে নতুন মুখ নিয়ে কাজ করার প্রবণতা। থিয়েটার ও বিভিন্ন অঞ্চলের শিল্পীদের গুরুত্ব বেড়েছে।

যেমন পরমব্রত চট্টোপাধ্যায়কে দেখা যাবে আরণ্যক নামের কনটেন্টে। রাইমা সেনকে মাই নামের কনটেন্টের মাধ্যমে ওয়েবে দেখা যাবে প্রথমবার। রাভিনা ট্যান্ডনকেও প্রথমবার ওয়েবে দেখা যাবে।

আরও পড়ুন:
পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে চাপ দিতে প্রিয়াঙ্কার মানা
বিয়ের ধারণা নিয়ে ‘স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলেন না’ প্রিয়াঙ্কা
ভুল নম্বরে প্রিয়াঙ্কার ক্ষুদেবার্তা!

শেয়ার করুন

সুখবর দিলেন শ্রেয়া

সুখবর দিলেন শ্রেয়া

শ্রেয়া ঘোষাল। ছবি: সংগৃহীত

সন্তানের নামটি রাখা হয়েছে বাবা-মার নামের অংশ থেকে। মায়ের নাম শ্রেয়া ঘোষাল থেকে শ্রেয়া আর বাবার নাম শিলাদিত্য থেকে নেয়া হয়েছে দিত্য। এই দুই মিলে হয়েছে শ্রেয়াদিত্য।

চারবার ভারতীয় জাতীয় চলচ্চিত্র পুরস্কার পাওয়া জনপ্রিয় কণ্ঠশিল্পী শ্রেয়া ঘোষাল। জাতীয় স্বীকৃতি পাওয়ার পাশাপাশি পেয়েছেন কোটি মানুষের ভালোবাসা। সীমানা পেরিয়ে তার কণ্ঠের জাদু পৌঁছে গেছে আরও বহু দূরে।

আরও এক অতুলনীয় প্রাপ্তি ঘটতে যাচ্ছে শ্রেয়ার। মা হতে যাচ্ছেন তিনি। বৃহস্পতিবার তার ফেসবুকে বেবি বাম্পের একটি ছবি পোস্ট করে এই সুখবর জানিয়েছেন শ্রেয়া।

ছবি পোস্ট করে শ্রেয়া লেখেন, ‘আমাদের সন্তান শ্রেয়াদিত্য আসছে। আপনাদের খবরটি জানাতে পেরে শিলাদিত্য ও আমি খুবই শিহরিত। জীবনের নতুন অধ্যায়ের জন্য নিজেকে প্রস্তুত করার এই মুহূর্তে আপনাদের ভালোবাসা ও আশীর্বাদ কাম্য।’

সন্তানের নামটি রাখা হয়েছে বাবা-মার নামের অংশ থেকে। মায়ের নাম শ্রেয়া ঘোষাল থেকে শ্রেয়া আর বাবার নাম শিলাদিত্য থেকে নেয়া হয়েছে দিত্য। এই দুই মিলে হয়েছে শ্রেয়াদিত্য।

ছবিতে দেখা যায় ‘বেবি বাম্প’ আগলে রেখেছেন শ্রেয়া। শেয়ারের পরপরই দ্রুত ভাইরাল হয়েছে ছবিটি। তিন ঘণ্টার মধ্যে ২ লাখ ৯৬ হাজার লাইক ও রিয়্যাক্ট পড়েছে ছবিটিতে। সেই সঙ্গে মন্তব্য পড়েছে ১৯ হাজারের বেশি।

সেখানে বেশির ভাগ মন্তব্যেই সন্তান আর শ্রেয়ার জন্য শুভ কামনা জানিয়েছেন সবাই। সাড়ে ৩ হাজারের বেশি শেয়ারও হয়েছে ছবিটি।

শ্রেয়ার জন্ম মুর্শিদাবাদ জেলার বহরমপুরে। ১৬ বছর বয়সে তিনি একটি রিয়্যালিটি সংগীত প্রতিযোগিতায় অংশ নেন ও বিজয়ী হন। এই অনুষ্ঠান থেকেই শ্রেয়া ভারতের সংগীতাঙ্গনে নিজের খুঁটি পাকাপোক্ত করেন।

পাঁচ বছর আগে ছোটবেলার বন্ধু শিলাদিত্যকে বিয়ে করেন শ্রেয়া। বিয়ের আগে ১০ বছর প্রেম করেছেন এই জুটি। সে কথাও অনেক সাক্ষাৎকারে বলেছেন শ্রেয়া। শিলাদিত্য পেশায় তথ্যপ্রযুক্তি কর্মী ও একটি ওয়েবসাইটের যুগ্ম কর্তা। এবার জীবনের নতুন অধ্যায় শুরু করতে যাচ্ছেন এই জুটি।

আরও পড়ুন:
পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে চাপ দিতে প্রিয়াঙ্কার মানা
বিয়ের ধারণা নিয়ে ‘স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলেন না’ প্রিয়াঙ্কা
ভুল নম্বরে প্রিয়াঙ্কার ক্ষুদেবার্তা!

শেয়ার করুন

নজরুলের বাণীতে শামিল বাঁধন

নজরুলের বাণীতে শামিল বাঁধন

মিউজিক্যাল ফিল্মের দৃশ্যে বাঁধন। ছবি: সংগৃহীত

এমন কাজ টাকা বা জনপ্রিয়তার জন্য নয় বরং নারীর প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি যেন সরল হয়, সুন্দর হয়, সে জন্যই কাজটি করেছেন বলে জানান বাঁধন।

শান্তি ও সাম্যের পরিবেশ কে না চায়। যেখানে ভয়, ভীতি ও দুর্বল থাকবে নির্ভয়ে; বন্ধনের কারাগার হবে চুরমার; দুঃখ, দৈন্য, গ্লানি, বিদ্বেষ হয়ে থাকবে অহেতুক হয়ে।

শাশ্বত এই কথাগুলো অর্ধশত বছর আগে লিখে গেছেন জাতীয় কবি কাজি নজরুল ইসলাম। ‘জয় হোক’ শিরোনামের গানে পাওয়া যায় কথাগুলো। গানটির আবেদন যেন সমসময়ের। তাই তো এখনও গানটি গাওয়ার প্রয়োজনীয়তা অনুভব করেন শিল্পীরা।

সম্প্রতি নজরুলের এই গানটি গেয়েছেন কণ্ঠশিল্পী সুস্মিতা আনিস। নতুন করে এর সংগীতায়োজন করেছেন অর্ণব। এর মিউজিক্যাল ফিল্ম নির্মাণ করেছেন পিপলু আর খান। আর এতে মডেল হয়েছেন অভিনেত্রী আজমেরী হক বাঁধন।

মিউজিক্যাল ফিল্মের কিছু দৃশ্য দেখে ধারণা করা যায় যে, প্রতীকী রূপে চিত্রায়িত করা হয়েছে গানটি।

নিউজবাংলাকে বাঁধন বলেন, ‘জাতীয় কবি নজরুল ইসলামের দর্শন ও ভাবনার গভীরতা সম্পর্কে আমার তেমন জানা ছিল না। এই গানটির কাজ করতে গিয়ে অনেক কিছু জানতে পারলাম। বিষয়গুলো আমাকে ছুঁয়ে গেছে। আমি চাই গানটির মর্মকথা সবখানে পৌঁছে যাক।’

সাধারণ লুকে বাঁধন (বাঁয়ে), মিউজিক্যাল ফিল্মের দৃশ্যে তিনি। ছবি: সংগৃহীত

তিনি আরও বলেন, ‘বেশ কিছু ক্ষেত্রে নারীর প্রতি সমাজের যে বাঁকা দৃষ্টিভঙ্গি, কিছু অসংগতি, একটা দম বন্ধ হওয়া অবস্থা, ভয়, অধিকার হননের চেষ্টাকে আমরা দৃশ্যকাব্যে তুলে ধরার চেষ্টা করেছি।’

এমন কাজ টাকা বা জনপ্রিয়তার জন্য নয় বরং নারীর প্রতি সমাজের দৃষ্টিভঙ্গি যেন সরল হয়, সুন্দর হয়, সে জন্যই কাজটি করেছেন বলে জানান বাঁধন।

জয় হোক গানের মিউজিক্যাল ফিল্মে বাঁধন। ছবি: সংগৃহীত

বান্দরবনে হয়েছে মিউজিক্যাল ফিল্মটির দৃশ্যধারণ। বান্দরবনের থানচি থেকে তিন ঘণ্টা বোটে চেপে যেতে হয় রিমাক্রিতে। সেখানে হয়েছে শুটিং। এর জন্য দুই দিন সাঙ্গু নদীতে থাকতে হয়েছে বাঁধনকে।

গত ২৬ ও ২৭ ফেব্রুয়ারি কাজটি করে ১ মার্চ ঢাকায় ফিরেছেন বাঁধন। গানটি প্রকাশ পাবে ২৬ মার্চ।

আরও পড়ুন:
পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে চাপ দিতে প্রিয়াঙ্কার মানা
বিয়ের ধারণা নিয়ে ‘স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলেন না’ প্রিয়াঙ্কা
ভুল নম্বরে প্রিয়াঙ্কার ক্ষুদেবার্তা!

শেয়ার করুন

‘যারা মন্তব্য করে তাদের কাজ নাই’

‘যারা মন্তব্য করে তাদের কাজ নাই’

ঢাকাই সিনেমার পরিচালক শাহীন সুমন। ছবি: নিউজবাংলা

‘ভালো সিনেমা কোনটা আর মন্দ সিনেমা কোনটা? অনেক টাকা খরচ করলেই কি ভালো সিনেমা হয়? টিমওয়ার্ক ভালো হলে সেই সিনেমা ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শাকিব খানের সিনেমাও তো ফ্লপ করে। তাহলে? আবার কম বাজেটের সিনেমাও ক্লিক করতে পারে। আর ১০০ সিনেমার মধ্যে ১০টা সিনেমা তো লাগতেও পারে।’

প্রযোজনা প্রতিষ্ঠান শাপলা মিডিয়া সম্প্রতি ১০০ সিনেমা নির্মাণের ঘোষণা দিয়েছে। ১০০ জন পরিচালক এসব সিনেমা নির্মাণ করবেন। প্রযোজনা প্রতিষ্ঠানের পক্ষে সিনেমাগুলোর সবকিছু সমন্বয় করছেন ঢাকাই সিনেমার নামী পরিচালক শাহীন সুমন।

সিনেমাগুলো নির্মাণের ঘোষণার পর থেকেই প্রশংসার পাশাপাশি হচ্ছে সমালোচনাও। সিনেমার মান, বাজেট নিয়ে নেতিবাচক কথা চলছে অনেক আড্ডা, আলোচনায়।

নিউজবাংলা সে বিষয়গুলো নিয়ে কথা বলেছে শাহীন সুমনের সঙ্গে।

১০০ সিনেমার অধিকাংশের বাজেট নাকি ২০ লাখের মতো। এই বাজেটে সিনেমা প্রেক্ষাগৃহে হয়তো ভালো চলতে পারে। কিন্তু তেমন কোনো উদাহরণ আমাদের দেশে নেই।

সিনেমার বাজেট কোনোভাবেই কম না। ধরেন কোনো ক্যামেরাম্যান দুই লাখ টাকা নেন। তাকে আমরা বলেছি তুমি কিছু কম টাকা নিয়ে কাজটি করো। সবাই যার যার জায়গা থেকে কিছু কম টাকা নিচ্ছে বলে যত টাকা প্রয়োজন ছিল, সেটা লাগছে না।

আমরা সবাই সিনেমা হল খোলার যুদ্ধে নেমেছি। যদি ১০০ সিনেমা নির্মিত হয়, তাহলে দুই বছরের রসদ থাকবে। প্রতি সপ্তাহে যদি হল মালিক সিনেমা পায়, তাহলে তারাও হল খুলতে উৎসাহী হবে। আর হল খুললে কাজও বাড়বে। তাই কিছু কম টাকা পেলেও কাজ করছেন সবাই।

ভালো প্রোডাকশন নির্মাণের জন্য যা কিছু লাগছে, সব আমরা পরিচালকদের সরবরাহ করছি। সেটা টাকা, অভিনয়শিল্পী, টেকনিশিয়ান সবকিছুই।

যে পরিচালকদের নাম ঘোষণা করা হয়েছে, তাদের অনেকেই নিয়মিত সিনেমা নির্মাণের সঙ্গে ছিলেন না। নিয়মিত সিনেমা না বানালেও ভালো সিনেমা হয়তো নির্মাণ করা যায়। কিন্তু ১০০ পরিচালকের অনেকেরই ভালো বা ব্যাবসাসফল সিনেমা নেই। তাদের কেন সিনেমা বানাতে দিলেন?

কথায় আছে ‘অস্ত্র জমা দিয়েছে কিন্তু ট্রেনিং জমা দিই নাই’। আমাদের পরিচালকরা কিন্তু কেউ শুটিংয়ের ট্রেনিং জমা দেয় নাই। আমি তাদের শুটিং দেখে মুগ্ধ। এত বছর পর সিনেমা বানাতে গিয়েও তারা অনেক ভালো কাজ করছে।

এটা তাদের জন্য একটা দরজা। এখানে ভালো কাজ করতে পারলে অন্য জায়গাতেও তারা কাজ করার সুযোগ পাবে। নতুন সিনেমার সুযোগ আসবে তাদের কাছে।

আর মাঠে থাকলে খেলা যায়। এই পরিচালকের অনেকে তো মাঠেই নাই, খেলবে কীভাবে। এই সিনেমার মাধ্যমে তারা দেখানোর সুযোগ পাবে। আমি তাদের কোনোভাবেই খাটো করে দেখছি না। হয়তো সুযোগ পায়নি বলে দেখাতে পারেনি। এবার সেটা হয়ে যেতে পারে।

সিনেমাগুলো মুক্তির পরিকল্পনা কেমন আপনাদের। শুনেছি অ্যাপেও মুক্তি পাবে সিনেমাগুলো। কিন্তু অ্যাপে কী ধরনের সিনেমা দর্শকরা দেখতে চান, তা নিয়ে কোনো জরিপ আছে কি আপনাদের?

প্রত্যেকটি সিনেমা আগে হলে মুক্তি পাবে। তারপর অ্যাপে ও টিভিতেও মুক্তি পাবে। অ্যাপ নির্মাণের কাজ চলছে।

অ্যাপের দর্শকদের ধরন নিয়ে আরেকটি কমিটি আছে। তারা এগুলো নিয়ে কাজ করছে। আমি এগুলো ভালো বুঝি না। আমি বুঝি চলচ্চিত্র নির্মাণ। আমি সেটি নিয়ে কাজ করছি।

সামনে পরিচালক সমিতির নির্বাচন। নির্বাচনে আপনি মহাসচিব প্রার্থী হিসেবে লড়বেন। এই ১০০ সিনেমার ঘোষণা আপানাকে নির্বাচনে জেতাতে সাহায্য করবে।

এটা যদি কেউ বলে, তাহলে কিছু করার নাই। কারণ, আমি কিন্তু ১০০ সিনেমা ঘোষণা দেয়ার এক বছর আগে থেকেই বলছি যে আমি নির্বাচন করব। আমার সভাপতি হবে সোহানুর রহমান সোহান। এর মধ্যে ১০০ সিনেমার ঘোষণা হয়ে গেছে। এটা কাকতালীয় বলতে পারেন।

সেলিম খান আমার বন্ধু, খুব কাছের বন্ধু। তার সিনেমায় আগ্রহ আছে। আমি চেষ্টা করছি সেই আগ্রহ যেন নষ্ট না হয়ে যায়। ১০০ জন পরিচালককে সিনেমা দিয়েছি, কারও মুখ দেখে দিইনি। লটারি করে দিয়েছি।

যারা এসব কুৎসা রটায়, তারা পাঁচটা সিনেমা নিয়ে এসে দিক না। তাহলে তো সিনেমা হয়, কিছু লোক কাজ করতে পারে। আমি তো ভালো কাজ করছি, খারাপ কিছু করি না। এই ১০০ সিনেমা হওয়ার কারণে অনেকেই কাজ করতে পারছে।

১০০ সিনেমার চেয়েও নাকি একটি ভালো সিনেমা বা ব্যবসাসফল সিনেমার শক্তি বেশি। আপনি কি তাই মনে করেন?

ভালো সিনেমা কোনটা আর মন্দ সিনেমা কোনটা? অনেক টাকা খরচ করলেই কি ভালো সিনেমা হয়? টিমওয়ার্ক ভালো হলে সেই সিনেমা ভালো হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। শাকিব খানের সিনেমাও তো ফ্লপ করে। তাহলে? আবার কম বাজেটের সিনেমাও ক্লিক করতে পারে। আর ১০০ সিনেমার মধ্যে ১০টা সিনেমা তো লাগতেও পারে।

যারা মন্তব্য করে, তারা মন্তব্য করার জন্যই বসে থাকে। যারা সমালোচনা করে তাদের কোনো কাজ নাই, তারা এগুলাই করবে। আমাদের কাজ হলো কাজ করা। আমরা কাজ করছি।

আরও পড়ুন:
পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে চাপ দিতে প্রিয়াঙ্কার মানা
বিয়ের ধারণা নিয়ে ‘স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলেন না’ প্রিয়াঙ্কা
ভুল নম্বরে প্রিয়াঙ্কার ক্ষুদেবার্তা!

শেয়ার করুন

সিনেমা হল: হাজার কোটি টাকার ঋণ যেসব শর্তে

সিনেমা হল: হাজার কোটি টাকার ঋণ যেসব শর্তে

বলাকা সিনেমা হল। ছবি: নিউজবাংলা

এ স্কিমের অধীনে আগ্রহী তফসিলি ব্যাংকগুলোকে পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশনের সাথে একটি অংশগ্রহণ চুক্তি করতে হবে। গ্রাহকের চূড়ান্ত ঋণ মঞ্জুরির আগে ব্যাংকগুলো অফ-সাইট সুপারভিশনের কাছ থেকে তহবিল পাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হবে। এরপর ঋণ মঞ্জুরি ও বিতরণ সম্পন্ন করে অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগে পুনঃঅর্থায়নের জন্য আবেদন করতে হবে।

করোনা মহামারিতে ক্ষতিগ্রস্ত চলচ্চিত্র শিল্পের জন্য এক হাজার কোটি টাকার একটি ‘বিশেষ’ পুনঃঅর্থায়ন তহবিল গঠন করছে বাংলাদেশ ব্যাংক। এ তহবিল থেকে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ, সংস্কার ও আধুনিকায়নে কম সুদে ঋণ দেয়া হবে।

এ ঋণ নিতে হলে কিছু নীতিমালা অনুসরণ করার কথা বলেছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

বুধবার কেন্দ্রীয় ব্যাংকের অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগ এ সংক্রান্ত্র নীতিমালা জারি করেছে।

এতে বলা হয়, এ স্কিমের অধীনে আগ্রহী তফসিলি ব্যাংকগুলোকে পুনঃঅর্থায়ন গ্রহণের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের ডিপার্টমেন্ট অব অফ-সাইট সুপারভিশনের সাথে একটি অংশগ্রহণ চুক্তি করতে হবে।

গ্রাহকের চূড়ান্ত ঋণ মঞ্জুরির আগে ব্যাংকগুলো অফ-সাইট সুপারভিশনের কাছ থেকে তহবিল পাওয়ার বিষয়ে নিশ্চিত হবে।

এরপর ঋণ মঞ্জুরি ও বিতরণ সম্পন্ন করে অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগে পুনঃঅর্থায়নের জন্য আবেদন করতে হবে।

ব্যাংক থেকে প্রথম কিস্তির তারিখ থেকে সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের বিপরীতে পুনঃঅর্থায়নের মেয়াদ ও গ্রেস পিরিয়ড হিসাবায়ন করা হবে।

এক্ষেত্রে পুনঃঅর্থায়নের অর্থ প্রথম কিস্তির মেয়াদ হতে এক বছর সময়সীমার মধ্যে ব্যবহার নিশ্চিত করতে হবে।

গ্রেস পিরিয়ড চলাকালে আরোপিত সুদ ঋণের অবশিষ্ট মেয়াদের মধ্যে সমভাবে বণ্টনপূর্বক আদায় করা হবে।

সুদসহ পুনঃঅর্থায়নের অর্থ ২৮টি ত্রৈমাসিক কিস্তিতে বাংলাদেশ ব্যাংকের মতিঝিল অফিসে রক্ষিত সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের টাকা চলতি হিসাব বিকলনের মাধ্যমে আদায় করা হবে।

স্কিমের আওতায় নেয়া অর্থ মেয়াদের আগে সম্পূর্ণ সমন্বয়ের ক্ষেত্রে কোনো অতিরিক্ত অর্থ কাটা হবে না এবং তফসিলি ব্যাংকও গ্রাহকের কাছে অতিরিক্ত অর্থ আদায় করতে পারবে না। ব্যাংক কর্তৃক আংশিক সমন্বয়ের সুযোগ থাকবে না।

স্কিমের আওতায় নেযা অর্থের উপর সাধারণভাবে ত্রৈমাসিক ভিত্তিতে সুদ আরোপ ও আদায় করা হবে। তবে, মেয়াদের আগে সমন্বয়ের ক্ষেত্রে ত্রৈমাসিক ভগ্নাংশের জন্য বাংলাদেশ ব্যাংকের হিসাবে অর্থ জমা হওয়ার পূর্বদিন পর্যন্ত দৈনিক ভিত্তিতে সুদ আদায় করা হবে।

15
স্টার সিনেমাপ্লেক্স বসুন্ধরা। ফাইল ছবি

আবেদনের জন্য যেসব দলিল দিতে হবে

বিতরণকৃত ঋণ বা বিনিয়োগের সদ্ব্যবহার নিশ্চিতে বাংলাদেশ ব্যাংক বা সংশ্লিষ্ট ব্যাংকের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তাদের গ্রাহকের সংশ্লিষ্ট ব্যবসা প্রতিষ্ঠান বা স্থাপনা সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য সহযোগিতার বিষয়ে গ্রাহকের কাছ থেকে গৃহীত অঙ্গীকারনামা নিতে হবে।

ঋণ মঞ্জুরীর বিষয়ে সংশ্লিষ্ট মঞ্জুরকারী কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্তসহ চিফ রিস্ক অফিসারের সম্মতিপত্রের অনুলিপি ও মঞ্জুরিপত্র।

গ্রাহকের সর্বশেষ সিআইবি প্রতিবেদনের অনুলিপি।

অর্থ বিতরণের প্রমাণস্বরূপ সংশ্লিষ্ট গ্রাহকের ব্যাংক হিসাবের সত্যায়িত অনুলিপি।

এছাড়া স্কিমের আওতায় অংশগ্রহণ চুক্তি স্বাক্ষরকারী ব্যাংককে প্রতি ত্রৈমাসিক শেষে চতুর্থ মাসের ১৫দিনের মধ্যে গ্রাহকের ব্যবসার সর্বশেষ পরিস্থিতি (প্রকল্প বাস্তবায়নের অবস্থা, ব্যবসায়ের আয় পরিস্থিতি এবং ব্যাংকের দায় পরিশোধ ইত্যাদি) প্রতিবেদন অফ-সাইট সুপারভিশন বিভাগে দাখিল করতে হবে।

এ তহবিল থেকে ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে প্রেক্ষাগৃহ নির্মাণ, সংস্কার ও আধুনিকায়নে কম সুদে ঋণ দেওয়া হবে।

সাধারণভাবে পুনঃঅর্থায়ন তহবিল থেকে ব্যাংকগুলো ব্যাংক রেটে (বর্তমানে যা ৪ শতাংশ) ঋণ নিয়ে গ্রাহক পর্যায়ে বিতরণ করে।

করোনাভাইরাস মহামারীর সময়ে বাংলাদেশ ব্যাংক যেসব পুনঃঅর্থায়ন তহবিল ঘোষণা করেছে, গ্রাহক পর্যায়ে তার সর্বোচ্চ সুদহার হচ্ছে ৫ শতাংশ।

তবে কোভিড-১৯ এর আগে সাধারণত গ্রাহক পর্যায়ে এ ধরনের তহবিল থেকে গ্রাহকরা ৯ শতাংশ সুদে ঋণ পেত।

গত বছরের এপ্রিল থেকে ব্যাংকগুলোর নিজেদের অর্থে দেওয়া ঋণের সুদহার ৯ শতাংশে নেমে এসেছে। এ কারণে পুনঃঅর্থায়ন তহবিলের সুদহার এর চেয়ে অনেক কম হবে।

আরও পড়ুন:
পরিবার পরিকল্পনা নিয়ে চাপ দিতে প্রিয়াঙ্কার মানা
বিয়ের ধারণা নিয়ে ‘স্বাচ্ছন্দ্যে ছিলেন না’ প্রিয়াঙ্কা
ভুল নম্বরে প্রিয়াঙ্কার ক্ষুদেবার্তা!

শেয়ার করুন

ad-close 103.jpg