× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

বিনোদন
নিউ ইয়ার সন্ধ্যায় দাওয়াতে আনুশকা ভিরাট জুটি
google_news print-icon

পান্ডিয়ার বাসায় নববর্ষ উদযাপন আনুশকা-ভিরাটের

পান্ডিয়ার-বাসায়-নববর্ষ-উদযাপন-আনুশকা-ভিরাটের
নববর্ষ উদযাপনের ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে ক্যাপশনে ভিরাট লেখেন, ‘বন্ধু তারাই যারা একসঙ্গে ভালো-খারাপ সময় পার করে! নিরাপদ পরিবেশে বন্ধুদের সঙ্গে এক হওয়ার মতো আনন্দ আর কিছুতেই নেই।’

নতুন বছরের প্রথম দিনে ক্রিকেটার হার্দিক পান্ডিয়ার বাড়িতে দাওয়াতে গেছেন তারকা দম্পতি আনুশকা শর্মা ও ভিরাট কোহলি। সেখানে নৈশভোজের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট করেছেন দুই জনই।

পান্ডিয়ার বাড়িতে নববর্ষ উদযাপনের ছবি ইনস্টাগ্রামে শেয়ার করে ক্যাপশনে ভিরাট লেখেন, ‘বন্ধু তারাই যারা একসঙ্গে ভালো-খারাপ সময় পার করে! নিরাপদ পরিবেশে বন্ধুদের সঙ্গে এক হওয়ার মতো আনন্দ আর কিছুতেই নেই।

‘এ বছরটি অনেক আশা, আনন্দ, সুখ ও সুস্বাস্থ্য নিয়ে আসতে পারে। নিরাপদ থাকো! হ্যাপি নিউ ইয়ার ২০২১।’

একই পার্টিতে ভিরাটের সঙ্গে তোলা একটি সাদা-কালো ছবি ইনস্টাগ্রামে পোস্ট করেন আনুশকা।

এতে তিনি লেখেন, ‘এ বছর সবার জীবনে আনন্দ ও সমৃদ্ধি বয়ে আনুক। আমাদের পক্ষ থেকে সবাইকে হ্যাপি নিউ ইয়ার।’

ওই নৈশভোজের ছবি পোস্ট করেছেন হার্দিক পান্ডিয়াও। একটি গ্রুপ ছবিতে দেখা যাচ্ছে, খাবারের টেবিলে সবাই বসে ক্যামেরার দিকে তাকিয়ে আছেন।

ভারতের সবচেয়ে জনপ্রিয় তারকা দম্পতি ভিরাট ও আনুশকা। ২০১৭ সালের শেষে বিয়ে হয় তাদের।

এ বছরের শুরুতেই প্রথম সন্তান প্রত্যাশা করছেন আনুশকা। সম্প্রতি ভোগকে দেয়া এক সাক্ষাত্কারে প্যারেন্টিং কৌশলগুলো নিয়ে কথা বলেন তিনি।

আনুশকা জানান, তিনি অবশ্যই সন্তানকে সবার প্রতি শ্রদ্ধাশীল হতে শেখাবেন। কীভাবে অন্যায়ের বিরোধিতা করবে তাও শেখাবেন তাকে।

আরও পড়ুন:
জুটি বাঁধছেন রণবীর-সারা
সৈকতে হবে বছরের শুরু
গুপ্তচর হচ্ছেন পরিণীতি চোপড়া
আলিয়া ভাট ও সঞ্জয় লীলার বিরুদ্ধে মামলা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

বিনোদন
Barisal breaks Khulnas dream in the playoffs

খুলনার স্বপ্ন ভেঙে প্লে-অফে বরিশাল

খুলনার স্বপ্ন ভেঙে প্লে-অফে বরিশাল ছবি: এক্স
গত ম্যাচে চট্টগ্রামের বিপক্ষে হেরে খাদের কিনারায় চলে যায় খুলনা টাইগার্স। তবে বরিশালের আজকের জয়ে তাদের প্লে-অফে খেলার সব হিসাব-নিকাশ শেষ হয়ে গেছে।

জিতলে নিশ্চিত প্লে-অফ, তবে হারলেও সুযোগ থাকত ফরচুন বরিশালের। এমন সমীকরণের ম্যাচে নিজেদের ভাগ্য হাতছাড়া করেনি তারা। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ৬ উইকেটে হারিয়ে শেষ চারের টিকেট নিশ্চিত করেছে তামিম-মুশফিক-মাহমুদুল্লাহদের বরিশাল।

গত ম্যাচে চট্টগ্রামের বিপক্ষে হেরে খাদের কিনারায় চলে যায় খুলনা টাইগার্স। শেষ চারের টিকিট পেতে তাদের হিসাবটা বেশ জটিল হয়ে যায়। নিজেদের শেষ ম্যাচ জিততে হবে, সেইসঙ্গে বরিশালকে কুমিল্লার কাছে বড় ব্যবধানে হারতে হবে- এমনভাবে কাগজে-কলমে টিকে ছিল তাদের আশা। তবে বরিশালের আজকের জয়ের ফলে তাদের সব হিসাব-নিকাশ শেষ হয়ে গেছে।

টস জিতে অধিনায়ক তামিমের শুরুতে ফিল্ডিং নেয়ার সিদ্ধান্তের প্রতি সুবিচার করেন বরিশালের বোলাররা। দারুণ বোলিংয়ে কুমিল্লাকে ১৪০ রানের মধ্যে বেঁধে ফেলেন তাইজুল-সাইফউদ্দিনরা। পরে রান তাড়ায় নেমে অধিনায়কের মতোই খেললেন তামিম। তার ৩ ছক্কা ও ছয় চারের মারে সাজানো ৪৮ বলে ৬৬ রানের ইনিংসে ভর করে জয়ের বন্দরে পৌঁছায় বরিশাল।

এ জয়ে শেষ দল হিসেবে সেরা চারে উঠল ফরচুন বরিশাল। ১২ ম্যাচ শেষে ৭ জয়ে পয়েন্ট টেবিলে তাদের অবস্থান তৃতীয়। সমান জয়ে নেট রান রেটে পিছিয়ে থাকায় চট্টগ্রাম থাকছে চার নম্বরে।

ফলে প্রথম দুই দল হিসেবে কোয়ালিফায়ার ম্যাচ খেলে সরাসরি ফাইনালের টিকিট কাটার সুযোগ রংপুর রাইডার্স ও কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের সামনে। আর প্রথম এলিমিনেটর ম্যাচে ফরচুন বরিশাল ও চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্সের যেকোনো এক দলকে নিতে হবে বিদায়।

আগামী সোমবার এলিমিনেটর ম্যাচে মুখোমুখি হবে বরিশাল ও চট্টগ্রাম। প্রথম পর্বের শেষ ম্যাচ হারলেও সেরা দুইয়ে থাকা আগেই নিশ্চিত করেছিল কুমিল্লা। প্রথম কোয়ালিফায়ার ম্যাচে তাদের প্রতিপক্ষ টেবিলের শীর্ষে থাকা রংপুর রাইডার্স।

আরও পড়ুন:
প্লে-অফে যেতে বরিশালকে ১৪১ রানের লক্ষ্য দিল কুমিল্লা
অন্ধকারে ঢাকা-খুলনা, স্ববিক্রমে লড়াই করেছেন শরিফুল-বিজয়রা

মন্তব্য

বিনোদন
Comilla gave Barisal a target of 141 runs to go to the playoffs

প্লে-অফে যেতে বরিশালকে ১৪১ রানের লক্ষ্য দিল কুমিল্লা

প্লে-অফে যেতে বরিশালকে ১৪১ রানের লক্ষ্য দিল কুমিল্লা ছবি: সংগৃহীত
কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ১৪০ রানে আটকে দিয়েছে বরিশাল। এখন এই রান টপকাতে পারলেই শেষ চারে নিশ্চিত হয়ে যাবে তাদের জায়গা।

জিতলেই নিশ্চিত হবে প্লে-অফ, হারলেও টিকে থাকবে আশা- এমন সমীকরণে টস জিতে ফিল্ডিংয়ে নেমে দুর্দান্তভাবে প্রখম ইনিংস শেষ করেছে ফরচুন বরিশাল। কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সকে ১৪০ রানে আটকে দিয়েছে তারা। এখন এই রান টপকাতে পারলেই শেষ চারে নিশ্চিত হয়ে যাবে তাদের জায়গা।

শুরুতে ব্যাট করে ৮ উইকেটে ১৪০ রান করেছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। দলের হয়ে ১৬ বলে সর্বোচ্চ ৩৮ রানের অনবদ্য ইনিংস খেলেন সাত নম্বরে নামা জাকের আলি।

মিরপুর শেরে বাংলা জাতীয় ক্রিকেট স্টেডিয়ামে আজ দিনের প্রথম ম্যাচে বরিশালের বিপক্ষে টস হেরে প্রথমে ব্যাট করতে নেমে বড় ইনিংস খেলতে পারেননি কুমিল্লার দুই ওপেনার ওয়েস্ট ইন্ডিজের সুনীল নারাইন ও অধিনায়ক লিটন দাস।

১৮ বলে ২টি চার ও ১টি ছক্কায় ১৬ রান করা নারাইনকে শিকার করেন ক্যারিবীয় পেসার ওবেড ম্যাককয়। ২টি বাউন্ডারিতে ১২ বলে ১২ রান করে স্পিনার তাইজুল ইসলামের বলে আউট হন লিটন।

দুই ওপেনারের পর সাজঘরে ফিরেন চার নম্বরে নামা মাহিদুল ইসলাম অঙ্কনও। তাইজুলের দ্বিতীয় শিকার হন ১ রান করা অঙ্কন।

৪০ রানে ৩ উইকেট পতনের পর কুমিল্লাকে লড়াইয়ে ফেরানোর চেষ্টা করেন তাওহিদ হৃদয় ও মঈন আলি। ৩টি চারে ২৫ রান করা হৃদয়কে থামিয়ে ৩০ বলে ৩৬ রান যোগ হওয়া জুটি ভাঙ্গেন ম্যাককয়।

দলীয় ৭৬ রানে হৃদয় ফেরার পর বিপদ বাড়ে কুমিল্লার। ৯৭ রানে সপ্তম ব্যাটারকে হারায় তারা। মঈন ২৩, ওয়েস্ট ইন্ডিজের আন্দ্রে রাসেল ১৪ ও ম্যাথু ফোর্ড শূণ্যতে ফিরেন।

অষ্টম উইকেটে মোহাম্মদ এনামুলের সাথে ১৫ বলে ২৭ এবং নবম উইকেটে তানভীর ইসলামকে নিয়ে ৭ বলে অবিচ্ছিন্ন ১৬ রান যোগ করে কুমিল্লাকে সম্মানজনক সংগ্রহ এনে দেন উইকেটরক্ষক জাকের আলী । শেষ ৩ ওভারে ৪২ রানের সুবাদে ৮ উইকেটে ১৪০ রানের সংগ্রহ পায় কুমিল্লা। ২টি চার ও ৪টি ছক্কায় ১৬ বলে ৩৮ রানের ক্যামিও ইনিংস খেলেন জাকের। বরিশালের তাইজুল ৩টি, ম্যাককয় ও সাইফুদ্দিন ২টি করে উইকেট নেন।

মন্তব্য

বিনোদন
Shariful Vijayara fought in Dhaka Khulna independently in the dark

অন্ধকারে ঢাকা-খুলনা, স্ববিক্রমে লড়াই করেছেন শরিফুল-বিজয়রা

অন্ধকারে ঢাকা-খুলনা, স্ববিক্রমে লড়াই করেছেন শরিফুল-বিজয়রা
আজকের আলোচনাটা ঢাকা কিংবা খুলনাকে নিয়ে নয়। দল দুটির কিছু খেলোয়াড়দের নিয়ে।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) এবারের আসর থেকে ইতোমধ্যেই বিদায় নিশ্চিত হয়ে গেছে দুর্দান্ত ঢাকার। কাটা সুতোয় ঝুলে আছে খুলনা টাইগার্সের ভাগ্যও।

গ্রুপ পর্বে ১২ ম্যাচ খেলে মাত্র একটি ম্যাচে জয় পেয়েছিল ঢাকা। অন্যদিকে ১১ ম্যাচ খেলে খুলনার জয় ৫ ম্যাচে। আজকের আলোচনাটা ঢাকা কিংবা খুলনাকে নিয়ে নয়। দল দুটির কিছু খেলোয়াড়দের নিয়ে।

বিপিএলের শেষবেলায় এসে সর্বোচ্চ উইকেট শিকারি বোলারের তালিকায় চোখ মেললে দেখা যাবে জ্বলজ্বল করছে শরিফুল ইসলামের নাম। ১২ ম্যাচ খেলে শরিফুলের শিকার ২২ উইকেট। আসরে বাঁহাতি এই পেসার রান দিয়েছেন ওভারপ্রতি ৭ দশমিক ৮১। সেরা উইকেট শিকারির তালিকার পাঁচ নম্বর নামটা তাসকিন আহমেদের।

১২ ম্যাচ থেকে তাসকিনের শিকার ১৩ উইকেট। ওভারপ্রতি রান খরচ করেছেন ৮-এর একটু বেশি। তাসকিন এবারের বিপিএলে নামের প্রতি খুব একটা সুবিচার করতে পারেননি। এর পেছনে অবশ্য বড় দায়টা ছিল তাসকিনের ইনজুরি।

উইকেট ছেড়ে এবার নজর দেওয়া যাক রানের তালিকায়। সেখানেও আছে ঢাকার দুই তারকার নাম। ৩১০ রান করে রান সংগ্রাহকের তালিকার ৪ নম্বরে রয়েছেন নাঈম শেখ। তবে নাঈমের স্ট্রাইকরেট খুব একটা স্বস্তিদায়ক নয়। ১১৯ স্ট্রাইকরেটে ব্যাট করেছেন তিনি। দল হিসেবে ছন্দে ছিল না দুর্দান্ত ঢাকা। তবে ব্যক্তি পারফরম্যান্সে নজর কেড়েছেন এই তারকারা।

খুলনা টাইগার্সও অপেক্ষায় আছে বিদায়ের। দুর্দান্ত শুরুর পর শেষ ম্যাচগুলোতে তারা জয় পেতেই যেন ভুলে গেছে। তাই শেষ মুহূর্তে এসে অপেক্ষা করছে সমীকরণের মারপ্যাঁচের। দেশি খেলোয়াড়দের মধ্যে খুব বেশি আলো কাড়তে পারেননি কেউই। বিশেষ করে তরুণ কোনো খেলোয়াড়ই আসতে পারেননি লাইমলাইটে।

আফিফ হোসেনেরও সুযোগ ছিল, জাতীয় দলে নিজের জায়গাটা পাকা করার। কিন্তু ব্যর্থ হয়েছেন তিনিও। তবে খুলনাকে সামনে থেকে নেতৃত্ব দিয়েছেন এনামুল হক বিজয়। ব্যর্থদের মাঝে তিনিই ছিলেন একমাত্র আশার প্রদীপ। ব্যাট হাতে ছড়িয়েছেন দ্যুতি। ১১ ইনিংস থেকে করেছেন ২৮৬ রান।

এদের মধ্যে টি-টোয়েন্টি দলে জায়গা পেয়েছেন ৪ জনই। তাই বিপিএলে তাদের দল ভালো না করলেও জাতীয় দলে কাজে লাগবে তাদের এই পারফরম্যান্স।

মন্তব্য

বিনোদন
Rangpur flew to Andre Russells Ranhunkar

আন্দ্রে রাসেলের রণহুঙ্কারে উড়ে গেল রংপুর

আন্দ্রে রাসেলের রণহুঙ্কারে উড়ে গেল রংপুর
এই ম্যাচের আগে ১০ ম্যাচ খেলে খুলনার পয়েন্ট ছিল ১০। অন্যদিকে ১১ ম্যাচ খেলে চট্টগ্রামের পয়েন্ট ছিল ১২। তাই এই ম্যাচটা ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই ম্যাচে যদি খুলনা টাইগার্স জয় পেত, তাহলে ১১ ম্যাচ থেকে তাদের পয়েন্ট হতো ১২। শেষ ম্যাচ জিতলে তাদের পয়েন্ট হতো ১৪। অন্যদিকে ১২ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে বরিশালের চেয়ে রানরেট কম থাকায় প্লে-অফ থেকে বাদ পড়ে যেত চট্টগ্রাম।

আগামী ২৬ ফেব্রুয়ারি এলিমিনেটর ম্যাচ হওয়ার কথা থাকলেও অলিখিত এলিমিনেটর ম্যাচ খেলতে নেমেছিল খুলনা টাইগার্স আর চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। কারণ এই ম্যাচেই নির্ধারিত হবে দুই দলের প্লে-অফের ভাগ্য।

চট্টগ্রাম হারলেই শঙ্কা তৈরি হবে বিদায়ের। আর খুলনা হারলে তাদের বিদায়টা নিশ্চিতই। এমন কঠিন সমীকরণের উত্তেজনাপূর্ণ ম্যাচে অবশ্য নিজেদের মেলে ধরতে পারেনি খুলনা টাইগার্স। চট্টগ্রামের বিপক্ষে হেরেছে ৬৫ রানের বড় ব্যবধানে। গত আসরের মতো এবারও শেষ মুহূর্তে এসে চমক দেখাল চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স।

এই ম্যাচের আগে ১০ ম্যাচ খেলে খুলনার পয়েন্ট ছিল ১০। অন্যদিকে ১১ ম্যাচ খেলে চট্টগ্রামের পয়েন্ট ছিল ১২। তাই এই ম্যাচটা ছিল বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এই ম্যাচে যদি খুলনা টাইগার্স জয় পেত, তাহলে ১১ ম্যাচ থেকে তাদের পয়েন্ট হতো ১২। শেষ ম্যাচ জিতলে তাদের পয়েন্ট হতো ১৪। অন্যদিকে ১২ ম্যাচে ১২ পয়েন্ট নিয়ে বরিশালের চেয়ে রানরেট কম থাকায় প্লে-অফ থেকে বাদ পড়ে যেত চট্টগ্রাম।

কিন্তু চট্টগ্রাম জেতায় বিদায় ঘণ্টা বেজে গেছে টুর্নামেন্টে দুর্দান্ত শুরু করা খুলনা টাইগার্সের। খাতা-কলমে কিছুটা আশা বেঁচে থাকলেও মেলাতে হবে কঠিন সমীকরণ। ১১ ম্যাচ থেকে বিজয়দের পয়েন্ট এখন ১০। শেষ ম্যাচে যদি সিলেটের সঙ্গে জয় পায় তাহলে তাদের পয়েন্ট হবে ১২। শেষ ম্যাচে কুমিল্লার বিপক্ষে বরিশাল জয় পেলে তাদের পয়েন্ট হবে ১৪। সে ক্ষেত্রে আর কোনো সমীকরণই অবশিষ্ট থাকবে না খুলনার জন্য।

কিন্তু রংপুর হারলে আর খুলনা জিতলে দুই দলেরই পয়েন্ট থাকবে ১২। ‍যদিও এ ক্ষেত্রে খুলনা রানরেটে অনেকটা পিছিয়ে থাকায় শেষ ম্যাচে তাদের জিততে হবে বড় ব্যবধানে। আর বরিশালকে হারতে হবে বড় ব্যবধানে। তাই বলা যায় খুলনার বিদায়ঘণ্টা বেজেই গেছে।

খুলনাকে এই হারের তেতো স্বাদ দেওয়ার পেছনে বড় অবদানটা তরুণ তানজিদ হাসান তামিমের। এমন কঠিন ম্যাচে দক্ষ নাবিকের মতো চট্টগ্রামের হাল ধরেছিলেন তরুণ তানজিদ হাসান তামিম। ৫৮ বলে সেঞ্চুরি তুলে নেওয়ার পাশাপাশি খেলেছেন, এবারের আসরের সর্বোচ্চ রানের ইনিংস। তানজিদের আগ্রাসী ব্যাটিংয়েই খুলনাকে ভাসিয়েছিল রানের সমুদ্রে। যেখান থেকে ফিরে আসতে, শক্ত হাতে হাল ধরতে পারেনি খুলনার কোনো ব্যাটার। এরপর বল হাতে বিজয়দের তুফানের মধ্যে ফেলে দিয়েছিলেন অধিনায়ক শুভাগত হোম।

বিপিএলের মাঝপথে এসে বিদেশি রিক্রুটরা বিদায় নেওয়ার পর থেকেই হতাশার সাগরে ডুবে মরেছে খুলনা। তাদের রিপ্লেস খুঁজে পায়নি দলটি। যে কারণে টুর্নামেন্টে ভালো শুরুর পরও শেষটা রাঙাতে পারেনি খুলনা। অন্যদিকে বিপিএলের শুরুর দিকে চট্টগ্রামকে নেতৃত্ব দিয়েছে বিদেশিরা (সঙ্গে কিছু দেশি ক্রিকেটাররাও পারফর্ম করেছে)। আর শেষদিকে এসে পথ চিনিয়েছে দেশি ক্রিকেটাররা। বিশেষ করে শেষ দুই ম্যাচে তানজিদ তামিম একাই দলকে লড়াইয়ের পুঁজি এনে দিয়েছে। তানজিদের এই পারফরম্যান্স যেমন চট্টগ্রামের জন্য আশাজাগানিয়া, তেমনি জাতীয় দলের জন্যও।

দ্বিতীয় ম্যাচটা ছিল স্রেফ নিয়ম রক্ষার। কারণ এই ম্যাচে জয়-পরাজয়ে কোনো লাভ-ক্ষতি নেই কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স কিংবা রংপুর রাইডার্সের। কারণ দুই দলেরই প্লে-অফ নিশ্চিত হয়ে গেছে। তবে কুমিল্লা যদি একটু বড় ব্যবধানে হারে সে ক্ষেত্রে পয়েন্ট টেবিলের ৩ নম্বরে থেকে প্লে-অফ খেলতে হবে তাদের। যেটা কিছুটা অস্বস্তির।

তবে পরপর দুই ম্যাচে রংপুর রাইডার্সের ব্যাটিং ব্যর্থতা একটা বড় চিন্তার কারণ তাদের জন্য। গত ম্যাচে বরিশালের বিপক্ষে ব্যাটিং পিচেও ব্যর্থ ছিল রংপুরের বেশির ভাগ ব্যাটার। শেষ দিকে এসে বোলাররা জিতিয়েছে শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচ। আবার গতকাল কুমিল্লার বিপক্ষেও একই চিত্র দেখা গেছে রংপুরের ব্যাটারদের। পুরো করতে পেরেছে মাত্র ১৫০ রান। যার মধ্যে ৬ রান এসেছিল অতিরিক্ত থেকে। আর একাই ৫৯ রান করেছিলেন জিম্মি নিশাম। আর বাকিরা ছিল মোটা দাগে ব্যর্থ। প্লে-অফে ভুল করার কোনো সুযোগ নেই। তাই সেখানেও যদি এমন পারফরম্যান্স করে, সে ক্ষেত্রে হয়তো ফাইনাল খেলা নাও হতে পারে রংপুরের।

অন্যদিকে কুমিল্লার স্বস্তির খবর হলো লিটন, মাহিদুল ইসলাম অঙ্কন, আন্দ্রে রাসেলদের রানে ফেরা।

তবে শেষে এসে রাসেলের ছক্কাবৃষ্টি ভুলতে কষ্ট হবে রংপুর রাইডার্সের সমর্থকদের। যে তাণ্ডব তিনি চালালেন সেটা আসলে ভোলারও কথা নয়। ৩৫০-এর ওপরে স্ট্রাইকরেটে খেলা ইনিংসে রাসেল চার হাঁকিয়েছেন ৪টা, ছক্কাও সমান ৪টা। ১২ বল থেকে করেছেন ৪২ রান। এই ম্যাচে আরেকটা পারফরম্যান্স আছে রাসেলের। বল হাতেও অবদান রেখেছিলেন রংপুরের ব্যাটিং ইনিংসে ধস নামাতে। মাত্র ২০ রানেই শিকার করেছিলেন ৩ উইকেট।

ঠোঁটের কোণে এক চিলতে হাসি নিয়েই গ্রুপ পর্ব শেষ করল কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স। অন্যদিকে শেষ দুই ম্যাচে ব্যাটিং ব্যর্থতার দুঃসহ স্মৃতি নিয়েই গ্রুপ পর্ব শেষ করল সাকিব আল হাসানের রংপুর।

মন্তব্য

বিনোদন
Rangpurs victory in the last over fueled the excitement

উত্তেজনার পারদে জ্বালানি ঢেলে শেষ ওভারে রংপুরের জয়

উত্তেজনার পারদে জ্বালানি ঢেলে শেষ ওভারে রংপুরের জয়
ছোট রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আক্রমণাত্মক শুরু করে রংপুর। জাতীয় দলের খেলা শেষ করে বিপিএলে যোগ দেওয়া ব্র্যান্ডন কিং ঝড় তোলেন উইকেটে।

কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের বিপক্ষে সিলেট স্ট্রাইকার্সের হারানোর ছিল না কিছুই। ইতোমধ্যেই প্লে-অফ থেকে বিদায় নিশ্চিত হয়েছে গেছে তাদের। তাই নির্ভার হয়ে মাঠে নেমেছিল মোহাম্মদ মিঠুনরা। তার ওপর আবার এই ম্যাচের আগে উড়িয়ে এনেছিল মারকুটে ক্যারিবীয় ব্যাটার কেনার লুইসকে। তার আসাটা সার্থকও হয়েছে। কুমিল্লাকে হারিয়েছে ১২ রানের ব্যবধানে।

পুরো আসর জুড়েই মোটামুটি ব্যর্থ ছিল সিলেটের ওপেনিং জুটি। যার কারণে পাওয়ার-প্লের সুযোগটাকে কাজে লাগাতে পারেনি তারা। লুইস আসায় সেই জায়গার ঘাটতি পূরণ হয়েছিল। তবে সিলেটের জয়ের পেছনে বড় কৃতিত্ব ইংলিশ অলরাউন্ডার বেনি হাওয়েলের। সিলেটের দুই ইনিংসেই তিনি ছিলেন আস্থার প্রতীক। ব্যাট হাতে ২০০ স্ট্রাইকরেটে ৩১ বলে খেলেছিলেন ৬২ রানের ঝোড়ো ইনিংস। মূলত তার ব্যাটে ভর করেই লড়াকু পুঁজি পেয়েছিল সিলেট। বল হাতেও শিকার করেছিলেন এক উইকেট। এমন পারফরম্যান্সের পুরস্কার হিসেবে পেয়েছেন ম্যাচ সেরার পুরস্কার।

তবে সিলেটের জয়ে বেশ ভালো অবদান ছিল দেশের তরুণ পেসার তানজিম সাকিবেরও। তিনি একাই নিয়েছেন ৩ উইকেট। শেষ ওভারে জয়ের জন্য কুমিল্লার প্রয়োজন ছিল ২৫ রান। স্ট্রাইকে ছিল উইকেটে থিতু হওয়া লিটন দাস। প্রথম বলেই তাকে আউট করে ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দিয়েছিলেন। শেষ ৩ বলে কুমিল্লার প্রয়োজন ছিল ১৭ রান। আর স্ট্রাইকে তখন টি-টোয়েন্টির ফেরিওয়ালা আন্দ্রে রাসেল। তবে রাসেলকে ভয় পাননি সাকিব। নিজের নার্ভকে শক্ত করে আদায় করে নিয়েছেন ডট বল। সব মিলিয়ে ১২ রানের বেশি নিতে দেননি আন্দ্রে রাসেলদের।

সিলেটের বিপক্ষে হারলেও কুমিল্লার জন্য আহামরি ক্ষতি হয়নি। প্লে-অফে খেলা এখনো প্রায় নিশ্চিতই তাদের। ১০ ম্যাচ থেকে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে অবস্থান করছে পয়েন্ট টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে। বাকি দুই ম্যাচে বড় ব্যবধানে না হারলে, শেষ চারে থাকবে তারাই। তাই বরং তাদের প্রাপ্তি নিয়েই তারা খুশি থাকতে পারে।

সিলেটের বিপক্ষে বিপিএলে নিজের ক্যারিয়ার সেরা ব্যাটিং করেছেন লিটন দাস। যদিও দলকে জয় এনে দিতে পারেননি কিন্তু তার রানে ফেরাটা কুমিল্লার বেশ স্বস্তির। কারণ বিপিএলের শুরুর দিকে কোনোভাবেই হাসছিল না লিটন দাসের ব্যাট। তার ব্যাট কাজে আসবে পরের ম্যাচগুলোতে।

প্লে-অফ নিশ্চিতের লক্ষ্যে শুরু থেকেই হাত খুলে খেলতে থাকেন বরিশালের ওপেনার তামিম ইকবাল। ২০ বল থেকে ৩৩ রান করে তামিম ফিরলে গতকালও বরিশালের ত্রাতা হয়ে আসেন কেইল মায়ার্স। দৃষ্টিনন্দন সব শট খেলতে থাকেন জায়গায় দাঁড়িয়ে থেকে। কিন্তু বরিশালের ইনিংসের সর্বনাশ ডেকে আনেন আহমেদ শেহজাদের পরিবর্তে মাঠে নামা ইংলিশ ওপেনার টম ব্যান্টন। ১২তম ওভারে জিম্মি নিশামের বলে উইকেট বিলিয়ে আসেন তিনি। এখান থেকেই শুরু হয় বরিশালের পতন। এরপর আর কেউই উইকেটে দাঁড়াতে পারেনি। নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকেন তামিম ইকবালরা।

বাঁহাতি পেসার আবু হায়দার রনি একাই ধংসস্তূপে ঠেলে দেন বরিশালকে। ১৩ ওভারে শিকার করেন ৩ উইকেট। ওভারের প্রথম বলেই ফেরান মুশফিকুর রহিমকে। তৃতীয় বলে শিকার সৌম্য সরকার। আর শেষ বলে ঝড় তুলতে থাকা কেইল মায়ার্স। এরপর নিয়মিত বিরতিতে উইকেট হারাতে থাকে ফরচুন বরিশাল। ১১ ওভারে ১০৪ রান করা বরিশাল শেষ ৯ ওভারে তুলতে পারে মোটে ৪৭ রান। এই সময়ে উইকেট হারিয়েছে ৮টি। ২০০ বা ২২০ রানের আশা দেখিয়েও বরিশাল সংগ্রহ করতে পারে মোটে ১৫১ রান।

ছোট রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে আক্রমণাত্মক শুরু করে রংপুর। জাতীয় দলের খেলা শেষ করে বিপিএলে যোগ দেওয়া ব্র্যান্ডন কিং ঝড় তোলেন উইকেটে। বিপিএলের মাঝপথে দল পাওয়া মুমিনুল এদিন ব্যর্থ ছিলেন ব্যাট হাতে। কোনো রান না করেই ফিরে যান প্যাভিলিয়নে। এরপর ব্যাটিংয়ে নেমে ব্র্যান্ডন কিংয়ের সঙ্গে চার-ছক্কার ঝড় নামাতে শুরু করেন। পাওয়ার-প্লের শেষ বলে মেহেদী হাসান মিরাজকে বাইরে বের হয়ে মারতে গিয়ে বোকা বনে যান কিং। স্টাম্পিং হয়ে ফেরত যান ড্রেসিংরুমে। এরপর কিছুটা ব্যাটিং বিপর্যয়ে পড়ে যায় রংপুর। দুই ওভার পরে মিরাজের শিকার হয়ে একই পথে হাঁটেন সাকিবও। তবে যাওয়ার আগে ১৫ বল থেকে করে যান গুরুত্বপূর্ণ ২৯ রান। ১২তম ওভারে মিরাজের বলে ক্যাচ তুলে দেন জিম্মি নিশাম। কিন্তু সহজ ক্যাচ তালুবন্দি করতে ব্যর্থ হয় প্রিতম। এরপর ১৭ বল থেকে ২৮ রান করে দলের জয়ে গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখেন নিশাম। অস্বীকার করার উপায় নেই টম মরিস আর প্রিটোরিয়াসের ইনিংসকে। আসরের সবচেয়ে প্রতিযোগিতাপূর্ণ ছিল এটি। খেলা গড়িয়েছে শেষ ওভার পর্যন্ত। একবার বরিশাল আশা জাগিয়েছে তো আরেকবার আশা জাগিয়েছে রংপুর। শেষ পর্যন্ত জয়টা পেয়েছে রংপুরই। তবে ১২তম ওভারে নিশামের ওই ক্যাচটা তালুবন্দি করতে পারলে ভিন্ন কিছুও হতে পারত ম্যাচের রেজাল্ট।

মন্তব্য

বিনোদন
Noting the warm touch of intense rivalry

তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার উষ্ণ স্পর্শ লক্ষ করছি

তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার উষ্ণ স্পর্শ লক্ষ করছি
যেকোনো এক দলের বিপক্ষে জয় পেলেই প্লে-অফ নিশ্চিত হয়ে যাবে বরিশালের। কোনো জয় না পেলেও সুযোগ থাকবে তাদের, তবে সে জন্য হিসাব কষতে হবে জটিল অঙ্কের।

বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের (বিপিএল) শেষ মুহূর্তে এসে জমে উঠেছে পয়েন্ট টেবিলের হিসাব-নিকাশ। ১০ ম্যাচ খেলে ৮ জয়ে ১৬ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের শীর্ষে আছে রংপুর রাইডার্স। আর ৯ ম্যাচ খেলে ৭ জয়ে ১৪ পয়েন্ট নিয়ে টেবিলের দ্বিতীয় স্থানে আছে বর্তমান চ্যাম্পিয়ন কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্স।

এরই মধ্যে প্লে-অফ খেলা নিশ্চিত হয়ে গেছে এ দুই দলের। তারা এখন লড়াই করবে টেবিলের শীর্ষে থাকার। এখন প্রশ্ন হলো বাকি দুই দল তাহলে কারা?

সোজাসুজি সেই প্রশ্নের উত্তর দেয়া কিছুটা কঠিনই বটে। কারণ প্লে-অফের শেষ দুই দলের মধ্যে হাড্ডাহাড্ডি লড়াই চলছে ফরচুন বরিশাল, চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স আর খুলনা টাইগার্সের মধ্যে। বাকি দুই দলের চেয়ে বেশ খানিকটা এগিয়ে আছে তামিম ইকবালের বরিশাল। ১০ ম্যাচ খেলে তাদের পয়েন্ট ১২। অবশ্য বাকি দুই ম্যাচে তাদের দিতে হবে কঠিন পরীক্ষা; লড়াই করতে হবে টেবিলের শীর্ষে থাকা দুই দলের বিপক্ষে।

যেকোনো এক দলের বিপক্ষে জয় পেলেই প্লে-অফ নিশ্চিত হয়ে যাবে বরিশালের। কোনো জয় না পেলেও সুযোগ থাকবে তাদের, তবে সে জন্য হিসাব কষতে হবে জটিল অঙ্কের।

এরই মধ্যে লড়াইয়ের জন্য বেশ ভালো প্রস্তুতিই নিয়েছেন তামিমরা। শুরুর ম্যাচগুলোতে আহমেদ শেহজাদ ভালো করলেও ইনিংস বড় করতে পারেননি শেষ কয়েক ম্যাচে। তার রিপ্লেস হিসেবে বরিশালের সঙ্গে যোগ দিয়েছে ইংলিশ ওপেনার টম ব্যান্টন। আর বোলিং সমস্যার সমাধানও পেয়ে গেছে তারা। তাই বরিশাল যে প্লে-অফে এক পা দিয়ে রেখেছে সেটা আর বলার অপেক্ষা রাখে না।

এখন বাকি একটি জায়গার জন্য লড়াই করবে চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স আর খুলনা টাইগার্স। দুই দলের অবস্থানই কাছাকাছি। ১১ ম্যাচ খেলে ৬ জয় চট্টগ্রামের। ১২ পয়েন্ট নিয়ে তারা আছে টেবিলের ৪ নম্বরে। অন্যদিকে ১০ ম্যাচ থেকে ১০ পয়েন্ট নিয়ে খুলনা আছে টেবিলের ৫ নম্বরে। চট্টগ্রাম তাদের শেষ লড়াইটা করবে খুলনা টাইগার্সের বিপক্ষে। মূলত এ ম্যাচেই নির্ধারিত হয়ে যাবে চট্টগ্রাম আর খুলনার প্লে-অফের ভাগ্য।

আগামী ২০ ফেব্রুয়ারি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় মাঠে নামবে দল দুটি। এ ম্যাচে জয় পেলে চট্টগ্রামের পয়েন্ট হবে ১২ ম্যাচে ১৪। তখন খুলনার পয়েন্ট দাঁড়াবে ১১ ম্যাচে ১০। তখন শেষ ম্যাচে সিলেট স্ট্রাইকার্সের বিপক্ষে জিতলেও তাদের পয়েন্ট হবে ১২। চট্টগ্রামের চেয়ে ২ পয়েন্টে পিছিয়ে থেকে বিদায় নিতে হবে আসর থেকে।

শেষ ম্যাচ জিতে বেশ আত্মবিশ্বাসী চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। শেষ ম্যাচে জয় পেয়েছে খুলনা টাইগার্সও। অন্যদিকে সেই ম্যচের আগেই খুলনায় যোগ দেয়ার কথা রয়েছে আইএল টি-টোয়েন্টির ফাইনালে দুর্দান্ত ইনিংস খেলা নিকোলাস পোরান ও লঙ্কান অলরাউন্ডার দাসুন শানাকা। সে ক্ষেত্রে লড়াইয়ে এগিয়ে থাকবে খুলনা টাইগার্সই। গত আসরেও শেষ মুহূর্তে এসে চমক দেখিয়েছিল চট্টগ্রাম চ্যালঞ্জার্স। শুভাগত হোমের দল এবারও চাইবে সে রকম কিছু করতে।

আরও পড়ুন:
তৌহিদ হৃদয়ের ধ্বংসাত্মক শতরানে কুমিল্লার বিজয়
সাকিবের ফর্মে ফেরা কিছুটা হলেও স্বস্তি দেবে ভক্তদের
হারের বৃত্তে ঢাকা
সাকিবের সংহারপূর্ণ ব্যাটিং-বোলিংয়ে রংপুরের জয়
বিপিএলের সিলেট পর্বে দেখা গেল বেশ কিছু চমক

মন্তব্য

বিনোদন
Mustafiz got stitches in head Other problem not found doctor

মুস্তাফিজের মাথায় সেলাই লেগেছে, অন্য সমস্যা পাওয়া যায়নি: চিকিৎসক

মুস্তাফিজের মাথায় সেলাই লেগেছে, অন্য সমস্যা পাওয়া যায়নি: চিকিৎসক মাঠে অনুশীলনে মুস্তাফিজুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত
বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী জানান, মুস্তাফিজের মাথার ভেতরে কোনো ক্ষত হয় কি না, সেটি নিয়ে চিন্তিত ছিল বিসিবি, তবে সিটি স্ক্যান করে তেমন কিছু ধরা পড়েনি।

চট্টগ্রামের জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে রোববার অনুশীলনে বল লেগে আহত পেসার মুস্তাফিজুর রহমানের মাথায় সেলাই লেগেছে বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী।

তিনি সাংবাদিকদের বলেছেন, মুস্তাফিজের মাথার চামড়া কেটে গেছে। সেখানে সেলাইও লেগেছে। এর বাইরে কোনো সমস্যা পাওয়া যায়নি।

প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, জহুর আহমেদ চৌধুরী স্টেডিয়ামে রোববার সকাল ১০টার দিকে অনুশীলন শুরু হয় কুমিল্লা ভিক্টোরিয়ান্সের। ওই সময় নেটে লিটন দাসকে বল করছিলেন মুস্তাফিজ। নিজের বল করা শেষে তিনি ফিরছিলেন বোলিং লাইন-আপের শেষ প্রান্তে।

তারা আরও জানান, ব্যাটারের দিকে ঘোরার সময় পাশের নেটে থাকা ফোর্ডের শট এসে লাগে মুস্তাফিজের মাথায়। এতে লুটিয়ে পড়েন তিনি। পরে তাকে চট্টগ্রামের ইম্পেরিয়াল হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নেয়া হয়।

বিসিবির প্রধান চিকিৎসক দেবাশীষ চৌধুরী জানান, মুস্তাফিজের মাথার ভেতরে কোনো ক্ষত হয় কি না, সেটি নিয়ে চিন্তিত ছিল বিসিবি, তবে সিটি স্ক্যান করে তেমন কিছু ধরা পড়েনি।

আরও পড়ুন:
অনুশীলনে মাথায় বল লেগে হাসপাতালে মুস্তাফিজ
ওয়ানডে র‍্যাঙ্কিংয়ে সেরা দশে মুস্তাফিজ
পন্টিংয়ের উপহার সবার জন্যেই অনুপ্রেরণা: মুস্তাফিজ

মন্তব্য

p
উপরে