× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Bangla Blockade Rail communication with Dhaka across the country is stopped
google_news print-icon

বাংলা ব্লকেড: ঢাকার সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ বন্ধ

বাংলা-ব্লকেড-ঢাকার-সঙ্গে-সারা-দেশের-রেল-যোগাযোগ-বন্ধ
রাজধানীর কারওয়ান বাজারে বুধবার রেললাইন অবরোধ করেন কোটাবিরোধী শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত
সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে সারা দেশে ‘বাংলা ব্লকেড’-এর অংশ হিসেবে বুধবার বেলা ১১টার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা কারওয়ান বাজার ও মহাখালী লেভেল ক্রসিংয়ে লগ বসিয়ে রেলপথ অবরোধ করেন। সন্ধ্যা পর্যন্ত এই ব্লকেড চলবে জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

রাজধানীর কারওয়ান বাজার লেভেল ক্রসিং ও মহাখালী লেভেল ক্রসিংয়ে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীরা ব্যারিকেড দেয়ায় ঢাকার সঙ্গে সারাদেশের ট্রেন যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে। এতে চরম ভোগান্তিতে যাত্রীরা পড়েছেন।

সরকারি চাকরিতে কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে সারা দেশে ‘বাংলা ব্লকেড’-এর অংশ হিসেবে বুধবার বেলা ১১টার দিকে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা লগ বসিয়ে লেভেল ক্রসিং অবরোধ করেন।

ঢাকা রেলওয়ে থানার ওসি ফেরদৌস আহমেদ বিশ্বাস জানান, বেলা ১১টার দিকে কারওয়ান বাজারসংলগ্ন লেভেল ক্রসিংয়ে ব্যারিকেড দিয়ে ট্রেন চলাচলে বাধা দেন শিক্ষার্থীরা।

বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী তানিম আহমেদ জানান, সন্ধ্যা পর্যন্ত তাদের এই ব্লকেড চলবে।

সরকারি চাকরিতে কোটা পদ্ধতি পুনর্বহালে হাইকোর্টের আগের আদেশের বিষয়ে সুপ্রিম কোর্টের আপিল বিভাগের চার সপ্তাহের স্থিতাবস্থা প্রসঙ্গে কোটাবিরোধী এই শিক্ষার্থী বলেন, ‘কোটা পদ্ধতির সংস্কার করতে হবে। তা না করা পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাব।’

কোটাবিরোধী বিক্ষোভকারীরা বুধবার সকালে শাহবাগ মোড়ে জড়ো হয়ে কোটা পদ্ধতির বিরুদ্ধে বিভিন্ন স্লোগান দিয়ে বিক্ষোভ করতে থাকলে রাজধানীর এই গুরুত্বপূর্ণ পয়েন্ট দিয়ে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এ সময় কিছু শিক্ষার্থী কারওয়ান বাজার এফডিসি পয়েন্টে সড়ক অবরোধ করে যান চলাচল বন্ধ করে দেন।

এদিকে মহাখালী, আমতলী, সায়েন্স ল্যাবরেটরি ও মেরুল বাড্ডায় শিক্ষার্থীদের সড়ক অবরোধ করে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দিতে দেখা গেছে।

রাজধানীর কোনো কোনো এলাকায় যাত্রীদের হেঁটে গন্তব্যে পৌঁছানোর চেষ্টা করতে দেখা গেছে।

কোটা সংস্কারের দাবিতে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচি পালনের সময় রেলওয়ে ও মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন আন্দোলনকারীরা।

আরও পড়ুন:
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে কোটাবিরোধীদের মশাল মিছিল
রাজপথে চেঁচামেচি করে কোটা ইস্যুর নিরসন হবে না: আইনমন্ত্রী
বুধবার সকাল-সন্ধ্যা ব্লকেড কর্মসূচি ঘোষণা শিক্ষার্থীদের
চাকরিতে কোটা নিয়ে আপিল বিভাগে শুনানি কাল
দুই আন্দোলন নিয়ে সরকার সতর্ক: কাদের

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Mirpur battlefield police box fire

মিরপুর রণক্ষেত্র, পুলিশ বক্সে আগুন

মিরপুর রণক্ষেত্র, পুলিশ বক্সে আগুন মিরপুর ১০ নম্বরে বৃহস্পতিবার দুপুরে পুলিশ বক্সে আগুন ধরিয়ে দেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
দুপুরের পর থেকে মিরপুর ১০, ১১, ১৩, ১৪ সহ আশপাশের পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়ে নেয় কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বরে পুলিশ বক্সে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দফায় দফায় চেষ্টা করেও সফল হয়নি আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী।

রাজধানীর মিরপুর যেন রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল থেকে একের পর এক সংঘর্ষ আর ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ায় পুরো এলাকা অচল হয়ে পড়েছে।

দুপুরের পর থেকে মিরপুর ১০, ১১, ১৩, ১৪ সহ আশপাশের পুরো এলাকার নিয়ন্ত্রণ নিয়েছে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে দফায় দফায় চেষ্টা করেও সফল হয়নি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

মিরপুর-১০ নম্বর গোল চক্করের পুলিশ বক্সে এ সময় আগুন দেয় শিক্ষার্থীরা। পুরো এলাকাতে বিরাজ করছে আতংক। কয়েক জায়গায় ককটেল বিস্ফোরণ হয়েছে বলেও জানা গেছে।

এমন পরিস্থিতিতে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে প্রায় সব ধরনের দোকানপাট, ব্যবসা প্রতিষ্ঠান। শিক্ষার্থীরা বলছেন, তাদের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত ঘরে ফিরবেন না তারা।

এদিকে সংঘর্ষ চলাকালে দুপুর থেকে বন্ধ করে দেয়া হয়েছে মেট্রো ট্রেন চলাচল। এতদিন আন্দোলনের মধ্যে মেট্রো ট্রেন চলাচল করলেও পরিস্থিতির ভয়াবহতা বিবেচনায় নিয়ে মেট্রোরেল কর্তৃপক্ষ এমন সিদ্ধান্ত নিয়েছে। মেট্রোরেলের কয়েকটি স্টেশনে হামলা হয়েছে বলেও জানা গেছে।

বৃহস্পতিবার দুপুরের পর মিরপুর-১০ নম্বর গোল চত্বরে দেখা যায় এক ভূতুড়ে পরিবেশ।। রাস্তার বিভিন্ন জায়গায় আগুন জ্বালিয়ে স্লোগান দিতে দেখা যায় শিক্ষার্থীদের। তাদের কন্ঠে শোনা যায় নানামুখী স্লোগান।

মিরপুর ১০ নম্বরে এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘ন্যায্য অধিকারের জন্য এভাবে রাজপথে আন্দোলন করতে হবে তা কখনও কল্পনাও করিনি। কেন আমার ভাইদের হত্যা করা হলো? কেন আমার বোনদের পেটানো হলো? এসব প্রশ্নের উত্তর কে দেবে আমাদের?’

রিফাত নামক আরেক শিক্ষার্থী বলেন, ‘এর আগে কোনোদিন এত ভয়াবহ আন্দোলন হয়নি। এই আন্দোলন এতদূর আসতো না যদি তারা (ছাত্রলীগ) আমাদের ওপর হামলা না করত। এখন কই তারা?’

আরও পড়ুন:
বিটিভির প্রধান কার্যালয়ে হামলা আগুন, সম্প্রচার বন্ধের শঙ্কা
ভৈরবে শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষ গুলি, মহাসড়ক অবরোধ
খুলনায় পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ
‘কমপ্লিট শাটডাউনে’ সন্ধ্যা পর্যন্ত ১১ জন নিহত হওয়ার খবর
অবরোধে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ

মন্তব্য

শিক্ষা
Three more days of HSC exam postponed

আরও তিনদিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত

আরও তিনদিনের এইচএসসি পরীক্ষা স্থগিত ফাইল ছবি।
আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় কমিটির সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, অনিবার্য কারণবশত ২১, ২৩ ও ২৫ জুলাই অনুষ্ঠেয় সব শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষাগুলো স্থগিত করা হলো। স্থগিত হওয়া পরীক্ষার পরিবর্তিত সময়সূচি পরবর্তীতে জানানো হবে।

কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে উদ্ভূত অস্থির পরিস্থিতিতে আগামী সপ্তাহের তিনদিনের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় কমিটির এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকার চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষাবোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি অধ্যাপক তপন কুমার সরকারের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, অনিবার্য কারণবশত আগামী ২১, ২৩ ও ২৫ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য সব শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষাগুলো স্থগিত করা হলো। স্থগিত হওয়া পরীক্ষার পরিবর্তিত সময়সূচি বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে পরবর্তীতে জানিয়ে দেয়া হবে।

তবে ২৮ জুলাই থেকে পূর্বঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী পরবর্তী পরীক্ষাগুলো যথারীতি চলবে বলে বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

প্রসঙ্গত, চলমান সহিংসতার মধ্যে বৃহস্পতিবারের পরীক্ষাও নিতে পারেনি শিক্ষাবোর্ডগুলো।

কোটা সংস্কার আন্দোলনকে ঘিরে সহিংসতার কারণে ইতোমধ্যে দেশের সব সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পাশাপাশি মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক পর্যায়ের সব স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসা, কারিগরি প্রতিষ্ঠান ও পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটও বন্ধ করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

একই কারণে সিটি করপোরেশন এলাকার সব প্রাথমিক বিদ্যালয়ে পরবর্তী নির্দেশ না দেয়া পর্যন্ত শ্রেণি কার্যক্রম বন্ধ রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বৃহস্পতিবারের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা স্থগিত
পদার্থবিদ্যা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন
বন্যার পানি ভেঙে পরীক্ষা কেন্দ্রে
এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের সময় বাড়ানোর নির্দেশ
এইচএসসিতে অসদুপায়: এক কেন্দ্র থেকে ১০ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

মন্তব্য

শিক্ষা
The attack on BTVs head office the fire the fear of stopping broadcasting

বিটিভির প্রধান কার্যালয়ে হামলা আগুন, সম্প্রচার বন্ধের শঙ্কা

বিটিভির প্রধান কার্যালয়ে হামলা আগুন, সম্প্রচার বন্ধের শঙ্কা বৃহস্পতিবার বিকেলে রামপুরায় বিটিভি প্রধান কার্যালয় প্রবেশ করে ভাংচুর ও আগুন ধরিয়ে দেয়। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস
বিটিভির মহাপরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বলেন, ‘কিছু লোক দুপুর ২টার পর বিটিভি কার্যালয়ে হামলা করে। তারা রিসিপশনে ভাঙচুর করে, পাশে থাকা বেশকিছু গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে ঢাকা কেন্দ্র এবং ডিজাইন শাখায়ও আগুন ধরিয়ে দেয়। সন্ধ্যা ৬ টায়ও আগুন জ্বলছে। ডিজাইন শাখা পুড়ে গেছে। এখন মূল কেন্দ্র জ্বলে গেলে বিটিভির প্রচার বন্ধ হয়ে যাবে।’

রাজধানীর রামপুরায় বাংলাদেশ টেলিভিশনের (বিটিভি) প্রধান কার্যালয়ে হামলা ও অগ্নিসংযোগের ঘটনা ঘটেছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে বিটিভি কার্যালয়ের প্রধান ফটক ভেঙে ভেতরে প্রবেশ করেন এক দল লোক। পরে তারা ভেতরে থাকা দুটি মাইক্রোবাস ও কয়েকটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেন।

বিটিভির মহাপরিচালক মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর আলম বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে গণমাধ্যমকে জানান, আগুন লাগার চার ঘণ্টাতেও ফায়ার সার্ভিস বিটিভি ভবনে আসেনি। আগুন ছড়িয়ে পড়ছে। এ অবস্থায় সম্প্রচার বন্ধ হয়ে যেতে পারে।

তিনি বলেন, ‘কিছু লোক দুপুর ২টার পর বিটিভি কার্যালয়ে হামলা করে। তারা রিসিপশনে ভাঙচুর করে, পাশে থাকা বেশকিছু গাড়িতে আগুন ধরিয়ে দেয়। পরে ঢাকা কেন্দ্র এবং ডিজাইন শাখায়ও আগুন ধরিয়ে দেয়।

‘সন্ধ্যা ৬ টায়ও আগুন জ্বলছে। ডিজাইন শাখা পুড়ে গেছে। এখন মূল কেন্দ্র জ্বলে গেলে বিটিভির প্রচার বন্ধ হয়ে যাবে।’

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানিয়েছেন, বিকেল ৩টার দিকে শতাধিক লোক প্রধান ফটক ভেঙে বিটিভি কার্যালয়ের ভেতরে ঢুকে পড়েন। এ সময় প্রধান ফটকের বাইরে একটি সিএনজিচালিত অটোরিকশা ও দুটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়। এ সময় বিটিভি কার্যালয়ে অবস্থানরত কর্মকর্তা–কর্মচারীরা আতঙ্কিত হয়ে পড়েন।

বিক্ষুব্ধদের তৎপরতার মুখে বিটিভি কার্যালয়ের সামনে দায়িত্বরত পুলিশ সদস্যরা মালিবাগ মোড়ে গিয়ে অবস্থান নেন। তারা কিছুক্ষণ পরপর বিক্ষোভকারীদের দিকে কাঁদানে গ্যাসের শেল ও সাউন্ড গ্রেনেড ছোড়েন।

পুলিশ, বিজিবি ও আনসার সদস্যরা সন্ধ্যা পৌনে ৬টার দিকে বিটিভি ভবনের সামনে এসে অভিযান শুরু করেন। এ সময় তাদের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের দফায় দফায় ধাওয়া-পাল্টাধাওয়া হয়।

সন্ধ্যা ৬টার দিকে বাংলাদেশ বিমান বাহিনীর একটি হেলিকপ্টার বিটিভি কার্যালয়ের ওপর দিয়ে টহল দেয়। এর প্রায় ১৫ মিনিট পর সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে র‌্যাবের একটি হেলিকপ্টারও টহল দেয় সেখানে।

সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে বাংলাদেশ টেলিভিশনের ভেরিফায়েড ফেসবুকে পেজে একটি পোস্টে বলা হয়, ‘বিটিভিতে ভয়াবহ আগুন। দ্রুত ছড়িয়ে পড়ছে। ফায়ার সার্ভিসের দ্রুত সহযোগিতা কামনা করছি। ভেতরে আটকা পড়েছেন অনেকে।’

আন্দোলনকারীরা এর আগে দুপুরে রামপুরা ব্রিজের পাশে ট্রাফিকের সহকারী পুলিশ কমিশনারের কার্যালয় ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয়। এ সময় আফতাবনগরে ইস্ট ওয়েস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রবেশদ্বারে একটি পুলিশ ফাঁড়ির ফটকে থাকা তিনটি মোটরসাইকেলেও আগুন দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
ভৈরবে শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষ গুলি, মহাসড়ক অবরোধ
খুলনায় পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ
‘কমপ্লিট শাটডাউনে’ সন্ধ্যা পর্যন্ত ১১ জন নিহত হওয়ার খবর
অবরোধে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ
সিলেটে পুলিশ-শিক্ষার্থী ব্যাপক সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত অর্ধশতাধিক

মন্তব্য

শিক্ষা
Students police clashes in Bhairav ​​blocked the highway
কোটা সংস্কার আন্দোলন

ভৈরবে শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষ গুলি, মহাসড়ক অবরোধ

ভৈরবে শিক্ষার্থী-পুলিশ সংঘর্ষ গুলি, মহাসড়ক অবরোধ বৃহস্পতিবার ভৈরবে মহাসড়ক অবরোধ করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বৃহস্পতিবার দুপুরে শহরের জগন্নাথপুর এলাকায় বিনিবাজার সংলগ্ন সড়কে ও উপজেলার আকবরনগর এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা। খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাবার বুলেট ছুঁড়লে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। এ সময় রাবার বুলেট ও ইটপাটকেলের আঘাতে অন্তত ১০ জন আহত হন।

কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ভৈরবে পুলিশের সংঘর্ষ হয়েছে। আন্দোলনকারীরা ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক ও ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়ক অবরোধ করে রাখে। এ সময় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ কমপক্ষে অর্ধশত রাউন্ড রাবার বুলেট ছুঁড়েছে।

বৃহস্পতিবার দুপুর ১২টায় শহরের জগন্নাথপুর এলাকায় বিনিবাজার সংলগ্ন সড়কে ও উপজেলার আকবরনগর এলাকায় মহাসড়ক অবরোধ করেন শিক্ষার্থীরা।

খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে রাবার বুলেট ছুঁড়লে আন্দোলনকারীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে যায়। পরে বেলা আড়াইটার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হয়। ঘটনার খবর পেয়ে শহরে বিজিবি প্রবেশ করে টহল দিতে থাকে। রাবার বুলেট ও ইটপাটকেলের আঘাতে আনুমানিক ১০ জন আহত হয়। আহতরা বিভিন্ন হাসপাতাল ও ক্লিনিকে চিকিৎসা নিয়েছেন।

ভৈরব থানার ওসি মো. সফিকুল ইসলাম বলেন, ‘কোটা সংস্কার আন্দোলনের নামে বিএনপির কিছু কর্মী ঘটনাটি ঘটিয়েছে। দুপুর ১২টার দিকে আন্দোলনকারীরা জগনাথপুর এলাকায় ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ও আকবরনগর এলাকায় ভৈরব-কিশোরগঞ্জ আঞ্চলিক মহাসড়কে অবরোধ করে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়।

‘খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে। এ সময় পুলিশ আত্মরক্ষার্থে ও সংঘর্ষ থামাতে প্রায় অর্ধশত রাউন্ড রাবার বুলেট ছুঁড়েছে।’

আরও পড়ুন:
খুলনায় পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ
‘কমপ্লিট শাটডাউনে’ সন্ধ্যা পর্যন্ত ১১ জন নিহত হওয়ার খবর
অবরোধে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ
সিলেটে পুলিশ-শিক্ষার্থী ব্যাপক সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত অর্ধশতাধিক
ভাইয়ের রক্ত মাড়িয়ে আমরা কোনো সংলাপে যাব না: সমন্বয়ক

মন্তব্য

শিক্ষা
Clash between police and students in Khulna
কোটা সংস্কার আন্দোলন

খুলনায় পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ

খুলনায় পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ খুলনা মহানগরীর শিববাড়ি মোড়ে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় শিক্ষার্থীদের ধাওয়ার মুখে পুলিশ পাশের টাইগার গার্ডেন হোটেলে আশ্রয় নেয়। ছবি: নিউজবাংলা
কেএমপির উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘সারাদিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিল। তবে শেষের দিকে কিছু অছাত্র দুষ্কৃতকারী গুজব ছড়িয়ে পুলিশের ওপর হামলা করে। এসময় পুলিশ টাইগার গার্ডেন হোটেলের মধ্যে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো হামলা করা হয়নি।’

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার দাবিতে চলমান আন্দোলনে খুলনায় পুলিশ ও আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষ হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেল ৬টার দিকে নগরীর শিববাড়ী মোড়ে ওই সংঘর্ষ শুরু হয়।

এসময় শিক্ষার্থী ও পুলিশের মধ্যে কয়েক দফা ধাওয়া-পাল্টাধাওয়ার ঘটনা ঘটে। একপর্যায়ে শিক্ষার্থীদের ধাওয়া খেয়ে পুলিশ শিববাড়ী মোড়ের টাইগার গার্ডেন হোটেলে আশ্রয় নেয়। চলমান কোটা সংস্কার আন্দোলনে এটি খুলনায় ছাত্র ও পুলিশের মধ্যে প্রথম সংঘর্ষ।

সাড়ে ৬টার দিকে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) উপ-কমিশনার (দক্ষিণ) মোহাম্মদ তাজুল ইসলাম বলেন, ‘সারাদিন শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিল। তবে শেষের দিকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে কিছু অছাত্র দুষ্কৃতকারী গুজব ছড়িয়ে পুলিশের ওপর হামলা করে। এসময় পুলিশ টাইগার গার্ডেন হোটেলের মধ্যে নিরাপদ স্থানে আশ্রয় নেয়। তবে পুলিশের পক্ষ থেকে কোনো হামলা করা হয়নি। মূলত যে উদ্দেশ্যে নিয়ে ওই হামলা করা হয়েছিল তা সফল হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘পরিস্থিতি এখন খুবই স্বাভাবিক রয়েছে। শিক্ষার্থীরা শিববাড়ী এলাকা ছেড়ে চলে গেছেন।’

এর আগে বৃহস্পতিবার সকাল ৯টা থেকে শিববাড়ী মোড় এলাকায় অবরোধ কর্মসূচি শুরু করেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। সকাল সাড়ে ৮টা থেকে বিভিন্ন এলাকা থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ওই এলাকায় জড়ো হন তারা। কর্মসূচিতে খুলনার বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও কলেজ এবং স্কুলের শিক্ষার্থীরা অংশ নেন।

দুপুরের দিকে শিক্ষার্থীরা একটি প্রাইভেট কার ভাঙচুর করে ও পুলিশের সাঁজোয়া যান লক্ষ্য করে ইট-পাটকেল নিক্ষেপ করে। দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়লেও সন্ধ্যা ৬টার আগ পর্যন্ত সেখানে শান্তিপূর্ণ পরিবেশ বজায় ছিল।

সকাল থেকে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন থাকলেও ওই সময়ের আগ পর্যন্ত কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটেনি। সকাল থেকে মাঠে ছিলেন খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারাও।

আরও পড়ুন:
‘কমপ্লিট শাটডাউনে’ সন্ধ্যা পর্যন্ত ১১ জন নিহত হওয়ার খবর
অবরোধে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ
সিলেটে পুলিশ-শিক্ষার্থী ব্যাপক সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত অর্ধশতাধিক
ভাইয়ের রক্ত মাড়িয়ে আমরা কোনো সংলাপে যাব না: সমন্বয়ক
ববি শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে মহাসড়ক ছাড়ল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী

মন্তব্য

শিক্ষা
11 people were reported killed in the complete shutdown till evening
কোটা সংস্কার আন্দোলন

‘কমপ্লিট শাটডাউনে’ সন্ধ্যা পর্যন্ত ১১ জন নিহত হওয়ার খবর

‘কমপ্লিট শাটডাউনে’ সন্ধ্যা পর্যন্ত ১১ জন নিহত হওয়ার খবর রাজধানীর রামপুরায় বৃহস্পতিবার বিকেলে বিটিভি ভবন কমপ্লেক্সে আগুনের ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
উদ্ভূত সংঘাতময় পরিস্থিতিতে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত পাওয়া খবরে রাজধানীতেই নিহত হয়েছেন আটজন। এছাড়া সাভার, মাদারীপুর ও নরসিংদীতে একজন করে নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার আন্দোলন নিয়ে সারাদেশে ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ চলছে। বৃহস্পতিবারের এই দিনভর কর্মসূচি ঘিরে দেশের বিভিন্ন স্থানে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষ এবং ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটছে।

উদ্ভূত সংঘাতময় পরিস্থিতিতে এদিন সন্ধ্যা পর্যন্ত পাওয়া খবরে রাজধানীতেই নিহত হয়েছেন আটজন। এছাড়া সাভার, মাদারীপুর ও নরসিংদীতে একজন করে নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সব মিলিয়ে উত্তরায় চারজন নিহত হওয়ার খবর নিশ্চিত হওয়া গেছে। এ ছাড়া ধানমণ্ডিতে সংঘর্ষে ঢাকার রেসিডেন্সিয়াল মডেল কলেজের এক শিক্ষার্থী, রামপুরায় এক শিক্ষার্থী ও এক গাড়িচালক, যাত্রাবাড়ীতে এক রিকশাচালক, সাভারে এক শিক্ষার্থী এবং মাদারীপুর ও নরসিংদীতে একজন করে শিক্ষার্থী নিহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

সব মিলিয়ে নিহতের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ১১ জন।

বাড্ডা-রামপুরা এলাকায় পুলিশ ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীদের মধ্যে সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন শতাধিক। নিহত দুজনের মধ্যে একজন শিক্ষার্থী। তার নাম জিল্লুর রহমান। তিনি ইমরেপিয়াল কলেজের একাদশ শ্রেণির শিক্ষার্থী। তার বাসা আফতাবনগরে। আরেকজনের নাম দুলাল মাতবর। তিনি পেশায় গাড়িচালক। সংঘাতের সময় তিনি একটি হাইএস গাড়ি চালিয়ে প্রগতি সরণির ওই এলাকা পার হচ্ছিলেন।

‘কমপ্লিট শাটডাউনে’ সন্ধ্যা পর্যন্ত ১১ জন নিহত হওয়ার খবর
উত্তরায় সংঘর্ষে আহত এক স্কুল শিক্ষার্থীকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা

এদিকে দুপুরে রাজধানীর উত্তরায় পুলিশ ও র‍্যাবের সঙ্গে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ সময় আহত হয়েছেন পুলিশসহ অসংখ্য আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী।

কুয়েত-বাংলাদেশ মৈত্রী হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক মিজানুর রহমান জানান, বৃহস্পতিবারের সংঘর্ষে আহত হয়ে শতাধিক ব্যক্তি চিকিৎসা নিতে এখানে এসেছেন। এদের মধ্যে চারজন মারা গেছেন। এছাড়া তাদের হাসপাতালে ৭০ জন ভর্তি রয়েছেন। আর পাঁচজনকে অন্য হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। নিহত আরেকজন বেসরকারি নর্দান ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী বলে জানা গেছে।

ধানমন্ডিতে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগ নেতা-কর্মীদের সংঘর্ষে ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। ফারহান নামে ওই শিক্ষার্থীর মরদেহ লালমাটিয়া সিটি হাসপাতালে রাখা হয়েছে।

নিহত ওই শিক্ষার্থীর নাম মো. ফারহানুল ইসলাম ইসলাম ভূঁইয়া (ফারহান ফায়াজ)। তার বয়স ১৮ বছর। তিনি উচ্চ মাধ্যমিকের শিক্ষার্থী ছিলেন এবং ২০২৫ ব্যাচের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পরীক্ষায় অংশ্রগ্রহণের কথা ছিল।

সাভারে কোটা সংস্কার আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশ ও আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের দফায় দফায় সংঘর্ষের সময় গুলিতে এক শিক্ষার্থী নিহত হয়েছেন। বৃহস্পতিবার দুপুরে সাভার বাসস্ট্যান্ডের মুনসুর মার্টের সামনে এ ঘটনা ঘটে। আহত অবস্থায় ওই শিক্ষার্থীকে সাভার এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে এলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।

মাদারীপুরে কোটাবিরোধী আন্দোলনে অংশ নিয়ে পুলিশের ধাওয়ায় পানিতে ডুবে একজন নিহত হয়েছেন। নিহত দীপ্ত দে সরকারি মাদারীপুর কলেজের শিক্ষার্থী। নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য মাদারীপুর সদর হাসপাতালে নেয়া হয়েছে।

নরসিংদীতে কোটা আন্দোলনে সংঘর্ষে এক স্কুল শিক্ষার্থী নিহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার বিকেলে আন্দোলনকারীদের সঙ্গে পুলিশের সংঘর্ষ চলাকালে ওই স্কুল ছাত্র নিহত হয়। নিহত শিক্ষার্থীর নাম তাইম। সে নরসিংদী এন কে এম হাইস্কুল অ্যান্ড হোমের নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। এ সময় পুলিশের টিয়ারশেল ও ছররা গুলিতে আরও ৫০-৬০ জন আহত হয়েছেন।

আরও পড়ুন:
শাটডাউনে যে চিত্র দেখা গেল মতিঝিলের ব্যাংকপাড়ার
কোটা আন্দোলনকারীদের সঙ্গে আলোচনায় দুই মন্ত্রীকে দায়িত্ব প্রধানমন্ত্রীর
সিলেট-সুনামগঞ্জ সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শাবি শিক্ষার্থীদের
গজারিয়ায় ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ আন্দোলনকারীদের
ইন্টারনেট নিয়ে প্রশ্নের জবাবে যা বললেন পলক

মন্তব্য

শিক্ষা
Traffic stopped on Chittagong Coxs Bazar highway due to blockade
কোটা সংস্কার আন্দোলন

অবরোধে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ

অবরোধে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ বৃহস্পতিবার সকালে শিক্ষার্থীদের অবরোধে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। ছবি: নিউজবাংলা
বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত সেতু এলাকায় জড়ো হয়ে অবস্থান নেন কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এরপর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বসে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এতে ওই মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে কর্ণফুলী ও আনোয়ারা পথে বহু গাড়ি আটকা পড়ে।

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পূর্বঘোষিত ‘কমপ্লিট শাটডাউন’ কর্মসূচিতে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছেন কোটা আন্দোলনকারীরা। এ কারণে মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ রয়েছে।

বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার দিকে চট্টগ্রাম শাহ আমানত সেতু এলাকায় জড়ো হয়ে অবস্থান নেন কোটা আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা। এরপর চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে বসে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এতে ওই মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে কর্ণফুলী ও আনোয়ারা পথে বহু গাড়ি আটকা পড়ে।

এদিকে অপ্রীতিকর পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে পুলিশ ও বিজিবি সদস্যরা সেখানে অবস্থান নিয়েছেন।

এর আগে বুধবার বিকেল ৩টার দিকে চট্টগ্রামের চন্দনাইশে কোটাবিরোধী সাধারণ শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল করেন। মিছিলটি উপজেলার দোহজারী পৌরসভার পৌরসদর থেকে বের হয়।

বিক্ষোভ মিছিলটি কোটাবিরোধী বিভিন্ন স্লোগানে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে দোহাজারী পৌর-সদরের প্রধান প্রধান সড়ক ও দেওয়ানহাট পর্যন্ত প্রদক্ষিণ করে। ঘণ্টাব্যাপী বিক্ষোভ মিছিলটি সড়ক প্রদক্ষিণ শেষে দোহাজারী জামিজুরী আ. রহমান উচ্চ বিদ্যালয় মাঠে মিলিত হয়।

মিছিল চলাকালে চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে প্রায় আধ ঘণ্টা যানবাহন চলাচল বন্ধ থাকে।

আরও পড়ুন:
সিলেটে পুলিশ-শিক্ষার্থী ব্যাপক সংঘর্ষ, গুলিবিদ্ধসহ আহত অর্ধশতাধিক
ভাইয়ের রক্ত মাড়িয়ে আমরা কোনো সংলাপে যাব না: সমন্বয়ক
ববি শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদের মুখে মহাসড়ক ছাড়ল আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী
মিরপুর-১২ থেকে আগারগাঁও পর্যন্ত মেট্রো ট্রেন বন্ধ, পুলিশ বক্সে আগুন
শাটডাউনে যে চিত্র দেখা গেল মতিঝিলের ব্যাংকপাড়ার

মন্তব্য

p
উপরে