× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
2nd phase assistant teacher recruitment final result release
google_news print-icon

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দ্বিতীয় ধাপের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ

সহকারী-শিক্ষক-নিয়োগ-দ্বিতীয়-ধাপের-চূড়ান্ত-ফল-প্রকাশ
নিয়োগ পরীক্ষার কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীরা। ফাইল ছবি
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত ২২ জেলার পাঁচ হাজার ৪৫৬ জন প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করে ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দ্বিতীয় ধাপের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে প্রাথমিকভাবে ৫ হাজার ৪৫৬ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মাহবুবুর রহমান তুহিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত ২২ জেলার পাঁচ হাজার ৪৫৬ জন প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করে ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, ২০২৩-এর দ্বিতীয় গ্রুপের (রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগ) গত ২০ মার্চ ২০২৩ তারিখের ৩৮.০১.০০০০, ১৪৩.১১.০০৮.২৩-১০৫ নং স্মারকে জারিকৃত বিজ্ঞাপনের আলোকে ২২ জেলায় (রাজশাহী, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, নড়াইল, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, মেহেরপুর, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোনা) গৃহীত লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সর্বমোট পাঁচ হাজার ৪৫৬ জন প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

নির্বাচিত প্রার্থীদের ফল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (www.mopme.gov.bd) ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) পাওয়া যাবে।

নির্বাচিত প্রার্থীরা তাদের মোবাইল ফোনেও এ সংক্রান্ত এসএমএস পাবেন।

আরও পড়ুন:
উত্তরপত্র মূল্যায়নে ত্রুটি, সংশোধন শেষে রাতেই ফল প্রকাশ
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: ঈদের পরপরই তৃতীয় ধাপের ফল
প্রাথমিকে ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ জুনের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী
সহকারী শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা ২৯ মার্চ
শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি: তিন পুলিশসহ ৪ জন রিমান্ডে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Two children of tea workers with GPA five want to become doctors
এসএসসি-২০২৪

চিকিৎসক হতে চায় চা শ্রমিকের জিপিএ ফাইভ পাওয়া দুই সন্তান

চিকিৎসক হতে চায় চা শ্রমিকের জিপিএ ফাইভ পাওয়া দুই সন্তান এসএসসিতে ভালো ফলের খবর পেয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জয়নাল আবেদীন লেখাপড়ায় সহযোগিতার জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু টাকা দেন স্বর্ণালী তেলী ও অরুপ সিংহকে। কোলাজ: নিউজবাংলা
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘অদম্য মনোবল আর ইচ্ছাশক্তির কারণে অরুপ সিংহ ও স্বর্ণালী তেলী সাফল্য পেয়েছে। তাদের প্রশাসন থেকে সহযোগিতা করা হবে।’

পারিবারিক অভাব-অনটনের মধ্যেও নিয়মিত পড়ালেখা চালিয়ে গেছে অরূপ সিংহ ও স্বর্ণালী তেলী। এর ফলও পেয়েছে দুজন। এসএসসির চলতি বছরের পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ পেয়েছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের দুই চা শ্রমিকের এ দুই সন্তান।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এ প্লাস পাওয়া এ দুই শিক্ষার্থীর মা-বাবার পাশাপাশি উচ্ছ্বাস দেখা গেছে দুই স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে। এখন তাদের লক্ষ্য চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করা।

কমলগঞ্জের শমশেরনগর এএটিএম বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় থেকে এ বছর সর্বোচ্চ গ্রেড পেয়ে পাস করে কানিহাটি চা বাগানের শ্রমিক বীরেন্দ্র সিংহের ছেলে অরূপ সিংহ। অন্যদিকে ক্যামেলীয়া ডানকান ব্রাদার্স ফাউন্ডেশন স্কুল থেকে জিপিএ ফাইভ পেয়ে উত্তীর্ণ হয় চা শ্রমিক সুদর্শন তেলীর মেয়ে স্বর্ণালী তেলী।

এসএসসিতে ভালো ফলের খবর পেয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জয়নাল আবেদীন লেখাপড়ায় সহযোগিতার জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু টাকা দেন দুই শিক্ষার্থীকে। তাদের প্রশাসন থেকেও সহযোগিতার আশ্বাস দেন এ কর্মকর্তা।

অরুপ সিংহ ও স্বর্ণালী তেলীর ভাষ্য, উচ্চশিক্ষা অর্জন করে দেশের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করবে তারা।

চিকিৎসক হয়ে দেশের মানুষকে বিনা মূল্যে চিকিৎসা দেয়ার ইচ্ছাও পোষণ করেছে তারা।

অরূপ সিংহের বাবা বীরেন্দ্র সিংহ বলেন, ‘কষ্ট করে এত দূর এসেছে তারা। আমাদের যত কষ্ট হোক, সন্তানদের পড়াশোনা করাব। মানুষের মতো মানুষ করে তুলব। পাশাপাশি সকলের সহযাগিতা কামনা করছি।’

একই ধরনের বক্তব্য দেন স্বর্ণালী তেলীর বাবা সুদর্শন তেলী।

শমশেরনগর এএটিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিহির ধর চৌধুরী বলেন, ‘দরিদ্র পরিবারের সন্তান হলেও অরূপ সিংহের মনোবল ছিল দৃঢ়। তার সাফল্যে আমরা গর্বিত।’

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘অদম্য মনোবল আর ইচ্ছাশক্তির কারণে অরুপ সিংহ ও স্বর্ণালী তেলী সাফল্য পেয়েছে। তাদের প্রশাসন থেকে সহযোগিতা করা হবে।’

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে, কমেছে জিপিএ ফাইভ
শতভাগ জিপিএ ফাইভ ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজে
সিলেটে পাসের হার জিপিএ ফাইভ কমার যে কারণ জানাল বোর্ড
মাদ্রাসা বোর্ডে দেশসেরা এনএস কামিল মাদ্রাসা
পাসের হার ও জিপিএ ফাইভে এবারও এগিয়ে ছাত্রীরা

মন্তব্য

শিক্ষা
Government employee wants to become an indomitable Siam

অদম্য সিয়াম হতে চায় সরকারি চাকরিজীবী

অদম্য সিয়াম হতে চায় সরকারি চাকরিজীবী
পা দিয়ে লিখে চলতি বছর অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় এ মাইনাস পেয়েছে সিয়াম। ছবি: নিউজবাংলা
পরিবারের সদস্য  ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ব্র্যাক স্কুল থেকে ২০১৮ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায়  অংশগ্রহণ করে পঞ্চম শ্রেণি পাস করে সিয়াম। এরপর চাপারকোনা মহেশ চন্দ্র স্কুল অ্যান্ড কলেজে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয় সে। সেখান থেকেই জেএসসিতেও ভালো ফল করে। এবার মানবিক বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় পাস করে সিয়াম।

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের উদনাপাড়া গ্রামের দিনমজুর জিন্নাহ মিয়ার ছেলে সিয়াম শেখ। কাজ চালানোর অনুপযোগী দুটি হাত নিয়ে জন্ম হয় তার, কিন্তু শারীরিক এ প্রতিবন্ধকতা তাকে দমাতে পারেনি।

পা দিয়ে লিখে চলতি বছর অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ তিন দশমিক ৮৩ (এ মাইনাস) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে সিয়াম। এখন তার লক্ষ্য উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক সম্পন্ন করে সরকারি চাকরিজীবী হওয়া।

পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ব্র্যাক স্কুল থেকে ২০১৮ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পঞ্চম শ্রেণি পাস করে সিয়াম। এরপর চাপারকোনা মহেশ চন্দ্র স্কুল অ্যান্ড কলেজে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয় সে। সেখান থেকেই জেএসসিতেও ভালো ফল করে। এবার মানবিক বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় পাস করে সিয়াম।

এ কিশোর পা দিয়ে অনেক ধরনের কাজ করে। সে সাঁতার কাটা, টিউবওয়েল চেপে পানি তুলে গোসল করা, এমনকি চামচ ধরে ভাত মেখে খেতে পারে পা দিয়ে।

সিয়ামের মা জোসনা বেগম বলেন, ‘সিয়ামের ছোট থেকেই স্কুলে যাওয়া এবং পড়ালেখার প্রতি প্রবল আগ্রহ ছিল। ছোটবেলায় ওর সমবয়সীরা স্কুলে গেলে ওদের সাথে আমাদের না বলেই স্কুলে চলে যেত। ওর স্কুলে যাওয়ার এমন আগ্রহ দেখে তাকে স্কুলে নিয়ে যেতাম। ওর জীবনের স্বপ্ন ছিল পড়ালেখা করা। ও সেটা করেছে।

‘এখন সিয়াম এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে। তাই আমরা খুব খুশি, তবে আমাদের আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় আমরা ওকে লেখাপড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছু দিতে পারি নাই। এখন কোথাও ভর্তি করাতে পারব কি না জানি না।’

সিয়াম বলে, ‘আমার এই পর্যন্ত আসার পেছনে সব থেকে বড় অবদান স্কুলের ম্যাডাম জাকিয়া সুলতানার। তিনি আমাকে পড়ালেখা করার সাহস জুগিয়েছেন। পা দিয়ে আমাকে লেখা শিখিয়েছেন।

‘আমার স্কুলের সহপাঠীরা সবসময় আমাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে। কখনও বুঝতে দেয়নি আমি প্রতিবন্ধী। তাদের জন্যই আমি আজ সফল। আমার ইচ্ছা পড়ালেখা শেষ করে সরকারি চাকরি করব। মা-বাবার মুখে হাসি ফোটাব, দেশের মানুষের সেবা করব।’

সিয়ামের শিক্ষক ও চাপারকোনা মহেশ চন্দ্র স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সিয়াম আমাদের এখানে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়। লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ দেখে বিনা বেতনে তাকে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়িয়েছি।

‘সে আমাদের এখানে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হলে তাকে বেতন ফ্রিসহ সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।’

আরও পড়ুন:
মাদ্রাসা বোর্ডে দেশসেরা এনএস কামিল মাদ্রাসা
পাসের হার ও জিপিএ ফাইভে এবারও এগিয়ে ছাত্রীরা
বিদেশ কেন্দ্রে পাস ৮৫.৮৮ শতাংশ
বেড়েছে পাসের হার, কমেছে জিপিএ ফাইভ
শতভাগ ফেল ৫১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে

মন্তব্য

শিক্ষা
Chittagong board pass rate has increased GPA five has decreased

চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে, কমেছে জিপিএ ফাইভ

চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে, কমেছে জিপিএ ফাইভ  চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার বেড়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
এবার জিপিএ ফাইভ ফাইভ পেয়েছে ১০ হাজার ৮২৩ জন। যা গতবার ছিল ১১ হাজার ৪৫০ জন। গতবারের তুলনায় এবার পাসের হার বেড়েছে। তবে কমেছে জিপিএ ফাইভ। পাস করেছে ১ লাখ ২০ হাজার ৮৭ জন।

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ।

এবার জিপিএ ফাইভ ফাইভ পেয়েছে ১০ হাজার ৮২৩ জন। যা গতবার ছিল ১১ হাজার ৪৫০ জন। গতবারের তুলনায় এবার পাসের হার বেড়েছে। তবে কমেছে জিপিএ ফাইভ। পাস করেছে ১ লাখ ২০ হাজার ৮৭ জন।

রোববার সকাল ১১টার দিকে শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এএমএম মুজিবুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রাম ছাড়াও কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেয়। সবমিলিয়ে এবার ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫৯০ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। আগেরবার পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮১৯ জন।

মন্তব্য

শিক্ষা
100 GPA 5 Feni Girls Cadet College

শতভাগ জিপিএ ফাইভ ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজে

শতভাগ জিপিএ ফাইভ ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজে শতভাগ জিপিএ ৫ পেয়েছে ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতিষ্ঠান থেকে ৬২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। সবাই জিপিএ ৫ অর্জন করে।

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় শতভাগ জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থীরা ।

কলেজের অধ্যক্ষ গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নাজমুল হক রোববার পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, প্রতিষ্ঠান থেকে ৬২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। সবাই জিপিএ ফাইভ অর্জন করে।

অধ্যক্ষ জানান, সেনা সদরের দিক নির্দেশনা, প্রশিক্ষিত শিক্ষকমণ্ডলীর আন্তরিক পাঠদান , বর্ষপুঞ্জি অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ , ফলাফল প্রদান ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ ভাল ফলাফল অর্জনে ভূমিকা রেখেছে।

এদিন প্রকাশিত ফলে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড়ে পাস করেছে ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ শিক্ষার্থী।

শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, এ বছর সব শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ, যা ২০২৩ সালে ছিল ৮০ দশমিক ৩৯ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার বেড়েছে দুই দশমিক ৬৫ শতাংশ।

মন্তব্য

শিক্ষা
The reason why the pass rate in Sylhet is GPA five has been reported by the board

সিলেটে পাসের হার জিপিএ ফাইভ কমার যে কারণ জানাল বোর্ড

সিলেটে পাসের হার জিপিএ ফাইভ কমার যে কারণ জানাল বোর্ড এসএসসির ফল পেয়ে সিলেটের সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের উচ্ছ্বসিত ছাত্রীরা। ছবি: নিউজবাংলা
সিলেট বোর্ডে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৮৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ। আর জিপিএ ফাইভ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা সাত হাজার ৯২০।

সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় কমেছে পাসের হার ও জিপিএ ফাইভ।

বোর্ডে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৮৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ। আর জিপিএ ফাইভ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা সাত হাজার ৯২০।

গত বছর সিলেটে পাসের হার ছিল ৮৯ দশমিক ০৫ শতাংশ। আর জিপিএ ফাইভ পেয়েছিল আট হাজার ৫০৫ শিক্ষার্থী।

সিলেট শিক্ষা বোর্ড কার্যালয়ে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে ফলের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সিলেটে জিপিএ ফাইভ ও পাসের হার কমার জন্য হাওর অঞ্চলে মানসম্মত শিক্ষকের অভাবকে দায়ী করেন শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক অরুণ চন্দ্র পাল।

তিনি বলেন, ‘সিলেট বিভাগের বিশাল এলাকাজুড়ে দুর্গম হাওর এলাকা। এসব এলাকায় ভালো মানের শিক্ষক পাওয়া যায় না। ফলে হাওরাঞ্চলের ফলাফলেও খারাপ হয়। এর প্রভাব পড়ে সার্বিক ফলাফলে।’

মানবিক বিভাগে শিক্ষার্থী বৃদ্ধির কারণে পাসের হার ও জিপিএ ফাইভ কমেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষার্থী বাড়লে ফলাফলও ভালো হয়, তবে আমাদের বোর্ডে মানবিক বিভাগে শিক্ষার্থী বেড়েছে। তারা আশানুরূপ ফলাফল করতে পারেনি।’

এ বছর সিলেট বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিল এক লাখ ৯ হাজার ৭৩ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ৮০ হাজার জন। পাসের হার ৮৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

বোর্ডটিতে গতবারের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ৫ দশমিক ১৭ শতাংশ।

সিলেট বোর্ডে এ বছর জিপিএ ফাইভ পেয়েছে সাত হাজার ৯২০ জন। গত বছর জিপিএ ফাইভ পেয়েছিল আট হাজার ৫০৫ জন। এ বছর জিপিএ ফাইভ কমেছে ৫৮৫টি।

পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো করেছে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৮ দশমিক ১৪। আর সবচেয়ে খারাপ করেছে মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীর। মানবিক বিভাগে পাসের হার ৬৮.৫০ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
এসএসসি ও সমমানে গড় পাস ৮৩.০৪ শতাংশ
এসএসসিতে ছাত্র কমার কারণ খুঁজতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
এসএসসি ও সমমানের ফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের অপেক্ষা
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ কাল

মন্তব্য

শিক্ষা
The rabbi got a GPA five by writing with feet

পা দিয়ে লিখে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে রাব্বি

পা দিয়ে লিখে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে রাব্বি
পা দিয়ে লিখে সাফল্য পেয়েছে রাব্বি। ছবি: নিউজবাংলা
স্থানীয়রা জানান, শুধু মনোবল আর অদম্য ইচ্ছাশক্তিই তাকে এনে দিয়েছে সুস্থ ও স্বাভাবিক শিক্ষার্থীদের মতোই সাফল্য। পা দিয়ে লিখে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়াতে বাবা-মা, শিক্ষকসহ স্থানীয়দের মুখ উজ্জ্বল করেছে রাব্বি।

জন্মের সময় স্বাভাবিক থাকলেও একটি দুর্ঘটনা কেড়ে নেয় চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার মো. রফিকুল ইসলাম রাব্বির দুটি হাত। তবে এই দুর্ঘটনা তার পথে বাঁধা হয়ে দাঁড়াতে পারেনি। সব প্রতিকূলত দূরে ঠেলে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ পেয়েছে সে।

উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের পূর্ব হাসনাবাদ এলাকার বাসিন্দা বজলুর রহমানের ছেলে রাব্বি। পা দিয়ে পরীক্ষায় লিখে কৃতিত্ব অর্জন করেছে। সে স্বাভাবিক জন্মগ্রহণ করলেও ২০১৬ সালে স্কুল থেকে বাড়ি ফেরার পথে বিদ্যুৎস্পর্শে তার দুটি হাত কাটা যায়।

রাব্বি হাজী তোবারাক আলী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছিল।

স্থানীয়রা জানান, শুধু মনোবল আর অদম্য ইচ্ছাশক্তিই তাকে এনে দিয়েছে সুস্থ ও স্বাভাবিক শিক্ষার্থীদের মতোই সাফল্য। পা দিয়ে লিখে এসএসসিতে জিপিএ-৫ পাওয়াতে বাবা-মা, শিক্ষকসহ স্থানীয়দের মুখ উজ্জ্বল করেছে রাব্বি।

রাব্বির বাবা বজলুর রহমান বলেন, আল্লাহর দরবারে লাখো শুকরিয়া। আমার ছেলের মনোবল ও কঠোর পরিশ্রমের মাধ্যমে অর্জন করেছে কৃতিত্ব। অগণিত মানুষের দোয়া ও ভালোবাসা আমার ছেলের সঙ্গে আছে।

রাব্বি বলে, আমি যে শারীরিক প্রতিবন্ধী সেটা কখনো আমি চিন্তা করিনি। আমার মনোবল সব সময় শক্ত ছিল। যার কারণে মানুষের দোয়া ও ভালোবাসায় আমি ভালো রেজাল্ট করেছি। ভবিষ্যতে শিক্ষাজীবন শেষ করে শিক্ষক হওয়ার স্বপ্ন দেখছে রাব্বি।

রাব্বির শিক্ষক ওসমান এবং রায়হান শরিফ বলেন, শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার পরেও রাব্বি অন্যান্য শিক্ষার্থীদের চেয়ে ভালো ফলাফল করায় আমরা মুগ্ধ। সে জীবনে অনেক বড় হোক এই প্রত্যাশাই করি। রাব্বির মনোবল দেখে কখনো মনে হতো না সে শারীরিক প্রতিবন্ধী। সে অত্যন্ত মেধাবী। তার মেধা, মনোবল ও মানুষের দোয়ার কারণে আজ সে এ প্লাস পেয়েছে।

মন্তব্য

p
উপরে