× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
The reason why the pass rate in Sylhet is GPA five has been reported by the board
google_news print-icon

সিলেটে পাসের হার জিপিএ ফাইভ কমার যে কারণ জানাল বোর্ড

সিলেটে-পাসের-হার-জিপিএ-ফাইভ-কমার-যে-কারণ-জানাল-বোর্ড
এসএসসির ফল পেয়ে সিলেটের সরকারি অগ্রগামী বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় ও কলেজের উচ্ছ্বসিত ছাত্রীরা। ছবি: নিউজবাংলা
সিলেট বোর্ডে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৮৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ। আর জিপিএ ফাইভ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা সাত হাজার ৯২০।

সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষায় কমেছে পাসের হার ও জিপিএ ফাইভ।

বোর্ডে এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ৮৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ। আর জিপিএ ফাইভ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা সাত হাজার ৯২০।

গত বছর সিলেটে পাসের হার ছিল ৮৯ দশমিক ০৫ শতাংশ। আর জিপিএ ফাইভ পেয়েছিল আট হাজার ৫০৫ শিক্ষার্থী।

সিলেট শিক্ষা বোর্ড কার্যালয়ে রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে সংবাদ সম্মেলন করে ফলের বিস্তারিত তুলে ধরা হয়।

সংবাদ সম্মেলনে সিলেটে জিপিএ ফাইভ ও পাসের হার কমার জন্য হাওর অঞ্চলে মানসম্মত শিক্ষকের অভাবকে দায়ী করেন শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক অরুণ চন্দ্র পাল।

তিনি বলেন, ‘সিলেট বিভাগের বিশাল এলাকাজুড়ে দুর্গম হাওর এলাকা। এসব এলাকায় ভালো মানের শিক্ষক পাওয়া যায় না। ফলে হাওরাঞ্চলের ফলাফলেও খারাপ হয়। এর প্রভাব পড়ে সার্বিক ফলাফলে।’

মানবিক বিভাগে শিক্ষার্থী বৃদ্ধির কারণে পাসের হার ও জিপিএ ফাইভ কমেছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘বিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষার্থী বাড়লে ফলাফলও ভালো হয়, তবে আমাদের বোর্ডে মানবিক বিভাগে শিক্ষার্থী বেড়েছে। তারা আশানুরূপ ফলাফল করতে পারেনি।’

এ বছর সিলেট বোর্ডের অধীনে পরীক্ষার্থী ছিল এক লাখ ৯ হাজার ৭৩ জন। এর মধ্যে পাস করেছে ৮০ হাজার জন। পাসের হার ৮৩ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

বোর্ডটিতে গতবারের তুলনায় এবার পাসের হার কমেছে ৫ দশমিক ১৭ শতাংশ।

সিলেট বোর্ডে এ বছর জিপিএ ফাইভ পেয়েছে সাত হাজার ৯২০ জন। গত বছর জিপিএ ফাইভ পেয়েছিল আট হাজার ৫০৫ জন। এ বছর জিপিএ ফাইভ কমেছে ৫৮৫টি।

পরীক্ষার্থীদের মধ্যে সবচেয়ে ভালো করেছে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীরা। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৮৮ দশমিক ১৪। আর সবচেয়ে খারাপ করেছে মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীর। মানবিক বিভাগে পাসের হার ৬৮.৫০ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
এসএসসি ও সমমানে গড় পাস ৮৩.০৪ শতাংশ
এসএসসিতে ছাত্র কমার কারণ খুঁজতে বললেন প্রধানমন্ত্রী
এসএসসি ও সমমানের ফল প্রধানমন্ত্রীর কাছে হস্তান্তর
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের অপেক্ষা
এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ কাল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
HSC exam to be held later in Sylhets flood affected areas Education Minister

সিলেটের বন্যাকবলিত অঞ্চলে এইচএসসি পরীক্ষা পরে নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী

সিলেটের বন্যাকবলিত অঞ্চলে এইচএসসি পরীক্ষা পরে নেয়া হবে: শিক্ষামন্ত্রী সিলেটের একটি সড়কে বন্যার পানি। ছবি: সংগৃহীত
মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল বলেন, ‘যে অঞ্চলগুলোতে বন্যা আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে, সেখানে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা নেয়া হবে না। পরবর্তী সময়ে সেই পরীক্ষা নেয়ার জন্য আমাদের যথাযথ প্রস্তুতি আছে।’

সিলেটের যেসব অঞ্চলে বন্যা ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়বে, সেসব অঞ্চলে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা পরে নেয়া হবে। শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল একথা জানিয়েছেন।

সচিবালয়ে বুধবার এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সুষ্ঠু, নকলমুক্ত ও ইতিবাচক পরিবেশে সম্পন্ন করতে গঠিত জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে এ কথা বলেন তিনি।

সিলেটের বন্যা পরিস্থিতিতে পরীক্ষা নেয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে মন্ত্রী নওফেল বলেন, ‘যে অঞ্চলগুলোতে বন্যা আরও ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা আছে, সেখানে প্রাথমিকভাবে পরীক্ষা নেয়া হবে না। পরবর্তী সময়ে সেই পরীক্ষা নেয়ার জন্য আমাদের যথাযথ প্রস্তুতি আছে।’

তিনি বলেন, ‘যেসব কেন্দ্র ও অঞ্চল ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার আশঙ্কা আছে, শিক্ষার্থীদের যাতায়াতের বিষয়টি মাথায় রেখে আমরা ইতোমধ্যে প্রস্তুতি সম্পন্ন করেছি। এছাড়া আবহাওয়ার পূর্বাভাস আছে, সেখানে বিভিন্ন নদীর পানি ঊর্ধ্বমুখী ও বিপৎসীমা অতিক্রম করছে। বিষয়টি আমরা ইতোমধ্যে জানতে পেরেছি।

‘আমরা বন্যা পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছি। আশা করছি আমাদের পক্ষে পরীক্ষা নেয়া সম্ভব হবে। আমরা চাই না পরীক্ষার্থীরা ভোগান্তির মধ্যে পড়ুক এবং তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলাফল কোনোভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হোক।’

আরও পড়ুন:
কোচিং সেন্টার বন্ধ ২৯ জুন থেকে ১১ আগস্ট
সিলেটে ওসমানী হাসপাতালে পানি ঢুকে চরম দুর্ভোগ
ভারি বৃষ্টিতে ডুবল সিলেট নগর
সিলেটে গ্রামাঞ্চলে কমছে পানি, বাড়ছে নগরে
এইচএসসি পরীক্ষা যথাসময়ে: ঢাকা বোর্ড

মন্তব্য

শিক্ষা
Coaching center closed from June 29 to August 11

কোচিং সেন্টার বন্ধ ২৯ জুন থেকে ১১ আগস্ট

কোচিং সেন্টার বন্ধ ২৯ জুন থেকে ১১ আগস্ট ফাইল ছবি
মন্ত্রী জানান, এ বছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজার ২৮১ এবং ছাত্রী ৭ লাখ ৫০৯ জন। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থী বেড়েছে ৯১ হাজার ৪৪৮ জন।

আসন্ন এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা উপলক্ষে দেশের সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে আগামী ২৯ জুন থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত।

শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে এই পরীক্ষা উপলক্ষে জাতীয় মনিটরিং ও আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা শেষে এ কথা জানান শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

তিনি জানান, এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবমুক্ত ও নকলমুক্ত পরিবেশে সুষ্ঠু, সুন্দরভাবে অনুষ্ঠানের লক্ষ্যে ২৯ জুন থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে।

মন্ত্রী জানান, এ বছর মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন। এর মধ্যে ছাত্র ৭ লাখ ৫০ হাজার ২৮১ এবং ছাত্রী ৭ লাখ ৫০৯ জন। গত বছরের তুলনায় পরীক্ষার্থী বেড়েছে ৯১ হাজার ৪৪৮ জন।

আগামী ৩০ জুন পরীক্ষা শুরু হচ্ছে। লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১১ আগস্ট। ব্যবহারিক পরীক্ষা ১২ আগস্ট থেকে ২১ আগস্টের মধ্যে শেষ হবে। এবার মোট পরীক্ষা কেন্দ্রের সংখ্যা ২ হাজার ৭২৫টি।

আরও পড়ুন:
এইচএসসি পরীক্ষা যথাসময়ে: ঢাকা বোর্ড
এইচএসসির ফরম পূরণ ৫ মে পর্যন্ত বাড়ল
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ৩০ জুন, রুটিন প্রকাশ

মন্তব্য

শিক্ষা
Manikganj DC office office assistant post exam cancellation demand

মানিকগঞ্জ ডিসি অফিসের অফিস সহকারী পদে পরীক্ষা বাতিলের দাবি

মানিকগঞ্জ ডিসি অফিসের অফিস সহকারী পদে পরীক্ষা বাতিলের দাবি মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়। ছবি: সংগৃহীত
দৌলতপুরের পরীক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান বলেন, ‘১০ মিনিট দেরির কারণে আমাদের পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে দেয়নি। অথচ আমাদের পরে এসে অনেক পরীক্ষার্থী আমাদের সামনে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেছে।’

মানিকগঞ্জে জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের অফিস সহকারী কাম কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক ও হিসাব সহকারী পদের লিখিত পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষার দাবি করেছেন বঞ্চিত প্রার্থীরা।

লিখিত পরীক্ষা বাতিল করে পুনরায় পরীক্ষা এবং উপযুক্ত ব্যবস্থার দাবি করে শুক্রবার দুপুরে জেলা প্রশাসক, পুলিশ প্রশাসন ও প্রেসক্লাব বরাবর লিখিত অভিযোগ করেন ৪০ থেকে ৪৫ জন পরীক্ষার্থী।

অভিযোগপত্রে বলা হয়েছে, মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সাধারণ প্রশাসনে অফিস সহকারী কাম-কম্পিউটার মুদ্রাক্ষরিক (টাইপিস্ট) পদে তিনটি ও হিসাব সহকারী পদে একটি শূন্য পদে শুক্রবার সকাল ১০টায় শহরের খান বাহাদুর আওলাদ হোসেন খান স্কুল অ্যান্ড কলেজে লিখিত পরীক্ষার কেন্দ্র ছিল, তবে যাতায়াতে সমস্যার কারণে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষার কেন্দ্রে পৌঁছান সকাল ৯টা ৪০ মিনিটে। ওই সময় পরীক্ষাকেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা পুলিশ ও ম্যাজিস্ট্রেটসহ সংশ্লিষ্টরা তাদের পরীক্ষার কেন্দ্রে ঢুকতে দেননি।

পরীক্ষার্থীদের অভিযোগ, পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের জন্য অনুরোধ করলে তাদের সঙ্গে খারাপ আচারণ করেন কেন্দ্রের দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিরা। প্রশাসনের কাছে গিয়েও পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারেননি জেলার ৪০ থেকে ৪৫ জন পরীক্ষার্থী।

এরপর পুনরায় পরীক্ষার দাবিতে এবং সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে উপযুক্ত ব্যবস্থার জন্য লিখিত অভিযোগ করেন তারা।

ঘিওরের পরীক্ষার্থী মামুন মিয়া বলেন, ‘প্রবেশপত্র দিয়ে পরীক্ষার কেন্দ্রের ভেতরে প্রবেশ করতে দেয়নি দায়িত্বরতরা। এরপর পরীক্ষার কেন্দ্রে থাকা পুলিশ-ম্যাজিস্ট্রেটসহ বিভিন্ন ব্যক্তিদের কাছে পরীক্ষাকেন্দ্রে প্রবেশের জন্য অনুরোধ করি, কিন্তু তারা আমাদের অনুরোধ না শুনে উল্টো খারাপ ব্যবহার করেন।’

দৌলতপুরের পরীক্ষার্থী মাহমুদুল হাসান জানান, প্রবেশপত্রে সাড়ে ৯টার মধ্যে কেন্দ্রে প্রবেশের কথা উল্লেখ ছিল, কিন্তু রাস্তায় সমস্যার কারণে ১০ মিনিট দেরি করে ৯টা ৪০ মিনিটে পরীক্ষার কেন্দ্রে পৌঁছান।

তিনি বলেন, ‘১০ মিনিট দেরির কারণে আমাদের পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে দেয়নি। অথচ আমাদের পরে এসে অনেক পরীক্ষার্থী আমাদের সামনে পরীক্ষার হলে প্রবেশ করেছে।’

সিংগাইরের পরীক্ষার্থী মনির হোসেন বলেন, ‘আমরা পরীক্ষা শুরুর ২০ মিনিট আগে এসেও পরীক্ষা দিতে পারলাম না। অথচ আমাদের পরে এসেও অন্যরা পরীক্ষা দিয়েছে। প্রশাসন ও পরীক্ষার কেন্দ্রে দায়িত্বে থাকা ব্যক্তিদের উপযুক্ত ব্যবস্থা এবং পুনরায় পরীক্ষার জন্য সরকারের কাছে অনুরোধ করছি।’

এ বিষয়ে জেলা প্রশাসক রেহেনা আকতার, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (শিক্ষা-আইসিটি) শুক্লা সরকার ও অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) মো. তরিকুল ইসলামের মোবাইলে কল দিয়ে কোনো মন্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
গুচ্ছের শেষ পরীক্ষায় জবি এলাকায় যানজটে ভোগান্তি
দেরিতে আসা পরীক্ষার্থীরা ঢুকতে পারেননি জবি কেন্দ্রে
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় ‘বি’ ইউনিটে উত্তীর্ণ ৩৬.৩৩ শতাংশ
স্বপ্নজয়ে প্রতিবন্ধকতার কাছে হার মানেনি ওরা
কুবির কেন্দ্রে এক টেবিলে ১৮ ভর্তিচ্ছু

মন্তব্য

শিক্ষা
HSC Exam Timely Notification Fake Dhaka Board

এইচএসসি পরীক্ষা যথাসময়ে: ঢাকা বোর্ড

এইচএসসি পরীক্ষা যথাসময়ে: ঢাকা বোর্ড এইচএসসির একটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীরা। ফাইল ছবি
ঢাকা বোর্ডের জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ সম্পর্কিত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রচারিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিটি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শাখা কর্তৃক ইস্যুকৃত নয়। ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকশিত সময়সূচি অনুসারে আগামী ৩০ জুন থেকে এইচএসসি পরীক্ষা-২০২৪ যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে।’

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা যথাসময়ে অনুষ্ঠিত হবে জানিয়ে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড, ঢাকা বলেছে, পরীক্ষার সময় পেছানো নিয়ে ছড়িয়ে পড়া বিজ্ঞপ্তিটি ভুয়া।

সরকারি ছুটির দিন শনিবার ঢাকা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক আবুল বাশার স্বাক্ষরিত জরুরি বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়।

এইচএসসি পরীক্ষা যথাসময়ে: ঢাকা বোর্ড

এতে বলা হয়, ‘সংশ্লিষ্ট সকলের অবগতির জন্য জানানো যাচ্ছে যে, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ২০২৪ সালের এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর তারিখ সম্পর্কিত একটি বিজ্ঞপ্তি প্রচারিত হয়েছে। বিজ্ঞপ্তিটি ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা শাখা কর্তৃক ইস্যুকৃত নয়।

‘ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে প্রকশিত সময়সূচি অনুসারে আগামী ৩০ জুন থেকে এইচএসসি পরীক্ষা-২০২৪ যথারীতি অনুষ্ঠিত হবে। সংশ্লিষ্ট সকলকে এ ধরনের অপপ্রচার থেকে সতর্ক থাকার জন্য অনুরোধ করা হলো।’

এর আগে শুক্রবার রাত ১০টা ৯ মিনিটে সাংবাদিকদের কাছে দেয়া এক বার্তায় শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের তথ্য ও জনসংযোগ কর্মকর্তা মোহাম্মদ আবুল খায়ের জানান, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচারিত বিজ্ঞপ্তিটি ভুয়া।

বিজ্ঞপ্তির একটি ছবি যুক্ত করে তিনি লিখেন, ‘ফেইক, ভুয়া।’

এ কর্মকর্তা বলেন, ‘পরীক্ষা আগের রুটিন অনুযায়ী হবে। পরীক্ষা পেছানোর বিষয়ে কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি।’

কী ছিল ভুয়া বিজ্ঞপ্তিতে

ঢাকা বোর্ডের বিভিন্ন সময়ের বিজ্ঞপ্তির আদলে করা ভুয়া বিজ্ঞপ্তিটির শিরোনাম ছিল, ‘২০২৪ সালের উচ্চমাধ্যমিক পরীক্ষা এক মাস বিলম্বের নোটিশ’।

বিজ্ঞপ্তিটিতে যে ফন্ট ব্যবহার করা হয়েছে, সেটি ঢাকা বোর্ডের নানা সময়ে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তিতে ব্যবহার করা হয়নি।

এইচএসসি পরীক্ষা যথাসময়ে: ঢাকা বোর্ড

এতে উল্লেখ করা হয়, ‘আগাম ঘূর্ণিঝড়, বন্যা ও দুই দফা ছাত্রছাত্রীদের দেশব্যাপী আন্দোলনের ওপর ভিত্তি করে আগামী ৩০ জুন অনুষ্ঠিতব্য এইচএসসি পরীক্ষা আগামী ৩০ জুলাই বোর্ড কর্তৃক প্রদত্ত শর্ট সিলেবাসে অনুষ্ঠিত হবে।

‘উল্লেখ্য, শিগগিরই ২০২৪ সালের ৩০ জুলাই অনুষ্ঠিতব্য পরীক্ষার নতুন সময়সূচি প্রকাশিত হবে।’

আরও পড়ুন:
পরীক্ষার পর রোল পরিবর্তনে ফেল, যৌক্তিকতা কতটুকু!
চায়ের দোকান করেও জিপিএ-৫ পেলেন স্মৃতি
এইচএসসির ফল পুনঃনিরীক্ষা করা যাবে যেভাবে
রাজশাহী বোর্ডে এগিয়ে মেয়েরা, কমেছে পাস ও জিপিএ ৫
ফরিদপুরে এইচএসসি পরীক্ষায় ফেল: শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা

মন্তব্য

শিক্ষা
Rabi will take the admission test at the regional center

আঞ্চলিক কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা নেবে রাবি

আঞ্চলিক কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা নেবে রাবি রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি
আগামী বছর থেকে রাজশাহী ছাড়াও ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা এই চারটি কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা গ্রহণের সিদ্ধান্ত নিয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। প্রয়োজনে কেন্দ্র সংখ্যা আরও বাড়ানো হবে।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষ ভর্তি পরীক্ষা আগামী বছর থেকে দেশের আঞ্চলিক পর্যায়ে অনুষ্ঠিত হবে। প্রাথমিকভাবে রাজশাহী, ঢাকা, চট্টগ্রাম ও খুলনা এই চারটি কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষার সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বৃহস্পতিবার বিকেলে অনুষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলের সভায় এমন সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। উপ-উপাচার্য অধ্যাপক সুলতান-উল-ইসলাম বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের একটা দাবি ছিল ভর্তি পরীক্ষা বিকেন্দ্রীকরণ করার। সবার দাবির পরিপ্রেক্ষিতে আজ (বৃহস্পতিবার) অনুষ্ঠিত অ্যাকাডেমিক কাউন্সিলে আমরা বিষয়টি আলোচনা করি। আপাতত রাজশাহী, ঢাকা, খুলনা ও চট্টগ্রামে পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে। প্রয়োজনে আরও কয়েকটি কেন্দ্র বাড়ানো হবে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আটটি বিভাগীয় শহরেই ভর্তি পরীক্ষা নেয়া শুরু করেছে। পরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ও আঞ্চলিক কেন্দ্রে ভর্তি নেয়া শুরু করে।

মন্তব্য

শিক্ষা
Cyclone Rimal increased application time in bunches

গুচ্ছে ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল

গুচ্ছে ভর্তি আবেদনের সময় বাড়ল জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে নেয়া হচ্ছে গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা। ফাইল ছবি
উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন জানান, মঙ্গলবার যখন যে সময় শেষ হওয়ার কথা ছিল তার থেকে ২৪ ঘণ্টা বাড়ানো হচ্ছে। অর্থাৎ মঙ্গলবার যেই সময় শেষ হওয়ার কথা ঠিক বুধবার সেই সময় শেষ হবে।

গুচ্ছভুক্ত দেশের ২৪টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি আবেদনের সময়সীমা একদিন বাড়ানো হয়েছে।

প্রাকৃতিক দুর্যোগ রিমালের তাণ্ডবের পরিপ্রেক্ষিতে পূর্বনির্ধারিত আবেদনের সময়ের চেয়ে ২৪ ঘণ্টা বৃদ্ধি করা হয়েছে। এর ফলে বুধবার রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা অনলাইনে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগ পছন্দক্রম দিতে পারবেন।

মঙ্গলবার গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক ও যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন নিউজবাংলাকে এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. আনোয়ার হোসেন জানান, মঙ্গলবার যখন যে সময় শেষ হওয়ার কথা ছিল তার থেকে ২৪ ঘণ্টা বাড়ানো হচ্ছে। অর্থাৎ মঙ্গলবার যেই সময় শেষ হওয়ার কথা ঠিক বুধবার সেই সময় শেষ হবে।

এর আগে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি ও ওয়েবসাইটের তথ্যানুযায়ী, মঙ্গলবার রাতেই এ সুযোগ শেষ হওয়ার কথা ছিল।

ভর্তি আবেদন ও বিভাগ পছন্দক্রম দেয়া নিয়ে গুচ্ছের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, জিএসটি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর বিভাগ পছন্দক্রমসহ ভর্তির আবেদন ২০ মে দুপুর ১২টায় শুরু হয়েছে। ২৮ মে রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ভর্তিচ্ছুরা আবেদন করতে পারবেন।

অনলাইনে বিভাগ পছন্দক্রমসহ ভর্তির আবেদন কীভাবে করতে হবে, সে জন্য একটি ভিডিও গাইডলাইন দেয়া হয়েছে। প্রতিটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে আবেদন ফি নির্ধারিত ছিল ৫০০ টাকা।

এর আগে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে বলা হয়েছিল, আগামী ২০ জুলাইয়ের মধ্যে গুচ্ছের ভর্তি কার্যক্রম শেষ হবে। এরপর ক্লাস শুরু হবে। গত ২৭ এপ্রিল ‘এ’ ইউনিট (বিজ্ঞান), ৩ মে ‘বি’ ইউনিট (মানবিক) এবং ১০ মে ‘সি’ ইউনিটের (বাণিজ্য) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

গুচ্ছভুক্ত ২৪টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাকা), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (কুষ্টিয়া), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সিলেট), খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুলনা), হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (দিনাজপুর), মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (টাঙ্গাইল), নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোয়াখালী), কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুমিল্লা), জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ), যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যশোর), বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (রংপুর), পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবনা), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোপালগঞ্জ), বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (বরিশাল), রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রাঙ্গামাটি), রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ (সিরাজগঞ্জ), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি (গাজীপুর), শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় (নেত্রকোনা), বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (জামালপুর), পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পটুয়াখালী), কিশোরগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কিশোরগঞ্জ) এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চাঁদপুর), সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সুনামগঞ্জ) এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পিরোজপুর)।

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে দেশের উপকূলীয় অঞ্চলের ২ কোটি ৭০ লাখের বেশি গ্রাহক ঘণ্টার পর ঘণ্টা বিদ্যুৎ বিহীন রয়েছেন। এ কারণে দেশের ২১ জেলায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ রয়েছে। এরইমধ্যে দেশের ৪৫ জেলার মোবাইল নেটওয়ার্ক অপারেটরদের ৮ হাজার ৪১০টি সাইটে বিদ্যুৎ সংযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে অচল হয়ে পড়েছে।

মন্তব্য

শিক্ষা
No Cyclone Postpones Exams National University

ঘূর্ণিঝড় নয়, স্থগিত হয়েছে পরীক্ষা: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়

ঘূর্ণিঝড় নয়, স্থগিত হয়েছে পরীক্ষা: জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়
যারা এ তথ্য ছড়িয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

‘পরীক্ষার কারণে ঘূর্ণিঝড় স্থগিত হয়েছে’- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের নামে এমন যে তথ্য ছড়ানো হয়েছে তা ঠিক নয় বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের পরিচালক মো. আতাউর রহমান এক বিজ্ঞপ্তিতে রোববার এ তথ্য জানান।

এতে বলা হয়, জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম ক্ষুণ্ন করার জন্য একটি অসাধু সাইবার অপরাধী চক্র মিথ্য, বানোয়াট এবং উদ্দেশ্যমূলক তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ দপ্তরের সংবাদ বিজ্ঞপ্তির নামে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রচার করছে। যার সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো সম্পর্ক নেই।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ১৬ মে তারিখের বরাতে ‘আগামী ২৬ মে রোববার পরীক্ষার কারণেভ ঘূর্ণিঝড় স্থগিত করা হয়েছে’ শীর্ষক যে সংবাদ প্রচার করা হচ্ছে সেটি ভুয়া, বানানো ও উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।

যারা এ তথ্য ছড়িয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে বলেও জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে আসলে কী বলা হয়েছিল তা জানিয়ে নতুন বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বিজ্ঞপ্তিটি ছিল এমন যেখানে বলা হয়- জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২৬ মে, ২০২৪ রোববার অনুষ্ঠিতব্য অনার্স চতুর্থ বর্ষের পরীক্ষা অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে। স্থগিত এই পরীক্ষার সময়সূচি পরবর্তীতে জানানো হবে। পরীক্ষার অন্যান্য সময় ও তারিখ অপরিবর্তিত থাকবে।

মন্তব্য

p
উপরে