× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Argument on two sides of the teachers by blocking the car of Kubi treasurer
google_news print-icon

কুবি কোষাধ্যক্ষের গাড়ি আটকে শিক্ষকদের দুই পক্ষের বাকবিতণ্ডা

কুবি-কোষাধ্যক্ষের-গাড়ি-আটকে-শিক্ষকদের-দুই-পক্ষের-বাকবিতণ্ডা
কুবির কোষাধ্যক্ষের গাড়িসহ পথরোধ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি। ছবি: নিউজবাংলা
কুবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক মেহেদি হাসান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের যত অনিয়ম হচ্ছে তার সহায়ক হচ্ছেন কোষাধ্যক্ষ। আর এই অনিয়মগুলো তিনি চালু করেছেন। এই কারণে শিক্ষকরা সাধারণ সভায় তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন, সে কারণে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো পরিষেবা পাবেন না।’

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামানকে গাড়িসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকে পথরোধ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি।

এ কাজে বাধা দেয় শিক্ষকদের আরেকটি পক্ষ। এতে করে শিক্ষকদের দুই পক্ষের মধ্যে বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে।

দুই পক্ষের শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, শনিবার বিকেল ৫টা থেকে রাত সাড়ে ৮টা পর্যন্ত পথরোধ অবস্থায় বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটকে গাড়িতে অবস্থান করছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ।

তারা জানান, এর আগে বিকেল সাড়ে ৪টা থেকে শিক্ষক সমিতির নেতারা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য কার্যালয়, কোষাধ্যক্ষের কার্যালয় এবং প্রক্টরের কার্যালয়ে তালা দিতে যান। সে সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ ও প্রক্টরের দপ্তরে তালা ঝুলিয়ে উপাচার্যের কার্যালয়ে তালা দিতে গেলে তারা দেখেন প্রশাসন থেকে আগে থেকেই উপাচার্য দপ্তরে তালা দেয়া।

পরবর্তী সময়ে তারা প্রশাসনিক ভবন থেকে বের হয়ে দেখেন কোষাধ্যক্ষ তার গাড়ি নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক দিয়ে বেরিয়ে যাচ্ছেন। এ সময় তারা মূল ফটকে অবস্থান নেন এবং তাদেরকে কোষাধ্যক্ষকের গাড়ির চাবি দিয়ে চলে যেতে বলেন, কিন্তু ট্রেজারার তাদের কথার সঙ্গে একমত না হওয়ায় তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটক বন্ধ করে কোষাধ্যক্ষকে পথরুদ্ধ করেন।

তারা আরও জানান, এ সময় শিক্ষকদের একটি অংশ শিক্ষক সমিতির সঙ্গে তালা লাগানো নিয়ে বাকবিতণ্ডা করেন। তারা এ বিশ্ববিদ্যালয়ে তালা সংস্কৃতি বন্ধ চান বলে মন্তব্য করেন।

এ বিষয়য়ে লোকপ্রশাসন বিভাগের অধ্যাপক ড. রশিদুল ইসলাম শেখ বলেন, ‘শিক্ষক সমিতির সাধারণ সভায় সিদ্ধান্ত হয়েছিল, ভর্তি পরীক্ষার দিন কর্মসূচির আওতামুক্ত থাকবে। কিন্তু তারা পরবর্তীতে লিখল, শিথিল থাকবে। এটা এক প্রকার প্রতারণা। আমরাও শিক্ষক সমিতির সদস্য। এভাবে শিক্ষক সমিতি খেয়াল খুশি মতো চলতে পারে না।

‘আমরা এ তালা সংস্কৃতি থেকে মুক্তি চাই। কিছু হলেই তালা লাগিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়কে অস্থিতিশীল করার চেষ্টা গভীর ষড়যন্ত্রের অংশ বলে মনে করি।’

কুবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক মেহেদি হাসান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের যত অনিয়ম হচ্ছে তার সহায়ক হচ্ছেন কোষাধ্যক্ষ। আর এই অনিয়মগুলো তিনি চালু করেছেন। এই কারণে শিক্ষকরা সাধারণ সভায় তাকে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করেছেন, সে কারণে তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের কোনো পরিষেবা পাবেন না।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী বলেন, ‘আমাদের মূল দায়িত্ব হলো শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। প্রক্টর হিসেবে যদিও শিক্ষার্থীদের ওপরে আমার দায়িত্ব, তারপরেও সার্বিক শৃঙ্খলার ব্যাপারটা আমাদের ওপরে আসে।

‘আজকে গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা ছিল। আজকে রাষ্ট্রপতি মনোনীত কোষাধ্যক্ষকে তারা এভাবে পথ আটকে দিয়েছে। আমি মনে করি শিক্ষক হিসেবে তারা নৈতিকতার জায়গা লঙ্ঘন করেছে।’

গাড়িতে থাকা কুবি কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আসাদুজ্জামান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় নেতৃত্ব দিচ্ছে উপাচার্য স্যার। এখন বিশ্ববিদ্যালয়কে সঠিকভাবে এগিয়ে নিতে, সচল রাখতে কী করণীয় সে বিষয়ে স্যারের সঙ্গে কথা বলার জন্য যাচ্ছি।’

এ ব্যাপারে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম আবদুল মইনকে ফোন দেয় হলে তার ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

গত ২৩ এপ্রিল শিক্ষক সমিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর একটি চিঠিতে তাদের ৭টি দাবি মেনে নেয়ার জন্য ২৪ ঘণ্টার আল্টিমেটাম দেয়। শিক্ষক সমিতির দেয়া সাত দাবি ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বাস্তবায়ন না হওয়ায় ২৫ তারিখ সকালে শিক্ষক সমিতি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য, কোষাধ্যক্ষের ও প্রক্টরকে ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণা করে তাদের কার্যালয়ে তালা দেন, তবে শনিবার (২৭ এপ্রিল) গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা থাকায় শিক্ষক সমিতি তাদের কর্মসূচি শিথিল করে এবং তালা খুলে দেয়।

অফিস সময়সূচি শেষ হওয়ার পর শনিবার তারা আবারও তালা দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের তিন দপ্তরে।

আরও পড়ুন:
ঈদের আগে-পরে ১৯ দিনের ছুটি বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে
গণহত্যার সাক্ষী জবির গুচ্ছ ভাস্কর্যটি এখনও হয়নি পূর্ণাঙ্গ
গুচ্ছের বিপক্ষে ইবির সাত শিক্ষক, পক্ষে ছয়জন
‘বেআইনিভাবে’ বিভাগীয় প্রধান নিয়োগে কুবি শিক্ষক সমিতির ক্ষোভ
পদত্যাগ করলেন কুবির চার হলের আবাসিক শিক্ষক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Kota protestors march towards Bangabhavan

কোটা আন্দোলনকারীদের বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা কাল

কোটা আন্দোলনকারীদের বঙ্গভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা কাল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে শনিবার সংবাদ সম্মেলন থেকে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘লজিক্যাল অ্যান্ড কনস্ট্রাক্টিভ সলিউশনের জন্য যতগুলো পথ প্রয়োজন আমরা ছাত্ররা সেই পথগুলো অবলম্বন করব। যারা আমাদেরকে ব্লেইম ও ট্যাগ দিতে চান তাদের উদ্দেশে বলব- আপনারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের পালস বুঝুন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাতারে আসুন।’

জাতীয় সংসদের জরুরি অধিবেশন ডেকে সরকারি চাকরির সব গ্রেডে কোটা ব্যবস্থা যৌক্তিক সংস্কারের দাবিতে আগামীকাল রোববার গণভবন অভিমুখে গণপদযাত্রা করবেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এ সময় তারা রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি দেবেন।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে শনিবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলন থেকে এই ঘোষণা দেন আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক হাসনাত আব্দুল্লাহ।

তিনি বলেন, ‘আমাদের ক্লাস-পরীক্ষা বর্জনের কর্মসূচি চলছে। তার পাশাপাশি গণপদযাত্রার এই কর্মসূচি আগামীকাল রোববার বেলা ১১টায় এই কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে শুরু হবে। এতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়াও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, অধিভুক্ত সাত কলেজ, শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়সহ ঢাকার আশপাশের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা অংশ নেবেন।

‘সারা দেশের অন্যান্য শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ জেলা প্রশাসক কার্যালয় অভিমুখে পদযাত্রা করবেন। সেখানে তারা একই দাবিতে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মহামান্য রাষ্ট্রপতি বরাবর স্মারকলিপি প্রদান করবেন।’

হাসনাত আব্দুল্লাহ বলেন, ‘লজিক্যাল অ্যান্ড কনস্ট্রাক্টিভ সলিউশনের জন্য যতগুলো পথ প্রয়োজন আমরা ছাত্ররা সেই পথগুলো অবলম্বন করব। যারা আমাদেরকে ব্লেইম ও ট্যাগ দিতে চান তাদের উদ্দেশে বলব- আপনারা সাধারণ শিক্ষার্থীদের পালস বুঝুন, সাধারণ শিক্ষার্থীদের কাতারে আসুন। আমরা চাই, আমাদের দাবির সঙ্গে আপনারা একাত্মতা পোষণ করে সাপ্রেশনের পরিবর্তে সলিউশনের পথ বেছে নেবেন।’

আন্দোলনের এই সমন্বয়ক বলেন, ‘সরকারের সব গ্রেডের চাকরিতে আমরা মোট পাঁচ শতাংশ কোটাকে যৌক্তিক মনে করছি। এখন প্রশ্ন আসতে পারে, কোন কোন কোটা। সেই জায়গায় আমরা তিনটি কোটার কথা বলেছি। সেগুলো হলো- ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠী কোটা, প্রতিবন্ধী কোটা ও মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তানদের জন্য কোটা। কোনো পোষ্য কোটা আমরা চাই না। সুতরাং আমরা আবারও স্পষ্ট করছি, আমরা মুক্তিযোদ্ধা কোটার বিরোধী নই।

‘পুলিশের বক্তব্য সাংঘর্ষিক’

আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক আসিফ মাহমুদ বলেন, ‘আজ শাহবাগ থানায় অজ্ঞাতনামা বলে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে একটি মামলা হয়েছে। তাতে বলা হয়েছে, আন্দোলনকারীরা নাকি তাদের সাঁজোয়া যানের ক্ষতি করেছে। অথচ ওইদিন সন্ধ্যায় রমনা জোনের ঊর্ধ্বতন এক পুলিশ কর্মকর্তা গণমাধ্যমে বলেছিলেন, এখানে আমাদের সাঁজোয়া যান ছিল। বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্ররা যখন এসেছিল তারা অনেকেই এখানে দাঁড়িয়ে ছবি তুলেছে- এই ধরনেরই একটি ঘটনা। তবে কোনো ক্ষয়ক্ষতির ঘটনা ঘটেনি।’

এরপর আসিফ মাহমুদ সেই স্টেটমেন্টের অডিও সবাইকে শোনান।

২৪ ঘণ্টার মধ্যে মামলা প্রত্যাহার দাবি

মামলার বিষয়ে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘আমাদের বিরুদ্ধে হওয়া মামলায় আসামি হিসেবে রাখা হয়েছে অজ্ঞাত আমাদের। এখানে অজ্ঞাতনামা দেয়ার প্রয়োজন নেই। এখানে কারা নেতৃত্ব দিচ্ছেন সেটি খুব স্পষ্ট।

‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিদের মাধ্যমে এই আন্দোলন পরিচালিত হচ্ছে। যদি মামলা দিতেই হয় তাহলে যেন আমাদের নামেই মামলা দেয়া হয়। ছাত্রসমাজকে এ ধরনের মামলা দিয়ে ভয় দেখানো যাবে না।’

তিনি বলেন, ‘আমরা আগামী ২৪ ঘণ্টার মধ্যে এই মামলা প্রত্যাহারের দাবি জানাচ্ছি। আর সেদিন দেশের বিভিন্ন জায়গায় আমাদের বিভিন্ন ব্লকেড কর্মসূচিতে হামলার সঙ্গে জড়িতদের ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিচারের আওতায় আনতে হবে।’

‘আন্দোলন দমনের চেষ্টা হলে বুমেরাং হবে’

নাহিদ বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই শান্তিপূর্ণভাবে আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছিলাম। সরকারের উচিত ছিল প্রথম থেকেই শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনার পরিস্থিতি তৈরি করা এবং দৃশ্যমান পদক্ষেপের মাধ্যমে এই কোটা সমস্যার সংকট নিরসন করা।

‘কিন্তু সরকার সেটি না করে এখন আন্দোলনকে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনী, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, সরকারদলীয় ছাত্র সংগঠন এবং নানা শক্তির মাধ্যমে এই আন্দোলনকে দমনের একটি পরিকল্পনা এবং প্রস্তুতি গ্রহণ করছে। কিন্তু এ ধরনের পরিকল্পনা সরকারের জন্যই বুমেরাং হবে। তারপরও যদি সরকার এ ধরনের কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করে তার দায় সরকারকেই নিতে হবে।’

‘সরকার দায় এড়াতে আদালতকে ব্যবহার করছে’

নাহিদ ইমলাম বলেন, ‘প্রথম থেকেই আমাদের আন্দোলনকে বিচারিক প্রক্রিয়ার সঙ্গে জড়ানোর চেষ্টা হচ্ছে। বলা হচ্ছে, আমরা কেন আদালতে যাচ্ছি না। এটি কিন্তু আমরা অনেকবার স্পষ্ট করেছি। সেটি হলো, আদালতে এখন যে বিষয়টি বিচারাধীন তা হলো নির্বাহী বিভাগের জারি করা ২০১৮ সালের পরিপত্র।

‘কিন্তু সেই পরিপত্রের প্রেক্ষাপটে আমাদের আন্দোলনটি আর সেখানে নেই, আমাদের আন্দোলনটি সামগ্রিক কোটা ব্যবস্থা নিয়ে। সেখানে প্রথম, দ্বিতীয় শ্রেণীসহ তৃতীয় এবং চতুর্থ শ্রেণীর চাকরির কোটাও অন্তর্ভুক্ত। এখানে সরকারের হস্তক্ষেপের সুযোগ রয়েছে।’

তিনি বলেন, ‘সরকার বার বার দায় এড়ানোর জন্য আদালতকে ব্যবহার করছে। আদালতকে সামনে রেখে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কালক্ষেপণের নাটক করছে। ১৮ সালের পরিপত্র নিয়ে কথা বলা আমাদের জন্য সাব-জুডিস হবে। কিন্তু সামগ্রিক কোটা ব্যবস্থা নিয়ে কথা বলা কখনোই সাব-জুডিস হবে না।’

‘ছাত্রলীগ আন্দোলনে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার চেষ্টা করছে

আদালতের রায়ের পর সাধারণ শিক্ষার্থীরা কোটা আন্দোলন থেকে মুখ ফিরিয়ে নিয়েছে বলে ছাত্রলীগের যে দাবি সে বিষয়ে নাহিদ বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনের জোয়ার কমেনি বরং প্রতিদিনই বাড়ছে। আমাদের কোনো দাবিই তো পূরণ করা হয়নি, সেখানে কী কারণে শিক্ষার্থীরা ফিরে যাবে? শিক্ষার্থীরা এত বোকা নয় যে তাদের সামনে একটি মুলা ঝুলানো হবে এবং তারা ঘরে ফিরে যাবে।’

তিনি বলেন, ‘আন্দোলনের শুরুর দিকে এই ছাত্রলীগের কোন খোঁজখবর ছিল না। এখন যখন আন্দোলন সফলতার দিকে যাচ্ছে, তখন তারা এই আন্দোলনে অন্তর্ভুক্ত হওয়ার জন্য নানাভাবে চেষ্টা করছে।’

‘শিক্ষকরা ক্লাসে ফিরলেও আমরা ফিরব না’

আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক সারজিস আলম বলেন, ‘আমাদের সম্মানিত শিক্ষকদের নিয়ে বলতে চাই, আপনারা যখন আপনাদের পেনশন স্কিমকে সামনে রেখে ক্লাস বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন তখন কিন্তু ছাত্ররা জোর করে ক্লাসে গিয়ে বসে থাকেনি। এখন সময় এসেছে আপনাদের প্রমাণ করার যে, যারা আপনাদের যৌক্তিক দাবিতে আপনাদের দাবির প্রতি শ্রদ্ধা প্রদর্শন করেছে, তাদের যৌক্তিক দাবিতে আপনারা কতটুকু তাদের পাশে থাকবেন।

‘আপনাদের দাবি যদি পূরণ হয়েও যায় তারপরও আমাদের দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত আমরা ক্লাসে ফিরে যাব না।’

আরও পড়ুন:
রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা
শাহবাগে শিক্ষার্থীদের অবস্থান শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী প্রেতাত্মা ভর করেছে: আইনমন্ত্রী
বেনজীরের স্ত্রীর ঘেরের মাছ চুরির মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার
মোমবাতি জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ কুবি শিক্ষার্থীদের, যানজট

মন্তব্য

শিক্ষা
Kubi students protest against police attack
কোটা সংস্কার আন্দোলন

পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ কোটা সংস্কার আন্দোলনের মিছিলে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে শুক্রবার ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে উপাচার্য বাংলো হয়ে আনসার ক্যাম্প ঘুরে গোল চত্বরে এসে শেষ হয়। কর্মসূচিতে বৃহস্পতিবার শিক্ষার্থীদের মিছিলে পুলিশি হামলার প্রতিবাদ ও দায়ীদের বিচার দাবি করা হয়।

কোটা সংস্কার আন্দোলনের অংশ হিসেবে বৃহস্পতিবার ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করতে গিয়ে পুলিশি হামলার শিকার হন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এই হামলার প্রতিবাদ ও দায়ীদের বিচার দাবিতে ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিল হয়েছে।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু হয়ে উপাচার্য বাংলো হয়ে আনসার ক্যাম্প ঘুরে গোল চত্বরে এসে শেষ হয়।

মিছিলটি আনসার ক্যাম্পে পৌঁছলে শিক্ষার্থীরা সেখানে একযোগে জাতীয় সংগীত গান এবং পুলিশি হামলার শিকারদের উদ্দেশে এক মিনিট নীরবতা পালন করেন। নীরবতা পালন শেষে শিক্ষার্থীরা আনসার ক্যাম্প মোড়কে ‘ছাত্র আন্দোলন চত্বর’ ঘোষণা করা হয়।

পুলিশি হামলার প্রতিবাদে কুবি শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

সেখানে সংক্ষিপ্ত সমাবেশে শিক্ষার্থীরা বৃহস্পতিবারের হামলায় জড়িতদের বিচার চান এবং সেদিনের ঘটনায় প্রক্টরিয়াল বডির ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলেন। এরপর তারা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রবেশ করে গোলচত্বরে স্লোগান দিতে থাকেন।

প্রসঙ্গত, বৃহস্পতিবা বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন আনসার ক্যাম্পের সামনে শিক্ষার্থীদের মিছিলে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। শিক্ষার্থীরাও ইট-পাথর নিক্ষেপ করেন। পরবর্তীতে পুলিশ কাঁদানে গ্যাস ও ফাঁকা গুলি ছোড়ে। এ সময় সাংবাদিকসহ অনেকে আহত হন। পরবর্তীতে বিকেল ৪টা ৪৫ মিনিট থেকে রাত ১০টা ৪৭ মিনিট পর্যন্ত ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন শিক্ষার্থীরা৷

আরও পড়ুন:
সারা দেশে শুক্রবার বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা
চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় হামলার প্রতিবাদে রাজশাহীতে রেললাইন অবরোধ
জবি গেটের তালা ভেঙে মিছিল নিয়ে শাহবাগে শিক্ষার্থীরা
সময় টিভির রিপোর্টার ও ক্যামেরাম্যানকে ধাওয়া
চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের মিছিলে পুলিশ ও ছাত্রলীগের হামলা

মন্তব্য

শিক্ষা
Students blocked the railway track in Rajshahi
কোটা সংস্কার আন্দোলন

রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা

রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা শিক্ষার্থীরা শুক্রবার বিকেলে ক্যাম্পাস থেকে মিছিল নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশন বাজার সংলগ্ন রেলপথ অবরোধ করেন। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষার্থীরা শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) স্টেশন বাজার সংলগ্ন রেলপথ অবরোধ করেন। রাবি, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ, রাজশাহী কলেজ ও রুয়েট মিলে পাঁচ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী এতে অংশ নেন।

সরকারি সব চাকরিতে কোটা পদ্ধতি সংস্কারের এক দফা দাবিতে চলমান আন্দোলনে রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীরা শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) স্টেশন বাজার সংলগ্ন রেলপথ অবরোধ করেন।

কর্মসূচিতে রাবি, রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজ, রাজশাহী কলেজ ও রুয়েট মিলে পাঁচ সহস্রাধিক শিক্ষার্থী অংশ নেন।

চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় বৃহস্পতিবার কোটা সংস্কার আন্দোলনের মিছিলে পুলিশি হামলার প্রতিবাদে এই রেলপথ অবরোধ কর্মসূচির ঘোষণা দিয়েছিলেন রাবি শিক্ষার্থীরা। সে অনুযায়ী শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টা থেকে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে অবস্থান নিতে শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। এরপর বিকেল সাড়ে ৪টায় সেখান থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান প্রধান সড়কগুলো প্রদক্ষিণ করেন তারা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশন বাজার সংলগ্ন রেললাইনে অবস্থান নেন আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা। এই অবরোধের ফলে ওই সময়ের জন্য রাজশাহীর সঙ্গে সারাদেশের রেল যোগাযোগ ব্যাহত হয়।

রাজশাহীতে রেলপথ অবরোধ করেছেন শিক্ষার্থীরা

রেললাইন অবরোধ করে শিক্ষার্থীরা ‘জেগেছে রে জেগেছে, ছাত্র সমাজ জেগেছে’, ‘মেধাবীদের কান্না, আর না আর না’, ‘লড়াই লড়াই লড়াই চাই, লড়াই করে বাঁচতে চাই’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার খবর দে’, ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘আপোষ না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘অ্যাকশন অ্যাকশন, ডাইরেক্ট অ্যাকশন’, ‘জ্বালো রে জ্বালো, আগুন জ্বালো’, ‘কুমিল্লায় হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, চট্টগ্রামে হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

আন্দোলনে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী সালাউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘আমাদের এক দফা এক দাবি। সরকারি চাকরিতে সব গ্রেডে অযৌক্তিক ও বৈষম্যমূলক কোটা বাতিল করতে হবে। অনগ্রসর জনগোষ্ঠী এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের জন্য কোটাকে ন্যায্যতার ভিত্তিতে ন্যূনতম পর্যায়ে সর্বোচ্চ ৫ শতাংশে এনে সংসদে আইন পাস করে কোটা পদ্ধতিকে সংস্কার করতে হবে।

‘এই ৫ শতাংশের ভেতরে মুক্তিযোদ্ধার সন্তানদের জন্য ২ শতাংশ, অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর জন্য ২ শতাংশ এবং বিশেষ চাহিদাসম্পন্নদের জন্য ১ শতাংশ বরাদ্দ থাকবে। এতে মুক্তিযোদ্ধাদের কোনো নাতি-নাতনি সুযোগ পাবে না।’

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের শিক্ষার্থী বারিউল ইসলাম বলেন, ‘আগে আমাদের একটা সমন্বয় কমিটি ছিলো, সেটা বিলুপ্ত করা হয়েছে। এখন আমরা সাধারণ শিক্ষার্থীরা আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি। ‘আমাদের দাবি, ৫ শতাংশের উপরে কোটা বহাল থাকা যাবে না। এবং এটা সংসদের নির্বাহী বিভাগের আইন পাস করার মাধ্যমে করতে হবে। এছাড়া অন্য কোনো সমঝোতা আমরা মেনে নেব না।’

ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষার্থী মোহাম্মদ তামিম বলেন, ‘সারাদেশের সঙ্গে একাত্মতা পোষণ করে আমরা আন্দোলনে নেমেছি। এখন আমাদের এক দফা এক দাবি, বৈষম্যমূলক সব কোটা যৌক্তিকতার ভিত্তিতে সংস্কার করতে হবে। মুক্তিযোদ্ধার নাতি-নাতনির জন্য কোনো কোটা রাখা যাবে না, এটা সম্পূর্ণ অযৌক্তিক এবং ভিত্তিহীন। আমাদের দাবি মেনে না নেয়া পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।’

আরও পড়ুন:
শাহবাগে শিক্ষার্থীদের অবস্থান শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা
কোটা আন্দোলনে স্বাধীনতাবিরোধী প্রেতাত্মা ভর করেছে: আইনমন্ত্রী
বেনজীরের স্ত্রীর ঘেরের মাছ চুরির মামলায় তিনজন গ্রেপ্তার
মোমবাতি জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ কুবি শিক্ষার্থীদের, যানজট
সারা দেশে শুক্রবার বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য

শিক্ষা
After the stay of the students in Shahbagh the new program is announced
কোটা সংস্কার আন্দোলন

শাহবাগে শিক্ষার্থীদের অবস্থান শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা

শাহবাগে শিক্ষার্থীদের অবস্থান শেষে নতুন কর্মসূচি ঘোষণা শুক্রবার সন্ধ্যায় শাহবাগে জমায়েত থেকে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার শুক্রবার সন্ধ্যায় শাহবাগের অবস্থান থেকে নতুন কর্মসূচির ঘোষণা দেন। সে অনুযায়ী শনিবার মাঠের কোনো আন্দোলন নেই। এদিন দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ ও ৬৪ জেলায় অনলাইন-অফলাইনে প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন তারা।

সরকারি চাকরির সব গ্রেডে কোটা সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা আগামীকাল শনিবার কোনো মাঠের কর্মসূচি রাখেননি। তবে এদিন তারা দেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ ও ৬৪ জেলায় অনলাইন ও অফলাইনে প্রতিনিধিদের সঙ্গে মতবিনিময় করবেন।

রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে শুক্রবার প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান শেষে সন্ধ্যা সোয়া ৬টায় বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক আবু বাকের মজুমদার নতুন এই কর্মসূচির ঘোষণা দেন। আর রোববার মাঠের কর্মসূচি থাকবে কিনা তা শনিবার সন্ধ্যা ৬টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে সংবাদ সম্মেলন করে জানানো হবে বলে জানিয়েছেন এই সমন্বয়ক।

বৃহস্পতিবার সারাদেশে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা ও এর সঙ্গে জড়িতদের বিচার এবং কোটা সংস্কারের এক দফা দাবিতে পূর্বঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী আজ শুক্রবার বিকেল ৫টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন আন্দোলনকারীরা। পরে তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভিসি চত্বর ঘুরে টিএসসি হয়ে শাহবাগে গিয়ে অবস্থান নেন। রাস্তা অবরোধ করে সেখানে প্রায় এক ঘণ্টা অবস্থান করে সমাবেশ করেন শিক্ষার্থীরা। এ সময় ওই এলাকা ও আশপাশের সড়কে যানবাহন চলাচল বাধাগ্রস্ত হয়।

শিক্ষার্থীরা এ সময় শাহবাগ মোড়ে অবস্থান করে ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘কুবি/চবিতে/শেকৃবি হামলা কেন, প্রশাসন জবাব দে’, ‘পুলিশ/হামলা/মামলা করে আন্দোলন, বন্ধ করা যাবে না’, ‘দফা এক দাবি এক, কোটা নট কাম ব্যাক’, ‘সারা বাংলায় খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’ ইত্যাদি স্লোগান দিতে থাকেন।

আন্দোলনের সহ-সমন্বয়ক আবু সাইদ বলেন, ‘আমাদের যৌক্তিক আন্দোলন চলাকালে বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ে আমাদের ভাই-বন্ধুদের ওপর হামলা করা হয়েছে। আমরা যৌক্তিক ও গণতান্ত্রিক আন্দোলন করছি। কিন্তু পুলিশ সেখানে হামলা করেছে। আমরা হামলাকারীদের দ্রুত শনাক্ত করে শাস্তির আওতায় নিয়ে আসার দাবি জানাই। এর প্রতিবাদেই আজকে আমরা ঢাবিসহ সারা দেশে বিক্ষোভ সমাবেশ করছি।’

আরও পড়ুন:
জবি গেটের তালা ভেঙে মিছিল নিয়ে শাহবাগে শিক্ষার্থীরা
সময় টিভির রিপোর্টার ও ক্যামেরাম্যানকে ধাওয়া
চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের মিছিলে পুলিশ ও ছাত্রলীগের হামলা
সরকার চাইলে কোটা পদ্ধতি পরিবর্তন করতে পারবে
আদালতের বিষয় আদালতে সমাধান হোক

মন্তব্য

শিক্ষা
Blocking the highway by lighting candles traffic jams of Kubi students

মোমবাতি জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ কুবি শিক্ষার্থীদের, যানজট

মোমবাতি জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ কুবি শিক্ষার্থীদের, যানজট মহাসড়কে মোমবাতি জ্বালিয়ে অবরোধে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা পুলিশের বাধা পেরিয়ে বিকেল ৫টার দিকে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অবরোধ করেন। এতে মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। ভোগান্তির শিকার হন বিভিন্ন পরিবহনের যাত্রীরা।

সরকারি চাকরিতে কোটা সংস্কার দাবিতে চলমান ‘বাংলা ব্লকেড’ কর্মসূচির অংশ হিসেবে পঞ্চম দিনের মতো ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করতে গেলে পুলিশের বাধার মুখোমুখি হন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। এ সময় পুলিশ ও শিক্ষার্থীদের সংঘর্ষে অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী আহত হন।

আহতদের অনেকে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রাথমিক চিকিৎসা নেন। দিন গড়িয়ে সন্ধ্যা হলেও মোমবাতি জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ করে রাখেন কুবি শিক্ষার্থীরা।

এদিকে মহাসড়ক অবরোধের ফলে ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। অবর্ণনীয় ভোগান্তির শিকার হন বিভিন্ন পরিবহনের যাত্রীরা।

মোমবাতি জ্বালিয়ে মহাসড়ক অবরোধ কুবি শিক্ষার্থীদের, যানজট

বৃহস্পতিবার বিকেল ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন আনসার ক্যাম্প এলাকায় এই সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। পুলিশের বাধা পেরিয়ে বিকেল ৫টার দিকে শিক্ষার্থীরা ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের অবরোধ করেন।

সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা মূল ফটক অতিক্রম করে আনসার ক্যাম্পের সামনে এলে পুলিশ ক্যাম্পাসে ফিরে যাওয়ার জন্য বলে শিক্ষার্থীদের। শিক্ষার্থীরা কথা না মেনে মহাসড়কের দিকে এগুতে চাইলে প্রথমে লাঠিচার্জ করা হয়। পরবর্তীতে ফাঁকা গুলি ও টিয়ারশেল নিক্ষেপ করে পুলিশ। এতে সাংবাদিকসহ বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক শিক্ষার্থী আহত হন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী রানা বলেন, ‘আমি নিশ্চিত নই কতজন আহত হয়েছে। আমিও শিক্ষার্থীদের সঙ্গেই আছি। তবে তিনজনকে হাসপাতালে নিতে দেখেছি।’

এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার নাজমুল হাসান রাফি বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছিলাম। আমরা তাদের প্রতিপক্ষ নই। বিষয় হচ্ছে তারা যদি দেশের কোনো ব্যস্ততম রাস্তা বেআইনিভাবে আটকে রাখে সেক্ষেত্রে আমাদের দায়িত্ব সেটিকে ক্লিন রাখা। আমরা শুধুই আমাদের দায়িত্ব পালন করেছি।’

প্রসঙ্গত, এর আগে একই দাবিতে ৪, ৭, ৮ ও ১০ জুলাই ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করেন কোটা সংস্কার দাবিতে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:
সরকার চাইলে কোটা পদ্ধতি পরিবর্তন করতে পারবে
আদালতের বিষয় আদালতে সমাধান হোক
কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন ইবি শিক্ষার্থীরা
পুলিশি বাধা ডিঙিয়ে ববি শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ
পুলিশ ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগ মোড়ে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

মন্তব্য

শিক্ষা
Students left Shahbagh announcing protests across the country on Friday
কোটা সংস্কার আন্দোলন

সারা দেশে শুক্রবার বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা

সারা দেশে শুক্রবার বিক্ষোভের ঘোষণা দিয়ে শাহবাগ ছাড়লেন শিক্ষার্থীরা রাজধানীর শাহবাগে বৃহস্পতিবার রাতে আন্দোলনের নতুন কর্মসূচি ঘোষণা করেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: সংগৃহীত
আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ হাসান বলেন, ‘আমাদের এক দাবিসহ আজ বৃহস্পতিবার সারাদেশে আমাদের আন্দোলনে যে হামলা ও বাধা দেয়া হয়েছে আর যারা এটি করেছে তাদের বিচারের দাবিতে দেশের সব ক্যাম্পাসে আগামীকাল শুক্রবার বিকেল ৪টায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।’

সরকারি চাকরিতে কোটার যৌক্তিক সংস্কারের দাবিতে আন্দোলনকারীরা আগামীকাল শুক্রবার সারাদেশে বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশের কর্মসূচি ঘোষণা করেছেন। রাজধানীর শাহবাগ মোড়ে প্রায় চার ঘণ্টা অবস্থানের পর এই কর্মসূচি ঘোষণা করে শিক্ষার্থীরা অবরোধ তুলে নিয়েছেন।

বৃহস্পতিবার রাত ৯টায় আন্দোলনকারীরা শাহবাগ মোড় ছাড়েন। এরপর রাজধানীর অন্যতম ব্যস্ত এই সড়ক মোড় দিয়ে যানবাহন চলাচল শুরু হয়। আর শিক্ষার্থীরা বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যে গিয়ে তাদের কর্মসূচি শেষ করেন।

কর্মসূচি ঘোষণা করে আন্দোলনের অন্যতম সমন্বয়ক নাহিদ হাসান বলেন, ‘আমাদের এক দাবিসহ আজ বৃহস্পতিবার সারাদেশে আমাদের আন্দোলনে যে হামলা ও বাধা দেয়া হয়েছে আর যারা এটি করেছে তাদের বিচারের দাবিতে দেশের সব ক্যাম্পাসে আগামীকাল শুক্রবার বিকেল ৪টায় বিক্ষোভ মিছিল ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের এক দফা দাবি বাস্তবায়নে জাতীয় সংসদের জরুরি অধিবেশন ডেকে আইন পাস করতে হবে। তার আগ পর্যন্ত আমরা রাজপথে থাকব।’

নাহিদ বলেন, ‘আমরা শুরু থেকেই বলে এসেছি যে কোটা সংস্কার সরকারের নীতির বিষয়। সরকারের এই নীতিতে যদি সংবিধান পরিপন্থী কিছু থাকে তখন সেখানে আদালত হস্তক্ষেপ করবে। ১৮-র পরিপত্র সংবিধান পরিপন্থী ছিলো বলেই আদালত সেখানে হস্তক্ষেপ করেছে। এবার আমরা কোনো ফঁদে পা দিতে চাই না। কোনো ভুল করতে চাই না।’

হাইকোর্টের সঙ্গে চলমান আন্দোলনের কোনো সম্পর্ক নেই দাবি করে আন্দোলনের এই অন্যতম সমন্বয়ক বলেন, ‘আদালতের প্রতি আমাদের পূর্ণ শ্রদ্ধা এবং সম্মান রয়েছে। আমাদের এক দফা দাবি সরকার ও আইন বিভাগের কাছে। কিন্তু সরকার এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিবর্গ আদালতকে সামনে রেখে আমাদের সঙ্গে টালবাহানা করছেন। তারা আমাদের আন্দোলনের ন্যায্যতা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন। আজকে মহামান্য আদালত তার অবস্থান স্পষ্ট করেছে। আদালতকে আমরা সাধুবাদ জানাই।’

তিনি বলেন, ‘আমরা মনে করছি সরকার নিজেই আদালতকে অবমাননা করার চেষ্টা করছে। যে কাজ সরকারের সেটি তারা আদালতের দিকে ছুড়ে দিচ্ছে। তাই আমাদের দাবি, এসব টালবাহানা বন্ধ করে সংসদের জরুরি অধিবেশন ডেকে কোটার আইন পাস করতে হবে।’

নাহিদ বলেন, ‘কোটা সমস্যার নিরসন সাধারণ শিক্ষার্থীদের প্রাণের দাবি। তাই এখানে বিভিন্ন দল, মত ও পথের শিক্ষার্থীরা রয়েছেন। এই ইস্যুতে আমরা সবাই ঐক্যবদ্ধ।’

নাহিদ আরও বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনে জনদুর্ভোগের কথা বলা হচ্ছে। আমরা আন্দোলন করছি কিন্তু সরকার কর্ণপাত করেনি। এটি সুরাহার দায়িত্ব কার? সরকারে। সরকার এবং আদালতের রায়ে এই আন্দোলনের প্রেক্ষাপট শুরু হয়েছে। কিন্ত তারা কর্ণপাত না করায় আমাদের রাজপথে থাকতে হয়েছে। তাই এই দুর্ভোগের দায় তাদেরকেই নিতে হবে।’

আন্দোলনের আরেক সমন্বয়ক হাসনাত আবদুল্লাহ বলেন, ‘আন্দোলনের শুরু থেকেই অনেকে আমাদের হাইকোর্ট দেখিয়েছে। সরকারের উপর মহল থেকে আমাদেরকে বলা হয়েছে হাইকোর্টের ওপর ভরসা রাখতে। আমরা হাইকোর্টের ওপর ভরসা রেখেছি। কিন্তু এই হাইকোর্ট আজ আপনাদেরকে একটি দায়িত্ব দিয়েছে। আশা করি অতিসত্বর আপনারা এই দায়িত্বটি পালন করে আমাদেরকে রাজপথ থেকে ফেরাবেন।’

আরও পড়ুন:
আদালতের বিষয় আদালতে সমাধান হোক
কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন ইবি শিক্ষার্থীরা
পুলিশি বাধা ডিঙিয়ে ববি শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ
পুলিশ ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগ মোড়ে শিক্ষার্থীদের অবস্থান
কুবি শিক্ষার্থীদের মিছিলে বাধা, টিয়ারশেল লাঠিচার্জ, আহত ২০

মন্তব্য

শিক্ষা
Rail line blockade in Rabi to protest the attacks in Chittagong and Comilla
কোটা সংস্কার আন্দোলন

চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় হামলার প্রতিবাদে রাজশাহীতে রেললাইন অবরোধ

চট্টগ্রাম ও কুমিল্লায় হামলার প্রতিবাদে রাজশাহীতে রেললাইন অবরোধ কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্টেশন বাজার এলাকায় রেললাইন অবরোধ করেন রাবি শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় বিভিন্ন হল থেকে মিছিল নিয়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে স্টেশন বাজার এলাকায় রেললাইন অবরোধ করেন তারা।

চাকরিতে কোটা সংস্কারের দাবিতে চলমান আন্দোলনে কুমিল্লা ও চট্টগ্রামে শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলার প্রতিবাদে রেললাইন অবরোধ করেছেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) শিক্ষার্থীরা।

বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সোয়া ৬টার দিকে রাবি রেলস্টেশনে লাইন অবরোধ করে তারা প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেন।

এ সময় তারা ‘জেগেছে রে জেগেছে ছাত্রসমাজ জেগেছে’, ‘আমার ভাই মরলো কেন প্রশাসন জবাব চাই’, ‘শিক্ষার্থীদের ওপর পুলিশের হামলা কেন, প্রশাসন জবাব চাই’, ‘দিয়েছি তো রক্ত, আরও দিব রক্ত’, ‘ব্লকেড ব্লকেড বাংলা ব্লকেড’ ইত্যাদি স্লোগান দেন।

এর আগে বিভিন্ন হল থেকে মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির সামনে জড়ো হন শিক্ষার্থীরা। সেখান থেকে মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্টেশন বাজার এলাকায় রেললাইন অবরোধ করেন তারা।

রেললাইন অবরোধকালে শিক্ষার্থী তোফায়েল আহমেদ বলেন, ‘কোটা কখনোই বাংলাদেশের সংবিধান সমর্থিত না। পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠীর জন্য কোটা বরাদ্দ থাকে। মুক্তিযোদ্ধারা পিছিয়ে পড়া জনগোষ্ঠী নন।

‘আমরা একটি যৌক্তিক বিষয় নিয়ে আন্দোলন করছি। সরকার নিজেই এটার সমাধান করতে পারে। সেখানে পেটোয়া বাহিনী পুলিশ কিভাবে ছাত্রসমাজের ওপর হাত তোলে? এর প্রতিবাদে আমরা রেললাইন অবরোধ করছি। আমাদের পরবর্তী কর্মসূচি এভাবেই লাগাতার চলবে।’

আন্দোলনকারী আরেক শিক্ষার্থী মুরাদ হোসেন বলেন, ‘আমাদের দাবি বৈষম্যের বিরুদ্ধে। কোটা সংস্কারের দাবিতে আমাদের এই আন্দোলন যৌক্তিক। সরকারের নির্বাহী বিভাগ যতক্ষণ পর্যন্ত কোনো ঘোষণা না দেয় ততক্ষণ আমরা রাজপথ ছাড়ব না।’

আরও পড়ুন:
কুষ্টিয়া-খুলনা মহাসড়ক অবরোধ করেছেন ইবি শিক্ষার্থীরা
পুলিশি বাধা ডিঙিয়ে ববি শিক্ষার্থীদের মহাসড়ক অবরোধ
পুলিশ ব্যারিকেড ভেঙে শাহবাগ মোড়ে শিক্ষার্থীদের অবস্থান
কুবি শিক্ষার্থীদের মিছিলে বাধা, টিয়ারশেল লাঠিচার্জ, আহত ২০
জানমালের অনিশ্চয়তা দেখা দিলে পুলিশ বসে থাকবে না: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী

মন্তব্য

p
উপরে