× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Smile Jobs and Tuition makes tuition stress free
google_news print-icon

টিউশনকে টেনশন ফ্রি করছে ‘স্মাইল জবস অ্যান্ড টিউশন’

টিউশনকে-টেনশন-ফ্রি-করছে-স্মাইল-জবস-অ্যান্ড-টিউশন
প্রতীকী ছবি
২০১৮ সালে ‘স্মাইল জবস অ্যান্ড টিউশনস’-এর শুরু করেন আদনান। শুরুতে একটা ডায়েরিতে শিক্ষক-অভিভাবকদের তথ্য লিখে রাখতেন তিনি। আর এখন পাঁচজনের টিম নিয়ে তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন টিউশনির এই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতটাকে একটা প্রাতিষ্ঠানিক রূপরেখার মধ্যে আনার জন্য।

আপনার সন্তান কিংবা নিজের জন্যে একজন যোগ্য হাউস টিউটর খুঁজে বের করাটা বলতে গেলে বেশ কঠিন কাজ। সাধারণত স্কুলের শিক্ষক বা পরিচিত ব্যক্তিদের কাছ থেকে খোঁজ-খবর নেয়ার মাধ্যমে হাউস টিউটর ঠিক করা হয়। তবে এই শিক্ষকরা আপনার সন্তানের উপযুক্ত কি না, সেটা জানতে-বুঝতেই অন্তত একমাস চলে যায়। অথচ পরে অনেক সময় মনে হয় যে সিদ্ধান্তটা ঠিক হয়নি। যোগ্য হাউস টিউটর খোঁজার এই প্রক্রিয়া অনেক ক্ষেত্রে এভাবে চলতেই থাকে।

অন্যদিকে, মেধাবী ও যোগ্যতাসম্পন্ন তরুণ ছাত্ররা টিউশনি করাতে চাইলে উপযুক্ত ছাত্র খুঁজে পায় না। কীভাবে বিজ্ঞাপন করবে, দেয়ালে-ল্যাম্পপোস্টে পোস্টার লাগাবে- সেটা ভেবে হয়রান হয়।

স্কুলের ছাত্র থাকাকালে আফতাব আদনানের জন্য একজন ভালো হাউস টিউটর খুঁজতে ঝামেলা পোহাতে হয়েছে তার বাবা-মাকে। আবার বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালে নিজে যখন টিউশনি করতে চেয়েছেন, তখনও ছাত্র খুঁজে নেয়া বা অভিভাবকদের সঙ্গে যোগাযোগ করার ক্ষেত্রে নানা বাধার মুখোমুখি হতে হয়েছে তাকে। তাই বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালে এমন একটি প্ল্যাটফর্ম তৈরির আইডিয়া মাথায় আসে তার, যেখানে হাউস টিউটর নিয়োগের ব্যাপারটা হবে সহজ ও স্বচ্ছ প্রক্রিয়ায়।

টিউশনকে টেনশন ফ্রি করছে ‘স্মাইল জবস অ্যান্ড টিউশন’

সেই ভাবনা থেকেই সাহস যুগিয়ে ২০১৮ সালে ‘স্মাইল জবস অ্যান্ড টিউশনস’-এর শুরু করেন আদনান। শুরুতে একটা ডায়েরিতে শিক্ষক-অভিভাবকদের তথ্য লিখে রাখতেন তিনি। আর এখন পাঁচজনের টিম নিয়ে তিনি এগিয়ে যাচ্ছেন টিউশনির এই অপ্রাতিষ্ঠানিক খাতটাকে একটা প্রাতিষ্ঠানিক রূপরেখার মধ্যে আনার জন্য।

বর্তমানে ‘স্মাইল জব অ্যান্ড টিউশনস’-এ রেজিস্টার্ড টিউটরের সংখ্যা চার হাজারেরও বেশি। প্রায় ১২০০ অভিভাবক তাদের সন্তানের জন্য পছন্দমতো হাউস টিউটর খুঁজে নিয়েছেন ‘স্মাইল জবস অ্যান্ড টিউশনস’ থেকে।

এখন ঢাকার মধ্যে কার্যক্রম পরিচালিত হলেও এ যুবকের ভবিষ্যৎ লক্ষ্য দেশজুড়ে শিক্ষার্থী-অভিভাবক এবং টিউটরদের মধ্যে যোগসূত্র ঘটানো।

আদনান বিশ্বাস করেন যে তিনি পারবেন। কারণ এই স্বপ্নটা তিনি ঘুমিয়ে দেখেন না, বরং এটিই তাকে জাগিয়ে রাখে।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
The child was stuck in the school toilet for 6 hours

স্কুলের টয়লেটে ৬ ঘণ্টা আটকে ছিল শিশু

স্কুলের টয়লেটে ৬ ঘণ্টা আটকে ছিল শিশু প্রতীকী ছবি
পরীক্ষা শেষে বেলা ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটির পর রাফিন টয়লেটে যাওয়ার পর স্কুলের দপ্তরি খোকন খান টয়লেট চেক না করেই বাইরে থেকে রশি দিয়ে আটকিয়ে দেন।

মাদারীপুরে একটি স্কুলের টয়লেটে প্রথম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর আটকে পড়ার ঘটনা ঘটেছে। ছুটির পর সবাই বাড়ি চলে গেলেও টয়লেটে অবরুদ্ধ হয়ে পড়ে শিশুটি। এ ঘটনার ৬ ঘণ্টা পর তাকে সেখান থেকে বের করা হয়।

মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর পাঁচখোলা বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বৃহস্পতিবার ঘটনাটি ঘটে। তবে এ বিষয়টি প্রকাশ্যে আসে শনিবার।

ভুক্তভোগী ওই শিক্ষার্থীর নাম রাফিন। সে পাঁচখোলা এলাকার মৃত্যু নুরুল হকের ছেলে এবং ৯ নম্বর পাঁচখোলা বোর্ড সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রথম শ্রেণির ছাত্র।

শিশুটির পরিবারের সদস্যরা জানান, প্রতিদিনের মতো বৃহস্পতিবারও স্কুলে গিয়েছিল রাফিন। তখন তাদের পরীক্ষা চলছিল। পরীক্ষা শেষে বেলা ১২টার দিকে বিদ্যালয় ছুটির পর রাফিন টয়লেটে যাওয়ার পর স্কুলের দপ্তরি খোকন খান টয়লেট চেক না করেই বাইরে থেকে রশি দিয়ে আটকিয়ে দেন। পরে শিশুটি দরজাটি খোলার জন্য ডাকাডাকি করেও কোনো সাড়া পায়নি। এ সময় আতঙ্কিত হয়ে বারবার দরজা খুলতে চিৎকার করতে থাকে সে। প্রায় ছয় ঘণ্টার চেষ্টার পর সে এক পর্যায়ে টয়লেটের দরজা খুলতে সক্ষম হয়।

এদিকে ছুটির পর রাফিন বাড়িতে না ফেরায় তার বাড়ির লোকজন বিভিন্ন ছাত্র ও আত্মীয়ের বাড়িতে খুঁজতে থাকে। অন্যদিকে, সন্ধ্যা ৬টার পর বিদ্যালয়ের তিনতলা থেকে এক মুদি দোকানীকে বিদ্যালয়ের গেট খোলার জন্য ডাকাডাকি করতে করতে অসুস্থ হয়ে পড়ে রাফিন। এরপর কয়েকজন মিলে তাকে উদ্ধার করে তার বাড়িতে নিয়ে যায়।

এলাকাবাসী এ ঘটনাকে ১৯৮০ সালের শিশুতোষ চলচ্চিত্র ‘ছুটির ঘণ্টা’র সঙ্গে তুলনা করে বলে, ‘৬ ঘণ্টা পর স্কুলের বাথরুম থেকে জীবিত ফিরে এলেও আর কিছু সময় হলেই ছুটির ঘণ্টা বেজে যেত শিশুটির।’

ওই মুদি দোকানদার বলেন, ‘দুপুর সাড়ে ১২টা থেকে সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত বাথরুমের আটকা পড়ার পরে কোনোমতে দরজা খুলেই তিনতালার বেলকনি থেকে আমাদের ডাক দেয় রাফিন। পরে আমরা গিয়ে তাকে উদ্ধার করি।’

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক রওশন আরা বেগম বলেন, ‘ওইদিন আমি একটি মিটিংয়ে ছিলাম। বের হবার আগপর্যন্ত এমন কিছু আমার নজরে পড়েনি। আমি পরে জানতে পেরেছি। বিষয়টির সঙ্গে কে জড়িত রয়েছে, তা তদন্ত করে বের করা হবে।’

মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আল মামুন বলেন, ‘বিষয়টি আমার জানা নেই। আপনাদের মাধ্যমেই জানতে পেরেছি। যদি এরকম কিছু হয়ে থাকে, তদন্ত সাপেক্ষে আইনহত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

মন্তব্য

শিক্ষা
Advice for Bangladeshi students to stay at home in Kyrgyzstan

কিরগিজস্তানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ঘরে থাকার পরামর্শ

কিরগিজস্তানে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের ঘরে থাকার পরামর্শ কিরগিজস্তানের বিসকেকে শুক্রবার রাতে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে হামলা চালায় স্থানীয়রা। ছবি: সংগৃহীত
কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের জন্য স্বীকৃত উজবেকিস্তানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস বলেছে, পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রয়েছে। আর সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এ সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় দূতাবাসের সঙ্গে ২৪ ঘণ্টা যোগাযোগের জন্য জরুরি নম্বরে (+৯৯৮৯৩০০০৯৭৮০) কল করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের জন্য স্বীকৃত উজবেকিস্তানে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাস বলেছে, কিরগিজস্তানের পরিস্থিতি আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

দূতাবাস থেকে একইসঙ্গে বলা হয়েছে, তবে বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের এই মুহূর্তে বাড়ির ভেতরে থাকতে এবং এ সংক্রান্ত যেকোনো সমস্যায় দূতাবাসের সঙ্গে ২৪ ঘণ্টা যোগাযোগের জন্য জরুরি নম্বরে (+৯৯৮৯৩০০০৯৭৮০) কল করার পরামর্শ দেয়া হয়েছে।

শনিবার রাতে ঢাকায় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় জানায়, উজবেকিস্তানে বাংলাদেশ দূতাবাস কিরগিজ প্রজাতন্ত্রে অধ্যয়নরত বাংলাদেশি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিসকেকে সাম্প্রতিক গণসহিংসতার বিষয়ে যোগাযোগ রাখছে।

দূতাবাস এ বিষয়ে কিরগিজ প্রজাতন্ত্রের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সঙ্গেও যোগাযোগ রক্ষা করে চলেছে।

প্রসঙ্গত, কিরগিজস্তানে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীরা স্থানীয় উত্তেজিত জনতার হামলার শিকার হয়েছে। স্থানীয় সময় শুক্রবার রাত ও শনিবার এই হামলার শিকার হন দেশটিতে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:
কিরগিজস্তানে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা

মন্তব্য

শিক্ষা
Attack on students of Bangladesh India and Pakistan in Kyrgyzstan

কিরগিজস্তানে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা

কিরগিজস্তানে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা স্থানীয় বিক্ষুব্ধ কিরগিজস্তানের রাজধানী বিসকেকের রাস্তায় আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর অবস্থান। ছবি: সংগৃহীত
কিরগিজস্তানের ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অফ মেডিসিনের বাংলাদেশি শিক্ষার্থী সামিয়া কবির শনিবার সন্ধ্যায় ইউএনবিকে বলেন, ‘আমরা এখানে পাঁচজন বাংলাদেশি মেয়ে আছি। আমরা এখন আমাদের অ্যাপার্টমেন্টের ভেতরে। আমাদের অ্যাপার্টমেন্টের সামনে কিছু লোক জড়ো হচ্ছে। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন।’

কিরগিজস্তানে বাংলাদেশ, ভারত ও পাকিস্তানের শিক্ষার্থীরা স্থানীয় উত্তেজিত জনতার হামলার শিকার হয়েছে। স্থানীয় সময় শনিবার এই হামলার শিকার হন দেশটিতে অধ্যয়নরত বিদেশি শিক্ষার্থীরা।

বাংলাদেশি সামিয়া কবির কিরগিজস্তানের ইন্টারন্যাশনাল স্কুল অফ মেডিসিনের শিক্ষার্থী। শনিবার সন্ধ্যায় ইউএনবিকে তিনি বলেন, ‘আমরা এখানে পাঁচজন বাংলাদেশি মেয়ে আছি। আমরা এখন আমাদের অ্যাপার্টমেন্টের ভেতরে। আমাদের অ্যাপার্টমেন্টের সামনে কিছু লোক জড়ো হচ্ছে। দয়া করে আমাদের সাহায্য করুন।’

তিনি আরও বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ আমাদের ভেতরে থাকতে বলেছে। আমরা কাছাকাছি অন্যান্য অ্যাপার্টমেন্ট থেকে কিছু আওয়াজ শুনতে পাচ্ছি। সেখানে কিছু পাকিস্তানি শিক্ষার্থী থাকতে পারে।’

কিরগিজস্তানের রাজধানী বিসকেকে কয়েকদিন ধরে উত্তেজিত জনতা পাকিস্তান, ভারত ও বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের আবাসস্থল হোস্টেল লক্ষ্য করে ক্ষিপ্ত হয়ে উঠেছে। বেশ কয়েকজন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী তাদেরকে সাহায্য করার আবেদনটি প্রচার করতে ইউএনবির কাছে অনুরোধ জানিয়েছেন।

স্থানীয় গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়েছে, কিরগিজ এবং আন্তর্জাতিক ছাত্র, বিশেষ করে পাকিস্তানি ও মিসরীয়দের মধ্যে ঝগড়ার ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ভাইরাল হলে উত্তেজনা বেড়ে যায়। ভারতীয় সংবাদ মাধ্যম এনডিটিভির খবরে বলা হয়, ১৩ মে ঘটে যাওয়া ওই ঘটনাকে আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থীদের প্রতি আতিথেয়তার সুস্পষ্ট লঙ্ঘন হিসেবে দেখছেন স্থানীয়রা।

শুক্রবার (১৭ মে) রাতে বেশ কয়েকজন কিরগিজ সেনা রাস্তায় নেমে আসে। স্থানীয়রা এই বিবাদে জড়িত বিদেশিদের সঙ্গে ‘নমনীয় আচরণ’ করার জন্য কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন।

পুলিশ অবশ্য জানিয়েছে, ১৩ মে ওই মারামারির অভিযোগ পাওয়ামাত্রই তিন কিশোরকে আটক করা হয়েছে।

মন্তব্য

শিক্ষা
The resignation of the Dean in the face of the demands of the students in Kuwait

কুয়েটে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে ডিনের পদত্যাগ

কুয়েটে শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে ডিনের পদত্যাগ প্রফেসর কাজী সাজ্জাদ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
কুয়েটের রেজিস্ট্রার মো. আনিছুর রহমান ভূঁইয়া বলেন, প্রফেসর কাজী সাজ্জাদ হোসেনকে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এর আগে তিনি এই পদ থেকে পদত্যাগের জন্য আবেদন করেছিলেন। ২৪ এপ্রিল তাকে দু’বছরের জন্য ডিন হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।

শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুয়েট) সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের ডিন প্রফেসর কাজী সাজ্জাদ হোসেন পদত্যাগ করেছেন।

শনিবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুয়েটের রেজিস্ট্রার মো. আনিছুর রহমান ভূঁইয়া।

তিনি বলেন, প্রফেসর কাজী সাজ্জাদ হোসেনকে বৃহস্পতিবার বিকেল থেকে সব দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে। এর আগে তিনি এই পদ থেকে পদত্যাগের জন্য আবেদন করেছিলেন। ২৪ এপ্রিল তাকে দু’বছরের জন্য ডিন হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছিল।

অন্যদিকে সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুসারে সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং অনুষদের নতুন ডিন হিসেবে প্রফেসর ড. মোহাম্মদ হারুনুর রশীদকে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষার্থীদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, ডিন হিসেবে নিয়োগ পাওয়ার পর প্রফেসর কাজী সাজ্জাদ হোসেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃক আয়োজিত কোনো জাতীয় দিবসে উপস্থিত হন না। এছাড়া প্রশাসনিক ক্ষমতার বেশকিছু অপব্যবহার শুরু করেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ৫ মে শিক্ষার্থীরা বেশ কিছু অভিযোগ তুলে কুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলরকে স্মারকলিপি দেন।

তবে এ প্রসঙ্গে জানতে প্রফেসর কাজী সাজ্জাদ হোসেনের মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করা হলেও তিনি রিসিভ করেননি।

প্রসঙ্গ, প্রফেসর কাজী সাজ্জাদ হোসেন এর আগে কুয়েটের ভাইস-চ্যান্সেলর হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তার দায়িত্ব পালনকালে বেশকিছু অনিয়ম এবং দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছিল।

আরও পড়ুন:
কুয়েটে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া
শিক্ষার্থীদের জন্য খুলনা প্রকৌশলে হুয়াওয়ের আইসিটি অ্যাকাডেমি
কুয়েট ছাত্র অন্তুর মৃত্যুর দায় কার?
কুয়েট শিক্ষার্থীর ঝুলন্ত দেহ উদ্ধার

মন্তব্য

শিক্ষা
The training camp of Barca Academy is starting again in the country

দেশে ফের শুরু হচ্ছে বার্সা অ্যাকাডেমির ট্রেনিং ক্যাম্প

দেশে ফের শুরু হচ্ছে বার্সা অ্যাকাডেমির ট্রেনিং ক্যাম্প ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার মেধা অনুসন্ধানী প্রতিষ্ঠান বার্সা অ্যাকাডেমিতে তাদের নিজস্ব পদ্ধতির স্কুল মডেলের মাধ্যমে প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা পরিচালিত হয়ে থাকে। ছবি: সংগৃহীত
আগামী ১৯ থেকে ২৩ জুন এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। আইএসডির পাশাপাশি অন্যান্য স্কুলের শিক্ষার্থীরাও এই ক্যাম্পে অংশ নিতে পারবে।

ইন্টারন্যাশনাল স্কুল ঢাকার (আইএসডি) ক্যাম্পাসে বার্সা অ্যাকাডেমির নির্ধারিত কোচের সরাসরি তত্ত্বাবধায়নে টানা দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত হতে যাচ্ছে ট্রেনিং ক্যাম্প।

আগামী ১৯ থেকে ২৩ জুন এ ক্যাম্প অনুষ্ঠিত হবে। আইএসডির পাশাপাশি অন্যান্য স্কুলের শিক্ষার্থীরাও এই ক্যাম্পে অংশ নিতে পারবে।

ফুটবল ক্লাব বার্সেলোনার মেধা অনুসন্ধানী প্রতিষ্ঠান বার্সা অ্যাকাডেমি শিক্ষার্থীদের ফুটবলের মাধ্যমে কেবল খেলোয়াড় হওয়ার প্রশিক্ষণই দেয় না, একইসঙ্গে ভালো মানুষ হিসেবেও গড়ে তোলার চেষ্টা করে। বার্সার তৈরি নিজস্ব পদ্ধতি দ্বারা অনুপ্রাণিত স্কুল মডেলের মাধ্যমে এ প্রশিক্ষণ ব্যবস্থা পরিচালিত হয়ে থাকে।

আইএসডি থেকে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে, দক্ষতা উন্নয়ন, দলগত কাজ ও খেলোয়াড়সুলভ মানসিকতার ওপর গুরুত্ব দিয়ে মেধাবী তরুণদের ফুটবলে দক্ষ ও আগ্রহী করে তোলার ক্ষেত্রে একটি প্রতিশ্রুতিশীল প্ল্যাটফর্ম হিসেবে ভূমিকা রাখছে আইএসডির বার্সা অ্যাকাডেমি ফুটবল ট্রেনিং ক্যাম্প। এতে সমাদৃত বার্সা পদ্ধতি (মেথডলজি) অবলম্বন করে অংশগ্রহণকারীদের জন্য প্রশিক্ষণ নিশ্চিত করবেন বার্সা অ্যাকাডেমির কোঅর্ডিনেটর ফ্রানসেস্ক পুইগডোমিনেক ও কোচ হেক্টর আলবিনানা। কোচদের দক্ষতা ও নির্দেশনা অংশগ্রহণকারীদের জন্য সহায়ক হবে এবং এই অভিজ্ঞতা স্মরণীয় হয়ে থাকবে।

বার্সা অ্যাকাডেমি ফুটবল ট্রেনিং ক্যাম্প সামগ্রিক উন্নয়নের ওপর গুরুত্ব আরেপ করে, যেখানে প্রতিটি খেলোয়াড়কে কেবল প্রায়োগিক দক্ষতা বাড়ালেই হয় না, পাশাপাশি দলগত কাজের গুরুত্ব, সততার সঙ্গে খেলা (ফেয়ার প্লে) এবং খেলার প্রতি মর্যাদার বিষয়টিও শিখতে হয়।

আইএসডি ও অন্যান্য স্কুলের ৬ থেকে ১৭ বছর বয়সী আগ্রহী শিক্ষার্থীরা এই ক্যাম্পে অংশ নিতে পারবে। বয়সভিত্তিক ৩টি গ্রুপে সেশনগুলো আয়োজিত হবে।

অনূর্ধ্ব ১১ বছর বয়সীদের জন্য সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত, অনূর্ধ্ব ১৪ বছর বয়সীদের জন্য বেলা সাড়ে ১২টা থেকে বেলা আড়াইটা পর্যন্ত এবং অনূর্ধ্ব ১৮ বছর বয়সীদের জন্য বেলা সাড়ে ৩টা থেকে বিকেল সাড়ে ৫টা পর্যন্ত সময় নির্ধারণ করা হয়েছে।

ক্যাম্পের জন্য এখনই নিবন্ধন করা যাবে। নিবন্ধনের সুযোগ থাকবে আগামী ২১ মে পর্যন্ত।

এ বিষয়ে আইএসডির অফিশিয়াল ফেসবুক পেইজ থেকে বিস্তারিত জানা যাবে।

আইএসডির শিক্ষার্থীরা https://forms.gle/CuvBXERyWwdvAuZa6 এই লিঙ্ক থেকে এবং অন্যান্য স্কুলের শিক্ষার্থীরা https://forms.gle/zv5rZDYUSdfg4xHD6 এই লিঙ্ক থেকে নিবন্ধন করতে পারবে।

আরও পড়ুন:
বার্সাকে ফাঁকি দিয়ে রিয়ালে ‘তুরস্কের মেসি’
মেসিকে দলে টানতে না পারলেও অন্য খেলোয়াড় কীভাবে কিনছে বার্সা

মন্তব্য

শিক্ষা
Online application for admission to XI starts on May 26

একাদশে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু ২৬ মে

একাদশে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু ২৬ মে অনলাইনে ভর্তির আবেদন করছে শিক্ষার্থীরা। প্রতীকী ছবি
একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু হবে আগামী ৩০ জুলাই।

একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে আগামী ২৬ মে যা চলবে ১১ জুন পর্যন্ত। এসএসসির ফল যারা পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করবে, আবেদনের যোগ্য হলে তাদেরও এই সময়ের মধ্যে আবেদন করতে হবে বলে জানানো হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি এবং ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক তপন কুমার সরকার স্বাক্ষরিত চিঠিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

চিঠিতে বলা হয়েছে, (একাদশে ভর্তির জন্য) অনলাইনে আবেদন গ্রহণ শুরু হবে ২৬ মে আর শেষ হবে ১১ জুন। আবেদন যাচাই-বাছাই ও নিষ্পত্তি ১২ জুন থেকে ১৩ জুন। কেবল পুনঃনিরীক্ষণে ফলাফল পরিবর্তিত শিক্ষার্থীদের আবেদন গ্রহণ করা হবে ১২ ও ১৩ জুন। পছন্দক্রম পরিবর্তনের সময় ১২-১৩ জুন।

ঈদুল আজহা উপলক্ষে ১৪ থেকে ১৮ জুন পর্যন্ত অনলাইন সার্ভিস ও কল সেন্টার বন্ধ থাকবে বলেও চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

চিঠিতে উল্লিখিত তথ্যানুসারে, ঈদের ছুটির পর আগামী ২৩ জুন প্রথম পর্যায়ে নির্বাচিত শিক্ষার্থীদের ফলাফল প্রকাশ করা হবে। ফল প্রকাশের পর থেকে ২৯ জুন পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা নিশ্চায়ন করতে পারবে।

আগামী ৩০ জুন দ্বিতীয় পর্যায়ে আবেদন গ্রহণ শুরু হয়ে চলবে ২ মে পর্যন্ত। এছাড়া, পছন্দক্রম অনুযায়ী প্রথম মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ৪ জুলাই রাত ৮টায়।

দ্বিতীয় পর্যায়ের আবেদনের ফল প্রকাশ করা হবে ৪ জুলাই রাত ৮টায়। দ্বিতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীর নির্বাচন নিশ্চায়ন ৫ জুলাই থেকে ৮ জুলাই রাত ৮টা পর্যন্ত।

তৃতীয় পর্যায়ে আবেদন গ্রহণ ৯ জুলাই শুরু হয়ে শেষ হবে ১০ জুলাই। পছন্দক্রম অনুযায়ী দ্বিতীয় মাইগ্রেশনের ফল প্রকাশ করা হবে ১২ জুলাই রাত ৮টায়।

তৃতীয় পর্যায়ে আবদেনের ফল প্রকাশ ১২ জুলাই রাত ৮টায়। তৃতীয় পর্যায়ে শিক্ষার্থীর নির্বাচন নিশ্চায়ন ১৩ থেকে ১৪ জুলাই। ভর্তি শুরু হবে ১৫ জুলাই এবং শেষ হবে ২৫ জুলাই। আর ক্লাস শুরু হবে ৩০ জুলাই।

গত ১২ মে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ১৫ মে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তির নীতিমালা প্রকাশ করা হয়।

মন্তব্য

শিক্ষা
Top in the country in tHE Young University Rankings

টিএইচই ইয়াং ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংয়ে দেশসেরা খুবি

টিএইচই ইয়াং ইউনিভার্সিটি র‍্যাঙ্কিংয়ে দেশসেরা খুবি
যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী ‘টাইমস হায়ার এডুকেশন’ (টিএইচই)-এর বৈশ্বিক ইয়াং ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের দুটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং দুটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে।

টাইমস হায়ার এডুকেশনের বৈশ্বিক ইয়াং ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শীর্ষ স্থানে উঠে এসেছে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুবি)। যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা সাময়িকী ‘টাইমস হায়ার এডুকেশন’ (টিএইচই)-এর গ্লোবাল র‌্যাঙ্কিংয়ে টানা দ্বিতীয়বার স্থান পাওয়ার পর এবার এই স্বীকৃতি মিলেছে।

সম্প্রতি এই র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করে টাইমস হায়ার এডুকেশন কর্তৃপক্ষ। র‌্যাঙ্কিংয়ে বৈশ্বিক তালিকায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় ৪০১-৫০০ এর মধ্যে রয়েছে। এটা বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে সবার শীর্ষে।

ইয়াং ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ থেকে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দুটি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় এবং দুটি প্রাইভেট বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে।

গবেষণার মান, শিল্প, আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গি, গবেষণার পরিবেশ এবং শিক্ষাদান- এই পাঁচটি বিষয়ের ওপর ভিত্তি করে করা ইয়াং ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অর্জন করছে যথাক্রমে ৪৫ দশমিক ২, ১৭ দশমিক ১, ৪৩ দশমিক ৭, ১৪ দশমিক ৫ ও ২২ দশমিক ৭ শতাংশ।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্য অফিস অফ ইন্টারন্যাশনাল অ্যাফেয়ার্সের পরিচালক ও র‌্যাঙ্কিং কমিটির আহ্বায়ক প্রফেসর সেহরীশ খান বলেন, ‘খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন নিজেই একজন গবেষক। তিনি উপাচার্যের দায়িত্ব নেয়ার পর গবেষণায় বিশেষ গুরুত্ব দেন। গবেষণার জন্য যথোপযুক্ত পরিবেশ সৃষ্টিতেও উদ্যোগ নেন তিনি।’

তিনি আরও বলেন, ‘এ ছাড়া খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়কে আন্তর্জাতিক র‌্যাঙ্কিংয়ে নিয়ে যেতে নানা উদ্যোগ বাস্তবায়ন করেন ভিসি। এর ফলশ্রুতিতে টাইমস হায়ার এডুকেশন র‌্যাঙ্কিং, কিউএস র‌্যাঙ্কিংয়ের পর ইয়াং ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংয়ে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্থান পেয়েছে। এতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান আরও সুদৃঢ় হয়েছে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) প্রফেসর খান গোলাম কুদ্দুস বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ক্ষেত্রে পরিবর্তনের ছোঁয়া এখন দৃশ্যমান। বর্তমান উপাচার্যের বলিষ্ঠ নেতৃত্ব ও দূরদর্শিতায় খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় স্বপ্নের পথে ডানা মেলেছে। একের পর এক অর্জনে দেশে সুনাম ও ভাবমূর্তি উজ্জ্বল হচ্ছে।

‘উপাচার্যের নেতৃত্বে শিক্ষার পাশাপাশি গবেষণা, প্রকাশনা, অবকাঠামো উন্নয়নে ব্যাপক অগ্রগতি সাধিত হয়েছে। এই ধারাবাহিকতা অব্যাহত থাকলে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় অতি দ্রুত বাংলাদেশের সব বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে শ্রেষ্ঠ উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে।’

উপাচার্য প্রফেসর ড. মাহমুদ হোসেন বলেন, ‘টানা দুবার টাইমস হায়ার এডুকেশন র‌্যাঙ্কিং এবং কিউএস র‌্যাঙ্কিংয়ে স্থান পাওয়ার পর এবার টাইমস হায়ার এডুকেশনের ইয়াং ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিংয়ে মর্যাদাপূর্ণ অবস্থান পাওয়ায় গর্বিত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। গবেষণার প্রতি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের মনোনিবেশ ও আন্তরিকতার ফলে এ অর্জন সম্ভব হয়েছে।

‘বিশ্ববিদ্যালয়ের উৎকর্ষ সাধনে সবার অবদান রয়েছে। একাডেমিক ক্ষেত্রে শিক্ষক-শিক্ষার্থী এবং প্রশাসনিক ক্ষেত্রে কর্মকর্তা-কর্মচারীরা উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখছেন। আমি আশা করি, অতিদ্রুত খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় দেশসেরা বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিণত হবে।’

প্রসঙ্গত, ‘টাইমস হায়ার এডুকেশন’ ২০১৯ সাল থেকে ওয়ার্ল্ড ইয়াং ইউনিভার্সিটি র‌্যাঙ্কিং প্রকাশ করে আসছে। যেসব সরকারি ও বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের বয়স ৫০ বছর কিংবা তার চেয়ে কম, শুধু তাদের মধ্যে গুণগত মান বিবেচনায় ধরে এই র‌্যাঙ্কিং করা হয়। এবার সব মিলিয়ে বিশ্বের ৬৭৩টি বিশ্ববিদ্যালয় এই র‌্যাঙ্কিংয়ে স্থান করতে পেরেছে, যা বিগত বছর ছিল ৬০৫টি।

র‌্যাঙ্কিংয়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষাদান, গবেষণা, জ্ঞান স্থানান্তর ও আন্তর্জাতিক দৃষ্টিভঙ্গির ১৮টি সূচক মানদণ্ড হিসেবে গণনা করেছে প্রতিষ্ঠানটি। এছাড়াও বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মৌলিক লক্ষ্য, পাঠদান ও গবেষণার মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয়গুলোও বিবেচনায় নেয়া হয়েছে।

আরও পড়ুন:
মাদক সেবনের অপরাধে খুবির চার শিক্ষার্থী বহিষ্কার
জেলে থেকেও বেতন-ভাতা নেন খুবির নির্বাহী প্রকৌশলী
অধ্যাপক নিয়োগ নিয়ে খুবির সাবেক উপাচার্যের বিরুদ্ধে তদন্তে নামছে ইউজিসি
কনসার্টে মাদক সেবন, খুবির ৭ শিক্ষার্থীকে শোকজ
খুবির সাবেক দুই শিক্ষার্থীকে ২০ বছর করে কারাদণ্ড

মন্তব্য

p
উপরে