× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
14 out of 36 departments of EB are running without professors
google_news print-icon

অধ্যাপক ছাড়াই চলছে ইবির ৩৬ বিভাগের ১৪টি

অধ্যাপক-ছাড়াই-চলছে-ইবির-৩৬-বিভাগের-১৪টি
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটক। ফাইল ছবি
ইবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, ‘অধ্যাপক পাওয়া যেহেতু কঠিন। তাই আমরা চেষ্টা করি নিচের দিকের পোস্টগুলোতে নিয়োগ দেয়ার, কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্র দুটি। কোনো বিভাগে অধ্যাপক নেই আবার কোনো বিভাগে শুধু অধ্যাপক আছে লেকচারার নেই। এ নিয়ে বিভাগগুলোর কোনো উদ্যোগও আমি দেখি না।’

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের ৩৬ বিভাগের ১৪টিতে নেই স্থায়ী অধ্যাপক। অধ্যাপক ছাড়াই শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনা করছে বিভাগগুলো, যার ফলে ভালো মানের গবেষণা, অভিজ্ঞ শিক্ষকদের পাঠদান, মানসম্মত উচ্চশিক্ষা থেকে বঞ্চিত এসব বিভাগের শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন সময়ে সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষক নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলেও অধ্যাপক পদে হয়নি। কয়েকটি বিভাগ অধ্যাপক পদে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করলেও ন্যূনতম আবেদন না পড়ায় পরবর্তীতে পদগুলোতে প্রভাষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

সংশ্লিষ্টরা মনে করেন, বিশ্ববিদ্যালয়টির অবস্থান মফস্বল এলাকায় এবং ভিন্ন জায়গায় একই চাকরিতে ভালো সুযোগ সুবিধা থাকায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ে আসতে চান না অধ্যাপকরা। এ ছাড়াও ইবিতে শিক্ষক রাজনীতির প্রভাব থাকায় গবেষণাপ্রেমী যোগ্য প্রার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়টিতে চাকরি করতে চান না।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অফিস সূত্রে জানা যায়, বর্তমানে বিশ্ববিদ্যালয়ে আটটি অনুষদভুক্ত মোট ৩৬টি বিভাগ চলমান রয়েছে। এর মধ্যে ২২টি বিভাগে অধ্যাপক রয়েছে ২৪৪ জন, সহযোগী অধ্যাপক রয়েছে রেজিস্ট্রার অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ১৪টি বিভাগে ৫৪ জন, সহকারী অধ্যাপক রয়েছে ২২টি বিভাগে ৭৫ জন এবং ১০টি বিভাগে মোট প্রভাষক রয়েছেন ২০ জন।

তবে ২২টি বিভাগে ২৪৪ জন অধ্যাপক থাকলেও সামাজিকবিজ্ঞান অনুষদভুক্ত রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগ, ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগ, ফোকলোর স্টাডিজ বিভাগ, সমাজকল্যাণ বিভাগ, কমিউনিকেশন অ্যান্ড মাল্টিমিডিয়া জার্নালিজম বিভাগ, আইন অনুষদভুক্ত ল অ্যান্ড ল্যান্ড ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদভুক্ত মার্কেটিং বিভাগ, হিউম্যান রিসোর্স ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, ট্যুরিজম অ্যান্ড হসপিটালিটি ম্যানেজমেন্ট বিভাগ, বিজ্ঞান অনুষদভুক্ত জিওগ্রাফি অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট বিভাগ, শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগ, প্রকৌশল অনুষদভুক্ত বায়োমেডিকেল ইঞ্জিনিয়ারিং এবং জীববিজ্ঞান অনুষদভুক্ত ফার্মেসি বিভাগ, কলা অনুষদভুক্ত ফাইন আর্টস বিভাগে এখনও কোনো অধ্যাপক নেই।

এদিকে ফাইন আর্টস এবং শারীরিক শিক্ষা ও ক্রীড়া বিজ্ঞান বিভাগ দুটিতে অধ্যাপক ছাড়াও নেই কোনো সহযোগী ও সহকারী অধ্যাপক। তবে ফার্মেসি বিভাগে সহকারী অধ্যাপক হিসেবে ৪ জন থাকলেও শিক্ষা ছুটিতে রয়েছেন ৩ জন।

এ বিষয়ে ডেভেলপমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সভাপতি সহকারী অধ্যাপক এইচ এম নাহিদ বলেন, ‘আমি অধ্যাপকের চেয়ে একটি বিভাগে অবকাঠামোর গুরুত্ব বেশি বলে মনে করি। অবশ্যই একজন অধ্যাপক যে সার্ভিস দিতে পারবে তা সবাই পারবে না, তবে অনেক ক্ষেত্রে ইচ্ছাশক্তির ওপর বিষয়গুলো নির্ভর করে। আমরা নানান সংকটের মধ্যে দিয়েও আমরা আমাদের ক্লাস পরীক্ষা চলমান রেখে আমাদের শিক্ষার্থীদের এগিয়ে নিচ্ছি।’

ফাইন আর্টস বিভাগে কোনো অধ্যাপক না থাকায় বিভাগটিতে সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন ইংরেজি বিভাগের অধ্যাপক ড. এএইচএম আক্তারুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘বিভাগে সভাপতির দায়িত্ব নেয়ার পরে আমি যতটুকু শুনেছি, বিভাগে শেষ দুইবার যে নিয়োগ হয়েছে দুইবারই সিনিয়র পদের সার্কুলার ছিল। সে সময় কোনো আবেদন না থাকায় পদগুলোতে প্রভাষক নিয়োগ দেয়া হয়েছে। একটি বিভাগ থাকার মানে হচ্ছে সে বিভাগে অধ্যাপক, সহযোগী অধ্যাপক, সহকারী অধ্যাপক ও প্রভাষক ৪টি পদই জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, ‘একজন সদ্য পড়াশোনা শেষ করা প্রভাষক আর একজন অধ্যাপকের মধ্যে অনেক তফাৎ। শিক্ষার্থীদের পাশাপাশি শিক্ষকদেরও অনেক কিছু শেখার বিষয় থাকে।’

একজন অধ্যাপক এবং একজন প্রভাষকের কাছে শিক্ষার্থীরা যে জ্ঞান অর্জন করে তাদের মধ্যে কোনো তারতম্য হয় কিনা জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মো. আব্দুল মুঈদ বলেন, ‘একজন প্রভাষক আর অধ্যাপকের পাঠদানের মধ্যে তারতম্য তো রয়েছেই। এমন তো না একটা মানুষ হুট করে অধ্যাপক হয়ে গেল। তাকে কিন্তু ১০-২০ বছর বিভিন্ন অভিজ্ঞতার ধাপ পার হয়েই এই জায়গায় আসতে হয়। এটি খুবই দুর্ভাগ্যজনক যে শিক্ষার্থীরা অনার্স-মাস্টার্স পাশ করে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে বের হয়ে যাচ্ছে অথচ কোনো অভিজ্ঞতাসম্পন্ন শিক্ষকের পাঠদান পায়নি।’

তিনি বলেন, ‘তাই মন চাইলেই একটি বিভাগ খোলা উচিত না। যদিও এতে আইনি কোনো অসুবিধা নেই, তবে নীতিগতভাবে নিয়ম হচ্ছে বিভাগটিতে শিক্ষার্থী ভর্তি নেয়ার আগে প্রথমে অধ্যাপক নিয়োগ দেয়া। নিয়োগ পাওয়ার পরে সেই অধ্যাপক এক বছর ধরে কারিকুলাম সাজাবে, তৈরি করবে এবং কোর্স ডিজাইন করবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এইম আলী হাসান বলেন, ‘আসলে বিশ্ববিদ্যালয়ে এখন সরাসরিভাবে অধ্যাপক পদে কারও নিয়োগ হয় না, পদোন্নতির মাধ্যমে শিক্ষকরা এটি পেয়ে থাকেন। তবে আমরা কয়েকটি বিভাগে কয়েকবার অধ্যাপক পদে নিয়োগের সার্কুলার ছাড়লেও কোনো আবেদন আসেনি। এখন বিভাগগুলো যদি পদ খালি থাকা সাপেক্ষে প্লানিং করে নিয়োগের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নিকট আবেদন করে তাহলে আমরা আবার সার্কুলার ছাড়তে পারি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালাম বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক নিয়োগের সিদ্ধান্ত আসে সাধারণত বিভাগগুলোর প্ল্যানিং কমিটি থেকে। অধ্যাপক পাওয়া যেহেতু কঠিন। তাই আমরা চেষ্টা করি নিচের দিকের পোস্টগুলোতে নিয়োগ দেয়ার, কিন্তু আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের চিত্র দুটি। কোনো বিভাগে অধ্যাপক নেই আবার কোনো বিভাগে শুধু অধ্যাপক আছে লেকচারার নেই। এ নিয়ে বিভাগগুলোর কোনো উদ্যোগও আমি দেখি না।

‘এখন পর্যন্ত যেসকল বিভাগে অধ্যাপক আছে লেকচারার নেই এমন কোনো বিভাগ থেকে ফাইল আসেনি, তবে কিছু বিভাগের কথা আমি শুনেছি যে তারা অপেক্ষায় আছেন কখন তারা অধ্যাপক বা সহযোগী অধ্যাপক এর যোগ্যতা অর্জন করবেন। তারপরেই তখন এই বিষয়ে উদ্যোগ নিবেন।’

তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষক নিয়োগের সার্কুলার ছাড়লেও তেমন কোনো সাড়া পাই না। শেষ যে বিভাগে নিয়োগ ছিল সেখানেও মাত্র তিনটি আবেদন পেয়েছিলাম। কিন্তু পরীক্ষা দিয়েছিল ২ জন।’

শিক্ষক নিয়োগে আবেদন না করতে চাওয়ার কারণ জানতে চাইলে উপাচার্য বলেন, ‘প্রথমত হতে পারে বিশ্ববিদ্যালয়টি মফস্বলে, দ্বিতীয়ত একই বিষয়ে ভিন্ন জায়গায় ভালো সুযোগ।’

অধ্যাপকের মাধ্যমে পাঠদান না পাওয়া শিক্ষার্থীদের জ্ঞানের ঘাটতি থেকে যাচ্ছে কি না জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘জ্ঞানের ঘাটতি থাকছে কি না তা এভাবে বলা যাবে না। কারণ আমাদের নতুন যারা শিক্ষক অ্যাসিস্ট্যান্ট প্রফেসর, লেকচারার এরাও তো অত্যন্ত ব্রিলিয়ান্ট স্টুডেন্ট, তবে হ্যাঁ অভিজ্ঞতা বলে একটা জিনিস থাকে একজন অধ্যাপক বা গার্ডিয়ানের বয়সী একজন বিভাগে থাকলে বহু সমস্যার সমাধান সম্ভব হতে পারে।’

আরও পড়ুন:
মায়ের ডিন’স অ্যাওয়ার্ড নিল কোলের শিশু
সংবাদ প্রকাশে ইবির প্রথম শহিদ মিনারের শ্রী ফিরছে
ঘুষের প্রতিবেদন ‘উদ্দেশ্যমূলক’, টিআইবির কাছে ব্যাখ্যা চাইবে বিআরটিএ
ইবিতে গাছ কেটে হচ্ছে মুক্তমঞ্চ, ক্ষুব্ধ অনেকে
বাসে বসা নিয়ে ইবি শিক্ষার্থীকে হত্যাচেষ্টার অভিযোগ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Job Professor Zakir Hossain is a member of UGC

ইউজিসির সদস্য হলেন জবি অধ্যাপক জাকির হোসেন

ইউজিসির সদস্য হলেন জবি অধ্যাপক জাকির হোসেন জবির মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন বর্তমানে জবি শিক্ষক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়াও তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) মার্কেটিং বিভাগের অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন। যোগদানের তারিখ থেকে আগামী চার বছরের জন্য তিনি এ দায়িত্ব পালন করবেন।

বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়-১ এর যুগ্মসচিব নুমেরী জামান স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন আদেশ, ১৯৭৩ (রাষ্ট্রপতির আদেশ নম্বর-১০/৭৩)-এর সংশোধিত আইন, ১৯৯৮-এর ৪ (১) (বি) ধারা অনুযায়ী অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন, অধ্যাপক, মার্কেটিং বিভাগ, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকাকে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের পূর্ণকালীন সদস্য হিসেবে চার বছরের জন্য নিয়োগ দেয়া হয়েছে।

প্রজ্ঞাপনে চার শর্তে তাকে নিয়োগ দেয়ার কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

শর্তগুলো উল্লেখ করে প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, এ নিয়োগের মেয়াদ হবে চার বছর। তবে সরকার প্রয়োজন মনে করলে নির্ধারিত মেয়াদ শেষ হওয়ার আগেই তাকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দিতে পারবে।

অধ্যাপক ড. মো. জাকির হোসেন বর্তমানে জবি শিক্ষক সমিতির সভাপতির দায়িত্ব পালন করছেন। এ ছাড়াও তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট সদস্য হিসেবে রয়েছেন।

এর আগে, চলতি বছরের সেপ্টেম্বর মাসে ইউজিসির পূর্ণকালীন সদস্য অধ্যাপক ড. আবু তাহেরের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা ছিল। তার আগেই গত মার্চে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান তিনি। এরপর থেকেই ইউজিসির এই পদটি ফাঁকা হয়।

আরও পড়ুন:
জবি কর্মচারীদের ৩ মাসের মধ্যে ক্যাম্পাসের আবাসস্থল ছাড়ার নির্দেশ
‘প্রত্যয় স্কিম’ বাতিল চান জবি শিক্ষকরাও
মধ্যরাতে জবির মসজিদে নারী, ইমামকে অব্যাহতি
ক্যানসারের কাছে হার মানলেন জবি অধ্যাপক
শিক্ষকদের স্বতন্ত্র বেতন স্কেলের দাবিতে জবিতে মানববন্ধন

মন্তব্য

শিক্ষা
Career and Networking Day held at IUB

আইইউবিতে ক্যারিয়ার অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং ডে অনুষ্ঠিত

আইইউবিতে ক্যারিয়ার অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং ডে অনুষ্ঠিত আইইউবির ক্যারিয়ার গাইডেন্স প্লেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যালামনাই রিলেশন্স (সিজিপিঅ্যান্ডএআর) অফিস আয়োজিত অনুষ্ঠানে শতাধিক প্রতিষ্ঠান অংশ নেয়। ছবি: আইইউবি
উপাচার্য অধ্যাপক তানভীর হাসান বলেন, ‘আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের কাজের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে থাকি, যাকে ইংরেজিতে বলে এমপ্লয়েবিলিটি। তার জন্য অ্যাকাডেমিক শিক্ষার চেয়ে বাড়তি অনেক কিছু প্রয়োজন হয়। যেমন: পেশাদারত্ব, কাজের ক্ষেত্রে শিষ্টাচার এবং নেটওয়ার্কিং।’

শতাধিক প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণে বুধবার ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ তথা আইইউবিতে অনুষ্ঠিত হলো বার্ষিক ক্যারিয়ার অ্যান্ড নেটওয়ার্কিং ডে-২০২৪।

আইইউবির ক্যারিয়ার গাইডেন্স প্লেসমেন্ট অ্যান্ড অ্যালামনাই রিলেশন্স (সিজিপিঅ্যান্ডএআর) অফিস এ অনুষ্ঠানের আয়োজন করে।

ব্যাংক ও আর্থিক প্রতিষ্ঠান, টেলিকম অপারেটর, ফার্মাসিউটিকাল, প্রযুক্তি, খাদ্য ও কোমল পানীয়, এনজিও, উন্নয়ন সংস্থা, গণমাধ্যম, বিজ্ঞাপন, স্টার্টআপ, মানবসম্পদ ব্যবস্থাপনা প্রতিষ্ঠানসহ দেশের প্রায় সব খাতের প্রতিষ্ঠানের অংশগ্রহণ ছিল আইইউবির ক্যারিয়ার ডেতে।

অংশগ্রহণকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে ছিলো রবি, স্কয়ার, হা-মীম গ্রুপ, এবিসি গ্রুপ, পূর্বানী গ্রুপ, এসিআই, বসুন্ধরা, ডোরীন গ্রুপ, ডানকান, রেনাটা, ম্যারিকো, নিটল-নিয়ল গ্রুপ, ব্র্যাক ব্যাংক, মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংক, ঢাকা ব্যাংক, মিডল্যান্ড ব্যাংক, সিটি ব্যাংক, ফার্স্ট সিকিউরিটি ইসলামী ব্যাংক, কমার্শিয়াল ব্যাংক অফ সিলন, আইডিএলসি, লংকাবাংলা সিকিউরিটিজ, জিজিকন টেকনোলজিস, প্রথম আলো, ডিবিসি নিউজ, ম্যাগনিটো ডিজিটাল, ইত্যাদি।

বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে স্থাপিত স্টলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের প্রতিনিধিরা দিনভর শিক্ষার্থী এবং শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলেন এবং আগ্রহী শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে সিভি সংগ্রহ করেন।

সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের মাল্টিপারপাস হলে অনুষ্ঠিত উদ্বোধন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন আইইউবি ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান দিদার এ হোসেইন।

শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘মন থেকে ভালোবেসে কাজ করা যায় এমন ক্যারিয়ার বেছে নিতে হবে। বেতন বা সুযোগ-সুবিধার কথা ভেবে প্রলুব্ধ হলে চলবে না। যে প্রতিষ্ঠানে কাজ করছো, সেই প্রতিষ্ঠানের পরিবেশ কেমন সেটা আগে দেখতে হবে এবং বুঝতে হবে তুমি সেই পরিবেশে ভালো করতে পারবে কি না।’

উপাচার্য অধ্যাপক তানভীর হাসান বলেন, ‘আমরা আমাদের শিক্ষার্থীদের কাজের জন্য যোগ্য করে গড়ে তোলার ওপর জোর দিয়ে থাকি, যাকে ইংরেজিতে বলে এমপ্লয়েবিলিটি। তার জন্য অ্যাকাডেমিক শিক্ষার চেয়ে বাড়তি অনেক কিছু প্রয়োজন হয়। যেমন: পেশাদারত্ব, কাজের ক্ষেত্রে শিষ্টাচার এবং নেটওয়ার্কিং।’

উপ-উপাচার্য অধ্যাপক নিয়াজ আহমদ খান বলেন, ‘বিভিন্ন খাতের স্বনামধন্য প্রতিষ্ঠান থেকে আসা যোগ্যতাসম্পন্ন পেশাদার ব্যক্তিরা আমাদের ডাকে সাড়া দিয়েছেন। গত কয়েক বছর ধরেই আমাদের ডাকে সাড়া দিয়ে আরও বেশি বেশি প্রতিষ্ঠান আমাদের এখানে আসছেন।

‘এ জন্য আমরা সম্মানিত বোধ করছি। এতে প্রমাণ হয় শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান হিসেবে আইইউবির ওপর আস্থা বাড়ছে।’

অনুষ্ঠানের মিডিয়া পার্টনার হিসেবে ছিল একাত্তর টেলিভিশন, দ্য বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড ও দেশ রূপান্তর।

আরও পড়ুন:
আন্তবিশ্ববিদ্যালয় স্কোয়াশ টুর্নামেন্টে আইইউবির তিন পদক
আইইউবির ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান হলেন দিদার এ হোসেইন
আইইউবি-তে মৌলিক পাইথন প্রোগ্রামিং কোর্স করলেন ১০ শিক্ষক
অনলাইন সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ বিষয়ে এআইইউবিতে সেমিনার
আইইউবিতে পালা নাটক ‘দেওয়ানা মদিনা’ মঞ্চস্থ

মন্তব্য

শিক্ষা
Investigation committee to find out the cause of Bobby student Shifas suicide

ববি শিক্ষার্থী শিফার ‘আত্মহননের’ কারণ উদঘাটনে তদন্ত কমিটি

ববি শিক্ষার্থী শিফার ‘আত্মহননের’ কারণ উদঘাটনে তদন্ত কমিটি প্রতীকী ছবি
ড. হেনা রাণি বিশ্বাস বলেন, শিফার আত্মহননের কারণ উদঘাটনের জন্যই আমি নিজে আহ্বায়ক হয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের (ববি) বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের আবাসিক শিক্ষার্থী শিফা নূর ইবাদির ‘আত্মহননের’ কারণ উদঘাটনে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে হল প্রশাসন।

হলটির প্রভোস্ট ড. হেনা রাণি বিশ্বাসকে আহ্বায়ক করে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। মঙ্গলবার এই তদন্ত কমিটি গঠন করেন প্রভোস্ট নিজেই। বিষয়টি তিনি নিশ্চিত করেছেন।

তদন্ত কমিটির অন্য দুজন হলেন হলটির আবাসিক শিক্ষক সুমনা রাণী সাহা ও হোসনেয়ারা ডালিয়া।

ড. হেনা রাণি বিশ্বাস বলেন, শিফার আত্মহননের কারণ উদঘাটনের জন্যই আমি নিজে আহ্বায়ক হয়ে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেছি।

তিনি বলেন, আমার এই শিক্ষার্থী শিফা কেন আত্মহননের পথ বেছে নিলো সেটিই আমরা বের করে আনার চেষ্টা করব। আমরা বিভিন্ন গণমাধ্যম ও আবাসিক শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে জেনেছি, দর্শন বিভাগের আব্দুল্লাহ আল নোমান নামের একটি ছেলের সাথে তার প্রেমের সম্পর্ক ছিল এবং সাম্প্রতিক তাদের প্রেমে জটিলতা চলছিল। তদন্তে আমরা সব বিষয় নিয়েই খতিয়ে দেখব।

গত ১০ জুন শিফা নূর ইবাদির ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয় বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের রিডিংরুমের করিডোর থেকে। শেরে বাংলা মেডিক্যাল কলেজে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।

ড. হেনা রাণি বিশ্বাস বলেন, আমরা ২৫ তারিখে তদন্ত রিপোর্ট জমা দেব বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তদন্ত অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

মন্তব্য

শিক্ষা
Some groups in the hills are trying to create confusion Chabi Upacharya

পার্বত্য অঞ্চলে কিছু গোষ্ঠী বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে: চবি উপাচার্য

পার্বত্য অঞ্চলে কিছু গোষ্ঠী বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে: চবি উপাচার্য
অধ্যাপক ড. মাহফুজ পারভেজ বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিকে সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করতে হবে। শান্তি একটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। এখানে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে চূড়ান্ত করতে হবে।’

‘পার্বত্য অঞ্চলে কিছু গোষ্ঠী উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবেই বিভ্রান্তি সৃষ্টির চেষ্টা করছে। এদেশের মানুষের মৌলিক অধিকারগুলো আমাদের সংবিধানে বিস্তারিত বলা আছে। বঙ্গবন্ধু এ বিষয়গুলো সম্পর্কে ধারণা রাখতেন বলেই সংবিধানে সব ধর্ম-বর্ণের মানুষের অধিকার সমানভাবে যুক্ত করেছেন।’

চট্টগ্রাম সেন্টার ফর রিজিওনাল স্টাডিজ, বাংলাদেশের (সিসিআরএসবিডি) আয়োজনে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) অনুষ্ঠিত ‘সশস্ত্র সংঘাত ও তথ্য বিভ্রান্তির বিরুদ্ধে ছাত্র-যুবসমাজের ভূমিকা’ শীর্ষক আলোচনা সভায় এসব কথা বলেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের।

মঙ্গলবার বেলা ২টায় চবি উপাচার্যের সম্মেলন কক্ষে এ সভা অনুষ্ঠিত হয়।

অর্থনীতি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক তন্ময়ী হাসানের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসনিক) অধ্যাপক ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী।

এতে প্রধান অতিথি ছিলেন চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের, বিশেষ অতিথি চবি উপ-উপাচার্য (একাডেমিক) অধ্যাপক বেনু কুমার দে। এছাড়া বক্তব্য দেন রাজনীতি বিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ও সিসিআরএসবিডির নির্বাহী পরিচালক ড. মাহফুজ পারভেজ, সিসিআরএসবিডির পরিচালক রাজকুমার সুই চিং প্রু, ইতিহাস বিভাগের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম এবং আইন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল ফারুক।

অধ্যাপক ড. মাহফুজ পারভেজ বলেন, ‘পার্বত্য চট্টগ্রাম চুক্তিকে সম্পূর্ণরূপে বাস্তবায়ন করতে হবে। শান্তি একটা রাজনৈতিক সিদ্ধান্ত। এখানে শান্তি প্রতিষ্ঠা করতে হলে সামাজিক, সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক সিদ্ধান্তের মাধ্যমে চূড়ান্ত করতে হবে। পার্বত্য এলাকার পিছিয়ে পড়া তরুণ সমাজকে আদর্শ শিক্ষায় শিক্ষিত করতে হবে। অস্ত্রের মুখে কোনো সমস্যার সমাধান করা সম্ভব না। পাহাড়ে যেভাবে সন্ত্রাস জঙ্গিবাদ চলছে, তা কারও অজানা নয়। আমাদের সচেতনভাবে সেগুলো মোকাবিলা করতে হবে।’

অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ আল ফারুক বলেন, ‘স্বাধীনতার দীর্ঘ দুই যুগ পরে পার্বত্য চট্টগ্রামের সঙ্গে যে শান্তিচুক্তি হয়েছিল, তা ছিল পৃথিবীর ইতিহাসে একটি অনন্য ঘটনা। কারণ তৃতীয় পক্ষের হস্তক্ষেপ ছাড়াই এ চুক্তি হয়েছিল। পার্বত্য অঞ্চলের মানুষের জীবনযাত্রার মান উন্নত করার লক্ষ্যে সরকার অনেক উদ্যোগ নিয়েছে। সেখানে স্কুল, কলেজ, মেডিক্যাল থেকে শুরু করে বিশ্ববিদ্যালয়ও করা হয়েছে; কিন্তু কিছুদিন আগ থেকে কুকি-চিন নামে একটি সশস্ত্র বাহিনী সংঘাত সৃষ্টি করছে। অথচ পৃথিবীর কোথাও ক্ষুদ্র ও নৃগোষ্ঠীকে এত সুযোগ-সুবিধা দেয়া হয়নি। তাই এ সংঘাতের মাধ্যমে তারা শান্তিচুক্তির যে উদ্দেশ্য, সেটাকে ব্যাহত করছে।’

তিনি বলেন, ‘উন্নয়ন প্রক্রিয়া মূলত কাউকে বাদ দিয়ে নয়, বরং সবাইকে নিয়েই বাস্তবায়ন করতে হয়। পার্বত্য অঞ্চলের এ বহুমুখী সংঘাত যদি বন্ধ না হয়, তাহলে তাদের যে বিশেষ সুবিধা দেয়া হচ্ছে, সেগুলো আরও সংকীর্ণ হয়ে আসার আশঙ্কা রয়েছে। বাংলাদেশের ভূখণ্ড রক্ষায় যা যা করার, আমরা সবই করব। যুবসমাজের প্রতি আমার আহ্বান, আপনারা কোনোভাবে বিভ্রান্ত হবেন না।’

সিসিআরএসবিডির পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ আনোয়ারুল ইসলাম বলেন, ‘দ্বন্দ্ব থেকে সংঘাত, সেখান থেকে সশস্ত্র সংঘাতে রূপ নিয়েছে কুকি-চিনের এ বিদ্রোহ। ২০২১ সালের পরেই দেখা যাচ্ছে জো-জাতীয়তাবাদ। এটি খুব উগ্র একটি জাতীয়বাদ বলেই ধারণা করা হচ্ছে। যার ফলে এ পার্বত্য অঞ্চল ক্রমান্বয়ে অশান্ত হয়ে উঠছে।

‘মূলত পার্বত্য চট্টগ্রামের প্রাচীন ইতিহাসই আমরা স্পষ্ট করতে পারিনি। তাই আমাদের যুবসমাজ বিভ্রান্ত। এগুলো আমাদের জানতে হবে, জানাতে হবে।’

সিসিআরএসবিডির পরিচালক রাজকুমার সুই চিং প্রু বলেন, ‘দুঃখের বিষয় এ অঞ্চলে সংঘাতের কারণে আমাদের মানুষের মাঝে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরি হয়েছে। আমাদের সংঘাতের কারণগুলো উদঘাটন করতে হবে। তথ্য বিভ্রান্তি আমাদের এ সংঘাতের পেছনে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে।

‘মারমা সম্প্রদায় শান্তি ও সম্প্রীতির প্রতি ঐতিহ্যগতভাবে একমত। বিশ্বের অন্যান্য দেশ থেকে আমরা শিখতে পারি শান্তি স্থাপনে যুবসমাজ অনেক বেশি ভূমিকা রাখতে পারে। তাই আপনাদের সচেতনতা এবং সহযোগিতাই কাম্য।’

চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, ‘স্বাধীনতার পরে বঙ্গবন্ধু খুব দ্রুত পার্বত্য অঞ্চলের সংঘাত নিরসনে উদ্যোগ নিয়েছিলেন। এ ছাড়া ১৯৯৭ সালে প্রধানমন্ত্রী পার্বত্য চট্টগ্রামের সঙ্গে শান্তিচুক্তি করেছিলেন। ইতোমধ্যে নৃগোষ্ঠীর ভাষাগুলো সংগ্রহের জন্য সরকার উদ্যোগ নিয়েছে। এগুলো মূলত তাদের অগ্রাধিকার দেয়ার জন্যই।

‘যুবসমাজের প্রতি বিশেষ অনুরোধ, আমাদের মধ্যে বিরোধ থাকতেই পারে। কিন্তু ভালো করে জানতে হবে প্রকৃত ঘটনা কী? প্রয়োজনে গবেষণা করতে হবে, আলোচনায় বসতে হবে, যুক্তিতর্কের মাধ্যমে বিষয়গুলো সমাধান করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘স্থলভাগের চেয়ে জলভাগে সম্পদ বেশি থাকে। আমাদের সমুদ্রে যে সম্পদ আছে, সেটা আহরণ করতে হবে। প্রধানমন্ত্রীও ব্লু ইকোনোমির দিকে নজর দিচ্ছেন। খুব দ্রুতই কক্সবাজার আন্তর্জাতিকভাবে খুব গুরুত্বপূর্ণ জায়গা হয়ে উঠবে। মূলত সব সংঘাতের পেছনে এগুলোই কারণ। সাম্রাজ্যবাদ বিভিন্নভাবে আপনার ওপর আধিপত্য বিস্তার করতে চাইবে, সেগুলো আমাদের বুঝতে হবে। সরকার পার্বত্য অঞ্চলে উন্নয়নে অত্যন্ত আন্তরিক। মনে রাখবেন আমাদের দেশে দুর্নীতিও হয়, উন্নতিও হয়। এটাকে অনেক অর্থনীতিবিদ মিস্ট্রিয়াস (রহস্যজনক) ইকোনমিও (অর্থনীতি) বলছে।’

সভাপতির বক্তব্যে চবি উপ-উপাচার্য (প্রশাসনিক) অধ্যাপক ড. মো. সেকান্দর চৌধুরী বলেন, ‘পার্বত্য অঞ্চলের সঙ্গে যে শান্তিচুক্তি, সেখানের ৭৫টি দাবির মধ্যে ৫০টির বেশি ইতোমধ্যে পূরণ করা হয়েছে। অথচ আমরা দেখছি একটি সশস্ত্র গোষ্ঠী সংঘাত সৃষ্টি করছে। যার ফলে শান্তিচুক্তি ভঙ্গ হওয়ার ব্যাপক আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। উন্নয়নের ক্ষেত্রে সরকারের আন্তরিকতার কোনো অভাব নেই। সেটা একবার পার্বত্য অঞ্চল ঘুরে এলেই উপলব্ধি করা যায়।’

তিনি বলেন, ‘অনেকের লোলুপ দৃষ্টি আছে আমাদের এসব ভূখণ্ডের প্রতি। আমাদের সেনাবাহিনী দিনরাত কাজ করছে শান্তি স্থাপনের জন্য। তাই আমাদেরও কথা বলতে হবে এসব নিয়ে। পাশাপাশি মানুষকে সচেতন করতে হবে।’

মন্তব্য

শিক্ষা
Arrested during robbery in Jabi campus 3

জাবি ক্যাম্পাসে ছিনতাইকালে আটক ৩

জাবি ক্যাম্পাসে ছিনতাইকালে আটক ৩ আটক তিন ছিনতাইকারী। ছবি: নিউজবাংলা
দুই স্কুল শিক্ষার্থী জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঘুরতে এলে তিন ছিনতাইকারী তাদের কাছ থেকে মোবাইল ফোন ও নগদ টাকা ছিনিয়ে নেয়। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা ওই তিনজনকে আটক করেন।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় (জাবি) ক্যাম্পাসে ছিনতাইকালে তিনজনকে আটক করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তারা। মঙ্গলবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র থেকে মীর মশাররফ হোসেন হলের সংযোগ সড়কে এই ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হল- ক্যাম্পাসের রিকশাচালক আরিফুল ইসলাম হৃদয়, মওলানা ভাসানী হলের ক্লিনারের ছেলে আদনান ও ডেইরি ফার্ম হাইস্কুলের অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তানভীর। তাদের বয়স ১৩ থেকে ১৭ বছরের মধ্যে।

ভুক্তভোগী ও প্রত্যক্ষদর্শী সূত্রে জানা যায়, সকাল ১১টার দিকে দুই স্কুল শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরতে আসে। মীর মশাররফ হোসেন হলের দিকে যাওয়ার সময় তাদের পথরোধ করে পরিচয় জানতে চায় রিকশাচালক আরিফুর। ওই দুই শিক্ষার্থী বহিরাগত নিশ্চিত হওয়ার পর আদনানকে ফোন করে ঘটনাস্থলে আসতে বলে আরিফ। এ সময় উভয় পক্ষ বাকবিতণ্ডায় জড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণ পর আদনান এসে ভুক্তভোগীদের কাছ থেকে নগদ টাকা ও মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নেয়। একপর্যায়ে ভুক্তভোগীদের সমস্যা সমাধানের আশ্বাস দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের বড় ভাই পরিচয়ে ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয় অষ্টম শ্রেণির ছাত্র তানভীর। তারা ভুক্তভোগীদের ক্যাম্পাসে সুন্দরবন এলাকায় নিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করে। এ সময় ঘটনাস্থলে নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তারা উপস্থিত হয়ে অভিযুক্তদের হাতেনাতে আটক করেন।

ভুক্তভোগী সাদিক বলে, ‘আমরা দুইজন বিশ্ববিদ্যালয়ে ঘুরতে এসেছিলাম। মুক্তমঞ্চের পাশে যাওয়ার পর আমাকে একজন ডেকে নিয়ে যায়। আমার কাছে পরিচয় জানতে চায়। কথা বলার এক পর্যায়ে আমার কাছ থেকে মোবাইল ও তিনশ’ টাকা কেড়ে নেয় তারা। নিরাপত্তা শাখার কর্মকর্তারা সেখানে উপস্থিত হলে তারা হাত থেকে মোবাইল ফেলে দেয়।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান নিরাপত্তা কর্মকর্তা সুদীপ্ত শাহীন বলেন, ‘দিনের বেলায় বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরে এ ধরনের ঘটনা অনাকাঙ্ক্ষিত। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা শাখা ২৪ ঘণ্টা তাদের দায়িত্ব পালন করে যাচ্ছে। ছিনতাইয়ের ঘটনার খবর পেয়ে আমাদের অফিসাররা সেখানে উপস্থিত হন এবং তাদের আটক করেন। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ছিনতাইয়ের কথা স্বীকার করেছে। আমরা আপাতত তাদেরকে পুলিশে সোপর্দ করার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
কোটা পদ্ধতি পুনর্বহালের প্রতিবাদে জাবিতে মানববন্ধন
বন্ধ জাবি ক্যাম্পাসে গাছ কাটার মচ্ছব, প্রতিবাদ
জাবিতে যুবকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার
জাবির সিনেট সদস্য হলেন ড. খাদেমুল ইসলাম
জাবির তিন ছাত্রের বিরুদ্ধে ছিনতাইয়ের অভিযোগ বহিরাগতদের

মন্তব্য

শিক্ষা
Outsider women 5 students injured by knife in Gaibandha school

গাইবান্ধায় বিদ্যালয়ে ছুরি হাতে বহিরাগত নারী, ৫ শিক্ষার্থী আহত

গাইবান্ধায় বিদ্যালয়ে ছুরি হাতে বহিরাগত নারী, ৫ শিক্ষার্থী আহত ছুরির আঘাতে আহত শিশু শিক্ষার্থীদের সাদুল্যাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীদের একজন সেতু ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলে, ‘বিদ্যালয়ের ক্লাস শুরু হয়েছে মাত্র। আমরা তখনও ক্লাসে যাইনি। এ সময় হঠাৎ ওই মহিলা ছুটে এসে চাকু (ছুরি) দিয়ে আমাদের আঘাত করতে থাকে। এতে আমার বাম হাত কেটে যায়। এক ক্লাসমেটের পিঠে এবং আরেকজনের পা ও মাথায় ছুরি মারা হয়েছে। আরও দুজনকে আঘাত করেছে ওই মহিলা।’

গাইবান্ধার সাদুল্লাপুরের জামালপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে আকস্মিক বহিরাগত এক নারী ছুরি হাতে প্রবেশ করে শিশু শিক্ষার্থীদের ছুরিকাঘাত করেছে। আহতদের মধ্যে তিনজনকে সাদুল্লাপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি রেখে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যালয় চলাকালীন এই হামলার ঘটনা ঘটে। হাসপাতালে ভর্তি তিন শিক্ষার্থী হল সেতু, মিতু ও রাবেয়া। ষষ্ঠ শ্রেণির এই তিন ছাত্রীর মধ্যে ছুরিকাঘাতে সেতুর বাম হাত, মিতুর পিঠ ও রাবেয়ার দুই পা ও মাথায় জখম হয়েছে। আহত অপর দুই শিক্ষার্থীকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেয়া হয়েছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, হামলাকারী ওই নারীর নাম জান্নাতী আক্তার। ১৯ বছর বয়সী এই তরুণী উপজেলার জামালপুর ইউনিয়নের গয়েশপুর গ্রামের আশিক মিয়ার স্ত্রী।

কেউ কেউ অবশ্য দাবি করেন যে ওই তরুণী মানসিক ভারসাম্যহীন।

গাইবান্ধায় বিদ্যালয়ে ছুরি হাতে বহিরাগত নারী, ৫ শিক্ষার্থী আহত
হামলাকারী নারীকে আটকের পর পুলিশ এসে থানায় নিয়ে যায়। ছবি: নিউজবাংলা

পুলিশ, শিক্ষার্থী ও স্থানীয়রা জানান, মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০টার দিকে বিদ্যালয় চলাকালীন ওই নারী হঠাৎ করেই ছুরি হাতে বিদ্যালয়ে প্রবেশ করে। এ সময় বিদ্যালয়ের বারান্দায় অবস্থানরত পাঁচ শিক্ষার্থীকে ছুরি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করতে থাকে।

আহতদের চিৎকার শুনে বিদ্যালয়ের অন্যান্য শিক্ষার্থী, শিক্ষক-কর্মচারী ও স্থানীয়রা এগিয়ে এসে ওই নারীকে আটক করেন। পরে খবর পেয়ে পুলিশ এসে ওই নারীকে আটক করে থানায় নিয়ে যায়।

হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীদের একজন সেতু ঘটনার বর্ণনা দিতে গিয়ে বলে, ‘বিদ্যালয়ের ক্লাস শুরু হয়েছে মাত্র। আমরা তখনও ক্লাসে যাইনি। এ সময় হঠাৎ ওই মহিলা আমাদের দিকে ছুটে এসে চাকু (ছুরি) দিয়ে আঘাত করতে থাকে। এতে আমার বাম হাত কেটে যায়। আমার আরও এক ক্লাসমেটের পিঠে এবং আরেকজনের পায়ে ও মাথায় ছুরি মারা হয়েছে। এছাড়া আরও দুজনকে আঘাত করেছে ওই মহিলা।’

অভিভাবক আবুল কালাম (খোকা) বলেন, ‘বিদ্যালয়ে একজন নারী প্রবেশ করে ছাত্রীদের ওপর ছুরি দিয়ে হামলা চালিয়ে আহত করেছে। আমরা অভিভাবকরা বিষয়টি নিয়ে চরম উদ্বিগ্ন। ঘটনাটি আরও বড় হতে পারত। এসব বিষয়ে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে অবশ্যই সতর্ক থাকতে হবে।’

বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আমজারুল ইসলাম বলেন, ‘আমাদের শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় আমরা বিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে সাদুল্লাপুর থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’

সাদুল্লাপুর থানার ওসি শফিকুল ইসলাম (শফিক) নিউজবাংলাকে বলেন, ‘স্কুল শিক্ষার্থীদের ওপর হামলার ঘটনায় বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং স্থানীয়দের খবরে ঘটনাস্থল থেকে অভিযুক্ত ওই নারীকে আটক করা হয়েছে। এ সময় তার কাছে একটি দেশীয় ধারালো ছুরি উদ্ধার করা হয়েছে। বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

হামলাকারী মানসিক ভারসাম্যহীন কী না জানতে চাইলে তিনি বলেন, বিষয়টি নিয়ে ওই নারীকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। ঘটনার তদন্ত চলছে। এখনই সে বিষয়ে কিছু বলতে পারছি না।’

মন্তব্য

শিক্ষা
Quota in jobs ultimatum to students overturning High Courts verdict

চাকরিতে কোটা: হাইকোর্টের রায় বাতিলে আলটিমেটাম শিক্ষার্থীদের

চাকরিতে কোটা: হাইকোর্টের রায় বাতিলে আলটিমেটাম শিক্ষার্থীদের সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের প্রতিবাদে রোববার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ মিছিলে শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
মিছিল পরবর্তী সমাবেশে ঢাবি ছাত্রী তামান্না আক্তার বলেন, ‘আমি নারী হয়ে বলছি, আমি নারী কোটা চাই না। আমরা একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ নির্মাণ করতে চাই। মেধাবীরা যোগ্যতা দিয়ে চাকরি পাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে উপেক্ষা করে যে রায় দিয়েছে, তা আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করলাম।’

সরকারি চাকরিতে ৩০ শতাংশ মুক্তিযোদ্ধা কোটা পুনর্বহালের রায় বাতিলের দাবিতে আগামী ৩০ জুন পর্যন্ত আলটিমেটাম দিয়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যদালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এ সময়ের মধ্যে রায় বাতিল করা না হলে দেশের প্রতিটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তীব্র আন্দোলন গড়ে তোলা হবে বলে রোববার হুঁশিয়ার করে দিয়েছেন তারা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাজু ভাস্কর্যের সামনে বিক্ষোভ সমাবেশ থেকে শিক্ষার্থীরা ওই আলটিমেটাম দেন।

সরকারি চাকরিতে ২০১৮ সালের পরিপত্র বাতিল করে কোটা পদ্ধতি পুনর্বহাল সংক্রান্ত হাইকোর্টের রায়ের প্রতিবাদ এবং মেধাভিত্তিক নিয়োগ বহাল রাখার দাবিতে তৃতীয় দিনের মতো আজ বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থীরা। ওই বিক্ষোভ শেষে শিক্ষার্থীদের একটি প্রতিনিধি দল আ্যাটর্নি জেনারেলের কাছে স্মারকলিপি জমা দিতে ক্যাম্পাস ছাড়েন।

এর আগে শিক্ষার্থীদের মিছিলটি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় গ্রন্থাগারের সামনে থেকে শুরু হয়ে ক্যাম্পাসের বিভিন্ন সড়ক প্রদক্ষিণ করে রাজু ভাস্কর্যে এসে শেষ হয়।

মিছিলে শিক্ষার্থীরা ‘চাকরিতে কোটা, মানি না মানব না’, ‘মুক্তিযুদ্ধের বাংলায়, কোটার ঠাঁই নাই’, ‘হাইকোর্টের রায়, মানি না মানব না’, ‘সংবিধানের মূলকথা সুযোগের সমতা, মুক্তিযুদ্ধের মূলকথা সুযোগের সমতা’, ‘কোটা না মেধা, মেধা মেধা’, ‘সারা বাংলা খবর দে, কোটা প্রথার কবর দে’ ধরনের স্লোগান দেন।

মিছিল পরবর্তী সমাবেশে ঢাবি ছাত্রী তামান্না আক্তার বলেন, ‘আমি নারী হয়ে বলছি, আমি নারী কোটা চাই না। আমরা একটি বৈষম্যহীন বাংলাদেশ নির্মাণ করতে চাই। মেধাবীরা যোগ্যতা দিয়ে চাকরি পাবে। মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর বক্তব্যকে উপেক্ষা করে যে রায় দিয়েছে, তা আমরা ঘৃণাভরে প্রত্যাখ্যান করলাম।’

বায়োকেমিস্ট্রি বিভাগের ছাত্র মোয়াজ্জেম হোসেন রিহাম বলেন, ‘আমরা হাইকোর্টের রায়কে ঘৃণাভরে প্রত্যাখান করছি। শিক্ষামন্ত্রী বলেছেন, কোটা প্রথা বিদ্যমান রাখার জন্য, কিন্তু আমাদের প্রশ্ন উনি কি সাধারণ শিক্ষার্থীদের শিক্ষামন্ত্রী নাকি দুই পারসেন্ট শিক্ষার্থীর মন্ত্রী?’

আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের ছাত্র রিফাত রশিদ বলেন, ‘আমাদের সংবিধানে সরকারি চাকরিতে সমতা নিশ্চিতের কথা বলা হয়েছে, কিন্তু আজকে কোটার মাধ্যমে মেধাবীদের অবহেলা করা হচ্ছে। এই ছাত্রসমাজ কোনো দাবি আদায়ে যতবারই রাস্তায় নেমেছে, সেই দাবি আদায় করে রাজপথ ছেড়েছে।

‘আজকেও আমরা কোটা পুনর্বহালের বিরুদ্ধে রাস্তায় নেমেছি। যদি এই বৈষম্যমূলক কোটা পুনর্বহালের সিদ্ধান্ত বাতিল না করা হয়, তাহলে শিক্ষার্থীরা এই রাজপথ ছাড়বে না। প্রয়োজনে রক্ত ঝরবে, রাজপথে লাশ পড়বে, তবুও আমরা এই দাবি আদায় করে ছাড়ব ইনশাল্লাহ।’

আরও পড়ুন:
‘প্রত্যয় স্কিম’ ইস্যুতে কর্মবিরতির কর্মসূচি ঢাবি শিক্ষক সমিতির
দস্যুতার মামলায় দুই ঢাবি শিক্ষার্থী গ্রেপ্তার, পরে জামিন
‘প্রশিক্ষণে ৭০% নম্বর ছাড়া ঢাবি প্রভাষকদের পদোন্নতি নয়’
শ্রাবণের ওপর হামলার প্রতিবাদে নয়াপল্টনে ছাত্রদলের বিক্ষোভ
রবীন্দ্রনাথে প্রভাবিত হয়ে বঙ্গবন্ধু দেশ স্বাধীন করেছেন: ঢাবি উপাচার্য

মন্তব্য

p
উপরে