× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
EB clashes 8 injured committee set up to probe
google_news print-icon

ইবিতে খেলা নিয়ে সংঘর্ষ, তদন্তে কমিটি

ইবিতে-খেলা-নিয়ে-সংঘর্ষ-তদন্তে-কমিটি-
মঙ্গলবার বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ফুটবল মাঠে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় ক্রিকেট ও ফুটবল খেলোয়াড়দের মধ্যে মারামারি হয়। ছবি: নিউজবাংলা
কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. এ এইচ এম আক্তারুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানি না। আমাকে কয়েকজন ফোন করে বিষয়টি জানতে চেয়েছে। আমাকে যদি আহবায়ক করে চিঠি পাঠানো হয় তাহলে অবশ্যই আমি আমার দায়িত্ব পালন করবো।’

কুষ্টিয়ার ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) ফুটবল মাঠে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে কয়েক দফা মারামারির ঘটনায় ৫ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান এ তথ্য নিশ্চিত করেন।

কমিটিতে চারুকলা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এইচ এম আক্তারুল ইসলামকে আহ্বায়ক ও সহকারী প্রক্টর ড. আমজাদ হোসেনকে সদস্য সচিব করা হয়েছে।

কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন শেখ রাসেল হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. দেবাশীষ শর্মা, সাদ্দাম হোসেন হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. আসাদুজ্জামান ও খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন আরা সাথী।

একই সঙ্গে কমিটিকে দ্রততম সময়ের মধ্যে ঘটনার কারণ অনুসন্ধান করে ভবিষ্যত করণীয় বিষয়ে প্রতিবেদন দাখিল করতে বলা হয়েছে।

এ বিষয়ে কমিটির আহবায়ক অধ্যাপক ড. এ এইচ এম আক্তারুল ইসলাম বলেন, ‘আমি এ বিষয়ে এখনো বিস্তারিত জানি না। আমাকে কয়েকজন ফোন করে বিষয়টি জানতে চেয়েছে। আমাকে যদি আহবায়ক করে চিঠি পাঠানো হয় তাহলে অবশ্যই আমি আমার দায়িত্ব পালন করব।’

ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান বলেন, ‘এখনো চিঠি কমিটির নিকট পৌঁছানো হয়নি। ক্যাম্পাস দুইদিন বন্ধ থাকবে। তাই শনিবার ক্যাম্পাস খোলার পর আমরা চিঠি সকলের নিকট পৌঁছে দেবো।’

মঙ্গলবার বিকেল ৫টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ফুটবল মাঠে ক্রিকেট খেলাকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় ক্রিকেট ও ফুটবল খেলোয়াড়দের মধ্যে মারামারি হয়। এ ঘটনায় উভয়পক্ষের অন্তত ৮ জন আহত হন।

আরও পড়ুন:
ব্যাটিংয়ে ভারত
প্রেমে প্রতারণায় হত্যা: দুই বছর পর গ্রেপ্তার
গুচ্ছে ভর্তি সম্পন্ন: ইবিতে কোটাধারীদের যোগ্যতা শিথিলে চিঠি
নদী রক্ষা কমিশন চেয়ারম্যানের নিয়োগ বাতিলে ক্ষুব্ধ টিআইবি
টিআইবি ট্রাস্টি বোর্ডের নতুন চেয়ারপারসন সুলতানা কামাল

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
The police claim that there is evidence of student harassment against teacher Murad

শিক্ষক মুরাদের বিরুদ্ধে ছাত্রী হয়রানির প্রমাণ মিলেছে, দাবি পুলিশের

শিক্ষক মুরাদের বিরুদ্ধে ছাত্রী হয়রানির প্রমাণ মিলেছে, দাবি পুলিশের ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মুরাদ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার খ. মহিদ উদ্দিন বলেন, ‘কোচিং সেন্টারে ছাত্রীদের পড়ানোর নামে বিভিন্ন সময় তাদের শরীরে হাত দেয়াসহ নানা অশোভন আচরণের মাধ্যমে যৌন হয়রানি করেছেন শিক্ষক মুরাদ। তার প্রমাণ পাওয়া গেছে তার মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপে।’

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মোহাম্মদ মুরাদ হোসেন সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার খ. মহিদ উদ্দিন বৃহস্পতিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘অভিযুক্ত ব্যক্তির ফোন ও ল্যাপটপ জব্দ করে কিছু অডিও-ভিডিও ক্লিপ পাওয়া যায়। ডিভাইস দুটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।

‘ওই শিক্ষক আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় সাক্ষ্য দিয়েছেন। আমরা অনেক তথ্য পাচ্ছি। আসামি এসব অভিযোগ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।’

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, ‘স্কুলের পাশে কোচিং সেন্টারে ছাত্রীদের পড়ানোর নামে বিভিন্ন সময় তাদের শরীরে হাত দেয়াসহ নানা অশোভন আচরণের মাধ্যমে যৌন হয়রানি করেছেন শিক্ষক মুরাদ। যার প্রমাণ পাওয়া গেছে তার মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপে।

‘একাধিক ছাত্রীর বেশকিছু অডিও রেকর্ডিং ও কথোপকথনে এর প্রমাণ মিলেছে। তিনি পড়ানোর সময় শিক্ষার্থীদের কুরুচিপূর্ণ কৌতুক শোনাতেন বলেও জানা গেছে।’

মুরাদকে রিমান্ডে নিয়ে কী তথ্য পাওয়া গেছে জানতে চাইলে অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, ‘যে অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে পুলিশ হেফাজতে দুদিন জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তার সত্যতা পাওয়া গেছে।

‘গত বছরের নভেম্বরে ওই শিক্ষার্থী যে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়, তার প্রাথমিক সত্যতাও পেয়েছে পুলিশ। তবে ওই ঘটনা জানাজানি হলে মা-বাবার সম্মানহানি হবে এবং স্কুল থেকে তাকে বের করে দেয়া হবে এমন আশঙ্কায় নির্যাতিত ছাত্রী কাউকে কিছু জানায়নি।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘২৬ ফেব্রুয়ারি এক শিক্ষার্থীর মা লালবাগ থানায় এসে অভিযোগ করেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী যখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত, তখন সে ওই শিক্ষকের কোচিংয়ে পড়তে যেত। মেয়েটিকে গত বছরের ১০ মার্চসহ বিভিন্ন সময় নানাভাবে যৌন নিপীড়ন করেছেন শিক্ষক মুরাদ।’

তিনি বলেন, ‘এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আগেও এমন অভিযোগ এসেছে। এ নিয়ে কিছু অভিভাবক ও তাদের সন্তানদের বক্তব্য শোনেন কলেজের অধ্যক্ষ। তিনি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এ ঘটনায় স্কুলে মানববন্ধনও হয়। ২৬ ফেব্রুয়ারি মামলা হওয়ার পর ওই রাতে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মহিদ উদ্দিন বলেন, ‘ফৌজদারি অপরাধ কখনও তামাদি হয়ে যায় না। আর শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রমাণের জন্য মেডিক্যাল প্রতিবেদন জরুরি নয়। অভিযোগ প্রমাণের জন্য আরও অনেক প্রক্রিয়া রয়েছে।

‘আমরা প্রত্যেক নাগরিকের অধিকারের বিষয়ে সংবেদনশীল। যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত অপরাধ কত দিন, কত জায়গায়, কতবার হয়েছে, সবই তদন্তের আওতায় আনা হবে।’

অভিযুক্ত মুরাদ হোসেন সরকার ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর ক্যাম্পাসের দিবা শাখার গণিতের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক। ২০১০ সাল থেকে তিনি বিদ্যালয়টিতে শিক্ষকতা করছেন। পাশাপাশি আজিমপুর এলাকার একটি ফ্ল্যাটে কোচিং সেন্টার খুলে ছাত্রীদের পড়াতেন।

শিক্ষক মুরাদ কারাগারে

যৌন হয়রানির মামলায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর ক্যাম্পাসের গণিতের শিক্ষক মুরাদ হোসেন সরকারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

দুদিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিম।

একইসঙ্গে আসামি পক্ষের আইনজীবী চিকিৎসার আবেদন করলে কারাবিধি মোতাবেক তার চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয় আদালত।

সোমবার রাত ১২টার দিকে রাজধানীর কলাবাগানের বাসা থেকে মুরাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই রাতেই ভিকারুননিসা স্কুলের গভর্নিং বডির জরুরি সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এর আগে ৭ ফেব্রুয়ারি ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে অধ্যক্ষ বরাবর অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের একাংশ ও তাদের অভিভাবকদের আন্দোলনের মুখে শনিবার স্কুল কর্তৃপক্ষ এই শিক্ষককে প্রত্যাহার করে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে সংযুক্ত করে।

পরদিন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্কুল ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা।

আরও পড়ুন:
যৌন হয়রানিতে অভিযুক্ত ভিকারুননিসার শিক্ষক মুরাদ রিমান্ডে
যৌন হয়রানির মামলায় ভিকারুননিসার শিক্ষক মুরাদ গ্রেপ্তার

মন্তব্য

শিক্ষা
The Chief Justice wants to see the language movement memorial museum in DU

ঢাবিতে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি জাদুঘর দেখতে চান প্রধান বিচারপতি

ঢাবিতে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি জাদুঘর দেখতে চান প্রধান বিচারপতি বুধবার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে ডুলা আয়োজিত ফোক ফেস্ট ও শীতকালীন পিঠা উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। ছবি: সংগৃহীত
প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘১৯৪৭ সালে দেশভাগের ওপর ভিত্তি করে পাঞ্জাবের অমৃতসরে একটি জাদুঘর করা হয়েছে। সেখানে গেলে মনে হয়, ১৯৪৭ সালে ফিরে গিয়েছি। ঠিক একইভাবে আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি জাদুঘর করা হোক। যেখানে গেলে মনে হবে, আমি মনে হয় ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছি।’

নিজের জীবদ্দশায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) আঙিনায় ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি বহন করে এমন একটি জাদুঘর দেখে যাওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

বুধবার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলএলএম ল’য়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডুলা) আয়োজিত ফোক ফেস্ট ও শীতকালীন পিঠা উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ভাষা আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক অবদান রয়েছে। এই অবদান সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।

‘এটা ভাষার মাস। এই মাসে আমরা অনেক অনুষ্ঠান করে থাকি। এই অনুষ্ঠানগুলো আমরা বাংলায় করি। বাংলায় কথা বলার ওপর একটি চাপ আছে। বিশেষ করে, আমরা যারা এই আইন অঙ্গনে আছি, তাদের ওপর একটি বাড়তি চাপ আছে। উচ্চতর আদালতে কেন বাংলা ভাষা প্রচলন নেই বা বাংলা ভাষা কম কেন, সেই প্রশ্নেরও সম্মূখীন হতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি বাংলা ভাষার ব্যবহার বাড়ানোর। আমাদের বন্ধুরা অনেকেই বাংলা ভাষায় রায় দেয়ারও চেষ্টা করছেন।’

ওবায়দুল হাসান বলেন, ‘একটি অনুষ্ঠানে ঢাবি ভিসিকে আমি বলেছিলাম, ভাষা আন্দোলন শুরু হয়েছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলা থেকে। ভাষা আন্দোলনের মিটিং হয়েছিল বর্তমান জহুরুল হক হলের পুকুর পাড় থেকে। সেই ঢাবিতে কি কোনো জাদুঘর আছে?

‘আমি কিছুদিন আগে দেখে এসেছি। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের ওপর ভিত্তি করে পাঞ্জাবের অমৃতসরে একটি জাদুঘর করা হয়েছে। সেখানে গেলে মনে হয়, ১৯৪৭ সালে ফিরে গিয়েছি। ঠিক একইভাবে আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি জাদুঘর করা হোক। যেখানে গেলে মনে হবে, আমি মনে হয় ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছি।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ভিসি তখন আমার কথা নোট নিয়েছেন এবং বলেছেন, তিনি এটা করবেন। তখন আমি বলেছি, আমারা জীবিত থাকা অবস্থায়ই যেন এটা করা হয়।’

সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ আলী আহমেদ খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আপিল বিভাগের বিভাগের বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান, সাবেক রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন, সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, বারের সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে বিভিন্নরকম পিঠা তৈরির আয়োজন করা হয়।

মন্তব্য

শিক্ষা
5 were injured including the headmaster in the attack of students and parents due to discipline

শাসন করায় ছাত্র-অভিভাবকদের হামলা, প্রধান শিক্ষকসহ আহত ৫

শাসন করায় ছাত্র-অভিভাবকদের হামলা, প্রধান শিক্ষকসহ আহত ৫ হামলায় আহত প্রধান শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন। ছবি: নিউজবাংলা
জানা গেছে, দশম শ্রেণীর ছাত্র পিতাশ হালদার স্কুল ড্রেস না পরে বিদ্যালয়ে এলে প্রধান শিক্ষক তাকে শাসন করেন। এর জের ধরে বিদ্যালয় ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে ওই ছাত্র ও তার অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষক বিকাশ বিশ্বাসের ওপর হামলা চালায়। এ সময় বিদ্যালয়টির আরও চার শিক্ষক-কর্মচারীকে মারধর করা হয়।

গোপালগঞ্জের কোটালীপাড়ায় ছাত্রকে শাসন করায় বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস নামে এক শিক্ষককে মারধর করেছে ওই ছাত্র ও তার অভিভাবকরা। এ সময় হামলাকারীদের থামাতে গিয়ে অপর এক শিক্ষক ও ৩ কর্মচারী আহত হন। আহতদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে।

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় উপজেলার হিজলবাড়ি গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। মারধরের শিকার বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাস হিজলবাড়ি বিনয় কৃষ্ণ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক।

জানা গেছে, দশম শ্রেণীর ছাত্র পিতাশ হালদার স্কুল ড্রেস না পরে বিদ্যালয়ে এলে প্রধান শিক্ষক তাকে শাসন করেন। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে পিতাশ হালদার বিদ্যালয় ত্যাগ করে বাড়িতে চলে যায়। বিদ্যালয় ছুটির পর বাড়ি ফেরার পথে ছাত্র পিতাশ ও তার অভিভাবকরা প্রধান শিক্ষক বিকাশ বিশ্বাসের ওপর হামলা চালায়। এ সময় বিদ্যালয়টির শিক্ষক-কর্মচারীরা এগিয়ে এলে হামলাকারীরা তাদেরকেও মারধর করে।

গুরুতর আহত প্রধান শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাসসহ শিক্ষক উত্তম অধিকারী, ল্যাব অপারেটর সুদেপ অধিকারী, কর্মচারী জয় সেন ও বুলেট দত্তকে উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে।

এ ঘটনায় এলাকায় ছাত্র ও অভিভাবকদের মাঝে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। তারা দোষীদের শাস্তি দাবি করেছেন।

বিদ্যালয়টির বাংলা বিষয়ের শিক্ষক স্বপন রায় বলেন, ‘একজন প্রধান শিক্ষক ছাত্রকে শাসন করায় এভাবে মারধরের শিকার হলেন। আমরা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাচ্ছি। অবিলম্বে হামলাকারীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানাচ্ছি আমরা।’

এ বিষয়ে ছাত্র পিতাশ হালদারের পিতা পঙ্কশ হালদারের কাছে জানতে চাওয়া হলে তিনি বলেন, ‘এ ঘটনার জন্য আমরা দুঃখিত। পিতাশের পিতা হিসেবে আমি সব শিক্ষকের কাছে ক্ষমা চাই।’

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আজিম উদ্দিন বলেন, ‘বিষয়টি জানার সঙ্গে সঙ্গে আমি উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে গিয়ে প্রধান শিক্ষক বিকাশ চন্দ্র বিশ্বাসসহ আহত অন্যদের শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিয়েছি। বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। ঘটনায় জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

কোটালীপাড়া থানার ওসি মুহাম্মদ ফিরোজ আলম বলেন, ‘এ ঘটনায় এখন পর্যন্ত কোনো অভিযোগ পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

মন্তব্য

শিক্ষা
National Statistics Day is celebrated in Jabi

জবিতে জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস পালিত

জবিতে জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস পালিত
মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে র‍্যালির আয়োজন করা হয়।

‘স্মার্ট পরিসংখ্যান, উন্নয়নের সোপান’এই স্লোগান সামনে রেখে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ‘জাতীয় পরিসংখ্যান দিবস ২০২৪’ উদযাপিত হয়েছে।

মঙ্গলবার সকালে বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের উদ্যোগে দিবসটি উপলক্ষে র‍্যালির আয়োজন করা হয়।

র‍্যালিতে উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম, ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ূন কবীর চৌধুরী, বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. শাহজাহান এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবু সাইদ মো. রিপন রউফ এবং বিভাগের শিক্ষক-শিক্ষার্থীবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

র‍্যালিটি বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের শহীদ মিনার থেকে শুরু হয়ে পুরো ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করে আবার শহীদ মিনারের সামনে এসে শেষ হয়।

এ বিষয়ে পরিসংখ্যান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. আবু সাইদ মো. রিপন রউফ বলেন, যেকোনো উন্নয়নের প্রাথমিক সোপান হলো পরিসংখ্যান, অবাধ সুষ্ঠু এবং নিরপেক্ষ তথ্য প্রদানের মাধ্যমে উন্নয়নকে আরো ত্বরান্বিত করা যায়। সরকারকে সঠিক তথ্য প্রদানের মাধ্যমে দেশের উন্নয়নে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগ ভূমিকা রাখতে চায়।

২০২০ সালের ৮ জুন মন্ত্রিপরিষদের বৈঠকে প্রতিবছর ২৭ ফেব্রুয়ারি জাতীয়ভাবে পরিসংখ্যান দিবস পালনের সিদ্ধান্ত নেয় সরকার।

মন্তব্য

শিক্ষা
Ants cannot fly due to lack of money

টাকার অভাবে চলতে পারছে না ‘পিপীলিকা’

টাকার অভাবে চলতে পারছে না ‘পিপীলিকা’ বাংলা ভাষায় বিশ্বের প্রথম সার্চ ইঞ্জিন পিপীলিকার লোগো। ছবি: পিপীলিকা
অর্থ সংকটে ধুঁকছে শাবির সাড়া জাগানো চার উদ্ভাবন। তিন বছর ধরে বন্ধ রয়েছে বিশ্বের একমাত্র বাংলা সার্চ ইঞ্জিন ‘পিপীলিকা’। প্লে-স্টোরে থাকলেও নিস্ক্রিয় কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ‘একুশে বাংলা কি-বোর্ড’। ফান্ডিং সংকটে আটকে গেছে দ্রুত ক্যানসার শনাক্তের ‘ননলিনিয়ার অপটিকস’ ডিভাইসটিও। অর্থ ও জনবলের অভাবে এগোতে পারেনি বাংলায় কথা বলা রোবট ‘রিবো’।

২০১৩ সালে বিশ্বের প্রথম বাংলা সার্চ ইঞ্জিন তৈরি করে সাড়া ফেলে দেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের একদল গবেষক। এই সার্চ ইঞ্জিনের নাম দেয়া হয় ‘পিপীলিকা’। তবে গত তিন বছর ধরে থমকে আছে এর কার্যক্রম। সংশ্লিষ্টরা বলছেন, অর্থ সংকটে সার্চ ইঞ্জিনটির কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।

কেবল সার্চ ইঞ্জিন ‘পিপীলিকা’ই নয়, একই অবস্থা কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন ‘একুশে বাংলা কি-বোর্ড’-এরও। প্লে-স্টোরে অ্যাপটি থাকলেও তা একপ্রকার নিস্ক্রিয়। দ্রুত ক্যানসার শনাক্তের সম্ভাবনাময় ‘ননলিনিয়ার অপটিকস’ ডিভাইসটিও অর্থ সংকটে আটকে গেছে। করোনা মহামারি এবং অর্থ ও জনবলের অভাবে এগোতে পারেনি বাংলায় কথা বলতে পারা রোবট ‘রিবো’।

দেশের প্রথম বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে তেত্রিশ বছর আগে সিলেটে প্রতিষ্ঠিত হয় শাহজালা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়। এই বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের কিছু উদ্ভাবন সকলের প্রশংসা কুড়ায়। উদ্ভাবনী কার্যক্রমের মাধ্যমে দ্রুত দেশের অন্যতম সেরা বিদ্যাপীঠে পরিণত হয় এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। তবে গত কয়েক বছর ধরেই নেই নতুন কোনো উদ্ভাবন। এমনকি পৃষ্ঠপোষকতার অভাবে থমকে আছে পুরনোগুলোও।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ওপর অ্যাকাডেমিক চাপ অনেক বাড়িয়ে দিয়েছে। ফলে তারা গবেষণা, উদ্ভাবনসহ সৃজনশীল কাজে যুক্ত হতে পারছেন না। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকেও এ ব্যাপারে এখন কোনো উৎসাহ দেয়া হয় না।

পিপীলিকা

২০১৩ সালের ১৩ এপ্রিল ১১ জন ডেভেলপার মিলে তৈরি করেন বিশ্বের প্রথম এবং এখন পর্যন্ত একমাত্র বাংলা সার্চ ইঞ্জিন পিপীলিকা। পিপীলিকার প্রকল্প পরিচালনায় ছিলেন এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশল বিভাগের তৎকালীন অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল। মুখ্য গবেষক ও টিম লিডার হিসেবে কাজ করেন মো. রুহুল আমীন সজীব।

শাবির আইআইসিটি বিভাগ জানায়, বাংলা সার্চ ইঞ্জিন ‘পিপীলিকা’ সংক্রান্ত কিছু সার্ভিস গ্রহণের বিনিময়ে সরকারের এটুআই (অ্যাক্সেস টু ইনফরমেশন) প্রোগ্রাম থেকে ২০১৭ সালের জুলাই থেকে ২০২০ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ৮ কিস্তিতে মোট ১ কোটি ৭১ লাখ ৫৫ হাজার ৩৬৬ টাকা দেয়া হয়। শেষ কিস্তির (৯ম কিস্তি) ২১ লাখ ৭৪ হাজার ৬৫৩ টাকা পিপীলিকাকে পরিশোধের আগেই সরকারের এটুআই প্রোগ্রামের মেয়াদ শেষ হয়ে যায়। এরপর থেকেই অর্থ সংকটে পিপীলিকা বন্ধ রয়েছে।

আগের মতো ৫-৬ জন পূর্ণকালীন আইটি/সফটওয়্যার ইঞ্জিনিয়ার নিয়োগের মাধ্যমে কাজ করানোর জন্য মাসিক ৩-৪ লাখ টাকা অনুদান পেলে পিপীলিকার উন্নয়ন কাজ চলমান রাখা যাবে বলে জানান সংশ্লিষ্টরা।

এই প্রজেক্টটির বর্তমান অবস্থা জানতে চাইলে টিম লিডার মো. রুহুল আমীন সজীব বলেন, ‘আমি এখন এই প্রকল্পের সঙ্গে সংযুক্ত নই।’

শাবির আইআইসিটির পরিচালক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জহিরুল ইসলাম বলেন, ‘এই প্রজেক্টের ফান্ডিং আসত সরকারের কাছে থেকে। ২০২০ সাল থেকে আমাদের প্রজেক্ট সংশ্লিষ্ট সবকিছু সঠিক সময়ে পাঠালেও কোনো অর্থ পাইনি। সর্বশেষ আমাদের প্রায় ২২ লাখ টাকা আটকে আছে।’

তিনি বলেন, ‘টাকা ছাড়া তো আমরা গবেষক ও কর্মচারীদের কাজ করাতে পারি না। আমরা যতটুকু সম্ভব দিয়েছি। তবুও তাদের বেশ কিছু টাকা বকেয়া রয়েছে। কোনো কারণ ছাড়াই আমাদের আর টাকা দেয়া হয়নি। আবার মন্ত্রণালয়ের পক্ষ থেকেও কিছু বলা হয়নি।’

তিনি আরও বলেন, ‘আর্থিক সাপোর্ট না পাওয়ায় কারণে বর্তমানে তা বন্ধ আছে। বিষয়টি নিয়ে আইসিটি প্রতিমন্ত্রী, সচিব ও এটুআইয়ের পিডিসহ সকলের দ্বারে দ্বারে গিয়েছি, কিন্তু কাজ হয়নি। আমাদের সব রিসোর্স আছে। সরকারের কাছে থেকে আবার সাপোর্ট পেলে আমরা তা সচল করতে পারব।’

এটুআই প্রোগ্রামের তৎকালীন প্রকল্প পরিচালক (পিডি) ড. দেওয়ান মুহাম্মদ হুমায়ূন কবীর বলেন, “যতটুকু মনে পড়ে ‘পিপীলিকা’ সার্চ ইঞ্জিনটা যেমন প্রত্যাশা করা হয়েছিল, সেই মানের হয়নি। এজন্য ফান্ডিং বন্ধ করা হয়। এ বিষয়ে বর্তমান পিডি ভালো বলতে পারবেন।’

বর্তমান পিডি (যুগ্মসচিব) মো. মামুনুর রশীদ ভূঁইয়া বলেন, ‘এটি আমার জানা নাই। এটা আসলে কী অবস্থায় আছে, খোঁজ নিয়ে জানার চেষ্টা করব।’

একুশে বাংলা কি-বোর্ড

কি-বোর্ড নিজেই বুঝে ফেলবে ব্যবহারকারী কী লিখতে চাইছেন- ২০১৮ সালে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন এমন কি-বোর্ড কি-বোর্ড উদ্ভাবন করেন শাবি শিক্ষার্থীরা। এর নাম দেয়া হয় ‘একুশে বাংলা কিবোর্ড’।

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা সংযোজনের পাশাপাশি দ্রুত টাইপিং ও স্পর্শ করে লেখার ব্যবস্থা রয়েছে এ কি-বোর্ডে। ফলে টাইপ না জানলেও যে কেউ সহজেই বাংলা টাইপিং শিখতে পারে এর মাধ্যমে।

২০২০ সালে কি-বোর্ডটির উদ্ভাবক তৎকালীন শাবির সিএসই বিভাগের সহকারী অধ্যাপক বিশ্বপ্রিয় চক্রবর্তী বিদেশে চলে গেলে সেটির কার্যক্রম বন্ধ হয়ে যায়। প্লে-স্টোরে অ্যাপটি থাকলেও নিস্ক্রিয় অবস্থায় রয়েছে।

প্রজেক্টটির বর্তমান অবস্থা জানতে চাইলে বিশ্বপ্রিয় চক্রবর্তী বলেন, ‘দুর্ভাগ্যবশত আমাদের কাছে এই প্রজেক্টের কোনো আপডেট নেই। আমি দেশের বাইরে চলে যাওয়ার পর এ ব্যাপারে আর কোনো কাজ করা হয়নি।’

ননলিনিয়ার অপটিকস

রক্তের নমুনা পরীক্ষা করার মাধ্যমে ক্যানসার শনাক্তকরণ পদ্ধতি উদ্ভাবনেও রয়েছে শাবিপ্রবির সাফল্য। অল্প খরচে ও কম সময়ে ‘ননলিনিয়ার অপটিকস’ নামের উদ্ভাবিত এ পদ্ধতিতে রক্তের একটি পরীক্ষার মাধ্যমে মাত্র ১০ থেকে ২০ মিনিটেই ক্যানসার শনাক্ত করা সম্ভব হবে বলে দাবি ছিল উদ্ভাবকদের।

হায়ার এডুকেশন কোয়ালিটি এনহ্যান্সমেন্ট প্রজেক্টের (হেকেপ) আওতায় শাবির পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের সেসময়কার অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন হকের নেতৃত্বে একদল গবেষক ক্যানসার শনাক্তকরণের এ সাশ্রয়ী প্রযুক্তি উদ্ভাবন করেন।

গবেষক দলের অন্য সদস্যরা হলেন- অধ্যাপক ড. শরীফ মো. শরাফ উদ্দিন, মনজ কান্তি বিশ্বাস ও এনামুল হক।

প্রজেক্টটির বর্তমান অবস্থা সম্পর্কে পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. শরীফ মো. শরাফ উদ্দিন বলেন, ‘ফান্ডিংসহ অনেক সমস্যা আছে। মূলত ফান্ডিংয়ের জন্য আমরা আটকে গেছি। বিশ্বব্যাংকের একটি প্রজেক্ট শিগগিরিই চালু হবে। সম্ভবত পিডি নিয়োগ হয়ে গেছে। ওটা হলেই আমরাও ফান্ড পেয়ে যাব।

‘বর্তমানে আপগ্রেডের কাজ চলছে। ফান্ডিং পেলে আমরা ক্লিনিক্যালি ব্যবহারের উপযুক্ত করে তুলব।’

তিনি বলেন, ‘আমাদের লক্ষ্য ছিল, কোনো ডিভাইসের মাধ্যমে এটাকে সর্বসাধারণের ব্যবহাপযোগী করে তোলা। হেকাপের আওতায় কাজটি চলছিল, পরে হিট আসার কথা ছিল। সেভাবে প্রস্তুতিও নিয়েছি আমরা। পরবর্তী প্রজেক্ট পেলে আমরা বাকি কাজ করে ফেলতে পারব।’

প্রকল্পটি একেবারে বন্ধ হয়নি জানিয়ে তিনি বলেন, ‘কাজ আমাদের মতো করে চলছে।’

রোবট রিবো

২০১১ সাল থেকে শাবির তৎকালীন অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও শিক্ষার্থী নওশাদ সজীব উদ্যোগে ১১ জনের একটি দল রোবট নিয়ে কাজ শুরু করে।

২০১৫ সালে বার্ষিক সায়েন্স ফিকশন ফেস্টিভ্যালে প্রদর্শনের জন্য বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি রোবোসাস্টকে মানবসদৃশ রোবট তৈরির করতে ১ লাখ টাকা অনুদান দেয়। দলটি বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো মানবসদৃশ রোবট তৈরি করে, যার নাম দেয়া হয় ‘রিবো’।

রোবটটি ২৪ ডিগ্রি কোণে স্বাধীনভাবে ঘুরতে, নাচতে, মুখের অঙ্গভঙ্গির প্রকাশ, হ্যান্ডশেক, হাত উপর-নিচে তোলা, বাংলায় কথা বলা, এমনকি নিজের নামও বলতে পারত। বাংলাদেশ ও মহান মুক্তিযুদ্ধ নিয়ে যে কোনো প্রশ্নের উত্তর দিতে পারত।

রোবটটি তৈরিতে নেতৃত্ব দেয়া শাবির সিএসই বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী নওশাদ সজীব বর্তমানে বিদেশে রয়েছেন।

দলের সদস্য মেহেদী হাসান রূপক বলেন, ‘আমরা ঢাকায় প্রোগ্রাম করেছিলাম। সেখানে আইসিটি প্রতিমন্ত্রীও ছিলেন। তিনি বলেছিলেন ফান্ডিং করবেন। আমরা তখন উনাকে একটা আবেদনপত্রও দিয়েছিলাম। পরে করোনা ও জনবল সংকটে আর এগোতে পারিনি। এর মধ্যে আমাদেরও পড়ালেখা শেষ হয়ে যায়।’

সার্বিক বিষয়ে জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ে উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. কবির হোসেন বলেন, ‘এই উদ্ভাবনগুলোর বর্তমান অবস্থার বিষয়ে আমি খোঁজখবর নেব। প্রয়োজনে সরকারের উচ্চ পর্যায়েও আমরা কথা বলব।’

উপাচার্যের সঙ্গে কথা বলে দ্রুত কর্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে আশ্বাস দেন তিনি।

মন্তব্য

শিক্ষা
Vijay Mehdi is in charge of binding job unit

বাঁধন জবি ইউনিটের দায়িত্বে বিজয়-মেহেদী

বাঁধন জবি ইউনিটের দায়িত্বে বিজয়-মেহেদী বাঁধনের জবি ইউনিটের কার্যকরী কমিটিতে আইন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের এনামুল হক বিজয়কে সভাপতি ও গণিত বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের মো. মেহেদী হাসানকে সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে। কোলাজ: নিউজবাংলা
নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘বাঁধন একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এখানে সাংগঠনিক পরিচয়ের চেয়ে কাজ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে বাঁধনের হয়ে সেবার জন্য কাজ করে যাব।’

স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন ‘বাঁধন’ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ইউনিটের কার্যকরী কমিটি গঠন হয়েছে।

কমিটিতে আইন বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের এনামুল হক বিজয়কে সভাপতি ও গণিত বিভাগের একই শিক্ষাবর্ষের মো. মেহেদী হাসানকে সাধারণ সম্পাদক এবং জোনাল প্রতিনিধি হিসেবে ইসলামিক স্টাডিজ বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী মো. রবিউল ইসলাম দায়িত্ব পেয়েছেন।

বাঁধন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ইউনিট থেকে সোমবার পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

নবগঠিত এ কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন সহসভাপতি নাদীয়া আক্তার ও মো. তাসলিমুল ইসলাম, সহ-সাধারণ সম্পাদক নিয়াজ মৃধা, সাংগঠনিক সম্পাদক হাসিবুজ্জামান রিক, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক বাঁধন মাহমুদ, কোষাধ্যক্ষ শেখ রেদওয়ানুল করিম, দপ্তর সম্পাদক শাহরিয়ার ইমন, প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক উম্মে মাবুদা, তথ্য ও শিক্ষা সম্পাদক মোছাম্মৎ রিমা ইসলাম।

এ ছাড়াও কার্যনির্বাহী সদস্য হিসেবে রয়েছেন মেহনাজ নাসা, শিহাব আলী, আশফাকুর রহমান, মো. আ. হামিদ, ফারহান ইসরাক, সাবিকুন্নাহার, মো. সুজন, মেহেদী হাসান জনি, মাওয়া লিসা, শরিফা আক্তার পান্না, সজিব মিয়া, বাশার আলী, আবু জর গিফারী, আসিব রহমান, হৃদয় বিশ্বাস, কামরুজ্জামান মিঠু, আলিফ, রিয়াদ হোসেন, শাহিনুর রহমান শাহিন, মাসুম আলী, আবু হাশেম, কাউসার, মাসুমা আক্তার, মো. বায়েজিদ হাসান, জান্নাত মেহবুবা।

নবগঠিত কমিটির সভাপতি এনামুল হক বিজয় বলেন, ‘বাঁধনের মূল কাজ স্বেচ্ছাসেবী হিসেবে বিনা মূল্যে রক্তদান করা এবং রক্তদাতাদের উৎসাহী করে গড়ে তুলা। বাঁধন জবি ইউনিট যাতে এই কাজে আরও বেশি অবদান রাখতে পারে, সেই অনুযায়ী কাজ করে যাব।’

নবগঠিত কমিটির সাধারণ সম্পাদক মো. মেহেদী হাসান বলেন, ‘বাঁধন একটি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন। এখানে সাংগঠনিক পরিচয়ের চেয়ে কাজ করাটা গুরুত্বপূর্ণ। নিজের সর্বোচ্চটুকু দিয়ে বাঁধনের হয়ে সেবার জন্য কাজ করে যাব।

‘আরও বেশি শিক্ষার্থী যাতে বিনা মূল্যে রক্তদানে উৎসাহী হয় এবং কেউ যাতে রক্তের অভাবে বিপদগ্রস্ত না হয়, সে জন্য সর্বাত্মক চেষ্টা করে যাব।’

‘একের রক্ত অন্যের জীবন, রক্তই হোক আত্মার বাঁধন’ স্লোগানে ১৯৯৭ সালের ২৪ অক্টোবর স্বেচ্ছায় রক্তদাতাদের সংগঠন ‘বাঁধন’ যাত্রা শুরু করে। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০০৬ সালের ২ মে থেকে স্বেচ্ছাসেবী সংগঠনটির কার্যক্রম শুরু হয়।

আরও পড়ুন:
মেঘনা পিইটি ইন্ডাস্ট্রিজের পরিচালক হলেন জবির শিক্ষক শেখ মাশরিক
জবির নতুন ক্যাম্পাসের ঘাট-ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
পৌনে ২০০ বছরের স্কুলের ভবন ভেঙে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ
জবিতে হিযবুত তাহরীরের লিফলেট বিতরণের সময় ঢাবি ছাত্র আটক
বেঙ্গালুরু আন্তর্জাতিক চলচ্চিত্র উৎসবের জুরি বোর্ড প্রধান বাঁধন

মন্তব্য

শিক্ষা
Laying the foundation stone of Ghat Bhawan of Jabis new campus

জবির নতুন ক্যাম্পাসের ঘাট-ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন

জবির নতুন ক্যাম্পাসের ঘাট-ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
রোববার কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম এসব নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) নতুন ক্যাম্পাসে ‘পরিকল্পনা ও প্রকৌশল ভবন’ নির্মাণ এবং ‘ঘাট’ নির্মাণের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করা হয়েছে।

রোববার কেরানীগঞ্জের তেঘরিয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সাদেকা হালিম এসব নির্মাণ কাজের ভিত্তি প্রস্তর স্থাপন করেন।

কেরানীগঞ্জে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য যে জায়গাটা দেয়া হয়েছে তাতে কাঠামোগত যে স্থবিরতা ও প্রতিবন্ধকতা রয়েছে প্রধানমন্ত্রী এবং শিক্ষামন্ত্রীর সাথে আলোচনার মাধ্যমে দ্রুত সমাধান করার আহ্বান জানান উপাচার্য ড. সাদেকা হালিম।

তিনি বলেন, “জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় একাডেমিকভাবে যেভাবে এগিয়ে রয়েছে ঠিক অবকাঠামোগতভাবে ততটা পিছিয়ে আছে। আর এ কারণেই আমাদের প্রধানমন্ত্রী সীমিত সম্পদের মধ্যে থেকেও জবির জন্য এতো বিশাল জমির ব্যবস্থা করে দিয়েছেন কারণ তিনি শিক্ষানুরাগী, গবেষণায়, নারীর ক্ষমতায়নে বিশ্বাসী, বৈষম্যহীন সমাজ এবং অসাম্প্রদায়িক বাংলাদেশ প্রতিষ্ঠায় বদ্ধপরিকর।”

এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মো. হুমায়ুন কবীর চৌধুরী, বিভিন্ন অনুষদের ডিন, ইনস্টিটিউটের পরিচালক, বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ, প্রক্টর, শিক্ষক সমিতির সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, প্রধান প্রকৌশলী, প্রকল্প পরিচালক সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
পৌনে ২০০ বছরের স্কুলের ভবন ভেঙে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ
জবিতে হিযবুত তাহরীরের লিফলেট বিতরণের সময় ঢাবি ছাত্র আটক
জবির প্রক্টরিয়াল বডিতে নতুন দুই মুখ

মন্তব্য

p
উপরে