× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
71 percent failed in Chabirs B unit admission test
google_news print-icon

চবির ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৭১ শতাংশই ফেল

চবির-বি-ইউনিটের-ভর্তি-পরীক্ষায়-৭১-শতাংশই-ফেল
চবির বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৭১ শতাংশই ফেল। ছবি: নিউজবাংলা
‘বি’ ইউনিট ভর্তি কমিটির সমন্বয়ক এবং কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাহবুবুল হক বলেন, ‘মঙ্গলবার দুপুরে ফলাফল প্রকাশ করেছি। ৪২ হাজার ১৯০টি ওএমআর শিট প্রসেস করেছি। পরীক্ষায় পাশের হার ২৯ দশমিক ২৮ শতাংশ। মোট পাস করেছে ১২ হাজার ৩৫৫ জন। পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর ১০২ দশমিক ২৫।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথমবর্ষের ‘বি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল প্রকাশ হয়েছে। ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষায় ৭১ শতাংশ শিক্ষার্থীই ফেল করেছেন।

মঙ্গলবার দুপুর দেড়টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইট ও ফেইসবুক ভেরিফাইড পেইজে ফলাফল প্রকাশ করা হয়।

এবারের ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষায় পাস করেছেন ১২ হাজার ৩৫৫ জন। ন্যূনতম ৪০ নম্বর না পেয়ে ফেল করেছেন ২৯ হাজার ৮৩৫ শিক্ষার্থী। মোট পরীক্ষা দিয়েছিল ৪২ হাজার ১৯০ জন।

‘বি’ ইউনিট ভর্তি কমিটির সমন্বয়ক এবং কলা ও মানববিদ্যা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মাহবুবুল হক নিউজবাংলাকে এসব তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘মঙ্গলবার দুপুরে ফলাফল প্রকাশ করেছি। ৪২ হাজার ১৯০টি ওএমআর শিট প্রসেস করেছি। পরীক্ষায় পাশের হার ২৯ দশমিক ২৮ শতাংশ। মোট পাস করেছে ১২ হাজার ৩৫৫ জন। পরীক্ষায় সর্বোচ্চ নম্বর ১০২ দশমিক ২৫।

চবির ‘বি’ ইউনিটে বাংলা, ইংরেজি, সাধারণ জ্ঞান এর ওপর ১০০ নম্বরের নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষা হয়। জিপিএর ওপর আরও ২০ নম্বর হিসাব করে মোট ১২০ নম্বরের ওপর ফলাফল তৈরি করা হয়। প্রতিটি ভুল নম্বরের জন্য কাটা হয় দশমিক ২৫ নম্বর। পরীক্ষায় কোনো লিখিত অংশ ছিল না। দ্বিতীয় বার পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের মোট নম্বর থেকে ৫ নম্বর কাটা হবে।

আরও পড়ুন:
শাটল ট্রেনের শিডিউল বিপর্যয়, দেরিতে শুরু চবির ভর্তি পরীক্ষা
চবির এ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ৪৫ শতাংশ পাস
ভর্তি পরীক্ষা ঘিরে নৈরাজ্য, প্রতিবাদে চবিতে ছাত্রলীগের তালা
চবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৬ মে
ছয় মাস পর ক্লাসে ফিরছেন চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
DU admission war starts on Friday

ঢাবিতে ভর্তিযুদ্ধ শুরু

ঢাবিতে ভর্তিযুদ্ধ শুরু ঢাবির ভর্তি পরীক্ষার একটি কেন্দ্র। ফাইল ছবি
বেলা ১১টা থেকে ঢাকাসহ দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে শুরু হয় কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষা। চলবে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) এবারের ভর্তিযুদ্ধ।

ইউনিটটির আগের নাম ‘খ’ ইউনিট। সম্প্রতি প্রতিটি ইউনিটের নাম পরিবর্তন করেছে ঢাবি।

সাপ্তাহিক ছুটির দিন শুক্রবার বেলা ১১টা থেকে ঢাকাসহ দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে শুরু হয় এ ইউনিটের পরীক্ষা। পরীক্ষা চলবে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

আসন, আবেদনকারী ও কেন্দ্র

ইউনিটটিতে আসনের সংখ্যা দুই হাজার ৯৩৪টি। এর বিপরীতে ১ লাখ ২২ হাজার ২৭৯ জন শিক্ষার্থীর আবেদন জমা পড়েছে। যদি আবেদন করা সবাই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়, তখন প্রতিটি আসনের বিপরীতে লড়তে হবে ৪২ জন শিক্ষার্থীকে।

ঢাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বেলা সোয়া ১১টার দিকে ঢাবির সামাজিক বিজ্ঞান ভবন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

ঢাকা বিভাগের পরীক্ষা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে, চট্টগ্রাম বিভাগের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে, রাজশাহী বিভাগের রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে, খুলনা বিভাগের খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ে, সিলেট বিভাগের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে, রংপুর বিভাগের বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে, বরিশাল বিভাগের বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ে ও ময়মনসিংহ বিভাগের পরীক্ষা বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

এ বছর ৮০টি কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এবারের ভর্তি পরীক্ষায় চারটি ইউনিটে আসনসংখ্যা ৫ হাজার ৯৬৫টি। এসব আসনের বিপরীতে ২ লাখ ৭৮ হাজার ৯৯৬ জন শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।

ইউনিটের সংখ্যা ও নাম পরিবর্তন

আগে পাঁচ ইউনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও গত বছর থেকে শুধু চারটি ইউনিটেই হচ্ছে এ পরীক্ষা। বাদ দেয়া হয়েছে আগের ‘ঘ’ ইউনিট।

গত বছর ইউনিটগুলোর নামও পরিবর্তন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

আগের ‘ক’ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে বিজ্ঞান ইউনিট। ‘খ’ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট, ‘গ’ ইউনিটের নাম বদলে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট এবং ‘চ’ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে চারুকলা ইউনিট করা হয়েছে।

নম্বর বণ্টন

প্রতিটি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষার সময় দেড় ঘণ্টা। এর মধ্যে চারুকলা ইউনিট ছাড়া বাকি সব ইউনিটে ৬০ নম্বরের বহুনির্বাচনি ও ৪০ নম্বরের লিখিত পরীক্ষা হবে। শুধু চারুকলা ইউনিটের পরীক্ষায় ৪০ নম্বরের বহুনির্বাচনি ও ৬০ নম্বরের অংকন পরীক্ষা ছিল। এই ইউনিটে (চারুকলা) বহুনির্বাচনি পরীক্ষার জন্য ৩০ মিনিট ও অংকন পরীক্ষার জন্য ৬০ মিনিট সময় থাকবে।

আর অন্যান্য ইউনিটের বহুনির্বাচনি পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট ও লিখিত পরীক্ষার জন্য ৪৫ মিনিট সময় থাকবে।

ভর্তি পরীক্ষায় ১২০ নম্বরের ভিত্তিতে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়ন করা হবে। এর মধ্যে ভর্তি পরীক্ষায় ১০০ এবং এসএসসি বা সমমান ও উচ্চমাধ্যমিক বা সমমান পরীক্ষার ফলের ওপর থাকবে ২০ নম্বর।

কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের পর ২৪ ফেব্রুয়ারি ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট, ১ মার্চ বিজ্ঞান ইউনিট এবং ৯ মার্চ চারুকলা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে গত ১৮ ডিসেম্বর থেকে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির আবেদন শুরু হয়। ৫ জানুয়ারি পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা আবেদন করতে পেরেছেন।

আরও পড়ুন:
মেয়াদ শেষ হওয়ার ২ মাস পর পূর্ণাঙ্গ হলো ঢাবি ছাত্রলীগের কমিটি
এসএসসির প্রথম দিন অনুপস্থিত ১৯৩৫৯, বহিষ্কার ২৫
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু আজ
যৌন নিপীড়নের অভিযোগ: বাধ্যতামূলক ছুটিতে ঢাবি অধ্যাপক জুনাইদ
সৈয়দপুরের এক কলেজ থেকে মেডিক্যালে সুযোগ ৫১ শিক্ষার্থীর

মন্তব্য

শিক্ষা
University cannot be considered in fragmented phase
বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিবসে অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী

খণ্ডিত পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়কে বিবেচনা করা যাবে না

খণ্ডিত পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়কে বিবেচনা করা যাবে না বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয়ের শোভাযাত্রা। ছবি: নিউজবাংলা
ইউজিসির সাবেক এ চেয়ারম্যান বলেন, ‘বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিশ্ববিদ্যালয়টিকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এর মান রক্ষার দায়িত্ব এখানকার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের।

কোনো খণ্ডিত পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়কে বিবেচনা করা যাবে না জানিয়ে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) সাবেক চেয়ারম্যান ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ কে আজাদ চৌধুরী বলেছেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় যখন সৃষ্টি হয় তখন তার জ্ঞানের কোনো পরিসীমা থাকবে না। একটি বিশ্ববিদ্যালয় বিশ্বের যে প্রান্তেই সৃষ্টি হোক না কেন, তার কাজ হচ্ছে জ্ঞানের প্রজ্বলন করা, জ্ঞান সৃষ্টি করা। মানবতার উন্নয়ন ঘটিয়ে অনেক উচ্চস্তরের সমাজ গড়ে তোলা।’

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৩তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

তিনি বলেন, ‘বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের বিশ্ববিদ্যালয়। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্ন পূরণে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এ বিশ্ববিদ্যালয়টিকে প্রতিষ্ঠা করেছিলেন। এর মান রক্ষার দায়িত্ব এখানকার শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্ট সকলের।

‘সকলের ঐকান্তিক প্রচেষ্টায় বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় একদিন নিজেকে নিয়ে যাবে ঈর্ষান্বিত পর্যায়ে, যাতে আমরা গর্ব করে বিশ্ববাসীকে বলতে পারি, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশের বিশ্ববিদ্যালয়।’

খণ্ডিত পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়কে বিবেচনা করা যাবে না

ববি উপাচার্য (চলতি দায়িত্ব) অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ বদরুজ্জামান ভূঁইয়ার সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিলের সদস্য অধ্যাপক ড. গুলশান আরা লতিফা এবং বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের কমিশনার জিহাদুল কবির।

অন্যান্যদের মধ্যে আরও বক্তব্য রাখেন ববি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ড. মোহাম্মদ আবদুল বাতেন চৌধুরী, কলা ও মানবিক অনুষদের ডিন এবং ইংরেজি বিভাগের চেয়ারম্যান মোহাম্মদ তানভীর কায়ছার, বঙ্গবন্ধু হলের প্রভোস্ট আরিফ হোসেন, শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ড. তারেক মাহমুদ আবীর, অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি বাহাউদ্দিন গোলাপ, গ্রেড ১১-১৬ কল্যাণ পরিষদের সাধারণ সম্পাদক নূরউদ্দিন এবং গ্রেড ১৭-২০ কল্যাণ পরিষদের সভাপতি আরিফ সিকদার।

রেজিস্ট্রার মনিরুল ইসলামের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগীয় প্রধান, প্রক্টর, প্রভোস্ট, পরিচালক, শিক্ষকমণ্ডলী, শিক্ষার্থীবৃন্দ, দপ্তরপ্রধান, কর্মকর্তা, কর্মচারীসহ অন্যান্য অতিথিবৃন্দ এবং গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিবর্গ উপস্থিত ছিলেন।

খণ্ডিত পর্বে বিশ্ববিদ্যালয়কে বিবেচনা করা যাবে না

এর আগে, বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে সকাল ১১টায় প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও উপাচার্য বেলুন ফেস্টুন উড়িয়ে বিশ্ববিদ্যালয় দিবসের উদ্বোধন করেন। এরপর জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন প্রধান অতিথি, বিশেষ অতিথি ও উপাচার্যসহ অন্যান্যরা।

দিবসটি উপলক্ষে বেলা সাড়ে ১১টায় আনন্দ শোভাযাত্রা বের করে বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় পরিবার। শোভাযাত্রাটি বিশ্ববিদ্যালয় সংলগ্ন বরিশাল-পটুয়াখালী মহাসড়ক প্রদক্ষিণ শেষে মুক্তমঞ্চে এসে শেষ হয়।

বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় দিবস-২০২৪ উপলক্ষে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের উদ্যোগে এদিন সকাল ১০টায় প্রশাসনিক ভবন-১-এর নিচতলা অনুষ্ঠিত হয় স্বেচ্ছায় রক্তদান কর্মসূচি।

মন্তব্য

শিক্ষা
DU student arrested while distributing Hizbut Tahrir leaflets at Jabi

জবিতে হিযবুত তাহরীরের লিফলেট বিতরণের সময় ঢাবি ছাত্র আটক

জবিতে হিযবুত তাহরীরের লিফলেট বিতরণের সময় ঢাবি ছাত্র আটক আটক অনিক খন্দকার। ছবি: নিউজবাংলা
কোতোয়ালি থানাধীন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই হাসান মাতুব্বর জানান, পালিয়ে যাওয়া হিযবুত তাহরীর অপর দুই সদস্য মুসাইব ও সিফাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। আটক অনিক খন্দকারকে কোতোয়ালি থানায় পাঠানো হয়েছে।

নিষিদ্ধঘোষিত জঙ্গি সংগঠন হিযবুত তাহরীরের এক সদস্যকে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) থেকে আটক করা হয়েছে।

জবি ক্যাম্পাসে বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে লিফলেট ও চিঠি বিতরণের সময় এক শিক্ষকের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে তাকে আটক করা হয়।

আটক অনিক খন্দকার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) মৃত্তিকা, পানি ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ এবং ফজলুল হক মুসলিম হলের আবাসিক ছাত্র।

জবির প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগে লিফলেট বিতরণের সময় তাকে আটক করা হয়। এ বিষয়ে মামলা প্রক্রিয়াধীন। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা বাদী হয়ে মামলাটি করবেন।

এ ধরনের কর্মকাণ্ড জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানিয়েছেন তিনি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর খালেদ সাইফুল্লাহ বলেন, ‘ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের শিক্ষকদের রুমে দরজার নিচে দিয়ে কিছু ছেলে চিঠি দিচ্ছিল। এটা দেখতে পারেন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মিরাজ হোসেন। ওই সময় তিনি কথা বলতে গেলে তারা পালিয়ে যাওয়ার সময় শিক্ষকের তাদের সঙ্গে ধস্তাধস্তির একপর্যায়ে একজনকে আটক করা হয়।’

তিনি জানান, আটক শিক্ষার্থীর কাছ থেকে সরকার বিরোধী লিফলেট, স্টিকার, তাদের সংগঠনের বিভিন্ন বক্তব্য সম্বলিত চিঠি, একটি মোবাইল, ট্রান্সজেন্ডার ও সমকামিতা নিয়ে লেখা একটি ডায়েরি পাওয়া গেছে।

হিজবুল তাহরীর সদস্যকে আটক করা শিক্ষক সমিতির কোষাধ্যক্ষ ও ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক মো. মিরাজ হোসেন জানান, দরজা খুলে তিনজনকে দেখতে পান তিনি, এর মধ্যে একজনকে ধরে প্রক্টরিয়াল বডির হাতে তুলে দেয়া হয়।

কোতোয়ালি থানাধীন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ এস আই হাসান মাতুব্বর জানান, পালিয়ে যাওয়া হিযবুত তাহরীর অপর দুই সদস্য মুসাইব ও সিফাত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ফার্মেসি বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। আটক অনিক খন্দকারকে কোতোয়ালি থানায় পাঠানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
জবির দুই অনুষদে নতুন ডিন
শিক্ষার্থীদের মেধা-অবৈতনিক বৃত্তি দেবে জবি
জবি শিক্ষার্থী খাদিজাকে এক মামলায় অব্যাহতি
পুরান ঢাকার রাসায়নিক কারখানা সরানোর দাবি জবি উপাচার্যের
গুচ্ছে ভর্তি পরীক্ষা নিয়ে জবিশিসের ১০ প্রস্তাব

মন্তব্য

শিক্ষা
The admission war has started in Jabi

জাবিতে ভর্তিযুদ্ধ শুরু

জাবিতে ভর্তিযুদ্ধ শুরু জাবিতে ভর্তি পরীক্ষার একটি কেন্দ্র। ছবি: নিউজবাংলা
সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ‘এ’ ইউনিটভুক্ত গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ এবং ইন্সটিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজির (আইআইটি) পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হয় জাবিতে ভর্তিযুদ্ধ।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে (জাবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হয়েছে, যা চলবে ২৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

সপ্তাহের শেষ কর্মদিবস বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় ‘এ’ ইউনিটভুক্ত গাণিতিক ও পদার্থবিষয়ক অনুষদ এবং ইন্সটিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজির (আইআইটি) পরীক্ষার মধ্য দিয়ে শুরু হয় জাবিতে ভর্তিযুদ্ধ।

বিকেল ৫টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত সর্বমোট ছয়টি পর্বে চলবে এই ইউনিটের পরিক্ষা। এর মধ্যে প্রথম দুই পর্বে ছাত্রীদের ও শেষ চার পর্বে ছাত্রদের পরীক্ষা হবে।

চলতি বছর ‘এ’ ইউনিটে ছাত্রদের ২২৩টি এবং ছাত্রীদের ২২৩টি আসনের বিপরীতে ৩৩ হাজার ৭০৫ জন ছাত্র এবং ১৬ হাজার ৭১১ জন ছাত্রী আবেদন করেছেন।

দ্বিতীয় পর্বের পরীক্ষা পরিদর্শন শেষে উপাচার্য অধ্যাপক ড. নূরুল আলম বলেন, ‘সুন্দর পরিবেশে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। উপস্থিতির হার ৭০ থেকে ৮০ শতাংশ।

‘আমরা এ বছর ভাসমান কোনো দোকান বসতে দেয়নি। এ কারণে ভিড়ও কম আছে। নির্বিঘ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।’

আগামী রোববার (২৫ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় হবে প্রথম পর্বে ‘সি-১’ ইউনিটের পরীক্ষা। পরে সকাল ১০টা ২৫ মিনিট থেকে ‘সি’ ইউনিটের বাকি পর্বের ভর্তি পরীক্ষা শুরু হবে।

আগামী মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) ও বুধবার (২৮ ফেব্রুয়ারি) দুই দিনে চার পর্ব করে ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা হবে। পরবর্তী সময়ে বৃহস্পতিবার (২৯ ফেব্রুয়ারি) সকাল ৯টায় দুটি পর্বে ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা শুরু হবে। পরে বেলা ১১টা ৫০ মিনিটে তৃতীয় পর্বে ইনস্টিটিউট অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশনের (আইবিএ) পরীক্ষা হবে। ওই দিন শেষ দুই পর্বে হবে ‘ই’ ইউনিটের পরীক্ষা।

আরও পড়ুন:
জাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু বৃহস্পতিবার
ভর্তি পরীক্ষার আয়-ব্যয়ের হিসাব সাধারণ শিক্ষকরা জানেন না
যৌন নিপীড়নে অভিযুক্ত জাবি শিক্ষক জনি বরখাস্ত
দাখিল পরীক্ষায় প্রক্সির অভিযোগ, কেন্দ্র সচিবসহ ৫৯ পরীক্ষার্থী আটক
ধর্ষণকারী যৌন নিপীড়কদের বিচার দাবিতে জাবিতে কুশপুত্তলিকা দাহ

মন্তব্য

শিক্ষা
Earlier there was an uproar among teachers at Shaheed Minar after giving flowers

আগে ফুল দেয়া নিয়ে শহীদ মিনারে কুবি শিক্ষকদের হট্টগোল

আগে ফুল দেয়া নিয়ে শহীদ মিনারে কুবি শিক্ষকদের হট্টগোল শহীদ মিনারে ফুল দেয়ার মাঝে হট্টগোলে জড়ান কুবি শিক্ষকরা। ছবি: নিউজবাংলা
২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এফ এম আবদুল মঈন। এরপর শিক্ষক সমিতি, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, ছাত্রলীগ, কর্মকর্তা সমিতি ও কর্মচারী সমিতি ফুল দেয়। তারপর কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়িকে ফুল দেয়ার অনুরোধ জানান উপস্থাপক। এতেই হট্টগোল বাঁধান শিক্ষক সমিতির নেতারা।

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসের প্রথম প্রহরে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কুবি) শহীদ মিনারে ফুল দেয়া নিয়ে হট্টগোল করেছেন শিক্ষক নেতারা।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্র জানিয়েছে, ২১ ফেব্রুয়ারির প্রথম প্রহরে শহীদ মিনারে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. এ এফ এম আবদুল মঈন। এরপর শিক্ষক সমিতি, বঙ্গবন্ধু পরিষদ, ছাত্রলীগ, কর্মকর্তা সমিতি ও কর্মচারী সমিতি ফুল দেয়। তারপর কোটবাড়ি পুলিশ ফাঁড়িকে ফুল দেয়ার অনুরোধ জানান উপস্থাপক নৃবিজ্ঞান বিভাগের প্রভাষক অমিত দত্ত। এতেই হট্টগোল বাঁধান শিক্ষক সমিতির নেতারা।

এ সময় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান এসে প্রথমে অমিত দত্তের কাছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হল বাকি থাকার পরও পুলিশকে ফুল দিতে অনুমতি দেয়ার কারণ জানতে চান এবং পরবর্তীতে একই প্রশ্ন রাখেন অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের কাছে।

অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, ‘আমাদের ছাত্ররা ফুল দেয় নাই, আবাসিক হল ও বিভাগগুলোও ফুল দেয় নাই। এটা কোন ধরনের কালচার? তারা (পুলিশ) অবশ্যই ফুল দেবেন, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পর ফুল দেবেন।’

অপরদিক থেকে অধ্যাপক ড. কাজী মোহাম্মদ কামাল উদ্দিন আঙুল তুলে বলেন, ‘এই আয়োজনের আহ্বায়ক কে? ওরে কান ধরে উঠবস করাও।’

এরপর তিনি অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমানের দিকে আঙুল তুলে বলেন, ‘আপনি হলের প্রভোস্ট ছিলেন না? আপনার লজ্জা করে না? আপনি বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের কাছে ক্ষমা চান।’

এরপর কুবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক সহযোগী অধ্যাপক মেহেদী হাসান বলেন, ‘আপনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অপমান করে বাইরের সংগঠনকে আনবেন। তারপর দোকান মালিক সমিতিকে আনবেন, ভূমিদস্যু আনবেন- এইসব আপনাদের কাজ? এইসব করার জন্য আপনারা বিশ্ববিদ্যালয়ের দায়িত্ব নিয়েছেন? আপনাকে যদি কেউ নির্দেশ দিয়ে থাকে তাহলে তার নাম বলতে হবে।’

তখন আবার অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের বলেন, ‘প্রক্টর কোথায়? প্রক্টর বিষয়টা এড়াতে পারেন না।’

এরপর অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মিজানুর রহমান বলেন, ‘আমি শুরু থেকেই তাদের আগে দিতে রাজি হইনি।’

আহ্বায়কের এই কথা শুনে তখন শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদকসহ বেশ কয়েকজন শিক্ষকের মুখ থেকে শুনতে পাওয়া যায়, ‘তাহলে কার নির্দেশে এটা হয়েছে? আপনি কার নির্দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের অপমান করেছেন? এটা সবার সামনে বলতে হবে।’

প্রত্যুত্তরে অনুষ্ঠানের আহ্বায়ক বলেন, ‘এটা নিয়ে আমরা আর তর্ক না করি। বিভাগ এবং হলগুলোর আগে তাদের (পুলিশ ফাঁড়ি) ফুল দেয়ার বিষয়ে আমাদের প্রশাসনিকভাবে ভুল হয়েছে। এই বিষয় নিয়ে আমরা পরবর্তীতে আলোচনা করব। এই মুহূর্তে এখানে এটা আলোচনার বিষয় নয়।’

এদিকে হট্টগোলের একটি ভিডিও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমেও ছড়িয়ে পড়েছে।

সেই ভিডিওতে দেখা যায়, মঞ্চের এক পাশে উপাচার্য ও প্রক্টর বসে আছেন। পাশে ছিলেন অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ড. মিজানুর রহমান।

একপর্যায়ে নবনির্বাচিত শিক্ষক সমিতির নেতারা চারপাশে ঘিরে ধরে উত্তেজিত হয়ে পড়েন। তারা জানতে চান, হলের ছাত্ররা আগে ফুল না দিয়ে কেন পুলিশকে সুযোগ দেয়া হলো? এ ঘটনায় উত্তেজিত শিক্ষক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ড. আবু তাহের অনুষ্ঠানের আয়োজক কমিটির আহ্বায়ককে ক্ষমা চাইতে বলেন।

সমিতির সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসানকেও আঙ্গুল নাড়িয়ে উত্তেজিত হয়ে কথা বলতে দেখা যায় ভিডিওতে। উত্তেজিত দেখা যায় সমিতির সহ-সভাপতি কাজী মো. কামাল উদ্দিনকেও।

এ বিষয়ে নবনির্বাচিত শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবু তাহের বলেন, ‘পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ দ্বিতীয় শ্রেণির কর্মকর্তা। বিশ্ববিদ্যালয়ে অনেক বড় বড় কর্মকর্তা আছেন, হলের ছাত্ররা আছেন। বিষয়টি শিক্ষক-ছাত্ররা আমাকে জানালে আমি নিজেও সামান্য উত্তেজিত হই।’

অনুষ্ঠান আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক ড. মিজানুর রহমান বলেন, ‘পুলিশ সবসময় ডিউটিতে থাকে। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তার দায়িত্বও পালন করে। তাই তাদের এক ফাঁকে সুযোগ দেয়া হয়েছিল।’

তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের কোথাও এমন কিছু লেখা নেই যে, পুলিশ আগে ফুল দিতে পারবে না। তারা ফুল দিয়ে ডিউটিতে চলে যেতেন। তাদের সঙ্গে এমন আচরণ করা ঠিক হয়নি।’

মন্তব্য

শিক্ষা
General teachers do not know the income expenditure calculation of admission test
চবি শিক্ষক সমিতির অভিযোগ

ভর্তি পরীক্ষার আয়-ব্যয়ের হিসাব সাধারণ শিক্ষকরা জানেন না

ভর্তি পরীক্ষার আয়-ব্যয়ের হিসাব সাধারণ শিক্ষকরা জানেন না বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির কার্যালয়ে মঙ্গলবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক সমিতির নেতারা প্রশাসনের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ করেন। ছবি: নিউজবাংলা
চবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল হক বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ব্যক্তি হিসেবে উপাচার্য ও সহ-উপাচার্যসহ অপর কয়েকজন সুবিধাভোগী শিক্ষক কর্তৃক ক্যাম্পাসে একটি ছাত্র সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও উপপক্ষসমূহের মধ্যকার সংঘর্ষের দায় শিক্ষক সমিতির আন্দোলন কিংবা শিক্ষক সমিতির ওপর চাপানোর প্রচেষ্টা আমাদের হতবাক করেছে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) ভর্তি পরীক্ষার আয়-ব্যয়ের হিসাব উপস্থাপনের দাবি জানিয়েছে চবি শিক্ষক সমিতি।

ছাত্রলীগের বিভিন্ন পক্ষের সংঘর্ষ থামাতে উপাচার্য ও তার প্রশাসন নজিরবিহীনভাবে ব্যর্থ বলেও অভিযোগ করেছে সংগঠনটি।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির কার্যালয়ে মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষক সমিতির নেতারা উল্লিখিত কথা বলেন।

এর আগে ২২ ফেব্রুয়ারি সংবাদ সম্মেলন করে উপাচার্য ও উপ-উপাচার্যের পদত্যাগ দাবিতে শিক্ষক সমিতির কর্মসূচিকে ‘একাংশের কর্মকাণ্ড’ আখ্যা দিয়ে এ আন্দোলনের মাধ্যমে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করার অভিযোগ তোলেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতার। একই সঙ্গে একটি ছাত্র সংগঠনের বিভিন্ন উপপক্ষের সংঘর্ষের জন্য শিক্ষক সমিতির আন্দোলনকে দায়ী করেন তিনি।

এরই প্রতিবাদে মঙ্গলবার আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে চবি শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল হক বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের মতো একটি ঐতিহ্যবাহী উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সর্বোচ্চ ব্যক্তি হিসেবে উপাচার্য ও সহ-উপাচার্যসহ অপর কয়েকজন সুবিধাভোগী শিক্ষক কর্তৃক ক্যাম্পাসে একটি ছাত্র সংগঠনের অভ্যন্তরীণ কোন্দল ও উপপক্ষসমূহের মধ্যকার সংঘর্ষের দায় শিক্ষক সমিতির আন্দোলন কিংবা শিক্ষক সমিতির ওপর চাপানোর প্রচেষ্টা আমাদের হতবাক করেছে।

‘বিশেষ করে প্রকাশ্যে লাগাতার সংঘর্ষে লিপ্ত একটি ছাত্র সংগঠনের নাম পর্যন্ত উচ্চারণ না করে তাকে ছাত্রদের মধ্যকার সংঘর্ষ আখ্যা দিয়ে তার দায় শিক্ষক সমিতির ওপর চাপানোর এই অপচেষ্টা তাদের চরম প্রশাসনিক দেউলিয়াত্বকে প্রমাণ করে বলে শিক্ষক সমিতি মনে করে।’

তিনি বলেন, ‘সংবাদ সম্মেলনে উপাচার্য দাবি করেছেন, আমাদের ২৬ দফা দাবির অধিকাংশ পূরণ হয়েছে। এটা চরম মিথ্যাচার। তিনি মাত্র দুইটা দাবি পূরণ করেছেন। তিনি সেদিন শিক্ষক সমিতির নামে যেসব অভিযোগ তুলেছেন, তা বিভ্রান্তিকর, হঠকারী এবং জাতিকে বিভ্রান্ত করার অপচেষ্টা।’

ওই সময় সাধারণ সম্পাদক শিক্ষক সমিতির উত্থাপিত ২৬ দফা দাবি সাংবাদিকদের সামনে তুলে ধরেন। একই সঙ্গে কোন কোন দাবি এখনও পূরণ হয়নি, সে বিষয়ে ব্যাখ্যা দেন।

গত ১৮ ফেব্রুয়ারি জাতীয় সংসদের অধিবেশনে ভর্তি পরীক্ষার ফরম বিক্রির কোটি কোটি টাকা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) উপাচার্যসহ শিক্ষক ও একটি সংগঠনের ভাগাভাগি করে নেয়ার বিষয়টিকে আইনের চরম লঙ্ঘন বলে মন্তব্য করেন জাতীয় পার্টির মহাসচিব ও বিরোধী দলের চিফ হুইপ মুজিবুল হক চুন্নু।

সংবাদ সম্মেলনে এ সংক্রান্ত বিষয়েও কথা বলেন শিক্ষক সমিতির নেতারা।

সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. মুস্তাফিজুর রহমান ছিদ্দিকী বলেন, ‘এ অভিযোগের কারণে টাকা ভাগাভাগির দায় বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ শিক্ষকদের ওপরেও এসে পড়েছে। অথচ এসবের সঙ্গে শুধু প্রশাসনের কর্তাব্যক্তিরাই জড়িত থাকতে পারে। কেননা সাধারণ শিক্ষকরা আয়-ব্যয়ের হিসাবও জানেন না, ভাগ-বাঁটোয়ারার হিসাব তো অনেক দূরের বিষয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘কর্তৃপক্ষ বলছে, ভর্তি পরীক্ষার যে আয়, এর চেয়ে বেশি ব্যয় হয়। আমরা বলেছি যদি ঘাটতি থাকে, তাহলে প্রয়োজনে আমরা হল পরিদর্শনের যে সম্মানি দেয়া হয়, সেটা আমরা নেব না, কিন্তু আয়-ব্যয়ের হিসাবটা যেই সভায় আপনারা নির্ধারণ করেন, সেখানে শিক্ষক সমিতির একজন সদস্যকে রাখুন। তাহলে শিক্ষকদের প্রতিনিধি হিসেবে আমরা বাকিদের কাছে সঠিক তথ্যটা পৌঁছে দেব, কিন্তু তারা এতে রাজি হননি।’

শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আবদুল হক বলেন, ‘উপাচার্য নিজের পরিদর্শন ভাতা ৫০ শতাংশ বৃদ্ধি করেছেন, অথচ সাধারণ শিক্ষকদের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের দাবির প্রেক্ষিতে মাত্র ৫ শতাংশ পরিদর্শন ভাতা বাড়ানো হয়েছে। এ ছাড়া ভর্তি পরীক্ষায় আয় হয়েছে প্রায় ২১ থেকে ২৩ কোটি টাকা। সেখানে আমরা হিসাব করে দেখলাম, খুব বেশি হলে এখানে ৭-৮ কোটি টাকার বেশি খরচ হওয়ার কোনো সুযোগই নেই।

‘তাহলে এ অর্থ কোথায় যাচ্ছে? এ টাকা কোন খাতে ব্যয় করছেন, সেটা যদি সবার সামনে তুলে না ধরেন, তাহলে শিক্ষকদের ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন হবে।’

আরও পড়ুন:
চবিতে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ থামছেই না, এবার পুলিশসহ আহত ১৩
ফের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র চবি, আহত ৭
এসএসসির প্রথম দিন অনুপস্থিত ১৯৩৫৯, বহিষ্কার ২৫
চবি ছাত্রলীগে দফায় দফায় সংঘর্ষ, আহত ১৫
এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু আজ

মন্তব্য

শিক্ষা
Clash between two groups of Pabiprabi officials over giving flowers

ফুল দেয়া নিয়ে পাবিপ্রবি কর্মকর্তাদের দুই গ্রুপে হাতাহাতি

ফুল দেয়া নিয়ে পাবিপ্রবি কর্মকর্তাদের দুই গ্রুপে হাতাহাতি বুধবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের শহীদ মিনারে ফুল দিতে গেলে এ হাতাহাতির ঘটনা ঘটে। ছবি: নিউজবাংলা
হাতাহাতি চলাকালে দুই নারী কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে কর্মকর্তাদের এক পক্ষ।

মহান একুশে ফেব্রুয়ারি আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ও শহীদ দিবসে শহীদ মিনারে ফুল দেয়াকে কেন্দ্র করে পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (পাবিপ্রবি) কর্মকর্তাদের দুই গ্রুপের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তির ঘটনা ঘটেছে।

হাতাহাতি চলাকালে দুই নারী কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনার বিচারের দাবিতে কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছে কর্মকর্তাদের এক পক্ষ।

বুধবার সকাল সোয়া ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় চত্বরের শহীদ মিনারের সামনে এ ঘটনা ঘটে। ঘটনার সুষ্ঠু বিচার ও নিরাপত্তা চেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বরাবর লিখিত অভিযোগ দিয়েছে এক পক্ষ।

প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাতে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন নিউজবাংলাকে জানায়, ‘পাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন’ নামে কর্মকর্তাদের একটি সংগঠন নিয়ে তাদের মধ্যে গ্রুপিং হয়। সম্প্রতি একটি গ্রুপ ‘পাস্ট ডিরেক্ট রিক্রুটেড অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন’ নামে আরেকটি সংগঠন তৈরি করে। এ নিয়েই দুই গ্রুপের মধ্যে উত্তেজনা চলছিল।

মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে দুই গ্রুপ মুখোমুখি হয়। প্রথমে পাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন প্রথমে শ্রদ্ধা নিবেদন করে। পরবর্তীতে পুষ্পার্ঘ নিয়ে শহীদ মিনারের সামনে যায় নতুন সংগঠনের নেতা-কর্মীরা। তাদের শ্রদ্ধাঞ্জলিতে পাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতাদের বাধা দেয়ার অভিযোগ ওঠে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন আরও জানায়, ওই গ্রুপের সঙ্গে থাকা পুষ্পার্ঘ ও প্যানা ছিনিয়ে নেন পাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। ফলে পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে ওঠে। মুহূর্তের মধ্যেই উভয়পক্ষের মধ্যে হাতাহাতি ও ধস্তাধস্তি শুরু হয়ে যায়।

ধস্তাধস্তি চলাকালে নতুন সংগঠনের দুই নারী সদস্যকে লাঞ্ছিত করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি শান্ত ও স্বাভাবিক হয়।

পাস্ট ডিরেক্ট রিক্রুটেড অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের আহ্বায়ক জিএম শামসাদ ফখরুল ও সদস্য সচিব রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ফুল নিয়ে শহীদ মিনারের সামনে যাওয়ার পরপরই কর্মকর্তা পরিষদের নেতারা আমাদের বাধা দেন এবং ফুলের তোড়ায় থাকা আমাদের সংগঠনের নাম-সম্বলিত প্যানা ছিনিয়ে নেন। এরপর আমাদের দুই নারী কর্মকর্তাকে লাঞ্ছিত করা হয়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা এ ঘটনার বিচার ও নিরাপত্তা চেয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে লিখিত অভিযোগ দিয়েছি। ঘটনার সুষ্ঠু বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা কর্মবিরতির ঘোষণা দিয়েছি।’

পাবিপ্রবি কর্মকর্তা পরিষদের সভাপতি হারুনুর রশিদ ডন বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মকর্তাদের একটিই সংগঠন রয়েছে। সেটা হচ্ছে পাবিপ্রবি অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন। এছাড়া আর কোনো সংগঠন নেই। একটি পক্ষ প্রায় একই নামে আরেক সংগঠন তৈরি করেছে।’

তিনি বলেন, ‘তারা যেহেতু আমাদের সংগঠনেরই ভোটার, তাই আমরা তাদের বলেছি- একই নাম ব্যবহার না করে অন্য কোনো নামে সংগঠন তৈরি করতে। এসব নিয়েই শুধুমাত্র কথা কাটাকাটি হয়েছে, আর কিছু নয়।’

হাতাহাতি, প্যানা ছিনিয়ে নেয়া ও কর্মকর্তাদের লাঞ্ছিত করার অভিযোগ মিথ্যা বলে দাবি করেন তিনি।

পাবিপ্রবি প্রক্টর ড. কামাল হোসেন বলেন, ‘শহীদ মিনারে ফুল দেয়া নিয়ে কর্মকর্তাদের দুটি সংগঠনের মধ্যে ঝামেলা হয়েছে। একই নামে দুটি সংগঠন হওয়ায় তাদের মধ্যে একটু বাগবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছে। পরে পরিস্থিতি শান্ত হলে দুই পক্ষই শ্রদ্ধা নিবেদন করেছে।’

এ বিষয়ে পাবিপ্রবি রেজিস্ট্রার বিজন কুমার ব্রহ্ম বলেন, ‘শহীদ মিনারে কর্মকর্তাদের দুই গ্রুপের মধ্যে একটা ঝামেলা হয়েছে। আমরা এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগও পেয়েছি। অভিযোগের আলোকে আমরা তদন্ত কমিটি করছি। বিষয়টি নিয়ে আমরা সুষ্ঠু তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করব।’

মন্তব্য

p
উপরে