× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Swapad VC Farid Uddin has not withdrawn the case of Shabi students
hear-news
player
google_news print-icon

স্বপদে শাবি ভিসি ফরিদ উদ্দিন, প্রত্যাহার হয়নি শিক্ষার্থীদের মামলাও

স্বপদে-শাবি-ভিসি-ফরিদ-উদ্দিন-প্রত্যাহার-হয়নি-শিক্ষার্থীদের-মামলাও
অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদ। ফাইল ছবি
‘উচ্চপর্যায়ের’ সেই আশ্বাসের এক বছর পেরিয়েছে এরই মধ্যে। তবে এখন পর্যন্ত পূরণ হয়নি শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবি। স্বপদেই বহাল আছেন উপাচার্য । এ ছাড়া আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে করা একটি মামলাও এখন পর্যন্ত প্রত্যাহার হয়নি। পুলিশের স্পিল্টারে আহত শিক্ষার্থী সজল কুন্ডুর চিকিৎসাব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বহন করছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে।

উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগসহ পাঁচ দফা দাবিতে গত বছর আন্দোলনে নেমেছিলেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে ২৮ শিক্ষার্থী অনশনও শুরু করেন। পরে ২৬ জানুয়ারি ‘সরকারের উচ্চপর্যায়ের আশ্বাসে’ তাদের অনশন ভাঙান এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল। এরপর আন্দোলন স্থগিত করেন শিক্ষার্থীরা।

‘উচ্চপর্যায়ের’ সেই আশ্বাসের এক বছর পেরিয়েছে এরই মধ্যে। তবে এখন পর্যন্ত পূরণ হয়নি শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবি। স্বপদেই বহাল আছেন উপাচার্য । এ ছাড়া আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে করা একটি মামলাও এখন পর্যন্ত প্রত্যাহার হয়নি। পুলিশের স্পিল্টারে আহত শিক্ষার্থী সজল কুন্ডুর চিকিৎসাব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বহন করছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে।

২০২১ সালের জুনে দ্বিতীয় মেয়াদে শাবির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন। তার নির্ধারিত চার বছর মেয়াদ শেষ হবে ২০২৫ সালের জুনে। এই সময়ের মধ্যে উপাচার্যের পদত্যাগে সরকারের ‘আশ্বাস’ বাস্তবায়ন নিয়ে শঙ্কিত খোদ আন্দোলনকারীরাই।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র মোহাইমিনুল বাশার রাজ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের দাবি পূরণ করার আশ্বাস দেয়া হয়েছিল। সেই আশ্বাসেই আমরা আন্দোলন স্থগিত করেছিলাম। কিন্তু এক বছরেও উপাচার্যের পদত্যাগসহ কয়েকটি দাবি পূরণ হয়নি। এগুলো আদৌ পূরণ হবে কি না এ নিয়ে আমরা নিজেরাই শঙ্কিত।’

তিনি বলেন, ‘গত এক বছরে ক্যাম্পাসে একটি ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের নানাভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে। সরকারের তরফ থেকেও আমাদের সঙ্গে আর কোনো ধরনের যোগাযোগ করা হচ্ছে না।’

স্বপদে শাবি ভিসি ফরিদ উদ্দিন, প্রত্যাহার হয়নি শিক্ষার্থীদের মামলাও

আন্দোলনের শুরু ও শেষ যেভাবে

সিরাজুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ দাবিতে গত বছরের জানুয়ারিতে আন্দোলনে নামেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এই দাবিতে ১৬ জানুয়ারি দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদকে আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা। পরে ওইদিন সন্ধ্যায় পুলিশ টিয়ারসেল ছুড়ে ও লাঠিপেটা করে উপাচার্যকে মুক্ত করে আনে। এ সময় পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষে আহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, পুলিশসহ অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী।

১৬ জানুয়ারি রাতেই সিন্ডিকেট সভা ডেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেন উপাচার্য। পরদিন দুপুরের মধ্যে হল ছাড়তেও শিক্ষার্থীদের নির্দেশনা দেয়া হয়। তবে এই নির্দেশনা অমান্য করে ওই রাত থেকেই উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনের পদত্যাগ দাবিতে টানা আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনের অংশ হিসেবে ১৯ জানুয়ারি বিকেল থেকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে আমরণ অনশনে বসেন ২৪ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ১ জন শিক্ষার্থীর বাবার অসুস্থতার কারণে অনশন ত্যাগ করেন এবং আরও পাঁচ শিক্ষার্থী অনশনে বসেন। এক পর্যায়ে উপাচার্যের বাসভবনের বিদ্যুৎসংযোগও বন্ধ করে দেন তারা।

২৬ জানুয়ারি ভোররাতে ক্যাম্পাসে আসেন জনপ্রিয় লেখক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রী ড. ইয়াসমীন হক। তারা দুজনই শাবির অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নেয়া হবে, তারা দুজন এমন আশ্বাস দিলে ১৬৩ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙেন ২৮ শিক্ষার্থী।

ওইদিন অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন হক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তোমাদের দাবিগুলো দ্রুততম সময়েয় মধ্যে মেনে নেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। তাদের আশ্বাস না পেলে আমি এখানে আসতাম না। এখন যদি তারা কথা না রাখেন তা কেবল আমার সঙ্গে না দেশের সকল প্রগতিশীল মানুষের সাথেই মিথ্যাচার হবে’।

যেসব দাবি ছিল শিক্ষার্থীদের

শাবি শিক্ষাথীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ১১ ফেব্রুয়ারি সিলেটে এসে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। এসময় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের পদত্যাগসহ পাঁচটি দাবি এবং আট দফা প্রস্তাবনা পেশ করেন।

তাদের দাবিগুলো ছিল- উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগসহ ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জহির উদ্দিন আহমেদ ও প্রক্টরিয়াল বডির অপসারণ, ক্যাম্পাসের সব আবাসিক হল সচল রাখার বিষয়ে উদ্যোগ, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অর্থ সাহায্য দেয়া পাঁচ সাবেক শিক্ষার্থীর জামিন ও অজ্ঞাতনামা শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার এবং অনশনরত শিক্ষার্থী ও উপাচার্যের নির্দেশে পুলিশের হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ভার বহন।

সেদিন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদেরকে সব দাবি মেনে নেয়ার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন এবং উপাচার্যের পদত্যাগের বিষয়টি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর আশ্বাস দেন শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রী। এই আশ্বাসের পরদিন ১২ ফেব্রুয়ারি আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

এরপর শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে ছাত্র উপদেষ্টা ও প্রক্টরিয়াল বডিতে পরিবর্তন আনা হয়, ক্যাম্পাসের সব আবাসিক হল সচল হয়, শিক্ষার্থীদের অর্থ সাহায্য দেয়া পাঁচ সাবেক শিক্ষার্থীর জামিন পান এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের মামলা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

স্বপদে শাবি ভিসি ফরিদ উদ্দিন, প্রত্যাহার হয়নি শিক্ষার্থীদের মামলাও

একবছরেও পূরণ হয়নি প্রধান দাবি

একবছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত প্রধান দাবিসহ কয়েকটি দাবি পূরণ হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র মোহাইমিনুল বাশার রাজ বলেন, ‘আমাদের প্রথম এবং প্রধান দাবি ছিল দ্রুততম সময়ে ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে উপাচার্য পদ থেকে অপসারণ করে একজন গবেষণামনা, শিক্ষাবিদ ও অবিতর্কিত ব্যক্তিকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হোক। মন্ত্রী এই বিষয়ে বলেছিলেন, ভিসির বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ আচার্যের কাছে উপস্থাপন করা হবে। আচার্য এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। কিন্তু এতদিন পরেও ফরিদ উদ্দিন আহমদ শাবিপ্রবির উপাচার্য পদে বহাল আছেন।’

তিনি বলেন, ‘১৬ জানুয়ারির হামলার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী সজল কুন্ডুকে অন্তত ৯ম গ্রেডের একটি চাকরি এবং নগদ ক্ষতিপূরণ দেয়ার স্পষ্ট আশ্বাস দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সজল এখনো শিক্ষামন্ত্রীর দেয়া প্রতিশ্রুত ক্ষতিপূরণ বা চাকরি কোনোটাই পাননি।

‘উল্টো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তিনি যে ক্যাফেটেরিয়াটি চালাতেন সেটিও কেড়ে নেয়া হয়েছে। প্রথম কিছুদিন সরকারী তত্ত্বাবধানে সজলের নিয়মিত চেকআপের ব্যবস্থা করা দুই তিনমাস পর তাও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।’

এ ব্যাপারে অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও ড. ইয়াসমিন হকের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন ধরেননি।

অনশনকারী শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীদের অন্যতম মুখপাত্র শাহারিয়ার আবেদীন বলেন, ‘জাফর স্যারের সঙ্গে আমাদের মাঝেমাঝে কথা হয়। স্যারও এ বিষয়ে হতাশ। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে এখনো স্যারকে আমাদের দাবি পূরণে কাজ চলছে বলে জানানো হচ্ছে।’

দাবির বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের একটি বৈঠক আয়োজনে অধ্যাপক জাফর ইকবাল চেষ্টা করছেন বলে জানান শাহারিয়ার।

কথা বলতে নারাজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও তাদের দাবি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদ।

এ বিষয়ে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক আমিনা পারভীন বলেন, ‘তাদের দাবি-দাওয়ার বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করবো না। এগুলো আমার এখতিয়ারে নেই।

‘ওই ঘটনার পর আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সুন্দর ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সচেষ্ট ছিলাম। তাতে সফলও হয়েছি। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক অনেক ভালো।’

আরও পড়ুন:
শাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি কবীর, সম্পাদক মাহবুব
কমিটিহীন শাবি ছাত্রলীগ বিভক্ত সাত গ্রুপে
শাবিতে ভিসিবিরোধী আন্দোলন : ৫ ছাত্রকে মামলা থেকে অব্যাহতি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Late night protest in Jabi where student injured by bike

বাইকের ধাক্কায় ছাত্র আহত, গভীর রাতে জাবিতে বিক্ষোভ

বাইকের ধাক্কায় ছাত্র আহত, গভীর রাতে জাবিতে বিক্ষোভ উপাচার্য অধ্যাপক মো. নূরুল আলমের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে বিক্ষোভ করেন জাবি শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো দুর্ঘটনায় আহত ছাত্রের চিকিৎসা ও শিক্ষার ব্যয়ভার প্রশাসনের বহন, মোটরসাইকেল চালকের শাস্তি, মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার গতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর সামনে গতি নিরোধক নির্মাণ।

মোটরসাইকেলের ধাক্কায় এক ছাত্র গুরুতর আহত হওয়ার জেরে নিরাপদ ক্যাম্পাস নিশ্চিত, মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার গতি নিয়ন্ত্রণসহ চার দফা দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল ও অবস্থান কর্মসূচি পালন করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষার্থীরা।

উপাচার্য অধ্যাপক মো. নূরুল আলমের বাসভবনের সামনে অবস্থান নিয়ে বৃহস্পতিবার রাত সাড়ে ১২টার দিকে এসব কর্মসূচি পালন করেন তারা।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো দুর্ঘটনায় আহত ছাত্রের চিকিৎসা ও শিক্ষার ব্যয়ভার প্রশাসনের বহন, মোটরসাইকেল চালকের শাস্তি, মোটরসাইকেল ও অটোরিকশার গতি নিয়ন্ত্রণ এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের আবাসিক হলগুলোর সামনে গতি নিরোধক নির্মাণ।

বাইকের ধাক্কায় ছাত্র আহত, গভীর রাতে জাবিতে বিক্ষোভ

বিশ্ববিদ্যালয়ের মওলানা ভাসানী হল সংলগ্ন সড়কে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাতটার দিকে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হন সাংবাদিকতা ও গণমাধ্যম অধ্যয়ন বিভাগের প্রথম বর্ষের (৫১ ব্যাচ) ছাত্র জাহিদ হাসান। তাকে সাভারের এনাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্রে (আইসিইউ) রাখা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর আ স ম ফিরোজ উল হাসান বলেন, ‘আমি আহত শিক্ষার্থীকে দেখতে হাসপাতালে গিয়েছিলাম। তার অবস্থা এখনও শঙ্কামুক্ত নয়। আহত শিক্ষার্থীর চিকিৎসার দায়ভার বিশ্ববিদ্যালয় বহন করবে।

‘শিক্ষার্থীদের দাবির সঙ্গে আমরা সম্পূর্ণ একমত পোষণ করছি। আশা করছি সবাই মিলে একটি সুষ্ঠু সমাধানে পৌঁছাতে পারব।’

আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করে উপাচার্য নূরুল আলম বলেন, ‘আহত শিক্ষার্থীর সকল চিকিৎসার দায়ভার বিশ্ববিদ্যালয় গ্রহণ করবে। বিশ্ববিদ্যালয়ের বিদ্যমান আইনে ৭ কর্মদিবসের মধ্যে আমরা ঘাতক চালকের বিচার নিশ্চিত করব।

‘বাইক, অটোরিকশার গতি নিয়ন্ত্রণে আমি নিরাপত্তাকর্মীদের নির্দেশ করব। ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত করে স্পিডব্রেকার নির্মাণ করা হবে। এ ধরনের ঘটনার পুনরাবৃত্তি রোধে সকলের সহযোগিতা কাম্য।’

আরও পড়ুন:
জাবির প্রজাপতি মেলায় একঝাঁক শিশু
জাবিতে ‘প্রফেসর ড. হাফিজা খাতুন স্বর্ণপদক’ চালু
জাবিতে ‘প্রজাপতি মেলা’ এবার ২ ডিসেম্বর
মসজিদ নির্মাণের দাবিতে জাবিতে মানববন্ধন
ছাত্রকে থাপ্পড় দেয়া জাবির ২ ছাত্রীর বহিষ্কারাদেশ অবৈধ

মন্তব্য

শিক্ষা
Chabir orders students of fine arts to leave the campus

চবির চারুকলার শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস ছাড়ার নির্দেশ

চবির চারুকলার শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস ছাড়ার নির্দেশ ইনস্টিটিউটের গেটে তালা দিয়ে আন্দোলন করছেন চবির চারুকলার শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, 'সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একমাস বন্ধ থাকবে ইনস্টিটিউট। এ সময় অনলাইনে ক্লাস নেবে শিক্ষকরা।

শিক্ষার্থীদের আন্দোলনের মধ্যেই সংস্কারের কাজের জন্য চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) চারুকলা ইনস্টিটিউট এক মাসের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হলো। পাশাপাশি বৃহস্পতিবার রাত ১০টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের ক্যাম্পাস ও ছাত্রা বাস ছাড়ার নির্দেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এদিন দুপুর ৩টায় জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয় সর্বোচ্চনীতি নির্ধারণী পর্ষদ সিন্ডিকেট।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভূঁইয়া বলেন, 'সিন্ডিকেটের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী একমাস বন্ধ থাকবে ইনস্টিটিউট। এ সময় অনলাইনে ক্লাস নেবেন শিক্ষকরা। পাশাপাশি আজ রাত ১০টার মধ্যে শিক্ষার্থীদের চারুকলা ক্যাম্পাস ত্যাগের নির্দেশনাও দিয়েছে সিন্ডিকেট।'

এর আগে গত বছরের ২ নভেম্বর থেকে ২২ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান কর্মসূচি ও ক্লাসবর্জন শুরু করেন চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। প্রশাসন দাবি মানতে ইতিবাচক সাড়া দিলেও পরে ২২ দফা দাবি হঠাৎই মূল ক্যাম্পাসে ফেরার এক দাবিতে রূপ নেয়। শিক্ষার্থীদের বক্তব্য, মূল ক্যাম্পাস ছাড়া তাদের এই ২২ দফা দাবির সবগুলো পূরণ করা সম্ভব নয়। আন্দোলন নিয়ে গত ২১ জানুয়ারি শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বৈঠক করেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। পরদিন অর্থাৎ ২২ জানুয়ারি জেলা প্রশাসক ও মহানগর আওয়ামী এর সাধারণ সম্পাদক আ.জ.ম নাছির উদ্দিনের সঙ্গে আলোচনার পর আন্দোলন স্থগিত করে শর্তসাপেক্ষে ক্লাসে ফিরে যান শিক্ষার্থীরা। তবে শর্তপূরণ না হওয়ায় গত মঙ্গলবার থেকে ফের আন্দোলনে নামেন তারা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় মূল ক্যাম্পাস শহর থেকে ২২ কিলোমিটার দূরে হাটহাজারীতে অবস্থিত। ২০১০ সালে চবি চারুকলা বিভাগ এবং চট্টগ্রাম সরকারি চারুকলা কলেজকে একীভূত করার মধ্য দিয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে একটি চারুকলা ইনস্টিটিউট প্রতিষ্ঠার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। ২০১১ সালের ২ ফেব্রুয়ারি নগরীর বাদশাহ মিয়া চৌধুরী সড়কে বর্তমান চারুকলা ইনস্টিটিউটের আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু হয়।

আরও পড়ুন:
‘দাবি না মানলে চারুকলাকে ক্যাম্পাসে ফিরিয়ে নিন’
নির্ধারিত পদের চেয়ে অতিরিক্ত নিয়োগে ক্ষুব্ধ চবি শিক্ষক সমিতি
দাবি মানার আশ্বাসে হলে ফিরলেন চবির ছাত্রীরা
সান্ধ্য আইন বাতিল দাবিতে ভিসির বাড়ির সামনে চবি ছাত্রীরা
হলে প্রবেশের সময়সীমাকে চবি ছাত্রীদের প্রত্যাখ্যান

মন্তব্য

শিক্ষা
A search of the Chubi Arts dormitory at midnight

মধ্যরাতে চবি চারুকলার ছাত্রাবাসে তল্লাশি

মধ্যরাতে চবি চারুকলার ছাত্রাবাসে তল্লাশি মধ্যরাতে চবি চারুকলার শিল্পী রশিদ চৌধুরী হোস্টেলে তল্লাশি অভিযান। ছবি: নিউজবাংলা
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া বলেন, ‘চারুকলার ক্লাস নেয়ার পক্ষে ও বিপক্ষে অনেকেই আন্দোলন করছেন। এখন সেখানে বহিরাগত কেউ হোস্টেলে আছে কি না, মাদক আছে কি না সেগুলো তল্লাশিতে অভিযান চালানো হয়েছে।’

মধ্যরাতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিল্পী রশিদ চৌধুরী হোস্টেলে (ছাত্রাবাস) তল্লাশি চালিয়েছে প্রক্টরিয়াল বডি।

প্রক্টরিয়াল টিম পুলিশের উপস্থিতিতে বুধবার রাত ১টার দিকে এ অভিযান চালায়।

তল্লাশির সময় ওই ছাত্রাবাসের একটি কক্ষে এক ছাত্রীর উপস্থিতি পাওয়া যায়। অনুমতি ছাড়া ছাত্রহলে ঢোকায় তাকে মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে। আরেকটি কক্ষ থেকে উদ্ধার হয়ছে কিছু পরিমাণ গাঁজা।

চারুকলার আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, তাদের আন্দোলনকে বাধাগ্রস্থ ও প্রশ্নবিদ্ধ করতে এই তল্লাশি চালানো হয়েছে। তল্লাশি ছাড়াও শিক্ষক ক্লাবের তালা এবং তাদের ব্যানার-ক্যানভাস ভেঙে ফেলা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া বলেন, ‘চারুকলার ক্লাস নেয়ার পক্ষে ও বিপক্ষে অনেকেই আন্দোলন করছেন। এখন সেখানে বহিরাগত কেউ হোস্টেলে আছে কি না, মাদক আছে কি না সেগুলো তল্লাশিতে অভিযান চালানো হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘অভিযানে আমরা এক ছাত্রীকে ১২টা ৪০ এর সময় ছাত্র হোস্টেলের একটি কক্ষে পেয়েছি। পাশে আরেকটি কক্ষে কিছু পরিমাণ গাঁজা পাওয়া গেছে। ছাত্রীর মুচলেকা নিয়ে ছেড়ে দেয়া হয়েছে।’

শিক্ষার্থীদের অভিযোগের বিষয়ে প্রক্টর বলেন, ‘এখানে তল্লাশির বাইরে আর কিছুই হয়নি।’

কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ওই ছাত্রী অনুমতি ছাড়াই ছাত্র হোস্টেলে অবস্থান করছিলেন। নিয়মানুযায়ী হোস্টেল ওয়ার্ডেনের অনুমতি ছাড়া রাতে কিংবা দিনে কোনো সময়ই ছাত্রীরা ছাত্রদের হোস্টেলে প্রবেশ করতে পারবেন না।

আন্দোলনরত শিক্ষার্থী মো. শহীদ বলেন, ‘রাতে চারুকলার দুই গেইট দিয়েই পুলিশ ও প্রক্টরিয়াল বডি আসে। একজন ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আসছিল। যার বাসায় যাবে সে চারুকলায় অপেক্ষা করছিল। প্রক্টরিয়াল বডি ও পুলিশ এসে সবাইকে রুমে যেতে বলে, ওই সময় ওই ছাত্রী রুমে গিয়ে বসে যায়। এরপরই যার জন্য অপেক্ষা করছিল, সে আসে। পরে সে বিষয়টা বিস্তারিত খুলে বললে তাকে ছেড়ে দেয়। তবে মুচলেকার বিষয়টা একটু বাড়াবাড়ি হয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘তারা হলে তল্লাশি করে ঠিক আছে। কিন্তু শিক্ষক ক্লাবের তালা ভেঙে ফেলা ও আমাদের ব্যানার-ক্যানভাস ছিড়ে দিল কেন সেটা আমরা বুঝতেছি না। তবে মাদকের বিষয়টা তারা প্রমাণ দিক ৷ তারা তো সব তন্নতন্ন করে খুঁজেছে। আমি ভিডিও করার সময় আমার মোবাইলও কেড়ে নেয়া হয়।’

আরেক শিক্ষার্থী জহির রায়হান অভি বলেন, ‘শান্তিপূর্ণ আন্দোলনকে প্রশ্নবিদ্ধ করার জন্যই প্রশাসন এটি করছে।’

আরও পড়ুন:
গুলিস্তানে ডিএসসিসির উচ্ছেদ অভিযান, ৫ দোকানিকে জেল
তুমব্রু সীমান্তে ডিজিএফআই কর্মকর্তা নিহত: ৩১ জনের নামে মামলা
খুদেবার্তা দিয়ে ‘নিখোঁজ’ চিকিৎসককে জঙ্গি সন্দেহে গ্রেপ্তার
তুমব্রুতে ডিজিএফআই অফিসার কেন গুলিবিদ্ধ দেখা হচ্ছে: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী
তুমব্রু সীমান্তে সংঘর্ষ: আহত র‍্যাব সদস্যের মাথায় অস্ত্রোপচার

মন্তব্য

শিক্ষা
DU teacher Rahmat Ullah is not hindered from carrying out his academic work

ঢাবি শিক্ষক রহমত উল্লাহর একাডেমিক কাজ চালাতে বাধা নেই

ঢাবি শিক্ষক রহমত উল্লাহর একাডেমিক কাজ চালাতে বাধা নেই অধ্যাপক মো. রহমত উল্লাহ
আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন বলেন, হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে দ্রুত এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টকে নির্দেশ দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। এ আদেশের ফলে ঢাবি শিক্ষক রহমত উল্লাহর একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাতে বাধা নেই।

বঙ্গবন্ধুর খুনি খন্দকার মোশতাক আহমদের প্রতি ‘শ্রদ্ধা’ জানিয়ে বক্তব্য দেয়ার অভিযোগে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) শিক্ষক সমিতির সভাপতি ও আইন অনুষদের অধ্যাপক মো. রহমত উল্লাহকে একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে সাময়িক অব্যাহতির সিদ্ধান্ত স্থগিত করে হাইকোর্টের দেয়া আদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ।

বৃহস্পতিবার বিচারপতি মো. বোরহান উদ্দিনসহ পাঁচ বিচারকের আপিল বেঞ্চের এ আদেশের ফলে তার একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাতে বাধা নেই বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

আদালতে রিটের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী আহসানুল করিম, তার সঙ্গে ছিলেন আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন।

আইনজীবী সৈয়দা নাসরিন বলেন, হাইকোর্টের আদেশ বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ। একই সঙ্গে দ্রুত এ বিষয়ে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করতে হাইকোর্টকে নির্দেশ দিয়েছে সর্বোচ্চ আদালত। এ আদেশের ফলে ঢাবি শিক্ষক রহমত উল্লাহর একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম চালাতে বাধা নেই।

গত বছরের ১৭ এপ্রিল ঐতিহাসিক মুজিবনগর দিবসে বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষক কেন্দ্র (টিএসসি) মিলনায়তনে আলোচনা সভার আয়োজন করে ঢাবি প্রশাসন। সেখানে অধ্যাপক রহমত উল্লাহ মুজিবনগর সরকারের সদস্যদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে গিয়ে খন্দকার মোশতাকের প্রতিও শ্রদ্ধা জানান।শ্রদ্ধা জানানোর পর খন্দকার মোশতাকের প্রতি ঘৃণা ও ক্ষোভ প্রকাশ করেও বক্তব্য দেন তিনি।

এ ঘটনায় ওই বছরের ২০ এপ্রিল রহমত উল্লাহকে সব ধরনের একাডেমিক ও প্রশাসনিক কার্যক্রম থেকে সাময়িক অব্যাহতির সিদ্ধান্ত দেয় বিশ্ববিদ্যালয়।

পরে এ সিদ্ধান্ত চ্যালেঞ্জ করে তিনি হাইকোর্টে আবেদন করলে গত বছরের ৮ জুন তা স্থগিত করে বিচারপতি জাফর আহমেদ ও বিচারপতি কাজী জিনাত হকের হাইকোর্ট বেঞ্চ।

এই আদেশের বিরুদ্ধে আপিলে যায় ঢাবি কর্তৃপক্ষ। ঢাবি কর্তৃপক্ষের আবেদনের শুনানি নিয়ে বৃহস্পতিবার আপিল বিভাগ হাইকোর্টের আদেশটি বহাল রাখে।

আরও পড়ুন:
ঢাবির ১১৩ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার
ঢাবি ও অধিভুক্ত কলেজের ১১৪ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ
অসাম্প্রদায়িক চেতনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত নেতাজি ও বঙ্গবন্ধু: ঢাবি উপাচার্য

মন্তব্য

শিক্ষা
Spot admission is going on for 154 vacant seats

জবিতে ফাঁকা ১৫৪ আসন, চলছে ‘স্পট অ্যাডমিশন’

জবিতে ফাঁকা ১৫৪ আসন, চলছে ‘স্পট অ্যাডমিশন’ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির অপেক্ষায় শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষে এ, বি ও সি ইউনিটে নবম মেধাতালিকা থেকে ভর্তির পর বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও বিভাগে বিদ্যমান শূন্য আসনে মেধাক্রমের ভিত্তিতে তাৎক্ষনিক ভর্তি বা স্পট অ্যাডমিশন নেয়া হচ্ছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষে তিন ইউনিটে ১৫৪টি আসন ফাঁকা রয়েছে। নবম মেধা তালিকা থেকে ভর্তির পরও আসন ফাঁকা থাকায় এসব আসন পূরণে তাৎক্ষণিক সাক্ষাৎকারে ভর্তি বা স্পট অ্যাডমিশন নিচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার দিনব্যাপী এ তাৎক্ষণিক সাক্ষাৎকারে ভর্তি কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান ও একাধিক অনুষদের ডিন।

রেজিস্ট্রার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষে এ, বি ও সি ইউনিটে নবম মেধাতালিকা থেকে ভর্তির পর বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও বিভাগে বিদ্যমান শূন্য আসনে মেধাক্রমের ভিত্তিতে তাৎক্ষনিক ভর্তি বা স্পট অ্যাডমিশন নেয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার শিক্ষার্থীরা আসছে এবং তাদের ভর্তি নেয়া হচ্ছে। পরে আমরা বিষয়সহ মেধাতালিকা প্রকাশ করব।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটি জানায়, ‘এ’ ইউনিটের শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম ৫৪৬৬ থেকে ১০০০০ পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে সাক্ষাৎকার ও ভর্তি চলবে। একই সময়ে ‘বি’ ইউনিটের মেধাক্রম ২০৪৪ থেকে ৩০০০ পর্যন্ত ভর্তি চলবে কলা অনুষদ অফিসে। আর ‘সি’ ইউনিটের ৯০৩ থেকে ১১০০ পর্যন্ত ভর্তি চলবে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ অফিসে। আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে বিষয় বরাদ্দ দেয়া হবে।

কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটি আরও জানায়, মঙ্গলবার দুপুর ২টায় বিষয় বরাদ্দ তালিকা প্রকাশ করা হবে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনলাইনে মোট ভর্তি ফি জমা দিয়ে সরাসরি সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও ডিন অফিসে সনদপত্রাদি জমা দিয়ে এবং যারা ইতোমধ্যে জিএসটি গুচ্ছের অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আছে, তারা অনলাইনে অবশিষ্ট ভর্তি ফি জমা দিয়ে পূর্বে জমাকৃত ভর্তি ফিসের স্লিপ সরাসরি সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং ডিন অফিসে জমা দিয়ে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে।

‘এ’ ইউনিটের বাংলা, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ইসলামিক স্টাডিজ, দর্শন, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, সমাজবিজ্ঞান, নৃবিজ্ঞান, ভূগোল ও পরিবেশ, মনোবিজ্ঞান, এডুকেশন (আইইআর) ও ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ (আইএমএল) বিভাগের আসন ফাঁকা রয়েছে।

এ ছাড়া ‘বি’ ইউনিটে ইসলামিক স্টাডিজ ও ‘সি’ ইউনিটে ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ (আইএমএল) বিষয়ে ভর্তি নেয়া হবে। ভর্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীকে নগদ, বিকাশ, রকেট বা শিওর ক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ভর্তি ফি জমা দিতে হবে।

শুধুমাত্র নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য মনোনয়নপ্রাপ্ত বিভাগে সনদপত্র ও কাগজপত্রাদি জমা দিতে হবে। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কক্ষ পরিদর্শক কর্তৃক স্বাক্ষরিত এডমিট কার্ড, অনলাইন হতে প্রিন্টকৃত ভর্তি ফরম ও ৪ কপি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার মূল সনদপত্র ও নম্বরপত্র এবং প্রতিটির একটি করে সত্যায়িত ফটোকপি, এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার মূল নম্বরপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড এবং প্রতিটির একটি করে সত্যায়িত ফটোকপি।

ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি বিভাগীয় শিক্ষকদের সহযোগিতায় যাচাই-বাছাই পূর্বক ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সব অনুষদ, ইনস্টিটিউট ও বিভাগীয় দপ্তরে শেয়ারকৃত অনলাইন প্যানেলে ভর্তিকৃত বা বাতিলকৃত শিক্ষার্থীদের তথ্যাদি যথাসময়ে ও সতর্কতার সঙ্গে ইনপুট দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হলো।

আরও পড়ুন:
চিঠির বাক্সে এলো অধ্যাপক মিল্টনকে হত্যার হুমকি
পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় জবির ১৪ শিক্ষার্থীর সাজা
জবিতে ফাঁকা আসনে ভর্তির সুযোগ
বিশ্বসেরার তালিকায় জবির ৯৫ গবেষক
জবিশিস নির্বাচনে আইনুল-লুৎফর প্যানেলের বাজিমাত

মন্তব্য

শিক্ষা
The first convocation of CUB will be held by the President today

সিইউবির প্রথম সমাবর্তন আজ, থাকছেন রাষ্ট্রপতি

সিইউবির প্রথম সমাবর্তন আজ, থাকছেন রাষ্ট্রপতি
সমাবর্তন কেন্দ্র করে রাজধানীর প্রগতি সরণিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসটি সাজানো হয়েছে নয়নাভিরাম সাজে। আর রাজধানীর পূর্বাচলে নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসে আয়োজন করা হবে সমাবর্তন-পরবর্তী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছ থেকে ডিগ্রি নেয়ার অপেক্ষায় গ্র্যাজুয়েটরা।

প্রতিষ্ঠার মাত্র ৭ বছরেই সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছে দেশের স্বনামধন্য বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি)। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আজ মঙ্গলবার এই সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে থাকবেন শান্তিতে নোবেলজয়ী ও ভারতের শিশু অধিকারকর্মী কৈলাস সত্যার্থী।

সমাবর্তন কেন্দ্র করে রাজধানীর প্রগতি সরণিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসটি সাজানো হয়েছে নয়নাভিরাম সাজে। আর রাজধানীর পূর্বাচলে নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসে আয়োজন করা হবে সমাবর্তন-পরবর্তী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

প্রথমবারের মতো এই সমাবর্তনে অংশ নিচ্ছেন প্রায় পাঁচশ’ গ্র্যাজুয়েট। প্রথম সমাবর্তন হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাই উদ্বেলিত। রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে ডিগ্রি নেয়ার অপেক্ষায় আছেন গ্র্যাজুয়েটরা।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত এ বিষয়ে বলেন, ‘সমাবর্তনের দিনটি আমাদের জন্য এক বিশেষ মাইলফলক। কারণ এই অল্প সময়ের মধ্যে আমরা শিক্ষার্থীদের হাতে সমাবর্তনের মাধ্যমে সার্টিফিকেট তুলে দিতে পারছি। এর জন্য আমি আমাদের ফ্যাকাল্টি, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাইসহ সিইউবি-সংশ্লিষ্ট সবার কাছে কৃতজ্ঞ।’

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসটি হবে পরিবেশবান্ধব। এখানে আধুনিক ভবন, দৃষ্টিনন্দন লেক ও বিশাল খেলার মাঠ থাকবে। সর্বাধুনিক ল্যাব, স্টুডিও, লাইব্রেরি, থিয়েটার, স্টাডি জোনের সঙ্গে থাকছে শিক্ষার্থী লাউঞ্জ, অবসর কাটানোর জায়গা, জিম, ফুড লাউঞ্জসহ বিভিন্ন সুবিধা। বিশ্বমানের স্থাপত্য নকশায় গড়ে তোলা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টির নান্দনিক স্থায়ী ক্যাম্পাস।

সিইউবিতে রয়েছে আধুনিক সময়ের উপযোগী বিভিন্ন বিভাগ যেমন- শিপিং ও মেরিটাইম সায়েন্স, বিবিএ, এমবিএ ও ইএমবিএ, সিএসই, ইইই, এলএলবি, ইংলিশ, মিডিয়া কমিউনিকেশন ও জার্নালিজম, মাস্টার্স ইন মেরিটাইম ট্রান্সপোর্টেশন ও লজিস্টিকস। শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে রয়েছে বৃত্তির সুযোগ।

বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। এ ছাড়া কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ আছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংগতি রেখে সাজানো হয়েছে এই প্রতিষ্ঠানের পাঠক্রম।

মন্তব্য

শিক্ষা
113 students of DU expelled

ঢাবির ১১৩ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার

ঢাবির ১১৩ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার ফাইল ছবি
গত বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও এর অধিভুক্ত কলেজের ১১৪ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী, সাময়িক ও বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কারের সুপারিশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন, অসদাচরণ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়টির চার শিক্ষার্থীকে স্থায়ী ও ১০৯ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শৃঙ্খলা পরিষদের সভার সুপারিশ অনুযায়ী সোমবার অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের এক সভায় বহিস্কারের এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সভায় সভাপতিত্ব করেন। সিন্ডিকেট সভায় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালসহ সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও এর অধিভুক্ত কলেজের ১১৪ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী, সাময়িক ও বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কারের সুপারিশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটি। এর মধ্যে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন ও পরীক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণের দায়ে ১০৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাময়িক বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়।

আরও পড়ুন:
ঢাবি ও অধিভুক্ত কলেজের ১১৪ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ
অসাম্প্রদায়িক চেতনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত নেতাজি ও বঙ্গবন্ধু: ঢাবি উপাচার্য
ঢাবিতে 'শিবিরকর্মীকে' মারধরের অভিযোগ
নারীকে হেনস্তার অভিযোগে ঢাবির ২ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা
নারীকে গাড়িচাপা: ঢাবির সেই সাবেক শিক্ষক মারা গেছেন

মন্তব্য

p
উপরে