× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Inauguration of the third branch of Savar Urban School and College
hear-news
player
google_news print-icon

সাভারে আরবান স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শাখার উদ্বোধন

সাভারে-আরবান-স্কুল-অ্যান্ড-কলেজের-তৃতীয়-শাখার-উদ্বোধন
সাভারে আরবান স্কুল অ্যান্ড কলেজের শাখার উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অতিথিরা। ছবি: সংগৃহীত
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পাথালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পারভেজ দেওয়ান। তিনি আরবান স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শাখার উদ্বোধন ঘোষণা করে আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্ত করেন।

রাজধানীর উপকণ্ঠ সাভারের নয়ারহাটে আরবান স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শাখার উদ্বোধন হয়েছে।

গত ১৪ জানুয়ারি শাখাটির উদ্বোধন হয়।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন পাথালিয়া ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান পারভেজ দেওয়ান। তিনি আরবান স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শাখার উদ্বোধন ঘোষণা করে আমন্ত্রিত অতিথিদের নিয়ে শান্তির প্রতীক পায়রা অবমুক্ত করেন।

প্রধান অতিথি তার বক্তব্যে আরবান স্কুল অ্যান্ড কলেজের গত ১০ বছরের সাফল্যের প্রশংসা করেন। একই সঙ্গে তিনি মানসম্পন্ন শিক্ষা বাস্তবায়নের জন্য প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষকে অনুরোধ করেন।

ওই সময় তিনি আরবান স্কুল অ্যান্ড কলেজের তৃতীয় শাখার সামনের রাস্তা সংস্কারের অঙ্গীকার ব্যক্ত করেন।

আরবান স্কুল অ্যান্ড কলেজ পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি মাহাবুব আলম রাসেল অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন। এতে স্বাগত বক্তব্য দেন প্রতিষ্ঠানের অধ্যক্ষ সাইফুল ইসলাম মুবিন। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আরবান স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও ইনডিপেনডেন্ট ইউনিভার্সিটি, বাংলাদেশ (আইইউবি)-এর মিডিয়া অ্যান্ড পাবলিক রিলেশনস বিভাগের সহকারী পরিচালক মো. ওয়াহিদুজ্জামান।

অনুষ্ঠানে অন্যদের মধ্যে বক্তব্য দেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের অধ্যাপক ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন্নেছা মুজিব হলের প্রভোস্ট ড. মোহাম্মদ মুজিবুর রহমান, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য আশীষ কুমার মজুমদার, জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের অবসরপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (গ্রন্থাগারিক) হাজি মো. আবদুস সালাম, সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ও জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেট সদস্য ব্যারিস্টার শিহাব উদ্দিন খান, সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী মো. বাছেদ দেওয়ান, মো. শাহাজুদ্দিন, ধামরাই পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর মো. শহিদুল্লাহ, আরবান স্কুল অ্যান্ড কলেজের পরিচালনা পর্ষদের সাধারণ সম্পাদক মো. গিয়াস উদ্দিন, কোষাধ্যক্ষ আবুল কালাম আজাদ ও শাখাপ্রধান দীপক শিকদারসহ অনেকে।

ওই সময় বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুল আজিজ, ব্যবসায়ী ও সমাজসেবক হাফিজুর রহমান রাজা, আরবান স্কুল অ্যান্ড কলেজের সাবেক সভাপতি মোহাম্মদ আলী, সদস্য আব্দুর রহিমসহ অনেকেই উপস্থিত ছিলেন।

অতিথিদের হাতে সম্মননা স্মারক তুলে দেন আরবান স্কুলের পরিচালনা পর্ষদ সদস্যরা। আলোচনা অনুষ্ঠান শেষে বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা করা হয়। এরপর অতিথিরা নতুন ক্যাম্পাস পরিদর্শন করেন।

আরবান স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে মনোজ্ঞ সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের সমাপ্তি হয়।

২০১২ সালের ১৪ ডিসেম্বর ধামরাই পৌরসভার ইসলামপুরে আরবান স্কুল অ্যান্ড কলেজ আনুষ্ঠানিকভাবে যাত্রা শুরু করে। ২০২২ সালে এর দ্বিতীয় শাখা চালু হয় ধামরাই পৌরসভার ইসলামপুর মাদ্রাসা রোডে। তারই ধারাবাহিকতায় তৃতীয় শাখা চালু করা হয় সাভারের নয়ারহাটে।

প্রায় দুই হাজার শিক্ষার্থী এই প্রতিষ্ঠানে অধ্যয়নরত। প্রতিষ্ঠানটিতে নব্বই জন শিক্ষক ও কর্মকর্তা, কর্মচারী রয়েছেন।

আরও পড়ুন:
শ্রমিকবাহী বাস খাদে পড়ে দুজন নিহত, আহত ২০
সেনাবাহিনী প্রশিক্ষণ সহায়ক সামগ্রী প্রদর্শন প্রতিযোগিতা সমাপ্ত
‘শাওন তো বুঝতেছেও না, কী হারাল ও’
ঢাকা জেলার সেরা ইউএনও সাভারের মাজহারুল
শিক্ষক হত্যা: আশুলিয়ার সেই কলেজের গভর্নিং বডি স্থগিত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Spot admission is going on for 154 vacant seats

জবিতে ফাঁকা ১৫৪ আসন, চলছে ‘স্পট অ্যাডমিশন’

জবিতে ফাঁকা ১৫৪ আসন, চলছে ‘স্পট অ্যাডমিশন’ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তির অপেক্ষায় শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষে এ, বি ও সি ইউনিটে নবম মেধাতালিকা থেকে ভর্তির পর বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও বিভাগে বিদ্যমান শূন্য আসনে মেধাক্রমের ভিত্তিতে তাৎক্ষনিক ভর্তি বা স্পট অ্যাডমিশন নেয়া হচ্ছে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষে তিন ইউনিটে ১৫৪টি আসন ফাঁকা রয়েছে। নবম মেধা তালিকা থেকে ভর্তির পরও আসন ফাঁকা থাকায় এসব আসন পূরণে তাৎক্ষণিক সাক্ষাৎকারে ভর্তি বা স্পট অ্যাডমিশন নিচ্ছেন বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

মঙ্গলবার দিনব্যাপী এ তাৎক্ষণিক সাক্ষাৎকারে ভর্তি কার্যক্রম চলবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান ও একাধিক অনুষদের ডিন।

রেজিস্ট্রার বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক (সম্মান) ও বিবিএ প্রথম বর্ষে এ, বি ও সি ইউনিটে নবম মেধাতালিকা থেকে ভর্তির পর বিভিন্ন ইনস্টিটিউট ও বিভাগে বিদ্যমান শূন্য আসনে মেধাক্রমের ভিত্তিতে তাৎক্ষনিক ভর্তি বা স্পট অ্যাডমিশন নেয়া হচ্ছে। মঙ্গলবার শিক্ষার্থীরা আসছে এবং তাদের ভর্তি নেয়া হচ্ছে। পরে আমরা বিষয়সহ মেধাতালিকা প্রকাশ করব।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটি জানায়, ‘এ’ ইউনিটের শিক্ষার্থীদের মেধাক্রম ৫৪৬৬ থেকে ১০০০০ পর্যন্ত সকাল ৯টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত কেন্দ্রীয় অডিটোরিয়ামে সাক্ষাৎকার ও ভর্তি চলবে। একই সময়ে ‘বি’ ইউনিটের মেধাক্রম ২০৪৪ থেকে ৩০০০ পর্যন্ত ভর্তি চলবে কলা অনুষদ অফিসে। আর ‘সি’ ইউনিটের ৯০৩ থেকে ১১০০ পর্যন্ত ভর্তি চলবে বিজনেস স্টাডিজ অনুষদ অফিসে। আসন শূন্য থাকা সাপেক্ষে বিষয় বরাদ্দ দেয়া হবে।

কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটি আরও জানায়, মঙ্গলবার দুপুর ২টায় বিষয় বরাদ্দ তালিকা প্রকাশ করা হবে। বিকেল ৫টা পর্যন্ত অনলাইনে মোট ভর্তি ফি জমা দিয়ে সরাসরি সংশ্লিষ্ট বিভাগ ও ডিন অফিসে সনদপত্রাদি জমা দিয়ে এবং যারা ইতোমধ্যে জিএসটি গুচ্ছের অন্য কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি আছে, তারা অনলাইনে অবশিষ্ট ভর্তি ফি জমা দিয়ে পূর্বে জমাকৃত ভর্তি ফিসের স্লিপ সরাসরি সংশ্লিষ্ট বিভাগ এবং ডিন অফিসে জমা দিয়ে ভর্তি নিশ্চিত করতে হবে।

‘এ’ ইউনিটের বাংলা, ইতিহাস, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি, ইসলামিক স্টাডিজ, দর্শন, ম্যানেজমেন্ট স্টাডিজ, রাষ্ট্রবিজ্ঞান, সমাজকর্ম, সমাজবিজ্ঞান, নৃবিজ্ঞান, ভূগোল ও পরিবেশ, মনোবিজ্ঞান, এডুকেশন (আইইআর) ও ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ (আইএমএল) বিভাগের আসন ফাঁকা রয়েছে।

এ ছাড়া ‘বি’ ইউনিটে ইসলামিক স্টাডিজ ও ‘সি’ ইউনিটে ইংলিশ ল্যাংগুয়েজ (আইএমএল) বিষয়ে ভর্তি নেয়া হবে। ভর্তির জন্য মনোনীত শিক্ষার্থীকে নগদ, বিকাশ, রকেট বা শিওর ক্যাশ মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ভর্তি ফি জমা দিতে হবে।

শুধুমাত্র নতুন ভর্তি হওয়া শিক্ষার্থীদের ভর্তির জন্য মনোনয়নপ্রাপ্ত বিভাগে সনদপত্র ও কাগজপত্রাদি জমা দিতে হবে। গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার কক্ষ পরিদর্শক কর্তৃক স্বাক্ষরিত এডমিট কার্ড, অনলাইন হতে প্রিন্টকৃত ভর্তি ফরম ও ৪ কপি সদ্য তোলা পাসপোর্ট সাইজের রঙিন ছবি, এসএসসি বা সমমান পরীক্ষার মূল সনদপত্র ও নম্বরপত্র এবং প্রতিটির একটি করে সত্যায়িত ফটোকপি, এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষার মূল নম্বরপত্র ও রেজিস্ট্রেশন কার্ড এবং প্রতিটির একটি করে সত্যায়িত ফটোকপি।

ইনস্টিটিউটের পরিচালক ও বিভাগীয় চেয়ারম্যানবৃন্দ শিক্ষার্থীদের প্রয়োজনীয় কাগজপত্রাদি বিভাগীয় শিক্ষকদের সহযোগিতায় যাচাই-বাছাই পূর্বক ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করবেন। সব অনুষদ, ইনস্টিটিউট ও বিভাগীয় দপ্তরে শেয়ারকৃত অনলাইন প্যানেলে ভর্তিকৃত বা বাতিলকৃত শিক্ষার্থীদের তথ্যাদি যথাসময়ে ও সতর্কতার সঙ্গে ইনপুট দেয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হলো।

আরও পড়ুন:
চিঠির বাক্সে এলো অধ্যাপক মিল্টনকে হত্যার হুমকি
পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় জবির ১৪ শিক্ষার্থীর সাজা
জবিতে ফাঁকা আসনে ভর্তির সুযোগ
বিশ্বসেরার তালিকায় জবির ৯৫ গবেষক
জবিশিস নির্বাচনে আইনুল-লুৎফর প্যানেলের বাজিমাত

মন্তব্য

শিক্ষা
The first convocation of CUB will be held by the President today

সিইউবির প্রথম সমাবর্তন আজ, থাকছেন রাষ্ট্রপতি

সিইউবির প্রথম সমাবর্তন আজ, থাকছেন রাষ্ট্রপতি
সমাবর্তন কেন্দ্র করে রাজধানীর প্রগতি সরণিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসটি সাজানো হয়েছে নয়নাভিরাম সাজে। আর রাজধানীর পূর্বাচলে নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসে আয়োজন করা হবে সমাবর্তন-পরবর্তী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদের কাছ থেকে ডিগ্রি নেয়ার অপেক্ষায় গ্র্যাজুয়েটরা।

প্রতিষ্ঠার মাত্র ৭ বছরেই সমাবর্তন অনুষ্ঠানের আয়োজন করতে যাচ্ছে দেশের স্বনামধন্য বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি)। রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে আজ মঙ্গলবার এই সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হবে। এতে প্রধান অতিথি থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য ও রাষ্ট্রপতি আবদুল হামিদ। সমাবর্তন বক্তা হিসেবে থাকবেন শান্তিতে নোবেলজয়ী ও ভারতের শিশু অধিকারকর্মী কৈলাস সত্যার্থী।

সমাবর্তন কেন্দ্র করে রাজধানীর প্রগতি সরণিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব ক্যাম্পাসটি সাজানো হয়েছে নয়নাভিরাম সাজে। আর রাজধানীর পূর্বাচলে নিজস্ব স্থায়ী ক্যাম্পাসে আয়োজন করা হবে সমাবর্তন-পরবর্তী সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান।

প্রথমবারের মতো এই সমাবর্তনে অংশ নিচ্ছেন প্রায় পাঁচশ’ গ্র্যাজুয়েট। প্রথম সমাবর্তন হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় পরিবারের সবাই উদ্বেলিত। রাষ্ট্রপতির কাছ থেকে ডিগ্রি নেয়ার অপেক্ষায় আছেন গ্র্যাজুয়েটরা।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের প্রতিষ্ঠাতা এবং বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান ড. চৌধুরী নাফিজ সরাফাত এ বিষয়ে বলেন, ‘সমাবর্তনের দিনটি আমাদের জন্য এক বিশেষ মাইলফলক। কারণ এই অল্প সময়ের মধ্যে আমরা শিক্ষার্থীদের হাতে সমাবর্তনের মাধ্যমে সার্টিফিকেট তুলে দিতে পারছি। এর জন্য আমি আমাদের ফ্যাকাল্টি, কর্মকর্তা, শিক্ষার্থী, অ্যালামনাইসহ সিইউবি-সংশ্লিষ্ট সবার কাছে কৃতজ্ঞ।’

তিনি জানান, বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসটি হবে পরিবেশবান্ধব। এখানে আধুনিক ভবন, দৃষ্টিনন্দন লেক ও বিশাল খেলার মাঠ থাকবে। সর্বাধুনিক ল্যাব, স্টুডিও, লাইব্রেরি, থিয়েটার, স্টাডি জোনের সঙ্গে থাকছে শিক্ষার্থী লাউঞ্জ, অবসর কাটানোর জায়গা, জিম, ফুড লাউঞ্জসহ বিভিন্ন সুবিধা। বিশ্বমানের স্থাপত্য নকশায় গড়ে তোলা হচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টির নান্দনিক স্থায়ী ক্যাম্পাস।

সিইউবিতে রয়েছে আধুনিক সময়ের উপযোগী বিভিন্ন বিভাগ যেমন- শিপিং ও মেরিটাইম সায়েন্স, বিবিএ, এমবিএ ও ইএমবিএ, সিএসই, ইইই, এলএলবি, ইংলিশ, মিডিয়া কমিউনিকেশন ও জার্নালিজম, মাস্টার্স ইন মেরিটাইম ট্রান্সপোর্টেশন ও লজিস্টিকস। শিক্ষার্থীদের উৎসাহ দিতে রয়েছে বৃত্তির সুযোগ।

বিভিন্ন ব্যবসায়িক ও গবেষণা প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে সরাসরি সম্পৃক্ততা রয়েছে এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। এ ছাড়া কানাডাসহ বিভিন্ন দেশের বিশ্ববিদ্যালয় ও প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তিবদ্ধ আছে বিশ্ববিদ্যালয়টি। উত্তর আমেরিকার বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে সংগতি রেখে সাজানো হয়েছে এই প্রতিষ্ঠানের পাঠক্রম।

মন্তব্য

শিক্ষা
113 students of DU expelled

ঢাবির ১১৩ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার

ঢাবির ১১৩ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার ফাইল ছবি
গত বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও এর অধিভুক্ত কলেজের ১১৪ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী, সাময়িক ও বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কারের সুপারিশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাবমূর্তি ক্ষুন্ন, অসদাচরণ ও শৃঙ্খলা পরিপন্থী বিভিন্ন অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় বিশ্ববিদ্যালয়টির চার শিক্ষার্থীকে স্থায়ী ও ১০৯ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শৃঙ্খলা পরিষদের সভার সুপারিশ অনুযায়ী সোমবার অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটের এক সভায় বহিস্কারের এসব সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান সভায় সভাপতিত্ব করেন। সিন্ডিকেট সভায় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক ড. মুহাম্মদ সামাদ, উপ উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামালসহ সিন্ডিকেট সদস্যবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

এর আগে গত বুধবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও এর অধিভুক্ত কলেজের ১১৪ শিক্ষার্থীকে স্থায়ী, সাময়িক ও বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কারের সুপারিশ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটি। এর মধ্যে পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন ও পরীক্ষকদের সঙ্গে অসদাচরণের দায়ে ১০৯ জনকে বিভিন্ন মেয়াদে সাময়িক বহিষ্কারের সুপারিশ করা হয়।

আরও পড়ুন:
ঢাবি ও অধিভুক্ত কলেজের ১১৪ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কারের সুপারিশ
অসাম্প্রদায়িক চেতনার উজ্জ্বল দৃষ্টান্ত নেতাজি ও বঙ্গবন্ধু: ঢাবি উপাচার্য
ঢাবিতে 'শিবিরকর্মীকে' মারধরের অভিযোগ
নারীকে হেনস্তার অভিযোগে ঢাবির ২ ছাত্রলীগ নেতার বিরুদ্ধে মামলা
নারীকে গাড়িচাপা: ঢাবির সেই সাবেক শিক্ষক মারা গেছেন

মন্তব্য

শিক্ষা
A death threat to Professor Milton arrived in the letter box

চিঠির বাক্সে এলো অধ্যাপক মিল্টনকে হত্যার হুমকি

চিঠির বাক্সে এলো অধ্যাপক মিল্টনকে হত্যার হুমকি অধ্যাপক মিল্টন বিশ্বাস। ফাইল ছবি
চিঠির বিষয়ে অধ্যাপক মিল্টন বিশ্বাস বলেন, যারাই এসব কাজের সাথে যুক্ত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দাবি জানাচ্ছি। এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করবো।

ডাকে একটি বেনামি চিঠি পাঠিয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বাংলা বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মিল্টন বিশ্বাসকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে।

রোববার সকালে বিভাগের চেয়াম্যানের চিঠির বাক্স থেকে তিনি এই চিঠি পান বলে নিউজবাংলাকে জানিয়েছেন।

অধ্যাপক মিল্টন জানয়েছেন, চিঠিতে বিভিন্ন জাতীয় পত্রিকায় বর্তমান সরকারের উন্নয়ন কর্মকাণ্ড নিয়ে কলাম লেখার কারণে তাকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছে।

তিনি জানান, চার পৃষ্ঠার চিঠিটিতে বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও তার পরিবার নিয়ে কটূক্তি করাসহ অশ্লীল ভাষায় গাল-মন্দ করে সরকারের সমালোচনা করা হয়। এতে প্রধানমন্ত্রীর ছবিসহ ৯টি ছবির ওপর বিভিন্ন লেখা আছে।

এর আগেও ২০১৪ সালে বর্তমান সরকারের উন্নয়ন নিয়ে কলাম লেখার কারণে অধ্যাপক মিল্টন বিশ্বাসকে হত্যার হুমকি দেয়া হয়েছিল।

চিঠির বিষয়ে অধ্যাপক মিল্টন বিশ্বাস বলেন, যারাই এসব কাজের সাথে যুক্ত, তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়ার জন্য দাবি জানাচ্ছি। এ বিষয়ে থানায় সাধারণ ডায়েরি করবো।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় জবির ১৪ শিক্ষার্থীর সাজা
জবিতে ফাঁকা আসনে ভর্তির সুযোগ
বিশ্বসেরার তালিকায় জবির ৯৫ গবেষক

মন্তব্য

শিক্ষা
Special discount on admission to Canadian universities on the occasion of convocation

সমাবর্তন উপলক্ষে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটিতে ভর্তিতে বিশেষ ছাড়

সমাবর্তন উপলক্ষে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটিতে ভর্তিতে বিশেষ ছাড় সমাবর্তন উপলক্ষে ভর্তি ফিতে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের ছাড় উপলক্ষে দেয়া বিজ্ঞাপন। ছবি: সংগৃহীত
এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে টিউশন ফির ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃত্তি থাকছে। পাশাপাশি তিন বা তার বেশি শিক্ষার্থী একসঙ্গে ভর্তি হলে টিউশন ফিতে ৫ শতাংশ ছাড় পাওয়া যাবে।

রাজধানীর ওসমানী স্মৃতি মিলনায়তনে ৩১ জানুয়ারি অনুষ্ঠেয় প্রথম সমাবর্তন উপলক্ষে ভর্তি ফিতে বিশেষ ছাড় দিচ্ছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ।

‘কনভোকেশন স্পেশাল অ্যাডমিশন কার্নিভাল’ নামের ছাড় উৎসবে দুই সপ্তাহব্যাপী এইচএসসি ও এ-লেভেলের শিক্ষার্থীদের জন্য ভর্তি ফি ৪ হাজার টাকা এবং ডিপ্লোমাধারীদের জন্য ১ হাজার টাকা থাকবে বলে জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে টিউশন ফির ওপর ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃত্তি থাকছে। পাশাপাশি তিন বা তার বেশি শিক্ষার্থী একসঙ্গে ভর্তি হলে টিউশন ফিতে ৫ শতাংশ ছাড় পাওয়া যাবে।

এমবিএর শিক্ষার্থীদের জন্য টিউশন ফিতে ৫০ শতাংশ এবং এক্সিকিউটিভ এমবিএর জন্য ৬০ শতাংশ ছাড় থাকছে। সব বিষয়ে ভর্তিচ্ছুদের জন্য টিউশন ফির ওপর রয়েছে ৪০ শতাংশ ছাড়।

চলতি মাসের শেষের দিনে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির প্রথম সমাবর্তনে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের আচার্য রাষ্ট্রপতি মো. আবদুল হামিদ। শান্তিতে নোবেলজয়ী ও ভারতের শিশু অধিকারকর্মী কৈলাস সত্যার্থী সমাবর্তন বক্তা হিসেবে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে তার অভিজ্ঞতা বিনিময় করবেন।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটিতে স্নাতক পর্যায়ে বিবিএ, ইইই, সিএসই, ইংরেজি, এলএলবি, মিডিয়া কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম এবং শিপিং অ্যান্ড মেরিটাইম সায়েন্সে পড়ার সুযোগ আছে শিক্ষার্থীদের।

স্নাতকোত্তর পর্যায়ে রয়েছে মেরিটাইম ট্রান্সপোর্টেশন ও লজিস্টিকস, এমবিএ এবং এক্সিকিউটিভ এমবিএতে অধ্যয়নের সুযোগ।

ইইই ও সিএসইতে রয়েছে ডিপ্লোমা ডিগ্রিধারীদের ভর্তির সুযোগ।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশই দেশের একমাত্র বিশ্ববিদ্যালয়, যেখানে ব্লু ইকোনমির অপার সম্ভাবনাময় ‘শিপিং অ্যান্ড মেরিটাইম সয়েন্স’ বিষয়ে স্নাতক ও স্নাতকোত্তর ডিগ্রি দেয়া হয়।

ভর্তি সংক্রান্ত সব তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.cub.edu.bd) পাওয়া যাবে। বিস্তারিত তথ্যের জন্য ফোন করা যাবে ০১৭০-৭০৭০২৮০, ০১৭০-৭০৭০২৮১, ০১৭০-৭০৭০২৮৪ নম্বরে। ওই নম্বরগুলোতে হোয়াটসঅ্যাপে ম্যাসেজ করেও চ্যাট করা যাবে সিইউবির অ্যাডমিশন সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ ক্যাম্পাসের ঠিকানা: প্লট-খ, ২০১/১, প্রগতি সরণি, ঢাকা-১২১২, বাংলাদেশ।

আরও পড়ুন:
চুয়েটে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির ৩ দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ কর্মশালা
সিইউবির ইইইর শিক্ষার্থীদের দিনব্যাপী প্রশিক্ষণ ডিপিডিসির
চতুর্থ শিল্প বিপ্লব প্রকল্পে বৈশ্বিক র‌্যাংকিংয়ে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি ৪৪
সিইউবির আনুশা পেলেন ডায়ানা অ্যাওয়ার্ড
সিইউবির সেমিনারে শিক্ষাজীবনেই চাকরির দক্ষতা গড়ার পরামর্শ

মন্তব্য

শিক্ষা
Swapad VC Farid Uddin has not withdrawn the case of Shabi students

স্বপদে শাবি ভিসি ফরিদ উদ্দিন, প্রত্যাহার হয়নি শিক্ষার্থীদের মামলাও

স্বপদে শাবি ভিসি ফরিদ উদ্দিন, প্রত্যাহার হয়নি শিক্ষার্থীদের মামলাও অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদ। ফাইল ছবি
‘উচ্চপর্যায়ের’ সেই আশ্বাসের এক বছর পেরিয়েছে এরই মধ্যে। তবে এখন পর্যন্ত পূরণ হয়নি শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবি। স্বপদেই বহাল আছেন উপাচার্য । এ ছাড়া আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে করা একটি মামলাও এখন পর্যন্ত প্রত্যাহার হয়নি। পুলিশের স্পিল্টারে আহত শিক্ষার্থী সজল কুন্ডুর চিকিৎসাব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বহন করছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে।

উপাচার্য (ভিসি) অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদের পদত্যাগসহ পাঁচ দফা দাবিতে গত বছর আন্দোলনে নেমেছিলেন সিলেটের শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) শিক্ষার্থীরা। একপর্যায়ে ২৮ শিক্ষার্থী অনশনও শুরু করেন। পরে ২৬ জানুয়ারি ‘সরকারের উচ্চপর্যায়ের আশ্বাসে’ তাদের অনশন ভাঙান এই বিশ্ববিদ্যালয়েরই অবসরপ্রাপ্ত অধ্যাপক, লেখক মুহম্মদ জাফর ইকবাল। এরপর আন্দোলন স্থগিত করেন শিক্ষার্থীরা।

‘উচ্চপর্যায়ের’ সেই আশ্বাসের এক বছর পেরিয়েছে এরই মধ্যে। তবে এখন পর্যন্ত পূরণ হয়নি শিক্ষার্থীদের প্রধান দাবি। স্বপদেই বহাল আছেন উপাচার্য । এ ছাড়া আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে করা একটি মামলাও এখন পর্যন্ত প্রত্যাহার হয়নি। পুলিশের স্পিল্টারে আহত শিক্ষার্থী সজল কুন্ডুর চিকিৎসাব্যয় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বহন করছে না বলেও অভিযোগ উঠেছে।

২০২১ সালের জুনে দ্বিতীয় মেয়াদে শাবির উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পান অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন। তার নির্ধারিত চার বছর মেয়াদ শেষ হবে ২০২৫ সালের জুনে। এই সময়ের মধ্যে উপাচার্যের পদত্যাগে সরকারের ‘আশ্বাস’ বাস্তবায়ন নিয়ে শঙ্কিত খোদ আন্দোলনকারীরাই।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র মোহাইমিনুল বাশার রাজ নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দ্রুত সময়ের মধ্যে আমাদের দাবি পূরণ করার আশ্বাস দেয়া হয়েছিল। সেই আশ্বাসেই আমরা আন্দোলন স্থগিত করেছিলাম। কিন্তু এক বছরেও উপাচার্যের পদত্যাগসহ কয়েকটি দাবি পূরণ হয়নি। এগুলো আদৌ পূরণ হবে কি না এ নিয়ে আমরা নিজেরাই শঙ্কিত।’

তিনি বলেন, ‘গত এক বছরে ক্যাম্পাসে একটি ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে। আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের নানাভাবে হেনস্তা করা হচ্ছে। সরকারের তরফ থেকেও আমাদের সঙ্গে আর কোনো ধরনের যোগাযোগ করা হচ্ছে না।’

স্বপদে শাবি ভিসি ফরিদ উদ্দিন, প্রত্যাহার হয়নি শিক্ষার্থীদের মামলাও

আন্দোলনের শুরু ও শেষ যেভাবে

সিরাজুন্নেসা হলের প্রাধ্যক্ষ জাফরিন আহমেদের বিরুদ্ধে অসদাচরণের অভিযোগ তুলে তার পদত্যাগ দাবিতে গত বছরের জানুয়ারিতে আন্দোলনে নামেন শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্বববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

এই দাবিতে ১৬ জানুয়ারি দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদকে আইআইসিটি ভবনে অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা। পরে ওইদিন সন্ধ্যায় পুলিশ টিয়ারসেল ছুড়ে ও লাঠিপেটা করে উপাচার্যকে মুক্ত করে আনে। এ সময় পুলিশ-শিক্ষার্থী সংঘর্ষে আহত হন বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ, পুলিশসহ অন্তত ৩০ শিক্ষার্থী।

১৬ জানুয়ারি রাতেই সিন্ডিকেট সভা ডেকে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করেন উপাচার্য। পরদিন দুপুরের মধ্যে হল ছাড়তেও শিক্ষার্থীদের নির্দেশনা দেয়া হয়। তবে এই নির্দেশনা অমান্য করে ওই রাত থেকেই উপাচার্য ফরিদ উদ্দিনের পদত্যাগ দাবিতে টানা আন্দোলন শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনের অংশ হিসেবে ১৯ জানুয়ারি বিকেল থেকে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে আমরণ অনশনে বসেন ২৪ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে ১ জন শিক্ষার্থীর বাবার অসুস্থতার কারণে অনশন ত্যাগ করেন এবং আরও পাঁচ শিক্ষার্থী অনশনে বসেন। এক পর্যায়ে উপাচার্যের বাসভবনের বিদ্যুৎসংযোগও বন্ধ করে দেন তারা।

২৬ জানুয়ারি ভোররাতে ক্যাম্পাসে আসেন জনপ্রিয় লেখক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও তার স্ত্রী ড. ইয়াসমীন হক। তারা দুজনই শাবির অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষক। সরকারের উচ্চ পর্যায় থেকে শিক্ষার্থীদের সব দাবি মেনে নেয়া হবে, তারা দুজন এমন আশ্বাস দিলে ১৬৩ ঘণ্টা পর অনশন ভাঙেন ২৮ শিক্ষার্থী।

ওইদিন অধ্যাপক মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও অধ্যাপক ড. ইয়াসমিন হক শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেছিলেন, ‘সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে তোমাদের দাবিগুলো দ্রুততম সময়েয় মধ্যে মেনে নেয়ার আশ্বাস দেয়া হয়েছে। তাদের আশ্বাস না পেলে আমি এখানে আসতাম না। এখন যদি তারা কথা না রাখেন তা কেবল আমার সঙ্গে না দেশের সকল প্রগতিশীল মানুষের সাথেই মিথ্যাচার হবে’।

যেসব দাবি ছিল শিক্ষার্থীদের

শাবি শিক্ষাথীদের আন্দোলনের প্রেক্ষিতে ১১ ফেব্রুয়ারি সিলেটে এসে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি ও শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল তাদের সঙ্গে আলোচনায় বসেন। এসময় আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীরা উপাচার্যের পদত্যাগসহ পাঁচটি দাবি এবং আট দফা প্রস্তাবনা পেশ করেন।

তাদের দাবিগুলো ছিল- উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের পদত্যাগসহ ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক জহির উদ্দিন আহমেদ ও প্রক্টরিয়াল বডির অপসারণ, ক্যাম্পাসের সব আবাসিক হল সচল রাখার বিষয়ে উদ্যোগ, আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের অর্থ সাহায্য দেয়া পাঁচ সাবেক শিক্ষার্থীর জামিন ও অজ্ঞাতনামা শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে করা মামলা প্রত্যাহার এবং অনশনরত শিক্ষার্থী ও উপাচার্যের নির্দেশে পুলিশের হামলায় আহত শিক্ষার্থীদের চিকিৎসার ভার বহন।

সেদিন শিক্ষার্থীদের সঙ্গে আলোচনা করে তাদেরকে সব দাবি মেনে নেয়ার ব্যাপারে আশ্বস্ত করেন এবং উপাচার্যের পদত্যাগের বিষয়টি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠানোর আশ্বাস দেন শিক্ষামন্ত্রী ও উপমন্ত্রী। এই আশ্বাসের পরদিন ১২ ফেব্রুয়ারি আন্দোলন স্থগিতের ঘোষণা দেন শিক্ষার্থীরা।

এরপর শিক্ষার্থীদের দাবি মেনে ছাত্র উপদেষ্টা ও প্রক্টরিয়াল বডিতে পরিবর্তন আনা হয়, ক্যাম্পাসের সব আবাসিক হল সচল হয়, শিক্ষার্থীদের অর্থ সাহায্য দেয়া পাঁচ সাবেক শিক্ষার্থীর জামিন পান এবং তাদের বিরুদ্ধে দায়ের মামলা প্রত্যাহার করে নেয়া হয়।

স্বপদে শাবি ভিসি ফরিদ উদ্দিন, প্রত্যাহার হয়নি শিক্ষার্থীদের মামলাও

একবছরেও পূরণ হয়নি প্রধান দাবি

একবছর পেরিয়ে গেলেও এখন পর্যন্ত প্রধান দাবিসহ কয়েকটি দাবি পূরণ হয়নি বলে অভিযোগ করেছেন শিক্ষার্থীরা।

আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র মোহাইমিনুল বাশার রাজ বলেন, ‘আমাদের প্রথম এবং প্রধান দাবি ছিল দ্রুততম সময়ে ফরিদ উদ্দিন আহমেদকে উপাচার্য পদ থেকে অপসারণ করে একজন গবেষণামনা, শিক্ষাবিদ ও অবিতর্কিত ব্যক্তিকে উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হোক। মন্ত্রী এই বিষয়ে বলেছিলেন, ভিসির বিরুদ্ধে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের অভিযোগ আচার্যের কাছে উপস্থাপন করা হবে। আচার্য এ বিষয়ে সিদ্ধান্ত নেবেন। কিন্তু এতদিন পরেও ফরিদ উদ্দিন আহমদ শাবিপ্রবির উপাচার্য পদে বহাল আছেন।’

তিনি বলেন, ‘১৬ জানুয়ারির হামলার সবচেয়ে বড় ভুক্তভোগী সজল কুন্ডুকে অন্তত ৯ম গ্রেডের একটি চাকরি এবং নগদ ক্ষতিপূরণ দেয়ার স্পষ্ট আশ্বাস দেয়া হয়েছিল। কিন্তু সজল এখনো শিক্ষামন্ত্রীর দেয়া প্রতিশ্রুত ক্ষতিপূরণ বা চাকরি কোনোটাই পাননি।

‘উল্টো বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে তিনি যে ক্যাফেটেরিয়াটি চালাতেন সেটিও কেড়ে নেয়া হয়েছে। প্রথম কিছুদিন সরকারী তত্ত্বাবধানে সজলের নিয়মিত চেকআপের ব্যবস্থা করা দুই তিনমাস পর তাও বন্ধ করে দেয়া হয়েছে।’

এ ব্যাপারে অধ্যাপক ড. মুহম্মদ জাফর ইকবাল ও ড. ইয়াসমিন হকের মোবাইল ফোনে একাধিকবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তারা ফোন ধরেননি।

অনশনকারী শিক্ষার্থী ও আন্দোলনকারীদের অন্যতম মুখপাত্র শাহারিয়ার আবেদীন বলেন, ‘জাফর স্যারের সঙ্গে আমাদের মাঝেমাঝে কথা হয়। স্যারও এ বিষয়ে হতাশ। সরকারের উচ্চপর্যায় থেকে এখনো স্যারকে আমাদের দাবি পূরণে কাজ চলছে বলে জানানো হচ্ছে।’

দাবির বিষয়ে শিক্ষামন্ত্রীর সঙ্গে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের একটি বৈঠক আয়োজনে অধ্যাপক জাফর ইকবাল চেষ্টা করছেন বলে জানান শাহারিয়ার।

কথা বলতে নারাজ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ

শিক্ষার্থীদের আন্দোলন ও তাদের দাবি নিয়ে কোনো মন্তব্য করতে রাজি হননি শাবি উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমদ।

এ বিষয়ে বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র উপদেশ ও নির্দেশনা পরিচালক অধ্যাপক আমিনা পারভীন বলেন, ‘তাদের দাবি-দাওয়ার বিষয়ে আমি কোনো মন্তব্য করবো না। এগুলো আমার এখতিয়ারে নেই।

‘ওই ঘটনার পর আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি সুন্দর ও শিক্ষাবান্ধব পরিবেশ তৈরিতে সচেষ্ট ছিলাম। তাতে সফলও হয়েছি। এখন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্র-শিক্ষক সম্পর্ক অনেক ভালো।’

আরও পড়ুন:
শাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি কবীর, সম্পাদক মাহবুব
কমিটিহীন শাবি ছাত্রলীগ বিভক্ত সাত গ্রুপে
শাবিতে ভিসিবিরোধী আন্দোলন : ৫ ছাত্রকে মামলা থেকে অব্যাহতি

মন্তব্য

শিক্ষা
Farid Secretary Shamim President of Jabi Teachers Association

জাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ফরিদ, সম্পাদক শামীম

জাবি শিক্ষক সমিতির সভাপতি ফরিদ, সম্পাদক শামীম
নির্বাচনে সভাপতি হয়েছেন গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ফরিদ আহমদ। সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজির (আইআইটি) অধ্যাপক ড. এম শামীম কায়সার।

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) শিক্ষক সমিতির নির্বাচনে সভাপতি-সম্পাদকসহ ১১টি পদে জয়লাভ করেছে আওয়ামী লীগপন্থি শিক্ষক সংগঠন বঙ্গবন্ধু শিক্ষক পরিষদ এবং অন্য চারটি পদে জয়লাভ করেছে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম।

বুধবার সন্ধ্যা ৭টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ক্লাবে প্রধান নির্বাচন কমিশনার অনিরুদ্ধ কাহালি এই ফলাফল ঘোষণা করেন।

নির্বাচনে সভাপতি হয়েছেন গাণিতিক ও পদার্থ বিষয়ক অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন এবং পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. ফরিদ আহমদ। সাধারণ সম্পাদক পদে জয়ী হয়েছেন ইনস্টিটিউট অফ ইনফরমেশন টেকনোলজির (আইআইটি) অধ্যাপক ড. এম শামীম কায়সার।

জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম থেকে সম্পাদক পদে তিনটি জয় এসেছে। এর মধ্যে সহসভাপতি পদে প্রাণিবিদ্যাবিভাগের অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন, কোষাধ্যক্ষ পদে অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক মুহাম্মদ শফিকুল ইসলাম এবং যুগ্ম সম্পাদকপদে প্রাণরসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক বোরহান উদ্দিন জয় পেয়েছেন।

সদস্য পদে আওয়ামী লীগপন্থী শিক্ষক প্যানেল থেকে ৯টি পদে জয় এসেছে। তারা হলেন অধ্যাপক আহমেদ রেজা, অধ্যাপক নাজমুল হাসান তালুকদার, অধ্যাপক ফারহা মতিন জুলিয়ানা, অধ্যাপক মোহাম্মদ শফিক উর রহমান, অধ্যাপকমিজানুর রহমান, অধ্যাপক সুবর্ণা কর্মকার, অধ্যাপক সাব্বির আলম, সহযোগী অধ্যাপক মোহাম্মদ তারিকুল ইসলাম ও মাহফুজাখাতুন।

এছাড়া সদস্য পদে জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম থেকে সহকারী অধ্যাপক মোহাম্মদ রেজাউল রাকিব জয়লাভ করেছেন।

এর আগে সকাল ৯টায় জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক ক্লাবে শিক্ষক সমিতির নির্বাচন শুরু হয়ে দুপুর দেড়টায় শেষ হয়। এ নির্বাচনে মোট ৬০১ জন ভোটারের মধ্যে ভোট দেন ৫৭৫ জন ভোটার।

আরও পড়ুন:
চলে গেলেন প্রধানমন্ত্রীর সাবেক শিক্ষা উপদেষ্টা ড. আলাউদ্দিন
ফুটবল নিয়ে জাবির দুই হলের সংঘর্ষ, আহত ২৫

মন্তব্য

p
উপরে