× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
The changes that came in the initial transfer guidelines
google_news print-icon

প্রাথমিকে বদলি নির্দেশিকায় এলো যেসব পরিবর্তন

প্রাথমিকে-বদলি-নির্দেশিকায়-এলো-যেসব-পরিবর্তন
ফাইল ছবি
গত ২২ সেপ্টেম্বরের অনলাইন বদলির নির্দেশিকা জারি করলেও সর্বশেষ ২২ ডিসেম্বর জারি করা সংশোধিত নির্দেশকায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষক ও কর্মকর্তা-কর্মচারীরা প্রশিক্ষণ বা মাতৃত্বকালীন ছুটি কিংবা অন্য কোনো ছুটিতে থাকলে বদলির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন না।

সারা দেশে সরকারি প্রাথমিকে অনলাইন বদলির নির্দেশিকায় সংশোধন এনে এ তথ্য জানিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

গত ২২ সেপ্টেম্বরের অনলাইন বদলির নির্দেশিকা জারি করলেও সর্বশেষ ২২ ডিসেম্বর জারি করা সংশোধিত নির্দেশকায় বেশ কিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে।

বদলি নির্দেশিকার বিবিধ অংশের ১১.৩ ধারায় বলা হয়েছে, ছুটিতে থাকলে অনলাইনে বদলির আবেদন করা যাবে না। এ ছাড়াও এসেছে আরও কিছু পরিবর্তন।

কী পরিবর্তন আনা হয়েছে

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সচিব ফরিদ আহম্মদের সই করা নতুন নির্দেশিকা সম্প্রতি প্রকাশিত হয়েছে।

সংশোধিত নির্দেশিকায় নতুন একটি ধারা যুক্ত হয়েছে। যেখানে বলা হয়েছে, অন্য জায়গা থেকে সিটি সিটি করপোরেশনের ভেতরে অথবা আন্তসিটি করপোরেশনে বদলির ক্ষেত্রে সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বদলির আদেশ জারি করবেন।

পরিবর্তন আনা হয়েছে বদলির সাধারণ শর্তেও। ৩.১ ধারায় যুক্ত হওয়া নির্দেশিকায় বলা হয়েছে, বদলির ক্ষেত্রে উপজেলা/থানা ও সিটি করপোরেশনের ক্ষেত্রে একক ইউনিট হিসেবে গণ্য হবে।

৩.৪ ধারায় যুক্ত হয়েছে, যেসব বিদ্যালয়ে ৪ জন বা তার কমসংখ্যক শিক্ষক কর্মরত আছেন কিংবা শিক্ষক- শিক্ষার্থী অনুপাত ১:৪০ এর বেশি রযেছে, সে সব বিদ্যালয় থেকে সাধারণভাবে শিক্ষক বদলি করা যাবে না। তবে প্রতিস্থাপন/ পদায়ন সাপেক্ষে বদলি করা যাবে।

শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত নির্ধারণের ক্ষেত্রে ডাবল শিফটে শ্রেণি কার্যক্রম পরিচালনাকারী বিদ্যালয়গুলোর ক্ষেত্রে যে কোনো এক শিফটের শিক্ষার্থী যথা প্রথম ও দ্বিতীয় অথবা তৃতীয় হতে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত শিক্ষার্থীর সংখ্যার মধ্যে যে সংখ্যা বেশি হবে তা ১:৪০ অনুপাত হিসেবে বিবেচিত হবে।

৩.৬ ধারায় যুক্ত হয়েছে, উপজেলা/থানায় কোনো পদ শূন্য হলে প্রথমত, সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানার অধিবাসী প্রার্থী যারা নিজ উপজেলা/থানায় শূন্যপদ না থাকায় জন্য উপজেলা/থানায় নিয়োগপ্রাপ্ত হয়েছিলেন, দ্বিতীয়ত, সংশ্লিষ্ট উপজেলা/থানার অধিবাসী প্রার্থী সেই পদে বদলির জন্য অগ্রাধিকার পাবেন।

তবে, একাধিক পদ শূন্য থাকলে অন্য উপজেলা/থানা/জেলা/বিভাগের শিক্ষকরাও একইভাবে বদলির জন্য বিবেচিত হতে পারবেন। তবে আন্ত:উপজেলা/থানা, আন্ত:জেলা কিংবা আন্ত:বিভাগ বদলির ক্ষেত্রে বদলি হওয়া শিক্ষকের জ্যেষ্ঠতা প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় কর্তৃক জারি করা সর্বশেষ পরিপত্র/নীতিমালা দ্বারা নির্ধারিত হবে।

৩.৭ ধারায় যুক্ত হয়েছে উপজেলা বা থানার মধ্যে একই পদে একাধিক আগ্রহী প্রার্থী থাকলে তাদের মধ্যে যথাক্রমে (১) স্বামী/স্ত্রীর মৃত্যু/বিবাহ বিচ্ছেদ, (২) প্রতিবন্ধিতা, (৩) কর্মরত বিদ্যালয়ে কর্মকাল, (৪) লিঙ্গ, (৫) চাকরির আবেদনে উল্লিখিত স্থায়ী ঠিকানা/ স্বামীর স্থায়ী ঠিকানা থেকে দূরত্ব ও (৬) বিবাহ- এসব বিষয় বিবেচনায় নিয়ে অগ্রাধিকার নির্ধারণ করতে হবে। প্রতিবন্ধিতার ক্ষেত্রে শিক্ষকের সন্তান কিংবা স্বামী/স্ত্রী প্রতিবন্ধী হলেও তিনি অগ্রাধিকার পাবেন।

৩.১০ ধারায় যুক্ত হয়েছে বিধবা/বিবাহবিচ্ছেদ হওয়া শিক্ষক তার স্থায়ী বা বর্তমান ঠিকানায় বদলি হতে পারবেন। বিধবা/ বিবাহবিচ্ছেদ হওয়া শিক্ষক পুনরার বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হলে স্বামীর স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানায় বদলি হতে ইচ্ছা পোষণ করলে কাবিননামা/প্রত্যয়নসহ আবেদনের ভিত্তিতে পদ শূন্য থাকা সাপেক্ষে বদলি করা যাবে।

এমন বদলির ক্ষেত্রে নিজের স্থায়ী/বর্তমান ঠিকানার স্বপক্ষে এবং স্বামীর স্থায়ী ঠিকানার স্বপক্ষে সংশ্লিষ্ট পৌর মেয়র/ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান/ওয়ার্ড কাউন্সিলরের প্রত্যয়নপত্র, স্বামীর স্থায়ী ঠিকানার জমির দলিল ও খতিয়ান, ভূমি উন্নয়ন কর পরিশোধের রশিদসহ আবেদন করতে হবে।

বদলির শর্তেও পরিবর্তন আনা হয়েছে। ৮.১ ধারায় বলা হয়েছে, ইন্সট্রাক্টর, ইউআরসি/টিআরসি, পিটিআই ইন্সট্রাক্টর, উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার, সহকারী সুপারিনটেনডেন্ট এবং সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসারকে নিজ জেলায় পদায়ন/বদলি এবং অব্যবহিত পূর্ববর্তী কর্মস্থলে বদলি করা যাবে না।

তবে সহকারী উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার ও সহকারী ইন্সট্রাক্টর, ইউআরসি /টিআরসিকে নিজ উপজেলা এবং অব্যবহিত পূর্ববর্তী কর্মস্থল ব্যতীত অন্যত্র বদলি করা যাবে।

অপরিহার্যতা বিবেচনায় জনস্বার্থে প্রশাসনিক কারণে বদলির ক্ষেত্রে পরিবর্তন আনা হয়েছে। ৯.১ ধারায় বলা হয়েছে, আচরণবিধি লঙ্ঘন বা শৃঙ্খলাজনিত কারণে বদলির পাশাপাশি অপরিহার্যতা বিবেচনায় জনস্বার্থে/প্রশাসনিক কারণে বদলি করা যাবে।

এক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত মাননীয় মন্ত্রী/প্রতিমন্ত্রীর অনুমোদনক্রমে ৬ষ্ঠ থেকে তদূর্ধ্ব গ্রেডের কর্মচারীদের সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়, ৯ম ও ১০ম গ্রেডের (মূল প্রেড) কর্মচারীর বদলির ক্ষেত্রে এবং ১১তম থেকে ২০তম গ্রেডের কর্মচারীর আন্তঃবিভাগ বদলির ক্ষেত্রে সচিব, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের অনুমোদনক্রমে মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর বদলির আদেশ জারি করবেন।

এ ছাড়া উল্লিখিত কারণে একই বিভাগের (জেলা ও উপজেলাসহ) বদলির ক্ষেত্রে মহাপরিচালক, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অনুমোদনক্রমে বিভাগীয় উপ-পরিচালক বদলির আদেশ জারি করবেন।

আরও পড়ুন:
সরকারি প্রাথমিকে নিয়োগ পরীক্ষা হবে বিভাগভিত্তিক
প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা ফের চালু
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল ১৪ ডিসেম্বর

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Why civil servants should be called sir Umar Farooq

রাষ্ট্রের সেবকদের কেন ‘স্যার’ ডাকতে হবে: উমর ফারুক

রাষ্ট্রের সেবকদের কেন ‘স্যার’ ডাকতে হবে: উমর ফারুক জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে অবস্থান কর্মসূচিতে বসেছিলেন শিক্ষক উমর ফারুক। ছবি: সংগৃহীত
উমর ফারুক বলেন, ‘আর যেন কোথাও এমন ঘটনা না ঘটে। আমি এটাই চেয়েছি। এ জন্যই বসেছিলাম। আমি এটি ইস্যু করার জন্য সেখানে বসিনি। আমি একটা সামধান চেয়েছিলাম।’

রাষ্ট্রের মালিক জনগণ, প্রশাসকরা হলেন কর্মচারী। তাদের কেন মালিকরা স্যার ডাকবেন- এই প্রশ্ন তুলেছেন রংপুরের জেলা প্রশাসক চিত্রলেখা নাজনীনের বিরুদ্ধে ‘স্যার’ ডাকতে বাধ্য করার অভিযোগ তুলে প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বসা শিক্ষক উমর ফারুক।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সামনে হাতে লেখা প্ল্যাকার্ড নিয়ে বুধবার রাতে বসেছিলেন বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাউন্টিং অ্যান্ড ইনফরমেশন সিস্টেমস বিভাগের এই সহযোগী অধ্যাপক। সঙ্গে তার কন্যাশিশুও ছিল। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এ ঘটনা ছড়িয়ে পড়লে ব্যাপক সমালোচনা হয়। এক পর্যায়ে রাতেই অবশ্য জেলা প্রশাসক দুঃখ প্রকাশ করলে বিষয়টি সমাধান হয়ে যায়।

সার্বিক বিষয় নিয়ে শিক্ষক উমর ফারুক নিউজবাংলাকে বৃহস্পতিবার দুপুরে বলেন, ‘শুধু আমার জন্য আমি বসিনি। মনে হয়েছে সাধারণ মানুষ, বাকিরা প্রতিবাদ করলে এটার সমাধান হবে।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে অনেকেই মুজিব ভাই বলে ডাকতেন। রাষ্ট্র কাঠামোতে এক ধরনের আধিপত্যবাদ বিরাজ করছে। রাষ্ট্রকে যারা সেবা দেন, তারা ভুলে যান যে তিনি রাষ্ট্রের সেবক, আর মালিক জনগণ। জেলা প্রশাসক তো জনগণের সেবক। রাষ্ট্রের মালিক জনগণ। মালিক কেন সেবককে স্যার বলে ডাকবেন?’

অনেক প্রশাসক আছেন যারা সত্যিকার অর্থেই জনগণের সেবক, এমন মন্তব্য করে এই শিক্ষক বলেন, ‘অনেক প্রশাসক আছেন যারা জনগণের সঙ্গে মায়ের মতো, ভাইয়ের মতো আচরণ করেন। সংশোধনটা হতে হবে এখানেই।’

উমর ফারুক বলেন, ‘আর যেন কোথাও এমন ঘটনা না ঘটে। আমি এটাই চেয়েছি। এ জন্যই বসেছিলাম। আমি এটি ইস্যু করার জন্য সেখানে বসিনি। আমি একটা সামধান চেয়েছিলাম।’

রংপুরের প্রথম শহীদ শংকু সমজদারের নামে প্লে গ্রুপ থেকে পঞ্চম শ্রেণি পর্যন্ত একটি স্কুল পরিচালনা করে আসছেন শিক্ষক উমর ফারুক। বুধবার সেই স্কুলের বিষয়ে জেলা প্রশাসকের কাছে যান তিনি।

উমর ফারুক বলেন, ‘আমি সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে জেলা প্রশাকের দপ্তরে তার সঙ্গে দেখা করতে যাই একটি স্কুলের বিষয়ে। এক পর্যায়ে কথা বলে চলে আসার সময় তাকে আপা বলে সম্বোধন করে ধন্যবাদ বলে চলে আসছিলাম।’

তিনি বলেন, ‘এ সময় জেলা প্রশাসক সম্বোধন নিয়ে আপত্তি তোলেন। তিনি বলেন, একজন পুরুষ এই পদে থাকলে তিনি স্যার না সম্বোধন করে পারতেন কি না। জেলা প্রশাসক বলেন, এই চেয়ারকে সম্মান করে স্যার বলে ডাকা উচিত। আমি বলেছি, একজন শিক্ষককে আপনি স্যার বলেতে বলছেন? স্যার কেন বলব।’

সেখান থেকে বেরিয়ে এসে শিক্ষক উমর ফারুক জেলা প্রশাসক কার্যালয়ের নিচে প্রধান ফটকের সামনে অবস্থান নিয়ে অবস্থান কর্মসূচি শুরু করেন। তার হাতে থাকা প্ল্যাকার্ডে লেখা ছিল ‘রংপুরের জেলা প্রশাসক স্যার ডাকতে বাধ্য করায় অবস্থান কর্মসূচি।’

বিষয়টি জানাজানি হলে বিশ্ববিদ্যালয় থেকে শিক্ষার্থীরা এসে কর্মসূচিতে অংশ নেন। একপর্যায়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের আরও কয়েকজন শিক্ষকও সেখানে উপস্থিত হন। ফেসবুকেও ঘটনা ছড়িয়ে পড়ে।

পরে রাত পৌনে ৯টার দিকে সেখানে বিক্ষুব্ধ শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে জেলা প্রশাসক চিত্রলেখা নাজনীন পরিস্থিতির জন্য দুঃখ প্রকাশ করেন। বলেন, বিষয়টি নিয়ে ভুল বোঝাবুঝি হয়েছে।

সরকারি কর্মকর্তাদের ‘স্যার’ বলে ডাকতে হবে, এমন কোনো নিয়ম নেই বলে ২০২১ সালের ৭ সেপ্টেম্বর জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছিলেন।

ওইদিন সচিবালয়ে কর্মরত সাংবাদিকদের আয়োজিত মিট দ্য প্রেস অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘সরকারি কর্মকর্তাদের স্যার বা ম্যাডাম বলে সম্বোধন করতে হবে, এমন কোনো নীতি নেই।’

আরও পড়ুন:
এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ দাবিতে ১১ দিন ধরে প্রেস ক্লাবে শিক্ষকরা
সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি
প্রাথমিকে বদলি আবেদন শুরু মঙ্গলবার

মন্তব্য

শিক্ষা
The protest against the arrest of the head teacher on charges of sexual harassment

যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক আটক, বিক্ষোভ আগুন

যৌন হয়রানির অভিযোগে প্রধান শিক্ষক আটক, বিক্ষোভ আগুন ছাত্রীতে যৌন নির্যাতনের অভিযোগে বুধবার দেবিদ্বার উপজেলার মাশিকাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এলাকাবাসী বিক্ষোভ করে। ছবি:নিউজবাংলা
বুধবার দেবিদ্বার উপজেলার মাশিকাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রতিবাদে উত্তেজিত জনতা সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশা ও বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের কয়েকটি দরোজা ভাঙচুর করে। দুটি মোটরসাইকেলেও আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।

কুমিল্লার দেবিদ্বারে একটি স্কুলের প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে এক ছাত্রীকে যৌন হয়রানি ও উত্ত্যক্ত করার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ওই শিক্ষককে তার কক্ষে অবরুদ্ধ করে রেখে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থী ও অভিভাবকেরা। এ সময় দুটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়া হয়।

বুধবার দেবিদ্বার উপজেলার মাশিকাড়া উচ্চ বিদ্যালয়ে এ ঘটনা ঘটে। প্রতিবাদে উত্তেজিত জনতা সিএনজিচালিত একটি অটোরিকশা ও বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের কয়েকটি দরোজা ভাঙচুর করে।

সন্ধ্যা ৭টার দিকে ঘটনাস্থলে দেবিদ্বার-বিপাড়া (সার্কেল) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. আমিরুল্লা, ওসি কমল কৃষ্ণ ধরসহ এক দল পুলিশ উপস্থিত হয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করেন।

প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মো. মোক্তল হোসেন বুধবার দুপুরে স্কুলের বিরতির ফাঁকে এক ছাত্রীকে ডেকে তার অফিস কক্ষে নিয়ে যান। পরে তাকে ভালোমতো লেখাপড়া করা ও কোনো ছেলের সঙ্গে সম্পর্ক না করার জন্য উপদেশ দেন।

এসব কথাবার্তার ফাঁকে ওই প্রধান শিক্ষক ওই ছাত্রীকে জড়িয়ে ধরে স্পর্শকাতর জায়গায় হাত দেয়ার চেষ্টা করেন। এ সময় ওই ছাত্রী ধস্তাধস্তি করে দৌড়ে কক্ষ থেকে বের হয়ে যায়। এ ঘটনা বাইরে থাকা কয়েকজন শিক্ষার্থীও দেখে। পরে তারা পুলিশ ও সাংবাদিকদের কাছে সাক্ষ্য দেয়।

ওই ছাত্রী বাড়ি গিয়ে অভিভাবকদের ঘটনা জানালে তার বাবা স্কুলে আসেন। ঘটনা জানাজানি হলে কয়েক ঘণ্টার মধ্যে এলাকার কয়েক হাজার মানুষ স্কুল মাঠে উপস্থিত হয়ে প্রধান শিক্ষকের শাস্তির দাবিতে জুতার মালা ও প্লাকার্ড হাতে বিক্ষোভ করে।

এদিকে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে বিক্ষোভকারীরা পুলিশকে লক্ষ্য করে ইটপাটকেল ছুড়লে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে কয়েক রাউন্ড রাবার বুলেট ছোড়ে। এতে অন্তত ১০ জন আহত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে। আহতদের উদ্ধার করে দেবিদ্বার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ (কুমেক) হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

কুমেক হাসপাতালের পরিচালক ডা. আজিজুর রহমান সিদ্দিকী জানান, রাত ৯টার দিক রাবার বুলেট বিদ্ধ হওয়া ৫ ছাত্রকে হাসপাতালে আনা হয়েছে। তাদেরকে চিকিৎসা দেয়া হচ্ছে।

এদিকে অভিযুক্ত ওই প্রধান শিক্ষকের জামাতা ঘটনাস্থলে এলে তার ব্যবহৃত মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে আগুন ধরিয়ে দেয় বিক্ষোভকারীরা।

শ্লীলতাহানির শিকার ছাত্রীর বাবা বলেন, ‘দুপুরে আমার মেয়ে বাড়ি গিয়ে কান্নাকাটি শুরু করে। তাকে ঘটনা সম্পর্কে জিজ্ঞাসা করলে সে প্রধান শিক্ষকের যে আচরণের কথা বলেছে তা আমি বাবা হয়ে বলতে পারছি না। স্কুলের প্রধান শিক্ষক যদি মেয়েদের নিরাপত্তা দিতে না পারে, তাহলে আমরা কোথায় যাব? আমি আইনি ব্যবস্থা নেব।’

তবে অভিযোগ অস্বীকার করে প্রধান শিক্ষক মোক্তল হোসেন বলেন, ‘এসব অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা, বানোয়াট ও ভিত্তিহীন। মিথ্যা কলঙ্ক রটিয়ে একটি মহল আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।’

এ বিষয়ে দেবিদ্বার-বিপাড়া (সার্কেল) সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার মো. আমিরুল্লা বলেন, ‘অনেক চেষ্টা করেও বিক্ষোভকারীদের নিয়ন্ত্রণ করা যাচ্ছে না। তারা দুটি মোটরসাইকেলে আগুন ধরিয়ে দেয়। অভিযুক্ত প্রধান শিক্ষক পুলিশের হেফাজতে আছেন। ভুক্তভোগীর বাবা থানায় মামলা করতে চেয়েছেন। অভিযুক্ত শিক্ষকের বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন আইনে মামলার প্রস্তুতি চলছে।’

আরও পড়ুন:
ভাঙ্গায় ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা মামলায় প্রধান শিক্ষক গ্রেপ্তার
শ্লীলতাহানির চেষ্টার পর ট্রেন থেকে ছুড়ে ফেলে হত্যা
শ্লীলতাহানির মামলায় প্রধান শিক্ষক কারাগারে
বাসে ছাত্রীর শ্লীলতাহানির মামলায় চালক রিমান্ডে
‘ছাত্রীর শ্লীলতাহানি’, বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক গ্রেপ্তার

মন্তব্য

শিক্ষা
The acting registrars audio leak in EB

ইবিতে এবার ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের অডিও ফাঁস!

ইবিতে এবার ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের অডিও ফাঁস!
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি এমদাদুল আলম বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা খুবই বিব্রত। কর্মকর্তা সমিতি বিতর্কিত হয়ে গেল। আমরা প্রাথমিকভাবে তার কণ্ঠের সাদৃশ্য পেয়েছি। কর্মকর্তা সমিতির একটি জরুরি মিটিং ডেকেছি। মিটিংয়ে যে সিদ্ধান্ত হবে সে অনুযায়ী আমরা উপাচার্যের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করব।’

ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ে (ইবি) উপাচার্যের কথিত অডিও ফাঁসের পর এবার ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রারের আরেক অডিও ফাঁস হয়েছে। সাবেক ডাইরেক্টর অফ প্ল্যানিং (পিডি) ও বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসানের কণ্ঠের মতো অডিওটি সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়েছে।

মঙ্গলবার মধ্যরাত থেকে এই অডিও ‘সাথী খাতুন’ নামের একটি আইডি দিয়ে প্রচার করা হচ্ছে। লেনদেন সংক্রান্ত পৃথক চারটি সময়ের কথোপকথন একসঙ্গে যুক্ত করে ২ মিনিট ৫০ সেকেন্ডের অডিও ক্লিপিংটি প্রকাশ হয়েছে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে।

অডিও’র প্রথম অংশে মঈন নামের একজন বলেন- ‘স্যার, আসসালামু আলাইকুম স্যার। আমি মঈন বলছিলাম। স্যার, আজকে তো ওইটা জমা দিয়ে দিলাম। টাকা কোথায় কখন প্লেস করবো আপনাকে, বললে আমি ওইভাবে প্রিপারেশন নিতাম আর কি।’ এ সময় বর্তমান ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান সদৃশ কণ্ঠে বলা হয়- ‘আপনি, ৩টার সময় কুষ্টিয়া এসে দিতে হবে।’

তখন মঈন বলেন, ‘৩টার সময় স্যার পারবো না। সাড়ে ৪টার সময় পারবো।’ আলী হাসান- ‘সাড়ে ৪টার সময়ই দিয়েন।’ মঈন- ‘জ্বী স্যার, সাড়ে ৪টার সময় পাবো। চার লাখ টাকা পারবো। আপনার টোটাল টাকাটাই পাবো। কিন্তু আপনার চার লাখ টাকা সাড়ে ৪টা থেকে পাবো। ৫টা/সাড়ে ৫টার ভেতর দিয়ে দিব।’

আলী হাসান- ‘ফোনে এগুলো বলার দরকার নাই।’ মঈন- ‘আমি সেইফ জায়গায় আছি।’ আলী হাসান- ‘না না, ফোনে এগুলো বলার দরকার নেই।’ মঈন- ‘ওহ্‌ আচ্ছা, আচ্ছা ঠিক আছে।’ আলী হাসান- ‘আমি শুধু ফোনে বলে দিব কোন জায়গা।’ মঈন- ‘ওকে, ধন্যবাদ স্যার।’

অডিওর দ্বিতীয় অংশে রেজিস্ট্রার আলী হাসান বলেন, ‘কে বলছেন?’ বিপরীত পক্ষ থেকে বলা হয়, ‘মঈন সাহেব বলছিলাম, আপনি কে বলছিলেন?’ আলী হাসান- ‘আমি ডাইরেক্টর প্ল্যানিং বলছিলাম।’ মঈন- ‘ও আচ্ছা, স্যার। ওইটা সাড়ে ৪টার দিকে পাবেন।’

আলী হাসান- ‘আচ্ছা ঠিক আছে। ওইটা একটু দেখেশুনে বলবেন।’ মঈন- ‘না স্যার, বলব না। আামি শুধু ইঙ্গিত দিব আপনাকে। যে আমার হয়ে গেছে, আমি কোথায় আসবো।’ আলী হাসান- ‘আচ্ছা ঠিক আছে।’

অডিওর তৃতীয় অংশে রেজিস্ট্রার আলী হাসান মঈনকে উদ্দেশ করে বলেন, ‘হয়েছে?’ মঈন- না, এখনও হয়নি স্যার। বসে আছি ব্যাংকে। কনফার্মেশনের জন্য বসে আছি ঢাকার।’ এ সময় আলী হাসান বলেন, ‘আচ্ছা, আমি আছি। শহরের ভেতরেই আছি।’

অডিওর চতুর্থ অংশে মঈন বলেন, ‘আসসালামু আলাইকুম স্যার।’ আলী হাসান- ‘কী অবস্থা?’ মঈন- ‘স্যার, একটু অপেক্ষা করতে হবে। স্যার, একটু অপেক্ষা। কোথাও বসে চা-টা খান।’

আলী হাসান- ‘কতক্ষণ লাগবে আর?’ মঈন- ‘লাগবে… আধ ঘণ্টা লাগবে স্যার।’ আলী হাসান- ‘কত কত?’ মঈন- ‘ঢাকা থেকে ক্লিয়ারেন্স নিতে হয়েছে স্যার।’

আলী হাসান এ সময় বলেন, ‘আরে বাবা, এদিকে ব্যাংক বন্ধ করে দিব তো!’ মঈন- ‘আরে বইলেন না। ঢাকা থেকে আবার ক্লিয়ারেন্স নিতে হয়েছে। কিভাবে যে করেছি আল্লাহ ছাড়া কেউ জানে না। আপনি অল্প একটু অপেক্ষা করেন স্যার। একটু অপেক্ষা করেন, আসতিছি।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্মকর্তা সমিতির সভাপতি এমদাদুল আলম বলেন, ‘বিষয়টি নিয়ে আমরা খুবই বিব্রত। কর্মকর্তা সমিতি বিতর্কিত হয়ে গেল। আমরা প্রাথমিকভাবে তার কণ্ঠের সাদৃশ্য পেয়েছি। কর্মকর্তা সমিতির একটি জরুরি মিটিং ডেকেছি। মিটিংয়ে যে সিদ্ধান্ত হবে সে অনুযায়ী আমরা উপাচার্যের কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করব।’

এ বিষয়ে রেজিস্ট্রার এইচ এম আলী হাসান বলেন, ‘আমি বিষয়টি সম্পর্কে অবগত না। এমন ঘটনা ঘটলে আইনি পদক্ষেপ নিতে পারি। দেখি, বিষয়টি নিয়ে কী করা যায়।’

প্রসঙ্গত, এর আগে সম্প্রতি কয়েকদিন ধরে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. শেখ আবদুস সালামের কণ্ঠসদৃশ একাধিক অডিও ফাঁস হওয়ার ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষ থেকে একটি সাধারণ ডায়েরি করা হয়েছে। এছাড়াও এসব ঘটনায় জড়িতদের খুঁজে বরে করতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের মারধর: ইবিতে বহিরাগত প্রবেশ নিষিদ্ধ
ইবি শিক্ষার্থীকে মারধর, প্রতিবাদে মহাসড়ক অবরোধ
উদ্ধার হয়নি বিবস্ত্র করে ভিডিও ধারণের ফোন, মেলেনি ফুটেজও
পছন্দের হলেই উঠলেন ফুলপরী
ফুলপরীকে নির্যাতন: সানজিদাসহ পাঁচজনকে বহিষ্কার ইবির

মন্তব্য

শিক্ষা
After 16 in Chabi three more resigned

চবিতে ১৬ জনের পর আরও তিনজনের পদত্যাগ

চবিতে ১৬ জনের পর আরও তিনজনের পদত্যাগ চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ফটক। ফাইল ছবি
পদত্যাগকারীদের একজন সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ ইয়াকুব নিউজবাংলাকে বলেন, ‘উনি (নতুন প্রক্টর) ছাত্রজীবনে শিবিরের রাজনীতি করতেন। আমাদের ছাত্রলীগের অনেক ছেলের সঙ্গে উনি সমস্যা করেছেন। আমার আদর্শের বিপরীতে গিয়ে তার সঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরসহ বিভিন্ন পর্ষদ থেকে ১৬ জনের একযোগে পদত্যাগের পর এবার চারটি পদে আরও তিনজন পদত্যাগ করেছেন। তাদের মধ্যে একজন সহকারী প্রক্টর, দুই হলের প্রভোস্ট ও একটি দপ্তরের প্রশাসক রয়েছেন।

সোমবার দুপুরে বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কে এম নুর আহমদের কাছে পদত্যাগপত্র জমা দেন তারা।

পদত্যাগকারীদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেছে।

পদত্যাগকারীরা হলেন- সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ ইয়াকুব, খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট ও পরিবহন দপ্তরের প্রশাসক অধ্যাপক ড. মো. সাইদুল ইসলাম সোহেল এবং আতীশ দীপঙ্কর হলের প্রভোস্ট সুমন বড়ুয়া।

পদত্যাগপত্রে সাইদুল ইসলাম সোহেল ও সুমন বড়ুয়া ব্যক্তিগত কারণ উল্লেখ করেছেন।

অন্যদিকে সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ ইয়াকুব জানিয়েছেন, নতুন নিয়োগপ্রাপ্ত প্রক্টরের সঙ্গে আদর্শের দ্বন্দ্বের কারণে তিনি প্রক্টরিয়াল বডি থেকে পদত্যাগ করেছেন।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘কালকে (রোববার) নতুন প্রক্টর নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তিনি কখনোই আমাদের আদর্শের লোক ছিলেন না। আমি আমার আদর্শের জায়গায় দায়বদ্ধ। সেই জায়গায় আমি কখনও আপস করব না। এটার প্রতিবাদে আমি পদত্যাগ করলাম।’

মুহাম্মদ ইয়াকুব আরও বলেন, ‘উনি (নতুন প্রক্টর) ছাত্রজীবনে শিবিরের রাজনীতি করতেন। আমাদের ছাত্রলীগের অনেক ছেলের সঙ্গে উনি সমস্যা করেছেন। আমার আদর্শের বিপরীতে গিয়ে তার সঙ্গে কাজ করা সম্ভব নয়। তাকে নিয়োগ দেয়ার বিষয়ে ম্যামও (উপাচার্য) আমাদের সঙ্গে কোনো আলাপ-আলোচনা করেননি। এ অবস্থায় এই পদে আর থাকার প্রয়োজন বোধ করি না।’

আরও পড়ুন:
চবি ছাত্রলীগে ফের সংঘর্ষ ভাঙচুর, আহত ৪
একুশের প্রথম প্রহরে সংঘর্ষে চবি ছাত্রলীগ 
বসন্ত বরণে মেতেছে চবি ক্যাম্পাস
জাপানের নাগোয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে চবির ৮ শিক্ষক-শিক্ষার্থী
চবির আন্দোলনে হামলা ও সাংবাদিক হেনস্তার ঘটনা তদন্তে কমিটি

মন্তব্য

শিক্ষা
What is the reason behind the public resignation in the administration of Chabi?

চবি প্রশাসনে গণপদত্যাগের নেপথ্য কারণ কী?

চবি প্রশাসনে গণপদত্যাগের নেপথ্য কারণ কী? চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রধান ফটক। ছবি: নিউজবাংলা
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছেন যে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনে সুশাসনের মারাত্মক ঘাটতি রয়েছে। বিভিন্ন নিয়োগ নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। এখন তাদের হয়তো বোধোদয় হয়েছে যে উপাচার্যের স্বাভাবিক চাকরির মেয়াদ শেষ। আমাদের তো থাকতে হবে। আমরা এই অন্যায় বা আইন লঙ্ঘনের সঙ্গে আর থাকব না। অথবা তাদের কারও কারও হয়তো চাওয়া-পাওয়ার হিসাবটা মিলে নাই। সর্বোপরি কারণটা ব্যক্তিগত নয় তা বলাই যায়।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন থেকে একসঙ্গে ১৬ জনের পদত্যাগ ঘিরে তৈরি হয়েছে ধোঁয়াশা। পদত্যাগকারী শিক্ষকবৃন্দ ব্যক্তিগত কারণ দেখিয়ে পদত্যাগপত্র জমা দিলেও এর পেছনে অন্য কারণও থাকতে পারে বলে মনে করছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জ্যেষ্ঠ শিক্ষকরা।

প্রশাসনের একটি সূত্র বলছে, উপাচার্যের সঙ্গে প্রক্টরিয়াল টিমের মনোমালিন্য চলছিল। এর জের ধরেই প্রক্টরিয়াল টিমের বড় একটি অংশসহ প্রক্টরের আস্থাভাজন শিক্ষকরা একযোগে পদত্যাগ করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের একাধিক শিক্ষক ও কর্মকর্তা সূত্রে জানা যায়, নিয়োগ সংক্রান্ত মতবিরোধ ও কয়েকটি বিষয়ে মতানৈক্যের জেরে চবি উপাচার্য প্রক্টর ও একজন সহকারী প্রক্টরকে পদত্যাগ করতে বলেন। পরবর্তীতে প্রক্টর প্রশাসনের বিভিন্ন পদে থাকা তার আস্থাভাজনদের নিয়ে একযোগে পদত্যাগপত্র জমা দেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অধ্যাপক মো. জাকির হোসেন বলেন, ‘ব্যক্তিগত কারণে একজন পদত্যাগ করতেই পারেন। কিন্তু যখন একসঙ্গে ১৬ জন একযোগে পদত্যাগ করেন তখন কারণটি যে কেবল ব্যক্তিগত নয়, তা সহজেই অনুমান করা যায়।’

তিনি বলেন, ‘যখন এমন গণপদত্যাগের ঘটনা ঘটে তখন দু’টি বিষয় সামনে আসে। শিক্ষকরা দীর্ঘদিন ধরেই অভিযোগ করে আসছেন যে বিশ্ববিদ্যালয় আইন অনুযায়ী পরিচালিত হচ্ছে না। সুশাসনের মারাত্মক ঘাটতি রয়েছে। সে সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন নিয়োগের ক্ষেত্রে নানা প্রশ্ন উত্থাপিত হচ্ছে।

‘এখন তাদের (পদত্যাগকারী) হয়তো বোধোদয় হয়েছে যে উপাচার্যের স্বাভাবিক চাকরির মেয়াদ শেষ হয়ে গেছে। আর ক’দিনই বা তিনি থাকবেন। আমাদের তো অনেক দিন থাকতে হবে। আমরা এই অন্যায় বা আইন লঙ্ঘনের সঙ্গে আর থাকব না। সেই কারণে তারা একযোগে পদত্যাগ করেছেন। অথবা তাদের কারও হয়তো কোনো চাওয়া-পাওয়া ছিল কিন্তু সেই হিসাবটা মিলে নাই। সেটা থেকেও হতে পারে। পদত্যাগের কারণ কেবলই ব্যক্তিগত নয়।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসন থেকে এভাবে একযোগে পদত্যাগের কারণ কী তা জানতে চাইলে সদ্য প্রক্টরিয়াল টিম থেকে পদত্যাগকারী দুই শিক্ষক বলেন, গবেষণা কাজ ও নিজ পরিবারকে সময় দিতে পারছিলেন না তারা। এজন্য দায়িত্ব ছেড়ে দিয়ে নিজ কাজে ফিরতে চান তারা।

সদ্য পদত্যাগ করা সহকারী প্রক্টর গোলাম কুদ্দুস লাবলু বলেন, ‘আমাদের পদত্যাগটা পূর্বপরিকল্পিত না। সকালে কথা হতে হতে একসঙ্গে অনেকের পদত্যাগের বিষয়টি ঘটে গেছে।

উপাচার্যের সঙ্গে কোনো দ্বন্দ্ব নেই উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘ম্যামের সঙ্গে আমাদের কোনো দ্বন্দ্ব নেই। বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনাম মানেই আমাদের সুনাম। ব্যক্তিগত কারণে দায়িত্ব থেকে সরে যাওয়ার পর এখন একেকজন একেক কথা বলবে এটাই স্বাভাবিক।’

পদত্যাগ করা প্রক্টর অধ্যাপক ড. রবিউল হাসান ভূইয়া বলেন, ‘প্রশাসনের দায়িত্ব পালন ছাড়াও আমি গবেষণা কাজ করি। আমার গবেষণা এবং একাডেমিক কাজও ব্যাহত হচ্ছে। আমি কাউকেই পদত্যাগ করতে বলিনি।

‘শিক্ষকদের নিজ নিজ স্বাধীনতা আছে। তারা হয়তো শুনেছেন যে আমি পদত্যাগ করব। তাই তারাও করেছেন। অনেকে হয়তো আগে থেকেই চিন্তা করে রেখেছিলেন। তাই তারাও এখন পদত্যাগ করেছেন।’

তিনি বলেন, ‘আমি জাপান যাওয়ার আগে মৌখিকভাবেও উপাচার্যকে পদত্যাগের কথা বলেছিলাম। এর আগেও বিভিন্ন সময়ে বলেছি।

‘আরেকটি বিষয় হলো, এখানে এই দায়িত্বে থেকে আমি যদি শিক্ষকদের জন্য কন্ট্রিবিউট করতে না পারি, তাদের যৌক্তিক দাবি পূরণে কাজ করতে না পারি তাহলে এখানে থেকে কী হবে?’

বিষয়টি নিয়ে চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. শিরীণ আখতারের মন্তব্যের জন্য একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

প্রসঙ্গত, চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) প্রশাসন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর, প্রক্টরিয়াল টিমের একটি বড় অংশসহ একাধিক পর্ষদের ১৮ পদে ১৬ জন পদত্যাগ করেছেন।

রোববার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে রেজিস্ট্রার বরাবর পদত্যাগপত্র জমা দেন তারা।

তাদের মধ্যে প্রক্টরিয়াল টিমের পদ থেকে প্রক্টরসহ ছয় সহকারী প্রক্টর পদত্যাগ করেন। তারা হলেন- প্রক্টর অধ্যাপক ড. রবিউল হাসান ভুইয়া, সহকারী প্রক্টর এস এ এম জিয়াউল ইসলাম, শহীদুল ইসলাম, রামেন্দু পারিয়াল, শাহরিয়ার বুলবুল ও গোলাম কুদ্দুস লাবলু।

এর বাইরে হল ও অন্যান্য পর্ষদ থেকে যারা পদত্যাগ করেন তারা হলেন- শহীদ আব্দুর রব হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. রবিউল হাসান ভুইয়া, শাহজালাল হলের হাউজ টিউটর শাহরিয়ার বুলবুল, এ এফ রহমান হলের হাউজ টিউটর অনাবিল ইহসান, প্রীতিলতার হলের হাউজ টিউটর ফারজানা আফরিন, শহীদ আব্দুর রব হলের হাউজ টিউটর ড. এইচ এম আব্দুল্লাহ আল মাসুদ, শহীদ আব্দুর রব হল হাউজ টিউটর রমিজ আহমদ, শামসুন্নাহার হলের হাউজ টিউটর সাকিলা তাসমি, খালেদা জিয়া হলের হাউজ টিউটর শাহ আলম, নাসরিন আক্তার ও উম্মে হাবিবা এবং আলাওল হলের সিনিয়র হাউজ টিউটর ঝুলন ধর।

এর বাইরে আইকিউএসির অতিরিক্ত পরিচালক ড. মোহাম্মদ ওমর ফারুক পদত্যাগ করেন।

ঘণ্টাখানেকের ব্যবধানেই নতুন প্রক্টর নিয়োগ

এদিকে প্রক্টরের পদত্যাগের ঘণ্টাখানেকের ব্যবধানেই নতুন প্রক্টর নিয়োগ দেয়া হয়েছে

চবির রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) কে এম নূর আহমদ বলেন, ‘একজন প্রক্টর ও দুইজন সহকারী প্রক্টরকে নতুন করে নিয়োগ দেয়া হয়েছে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন ইনস্টিটিউট অফ মেরিন সায়েন্সেসের সহযোগী অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ নূরুল আজিম সিকদার। এর বাইরে দুজনকে সহকারী প্রক্টর হিসেবে নিয়োগ দেয়া হয়েছে। তারা হলেন- বিশ্ববিদ্যালয়ের ওশানোগ্রাফি বিভাগের প্রভাষক রোকন উদ্দিন ও ইনস্টিটিউট অফ মেরিন সায়েন্সেসের প্রভাষক সৌরভ সাহা জয়।

আরও পড়ুন:
চবিতে প্রক্টরের পদত্যাগের ঘণ্টাখানেক পর নতুন প্রক্টর
চবি প্রক্টরসহ বিভিন্ন পর্ষদের ১৬ জনের পদত্যাগ
চবির চারুকলা আরও একমাস বন্ধ
ছাত্রলীগের সংঘর্ষ: মধ্যরাতে চবির হলে তল্লাশিতে মিলল দেশীয় অস্ত্র
চবি ছাত্রলীগে ফের সংঘর্ষ ভাঙচুর, আহত ৪

মন্তব্য

শিক্ষা
Teachers in press club for 11 days demanding nationalization of MPO institutions

এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ দাবিতে ১১ দিন ধরে প্রেস ক্লাবে শিক্ষকরা

এমপিওভুক্ত প্রতিষ্ঠান জাতীয়করণ দাবিতে ১১ দিন ধরে প্রেস ক্লাবে শিক্ষকরা জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থানে শিক্ষক ও কর্মচারীরা। ছবি: নিউজবাংলা
সারা দেশ থেকে আসা শতাধিক শিক্ষক ও কর্মচারী অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন। তারা জাতীয়করণের সুস্পষ্ট ঘোষণা না আসা পর্যন্ত রাজপথে অবস্থান করবেন বলে জানিয়েছেন।

এমপিওভুক্ত শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান জাতীয়করণের দাবিতে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে লাগাতার অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা।

শিক্ষকদের অবস্থান কর্মসূচির ১১তম দিন ছিল সোমবার।

গত ২৪ ফেব্রুয়ারি থেকে জাতীয় প্রেস ক্লাবের সামনে অবস্থান নেন শিক্ষক ও কর্মচারীরা।

সারা দেশ থেকে আসা শতাধিক শিক্ষক ও কর্মচারী এ অবস্থান কর্মসূচিতে অংশ নেন। তারা জাতীয়করণের সুস্পষ্ট ঘোষণা না আসা পর্যন্ত রাজপথে অবস্থান করবেন বলে জানিয়েছেন।

অবস্থান কর্মসূছি থেকে শিক্ষক নেতারা বলেন, স্বাধীনতার ৫০ বছর পেরিয়ে গেলেও বেসরকারি এমপিওভুক্ত শিক্ষক ও কর্মচারীরা পূর্ণাঙ্গ সুযোগ-সুবিধা থেকে বঞ্চিত। পাঠ্যক্রম, সিলেবাস, আইন এবং একই মন্ত্রণালয়ের অধীনে শিক্ষাব্যবস্থা পরিচালিত হলেও সরকারি ও বেসরকারি শিক্ষক ও কর্মচারীদের সুযোগ-সুবিধার ব্যাপক ফারাক। অধ্যক্ষ থেকে কর্মচারী পর্যন্ত নামমাত্র ১ হাজার টাকা বাড়িভাড়া, ৫০০ টাকা চিকিৎসা ভাতা এবং উৎসব ভাতা ২৫ শতাংশ।

তারা আরও বলেন, অবসর ও কল্যাণ ট্রাস্টে শিক্ষক ও কর্মচারীদের কাছ থেকে প্রতি মাসে বেতনের ১০ শতাংশ কেটে রাখলেও ৬ শতাংশের বেশি সুবিধা এখনও দেয়া হয় না। বৃদ্ধ বয়সে যথাসময়ে এ টাকা প্রাপ্তির নিশ্চয়তা নেই।

জোটের যুগ্ম আহ্বাক প্রিন্সিপাল দেলোয়ার হোসেন আজিজী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী ২০১৩ সালে প্রায় ২৬ হাজার এক শর বেশি প্রাথমিক বিদ্যালয় জাতীয়করণ করেছেন। ২০১৮ সালে এমপিওভুক্ত শিক্ষক-কর্মচারীদের বেতন ৫% বার্ষিক প্রবৃদ্ধি ও বৈশাখী ভাতার ব্যবস্থা করেন। এরই ধারাবাহিকতায় এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণ এখন সময়ের দাবি।

‘এমপিওভুক্ত শিক্ষা জাতীয়করণে প্রয়োজন শুধু সরকারের সদিচ্ছা ও সুষ্ঠু নীতিমালা। প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান থেকে শিক্ষার্থীদের মাসিক বেতন ও টিউশন ফি বাবদ যা আয় হয়, তার যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করতে পারলে ভর্তুকি ব্যতিরেকেই জাতীয়করণ সম্ভব।’

আরও পড়ুন:
সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি
প্রাথমিকে বদলি আবেদন শুরু মঙ্গলবার
১৭তম শিক্ষক নিবন্ধন পরীক্ষার প্রিলির ফল প্রকাশ
ভোলায় ১৪ দিন পরও সন্ধান মেলেনি মাদ্রাসা শিক্ষকের
বরিশালে শিক্ষককে মারধরের অভিযোগ

মন্তব্য

শিক্ষা
Assistant Teacher Recruitment Notification

সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি

সহকারী শিক্ষক নিয়োগে বিজ্ঞপ্তি
রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের জেলাগুলোর সব উপজেলার স্থায়ী নাগরিকদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে। আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন শুরু হবে ১০ মার্চ, চলবে ২৪ মার্চ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে রাজস্ব খাতভুক্ত ‘সহকারী শিক্ষক’ পদে নিয়োগের জন্য বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর। এবার আগের মতো একযোগে নয়, বিভাগ অনুযায়ী নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়েছে।

শুরুতে তিনটি বিভাগের নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। জাতীয় বেতন স্কেল ২০১৫-এর ১৩তম গ্রেডে অস্থায়ীভাবে নিয়োগের জন্য রংপুর, বরিশাল ও সিলেট বিভাগের জেলাগুলোর সব উপজেলার স্থায়ী নাগরিকদের কাছ থেকে আবেদন আহ্বান করা হয়েছে।

মঙ্গলবার গণমাধ্যমে প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, আগ্রহীরা অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন। আবেদন শুরু হবে ১০ মার্চ, চলবে ২৪ মার্চ রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত।

প্রকাশিত বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী পদের নাম ‘সহকারী শিক্ষক’ এবং বেতন স্কেল: ১১,০০০-২৬,৫৯০ টাকা (গ্রেড-১৩)।

বয়সসীমা: ২৪ মার্চে সাধারণ প্রার্থীর বয়স ২১ থেকে ৩০ বছরের মধ্যে থাকতে হবে। তবে মুক্তিযোদ্ধার সন্তান ও শারীরিক প্রতিবন্ধীদের বেলায় বয়সের সর্বোচ্চ সীমা ৩২ বছর পর্যন্ত শিথিলযোগ্য।

প্রার্থীদের কোনো স্বীকৃত বিশ্ববিদ্যালয় থেকে দ্বিতীয় শ্রেণি বা সমমানের সিজিপিএসহ (৪-এর স্কেলে ন্যূনতম ২ দশমিক ২৫ এবং ৫-এর স্কেলে ন্যূনতম ২ দশমিক ৮) স্নাতক (সম্মান) বা সমমানের ডিগ্রি থাকতে হবে।

মন্তব্য

p
উপরে