× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Padma Bank seminar for students of South East University
google_news print-icon

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের নিয়ে পদ্মা ব্যাংকের সেমিনার

সাউথইস্ট-ইউনিভার্সিটির-শিক্ষার্থীদের-নিয়ে-পদ্মা-ব্যাংকের-সেমিনার
বুধবার বনানীতে সাউথইস্ট ইউনির্ভাসিটি ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত সেমিনারে শিক্ষক, কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থীবৃন্দ। ছবি: সংগৃহীত
সাউথইস্ট ইউনির্ভাসিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার মঞ্চ এই বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে পদ্মা ব্যাংকের এমন আয়োজন তাদেরকে অনেক বেশি অনুপ্রাণিত করবে।’

সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের অংশগ্রহণে ‘ফাইন্যান্সিয়াল লিটারেসি অ্যান্ড ব্যাংকিং ক্যারিয়ার’ শীর্ষক স্টুডেন্ট ব্যাংকিং সেমিনার করেছে পদ্মা ব্যাংক লিমিটেড।

বুধবার রাজধানীর বনানীতে সাউথইস্ট ইউনির্ভাসিটি ক্যাম্পাসে অনুষ্ঠিত এই সেমিনারের উদ্বোধন করেন ইউনিভার্সিটির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এএফএম মফিজুল ইসলাম।

প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি পদ্মা ব্যাংক কর্তৃপক্ষকে ধন্যবাদ জানিয়ে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের ভবিষ্যতের জন্য নিজেদের প্রস্তুত করার মঞ্চ এই বিশ্ববিদ্যালয়। সেখানে এ ধরনের আয়োজন তাদেরকে অনেক বেশি অনুপ্রাণিত করবে।

তিনি আরও বলেন, ‘সাউথইস্ট ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীদের চাকরিদাতারা খুঁজে নেয়, এখান থেকে পাশ করা শিক্ষার্থীরা কেউ বেকার থাকে না। তাই ব্যাংক তাদেরকে হাতে-কলমে সাক্ষাৎকার ও করপোরেট কালচার সম্পর্কে যে শিক্ষা দিয়েছে তা তাদের জন্য অনেক সহায়ক হবে।’

বিশেষ অতিথি পদ্মা ব্যাংকের চিফ হিউম্যান রিসোর্স অফিসার এম আহসান উল্লাহ খান সিভি লেখা ও চাকরির ইন্টারভিউ দেয়ার খুঁটিনাটি কৌশল সম্পর্কে সেমিনারে বিস্তারিত আলোচনা করেন।

এছাড়া হেড অফ রিটেইল অ্যান্ড এসএমই ব্যাংকিং রকিবুল হাসান চৌধুরী করপোরেট প্রেজেন্টেশন উপস্থাপন করেন।

অনুষ্ঠানে অন্যান্যের মধ্যে সাউথইস্ট ইউনির্ভাসিটির বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ-এর উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. এএনএম মেশকাত উদ্দীন, ব্যবসা প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. সিরাজুল ইসলাম, বিবিএ প্রোগ্রাম পরিচালক অধ্যাপক ড. শেখ আব্দুর রহিম বক্তব্য দেন।

এ সময় দুই প্রতিষ্ঠানের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। অনুষ্ঠান শেষে অংশগ্রহণকারী শিক্ষার্থীদের সার্টিফিকেট দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
শিক্ষার্থীদের ব্যাংকিং সেবা দিতে পদ্মা ব্যাংক-রিকো ইন্টারন্যাশনালের চুক্তি
পদ্মা ব্যাংকে এমটিও পদে নিয়োগ পরীক্ষা অনুষ্ঠিত
ম্যানেজমেন্ট ট্রেইনি অফিসার পদে পরীক্ষা নিল পদ্মা ব্যাংক
পদ্মা ব্যাংকে যোগ দিলেন সেলিম আনোয়ার
এবার গৃহঋণ দিচ্ছে পদ্মা ব্যাংক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Norwegian Ambassador to visit KSRM Green Yard

কেএসআরএম গ্রিন ইয়ার্ড পরিদর্শনে নরওয়ে রাষ্ট্রদূত

কেএসআরএম গ্রিন ইয়ার্ড পরিদর্শনে নরওয়ে রাষ্ট্রদূত
নরওয়ের সাবেক ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট মিনিস্টার এরিক সোলেইমি বলেন, জাহাজ ভাঙা শিল্পে চমৎকার উন্নয়ন হয়েছে। ২০১০ সালে এ শিল্প দেখতে এসেছিলাম। বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানাই হংকং কনভেনশন বাস্তবায়নের জন্য।

বাংলাদেশের জাহাজ ভাঙা শিল্পে ইতিবাচক পরিবর্তন আসছে বলে মন্তব্য করেছেন নরওয়ে রাষ্ট্রদূত এসপেন রিকটার-সভেন্ডসেন।

রোববার সীতাকুণ্ডের শীতলপুরের কবির শিপ রিসাইক্লিং ফ্যাসিলিটিজ পরিদর্শনকালে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

এ সময় রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে ছিলেন নরওয়ের সাবেক ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট মিনিস্টার এরিক সোলেইমি, ঢাকার নরওয়ে দূতাবাসের সিনিয়র অ্যাডভাইজর মোরশেদ আহমেদ, কেএসআরএমের উপ ব্যবস্থাপনা পরিচালক করিম উদ্দিন, পরিচালক আবদুল করিম দুলাল, প্রধান নির্বাহী কর্মকতা মেহেরুল করিম, গণমাধ্যম উপদেষ্টা মিজানুল ইসলাম, ইয়ার্ড সমন্বয়ক নেভাল ইঞ্জিনিয়ার আল আমিন ও টেকনিক্যাল সমন্বয়ক পার্থ সারথী গুহ।

কবির শিপ রিসাইক্লিং ফ্যাসিলিটিজ আইএসও সার্টিফাইড, এইচকেসি ২০০৯ কমপ্লায়েন্ট গ্রিন শিপ রিসাইক্লিং ফ্যাসিলিটি ভুক্ত এবং হংকং কনভেনশন অনুসারিত নিরাপদ ও পরিবেশবান্ধব জাহাজ পুনঃপ্রক্রিয়াজাতকরণ ফ্যাসিলিটিভুক্ত।

নরওয়ের সাবেক ক্লাইমেট অ্যান্ড এনভায়রনমেন্ট মিনিস্টার এরিক সোলেইমি বলেন, জাহাজ ভাঙা শিল্পে চমৎকার উন্নয়ন হয়েছে। ২০১০ সালে এ শিল্প দেখতে এসেছিলাম। বাংলাদেশ সরকারকে ধন্যবাদ জানাই হংকং কনভেনশন বাস্তবায়নের জন্য।

রাষ্ট্রদূত জানান, নরওয়ে এ শিল্পের উন্নয়নে সার্বিক সহযোগিতা করছে। সরকারের সহযোগিতা দরকার। আমরা প্রশিক্ষণ দিচ্ছি। নরওয়ের জাহাজ মালিকরা আগ্রহী হচ্ছেন বাংলাদেশে শিপ রিসাইক্লিং করতে।

কবির গ্রুপের সিইও মেহেরুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, গ্রিন ইয়ার্ড করার জন্য ২০১৪ সালের জুলাই থেকে কাজ শুরু করি আমরা। স্ট্যান্ডার্ড চার্টার্ড ব্যাংক আমাদের জানিয়েছিল ইয়ার্ডের উন্নয়ন করতো হবে। তখন আমরা গ্রিন সার্টিফিকেট পেতেও কাজ শুরু করি। ২০২২ সালের অক্টোবরে প্রথম গ্রিন সার্টিফিকেট পাই। এখন তিনটি প্রতিষ্ঠান থেকে গ্রিন সার্টিফিকেট পেয়েছি।

গ্রিন ইয়ার্ড করার খরচ প্রসঙ্গে তিনি বলেন, দুই ধরনের খরচ। দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলা এবং আর্থিক বিনিয়োগ।আমরা যন্ত্রপাতি কিনেছি। জনবল প্রশিক্ষণ দিয়েছি। ৩০ কোটি খরচ হয়েছে। এর মূল লক্ষ্য পরিবেশ ও জনশক্তির নিরাপত্তা।

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, এ মুহূর্তে লোকাল মার্কেটে স্ক্র্যাপের ডিমান্ড কম। ডলারের সংকটে জাহাজ আমদানিও কম। এ সুযোগে বেশিরভাগ ইয়ার্ড ডেভেলপ হচ্ছে।

তিনি বলেন, সৌভাগ্যবশত বাংলাদেশে এ শিল্পে স্ক্র্যাপের পাত, টুকরা লোড আনলোড করছি অটোমেটিক, ম্যাকানিকাল। ৭৮০ দিনে বড় কোনো দুর্ঘটনা ঘটেনি। সরকার থেকে সহযোগিতা দরকার। টিএসডিএফ করতে হবে। যত তাড়াতাড়ি সম্ভব এটা করতে হবে। সংবাদ বিজ্ঞপ্তি

মন্তব্য

শিক্ষা
In February remittances reached 216 million dollars

ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছে ২১৬ কোটি ডলার

ফেব্রুয়ারিতে রেমিট্যান্স এসেছে ২১৬ কোটি ডলার ফাইল ছবি
বৈধ চ্যানেলে ২১৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর আগের মাস জানুয়ারি মাসে ২১০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা।

ফেব্রুয়ারিতে ২ দশমিক ১৬ বিলিয়ন (২১৬ কোটি) ডলারের রেমিট্যান্স এসেছে বাংলাদেশে; যা চলতি ২০২৩-২৪ অর্থবছরের ৮ মাসের (জুলাই-ফেব্রুয়ারি) মধ্যে সর্বোচ্চ।

রোববকার পাওয়া বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, বৈধ চ্যানেলে ২১৬ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছেন প্রবাসীরা। এর আগের মাস জানুয়ারি মাসে ২১০ কোটি ডলার রেমিট্যান্স পাঠিয়েছিলেন প্রবাসীরা। খবর ইউএনবির

বৈধ চ্যানেলে চলতি বছরের প্রথম আট মাসে বাংলাদেশ এখন পর্যন্ত ১৩ দশমিক ২৬ বিলিয়ন ডলার রেমিট্যান্স পেয়েছে।

বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র মো. মেজবাউল হক বলেন, সরকার ও ব্যাংকগুলো প্রণোদনা দেওয়ায় বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বেড়েছে।

তিনি বলেন, ব্যাংকগুলোকে তাদের আর্থিক উৎস থেকে অতিরিক্ত প্রণোদনা দেওয়ার নির্দেশনা দিয়েছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক, যা বৈধ চ্যানেলে রেমিট্যান্স প্রবাহ বৃদ্ধিতে ভূমিকা রাখে।

প্রবাসী আয়ের ওপর সরকারের আড়াই শতাংশ প্রণোদনা দিয়ে ব্যাংকগুলো অতিরিক্ত আড়াই শতাংশ বেশি দামে ডলার কিনতে পারছে। মোট প্রণোদনা পাচ্ছে ৫ শতাংশ। ফলে বৈধ চ্যানেলে দেশে রেমিট্যান্স আসছে।

বেসরকারি গবেষণা প্রতিষ্ঠান সাউথ এশিয়ান নেটওয়ার্ক অন ইকোনমিক মডেলিংয়ের (সানেম) নির্বাহী পরিচালক অধ্যাপক ড. সেলিম রায়হান বলেন, রেমিট্যান্সের ওপর ৫ শতাংশ প্রণোদনা সাময়িকভাবে রেমিট্যান্স বাড়াতে সহায়তা করবে। কিন্তু দীর্ঘমেয়াদি কোনো সমাধান হবে না।

ড. রায়হান বলেন, ‘রেমিট্যান্স বাড়াতে হলে হুন্ডি বন্ধ করতে হবে। হুন্ডি বন্ধ করতে হলে মানি লন্ডারিং বন্ধ করতে হবে। এখন প্রচুর টাকা বিদেশে পাচার হচ্ছে। যেকোনো উপায়ে এটাকে নিয়ন্ত্রণ করতে হবে।’

মন্তব্য

শিক্ষা
Fuel prices are falling this month State Minister

চলতি মাসেই জ্বালানি তেলের দাম কমছে: প্রতিমন্ত্রী

চলতি মাসেই জ্বালানি তেলের দাম কমছে: প্রতিমন্ত্রী প্রতীকী ছবি
প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘জ্বালানি তেলের নতুন দামের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পেলেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’

আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রথমবারের মতো দেশের বাজারে জ্বালানি তেলের মূল্য সমন্বয় করতে যাচ্ছে সরকার। এ কাজে প্রথম দফায় দাম কমানো হচ্ছে বলে জানিয়ে বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ বলেছেন, চলতি মাসেই গ্রাহক পর্যায়ে দাম কমিয়ে প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।

রোববার সচিবালয়ে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘নতুন ফর্মুলায় প্রথমবারের মতো নির্ধারণ করা হচ্ছে জ্বালানি তেলের দাম। শিগগিরই দেশে জ্বালানি তেলের দাম ঘোষণা করা হবে।’

তিনি বলেন, ‘জ্বালানি তেলের নতুন দামের বিষয়টি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুমোদনের অপেক্ষায় রয়েছে। অনুমোদন পেলেই প্রজ্ঞাপন জারি করা হবে।’

প্রসঙ্গত, বাংলাদেশে জ্বালানি তেলের দাম নির্ধারিত হয় সরকারের আদেশে, কিন্তু প্রতিবেশী দেশ ভারতসহ বিভিন্ন দেশে আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় নিয়মিত মূল্য ওঠানামা করে।

বাংলাদেশেও এই পদ্ধতিতে জ্বালানি তেলে মূল্য সমন্বয় করতে দীর্ঘদিন থেকেই বলে আসছেন সংশ্লিষ্ট বিশেষজ্ঞরা।

বিদ্যুতের বাড়ানোর আগে গত মাসের শেষের দিকে নসরুল হামিদ বলেন, ‘মার্চ থেকে দেশের প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের মূল্য নির্ধারণ করা হবে।’

এ বিষয়ে ১ মার্চ বিদ্যুৎ, জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয় এক প্রজ্ঞাপনে জানায়, আন্তর্জাতিক বাজারের সঙ্গে সমন্বয় রেখে প্রতি মাসে জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ করবে সরকার। প্রাথমিকভাবে চলতি মার্চ থেকেই এ পদ্ধতি কার্যকর হবে।

‘জ্বালানি তেলের স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ নির্দেশিকা’শীর্ষক ওই প্রজ্ঞাপনে বলা হয়, পেট্রোলিয়াম পণ্য (ডিজেল, কেরোসিন, অকটেন ও পেট্রোল) তথা সরকার যে সব গ্রেডের জ্বালানি তেলের বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ করে থাকে, সেগুলোর জন্য এই স্বয়ংক্রিয় মূল্য নির্ধারণ পদ্ধতি প্রযোজ্য হবে।

এর বাইরেও প্রয়োজন মনে করলে, সরকার বা বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম কর্পোরেশন অন্যান্য পেট্রোলিয়াম পণ্যের ক্ষেত্রেও শর্ত সাপেক্ষে নির্দেশনা প্রয়োগ করতে পারবে।

আরও পড়ুন:
মার্চ নয়, বিদ্যুতের বর্ধিত মূল্য ফেব্রুয়ারি থেকেই কার্যকর
বিশ্ববাজারের সঙ্গে ওঠানামা করবে জ্বালানি তেলের দাম: প্রতিমন্ত্রী
দাম বাড়ছে বিদ্যুতের, মার্চের প্রথম সপ্তাহে কার্যকরের চিন্তা

মন্তব্য

শিক্ষা
MARCEL DIGITAL CAMPAIGN STARTS SEASON 20

মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ শুরু

মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ শুরু ‘মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০’-এর ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে উপস্থিত প্রতিষ্ঠানটির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা। ছবি: নিউজবাংলা
রাজধানীর এক পাঁচ তারকা হোটেলে বৃহস্পতিবার দুপুরে ‘মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০’-এর ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে বিভিন্ন সুবিধার ঘোষণা দেয়া হয়।

ঈদুল ফিতরকে সামনে রেখে মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০-এর ডিক্লারেশন প্রোগ্রাম শুরু হয়েছে।

ইলেকট্রনিক্স পণ্যের ক্রেতাদের কাছে জনপ্রিয়তা পেয়েছে মার্সেলের ১৯টি ডিজিটাল ক্যাম্পেইন। এরই পরিপ্রেক্ষিতে ঈদকে সামনে রেখে সারা দেশে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ শুরু করেছে শীর্ষস্থানীয় দেশীয় ইলেকট্রনিক্স ব্র্যান্ড মার্সেল।

রাজধানীর এক পাঁচ তারকা হোটেলে বৃহস্পতিবার দুপুরে ‘মার্সেল ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০’-এর ডিক্লারেশন প্রোগ্রামে বিভিন্ন সুবিধার ঘোষণা দেয়া হয়।

পূর্বের মতো ক্যাম্পেইনের এই সিজনেও মার্সেল পণ্যের ক্রেতাদের জন্য রয়েছে বিশেষ চমক। সিজন-২০-এর আওতায় দেশের যেকোনো শোরুম থেকে মার্সেল ব্র্যান্ডের ফ্রিজ, টিভি, এয়ার কন্ডিশনার বা এসি, ওয়াশিং মেশিন ও ফ্যান কিনে ক্রেতারা ১০ লাখ টাকা পর্যন্ত ক্যাশব্যাক পেতে পারেন। এ ছাড়া রয়েছে লাখ টাকার নিশ্চিত উপহার।

১ মার্চ থেকে পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত এ সুবিধা পাবেন ক্রেতারা।

এই অনুষ্ঠানে আরও জানানো হয়, অনলাইন অটোমেশনের মাধ্যমে গ্রাহকদের আরও দ্রুত ও সর্বোত্তম বিক্রয়োত্তর সেবা দিতে সারা দেশে ডিজিটাল ক্যাম্পেইন চালাচ্ছে মার্সেল।

কর্তৃপক্ষ জানায়, ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে রেজিস্ট্রেশন পদ্ধতিতে ক্রেতার নাম, মোবাইল নম্বর ও বিক্রি করা পণ্যের মডেল নম্বরসহ বিস্তারিত তথ্য মার্সেলের সার্ভারে সংরক্ষণ করা হচ্ছে। ফলে ওয়ারেন্টি কার্ড হারিয়ে ফেললেও দেশের যেকোনো মার্সেল সার্ভিস সেন্টার থেকে দ্রুত সেবা পাচ্ছেন গ্রাহক। অন্যদিকে সার্ভিস সেন্টারের প্রতিনিধিরাও গ্রাহকের ফিডব্যাক জানতে পারছেন। এ কার্যক্রমে ক্রেতাদের স্বতঃস্ফূর্ত অংশগ্রহণে উদ্বুদ্ধ করতে ক্যাম্পেইনের আওতায় নানা সুবিধা দেয়া হচ্ছে।

মন্তব্য

শিক্ষা
Despite being a developing country Bangladesh will get tariff benefits for 3 years
ডব্লিউটিওর সম্মেলনে সিদ্ধান্ত

উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার পরও ৩ বছর শুল্ক সুবিধা পাবে বাংলাদেশ

উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার পরও ৩ বছর শুল্ক সুবিধা পাবে বাংলাদেশ
সম্মেলনের খসড়া ঘোষণায় বলা হয়, স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ২০২৯ সাল পর্যন্ত উন্নয়নশীল ও উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোয় রপ্তানি পণ্যের জন্য স্বল্প বা শূন্য শুল্ক সুবিধা ভোগ করবে।

২০২৬ সালে স্বল্পোন্নত দেশ (এলডিসি) থেকে উন্নয়নশীল দেশের তালিকায় আসার পর বাংলাদেশ আরও তিন বছর শুল্ক সুবিধা পাবে। বিশ্ব বাণিজ্য সংস্থার (ডব্লিউটিও) ১৩তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে এ সংক্রান্ত এক সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

গত ২৬ ফেব্রুয়ারি থেকে ১ মার্চ আবুধাবিতে ডব্লিউটিওর ১৩তম মন্ত্রী পর্যায়ের বৈঠকে সদস্য দেশগুলোর মন্ত্রীরা উন্নয়নশীল দেশের খ্যাতি অর্জনের পরও সেসব দেশের জন্য স্বল্পোন্নত দেশের বাণিজ্য সুবিধা বজায় রাখতে রাজি হন।

শুক্রবার শেষ হওয়া ডব্লিউটিও সম্মেলনের খসড়া ঘোষণায় বলা হয়, স্বল্পোন্নত দেশ হিসেবে বাংলাদেশ ২০২৯ সাল পর্যন্ত উন্নয়নশীল ও উন্নত অর্থনীতির দেশগুলোয় রপ্তানি পণ্যের জন্য স্বল্প বা শূন্য শুল্ক সুবিধা ভোগ করবে।

ঘোষণাপত্রে বলা হয়, ডব্লিউটিওর বিরোধ নিষ্পত্তি সমঝোতার ২৪ অনুচ্ছেদ অনুসারে স্বল্পোন্নত দেশের তালিকা থেকে বের হয়ে উন্নয়নশীল দেশ হওয়ার বিষয়ে জাতিসংঘের ঘোষণার দিন থেকে সেসব দেশ পরবর্তী তিন বছর এ সুবিধা পাবে।

এছাড়া, সেসব দেশ ডব্লিউটিওর কারিগরি সহায়তা ও প্রশিক্ষণ পরিকল্পনার আওতায় তিন বছর পর্যন্ত কারিগরি সহায়তা পাবে।

ঘোষণায় আরও বলা হয়, এই পরিকল্পনার আওতায় বিদ্যমান স্বল্পোন্নত দেশগুলোর অংশগ্রহণকে অগ্রাধিকার দেয়া হবে।

ডব্লিউটিওর কমিটিগুলো ২০২৪ সালের ডিসেম্বরের মধ্যে এই সিদ্ধান্ত পর্যালোচনা ও জেনারেল কাউন্সিল অগ্রগতিবিষয়ক পরবর্তী মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলনে প্রতিবেদন দেবে।

ডব্লিউটিওর প্রস্তাবিত ব্যবস্থার আওতায় সদ্য উন্নয়নশীল দেশগুলোর জন্য স্বল্পোন্নত দেশগুলোর সব শুল্ক সুবিধা কার্যকর রাখা না গেলেও সেসব উন্নয়নশীল দেশের অর্থনৈতিক অবস্থা ও পণ্যের বিষয়গুলো বিবেচনায় রাখা যেতে পারে।

ডব্লিউটিও সদস্য দেশগুলো ই-কমার্সের ওপর আমদানি শুল্ক স্থগিতের মেয়াদ আরও দুই বছর বাড়াতে রাজি হয়েছে।

যদিও আলোচনা এক দিন বাড়িয়ে ১ মার্চ পর্যন্ত করা হয়, তবে ডব্লিউটিও ১৩তম মন্ত্রী পর্যায়ের সম্মেলন সরকারি খাদ্য মজুত, মৎস্য খাতে ভর্তুকির মতো কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়।

আরও পড়ুন:
বৈশ্বিক বাণিজ্যে ১.৭ শতাংশ প্রবৃদ্ধির আভাস

মন্তব্য

শিক্ষা
Even if the duty is reduced by 10 percent the price of dates is out of reach

শুল্ক ১০ শতাংশ কমলেও খেজুরের দাম নাগালের বাইরে

শুল্ক ১০ শতাংশ কমলেও খেজুরের দাম নাগালের বাইরে শুল্ক কমানোর পর চট্টগ্রাম বন্দরে প্রতিদিন বিপুল পরিমাণ খেজুরের চালান খালাস হচ্ছে। ছবি: সংগৃহীত
খেজুরের আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ কমিয়ে করা হয়েছে ৪৩ শতাংশ। তারপরও দাম না কমে উল্টো বাড়ছে। ওদিকে শুল্ক কমানোর পর পবিত্র রমজান সামনে রেখে চট্টগ্রাম বন্দরে খেজুরের চালান খালাসের পরিমাণ বেড়েছে। গত কয়েক দিনে ৬০৫ কনটেইনার খেজুর খালাস হয়েছে। প্রতিদিন খালাস অব্যাহত রয়েছে।

খেজুর আমদানিতে শুল্ক ছিল ৫৩ শতাংশ। চলতি বছরের ৮ ফেব্রুয়ারি ১০ শতাংশ কমিয়ে করা হয়েছে ৪৩ শতাংশ। তারপরও দাম না কমে উল্টো বাড়ছে খেজুরের দাম।

ওদিকে বন্দরে খেজুরের চালান খালাসের পরিমাণ বেড়েছে। গত কয়েক দিনে ৬০৫ কনটেইনার খেজুর খালাস হয়েছে। প্রতিদিন খালাস অব্যাহত রয়েছে।

জানা গেছে, পবিত্র রমজান শুরু হতে পারে আগামী ১২ মার্চ। ধর্মপ্রাণ মুসলমানরা রমজান মাসজুড়ে সিয়াম সাধনা করেন। আর ইফতার পর্বে অন্যতম অনুষঙ্গ হচ্ছে খেজুর। এ কারণে রমজান মাসে চাহিদা বেশি থাকা পণ্যগুলোর একটি খেজুর।

পণ্যটির দাম নিয়ন্ত্রণে চলতি মাসে আমদানি শুল্ক ১০ শতাংশ কমিয়ে আনে সরকার। এর পাশাপাশি বাজারে তদারকি ও বিভিন্ন উদ্যোগ নিলেও তা কোনো কাজে আসছে না। গত বছরের তুলনায় বর্তমানে দেশের বাজারে খেজুরের দাম ৪০ থেকে ৬০ শতাংশ বেড়েছে।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) ৮ ফেব্রুয়ারি একটি আদেশে খেজুরের আমদানি শুল্ক ২৫ শতাংশ থেকে কমিয়ে ১৫ শতাংশে করার ঘোষণা দেয়। এর আগে খেজুর আমদানিতে সর্বমোট ৫৩ শতাংশ শুল্ক পরিশোধ করতে হতো।

শুল্ক ১০ শতাংশ কমলেও খেজুরের দাম নাগালের বাইরে
সরকার আমদানি শুল্ক কমালেও খেজুরের দাম না কমে আরও বাড়ছে। ছবি: সংগৃহীত

ব্যবসায়ীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্তমানে খেজুরের শুল্কায়ন মূল্য প্রতি টন এক হাজার থেকে দু’হাজার ৭৫০ ডলার। এর সঙ্গে কাস্টমস ডিউটি ১৫ শতাংশ, রেগুলেটরি ডিউটি ৩ শতাংশ ও ভ্যাট ১৫ শতাংশ। পাশাপাশি অগ্রিম আয়কর ও অগ্রিম কর ৫ শতাংশ হারে দিতে হচ্ছে। এসব মিলে সর্বমোট শুল্ক দিতে হচ্ছে ৪৩ শতাংশ।

ব্যবসায়ীরা জানান, গত বছর রমজানের আগে মানভেদে প্রতি কেজি খেজুরে শুল্ক দিতে হতো ৫ দশমিক ৪৫ থেকে ২১ দশমিক ৮৪ টাকা। এবার শুল্ক দাঁড়িয়েছে ৫৪ থেকে ২০৮ টাকা। মূলত শুল্কের প্রভাব পড়েছে খেজুরের দামে। গত বছরের তুলনায় প্রতি কেজি খেজুরে জাতভেদে দাম বেড়েছে ১০০ থেকে ৬শ’ টাকা পর্যন্ত।

দেশে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া খেজুরের মধ্যে রয়েছে দাবাস, জাহিদি, বরই ও গলা খেজুর। চট্টগ্রামে খুচরা বাজারে প্রতি কেজি গলা বা বাংলা খেজুর বিক্রি হচ্ছে ২০০ টাকা, জাহিদি খেজুর ২৪০ থেকে ২৬০ ও দাবাস খেজুর ৪৫০ থেকে ৫৫০ টাকায়। এছাড়া বরই খেজুর মানভেদে বিক্রি হচ্ছে ৪৪০ থেকে ৫৪০ টাকা কেজি।

অভিজাত শ্রেণীর পছন্দের খেজুরের মধ্যে রয়েছে সৌদি আরবের মেডজুল, মাবরুম, আজওয়া ও মরিয়ম। এক মাসের ব্যবধানে এসব খেজুরের দাম কেজিতে বেড়েছে ২০০ থেকে ৩০০ টাকা। জাম্বো মেডজুল মানভেদে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১ হাজার ৬০০ থেকে ১ হাজার ৮০০ টাকা, সাধারণ মেডজুল ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ৪০০, মাবরুম খেজুর ১ হাজার ১০০ থেকে ১ হাজার ৫০০, আজওয়া খেজুর ৯০০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।

সবচেয়ে ভালো জাতের মরিয়ম খেজুর বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ৯০০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকা। এছাড়া কালমি মরিয়ম ৮০০ থেকে ৯০০, সুফরি মরিয়ম ৭৫০ থেকে ৮০০, আম্বার ও সাফাভি ৯০০ থেকে ১ হাজার ২০০ ও সুক্কারি খেজুর ৮০০ থেকে ৯০০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

দেশের অন্যতম বড় পাইকারি বাজার চট্টগ্রামের খাতুনগঞ্জ। এখানে খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ২০২৩ সালে রোজার আগে জাহেদি ব্র্যান্ডের খেজুরের দাম ছিল কার্টনপ্রতি (১০ কেজি) ১ হাজার ২৫০ থেকে ১ হাজার ৩০০ টাকা। আর এক সপ্তাহ আগেও একই ব্র্যান্ডের খেজুরের দাম ছিল কার্টনপ্রতি ১ হাজার ৮০০ টাকা।

পাইকারি ও ট্রেডিং প্রতিষ্ঠানের দেয়া তথ্যে জানা গেছে, বর্তমানে প্রতি ৫ কেজির এক কার্টন মেডজুল খেজুর বিক্রি হচ্ছে ৬ হাজার টাকায়। গত বছর তা ছিল ৩ হাজার ৫০০ থেকে ৩ হাজার ৮০০ টাকা। আর ফেব্রুয়ারির শুরুতে সাধারণ খোলা খেজুর কেজিপ্রতি পাইকারি দাম ছিল ১২৮ থেকে ১৩০ টাকা। বর্তমানে দাম বেড়ে বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৫৫ টাকা কেজি।

শুল্ক ১০ শতাংশ কমলেও খেজুরের দাম নাগালের বাইরে

পাইকারি বাজার সূত্রে জানা গেছে, বাজারে সবচেয়ে বেশি বিক্রি হয় জাহিদি জাতের খেজুর। এক বছর আগে প্রতি কেজি জাহেদি খেজুর খুচরা পর্যায়ে ১৫০ টাকায় পাওয়া যেত। শুল্ক কমানোর পরও বর্তমানে এই খেজুর খুচরা বাজারে বিক্রি করতে হবে ২৭০ থেকে ২৮০ টাকা।

অন্যদিকে সাধারণ মানুষের জন্য আমদানি করা খোলা (বস্তায় বিক্রি হওয়া ভেজা) খেজুর রোজা আসার আগেই কেজিপ্রতি পাইকারি দাম ১৫৫ টাকায় উঠে গেছে। ফলে খুচরা পর্যায়ে এই মানের খেজুর বিক্রি করতে হবে কমপক্ষে ১৬৫ থেকে ১৭০ টাকা কেজি।

বন্দর সূত্রে জানা যায়, গত ১৫ দিনে সবচেয়ে বেশি খেজুর বন্দর থেকে খালাস নিয়েছেন ব্যবসায়ীরা। আগে বন্দর থেকে দিনে খেজুর ভর্তি ছয় কনটেইনার খালাস হলেও রমজান সামনে রেখে খালাসের পরিমাণ ৭০ কনটেইনারে গিয়ে ঠেকেছে। কিন্তু দাম কমছে না।

ক্যাবের সহ-সভাপতি এস এম নাজের হোসাইন বলেন, ‘সরকার শুল্ক কমানোর পর ব্যবসায়ীরা খেজুর খালাসে তোড়জোড় শুরু করেছেন। কিন্তু শুল্ক কমানোর পরও ভোক্তারা কম দামে খেজুর কিনতে পারছেন না। শুল্ক কমানো এবং পর্যাপ্ত আমদানি সত্ত্বেও খেজুরের দাম কেন কমছে না তা তদারকি করতে হবে। তদারকি না করলে রোজায় খেজুর কিনতে পারবে না সাধারণ শ্রেণীর ভোক্তারা।

জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের তথ্য বলছে, গত বছরের ১ অক্টোবর থেকে চলতি বছরের ২২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত ২২ হাজার ৬৬৩ টন খেজুর চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে খালাস করেছেন আমদানিকারকরা। ১৪৫ দিনের মধ্যে গত ১৫ দিনেই বেশি খেজুরের চালান খালাস হয়েছে। ২৮ ধরনের খেজুর দেশের ৮২টি প্রতিষ্ঠান সৌদিয়া আরব, কাতার, সংযুক্ত আরব আমিরাত, জর্দান, মিসর, আলজেরিয়া, নামিবিয়া, তিউনিশিয়া ও আফগানিস্তান থেকে আমদানি করেছে।

জানা গেছে, চার মাস আগে খেজুর আমদানি করলেও শুল্ক কমার আশায় ব্যবসায়ীরা পণ্যটি চট্টগ্রাম বন্দরে গুদামজাত করে রেখেছিলেন। ফলে বেসরকারি ১৯টি ডিপোতে এক হাজার কনটেইনার (প্রতি কনটেইনারে ২২-২৪ হাজার কেজি খেজুর থাকে) খেজুর পড়ে ছিল। এখন খেজুরভর্তি ৬০৫টি কনটেইনার খালাস চলছে। এখনও খেজুরভর্তি ৩৯৫টি কনটেইনার খালাসের উদ্যোগ নেয়নি আমদানিকারক প্রতিষ্ঠান।

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার কাজী ইরাজ ইশতিয়াক বলেন, ‘প্রচুর পরিমাণ খেজুর খালাস হচ্ছে। প্রতিদিনই খালাস করছেন আমদানিকারকরা।’

‘খেজুরের শুল্ক ১০ শতাংশ কমানো হয়েছে। খেজুরের চারটি ক্যাটাগরি রয়েছে। একেকটি ক্যাটাগরির একেক রকম শুল্ক হার হয়। মিথ্যা ঘোষণায় আমদানির প্রবণতাও রয়েছে। আমরাও সতর্ক আছি, যেন সরকার রাজস্ব বঞ্চিত না হয়।’

উচ্চ শুল্ক হার প্রসঙ্গে তিনি বলেন, ‘এটা এনবিআর নির্ধারিত। এ ব্যাপারে আমাদের বলার বা করার কিছু নেই। আমরা নির্ধারিত শুল্ক নিয়ে খালাসের ব্যবস্থা করি।’

শুল্ক ১০ শতাংশ কমলেও খেজুরের দাম নাগালের বাইরে

চট্টগ্রাম কাস্টম হাউসের সহকারী কমিশনার সুলতান আরেফিন বলেন, ‘শুল্ক কমানোর পর থেকে আমদানিকারকরা খেজুর খালাস নিতে শুরু করেছেন। বর্তমানে খেজুর খালাসের পরিমাণও বেড়েছে। আগে প্রতিদিন গড়ে খেজুরভর্তি ছয় কনটেইনার খালাস হতো। এখন ৭০ কনটেইনার খেজুর প্রতিদিন খালাস হচ্ছে।’

খাতুনগঞ্জের ডেটস অ্যান্ড ড্রাই ফ্রুটস আমদানিকারক মো. ওমর ফারুক বলেন, ‘খেজুর আমদানিতে কাস্টমস ট্যাক্স ১০ শতাংশ কমালেও অন্যান্য শুল্ক ঠিক রেখেছে এনবিআর। ফলে উচ্চ মাত্রায় ট্যাক্স দিয়েই আনতে হচ্ছে। ডলারের মূল্য বৃদ্ধির কারণে সামান্য এই শুল্ক কমানোর প্রভাব খেজুরের দামে পড়বে না।’

বাংলাদেশ ফ্রেশ ফ্রুটস ইম্পোর্টার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি সিরাজুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতি কেজি খেজুর ১১০ টাকায় কিনলে ১৪০ থেকে ১৫০ টাকা শুল্ক দিতে হয়। ১২০ টাকায় কিনলে ২০৮ টাকা শুল্ক দিতে হয়।

‘গত বছর ৯০ টাকায় ডলার কিনতে পারতাম। এ বছর ডলারপ্রতি ১২০ থেকে ১২২ টাকা দিতে হচ্ছে। কাস্টমস থেকে অ্যাসেসমেন্ট ভ্যালু ইচ্ছেমতো করা হচ্ছে। এলসি যে মূল্যে খুলছি সে অনুযায়ী শুল্ক নির্ধারণ করা হলে খেজুরের দাম অর্ধেকে নেমে আসে। কিন্তু সেটা করা হচ্ছে না।’

বন্দর সচিব ওমর ফারুক বলেন, ‘পণ্য বন্দরে আসার পর শুল্ক পরিশোধ করে খালাস করতে হয়। এসব কাস্টমসের বিষয়।’

খাতুনগঞ্জ ট্রেড অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশনের সাধারণ সম্পাদক ছৈয়দ ছগীর আহমেদ বলেন, ‘ডলারের দাম বাড়ায় পণ্যের আমদানি খরচ বেড়ে যায়। এরপরও ব্যবসায়ীরা খেজুরের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখার চেষ্টা করছেন।’

আরও পড়ুন:
চাল তেল চিনি খেজুরের আমদানি শুল্ক কমল

মন্তব্য

শিক্ষা
A chance to become a nonstop millionaire by buying Walton products

ওয়ালটন পণ্য কিনে ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুযোগ

ওয়ালটন পণ্য কিনে ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুযোগ ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০-এর লোগো উন্মোচন করছেন ওয়ালটন হাই-টেকের অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর নজরুল ইসলাম সরকার। ছবি: ওয়ালটন
এবারের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ উদ্বোধন করেন পরীমনি। লোগো উন্মোচন করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসির অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) নজরুল ইসলাম সরকার।

‘সেরা পণ্যে সেরা অফার’ স্লোগানো সারা দেশে শুরু হয়েছে ওয়ালটনের ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০। প্রতিবারের মতো ক্যাম্পেইনের এই সিজনেও ক্রেতাদের জন্য থাকছে বিশেষ চমক।

সিজন-২০ এ ফ্রিজ, টিভি, এয়ার কন্ডিশনার (এসি), ওয়াশিং মেশিন ও ফ্যান ক্রেতাদের জন্য ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ শীর্ষক সুবিধা ঘোষণা করেছে বাংলাদেশের ইলেকট্রনিক্স জায়ান্ট ওয়ালটন।

ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে এর আগেও ওয়ালটন পণ্য কিনে মিলিয়নিয়ার হয়েছিলেন ৩০ জন ক্রেতা। ঈদকে সামনে রেখে ক্রেতাদের জন্য বিশেষ উপহার হিসেবে আবারও এই সুবিধা দিচ্ছে প্রতিষ্ঠানটি।

সিজন-২০ চলাকালে দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক, শোরুম ও অনলাইন সেলস প্ল্যাটফর্ম ‘ই-প্লাজা’ থেকে ফ্রিজ, এসি, টিভি, ওয়াশিং মেশিন এবং নির্দিষ্ট মডেলের ফ্যান কিনে মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগ পাচ্ছেন ক্রেতারা। এছাড়াও রয়েছে কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত উপহার। ১ মার্চ থেকে এ ক্যাম্পেইন শুরুর পর পরবর্তী ঘোষণা না দেয়া পর্যন্ত মিলিয়নিয়ার হওয়ার এই সুযোগ পাবেন ক্রেতারা।

বৃহস্পতিবার দুপুরে রাজধানীর এক পাঁচ তারকা হোটেলে আয়োজিত ‘ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০’ এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এসব কথা জানানো হয়।

অনুষ্ঠানে দেশব্যাপী সিজন-২০-এর উদ্বোধন করেন জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনি। পাশাপাশি সিজন-২০ এর লোগো উন্মোচন করেন ওয়ালটন হাই-টেক ইন্ডাস্ট্রিজ পিএলসি’র অ্যাডিশনাল ম্যানেজিং ডিরেক্টর (এএমডি) নজরুল ইসলাম সরকার।

ওয়ালটন পণ্য কিনে ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুযোগ
ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০-এর উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে চিত্রনায়িকা পরীমনি। ছবি: ওয়ালটন

এ সময় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ওয়ালটন হাই-টেকের এএমডি মেজর জেনারেল (অব.) ইবনে ফজল শায়েখুজ্জামান, ডেপুটি ম্যানেজিং ডিরেক্টর মো. হুমায়ুন কবীর, সিনিয়র এক্সিকিউটিভ ডিরেক্টর মো. তানভীর রহমান, আরিফুল আম্বিয়া, দিদারুল আলম খান (চিফ মার্কেটিং অফিসার), ফিরোজ আলম, আমিন খান, শাহজালাল হোসেন লিমন, তোফায়েল আহমেদ, সোহেল রানা ও মোস্তফা কামাল প্রমুখ।

ডিজিটাল ক্যাম্পেইন সিজন-২০ এর ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে সদ্য নিযুক্ত জনপ্রিয় চিত্রনায়িকা পরীমনি বলেন, ‘ওয়ালটন পণ্য এখন আমাদের সবার ঘরে ঘরে। আমার ঘরেও আছে ওয়ালটন ফ্রিজ সহ নানান পণ্য। দেশের সীমানা ছাড়িয়ে ওয়ালটন পণ্য এখন রপ্তানি হচ্ছে ৪০টিরও বেশি দেশে। এটা আমাদের জন্য অত্যন্ত গর্বের। ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর হিসেবে ওয়ালটন পরিবারের একজন সদস্য হতে পেরে আমি খুবই আনন্দিত।’

তিনি বলেন, ‘ওয়ালটন শুধু বলার জন্যই বলে না; ওয়ালটন করেও দেখায়। ওয়ালটন ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের আওতায় ইতোমধ্যে মিলিয়নিয়ার হয়েছেন ৩০ জন ক্রেতা। ওয়ালটন এদের জীবন পুরো পাল্টে দিয়েছে। ওয়ালটনের এই উদ্যোগ সত্যিই খুবই প্রশংসনীয়। এই কার্যক্রমের সঙ্গে এবার আমাকে যুক্ত করায় ওয়ালটনকে ধন্যবাদ।’

অনুষ্ঠানে ডিজিটাল ক্যাম্পেইনের বিস্তারিত তুলে ধরে ওয়ালটনের চিফ মার্কেটিং অফিসার দিদারুল আলম খান বলেন, “সারা দেশে ইতোমধ্যে ক্যাম্পেইনের ১৯টি সিজন বেশ সফলভাবে সম্পন্ন হয়েছে। প্রতিটি সিজনেই গ্রাহকদের কাছ থেকে পেয়েছি অভূতপূর্ব সাড়া। এরই প্রেক্ষিতে আসন্ন ঈদকে সামনে রেখে শুরু করা হয়েছে সিজন-২০। এর আওতায় ক্রেতাদের জন্য ‘ননস্টপ মিলিয়নিয়ার’ হওয়ার সুবিধা দিচ্ছে ওয়ালটন। পূর্বের মতো ক্যাম্পেইনের এই সিজনও শতভাগ সফল হবে বলে আমার দৃঢ় বিশ্বাস।”

সিজন-২০ চলাকালে ক্রেতারা দেশের যেকোনো ওয়ালটন প্লাজা, পরিবেশক শোরুম কিংবা অনলাইনে ই-প্লাজা থেকে পণ্য কেনার পর পণ্যটির ডিজিটাল রেজিস্ট্রেশন করা হবে। এরপর সম্পূর্ণ কম্পিউটারাইজড সিস্টেমে ওয়ালটনের কাছ থেকে ফিরতি এসএমএস-এর মাধ্যমে ক্রেতারা পেতে পারেন মিলিয়নিয়ার হওয়ার সুযোগ। এছাড়াও পাবেন কোটি কোটি টাকার নিশ্চিত উপহার। সংশ্লিষ্ট ওয়ালটন প্লাজা বা শোরুম ক্রেতাদেরকে উপহার বুঝিয়ে দিবে।

মন্তব্য

p
উপরে