× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Why Sylhet is at the bottom of the pass rate
hear-news
player
google_news print-icon

পাসের হারে সিলেট কেন তলানিতে

পাসের-হারে-সিলেট-কেন-তলানিতে
সিলেট শিক্ষা বোর্ড ভবন। ছবি: সংগৃহীত
সিলেট বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুণ চন্দ্র পাল বলেন, ‘এবার পরীক্ষার আগে সিলেট অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ছিল। বন্যায় অনেকে বই হারিয়েছে; প্রস্তুতি নিতে পারেনি। বন্যার কারণে পরীক্ষা পিছিয়েছেও। এ কারণেই পাসের হার কমেছে।’

সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ বেড়েছে ২ হাজার ৩৭১টি, তবে পাসের হার ১৮ শতাংশ কমে হয়েছে ৭৮ দশমিক ৮২ শতাংশ।

স্মরণকালের অন্যতম ভয়াবহ বন্যার প্রভাবে এমনটা হয়েছে বলে মনে করেছেন সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সিলেট শিক্ষা বোর্ড মিলনায়তনে সোমবার দুপুরে ফল ঘোষণা করেন পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক অরুণ চন্দ্র পাল। ওই সময় বোর্ডের সচিব কবির হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

এবার সিলেটে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে রেকর্ড ৭ হাজার ৫৬৫ শিক্ষার্থী। গত বছর এ বোর্ডে জিপিএ ফাইভ পেয়েছিল ৪ হাজার ৮৩৪ শিক্ষার্থী। সে বছর পাসের হার ছিল ৯৬ দশমিক ৭৮ শতাংশ।

সিলেট বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অরুণ চন্দ্র পাল বলেন, ‘এবার পরীক্ষার আগে সিলেট অঞ্চলে ভয়াবহ বন্যা ছিল। বন্যায় অনেকে বই হারিয়েছে; প্রস্তুতি নিতে পারেনি। বন্যার কারণে পরীক্ষা পিছিয়েছেও। এ কারণেই পাসের হার কমেছে।

‘এ ছাড়া গত বছর গণিত ও ইংরেজি বিষয়ে পরীক্ষা ছিল না। কেবল তিনটি বিষয়ে পরীক্ষা হয়েছে। এবার গণিত ও ইংরেজি ছিল। তাই পাসের হার কমেছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘বন্যা পরিস্থিতি বিবেচনায় এবারের ফলাফলে আমরা খুশি। আমরা উন্নতি করছি।’

বন্যায় পাসের হার কমলেও কীভাবে জিপিএ ফাইভ বাড়ল জানতে চাইলে এ কর্মকর্তা বলেন, ‘বন্যায় বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে গ্রামের প্রান্তিক শিক্ষার্থীরা। আর জিপিএ ফাইভ বেশি পেয়েছে শহরের শিক্ষার্থীরা। বন্যায় ক্ষতি তাদের তুলনামূলক কম হয়েছে।’

এবার সিলেট বোর্ডে ইংরেজিতে পাসের হার ৯২ দশমিক ৩৩ শতাংশ। গণিতে এ হার ৮৯ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

অরুণ চন্দ্র পাল জানান, চলতি বছর সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ১ লাখ ১৬ হাজার ৪৯০ শিক্ষার্থীর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়ার কথা ছিল। তাদের মধ্যে ১ লাখ ১৫ হাজার ৩৯১ জন পরীক্ষায় বসে। পাস করে ৯০ হাজার ৮৪৮ জন।

সিলেট বোর্ডে ৪৯ হাজার ৮৭ ছেলে ও ৬৬ হাজার ৩০৪ মেয়ে পাস করেছে। ছেলে ও মেয়েদের পাসের হার যথাক্রমে ৭৮ দশমিক ৭১ শতাংশ ও ৭৮ দশমিক ৯ শতাংশ।

এবার ৩ হাজার ২৫৪ ছেলে ও ৪ হাজার ৩১১ মেয়ে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে।

অধ্যাপক অরুণ চন্দ্র পাল বলেন, সিলেট বোর্ডের অধীনে ৯৩০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী ১৫০টি কেন্দ্রে এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ২৭টি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে। একজনও পাস করেনি এমন প্রতিষ্ঠানের সংখ্যা শূন্য।

তিনি বলেন, ‘আগের বছরের চেয়ে এবারে জিপিএ ফাইভপ্রাপ্তদের সংখ্যা ২ হাজার ৭৩১ জন বেড়েছে।’

মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী অধিক হওয়ায় পাসের হার কমেছে জানিয়ে অরুণ চন্দ্র পাল বলেন, ‘দেশের অন্যান্য বোর্ডে বিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষার্থী বেশি থাকে, কিন্তু সিলেটে বিজ্ঞান বিভাগে শিক্ষার্থী যেখানে ২৩ হাজার ৩১৮ জন, সেখানে মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থী ৮৪ হাজার ২৭৩ জন।

‘পাসের হারেও মানবিক বিভাগ অনেক পিছিয়ে। বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৯৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ। অন্যদিকে মানবিকে পাসের হার ৭৩ দশমিক ৮০ শতাংশ।’

এবার সিলেট বোর্ডে বিজ্ঞান বিভাগে পাসের হার ৯৩ দশমিক ৫৭ শতাংশ। এ বিভাগে ২৩ হাজার ৩১৮ পরীক্ষার্থীর মধ্যে ২৩ হাজার ২৩০ জন পাস করেছে। তাদের মধ্যে ৬ হাজার ৮৯৪ জন জিপিএ ফাইভ পেয়েছে।

মানবিক বিভাগে পাসের হার ৭৩ দশমিক ৮ শতাংশ; জিপিএ ফাইভ ৩৮৯ জন। এ বিভাগে ৮৪ হাজার ২৭৩ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৮৩ হাজার ৩১৫।

ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে পাসের হার ৮৭ দশমিক ৩৬ শতাংশ। এ বিভাগে ৮ হাজার ৮৯৯ পরীক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেছে ৭ হাজার ৭২৮ জন। ২৮২ শিক্ষার্থী জিপিএ ফাইভ পেয়েছে।

এদিকে সিলেট শিক্ষা বোর্ডের অধীন চার জেলার মধ্যে সবচেয়ে ভালো করেছে সিলেটের শিক্ষার্থীরা। এ জেলায় পাসের হার ৮১ দশমিক ৯৫ শতাংশ।

এর বাইরে সুনামগঞ্জে ৭৯ দশমিক ৯৫ শতাংশ, হবিগঞ্জে ৭৭ দশমিক ৮৬ শতাংশ ও মৌলভীবাজারে ৭৩ দশমিক ৮৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে।

আরও পড়ুন:
এসএসসির ফল জানা যাবে যেভাবে
এসএসসির ফল ২৮ নভেম্বর
এসএসসির প্রশ্ন ফাঁসে জাল সনদধারী শিক্ষক
এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: রিমান্ডে আরও দুই শিক্ষক
এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
HSC result on February 8

এইচএসসির ফল ৮ ফেব্রুয়ারি

এইচএসসির ফল ৮ ফেব্রুয়ারি ফাইল ছবি
গত ৬ নভেম্বর শুরু হয়েছিল ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষা। এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ জন।

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ হবে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ৮ ফেব্রুয়ারি সকালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেয়া হবে। এরপর দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে ফল ঘোষণা করবেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

এর আগে, আগামী ৭ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল শিক্ষা বোর্ডগুলো। সেখান থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুই মাসের মধ্যে ফল প্রকাশের রীতি মেনে চলে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সেই হিসেবে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি এই সময়সীমা শেষ হতে যাচ্ছে।

বন্যাসহ বিভিন্ন কারণে পিছিয়ে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ৬ নভেম্বর। এতে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা বোর্ড ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট ১২ লাখ তিন হাজার ৪০৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।

এ বছর দুই হাজার ৬৪৯টি কেন্দ্র ও ৯ হাজার ১৮১টি প্রতিষ্ঠানে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১৩ ডিসেম্বর তত্ত্বীয় পরীক্ষা ও ২২ ডিসেম্বর ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হয়।

আরও পড়ুন:
এসএসসি এপ্রিলে, এইচএসসি জুনে
রাজশাহী বোর্ডে ২০ হাজার পরীক্ষার্থীর খাতা চ্যালেঞ্জ
ভিক্ষুকের কাছে এইচএসসির ৫০টি খাতা, থানায় নিয়ে গেলেন পথচারী

মন্তব্য

শিক্ষা
Jabir 14 students sentenced for cheating in exams

পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় জবির ১৪ শিক্ষার্থীর সাজা

পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় জবির ১৪ শিক্ষার্থীর সাজা ফাইল ছবি
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘১৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় তাদেরকে শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিভিন্ন মেয়াদে সাজার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।’

পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বিভিন্ন বিভাগের ১৪ শিক্ষার্থীকে সাজা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জনকে এক সেমিস্টার বহিষ্কার, দুজনের কোর্স বাতিল ও একজনের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করার আদেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির ৬১তম সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে বুধবার জানিয়েছেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল।

শৃঙ্খলা কমিটি সূত্রে জানা যায়, পরিসংখ্যান বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের মো. রনি মিয়া ও একই বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের জারিন তাসনিম, নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মো. মোস্তাফিজুর রহমান, দর্শন বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের ইকবাল হোসেন শরীফ, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের রেহানা খাতুন, আকাশ মন্ডল, মো. শাকিল খান, লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মো. শাহরিয়ার ইমন, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের জান্নাতুল মাওয়া সাথী, একই বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের মো. রফিকুল হাসান, সমাজকর্ম বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের সানজিদা শারমিনকে এক সেমিস্টার বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ফারজানা আক্তার মুক্তা, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের রেজওয়ান করিম সংশ্লিষ্ট কোর্সে বহিষ্কার, আইন বিভাগের প্রফেশনাল কোর্সে ২০২২-২৩ সেশনে আশিকুল ইসলাম নাসিমের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘১৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় তাদেরকে শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিভিন্ন মেয়াদে সাজার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
জবিতে ফাঁকা আসনে ভর্তির সুযোগ
বিশ্বসেরার তালিকায় জবির ৯৫ গবেষক
জবিশিস নির্বাচনে আইনুল-লুৎফর প্যানেলের বাজিমাত

মন্তব্য

শিক্ষা
The entrance exam in DU is called Undergraduate

স্নাতক নয়, ঢাবিতে এবার ভর্তি পরীক্ষা আন্ডারগ্র্যাজুয়েট নামে

স্নাতক নয়, ঢাবিতে এবার ভর্তি পরীক্ষা আন্ডারগ্র্যাজুয়েট নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার একটি কেন্দ্র। ফাইল ছবি
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আগে হতো সম্মান প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। আমরা এবার ভর্তি করব আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে শুরুর সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ভর্তি কমিটি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এ সুপারিশ করা হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো আখতারুজ্জামান সভায় সভাপতিত্ব করেন।

উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আগে হতো সম্মান প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। আমরা এবার ভর্তি করব আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে।

‘আন্তর্জাতিকভাবে মিল রেখেই এটা করেছি আমরা। এবার চার ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।’

সভার সুপারিশ অনুযায়ী, ২৯ এপ্রিল চারুকলা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে শুরু হবে এবারের ভর্তির লড়াই। এ ছাড়া ৬ মে কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট, ১২ মে বিজ্ঞান ইউনিট আর ১৩ মে হবে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আগামী ৩০ জানুয়ারি অ্যাকাডেমিক ভর্তি পরীক্ষার সভায় এ সুপারিশ চূড়ান্ত করা হবে।

আরও পড়ুন:
ঢাবির ডাইনিং-ক্যান্টিন তদারকিতে আগ্রহী ভোক্তা অধিদপ্তর
নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবি পূরণে সময় নিলেন ঢাবি উপাচার্য
উৎসবমুখরতায় শেষ হলো ঢাবি’র ৫৩তম সমাবর্তন
পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে ঢাবির সমাবর্তনে মেজর জেনারেল আমিনুল
ঢাবির হলে শিক্ষার্থীকে রড দিয়ে পিটিয়েছে ছাত্রলীগের কর্মী

মন্তব্য

শিক্ষা
1187 candidates passed the recheck of SSC results

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণে পাস ১১৮৭ পরীক্ষার্থী

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণে পাস ১১৮৭ পরীক্ষার্থী ফাইল ছবি
৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পুনর্নিরীক্ষণে ফলাফলে এই পরিবর্তন এসেছে। শনিবার ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করেছে বোর্ডগুলো।

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণে ১ হাজার ১৮৭ পরীক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছেন, যারা আগের ফলাফলে অকৃতকার্য হয়েছিলেন। আর নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭৬৯ জন।

৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পুনর্নিরীক্ষণে ফলাফলে এই পরিবর্তন এসেছে। শনিবার ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করেছে বোর্ডগুলো।

পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফলে দেখা যায়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ১০৯ জন, রাজশাহী বোর্ডে ৫৮ জন, দিনাজপুর বোর্ডে ৮৯ জন, যশোর বোর্ডে ৪৩ জন, সিলেট বোর্ডে ৪১ জন, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৩০ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৪৫ জন, কুমিল্লা বোর্ডে ১১৫ জন, বরিশাল ১৪ জন শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছেন। এ ছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ২২৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৪১৭ জন শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছেন।

নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ১০৯ জন, রাজশাহী বোর্ডে ৩৬ জন, দিনাজপুর বোর্ডে ৩৪ জন, যশোর বোর্ডে ৬১ জন, সিলেট বোর্ডে ৩৮ জন, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৬৯ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ২৯ জন, কুমিল্লা বোর্ডে ৩৭ জন, বরিশাল বোর্ডে ৪১ জন পরীক্ষার্থী। এ ছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৪১ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২৭৪ জন পরীক্ষার্থী নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

কাঙ্ক্ষিত ফল না পেয়ে সারা দেশের মোট ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৫৪টি খাতা পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করেছিলেন শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:
এসএসসি: কুমিল্লায় ফেল থেকে জিপিএ ফাইভ পেল ৩৭ পরীক্ষার্থী
প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা হবে যেভাবে
প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা: প্রতি বিষয়ে ২৫ নম্বর

মন্তব্য

শিক্ষা
SSC 155 candidates failed to pass in Comilla

এসএসসি: কুমিল্লায় ফেল থেকে জিপিএ ফাইভ পেল ৩৭ পরীক্ষার্থী

এসএসসি: কুমিল্লায় ফেল থেকে জিপিএ ফাইভ পেল ৩৭ পরীক্ষার্থী কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড ভবন। ছবি: নিউজবাংলা
কুমিল্লা বোর্ডের উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১২ হাজার ৩৮ জন ১৮ বিষয়ে ২৩ হাজার ১০৩টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণে অনলাইনে আবেদন করে। ৩৫৬ জনের ফল পরিবর্তন হয়, যাদের মধ্যে ৩৭ জন জিপিএ ফাইভ পায়।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণে ৩৫৬ জনের ফলে পরিবর্তন এসেছে।

পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১৫৫ জন ফেল থেকে পাস করেন। ১৬৪ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে শনিবার পুনর্নিরীক্ষিত ফল প্রকাশ করা হয়।

বোর্ডের উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১২ হাজার ৩৮ জন ১৮ বিষয়ে ২৩ হাজার ১০৩টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণে অনলাইনে আবেদন করে। ৩৫৬ জনের ফল পরিবর্তন হয়, যাদের মধ্যে ৩৭ জন জিপিএ ফাইভ পায়।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জামাল নাছের বলেন, ‘যাচাই-বাচাই শেষে ফল প্রকাশ হয়। ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা ২৬ ডিসেম্বর কলেজে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।’

গত ২৮ নভেম্বর এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। ২৯ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
এসএসসিতে একজনও পাস না করায় ৩ প্রতিষ্ঠানকে শোকজ
কেন্দ্র দখল, কুবি শিক্ষক সমিতির ভোট পণ্ড
থানায় গিয়ে বিয়ে ঠেকানো মেয়েটি পেল জিপিএ ফাইভ
এসএসসিতে এক লাখ বেশি ফেলের পেছনে কী কারণ
পা দিয়ে লিখে জিপিএ ফাইভ পেল মানিক

মন্তব্য

শিক্ষা
37500 passed the post of assistant teacher in primary

প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদে পাস সাড়ে ৩৭ হাজার

প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদে পাস সাড়ে ৩৭ হাজার প্রতীকী ছবি
নির্বাচিত প্রার্থীদের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সব সনদের মূল কপি ও তিন কপি জাতীয় পরিচয়পত্র, যথাযথভাবে পূরণ করা পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম, সিভিল সার্জন প্রদত্ত সুস্থতার সনদ নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩৭ হাজার ৫৭৪ জন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন বুধবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো খুদেবার্তায় বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি জানান, নির্বাচিত প্রার্থীদের মোবাইল নম্বরে খুদেবার্তার মাধ্যমে ফল জানিয়ে দেয়া হবে। এ ছাড়াও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

নির্বাচিত প্রার্থীদের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সব সনদের মূল কপি ও তিন কপি জাতীয় পরিচয়পত্র, যথাযথভাবে পূরণ করা পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম, সিভিল সার্জন প্রদত্ত সুস্থতার সনদ নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে।

প্রাথমিকের ফল দেখা যাবে এই লিংকে ক্লিক করে।

গত ২৮ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছিল, প্রকৃত শূন্য পদ যাচাইবাছাই শেষে ১৪ ডিসেম্বর বিকেলের মধ্যে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সচিব ফরিদ আহাম্মদ জানান, পাঁচ হাজারের মতো পদ বাড়ানো হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পদের সংখ্যা ৩২ হাজার ৫৭৭। অনুমোদিত পদের সঙ্গে পাঁচ হাজার পদ বাড়ানো হলে মোট পদ হবে ৩৭ হাজারের কিছু বেশি।

এর আগে নভেম্বরে ফল প্রকাশের কথা থাকলেও সেটি হয়নি। করোনাভাইরাসের কারণে নিয়োগে পদসংখ্যা বাড়ানোর কথা বলেন প্রার্থীরা। তখন পদ বাড়ানোর আশ্বাস দেয়া হলেও পরে বলা হয় বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ফল প্রকাশ হবে। এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে আন্দোলনে নামেন চাকরিপ্রত্যাশীরা।

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চসংখ্যক শূন্য পদে নিয়োগ এবং পদসংখ্যা বৃদ্ধির দাবিতে ৬১ জেলায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে স্মারকলিপিও দেন চাকরিপ্রার্থীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে পদসংখ্যা বাড়ানোর কথা বলা হয়।

২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর অনলাইনে এ নিয়োগের আবেদন শুরু হয়। আবেদন করেন ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ প্রার্থী।

নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা তিন ধাপে নেয়া হলেও চূড়ান্ত ফল একবারেই প্রকাশ করা হয়।

প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ৪০ হাজার ৮৬২। দ্বিতীয় ধাপে ৫৩ হাজার ৫৯৫ এবং তৃতীয় ধাপে ৫৭ হাজার ৩৬৮ জন উত্তীর্ণ হন।

আরও পড়ুন:
সিঙ্গাপুরের উদ্যোক্তাদের দেশে বড় বিনিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
সব সূচক হোঁচট খেলেও বিদেশি বিনিয়োগে এখনও স্বস্তি
বিমানের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় এমডির কক্ষ থেকে
ব্যাংকে চাকরির আবেদনে বয়সসীমা শিথিল
এলএনজি সরবরাহ ও ইস্টার্ন রিফাইনারি প্রকল্পে বিনিয়োগ করবে সৌদি

মন্তব্য

শিক্ষা
Awaiting publication of primary teacher recruitment results

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশের অপেক্ষা

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশের অপেক্ষা প্রতীকী ছবি
নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা তিন ধাপে নেয়া হলেও চূড়ান্ত ফল একবারেই প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ৪০ হাজার ৮৬২। দ্বিতীয় ধাপে উত্তীর্ণ হন ৫৩ হাজার ৫৯৫ এবং তৃতীয় ধাপে ৫৭ হাজার ৩৬৮ জন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল আজ প্রকাশ করা হবে।

সরকারি প্রাথমিকে দেশের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় নিয়োগ হতে চলছে।

গত ২৮ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছিল, প্রকৃত শূন্য পদ যাচাই-বাছাই শেষে ১৪ ডিসেম্বর বিকেলের মধ্যে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সচিব ফরিদ আহাম্মদ জানিয়েছেন, পাঁচ হাজারের মতো পদ বাড়ানো হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পদের সংখ্যা ৩২ হাজার ৫৭৭। অনুমোদিত পদের সঙ্গে পাঁচ হাজার পদ বাড়ানো হলে মোট পদ হবে ৩৭ হাজারের কিছু বেশি।

এর আগে নভেম্বরে ফল প্রকাশের কথা থাকলেও সেটি হয়নি। করোনাভাইরাসের কারণে নিয়োগে পদসংখ্যা বাড়ানোর কথা বলেন প্রার্থীরা। তখন পদ বাড়ানোর আশ্বাস দেয়া হলেও পরে বলা হয় বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ফল প্রকাশ হবে। এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে আন্দোলনে নামেন চাকরিপ্রত্যাশীরা।

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চসংখ্যক শূন্য পদে নিয়োগ এবং পদসংখ্যা বৃদ্ধির দাবিতে ৬১ জেলায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে স্মারকলিপিও দেন চাকরিপ্রার্থীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে পদসংখ্যা বাড়ানোর কথা বলা হয়।

২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর অনলাইনে এ নিয়োগের আবেদন শুরু হয়। আবেদন করেন ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ প্রার্থী।

নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা তিন ধাপে নেয়া হলেও চূড়ান্ত ফল একবারেই প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ৪০ হাজার ৮৬২। দ্বিতীয় ধাপে ৫৩ হাজার ৫৯৫ এবং তৃতীয় ধাপে ৫৭ হাজার ৩৬৮ জন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, আজ বিকেলের মধ্যে ফল প্রকাশ হবে। এর আগে ফল সংক্রান্ত সভা হবে।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল ১৪ ডিসেম্বর

মন্তব্য

p
উপরে