× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Sylhet tops Jessores pass rate
hear-news
player
google_news print-icon

পাসের হারে শীর্ষে যশোর, তলানিতে সিলেট

পাসের-হারে-শীর্ষে-যশোর-তলানিতে-সিলেট
যশোর ও সিলেট শিক্ষা বোর্ড ভবন। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
যশোর বোর্ডে অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫০১ জন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ১ লাখ ৬১ হাজার ৩১৪ জন; জিপিএ ফাইভ পায় ৩০ হাজার ৮৯২ জন। অন্যদিকে সিলেট বোর্ড থেকে এসএসসিতে অংশ নেয় ১ লাখ ১৫ হাজার ৩৯১ শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ৯০ হাজার ৯৪৮ জন। জিপিএ ফাইভ পায় ৭ হাজার ৫৬৫ জন।

এসএসসি ও সমমানের এবারের পরীক্ষায় সবচেয়ে বেশি ৯৫ দশমিক ১৭ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেছে যশোর বোর্ডে। অন্যদিকে সিলেট বোর্ডে সবচেয়ে কম ৭৮ দশমিক ৮২ শতাংশ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সোমবার ফলের বিস্তারিত তুলে ধরার সময় এসব তথ্য জানান শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

যশোর বোর্ডে অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ১ লাখ ৬৯ হাজার ৫০১ জন। তাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ১ লাখ ৬১ হাজার ৩১৪ জন; জিপিএ ফাইভ পায় ৩০ হাজার ৮৯২ জন।

সিলেট বোর্ড থেকে এসএসসিতে অংশ নেয় ১ লাখ ১৫ হাজার ৩৯১ শিক্ষার্থী, যাদের মধ্যে উত্তীর্ণ হয় ৯০ হাজার ৯৪৮ জন। জিপিএ ফাইভ পায় ৭ হাজার ৫৬৫ জন।

শিক্ষামন্ত্রী সিলেট বোর্ডের এমন ফলের কারণ হিসেবে বন্যার বিষয়টি তুলে ধরেছেন। তিনি বলেন, ‘এবার সেখানে বন্যা একটা বড় কারণ ছিল। এ ছাড়া প্রতি বছর কোনো না কোনো বোর্ডে পাসের হার ওঠানামা করে।’

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাস করেছে ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী। গতবার পাসের হার ছিল ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। সে হিসাবে পাস কমেছে ৬ দশমিক ১৪ শতাংশ।

প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চামেলী হলে সোমবার সরকারপ্রধানের কাছে ফলের অনুলিপি ও পরিসংখ্যান প্রতিবেদন তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। পরে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে ফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন তিনি।

আরও পড়ুন:
এসএসসির প্রশ্ন ফাঁসে জাল সনদধারী শিক্ষক
এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: রিমান্ডে আরও দুই শিক্ষক
এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী
পরীক্ষা দিতে পারেনি ৭ শিক্ষার্থী, কেন্দ্র সচিবকে অব্যাহতি
এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: শিক্ষক লুৎফর রিমান্ডে

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
HSC result on February 8

এইচএসসির ফল ৮ ফেব্রুয়ারি

এইচএসসির ফল ৮ ফেব্রুয়ারি ফাইল ছবি
গত ৬ নভেম্বর শুরু হয়েছিল ২০২২ সালের এইচএসসি পরীক্ষা। এবার পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ জন।

আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি প্রকাশ হবে উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষার ফলাফল।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার রোববার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সূত্রে জানা যায়, ৮ ফেব্রুয়ারি সকালে এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলের সারসংক্ষেপ প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেয়া হবে। এরপর দুপুরে সংবাদ সম্মেলন করে ফল ঘোষণা করবেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

এর আগে, আগামী ৭ থেকে ৯ ফেব্রুয়ারির মধ্যে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশের জন্য সরকারের কাছে প্রস্তাব পাঠিয়েছিল শিক্ষা বোর্ডগুলো। সেখান থেকে ৮ ফেব্রুয়ারি নির্ধারণ করা হয়েছে।

পরীক্ষা শেষ হওয়ার দুই মাসের মধ্যে ফল প্রকাশের রীতি মেনে চলে শিক্ষা বোর্ডগুলো। সেই হিসেবে আগামী ১১ ফেব্রুয়ারি এই সময়সীমা শেষ হতে যাচ্ছে।

বন্যাসহ বিভিন্ন কারণে পিছিয়ে যাওয়া এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয় গত ৬ নভেম্বর। এতে ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদ্রাসা বোর্ড ও কারিগরি বোর্ড মিলিয়ে মোট ১২ লাখ তিন হাজার ৪০৭ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশ নেয়।

এ বছর দুই হাজার ৬৪৯টি কেন্দ্র ও ৯ হাজার ১৮১টি প্রতিষ্ঠানে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। ১৩ ডিসেম্বর তত্ত্বীয় পরীক্ষা ও ২২ ডিসেম্বর ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ হয়।

আরও পড়ুন:
এসএসসি এপ্রিলে, এইচএসসি জুনে
রাজশাহী বোর্ডে ২০ হাজার পরীক্ষার্থীর খাতা চ্যালেঞ্জ
ভিক্ষুকের কাছে এইচএসসির ৫০টি খাতা, থানায় নিয়ে গেলেন পথচারী

মন্তব্য

শিক্ষা
Jabir 14 students sentenced for cheating in exams

পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় জবির ১৪ শিক্ষার্থীর সাজা

পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় জবির ১৪ শিক্ষার্থীর সাজা ফাইল ছবি
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘১৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় তাদেরকে শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিভিন্ন মেয়াদে সাজার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।’

পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) বিভিন্ন বিভাগের ১৪ শিক্ষার্থীকে সাজা দেয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জনকে এক সেমিস্টার বহিষ্কার, দুজনের কোর্স বাতিল ও একজনের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করার আদেশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শৃঙ্খলা কমিটির ৬১তম সভায় এ সিদ্ধান্ত হয় বলে বুধবার জানিয়েছেন প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল।

শৃঙ্খলা কমিটি সূত্রে জানা যায়, পরিসংখ্যান বিভাগের ২০২০-২১ সেশনের মো. রনি মিয়া ও একই বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের জারিন তাসনিম, নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের মো. মোস্তাফিজুর রহমান, দর্শন বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের ইকবাল হোসেন শরীফ, ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের রেহানা খাতুন, আকাশ মন্ডল, মো. শাকিল খান, লোক প্রশাসন বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের মো. শাহরিয়ার ইমন, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ২০১৭-১৮ সেশনের জান্নাতুল মাওয়া সাথী, একই বিভাগের ২০১৬-১৭ সেশনের মো. রফিকুল হাসান, সমাজকর্ম বিভাগের ২০১৮-১৯ সেশনের সানজিদা শারমিনকে এক সেমিস্টার বহিষ্কার করা হয়েছে।

এ ছাড়া প্রাণ রসায়ন ও অনুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ফারজানা আক্তার মুক্তা, হিসাববিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ সেশনের রেজওয়ান করিম সংশ্লিষ্ট কোর্সে বহিষ্কার, আইন বিভাগের প্রফেশনাল কোর্সে ২০২২-২৩ সেশনে আশিকুল ইসলাম নাসিমের রেজিস্ট্রেশন বাতিল করা হয়েছে।

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোস্তফা কামাল বলেন, ‘১৪ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অসদুপায় অবলম্বন করায় তাদেরকে শৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিভিন্ন মেয়াদে সাজার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
জবিতে ফাঁকা আসনে ভর্তির সুযোগ
বিশ্বসেরার তালিকায় জবির ৯৫ গবেষক
জবিশিস নির্বাচনে আইনুল-লুৎফর প্যানেলের বাজিমাত

মন্তব্য

শিক্ষা
The entrance exam in DU is called Undergraduate

স্নাতক নয়, ঢাবিতে এবার ভর্তি পরীক্ষা আন্ডারগ্র্যাজুয়েট নামে

স্নাতক নয়, ঢাবিতে এবার ভর্তি পরীক্ষা আন্ডারগ্র্যাজুয়েট নামে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষার একটি কেন্দ্র। ফাইল ছবি
উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আগে হতো সম্মান প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। আমরা এবার ভর্তি করব আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে ভর্তি পরীক্ষা আগামী ২৯ এপ্রিল থেকে শুরুর সুপারিশ করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের সাধারণ ভর্তি কমিটি।

বৃহস্পতিবার দুপুরে সাধারণ ভর্তি কমিটির সভায় এ সুপারিশ করা হয়।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো আখতারুজ্জামান সভায় সভাপতিত্ব করেন।

উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেন, ‘আগে হতো সম্মান প্রথম বর্ষের ভর্তি পরীক্ষা। আমরা এবার ভর্তি করব আন্ডারগ্র্যাজুয়েট প্রোগ্রামে।

‘আন্তর্জাতিকভাবে মিল রেখেই এটা করেছি আমরা। এবার চার ইউনিটে ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।’

সভার সুপারিশ অনুযায়ী, ২৯ এপ্রিল চারুকলা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দিয়ে শুরু হবে এবারের ভর্তির লড়াই। এ ছাড়া ৬ মে কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট, ১২ মে বিজ্ঞান ইউনিট আর ১৩ মে হবে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনলাইন ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, আগামী ৩০ জানুয়ারি অ্যাকাডেমিক ভর্তি পরীক্ষার সভায় এ সুপারিশ চূড়ান্ত করা হবে।

আরও পড়ুন:
ঢাবির ডাইনিং-ক্যান্টিন তদারকিতে আগ্রহী ভোক্তা অধিদপ্তর
নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবি পূরণে সময় নিলেন ঢাবি উপাচার্য
উৎসবমুখরতায় শেষ হলো ঢাবি’র ৫৩তম সমাবর্তন
পিএইচডি ডিগ্রি নিয়ে ঢাবির সমাবর্তনে মেজর জেনারেল আমিনুল
ঢাবির হলে শিক্ষার্থীকে রড দিয়ে পিটিয়েছে ছাত্রলীগের কর্মী

মন্তব্য

শিক্ষা
1187 candidates passed the recheck of SSC results

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণে পাস ১১৮৭ পরীক্ষার্থী

এসএসসির ফল পুনর্নিরীক্ষণে পাস ১১৮৭ পরীক্ষার্থী ফাইল ছবি
৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পুনর্নিরীক্ষণে ফলাফলে এই পরিবর্তন এসেছে। শনিবার ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করেছে বোর্ডগুলো।

চলতি বছরের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার খাতা পুনর্নিরীক্ষণে ১ হাজার ১৮৭ পরীক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছেন, যারা আগের ফলাফলে অকৃতকার্য হয়েছিলেন। আর নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ৭৬৯ জন।

৯টি সাধারণ শিক্ষাবোর্ড, মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পুনর্নিরীক্ষণে ফলাফলে এই পরিবর্তন এসেছে। শনিবার ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করেছে বোর্ডগুলো।

পুনর্নিরীক্ষণের ফলাফলে দেখা যায়, ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ১০৯ জন, রাজশাহী বোর্ডে ৫৮ জন, দিনাজপুর বোর্ডে ৮৯ জন, যশোর বোর্ডে ৪৩ জন, সিলেট বোর্ডে ৪১ জন, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৩০ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ৪৫ জন, কুমিল্লা বোর্ডে ১১৫ জন, বরিশাল ১৪ জন শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছেন। এ ছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ২২৬ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৪১৭ জন শিক্ষার্থী ফেল থেকে পাস করেছেন।

নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন ঢাকা শিক্ষা বোর্ডে ১০৯ জন, রাজশাহী বোর্ডে ৩৬ জন, দিনাজপুর বোর্ডে ৩৪ জন, যশোর বোর্ডে ৬১ জন, সিলেট বোর্ডে ৩৮ জন, ময়মনসিংহ বোর্ডে ৬৯ জন, চট্টগ্রাম বোর্ডে ২৯ জন, কুমিল্লা বোর্ডে ৩৭ জন, বরিশাল বোর্ডে ৪১ জন পরীক্ষার্থী। এ ছাড়া মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ৪১ জন এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ২৭৪ জন পরীক্ষার্থী নতুন করে জিপিএ-৫ পেয়েছেন।

কাঙ্ক্ষিত ফল না পেয়ে সারা দেশের মোট ২ লাখ ৭৮ হাজার ৮৫৪টি খাতা পুনর্মূল্যায়নের আবেদন করেছিলেন শিক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:
এসএসসি: কুমিল্লায় ফেল থেকে জিপিএ ফাইভ পেল ৩৭ পরীক্ষার্থী
প্রাথমিকের বৃত্তি পরীক্ষা হবে যেভাবে
প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা: প্রতি বিষয়ে ২৫ নম্বর

মন্তব্য

শিক্ষা
SSC 155 candidates failed to pass in Comilla

এসএসসি: কুমিল্লায় ফেল থেকে জিপিএ ফাইভ পেল ৩৭ পরীক্ষার্থী

এসএসসি: কুমিল্লায় ফেল থেকে জিপিএ ফাইভ পেল ৩৭ পরীক্ষার্থী কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ড ভবন। ছবি: নিউজবাংলা
কুমিল্লা বোর্ডের উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১২ হাজার ৩৮ জন ১৮ বিষয়ে ২৩ হাজার ১০৩টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণে অনলাইনে আবেদন করে। ৩৫৬ জনের ফল পরিবর্তন হয়, যাদের মধ্যে ৩৭ জন জিপিএ ফাইভ পায়।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষার উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণে ৩৫৬ জনের ফলে পরিবর্তন এসেছে।

পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১৫৫ জন ফেল থেকে পাস করেন। ১৬৪ জনের গ্রেড পরিবর্তন হয়।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে শনিবার পুনর্নিরীক্ষিত ফল প্রকাশ করা হয়।

বোর্ডের উপপরীক্ষা নিয়ন্ত্রক (মাধ্যমিক) মোহাম্মদ শহিদুল ইসলাম জানান, ২০২২ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ১২ হাজার ৩৮ জন ১৮ বিষয়ে ২৩ হাজার ১০৩টি উত্তরপত্র পুনর্নিরীক্ষণে অনলাইনে আবেদন করে। ৩৫৬ জনের ফল পরিবর্তন হয়, যাদের মধ্যে ৩৭ জন জিপিএ ফাইভ পায়।

কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান অধ্যাপক জামাল নাছের বলেন, ‘যাচাই-বাচাই শেষে ফল প্রকাশ হয়। ফল পরিবর্তন হওয়া শিক্ষার্থীরা ২৬ ডিসেম্বর কলেজে ভর্তির জন্য অনলাইনে আবেদন করতে পারবেন।’

গত ২৮ নভেম্বর এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশ হয়। ২৯ নভেম্বর থেকে ৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত অনলাইনে পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন নেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
এসএসসিতে একজনও পাস না করায় ৩ প্রতিষ্ঠানকে শোকজ
কেন্দ্র দখল, কুবি শিক্ষক সমিতির ভোট পণ্ড
থানায় গিয়ে বিয়ে ঠেকানো মেয়েটি পেল জিপিএ ফাইভ
এসএসসিতে এক লাখ বেশি ফেলের পেছনে কী কারণ
পা দিয়ে লিখে জিপিএ ফাইভ পেল মানিক

মন্তব্য

শিক্ষা
37500 passed the post of assistant teacher in primary

প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদে পাস সাড়ে ৩৭ হাজার

প্রাথমিকে সহকারী শিক্ষক পদে পাস সাড়ে ৩৭ হাজার প্রতীকী ছবি
নির্বাচিত প্রার্থীদের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সব সনদের মূল কপি ও তিন কপি জাতীয় পরিচয়পত্র, যথাযথভাবে পূরণ করা পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম, সিভিল সার্জন প্রদত্ত সুস্থতার সনদ নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষার চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করা হয়েছে, যাতে উত্তীর্ণ হয়েছেন ৩৭ হাজার ৫৭৪ জন।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ কর্মকর্তা মাহবুবুর রহমান তুহিন বুধবার সংবাদমাধ্যমে পাঠানো খুদেবার্তায় বিষয়টি জানিয়েছেন।

তিনি জানান, নির্বাচিত প্রার্থীদের মোবাইল নম্বরে খুদেবার্তার মাধ্যমে ফল জানিয়ে দেয়া হবে। এ ছাড়াও প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট এবং প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

নির্বাচিত প্রার্থীদের ৩১ ডিসেম্বরের মধ্যে সব সনদের মূল কপি ও তিন কপি জাতীয় পরিচয়পত্র, যথাযথভাবে পূরণ করা পুলিশ ভেরিফিকেশন ফরম, সিভিল সার্জন প্রদত্ত সুস্থতার সনদ নিয়ে সংশ্লিষ্ট জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে সশরীরে উপস্থিত হতে হবে।

প্রাথমিকের ফল দেখা যাবে এই লিংকে ক্লিক করে।

গত ২৮ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছিল, প্রকৃত শূন্য পদ যাচাইবাছাই শেষে ১৪ ডিসেম্বর বিকেলের মধ্যে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সচিব ফরিদ আহাম্মদ জানান, পাঁচ হাজারের মতো পদ বাড়ানো হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পদের সংখ্যা ৩২ হাজার ৫৭৭। অনুমোদিত পদের সঙ্গে পাঁচ হাজার পদ বাড়ানো হলে মোট পদ হবে ৩৭ হাজারের কিছু বেশি।

এর আগে নভেম্বরে ফল প্রকাশের কথা থাকলেও সেটি হয়নি। করোনাভাইরাসের কারণে নিয়োগে পদসংখ্যা বাড়ানোর কথা বলেন প্রার্থীরা। তখন পদ বাড়ানোর আশ্বাস দেয়া হলেও পরে বলা হয় বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ফল প্রকাশ হবে। এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে আন্দোলনে নামেন চাকরিপ্রত্যাশীরা।

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চসংখ্যক শূন্য পদে নিয়োগ এবং পদসংখ্যা বৃদ্ধির দাবিতে ৬১ জেলায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে স্মারকলিপিও দেন চাকরিপ্রার্থীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে পদসংখ্যা বাড়ানোর কথা বলা হয়।

২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর অনলাইনে এ নিয়োগের আবেদন শুরু হয়। আবেদন করেন ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ প্রার্থী।

নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা তিন ধাপে নেয়া হলেও চূড়ান্ত ফল একবারেই প্রকাশ করা হয়।

প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ৪০ হাজার ৮৬২। দ্বিতীয় ধাপে ৫৩ হাজার ৫৯৫ এবং তৃতীয় ধাপে ৫৭ হাজার ৩৬৮ জন উত্তীর্ণ হন।

আরও পড়ুন:
সিঙ্গাপুরের উদ্যোক্তাদের দেশে বড় বিনিয়োগে প্রধানমন্ত্রীর আহ্বান
সব সূচক হোঁচট খেলেও বিদেশি বিনিয়োগে এখনও স্বস্তি
বিমানের প্রশ্নপত্র ফাঁস হয় এমডির কক্ষ থেকে
ব্যাংকে চাকরির আবেদনে বয়সসীমা শিথিল
এলএনজি সরবরাহ ও ইস্টার্ন রিফাইনারি প্রকল্পে বিনিয়োগ করবে সৌদি

মন্তব্য

শিক্ষা
Awaiting publication of primary teacher recruitment results

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশের অপেক্ষা

প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল প্রকাশের অপেক্ষা প্রতীকী ছবি
নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা তিন ধাপে নেয়া হলেও চূড়ান্ত ফল একবারেই প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ৪০ হাজার ৮৬২। দ্বিতীয় ধাপে উত্তীর্ণ হন ৫৩ হাজার ৫৯৫ এবং তৃতীয় ধাপে ৫৭ হাজার ৩৬৮ জন।

সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগের চূড়ান্ত ফল আজ প্রকাশ করা হবে।

সরকারি প্রাথমিকে দেশের ইতিহাসে এটিই সবচেয়ে বড় নিয়োগ হতে চলছে।

গত ২৮ নভেম্বর প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে জানানো হয়েছিল, প্রকৃত শূন্য পদ যাচাই-বাছাই শেষে ১৪ ডিসেম্বর বিকেলের মধ্যে চূড়ান্ত ফল প্রকাশ হবে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ে সচিব ফরিদ আহাম্মদ জানিয়েছেন, পাঁচ হাজারের মতো পদ বাড়ানো হবে।

বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, পদের সংখ্যা ৩২ হাজার ৫৭৭। অনুমোদিত পদের সঙ্গে পাঁচ হাজার পদ বাড়ানো হলে মোট পদ হবে ৩৭ হাজারের কিছু বেশি।

এর আগে নভেম্বরে ফল প্রকাশের কথা থাকলেও সেটি হয়নি। করোনাভাইরাসের কারণে নিয়োগে পদসংখ্যা বাড়ানোর কথা বলেন প্রার্থীরা। তখন পদ বাড়ানোর আশ্বাস দেয়া হলেও পরে বলা হয় বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী ফল প্রকাশ হবে। এর ফলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সামনে আন্দোলনে নামেন চাকরিপ্রত্যাশীরা।

নিয়োগ প্রক্রিয়ায় সর্বোচ্চসংখ্যক শূন্য পদে নিয়োগ এবং পদসংখ্যা বৃদ্ধির দাবিতে ৬১ জেলায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয় ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসে স্মারকলিপিও দেন চাকরিপ্রার্থীরা। এর পরিপ্রেক্ষিতে পদসংখ্যা বাড়ানোর কথা বলা হয়।

২০২০ সালের ২৫ অক্টোবর অনলাইনে এ নিয়োগের আবেদন শুরু হয়। আবেদন করেন ১৩ লাখ ৯ হাজার ৪৬১ প্রার্থী।

নিয়োগে লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষা তিন ধাপে নেয়া হলেও চূড়ান্ত ফল একবারেই প্রকাশ করা হচ্ছে। প্রথম ধাপের লিখিত পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হন ৪০ হাজার ৮৬২। দ্বিতীয় ধাপে ৫৩ হাজার ৫৯৫ এবং তৃতীয় ধাপে ৫৭ হাজার ৩৬৮ জন।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর সূত্রে জানা যায়, আজ বিকেলের মধ্যে ফল প্রকাশ হবে। এর আগে ফল সংক্রান্ত সভা হবে।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল ১৪ ডিসেম্বর

মন্তব্য

p
উপরে