× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
13 thousand passed in the 41st BCS written exam
hear-news
player
google_news print-icon

৪১তম বিসিএসের লিখিত পরীক্ষায় পাস ১৩ হাজার

৪১তম-বিসিএসের-লিখিত-পরীক্ষায়-পাস-১৩-হাজার
বিসিএসের লিখিত পরীক্ষা। ফাইল ছবি

৪১তম বিসিএসের বিষয়ভিত্তিক লিখিত পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এতে পাস করেছেন ১৩ হাজার শিক্ষার্থী।

সরকারি কর্ম কমিশন বা পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক নূর আহম্মদের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা গেছে।

২০২১ সালের আগস্টের শুরুতে ৪১তম বিসিএসের প্রিলিমিনারির ফল প্রকাশ করে পিএসসি। এই বিসিএসে ২১ হাজার ৫৬ জন পাস করেন। তারাই লিখিত পরীক্ষায় অংশ নেন।

২০১৯ সালের ২৭ নভেম্বর ৪১তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে পিএসসি। তাতে আবেদন করেন চার লাখের বেশি প্রার্থী।

এতে বিভিন্ন পদে ২ হাজার ১৩৫ জন কর্মকর্তা নিয়োগ দেয়ার কথা বলা হয়।

আরও পড়ুন:
মুলার পর মুখোশ পরে পিএসসির সামনে চাকরিপ্রার্থীরা
৪০তম বিসিএস থেকে ১৯২৯ জনকে নিয়োগ
নন-ক্যাডার প্রার্থীদের অবস্থান নিয়ে নীরব পিএসসি
পিএসসির গেটে বিসিএস উত্তীর্ণরা
৪৪তম বিসিএস: লিখিত পরীক্ষা শুরু ২৯ ডিসেম্বর

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
How are visually impaired students studying?

কীভাবে পড়াশোনা করছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা

কীভাবে পড়াশোনা করছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের শিক্ষালাভ ও পরীক্ষা দিতে স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর নির্ভরশীলতা কমাতে ব্রেইল ব্যবস্থা উন্নত করতে কিছু কাজ হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে। ফাইল ছবি
শনিবার আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস। দেশে এটি পালিত হচ্ছে জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস হিসেবে। বিভিন্ন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের শিক্ষালাভ ও পরীক্ষা দেয়া এখনও স্বেচ্ছাসেবকদের ওপর নির্ভরশীল। ব্রেইল ব্যবস্থাকে উন্নত করতে কিছু কাজ হচ্ছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে।

দেশের ২ দশমিক ৮০ শতাংশ মানুষ শারীরিক বা মানসিক প্রতিবন্ধি। এদের মধ্যে নারীর তুলনায় পুরুষের সংখ্যা বেশি। আর বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার হিসেবে বিশ্বের মোট জনগোষ্ঠীর শতকরা ১৫ শতাংশ কোনো না কোনোভাবে প্রতিবন্ধী।

দেশে সরকারি সংজ্ঞা অনুযায়ী অন্তত একটি প্রতিবন্ধিতা রয়েছে এমন ব্যক্তিকে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি বলা হয়। শনিবার সারা বিশ্বে পালিত হচ্ছে আন্তর্জাতিক প্রতিবন্ধী দিবস। একই সাথে দেশেও এই দিনে জাতীয় প্রতিবন্ধী দিবস পালন করা হয়। এ বছর এই দিবসটি হবে আন্তর্জাতিকভাবে ৩১তম ও জাতীয়ভাবে ২৪তম।

এবারের প্রতিপাদ্য বিষয় হচ্ছে ‘অন্তরভূর্ক্তিমূলক উন্নয়নের জন্য পরিবর্তনমুখী পদক্ষেপ, প্রবেশগম্য ও সমতাভিত্তিক বিশ্ব বিনির্মাণে উদ্ভাবনের ভূমিকা।’

পূর্ণ পরিসংখ্যান না থাকলেও বেসরকারি হিসেবে বাংলাদেশে প্রতিবন্ধীদের সংখ্যা প্রায় দেড় কোটি বলে ধারণা করা হয়। দেশটিতে এই বিপুল পরিমাণ প্রতিবন্ধী জনগোষ্ঠীর একটি বড় অংশই শিক্ষার সুযোগ পায় না। আর উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে এই সংখ্যা খুবই নগণ্য।

সরকারি তথ্য অনুযায়ি, দেশে ১২ ধরনের প্রতিবন্ধিতার শিকার ব্যক্তির সংখ্যা ২১ লাখ ৭৭ হাজার ৯৮১ জন। এর মধ্যে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তি ৩ লাখ ৬৪৯ জন। বিবিএসের জরিপের তথ্যমতে দেশে দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যা মোট প্রতিবন্ধী ব্যক্তির সংখ্যার শূন্য দশমিক ৩৯ শতাংশ।

কীভাবে পড়াশোনা করছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীরা

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক (সম্মান) প্রথম বর্ষের বি ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী। ফাইল ছবি

বাংলাদেশে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিদের পড়াশোনার একমাত্র সহায়ক হচ্ছে ব্রেইল পদ্ধতি। মূলত কাগজের ওপর ছয়টি বিন্দুকে ফুটিয়ে তুলে লিখবার একটি পদ্ধতি। দৃষ্টিহীন ব্যক্তিরা এই উন্নীত বা উত্তল বিন্দুগুলোর ওপর আঙ্গুল বুলিয়ে ছয়টি বিন্দুর নকশা অনুযায়ী কোনটি কোন অক্ষর তা অনুধাবন করতে সক্ষম হন এবং লেখার অর্থ বুঝতে পারেন।

দৃষ্টি প্রতিবন্ধী ব্যক্তিরা বলছেন, ডিজিটাল সুবিধা অনেক বাড়লেও দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য ব্রেইল পদ্ধতির কোনো বিকল্প নেই। ব্রেইল পদ্ধতির নানা উপকরণ আরও সহজলভ্য হলে তাদের জন্য শিক্ষাগ্রহণ আরও সুবিধার হবে।

কীভাবে চলছে পড়াশোনা ও পরীক্ষা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে মোট ৭১ জন প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী রয়েছেন। এর মধ্যে ৩১ জন রয়েছেন দৃষ্টি প্রতিবন্ধী। ভলান্টিয়ার শিক্ষার্থীরা এখানে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের শিখন কাজে সাহায্য করা হয়ে থাকে।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের সংগঠন ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড ডেভেলপমেন্ট ফাউন্ডেশন বা পিডিএফ-এর সভাপতি তানভীর আহমেদ তন্ময় নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ব্রেইল পদ্ধতিতে কিছু সমস্যা আছে, তাই বিশ্ববিদ্যালয় ডিজিটাল পদ্ধতির কথা ভাবছে। আমরা কয়েকবার এই বিষয়ে উপাচার্যের সাথে কথাও বলেছি। আমাদেরকে এই বিষয়ে আশ্বস্ত করা হয়েছে।’

ঢাকার অদূরে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে চলমান সকল শিক্ষাবর্ষে সব মিলিয়ে শারিরীক প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর সংখ্যা ৭৫ জন। এর মধ্যে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী রয়েছেন ৩৪ জন।

বিশ্ববিদ্যালয়ে কাজ করা পিডিএফ জানাচ্ছে, আবাসিক এই বিশ্ববিদ্যালয়ে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য এখনও কোনো কারিকুলাম তৈরি হয়নি। এমনকি তাদের শিক্ষার জন্য অপরিহার্য ব্রেইল পদ্ধতিও নেই বিশ্ববিদ্যালয়টিতে। শিক্ষার্থীরা শ্রুতিলেখকের সহায়তা নিয়ে বিভিন্ন একাডেমিক পরীক্ষায় অংশ নেন।

সংগঠনের সভাপতি ৪৭তম আবর্তনের শিক্ষার্থী আব্দুল গাফফার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের এখানে আমাদের সংগঠন থেকেই এই ৩৪ জনকে পড়াশোনা করার জন্য সাহায্য করা হয়। বিশ্ববিদ্যালয় থেকে এখনও তাদের জন্য কোনো বিশেষ সুবিধা চালু হয়নি।’

তিনি বলেন, ‘ক্লাসের সব লেকচার রেকর্ড করে দেওয়া হয় তাদের। এরপর যখন পরীক্ষা শুরু হয়, তখন আমাদের একজন ভলান্টিয়ার তাদের পরীক্ষা দেওয়ার জন্য রেডি থাকেন। তবে এটা খুবই উদ্বেগজনক হয়ে পড়ে যখন আমাদের কোনো ভলান্টিয়ারের নিজের পরীক্ষা থাকে। তখন তিনি হয়ত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীকে সাহায্য করতে পারেন না।’

গাফফার বলেন, ‘আমরা অনেক দিন ধরেই তাদের পরিপূর্ণ কারিকুলামের জন্য আন্দোলন করছি। বিশ্ববিদ্যালয়ের লাইব্রেরিতে একটা ডিজ্যাবিলিটি কর্নার করা হবে। দুই মাস আগেও বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনে (ইউজিসি) একটা সভায় আমরা কারিকুলামের কথা বলেছি। ইউজিসি জানত না এত শিক্ষার্থী (দৃষ্টি প্রতিবন্ধী) পড়াশোনা করছে। তারা কারিকুলামের জন্য উদ্যোগ নিবে এমন আশ্বাস দিয়েছেন।’

শুধু জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় নয়, দেশের কোনো পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের জন্য আলাদা করে কোনো সুযোগ চালু হয়নি।

সারা দেশে কী অবস্থা

মৌলভীবাজারের সমন্বিত দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষা কার্যক্রম এর রিসোর্স শিক্ষক স্বপন চন্দ্র কর্মকার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি নিজেও দৃষ্টিহীন। আর আমাদের জন্য ব্রেইল পদ্ধতি ছাড়া অন্য কোনো উপায় নেই।’

তিনি বলনে, ‘একজন শিশু যদি জন্মগতভাবেই দৃষ্টিহীন হয়ে থাকে, তবে তার শিক্ষার একমাত্র উপায় ব্রেইল। আগে আমাদের বইপত্র নিয়ে সমস্যা হলেও এখন চাহিদা অনুযায়ী জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ড (এনসিটিবি) থেকে ব্রেইল বইপত্র সরবরাহ করা হচ্ছে।’

তবে ব্রেইল লেখার সামগ্রী পাচ্ছেন না বলে জানান স্বপন চন্দ্র। তিনি বলেন, ‘লেখার জন্য রাইটিং ফ্রেইম, বোর্ড এইগুলো পাচ্ছি না ঠিকমত।’

দৃষ্টি প্রতিবন্ধীরা হাতের সাহায্য ছাড়া পড়তে পারবে না। তাই ছোটবেলা থেকেই তাদের ব্রেইল পদ্ধতির সাথে পরিচয় করিয়ে দেওয়া হয়। একটা সময় পর্যন্ত ব্রেইল পদ্ধতিতে শিক্ষাগ্রহণ করলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে আসার পর সঠিক কারিকুলাম বা ব্রেইল সরঞ্জাম পান না তারা। এ ক্ষেত্রে নিহে হয় শ্রুতি লেখকের সাহায্য।

দৃষ্টিহীন এই শিক্ষক বলেন, ‘ব্রেইল পদ্ধতি থাকলে উচ্চশিক্ষার জন্য অবশ্যই ভালো হবে। তবে শ্রতিলেখকও লাগবে।’

তিনি বলেন, ‘স্কুলে টেস্ট বা নির্বাচনি পরীক্ষা পর্যন্ত ব্রেইল পদ্ধতি থাকছে। কিন্তু যখন পাবলিক পরীক্ষা দিচ্ছে, তখন তো খাতা আমার এখানে থাকবে না। বোর্ডে তো ব্রেইলের প্রতিকার নেই। তার জন্য শ্রুতিলেখকের সাহায্য লাগবেই।’

প্রতিবন্ধী শিশুদের জন্য প্রাথমিকের শিক্ষা সহজতর হলেও উচ্চ পর্যায়ের শিক্ষা কঠিন হয়ে পড়ছে। বাংলাদেশে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের অধিকাংশ স্কুলই শুধুমাত্র প্রাথমিক পর্যায়ে। মাধ্যমিকে এই শিক্ষার্থীদের জন্য মূলধারার প্রতিষ্ঠান ছাড়া বিকল্প নেই। আবার থাকলেও নেই উপযুক্ত শিক্ষা উপকরণ।

২০২১ শিক্ষাবর্ষে প্রথম থেকে নবম শ্রেণির ৯ হাজার ১৯৬ দৃষ্টিপ্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীর জন্য সরকার ব্রেইল পদ্ধতির বই ছেপেছে।

সফটওয়্যার ও শ্রুতিলেখক প্যানেল

গত আগস্টে দৃষ্টিহীনদের হাতে লেখা ব্রেইল লিপি বাংলায় রূপান্তর করার একটি সফটওয়্যারের প্রোটোটাইপ তৈরি করেছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি গবেষক দল। প্রাথমিকভাবে এ সফটওয়্যারে ৯৭ শতাংশ নির্ভুল ফলাফল পাওয়া যাচ্ছে বলেও জানিয়েছেন গবেষকেরা।

এই গবেষণায় যুক্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তথ্যপ্রযুক্তি ইনস্টিটিউটের সহকারী অধ্যাপক আহমেদুল কবীর নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমদের বিশ্ববিদ্যালয়ে যারা দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী আছেন, তাদের কথা ভেবেই আমরা এই সফটওয়্যার তৈরি করেছি।’

তিনি বলেন, ‘সাধারণত মাধ্যমিক ও প্রাথমিক পর্যায়ে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের পড়াশোনায় ব্রেইল থাকলেও বিশ্ববিদ্যালয়ে সেটি নেই। তারা ব্রেইলে যদি লিখেও থাকেন, সেটি পড়ার সক্ষমতা নেই। আমরা যে সফটওয়্যার বানিয়েছি, সেটি ব্রেইল লেখাকে বাংলায় রূপান্তর করতে পারবে। এটার মোবাইল স্ক্যান পদ্ধতি নিয়ে গবেষণা চলছে।’

আহমেদুল কবীর বলেন, ‘ব্রেইলে লেখা কাগজ স্ক্যান করে সেটা সফটওয়্যারের মাধ্যমে দিলে ৯৭ ভাগ নির্ভুল এডিট করা যাবে এমন ওয়ার্ড ফাইল বা পিডিএফ লেখা আসবে। নেক্সট সেমিস্টারে শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের সাহায্যে একটা পরীক্ষা নেওয়া হবে। সেখানে আমরা আরও কিছু বিষয় পর্যবেক্ষণ করব।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ তারিক আহসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমি যখন বুঝব আমার এখানে এই ধরনের শিক্ষার্থী আছেন, তখন আমি পরীক্ষা পদ্ধতি পরিবর্তনের কথা ভাবতে পারি। শুধু লিখে পরীক্ষা দেওয়ার বাইরেও অন্য কিছু পদ্ধতি যোগ করলে দৃষ্টি প্রতিবন্ধীদের সুবিধা হবে।’

এই অধ্যাপক শ্রুতি লেখকের উপর গুরুত্ব আরোপ করে বলেন, ‘যদি এমন কোনো উপায় থাকে যে লিখতেই হবে, সে ক্ষেত্রে শ্রুতি লেখকের জন্য একটা প্যানেল করা উচিত। এই প্যানেল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন তৈরি করবে। এটা অবশ্যই একটা রি-এনফোর্সমেন্ট ভিত্তিতে হতে হবে। যারা এখানে কাজ করবে, তাদের একটা সার্টিফিকেট দিতে হবে। অথবা সময় দেওয়ার জন্য সম্মানী দিতে হবে। যখন কোনো দৃষ্টি প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থী বিশ্ববিদ্যালয়কে তার পরীক্ষার সময় জানাবে, তখন বিশ্ববিদ্যালয় তাকে সেই সহযোগিতা দেবে।’

শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের এই অধ্যাপক ব্রেইল পদ্ধতিরও উন্নতির কথা উল্লেখ করে বলেন, ‘আমাদের গ্রন্থাগারে ব্রেইল প্রিন্টার আছে, কিন্তু সেটা সবার জন্য উন্মুক্ত নয়। কারণ অনেকেই জানেন না এটা কীভাবে কাজ করে। সেখানে অভিজ্ঞ লোক নিয়োগ দিতে হবে। তাতে উচ্চশিক্ষার পথ সুগম হবে।’

আরও পড়ুন:
প্রধান শিক্ষককে ছোড়া বল্লমে ছাত্রের মৃত্যুতে দুই মামলা
প্রধান শিক্ষককে ছোড়া বল্লমে প্রাণ গেল ছাত্রের
লেখাপড়ার চাপে বেড়েছে আত্মহত্যার প্রবণতা
যৌন হয়রানির অভিযোগে শাবির ৭ ছাত্রকে বহিষ্কার

মন্তব্য

শিক্ষা
Chhatra League committee announcement in 16 sections of Jabir

জবির ১৬ বিভাগে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা

জবির ১৬ বিভাগে ছাত্রলীগের কমিটি ঘোষণা ক্যাম্পাসে কর্মসূচিতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। ফাইল ছবি
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন বলেন, ‘দীর্ঘদিন যাবৎ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। যার ফলে অনেক কর্মীই কোনো রাজনৈতিক পরিচয় পায়নি। সে জন্যই আমরা বিভাগভিত্তিক কমিটি দিচ্ছি। সামনে যেহেতু নির্বাচন, তাই দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ কাজ করবে।’

বিভাগে বিভাগে কমিটি দিচ্ছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ছাত্রলীগ। এরই মধ্যে ঘোষণা করা হয়েছে ১৬টি বিভাগে আংশিক কমিটি।

বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহীম ফরাজি ও সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইনের সই করা পৃথক বিজ্ঞপ্তিতে এসব কমিটি ঘোষণা করা হয়েছে।

বৃহস্পতিবার রাতে চারটি ও শুক্রবার রাতে আরও ১২টি কমিটির অনুমোদন দেয়া হয়। এসব কমিটিতে স্নাতকপর্যায়ের শিক্ষার্থীরা পদ পেয়েছেন।

লোকপ্রশাসন বিভাগে সভাপতি হিসেবে রাকিবুল হাফিজ অন্তর ও সাধারণ সম্পাদক মো. আরিফুল ইসলাম, ইতিহাস বিভাগে সভাপতি চয়ন কুমার রায় ও সাধারণ সম্পাদক মেহেদী হাসান, রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতি আহমেদ হাসনাত ও সাধারণ সম্পাদক সাজ্জাদ আরিফ, প্রাণিবিদ্যা বিভাগে সভাপতি নাহিদুল ইসলাম হিমেল ও সাধারণ সম্পাদক আব্দুল্লাহ আল ফাহিম, ইসলামের ইতিহাস ও সংস্কৃতি বিভাগে সভাপতি বায়েজিদ শেখ ও সাধারণ সম্পাদক মাশরাফি রহমান খান, ফিন্যান্স অ্যান্ড ব্যাংকিং বিভাগে সভাপতি হা-মীম ইবনে বাসার ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে আল-আমিন দিমানকে দায়িত্ব দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়াও অন্য বিভাগগুলোর মধ্যে নৃবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতি হিসেবে মশিউর রহমান শুভ ও সাধারণ সম্পাদক শামসুল আলম রাফি, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগে সভাপতি আকরাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক মো. ইমতিয়াজ আহম্মেদ রওনক, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতি সোহানুর রহমান ও সাধারণ সম্পাদক আশিকুর রহমান, মনোবিজ্ঞান বিভাগে সভাপতি রাসেল মোল্লা ও সাধারণ সম্পাদক মো. আকিব হায়দার ইমন, ফার্মেসি বিভাগে সভাপতি মো. আসিফ আরাফাত নিলয় ও সাধারণ সম্পাদক এস এম বায়েজিদ, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে সভাপতি সুমিত দত্ত ও সাধারণ সম্পাদক হিসেবে তারিদ্দোহা সৌম্য দায়িত্ব পেয়েছেন।

বাংলা বিভাগের সভাপতি হয়েছেন তুষার মাহমুদ, সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে অর্জুন বিশ্বাসকে। এই কমিটিতে সহসভাপতি পদে রয়েছেন মাহমুদুল হক সামি, মো. তরিকুল ইসলাম, মাহমুদুজ্জামান পাভেল, পাবুন চন্দ্ৰ অধিকারী, জুনাঈদ হুসাইন রায়িন। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন আটজন। সাংগঠনিক সম্পাদক করা হয় আফসানা মীমী ও ফারহানা জেসমিনকে।

অর্থনীতি বিভাগের সভাপতি প্রিয়দর্শী চাকমা ও সাধারণ সম্পাদক ইকবাল মাহমুদ রানা। কমিটির অন্যরা হলেন সহসভাপতি ইব্রাহীম খলিল, মৃদুল হাসান, ইবনুল ইয়াসিন ও সৌরভ সূত্রধর, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক মুকিত উল ইসলাম, মমতাজুর রহমান, মো. নবুয়ত হোসেন নুহান ও মেহেদী হাসান আবির।

নাফিস ইকবাল তাশিককে সভাপতি ও রাসেল আহমেদকে সাধারণ সম্পাদক করে গঠিত নাট্যকলা বিভাগের কমিটির অন্যরা হলেন সহসভাপতি আলিমুল ইসলাম, অনামিকা ইবাদ, মো. মোস্তাকিন মিয়া, মো. ইবনে সিনা ইউনুস ও মিঠুন চন্দ্র দাস। এতে যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক হয়েছেন পাঁচজন।
পরিসংখ্যান বিভাগের সভাপতি আব্দুল্লাহ আল রাফি সাকিব ও সাধারণ সম্পাদক মো. শাহীন আলম। কমিটির অন্যরা হলেন সহসভাপতি আবির মাহমুদ, জারিফ তাজওয়ার, শাহ নাবিল হোসেন তানিম ও রকিবুল ইসলাম। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান সিফাত, মো. মাঈনুল হক সাকিব, মো. ওমর ফারুক জয়, রিফাত চৌধুরী সজল, শরিফুল হক তানজীম, তৌফাতুল ফেরদৌসী ঝিলিক ও আয়শা ইশরাত।

এ বিষয়ে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন বলেন, ‘দীর্ঘদিন যাবৎ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের পূর্ণাঙ্গ কমিটি হয়নি। যার ফলে অনেক কর্মীই কোনো রাজনৈতিক পরিচয় পায়নি। সে জন্যই আমরা বিভাগভিত্তিক কমিটি দিচ্ছি। সামনে যেহেতু নির্বাচন, তাই দেশরত্ন শেখ হাসিনার হাতকে শক্তিশালী করতে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ কাজ করবে।’

এর আগে ২৫ থেকে ৩০ নভেম্বর পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিটি অনুষদ, বিভাগ এবং ইনস্টিটিউটের পদপ্রত্যাশীদের সিভি জমা নেয় জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের সংঘর্ষে ফের উত্তপ্ত চবি, আহত ৮
‘শাসন করতে’ ছাত্রলীগ নেতার জুতাপেটা
ছাত্রলীগের বয়সসীমা ‘উনত্রিশ’ই থাকছে

মন্তব্য

শিক্ষা
A woman riding a rickshaw was killed after being hit by a private car in DU

টিএসসিতে চাপা দিয়ে নারীকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে নিল গাড়ি

টিএসসিতে চাপা দিয়ে নারীকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে নিল গাড়ি নারীকে রিকশা থেকে ফেলে টিএসসি থেকে নীলক্ষেত থেকে টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে যায় প্রাইভেট কারটি। এক পর্যায়ে চালককে আটকে পিটুনি দেয় পথচারীরা। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
এক নারীকে সড়ক দিয়ে টেনে নেয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকে। এতে দেখা গেছে, গাড়ির বাম পাশে সামনের চাকার পেছনে বাঁধিয়ে ওই নারীকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে প্রাইভেট কার। এক পর্যায়ে চালককে আটকায় পথচারীরা।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ক্যাম্পাসে নারীকে রিকশা থেকে ফেলে টিএসসি থেকে নীলক্ষেত পর্যন্ত টেনে-হিঁচড়ে নিয়ে গেছে একটি প্রাইভেট কার।

শুক্রবার বিকেল সাড়ে ৩টার দিকের এ ঘটনায় আহত ওই নারীকে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নেয়া হলে কিছুক্ষণ পর তার মৃত্যু হয়।

নিহত ৪৫ বছর বয়সী নারীর নাম রুবিনা আক্তার। তিনি গৃহবধূ ছিলেন; থাকতেন তেজগাঁওয়ে। তার ১২ বছরের এক ছেলে আছে। দুই বছর আগে তার স্বামী মারা গেছেন।

ঢামেক পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ বাচ্চু মিয়া নিউজবাংলাকে এসব নিশ্চিত করেছেন।

ওই নারীকে সড়ক দিয়ে টেনে নেয়ার ভিডিও ছড়িয়ে পড়েছে ফেসবুকে। এতে দেখা যায়, গাড়ির বাম পাশে সামনের চাকার পেছনে আটকে পড়া নারীকে টেনে নিয়ে যাচ্ছে প্রাইভেট কারটি। এক পর্যায়ে গাড়িটিকে আটকায় পথচারীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরিয়াল টিম জানায়, গাড়িচালক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক সহযোগী অধ্যাপক; নাম আজাহার জাফর শাহ।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী টিএসসির একাধিক ভ্রাম্যমাণ দোকানদার নিউজবাংলাকে জানায়, একটি রিকশায় ওই নারী শাহবাগ থেকে টিএসসির দিকে আসছিলেন। এ সময় পেছন থেকে একটি প্রাইভেট কার রিকশাকে ধাক্কা দিলে, তিনি পড়ে যান। নারীকে চাপা দেয়ার পর চালক গাড়ি না থামিয়ে চালিয়ে যেতে থাকেন। আশপাশের লোকজন গাড়িটিকে থামানোর চেষ্টা করেও ব্যর্থ হন।

চাপা পড়া নারীকে হিঁচড়ে নীলক্ষেত মোড় পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া হয়। এক পর্যায়ে আশপাশের লোকজন গাড়িটিকে থামাতে সক্ষম হন।

ঘটনাস্থলে উপস্থিত এক রিকশাচালক নিউজবাংলাকে জানান, নারীকে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠিয়ে গাড়ির চালককে ইট দিয়ে আঘাত করে লোকজন। তাকে ৩-৪ মিনিট মারধর করা হয়। পরে পুলিশ চালককে উদ্ধার করে হাসপাতালে পাঠায়।

ঘটনাস্থলে থাকা শাহবাগ থানা পুলিশের উপপরিদর্শক জাফর বলেন, ‘একজন নারী কার দুর্ঘটনার শিকার হয়েছেন। কারচালককে উত্তেজিত জনতা আটক করে পিটিয়েছে।’

আরও পড়ুন:
ঢাবির হলে শিক্ষার্থীকে রড দিয়ে পিটিয়েছে ছাত্রলীগের কর্মী
ঢাবি প্রক্টরের বিরুদ্ধে ‘গুরুতর’ অভিযোগ

মন্তব্য

শিক্ষা
11th admission application through digital system started on December 8

ডিজিটাল পদ্ধতিতে একাদশে ভর্তি, আবেদন শুরু ৮ ডিসেম্বর

ডিজিটাল পদ্ধতিতে একাদশে ভর্তি, আবেদন শুরু ৮ ডিসেম্বর ২৮ নভেম্বর চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলের শিক্ষার্থীরাও আনন্দ-উচ্ছ্বাস মেতে ওঠে। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি তপন কুমার সরকার বলেন, ‘আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে একাদশে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে, যা চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। শিক্ষার্থীরা সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিয়ে আবেদন করতে পারবে।’

উচ্চ মাধ্যমিক বা একাদশ শ্রেণিতে শিক্ষার্থীদের ভর্তির অনলাইনে আবেদন শুরু হবে আগামী ৮ ডিসেম্বর, যা চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। এ বছর আবেদন করতে হবে আগের বছরের মতো ডিজিটাল পদ্ধতিতে।

বৃহস্পতিবার ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি তপন কুমার সরকার এ তথ্য জানান।

তিনি বলেন, ‘আগামী ৮ ডিসেম্বর থেকে একাদশে ভর্তির অনলাইন আবেদন শুরু হবে, যা চলবে ১৫ ডিসেম্বর পর্যন্ত। শিক্ষার্থীরা সর্বনিম্ন পাঁচটি এবং সর্বোচ্চ ১০টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পছন্দক্রম দিয়ে আবেদন করতে পারবে।’

তপন কুমার সরকার বলেন, ‘বৃহস্পতিবার শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে অনুষ্ঠিত একাদশে ভর্তিবিষয়ক এক সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। আগামী সপ্তাহে ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হবে।’

এর আগে গত সোমবার ফল প্রকাশের দিন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানিয়েছিলেন, উচ্চ মাধ্যমিকের ভর্তি যে পদ্ধতিতে হয়, এবারও সেই একই পদ্ধতিতে হবে। কোনো ব্যত্যয় হবে না।

এ বছর ৯টি শিক্ষা বোর্ড এবং মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে মাধ্যমিক ও সমমানের চূড়ান্ত পরীক্ষায় অংশ নেয় ১৯ লাখ ৯৪ হাজার ১৩৭ জন শিক্ষার্থী। তাদের মধ্যে ১৭ লাখ ৪৩ হাজার ৬১৯ জন পাস করেছে। তবে সরকারি ও বেসরকারি কলেজ মিলিয়ে ২৫ লাখের মতো শিক্ষার্থী ভর্তির সুযোগ রয়েছে একাদশ শ্রেণিতে।

গত ২৮ নভেম্বর চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের ফল প্রকাশ করা হয়। পরীক্ষায় গড় পাসের হার ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ, যা আগের বছর ছিল ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

এবার সাধারণ ৯টি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮৮ দশমিক ১০ শতাংশ। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৮২ দশমিক ২২ শতাংশ আর কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে ৮৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
এসএসসিতে এক লাখ বেশি ফেলের পেছনে কী কারণ
পা দিয়ে লিখে জিপিএ ফাইভ পেল মানিক
উপযুক্ত শিক্ষকের অভাব আছে: শিক্ষামন্ত্রী
৪৫ বছরে এসএসসি দিয়ে পেলেন জিপিএ ফাইভ
বাবার মরদেহ রেখে পরীক্ষা দেয়া সুমাইয়া পেল জিপিএ ফাইভ

মন্তব্য

শিক্ষা
Professor Dr Hafiza Khatun gold medal launched in Jabi

জাবিতে ‘প্রফেসর ড. হাফিজা খাতুন স্বর্ণপদক’ চালু

জাবিতে ‘প্রফেসর ড. হাফিজা খাতুন স্বর্ণপদক’ চালু
জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নুরুল আলম বলেন, ‘এই স্বর্ণপদক চালুর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়াবিদরা অনুপ্রেরণা ও উৎসাহ পাবেন। তারা ক্রীড়া নৈপুণ্যে আরও মনোযোগী হবেন।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ছাত্র ও ছাত্রী চ্যাম্পিয়নকে প্রদানের লক্ষ্যে ‘প্রফেসর ড. হাফিজা খাতুন স্বর্ণপদক’ চালু করা হয়েছে।

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. হাফিজা খাতুন বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতায় ছাত্র ও ছাত্রী চ্যাম্পিয়নকে স্বর্ণপদক প্রদানের লক্ষ্যে ১০ লাখ টাকার চেক হস্তান্তর করেন জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. নূরুল আলমের কাছে।

জাবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. নুরুল আলম বলেন, ‘এই স্বর্ণপদক চালুর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্রীড়াবিদরা অনুপ্রেরণা ও উৎসাহ পাবেন। তারা ক্রীড়া নৈপুণ্যে আরও মনোযোগী হবেন।’

পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. হাফিজা খাতুন বলেন, ‘খেলাধুলায় স্বর্ণপদক চালু করতে বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মতিতে আমি আনন্দিত। আমি বিশ্বাস করি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে তৈরি করেছে এবং ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে আমি বিকশিত হয়েছি। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়কে আমি হৃদয়ে ধারণ করি।’

এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক শেখ মো. মনজুরুল হক, রেজিস্ট্রার (চুক্তিভিত্তিক) রহিমা কানিজ, মাইক্রোবায়োলজি বিভাগের অধ্যাপক ও পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক কোষাধ্যক্ষ ড. আনোয়ার খসরু পারভেজ, ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের অধ্যাপক মো. শাহেদুর রশিদ এবং অধ্যাপক ড. খন্দকার হাসান মাহমুদ।

প্রফেসর ড. হাফিজ খাতুন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক ছাত্রী। তিনি মুক্তিযুদ্ধ উত্তর স্বাধীন-স্বার্বভৌম বাংলাদেশে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় এবং মেয়েদের মধ্যে প্রথম ব্যাচের ভূগোল বিভাগের শিক্ষার্থী ছিলেন। বিভিন্ন খেলায় দক্ষতা ও পারদর্শীতার জন্য তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের খেলাধুলায় সর্বোচ্চ খেতাব ‘ব্লু’ প্ৰাপ্ত হয়েছিলেন।

১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে হাফিজা খাতুন অংশগ্রহণ করেছেন। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের মধ্যে ড. হাফিজা খাতুন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগদানকারী শিক্ষকদের মধ্যে প্রথম। তিনি জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের এ্যালামনাই এসোসিয়েশনের নির্বাচিত সহ-সভাপতি।

আরও পড়ুন:
জাবিতে ‘প্রজাপতি মেলা’ এবার ২ ডিসেম্বর
মসজিদ নির্মাণের দাবিতে জাবিতে মানববন্ধন
ছাত্রকে থাপ্পড় দেয়া জাবির ২ ছাত্রীর বহিষ্কারাদেশ অবৈধ
জাবিতে নিরাপত্তা কর্মকর্তারই মোটরসাইকেল চুরি
ঢাবিতে ঢুকলে জাবি অধ্যাপককে জীবন বিপন্নের হুমকি

মন্তব্য

শিক্ষা
3 institutions are saddened as no one passed in SSC

এসএসসিতে একজনও পাস না করায় ৩ প্রতিষ্ঠানকে শোকজ

এসএসসিতে একজনও পাস না করায় ৩ প্রতিষ্ঠানকে শোকজ
শোকজ নোটিশ পাওয়া এমপিওভুক্ত ওই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার বাঙ্গালা ইউনিয়নের ইসলামপুর (মাঝিপাড়া) ধরইল দাখিল মাদ্রাসা, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর দাখিল মাদ্রাসা ও বড়পাঙ্গাসী ইউনিয়নের খন্দকার নূরুন নাহার জয়নাল আবেদিন দাখিল মাদ্রাসা।

সিরাজগঞ্জে এবার এসএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস না করায় ৩টি প্রতিষ্ঠানের কাছে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম শামসুল হক স্বাক্ষরিত শোকজ নোটিশ বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠান প্রধানের হাতে গিয়ে পৌঁছেছে। আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জবাব দিতে বলা হয়েছে নোটিশে।

শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম শামসুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শোকজ নোটিশ পাওয়া এমপিওভুক্ত ওই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার বাঙ্গালা ইউনিয়নের ইসলামপুর (মাঝিপাড়া) ধরইল দাখিল মাদ্রাসা, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর দাখিল মাদ্রাসা ও বড়পাঙ্গাসী ইউনিয়নের খন্দকার নূরুন নাহার জয়নাল আবেদিন দাখিল মাদ্রাসা।

শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুল হক জানান, প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে নোটিশের জবাব পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
বাবার মরদেহ রেখে পরীক্ষা দেয়া সুমাইয়া পেল জিপিএ ফাইভ
রাজশাহীতে পাসের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ ফাইভ, এগিয়ে মেয়েরা
চট্টগ্রামে কমেছে পাসের হার, বেড়েছে জিপিএ ফাইভ
এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস
পাসের হারে সিলেট কেন তলানিতে

মন্তব্য

শিক্ষা
No unnecessary construction of buildings in universities UGC

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় অপ্রয়োজনে ভবন নির্মাণ নয়: ইউজিসি

বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় অপ্রয়োজনে ভবন নির্মাণ নয়: ইউজিসি
একাডেমিক, প্রশাসনিক ও আবাসিক ভবন নির্মানের বিষয়টি প্রয়োজন ও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের।

পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে অপ্রয়োজনে ভবন নির্মান না করার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরী কমিশন (ইউজিসি)। এক্ষেত্রে একাডেমিক, প্রশাসনিক ও আবাসিক ভবন নির্মানের বিষয়টি প্রয়োজন ও অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে উন্নয়ন প্রকল্প প্রস্তাবে (ডিপিপি) অন্তর্ভুক্ত করার পরামর্শ দিয়েছেন ইউজিসি সদস্য অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়ন প্রকল্পসমূহ নির্দিষ্ট সময়ে ও পরিকল্পনামাফিক বাস্তবায়নের পরামর্শও দিয়েছেন তিনি। এসব প্রকল্পের কাজ যথাসময়ে সম্পন্ন করতে তদারকি জোরদার করবে ইউজিসি।

বৃহস্পতিবার পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২২-২০২৩ অর্থবছরের বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) মোতাবেক কর্মসম্পাদন, প্রমাণক সংরক্ষণ ও কমিশনে প্রেরণ সংক্রান্ত কর্মশালায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে অধ্যাপক ড. মো. আবু তাহের এ আহ্বান জানান।

ইউজিসি অডিটোরিয়ামে বৃহস্পতিবার দিনব্যাপী এই কর্মশালা হয়। এর উদ্বোধন অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ইউজিসি সচিব ড. ফেরদৌস জামান।

আবু তাহের বলেন, ‘উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় উল্লেখযোগ্য সংখ্যক পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষক, কর্মকর্তা, কর্মচারী ও শিক্ষার্থীদের জন্য আবাসিক ভবন এবং হল নির্মাণ করা হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা গেছে, কোনো কোনো বিশ্ববিদ্যালয়ে শিক্ষকদের জন্য নির্মিত বহুতল ভবনের অধিকাংশ ফ্ল্যাটই খালি পড়ে আছে।’

আবাসিক সংকটে শিক্ষার্থীরা ক্যাম্পাসের বাইরে থাকতে বাধ্য হচ্ছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘যে ভবনটির প্রকৃত প্রয়োজন সেটিকে উন্নয়ন প্রকল্পে যুক্ত করতে হবে। অপ্রয়োজনে ভবন নির্মাণ হলে কেবল রাষ্ট্রীয় সম্পদের অপচয় হবে।’

উন্নয়ন প্রকল্প বাস্তবায়নে ধীর গতি রয়েছে বলেও মনে করেন আবু তাহের। অনেক বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকল্পের কাজ নির্দিষ্ট সময়ে শেষ হচ্ছে না উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘এ ক্ষেত্রে বারবার তারা সময় ও ব্যয় বৃদ্ধির জন্য আবেদন করছেন। এতে সরকারের ব্যয় বেড়ে যাচ্ছে।’

উন্নয়ন প্রকল্পে অনিয়ম সম্পর্কে তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও সংশ্লিষ্ট শিক্ষক-কর্মকর্তারা অনিয়মে জড়িয়ে পড়েছেন। শিক্ষকদের বিরুদ্ধে এসব অনিয়মের তদন্ত অত্যন্ত দুর্ভাগ্যজনক।’

আরও পড়ুন:
গবেষণায় বিদেশি অনুদান নিতে পরামর্শ ইউজিসির
বিশ্ববিদ্যালয়ে ই-নথি চায় ইউজিসি
প্রস্তুতি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন নিয়ে উদ্বিগ্ন ইউজিসি করছে নীতিমালা
বিশ্ববিদ্যালয়ে বিদ্যুৎ ব্যবহারে মিতব্যয়ী হতে বলেছে ইউজিসি
বিশ্ববিদ্যালয়ে র‌্যাগ ডে বন্ধের নির্দেশ ইউজিসির

মন্তব্য

p
উপরে