× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Technical Bengali Prothompatra exam postponed
hear-news
player
google_news print-icon

কারিগরির বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা স্থগিত

কারিগরির-বাংলা-প্রথম-পত্রের-পরীক্ষা-স্থগিত
পরীক্ষায় বসেছেন শিক্ষার্থীরা। ফাইল ছবি
ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি তপন কুমার সরকার বলেন, ‘প্রশ্নের মুদ্রণজনিত ত্রুটির কারণে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বিকেল শিফটের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।’

কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীন এইচএসসির বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

রোববার দুপুরে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মো. কেপায়েত উল্লাহর সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এই তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ২০২২ সালের এইচএসসি (বিএমটি) একাদশ শ্রেণির বাংলা-১ নতুন ও পুরাতন সিলেবাসের পরীক্ষা অনিবার্য কারণবশত স্থগিত করা হলো। স্থগিত পরীক্ষার সময়সূচি পরে জানানো হবে।

ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান এবং আন্তশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় সাব-কমিটির সভাপতি তপন কুমার সরকার বলেন, ‘প্রশ্নের মুদ্রণজনিত ত্রুটির কারণে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের বিকেল শিফটের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।’

প্রাকৃতিক দুর্যোগসহ বিভিন্ন কারণে পিছিয়ে যাওয়া চলতি বছরের উচ্চ মাধ্যমিক সার্টিফিকেট (এইচএসসি) ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে রোববার। সূচি অনুযায়ী লিখিত পরীক্ষা চলবে আগামী ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত। লিখিত শেষে ব্যবহারিক পরীক্ষা হবে ১৫ ডিসেম্বর থেকে ২২ ডিসেম্বরের মধ্যে।

চলতি বছরের এইচএসসি পরীক্ষা পুনর্বিন্যাস পাঠ্যসূচি অনুযায়ী হবে। এইচএসসিতে এবার তথ্য ও যোগাযোগপ্রযুক্তি পরীক্ষা না নিয়ে সাবজেক্ট ম্যাপিংয়ের মাধ্যমে নম্বর দেয়া হবে।

এ বছর পরীক্ষার্থী ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ জন। ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ৯ লাখ ৮৫ হাজার ৭১৩ জন শিক্ষার্থী। মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের আলিম পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ৯৪ হাজার ৭৬৩ জন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি বিএম, ভোকেশনাল এবং ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষায় অংশ নিচ্ছেন ১ লাখ ২২ হাজার ৯৩১ জন পরীক্ষার্থী।

আরও পড়ুন:
এইচএসসি: বরিশাল বোর্ডে অনুপস্থিত ৯৬৭
কুমিল্লা শিক্ষা বোর্ডে নিবন্ধন করেও পরীক্ষা দিচ্ছে না ৩১ হাজার শিক্ষার্থী
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Relief at Messis awakening in DU

মেসিদের জাগরণে স্বস্তি ঢাবিতে

মেসিদের জাগরণে স্বস্তি ঢাবিতে মাঠে উদযাপনে টিম আর্জেন্টিনা। ছবি: এএফপি
আমজাদ হোসেন হৃদয় নামের এক ছাত্র বলেন, ‘আজকের খেলায় মেসির কাছে আমাদের প্রত্যাশা ছিল। নিজে গোল দেয়া এবং ফার্নান্দেসকে দিয়ে করানো গোলটা দেখে কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছি। মার্টিনেজের সেভটাও দেখার মতো ছিল।’

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের সঙ্গে হেরে খাদের কিনারায় চলে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেখান থেকে উঠে আসতে বিকল্প ছিল না জয়ের।

কাতারের লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে অধরা সেই জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নেমেছিলেন মেসি, ফার্নান্দেসরা, কিন্তু বাংলাদেশ সময় শনিবার মধ্যরাতের ম্যাচের প্রথমার্ধ পর্যন্ত বুক চিনচিন করছিল দর্শকদের। তীর্থের কাকের মতো গোলের অপেক্ষায় ছিলেন তারা।

সে অপেক্ষার অবসান হয় দ্বিতীয়ার্ধে। দলপতি লিওনেল মেসির নীরবতা ভাঙানো গোলে প্রাণ ফেরে দর্শকদের। এরপর এনজো ফার্নান্দেসের দ্বিতীয় গোলে আসে স্বস্তি, যা বহাল ছিল রেফারির শেষ বাঁশি পর্যন্ত।

মেক্সিকোর বিপক্ষে আর্জেন্টিনার গুরুত্বপূর্ণ এ জয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শকদের মতো প্রাণ ফেরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি, মুহসীন হলের মাঠে বড় পর্দায় খেলা দেখা দর্শকদের। গভীর রাতে তাদের মুখ থেকে বের হয় চাপা অভিমান আর আনন্দের কথা।

বাঁশি বাজিয়ে, মোটরসাইকেলে শোডাউন করে, আর্জেন্টিনার পতাকা গায়ে প্যাঁচিয়ে, নেচে-গেয়ে মেসিদের জয় উদযাপন হয় ঢাবি ক্যাম্পাসে। অনেকে স্লোগান দিতে দিতে ফেরেন হল আর বাসায়।

মেসিদের জাগরণে স্বস্তি ঢাবিতে

এমন মুহূর্তে কথা হয় কিছু আর্জেন্টিনাপ্রেমীর সঙ্গে। তাদের একজন ঢাবি ছাত্র নাসিমুল হুদা বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা আরেকটু বেশি ছিল। তারপরও জয় পেয়েছি দেখে ভালো লাগছে।

‘প্রথমার্ধের খেলায় আমরা মোটেও সন্তুষ্ট হতে পারিনি। যখন খেলা দেখছিলাম, তখন প্রচণ্ড রাগ উঠছিল। কারণ আর্জেন্টিনা এত বাজে খেলবে, সেটা মানতে পারছিলাম না। তাদের আরও ভালো খেলা উচিত ছিল।’

আরেক ছাত্র সিদ্দিক ফারুক বলেন, ‘প্রথমার্ধে মন খারাপ থাকলেও মেক্সিকোর এত ডিফেন্সের ভেতর মেসির গোল এবং ফার্নান্দেসকে দিয়ে করানো গোলটা অসাধারণ ছিল, তবে আমাদের খেলায় আরও অনেক উন্নতি করা দরকার। এই খেলা দিয়ে আমরা ফাইনালের স্বপ্ন দেখার সাহস করতে পারি না।’

আমজাদ হোসেন হৃদয় নামের এক ছাত্র বলেন, ‘আজকের খেলায় মেসির কাছে আমাদের প্রত্যাশা ছিল। নিজে গোল দেয়া এবং ফার্নান্দেসকে দিয়ে করানো গোলটা দেখে কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছি। মার্টিনেজের সেভটাও দেখার মতো ছিল।

‘আশা করছি পোল্যান্ডের ম্যাচে আমরা জিতব। আমি অনেক বেশি করে চাইছি, কাতার বিশ্বকাপটা আর্জেন্টিনার হোক।’

এসইএস শাহিনের কাছে মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল ফাইনাল। এতে জয়ের পর তার ভাষ্য, ‘আর্জেন্টিনার সামনে দুইটা ফাইনাল ছিল। একটাতে আজ জিতেছে; আরেকটা আগামী বৃহস্পতিবার।

‘সেটাতেও জিতবে বলে আশা আছে, তবে দলের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, কেউই ফর্মে নাই। তারপরও আমি আশা ছাড়তে চাই না।’

আর্জেন্টিনার বহুল প্রতীক্ষিত এ জয়ের উচ্ছ্বাসের ঢেউ দেখা গেছে ছাত্রীদের হলে। হল গেটের ভেতর থেকে ‘মেসি মেসি’ স্লোগান দিতে দেখা যায় ছাত্রীদের।

প্রিয় দলের খেলা বড় পর্দায় দেখবে বলে অনেক ছাত্রী নির্ধারিত সময় রাত ১০টার মধ্যে হলে ঢোকেননি। খেলা শেষে তারা বাইরে বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করে, আড্ডা দিয়ে রাত কাটিয়েছেন।

এমনই একজন তাসনুভা জাহান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাত ১০টায় হল বন্ধ হয়ে যায়। সেখানে বড় পর্দায় খেলা দেখার ব্যবস্থা নেই। সবার সঙ্গে বড় পর্দায় খেলা দেখার মজাটাই অন্যরকম। আর সেটা যদি হয় প্রিয় দলের, তাহলে আনন্দটা দ্বিগুণ হয়।

‘তাই আজকে খেলা শেষে বান্ধবীদের সঙ্গে ক্যাম্পাসেই গল্প, আড্ডা করতে করতে রাত কাটাতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আজকে মেসি জিতেছে; অনেক খুশি। এবার অন্তত বিশ্বকাপটা মেসির হোক।’

আরও পড়ুন:
চাপ সামলে জয় অস্ট্রেলিয়ার
আর্জেন্টিনার সামনে যেসব সমীকরণ
সৌদি ফুটবলারদের রোলস রয়েস পাওয়ার খবরটি ভুয়া
মুহিন-ঝিলিকের ‘ছুটছে মেসি ছুটছে নেইমার’
সেই মাঠে আবার নামছে আর্জেন্টিনা

মন্তব্য

শিক্ষা
Alleged beating of Chhatra Dal leader at workplace

জবিতে ছাত্রদল নেতাকে পেটানোর অভিযোগ

জবিতে ছাত্রদল নেতাকে পেটানোর অভিযোগ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছাত্রদল নেতা সাইদুল ইসলাম শাহিন। ছবি: নিউজবাংলা
নিউজবাংলাকে শাহিন বলেন, ‘মাস্টার্সের পরীক্ষা শেষ করে ক্যাম্পাস থেকে বের হওয়ার সময় ক্যানটিনের সামনে এলে বিজয়সহ কয়েকজন আমাকে ঘিরে ধরে। আমি ছাত্রদল করি কি না, এটা জিজ্ঞেস করে মারতে থাকে।’

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) ছাত্রদলের এক নেতার ওপর ছাত্রলীগ কর্মীদের হামলার অভিযোগ উঠেছে। হামলায় আহত সাইদুল ইসলাম শাহিন শাখা ছাত্রদলের সদ্য ঘোষিত কমিটির যোগাযোগ বিষয়ক সম্পাদক। তিনি বিশ্ববিদ্যালয় নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী।

বৃহস্পতিবার বেলা দুইটার দিকে শাহিন বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়ার সামনে এলে ছাত্রলীগের একদল কর্মী তার ওপর হামলা করে বলে জানিয়েছেন ছাত্রদল নেতা। হামলায় আহত শাহীনের চোখ ও ঠোঁটে জখম হয়।

ছাত্রলীগের কর্মী গণিত বিভাগের শিক্ষার্থী মাহিমুর রহমান বিজয় এই হামলার নেতৃত্ব দেন বলে জানান শাহিন। তিনি রাজধানীর একটি বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।

নিউজবাংলাকে শাহিন বলেন, ‘মাস্টার্সের পরীক্ষা শেষ করে ক্যাম্পাস থেকে বের হওয়ার সময় ক্যানটিনের সামনে এলে বিজয়সহ কয়েকজন আমাকে ঘিরে ধরে। আমি ছাত্রদল করি কি না, এটা জিজ্ঞেস করে মারতে থাকে।’

১৬ নভেম্বর একই কায়দায় শাখা ছাত্রদলের সহসাংগঠনিক সম্পাদক মুবাইদুর রহমানের ওপর একই কায়দায় হামলা হয় সেদিনও মাহিমুর রহমান বিজয় ও তার দলবলের বিরুদ্ধে ওঠে অভিযোগ।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক সুজন মোল্লা বলেন, ‘আমরা এখনও ক্যাম্পাসে ঢুকি নাই। তার আগেই ছাত্রলীগ টার্গেট করে আমাদের নেতা-কর্মীদের ওপর হামলা করছে। তাদের এই সন্ত্রাসী কার্যকলাপ বন্ধ না করলে এসবের দাঁতভাঙা জবাব দেয়া হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক এস এম আকতার হোসাইন বলেন, ‘আমরা সারা দিন ক্যাম্পাসেই ছিলাম। এ রকম কোনো ঘটনা ঘটেছে বলে আমার জানা নেই।’

এ ব্যাপারে কোনো অভিযোগ পাননি বলে জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর মোস্তফা কামাল।

আরও পড়ুন:
জবি ছাত্রদল নেতাকে ছাত্রলীগের মারধরের অভিযোগ, প্রতিবাদ
জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের স্থগিতাদেশ প্রত্যাহার
নিখোঁজ তিন নেতাকে নিয়ে জবি ছাত্রদলের পূর্ণাঙ্গ কমিটি

মন্তব্য

শিক্ষা
Initially the viral instructions about the test are false

প্রাথমিকে পরীক্ষা নিয়ে ভাইরাল নির্দেশনা অসত্য

প্রাথমিকে পরীক্ষা নিয়ে ভাইরাল নির্দেশনা অসত্য প্রাথমিকে পরীক্ষা নিয়ে এমন কথিত নির্দেশনা ভাইরাল হয়েছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে। ছবি: সংগৃহীত
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং অধিদপ্তরের দাবি, ভুয়া নথির ভিত্তিতে কিছু সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছে। এই ভুয়া নথি ছড়ানোয় জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত চলছে।

প্রাথমিক স্কুলে বার্ষিক পরীক্ষায় শিক্ষক শ্রেণিকক্ষের বোর্ডে প্রশ্নপত্র লিখবেন, আর শিক্ষার্থীরা বাড়ি থেকে আনা সাদা কাগজে এই প্রশ্নের উত্তর লিখে জমা দেবে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের এমন একটি ‘নির্দেশনা’ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে প্রতিবেদনও প্রকাশ করেছে কয়েকটি সংবাদমাধ্যম। তবে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের দাবি, এ ধরনের কোন নির্দেশনা তারা দেয়নি।

ছড়িয়ে পড়া নির্দেশনাটি প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড মিনিটরিং বিভাগের পরিচালক মনীষ চাকমার বরাতে প্রকাশিত হয়েছে। তবে সেখানে তার কোন স্বাক্ষর নেই। নথিটিতে কোনো তারিখ বা স্মারক নম্বরও নেই। তবে এতে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দুটি পত্রের স্মারক নম্বর ও তারিখ উল্লেখ রয়েছে।

নির্দেশনায় উল্লিখিত ৩১ অক্টোবর ও ১ নভেম্বরের ওই দুটি স্মারক নম্বরের নথি পেয়েছে নিউজবাংলা। এতে দেখা গেছে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া নির্দেশনাটির সঙ্গে মন্ত্রণালয়ের দুটি নথির নির্দেশনার কোনো মিল নেই।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত ৩১ অক্টোবরের নথিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে বার্ষিক মূল্যায়ন পদ্ধতি কীভাবে হবে সে সম্পর্কে বিস্তারিত রূপরেখা দেয়া হয়। সেখানে বাড়ি থেকে শিক্ষার্থীর খাতা নিয়ে আসা বা বোর্ডে প্রশ্নপত্র লেখার মতো কোনো নির্দেশনা নেই।

এছাড়া ১ নভেম্বরের নথিতে আগের দিনের (৩১ অক্টোবর) নির্দেশনা ও শিক্ষার্থীর শিখন অগ্রগতির প্রতিবেদন-২০২২ যথাযথভাবে অনুসরণ করতে বলা হয়েছে।

এই দুই তারিখের নথিতেই সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তার স্বাক্ষর ও স্মারক নম্বর রয়েছে।

প্রাথমিকে পরীক্ষা নিয়ে ভাইরাল নির্দেশনা অসত্য
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর থেকে প্রকাশিত ৩১ অক্টোবর ও ১ নভেম্বরের নথি

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় এবং অধিদপ্তরের দাবি, ভুয়া নথির ভিত্তিতে কিছু সংবাদমাধ্যম ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুল তথ্য ছড়ানো হয়েছে। এই ভুয়া নথি ছড়ানোয় জড়িতদের চিহ্নিত করতে তদন্ত চলছে।

শিক্ষার্থীদের বাড়ি থেকে খাতা আনা ও বোর্ডে প্রশ্ন লেখার বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেয়া হয়নি জানিয়ে একটি বিজ্ঞপ্তিও দিয়েছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

২১ নভেম্বরের ওই বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০২২ শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক মূল্যায়ন পদ্ধতি’ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এবং বিভিন্ন ইলেকট্রনিক ও প্রিন্ট মিডিয়ায় যে সংবাদ প্রকাশিত হচ্ছে সে ব্যাপারে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দৃষ্টিগোচর হয়েছে।

এ ব্যাপারে মন্ত্রণালয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সঙ্গে যোগাযোগ করলে, অধিদপ্তর জানায়, এখন পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে এ বিষয়ে কোনো নিদের্শনা দেয়া হয়নি। প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় মনে করে, প্রাথমিক পর্যায়ের কোমলমতি শিশুদের সম্পর্কিত স্পর্শকাতর বিষয়ে এ ধরনের সংবাদ প্রকাশ অনাকাঙ্ক্ষিত ও অনভিপ্রেত।’

একই দিন প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াতের সই করা বিজ্ঞপ্তিতেও একই তথ্য জানানো হয়।

এতে বলা হয়, “সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ২০২২ শিক্ষাবর্ষের বার্ষিক মূল্যায়ন পদ্ধতি’ বিষয়ে স্বাক্ষরবিহীন একটি পত্র সামাজিক যোগাযোগ ও বিভিন্ন ইলেক্ট্রনিক, প্রিন্ট মিডিয়ায় সম্প্রচার করা হচ্ছে যা অনভিপ্রেত ও অসত্য। প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর এখনো পর্যন্ত মাঠপর্যায়ে এ বিষয়ে কোনো নির্দেশনা দেয়নি। উপযুক্ত সময়ে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর হতে এ সংক্রান্ত নির্দেশনা জারি করা হবে। এ অবস্থায়, উপযুক্ত বিষয়ে বিভ্রান্ত না হওয়ার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে অনুরোধ করা হলো।”

কয়েকটি সংবাদমাধ্যম তাদের প্রতিবেদনে দাবি করে, কয়েকটি উপজেলার শিক্ষা কর্মকর্তা আলোচিত নির্দেশনাগুলো পেয়েছেন।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক শাহ রেজওয়ান হায়াত নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এসব কর্মকর্তা কীভাবে সেটি পেয়েছেন আমাদের জানা নেই। কারণ অফিসিয়ালি আমরা এমন কিছু কোথাও পাঠাইনি। সেখানে কোনো সিগনেচার নেই। কোনো স্মারক নম্বর নেই।

‘ওনারা যদি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম থেকে পেয়ে এটা বলেন, তাহলে বলতে পারেন। কী কারণে বলেছেন আমরা সেটি দেখছি।’

কী ছিল কথিত সেই নির্দেশনায়

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়া বিজ্ঞপ্তিতে নয়টি নির্দেশনার উল্লেখ রয়েছে। এগুলো হলো:

১. সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে তৃতীয় প্রান্তিকে বা চূড়ান্ত বার্ষিক মূল্যায়ন ৬ থেকে ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে সম্পন্ন করতে হবে।

২. তৃতীয় প্রান্তিকে প্রতি শ্রেণিতে প্রতি বিষয়ে সর্বোচ্চ ৬০ নম্বরের মধ্যে বার্ষিক মূল্যায়ন সম্পন্ন করতে হবে।

৩ বিদ্যালয়ে সংশ্লিষ্ট বিষয়ে শিক্ষকের মাধ্যমে প্রশ্নপত্র প্রণয়ন করে এই মূল্যায়ন সম্পন্ন করতে হবে।

৪. প্রশ্নপত্র প্রণয়নে জ্ঞানমূলক, অনুধাবন, প্রয়োগমূলক ও শিক্ষণক্ষেত্র বিবেচনায় নিতে হবে।

৫. মূল্যায়ন কার্যক্রম সম্পন্নের জন্য শিক্ষার্থী বা অভিভাবকগণের নিকট থেকে কোনো মূল্যায়ন ফি গ্রহণ করা যাবে না।

৬. বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষের বোর্ড-এ প্রশ্নপত্র লিখে মূল্যায়ন কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে। কোনো শ্রেণিতে শিক্ষার্থীর সংখ্যা অধিক হলে সেক্ষেত্রে প্রশ্নপত্র হাতে লিখে ফটোকপি করা যেতে পারে। প্রশ্নপত্র ফটোকপির প্রয়োজন হলে বিদ্যালয়ের আনুসাঙ্গিক খাত থেকে ব্যয় করা যাবে।

৭. কোনো অবস্থাতেই প্রশ্নপত্র ছাপিয়ে শিক্ষার্থীর মূল্যায়ন গ্রহণ করা যাবে না।

৮. চূড়ান্ত মূল্যায়নের জন্য প্রয়োজনীয়সংখ্যক সাদা কাগজ বাড়ী থেকে নিয়ে আসার জন্য পূর্বেই শিক্ষাথীকে অবহিত করতে হবে।

৯. প্রত্যেকটি বিষয়ে শ্রেণিপরীক্ষাসমূহের প্রাপ্ত নম্বর এবং চূড়ান্ত প্রান্তিকের প্রাপ্ত নম্বর যোগ করে ২০২২ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থীদের অগ্রগতির প্রতিবেদন প্রণয়ন করতে হবে।

এসব নির্দেশনা ছড়িয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের পলিসি অ্যান্ড মিনিটরিং বিভাগের পরিচালক মনীষ চাকমার বরাতে। তবে মনীষ চাকমা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘অসৎ উদ্দেশ্যে স্বাক্ষরবিহীন বার্ষিক মূল্যায়ন পদ্ধতির চিঠি ছড়ানো হয়েছে। এটি অসত্য ও বানোয়াট।’

আরও পড়ুন:
স্ট্রোক করে কোথায়? বুকে নাকি মাথায়?
কাতারে নিষেধের বেড়াজালের ইনফোগ্রাফটি সঠিক নয়
এইচএসসির বিতর্কিত প্রশ্নটি কুমিল্লা বোর্ডের নয়
এবার প্রাথমিকের মূল্যায়ন যেভাবে
মাশরাফিকে ‘শীর্ষ ধনী’ বলা প্রতিবেদনই উধাও

মন্তব্য

শিক্ষা
Student dies after falling from roof of Jagannath Hall

জগন্নাথ হলের ভবন থেকে পড়ে ছাত্রের মৃত্যু

জগন্নাথ হলের ভবন থেকে পড়ে ছাত্রের মৃত্যু লিমন কুমার রয়। ছবি: সংগৃহীত
হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল সাহা বলেন, ‘সকাল ১০টার দিকে সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য ভবন থেকে পড়ে যায় ওই ছাত্র। শব্দ শুনে হলের শিক্ষার্থীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) জগন্নাথ হলের একটি ভবন থেকে পড়ে এক ছাত্র মারা গেছেন।

বুধবার সকাল ১০টার দিকে হলের সন্তোষচন্দ্র ভট্টাচার্য নামের দশ তলা ভবন থেকে পড়ে তার মৃত্যু হয়।

নিহত ব্যক্তির নাম লিমন কুমার রয়। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনিস্টিউটের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। থাকতেন একই ভবনের ৪০২১ নম্বর কক্ষে।

হলের প্রাধ্যক্ষ অধ্যাপক মিহির লাল সাহা বলেন, ‘সকাল ১০টার দিকে সন্তোষ চন্দ্র ভট্টাচার্য ভবন থেকে পড়ে যায় ওই ছাত্র। শব্দ শুনে হলের শিক্ষার্থীরা তাকে হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেন।’

শাহবাগ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নূর মোহাম্মদ বলেন, ‘হলের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা আনুমানিক সকাল ১০টার দিকে ওই ছাত্রকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসে। আনার পর কর্তব্যরত ডাক্তার তাকে মৃত ঘোষণা করেছেন। আমরা হলের ওই জায়গা পরিদর্শনে যাব। বিস্তারিত পরে জানাতে পারব।’

জগন্নাথ হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক অতনু বর্মণ বলেন, ‘লাস্ট কয়েকদিন নাকি সে ডিপার্টমেন্ট নিয়ে একটু চাপে ছিল। এরপর সকাল নয়টায় সে ছাদে উঠেছে। এরপর এই ঘটনা।’

লিমন কুমারের এক রুমমেট বলেন, ‘আমরা রুমে আটজন থাকি। লিমন খুব চঞ্চল প্রকৃতির ছেলে ছিল। ফেসবুকে তার ফানি ভিডিও আছে। লিমন রুমে খুব বেশি থাকত না। সে প্রায় সময় রিডিং রুমেই থাকত। রাতে সে রুমে পড়ছিল। বিভিন্ন কথার ফাঁক দিয়ে সে বলেছে, কী যে করি পড়া মনে থাকছে না। এই দিকে পড়লে এই দিকে ভুলে যাচ্ছি।

‘এরপর সকাল সাড়ে ৮টায় আমি ঘুম থেকে উঠি। ৯টা থেকে আমার ক্লাস থাকায় আমি ফ্রেশ হচ্ছিলাম। এ সময় সে তার বেডে শুয়ে ফোন টিপছিল। তাকে জিজ্ঞেস করেছি, কী রে পরীক্ষা না তোর? পরীক্ষা দিতে যাবি না? সে বলেছে যাব। কিছু মনে থাকছে না। এরপর আমি আচ্ছা বলে রুম থেকে বের হয়ে যাই। তখন রুমে লিমন ছাড়াও আর দুইজন ঘুমিয়ে ছিল। পরে ক্লাসে এসে শুনি সে মারা গেছে।’

হলের অ্যাথলেটিক্স বেয়ারা মানিক কুমার দাসসহও আরও কয়েকজন লিমনকে হাসপাতালে নিয়ে যান। মানিক বলেন, ‘আমরা হলের কর্মচারীরা শিক্ষার্থীদের জার্মানির পতাকা লাগানোর জন্য অন্য একটি ভবনের নিচে কাজ করছিলাম। এ সময় একটা ছেলে দৌড়ে এসে আমাকে বলে, মানিকদা, একটা ছেলে পড়ে গেছে। আমি রিকশার জন্য যাচ্ছি। আপনি একটু দেখেন। এরপর আমি দৌড়ায়ে সেখানে গেছি। অনেক ছাত্র দাঁড়িয়ে ছিল। কেউ হয়তো ভয়ে উঠাচ্ছে না। এরপর আমি এবং আরেকজন কর্মচারী তাকে তুলে রিকশা করে মেডিক্যালে নিয়ে আসছি।’

তিনি বলেন, ‘আমি যখন তাকে তুলছি সে সে তখন জীবিত ছিল। চোখ একবার বন্ধ করছিল আবার খুলছিল। তখন তার সারা গায়ে রক্ত।’

আরও পড়ুন:
ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ৩ ডিসেম্বর, দুই মহানগরের ২ ডিসেম্বর
শিক্ষক নিয়োগে মেধা ও যোগ্যতাকে প্রাধান্য দিতে হবে: রাষ্ট্রপতি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন শুরু

মন্তব্য

শিক্ষা
The new vice chancellor of Sikribi is Professor Dr Jamal Uddin Bhuya

সিকৃবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. জামাল উদ্দিন ভূঞা

সিকৃবির নতুন উপাচার্য অধ্যাপক ডা. জামাল উদ্দিন ভূঞা সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি অধ্যাপক ডা. মো. জামাল উদ্দিন ভূঞা। ছবি: সংগৃহীত
সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর জানায়, অধ্যাপক ডা. মো. জামাল উদ্দিন ভূঞা ভেটেরিনারি সার্জন হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেছিলেন।

সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিকৃবি) নতুন উপাচার্য হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়টির প্যারাসাইটোলজি বিভাগের বিভাগীয় প্রধান অধ্যাপক ডা. মো. জামাল উদ্দিন ভূঞা।

সোমবার রাষ্ট্রপতির আদেশক্রমে উপসচিব মোছা. রোখছানা বেগম স্বাক্ষরিত এক প্রজ্ঞাপনে এই নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তরের উপপরিচালক খলিলুর রহমান।

সিকৃবির জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর জানায়, অধ্যাপক ডা. মো. জামাল উদ্দিন ভূঞা ভেটেরিনারি সার্জন হিসেবে কর্মজীবন শুরু করেন। দীর্ঘ ২৮ বছরের কর্মজীবনে তিনি অধ্যাপনার পাশাপাশি সিকৃবির সিন্ডিকেট সদস্য, ডিন, রেজিস্ট্রারের দায়িত্বসহ বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ পদে ছিলেন।

এ ছাড়া একজন সংগঠক হিসেবে তিনি কৃষিবিদ ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ সিলেট চ্যাপ্টারের সভাপতি, সিকৃবির গণতান্ত্রিক শিক্ষক পরিষদের প্রতিষ্ঠাতা সাধারণ সম্পাদক, সভাপতি, শিক্ষক সমিতির সভাপতি, বিশ্ববিদ্যালয় কৃষ্ণচূড়া সাংস্কৃতিক সংগঠনের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতিসহ বিভিন্ন সামাজিক সাংস্কৃতিক সংগঠনের দায়িত্ব পালন করেন।

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার আখাউড়া উপজেলায় জন্ম নেয়া জামাল উদ্দিন ভূঞা এক পুত্র ও এক কন্যাসন্তানের জনক।

আরও পড়ুন:
শাবি ভিসির বক্তব্য প্রত্যাহারে আইনি নোটিশ
রাবি উপাচার্যের ২৫ অনিয়মের প্রমাণ পেয়েছে ইউজিসি

মন্তব্য

শিক্ষা
DU Chhatra League conference on December 3 in two cities on December 2

ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ৩ ডিসেম্বর, দুই মহানগরের ২ ডিসেম্বর

ঢাবি ছাত্রলীগের সম্মেলন ৩ ডিসেম্বর, দুই মহানগরের ২ ডিসেম্বর সোমবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে ৩০তম জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন ও প্রস্তুতি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। ছবি: নিউজবাংলা
কেন্দ্রীয় সম্মেলনের আগে আগামী ৩ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলায় ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সম্মেলন ও ২ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখা ছাত্রলীগের যৌথ সম্মেলন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলাদেশ ছাত্রলীগের ৩০তম কেন্দ্রীয় সম্মেলনের আগে আগামী ৩ ডিসেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজেয় বাংলায় ছাত্রলীগের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সম্মেলন ও ২ ডিসেম্বর ঢাকা মহানগর উত্তর ও দক্ষিণ শাখা ছাত্রলীগের যৌথ সম্মেলন সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে অনুষ্ঠিত হবে।

সোমবার দুপুরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে ৩০তম জাতীয় সম্মেলনের আয়োজন ও প্রস্তুতি উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এই তথ্য জানান কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়।

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের ভ্রাতৃপ্রতিম সংগঠন ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সম্মেলন আগামী ৮ ডিসেম্বর রাজধানীর সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ও ৯ ডিসেম্বর ইঞ্জিনিয়ারস ইনস্টিটিউশনে অনুষ্ঠিত হবে।

ওই সম্মেলনের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন আওয়ামী লীগ সভাপতি ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস, সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসেন, ঢাকা মহানগর উত্তরের সভাপতি ইব্রাহিম হোসেন, সাধারণ সম্পাদক সাইদুর রহমান হৃদয়, মহানগর দক্ষিণের সাধারণ সম্পাদক যোবায়ের আহমেদসহ সংগঠনের পদপ্রত্যাশীরা ও বিভিন্ন ইউনিটের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
শিক্ষক নিয়োগে মেধা ও যোগ্যতাকে প্রাধান্য দিতে হবে: রাষ্ট্রপতি
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ৫৩তম সমাবর্তন শুরু
সমাবর্তনে ভুল: বিদেশিদের কাছে সম্মানহানির শঙ্কায় ঢাবি উপাচার্য
পিছিয়ে গেল ছাত্রলীগের সম্মেলন
ঢাবিতে ঢুকলে জাবি অধ্যাপককে জীবন বিপন্নের হুমকি

মন্তব্য

শিক্ষা
Spring Semester Admission in CUB begins

সিইউবিতে স্প্রিং সেমিস্টারে ভর্তি শুরু

সিইউবিতে স্প্রিং সেমিস্টারে ভর্তি শুরু রাজধানীর প্রগতি সরণিতে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির নিজস্ব ক্যাম্পাস। ফাইল ছবি
আগ্রহী শিক্ষার্থীদের শিপিং ও মেরিটাইম সায়েন্স, বিবিএ, সিএসই, ইইই, এলএলবি., ইংলিশ, মিডিয়া কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিষয়ে স্নাতক পর্যায়ে ভর্তির সুযোগ রয়েছে। এই সেমিস্টারে ভর্তি হলে মিলবে ৪০ শতাংশ ছাড়।

চলতি বছরের স্প্রিং সেমিস্টারে শিক্ষার্থীদের ভর্তি কার্যক্রম শুরু করেছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অব বাংলাদেশ (সিইউবি)। রাজধানীর প্রগতি সরণির নিজস্ব ক্যাম্পাসে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানিয়েছে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানটি।

আগ্রহী শিক্ষার্থীদের শিপিং ও মেরিটাইম সায়েন্স, বিবিএ, সিএসই, ইইই, এলএলবি, ইংলিশ, মিডিয়া কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম বিষয়ে স্নাতক পর্যায়ে ভর্তির সুযোগ রয়েছে। এই সেমিস্টারে ভর্তি হলে মিলবে ৪০ শতাংশ ছাড়।

এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে টিউশন ফির ওপরেও ১০০ শতাংশ পর্যন্ত বৃত্তি থাকছে। এসএসসি ও এইচএসসি পরীক্ষায় যাদের দুটি মিলিয়ে চতুর্থ বিষয় ছাড়া জিপিএ-১০ রয়েছে, তারা টিউশন ফিতে শতভাগ ছাড় পাবেন।

বাংলাদেশে একমাত্র সিইউবিতে রয়েছে শিপিং ও মেরিটাইম সায়েন্স এবং মাস্টার্স ইন মেরিটাইম ট্রান্সপোর্টেশন অ্যান্ড লজিস্টিকস বিষয়ে শিক্ষার সুবিধা। অন্য কোনো বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ে এই বিষয়ে পড়াশোনার সুযোগ এখনও নেই। তা ছাড়া মিডিয়া কমিউনিকেশন অ্যান্ড জার্নালিজম গ্র্যাজুয়েটদের শতভাগ চাকরির নিশ্চয়তা দিচ্ছে বিশ্ববিদ্যালয়টি।

মাস্টার্স ইন মেরিটাইম ট্রান্সপোর্টেশন ও লজিস্টিকস বিষয়ে ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীদের জন্য থাকছে ২৫ শতাংশ ছাড়। ৫০ শতাংশ ছাড়ে ভর্তি হওয়া যাবে এমবিএ ও ইএমবিএ (রেগুলার ও এক্সিকিউটিভ) প্রোগ্রামে।

বিশ্ববিদ্যালয়টিতে অভিজ্ঞ শিক্ষকমণ্ডলীর পাশাপাশি রয়েছে আধুনিক ক্লাসরুম, ডিজিটালাইজড লাইব্রেরি ও মডার্ন ল্যাব। ল্যাবের মধ্যে আছে হাই ইমপ্যাক্ট আইওটি রিসার্চ, পিএলসি এবং অ্যাডভান্সড কন্ট্রোল ল্যাব, পাওয়ার সিস্টেম এবং প্রোটেকশন ল্যাব, সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট।

ভর্তিসংক্রান্ত সব তথ্য বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে (www.cub.edu.bd) পাওয়া যাবে। আরও তথ্যের জন্য ০১৭০-৭০৭০২৮০, ০১৭০-৭০৭০২৮১, ০১৭০-৭০৭০২৮৪ নম্বরে ফোন দেয়ার পরামর্শ দিয়েছে সিইউবি। নম্বরগুলোতে হোয়াটসঅ্যাপে সিইউবির অ্যাডমিশন টিমের সঙ্গে চ্যাট করা যাবে।

আরও পড়ুন:
কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটিতে বর্ণাঢ্য বর্ষবরণ
বার্ন ইনস্টিটিউটে মুজিব কর্নার ও বঙ্গবন্ধু গ্যালারি উদ্বোধন
সিইউবির ‘ইঞ্জিনিয়ারিং দ্য এডুকেশন ৪.০’ সামিট অনুষ্ঠিত
অর্থনীতির চালিকাশক্তি হবে নারীরা
বাংলাদেশ-কানাডা কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর উদযাপন সিইউবিতে

মন্তব্য

p
উপরে