× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
HSC Candidates reduced by almost 2 lakh
google_news print-icon

এইচএসসি: পরীক্ষার্থী কমেছে প্রায় ২ লাখ

এইচএসসি-পরীক্ষার্থী-কমেছে-প্রায়-২-লাখ
এইচএসসি পরীক্ষা সামনে রেখে সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনিসহ সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা। ছবি: নিউজবাংলা
৬ নভেম্বর থেকে এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে। এবার মোট ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবেন। গত বছরের তুলনায় এ বছর পরীক্ষার্থী কমেছে ১ লাখ ৯৬ হাজার ২৮৩ জন। কেন্দ্র কমেছে ২৮টি।

গত বছরের তুলনায় এবার এইচএসসি পরীক্ষার্থী কমেছে প্রায় ২ লাখ।

সচিবালয়ে এইচএসসি পরীক্ষা-সংক্রান্ত সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী ডা. দীপু মনি এ কথা জানিয়েছেন।

এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা সামনে রেখে আগামী ৩ নভেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোচিং সেন্টার বন্ধ থাকবে বলেও জানান শিক্ষামন্ত্রী।

মন্ত্রী বলেন, ৬ নভেম্বর থেকে এ বছরের এইচএসসি ও সমমান পরীক্ষা শুরু হবে। এবার মোট ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ জন পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেবেন।

গত বছরের তুলনায় এ বছর পরীক্ষার্থী কমেছে ১ লাখ ৯৬ হাজার ২৮৩ জন। কেন্দ্র কমেছে ২৮টি।

২০২১ সালে ১৩ লাখ ৯৯ হাজার ৬৯০ পরীক্ষার্থী এইচএসসি পরীক্ষায় অংশ নেন।

কী কারণে পরীক্ষার্থী কমেছে তার ব্যাখ্যা দিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, গতবার পাসের হার অনেক ভালো ছিল। এ কারণে অনিয়মিত পরীক্ষার্থী অনেক কমে এসেছে। সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে পরীক্ষা হওয়ায় পাসের হার বেশি ছিল। এ জন্যও অনিয়মিত পরীক্ষার্থী কমেছে।

এ পরিস্থিতিকে স্বাভাবিক হিসেবেই দাবি করেছেন শিক্ষামন্ত্রী। করোনার মধ্যে পরীক্ষার্থীদের কারো কারো বাল্যবিয়ে, কাজে যোগদানসহ বিভিন্ন ঘটনার কথাও স্বীকার করেন তিনি।

দেশের ১১ শিক্ষা বোর্ডে পরীক্ষার্থী:

এবারের পরীক্ষায় ১১ টি শিক্ষা বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী, ৯ হাজার ১৮১ টি প্রতিষ্ঠানে ২ হাজার ৬৪৯ টি কেন্দ্রে মোট ১২ লাখ ৩ হাজার ৪০৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নেবেন। পরীক্ষার্থীদের মধ্যে ৬ লাখ ২২ হাজার ৭৯৬ জন ছাত্র এবং ৫ লাখ ৮০ হাজার ৬১১ জন ছাত্রী।

সাধারন ৯ শিক্ষা বোর্ড:

৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ৪ হাজার ৬৪৭টি প্রতিষ্ঠানে ১ হাজার ৫২৮টি কেন্দ্রে ৯ লাখ ৮৫ হাজার ৭১৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে ৪ লাখ ৮২ হাজার ১৮৩ জন ছাত্র এবং ৫ লাখ ৩ হাজার ৫৩০ জন ছাত্রী।

পরীক্ষার্থীদের মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগে ২ লাখ ৪০ হাজার ৫০৬ জন, মানবিক বিভাগে ৫ লাখ ৫৭ হাজার ৬৭১ জন এবং ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগে ১ লাখ ৮৭ হাজার ৫৩৬ জন।

মাদ্রাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড:

মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডে ২ হাজার ৬৭৮টি প্রতিষ্ঠানে ৪৪৮টি কেন্দ্রে ৯৪ হাজার ৭৬৩ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে ৫১ হাজার ৬৯৫ জন ছাত্র এবং ৪৩ হাজার ৬৮ জন ছাত্রী। এছাড়া কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের পরিসংখ্যান অনুযায়ী ১ হাজার ৮৫৬ টি প্রতিষ্ঠানে ৬৭৩ টি কেন্দ্রে ১ লাখ ২২ হাজার ৯৩১ জন পরীক্ষার্থী অংশ নিচ্ছেন। তাদের মধ্যে ৮৮ হাজার ৯১৮ জন ছাত্র এবং ৩৪ ১৩ জন ছাত্রী।

বিদেশে আট কেন্দ্র:

দেশের বাইরে এবার মোট আটটি স্থানে এইচএসসি-সমমান পরীক্ষা হবে। তার মধ্যে জেদ্দায় ৫১ জন, রিয়াদে ২০ জন, ত্রিপলীতে ৪ জন, দোহায় ৬২ জন, আবুধাবীতে ২৭ জন, দুবাইয়ে ২১ জন, বাহরাইনে ১৫ জন এবং সাহাম, ওমানের ২২ জন মিলে মোট ২২২ জন পরীক্ষার্থী আছেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এবার পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে ঢুকতে হবে। পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে এসএমএসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রশ্নপত্রের সেট কোড জানিয়ে দেয়া হবে। ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন বা ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে ঢুকতে পারবেন না। করোনা পরিস্থিতির কারণে সামাজিক দূরত্ব বজায় রেখে পরীক্ষা নেয়া হবে। অভিভাবকদেরও সামাজিক দূরত্ব রেখে চলাফেরার অনুরোধ করা হয়েছে।

‘দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী স্ক্রাইব ( শ্রুতি লেখা) সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশ নিতে পারবেন। এ ধরণের পরীক্ষার্থীদের এবং শ্রবণ প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ মিনিট সময় দেয়া হবে। এ পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজবমুক্ত ও নকলমুক্ত পরিবেশ বজায় রাখতে এবং সুষ্ঠু, সুন্দরভাবে তা আয়োজনে আগামী ৩ নভেম্বর থেকে ১৪ ডিসেম্বর পর্যন্ত কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার ঘোষণা দেয়া হয়েছে।’

আরও পড়ুন:
অবসরে গিয়ে বাগান করবেন শিক্ষামন্ত্রী
ধ্যানে গুরুত্ব শিক্ষামন্ত্রীর
এইচএসসি পরীক্ষা ৬ নভেম্বর থেকে
নিজ ক্লাসের শিক্ষার্থীদের কোচিং করানো যাবে না: শিক্ষামন্ত্রী
ধর্ম শিক্ষা বাদ দেয়ার খবরটি গুজব: শিক্ষামন্ত্রী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Agriculture group admission test postponed

কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত

কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত জবিতে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষার একটি কেন্দ্র। ছবি: নিউজবাংলা
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘কৃষি বিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রি প্রদানকারী ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) বা স্নাতক শ্রেণির আগামী ২০ জুলাই অনুষ্ঠেয় ভর্তি পরীক্ষা অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে।’

কৃষি বিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রি প্রদানকারী ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক ভর্তি পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

পরীক্ষার তারিখ নির্ধারিত হলে শিক্ষার্থীদের পরবর্তী সময়ে তা জানিয়ে দেয়া হবে।

চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ ও প্রকাশনা দপ্তর থেকে সোমবার পাঠানো বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘কৃষি বিজ্ঞান বিষয়ে ডিগ্রি প্রদানকারী ৯টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ স্নাতক (সম্মান) বা স্নাতক শ্রেণির আগামী ২০ জুলাই অনুষ্ঠেয় ভর্তি পরীক্ষা অনিবার্য কারণে স্থগিত করা হয়েছে।’

এর আগে বেলা ১১টায় চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এবং কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. এ এস এম লুৎফুল আহসানের সভাপতিত্বে কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির জুম সভায় পরীক্ষা স্থগিতের সিদ্ধান্ত নেয়া হয়।

ভর্তি পরীক্ষার নতুন তারিখ ও সময়সূচি পরবর্তী সময়ে জানানো হবে বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

দেশের সব পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় সর্বাত্মক কর্মবিরতি চলমান থাকায় এ গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা পিছিয়েছে বলে জানিয়েছেন ভর্তি সংশ্লিষ্টরা।

কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা আয়োজক কমিটির আহ্বায়ক, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ের (সিভাসু) উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম লুৎফুল আহসান বলেন, ‘প্রত্যয় স্কিম বাতিলের দাবিতে দেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে সর্বাত্মক কর্মবিরতি চলছে। এতে ক্লাস-পরীক্ষা, দাপ্তরিক এবং প্রশাসনিক সকল কাজই বন্ধ রয়েছে। এই পরিস্থিতিতে কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা নেয়া সম্ভব নয়।’

এর আগে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষের কৃষি গুচ্ছের নেতৃত্ব দিয়েছে সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (সিকৃবি)। এবার ভর্তি পরীক্ষার নেতৃত্ব দিচ্ছে চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়।

বিগত বছরগুলোতে আটটি বিশ্ববিদ্যালয় নিয়ে কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও এবার নতুন করে শিক্ষা কার্যক্রম চালুর অনুমোদন পাওয়া একটি বিশ্ববিদ্যালয় এ গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় যুক্ত হয়েছে।

কৃষি গুচ্ছে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলো হলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শেখ মুজিব কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, চট্টগ্রাম ভেটেনারি ও এনিম্যাল সাইন্স ইউনিভার্সিটি, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়।

কৃষি গুচ্ছ ভর্তি বিজ্ঞপ্তি সূত্রে জানা যায়, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষের কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষায় মোট ৯টি বিশ্ববিদ্যালয় অংশ নিচ্ছে। এতে মোট আসন সংখ্যা ৩ হাজার ৭১৮টি। গত বছর আসন সংখ্যা ছিল ৩ হাজার ৫৪৮টি।

গত বছরের তুলনায় এবার আসন বেড়েছে ১৭০টি।

এর মধ্যে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১ হাজার ১১৬টি, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩৫টি, শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৬৯৮টি, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৪৮টি, চট্টগ্রাম ভেটেনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস ইউনিভার্সিটিতে ২৭০টি, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩১টি, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০টি, হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯০টি এবং কুড়িগ্রাম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৮০টি আসন রয়েছে।

এর আগে ১৭ এপ্রিল কৃষি গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর ভর্তি বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হয়। বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, ভর্তি আবেদন শুরু হয়েছিল গত ২২ এপ্রিল। শেষ হওয়ার কথা ছিল ৩০ মে।

ঘূর্ণিঝড় রিমালের প্রভাবে সেটি আরও ৬ দিন বাড়ানো হয়, যা শেষ হয় ৫ জুন।

এবারের ভর্তি পরীক্ষায় আবেদন ফি নির্ধারণ করা হয় ১ হাজার ২০০ টাকা। এবার কৃষি গুচ্ছে ৭০ হাজারের বেশি শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।

কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা এমসিকিউ পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। ২০২৩ সালের এইচএসসি বা সমমানের পরীক্ষার সিলেবাস অনুযায়ী (ইংরেজি ১০, প্রাণিবিজ্ঞান ১৫, উদ্ভিদবিজ্ঞান ১৫, পদার্থবিজ্ঞান ২০, রসায়ন ২০ এবং গণিত ২০) ১০ নম্বরের পরীক্ষা হবে। সারা দেশের মোট আটটি কেন্দ্রে কৃষি গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

এবারের ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্রগুলো হলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ময়মনসিংহ, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, গাজীপুর, শের-ই-বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়, পটুয়াখালী, ভেটেরিনারি ও এনিম্যাল সাইন্সেস ইউনিভার্সিটি, চট্টগ্রাম, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, সিলেট, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, খুলনা এবং হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, হবিগঞ্জ। কেন্দ্রগুলোতে একযোগে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন:
১৫ জুলাইয়ের মধ্যে ক্লাস শুরুর আশ্বাস জবি উপাচার্যের
গুচ্ছের ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় কুবিতে উপস্থিত ৮৭%
ফরিদপুরে পরীক্ষামূলক আঙুর চাষে সাফল্য
বঙ্গবন্ধু-১০০ জাতসহ উফশী চার ধানে নতুন সম্ভাবনা
গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় ‘বি’ ইউনিটে উত্তীর্ণ ৩৬.৩৩ শতাংশ

মন্তব্য

শিক্ষা
Paper II Questions in Physics I Paper Exam
এইচএসসি

পদার্থবিদ্যা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন

পদার্থবিদ্যা প্রথম পত্রের পরীক্ষায় দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন এই কলেজ কেন্দ্রেই বৃহস্পতিবার ভুল প্রশ্নপত্র দেয়ার ঘটনা ঘটে। ছবি: সংগৃহীত
বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার বিজয় সরণি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে এই ঘটনা ঘটে। পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও প্রশ্নপত্র নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে দুপুর ১২টায় তা শুরু হয়।

এইচএসসির পদার্থবিজ্ঞান প্রথম পত্রের পরীক্ষা দিতে এসে দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন পেয়ে হতভম্ব হয়েছেন পরীক্ষার্থীরা। এ ঘটনায় হলে দায়িত্বরত শিক্ষকরাও বিব্রত হন। কারণ প্রশ্নপত্র আগে দেখার সুযোগ তাদেরও ছিল না। পরে প্রশাসনের নির্দেশে ওই প্রশ্ন ফেরত নিয়ে দুই ঘণ্টা পর পুনরায় প্রথম পত্রের পরীক্ষা গ্রহণ করা হয়।

বৃহস্পতিবার চট্টগ্রামের সীতাকুণ্ড উপজেলার ভাটিয়ারী ইউনিয়নের বিজয় সরণি ডিগ্রি কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে। পরীক্ষা সকাল ১০টায় শুরু হওয়ার কথা থাকলেও প্রশ্নপত্র নিয়ে উদ্ভূত পরিস্থিতির কারণে দুপুর ১২টায় তা শুরু হয়।

ঘটনা তদন্তে চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসকের কার্যালয় থেকে একটি ও উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয় থেকে আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

উপজেলা প্রশাসন থেকে সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. আলাউদ্দিনকে প্রধান করে গঠিত তদন্ত কমিটির অন্য সদস্যরা হলেন মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুস্তাফা আলম সরকার ও উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কৃষিবিদ হাবিবুল্লাহ।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মুস্তাফা আলম সরকার জানান, পরীক্ষার আগের রাতে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করার দায়িত্ব থাকে সংশ্লিষ্ট কেন্দ্রসচিবের।

জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের ট্রেজারি থেকে কেন্দ্রসচিব বা তাদের প্রতিনিধিকে প্রশ্নপত্র বুঝিয়ে দেওয়া হয়।

সীতাকুণ্ড উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা কে এম রফিকুল ইসলাম গণমাধ্যমকে বলেন, ‘নৈর্ব্যক্তিক পরীক্ষা ঠিকমতো হলেও লিখিত পরীক্ষায় সমস্যা দেখা দেয়। বিষয়টি জানতে পেরে আমরা শিক্ষা বোর্ড এবং জেলা প্রশাসনকে জানাই। শিক্ষা বোর্ডের পরামর্শে দ্রুত সময়ে দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন তুলে নিয়ে প্রথম পত্রের পরীক্ষা শুরু করতে বলা হয়।’

আরও পড়ুন:
বন্যার পানি ভেঙে পরীক্ষা কেন্দ্রে
এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের সময় বাড়ানোর নির্দেশ
এইচএসসিতে অসদুপায়: এক কেন্দ্র থেকে ১০ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার
বৃষ্টিস্নাত সকালে শুরু এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রোববার

মন্তব্য

শিক্ষা
The flood water burst into the test center

বন্যার পানি ভেঙে পরীক্ষা কেন্দ্রে

বন্যার পানি ভেঙে পরীক্ষা কেন্দ্রে জুড়ী উপজেলার তৈয়বুন্নেছা খানম সরকারি কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষার্থীদের বন্যার ভোগান্তি। ছবি: নিউজবাংলা
মৌলভীবাজারের জুড়ী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা লুসিকান্ত হাজং বলেন, ‘সকালে তৈয়বুন্নেছা খানম সরকারি কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। কেন্দ্রের সামনে বন্যার পানি রয়েছে। আগামী পরীক্ষার আগেই শিক্ষার্থীরা যাতে পানিতে না ভিজে কেন্দ্রে যেতে পারে সেই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

মৌলভীবাজার জেলার জুড়ীতে মঙ্গলবার শান্তিপূর্ণভাবে এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। তবে এ উপজেলা দ্বিতীয় দফা বন্যাকবলিত হওয়ায় সকালে শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা কেন্দ্রে পৌঁছতে চরম দুর্ভোগে পড়েন। তাদেরকে পরনের জামা কাপড় ভিজিয়ে হাঁটু পানি মাড়িয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে হয়।

সারা দেশে ৩০ জুন এইচএসসি পরীক্ষা শুরু হলেও বন্যার কারণে সিলেট বিভাগের পরীক্ষা পেছানো হয়। মঙ্গলবার আইসিটি পরীক্ষার মাধ্যমে সিলেট মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এবারের এইচএসসি পরীক্ষায় জুড়ী উপজেলার চারটি কলেজ থেকে মোট এক হাজার ২৩৩ জন পরীক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন।

জুড়ী উপজেলা দ্বিতীয় দফা বন্যাকবলিত হওয়ায় তৈয়বুন্নেছা খানম সরকারি কলেজ কেন্দ্রের সামনের জুড়ী-লাঠিটিলা আঞ্চলিক মহাসড়কে পানি থাকায় শিক্ষার্থীরা চরম বিপাকে পড়েছেন। তাদেরকে বন্যার পানি মাড়িয়ে ভেজা কাপড়ে কেন্দ্রে পৌঁছতে হয়।

উপজেলার চারটি কলেজের মধ্যে তৈয়বুন্নেছা খানম সরকারি কলেজ থেকে ৮১৯ জন, হাজী আপ্তাব উদ্দিন আমিনা খাতুন কলেজ থেকে ১৬৬ জন, ফুলতলা শাহ্ নিমাত্রা কলেজ থেকে ১৮৬ জন এবং শিলুয়া স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে ৬২ জনসহ মোট এক হাজার ২৩৩ জন শিক্ষার্থী অংশগ্রহণ করছেন। পরীক্ষা চলাকালীন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) লুসিকান্ত হাজং ও সহকারী কমিশনার (ভূমি) সানজিদা আক্তার।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মো. আনোয়ার বলেন, ‌‘উপজেলায় বন্যা থাকায় তৈয়বুন্নেছা খানম সরকারি কলেজের ভেন্যু সেন্টার মক্তদীর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে বন্যার পানি থাকায় সেটিকে পরিবর্তন করে সরকারি কলেজের পুরাতন ভবনে নেয়া হয়েছে।

‘সড়কে বন্যার পানি থাকায় শিক্ষার্থীরা দুর্ভোগে পড়েছে। তবে পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে নিতে সব ধরনের ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

ইউএনও লুসিকান্ত হাজং বলেন, ‘সকালে তৈয়বুন্নেছা খানম সরকারি কলেজ কেন্দ্র পরিদর্শন করেছি। কেন্দ্রের সামনে বন্যার পানি রয়েছে। আগামী পরীক্ষার আগেই শিক্ষার্থীরা যাতে পানিতে না ভিজে কেন্দ্রে যেতে পারে সেই ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে।’

আরও পড়ুন:
বন্যায় সিলেটের পাঁচ শ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে পাঠদান বন্ধ
মৌলভীবাজারে ফের বন্যা, তিন লাখ মানুষ পানিবন্দি
ঢল আর বৃষ্টিতে তৃতীয় দফা বন্যায় ডুবছে সিলেটের জনপদ
সিলেটসহ তিন জেলায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতির শঙ্কা

মন্তব্য

শিক্ষা
PSC questions leaked 17 arrested including that driver Abed Ali

পিএসসির প্রশ্ন ফাঁস: সেই গাড়িচালক আবেদ আলীসহ গ্রেপ্তার ১৭

পিএসসির প্রশ্ন ফাঁস: সেই গাড়িচালক আবেদ আলীসহ গ্রেপ্তার ১৭ পিএসসি চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদেরকে গ্রেপ্তার করা হয়। এদের মধ্যে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের (পিএসসি) চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী ছাড়াও রয়েছেন পিএসসি’র ঊর্ধ্বতন তিন কর্মকর্তা ও একজন অফিস সহকারী।

প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে আলোচিত-সমালোচিত বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশনের চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলীসহ ১৭ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগ (সিআইডি)।

রোববার রাতে বেসরকারি একটি টেলিভিশন চ্যানেলে অনুসন্ধানী প্রতিবেদন প্রকাশের পর সাঁড়াশি অভিযানে নামে সিআইডি। এর অংশ হিসেবে ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

সিআইডির সদর দপ্তর সূত্র জানায়, গ্রেপ্তারকৃত ১৭ জনের মধ্যে সৈয়দ আবেদ আলী ছাড়াও রয়েছেন পিএসসি’র ঊর্ধ্বতন তিন কর্মকর্তা ও একজন অফিস সহকারী।

বেসরকারি টেলিভিশনে প্রকাশিত প্রতিবেদন অনুযায়ী, অভিযুক্ত পিএসসির কর্মকর্তা-কর্মচারীরা হলেন উপ-পরিচালক মো. আবু জাফর ও জাহাঙ্গীর আলম, সহকারী পরিচালক এস এম আলমগীর কবির ও নিখিল চন্দ্র রায়, চেয়ারম্যানের সাবেক গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী জীবন ও অফিস সহায়ক খলিলুর রহমান।

সংঘবদ্ধ চক্রটি বিপিএসসির কোনো নিয়োগ পরীক্ষা এলেই প্রশ্ন ফাঁস করে অর্থ লোপাটে মেতে উঠত।

চক্রটি ৫ জুলাই (শুক্রবার) অনুষ্ঠিত রেলওয়ের উপ-সহকারী প্রকৌশলীর নিয়োগ পরীক্ষাকে টাকা কামানোর মওকা হিসেবে বেছে নেয়। এই পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও জালিয়াতির তথ্য ফাঁস করতে ছদ্মবেশ ধারণ করে অনুসন্ধানী সাংবাদিক টিম। ছদ্মবেশী এক নিয়োগপ্রত্যাশী প্রার্থীকে তুলে দেয়া হয় চক্রের সদস্যদের হাতে। এরপর ৫ জুলাই সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১২টা পর্যন্ত যে প্রশ্নে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়, হোয়াটসঅ্যাপে তার একটা কপি পাঠানো হয় পরীক্ষার অন্তত এক ঘণ্টা আগে। আর অজ্ঞাত স্থানে রেখে চুক্তিবদ্ধ শিক্ষার্থীদের তা পড়ানো হয় আগের রাতেই।

চক্রটির প্রধান বিপিএসসির অফিস সহায়ক সাজেদুল ইসলাম বলেন, ‘উপ-পরিচালক মো. আবু জাফরের মাধ্যমে দুই কোটি টাকার বিনিময়ে শুক্রবার (৫ জুলাই) অনুষ্ঠিত রেলওয়ের উপসহকারী প্রকৌশলী নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁস করা হয়। তিনি বড় কর্মকর্তাদের ট্রাঙ্ক থেকে পরীক্ষার আগের দিন আমাকে প্রশ্ন সরবরাহ করেন। আমি এটাও জানি যে ৪৫তম বিসিএস প্রিলিমিনারি পরীক্ষার প্রশ্নও ফাঁস করা হয়।’

প্রকাশিত সংবাদে বিসিএসের প্রশ্ন ফাঁসে জড়িত থাকার অভিযোগে আলোচনায় আসেন পিএসসির সাবেক চেয়ারম্যানের গাড়িচালক সৈয়দ আবেদ আলী ও তার ছেলে সৈয়দ সোহানুর রহমান সিয়াম। সোমবার দুপুর থেকে বাবা ও ছেলের নানা কর্মকাণ্ডের ছবি ফেসবুকে ভাইরাল হয়।

মন্তব্য

শিক্ষা
Order to extend the time of HSC examination

এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের সময় বাড়ানোর নির্দেশ

এইচএসসি পরীক্ষা গ্রহণের সময় বাড়ানোর নির্দেশ এইচএসসি পরীক্ষা শুরুর দিনে রোববার রাজধানীর আজিমপুর গভ. গার্লস স্কুল অ্যান্ড কলেজের সামনের চিত্র। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস
আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনে পরীক্ষার সময় বাড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা গ্রহণকালে প্রয়োজনে সময় বাড়ানোর নির্দেশনা দিয়েছে মাধ্যমিক ও উচ্চমাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ড।

আবহাওয়া পরিস্থিতির কারণে ঢাকা ও চট্টগ্রামসহ বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টিপাত এবং জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগের বিষয় বিবেচনায় নিয়ে প্রয়োজনে সময় বাড়ানোর এই নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

ঢাকা শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাশার স্বাক্ষরিত এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে শনিবার এ নির্দেশনা দেয়া হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘আবহাওয়া অধিদপ্তরের সূত্র থেকে জানা যায় যে আগামী কয়েক দিন প্রচুর বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। পরীক্ষার দিনগুলোতে বৃষ্টি থাকলে প্রয়োজনে নির্দিষ্ট সময়ের আগেই কেন্দ্রের মূল গেট খুলে দিয়ে পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে প্রবেশের ব্যবস্থা করতে হবে।

‘অনিবার্য কারণে কোনো কেন্দ্রের পরীক্ষা শুরু করতে আধ ঘন্টা কিংবা এক ঘণ্টা দেরি হলে জরুরি পরিস্থিতি বিবেচনায় ওই সময় সমন্বয় করে পরীক্ষা শেষ করার প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য বিষয়টি অতীব জরুরি বিবেচনায় এনে এই অনুরোধ জানানো হলো।’

এদিকে ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান ও আন্তঃবোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি তপন কুমার সরকার জানান, আবহাওয়ার পূর্বাভাসে আগামী ৫/৭ দিন বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। রোববার পরীক্ষা শুরুর পর বৃষ্টিপাত ও যানজটের কারণে অনেক শিক্ষার্থী দুর্ভোগে পড়েছে। সুতরাং পরীক্ষার্থীদের কথা বিবেচনায় নিয়ে তাদের পরীক্ষা চলাকালে অতিরিক্ত সময় দিতে নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বন্যার কারণে স্থগিত হওয়া কারিগরি, মাদ্রাসা ও সিলেট বোর্ডের পরীক্ষার্থীরা দুই-একদিনের মধ্যে তাদের পরীক্ষার রুটিন পেয়ে যাবে।

প্রসঙ্গত, রোববার সকাল ১০টায় সারাদেশে এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে। রাজধানী ঢাকাসহ দেশের বিভিন্ন স্থানে বৃষ্টি ও যানজটের কারণে নির্ধারিত সময়ে কোনো কোনো পরীক্ষার্থী কেন্দ্রে পৌঁছাতে পারেনি। এতে অনেক শিক্ষার্থী দুর্ভোগে পড়ে।

আরও পড়ুন:
এইচএসসিতে অসদুপায়: এক কেন্দ্র থেকে ১০ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার
বৃষ্টিস্নাত সকালে শুরু এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রোববার

মন্তব্য

শিক্ষা
Asdupa in HSC 10 candidates expelled from one centre

এইচএসসিতে অসদুপায়: এক কেন্দ্র থেকে ১০ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার

এইচএসসিতে অসদুপায়: এক কেন্দ্র থেকে ১০ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার ময়মনসিংহের ভালুকার মাহমুদপুর সাহেরা সাফায়েত স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলিনূর খান বলেন, ‘বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা চলাকালে অসদুপায় অবলম্বন করায় এবং এতে সহায়তা করায় ১০ পরীক্ষার্থী ও এক শিক্ষকের ব্যাপারে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

ময়মনসিংহের ভালুকায় এইচএসএসি পরীক্ষা চলাকালে অসদুপায় অবলম্বন করায় একই কেন্দ্রের ১০ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।

শিক্ষার্থীদের সহযোগিতা করার অপরাধে বহিষ্কার করা হয়েছে সাদিকুর রহমান নামে দায়িত্বপ্রাপ্ত এক প্রভাষককেও।

এইচএসসির প্রথম দিন সকাল সোয়া ১০টার দিকে উপজেলার মাহমুদপুর সাহেরা সাফায়েত স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে এ ঘটনা ঘটে।

বিষয়টি নিউজবাংলাকে নিশ্চিত করে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আলিনূর খান বলেন, ‘বাংলা প্রথম পত্র পরীক্ষা চলাকালে অসদুপায় অবলম্বন করায় এবং এতে সহায়তা করায় ১০ পরীক্ষার্থী ও এক শিক্ষকের ব্যাপারে এ শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে।’

ময়মনসিংহ মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চার জেলায় ২৯৪টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ৯৯টি কেন্দ্রে এ বছর ৭৮ হাজার ৩৯৩ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিচ্ছে, যা গতবারের চেয়ে ১১ হাজার ৯৭৫ জন বেশি।

এবারের পরীক্ষায় ময়মনসিংহ জেলার ২৯ হাজার ৬৮২ জন, জামালপুরের ১২ হাজার ৩৪৬ জন, নেত্রকোণার ১০ হাজার ৬৬৬ জন ও শেরপুরের ৬ হাজার ৪৩২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়।

আরও পড়ুন:
বৃষ্টিস্নাত সকালে শুরু এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা
এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু রোববার
কাল থেকে কোচিং সেন্টার বন্ধ
এইচএসসি শুরু রোববার, মানতে হবে যেসব নির্দেশনা
বাস খাদে পড়ে হেলপার নিহত, আহত ১০

মন্তব্য

শিক্ষা
HSC and equivalent exams started on a rainy morning

বৃষ্টিস্নাত সকালে শুরু এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা

বৃষ্টিস্নাত সকালে শুরু এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা কেন্দ্রে এইচএসসি পরীক্ষার্থীরা। ফাইল ছবি
সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রোববার বৃষ্টির মধ্যে সকাল ১০টা থেকে এ পরীক্ষা শুরু হয়।

চলতি বছরের এইচএসসি ও সমমানের পরীক্ষা শুরু হয়েছে।

সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবস রোববার বৃষ্টির মধ্যে সকাল ১০টা থেকে এ পরীক্ষা শুরু হয়।

রুটিন অনুযায়ী, প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে শুরু হয়ে পরীক্ষা চলবে দুপুর ১টা পর্যন্ত। প্রথম দিন হচ্ছে বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষা।

লিখিত পরীক্ষা শেষ হবে ১১ আগস্ট এবং ১২ আগস্ট থেকে ২১ আগস্টের মধ্যে ব্যবহারিক পরীক্ষা শেষ করতে হবে।

বার্তা সংস্থা বাসস জানায়, এবার উচ্চ মাধ্যমিক পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁসের গুজব ও নকলমুক্ত পরিবেশে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে পরীক্ষা গ্রহণের লক্ষ্যে ২৯ জুন থেকে ১১ আগস্ট পর্যন্ত সব কোচিং সেন্টার বন্ধ রাখার ঘোষণা দিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী।

এবার ৯টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, কারিগরি শিক্ষা বোর্ড ও মাদ্রাসা শিক্ষা বোর্ডের এইচএসসি/আলিম/এইচএসসি (বিএম/বিএমটি), এইচএসসি (ভোকেশনাল)/ডিপ্লোমা ইন কমার্স পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ১৪ লাখ ৫০ হাজার ৭৯০ জন। এর মধ্যে ছাত্র সাত লাখ ৫০ হাজার ২৮১ জন এবং ছাত্রী সাত লাখ ৫০৯ জন।

এবার মোট কেন্দ্র ২ হাজার ৭২৫টি ও মোট শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ৯ হাজার ৪৬৩টি।

নির্দেশনা

পরীক্ষা সূচারুভাবে সম্পন্নের লক্ষ্যে কিছু নির্দেশনা দিয়েছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

এবার এইচএসসি পরীক্ষায় ২০২৪ সালের পুনর্বিন্যাস করা পাঠ্যসূচি অনুযায়ী সব বিষয়ে পূর্ণ নম্বর ও পূর্ণ সময়ে পরীক্ষার্থীরা পরীক্ষায় অংশ নেবে। পরীক্ষা শেষে নির্ধারিত সময়ের মধ্যে ফল প্রকাশ হবে।

এবার পরীক্ষা শুরুর কমপক্ষে ৩০ মিনিট আগে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই পরীক্ষার হলে প্রবেশ করতে হবে। অনিবার্য কারণে কোনো পরীক্ষার্থীকে এর পরে প্রবেশ করতে দিলে তার নাম, রোল নম্বর, প্রবেশের সময়, বিলম্ব হওয়ার কারণ একটি রেজিস্ট্রারে লিখে ওই দিনই সংশ্লিষ্ট শিক্ষা বোর্ডে প্রতিবেদন দিতে হবে।

পরীক্ষা শুরুর ২৫ মিনিট আগে এসএমএসের মাধ্যমে সংশ্লিষ্টদের কাছে প্রশ্নপত্রের সেট কোড জানিয়ে দেওয়া হবে।

ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ছাড়া অন্য কেউ মোবাইল ফোন/ইলেকট্রনিক ডিভাইস নিয়ে কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না; শুধু ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোবাইল ফোন ব্যবহার করতে পারবেন (তবে ছবি তোলা যায় না এমন মোবাইল ফোন)।

পরীক্ষা সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি, যেমন: পরীক্ষার্থী, কক্ষ প্রত্যবেক্ষক (ইনভিজিলেটর), মন্ত্রণালয়ের কেন্দ্র পরিদর্শন টিম, বোর্ডের কেন্দ্র পরিদর্শন টিম, জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনের পরিদর্শন টিম, নিরাপত্তার দায়িত্বে নিয়োজিত আইন প্রয়োগকারী সংস্থার সদস্য ছাড়া অন্য কেউই কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন না।

এ ছাড়া বিশেষ সক্ষম (ডিফারেন্টলি অ্যাবল) পরীক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ কিছু ব্যবস্থা করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়। এর মধ্যে দৃষ্টি প্রতিবন্ধী, সেরিব্রালপালসিজনিত প্রতিবন্ধী এবং যাদের হাত নেই এমন প্রতিবন্ধী পরীক্ষার্থী স্ক্রাইব (শ্রুতি লেখক) সঙ্গে নিয়ে পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করতে পারবে। এ ধরনের পরীক্ষার্থীদের এবং শ্রবণ পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ২০ মিনিট বাড়ানো হয়েছে।

প্রতিবন্ধী (অটিস্টিক, ডাউন সিনড্রম, সেরিব্রালপালসি) পরীক্ষার্থীদের জন্য অতিরিক্ত ৩০ মিনিট সময় বাড়ানোসহ শিক্ষক, অভিভাবক বা সাহায্যকারীর বিশেষ সহযোগিতায় পরীক্ষা দেয়ার সুযোগ সৃষ্টি করেছে শিক্ষা মন্ত্রণালয়।

আরও পড়ুন:
কোচিং সেন্টার বন্ধ ২৯ জুন থেকে ১১ আগস্ট
এইচএসসি পরীক্ষা যথাসময়ে: ঢাকা বোর্ড
এইচএসসির ফরম পূরণ ৫ মে পর্যন্ত বাড়ল
এইচএসসি পরীক্ষা শুরু ৩০ জুন, রুটিন প্রকাশ
এবার এইচএসসিতে বৃত্তি পাবে সাড়ে ১০ হাজার শিক্ষার্থী

মন্তব্য

p
উপরে