× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Jobs 6 Step Progress in Implementing Annual Performance Agreements
hear-news
player
google_news print-icon

বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়নে জবির ৬ ধাপ অগ্রগতি

বার্ষিক-কর্মসম্পাদন-চুক্তি-বাস্তবায়নে-জবির-৬-ধাপ-অগ্রগতি
সর্বমোট স্কোর ১০০-এর মধ্যে ৯৯ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট পেয়ে র‍্যাংকিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। ৯৪ দশমিক ৪৮ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আর ৯৩ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট লাভ করে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি (এপিএ) বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের (ইউজিসি) মূল্যায়নে দেশের ৪৬টি পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে তৃতীয় অবস্থানে উঠে এসেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)। বিগত অর্থবছরে এক্ষেত্রে এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ছিল নবম।

বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের উপ-পরিচালক মোহাম্মদ ফিরোজ আলম নিউজবাংলাকে মঙ্গলবার এ তথ্য জানান।

ইউজিসির সচিব অধ্যাপক ড. ফেরদৌস জামান স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতেও এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

এপিএ বাস্তবায়নের জন্য শুদ্ধাচার কৌশল কর্মপরিকল্পনা, ই-গভর্ন্যান্স ও উদ্ভাবন, অভিযোগ ও প্রতিকার ব্যবস্থা, সেবা প্রদান প্রতিশ্রুতি সিটিজেন চার্টার এবং তথ্য অধিকার বিষয়ক পৃথক ছয়টি ফোকাল পয়েন্ট রয়েছে।

মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ ও ইউজিসি নির্ধারিত এপিএর আওতায় সর্বমোট স্কোর ১০০-এর মধ্যে ৯৯ দশমিক ৪৭ পয়েন্ট পেয়ে এবারও র‍্যাংকিয়ে টানা তৃতীয়বারের মতো শীর্ষস্থান ধরে রেখেছে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এপিএ মূল্যায়নে ৯৪ দশমিক ৪৮ স্কোর নিয়ে দ্বিতীয় স্থানে রয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। আর ৯৩ দশমিক ৭৫ পয়েন্ট লাভ করে তৃতীয় স্থান অধিকার করেছে জবি।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি বাস্তবায়ন সংক্রান্ত মূল কমিটির আহ্বায়ক হিসেবে রয়েছেন উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক এবং সদস্য সচিব হচ্ছেন রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান।

এই অর্জনে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, শিক্ষার্থী, কর্মকর্তা-কর্মচারী সবাইকে ধন্যবাদ জানান উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক। ভবিষ্যতে শীর্ষ স্থানে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান নিশ্চিত করতে সবার ঐকান্তিক প্রচেষ্টা ও সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।

একটি প্রতিষ্ঠানে বা সংস্থায় সেবা প্রদানে গতিশীলতা আনয়ন, দক্ষতা বৃদ্ধি এবং দায়বদ্ধতা ও জবাবদিহি নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে সরকার ২০১৪-১৫ সালে দেশে বার্ষিক কর্মসম্পাদন চুক্তি সংক্ষেপে এপিএ চালু করে। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠানের সম্পদের যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিতকরণে প্রাতিষ্ঠানিক সক্ষমতার উন্নয়ন, সব স্তরের কর্মকাণ্ডে স্বচ্ছতা নিরূপণ এবং সরকার ঘোষিত টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা-২০৩০ ও রূপকল্প-২০৪১ বাস্তবায়ন অনেকটা সহজ হয়।

আরও পড়ুন:
ছাত্রী হলে প্রবেশের সময় রাত ১০টা করার দাবি
রাষ্ট্রপতির ছেলের গাড়িচালককে মারধর মামলার প্রতিবেদন জমা পড়েনি
জবির ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি: মামলায় আসামি ৩
সাংবাদিকদের হুমকি, জবি ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকের বিরুদ্ধে জিডি
পারিশার ফোনটি ৪ হাজারে বিক্রি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Inauguration of academic and administrative building at MIST

এমআইএসটিতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন

এমআইএসটিতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন এমআইএসটি-এর ফাইল ছবি।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ সোমবার রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে এমআইএসটি-তে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ফ্যাকাল্টি টাওয়ার ৩, ৪, অ্যাডমিন টাওয়ার ও হল অফ ফেমের ভবন উদ্বোধন করেন।

মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে (এমআইএসটি) আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা সংবলিত একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার ফ্যাকাল্টি টাওয়ার ৩, ৪, অ্যাডমিন টাওয়ার ও হল অফ ফেমের উদ্বোধন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানিয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমআইএসটির সাবেক কমান্ড্যান্টবৃন্দ, সেনাবাহিনী সদর দপ্তরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারগণ এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

স্থাপনাগুলো উদ্বোধনের মাধ্যমে এমআইএসটির প্রতিটি অনুষদের বিপরীতে একটি করে স্বতন্ত্র টাওয়ার বিল্ডিং-এ একাডেমিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সহজ হবে। উদ্বোধন করা ফ্যাকাল্টি টাওয়ারগুলোতে সর্বাধুনিক (স্টেট অফ আর্টস) গবেষণাগার রয়েছে, যা এমআইএসটি তথা বাংলাদেশের গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে বিশেষ অবদান রাখবে বলে আশা করা যায়।

আইএসপিআর জানায়, হল অফ ফেম-এর দেয়ালে সংরক্ষিত হয়েছে এমআইএসটির প্রতিষ্ঠা থেকে এ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, সব স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের নাম, আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতাগুলোর উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

সেনাপ্রধানের উদ্বোধনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করা এমআইএসটির পেট্রোলিয়াম ও লুব্রিকেটিং স্টেটিং ল্যাব বাংলাদেশে ব্যবহৃত পেট্রোলিয়ামজাত জ্বালানির সঠিক মান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। সেনাপ্রধান একইসঙ্গে সাইবার সিকিউরিটিতে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য নির্মিত সাইবার রেঞ্জও পরিদর্শন করেন।

নতুন প্রশাসনিক ভবনে ৪৫ হাজার বর্গফুটের এমআইএসটির সেন্ট্রাল লাইব্রেরি রয়েছে। লাইব্রেরির একটি অংশে একাডেমিক বইয়ের পাশাপাশি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর প্রায় চার হাজার বই সংবলিত ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ কর্নার স্থাপন করা হয়েছে। একইসঙ্গে লাইব্রেরিতে আনুমানিক আড়াই হাজার বই নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে বিশেষ ‘শেখ রাসেল আঙ্গিনা’, যা শেখ রাসেল সম্পর্কে ছাত্র-ছাত্রীদের জানতে সাহায্য করবে।

১৯৯৯ সালে নতুন কোনো অবকাঠামো নির্মাণ ছাড়াই সেনাবাহিনীর নিজস্ব স্থাপনায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৪০ জন ছাত্র অফিসার নিয়ে মিরপুর সেনানিবাসে যাত্রা শুরু করে এমআইএসটি। বর্তমানে চারটি অনুষদের অধীনে ১৩টি বিভাগে ২ হাজার ৯১৭ জন শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পাশাপাশি এমআইএসটিতে ৮টি বিভাগে এমএসসি, ৩টি বিভাগে এমফিল এবং ৭টি বিভাগে পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু আছে।

মন্তব্য

শিক্ষা
CUB MBA opportunity for journalists at special discount

সিইউবিতে বিশেষ ছাড়ে এমবিএ’র সুযোগ সাংবাদিকদের

সিইউবিতে বিশেষ ছাড়ে এমবিএ’র সুযোগ সাংবাদিকদের
সাংবাদিক ও তাদের পোষ্যরা ৬০ শতাংশ ছাড়ে এই সুযোগ পাচ্ছেন। ক্লাসের জন্য অনসাইট ও অনলাইন দুই ব্যবস্থাই রাখা আছে৷ পুরো ডিগ্রি সম্পন্ন করতে খরচ পড়বে মাত্র ৯৭ হাজার ২০০ টাকা।

দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও পেশাজীবীদের এক্সিকিউটিভ এমবিএ করার সুযোগ দিচ্ছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি)। সাংবাদিক ও তাদের পোষ্যরা ৬০ শতাংশ ছাড়ে এই সুযোগ পাবেন।

রাজধানীর প্রগতি সরণিতে সিইউবি’র নিজস্ব ক্যাম্পাসে চলছে এই ভর্তি কার্যক্রম। বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি চত্বরেও চলবে স্পট অ্যাডমিশন। দিনব্যাপী এই স্পট অ্যাডমিশনে ন্যূনতম ফি জমা দিয়ে ভর্তি হতে পারবেন সাংবাদিকরা।

৪৮ ক্রেডিটের এই কোর্সের মেয়াদ এক বছর। হাইব্রিড মোডে এই সময়ের মধ্যে এক্সিকিউটিভ এমবিএ সম্পন্ন করতে পারবেন তারা।

শিক্ষার সব ম্যাটেরিয়াল অনলাইনে পাওয়া যাবে। ক্লাসের জন্য অনসাইট ও অনলাইন দুই ব্যবস্থাই রাখা আছে৷ পুরো ডিগ্রি সম্পন্ন করতে খরচ পড়বে মাত্র ৯৭ হাজার ২০০ টাকা।

ফিন্যান্স, মার্কেটিং, হিউম্যান রিসোর্স, সাপ্লাই ও অপারেশনস ম্যানেজমেন্টে মেজর করার সুযোগ থাকবে এই কোর্সে ভর্তিচ্ছুদের।

আরও পড়ুন:
সিইউবিতে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ঐশী
সিইউবি শিক্ষার্থীদের নিয়ে পদ্মা ব্যাংকের রোড শো
ভর্তি মেলায় ৫০ শতাংশ ছাড় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির
বিদ্যুৎকেন্দ্রে শিল্প প্রশিক্ষণ নিল কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা
পাইথন-মেশিন লার্নিংয়ে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন সিইউবির ইইই শিক্ষার্থীদের

মন্তব্য

শিক্ষা
Chubby art students on the road again

ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা

ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা এক দফা দাবীতে রাস্তা অবরোধ করেছে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে বাদশাহ মিয়া রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এ সময় তারা স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে অবস্থান অব্যাহত রাখেন।

মূল ক্যাম্পাসে ফেরার এক দফা দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।

তাদের অভিযোগ, ২৮ দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারেনি প্রশাসন ও স্থানান্তর সংক্রান্ত গঠিত কমিটি। একই সঙ্গে প্রশাসনের নির্দেশ থাকলেও চারুকলার শিক্ষকরা এ বিষয়ে অ্যাকাডেমিক কমিটির আর কোনো বৈঠকে বসেননি। পাশাপাশি তারা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে বাদশাহ মিয়া রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এ সময় স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে অবস্থান অব্যাহত রাখেন।

এর আগে গত ১৬ নভেম্বর থেকে তারা মূল ক্যাম্পাসে অবরোধ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। ২০ নভেম্বর একজন সহকারী প্রক্টর, চারুকলা পরিচালক এবং ১২ শিক্ষককে প্রায় ১০ ঘণ্টার মতো অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা।

চারুকলা স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী খন্দকার মসরুল আল ফাহিম বলেন, ‘আমরা আজ থেকে ফটকের বাইরে অবস্থান কর্মসূচি ও সড়ক অবরোধ করছি। প্রশাসন একটা কমিটি করেছিল, কিন্তু দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও কমিটি স্থানান্তর বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য দিতে পারেনি। তাহলে এই কমিটির মানে কী?

আমরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। সমাধান না আসা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’

ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা

এ বিষয়ে 'চারুকলাকে ক্যাম্পাসে স্থানান্তর' বিষয়ক কমিটির আহ্বায়ক চবির ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ মামুন বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলাম। ক্যাম্পাস স্থানান্তরের বিষয়ে সরকারি ও আইনি যে প্রক্রিয়া আছে, সেগুলো আমরা তাদের বলেছিলাম। গ্যাজেটের কপি তাদের দেখিয়েছিলাম। তারাও আমাদের সঙ্গে সম্মত হয়েছিল। আমরা সুপারিশ করেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্ষদে সিদ্ধান্ত পাস হয়ে আসতে হবে। তারপর সরকারের সম্মতি নিয়ে চারুকলাকে স্থানান্তর করতে হবে। এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করব, বিশ্ববিদ্যালয়ও এই প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

প্রসঙ্গত, গত ২ নভেম্বর থেকে ২২ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান কর্মসূচি ও ক্লাস বর্জন শুরু করেন চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের ২২ দফা পরে এক দাবিতে রূপ নেয়। বর্তমানে তাদের একটাই দাবি, তারা মূল ক্যাম্পাসে ফিরে যেতে চান।

আরও পড়ুন:
হলে প্রবেশের সময়সীমাকে চবি ছাত্রীদের প্রত্যাখ্যান
চবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৬ আগস্ট
বাসের দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে ৫ ঘণ্টা
স্বাধীনতা দিবসে ৫০ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা দেবে চবি
যে বিপদ ওত পেতে আছে চবি রেলস্টেশনে

মন্তব্য

শিক্ষা
Prime Minister urges education system suitable for managing developing countries

উন্নয়নশীল দেশ পরিচালনার উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

উন্নয়নশীল দেশ পরিচালনার উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর সোমবার নিজ কার্যালয়ে ২০২২ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
শেখ হাসিনা বলেন, ‘যখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লব শুরু হবে তখন দেশেও যেন আমরা সেই উপযোগী দক্ষ জনবল পাই তার জন্য এখন থেকেই শিক্ষাব্যবস্থায় উদ্যোগ নিতে হবে। উন্নয়নশীল দেশ পরিচালনার কার্যক্রমে আমাদের দক্ষ জনশক্তি দরকার। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের কাজ করতে হবে, যেন পিছিয়ে না পড়ি।’

উন্নয়নশীল দেশকে পরিচালনা করতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর সে লক্ষ্যে উপযুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার সকালে নিজ কার্যালয়ে ২০২২ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লব শুরু হবে তখন দেশেও যেন আমরা সেই উপযোগী দক্ষ জনবল পাই তার জন্য এখন থেকেই শিক্ষাব্যবস্থায় উদ্যোগ নিতে হবে।

‘শিক্ষা ছাড়া আমরা দারিদ্র্য বিমোচন করতে পারব না। আমরা এমডিজি সফলতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করেছি। এসডিজিও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। তা ছাড়া আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। এই উন্নয়নশীল দেশ পরিচালনার কার্যক্রমে আমাদের দক্ষ জনশক্তি দরকার। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের কাজ করতে হবে, যেন পিছিয়ে না পড়ি।’

দেশে বহুমুখী শিক্ষার সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতে দেশ লাভবান হবে। করোনা মহামারির মধ্যে প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে বলে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখা গেছে।

তিনি বলেন, ‘ভালো ভালো কতগুলো স্কুল আছে। আমাদের অনেকের ধারণা ওই সব স্কুলে না পড়লে পড়াশোনাই করা হয় না।

‘দেশের বহু জ্ঞানী, বিজ্ঞানী, নেতা, পাকিস্তান আমলের বহু সিএসপি অফিসার জেলা স্কুল থেকে পাস করেই হয়েছে। জানি না এখন কোথা থেকে এমন ধারণা এসেছে যে মাত্র কয়েকটি স্কুল আছে যেখানে না পড়লে পড়া হয় না। এই মানসিকতা বদলাতে হবে।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘জেলা স্কুলগুলো তো সব সময়ই খুব ভালো স্কুল ছিল। আমাদের এখনও যারা আছে তাদের বেশির ভাগ তো ওখান থেকেই পাস করে আসছে। তাহলে সেই স্কুলকে খাটো করে দেখা বা দুই-একটা নামের ওপরে চলা…।’

সবচেয়ে ভালো ছেলেমেয়েরা যেখানে ভর্তি হবে সেখান থেকে তো ভালো রেজাল্ট আসবেই- এমন মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যদি কেউ গাধা পিটিয়ে মানুষ করতে পারে তাকে আমি ক্রেডিট দিই। যে কিছু জানে না তাকে ভালো শিক্ষা যারা দিতে পারবে আমার মনে হয় তাদেরকে একটু বিশেষভাবে সমর্থন দেওয়া ও পুরস্কৃত করা উচিত।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা মহামারি নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলেও বাংলাদেশ আগে থেকেই সাবধান হয়েছে। আমাদেরকে আরও সাবধান হতে হবে। সব ক্ষেত্রে মিতব্যয়ী হতে হবে, সাশ্রয়ী হতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয় সে ব্যবস্থাটা আমাদের নিতে হবে। আমরা সেটা নেয়ার জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছি, যেন কোনোমতেই আমরা পিছিয়ে না যাই।’

পরীক্ষায় যারা পাস করেছে তাদের অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। যারা উত্তীর্ণ হতে পারেনি তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। কেন ছেলেমেয়েরা ফেল করবে? ফেল করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। একটু মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। না পড়লে তো ফেল করবেই। কাজেই এটা মাথায় রেখে সবাইকে পড়তে হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারপ্রধানের হাতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের কপি তুলে দেন। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রীর পর বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানরা নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফলের পরিসংখ্যান প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

আরও পড়ুন:
খাদ্য মজুত ১৫ লাখ টনের নিচে না নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
খালেদা-তারেকের সঙ্গে সংলাপ কেমন কথা: প্রধানমন্ত্রী
সঞ্চয় বাড়ান, মিতব্যয়ী হোন: প্রধানমন্ত্রী
এখন সবাই রিজার্ভ বিশেষজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী
আমেরিকাকে একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

শিক্ষা
In Rajshahi the pass rate has decreased but the GPA has increased girls are five ahead

রাজশাহীতে পাসের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ ফাইভ, এগিয়ে মেয়েরা

রাজশাহীতে পাসের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ ফাইভ, এগিয়ে মেয়েরা  রাজশাহীতে পাসের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ ফাইভ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা। ছবি: নিউজবাংলা
এ বছর রাজশাহী বোর্ডে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪২ হাজার ৫১৭ জন। সাত বছরের মধ্যে এই সংখ্যা সর্বোচ্চ। এবারের ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জিপিএ ফাইভ এবং পাসের হার দুই পরিসংখ্যানেই মেয়েরা এগিয়ে। এ বছর রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৮ জেলার মধ্যে সেরা ফল বগুড়া জেলার।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ ফাইভ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এ বছর বোর্ডে পাসের হার ৮৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। যা গত সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

এ বছর রাজশাহী বোর্ডে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪২ হাজার ৫১৭ জন। সাত বছরের মধ্যে এই সংখ্যা সর্বোচ্চ। এবারের ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জিপিএ ফাইভ এবং পাসের হার দুই পরিসংখ্যানেই মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। এ বছর রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৮ জেলার মধ্যে সেরা ফল বগুড়া জেলার।

সোমবার দুপুরে রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম ফলাফলের এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেন।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৯৫ হাজার ১২৪ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫৮১ জন। এ বছর বোর্ডে পাসের হার ৮৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

মেয়েদের পাসের হার ৮৬ দশমিক ১৭ ভাগ আর ছেলেদের পাসের হার ৮৫ দশমিক ৬৯ ভাগ। গত বছর পাসের হার ছিল ৯৪ দশমিক ৭১ শতাংশ। ২০২০ সালে ছিল ৯০ দশমিক ৩৭ ভাগ, ২০১৯ সালে ছিল ৯১ দশমিক ৬৪ ভাগ।

২০১৮ সালে ছিল ৮৬ দশমিক ৭ শতাংশ, ২০১৭ সালে ছিল ৯০ দশমিক ৭০ ভাগ আর ২০১৬ সালে পাসের হার ছিল ৯৫ দশমিক ৭০ ভাগ।

এ বছর রাজশাহী বোর্ডে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪২ হাজার ৫১৭ জন। এর মধ্যে জিপিএ ফাইভ পাওয়া ছাত্রীর সংখ্যা ২৩ হাজার ৩৭৫ জন আর জিপিএ ফাইভ পাওয়া ছাত্রের সংখ্যা ১৯ হাজার ১৪২ জন।

গত বছর এসএসসিতে রাজশাহী বোর্ডে জিপিএ ৫ পেয়েছিল ২৭ হাজার ৭০৯ জন। ২০২০ সালে জিপিএ-৫ পায় ২৬ হাজার ১৬৭ জন, ২০১৯ সালে ২২ হাজার ৭৯৫ জন, ২০১৮ সালে ১৯ হাজার ৪৯৮ জন, ২০১৭ সালে ১৭ হাজার ৩৪৯ জন, ২০১৭ সালে জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ছিল ১৭ হাজার ৫৯৪ জন।

এ বছর বোর্ডে মোট ২ হাজার ৬৭৮টি স্কুল থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৪৭টি প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছে। আর দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কেউই পাস করেনি।

রাজশাহী বোর্ড সেরা বগুড়া জেলা

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সেরা হয়েছে বগুড়া জেলা। পাসের হার ও জিপিএ ফাইভে সবার ওপরে আছে এই জেলা।

রাজশাহী জেলায় পাস করেছে ২৫ হাজার ৩৬৮ জন, জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৬৩০ জন, পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪৬। চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাস করেছে ১৩ হাজার ১১০ জন, জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ১২৪ জন, পাসের হার ৮৫ দশমিক ৭। নাটোরে পাস করেছে ১৪ হাজার ৬৯৬ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯৪১ জন, পাসের হার ৮২ দশমিক ৪৮।

নওগাঁয় পাস করেছে ২০ হাজার ৬৬৮ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ২৮৭ জন, পাসের হার ৮৬ দশমিক ৭৮।

পাবনায় পাস করেছে ২৪ হাজার ৮৮৪ জন, জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৫ হাজার ৬৭০ জন, পাসের হার ৮৪ দশমিক ৫৬।

সিরাজগঞ্জে পাস করেছে ২৯ হাজার ৯১৬ জন, জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৬ হাজার ৯৪০ জন। পাসের হার ৮৬ দশমিক ৬৯। বগুড়ায় পাস করেছে ৩০ হাজার ৯২২ জন, জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৫ হাজার ৫৯০ জন, পাসের হার ৮৮ দশমিক ৩৪।

জয়পুরহাট জেলায় পাস করেছে ৯ হাজার ১০৫ জন, জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ হাজার ৩৩৫ জন, পাসের হার ৮৮ দশমিক ৫।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামে কমেছে পাসের হার, বেড়েছে জিপিএ ফাইভ
এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস
পাসের হারে সিলেট কেন তলানিতে
এবার পরীক্ষার্থী কমলেও ফেল বেড়েছে লাখের বেশি
পাসের হারে শীর্ষে যশোর, তলানিতে সিলেট

মন্তব্য

শিক্ষা
Unbridled euphoria over SSC success

এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস

এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলের শিক্ষার্থীরাও আনন্দ-উচ্ছ্বাস মেতে ওঠে। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী শাহারিয়ার রেজা নিলয় বলে, ‘গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছি। বন্ধুরা সবাই ভালো করেছে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল ৪৫০ জন। এর মধ্যে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪৩৩ জন।’

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরপরই রাজধানীসহ সারা দেশে বইছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠেছে শিক্ষার্থীরা। অতি আনন্দে কেউ কেউ আবার সহপাঠীদের জড়িয়ে ধরে কেঁদেও ফেলে।

উচ্ছ্বসিত অভিভাবকরাও এসেছেন ঢাকা রেসিডেনসিয়াল কলেজ প্রাঙ্গণে। তারাও খুশি সন্তানের রেজাল্ট পেয়ে।

রেসিডেনসিয়াল কলেজ ছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল ঘুরে দেখা গেছে, রেজাল্ট পেয়ে সবাই অনেক খুশি। সবাই স্কুল প্রাঙ্গণে এসে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করছে। এক কথায় এটি যেন মিলনমেলা।

এইচএসসি পরীক্ষা থাকায় দুপুর ১টা পর্যন্ত এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কলেজের ভেতরে ঢুকতে দেয়া হয়নি। এসএসসি পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ার পরে তারা একে একে কলেজের ভেতরে ঢোকে। এরপর থেকেই তারা আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠে।

সোমবার বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

দুপুর ১২টা থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল পাওয়া যাচ্ছে।

১টার দিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী সাফওয়ান ইসলাম নিউজবাংলাকে বলে, ‘গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছি। বন্ধুরা সবাই মিলে স্কুলে এসেছি। অনেকদিন পরে সবার সঙ্গে দেখা। এখন খুব ভালো লাগছে। স্কুলের বাইরে প্রতিদিন ছয় ঘণ্টা পড়াশোনা করেছি। সেটা সার্থক হয়েছে।’

একই কলেজের এসএসসি পরিক্ষার্থী শাহারিয়ার রেজা নিলয় বলে, ‘গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছি। বন্ধুরা সবাই ভালো করেছে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল ৪৫০ জন। এর মধ্যে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪৩৩ জন।’

এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থীরাও আনন্দ-উচ্ছ্বাস মেতে ওঠে। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখা যায়, এখানেও শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়েছে। বন্ধুরা মিলে আনন্দ ভাগাভাগি করছে। একে অপরকে আনন্দে জড়িয়ে ধরছে, কোলাকুলি করছে।

এখানে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে এবার এসএসসি পরিক্ষার্থী তানভিরুল ইসলাম বলে, ‘জিপিএ ফাইভ পেয়েছি। বন্ধুরা কম এসেছে। সবাই অনলাইনে রেজাল্ট দেখেছে বাসায় বসে। বিকেলের দিকে আসবে সবাই।’

এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস

একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তাহসিন মাহমুদ বলে, ‘পরীক্ষা ভালো দিয়েছিলাম। তাই রেজাল্ট নিয়ে অতটা চিন্তায় ছিলাম না। গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছি। তবে কাল রাত থেকে টেনশন লাগতেছিল। ফাইনালি এখন ভালো লাগছে।’

সাবিহা খান নামে এক অভিভাবক বলেন, ‘সন্তানকে নিয়ে আশা করেছিলাম সে ভালো কিছু করবে। সে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে। আমি আর ওর বাবা অনেক খুশি হয়েছি। অন্য অভিভাবকদের সঙ্গে দেখা হয়েছে অনেক দিন পর।’

এ বছরের পরীক্ষায় পাস করেছে ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী। এবার জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬০২ জন।

এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আনন্দ প্রকাশ। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

এ বছরে পরীক্ষা গত ১৯ জুন শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সিলেটসহ কয়েকটি জেলায় বন্যার কারণে গত ১৭ জুন পরীক্ষা স্থগিত করে সরকার।

এরপর প্রায় তিন মাস পর ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হয় চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা। এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন। ৩ হাজার ৭৯০টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় এ পরীক্ষা। এতে অংশ নেয় ২৯ হাজার ৫৯১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:
পাসের হারে সিলেট কেন তলানিতে
এবার পরীক্ষার্থী কমলেও ফেল বেড়েছে লাখের বেশি
পাসের হারে শীর্ষে যশোর, তলানিতে সিলেট

মন্তব্য

শিক্ষা
North Souths Kashems bail upheld on appeal

নর্থ সাউথের কাশেমের জামিন আপিলে বহাল

নর্থ সাউথের কাশেমের জামিন আপিলে বহাল নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি
সোমবার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীসহ পাঁচ বিচারপতির আপিল বেঞ্চ তার জামিন বহাল রাখে। আদালতে এম এ কাশেমের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুরাদ রেজা। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

অর্থ আত্মসাতের মামলায় নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য এম এ কাশেমের জামিন বহাল রেখেছে আপিল বিভাগ।

সোমবার প্রধান বিচারপতি হাসান ফয়েজ সিদ্দিকীসহ পাঁচ বিচারকের আপিল বেঞ্চ তার জামিন বহাল রাখে।

আদালতে এম এ কাশেমের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী মুরাদ রেজা। দুদকের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী খুরশীদ আলম খান।

এর আগে গত ১৩ নভেম্বর চেম্বার আদালত নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সদস্য রেহানা রহমানের জামিন বহাল রাখলেও এম এ কাশেমের জামিন স্থগিত করে আপিল বিভাগের পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে পাঠিয়ে দেয়। পূর্ণাঙ্গ বেঞ্চে আজকে শুনানি শেষে আদালত তার জামিন বহাল রাখে।

এর আগে গত ১০ নভেম্বর জামিন প্রশ্নে জারি করা রুল নিষ্পত্তি করে বিচারপতি মো. নজরুল ইসলাম তালুকদার ও বিচারপতি খিজির হায়াতের হাইকোর্ট বেঞ্চ তাদের জামিন দেয়। পরে এ জামিন স্থগিত চেয়ে আপিল আবেদন করে দুদক।

গত ২ আগস্ট এম এ কাশেম ও রেহানা রহমানকে কেন জামিন দেয়া হবে না, তা জানতে চেয়ে রুল জারি করেছিল হাইকোর্ট।

চলতি বছরের ৫ মে নিজস্ব কার্যালয়ে মামলা করে দুর্নীতি দমন কমিশন।

মামলায় আসামি করা হয়- নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চার সদস্য এম এ কাশেম, বেনজীর আহমেদ, রেহানা রহমান ও মোহাম্মদ শাহজাহান। এ ছাড়া নর্থ সাউথের বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান আজিম উদ্দীন আহমেদ, আশালয় হাউজিংয়ের আমিন মো. হিলালীকেও আসামি করা হয়।

মামলার এজাহারে বলা হয়, বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ২০১০ অনুযায়ী বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় অর্থাৎ নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয় পরিচালনার সর্বোচ্চ কর্তৃপক্ষ হলো বোর্ড অফ ট্রাস্টিজ। সে বিশ্ববিদ্যালয়ের মেমোরেন্ডাম অফ অ্যাসোসিয়েশন অ্যান্ড আর্টিকেলস (রুলস অ্যান্ড রেগুলেশনস) অনুযায়ী, বিশ্ববিদ্যালয় একটি দাতব্য, কল্যাণমুখী, অবাণিজ্যিক ও অলাভজনক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান।

এতে আরও বলা হয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট, বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি), শিক্ষা মন্ত্রণালয় তথা সরকারের সুপারিশ বা অনুমোদনকে পাশ কাটিয়ে বোর্ড অফ ট্রাস্টিজের কিছু সদস্যের অনুমোদন বা সম্মতির মাধ্যমে নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাম্পাস ডেভেলপমেন্টের নামে ৯ হাজার ৯৬.৮৮ ডেসিমেল জমির ক্রয়মূল্য বাবদ ৩০৩ কোটি ৮২ লাখ ১৩ হাজার ৪৯৭ টাকা অতিরিক্ত অর্থ অপরাধজনকভাবে প্রদান/গ্রহণ করা হয়েছে। অর্থাৎ বিশ্ববিদ্যালয়ের তহবিলের টাকা আত্মসাতের হীন উদ্দেশ্যে কম দামে জমি কেনা সত্ত্বেও বেশি দাম দেখিয়ে প্রথমে বিক্রেতার নামে টাকা প্রদান করেন আসামিরা।

আরও পড়ুন:
এনএসইউ ট্রাস্টি কাশেমের জামিন স্থগিত
দুই লাখ টাকার চাকরি নয়, শরীফের চাওয়া দেশপ্রেমমূলক কাজ
এনএসইউর সাবেক ট্রাস্টি কাশেম-রেহানাকে দুই শর্তে জামিন

মন্তব্য

p
উপরে