× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Rizvis taste has been recognized by the DU Teachers Association
hear-news
player
google_news print-icon

রিজভীর রুচির পরিচয় পেয়েছে ঢাবি শিক্ষক সমিতি

রিজভীর-রুচির-পরিচয়-পেয়েছে-ঢাবি-শিক্ষক-সমিতি
বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম মহাসচিব রুহুল কবির রিজভী। ফাইল ছবি
‘তিনি (রিজভী) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্যকে চাকরবাকর হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যার মাধ্যমে তার নিজের রুচি ও সংস্কৃতির পরিচয় পাওয়া যায়।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য আখতারুজ্জামান ও প্রক্টর এ কে এম গোলাম রাব্বানীকে আক্রমণ করে বিএনপি নেতা রুহুল কবির রিজভী যে মন্তব্য করেছেন, তার নিন্দা জানিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতি। এই মন্তব্যে রিজভীর রুচির প্রকৃত পরিচয় পাওয়ার কথাও বলেছে তারা।

সমিতির পক্ষ থেকে বলা হয়, গত মঙ্গলবার ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ঘটে যাওয়া একটি অপ্রীতিকর ঘটনাকে কেন্দ্র করে রিজভীর বক্তব্য অত্যন্ত অশালীন, আপত্তিকর ও নিন্দনীয়।

বুধবার সন্ধ্যায় সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নিজামুল হক ভুঁইয়া স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা বলা হয়।

আগের দিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের হামলার পর রিজভী এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ‘আওয়ামী ভিসি ও সাবেক ছাত্রলীগ নেতা প্রক্টরের প্ররোচনায় ছাত্রদলের ওপর নারকীয় হামলা হয়েছে। এখন এমন পরিস্থিতি দাঁড়িয়েছে যে শেখ হাসিনা তার চাকরবাকর ছাড়া উপাচার্য-প্রক্টর নিয়োগ করেন না। ছাত্রদলের ওপর হামলার ঘটনায় তারই প্রতিফলন দেখা গেল।’

জবাবে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতি বলেছে, ‘তিনি (রিজভী) ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্যকে চাকরবাকর হিসেবে আখ্যায়িত করেছেন, যার মাধ্যমে তার নিজের রুচি ও সংস্কৃতির পরিচয় পাওয়া যায়।’

এতে বলা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মাননীয় উপাচার্য গত তিন দশকের বন্ধ্যত্ব কাটিয়ে ২০১৯ সালে সব ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের সহাবস্থান নিশ্চিত করে ডাকসু নির্বাচন অনুষ্ঠান করতে সক্ষম হয়েছেন। নিজেদের অপকর্মের দায়ভার নিয়ে বিতাড়িত ছাত্র সংগঠনকে ক্যাম্পাসে তাদের রাজনীতি চর্চার সুযোগ করে দিয়েছেন। অথচ বিএনপি নেতা রিজভী উপাচার্য ও প্রক্টরকে অশালীন ভাষায় হুমকি-ধমকি দিয়েছেন।’

শিক্ষক সমিতি বলেছে, ‘রুহুল কবির রিভজী যেভাবে হুমকি দিয়ে কথা বলেছেন, তা নিকট অতীতে ক্যাম্পাসে লাশ ফেলে রাজনীতির মাঠ গরম করার টেলিফোন সংলাপের কথা আমাদের স্মরণ করিয়ে দেয়।’

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার প্রশংসাও করা হয় বিজ্ঞপ্তিতে। এতে বলা হয়, ‘ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বিভিন্ন মত-পথ এবং প্রগতিশীল রাজনৈতিক চিন্তা ও দর্শনের চর্চা কেন্দ্র। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র-শিক্ষকরাই বিভিন্ন সংকটে জাতিকে পথনির্দেশ করেছে। কিন্তু অতীতে কখনও কখনও বিভিন্ন অগণতান্ত্রিক সরকারের আবির্ভাবের ফলে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ হয়েছে, সামরিক স্বৈরশাসকের প্রত্যক্ষ পৃষ্ঠপোষকতায় ক্যাম্পাসে অছাত্র সন্ত্রাসীদের উপস্থিতি ও অস্ত্রের রাজনীতির সূচনা হয়েছিল। তাদের প্রত্যক্ষ মদদে অনেক মেধাবী শিক্ষার্থীকে জীবন দিতে হয়েছিল।

‘বর্তমান প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ১৯৯৬ সালে প্রথমবার রাষ্ট্রক্ষমতায় এসে ছাত্র রাজনীতি ছাত্রদের হাতে ফিরিয়ে দিয়েছিলেন। বৈধ ও অবিবাহিত ছাত্রদের হাতে ছাত্র সংগঠনের নেতৃত্ব তুলে দেয়ার জন্য সাংগঠনিক পদ পেতে ছাত্রদের বয়স নির্ধারণ ও বৈধ ছাত্রত্বের শর্ত জুড়ে দিয়েছিলেন। বর্তমান সরকারের আমলেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়সহ দেশের শিক্ষাঙ্গনে শিক্ষা কার্যক্রম অব্যাহতভাবে চলমান আছে।’

আরও পড়ুন:
৩৯ বছর পর ঢাবিতে আ.লীগপন্থি নীল দলের নিরঙ্কুশ জয়
শিক্ষার্থীদের খণ্ডকালীন কাজ দিতে ঢাবিতে ‘সাপোর্ট ইউনিট’
না জানিয়ে ঢাবি ছাত্রদলের কমিটিতে পদ, ক্ষুব্ধ কানেতা
‘পচা মাংস’ দেয়ায় ঢাবি হলের দোকানে ভাঙচুর, মারধর
ছাত্রলীগ নেত্রীদের ‘ক্রেডিট নেয়ার’ স্মারকলিপি

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Japans Ambassador Good Man Misunderstood as Villain Momen

জাপানের দূত ভালো মানুষ, ভুল বুঝিয়েছে দুষ্টু লোক: মোমেন

জাপানের দূত ভালো মানুষ, ভুল বুঝিয়েছে দুষ্টু লোক: মোমেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন ও ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকি।
‘ওকে (ইতো নাওকি) কোনো দুষ্টু লোক ভুল তথ্য দিয়েছে। তিনি সাধাসিধে মানুষ, বাংলাদেশের ভালো বন্ধু। তাকে বলা হয়েছে পুলিশ এসে ভোট দিয়েছে। সেই কথা সে বলে ফেলেছে। তিনি ভালো মানুষ। এটা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন নই।’

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাওকির বক্তব্যে সরকারের পক্ষ থেকে অসন্তোষ প্রকাশ করলেও পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আবদুল মোমেন এখন বলেছেন, তারা উদ্বিগ্ন নন। তার দৃষ্টিতে জাপানি দূত একজন ভালো মানুষ। তাকে কিছু দুষ্টু লোক ভুল বুঝিয়েছে।

রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ঘুম’ বিষয়ক চিকিৎসকদের এক ওয়ার্কশপ শেষে সাংবাদিকদের মন্ত্রী এসব কথা বলেন।

এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘ওকে (ইতো নাওকি) কোনো দুষ্টু লোক ভুল তথ্য দিয়েছে। তিনি সাধাসিধে মানুষ, বাংলাদেশের ভালো বন্ধু। তাকে বলা হয়েছে পুলিশ এসে ভোট দিয়েছে। সেই কথা সে বলে ফেলেছে। তিনি ভালো মানুষ। এটা নিয়ে আমরা উদ্বিগ্ন নই।’

একাদশ জাতীয় নির্বাচনে রাতে ভোট নিয়ে ঢাকায় জাপানের রাষ্ট্রদূত ইতো নাও‌কির সাম্প্রতিক বক্তব্যে নিয়ে ঢাকা উদ্বিগ্ন নয় বলেও জানান মন্ত্রী।

গত ১৪ নভেম্বর রাজধানীতে একটি ‘মিট দ্য অ্যাম্বাসেডর’ অনুষ্ঠানে জাপানের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘নির্বাচন নিয়ে বৈশ্বিক মতামতের একটা গুরুত্ব আছে। জাপান ২০১৮ সালের নির্বাচনের পরপর উদ্বেগ জানিয়েছিল। আমরা নির্বাচনের আগের রাতে ব্যালট বাক্স ভরে রাখার কথা শুনেছি, যা পৃথিবীর আর কোথাও শুনিনি। আমি আশা করব, এবার তেমন সুযোগ থাকবে না বা এমন ঘটনা ঘটবে না।’

দুই দিন পর মেহেরপুরে একটি অনুষ্ঠানে গিয়ে সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেন কৃষিমন্ত্রী আবদুর রাজ্জাক। সেদিন সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘জাপান কেন, কোন রাষ্ট্রদূতই বাংলাদেশের আভ্যন্তরীণ বিষয় নিয়ে নাক গলাবেন, এটা আমরা কখনোই মেনে নিতে পারি না।

‘তাদের আবারও সর্তক করা হবে। বাংলাদেশ স্বাধীন-সার্বভৌম রাষ্ট্র। একটি রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা এ দেশকে স্বাধীন করেছি। ফলে কারও কাছে পদানত হওয়া বা দেশের আত্মমর্যাদা রক্ষায় আমরা কাউকে ছাড় দেব না।’

মন্ত্রী এই বক্তব্য রাখার কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই ইতোকে রাষ্ট্রীয় অতিথি ভবন পদ্মায় তলব করেন পররাষ্ট্র সচিব মাসুদ বিন মোমেন। সেখানেই একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন নিয়ে ১৪ নভেম্বর এক অনুষ্ঠানে দেয়া রাষ্ট্রদূতের বক্তব্যের ব্যাখ্যা চাওয়া হয়।

‘রিজার্ভ নিয়ে গণমাধ্যমের বক্তব্যে তাজ্জব হই’

বাংলাদেশের রিজার্ভ নিয়ে আলোচনার প্ররিপ্রেক্ষিতে দেশের গণমাধ্যমের ভূমিকার সমালোচনাও করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী।

এক প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘আপনারা (গণমাধ্যম) মাঝেমধ্যে উল্টাপাল্টা বলেন, আমাদের রিজার্ভ নাই, আমি তাজ্জব হই।

‘আপনারা মাঝেমধ্যে উল্টাপাল্টা বলেন, আমাদের রিজার্ভ নাই। আমি তাজ্জব হই। আগে আমাদের তিন থেকে চার বিলিয়ন রিজার্ভ হলে আপনারা খুশিতে থাকতেন। আর এখন আমার ৩৪ থেকে ৩৭ বিলিয়ন রিজার্ভ, তারপরও আপনারা বলেন। এগুলো পাগলের প্রলাপ না হয় তো কী!

মোমেন বলেন, ‘আপনি (গণমাধ্যম) বলেন, ব্যাংকে টাকা নাই। আমার ট্রিলিয়ন টাকা ব্যাংকে আছে। আপনারা বিভিন্ন রকমের প্রোপাগান্ডা করেন ব্যাংকে টাকা নাই। বাড়িতে নিয়ে রাখেন তখন চুরি করতে পারবে।’

বাংলাদেশ জাপানের কাছে বাজেট সহায়তা হিসেবে ঋণ চেয়েছে কি না এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘এসব আমি জানি না। এগুলো আপনারই জানেন। আমাদের কোনো প্রয়োজন নাই। ইউ আর ভেরি সলিড ইকোনোমি।’

আরও পড়ুন:
নির্বাচন নিয়ে জাপানি দূতের বক্তব্যে মর্মাহত পুলিশ
কূটনীতিকদের আরও ভেবেচিন্তে কথা বলা উচিত: ইসি আনিছুর
জাপানি রাষ্ট্রদূতকে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে তলব
রাতের ভোট: জাপানি দূতের বক্তব্যে নাখোশ সরকার
রাতে ব্যালট বাক্স ভরার কথা আর কোথাও শুনিনি: জাপানি রাষ্ট্রদূত

মন্তব্য

শিক্ষা
Prime Ministers visit postponed due to political unrest in Japan

প্রধানমন্ত্রীর সফর স্থগিত ‘জাপানে রাজনৈতিক অস্থিরতায়’

প্রধানমন্ত্রীর সফর স্থগিত ‘জাপানে রাজনৈতিক অস্থিরতায়’ পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। ফাইল ছবি
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর আমরা স্থগিত করেছি। তারা (জাপান) প্রস্তুত আছে। কিন্তু আমরা একাধিক কথা চিন্তা করে সফর স্থগিত করেছি। গত এক মাসে তাদের তিনজন প্রভাবশালী মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। এমন অবস্থায় আমরা যেতে চাইনি: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ঢাকার সিদ্ধান্তেই প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর স্থগিত হয়েছে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী এ কে আব্দুল মোমেন। জাপানে রাজনৈতিক অস্থিরতা ও করোনার প্রকোপ বিবেচনায় ঢাকার এমন সিদ্ধান্ত বলেও জানান তিনি।

রোববার দুপুরে রাজধানীর একটি হোটেলে ‘ঘুম’ বিষয়ক চিকিৎসকদের এক ওয়ার্কশপ শেষে সাংবাদিকদের তিনি এসব কথা বলেন।

এক প্রশ্নে মোমেন বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর আমরা স্থগিত করেছি। তারা (জাপান) প্রস্তুত আছে। কিন্তু আমরা একাধিক কথা চিন্তা করে সফর স্থগিত করেছি। গত এক মাসে তাদের তিনজন প্রভাবশালী মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। এমন অবস্থায় আমরা যেতে চাইনি।’

গত মাসের ২৭ অক্টোবর পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, নভেম্বরের শেষে জাপান সফরে যাবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। নিউজবাংলাকে তিনি বলেছিলেন, ‘সফরটি দুই দেশের কূটনৈতিক সম্পর্কের ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হবে। দুই দেশ এখন সফর নিয়ে কাজ করছে।’

ওইদিন সফর উপলক্ষে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, জাপানের প্রধানমন্ত্রী ফুমিও কিশিদার আমন্ত্রণে ২৯ নভেম্বর থেকে ১ ডিসেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা জাপান সফর করবেন।

তবে ২৪ নভেম্বর পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শাহরিয়ার আলম জানান এই সফর স্থগিত হয়েছে।

সেদিন রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে জাপানের পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শোনসুকে তাকেইয়ের সঙ্গে বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের তিনি বলেন, ‘আমরা এখনও প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফরের আনুষ্ঠানিক দিনক্ষণ ঘোষণা করিনি। তবে অন্য যেখান থেকে তারিখটা শুনেছিলেন, সেই তারিখে সফরটা হচ্ছে না। সুবিধা-অসুবিধা সবারই থাকে। দুই দেশই নতুন তারিখ খুঁজে নেবে।’

জাপানের প্রতিমন্ত্রী বলেন, ‘একটি নতুন তারিখে সফরটি হবে। দুই দেশ এটা নিয়ে কাজ করছে।’

তিনি বলেন, ‘জাপানের তৎকালীন প্রধানমন্ত্রী আমাদের দাওয়াত দিয়েছেন। এ দাওয়াতটা আমরা দুই বছর আগে পেয়েছিলাম। কোভিডের কারণে দুই বছরের অধিক সময় হলেও যাওয়া যায়নি। এবার সব ফাইনাল হলো। কিন্তু সম্প্রতি জাপান সরকারের মধ্যে একটা অস্থিরতা দেখা দিয়েছে। পরপর তিনজন প্রভাবশালী মন্ত্রী পদত্যাগ করেছেন। আমরা বিষয়গুলো গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছিলাম।

‘এর মধ্যে আমরা খবর পেয়েছি জাপানের সংসদে কিছু প্রস্তাব আসবে, বর্তমান প্রধানমন্ত্রী সম্পর্কে। বেচারা খুব ব্যস্ত আছেন। দ্বিতীয়ত কোভিডের কারণ। জাপানের এখনও কোভিডের জন্য কোয়ারেন্টাইন করতে হয়। তারা ১০ জনের মতো অনুমতি দেবে। আমরাতো বিরাট দল যাব। ব্যবসায়ীরা যাবে। আমরা ব্যবসায়ীদের নিয়ে যেতে চাই, যেন আমাদের দেশে বিনিয়োগ বাড়ে।’

তিনি বলেন, ‘আগামীতে আমরা অবশ্যই জাপানে যাব। এই সফর নিয়ে চিন্তার কিছূ নেই। জাপানের সঙ্গে আমাদের গভীর সম্পর্ক। জাপান আমাদের ভালো বন্ধু।’

আরও পড়ুন:
আবার ভোট দিন, যা চাইবেন তার বেশি দেব: শেখ হাসিনা
রিজার্ভ ও ব্যাংকের টাকা নিয়ে গুজব ছড়ানো হচ্ছে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রীর জাপান সফর আপাতত স্থগিত
দেশের অর্থনীতি নিরাপদে: প্রধানমন্ত্রী
যশোরে প্রধানমন্ত্রী, বক্তব্য দিচ্ছেন প্যারেড গ্রাউন্ডে

মন্তব্য

শিক্ষা
Ranga is interested in resolving the Kader Roshan conflict

কাদের-রওশন দ্বন্দ্বের মীমাংসায় আগ্রহী রাঙ্গা

কাদের-রওশন দ্বন্দ্বের মীমাংসায় আগ্রহী রাঙ্গা দেশে ফিরেছেন রওশন এরশাদ। বিমানবন্দরে কথা বলেনি তিনি। সেখানেই কথা বলেন মশিউর রহমান রাঙ্গা। ছবি: নিউজবাংলা
‘এরশাদ সাহেবের সময়ও আমরা অস্থিরতা দেখেছি। যেটা অন্যান্য দলে হয়তো এতটা না। অস্থিরতা বিভিন্ন কারণে, একটা দল ৩২ বছর ক্ষমতার বাইরে, মনোমালিন্য থাকতেই পারে।’

জিএম কাদের ও রওশন এরশাদ এক সঙ্গে বসলেই জাতীয় পার্টিতে দ্বন্দ্বের মীমাংসা হয়ে যাবে বলে মনে করেন দলের বহিষ্কৃত নেতা মশিউর রহমান রাঙ্গা। বলেছেন, ওই দ্বন্দ্বের মীমাংসায় তিনি ভূমিকা রাখবেন।

৫ মাস চিকিৎসা শেষে রোববার দেশে ফেরা রওশন এরশাদকে শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে স্বাগত জানিয়ে তিনি এমন মন্তব্য করেন।

তিনি বলেন, ‘জি এম কাদের ও রওশন এরশাদের মধ্যে মনোমালিন্য আছে। এটা আগেও বলেছি, দুই জন এক সঙ্গে বসলে এটার সমাধান হয়ে যাবে ‘

জাতীয় পার্টিতে এই দ্বন্দ্বের সূত্রপাত হয় রওশন থাইল্যান্ডে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তার এক চিঠিকে কেন্দ্র করে। গত ৩১ অক্টোবর হঠাৎ করেই ২৬ নভেম্বর দলের সম্মেলনের ডাক দেন। পরে অবশ্য তা স্থগিত করা হয়।

জি এম কাদের ও তার অনুসারীরা রওশনের এই ঘোষণার তীব্র প্রতিবাদ জানান। তারা বলেন, দলের গঠনতন্ত্র অনুযায়ী রওশন এমনটা করতে পারেন না। এরপর রওশনকে বিরোধীদলীয় নেতার পদ থেকে সরিয়ে দিতে গিয়ে জি এম কাদেরকে সেই পদে বসাতে স্পিকারকে চিঠি দেয় জাতীয় পার্টির সংসদীয় দল। পরে দলে শুরু হয় বহিস্কার ও অব্যাহতি দেওয়া। শুরুর দিকে রওশনের পক্ষে কথা বলায় রাঙ্গাকেও দলের সব পদ থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়।

২০১৯ সালে দলের প্রতিষ্ঠাতা চেয়ারম্যান হুসেইন মুহাম্মদ এরশাদের মৃত্যুর পরও জিএম কাদের ও রওশন পন্থিদের মধ্যে দ্বন্দ্ব শুরু হয়। তখন দ্বন্দ্ব মীমাংসায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন রাঙ্গা।

এবারও একই ভূমিকা রাখার আশা করে তিনি বলেন, ‘যদি তাদের (রওশন ও জিএম কাদেরে) মীমাংসা করা দরকার পড়ে, আই উইল ডু ইট।’

জাতীয় পার্টিতে এমন অস্থিরতা কেন- জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘এরশাদ সাহেবের সময়ও আমরা অস্থিরতা দেখেছি। যেটা অন্যান্য দলে হয়তো এতটা না। অস্থিরতা বিভিন্ন কারণে, একটা দল ৩২ বছর ক্ষমতার বাইরে, মনোমালিন্য থাকতেই পারে।’

রওশন দেশে ফিরলেও নেতা কর্মী তাকে সংবর্ধনা দিতে যাননি। এর কারণ কী- এমন প্রশ্নে রাঙ্গা বলেন, ‘অনেক নেতাকর্মী বিভিন্ন কারণে হয়তো আসেনি। এটা বিভক্তির কারণে নয়, অনেকে আসছিলেন, রাস্তা থেকেও তারা ঘুরে গেছে।

‘তাদের ভয় দেখানো হয়েছে, গেলে মনোনয়ন দেবো না, এইভাবে বলা হয়েছে। সবাই তো আমাদের মতো সাহসী না, অনেক এমপি, প্রেসিডিয়াম মেম্বার ঝামেলা এড়াতে চেয়েছেন।’

রওশন আলাদা কাউন্সিল ডাকার পর জাতীয় পার্টি থেকে এক থেকে দেড় শ নেতা-কর্মীকে বহিষ্কার করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারা সবাই দলের জন্য নিবেদিত প্রাণ ছিল। তাদেরকে বিভিন্ন কারণে বের করে দেয়া হয়েছে। এই নেতাকর্মীরা ফিরে আসলে দলটা বিরাট শক্তিতে পরিণত হবে। আমি মনে করি, মনোনমালিন্যটা দলের ভালোর জন্যই হয়েছে, আগামীতেও ভালো হবে।’

আরও পড়ুন:
দ্বন্দ্ব মেটাতে কাদেরের সঙ্গে আলোচনা হবে: রওশন
দেশে ফিরলেন রওশন এরশাদ
রওশন দেশে ফিরছেন রোববার

মন্তব্য

শিক্ষা
There is no question of alliance with BNP

বিএনপির সঙ্গে জোটের প্রশ্নই আসে না

বিএনপির সঙ্গে জোটের প্রশ্নই আসে না রওশন এরশাদ। ফাইল ছবি
দেশে ফিরে বিমানবন্দরে লিখিত বক্তব্যে রওশন এরশাদ বলেন, ‘বিএনপির অধীনে জাতীয় পার্টি খুবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এবং আমি ও আমার নাবালক সন্তানসহ দলের হাজার হাজর নেতাকর্মী জেল খেটেছিলেন। তখন আমাদের জনসভাও করতে দেয়া হয়নি।

আগামী জাতীয় নির্বাচনি বিএনপির সঙ্গে কোনো জোট হতে পারে না বলে সাফ জানিয়ে দিয়েছেন জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। পাঁচ মাস চিকিৎসা শেষে থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফিরে বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের উদ্দেশে এক লিখিত বক্তব্যে রওশন এরশাদ এ কথা বলেন।

বিমানবন্দরের তাকে শুভেচ্ছা জানাতে যান জি এম কাদেরপন্থি হিসেবে পরিচিত নেতা এবং দলের কো চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হাওলাদার ও শফিকুল ইসলাম সেন্টু।

লিখিত বক্তব্যে রওশন এরশাদ বলেন, ‘বিএনপির অধীনে জাতীয় পার্টি খুবই ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হুসেইন মুহম্মদ এরশাদ এবং আমি ও আমার নাবালক সন্তানসহ দলের হাজার হাজর নেতাকর্মী জেল খেটেছিলেন। তখন আমাদের জনসভাও করতে দেয়া হয়নি।

‘ঢাকাসহ বিভিন্ন স্থানে অনেক জনসভায় হামলা চালিয়ে কত শত নেতাকর্মীকে হত্যা করা হয়েছিল। সেই অন্ধকার দিনগুলো আমরা ভুলবো কী করে? তা ছাড়া আমরা তাদের শাসনামলে হাওয়া ভবনের দুর্নীতি, অব্যবস্থাপনা ও অপতৎপরতা দেখেছি।’

তিনি আরো বলেন, ‘জনগণ উন্নতি ও শান্তি জন্য পরিবর্তন চায়। জাতীয় পার্টিই দিতে পারে সেই শান্তি। অবশ্যই তা বিএনপি নয়। বিএনপির সঙ্গে জোটের প্রশ্নই আসে না।’

ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের নির্বাচনি জোট মহাজোটের অংশ হিসেবে জাতীয় পার্টি দু দফায় নির্বাচনে অংশ নিলেও ২০১৮ সালের সর্বশেষ নির্বাচনের পর তারা সংসদে প্রধান বিরোধী দল হিসেবে আবির্ভূত হয়ে মহাজোট ত্যাগ করে।

আরও পড়ুন:
‘জি এম কাদেরের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র হচ্ছে’
রওশন-কাদের বিরোধে রংপুরে মনোনয়ন জটিলতা
‘তত্ত্বাবধায়কের অধীনে নির্বাচনের ধারণায় জাপা বিশ্বাস করে না’
রওশনের পক্ষে আছি বলায় অব্যাহতি: জিয়াউল মৃধা
কাদেরকে বিরোধীদলীয় নেতা না করলে জাপার ‘বিকল্প চিন্তা’

মন্তব্য

শিক্ষা
Talks will be held with Quader to resolve conflict Roshan

দ্বন্দ্ব মেটাতে কাদেরের সঙ্গে আলোচনা হবে: রওশন

দ্বন্দ্ব মেটাতে কাদেরের সঙ্গে আলোচনা হবে: রওশন রোববার বিমানবন্দরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। ছবি: নিউজবাংলা
পাঁচ মাস পর থাইল্যান্ড থেকে দেশে ফিরলেন জাতীয় পার্টির প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ। বিমানবন্দরে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে যান জি এম কাদেরপন্থি হিসেবে পরিচিত নেতা এবং দলের কো-চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হাওলাদার ও শফিকুল ইসলাম সেন্টু।

দলের মধ্যে চলমান দ্বন্দ্ব দূর করতে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান জি এম কাদেরের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন বলে জানিয়েছেন দলের প্রধান পৃষ্ঠপোষক ও জাতীয় সংসদে বিরোধীদলীয় নেতা রওশন এরশাদ।

রোববার দুপুরে বিমানবন্দরে থাইল্যান্ডে চিকিৎসা শেষে পাঁচ মাস পরে দেশে ফিরে সাংবাদিকদের এই কথা জানান রওশন এরশাদ। আগামী নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সঙ্গে জোটে জাতীয় পার্টি যাবে কি না, তা সময় বলে দেবে বলে মন্তব্য করেন রওশন এরশাদ।

রওশন এরশাদ দেশে ফিরলে হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের ভিআইপি গেটে তাকে শুভেচ্ছা জানাতে আসেন জি এম কাদেরপন্থি হিসেবে পরিচিত নেতা এবং দলের কো-চেয়ারম্যান রুহুল আমিন হাওলাদার ও শফিকুল ইসলাম সেন্টু।

তবে দলের চেয়ারম্যান জি এম কাদের, মহাসচিব মুজিবুল হক চুন্নুসহ দলের সিনিয়র নেতাদের উপস্থিতি ছিল না।

রওশনপন্থি নেতাদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিরোধীদলীয় চিফ হুইপ মসিউর রহমান রাঙা এবং রওশন এরশাদের রাজনৈতিক উপদেষ্টা গোলাম মসীসহ অন্য নেতা-কর্মীরা।

শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর নেমে ভিআইপি লাউঞ্জে গণমাধ্যমকর্মীদের মুখোমুখি হন রওশন এরশাদ। এ সময় সাংবাদিকদের বেশ কয়েকটি প্রশ্নের উত্তর দেন রওশন এরশাদ।

জি এম কাদেরের সঙ্গে আলোচনায় বসবেন কি না, সাংবাদিকদের এমন প্রশ্নের জবাবে রওশন এরশাদ বলেন, ‘আমরা বৈঠক করব, আলোচনা করব।’
জি এম কাদের কেন তাকে বিমানবন্দরে রিসিভ করতে আসেননি– এমন প্রশ্নের জবাবে রওশন বলেন, ‘অসুবিধা আছে, তাই আসেনি।’

আগামী জাতীয় নির্বাচন এককভাবে করবেন কি না, এমন প্রশ্নে তিনি বলেন, ‘সেটা সময় বলে দিবে।’

এর আগে সাংবাদিকদের সামনে একটি লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রওশন এরশাদ। এতে তিনি বলেন, ‘আমার সুস্থতা কামনায় দোয়া করার জন্য পার্টির নেতা-কর্মী এবং দেশবাসীকে ধন্যবাদ জানাই।’

চিকিৎসার খোঁজখবর নেওয়ার জন্য রওশন এরশাদ প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানান। বলেন, ‘ব্যাংককে আমার চিকিৎসার সময় সহযোগিতা এবং স্বাস্থ্যের খোঁজখবর নেয়ার জন্য আমি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধন্যবাদ জানাই। আমি থাইল্যান্ডে বাংলাদেশ দূতাবাসকেও ধন্যবাদ জানাই হাসপাতালে চিকিৎসাধীন থাকার সময় সহায়তা ও সহযোগিতার জন্য।’

লিখিত বক্তব্যে তিনি বলেন, ‘আগেও বলেছি, আজও বলছি, আমি সব সময়ই জাতীয় পার্টির ঐক্য চাই। পার্টিকে বিভক্ত করার প্রশ্নই ওঠে না।

‘আমি ঢাকায় ফিরে এসেছি, আমি পার্টির সব এমপি, প্রেসিডিয়াম এবং অন্যান্যদের সঙ্গে যেকোনো বিভ্রান্তি ও ভুল-বোঝাবুঝি দূর করতে বসব। আমি নিশ্চিত, সেই ভুল-বোঝাবুঝি দূর করে ঐক্যবদ্ধভাবে শিগগিরই রাজনৈতিক কর্মসূচিতে ফিরতে পারব, ইনশা আল্লাহ।’

তিনি বলেন, ‘জাতীয় পার্টির জন্য যারা কষ্ট করেছেন, জেল খেটেছেন এবং জীবন উৎসর্গ করেছেন, তাদের সবার কাছে আমি কৃতজ্ঞ।’

এ সময় রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে কাদেরের দেওয়া প্রার্থী মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফাকে দলের প্রার্থী হিসেবে স্বীকৃতি দেন রওশন এরশাদ।

তিনি বলেন, ‘হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের স্নেহধন্য পুত্রতুল্য এবং তার পছন্দের যোগ্য ও দক্ষ প্রার্থীকেই আসন্ন রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচনে লাঙ্গলের মেয়র প্রার্থী ঘোষণা করছি। তিনি হলেন সাবেক মেয়র ও দলের প্রেসিডিয়াম সদস্য, জনমানুষের প্রিয় নেতা মোস্তাফিজুর রহমান মোস্তফা। তার নির্বাচন ও বিজয়ের মধ্য দিয়ে জাতীয় পার্টি ঐক্যবদ্ধ ও শক্তিশালী দল হিসেবে নতুন করে প্রতিষ্ঠা পাবে, ইনশা আল্লাহ।’

তিনি বলেন, ‘রংপুর সিটি করপোরেশন নির্বাচন প্রসঙ্গে কথা বলতে চাই। মনে রাখবেন রংপুর জাতীয় পার্টির প্রাণ। এটা প্রয়াত রাষ্ট্রপতি হুসেইন মুহম্মদ এরশাদের বাড়ি। তাই আসনটি যেকোনো মূল্যে ধরে রাখতে হবে এবং জাতীয় পার্টির প্রতীক লাঙ্গল নিয়ে নির্বাচনে জয়ী হবে এমন যোগ্য প্রার্থীকে মনোনয়ন দেব, ইনশা আল্লাহ। এ জন্য সব নেতা-কর্মীকে ঐক্যবদ্ধ থাকতে হবে।’

জাতীয় সংসদের বিরোধীদলীয় নেতা তার এই বক্তব্যে দেশের বর্তমান পরিস্থিতি নিয়েও কথা বলেন। তিনি বলেন, ‘দেশের বর্তমান রাজনৈতিক পরিস্থিতি বিবেচনায় মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা দেশের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও উন্নয়ন বজায় রাখতে সর্ববাত্মক চেষ্টা করে যাচ্ছেন। দুর্নীতি, অর্থনীতিতে অব্যবস্থাপনা এবং নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের মূল্যবৃদ্ধির মতো কিছু ত্রুটি রয়েছে। আমি নিশ্চিত যে, প্রধানমন্ত্রী এসব বিষয়ে অবগত আছেন এবং আমি তাকে অনুরোধ করব এই বিষয়গুলোকে আরও ঘনিষ্ঠভাবে সমাধান করতে এবং তার মন্ত্রিপরিষদের সদস্যদের আরও বেশি আন্তরিক ও সক্রিয় করতে।’

রওশন এরশাদ বলেন, ‘বর্তমান ভূ-রাজনীতি বিশেষ করে ইউক্রেন যুদ্ধ গুরুতর অর্থনৈতিক সমস্যার সৃষ্টি করেছে। এর প্রভাব পড়েছে আমাদের দেশেও। তাই চ্যালেঞ্জ মোকাবিলায় আমাদের সবাইকে আরও সতর্ক হওয়া উচিত এবং সরকারকে সহযোগিতা করা উচিত।’

আরও পড়ুন:
দেশে ফিরলেন রওশন এরশাদ
রওশন দেশে ফিরছেন রোববার
রওশনের ফেরার দিন শো-ডাউন করবে অনুসারীরা

মন্তব্য

শিক্ষা
The hearing of the complaint against the emperor has been delayed for 8 months

সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল ৮ মাস

সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন শুনানি পেছাল ৮ মাস মুক্তি পেয়েই বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানাতে ছুটে যান বহিষ্কৃত যুবলীগ নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাট। ছবি: সংগৃহীত
এদিন সম্রাট আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা দেন। এরপর তার আইনজীবী আফরোজা শাহনাজ পারভীন হিরা অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন। আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য নতুন তারিখ দেন।

যুবলীগের বহিষ্কৃত নেতা ইসমাইল হোসেন চৌধুরী সম্রাটের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে করা মামলার অভিযোগ গঠন বিষয়ে শুনানির তারিখ আট মাস পিছিয়ে আগামী বছরের ৩ আগস্ট ঠিক করেছে আদালত।

রোববার ঢাকার প্রথম অতিরিক্ত মহানগর দায়রা জজ ফায়সাল আতিক বিন কাদেরের আদালতে মামলাটির অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য দিন ঠিক ছিল।

এদিন সম্রাট আদালতে আইনজীবীর মাধ্যমে হাজিরা দেন। এরপর তার আইনজীবী আফরোজা শাহনাজ পারভীন হিরা অভিযোগ গঠন শুনানি পেছানোর জন্য সময়ের আবেদন করেন।

আদালত সময়ের আবেদন মঞ্জুর করে অভিযোগ গঠন শুনানির জন্য নতুন তারিখ দেন।

২০১৯ সালের ৭ অক্টোবর বাদী হয়ে রমনা থানায় অস্ত্র আইনে মামলাটি করেন র‍্যাব-১-এর ডিএডি আব্দুল খালেক। ২০২০ সালের ৬ নভেম্বর ঢাকা মহানগর হাকিম আদালতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা উপপরিদর্শক শেখর চন্দ্র মল্লিক অস্ত্র মামলার অভিযোগপত্র জমা দেন।

২০১৯ সালের সেপ্টেম্বরে ঢাকার মতিঝিলের ক্লাবপাড়ায় র‌্যাবের অভিযানে অবৈধ ক্যাসিনো চলার বিষয়টি প্রকাশ্যে আসার পর আত্মগোপনে চলে যান যুবলীগের প্রভাবশালী নেতা সম্রাট। ২০১৯ সালের ৭ অগাস্ট কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম থেকে সম্রাট ও তার সহযোগী এনামুল হক আরমানকে গ্রেপ্তার করে র‌্যাব।

সেদিন বিকেলে সম্রাটকে সঙ্গে নিয়ে কাকরাইলের ভূইয়া ট্রেড সেন্টারে তার কার্যালয়ে অভিযান চালানো হয়। প্রায় পাঁচ ঘণ্টা অভিযান শেষে গুলিসহ একটি বিদেশি পিস্তল, ১১৬০টি ইয়াবা, ১৯ বোতল বিদেশি মদ, দুটি ক্যাঙ্গারুর চামড়া এবং ‘নির্যাতন করার’ বৈদ্যুতিক সরঞ্জাম পাওয়া যায়।

ক্যাঙ্গারুর চামড়া পাওয়ার কারণে সম্রাটকে বন্যপ্রাণী সংরক্ষণ আইনে তাৎক্ষণিকভাবে ছয় মাসের কারাদণ্ড দেয় ভ্রাম্যমাণ আদালত। সেদিনই তাকে পাঠিয়ে দেয়া হয় কেরানীগঞ্জের কারাগারে।

বর্তমানে তিনি জামিনে মুক্ত রয়েছেন।

আরও পড়ুন:
সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি ১১ ডিসেম্বর
দুদকের মামলায় সম্রাটের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠনের শুনানি পেছাল
সম্রাটের মামলার অভিযোগ গঠন শুনানি ২০ অক্টোবর
সম্রাটের জামিন বাতিল কেন নয়: হাইকোর্ট
সম্রাটের জামিন বাতিলে হাইকোর্টে দুদক

মন্তব্য

শিক্ষা
Revision of RPO Govt doesnt care about EC

আরপিওর সংশোধন: ইসিকে পাত্তা দিচ্ছে না সরকার

আরপিওর সংশোধন: ইসিকে পাত্তা দিচ্ছে না সরকার নির্বাচন ভবন। ফাইল ছবি
আরপিও সংশোধন খসড়া বিল প্রস্তুত করে গত ৮ আগস্ট তা লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়। অগ্রগতি জানতে নির্বাচন কমিশনের চিঠি দুইবার উপেক্ষা করেছে মন্ত্রণালয়। ক্ষুব্ধ ইসি বলেছে, এই আচরণে জনমনে সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে সংশয় জাগবে।

সুষ্ঠু নির্বাচনের স্বার্থে নির্বাচন কমিশনকে সব ধরনের সাহায্য সহযোগিতা করার আশ্বাস দিলেও কমিশনের একটি অনুরোধ সাড়ে তিন মাস ধরে উপেক্ষা করে আসছে আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ।

কমিশনের খসড়া প্রস্তাবের পর কী ব্যবস্থা নেয়া হয়েছে, তার তথ্য চেয়ে পাঠানো দুটি চিঠিও উপেক্ষা করা হয়েছে। দুইবার জবাব না পেয়ে এবার কমিশন আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে জবাব দিতে সময় বেঁধে দিয়েছে।

সাংবিধানিক সংস্থা হিসেবে কমিশনকে সহযোগিতা করা সবার কর্তব্য- এই বিষয়টি স্মরণ করিয়ে চিঠিতে এ-ও বলা হয়েছে যে কমিশন যা চাইছে, তা পূরণ না হলে সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য তারা সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে না।

সরকার সহযোগিতা না করলে জনমনে সরকারের সদিচ্ছা নিয়ে সংশয় জাগবে- এই বিষয়টিও উল্লেখ করা হয়েছে এই চিঠিতে।

নির্বাচন কমিশনের কর্মকর্তারা জানান, ইলেকট্রনিক ভোটিং মেশিন বা ইভিএমে ভোটদানের ক্ষেত্রে আঙুলের ছাপ না মেলায় প্রিসাইংডিং কর্মকর্তার আঙুলের ছাপ ব্যবহার করে ব্যালট ইউনিট ওপেন করার ব্যবস্থাটি আরপিওতে অন্তুর্ভুক্ত করতে চায় কমিশন। বেশ কিছু আইনের সংস্কারের পক্ষেও তারা।

এ বিষয়ে পাঠানো প্রস্তারের বিষয়ে সাড়ে তিন মাসেও কোনো কিছু জানানো হয়নি কমিশনকে। এতে অসন্তুষ্ট তারা।

রোববার নির্বাচন কমিশনের উপসচিব আব্দুল হালিম স্বাক্ষরিত একটি চিঠি আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগের সচিব বরাবর পাঠানো হয়। এতে এ কথা বলা হয়।

আরপিওর সংশোধন: ইসিকে পাত্তা দিচ্ছে না সরকার

নির্বাচন কমিশনের কড়া প্রতিক্রিয়া

রোববার মন্ত্রণালয় বরাবর পাঠানো চিঠিতে বলা হয়, গণপ্রতিনিধিত্ব অধ্যাদেশ- ১৯৭২-এ কিছু সংশোধনের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হওয়ার পরিপ্রেক্ষিতে আরপিও সংশোধন খসড়া বিল প্রস্তুত করে গত ৮ আগস্ট তা লেজিসলেটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ, আইন বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য পাঠানো হয়।

খসড়া বিলটি নিয়ে কোনো ব্যবস্থা না নেয়ায় অগ্রগতি সম্পর্কে জানতে ২৮ সেপ্টেম্বর জরুরি পত্র পাঠায় কমিশিন। কিন্তু জবাব আসেনি। এরপর ১০ অক্টোবর আরও একটি চিঠি পাঠানো হয়। এবারও কমিশনের চিঠি উপেক্ষা করা হয়।

এবারের চিঠিতে বলা হয়, ‘আরপিওর সংশোধন-সংক্রান্ত খসড়া বিলের অগ্রগতির বিষয়ে নির্বাচন কমিশনকে আগামী ১৫ ডিসেম্বরের মধ্যে অবগত করার জন্য শেষবারের মতো বিশেষভাবে সনির্বন্ধ অনুরোধ করেছে।’

সংবিধানের ১২৬ অনুচ্ছেদের বিধান মতে দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করা যে নির্বাহী কর্তৃপক্ষের কর্তব্য সেই বিষয়টিও চিঠিতে স্মরণ করিয়ে দেয়া হয়।

এতে বলা হয়, ‘আইন, বিচার ও সংসদ বিষয়ক মন্ত্রণালয় এবং উহার লেজেসটিভ ও সংসদ বিষয়ক বিভাগ রাষ্ট্র ও সরকারের নির্বাহী বিভাগের একাংশ। দায়িত্ব পালনে নির্বাচন কমিশনকে সহায়তা করা ইহার সাংবিধানিক সংবিধিবদ্ধ দায়িত্ব।’

নির্বাচন কমিশন মনে করে, কমিশনের অনুরোধ ও চাহিদা উপেক্ষিত হলে তারা দায়িত্ব পালনে সক্ষমতা অর্জন করতে পারবে না। এতে নির্বাচন বিষয়ে কমিশনের সক্ষমতা, স্বাধীনতা এবং সরকারের সদিচ্ছা প্রশ্নে জনমনে অনাকাঙ্ক্ষিত সংশয়ের উদ্রেক হতে পারে বলেও ভাবছে তারা।

‘এটা অবহেলা’

নির্বাচন কমিশনকে এভাবে উপেক্ষার বিষয়ে জানতে চাইলে নির্বাচন পর্যবেক্ষক সংস্থা ব্রতীর নির্বাহী পরিচালক শারমিন মুরশিদ নিউজবাংলাকে বলেন, 'এটা গুরুতর। শুধু আইন মন্ত্রণালয় নয়, সরকারের যে দপ্তরগুলো আছে তাদেরও দায়িত্ব আছে। কী কারণে এমন করছে তা জানি না। এটা অবহেলা, খুব খারাপ দৃষ্টিতে দেখবে জনগণ। নির্বাচন কমিশনকে নিয়ে সমালোচনা করবে। সরকারের উচিত তার নিজের স্বার্থে জবাব দেয়া।'

আরেক পর্যবেক্ষক সংস্থা ফেয়ার ইলেকশন মনিটরিং অ্যালায়েন্সের (ফেমা) সভাপতি মুনিরা খানম বলেন, ‘এ ব্যাপারে আমি নির্বাচন কমিশনের সঙ্গে একমত। তারা (নির্বাচন কমিশন) যে সুষ্ঠু নির্বাচন করতে চায়, তা তো তাদের সহযোগিতা করতে হবে।’

আইন মন্ত্রণালয়ের এই ব্যাপারে চুপ থাকা উচিত না জানিয়ে তিনি বলেন, ‘তারা যুক্তি দিয়ে দেখাক যে বর্তমান আইনেই সুষ্ঠু নির্বাচন করা যায়। তা না হলে আইন মন্ত্রণালয় ও সরকারের সহযোগিতা করা উচিত।’

মন্ত্রীর বক্তব্য পাওয়া যায়নি

নির্বাচন কমিশনকে উপেক্ষার বিষয়ে জানতে আইনমন্ত্রী আনিসুল হকের মোবাইল ফোনে কল করা হলে তিনি তা কেটে দেন।

তবে নির্বাচন কমিশনের অতিরিক্ত সচিব অশোক কুমার দেবনাথ কথা বললেন অনেকটা নরম সুরে। তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সরকার অসহযোগিতা করছে, এটা বলা যাবে না। হয়তো আইনটা বেশি পরীক্ষা-নিরীক্ষা করছে। মন্ত্রী অনুমোদন না দিলে পাঠাতে পারছে না।’

আরও পড়ুন:
নিবন্ধন চেয়ে আবেদন ৮০ নয়, ৯৮ বা তার চেয়ে বেশি
নাকফুল, বাবেস, মুসকিল লীগ, বৈরাবরী পার্টিসহ নিবন্ধন চায় যারা
ইসির সাবেকদের নিয়ে বুধবার বৈঠক করবে কমিশন
গোপনীয়তা ভঙ্গ হলেই ভোট বন্ধের নির্দেশ
ডিসি-এসপিদের সঙ্গে সম্পর্ক খারাপ হওয়ার সুযোগ নেই: নির্বাচন কমিশনার

মন্তব্য

p
উপরে