× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
The result of the SSC selection exam will be published by November
hear-news
player
google_news print-icon

নভেম্বরের মধ্যে এসএসসি নির্বাচনি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

নভেম্বরের-মধ্যে-এসএসসি-নির্বাচনি-পরীক্ষার-ফল-প্রকাশ
বুধবার কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাশারের সই করা অফিস আদেশে বলা হয়, ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনি পরীক্ষা শেষ করে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

২০২৩ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনি পরীক্ষার ফল আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপকমিটি।

বুধবার কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাশারের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়, ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনি পরীক্ষা শেষ করে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এর আগে গত ১২ এপ্রিল সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, ২০২৩ সালের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষা এপ্রিল ও এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষা জুন মাসে হবে।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষার হলে ফেসবুক লাইভ, ২ এসএসসি পরীক্ষার্থী বহিষ্কার
দাখিলে প্রক্সি দেয়ায় ফাজিল শিক্ষার্থীর দেড় বছর কারাদণ্ড
‘ভূরুঙ্গামারীর ইউএনওর অবহেলায়’ এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
The primary scholarship exam has resumed

প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা ফের চালু

প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা ফের চালু পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা হবে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে। ফাইল ছবি
সব শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ থাকবে না। মোট শিক্ষার্থীর ১০ শতাংশ হিসাব করে কেন্দ্রের সংখ্যা নির্ধারণ করে ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে তথ্য পাঠাতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

সারা দেশের সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের বৃত্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে ডিসেম্বরের শেষ সপ্তাহে। ২০০৮ সালে সবশেষ এই পরীক্ষা হয়েছিল।

পরের বছর পঞ্চম শ্রেণিতে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী (পিইসি) পরীক্ষা চালু হলে বাদ হয়ে যায় প্রাথমিকে বৃত্তি পরীক্ষা। তবে গত ২৮ নভেম্বর আন্তঃমন্ত্রণালয় সভায় আবার এ পরীক্ষা নেয়ার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (সাধারণ প্রশাসন) মোহাম্মদ নজরুল ইসলামের সই করা এক অফিস আদেশ এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনীতে মেধাবৃত্তি প্রদানের বিকল্প মেধা যাচাই পদ্ধতিবিষয়ক আন্তঃমন্ত্রণালয় সভা হয়েছে। এতে বর্তমানে প্রচলিত পদ্ধতিতে প্রাথমিক বৃত্তি অব্যাহত রাখার সিদ্ধান্ত হয়। চলতি মাসের শেষ সপ্তাহে বৃত্তি পরীক্ষা নিতে হবে। এ পরীক্ষা উপজেলা সদরে অনুষ্ঠিত হবে।

বাংলা, ইংরেজি, বিজ্ঞান ও গণিত এই চার বিষয়ে এক দিনে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। দুই ঘণ্টায় শিক্ষার্থীদের ২০০ নম্বরের পরীক্ষায় অংশ নিতে হবে। তবে সব শিক্ষার্থীর পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ থাকবে না। মোট শিক্ষার্থীর ১০ শতাংশ হিসাব করে কেন্দ্রের সংখ্যা নির্ধারণ করে ৬ ডিসেম্বরের মধ্যে তথ্য পাঠাতে জেলা শিক্ষা কর্মকর্তাদের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

২০০৯ সালে জাতীয়ভাবে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের জন্য পিইসি পরীক্ষা শুরু করে সরকার। এরপর থেকে এর ফলের ভিত্তিতেই বৃত্তি দেয়া হতো। করোনা সংক্রমণের কারণে গত দুই বছর পিইসি পরীক্ষা হয়নি। ফলে দেয়া হয়নি শিক্ষার্থীদের বৃত্তি।

নতুন শিক্ষাক্রমে অবশ্য বৃত্তি পরীক্ষার উল্লেখ নেই। একেবারে দশম শ্রেণিতে গিয়ে পাবলিক পরীক্ষা (এসএসসি ও সমমান) নেয়ার কথা বলা হয়েছে। আগামী বছর থেকে পর্যায়ক্রমে বিভিন্ন শ্রেণিতে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন শুরু হবে।

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগের ফল ১৪ ডিসেম্বর
বন্যাকবলিত এলাকায় প্রাথমিকে পাঠদান স্থগিত
৪১ হাজার প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ওয়াইফাই ইন্টারনেট

মন্তব্য

শিক্ষা
3 institutions are saddened as no one passed in SSC

এসএসসিতে একজনও পাস না করায় ৩ প্রতিষ্ঠানকে শোকজ

এসএসসিতে একজনও পাস না করায় ৩ প্রতিষ্ঠানকে শোকজ
শোকজ নোটিশ পাওয়া এমপিওভুক্ত ওই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার বাঙ্গালা ইউনিয়নের ইসলামপুর (মাঝিপাড়া) ধরইল দাখিল মাদ্রাসা, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর দাখিল মাদ্রাসা ও বড়পাঙ্গাসী ইউনিয়নের খন্দকার নূরুন নাহার জয়নাল আবেদিন দাখিল মাদ্রাসা।

সিরাজগঞ্জে এবার এসএসসি পরীক্ষায় কোনো শিক্ষার্থী পাস না করায় ৩টি প্রতিষ্ঠানের কাছে কারণ দর্শানোর (শোকজ) নোটিশ দিয়েছে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিস।

উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এ কে এম শামসুল হক স্বাক্ষরিত শোকজ নোটিশ বৃহস্পতিবার প্রতিষ্ঠান প্রধানের হাতে গিয়ে পৌঁছেছে। আগামী ৩ কার্যদিবসের মধ্যে লিখিতভাবে জবাব দিতে বলা হয়েছে নোটিশে।

শিক্ষা কর্মকর্তা একেএম শামসুল হক এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

শোকজ নোটিশ পাওয়া এমপিওভুক্ত ওই প্রতিষ্ঠানগুলো হলো জেলার উল্লাপাড়া উপজেলার বাঙ্গালা ইউনিয়নের ইসলামপুর (মাঝিপাড়া) ধরইল দাখিল মাদ্রাসা, রামকৃষ্ণপুর ইউনিয়নের কালিকাপুর দাখিল মাদ্রাসা ও বড়পাঙ্গাসী ইউনিয়নের খন্দকার নূরুন নাহার জয়নাল আবেদিন দাখিল মাদ্রাসা।

শিক্ষা কর্মকর্তা শামসুল হক জানান, প্রতিষ্ঠানগুলোর পক্ষ থেকে নোটিশের জবাব পাওয়ার পর প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।

আরও পড়ুন:
বাবার মরদেহ রেখে পরীক্ষা দেয়া সুমাইয়া পেল জিপিএ ফাইভ
রাজশাহীতে পাসের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ ফাইভ, এগিয়ে মেয়েরা
চট্টগ্রামে কমেছে পাসের হার, বেড়েছে জিপিএ ফাইভ
এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস
পাসের হারে সিলেট কেন তলানিতে

মন্তব্য

শিক্ষা
Application for 45th BCS has not started not mentioned cadre post

৪৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি, নন-ক্যাডার পদ উল্লেখ

৪৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি, নন-ক্যাডার পদ উল্লেখ পিএসসি ভবন। ফাইল ছবি
পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আনন্দ কুমারের সই করা বুধবারের বিজ্ঞপ্তিতে নন-ক্যাডার পদ ১ হাজার ২২টি বলা হয়েছে। এ ছাড়া সাধারণ ক্যাডারের ২ হাজার ৩০৯ পদে নিয়োগ হবে বলে জানানো হয়েছে।

৪৫তম বিসিএসের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করেছে বাংলাদেশ সরকারি কর্মকমিশন (পিএসসি)।

বিজ্ঞপ্তিতে নন-ক্যাডার পদের সংখ্যাও উল্লেখ করা হয়েছে।

পিএসসির পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আনন্দ কুমারের সই করা বুধবারের বিজ্ঞপ্তিতে নন-ক্যাডার পদ ১ হাজার ২২টি বলা হয়েছে। এ ছাড়া সাধারণ ক্যাডারের ২ হাজার ৩০৯ পদে নিয়োগ হবে বলে জানানো হয়েছে।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, আগামী ১০ ডিসেম্বর থেকে এ নিয়োগের আবেদন শুরু হয়ে চলবে ৩১ ডিসেম্বর পর্যন্ত।

বিসিএসে এই প্রথম নন-ক্যাডার পদের কথা উল্লেখ করেছে পিএসসি।

এর আগে পিএসসি বিসিএসের নন-ক্যাডার পদের বিষয়ে নতুন সিদ্ধান্ত নিলে তার বিপক্ষে ৪০তম বিসিএসের নন-ক্যাডার এবং ৪১ থেকে ৪৪তম বিসিএস চাকরিপ্রার্থীরা পিএসসির সামনে টানা ১৫ দিন আন্দোলন করেন।

৩০ অক্টোবর থেকে শুরু হওয়া এই আন্দোলনের মূল বিষয় ছিল নন-ক্যাডার পদের ঘোষণা হঠাৎ করে নিয়েছে পিএসসি। এতে করে ৪০তম বিসিএসের নন-ক্যাডার প্রার্থীদের পদ ঘাটতি দেখা দেবে। যদিও এখন এই আন্দোলন স্থগিত রয়েছে।

৪৫তম বিসিএসে সবচেয়ে বেশি নিয়োগ দেয়া হবে স্বাস্থ্য ক্যাডারে। এতে নিয়োগ পাবেন ৫৩৯ চিকিৎসক। এর মধ্যে সহকারী সার্জন পদে ৪৫০ ও ডেন্টাল সার্জন পদে ৮৯ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে। এ ছাড়া শিক্ষা ক্যাডারে ৪৩৭, প্রশাসনে ২৭৪, পুলিশে ৮০, কাস্টমসে ৫৪, আনসারে ২৫, কর ক্যাডারে ৩০ এবং পররাষ্ট্র, বন, রেল, কৃষি, মৎস্যসহ অন্যান্য ক্যাডারে ৮৭০ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে।

নন-ক্যাডারের মধ্যে নবম গ্রেডে ৫০৫, দশম গ্রেডে ৬০, ১১ ও ১২তম গ্রেডে ৪৫৭ জনকে নিয়োগ দেয়া হবে।

বিস্তারিত বিজ্ঞপ্তিটি কমিশনের ওয়েবসাইট এবং টেলিটক বাংলাদেশ লিমিটেডের ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে। আগামী ১০ ডিসেম্বর সকাল ১০টা থেকে অনলাইনে আবেদন প্রক্রিয়া শুরু হবে। ৩১ ডিসেম্বর সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত অনলাইনে আবেদন করা ও আবেদন ফি জমা দেয়া যাবে।

আরও পড়ুন:
৪৪তম বিসিএস: লিখিত পরীক্ষা শুরু ২৯ ডিসেম্বর
৪৪তম বিসিএস: অনিয়মের অভিযোগে মানববন্ধন
৪৪তম বিসিএস প্রিলির ফল প্রকাশ
৪৪তম বিসিএস প্রিলির ফল চলতি মাসে
৪৩তম বিসিএস: লিখিত পরীক্ষা শুরু ২৪ জুলাই

মন্তব্য

শিক্ষা
The girl who stopped the marriage by going to the police station got GPA five

থানায় গিয়ে বিয়ে ঠেকানো মেয়েটি পেল জিপিএ ফাইভ

থানায় গিয়ে বিয়ে ঠেকানো মেয়েটি পেল জিপিএ ফাইভ মায়ের সঙ্গে জিপিএ ফাইভ পাওয়া শ্রাবন্তী (ডানে)। ছবি: নিউজবাংলা
ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে শ্রাবন্তী পরীক্ষা দিয়েছে। ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক রেবেকা সুলতানা বলেন, ‘শ্রাবন্তী শুধু নিজের জন্য নয়, আমার প্রতিষ্ঠানের জন্যও গৌরব বয়ে এনেছে। শ্রাবন্তীর এই সাফল্য ও বাল্যবিয়ে রোধ করার সাহসী মনোবল একটি বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে।’

দশম শ্রেণিতে পড়া অবস্থায় বিয়ে ঠিক হয়েছিল শ্রাবন্তী সুলতানার। তবে তাতে রাজি ছিল না সে। পরে একাই থানায় গিয়ে পুলিশের কাছে বাল্যবিয়ের অভিযোগ দেয়। পুলিশ গিয়ে তার পরিবারকে বুঝিয়ে বিয়ে বাতিল করে। তার সাহসিকতায় মুগ্ধ হয়ে পড়াশোনার খরচ চালানোর দায়িত্ব নেয় স্থানীয় প্রশাসন।

সেই শ্রাবন্তী এবার বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছে, পেয়েছে জিপিএ ফাইভ। পড়া শেষ করে বিসিএস ক্যাডার হতে চায় সে।

সাহসী এই কিশোরীর রেজাল্টে গর্বিত তার মা ও স্কুলের শিক্ষকরা।

শ্রাবন্তী বলে, ‘আমি নিজের বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ালেও বিভিন্ন প্রতিকূলতার কারণে অনেক মেয়ে সেটা পারছে না। পরিবারের চাপে বাল্যবিয়ে করতে বাধ্য হচ্ছে। ফলে অকালে ঝরে পড়ছে অনেকে।

‘আমি সমাজে বাল্যবিয়ের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখতে চাই।’

শ্রাবন্তীর মা বিউটি খাতুন বলেন, ‘আমি একটি মুড়ির কারখানায় কাজ করি... আমার স্বামী ও ছেলে থাকে যশোরে। অভাবের সংসারে মেয়েকে লেখাপড়া করানোর সাধ্য ছিল না। তাই গত বছর তার বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত নেই।

‘কিন্তু আমার মেয়ে পড়তে চেয়েছিল। আমরা বিয়ের জন্য চাপ দেয়ায় সে থানায় গিয়ে হাজির হয়। তারপর পুলিশ এসে আমাদের বুঝালে বিয়ে দেয়ার সিদ্ধান্ত থেকে সরে আসি। আমার মেয়ে খুব মেধাবী। আমি তার ফলে খুব সন্তুষ্ট। যত কষ্টই হোক না কেন, আমি আমার মেয়েকে সর্বোচ্চ শিক্ষায় শিক্ষিত করে তুলব।’

ঝিনুক মাধ্যমিক বালিকা বিদ্যালয় থেকে শ্রাবন্তী পরীক্ষা দিয়েছে। ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক রেবেকা সুলতানা বলেন, ‘শ্রাবন্তী শুধু নিজের জন্য নয়, আমার প্রতিষ্ঠানের জন্যও গৌরব বয়ে এনেছে। শ্রাবন্তীর এই সাফল্য ও বাল্যবিয়ে রোধ করার সাহসী মনোবল একটি বড় উদাহরণ হয়ে থাকবে।’

গত বছর সেপ্টেম্বরে বিয়ে ঠিক হয়েছিল শ্রাবন্তীর। পুলিশ নিয়ে এসে বাসায় বুঝিয়ে বিয়ে বাতিল করায় সে। তার এই পদক্ষেপের কারণে জেলা প্রশাসন ও মহিলা বিষয়ক অধিদপ্তরের পক্ষ থেকে সেইবার শ্রাবন্তীকে সংবর্ধনা দেয়া হয়েছিল। পড়াশোনার খরচ চালিয়ে নিতে জেলা প্রশাসন থেকে প্রতি মাসে এক হাজার টাকা করে দেয়া হয়েছিল তাকে। স্কুলে যাতায়াতের খরচের বিষয়ে সহযোগিতা করেন তৎকালীন সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মহসীন।

পড়াশোনা চালিয়ে নিতে এই সহায়তা পাওয়ায় পুলিশ ও প্রশাসনের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে শ্রাবন্তী ও তার পরিবার।

আরও পড়ুন:
রাজশাহীতে পাসের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ ফাইভ, এগিয়ে মেয়েরা
চট্টগ্রামে কমেছে পাসের হার, বেড়েছে জিপিএ ফাইভ
এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস
পাসের হারে সিলেট কেন তলানিতে
এবার পরীক্ষার্থী কমলেও ফেল বেড়েছে লাখের বেশি

মন্তব্য

শিক্ষা
What is the reason behind more than one lakh drop in SSC

এসএসসিতে এক লাখ বেশি ফেলের পেছনে কী কারণ

এসএসসিতে এক লাখ বেশি ফেলের পেছনে কী কারণ এসএসসির একটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীরা। ফাইল ছবি
কয়েকটি বছরের ফল বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, গত বছরের পরিসংখ্যান বাদ দিলে এর আগের বছরগুলোর তুলনায় পাসের হারে এবার বড় ধরনের হেরফের নেই। বরং ২০১৯ বা ২০২০ সালের তুলনায় এবার পাসের হার খানিকটা বেশি।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া ১৯ লাখ ৯৪ হাজার ১৩৭ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেনি ২ লাখ ৫০ হাজার ৫১৮ জন। অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের এই সংখ্যা গত বছরের চেয়ে এক লাখেরও বেশি।

এ বছর ২ হাজার ৯৭৫টি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে, তবে ৫০টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়নি। গত বছর এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৮। ২০২১ সালে শতভাগ পাসের প্রতিষ্ঠান ছিল ৫ হাজার ৪৯৪।

প্রশ্ন উঠেছে, আগের বছরের তুলনায় এবার পাসের হারে কেন এত অবনতি? এটি ধারাবাহিক ঘটনা কি না, কী এর কারণ- তেমন প্রশ্নও উঠছে।

তবে কয়েকটি বছরের ফল বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, গত বছরের পরিসংখ্যান বাদ দিলে এর আগের বছরগুলোর তুলনায় পাসের হারে এবার বড় ধরনের হেরফের নেই। বরং ২০১৯ বা ২০২০ সালের তুলনায় এবার পাসের হার খানিকটা বেশি।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সামগ্রিকভাবে পাসের হার ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ। অর্থাৎ এ বছর ১২ দশমিক ৫৬ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

আগের বছর ২০২১ সালে মাত্র ৬ দশমিক ৪২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেনি।

তবে ২০২০ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ, অর্থাৎ সে বছর ১৭ দশমিক ১৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

তারও আগের বছর ২০১৯ সালে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থী ছিল ১৭ দশমিক ৮০ শতাংশ। চারটি বছরের ফল বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, গত বছরটিতেই কেবল আকস্মিকভাবে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ব্যাপক হারে কমে আসে।

এসএসসির ফলে বিশেষ উন্নতির পেছনে কী কারণ ছিল ২০২১ সালে?

শিক্ষা বোর্ড এবং বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষকেরা বলছেন, করোনাকালীন বিশেষ পরিস্থিতি ২০২১ সালের পরীক্ষায় বিস্ময়কর পাসের হারে ভূমিকা রেখেছে। করোনা মহামারির অচলাবস্থার পর গত বছরের এসএসসিতে মাত্র তিনটি পরীক্ষা নেয়া হয়।

গত বছর বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীববিদ্যা/উচ্চতর গণিত বিষয়ে তিনটি পরীক্ষা হয়। মানবিকে ছিল ভূগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেশের ইতিহাত ও বিশ্বসভ্যতা, পৌরনীতি ও নাগরিকতা/অর্থনীতির ওপর তিনটি পরীক্ষা। আর ব্যবসায়ে শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা হিসাববিজ্ঞান, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং এবং ব্যবসায়িক উদ্যোগ বিষয়ে পরীক্ষা দেয়।

অন্য বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে নম্বর যোগ হয় জেএসসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে। ফলে অনেক চাপমুক্ত থেকে পরীক্ষা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। অকৃতকার্যের হারও ছিল অনেক কম। বিপরীতে এ বছর নয়টি বিষয়ে পরীক্ষা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

পরীক্ষাসংশ্লিষ্টরা বলছেন এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল কেমন হলো তা সঠিক পর্যালোচনা করতে তুলনাটি করতে হবে করোনা স্থবিরতা তৈরি হওয়ার আগের বছরগুলোর সঙ্গে। আর সে ক্ষেত্রে দেখা যায়, ২০২০ সাল বা ২০১৯ সালের তুলনায় পাসের হার এবার বেড়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের এবারের ফলের সঙ্গে ২০২১ সালের তুলনা করা উচিত হবে না। তুলনা করতে হলে ২০১৯ বা ২০২০ সালের সঙ্গে করা উচিত।

‘২০২১ সালে শিক্ষার্থীরা সুবিধা পেয়েছে বেশি। অর্ধেক নম্বরের ওপর পরীক্ষা ছিল। এবার কিন্তু তা ছিল না।’

তিনি বলেন, ‘২০১৯ অথবা ২০২০ সালে পরীক্ষার্থীদের জন্য কোনো আলাদা সুযোগ ছিল না। করোনা পূর্ববর্তী সময়ের হওয়াতে সবগুলো বিষয়ের ওপর ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হয়েছিল।’

যশোর শিক্ষা বোর্ডের প্রধান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গতবার কম বিষয়ের কারণে পাসের হারও বেশি ছিল। শর্ট সিলেবাসে তারা বেশি সুযোগ পেয়েছে। এবার সিলেবাসও কম ছিল আবার পরীক্ষায় অপশন বেশি ছিল। তবে এবার যারা পাস করেছে তারা সবাই ভালো করেছে।’

রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরজাহান বেগম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যদি আমরা ফলাফল ও শিখনের ওপর গুরুত্ব দিই তবে আমাদের এবারের ফল ২০২০ সালের চেয়ে ভালো। ২০২১ সালে মাত্র তিনটি বিষয়ে অর্ধেক নম্বরের ওপর পরীক্ষা হলেও এবার নম্বর ও বিষয় বেড়েছে।’

বরিশাল জিলা স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক বিশ্বনাথ সাহা অবশ্য মনে করছেন এবারের ফলের ওপরেও করনাকালীন পরিস্থিতির প্রভাব রয়ে গেছে।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনার একটা প্রভাব থেকেই যাবে। যত সুযোগ দেয়া হোক না কেন একটা শিখন ঘাটতি থাকবে। অনেকেই সে সময় ঝরে গেছে, যারা ছিল তারাই ভালো করেছে। এটা ঠিক হতে কিছু বছর সময় লাগবে।’

প্রভাব ফেলেছে বন্যাও

এসএসসি পরীক্ষার সময়ে সিলেট বিভাগে বন্যা ওই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ফলাফলে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। এবার সিলেট বোর্ডে সবচেয়ে কম ৭৮ দশমিক ৮২ শতাংশ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সোমবার ফলের বিস্তারিত তুলে ধরার শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিও এ বিষয়টি তোলেন।

পরীক্ষায় পাসের হার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই সব শিক্ষার্থী পাস করবে। আমাদের সবকিছুই ঠিক ছিল, তবে একটা কারণে (বন্যা) সেটা হয়নি। সবকিছু বাদ দিয়েছি। নতুন করে আবার রুটিন দিয়েছি। এ কারণে কিন্তু শিক্ষার্থীর ওপর একটা চাপ পড়ে। একরকম প্রিপারেশন থাকে, সেটা ব্যাহত হয়।’

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন বোর্ডের রেজাল্ট কিন্তু একটা আলাদা আলাদা প্রভাব ফেলে। যশোর বোর্ডে যেমন ৯৫ ভাগ আছে, আবার কোথাও কোথাও ৭৮ ভাগ। বন্যার কারণে এটা হতেই পারে। অনেক স্কুলে সমস্যা হয়েছে, অনেক পরীক্ষার্থীকে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে হয়েছে।’

কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পাসের হার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকবার এটা নিয়ে যে ব্যবস্থা নিই, এবারও সেটা নেব। আমরা কতটা সাপোর্ট দিয়ে থাকি আর কোথায় ঘাটতি আছে সেটা দেখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘একটা লার্নিং গ্যাপ আছে। এটা সারা বিশ্বেই আছে। তবে এটা পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের লার্নিং গ্যাপ করোনার সময় বাড়েনি। অনেক দেশে এটা অনেক বেড়েছে। এখানে সে সময় ৯৩ ভাগ শিক্ষার্থীর কাছে অ্যাসাইনমেন্টপদ্ধতি পৌঁছে গিয়েছিল, এতে তারা নিজেরাই শিখন ঘাটতি পূরণ করেছে।’

গত বছরের চেয়ে এবার বেড়েছে জিপিএ ফাইভ

গত বছরের চেয়ে এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার কমলেও জিপিএ ফাইভ বেড়েছে প্রায় ১ লাখ। চলতি বছর জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬০২ শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪০ শিক্ষার্থী।

এবার সাধারণ বোর্ডে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৩ শিক্ষার্থী। পাসের হার ৮৮ দশমিক ১০ শতাংশ।

দাখিলে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ১৫ হাজার ৪৫৭ শিক্ষার্থী। পাসের হার ৮২ দশমিক ২২ শতাংশ।

কারিগরি বোর্ডে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ১৮ হাজার ৬৫৫ শিক্ষার্থী। পাসের হার ৮৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামে কমেছে পাসের হার, বেড়েছে জিপিএ ফাইভ
এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস
পাসের হারে সিলেট কেন তলানিতে
এবার পরীক্ষার্থী কমলেও ফেল বেড়েছে লাখের বেশি
পাসের হারে শীর্ষে যশোর, তলানিতে সিলেট

মন্তব্য

শিক্ষা
Manik got GPA five by writing with foot

পা দিয়ে লিখে জিপিএ ফাইভ পেল মানিক

পা দিয়ে লিখে জিপিএ ফাইভ পেল মানিক
মানিকের মা শিক্ষক মরিয়ম বেগম বলেন, ‘মানিক প্রতিবন্ধী- এটা আমরা মনে করি না। দুটাে হাত না থাকলেও ছােট থেকে আমরা তাকে পা দিয়ে লেখার অভ্যাস করিয়েছি।’ 

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়িতে এসএসসি পরীক্ষায় পা দিয়ে লিখে কেবল জিপিএ ফাইভই নয়, উপজেলায় সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়েছেন শারীরিক প্রতিবন্ধী মানিক রহমান। গোটা উপজেলায় এসএসসি পরীক্ষার্থীদের মধ্যে তিনি পেয়েছেন সবচেয়ে বেশি নাম্বার, যা ১২৪২।

ফুলবাড়ি উপজেলা সদর ইউনিয়নের চন্দ্রখানা গ্রামের মানিকের এমন ফলে গর্বিত তার মা-বাবা।

দুই হাত ছাড়াই জন্ম মানিকের। দুই পা থাকলেও একটি লম্বা ও অন্যটি ছোট। পা দিয়ে লিখেই পরীক্ষা দিয়ে এ পর্যন্ত এসেছে। এসএসসি দিয়েছে ফুলবাড়ী জছিমিঞা মডেল সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় থেকে।

মানিক বলে, ‘এ ফল প্রত্যাশিত ছিল। এখন ঢাকা নটরডেম কলেজে ভর্তির জন্য প্রস্তুতি নিচ্ছি। ভবিষ্যতে কম্পিউটার ইঞ্জিনিয়ার হতে চাই।’

মানিকের মা শিক্ষক মরিয়ম বেগম বলেন, ‘মানিক প্রতিবন্ধী- এটা আমরা মনে করি না। দুটাে হাত না থাকলেও ছােট থেকে আমরা তাকে পা দিয়ে লেখার অভ্যাস করিয়েছি। সমাজের অনেক সুস্থ ও স্বাভাবিক ছেলে-মেয়েদের চেয়েও মানিক পিএসসি ও জেএসসিতে ভাল রেজাল্ট করেছে। এটা আমাদের জন্য গর্বের।’

ছেলের জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন তিনি।

ছেলের লেখাপড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছু সাধ্যমতো করবেন বলে জানালেন গর্বিত বাবা মানিকের বাবা ব্যবসায়ী মিজানুর রহমান।

মানিকের ফলে গর্বিত তার স্কুলের শিক্ষকরাও।

সহকারী প্রধান শিক্ষক আইয়ুব আলী জানান, শারীরিক প্রতিবন্ধী হওয়ার পরও মানিক অন্যান্য শিক্ষার্থীদের চেয়ে ভাল ফল করেছে। উপজেলার মধ্যে সে সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়েছে।

আরও পড়ুন:
পাসের হারে সিলেট কেন তলানিতে
এবার পরীক্ষার্থী কমলেও ফেল বেড়েছে লাখের বেশি
পাসের হারে শীর্ষে যশোর, তলানিতে সিলেট
জিপিএ ফাইভ বেড়েছে প্রায় ১ লাখ, এগিয়ে মেয়েরা
এসএসসিতে পাস কমেছে ৬ শতাংশ

মন্তব্য

শিক্ষা
He got GPA five in 45 years with SSC

৪৫ বছরে এসএসসি দিয়ে পেলেন জিপিএ ফাইভ

৪৫ বছরে এসএসসি দিয়ে পেলেন জিপিএ ফাইভ জিপিএ ফাইভ পেয়ে উচ্ছ্বসিত সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের ইউপি সদস্য আব্দুল মোমিন। ছবি: নিউজবাংলা
মোমিন বলেন, ‘অনেকেই আমাকে বলত আমি নাকি পড়ালেখা জানি না। এলাকার লোকজনকে সেবা দিতে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন মনে করি। তাই আমি এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি।’

৪৫ বছর বয়সে জিপিএ ফাইভ নিয়ে এসএসসি পাস করায় প্রশংসায় ভাসছেন সিরাজগঞ্জের কাজিপুরের ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) সদস্য আব্দুল মোমিন। শুভাকাঙ্ক্ষীরা তার বাড়িতে ভিড় করছেন মিষ্টি নিয়ে। জনপ্রতিনিধির এমন রেজাল্ট পড়ালেখার প্রতি শিক্ষার্থীদের আরও উৎসাহিত করবে বলে মনে করছেন তারা।

আব্দুল মোমিন কাজিপুরের শুভগাছা ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডের তিনবারের নির্বাচিত সদস্য। তিনি এ বছর রায়গঞ্জ উপজেলার জি.আর মডেল হাই স্কুল থেকে কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এসএসসি পরীক্ষা দিয়েছেন। সোমবার দুপুরে ফল শুনে আপ্লুত হয়ে পড়েন তিনি।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমার এখন ৪৫ বছর বয়স। ছোটবেলায় অভাব-অনটনের সংসারে বাবা আমাকে লেখাপড়া করাতে পারেনি। আমি বাবার সঙ্গে কাজ করে সংসারের হাল ধরি।

‘অনেকেই আমাকে বলত আমি নাকি পড়ালেখা জানি না। এলাকার লোকজনকে সেবা দিতে ন্যূনতম শিক্ষাগত যোগ্যতা প্রয়োজন মনে করি। তাই আমি এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করি। আল্লাহর রহমতে, সবার দোয়ায় আমি জিপিএ ফাইভ পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছি।’

আব্দুল মোমিন জানান, ইউপি চেয়ারম্যান, সব ইউপি সদস্য ও এলাকার সাধারণ লোকজনকে তিনি মিষ্টি খাইয়েছেন। ভোটাররা তার বাসায় মিষ্টির প্যাকেট নিয়ে আসছে। সব মিলিয়ে উৎসবমুখর পরিবেশ তার বাসায়।

শুভগাছা ইউনিয়ন পরিষদের আরেক মেম্বার মোনোয়ার ইসলাম মারসু বলেন, ‘তার এই কৃতিত্বে আমরা অনেক খুশি। একজন জনপ্রতিনিধি হয়ে তার এমন কর্ম প্রশংসার যোগ্য।’

মোমিনকে অভিনন্দন জানিয়ে শুভগাছার চেয়ারম্যান গিয়াসউদ্দিন সেখ বলেন, ‘এটি খুবই ভালো একটি খবর। স্বনির্ভর জাতি গঠনে শিক্ষার গুরুত্ব অপরিসীম। এই বয়সে শিক্ষাগত যোগ্যতা অর্জন করেছেন, এতে আমরা ইউনিয়নবাসী সবাই উচ্ছ্বসিত।’

আরও পড়ুন:
এবার পরীক্ষার্থী কমলেও ফেল বেড়েছে লাখের বেশি
পাসের হারে শীর্ষে যশোর, তলানিতে সিলেট
জিপিএ ফাইভ বেড়েছে প্রায় ১ লাখ, এগিয়ে মেয়েরা
এসএসসিতে পাস কমেছে ৬ শতাংশ
এসএসসির ফলের অপেক্ষা

মন্তব্য

p
উপরে