× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Committee of Eden Chhatra League suspended expulsion 16
hear-news
player
google_news print-icon

ইডেন ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত, বহিষ্কার ১৬

ইডেন-ছাত্রলীগের-কমিটি-স্থগিত-বহিষ্কার-১৬
ইডেন মহিলা কলেজে রোববার সন্ধ্যায় সৃষ্ট সংঘর্ষে আহত ছাত্রলীগ সভাপতি রিভাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
স্থায়ী বহিষ্কার হওয়াদের মধ্যে ১০ জন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক আর চারজন কর্মী। তারা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ করে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন।

দুই পক্ষের হামলা-পাল্টাহামলার ঘটনায় রাজধানীর ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে ১৬ জনকে।

রোববার মধ্যরাতে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়াদের মধ্যে ১০ জন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক আর চারজন কর্মী।

তারা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ করে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকার অপরাধে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। আর এটির প্রাথমিক প্রমাণও পাওয়া গেছে।

কমিটি স্থগিতের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ইডেন মহিলা কলেজ শাখার সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হলো।

এতে আরও বলা হয়, অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে এই বিশৃঙ্খলার সঙ্গে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের যারা জড়িত রয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়া ছাত্রীরা হলেন ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সোনালি আক্তার, সুস্মিতা বাড়ৈ, জেবুন্নাহার শিলা, কল্পনা বেগম, জান্নাতুল ফেরদৌস, আফরোজা রশ্মি, মারজানা ঊর্মি, সানজিদা পারভীন চৌধুরী, এস এম মিলি ও সাদিয়া জাহান সাথী। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা খানম বিন্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি এবং কর্মী রাফিয়া নীলা, নোশিন শার্মিলী, জান্নাতুল লিমা ও সূচনা আক্তার।

কীসের ভিত্তিতে বহিষ্কার করা হলো- এমন প্রশ্নে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা একটা তদন্ত কমিটি করেছিলাম, তারা তাতে আস্থা রাখতে পারছে না। তাই আমরা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ একটি বডি মিলে এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত করেছি। আমরা ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

এ ঘটনায় আরও তদন্ত চলবে বলে জানান লেখক ভট্টাচার্য।

রোববার ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের নেত্রীরা অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের ফোন ধরেন না, যার ফলে তারা কোনো অভিযোগ জানাতে পারেন না।

এ বিষয়ে লেখক ভট্টাচার্য বলেন, ‘তারা আমাদের কোনো ফোনই দেয়নি। সব কিছু নিয়ে মিথ্যাচার করছে। তারা যে সিট বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির কথা বলছে, এটার কোনো প্রমাণ তো দিতে পারছে না তারা। কমিটি দেওয়ার পর থেকেই একটি অংশ বারবার কমিটিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল।’

শনিবার রাতে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের এক সহসভাপতিকে মারধর করেন কলেজ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। এর প্রতিবাদে রাতেই বিক্ষোভ করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

রোববার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে ওই ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের ৪৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির ২৫ জন। সন্ধ্যায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ। বাকিরা এর প্রতিবাদ জানালে দুই পক্ষে আবারও সংঘর্ষ হয়।

আরও পড়ুন:
ইডেনের সংঘর্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে আ. লীগ
ইডেনের ক্যাম্পাসছাড়া রিভা-রাজিয়া
ছাত্র পেটানো তিলোত্তমার নেতৃত্বে কমিটি মানেন না ইডেনের কর্মীরা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Butterfly Fair in Jabi is on December 2

জাবিতে ‘প্রজাপতি মেলা’ এবার ২ ডিসেম্বর

জাবিতে ‘প্রজাপতি মেলা’ এবার ২ ডিসেম্বর ২০১০ সাল থেকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রতিবছর অনুষ্ঠিত হচ্ছে প্রজাপতি মেলা। ছবি: নিউজবাংলা
২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘প্রজাপতি মেলা’ অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রজাপতি সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এ মেলার আয়োজন করা হয়।

‘উড়লে আকাশে প্রজাপতি, প্রকৃতি পায় নতুন গতি’- এই স্লোগানে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে আগামী ২ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিত হবে প্রজাপতি মেলা-২০২২।

বুধবার মেলার আহ্বায়ক ও প্রাণিবিদ্যা বিভাগের অধ্যাপক মনোয়ার হোসেন স্বাক্ষরিত এক বিবৃতিতে এ তথ্য জানানো হয়।

প্রতিবছরের মতো এবারও মেলায় থাকবে প্রজাপতি প্রদর্শন, শিশু-কিশোরদের জন্য প্রজাপতি-বিষয়ক ছবি আঁকা ও কুইজ প্রতিযোগিতা, প্রজাপতি-বিষয়ক আলোকচিত্র প্রতিযোগিতা, প্রজাপতি চেনা প্রতিযোগিতা, প্রজাপতি-বিষয়ক তথ্যচিত্র প্রদর্শনী, বারোয়ারি বিতর্ক প্রতিযোগিতা, ঘুড়ি ওড়ানোসহ নানা আয়োজন।

বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয় প্রকৃতি সংরক্ষণে সার্বিক অবদানের জন্য ‘তরুপল্লব’ সংগঠনকে এবার ‘বাটারফ্লাই অ্যাওয়ার্ড-২০২২’ দেয়া হবে। আর ‘বাটারফ্লাই ইয়াং ইনথুজিয়াস্ট অ্যাওয়ার্ড’ দেয়া হবে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী দীপ্ত বিশ্বাসকে।

২০১০ সাল থেকে প্রতিবছর জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রজাপতি মেলা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। প্রজাপতি সংরক্ষণ ও জনসচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে এই মেলার আয়োজন করা হয়।

আরও পড়ুন:
জাবিতে গাড়িচালকদের প্রাথমিক চিকিৎসাবিষয়ক প্রশিক্ষণ
জাবির সাবেক ভিসির গাড়িচালকের ঘরে মদভর্তি ট্রাংক
জাবি ছাত্র ইউনিয়নের নেতৃত্বে অর্ণব-অমর্ত্য
জাবির ভিসি হতে এগিয়ে আমির
জাবি ছাত্রীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ 

মন্তব্য

শিক্ষা
Radical changes are being brought in the countrys education system Education Minister

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী স্টেট ইউনিভার্সিটির ষষ্ঠ সমাবর্তনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে। উচ্চ শিক্ষার জন্য কৌশলগত পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। এজন্য বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। ন্যাশনাল ব্লেন্ডেড এডুকেশন মাস্টার প্লান চূড়ান্তকরণের পর্যায়ে রয়েছে। অবকাঠামোর পাশাপাশি শিক্ষায় প্রযুক্তির মেলবন্ধন করা হচ্ছে।’

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

বুধবার দুপুরে বেসরকারি স্টেট ইউনিভার্সিটির (এসইউবি) ষষ্ঠ সমাবর্তনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।

মন্ত্রী বলেন, ‘রূপকল্প ২০৪১ বাস্তবায়নে শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে। উচ্চ শিক্ষার জন্য কৌশলগত পরিকল্পনা হাতে নেয়া হয়েছে। এজন্য বাংলাদেশ অ্যাক্রেডিটেশন কাউন্সিল গঠন করা হয়েছে। ন্যাশনাল ব্লেন্ডেড এডুকেশন মাস্টার প্লান চূড়ান্তকরণের পর্যায়ে রয়েছে। অবকাঠামোর পাশাপাশি শিক্ষায় প্রযুক্তির মেলবন্ধন করা হচ্ছে।’

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
এক শিক্ষার্থীর হাতে পদক তুলে দিচ্ছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা

তিনি বলেন, ‘ভবিষ্যতের রূপকল্পের বাংলাদেশ গড়তে হলে ঔপনিবেশিক আমল থেকে চলা মুখস্থ নির্ভর আর পরীক্ষায় উগড়ে দেয়া শিক্ষা ব্যবস্থা দিয়ে চলবে না। বরং শিক্ষাকে আনন্দময় করতে হবে। সমস্যা সমাধানে দক্ষতা বাড়াতে হবে। আত্মশক্তিতে বলীয়ান হতে হবে।’

রূপগঞ্জের কাঞ্চনে অবস্থিত বিশ্ববিদ্যালয়ের স্থায়ী ক্যাম্পাসে এই সমাবর্তন অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রপতি ও এসইউবির চ্যান্সেলর মো. আবদুল হামিদের সম্মতিতে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সমাবর্তন অনুষ্ঠানের সভাপতিত্ব করেন এবং গ্র্যাজুয়েটদের মধ্যে সনদ বিতরণ করেন।

দীপু মনি বলেন, ‘আমরা আমাদের অবকাঠামোর উন্নয়ন করেছি তার সঙ্গে প্রযুক্তির যে মেলবন্ধন ঘটাতে হবে সেই লক্ষে আমরা কাজ করছি। আমাদের সামনে অনেক চ্যালেঞ্জ মোকাবিলা করতে হবে। চতুর্থ সম্ভবনার দার আমাদের উন্মুক্ত। সেটাকে কাজে লাগাতে হবে। আমাদের প্রযুক্তি ব্যবহারে দক্ষ না প্রযুক্তি তৈরিতে দক্ষ হতে হবে।

‘সেই হিসেবে আমাদের শিক্ষার্থীদের গড়ে তুলতে হবে। প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিশুরা খেলতে খেলতে কোডিং শিখতে পারে সে ব্যবস্থা করছি। যাতে আমাদের শিক্ষার্থীরা প্রযুক্তি উদ্ভাবনে সফল হয়। বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের যখন গড়ে উঠে তখন অনিশ্চয়তা ছিল এর উদ্দেশ্য নিয়ে, লক্ষ্য নিয়ে। সময়ের ব্যবধানে অনেক বিশ্ববিদ্যালয় তা প্রমাণ করতে পেরেছে।’

নতুন গ্র্যাজুয়েটদের অভিনন্দন জানিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এই ধরনের সমাবর্তনে আসলে আমার ভালো লাগে। কারণ তারুণ্যের উচ্ছ্বাসটা টের পাই। তরুণরাই ভবিষ্যৎ। তারাই নেতৃত্ব দিয়ে দেশকে সঠিক গন্তব্যে পৌঁছে দেবে।’

দেশের শিক্ষা ব্যবস্থায় আমূল পরিবর্তন আনা হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
উচ্ছ্বাসে মেতেছেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা

তিনি বলেন, ‘স্বপ্ন দেখতে হবে। আমাদের হাজার বছরের ঐতিহ্য রয়েছে। বঙ্গবন্ধুর কথায় বলতে হয় আমাদের কেউ দাবায়ে রাখতে পারবে না।’

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আনোয়ারুল কবির। সমাবর্তনে বক্তা হিসেবে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষাবিদ, সাহিত্যিক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইংরেজি বিভাগের সাবেক অধ্যাপক ড. সৈয়দ মনজুরুল ইসলাম, বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রাস্টি বোর্ডের সভাপতি ডাক্তার এ এম শামীমসহ প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
উপযুক্ত শিক্ষকের অভাব আছে: শিক্ষামন্ত্রী
বন্দুকের নল ঠেকিয়ে ক্ষমতা দখলের সুযোগ নেই: দীপু মনি
মানসম্মত শিক্ষা অনেক বড় চ্যালেঞ্জ: দীপু মনি

মন্তব্য

শিক্ষা
Technical education institute fees can be paid through tap

‘ট্যাপ’-এর মাধ্যমে দেয়া যাবে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি

‘ট্যাপ’-এর মাধ্যমে দেয়া যাবে কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি
চুক্তির আওতায় এখন থেকে ট্যাপের মাধ্যমে বাংলাদেশের সব কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঝামেলহীনভাবে খুব সহজে অ্যাডমিশন ও রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে পারবেন।

মোবাইল আর্থিক সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান (এমএফএস) ট্রাস্ট আজিয়াটা পে বা ‘ট্যাপ’-এর মাধ্যমে বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের আওতাধীন দেশের সব শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের ফি দেয়া যাবে।

অ্যাডমিশন ও রেজিস্ট্রেশন ফি প্রদানের লক্ষ্যে ট্যাপ ও বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের মধ্যে একটি চুক্তি সই হয়েছে। চুক্তির আওতায় এখন থেকে ট্যাপের মাধ্যমে বাংলাদেশের সব কারিগরি প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষ থেকে ঝামেলহীনভাবে খুব সহজে অ্যাডমিশন ও রেজিস্ট্রেশন ফি দিতে পারবেন।

সম্প্রতি কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অফিসে এক অনুষ্ঠানে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠানের পক্ষে চুক্তি সই করেন ‘ট্যাপ’-এর হেড অফ স্কুল ব্যাংকিং বোরহানুল ইসলাম ও বোর্ডের সচিব মোহাম্মদ আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ জামান।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ‘ট্যাপ’-এর স্কুল ব্যাংকিং ম্যানেজার আব্দুল্লাহ আলাউদ্দিন ও হাবিব গাফফার এবং কারিগরি শিক্ষা বোর্ড কারিকুলামের পরিচালক প্রকৌশলী ফরিদ উদ্দিন আহম্মেদ, কারিকুলাম বিশেষজ্ঞ প্রকৌশলী ফারুক রেজা ও রূপক কান্তি বিশ্বাস।

‘ট্যাপ’-এর অ্যাপের মাধ্যমে টিউশন ফি প্রদানের জন্য ‘ট্যাপ’-এর অ্যাপ লগইন করে ফিস অপশনে গিয়ে টিউশন ফিস অপশন নির্বাচন করতে হবে। এরপর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের তালিকা থেকে বাছাই করে স্টুডেন্ট আইডি ও মাস নির্বাচন করে খুব সহজে টাকা জমা দেয়া যাবে বলে ট্যাপের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছে।

আরও পড়ুন:
প্রবাসীদের দেশে টাকা পাঠানোর সহজ মাধ্যম ট্যাপট্যাপ সেন্ড
ট্যাপ বাড়াল আরও সুবিধা
ট্যাপ ক্যাশব্যাকে বিশেষ অফার
ট্রাস্ট ব্যাংকে যোগ হলো ‘ট্যাপ’ সার্ভিস
মোবাইল আর্থিক সেবা ট্যাপের যাত্রা শুরু

মন্তব্য

শিক্ষা
Chubby art students on the road again

ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা

ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা এক দফা দাবীতে রাস্তা অবরোধ করেছে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে বাদশাহ মিয়া রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এ সময় তারা স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে অবস্থান অব্যাহত রাখেন।

মূল ক্যাম্পাসে ফেরার এক দফা দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।

তাদের অভিযোগ, ২৮ দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারেনি প্রশাসন ও স্থানান্তর সংক্রান্ত গঠিত কমিটি। একই সঙ্গে প্রশাসনের নির্দেশ থাকলেও চারুকলার শিক্ষকরা এ বিষয়ে অ্যাকাডেমিক কমিটির আর কোনো বৈঠকে বসেননি। পাশাপাশি তারা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে বাদশাহ মিয়া রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এ সময় স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে অবস্থান অব্যাহত রাখেন।

এর আগে গত ১৬ নভেম্বর থেকে তারা মূল ক্যাম্পাসে অবরোধ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। ২০ নভেম্বর একজন সহকারী প্রক্টর, চারুকলা পরিচালক এবং ১২ শিক্ষককে প্রায় ১০ ঘণ্টার মতো অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা।

চারুকলা স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী খন্দকার মসরুল আল ফাহিম বলেন, ‘আমরা আজ থেকে ফটকের বাইরে অবস্থান কর্মসূচি ও সড়ক অবরোধ করছি। প্রশাসন একটা কমিটি করেছিল, কিন্তু দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও কমিটি স্থানান্তর বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য দিতে পারেনি। তাহলে এই কমিটির মানে কী?

আমরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। সমাধান না আসা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’

ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা

এ বিষয়ে 'চারুকলাকে ক্যাম্পাসে স্থানান্তর' বিষয়ক কমিটির আহ্বায়ক চবির ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ মামুন বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলাম। ক্যাম্পাস স্থানান্তরের বিষয়ে সরকারি ও আইনি যে প্রক্রিয়া আছে, সেগুলো আমরা তাদের বলেছিলাম। গ্যাজেটের কপি তাদের দেখিয়েছিলাম। তারাও আমাদের সঙ্গে সম্মত হয়েছিল। আমরা সুপারিশ করেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্ষদে সিদ্ধান্ত পাস হয়ে আসতে হবে। তারপর সরকারের সম্মতি নিয়ে চারুকলাকে স্থানান্তর করতে হবে। এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করব, বিশ্ববিদ্যালয়ও এই প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

প্রসঙ্গত, গত ২ নভেম্বর থেকে ২২ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান কর্মসূচি ও ক্লাস বর্জন শুরু করেন চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের ২২ দফা পরে এক দাবিতে রূপ নেয়। বর্তমানে তাদের একটাই দাবি, তারা মূল ক্যাম্পাসে ফিরে যেতে চান।

আরও পড়ুন:
হলে প্রবেশের সময়সীমাকে চবি ছাত্রীদের প্রত্যাখ্যান
চবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৬ আগস্ট
বাসের দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে ৫ ঘণ্টা
স্বাধীনতা দিবসে ৫০ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা দেবে চবি
যে বিপদ ওত পেতে আছে চবি রেলস্টেশনে

মন্তব্য

শিক্ষা
What is the reason behind more than one lakh drop in SSC

এসএসসিতে এক লাখ বেশি ফেলের পেছনে কী কারণ

এসএসসিতে এক লাখ বেশি ফেলের পেছনে কী কারণ এসএসসির একটি কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীরা। ফাইল ছবি
কয়েকটি বছরের ফল বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, গত বছরের পরিসংখ্যান বাদ দিলে এর আগের বছরগুলোর তুলনায় পাসের হারে এবার বড় ধরনের হেরফের নেই। বরং ২০১৯ বা ২০২০ সালের তুলনায় এবার পাসের হার খানিকটা বেশি।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া ১৯ লাখ ৯৪ হাজার ১৩৭ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেনি ২ লাখ ৫০ হাজার ৫১৮ জন। অকৃতকার্য শিক্ষার্থীদের এই সংখ্যা গত বছরের চেয়ে এক লাখেরও বেশি।

এ বছর ২ হাজার ৯৭৫টি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে, তবে ৫০টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়নি। গত বছর এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৮। ২০২১ সালে শতভাগ পাসের প্রতিষ্ঠান ছিল ৫ হাজার ৪৯৪।

প্রশ্ন উঠেছে, আগের বছরের তুলনায় এবার পাসের হারে কেন এত অবনতি? এটি ধারাবাহিক ঘটনা কি না, কী এর কারণ- তেমন প্রশ্নও উঠছে।

তবে কয়েকটি বছরের ফল বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, গত বছরের পরিসংখ্যান বাদ দিলে এর আগের বছরগুলোর তুলনায় পাসের হারে এবার বড় ধরনের হেরফের নেই। বরং ২০১৯ বা ২০২০ সালের তুলনায় এবার পাসের হার খানিকটা বেশি।

চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় সামগ্রিকভাবে পাসের হার ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ। অর্থাৎ এ বছর ১২ দশমিক ৫৬ শতাংশ শিক্ষার্থী উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

আগের বছর ২০২১ সালে মাত্র ৬ দশমিক ৪২ শতাংশ শিক্ষার্থী পাস করেনি।

তবে ২০২০ সালে এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার ছিল ৮২ দশমিক ৮৭ শতাংশ, অর্থাৎ সে বছর ১৭ দশমিক ১৩ শতাংশ শিক্ষার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হতে পারেনি।

তারও আগের বছর ২০১৯ সালে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থী ছিল ১৭ দশমিক ৮০ শতাংশ। চারটি বছরের ফল বিশ্লেষণে দেখা যাচ্ছে, গত বছরটিতেই কেবল আকস্মিকভাবে অকৃতকার্য পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ব্যাপক হারে কমে আসে।

এসএসসির ফলে বিশেষ উন্নতির পেছনে কী কারণ ছিল ২০২১ সালে?

শিক্ষা বোর্ড এবং বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষকেরা বলছেন, করোনাকালীন বিশেষ পরিস্থিতি ২০২১ সালের পরীক্ষায় বিস্ময়কর পাসের হারে ভূমিকা রেখেছে। করোনা মহামারির অচলাবস্থার পর গত বছরের এসএসসিতে মাত্র তিনটি পরীক্ষা নেয়া হয়।

গত বছর বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের পদার্থবিদ্যা, রসায়ন, জীববিদ্যা/উচ্চতর গণিত বিষয়ে তিনটি পরীক্ষা হয়। মানবিকে ছিল ভূগোল ও পরিবেশ, বাংলাদেশের ইতিহাত ও বিশ্বসভ্যতা, পৌরনীতি ও নাগরিকতা/অর্থনীতির ওপর তিনটি পরীক্ষা। আর ব্যবসায়ে শিক্ষা বিভাগের শিক্ষার্থীরা হিসাববিজ্ঞান, ফিন্যান্স ও ব্যাংকিং এবং ব্যবসায়িক উদ্যোগ বিষয়ে পরীক্ষা দেয়।

অন্য বিষয়গুলোর ক্ষেত্রে নম্বর যোগ হয় জেএসসি পরীক্ষার ফলের ভিত্তিতে। ফলে অনেক চাপমুক্ত থেকে পরীক্ষা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা। অকৃতকার্যের হারও ছিল অনেক কম। বিপরীতে এ বছর নয়টি বিষয়ে পরীক্ষা দিয়েছে শিক্ষার্থীরা।

পরীক্ষাসংশ্লিষ্টরা বলছেন এ বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল কেমন হলো তা সঠিক পর্যালোচনা করতে তুলনাটি করতে হবে করোনা স্থবিরতা তৈরি হওয়ার আগের বছরগুলোর সঙ্গে। আর সে ক্ষেত্রে দেখা যায়, ২০২০ সাল বা ২০১৯ সালের তুলনায় পাসের হার এবার বেড়েছে।

ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান তপন কুমার সরকার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমাদের এবারের ফলের সঙ্গে ২০২১ সালের তুলনা করা উচিত হবে না। তুলনা করতে হলে ২০১৯ বা ২০২০ সালের সঙ্গে করা উচিত।

‘২০২১ সালে শিক্ষার্থীরা সুবিধা পেয়েছে বেশি। অর্ধেক নম্বরের ওপর পরীক্ষা ছিল। এবার কিন্তু তা ছিল না।’

তিনি বলেন, ‘২০১৯ অথবা ২০২০ সালে পরীক্ষার্থীদের জন্য কোনো আলাদা সুযোগ ছিল না। করোনা পূর্ববর্তী সময়ের হওয়াতে সবগুলো বিষয়ের ওপর ১০০ নম্বরের পরীক্ষা হয়েছিল।’

যশোর শিক্ষা বোর্ডের প্রধান পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক মাধব চন্দ্র রুদ্র নিউজবাংলাকে বলেন, ‘গতবার কম বিষয়ের কারণে পাসের হারও বেশি ছিল। শর্ট সিলেবাসে তারা বেশি সুযোগ পেয়েছে। এবার সিলেবাসও কম ছিল আবার পরীক্ষায় অপশন বেশি ছিল। তবে এবার যারা পাস করেছে তারা সবাই ভালো করেছে।’

রাজশাহী কলেজিয়েট স্কুলের প্রধান শিক্ষক নুরজাহান বেগম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যদি আমরা ফলাফল ও শিখনের ওপর গুরুত্ব দিই তবে আমাদের এবারের ফল ২০২০ সালের চেয়ে ভালো। ২০২১ সালে মাত্র তিনটি বিষয়ে অর্ধেক নম্বরের ওপর পরীক্ষা হলেও এবার নম্বর ও বিষয় বেড়েছে।’

বরিশাল জিলা স্কুলের সাবেক প্রধান শিক্ষক বিশ্বনাথ সাহা অবশ্য মনে করছেন এবারের ফলের ওপরেও করনাকালীন পরিস্থিতির প্রভাব রয়ে গেছে।

তিনি নিউজবাংলাকে বলেন, ‘করোনার একটা প্রভাব থেকেই যাবে। যত সুযোগ দেয়া হোক না কেন একটা শিখন ঘাটতি থাকবে। অনেকেই সে সময় ঝরে গেছে, যারা ছিল তারাই ভালো করেছে। এটা ঠিক হতে কিছু বছর সময় লাগবে।’

প্রভাব ফেলেছে বন্যাও

এসএসসি পরীক্ষার সময়ে সিলেট বিভাগে বন্যা ওই অঞ্চলের শিক্ষার্থীদের ফলাফলে বড় ধরনের প্রভাব ফেলেছে। এবার সিলেট বোর্ডে সবচেয়ে কম ৭৮ দশমিক ৮২ শতাংশ শিক্ষার্থী কৃতকার্য হয়েছে।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সোমবার ফলের বিস্তারিত তুলে ধরার শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনিও এ বিষয়টি তোলেন।

পরীক্ষায় পাসের হার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই সব শিক্ষার্থী পাস করবে। আমাদের সবকিছুই ঠিক ছিল, তবে একটা কারণে (বন্যা) সেটা হয়নি। সবকিছু বাদ দিয়েছি। নতুন করে আবার রুটিন দিয়েছি। এ কারণে কিন্তু শিক্ষার্থীর ওপর একটা চাপ পড়ে। একরকম প্রিপারেশন থাকে, সেটা ব্যাহত হয়।’

তিনি বলেন, ‘বিভিন্ন বোর্ডের রেজাল্ট কিন্তু একটা আলাদা আলাদা প্রভাব ফেলে। যশোর বোর্ডে যেমন ৯৫ ভাগ আছে, আবার কোথাও কোথাও ৭৮ ভাগ। বন্যার কারণে এটা হতেই পারে। অনেক স্কুলে সমস্যা হয়েছে, অনেক পরীক্ষার্থীকে আশ্রয়কেন্দ্রে থাকতে হয়েছে।’

কিছু শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে শূন্য পাসের হার নিয়ে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘আমরা প্রত্যেকবার এটা নিয়ে যে ব্যবস্থা নিই, এবারও সেটা নেব। আমরা কতটা সাপোর্ট দিয়ে থাকি আর কোথায় ঘাটতি আছে সেটা দেখতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘একটা লার্নিং গ্যাপ আছে। এটা সারা বিশ্বেই আছে। তবে এটা পরিবর্তন করতে হবে। আমাদের লার্নিং গ্যাপ করোনার সময় বাড়েনি। অনেক দেশে এটা অনেক বেড়েছে। এখানে সে সময় ৯৩ ভাগ শিক্ষার্থীর কাছে অ্যাসাইনমেন্টপদ্ধতি পৌঁছে গিয়েছিল, এতে তারা নিজেরাই শিখন ঘাটতি পূরণ করেছে।’

গত বছরের চেয়ে এবার বেড়েছে জিপিএ ফাইভ

গত বছরের চেয়ে এবার এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় পাসের হার কমলেও জিপিএ ফাইভ বেড়েছে প্রায় ১ লাখ। চলতি বছর জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬০২ শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪০ শিক্ষার্থী।

এবার সাধারণ বোর্ডে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৩ শিক্ষার্থী। পাসের হার ৮৮ দশমিক ১০ শতাংশ।

দাখিলে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ১৫ হাজার ৪৫৭ শিক্ষার্থী। পাসের হার ৮২ দশমিক ২২ শতাংশ।

কারিগরি বোর্ডে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ১৮ হাজার ৬৫৫ শিক্ষার্থী। পাসের হার ৮৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামে কমেছে পাসের হার, বেড়েছে জিপিএ ফাইভ
এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস
পাসের হারে সিলেট কেন তলানিতে
এবার পরীক্ষার্থী কমলেও ফেল বেড়েছে লাখের বেশি
পাসের হারে শীর্ষে যশোর, তলানিতে সিলেট

মন্তব্য

শিক্ষা
This time although the number of candidates has decreased the number of failures has increased by more than 100000

এবার পরীক্ষার্থী কমলেও ফেল বেড়েছে লাখের বেশি

এবার পরীক্ষার্থী কমলেও ফেল বেড়েছে লাখের বেশি এসএসসিতে এবার অকৃতকার্যের সংখ্যা বেড়েছে। ফাইল ছবি
তুলনামূলক ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২১ সালে অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ছিল ২২ লাখ ৪০ হাজার ৩৯৫ জন। উত্তীর্ণ হয়েছিল ২০ লাখ ৯৬ হাজার ৫৪৬। অর্থাৎ গত বছর ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৪৯ শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমলেও অকৃতকার্যের সংখ্যা গতবারের চেয়ে এক লাখের বেশি বেড়েছে।

চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় অংশ নেয়া ১৯ লাখ ৯৪ হাজার ১৩৭ শিক্ষার্থীর মধ্যে পাস করেনি ২ লাখ ৫০ হাজার ৫১৮ জন।

এর মধ্যে অকৃতকার্য ছেলে পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ১ লাখ ২৮ হাজার ১৪৭, আর মেয়েদের মধ্যে পরীক্ষার বাধা অতিক্রম করতে পারেনি ১ লাখ ২২ হাজার ৩৭৩ জন।

এবার পরীক্ষায় ছেলে শিক্ষার্থী ছিল ৯ লাখ ৯৮ হাজার ১৯৩ জন। ৯ লাখ ৯৫ হাজার ৯৪৪ মেয়ে এ পরীক্ষায় অংশ নেয়।

তুলনামূলক ফল বিশ্লেষণে দেখা যায়, ২০২১ সালে অংশগ্রহণকারী পরীক্ষার্থী ছিল ২২ লাখ ৪০ হাজার ৩৯৫ জন। উত্তীর্ণ হয়েছিল ২০ লাখ ৯৬ হাজার ৫৪৬। অর্থাৎ গত বছর ১ লাখ ৪৩ হাজার ৮৪৯ শিক্ষার্থী পাস করতে পারেনি। এ বছর পরীক্ষার্থীর সংখ্যা কমলেও অকৃতকার্যের সংখ্যা গতবারের চেয়ে এক লাখের বেশি বেড়েছে।

এ বছর ২ হাজার ৯৭৫টি প্রতিষ্ঠানের শতভাগ শিক্ষার্থী পাস করেছে, তবে ৫০টি প্রতিষ্ঠানের কোনো শিক্ষার্থী পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়নি। গত বছর এমন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সংখ্যা ছিল ১৮। ২০২১ সালে শতভাগ পাসের প্রতিষ্ঠান ছিল ৫ হাজার ৪৯৪।

এবার পরীক্ষায় সামগ্রিকভাবে পাসের হারও কমেছে। এসএসসিতে এ বছর পাস করেছে ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী, গতবার এই হার ছিল ৯৩ দশমিক ৫৮ শতাংশ। সে হিসাবে পাস কমেছে ৬ দশমিক ১৪ শতাংশ।

তবে গত বছরের চেয়ে এবার জিপিএ ফাইভ বেড়েছে প্রায় ১ লাখ। চলতি বছর জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬০২ শিক্ষার্থী। গত বছর এ সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৮৩ হাজার ৩৪০ শিক্ষার্থী।

এবার সাধারণ বোর্ডে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ২ লাখ ৩৩ হাজার ৭৬৩ শিক্ষার্থী। পাসের হার ৮৮ দশমিক ১০ শতাংশ।

দাখিলে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ১৫ হাজার ৪৫৭ শিক্ষার্থী। পাসের হার ৮২ দশমিক ২২ শতাংশ।

কারিগরি বোর্ডে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ১৮ হাজার ৬৫৫ শিক্ষার্থী। পাসের হার ৮৯ দশমিক ৫৫ শতাংশ।

রাজধানীর সেগুনবাগিচায় আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে সোমবার দুপুরে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ফল প্রকাশ করেন।

অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল, কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব কামাল হোসেন এবং মাধ্যমিক ও উচ্চশিক্ষা বিভাগের সচিব আবু বকর ছিদ্দীক।

এর আগে বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রীর কাছে ফলের সার্বিক পরিসংখ্যান তুলে দেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। পরে বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যান তাদের ফলের পরিসংখ্যান সরকারপ্রধানের হাতে তুলে দেন।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষাকেন্দ্র থেকে উত্তরপত্র ‘গায়েব’, ২ পরিদর্শক সাময়িক বরখাস্ত
প্রাথমিকে পরীক্ষা নিয়ে ভাইরাল নির্দেশনা অসত্য
এসএসসির ফল ২৮ নভেম্বর
বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিতে বন্ধ হোক বয়স বিবেচনা: শিক্ষামন্ত্রী
বাংলাদেশ ব্যাংকের নিয়োগ পরীক্ষা শুক্রবারই

মন্তব্য

শিক্ষা
Relief at Messis awakening in DU

মেসিদের জাগরণে স্বস্তি ঢাবিতে

মেসিদের জাগরণে স্বস্তি ঢাবিতে মাঠে উদযাপনে টিম আর্জেন্টিনা। ছবি: এএফপি
আমজাদ হোসেন হৃদয় নামের এক ছাত্র বলেন, ‘আজকের খেলায় মেসির কাছে আমাদের প্রত্যাশা ছিল। নিজে গোল দেয়া এবং ফার্নান্দেসকে দিয়ে করানো গোলটা দেখে কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছি। মার্টিনেজের সেভটাও দেখার মতো ছিল।’

বিশ্বকাপে নিজেদের প্রথম ম্যাচে সৌদি আরবের সঙ্গে হেরে খাদের কিনারায় চলে গিয়েছিল আর্জেন্টিনা। সেখান থেকে উঠে আসতে বিকল্প ছিল না জয়ের।

কাতারের লুসাইল আইকনিক স্টেডিয়ামে অধরা সেই জয়ের লক্ষ্যে মাঠে নেমেছিলেন মেসি, ফার্নান্দেসরা, কিন্তু বাংলাদেশ সময় শনিবার মধ্যরাতের ম্যাচের প্রথমার্ধ পর্যন্ত বুক চিনচিন করছিল দর্শকদের। তীর্থের কাকের মতো গোলের অপেক্ষায় ছিলেন তারা।

সে অপেক্ষার অবসান হয় দ্বিতীয়ার্ধে। দলপতি লিওনেল মেসির নীরবতা ভাঙানো গোলে প্রাণ ফেরে দর্শকদের। এরপর এনজো ফার্নান্দেসের দ্বিতীয় গোলে আসে স্বস্তি, যা বহাল ছিল রেফারির শেষ বাঁশি পর্যন্ত।

মেক্সিকোর বিপক্ষে আর্জেন্টিনার গুরুত্বপূর্ণ এ জয়ে বিশ্বের বিভিন্ন প্রান্তের দর্শকদের মতো প্রাণ ফেরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) টিএসসি, মুহসীন হলের মাঠে বড় পর্দায় খেলা দেখা দর্শকদের। গভীর রাতে তাদের মুখ থেকে বের হয় চাপা অভিমান আর আনন্দের কথা।

বাঁশি বাজিয়ে, মোটরসাইকেলে শোডাউন করে, আর্জেন্টিনার পতাকা গায়ে প্যাঁচিয়ে, নেচে-গেয়ে মেসিদের জয় উদযাপন হয় ঢাবি ক্যাম্পাসে। অনেকে স্লোগান দিতে দিতে ফেরেন হল আর বাসায়।

মেসিদের জাগরণে স্বস্তি ঢাবিতে

এমন মুহূর্তে কথা হয় কিছু আর্জেন্টিনাপ্রেমীর সঙ্গে। তাদের একজন ঢাবি ছাত্র নাসিমুল হুদা বলেন, ‘আমাদের প্রত্যাশা আরেকটু বেশি ছিল। তারপরও জয় পেয়েছি দেখে ভালো লাগছে।

‘প্রথমার্ধের খেলায় আমরা মোটেও সন্তুষ্ট হতে পারিনি। যখন খেলা দেখছিলাম, তখন প্রচণ্ড রাগ উঠছিল। কারণ আর্জেন্টিনা এত বাজে খেলবে, সেটা মানতে পারছিলাম না। তাদের আরও ভালো খেলা উচিত ছিল।’

আরেক ছাত্র সিদ্দিক ফারুক বলেন, ‘প্রথমার্ধে মন খারাপ থাকলেও মেক্সিকোর এত ডিফেন্সের ভেতর মেসির গোল এবং ফার্নান্দেসকে দিয়ে করানো গোলটা অসাধারণ ছিল, তবে আমাদের খেলায় আরও অনেক উন্নতি করা দরকার। এই খেলা দিয়ে আমরা ফাইনালের স্বপ্ন দেখার সাহস করতে পারি না।’

আমজাদ হোসেন হৃদয় নামের এক ছাত্র বলেন, ‘আজকের খেলায় মেসির কাছে আমাদের প্রত্যাশা ছিল। নিজে গোল দেয়া এবং ফার্নান্দেসকে দিয়ে করানো গোলটা দেখে কিছুটা স্বস্তি অনুভব করছি। মার্টিনেজের সেভটাও দেখার মতো ছিল।

‘আশা করছি পোল্যান্ডের ম্যাচে আমরা জিতব। আমি অনেক বেশি করে চাইছি, কাতার বিশ্বকাপটা আর্জেন্টিনার হোক।’

এসইএস শাহিনের কাছে মেক্সিকোর বিপক্ষে ম্যাচটি ছিল ফাইনাল। এতে জয়ের পর তার ভাষ্য, ‘আর্জেন্টিনার সামনে দুইটা ফাইনাল ছিল। একটাতে আজ জিতেছে; আরেকটা আগামী বৃহস্পতিবার।

‘সেটাতেও জিতবে বলে আশা আছে, তবে দলের অবস্থা দেখে মনে হচ্ছে, কেউই ফর্মে নাই। তারপরও আমি আশা ছাড়তে চাই না।’

আর্জেন্টিনার বহুল প্রতীক্ষিত এ জয়ের উচ্ছ্বাসের ঢেউ দেখা গেছে ছাত্রীদের হলে। হল গেটের ভেতর থেকে ‘মেসি মেসি’ স্লোগান দিতে দেখা যায় ছাত্রীদের।

প্রিয় দলের খেলা বড় পর্দায় দেখবে বলে অনেক ছাত্রী নির্ধারিত সময় রাত ১০টার মধ্যে হলে ঢোকেননি। খেলা শেষে তারা বাইরে বন্ধুদের সঙ্গে গল্প করে, আড্ডা দিয়ে রাত কাটিয়েছেন।

এমনই একজন তাসনুভা জাহান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘রাত ১০টায় হল বন্ধ হয়ে যায়। সেখানে বড় পর্দায় খেলা দেখার ব্যবস্থা নেই। সবার সঙ্গে বড় পর্দায় খেলা দেখার মজাটাই অন্যরকম। আর সেটা যদি হয় প্রিয় দলের, তাহলে আনন্দটা দ্বিগুণ হয়।

‘তাই আজকে খেলা শেষে বান্ধবীদের সঙ্গে ক্যাম্পাসেই গল্প, আড্ডা করতে করতে রাত কাটাতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘আজকে মেসি জিতেছে; অনেক খুশি। এবার অন্তত বিশ্বকাপটা মেসির হোক।’

আরও পড়ুন:
চাপ সামলে জয় অস্ট্রেলিয়ার
আর্জেন্টিনার সামনে যেসব সমীকরণ
সৌদি ফুটবলারদের রোলস রয়েস পাওয়ার খবরটি ভুয়া
মুহিন-ঝিলিকের ‘ছুটছে মেসি ছুটছে নেইমার’
সেই মাঠে আবার নামছে আর্জেন্টিনা

মন্তব্য

p
উপরে