× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
10 injured including Riva in BCL clash in Eden
hear-news
player
google_news print-icon

ইডেনের ক্যাম্পাসছাড়া রিভা-রাজিয়া

ইডেনের-ক্যাম্পাসছাড়া-রিভা-রাজিয়া
ইডেন মহিলা কলেজে রোববার সন্ধ্যায় সৃষ্ট সংঘর্ষে আহত ছাত্রলীগ সভাপতি রিভাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা কলেজ অডিটোরিয়ামে সংবাদ সম্মেলন করতে এলে বিরোধীপক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হন। পরে আহত রিভাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। আর পুলিশ পাহারায় রাজিয়াকে ক্যাম্পাসের বাইরে সরিয়ে নেয় কর্তৃপক্ষ।

রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভাসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। রোববার সন্ধ্যা ৬টায় ইডেন কলেজ অডিটোরিয়ামের সামনে এই সংঘর্ষ ও চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে দুজনকে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন ইডেন কলেজের শিক্ষক নার্গিস আক্তার। তারা হলেন ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও যুগ্ম সম্পাদক রিতু আক্তার।

এদিকে পুলিশ পাহারায় ক্যাম্পাস থেকে কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাকে সরিয়ে নিয়েছে কলেজ প্রশাসন। রোববার রাত ৮টা ২০ মিনিটে তাকে কলেজের ৩ নম্বর গেট দিয়ে বের করে নেয়া হয়।

ইডেনের ক্যাম্পাসছাড়া রিভা-রাজিয়া
ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাকে রোববার রাতে পুলিশ পাহারায় ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা

রাজিয়া সুলতানাকে ক্যাম্পাস থেকে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় উল্লাস প্রকাশ করেছে বিরোধীপক্ষ। তারা বলছে, এর মধ্য দিয়ে কলেজ কলঙ্কমুক্ত হয়েছে।

এর আগে সন্ধ্যায় হওয়া হামলার পর পুলিশ প্রটোকলে সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

শিক্ষক নার্গিস আক্তার বলেন, ‘আহত যে দুজনকে এখানে নিয়ে এসেছি তাদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। চেয়ার ও লাঠি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করা ছাড়াও চুল ধরে টেনেহিঁচড়ে তাদের নির্যাতন করা হয়েছে। ওই ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হলেও তাদের ঢাকা মেডিক্যালে আনা সম্ভব হয়নি।’

শনি থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত সংঘটিত ঘটনা নিয়ে ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা সংবাদ সম্মেলন করতে আসেন। কলেজ অডিটোরিয়ামে এই সংবাদ সম্মেলন শুরুর পর ছাত্রলীগের দুই পক্ষে হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হামলা-পাল্টা হামলায় গড়ায়। দুই পক্ষ পরস্পরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারতে থাকে। এ সময় অন্তত ১০ জন আহত হন।

এ বিষয়ে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সানজিদা পারভিন চৌধুরী বলেন, ‘রিভা ও রাজিয়া সংবাদ সম্মেলন করতে এসেছেন। কিন্তু তাদের সেই সংবাদ সম্মেলনে হামলার ঘটনায় ভুক্তভোগীদের কেউ ছিল না। পরে আমরা সেই সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীদের বসাতে গেলে তারা আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের তিনজন আহত হয়েছেন। তারা হলেন শেখ সানজিদা, সুষ্মিতা ও স্বর্ণালি।’

সানজিদা বলেন, ‘ছাত্রলীগের এই কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আমরা ক্যাম্পাসে চাই না। রিভা চলে গেছেন। রাজিয়া এখনও আছেন। আমরা চাই তিনিও সসম্মানে ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে যাবেন।’

এক প্রশ্নের উত্তরে সানজিদা বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে এখনও কেউ যোগাযোগ করেননি। আমরা এই তদন্ত কমিটি মানি না।’

রিভা-রাজিয়া পক্ষের কেউ ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।

এর আগে হামলার শিকার হয়ে তামান্না জেসমিন রিভা বলেন, ‘আমরা নেতৃত্বে আসার পর থেকে নিয়মিত চেষ্টা করছি ভালো কিছু করার জন্য। কিন্তু কমিটি থেকে সেন্ট্রালে পদ পাওয়া কয়েকজনের ইন্ধনে এসব করা হচ্ছে।’

ইডেনের ক্যাম্পাসছাড়া রিভা-রাজিয়া
কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকের বিরোধীপক্ষের নেত্রীরা রোববার রাতে ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ছবি: নিউজবাংলা

বিরোধীপক্ষের নেত্রীরা যা বললেন

হামলা-সংঘর্ষে আহত হয়ে পুলিশ পাহারায় ক্যাম্পাস থেকে কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি রিভাকে নেয়া হয়েছে হাসপাতালে। আর সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাকেও পুলিশের সহায়তায় ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে গেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

রিভা ও রাজিয়া ক্যাম্পাসছাড়া হওয়ার পর রাতে কলেজ ছাত্রলীগের বিরোধীপক্ষের নেত্রীরা উল্লাস প্রকাশ করেন। তাদের পক্ষে কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি জেবুন্নাহার শীলা বলেন, ‘আজ থেকে ইডেন কলেজ কলঙ্কমুক্ত। ছাত্রী নির্যাতনকারী ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ক্যাম্পাসছাড়া হওয়ায় আমরা হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছি। কারণ এ রকম অন্যায়কারী চাঁদাবাজ সভাপতি-সেক্রেটারি আমরা কখনই চাই না।’

আরেক সহসভাপতি সুষ্মিতা বাড়ৈ বলেন, ‘এই ইডেন কলেজ রিভা-রাজিয়ার ঘাঁটি নয়। এটা শেখ হাসিনার ঘাঁটি। এখানে রিভা-রাজিয়ার স্থান হবে না।

‘আজ দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে আমাদের যে আট দাবি ছিল সেগুলোর ব্যাপারে রিভা ও রাজিয়াকে জবাব দিতে হবে। তারপর বিচার-বিশ্লেষণ করে বলতে পারব যে তাদের আমরা ক্যাম্পাসে আনব কি আনব না।’

এরপর কলেজ ক্যাম্পাসে উল্লাস প্রকাশ করে স্লোগান দেন বিরোধীপক্ষের ছাত্রলীগ নেত্রীরা। এ সময় তারা রিভা ও রাজিয়ার বিরুদ্ধেও নানা স্লোগান দেন।

আরও পড়ুন:
ফের বিতর্কে ছাত্রলীগ নেত্রী রিভা
অডিও ফাঁস: ক্ষমা চাইলেন ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি
ট্রাম্পকে পুড়িয়ে ছেলেসহ অবকাশে বাইডেন
ফের করোনা পজিটিভ বাইডেন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বাইডেন করোনায় আক্রান্ত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
New alliance of left 8 student organizations to oust the government

সরকার উচ্ছেদে বাম ৮ ছাত্র সংগঠনের নতুন জোট

সরকার উচ্ছেদে বাম ৮ ছাত্র সংগঠনের নতুন জোট ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে বাম ৮ ছাত্র সংগঠনের নতুন জোট গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
‘গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট’ভুক্ত সংগঠনগুলো হলো- সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন।

আন্দোলনের মাধ্যমে সরকার উচ্ছেদ করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে নতুন জোট গঠন করেছে বামপন্থী আট ছাত্র সংগঠন। নতুন এই জোটের নাম দেয়া হয়েছে ‘গণতান্ত্রিক ছাত্র জোট’।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে বুধবার সংবাদ সম্মেলন করে নতুন এই জোট গঠনের ঘোষণা দেয়া হয়েছে।

জোটভুক্ত সংগঠনগুলো হলো- সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ইউনিয়ন, বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্ট, বাংলাদেশ ছাত্র ফেডারেশন, গণতান্ত্রিক ছাত্র কাউন্সিল, বৃহত্তর পার্বত্য চট্টগ্রাম পাহাড়ি ছাত্র পরিষদ ও বিপ্লবী ছাত্র-যুব আন্দোলন।

নতুন এই জোটের সমন্বয়ক এবং সমাজতান্ত্রিক ছাত্রফ্রন্টের (মার্কসবাদী) সভাপতি সালমান সিদ্দিকী সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন।

সালমান বলেন, ‘বাংলাদেশ আজ গভীর সংকটময় সময় পার করছে। ২০১৪ সালের একতরফা নির্বাচন এবং ২০১৮ সালের ভোট ডাকাতির মধ্য দিয়ে রাষ্ট্রক্ষমতায় আসীন রয়েছে আওয়ামী লীগ। বুর্জোয়া সংসদীয় ব্যবস্থার কবর রচনা করে মানুষের ন্যূনতম গণতান্ত্রিক অধিকার ভোট দেয়ার ক্ষমতাটুকুও কেড়ে নিয়েছে তারা।

‘বর্তমান সরকার দীর্ঘ ১৪ বছর ধরে শোষণ, লুণ্ঠন, অর্থপাচার, দুর্নীতির মাধ্যমে দেশে এক দুর্বৃত্ত শ্রেণীর রাজত্ব কায়েম করেছে। ডিজিটাল নিরাপত্তা আইনসহ নানা কালাকানুন দিয়ে স্বাধীন মতপ্রকাশে বাধা ও বিরোধী মত দমন করছে।’

সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘সরকার গণতান্ত্রিক আন্দোলনে পুলিশি আক্রমণ, মিছিলে প্রকাশ্যে গুলি করে হত্যাসহ গুম-খুনের মাধ্যমে দেশে ফ্যাসিবাদী শাসন দীর্ঘায়িত করে চলেছে। জনগণের মতামতের তোয়াক্কা না করে প্রতিনিয়ত বাড়াচ্ছে নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের দাম।

‘আওয়ামী উন্নয়নের স্লোগান পরিণত হয়েছে ফাঁপা বুলিতে। আওয়ামী শাসনের ১৪ বছরে গ্যাসের দাম বেড়েছে আড়াই গুণ, বিদ্যুতের দাম বেড়েছে দুই গুণ, ৭ বার বেড়েছে জ্বালানি তেলের দাম, ওয়াসার পানির দাম বেড়েছে ১৩ বার, বেড়েছে সারের দাম। সাম্প্রতিক সময়ে পাইকারি পর্যায়ে বিদ্যুতের দাম ২০ শতাংশ বাড়ানো হয়েছে এবং গ্রাহক পর্যায়েও বাড়ানোর প্রস্তাব করা হয়েছে।

‘নিত্যপ্রয়োজনীয় পণ্যের মূল্যবৃদ্ধি অতীতের সব রেকর্ড ছাড়িয়ে গেছে। মানুষের আয় বাড়েনি কিন্তু ব্যয় বাড়ছে প্রতিনিয়ত। বিশ্ব খাদ্য সংস্থার রিপোর্টে এসেছে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতির কারণে খাদ্য ব্যয় কমাতে বাধ্য হয়েছে প্রায় ৭৩ ভাগ মানুষ আর প্রতিরাতে না খেয়ে ঘুমাতে যায় প্রায় ৫ কোটি মানুষ। ‘দেশে দীর্ঘদিন ধরে চলতে থাকা একদলীয় ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনে জনজীবনে নেমে এসেছে সীমাহীন দুর্ভোগ। তৈরি হয়েছে এক শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি।’

সালমান সিদ্দিকী বলেন, ‘উদ্ভূত পরিস্থিতি থেকে ছাত্র সমাজসহ আপামর জনগণ মুক্তি চাইছে। দেশের যেকোনো দুঃসময়ে এদেশের ছাত্র সমাজ কখনো চুপ থাকেনি। আমরা মনে করি এই ফ্যাসিবাদী দুঃশাসনের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ ছাত্র আন্দোলন গড়ে তোলা সময়ের কর্তব্য হয়ে দাঁড়িয়েছে।

‘এই অনুধাবন থেকেই আমরা ৮টি ছাত্র সংগঠন সুনির্দিষ্ট রাজনৈতিক অবস্থান থেকে ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলা এবং পরিচালনার জন্য একত্রিত হয়েছি। আমরা ফ্যাসিবাদী এই সরকারকে জনগণের আন্দোলনের মাধ্যমে উচ্ছেদ করে জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান জানাচ্ছি।’

সংবাদ সম্মেলনে জোটের পক্ষ থেকে ১৩ দফা দাবি উত্থাপন করা হয়। এগুলোর মধ্যে উল্লেখযোগ্য দাবিগুলো হলো- আওয়ামী ফ্যাসিবাদী সরকারের পদত্যাগ; সার্বজনীন, বৈষম্যহীন, বিজ্ঞানভিত্তিক, গণতান্ত্রিক একই ধারার শিক্ষানীতি প্রণয়ন; শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিত করে গণরুম-গেস্টরুম বন্ধ করা, ডাকসুসহ সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ছাত্র সংসদ নির্বাচন এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের স্বায়ত্তশাসন নিশ্চিত করা।

নবগঠিত জোটের দাবিগুলোর মধ্যে আরও রয়েছে- পদাধিকারবলে রাষ্ট্রীয় প্রধান আচার্য এই বিধান বাতিল করে বরেণ্য ও সর্বজন গ্রহণযোগ্য শিক্ষাবিদকে আচার্য হিসেবে নিয়োগ দেয়া; শিক্ষা খাতে জাতীয় বাজেটের ২৫ শতাংশ বরাদ্দ করা; ডিজিটাল নিরাপত্তা আইন, ওটিটি নিয়ন্ত্রণ নীতিমালাসহ সব গণবিরোধী ও অগণতান্ত্রিক আইন বাতিল করা; দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি নিয়ন্ত্রণে পূর্ণাঙ্গ রাষ্ট্রীয় বাণিজ্য চালু করা; শ্রমিকদের মজুরি বৃদ্ধি ও কৃষকের উৎপাদিত ফসলের লাভজনক মূল্য নিশ্চিত করা; নারী স্বার্থবিরোধী আইন বাতিল করা এবং ঘরে-বাইরে নারী নির্যাতন বন্ধ করা।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, এসব দাবি দাবিতে গণতান্ত্রিক ছাত্র জোটের পক্ষ থেকে ১৮ ডিসেম্বর সকাল ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে অপরাজেয় বাংলার পাদদেশে ছাত্র সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে।

আরও পড়ুন:
ঢাবিতে ঢুকলে জাবি অধ্যাপককে জীবন বিপন্নের হুমকি
আইএমএফের ঋণ নেয়ার কৈফিয়ত দিতে হবে: বাম জোট
গবেষণার কল্যাণে দেশ আজ খাদ্যে স্বয়ংসম্পূর্ণ : শিল্পমন্ত্রী
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে প্রকাশনা মেলা ২২-২৩ অক্টোবর
ঢাবির হল প্রাধ্যক্ষকে ‘মৃত’ ঘোষণা

মন্তব্য

শিক্ষা
Inauguration of academic and administrative building at MIST

এমআইএসটিতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন

এমআইএসটিতে একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন এমআইএসটি-এর ফাইল ছবি।
সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ সোমবার রাজধানীর মিরপুর সেনানিবাসে এমআইএসটি-তে আধুনিক সুযোগ-সুবিধা সংবলিত ফ্যাকাল্টি টাওয়ার ৩, ৪, অ্যাডমিন টাওয়ার ও হল অফ ফেমের ভবন উদ্বোধন করেন।

মিলিটারি ইনস্টিটিউট অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে (এমআইএসটি) আধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা সংবলিত একাডেমিক ও প্রশাসনিক ভবন উদ্বোধন করা হয়েছে। সোমবার ফ্যাকাল্টি টাওয়ার ৩, ৪, অ্যাডমিন টাওয়ার ও হল অফ ফেমের উদ্বোধন করেছেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল এস এম শফিউদ্দিন আহমেদ।

আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তর এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ খবর জানিয়েছে। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে এমআইএসটির সাবেক কমান্ড্যান্টবৃন্দ, সেনাবাহিনী সদর দপ্তরের প্রিন্সিপাল স্টাফ অফিসারগণ এবং ঊর্ধ্বতন সামরিক ও অসামরিক কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।

স্থাপনাগুলো উদ্বোধনের মাধ্যমে এমআইএসটির প্রতিটি অনুষদের বিপরীতে একটি করে স্বতন্ত্র টাওয়ার বিল্ডিং-এ একাডেমিক কার্যক্রম সুষ্ঠুভাবে পরিচালনা করা সহজ হবে। উদ্বোধন করা ফ্যাকাল্টি টাওয়ারগুলোতে সর্বাধুনিক (স্টেট অফ আর্টস) গবেষণাগার রয়েছে, যা এমআইএসটি তথা বাংলাদেশের গবেষণা ও উন্নয়ন খাতে বিশেষ অবদান রাখবে বলে আশা করা যায়।

আইএসপিআর জানায়, হল অফ ফেম-এর দেয়ালে সংরক্ষিত হয়েছে এমআইএসটির প্রতিষ্ঠা থেকে এ পর্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ মাইলফলক, সব স্বর্ণপদকপ্রাপ্ত কৃতী শিক্ষার্থীদের নাম, আন্তর্জাতিক ও জাতীয় পর্যায়ে অনুষ্ঠিত প্রতিযোগিতাগুলোর উল্লেখযোগ্য সাফল্য।

সেনাপ্রধানের উদ্বোধনের মাধ্যমে যাত্রা শুরু করা এমআইএসটির পেট্রোলিয়াম ও লুব্রিকেটিং স্টেটিং ল্যাব বাংলাদেশে ব্যবহৃত পেট্রোলিয়ামজাত জ্বালানির সঠিক মান নিয়ন্ত্রণে বিশেষ ভূমিকা রাখবে। সেনাপ্রধান একইসঙ্গে সাইবার সিকিউরিটিতে উন্নত প্রশিক্ষণের জন্য নির্মিত সাইবার রেঞ্জও পরিদর্শন করেন।

নতুন প্রশাসনিক ভবনে ৪৫ হাজার বর্গফুটের এমআইএসটির সেন্ট্রাল লাইব্রেরি রয়েছে। লাইব্রেরির একটি অংশে একাডেমিক বইয়ের পাশাপাশি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধের ওপর প্রায় চার হাজার বই সংবলিত ‘বঙ্গবন্ধু ও বাংলাদেশ’ কর্নার স্থাপন করা হয়েছে। একইসঙ্গে লাইব্রেরিতে আনুমানিক আড়াই হাজার বই নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে বিশেষ ‘শেখ রাসেল আঙ্গিনা’, যা শেখ রাসেল সম্পর্কে ছাত্র-ছাত্রীদের জানতে সাহায্য করবে।

১৯৯৯ সালে নতুন কোনো অবকাঠামো নির্মাণ ছাড়াই সেনাবাহিনীর নিজস্ব স্থাপনায় সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগে ৪০ জন ছাত্র অফিসার নিয়ে মিরপুর সেনানিবাসে যাত্রা শুরু করে এমআইএসটি। বর্তমানে চারটি অনুষদের অধীনে ১৩টি বিভাগে ২ হাজার ৯১৭ জন শিক্ষার্থী লেখাপড়া করছে। বিএসসি ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের পাশাপাশি এমআইএসটিতে ৮টি বিভাগে এমএসসি, ৩টি বিভাগে এমফিল এবং ৭টি বিভাগে পিএইচডি প্রোগ্রাম চালু আছে।

মন্তব্য

শিক্ষা
CUB MBA opportunity for journalists at special discount

সিইউবিতে বিশেষ ছাড়ে এমবিএ’র সুযোগ সাংবাদিকদের

সিইউবিতে বিশেষ ছাড়ে এমবিএ’র সুযোগ সাংবাদিকদের
সাংবাদিক ও তাদের পোষ্যরা ৬০ শতাংশ ছাড়ে এই সুযোগ পাচ্ছেন। ক্লাসের জন্য অনসাইট ও অনলাইন দুই ব্যবস্থাই রাখা আছে৷ পুরো ডিগ্রি সম্পন্ন করতে খরচ পড়বে মাত্র ৯৭ হাজার ২০০ টাকা।

দেশের বিভিন্ন গণমাধ্যমে কর্মরত সাংবাদিক ও পেশাজীবীদের এক্সিকিউটিভ এমবিএ করার সুযোগ দিচ্ছে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশ (সিইউবি)। সাংবাদিক ও তাদের পোষ্যরা ৬০ শতাংশ ছাড়ে এই সুযোগ পাবেন।

রাজধানীর প্রগতি সরণিতে সিইউবি’র নিজস্ব ক্যাম্পাসে চলছে এই ভর্তি কার্যক্রম। বুধবার ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি চত্বরেও চলবে স্পট অ্যাডমিশন। দিনব্যাপী এই স্পট অ্যাডমিশনে ন্যূনতম ফি জমা দিয়ে ভর্তি হতে পারবেন সাংবাদিকরা।

৪৮ ক্রেডিটের এই কোর্সের মেয়াদ এক বছর। হাইব্রিড মোডে এই সময়ের মধ্যে এক্সিকিউটিভ এমবিএ সম্পন্ন করতে পারবেন তারা।

শিক্ষার সব ম্যাটেরিয়াল অনলাইনে পাওয়া যাবে। ক্লাসের জন্য অনসাইট ও অনলাইন দুই ব্যবস্থাই রাখা আছে৷ পুরো ডিগ্রি সম্পন্ন করতে খরচ পড়বে মাত্র ৯৭ হাজার ২০০ টাকা।

ফিন্যান্স, মার্কেটিং, হিউম্যান রিসোর্স, সাপ্লাই ও অপারেশনস ম্যানেজমেন্টে মেজর করার সুযোগ থাকবে এই কোর্সে ভর্তিচ্ছুদের।

আরও পড়ুন:
সিইউবিতে মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ঐশী
সিইউবি শিক্ষার্থীদের নিয়ে পদ্মা ব্যাংকের রোড শো
ভর্তি মেলায় ৫০ শতাংশ ছাড় কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির
বিদ্যুৎকেন্দ্রে শিল্প প্রশিক্ষণ নিল কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থীরা
পাইথন-মেশিন লার্নিংয়ে প্রশিক্ষণ সম্পন্ন সিইউবির ইইই শিক্ষার্থীদের

মন্তব্য

শিক্ষা
Chubby art students on the road again

ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা

ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা এক দফা দাবীতে রাস্তা অবরোধ করেছে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে বাদশাহ মিয়া রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এ সময় তারা স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে অবস্থান অব্যাহত রাখেন।

মূল ক্যাম্পাসে ফেরার এক দফা দাবিতে সড়ক অবরোধ করেছেন চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা।

তাদের অভিযোগ, ২৮ দিন পেরিয়ে গেলেও কোনো সিদ্ধান্ত জানাতে পারেনি প্রশাসন ও স্থানান্তর সংক্রান্ত গঠিত কমিটি। একই সঙ্গে প্রশাসনের নির্দেশ থাকলেও চারুকলার শিক্ষকরা এ বিষয়ে অ্যাকাডেমিক কমিটির আর কোনো বৈঠকে বসেননি। পাশাপাশি তারা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চান।

মঙ্গলবার বেলা ১১টার দিকে চারুকলা ইনস্টিটিউটের সামনে বাদশাহ মিয়া রোড অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা। এ সময় স্লোগান ও প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করে অবস্থান অব্যাহত রাখেন।

এর আগে গত ১৬ নভেম্বর থেকে তারা মূল ক্যাম্পাসে অবরোধ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। ২০ নভেম্বর একজন সহকারী প্রক্টর, চারুকলা পরিচালক এবং ১২ শিক্ষককে প্রায় ১০ ঘণ্টার মতো অবরুদ্ধ করে রাখেন তারা।

চারুকলা স্নাতক চতুর্থ বর্ষের শিক্ষার্থী খন্দকার মসরুল আল ফাহিম বলেন, ‘আমরা আজ থেকে ফটকের বাইরে অবস্থান কর্মসূচি ও সড়ক অবরোধ করছি। প্রশাসন একটা কমিটি করেছিল, কিন্তু দুই সপ্তাহ পার হয়ে গেলেও কমিটি স্থানান্তর বিষয়ে সুস্পষ্ট বক্তব্য দিতে পারেনি। তাহলে এই কমিটির মানে কী?

আমরা প্রধানমন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করতে চাই। সমাধান না আসা পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলবে।’

ফের সড়কে চবি চারুকলার শিক্ষার্থীরা

এ বিষয়ে 'চারুকলাকে ক্যাম্পাসে স্থানান্তর' বিষয়ক কমিটির আহ্বায়ক চবির ছাত্র উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. আব্দুল্লাহ মামুন বলেন, ‘আমরা তাদের সঙ্গে বৈঠক করেছিলাম। ক্যাম্পাস স্থানান্তরের বিষয়ে সরকারি ও আইনি যে প্রক্রিয়া আছে, সেগুলো আমরা তাদের বলেছিলাম। গ্যাজেটের কপি তাদের দেখিয়েছিলাম। তারাও আমাদের সঙ্গে সম্মত হয়েছিল। আমরা সুপারিশ করেছি, বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন পর্ষদে সিদ্ধান্ত পাস হয়ে আসতে হবে। তারপর সরকারের সম্মতি নিয়ে চারুকলাকে স্থানান্তর করতে হবে। এই প্রক্রিয়া অনুসরণ করব, বিশ্ববিদ্যালয়ও এই প্রক্রিয়ায় ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।’

প্রসঙ্গত, গত ২ নভেম্বর থেকে ২২ দফা দাবিতে অনির্দিষ্টকালের জন্য অবস্থান কর্মসূচি ও ক্লাস বর্জন শুরু করেন চারুকলা ইনস্টিটিউটের শিক্ষার্থীরা। শিক্ষার্থীদের ২২ দফা পরে এক দাবিতে রূপ নেয়। বর্তমানে তাদের একটাই দাবি, তারা মূল ক্যাম্পাসে ফিরে যেতে চান।

আরও পড়ুন:
হলে প্রবেশের সময়সীমাকে চবি ছাত্রীদের প্রত্যাখ্যান
চবির ভর্তি পরীক্ষা শুরু ১৬ আগস্ট
বাসের দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে ৫ ঘণ্টা
স্বাধীনতা দিবসে ৫০ বীর মুক্তিযোদ্ধাকে সম্মাননা দেবে চবি
যে বিপদ ওত পেতে আছে চবি রেলস্টেশনে

মন্তব্য

শিক্ষা
Prime Minister urges education system suitable for managing developing countries

উন্নয়নশীল দেশ পরিচালনার উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর

উন্নয়নশীল দেশ পরিচালনার উপযোগী শিক্ষাব্যবস্থার তাগিদ প্রধানমন্ত্রীর সোমবার নিজ কার্যালয়ে ২০২২ সালের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। ছবি: পিআইডি
শেখ হাসিনা বলেন, ‘যখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লব শুরু হবে তখন দেশেও যেন আমরা সেই উপযোগী দক্ষ জনবল পাই তার জন্য এখন থেকেই শিক্ষাব্যবস্থায় উদ্যোগ নিতে হবে। উন্নয়নশীল দেশ পরিচালনার কার্যক্রমে আমাদের দক্ষ জনশক্তি দরকার। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের কাজ করতে হবে, যেন পিছিয়ে না পড়ি।’

উন্নয়নশীল দেশকে পরিচালনা করতে দক্ষ জনশক্তি গড়ে তোলার তাগিদ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। আর সে লক্ষ্যে উপযুক্ত শিক্ষাব্যবস্থা গড়ে তোলার আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।

সোমবার সকালে নিজ কার্যালয়ে ২০২২ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশ অনুষ্ঠানে এই তাগিদ দেন প্রধানমন্ত্রী।

শেখ হাসিনা বলেন, ‘যখন চতুর্থ শিল্প বিপ্লব শুরু হবে তখন দেশেও যেন আমরা সেই উপযোগী দক্ষ জনবল পাই তার জন্য এখন থেকেই শিক্ষাব্যবস্থায় উদ্যোগ নিতে হবে।

‘শিক্ষা ছাড়া আমরা দারিদ্র্য বিমোচন করতে পারব না। আমরা এমডিজি সফলতার সঙ্গে বাস্তবায়ন করেছি। এসডিজিও বাস্তবায়ন করে যাচ্ছি। তা ছাড়া আমরা এখন উন্নয়নশীল দেশের মর্যাদা পেয়েছি। এই উন্নয়নশীল দেশ পরিচালনার কার্যক্রমে আমাদের দক্ষ জনশক্তি দরকার। সেদিকে লক্ষ্য রেখেই আমাদের কাজ করতে হবে, যেন পিছিয়ে না পড়ি।’

দেশে বহুমুখী শিক্ষার সুযোগ করে দেয়া হচ্ছে জানিয়ে প্রধানমন্ত্রী বলেন, এতে দেশ লাভবান হবে। করোনা মহামারির মধ্যে প্রযুক্তির ব্যবহার করা হয়েছে বলে শিক্ষা কার্যক্রম চলমান রাখা গেছে।

তিনি বলেন, ‘ভালো ভালো কতগুলো স্কুল আছে। আমাদের অনেকের ধারণা ওই সব স্কুলে না পড়লে পড়াশোনাই করা হয় না।

‘দেশের বহু জ্ঞানী, বিজ্ঞানী, নেতা, পাকিস্তান আমলের বহু সিএসপি অফিসার জেলা স্কুল থেকে পাস করেই হয়েছে। জানি না এখন কোথা থেকে এমন ধারণা এসেছে যে মাত্র কয়েকটি স্কুল আছে যেখানে না পড়লে পড়া হয় না। এই মানসিকতা বদলাতে হবে।’

সরকারপ্রধান বলেন, ‘জেলা স্কুলগুলো তো সব সময়ই খুব ভালো স্কুল ছিল। আমাদের এখনও যারা আছে তাদের বেশির ভাগ তো ওখান থেকেই পাস করে আসছে। তাহলে সেই স্কুলকে খাটো করে দেখা বা দুই-একটা নামের ওপরে চলা…।’

সবচেয়ে ভালো ছেলেমেয়েরা যেখানে ভর্তি হবে সেখান থেকে তো ভালো রেজাল্ট আসবেই- এমন মন্তব্য করে শেখ হাসিনা বলেন, ‘যদি কেউ গাধা পিটিয়ে মানুষ করতে পারে তাকে আমি ক্রেডিট দিই। যে কিছু জানে না তাকে ভালো শিক্ষা যারা দিতে পারবে আমার মনে হয় তাদেরকে একটু বিশেষভাবে সমর্থন দেওয়া ও পুরস্কৃত করা উচিত।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘করোনা মহামারি নানা ধরনের প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করলেও বাংলাদেশ আগে থেকেই সাবধান হয়েছে। আমাদেরকে আরও সাবধান হতে হবে। সব ক্ষেত্রে মিতব্যয়ী হতে হবে, সাশ্রয়ী হতে হবে। একই সঙ্গে শিক্ষা কার্যক্রম যাতে ব্যাহত না হয় সে ব্যবস্থাটা আমাদের নিতে হবে। আমরা সেটা নেয়ার জন্য ব্যবস্থা নিচ্ছি, যেন কোনোমতেই আমরা পিছিয়ে না যাই।’

পরীক্ষায় যারা পাস করেছে তাদের অভিনন্দন জানান প্রধানমন্ত্রী। যারা উত্তীর্ণ হতে পারেনি তাদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘প্রচেষ্টা অব্যাহত রাখতে হবে। কেন ছেলেমেয়েরা ফেল করবে? ফেল করার কোনো প্রশ্নই ওঠে না। একটু মনোযোগ দিয়ে পড়তে হবে। না পড়লে তো ফেল করবেই। কাজেই এটা মাথায় রেখে সবাইকে পড়তে হবে।’

শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি সোমবার প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ে সরকারপ্রধানের হাতে এসএসসি ও সমমান পরীক্ষার ফলাফলের কপি তুলে দেন। শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষামন্ত্রীর পর বিভিন্ন বোর্ডের চেয়ারম্যানরা নিজ নিজ বোর্ডের ফলাফলের পরিসংখ্যান প্রধানমন্ত্রীর হাতে তুলে দেন।

আরও পড়ুন:
খাদ্য মজুত ১৫ লাখ টনের নিচে না নিতে প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশ
খালেদা-তারেকের সঙ্গে সংলাপ কেমন কথা: প্রধানমন্ত্রী
সঞ্চয় বাড়ান, মিতব্যয়ী হোন: প্রধানমন্ত্রী
এখন সবাই রিজার্ভ বিশেষজ্ঞ: প্রধানমন্ত্রী
আমেরিকাকে একহাত নিলেন প্রধানমন্ত্রী

মন্তব্য

শিক্ষা
In Rajshahi the pass rate has decreased but the GPA has increased girls are five ahead

রাজশাহীতে পাসের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ ফাইভ, এগিয়ে মেয়েরা

রাজশাহীতে পাসের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ ফাইভ, এগিয়ে মেয়েরা  রাজশাহীতে পাসের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ ফাইভ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা। ছবি: নিউজবাংলা
এ বছর রাজশাহী বোর্ডে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪২ হাজার ৫১৭ জন। সাত বছরের মধ্যে এই সংখ্যা সর্বোচ্চ। এবারের ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জিপিএ ফাইভ এবং পাসের হার দুই পরিসংখ্যানেই মেয়েরা এগিয়ে। এ বছর রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৮ জেলার মধ্যে সেরা ফল বগুড়া জেলার।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার কমলেও বেড়েছে জিপিএ ফাইভ পাওয়া শিক্ষার্থীর সংখ্যা। এ বছর বোর্ডে পাসের হার ৮৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ। যা গত সাত বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন।

এ বছর রাজশাহী বোর্ডে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪২ হাজার ৫১৭ জন। সাত বছরের মধ্যে এই সংখ্যা সর্বোচ্চ। এবারের ফল বিশ্লেষণে দেখা গেছে, জিপিএ ফাইভ এবং পাসের হার দুই পরিসংখ্যানেই মেয়েরা এগিয়ে রয়েছে। এ বছর রাজশাহী শিক্ষা বোর্ডের অধীন ৮ জেলার মধ্যে সেরা ফল বগুড়া জেলার।

সোমবার দুপুরে রাজশাহী মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক আরিফুল ইসলাম ফলাফলের এই পরিসংখ্যান প্রকাশ করেন।

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড থেকে এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নেয় ১ লাখ ৯৫ হাজার ১২৪ শিক্ষার্থী। এর মধ্যে পাস করেছে ১ লাখ ৬৭ হাজার ৫৮১ জন। এ বছর বোর্ডে পাসের হার ৮৫ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

মেয়েদের পাসের হার ৮৬ দশমিক ১৭ ভাগ আর ছেলেদের পাসের হার ৮৫ দশমিক ৬৯ ভাগ। গত বছর পাসের হার ছিল ৯৪ দশমিক ৭১ শতাংশ। ২০২০ সালে ছিল ৯০ দশমিক ৩৭ ভাগ, ২০১৯ সালে ছিল ৯১ দশমিক ৬৪ ভাগ।

২০১৮ সালে ছিল ৮৬ দশমিক ৭ শতাংশ, ২০১৭ সালে ছিল ৯০ দশমিক ৭০ ভাগ আর ২০১৬ সালে পাসের হার ছিল ৯৫ দশমিক ৭০ ভাগ।

এ বছর রাজশাহী বোর্ডে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪২ হাজার ৫১৭ জন। এর মধ্যে জিপিএ ফাইভ পাওয়া ছাত্রীর সংখ্যা ২৩ হাজার ৩৭৫ জন আর জিপিএ ফাইভ পাওয়া ছাত্রের সংখ্যা ১৯ হাজার ১৪২ জন।

গত বছর এসএসসিতে রাজশাহী বোর্ডে জিপিএ ৫ পেয়েছিল ২৭ হাজার ৭০৯ জন। ২০২০ সালে জিপিএ-৫ পায় ২৬ হাজার ১৬৭ জন, ২০১৯ সালে ২২ হাজার ৭৯৫ জন, ২০১৮ সালে ১৯ হাজার ৪৯৮ জন, ২০১৭ সালে ১৭ হাজার ৩৪৯ জন, ২০১৭ সালে জিপিএ ৫ পাওয়া শিক্ষার্থী ছিল ১৭ হাজার ৫৯৪ জন।

এ বছর বোর্ডে মোট ২ হাজার ৬৭৮টি স্কুল থেকে ছাত্র-ছাত্রীরা পরীক্ষায় অংশ নেয়। এর মধ্যে ১৪৭টি প্রতিষ্ঠানের সব পরীক্ষার্থী পাস করেছে। আর দুটি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে কেউই পাস করেনি।

রাজশাহী বোর্ড সেরা বগুড়া জেলা

রাজশাহী শিক্ষা বোর্ড সেরা হয়েছে বগুড়া জেলা। পাসের হার ও জিপিএ ফাইভে সবার ওপরে আছে এই জেলা।

রাজশাহী জেলায় পাস করেছে ২৫ হাজার ৩৬৮ জন, জিপিএ ৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৬৩০ জন, পাসের হার ৮৪ দশমিক ৪৬। চাঁপাইনবাবগঞ্জে পাস করেছে ১৩ হাজার ১১০ জন, জিপিএ ৫ পেয়েছে ৩ হাজার ১২৪ জন, পাসের হার ৮৫ দশমিক ৭। নাটোরে পাস করেছে ১৪ হাজার ৬৯৬ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ২ হাজার ৯৪১ জন, পাসের হার ৮২ দশমিক ৪৮।

নওগাঁয় পাস করেছে ২০ হাজার ৬৬৮ জন, জিপিএ-৫ পেয়েছে ৫ হাজার ২৮৭ জন, পাসের হার ৮৬ দশমিক ৭৮।

পাবনায় পাস করেছে ২৪ হাজার ৮৮৪ জন, জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৫ হাজার ৬৭০ জন, পাসের হার ৮৪ দশমিক ৫৬।

সিরাজগঞ্জে পাস করেছে ২৯ হাজার ৯১৬ জন, জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৬ হাজার ৯৪০ জন। পাসের হার ৮৬ দশমিক ৬৯। বগুড়ায় পাস করেছে ৩০ হাজার ৯২২ জন, জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৫ হাজার ৫৯০ জন, পাসের হার ৮৮ দশমিক ৩৪।

জয়পুরহাট জেলায় পাস করেছে ৯ হাজার ১০৫ জন, জিপিএ ৫ পেয়েছে ২ হাজার ৩৩৫ জন, পাসের হার ৮৮ দশমিক ৫।

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রামে কমেছে পাসের হার, বেড়েছে জিপিএ ফাইভ
এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস
পাসের হারে সিলেট কেন তলানিতে
এবার পরীক্ষার্থী কমলেও ফেল বেড়েছে লাখের বেশি
পাসের হারে শীর্ষে যশোর, তলানিতে সিলেট

মন্তব্য

শিক্ষা
Unbridled euphoria over SSC success

এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস

এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর রাজধানীর ভিকারুননিসা নূন স্কুলের শিক্ষার্থীরাও আনন্দ-উচ্ছ্বাস মেতে ওঠে। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা
ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী শাহারিয়ার রেজা নিলয় বলে, ‘গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছি। বন্ধুরা সবাই ভালো করেছে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল ৪৫০ জন। এর মধ্যে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪৩৩ জন।’

মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) ও সমমান পরীক্ষার ফল প্রকাশের পরপরই রাজধানীসহ সারা দেশে বইছে আনন্দ-উচ্ছ্বাস।

রাজধানীর শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানগুলোতে আনন্দ-উল্লাসে মেতে উঠেছে শিক্ষার্থীরা। অতি আনন্দে কেউ কেউ আবার সহপাঠীদের জড়িয়ে ধরে কেঁদেও ফেলে।

উচ্ছ্বসিত অভিভাবকরাও এসেছেন ঢাকা রেসিডেনসিয়াল কলেজ প্রাঙ্গণে। তারাও খুশি সন্তানের রেজাল্ট পেয়ে।

রেসিডেনসিয়াল কলেজ ছাড়াও রাজধানীর বিভিন্ন স্কুল ঘুরে দেখা গেছে, রেজাল্ট পেয়ে সবাই অনেক খুশি। সবাই স্কুল প্রাঙ্গণে এসে বন্ধুদের সঙ্গে দেখা করছে। এক কথায় এটি যেন মিলনমেলা।

এইচএসসি পরীক্ষা থাকায় দুপুর ১টা পর্যন্ত এসএসসি পরীক্ষার্থীদের কলেজের ভেতরে ঢুকতে দেয়া হয়নি। এসএসসি পরীক্ষা শেষ হয়ে যাওয়ার পরে তারা একে একে কলেজের ভেতরে ঢোকে। এরপর থেকেই তারা আনন্দ-উল্লাসে মেতে ওঠে।

সোমবার বেলা ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ফল প্রকাশ কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন।

দুপুর ১২টা থেকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান ও শিক্ষা বোর্ডের ওয়েবসাইটে ফল পাওয়া যাচ্ছে।

১টার দিকে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি ফলের বিস্তারিত তুলে ধরেন।

ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থী সাফওয়ান ইসলাম নিউজবাংলাকে বলে, ‘গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছি। বন্ধুরা সবাই মিলে স্কুলে এসেছি। অনেকদিন পরে সবার সঙ্গে দেখা। এখন খুব ভালো লাগছে। স্কুলের বাইরে প্রতিদিন ছয় ঘণ্টা পড়াশোনা করেছি। সেটা সার্থক হয়েছে।’

একই কলেজের এসএসসি পরিক্ষার্থী শাহারিয়ার রেজা নিলয় বলে, ‘গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছি। বন্ধুরা সবাই ভালো করেছে। বিজ্ঞান বিভাগ থেকে পরীক্ষা দিয়েছিল ৪৫০ জন। এর মধ্যে জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ৪৩৩ জন।’

এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস

এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর ঢাকা রেসিডেনসিয়াল মডেল কলেজের শিক্ষার্থীরাও আনন্দ-উচ্ছ্বাস মেতে ওঠে। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয় ঘুরে দেখা যায়, এখানেও শিক্ষার্থীরা জড়ো হয়েছে। বন্ধুরা মিলে আনন্দ ভাগাভাগি করছে। একে অপরকে আনন্দে জড়িয়ে ধরছে, কোলাকুলি করছে।

এখানে ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে এবার এসএসসি পরিক্ষার্থী তানভিরুল ইসলাম বলে, ‘জিপিএ ফাইভ পেয়েছি। বন্ধুরা কম এসেছে। সবাই অনলাইনে রেজাল্ট দেখেছে বাসায় বসে। বিকেলের দিকে আসবে সবাই।’

এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস

একই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তাহসিন মাহমুদ বলে, ‘পরীক্ষা ভালো দিয়েছিলাম। তাই রেজাল্ট নিয়ে অতটা চিন্তায় ছিলাম না। গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছি। তবে কাল রাত থেকে টেনশন লাগতেছিল। ফাইনালি এখন ভালো লাগছে।’

সাবিহা খান নামে এক অভিভাবক বলেন, ‘সন্তানকে নিয়ে আশা করেছিলাম সে ভালো কিছু করবে। সে গোল্ডেন এ প্লাস পেয়েছে। আমি আর ওর বাবা অনেক খুশি হয়েছি। অন্য অভিভাবকদের সঙ্গে দেখা হয়েছে অনেক দিন পর।’

এ বছরের পরীক্ষায় পাস করেছে ৮৭ দশমিক ৪৪ শতাংশ শিক্ষার্থী। এবার জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ২ লাখ ৬৯ হাজার ৬০২ জন।

এসএসসির সাফল্যে বাঁধভাঙা উচ্ছ্বাস
এসএসসি পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর সেন্ট যোসেফ উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের আনন্দ প্রকাশ। ছবি: পিয়াস বিশ্বাস/নিউজবাংলা

এ বছরে পরীক্ষা গত ১৯ জুন শুরু হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু সিলেটসহ কয়েকটি জেলায় বন্যার কারণে গত ১৭ জুন পরীক্ষা স্থগিত করে সরকার।

এরপর প্রায় তিন মাস পর ১৫ সেপ্টেম্বর শুরু হয় চলতি বছরের এসএসসি পরীক্ষা। এবারের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় মোট পরীক্ষার্থী ২০ লাখ ২১ হাজার ৮৬৮ জন। ৩ হাজার ৭৯০টি কেন্দ্রে অনুষ্ঠিত হয় এ পরীক্ষা। এতে অংশ নেয় ২৯ হাজার ৫৯১টি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষার্থীরা।

আরও পড়ুন:
পাসের হারে সিলেট কেন তলানিতে
এবার পরীক্ষার্থী কমলেও ফেল বেড়েছে লাখের বেশি
পাসের হারে শীর্ষে যশোর, তলানিতে সিলেট

মন্তব্য

p
উপরে