× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
SSC question leaked Schedule of 4 subjects suspended in Dinajpur board announced
hear-news
player
google_news print-icon

এসএসসি: দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত ৪ বিষয়ের সূচি ঘোষণা

এসএসসি-দিনাজপুর-বোর্ডে-স্থগিত-৪-বিষয়ের-সূচি-ঘোষণা
মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ড। ছবি: নিউজবাংলা
নতুন সময়সূচি অনুযায়ী, স্থগিত হওয়া ২২ সেপ্টেম্বরের গণিত পরীক্ষা ১০ অক্টোবর, ২৫ সেপ্টেম্বরের কৃষি শিক্ষা (তত্ত্বীয়) ১১ অক্টোবর, ২৪ সেপ্টেম্বরের বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ১২ অক্টোবর এবং ২৬ সেপ্টেম্বরের রসায়ন (তত্ত্বীয়) ১৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত।

কুড়িগ্রামে এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় স্থগিত হওয়া চারটি পরীক্ষার নতুন সময়সূচি ঘোষণা করেছে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড।

ঘোষিত সময়সূচি অনুযায়ী, আগামী ১০ অক্টোবর থেকে ১৩ অক্টোবর পরীক্ষাগুলো অনুষ্ঠিত হবে।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর কামরুল ইসলামের সই করা বৃহস্পতিবার দুপুরে এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এতে বলা হয়েছে, স্থগিত হওয়া ২২ সেপ্টেম্বরের গণিত পরীক্ষা ১০ অক্টোবর, ২৫ সেপ্টেম্বরের কৃষি শিক্ষা (তত্ত্বীয়) ১১ অক্টোবর, ২৪ সেপ্টেম্বরের বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ১২ অক্টোবর এবং ২৬ সেপ্টেম্বরের রসায়ন (তত্ত্বীয়) ১৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত।

এছাড়া ১০ থেকে ১৫ অক্টোবরের ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৫ থেকে ২০ অক্টোবর নেয়া হবে।

প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা জানাজানির পর বুধবার সকালে এ ৪ বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। যদিও সেটি যে প্রশ্ন ফাঁসের কারণেই করা হয়েছে, তা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।

এদিকে প্রশ্ন ফাঁসের মামলায় এখন পর্যন্ত ভূরুঙ্গামারীর নেহাল উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্রসচিবসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর মধ্যে বুধবার রাতে একই বিদ্যালয়ের কৃষি বিজ্ঞানের শিক্ষক হামিদুল ইসলাম, বাংলার শিক্ষক সোহেল চৌধুরী ও পিয়ন সুজন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে গ্রেপ্তার হন প্রতিষ্ঠানটির ইংরেজির শিক্ষক আমিনুর রহমান রাসেল এবং ইসলাম শিক্ষার শিক্ষক জোবা‌ইর‌ হোসেন।

আরও পড়ুন:
এসএসসির ‘প্রশ্ন ফাঁস’: কুড়িগ্রামে গ্রেপ্তার আরও ৩
প্রশ্নফাঁসেই দিনাজপুরে এসএসসির চার পরীক্ষা স্থগিত, আটক ৩
এসএসসি ‘প্রশ্ন ফাঁস’: দিনাজপুর বোর্ডে ৪ বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
SSC question leak 7 names under investigation

এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: তদন্তে ৭ নাম

এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: তদন্তে ৭ নাম মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক দিনাজপুর শিক্ষাবোর্ড। ছবি: নিউজবাংলা
‘বোর্ডের গঠিত কমিটি তদন্ত কাজ সম্পন্ন করেছে। আগামী সপ্তাহের রোববার অথবা সোমবার লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করবে। তদন্ত কার্যক্রমে পলাতক একজনসহ মোট সাতজন প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত। এর মধ্যে ৬ জনকে ইতিমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে। অপর একজন বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে গেছে বলে জানা গেছে।’

কুড়িগ্রামে এসএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনা তদন্তে দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের গঠিত কমিটির তদন্ত কার্যক্রম শেষ হয়েছে। প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে সাতজন জড়িত- তদন্তে এমনটিই উঠে এসেছে বলে জানা গেছে। আগামী সপ্তাহের প্রথম দিকে এ প্রতিবেদন দাখিল করার কথা রয়েছে।

জড়িত সাতজনের মধ্যে ছয়জন ইতিমধ্যে গ্রেপ্তার হয়ে কারাগারে রয়েছেন; একজন পলাতক।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. কামরুল ইসলাম বৃহস্পতিবার সকালে নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

তিনি বলেন, ‘বোর্ডের গঠিত কমিটি তদন্ত কাজ সম্পন্ন করেছে। আগামী সপ্তাহের রোববার অথবা সোমবার লিখিত প্রতিবেদন দাখিল করবে। তদন্ত কার্যক্রমে পলাতক একজনসহ মোট সাতজন প্রশ্নপত্র ফাঁসের সঙ্গে জড়িত।

‘এর মধ্যে ৬ জনকে ইতিমধ্যে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী গ্রেপ্তার করেছে। অপর একজন বাংলাদেশ থেকে ভারতে চলে গেছে বলে জানা গেছে।’

গ্রেপ্তাররা হলেন, কুড়িগ্রামের নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমান, ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক আমিনুর রহমান, ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক জোবাইর রহমান, কৃষি বিজ্ঞানের শিক্ষক হামিদুল ইসলাম, বাংলা বিষয়ের শিক্ষক সোহের চৌধুরী ও পিয়ন সুজন মিয়া। এই ঘটনার পর ওই বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মো. আবু হানিফ পলাতক রয়েছেন।

২০ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দিনাজপুর বোর্ডের ইংরেজি প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠে। এরপর ওই কেন্দ্রের সচিব লুৎফর রহমান জিজ্ঞাসাবাদে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা স্বীকার করেন। একই সঙ্গে তার কাছে কয়েকদিনের আগাম প্রশ্নপত্র রয়েছে বলে জানান।

এদিন মধ্যরাতে ট্যাগ অফিসার ও কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আদম মালিক চৌধুরী মামলা করেন।

পরে তল্লাশি চালিয়ে গণিত (আবশ্যিক), উচ্চতর গণিত, কৃষিশিক্ষা, পদার্থ বিজ্ঞান, রসায়ন, জীববিজ্ঞান পরীক্ষার প্রশ্নপত্র পাওয়া যায়। পরদিন ২১ সেপ্টেম্বর এক বিজ্ঞপ্তিতে গণিত, পদার্থ বিজ্ঞান, কৃষি বিজ্ঞান ও রসায়ন পরীক্ষা স্থগিত করা হয়। ২২ সেপ্টেম্বর স্থগিত হওয়া ৪টি পরীক্ষার নতুন সময়সূচী ঘোষণা করা হয়। একই সঙ্গে বাতিল করা হয় জীব বিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ও উচ্চতর গণিত (তত্ত্বীয়) এর প্রশ্নপত্র।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার ২ দিন পর কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমান বরখাস্ত হন।

এজাহারে যা বলা হয়

মঙ্গলবার কেন্দ্র সচিব ও প্রধান শিক্ষক লুৎফর রহমানকে সঙ্গে নিয়ে আদম মালিক চৌধুরী ভূরুঙ্গামারী থানা থেকে সীলমোহর অক্ষত অবস্থায় ইংরেজি দ্বিতীয় পত্র প্রশ্নের দুটি প্যাকেট সংগ্রহ করেন। পরে তারা প্রশ্নপত্র নিয়ে নেহাল উদ্দিন বালিকা উচ্চবিদ্যালয় কেন্দ্রে আসেন। কেন্দ্রে পৌঁছানোর পর লুৎফর রহমান তার নিজ কক্ষের একটি বইয়ের তাকে প্রশ্নপত্রের প্যাকেট দুটি রাখেন। আনুমানিক সকাল ১০টা ৩৫ মিনিটের দিকে আদম মালিক চৌধুরী কেন্দ্র সচিবের কক্ষে যান। এ সময় কেন্দ্র সচিব প্যাকেট খুলে প্রশ্নপত্র বের করেন। পরে ১০টা ৫০ মিনিটে প্রশ্নপত্রগুলো কেন্দ্রের কক্ষভিত্তিক দায়িত্বরত শিক্ষকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়।

ওই দিন আনুমানিক বেলা দেড়টার দিকে তিনি ওই কেন্দ্র সচিবের মাধ্যমে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ উঠেছে বলে জানতে পারেন। তাৎক্ষণিকভাবে তিনি বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপক কুমার শর্মাকে জানান। পরীক্ষা শেষে ইউএনও দীপক কুমার শর্মার উপস্থিতিতে লুৎফর রহমানকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে লুৎফর কোনো সন্তোষজনক জবাব দিতে পারেননি।

এজাহারের নথি অনুযায়ী, জিজ্ঞাসাবাদের একপর্যায়ে লুৎফর স্বীকার করেন, তার কাছে পরের একাধিক পরীক্ষার প্রশ্নপত্র আছে। এরপর লুৎফর রহমানের কক্ষের বইয়ের তাক থেকে একটি কাপড়ের ব্যাগ পাওয়া যায়। ওই ব্যাগের ভেতর থেকে গণিত, উচ্চতর গণিত, কৃষিশিক্ষা, পদার্থবিজ্ঞান, রসায়ন ও জীববিজ্ঞানের প্রশ্নপত্রের প্যাকেট উদ্ধার করা হয়। এর মধ্যে একটি প্যাকেট ছাড়া সব কটি প্যাকেটের মুখ খোলা ছিল।

এ সময় সেখানে উপস্থিত ভূরুঙ্গামারী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) সাঈদ মো. আতিক নুর প্রশ্নপত্রগুলো জব্দ করেন এবং লুৎফর রহমানকে আটক করেন।

অধিকতর জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে লুৎফর বলেন, পূর্বপরিকল্পিতভাবে বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আবু হানিফের সহায়তায় কৌশলে প্রশ্নপত্রের প্যাকেটগুলো কেন্দ্রে নিয়ে আসা হয়। পরে প্রশ্নপত্রগুলো আবু হানিফ, অন্য দুই শিক্ষক জোবাইর হোসেন, আমিনুর রহমানসহ অজ্ঞাতনামা ১০ থেকে ১৫ জনের মাধ্যমে গোপনে প্রশ্নগুলো ফাঁস করে দেয়া হয়।

আরও পড়ুন:
এসএসসি: দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত ৪ বিষয়ের সূচি ঘোষণা
এসএসসির ‘প্রশ্ন ফাঁস’: কুড়িগ্রামে গ্রেপ্তার আরও ৩
প্রশ্নফাঁসেই দিনাজপুরে এসএসসির চার পরীক্ষা স্থগিত, আটক ৩
এসএসসি ‘প্রশ্ন ফাঁস’: দিনাজপুর বোর্ডে ৪ বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত
বহিষ্কার এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ভাঙচুরের অভিযোগ

মন্তব্য

শিক্ষা
The result of the SSC selection exam will be published by November

নভেম্বরের মধ্যে এসএসসি নির্বাচনি পরীক্ষার ফল প্রকাশ

নভেম্বরের মধ্যে এসএসসি নির্বাচনি পরীক্ষার ফল প্রকাশ
বুধবার কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাশারের সই করা অফিস আদেশে বলা হয়, ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনি পরীক্ষা শেষ করে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

২০২৩ সালের মাধ্যমিক স্কুল সার্টিফিকেট বা এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনি পরীক্ষার ফল আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে প্রকাশের নির্দেশ দিয়েছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক উপকমিটি।

বুধবার কমিটির আহ্বায়ক ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক অধ্যাপক মো. আবুল বাশারের সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়, ২০২৩ সালের এসএসসি পরীক্ষার্থীদের নির্বাচনি পরীক্ষা শেষ করে আগামী ৩০ নভেম্বরের মধ্যে ফল প্রকাশের জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।

এর আগে গত ১২ এপ্রিল সচিবালয়ে এক সংবাদ সম্মেলনে শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি জানান, ২০২৩ সালের এসএসসি, দাখিল ও সমমান পরীক্ষা এপ্রিল ও এইচএসসি, আলিম ও সমমান পরীক্ষা জুন মাসে হবে।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষার হলে ফেসবুক লাইভ, ২ এসএসসি পরীক্ষার্থী বহিষ্কার
দাখিলে প্রক্সি দেয়ায় ফাজিল শিক্ষার্থীর দেড় বছর কারাদণ্ড
‘ভূরুঙ্গামারীর ইউএনওর অবহেলায়’ এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস

মন্তব্য

শিক্ষা
Question papers leaked due to negligence of UNO in Kurigram

‘ভূরুঙ্গামারীর ইউএনওর অবহেলায়’ এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস

‘ভূরুঙ্গামারীর ইউএনওর অবহেলায়’
এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ড ভবন। ফাইল ছবি
ভূরুঙ্গামারী ‍উপজেলা প্রশাসনের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ইউএনও যদি শুরুতেই তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতেন, তাহলে প্রশ্ন ফাঁসের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটার সম্ভাবনা ছিল না। এসএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষাকে গুরুত্ব না দেয়ায় প্রশ্ন ফাঁসের দায় ইউএনও এড়াতে পারেন না।’

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) দীপক কুমার দেব শর্মার গাফিলতির কারণেই চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়েছে বলে অভিযোগ করেছেন এক কর্মকর্তা।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক উপজেলা প্রশাসনের ওই কর্মকর্তা নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বোর্ডের নিয়ম অনুযায়ী পরীক্ষা শুরুর পাঁচ-সাত দিন আগে কেন্দ্র সচিব বা তার প্রতিনিধি এবং ট্যাগ অফিসারের মাধ্যমে ট্রাংকে রক্ষিত প্রশ্নপত্রের প্যাকেটের সঙ্গে প্রশ্নপত্রের চাহিদা সঠিকভাবে যাচাইয়ের ব্যবস্থা করার কথা বলা হয়েছে। কোনো গরমিল থাকলে সঙ্গে সঙ্গে বোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রককে লিখিতভাবে জানাতেও বলা হয়।

‘...ইউএনও সেই কাজ না করে এক-দুই দিনের মধ্যে একজন কর্মকর্তাকে দিয়ে প্রশ্নপত্র সর্টিং করে প্রতিবেদন দেয়ার নির্দেশ দেন। একজন কর্মকর্তার পক্ষে হাজার হাজার প্রশ্নপত্র এক-দুই দিনের মধ্যে যাচাই-বাছাই, কাগজে স্বাক্ষর করা এবং নজরদারি-হিসাব করে প্রতিবেদন দেয়া প্রায় অসম্ভব। আর এই সুযোগে অসাধু কিছু শিক্ষক প্রশ্নপত্র কৌশলে বের করেছেন।’

তিনি আরও বলেন, ‘ইউএনও যদি শুরুতেই তার দায়িত্ব সঠিকভাবে পালন করতেন, তাহলে প্রশ্ন ফাঁসের মতো ন্যক্কারজনক ঘটনাটি ঘটার সম্ভাবনা ছিল না। এসএসসির মতো পাবলিক পরীক্ষাকে গুরুত্ব না দেয়ায় প্রশ্ন ফাঁসের দায় ইউএনও এড়াতে পারেন না।’

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় চলতি এসএসসি, দাখিল, এসএসসি (ভোকেশনাল) এবং দাখিল (ভোকেশনাল) পরীক্ষার প্রশ্নপত্র সেটের প্যাকেট সর্টিং এবং যাচাই-বাছাইয়ের দায়িত্ব ছিল ইউএনও দীপক কুমারের। তার সই করা একটি পত্রে গত ১১ সেপ্টেম্বর পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ও অন্যান্য গোপনীয় কাগজপত্র যাচাই-বাছাই করে প্রতিবেদন দিতে উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আবদুর রহমানকে বলা হয়।

এতে বলা হয়, ভূরুঙ্গামারী থানায় প্রশ্নপত্র ও অন্য গোপনীয় কাগজপত্র সংরক্ষিত রয়েছে। সিলগালাকৃত এসব প্রশ্নপত্র বিবরণী মোতাবেক ঠিক আছে কি না, তা যাচাই-বাছাই করে ১৩ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করার জন্য অনুরোধ করা হলো।’

পত্রে আরও বলা হয়, পরীক্ষার সময়সূচি অবশ্যই খামের ওপর লিখতে হবে।

ভূরুঙ্গামারী থানার ওসিসহ উপজেলার ছয়টি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিবদেরও এই পত্রের অনুলিপি দেয়া হয়।

একই তারিখে ইউএনওর স্বাক্ষরিত আরও একটি অফিস আদেশে ভূরুঙ্গামারী পাইলট সরকারি উচ্চ বিদ্যালয় পরীক্ষা কেন্দ্রে কৃষি কর্মকর্তা আপেল মাহমুদ ও সমবায় কর্মকর্তা নুর কুতুবুল আলম, নেহাল বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে মৎস্য কর্মকর্তা আদম মালিক চৌধুরী ও পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা রায়হান হক, সোনাহাট দ্বিমুখী উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ ও প্রতিবন্ধীবিষয়ক কর্মকর্তা আব্দুল আহাদ, সোনাহাট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রে উপজেলা রিসোর্স সেন্টারের ইনস্ট্রাক্টর আতিকুর রহমান ও সহকারী পল্লী উন্নয়ন কর্মকর্তা রেজাউল করিম, ফাজিল ডিগ্রি মাদ্রাসা কেন্দ্রে সহকারী শিক্ষা কর্মকর্তা জাকির হোসেন ও জনস্বাস্থ্য বিভাগের উপসহকারী প্রকৌশলী আরিফুল ইসলাম, দিয়াডাঙ্গা আইডিয়াল টেকনিক্যাল স্কুল অ্যান্ড কলেজ কেন্দ্রে সহকারী প্রোগ্রামার রুবেল সরকার এবং দারিদ্র্য বিমোচন কর্মকর্তা মুখলেছুর রহমানকে ট্যাগ অফিসার বা দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্ব দেয়া হয়।

তারা পরীক্ষার দিনগুলোতে থানা থেকে নির্ধারিত প্রশ্নপত্র উত্তোলন নিশ্চিত এবং পরীক্ষা চলাকালীন সার্বক্ষণিক কেন্দ্রে উপস্থিত থেকে পরীক্ষা গ্রহণ করবেন বলে অফিস আদেশে উল্লেখ করা হয়।

প্রশ্নফাঁসের ঘটনায় গ্রেপ্তারদের জিজ্ঞাসাবাদের বরাত দিয়ে পুলিশ জানায়, ভূরুঙ্গামারী থানায় প্রশ্ন যাচাই-বাছাইয়ের সময় নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমান ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমানের যোগসাজশে বাংলা প্রথম পত্রের প্রশ্নপত্রের প্যাকেটের ভেতর বাংলা দ্বিতীয় পত্র, ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন ঢুকিয়ে নেন। একই সঙ্গে প্যাকেট সিলগালা করেন। ওই সময় তারা গণিত, কৃষিবিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান এবং পদার্থবিজ্ঞানের প্রশ্নপত্রও নিয়ে নেন। এ ছাড়া মোবাইলে জীববিজ্ঞান ও উচ্চতর গণিতের প্রশ্নের ছবি তুলে নেন।

সিলগালা করা প্রশ্নপত্রের ওই প্যাকেটের ওপর স্বাক্ষর করেন উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমান।

জিজ্ঞাসাবাদে আরও বেরিয়ে আসে, ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলা প্রথম পত্রের পরীক্ষার দিন যথানিয়মে থানা থেকে বাংলা প্রথম পত্রের প্যাকেট এনে তা থেকে ওই প্রশ্নগুলোর খামটি সরিয়ে ফেলেন কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমানসহ তার সহযোগীরা। কেন্দ্রে দায়িত্বরত ট্যাগ কর্মকর্তা মুখলেছুর রহমানকে বোর্ডের দেয়া তালিকা অনুযায়ী পাঠানো প্রশ্নপত্রের খাম গণনা করার নিয়ম থাকলেও তা করা হয়নি।

পরে এই প্রশ্নগুলোর কয়েকটি হাতে লেখা উত্তরপত্র তৈরি করে তা শিক্ষার্থীদের মধ্যে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকায় বিক্রি করা হয়। পরীক্ষার আগের রাতে ফাঁস হওয়া উত্তরপত্রের সঙ্গে পরের দিন পরীক্ষার প্রশ্নপত্রের হুবহু মিলে যায়। আর এসব উত্তরপত্র অনেকেই মোবাইলের মাধ্যমে গোপনে ২০০ থেকে ৫০০ টাকায় অন্যান্য শিক্ষার্থী ও অভিভাবকের কাছে বিক্রি করেন।

এ বিষয়ে ভূরুঙ্গামারী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আলমগীর হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমার কাছে কোনো চিঠি নেই। প্রশ্নপত্রে আমরা শুধু এসকর্ট (নিরাপত্তা) দিয়ে থাকি। বাকিটা সভাপতি (ইউএনও) এবং তার দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তারা করেন। সিলগালা রাখা না রাখা তাদের দায়িত্ব।’

প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমানকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়েছে।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমাকে দায়িত্বে অবহেলার কারণে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। আমি বর্তমানে হসপিটালাইজড আছি। এর বেশি কিছু বলতে পারব না।’

এসব বিষয়ে জানতে ভূরুঙ্গামারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা দীপক কুমার দেব শর্মাকে একাধিকবার কল করেও পাওয়া যায়নি।

কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ রেজাউল করিম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘বিধি মোতাবেক ইউএনওকে চিঠি দেয়া হয়েছে। তার পরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।’

আরও পড়ুন:
দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন ২ ঘণ্টা পরই
এসএসসি: দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত ৪ বিষয়ের সূচি ঘোষণা
এসএসসির ‘প্রশ্ন ফাঁস’: কুড়িগ্রামে গ্রেপ্তার আরও ৩
প্রশ্নফাঁসেই দিনাজপুরে এসএসসির চার পরীক্ষা স্থগিত, আটক ৩
এসএসসি ‘প্রশ্ন ফাঁস’: দিনাজপুর বোর্ডে ৪ বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত

মন্তব্য

শিক্ষা
Question Upazila education officer of Kurigram dismissed

প্রশ্নফাঁস: কুড়িগ্রামের উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরখাস্ত

প্রশ্নফাঁস: কুড়িগ্রামের উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরখাস্ত
প্রশ্ন ফাঁসের মামলায় এখন পর্যন্ত ভূরুঙ্গামারীর নেহাল উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিবসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

চলমান এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমানকে বরখাস্ত করা হয়েছে।

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা শামছুল আলম বৃহস্পতিবার বিকেলে এসব নিশ্চিত করেছেন।

প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনায় বৃহস্পতিবার দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের জীববিজ্ঞান ও উচ্চতর গণিত পরীক্ষার প্রশ্নপত্র বাতিল করা হয়েছে। এর আগে স্থগিত করা হয়েছে গণিত (আবশ্যিক, পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়), কৃষি শিক্ষা (তত্ত্বীয়) ও রসায়ন (তত্ত্বীয়)।

এই ছয়টি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র নতুন করে ছাপানোর কার্যক্রম শুরু করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. কামরুল ইসলাম।

তার স্বাক্ষর করা বোর্ডের অধীনে আট জেলা প্রশাসক বরাবর পাঠানো এক বিজ্ঞপ্তি থেকে এসব তথ্য জানানো হয়েছে।

তাতে বলা হয়েছে, আগামী ২৪ সেপ্টেম্বরের মধ্যে বাতিল করা প্রশ্নগুলো ট্রেজারি অফিসগুলোতে কঠোর নিরাপত্তার সঙ্গে আলাদা করে আলাদা ট্রাংকে সংরক্ষণ করতে হবে।

এদিকে প্রশ্ন ফাঁসের মামলায় এখন পর্যন্ত ভূরুঙ্গামারীর নেহাল উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিবসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর মধ্যে বুধবার রাতে একই বিদ্যালয়ের কৃষিবিজ্ঞানের শিক্ষক হামিদুল ইসলাম, বাংলার শিক্ষক সোহেল চৌধুরী ও পিয়ন সুজন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে গ্রেপ্তার হন প্রতিষ্ঠানটির ইংরেজির শিক্ষক আমিনুর রহমান রাসেল এবং ইসলাম শিক্ষার শিক্ষক জোবা‌ইর‌ হোসেন।

আরও পড়ুন:
বহিষ্কার এসএসসি পরীক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে ভাঙচুরের অভিযোগ
২১ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার, ইউএনওর ওপর ক্ষুব্ধ শিক্ষকরা
এসএসসি-এইচএসসি আগামী বছর সব বিষয়ে
এসএসসি পরীক্ষার নিয়মভঙ্গ, ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
দুই কাউন্সিলরের হয়ে এসএসসি, মুচলেকায় ছাড়া পেল ২ কিশোর

মন্তব্য

শিক্ষা
SSC Dinajpur Board postponed examination schedule change
এসএসসি

দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন ২ ঘণ্টা পরই

দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন ২ ঘণ্টা পরই
২২ সেপ্টেম্বরের গণিত (আবশ্যিক) পরীক্ষা ১০ অক্টোবর, ২৫ সেপ্টেম্বরের কৃষি শিক্ষা (তত্ত্বীয়) ১১ অক্টোবর, ২৬ সেপ্টেম্বরের রসায়ন (তত্ত্বীয়) ১৩ অক্টোবর এবং ২৪ সেপ্টেম্বরের পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চলমান এসএসসি পরীক্ষার চারটি পরীক্ষা স্থগিতের পর সময়সূচি ঘোষণার ২ ঘণ্টা পর আবারও সেই সময়সূচিতে পরিবর্তন আনল বোর্ড কর্তৃপক্ষ।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর কামরুল ইসলাম সই করা এক সংশোধিত প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে বৃহস্পতিবার বেলা পৌনে ৩টার দিকে এ তথ্য জানানো হয়।

এতে জানানো হয়, ২২ সেপ্টেম্বরের গণিত (আবশ্যিক) পরীক্ষা ১০ অক্টোবর, ২৫ সেপ্টেম্বরের কৃষি শিক্ষা (তত্ত্বীয়) ১১ অক্টোবর, ২৬ সেপ্টেম্বরের রসায়ন (তত্ত্বীয়) ১৩ অক্টোবর এবং ২৪ সেপ্টেম্বরের পদার্থবিজ্ঞান (তত্ত্বীয়) ১৫ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে।

এ ছাড়া ১০ থেকে ১৫ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিতব্য ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৬ থেকে ২০ অক্টোবর পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

এর আগে দুপুর পৌনে একটায় চেয়ারম্যান স্বাক্ষরিত বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়েছিল, ২২ সেপ্টেম্বরের গণিত পরীক্ষা ১০ অক্টোবর, ২৫ সেপ্টেম্বরের কৃষি শিক্ষা (তত্ত্বীয়) ১১ অক্টোবর, ২৪ সেপ্টেম্বরের বিজ্ঞান (তত্তীয়) ১২ অক্টোবর, ২৬ সেপ্টেম্বরের রসায়ন (তত্ত্বীয়) ১৩ অক্টোবর নেয়া হবে। একই সঙ্গে ১০ থেকে ১৫ অক্টোবরের ব্যবহারিক পরীক্ষা ১৫ থেকে ২০ অক্টোবর নেয়া হবে।

প্রশ্ন ফাঁসের ঘটনা জানাজানির পর বুধবার সকালে এ ৪ বিষয়ের পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছিল। যদিও সেটি যে প্রশ্ন ফাঁসের কারণেই করা হয়েছে, তা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।

এদিকে প্রশ্ন ফাঁসের মামলায় এখন পর্যন্ত ভূরুঙ্গামারীর নেহাল উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্রসচিবসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। তাদের কারাগারে পাঠানো হয়েছে।

এর মধ্যে বুধবার রাতে একই বিদ্যালয়ের কৃষি বিজ্ঞানের শিক্ষক হামিদুল ইসলাম, বাংলার শিক্ষক সোহেল চৌধুরী ও পিয়ন সুজন মিয়াকে গ্রেপ্তার করা হয়। এর আগে মঙ্গলবার রাতে প্রধান শিক্ষকের সঙ্গে গ্রেপ্তার হন প্রতিষ্ঠানটির ইংরেজির শিক্ষক আমিনুর রহমান রাসেল এবং ইসলাম শিক্ষার শিক্ষক জোবা‌ইর‌ হোসেন।

আরও পড়ুন:
২১ পরীক্ষার্থী বহিষ্কার, ইউএনওর ওপর ক্ষুব্ধ শিক্ষকরা
এসএসসি-এইচএসসি আগামী বছর সব বিষয়ে
এসএসসি পরীক্ষার নিয়মভঙ্গ, ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
দুই কাউন্সিলরের হয়ে এসএসসি, মুচলেকায় ছাড়া পেল ২ কিশোর
৯ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা সেই ম্যাজিস্ট্রেটকে আইনি নোটিশ

মন্তব্য

শিক্ষা
SSC question leaked 3 more arrested in Kurigram

এসএসসির ‘প্রশ্ন ফাঁস’: কুড়িগ্রামে গ্রেপ্তার আরও ৩

এসএসসির ‘প্রশ্ন ফাঁস’: কুড়িগ্রামে গ্রেপ্তার আরও ৩
কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় নতুন করে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

এসএসসি পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগে কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী থানায় হওয়া মামলায় আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

বুধবার রাতে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়।

গ্রেপ্তার তিনজন হলেন ভূরুঙ্গামারীর নেহাল উদ্দিন বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের কৃষি বিজ্ঞানের শিক্ষক হামিদুল ইসলাম, বাংলার শিক্ষক সোহেল চৌধুরী ও পিয়ন সুজন মিয়া।

তাদের মধ্যে দুই শিক্ষক হামিদুল ও সোহেলকে বুধবার সকালে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করেছিল পুলিশ। পরে রাতে তাদের মামলায় গ্রেপ্তার দেখানো হয়। রাতেই গ্রেপ্তার করা হয় পিয়ন সুজনকে।

প্রশ্ন ফাঁসের মামলায় এখন পর্যন্ত ওই স্কুলের প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্রসচিবসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

মামলায় বুধবার প্রতিষ্ঠানটির প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্রসচিব লুৎফর রহমান, ইংরেজির শিক্ষক আমিনুর রহমান রাসেল এবং ইসলাম শিক্ষার শিক্ষক জোবায়ের ইসলামকে কারাগারে পাঠায় আদালত।

এজাহারভুক্ত আরেক আসামি ও স্কুলের অফিস সহকারী আবু হানিফ পলাতক।

কুড়িগ্রামের পুলিশ সুপার (এসপি) আল আসাদ মো. মাহফুজুল ইসলাম জানান, প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় নতুন করে আরও তিনজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এ নিয়ে ছয়জনকে গ্রেপ্তার করা হলো।

তিনি আরও জানান, গ্রেপ্তার ছয়জনকে প্রয়োজনে রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হবে। এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত কাউকে ছাড় দেয়া হবে না।

এর আগে মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. কামরুল ইসলাম সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে চারটি পরীক্ষা স্থগিতের কথা বলা হয়েছে। তবে সেটি যে প্রশ্ন ফাঁসের কারণেই করা হয়েছে, তা বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়নি।

স্থগিত করা বিষয়গুলোর মধ্যে আছে গণিত, কৃষিবিজ্ঞান, রসায়ন বিজ্ঞান ও পদার্থবিজ্ঞান।

কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলায় চলতি এসএসসি পরীক্ষার ইংরেজি প্রথম ও দ্বিতীয় পত্রের প্রশ্ন ফাঁসের অভিযোগে কেন্দ্রসচিবসহ তিন শিক্ষককে আটক করা হয়েছে।

দিনাজপুর শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর মো. কামরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনায় আমরা একটা তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। রিপোর্ট পেলে পরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

এক প্রশ্নের উত্তরে তিনি বলেন, ‘যেসব বিষয়ে পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে, সেসব বিষয়ে কোনো সমস্যা নেই।’

আরও পড়ুন:
এসএসসি পরীক্ষার নিয়মভঙ্গ, ৩ প্রতিষ্ঠানকে জরিমানা
দুই কাউন্সিলরের হয়ে এসএসসি, মুচলেকায় ছাড়া পেল ২ কিশোর
৯ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা সেই ম্যাজিস্ট্রেটকে আইনি নোটিশ
বাবার মরদেহ রেখেই পরীক্ষা কেন্দ্রে সুমাইয়া 
এসএসসি দিতে যাওয়ার পথে অটোরিকশা উল্টে নিহত শিক্ষার্থী

মন্তব্য

p
উপরে