× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Students are facing a shortage of clean drinking water
google_news print-icon

বিশুদ্ধ খাবার পানি সংকটে জবি শিক্ষার্থীরা

বিশুদ্ধ-খাবার-পানি-সংকটে-জবি-শিক্ষার্থীরা
বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকটে ভুগছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
এক শিক্ষার্থী বলেন, ‘আমাদের একটি মাত্র ক্যাফেটেরিয়া, সেখানে এমনিতেই সবসময় প্রচুর ভিড় থাকে। তাছাড়া কিছু কিছু সময় ক্যাফেটেরিয়া বন্ধও থাকে। সেখানে একটা পানির ফিল্টার আছে। আর মসজিদে আছে একটি। সেখান থেকে ফিল্টার পানি নেয়ার সময় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয়।’

বিশুদ্ধ খাবার পানির সংকটে ভুগছেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) শিক্ষার্থীরা। বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রায় ২০ হাজার শিক্ষার্থীর জন্য নেই সুপেয় পানির তেমন ব্যবস্থা। শিক্ষার্থীরা ভোগান্তিতে থাকলেও এ ব্যাপারে প্রশাসন কোনো পদক্ষেপ নেয়নি বলে অভিযোগ উঠেছে।

সরেজমিনে দেখা যায়, বিশ্ববিদ্যালয়ের ক্যাফেটেরিয়া এবং কেন্দ্রীয় মসজিদ ছাড়া আর কোথাও পানির ফিল্টারের ব্যবস্থা নেই। প্রতিটি সেমিনার রুমে বা কমনরুমে পানির ফিল্টার বসানো হলেও তা গরমে ব্যবহারের অযোগ্য হয়ে পড়ে। আবার অনেক বিভাগে এখনও বসানো হয়নি ফিল্টার।

ক্যাম্পাসের আশেপাশে থাকা শিক্ষার্থীরাও বিশুদ্ধ পানির জন্য ক্যাম্পাসের ফিল্টার পানির উপর নির্ভরশীল। বিকেলে এবং সন্ধ্যায় পানি সংগ্রহের জন্য ক্যাফেটেরিয়া এবং কেন্দ্রীয় মসজিদে জমে ভিড়। ক্যাফেটেরিয়া রাত সাড়ে ৮টায় বন্ধ হওয়ায় পানি সংগ্রহের জন্য শিক্ষার্থীরা একমাত্র কেন্দ্রীয় মসজিদে সামনে ভিড় জমান।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, একটা বিশ্ববিদ্যালয়ে এতো শিক্ষার্থী পড়াশোনা করে কিন্তু ঠিকভাবে পানির ব্যবস্থাটা পর্যন্ত রাখা হয়নি। পানি নিতে ক্যাফেটেরিয়ায় লাইন ধরতে হয়।

এসব ভোগান্তির স্থায়ী সমাধান করতে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে বেশ কয়েকবার দাবিও জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা।

এক শিক্ষার্থী অভিযোগ করে বলেন, ‘আমরা বিশুদ্ধ পানি পায় না। পানি নেয়ার জন্য দীর্ঘ সিরিয়াল দিতে হয়।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাদের একটি মাত্র ক্যাফেটেরিয়া, সেখানে এমনিতেই সবসময় প্রচুর ভিড় থাকে। তাছাড়া কিছু কিছু সময় ক্যাফেটেরিয়া বন্ধও থাকে। সেখানে একটা পানির ফিল্টার আছে। আর মসজিদে আছে একটি। সেখান থেকে ফিল্টার পানি নেয়ার সময় দীর্ঘ লাইনে দাঁড়াতে হয়।’

পুরান ঢাকায় মেসে থেকে পড়াশোনা করেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিসংখ্যান বিভাগের তৃতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী অমিত পাল। নিউজবাংলাকে তিনি জানান, ‘পুরান ঢাকার কয়েকটি সমস্যার মধ্যে প্রধান সমস্যা হচ্ছে বিশুদ্ধ পানির অভাব। তাই ক্যাম্পাস থেকেই পানি নিয়ে যাই। রাতে আবার ক্যাফেটেরিয়া বন্ধ হয়ে যায়, তখন মসজিদ থেকে পানি আনতে হয়। বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন চাইলেই বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা করে দিতে পারে আমাদের জন্য।’

ইতিহাস বিভাগের শিক্ষার্থী রাইছা বিনতে জেরিন নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ক্যাম্পাসে পানি জন্য প্রতিদিন আসতে হয়। মসজিদের ওজুখানা থেকে পানি সংগ্রহ অনেকটা বিবৃতিকর। এছাড়া পানি সংগ্রহের ক্ষেত্রে অনেক সময় অপেক্ষা করতে হয়। ক্যাম্পাসে মুক্তভাবে কয়েকটা ফিল্টার স্থাপন হলে সহজে আমরা পানি সংগ্রহ করতে পারতাম।’

এদিকে কয়েকটি বিভাগ ছাড়া বেশিরভাগ বিভাগেই শিক্ষার্থীদের জন্য নেই বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা। পরিসংখ্যান বিভাগের শিক্ষার্থী মেহেরাব বলেন, ‘বিভাগে বিশুদ্ধ পানির ব্যবস্থা নেই। এখন আমাদের ক্লাস হয় ১০ তলায়। দেখা যাচ্ছে পানি খাওয়ার জন্য দশতলার নিচে নামতে হয় কিংবা অন্য বিভাগে যেতে হয়।’

এ ব্যাপারে ছাত্রকল্যাণ দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. আইনুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের জন্য ক্যাফেটেরিয়ার সামনে বেসিন আছে এবং সমাজবিজ্ঞান ভবন-১ এর সঙ্গে যে বেসিন আছে ওখান থেকে তারা পানি খেতে পারে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পানির কল লাগালে তো ভেঙে চুরে খুলে নিয়ে যায়। এখন এমন জায়গায় কল লাগানোর ব্যবস্থা করতে হবে যেখানে মানুষজনের আনাগোনা রয়েছে, নিরাপদে রাখা যাবে। আমরা ব্যবস্থা করছি।’

আরও পড়ুন:
পাঁচ বছর পর জবির পরিবহন পুলে নতুন 'প্রশাসক'
জবির আইকিউএসি দপ্তরের কাগজপত্র তছনছ, সিসিটিভি ক্যামেরাও উধাও
নানা আয়োজনে জবিতে জন্মাষ্টমী পালন
ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি, আকতারুলের রিমান্ড নাকচ
সৎমার বিরুদ্ধে বাবাকে গুম করার অভিযোগ জবি শিক্ষার্থীর

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Awami League is plotting against Sheikh Hasina and the country
শেখ হাসিনার প্রত্যাবর্তন দিবসের আলোচনায় সালমান এফ রহমান

আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা ও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে

আওয়ামী লীগ, শেখ হাসিনা ও দেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ভবনে রোববার আয়োজিত আলোচনা সভায় বক্তব্য দেন সালমান এফ রহমান। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক উপদেষ্টা বলেছেন, ‘গত নির্বাচন নিয়েও ষড়যন্ত্র হয়েছিল। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেই নির্বাচন আমরা অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে করতে পেরেছি। আগামীতেও সব ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে। এখন থেকেই আগামী জাতীয় নির্বাচনে প্রস্তুতি নিতে হবে।’

আওয়ামী লীগ, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে বলে মন্তব্য করেছেন সালমান ফজলুর রহমান এমপি।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ বিষয়ক এই উপদেষ্টা বলেছেন, ‘গত নির্বাচন নিয়েও ষড়যন্ত্র হয়েছিল। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে সেই নির্বাচন আমরা অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণভাবে করতে পেরেছি। আগামীতেও সব ষড়যন্ত্র ঐক্যবদ্ধভাবে মোকাবিলা করতে হবে।’

রাজধানীর তেজগাঁওয়ে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ ভবনে রোববার আয়োজিত এক আলোচনা সভায় সালমান ফজুলর রহমান এসব কথা বলেন।

প্রধানমন্ত্রী ও দলীয় সভাপতি শেখ হাসিনার ৪৪তম স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগ এই আলোচনা সভার আয়োজন করে।

সালমান এফ রহমান বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করে শেখ হাসিনা বাংলাদেশকে আজকের অবস্থায় নিয়ে এসেছেন। যখনই বিদেশে যাই, সব জায়গা থেকেই জানতে চাওয়া হয়- বাংলাদেশ এত উন্নয়ন কীভাবে করতে পেরেছে? তাদের বলি- শেখ হাসিনার ম্যাজিকের কারণেই আমরা এই পর্যায়ে আসতে পেরেছি।

‘শেখ হাসিনা দেশে না ফিরলে আমাদের কী অবস্থা হতো, সেটা আমরা কল্পনাও করতে পারি না। তিনি দেশকে এগিয়ে নিয়ে গেছেন। আমাদের ভাগ্য ভালো- তার মতো একজন নেতা ও প্রধানমন্ত্রী আমরা পেয়েছি।’

প্রধানমন্ত্রীর এই উপদেষ্টা বলেন, ‘বিশ্বের বিভিন্ন স্থানে যুদ্ধের জন্য আমরা দায়ী না হলেও এর প্রভাব আমাদের ওপরও পড়েছে। এটা মোকাবিলা করতে হবে। আরেকটা চ্যালেঞ্জ হচ্ছে প্রযুক্তি। আর্টিফিশিয়াল ইন্টেলিজেন্স আসছে। এই প্রযুক্তি ব্যবহার করে এমন সব বক্তব্য প্রচার করা হবে, যেটা সম্পূর্ণ ভুয়া। এটাও বিরাট চ্যালেঞ্জ। এই প্রযুক্তি মোকাবিলায়, আমাদের তরুণ প্রজন্মকে এটা শিখতে হবে।’

আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য এখনই প্রস্তুতি নেয়ার আহ্বান জানিয়ে সালমান রহমান বলেন, ‘পাঁচ বছর অনেক সময় মনে হলেও দেখতে দেখতে শেষ হয়ে যাবে। তাই এখন থেকেই আগামী জাতীয় নির্বাচনের জন্য প্রস্তুতি নিতে হবে।

‘এদেশের সবাই আওয়ামী লীগ করে না। কেউ কেউ বিএনপি করে। আবার অনেকে নিরপেক্ষ আছে। আমাদের কাজ নিরপেক্ষদের মনজয় করা। এটা তখনই সম্ভব, যখন আমরা ঐক্যবদ্ধ থাকব।’

সভায় আওয়ামী লীগ সভাপতিমণ্ডলীর সদস্য অ্যাডভোকেট কামরুল ইসলাম এমপি বলেন, দেশের মানুষ যখন স্মার্ট বাংলাদেশের স্বপ্ন দেখছে, তখনও বিএনপি-জামায়াত অপশক্তি ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। এরা গণতন্ত্র, দেশ ও জনগণের শত্রু। এদের বিরুদ্ধে ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে।’

তিনি বলেন, উপজেলা নির্বাচনে বিএনপির যারা অংশ নিচ্ছেন তাদের বহিষ্কার করছে দলটি। এমনকি যারা জিতেছেন তাদেরও হুমকি দেয়া হচ্ছে। এরা গণতন্ত্র ও নির্বাচনে বিশ্বাস করে না, পেছনের দরজা দিয়ে ক্ষমতায় আসতে চায়। তবে আন্দোলন করে সরকারের পতন ঘটানো যায় না। ক্ষমতায় আসতে হলে নির্বাচন করেই আসতে হবে।’

স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান বলেন, ‘১৫ বছর আগে আমরা কোথায় ছিলাম আর আজ কোথায় আছি। এই সবকিছুর কারিগর শেখ হাসিনা। সেদিন আর খুব বেশি দূরে নেই, বঙ্গবন্ধু-কন্যা শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশে আর কোনো হতদরিদ্র মানুষ থাকবে না। বছর পাঁচেকের মধ্যেই হতদরিদ্র মানুষ দেখতে হলে এদেশের তরুণ সমাজকে জাদুঘরে যেতে হবে। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে আমরা এগিয়ে যাচ্ছি, এগিয়ে যাবো।’

ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি বেনজীর আহমেদ এমপির সভাপতিত্বে ও সাধারণ সম্পাদক পনিরুজ্জামান তরুণের সঞ্চালনায় আলোচনা সভায় আরও বক্তব্য দেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক আহমদ হোসেন এমপি, মির্জা আজম এমপি, কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সদস্য ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক মোহাম্মদ আলী আরাফাত, ঢাকা-১৯ আসনের এমপি মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম, ঢাকা জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি ডা. এনামুর রহমান, মাহবুবুর রহমান, নবাবগঞ্জ উপজেলা চেয়ারম্যান নাসির উদ্দিন ঝিলু, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফকরুল আলম সমর, সাংগঠনিক সম্পাদক হালিমা আক্তার লাবণ্য, হাবিবুর রহমান হাবিব, সাকুর রহমান সাকো, দোহার উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি ও উপজেলা চেয়ারম্যান আলমগীর হোসেন, নবাবগঞ্জ উপজেলা আওয়ামী লীগ সভাপতি মিজানুর রহমান ভূঁইয়া প্রমুখ।

আরও পড়ুন:
ক্ষমতায় আসার জন্য বিদেশিদের পেছনে ঘুরেছে বিএনপি: সালমান এফ রহমান

মন্তব্য

শিক্ষা
Inauguration of Bangbazar Bipani Bitan construction work on May 25

বঙ্গবাজার বিপণি বিতান নির্মাণ কাজ উদ্বোধন ২৫ মে

বঙ্গবাজার বিপণি বিতান নির্মাণ কাজ উদ্বোধন ২৫ মে বঙ্গবাজার নগর পাইকারি বিপণি বিতানের নকশা। ছবি: সংগৃহীত
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা এই নির্মাণ কাজ উদ্বোধন করবেন। একই দিন পোস্তগোলা থেকে রায়ের বাজার স্লুইস গেট পর্যন্ত ‘৮ সারির ইনার সার্কুলার রোড’ এবং ধানমন্ডি লেকের পাড়ে ‘নজরুল সরোবর’ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন তিনি।

রাজধানীর বঙ্গবাজার নগর পাইকারি বিপণি বিতান নির্মাণ কাজ শুরু হচ্ছে ২৫ মে। এদিন সকাল ১১টায় নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

এছাড়াও প্রধানমন্ত্রী সেদিন ঢাকার পোস্তগোলা থেকে রায়ের বাজার স্লুইস গেট পর্যন্ত ‘৮ সারির ইনার সার্কুলার রোড’ এবং ধানমন্ডি লেকের পাড়ে ‘নজরুল সরোবর’ নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করবেন।

ঢাকা দক্ষিণ সিটি করপোরেশনের (ডিএসসিসি) জনসংযোগ বিভাগ থেকে রোববার পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।

প্রসঙ্গত, গত বছরের ৪ এপ্রিল বঙ্গবাজার কমপ্লেক্সে সংঘটিত ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে ক্ষতিগ্রস্ত ব্যবসায়ীদের পুনর্বাসনের লক্ষ্যে ডিএসসিসি সেখানে নতুন করে বঙ্গবাজার পাইকারি নগর বিপণি বিতান নির্মাণের উদ্যোগ নেয়।

এছাড়াও পদ্মা বহুমুখী সেতু নির্মাণের ফলে দক্ষিণবঙ্গের ২১টি জেলা এবং চট্টগ্রাম ও সিলেট বিভাগের ১৬ জেলা থেকে আসা উত্তরবঙ্গগামী বাসগুলোকে যেন রাজধানীর ভেতরে প্রবেশ করতে না হয়, সেজন্য পোস্তাগোলা ব্রিজ থেকে রায়েরবাজার স্লুইস গেট পর্যন্ত ৮ সারির ইনার সার্কুলার রোড নির্মাণের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে প্রথম পর্যায়ে কামরাঙ্গীরচরের লোহার পুল থেকে রায়ের বাজার স্লুইস গেট পর্যন্ত ৮ সারির সড়ক নির্মাণ করা হবে। এই সড়কের মাঝের দুই-দুই চার সারি এক্সপ্রেসওয়ে এবং দুপাশে দুই-দুই চার সারি সার্ভিস লেন হিসেবে রাখা হয়েছে।

আরও পড়ুন:
বঙ্গবাজারে ব্যবসায়ী চাচাকে খুঁজছেন আনোয়ারা
বঙ্গবাজার ধ্বংসস্তূপে এখনও আগুন-ধোঁয়া
বঙ্গবাজারের ব্যবসায়ীদের ১ কোটি টাকা অনুদান দেবে এফবিসিসিআই
ঈদ শপিং না করে বঙ্গবাজারের ব্যবসায়ীদের ২২ লাখ টাকা দিলেন ট্রান্সজেন্ডাররা
বঙ্গবাজারে আগুন, সার্ভার জটিলতায় জিডি নিতে দেরি

মন্তব্য

শিক্ষা
Autorickshaw drivers fire at police box in Kalshi

কালশীতে পুলিশ বক্সে অটোরিকশা চালকদের আগুন

কালশীতে পুলিশ বক্সে অটোরিকশা চালকদের আগুন রোববার বিকেলে মিরপুরের কালশী মোড়ে ট্রাফিক পুলিশ বক্সে আগুন ধরিয়ে দেয় আন্দোলনকারী অটোরিকশা চালকরা। ছবি: সংগৃহীত
পল্লবী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোখলেসুর রহমান বলেন, অটোরিকশা চালকরা সহিংস আন্দোলন করছে। তারা কালশী মোড়ে একটি পুলিশ বক্সে আগুন দিয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা চলাচল বন্ধের প্রতিবাদে রোববার সকাল থেকেই রাজধানীর আগারগাঁও ও মিরপুর ১০ নম্বরে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ করছে চালকরা। দুপুর পর্যন্ত তারা ৩০টির বেশি বাস, ট্রাক ও মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে।

সবশেষ বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মিরপুরের কালশীতে ট্রাফিক পুলিশ বক্সে আগুন ধরিয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটেছে।

পল্লবী থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মোখলেসুর রহমান বলেন, অটোরিকশার চালকরা কালশীতে সহিংস আন্দোলন করছে। তারা কালশী মোড়ে অবস্থিত একটি পুলিশ বক্সে আগুন দিয়েছে। এটি ট্রাফিক পুলিশের একটি বক্স। এ বিষয়ে পুলিশের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেয়া হচ্ছে।

এর আগে কালশীতে সড়ক অবরোধ করে অটোরিকশা চালকরা রাস্তা অবরোধ করে। এতে সড়কের দুদিকে যানবাহন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়।

দুপুরে মিরপুর ১০ নম্বরে পুলিশের সঙ্গে বিক্ষোভকারীদের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া ও ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। এ সময় তিন বিক্ষোভকারী আহত হয়।

বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে মিরপুর-১০ নম্বর চত্বর থেকে অটোরিকশা চালকদের সরিয়ে দেয় পুলিশ। যানবাহন চলাচলও স্বাভাবিক হয়ে আসে।

এর আগে সকাল সাড়ে ১০টার দিকে আগারগাঁও ও মিরপুর ১০ নম্বরে রাস্তা অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করে ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালকরা। পরে মিরপুর-১ নম্বরে সনি সিনেমা হলের সামনে অবস্থান নেয় তারা।

মিরপুর বিভাগের উপ-কমিশনার (ডিসি) জসিম উদ্দিন মোল্ল্যা গণমাধ্যমকে বলেন, হাইকোর্টের আদেশের পর মিরপুর এলাকায় অটোরিকশা চলাচল বন্ধ করে দেয়া হয়। এর প্রতিবাদে অটোরিকশা চালকরা মিরপুর-১০ গোলচত্বরে জড়ো হয়ে বিক্ষোভ করতে থাকে এবং সড়কে যানবাহন চলাচল বন্ধ করে দেয়।

তিনি বলেন, পুলিশ ধৈর্যের সঙ্গে প্রায় চার ঘণ্টা অপেক্ষার পর স্থানীয় সংসদ সদস্যের উপস্থিতিতে মিরপুর-১০ নম্বর চত্বরে থাকা চালকদের বিষয়ে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হয়। মিরপুর-১০ নম্বর থেকে সরে তারা হয়তো কালশীতে গিয়ে রাস্তায় আগুন দিয়েছে।

প্রসঙ্গত, আওয়ামী লীগ সাধারণ সম্পাদক এবং সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের ১৫ মে রাজধানীতে ব্যাটারিচালিত রিকশা চলতে না দেয়ার নির্দেশনা দেন। বনানীতে বাংলাদেশ সড়ক পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআরটিএ) কার্যালয়ে সড়ক পরিবহন উপদেষ্টা পরিষদের সভায় তিনি এই নির্দেশ দেন।

সেতুমন্ত্রী বলেন, ঢাকায় কোনো ব্যাটারিচালিত রিকশা চালানো যাবে না। এ বিষয়ে শুধু নিষেধাজ্ঞা আরোপ নয়; এগুলো যেন চলতে না পারে তা নিশ্চিত করতে হবে। এছাড়া ২২ মহাসড়কে রিকশা ও ইজিবাইক নিষিদ্ধ করা হয়েছে, তা বাস্তবায়ন করতে হবে।

আরও পড়ুন:
মিরপুরে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের সড়ক অবরোধ
ঢাকায় অটোরিকশা বন্ধে অভিযানে পুলিশ

মন্তব্য

শিক্ষা
Metro Rail in India has no VAT in Bangladesh Why Who?

ভারতে মেট্রোরেলে ভ্যাট নেই, বাংলাদেশে কেন: কাদের

ভারতে মেট্রোরেলে ভ্যাট নেই, বাংলাদেশে কেন: কাদের মেট্রোরেলের রাজধানীর আগারগাঁও স্টেশনের কাউন্টার এলাকায় যাত্রীদের ভিড়। ফাইল ছবি
ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের এনবিআর হঠাৎ করেই মেট্রোরেলে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারতে কি ভ্যাট আছে? ভ্যাট নেই।’

মেট্রোরেলে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপ করার যৌক্তিকতা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী ওবায়দুল কাদের।

তিনি বলেন, ‘এনবিআরের এই সিদ্ধান্ত ভুল। প্রধানমন্ত্রী বিষয়টি পুনর্বিবেচনার ব্যাপারে আশ্বাস দিয়েছেন।’

রাজধানীর একটি হোটেলে মেট্রোরেলের ব্র্যান্ডিং অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে যোগদান শেষে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি সাংবাদিকদের কাছে এ কথা বলেন।

ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘আমাদের এনবিআর হঠাৎ করেই মেট্রোরেলে ১৫ শতাংশ ভ্যাট আরোপের সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ভারতে কি ভ্যাট আছে? ভ্যাট নেই।

‘তাহলে আমাদের এখানে কেন? এটা হয় না। এতে মেট্রোরেলের সুনামটা নষ্ট হয়। আমি প্রধানমন্ত্রীকে জানিয়েছি, তিনি পুনর্বিবেচনার আশ্বাস দিয়েছেন।’

সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ‘আফ্রিকার ছোট ছোট দেশগুলোর রাজধানীতে যে গাড়ি চলাচল করে তা অনেক সুন্দর। ঢাকায় সর্বশেষ প্রযুক্তির এত সুন্দর কার, জিপ গাড়ি ব্যবহার করা হয়। আর বাসগুলোর কেন এত জরাজীর্ণ চেহারা?

‘মেট্রোরেল আধুনিক গণপরিবহন। এখান থেকে বের হলেই জীর্ণশীর্ণ গরিব চেহারার বাসগুলো দেখলে কেমন লাগে? এতে আমরা লজ্জা পাচ্ছি। মালিক সাহেবরা কি লজ্জা পাচ্ছেন না? এসব গাড়ি সরিয়ে নিতে দুই সিটি মেয়রের সহযোগিতা চাচ্ছি।’

আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক দাবি করেন, বিএনপির নেতারা মানসিক ট্রমায় ভুগছেন, যে কারণে আবোল-তাবোল কথা বলছেন।

নির্বাচনে আওয়ামী লীগের লোকজনই ভোট দিতে আসেনি—বিএনপি নেতাদের এমন দাবির বিষয়ে তিনি বলেন, ‘বিএনপির এ দাবি সত্য নয়। উপজেলা নির্বাচনে প্রথম ধাপে নির্বাচন কমিশন জানিয়েছে ৩০ থেকে ৪০ শতাংশ ভোট পড়েছে।

‘জাতীয় নির্বাচনে ভোট পড়েছে ৪২ শতাংশেরও বেশি। তারা কি এ দেশের মানুষ নয়? ৪২ শতাংশ যদি ভোট প্রদান করে, তাহলে ভোটাররা নির্বাচন প্রত্যাহার করল কেমন করে? আসলে বিএনপি নেতারা মানসিক ট্রমায় ভুগছে। যা খুশি তাই বলেন ফ্রি স্টাইলে। এর বাস্তবতা নেই। তারা বাস্তবতা থেকে অনেক দূরে।’

বিএনপির আবারও আন্দোলনের প্রস্তুতি নিয়ে কাদের বলেন, ‘রাজনৈতিক দল হিসেবে বিএনপির আন্দোলন করার অধিকার আছে। আন্দোলন শান্তিপূর্ণ হলে আমরা রাজনৈতিকভাবেই মোকাবিলা করব।

‘আর যদি আন্দোলন রূপ নেয় আগুন সন্ত্রাসে, যে চেহারা তারা অতীতে দেখিয়েছে, তাহলে সরকার উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ব্যবস্থা নেবে। রাজনৈতিকভাবেও আমরা মোকাবিলা করব।’

রাজধানীর হোটেল ইন্টারকন্টিনেন্টালে এ সেমিনারের আয়োজন করে পরিচালনাকারী সংস্থা ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেড তথা ডিএমটিসিএল। এতে ওবায়দুল কাদের যানজট নিরসনে আধুনিক এ গণপরিবহনের ভূমিকা তুলে ধরেন।

সড়ক ও মহাসড়ক বিভাগের সচিব এবিএম আমিনুল্লাহ নূরীর সভাপতিত্বে সেমিনারে আরও বক্তব্য দেন সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি রেজওয়ান আহমেদ তৌফিক, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত ইয়োমা কিমিনুরি, জাইকা বাংলাদেশ অফিসের মুখ্য প্রতিনিধি ইচিগুচি তমোহিদে ও ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনা পরিচালক এমএএন সিদ্দিক।

আরও পড়ুন:
সাংবাদিকরা বাংলাদেশ ব্যাংকে ঢুকবেন কেন, প্রশ্ন কাদেরের
সরকারের ধারাবাহিকতায় এত উন্নয়ন: কাদের
শেখ হাসিনা বদলে যাওয়া বাংলাদেশের রূপকার: ওবায়দুল কাদের
যুক্তরাষ্ট্র আগের অবস্থানে আছে, ফখরুল কী করে জানলেন: কাদের
নো হেলমেট, নো ফুয়েল: কাদের

মন্তব্য

শিক্ষা
Battery operated rickshaw drivers block road in Mirpur

মিরপুরে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের সড়ক অবরোধ

মিরপুরে ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকদের সড়ক অবরোধ রোববার সকাল ৯টা থেকে রাস্তায় ছিলেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকরা। ছবি: ইউএনবি
সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের প্রতিবাদে মিছিল, মোড়ে মোড়ে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করেন চালকরা।

ব্যাটারিচালিত রিকশা চলাচলের অনুমতির দাবিতে রাজধানীর মিরপুর-১০ ও পল্লবী এলাকায় সড়ক অবরোধ করে চালকরা আন্দোলন করছেন বলে জানিয়েছে ইউএনবি।

বার্তা সংস্থাটির প্রতিবেদনে বলা হয়, রোববার সকাল ৯টা থেকে রাস্তায় ছিলেন ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার চালকরা। তাদের আন্দোলনের কারণে সড়কে যানবাহন চলাচল ব্যাহত হয়। এতে দুর্ভোগে পড়েন শত শত মানুষ।

দুপুর একটার দিকে শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত ওই এলাকার যান চলাচল স্বাভাবিক হয়নি।

বিষয়টি নিশ্চিত করে ডিএমপির যুগ্ম কমিশনার (ট্রাফিক উত্তর) আবু সালেহ মো. রায়হান ইউএনবিকে জানান, মিরপুর-১০ থেকে ১১, ২, ১৩ ও শেওড়াপাড়া রোডে যানবাহন চলতে বাধা দেন আন্দোলনকারীরা।

পল্লবী থানার ডিউটি অফিসার এসআই মোস্তাক আহমেদ বার্তা সংস্থাটিকে বলেন, ‘মিরপুর এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশাচালকরা রাস্তা অবরোধ করেছে। সেখানে পুলিশ পাঠানো হয়েছে। এখনও তারা রাস্তা ছাড়েনি।’

ইউএনবির খবরে উল্লেখ করা হয়, মিরপুর-১০ গোলচত্বরে শত শত ব্যাটারিচালিত রিকশাচালক অবস্থান নেন। তাদের শান্ত করার জন্য সেখানে থানা পুলিশ সদস্যরা উপস্থিত হন। পুলিশ চালকদের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলেও তারা সড়ক ছাড়ছেন না।

অন্যদিকে পল্লবী এলাকার পুরবী সিনেমা হলের সামনেও সকালে রিকশাচালকরা রাস্তায় নামেন। পরে সেখান থেকে সবাই মিরপুর-১০ এলাকায় এসে জড় হন।

মিরপুর, পল্লবী, আগারগাঁও, তালতলা, কালশী ও মিরপুর- ১৩ এলাকায় একযোগে আন্দোলন করেন রিকশাচালকরা।

সকাল থেকেই বিভিন্ন এলাকায় ব্যাটারিচালিত রিকশা বন্ধের প্রতিবাদে মিছিল, মোড়ে মোড়ে অবস্থান নিয়ে আন্দোলন করেন তারা।

আরও পড়ুন:
ঢাকায় অটোরিকশা বন্ধে অভিযানে পুলিশ
খুলনা-ফরিদপুর মহাসড়ক অবরোধ, পুলিশের টিয়ারশেল ও ফাঁকা গুলি
কমলগঞ্জে প্রাইভেট কার চাপায় চা শ্রমিক নিহত, সড়ক অবরোধ
রমজানে সাঈদুলের অটোরিকশা ভাড়ায় ছাড়
প্রক্টর প্রভোস্টকে অব্যাহতির আশ্বাসে জাবিতে অবরোধ স্থগিত

মন্তব্য

শিক্ষা
The body of the young man was recovered four days after he went missing in Jatrabari

নিখোঁজের ৪ দিন পর যুবকের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার

নিখোঁজের ৪ দিন পর যুবকের হাত-পা বাঁধা মরদেহ উদ্ধার প্রতীকী ছিবি
যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নওশের আলী বলেন, ‘ওই যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে, কাপড় দিয়ে মুখ ও দুটি পা রবার জাতীয় রশি দিয়ে বাঁধা ছিল।’

রাজধানীর যাত্রাবাড়ীর মতুয়াইল থেকে নিখোঁজের চার দিন পর হাত-পা বাঁধা অবস্থায় এক যুবকের মরদেহ উদ্ধার করছে পুলিশ।

শনিবার বিকেলে সাড়ে ৫টার দিকে মরদেহটি উদ্ধার করে রাত সাড়ে ১১টার দিকে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।

প্রাণ হারানো নয়নের (২০ বছর) বাড়ি শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার কেবলনগর গ্রামে। যাত্রাবাড়ীর শেখদি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকতেন তিনি।

যাত্রাবাড়ী থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. নওশের আলী বলেন, ‘আমরা খবর পেয়ে দুপুরে দিকে যাত্রাবাড়ী থানাধীন মাতুয়াইল গ্রীন মডেল টাউনের একটি প্রোজেক্টের বাউন্ডারির ভেতর থেকে হাত-পা ও মুখ বাঁধা অবস্থায় যুবকের লাশ উদ্ধার করি। ওই যুবকের দুই হাত রশি দিয়ে, কাপড় দিয়ে মুখ ও দুটি পা রবার জাতীয় রশি দিয়ে বাঁধা ছিল।’

পরিবারের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘গত ১৪ মে রিকশা চালানোর কথা বলে বাসা থেকে বের হয় আর বাসায় ফেরেনি। ধারণা করে হচ্ছে, ঘটনাটি কয়েকদিন আগে ঘটেছে। বিস্তারিত তদন্ত করে দেখা হচ্ছে। প্রথমে মরদেহটি অজ্ঞাত হিসেবে উদ্ধার করা হলেও পরে পরিচয় পাওয়া যায়।’

নয়নের মা রিনা বেগম জানান, তাদের বাড়ি শরীয়তপুর জেলার জাজিরা উপজেলার কেবলনগর গ্রামে। যাত্রাবাড়ীর শেখদি এলাকায় ভাড়া বাসায় থাকছেন। ছয় মাস বয়সী একটি ছেলে আছে নয়নের।

তিনি বলেন, ‘১৪ মে দুপুরে রিকশা চালানোর কথা বলে বাসা থেকে বের হয় নয়ন। ওদিন রাতে যোগাযোগ করা সম্ভব হয়নি। পরের দিন দুপুরে রিকশার মালিক আমাদের খবর দেন, মুগদায় নদীর পার থেকে নয়নের রিকশাটি পাওয়া গেছে, তবে নয়নকে পাওয়া যায়নি।

এর আগে মৃধাবাড়ি-শনিরআখড়া রোডে ইজি বাইকের চালকদের সঙ্গে নয়নের মারামারির ঘটনা ঘটেছিল বলেও জানান নয়নের মা।

আরও পড়ুন:
মেঘনায় নিখোঁজের দুই দিন পর কিশোরের মরদেহ উদ্ধার
তিউনিশিয়ায় নৌকাডুবি: ৮ বাংলাদেশির মরদেহ ঢামেকে
টেকনাফে অপহৃত শিশু উদ্ধার, গ্রেপ্তার ৫
জেলে সেজে ইয়াবা উদ্ধার করল পুলিশ
নিখোঁজের দুই দিন পর মেঘনায় মিলল জেলের মরদেহ

মন্তব্য

শিক্ষা
On the first working day of the week the wind low means the third cover

সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে বাতাসের নিম্ন মানে তৃতীয় ঢাকা

সপ্তাহের প্রথম কর্মদিবসে বাতাসের নিম্ন মানে তৃতীয় ঢাকা মানে সামান্য হেরফের হলেও অস্বাস্থ্যকর বাতাসের চক্রে ঘুরপাক খাচ্ছে ঢাকা। ফাইল ছবি
এ সময় স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে আইকিউএয়ার চারটি পরামর্শ দিয়েছে। এক, বাইরে গিয়ে ব্যায়াম না করা; দুই, বাসা-বাড়ির জানালা বন্ধ রাখা যেন দূষিত বায়ু ঘরে প্রবেশ না করতে পারে; তিন, বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করা এবং চার, এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করা।

দুই দিন সাপ্তাহিক ছুটির পর রোববার প্রথম কর্মদিবসে বিশ্বের দূষিত বাতাসের শহরের তালিকায় ঢাকার অবস্থান তৃতীয়।

সুইজারল্যান্ডভিত্তিক বাতাসের মানবিষয়ক প্রযুক্তি কোম্পানিটির র‌্যাঙ্কিংয়ে বাংলাদেশ সময় বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে এয়ার কোয়ালিটি ইনডেক্স (একিউআই) স্কোর ১৬৭ নিয়ে রাজধানীর বাতাসের মান ‘অস্বাস্থ্যকর’ অবস্থায় রয়েছে।

একই সময় ২৩৯ স্কোর নিয়ে তালিকায় প্রথম স্থানে ছিল ভারতের দিল্লি ও ১৯০ স্কোর নিয়ে মিসরের কায়রোর অবস্থান দ্বিতীয়।

আইকিউএয়ার জানিয়েছে, আজ সকালের ওই সময়ে ঢাকার বাতাসে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ অতি ক্ষুদ্র কণা পিএম২.৫-এর উপস্থিতি ছিল বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) আদর্শ মাত্রার চেয়ে ১৫ দশমিক ৭ গুণ বেশি।

এ সময় স্বাস্থ্যঝুঁকি এড়াতে আইকিউএয়ার চারটি পরামর্শ দিয়েছে। এক, বাইরে গিয়ে ব্যায়াম না করা; দুই, বাসা-বাড়ির জানালা বন্ধ রাখা যেন দূষিত বায়ু ঘরে প্রবেশ না করতে পারে; তিন, বাইরে বের হলে মাস্ক ব্যবহার করা এবং চার, এয়ার পিউরিফায়ার ব্যবহার করা।

নির্দিষ্ট স্কোরের ভিত্তিতে কোনো শহরের বাতাসের ক্যাটাগরি নির্ধারণের পাশাপাশি সেটি জনস্বাস্থ্যের জন্য ভালো নাকি ক্ষতিকর, তা জানায় আইকিউএয়ার।

কোম্পানিটি শূন্য থেকে ৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘ভালো’ ক্যাটাগরিতে রাখে। অর্থাৎ এ ক্যাটাগরিতে থাকা শহরের বাতাস জনস্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর নয়।

৫১ থেকে ১০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘মধ্যম মানের বা সহনীয়’ হিসেবে বিবেচনা করে কোম্পানিটি।

আইকিউএয়ারের র‌্যাঙ্কিংয়ে ১০১ থেকে ১৫০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরিতে ধরা হয়।

১৫১ থেকে ২০০ স্কোরে থাকা শহরের বাতাসকে ‘অস্বাস্থ্যকর’ ক্যাটাগরির বিবেচনা করা হয়।

র‌্যাঙ্কিংয়ে ২০১ থেকে ৩০০ স্কোরে থাকা শহরগুলোর বাতাসকে ‘খুবই অস্বাস্থ্যকর’ ধরা হয়।

তিন শর বেশি স্কোর পাওয়া শহরের বাতাসকে ‘বিপজ্জনক’ হিসেবে বিবেচনা করে আইকিউএয়ার।

আজ বেলা ১১টা ৪৫ মিনিটে ঢাকার বাতাসের স্কোর ছিল ১৬৭। এর মানে হলো ওই সময়টাতে ‘অস্বাস্থ্যকর’ বাতাসের মধ্যে বসবাস করতে হয় রাজধানীবাসীকেোব

আরও পড়ুন:
ঢাকার বাতাসের মান ‘মধ্যম’ পর্যায়ে
ঢাকার বাতাস ‘সহনীয়’
তালিকায় উন্নতি, তবু অস্বাস্থ্যকর ঢাকার বাতাস
ছুটির দিনেও ‘অস্বাস্থ্যকর’ ঢাকার বাতাস
ঢাকার বাতাস সংবেদনশীল জনগোষ্ঠীর জন্য অস্বাস্থ্যকর

মন্তব্য

p
উপরে