× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Job will conduct examination of 12 thousand students in agriculture group
google_news print-icon

কৃষি গুচ্ছে ১২ হাজার শিক্ষার্থীর পরীক্ষা নেবে জবি

কৃষি-গুচ্ছে-১২-হাজার-শিক্ষার্থীর-পরীক্ষা-নেবে-জবি
জবির একটি ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয়া শিক্ষার্থীদের একাংশ। ফাইল ছবি
জবির লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান খন্দকার নিউজবাংলাকে জানান, কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকবে জবি কেন্দ্র। হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া বাকি সাতটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা হবে। ঢাকায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও ইডেন মহিলা কলেজে পরীক্ষা হবে। ১০টি কেন্দ্রে একযোগে হবে এ পরীক্ষা।

কৃষিবিজ্ঞানে ডিগ্রি দেয়া দেশের ৮ পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতিতে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষা হচ্ছে শনিবার।

তৃতীয়বারের মতো আয়োজিত এ পরীক্ষায় ৭৯ হাজার ১৫৯ শিক্ষার্থী অংশ নেবেন। এর মধ্যে ১২ হাজার ২৫ জন শিক্ষার্থীর কেন্দ্র পড়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে (জবি)।

ঘণ্টাব্যাপী এ ভর্তি পরীক্ষা বেলা সাড়ে ১১টা থেকে দুপুর সাড়ে ১২টা পর্যন্ত চলবে।

জবি কেন্দ্রের ফোকাল পয়েন্ট ও লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্সেস অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. মনিরুজ্জামান খন্দকার নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

তিনি জানান, কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে থাকবে জবি কেন্দ্র। হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ছাড়া বাকি সাতটি কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষা হবে। ঢাকায় শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় ও ইডেন মহিলা কলেজে পরীক্ষা হবে। ১০টি কেন্দ্রে একযোগে হবে এ পরীক্ষা।

প্রথমবারের মতো কৃষি গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার দায়িত্ব পালন করবে রাজধানীর শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। এর আগে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ও বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় ‘লিড ইউনিভার্সিটি’ হিসেবে দায়িত্ব পালন করে।

এবার ভর্তি পরীক্ষায় বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ১২ হাজার ৫০০ জন পরীক্ষা দেবেন। বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে ৭ হাজার জন পরীক্ষার্থী অংশ নেবেন, যাদের ভর্তি রোল ২২,৫০১ থেকে ২৯,৫০০ পর্যন্ত।

আবেদনের ক্ষেত্রে বিগত বছরগুলোতে আসন সংখ্যার ১০ গুণ ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থী পরীক্ষায় বসার সুযোগ পেতেন, তবে এবার এ সিলেকশন পদ্ধতি বাতিল করেছে কর্তৃপক্ষ।

আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এবার প্রতিটি আসনের বিপরীতে লড়বেন প্রায় ২৩ জন শিক্ষার্থী।

কৃষি গুচ্ছে এমসিকিউ পদ্ধতিতে ১০০ নম্বরের ভর্তি পরীক্ষা হবে। এর মধ্যে এইচএসসি বা সমমান পর্যায়ে ইংরেজিতে ১০, প্রাণিবিজ্ঞানে ১৫, উদ্ভিদবিজ্ঞানে ১৫, পদার্থবিজ্ঞানে ২০, রসায়নে ২০ এবং গণিতে ২০ নম্বর থাকবে। প্রতিটি সঠিক উত্তরের জন্য এক নম্বর দেয়া হবে এবং প্রতিটি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।

মোট ১৫০ নম্বরের ভিত্তিতে ফল প্রস্তুত করা হবে। ভর্তি পরীক্ষার ১০০ নম্বরের সঙ্গে এসএসসি বা সমমানের জন্য ২৫ ও এইচএসসি বা সমমানের জন্য ২৫ নম্বর যোগ করে ফল প্রস্তুত করে মেধা ও অপেক্ষমাণ তালিকা তৈরি করা হবে।

কোন বিশ্ববিদ্যালয়ে কত আসন

কৃষি গুচ্ছ ভর্তি প্রক্রিয়ায় অংশ নেয়া ৮ বিশ্ববিদ্যালয়ে আসন রয়েছে ৩ হাজার ৫৩৯টি। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ১ হাজার ১১৬টি আসন ময়মনসিংহের বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে।

এ ছাড়া শেরেবাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৭০৪, বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩৬০, পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৪৩, চট্টগ্রাম ভেটেরিনারি অ্যান্ড এনিম্যাল সায়েন্সেস বিশ্ববিদ্যালয়ে ২৪৫, সিলেট কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৪৩১, খুলনা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ১৫০ এবং হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৯০টি আসন রয়েছে। এ বছর বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ৩০টি ও হবিগঞ্জ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ৯০টি আসন যোগ হয়েছে।

পরীক্ষার্থীদের জন্য নির্দেশনা

১. অনলাইনে প্রদত্ত প্রবেশপত্র অফসেট কাগজে প্রিন্ট করার পাশাপাশি উচ্চ মাধ্যমিকের মূল রেজিস্ট্রেশন কার্ড অবশ্যই পরীক্ষা কেন্দ্রে আনতে হবে। সেখানে পরীক্ষার্থীর ছবি ও তথ্যগুলো স্পষ্টভাবে মুদ্রিত থাকতে হবে।

২. পরীক্ষা শুরুর এক ঘণ্টা আগেই পরীক্ষার্থীদের কেন্দ্রে উপস্থিত হতে হবে। কেউ চাইলে তার আগেও কেন্দ্রে প্রবেশ করতে পারবেন, তবে নির্ধারিত রুম খোলা হবে পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট আগে।

৩. প্রত্যেক পরীক্ষার্থীকে অবশ্যই তার নির্দিষ্ট আসনে বসতে হবে। পরীক্ষা শুরু হওয়ার পর কোনো পরীক্ষার্থী হলে প্রবেশ করতে পারবেন না।

৪. পরীক্ষার্থীদের প্রবেশপত্র, অ্যাটেনডেন্স শিট এবং ওএমআর শিটে অভিন্ন স্বাক্ষর থাকতে হবে। উত্তরপত্রে পরীক্ষার্থীদের অবশ্যই কালো কালির বল পয়েন্ট কলম ব্যবহার করতে হবে। সেখানে পেনসিল ও ক্যালকুলেটরসহ যেকোনো ধরনের ইলেকট্রনিক ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে না।

আরও পড়ুন:
বিনা টিকিটে ভ্রমণের দাবিতে ট্রেন অবরোধ
গুচ্ছের ‘বি’ ইউনিটে সেরা দিগন্ত, আগ্রহ অর্থনীতিতে
জবির ভর্তি পরীক্ষায় প্রক্সি: মামলায় আসামি ৩
গুচ্ছের ‘বি’ ইউনিটের পরীক্ষা শনিবার
পাঁচ কেন্দ্রে সংক্ষিপ্ত সিলেবাসে বুটেক্স ভর্তি পরীক্ষা আজ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Next year SSC exam will be held under new rules Education Minister

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হবে নতুন নিয়মে: শিক্ষামন্ত্রী

২০২৬ সালের এসএসসি পরীক্ষা হবে নতুন নিয়মে: শিক্ষামন্ত্রী শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল। ফাইল ছবি
শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান শিক্ষার্থীরা কীভাবে কর্মজীবনে সফলতা পাবে, কীভাবে তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়বে, কীভাবে তারা অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করবে, এই বিষয়ে অ্যালামনাইদের একটা গুরু দায়িত্ব রয়েছে। শিক্ষার্থীদের সফট স্কিল নেওয়ার ক্ষেত্রে নানাভাবে উৎসাহিত করতে হবে, যোগাযোগ সক্ষমতায় উন্নত করতে হবে।’ 

২০২৬ সালের সেকেন্ডারি স্কুল সার্টিফিকেট (এসএসসি) পরীক্ষা নতুন নিয়মে হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেল।

তিনি বলেন, নতুন কারিকুলামে শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের বিষয়টি চূড়ান্ত হওয়ার সিদ্ধান্ত এলে তা প্রকাশ করা হবে। খবর বাসসের

শিক্ষামন্ত্রী শুক্রবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসি মিলনায়তনে গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা অ্যালামনাই অ্যাসোসিয়েশনের ‘যোগাযোগ উৎসব’ অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন।

শিক্ষার সঙ্গে শিল্প ও অর্থনীতির সম্পর্ক গড়ে তোলার মাধ্যমে তরুণদের কর্মসংস্থানের ব্যবস্থা করা হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, ‘রাজনৈতিক অঙ্গীকার থেকে বলছি, উন্নয়ন হয়েছে দৃশ্যমান, এবার হবে কর্মসংস্থান। এডুকেশনের সঙ্গে ইন্ডাস্ট্রি ও ইকোনমির মাধ্যমে আমরা এমপ্লয়মেন্টের দিকে যাব।’

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘বর্তমান শিক্ষার্থীরা কীভাবে কর্মজীবনে সফলতা পাবে, কীভাবে তারা নিজেদের ভবিষ্যৎ গড়বে, কীভাবে তারা অভিজ্ঞতা সঞ্চয় করবে, এই বিষয়ে অ্যালামনাইদের একটা গুরু দায়িত্ব রয়েছে। শিক্ষার্থীদের সফট স্কিল নেয়ার ক্ষেত্রে নানাভাবে উৎসাহিত করতে হবে, যোগাযোগ সক্ষমতায় উন্নত করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘অল্প সংখ্যক সরকারি চাকরির যে হাতছানি, সেটার দিকে শিক্ষার্থীদের তাকিয়ে থাকার যে মানসিকতা সৃষ্টি হয়েছে, এটা নিয়ে সামাজিক মাধ্যমে ট্রলিং হচ্ছে।’

তিনি আরো বলেন, ‘লাইব্রেরি শুধু সিভিল সার্ভিসের চাকরির প্রস্তুতির জায়গা নয়, বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঠ্যের বাইরেও গবেষণাধর্মী থেকে শুরু করে অনেক কিছুরই জ্ঞান আহরণ ও চর্চার জায়গা। সেই মানসিকতার জায়গা তৈরি হতে হবে।’

আরও পড়ুন:
শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শনিবারের সাপ্তাহিক ছুটি বাতিল হতে পারে
ডিজিটাল পদ্ধতিতে স্কুল-কলেজ এমপিওভুক্ত হচ্ছে: শিক্ষামন্ত্রী
চবিতে দফায় দফায় সংঘর্ষ: কঠোর ব্যবস্থা নিতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী
‘নতুন শিক্ষাব্যবস্থা বদলের পরিকল্পনা নেই’
নতুন শিক্ষাক্রম কেন, জানালেন শিক্ষামন্ত্রী

মন্তব্য

শিক্ষা
That Avantika is the third job in the academic examination

একাডেমিক পরীক্ষায় তৃতীয় জবির সেই অবন্তিকা

একাডেমিক পরীক্ষায় তৃতীয় জবির সেই অবন্তিকা ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকা। ফাইল ছবি
আইন বিভাগের অষ্টম সেমিস্টারের পরীক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. সরকার আলী আক্কাস বলেন, ‘অবন্তিকাকে সবসময়ই ভালো ফলাফল করতে দেখেছি। সে বরাবরই ভালো ছাত্রী ছিল। এবারও পরীক্ষায় সে ভালো ফল করেছে।’

শিক্ষক-সহপাঠীকে দায়ী করে আত্মহননের পথ বেছে নেয়া জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ শিক্ষাবর্ষের শিক্ষার্থী ফাইরুজ অবন্তিকা এলএলবির (স্নাতক) ফলাফলে সর্বমোট সিজিপিএ ৪.০০-এর মধ্যে ৩.৬৫ পেয়েছেন। বিভাগের ব্যাচে তৃতীয় হয়েছেন তিনি। এছাড়াও অভিযুক্ত শিক্ষার্থী মো. রায়হান সিদ্দিকী আম্মান পেয়েছেন ৩.০৯।

রোববার বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের অষ্টম সেমিস্টারের ফল প্রকাশ হয়।

প্রকাশিত ফলাফলে দেখা যায়, অষ্টম সেমিস্টারে ৩.৭৩ পেয়েছেন অবন্তিকা। এর মধ্যে স্পেশাল পেনাল ল’ কোর্সে ৩.৭৫; ল’ অফ ক্রিমিনাল প্রসিডিউরে ৩.৫০; কনভিয়েন্সিং, ড্রাফটিং অ্যান্ড ট্রায়াল অ্যাডভোকেসি ট্রেনিংয়ে ৩.৫০; লিগ্যাল রিসার্চ অ্যান্ড রাইটিং কোর্সে ৩.৭৫; লিবারেশন মুভমেন্ট অ্যান্ড ইন্ডিপেন্ডেন্ট কোর্সে ৪.০০ ও মৌখিক পরীক্ষায় জিপিএ ৪.০০ পেয়েছেন তিনি।

বিভাগের অষ্টম সেমিস্টারের পরীক্ষা কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. সরকার আলী আক্কাস বলেন, ‘অবন্তিকাকে সবসময়ই ভালো ফলাফল করতে দেখেছি। সে বরাবরই ভালো ছাত্রী ছিল। এবারও পরীক্ষায় সে ভালো ফল করেছে।’

এর আগে ১৬ মার্চ শিক্ষক-সহপাঠীকে দায়ী করে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ফাইরুজ সাদাফ অবন্তিকা আত্মহত্যা করেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের আইন বিভাগের ২০১৭-১৮ বর্ষের শিক্ষার্থী। পরবর্তীতে ১৭ মার্চ জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের আলটিমেটামের ৬ ঘণ্টার মধ্যেই অবন্তিকাকে আত্মহত্যায় প্ররোচনার অভিযোগে সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম ও সহপাঠী রায়হান সিদ্দিকী আম্মানকে আটক করে পুলিশ। ৮ মে হাইকোর্টের আদেশে জামিনে মুক্তি পান শিক্ষক দ্বীন ইসলাম।

এদিকে নিজ বিভাগের শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন নিপীড়নের অভিযোগ আনা জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ফিল্ম অ্যান্ড টেলিভিশন বিভাগের ছাত্রী কাজী ফারজানা মীমের পরীক্ষা রোববার নেয়া শুরু হয়েছে।

বিভাগের চেয়ারম্যানের দায়িত্বে থাকা অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন জানান, রোববার থেকে ইম্প্রুভমেন্ট পরীক্ষা নেয়া শুরু হয়েছে। ২৩ ও ২৭ তারিখ আরও দুটো পরীক্ষা রয়েছে।

আরও পড়ুন:
অবন্তিকার আত্মহনন: জামিন পেলেন সহকারী প্রক্টর দ্বীন ইসলাম
স্বপ্নজয়ে প্রতিবন্ধকতার কাছে হার মানেনি ওরা

মন্তব্য

শিক্ষা
Two children of tea workers with GPA five want to become doctors
এসএসসি-২০২৪

চিকিৎসক হতে চায় চা শ্রমিকের জিপিএ ফাইভ পাওয়া দুই সন্তান

চিকিৎসক হতে চায় চা শ্রমিকের জিপিএ ফাইভ পাওয়া দুই সন্তান এসএসসিতে ভালো ফলের খবর পেয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জয়নাল আবেদীন লেখাপড়ায় সহযোগিতার জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু টাকা দেন স্বর্ণালী তেলী ও অরুপ সিংহকে। কোলাজ: নিউজবাংলা
কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘অদম্য মনোবল আর ইচ্ছাশক্তির কারণে অরুপ সিংহ ও স্বর্ণালী তেলী সাফল্য পেয়েছে। তাদের প্রশাসন থেকে সহযোগিতা করা হবে।’

পারিবারিক অভাব-অনটনের মধ্যেও নিয়মিত পড়ালেখা চালিয়ে গেছে অরূপ সিংহ ও স্বর্ণালী তেলী। এর ফলও পেয়েছে দুজন। এসএসসির চলতি বছরের পরীক্ষায় জিপিএ ফাইভ পেয়েছে মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জের দুই চা শ্রমিকের এ দুই সন্তান।

বিজ্ঞান বিভাগ থেকে এ প্লাস পাওয়া এ দুই শিক্ষার্থীর মা-বাবার পাশাপাশি উচ্ছ্বাস দেখা গেছে দুই স্কুলের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকদের মধ্যে। এখন তাদের লক্ষ্য চিকিৎসক হয়ে মানুষের সেবা করা।

কমলগঞ্জের শমশেরনগর এএটিএম বহুমুখী উচ্চবিদ্যালয় থেকে এ বছর সর্বোচ্চ গ্রেড পেয়ে পাস করে কানিহাটি চা বাগানের শ্রমিক বীরেন্দ্র সিংহের ছেলে অরূপ সিংহ। অন্যদিকে ক্যামেলীয়া ডানকান ব্রাদার্স ফাউন্ডেশন স্কুল থেকে জিপিএ ফাইভ পেয়ে উত্তীর্ণ হয় চা শ্রমিক সুদর্শন তেলীর মেয়ে স্বর্ণালী তেলী।

এসএসসিতে ভালো ফলের খবর পেয়ে কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জয়নাল আবেদীন লেখাপড়ায় সহযোগিতার জন্য ব্যক্তিগত উদ্যোগে কিছু টাকা দেন দুই শিক্ষার্থীকে। তাদের প্রশাসন থেকেও সহযোগিতার আশ্বাস দেন এ কর্মকর্তা।

অরুপ সিংহ ও স্বর্ণালী তেলীর ভাষ্য, উচ্চশিক্ষা অর্জন করে দেশের সেবায় নিজেদের নিয়োজিত করবে তারা।

চিকিৎসক হয়ে দেশের মানুষকে বিনা মূল্যে চিকিৎসা দেয়ার ইচ্ছাও পোষণ করেছে তারা।

অরূপ সিংহের বাবা বীরেন্দ্র সিংহ বলেন, ‘কষ্ট করে এত দূর এসেছে তারা। আমাদের যত কষ্ট হোক, সন্তানদের পড়াশোনা করাব। মানুষের মতো মানুষ করে তুলব। পাশাপাশি সকলের সহযাগিতা কামনা করছি।’

একই ধরনের বক্তব্য দেন স্বর্ণালী তেলীর বাবা সুদর্শন তেলী।

শমশেরনগর এএটিএম উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মিহির ধর চৌধুরী বলেন, ‘দরিদ্র পরিবারের সন্তান হলেও অরূপ সিংহের মনোবল ছিল দৃঢ়। তার সাফল্যে আমরা গর্বিত।’

কমলগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) জয়নাল আবেদীন বলেন, ‘অদম্য মনোবল আর ইচ্ছাশক্তির কারণে অরুপ সিংহ ও স্বর্ণালী তেলী সাফল্য পেয়েছে। তাদের প্রশাসন থেকে সহযোগিতা করা হবে।’

আরও পড়ুন:
চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে, কমেছে জিপিএ ফাইভ
শতভাগ জিপিএ ফাইভ ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজে
সিলেটে পাসের হার জিপিএ ফাইভ কমার যে কারণ জানাল বোর্ড
মাদ্রাসা বোর্ডে দেশসেরা এনএস কামিল মাদ্রাসা
পাসের হার ও জিপিএ ফাইভে এবারও এগিয়ে ছাত্রীরা

মন্তব্য

শিক্ষা
2nd phase assistant teacher recruitment final result release

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দ্বিতীয় ধাপের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ

সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দ্বিতীয় ধাপের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ নিয়োগ পরীক্ষার কেন্দ্রে পরীক্ষার্থীরা। ফাইল ছবি
প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত ২২ জেলার পাঁচ হাজার ৪৫৬ জন প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করে ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

প্রাথমিক বিদ্যালয়ে সহকারী শিক্ষক নিয়োগ দ্বিতীয় ধাপের চূড়ান্ত ফল প্রকাশ করেছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়। এতে প্রাথমিকভাবে ৫ হাজার ৪৫৬ জনকে নির্বাচিত করা হয়েছে।

প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র তথ্য অফিসার মাহবুবুর রহমান তুহিন স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বুধবার সন্ধ্যায় এ তথ্য জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের অধীন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের রাজস্ব খাতভুক্ত ২২ জেলার পাঁচ হাজার ৪৫৬ জন প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত করে ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

এতে আরও বলা হয়, ২০২৩-এর দ্বিতীয় গ্রুপের (রাজশাহী, খুলনা ও ময়মনসিংহ বিভাগ) গত ২০ মার্চ ২০২৩ তারিখের ৩৮.০১.০০০০, ১৪৩.১১.০০৮.২৩-১০৫ নং স্মারকে জারিকৃত বিজ্ঞাপনের আলোকে ২২ জেলায় (রাজশাহী, বগুড়া, চাঁপাইনবাবগঞ্জ, নাটোর, নওগাঁ, জয়পুরহাট, সিরাজগঞ্জ, পাবনা, খুলনা, যশোর, কুষ্টিয়া, ঝিনাইদহ, নড়াইল, চুয়াডাঙ্গা, মাগুরা, বাগেরহাট, সাতক্ষীরা, মেহেরপুর, ময়মনসিংহ, জামালপুর, শেরপুর, নেত্রকোনা) গৃহীত লিখিত ও মৌখিক পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতে সর্বমোট পাঁচ হাজার ৪৫৬ জন প্রার্থীকে সহকারী শিক্ষক পদে নিয়োগের জন্য প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত প্রার্থীদের ফল প্রকাশ করা হয়েছে।

নির্বাচিত প্রার্থীদের ফল প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়ের ওয়েবসাইট (www.mopme.gov.bd) ও প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের ওয়েবসাইটে (www.dpe.gov.bd) পাওয়া যাবে।

নির্বাচিত প্রার্থীরা তাদের মোবাইল ফোনেও এ সংক্রান্ত এসএমএস পাবেন।

আরও পড়ুন:
উত্তরপত্র মূল্যায়নে ত্রুটি, সংশোধন শেষে রাতেই ফল প্রকাশ
প্রাথমিকে শিক্ষক নিয়োগ: ঈদের পরপরই তৃতীয় ধাপের ফল
প্রাথমিকে ১০ হাজার শিক্ষক নিয়োগ জুনের মধ্যে: প্রতিমন্ত্রী
সহকারী শিক্ষক নিয়োগে তৃতীয় ধাপের পরীক্ষা ২৯ মার্চ
শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষায় জালিয়াতি: তিন পুলিশসহ ৪ জন রিমান্ডে

মন্তব্য

শিক্ষা
Government employee wants to become an indomitable Siam

অদম্য সিয়াম হতে চায় সরকারি চাকরিজীবী

অদম্য সিয়াম হতে চায় সরকারি চাকরিজীবী
পা দিয়ে লিখে চলতি বছর অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় এ মাইনাস পেয়েছে সিয়াম। ছবি: নিউজবাংলা
পরিবারের সদস্য  ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ব্র্যাক স্কুল থেকে ২০১৮ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায়  অংশগ্রহণ করে পঞ্চম শ্রেণি পাস করে সিয়াম। এরপর চাপারকোনা মহেশ চন্দ্র স্কুল অ্যান্ড কলেজে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয় সে। সেখান থেকেই জেএসসিতেও ভালো ফল করে। এবার মানবিক বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় পাস করে সিয়াম।

জামালপুরের সরিষাবাড়ী উপজেলার ডোয়াইল ইউনিয়নের উদনাপাড়া গ্রামের দিনমজুর জিন্নাহ মিয়ার ছেলে সিয়াম শেখ। কাজ চালানোর অনুপযোগী দুটি হাত নিয়ে জন্ম হয় তার, কিন্তু শারীরিক এ প্রতিবন্ধকতা তাকে দমাতে পারেনি।

পা দিয়ে লিখে চলতি বছর অনুষ্ঠিত এসএসসি পরীক্ষায় জিপিএ তিন দশমিক ৮৩ (এ মাইনাস) পেয়ে উত্তীর্ণ হয়েছে সিয়াম। এখন তার লক্ষ্য উচ্চমাধ্যমিক ও স্নাতক সম্পন্ন করে সরকারি চাকরিজীবী হওয়া।

পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীদের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, ব্র্যাক স্কুল থেকে ২০১৮ সালে প্রাথমিক শিক্ষা সমাপনী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পঞ্চম শ্রেণি পাস করে সিয়াম। এরপর চাপারকোনা মহেশ চন্দ্র স্কুল অ্যান্ড কলেজে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয় সে। সেখান থেকেই জেএসসিতেও ভালো ফল করে। এবার মানবিক বিভাগ থেকে এসএসসি পরীক্ষায় পাস করে সিয়াম।

এ কিশোর পা দিয়ে অনেক ধরনের কাজ করে। সে সাঁতার কাটা, টিউবওয়েল চেপে পানি তুলে গোসল করা, এমনকি চামচ ধরে ভাত মেখে খেতে পারে পা দিয়ে।

সিয়ামের মা জোসনা বেগম বলেন, ‘সিয়ামের ছোট থেকেই স্কুলে যাওয়া এবং পড়ালেখার প্রতি প্রবল আগ্রহ ছিল। ছোটবেলায় ওর সমবয়সীরা স্কুলে গেলে ওদের সাথে আমাদের না বলেই স্কুলে চলে যেত। ওর স্কুলে যাওয়ার এমন আগ্রহ দেখে তাকে স্কুলে নিয়ে যেতাম। ওর জীবনের স্বপ্ন ছিল পড়ালেখা করা। ও সেটা করেছে।

‘এখন সিয়াম এসএসসি পরীক্ষা দিয়ে পাস করেছে। তাই আমরা খুব খুশি, তবে আমাদের আর্থিক অবস্থা ভালো না হওয়ায় আমরা ওকে লেখাপড়ার জন্য প্রয়োজনীয় সব কিছু দিতে পারি নাই। এখন কোথাও ভর্তি করাতে পারব কি না জানি না।’

সিয়াম বলে, ‘আমার এই পর্যন্ত আসার পেছনে সব থেকে বড় অবদান স্কুলের ম্যাডাম জাকিয়া সুলতানার। তিনি আমাকে পড়ালেখা করার সাহস জুগিয়েছেন। পা দিয়ে আমাকে লেখা শিখিয়েছেন।

‘আমার স্কুলের সহপাঠীরা সবসময় আমাকে বিভিন্নভাবে সহযোগিতা করেছে। কখনও বুঝতে দেয়নি আমি প্রতিবন্ধী। তাদের জন্যই আমি আজ সফল। আমার ইচ্ছা পড়ালেখা শেষ করে সরকারি চাকরি করব। মা-বাবার মুখে হাসি ফোটাব, দেশের মানুষের সেবা করব।’

সিয়ামের শিক্ষক ও চাপারকোনা মহেশ চন্দ্র স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সিয়াম আমাদের এখানে ষষ্ঠ শ্রেণিতে ভর্তি হয়। লেখাপড়ার প্রতি আগ্রহ দেখে বিনা বেতনে তাকে ষষ্ঠ থেকে দশম শ্রেণি পর্যন্ত পড়িয়েছি।

‘সে আমাদের এখানে একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি হলে তাকে বেতন ফ্রিসহ সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।’

আরও পড়ুন:
মাদ্রাসা বোর্ডে দেশসেরা এনএস কামিল মাদ্রাসা
পাসের হার ও জিপিএ ফাইভে এবারও এগিয়ে ছাত্রীরা
বিদেশ কেন্দ্রে পাস ৮৫.৮৮ শতাংশ
বেড়েছে পাসের হার, কমেছে জিপিএ ফাইভ
শতভাগ ফেল ৫১ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে

মন্তব্য

শিক্ষা
Chittagong board pass rate has increased GPA five has decreased

চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে, কমেছে জিপিএ ফাইভ

চট্টগ্রাম বোর্ডে পাসের হার বেড়েছে, কমেছে জিপিএ ফাইভ  চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার বেড়েছে। ছবি: নিউজবাংলা
এবার জিপিএ ফাইভ ফাইভ পেয়েছে ১০ হাজার ৮২৩ জন। যা গতবার ছিল ১১ হাজার ৪৫০ জন। গতবারের তুলনায় এবার পাসের হার বেড়েছে। তবে কমেছে জিপিএ ফাইভ। পাস করেছে ১ লাখ ২০ হাজার ৮৭ জন।

চট্টগ্রাম শিক্ষাবোর্ডে এবারের এসএসসি পরীক্ষায় পাসের হার ৮২ দশমিক ৮০ শতাংশ।

এবার জিপিএ ফাইভ ফাইভ পেয়েছে ১০ হাজার ৮২৩ জন। যা গতবার ছিল ১১ হাজার ৪৫০ জন। গতবারের তুলনায় এবার পাসের হার বেড়েছে। তবে কমেছে জিপিএ ফাইভ। পাস করেছে ১ লাখ ২০ হাজার ৮৭ জন।

রোববার সকাল ১১টার দিকে শিক্ষাবোর্ডের পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক প্রফেসর এএমএম মুজিবুর রহমান এসব তথ্য নিশ্চিত করেন।

চট্টগ্রাম শিক্ষা বোর্ডের অধীনে চট্টগ্রাম ছাড়াও কক্সবাজার, রাঙামাটি, বান্দরবান ও খাগড়াছড়ি জেলার শিক্ষার্থীরা পরীক্ষা দেয়। সবমিলিয়ে এবার ১ লাখ ৪৫ হাজার ৫৯০ জন পরীক্ষার্থী এসএসসি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছে। আগেরবার পরীক্ষার্থী ছিল ১ লাখ ৫৪ হাজার ৮১৯ জন।

মন্তব্য

শিক্ষা
100 GPA 5 Feni Girls Cadet College

শতভাগ জিপিএ ফাইভ ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজে

শতভাগ জিপিএ ফাইভ ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজে শতভাগ জিপিএ ৫ পেয়েছে ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
প্রতিষ্ঠান থেকে ৬২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। সবাই জিপিএ ৫ অর্জন করে।

এবারের এসএসসি ও সমমান পরীক্ষায় শতভাগ জিপিএ ফাইভ পেয়েছে ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজের শিক্ষার্থীরা ।

কলেজের অধ্যক্ষ গ্রুপ ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ নাজমুল হক রোববার পরীক্ষার ফল প্রকাশের পর এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, প্রতিষ্ঠান থেকে ৬২ জন শিক্ষার্থী পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে। সবাই জিপিএ ফাইভ অর্জন করে।

অধ্যক্ষ জানান, সেনা সদরের দিক নির্দেশনা, প্রশিক্ষিত শিক্ষকমণ্ডলীর আন্তরিক পাঠদান , বর্ষপুঞ্জি অনুযায়ী পরীক্ষা গ্রহণ , ফলাফল প্রদান ও সুশৃঙ্খল পরিবেশ ভাল ফলাফল অর্জনে ভূমিকা রেখেছে।

এদিন প্রকাশিত ফলে চলতি বছরের এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষায় গড়ে পাস করেছে ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ শিক্ষার্থী।

শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান।

তিনি জানান, এ বছর সব শিক্ষা বোর্ডে গড় পাসের হার ৮৩ দশমিক ০৪ শতাংশ, যা ২০২৩ সালে ছিল ৮০ দশমিক ৩৯ শতাংশ। গত বছরের তুলনায় এবার পাসের হার বেড়েছে দুই দশমিক ৬৫ শতাংশ।

মন্তব্য

p
উপরে