× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Online transfer of primary starts in mid September
hear-news
player
print-icon

মধ্য সেপ্টেম্বরে শুরু হচ্ছে প্রাথমিকের অনলাইন বদলি

মধ্য-সেপ্টেম্বরে-শুরু-হচ্ছে-প্রাথমিকের-অনলাইন-বদলি
প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ক্লাস নিচ্ছেন এক শিক্ষক। ছবি: সংগৃহীত
সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা শুধু প্রাথমিক শিক্ষক নয়, আমরা সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অনলাইনে বদলি খুব শিগগির চালু করছি।’

আগামী ১৫ থেকে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে প্রাথমিক শিক্ষকদের অনলাইন বদলি শুরু হচ্ছে বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষা প্রতিমন্ত্রী মো. জাকির হোসেন।

আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস উপলক্ষে সচিবালয়ে বুধবার সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা বলেন।

তিনি বলেন, ‘প্রাথমিকের শিক্ষক বদলি আগামী ১৫ থেকে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে শুরু করব। এটা অনলাইনে শুরু করা হবে।’

অনলাইনে শিক্ষক বদলি-সংক্রান্ত পাইলট প্রকল্পে ভালো ফল পাওয়া গেছে বলে জানান মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মো. আমিনুল ইসলাম খান। তিনি বলেন, ‘এটা শুধু মহানগরে থাকছে না। প্রথমত আন্ত উপজেলা, এরপর উপজেলার বাইরে। কারণ অপশন দেয়া আছে যে তার স্বামীর কর্মস্থল। নীতিমালা অনুযায়ী সফটওয়্যারে অপশন দেয়া হয়েছে।’

এর আগে গত ২৭ জুলাই সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকদের অনলাইনে বদলি কার্যক্রমের পাইলট প্রকল্প শুরু হয়। মন্ত্রণালয় জানায়, ১৫ জুলাই পর্যন্ত বদলির জন্য ২৩ জন শিক্ষক আবেদন করেন। তাদের মধ্যে ১৭ জনের আবেদন গ্রহণ করা হয়।

সিনিয়র সচিব আমিনুল ইসলাম খান বলেন, ‘আমরা শুধু প্রাথমিক শিক্ষক নয়, আমরা সহকারী উপজেলা শিক্ষা অফিসার এবং উপজেলা শিক্ষা অফিসার পর্যায়ের কর্মকর্তাদের অনলাইনে বদলি খুব শিগগির চালু করছি। কারণ এটা দরকার। অনেকে এক জায়গায় অনেক বছর ধরে আছেন।’

আরও পড়ুন:
প্রাথমিকে বদলি বন্ধ, ভোগান্তিতে শিক্ষকরা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Two groups of Chhatra Dal called Jai Bangla were involved in the attack Chhatra League

ছাত্রদলের দুই গ্রুপ জয়বাংলা বলে হামলায় জড়িয়েছে: ছাত্রলীগ

ছাত্রদলের দুই গ্রুপ জয়বাংলা বলে হামলায় জড়িয়েছে: ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস। ছবি: সংগৃহীত
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেছেন, ‘হামলায় ছাত্রলীগের কেউ জড়িত নয়। ছাত্রলীগকে কলুষিত করতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপ জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে হামলায় জড়িয়েছে।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের ওপর স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রলীগের হামলার ঘটনার দায় অস্বীকার করেছে ছাত্রলীগ। সংগঠনটির দাবি, ছাত্রদলের দুই গ্রুপ আওয়ামী লীগের নামে স্লোগান দিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়েছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সভাপতি সনজিত চন্দ্র দাস বলেছেন, ‘হামলায় ছাত্রলীগের কেউ জড়িত নয়। ছাত্রলীগকে কলুষিত করতে ছাত্রদলের দুই গ্রুপ জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে হামলায় জড়িয়েছে।’

মঙ্গলবার সন্ধ্যায় ছাত্রদলের ওপর হওয়া হামলার পর সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন সনজিত চন্দ্র দাস।

ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হামলার ছবি আছে বলে জানালে সনজিত বলেন, ‘ছবি থাকুক। এই ঘটনায় ছাত্রলীগের কেউ জড়িত নয়। আমরা জানি তাদের অভ্যন্তরীণ কোন্দলের কারণে এই মারামারি। ছাত্রলীগের কেউ এর সঙ্গে জড়িত নয়।

‘আমরা আজ শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন সমস্যা নিয়ে উপাচার্য স্যারের কাছে স্মারকলিপি দিতে এসেছি। আমাদের সব নেতাকর্মী এখানেই আছে। আমাদের কনসার্নের বাইরে গিয়ে আমাদের ছাত্রলীগ কর্মীরা কোন ধরনের কাজ করে না।’

সনজিত বলেন, ‘ছাত্রদল অছাত্রদের সংগঠন। তাদের কোনো কর্মসূচি আছে কি নেই তা নিয়ে আমাদের কোনো মাথাব্যথা নেই। বাইরে যারা দাবি করছে যে ছাত্রলীগ তাদের ওপর হামলা করেছে আসলে তাদের একটা ফোবিয়া হয়েছে যে তারা যেখানেই মার খায় ও ধরপাকড়ের শিকার হয়, মনে করে যে ছাত্রলীগ করেছে।

‘আমরা শুনেছি তারা নীলক্ষেত মোড়ে রাস্তা আটকেছে। তখন জনতা ও সাধারণ ছাত্ররা তাদের গণধোলাই দিয়েছে। এখানে ছাত্রলীগের দায় কেন হবে? ওরা মিথ্যাচার করছে। এখানে ছাত্রলীগের বিন্দুমাত্র সম্পৃক্ততা নেই।’

জয়বাংলা বলে হামলা করেছে জানালে তিনি বলেন, ‘জয় বাংলা এখন জাতীয় স্লোগান। ছাত্রদল করে বলে জয় বাংলা বলতে পারবে না এটা ঠিক না। ছাত্রদল বা বিএনপিও এখন জয় বাংলা বা জয় বঙ্গবন্ধু বলতে পারবে। ছাত্রলীগকে কুলষিত করার জন্য ওরা জয় বাংলা জয় বঙ্গবন্ধু স্লোগান দিয়ে নিজেরা হামলায় জড়িয়েছে।’

সনজিত বলেন, ‘ছাত্রদল তো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে নিষিদ্ধ সংগঠন নয়। তারা এখানে আসতেই পারে। তারাও রাজনীতি করবে। আমরাও রাজনীতি করবে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবেশ যদি ছাত্রলীগও নস্যাৎ করে তাহলে সাধারণ শিক্ষার্থীরা প্রতিহত করতে পারে। আবার ছাত্রদল করলে তাদেরও প্রতিহত করতে পারে।’

ছাত্রদল নিজেদের মধ্যে হামলায় জড়িয়েছে এবং সাধারণ শিক্ষার্থীরা গণধোলাই দিয়েছে- দুই ধরনের বক্তব্য কেন জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার কাছে দুই ধরনের তথ্যই রয়েছে।’

উপাচার্য যা বললেন

উপাচার্যের সঙ্গে সাক্ষাৎ করতে আসার সময় ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলার বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ড মো. আক্তারুজ্জামান বলেন, ‘সবাই আমাদের কাছে শিক্ষার্থী। কে কোন সংগঠন করবে সে স্বাধীনতা তাদের আছে। সোমবার ছাত্রদল ও ছাত্রলীগ দুটি ছাত্র সংগঠনই দেখা করার জন্য সময় চেয়েছিল। ছাত্রলীগকে ৩টায় এবং ছাত্রদলকে ৪টায় সময় দেয়া হয়েছিল।

‘ছাত্রলীগ যথাসময়ে এসেছে। তাদের সঙ্গে কথা হলো। তারা প্রায় ৩০টি দাবি, কিছু সুপারিশ সংবলিত স্মারকলিপি দিল। এরপর তাদেরকে বললাম, আমাদের আরেকটা ছাত্র সংগঠন আসবে, তাদেরকে সুযোগ করে দাও। এরপর আমি ছাত্রদলের জন্য অপেক্ষা করছি। পরে প্রক্টর সাহেব এসে বললেন- তারা গেট পর্যন্ত এসেছিল, ভেতরে প্রবেশ করতে পারেনি।’

তিনি বলেন, ‘তথ্যগুলো ভালোভাবে এখনও জানি না। ক্যাম্পাসে প্রতিটি ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনের রাজনীতি পরিচালনার অধিকার আছে। তারা কেন আসতে পারল না সেটা জানতে হবে। কী ঘটল, কোনো সমস্যা হলো কিনা, কোনো অনাকাঙ্ক্ষিত ঘটনা ঘটল কিনা সেটা দেখতে হবে। আমি প্রক্টর সাহেবের কাছে বিষয়টা জানব, বিস্তারিত তথ্যগুলো নিতে বলব।’

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের হামলায় আহত ছাত্রদলের ৬ নেতাকর্মী ঢাকা মেডিক্যালে
ঢাবিতে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

মন্তব্য

শিক্ষা
Concerned about setting up universities without preparation UGC is making policies

প্রস্তুতি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন নিয়ে উদ্বিগ্ন ইউজিসি করছে নীতিমালা

প্রস্তুতি ছাড়া বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন নিয়ে উদ্বিগ্ন ইউজিসি করছে নীতিমালা নীতিমালা তৈরি করতে ইউজিসির কমিটির ভার্চুয়াল সভা হয় সোমবার। ছবি: সংগৃহীত
নীতিমালা প্রণয়ন কমিটির সভায় ইউজিসি সদস্য মে. আলমগীর বলেন, ‘অবকাঠামো ও কারিকুলাম চূড়ান্ত না করে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরাও উচ্চশিক্ষার পরিবেশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ বিষয়টি সমাধানের জন্য নীতিমালা করা অত্যন্ত জরুরি।’

অবকাঠামো ও শিক্ষাক্রম চূড়ান্ত না করেই পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপনের কারণে উচ্চশিক্ষার মান নিয়ে যে প্রশ্ন উঠছে, তার সুরাহা চাইছে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন-ইউজিসি। তারা একটি নীতিমালা করে দিতে চাইছে, যেখানে নতুন কোনো বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন করতে হলে এর অবকাঠামোকে কী থাকতে হবে, শিক্ষাক্রমে কী কী অন্তর্ভুক্ত হবে, তা সুনির্দিষ্ট করে দেয়া হবে।

পর্যাপ্ত প্রস্তুতি ছাড়াই একের পর বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপন নিয়ে ওঠা প্রশ্নের মধ্যে সম্প্রতি ইউজিসি সদস্য মুহাম্মদ আলমগীরকে আহ্বায়ক করে পাঁচ সদ্যস্যের কমিটি গঠন করা হয়েছে। নীতিমালা তৈরি করতে এই কমিটির প্রথম সভা হয় সোমবার।

এক বিজ্ঞপ্তিতে নীতিমালা করার কারণ ব্যাখ্যা করে ইউজিসি বলছে, ‘অধিকাংশ নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হওয়ার পর কোনো ধরনের প্রস্তুতি ছাড়াই শিক্ষা কার্যক্রম চালুর উদ্যোগ গ্রহণ করছে।

‘এ ছাড়া ভাড়াকৃত ভবনে শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা করছে। এতে শিক্ষার্থীদের মানসিক বিকাশ বাধাগ্রস্ত হওয়ার পাশাপাশি শিক্ষা কার্যক্রমেও ব্যাঘাত সৃষ্টি হচ্ছে। শিক্ষার মান ঠিক রাখা যাচ্ছে না।’

এ জন্য নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় স্থাপিত হওয়ার পর অ্যাকাডেমিক কার্যক্রম শুরু করার বিষয়ে একটি নীতিমালা প্রণয়ন করা জরুরি বলে মনে করছে সংস্থাটি।

নীতিমালা প্রণয়ন কমিটির সভায় ইউজিসি সদস্য মো. আলমগীর বলেন, ‘অবকাঠামো ও কারিকুলাম চূড়ান্ত না করে নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলো শিক্ষা কার্যক্রম শুরু করছে। ফলে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে বিভিন্ন সমস্যায় পড়তে হচ্ছে। শিক্ষার্থীরাও উচ্চশিক্ষার পরিবেশ থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। এ বিষয়টি সমাধানের জন্য নীতিমালা করা অত্যন্ত জরুরি।’

তিনি আরও বলেন, ‘নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর শিক্ষা কার্যক্রম কীভাবে শুরু করবে, সে বিষয়ে একটি নীতিমালা করা হলে দেশে গুণগত উচ্চশিক্ষা ও গবেষণার পরিবেশ নিশ্চিত হবে এবং মানসম্পন্ন গ্র্যাজুয়েট তৈরি হবে।’

সভায় কমিটির সদস্যরা জানান, নতুন পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়ে জ্যেষ্ঠ শিক্ষকদের সংকট রয়েছে এবং জুনিয়র শিক্ষকদের দিয়ে শিক্ষা কার্যক্রম চালিয়ে নেয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের অ্যাকাডেমিক মাস্টারপ্ল্যান তৈরির ওপর গুরুত্বারোপ করেন।

আরও পড়ুন:
পাঠ্যক্রমে নৈতিক শিক্ষার যোগ চায় ইউজিসি
উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের সেবার তালিকা দৃশ্যমান করার নির্দেশ
এপিএতে সই শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউজিসির
প্রতিবন্ধীদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিতে নীতিমালা করছে ইউজিসি
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় সহায়তা করতে চায় এলসেভিয়ার

মন্তব্য

শিক্ষা
Controversial Name for Best Education Officer

শ্রেষ্ঠ শিক্ষা কর্মকর্তা পদক তালিকায় বিতর্কিত নাম

শ্রেষ্ঠ শিক্ষা কর্মকর্তা পদক তালিকায় বিতর্কিত নাম আবদুল আমিন। ছবি সংগৃহীত
সিদ্দিক মোহাম্মদ ইউসুফ রেজা বলেন, ‘চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি নিয়ে আবদুল আমিনের বিরুদ্ধে কোনো শিক্ষক জেলা প্রশাসককে অভিযোগ করার বিষয়টি আমি অবগত নই। কেউ এমন অভিযোগ করে থাকলে সেটি ক্ষতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

নওগাঁয় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক-২০২২ তালিকায় বিতর্কিত কর্মকর্তার নাম সুপারিশের অভিযোগ উঠেছে সদর উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটির বিরুদ্ধে।

বিতর্কিত ওই কর্মকর্তা আবদুল আমিন সদরের সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে কর্মরত। শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান থেকে চাঁদাবাজিসহ তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ রয়েছে। এরপরই তার নাম সুপারিশ করায় বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকদের মধ্যে মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে। নাম প্রকাশ পাওয়ার পর যাচাই-বাছাই কমিটি নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে। যোগ্যজনই যেন পুরস্কার পান সে দাবি করেছেন জেলার সুধীজনরা।

জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয় থেকে প্রতি বছর প্রায় ২০ ক্যাটাগরিতে জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক দেয়া হয়। একটি নীতিমালার আলোকে প্রাথমিক শিক্ষার মান উন্নয়নে শিক্ষক, বিদ্যালয়, ব্যক্তি, প্রতিষ্ঠান, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বিশেষ অবদান রাখায় সম্মানিত করা হয়।

২০১৩ সালে পদক নীতিমালা হওয়ার পর ২০১৭, ২০১৯ ও ২০২১ সালে সংশোধন করা হয়। দেশের প্রতি জেলায় শ্রেষ্ঠ নির্বাচিতদের প্রতি বছর শিক্ষা পদক দিয়ে আসছে প্রাথমিক ও গণশিক্ষা মন্ত্রণালয়।

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, জেলার মহাদেবপুর উপজেলার উত্তরগ্রাম ইউনিয়নের আব্দুল আমিন ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বরে নওগাঁ সদর উপজেলা শিক্ষা অফিসে সহকারী উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন। তার আগেও তিনি বিভিন্ন উপজেলায় একই পদে কর্মরত ছিলেন।

সদর উপজেলায় যোগ দেয়ার পর থেকেই তিনি নানা অপকর্মে জড়িয়ে পড়েন। বিভিন্ন বিদ্যালয়ের উন্নয়ন কাজের বরাদ্দ খাত থেকে উৎকোচ নিচ্ছিলেন বলেও অভিযোগ তার বিরুদ্ধে।

গত ২৪ এপ্রিল আমিনের বিরুদ্ধে দুর্নীতি ও চাঁদাবাজির অভিযোগ এনে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন সদর উপজেলার মঙ্গলপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরিফুর রহমান। তাৎক্ষণিক অভিযোগ ক্ষতিয়ে দেখতে একটি তদন্ত কমিটি গঠনও করেন জেলা প্রশাসক।

তবে অভিযোগের ৫ মাস পেরোলেও অজানা কারণে তদন্ত প্রতিবেদন এখনও জমা দেয়া হয়নি। শিক্ষা কর্মকর্তাদের সঙ্গে সখ্য থাকায় আমিনের বিরুদ্ধে আনা অভিযোগের তদন্ত পিছিয়েছে বলে মনে করেন অনেকেই।

এরইমধ্যে চলতি বছর জেলায় জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক দিতে শ্রেষ্ঠ তালিকায় উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটি আব্দুল আমিনের নাম সুপারিশ করে। বিষয়টি প্রকাশ পেলে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরা প্রতিবাদ জানান।

মঙ্গলপুর সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক আরিফুর রহমান বলেন, ‘আব্দুল আমিনের বিরুদ্ধে লিখিত অভিযোগ করার পর থেকেই আমাকে শোকজসহ স্কুলে এসে নানাভাবে হয়রানি করা হয়েছে। সহকারী জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তার সঙ্গে সখ্যতার সুবাদে তিনি সব স্কুল থেকে প্রতিনিয়ত চাঁদাবাজি করেন। প্রতিটা স্কুল থেকে প্রতি বছর কমপক্ষে ৩০ হাজার টাকা করে চাঁদা নেন। এ ছাড়া তিনি বদলি ব্যবসা করেন। এই ধরনের বিতর্কিত কর্মকর্তা কোনভাবেই পদকে ভূষিত হতে পারেন না।’

সুপারিশের তালিকা থেকে বিতর্কিত এই কর্মকর্তার নাম বাদ দেয়ার পাশাপাশি তার অনিয়ম ক্ষতিয়ে দেখে ব্যবস্থা নিতে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ চান এই শিক্ষক।

বিষয়টি নিয়ে জানতে চাইলে আব্দুল আমিন বলেন, ‘শ্রেষ্ঠ পদকের তালিকায় আমার নাম আছে এমন কথা আমিও শুনেছি। তবে বিষয়টি অফিস থেকে এখনো আমাকে জানানো হয়নি। কর্তৃপক্ষ আমার যোগ্যতা দেখেই আমাকে পদক দেবেন। বিভিন্ন বিদ্যালয় থেকে চাঁদা আদায়সহ অন্য যেসব অভিযোগ, সেগুলো সঠিক নয়।’

জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক নওগাঁ সদরের যাচাই-বাছাই কমিটির সদস্য সচিব ও সদর উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ইতিয়ারা পারভিন বলেন, ‘প্রাথমিক শিক্ষার মানোন্নয়নে আব্দুল আমিনের চলতি বছরের ভূমিকা উল্লেখযোগ্য ছিল বলেই তার নাম সুপারিশ করে কমিটির কাছে পাঠানো হয়েছে। এখানে আমার ব্যক্তিগত কোনো স্বার্থ নেই। তার বিরুদ্ধে কোনো অভিযোগ আছে এমন বিষয় আমার জানা ছিল না।’

কমিটির আরেক সদস্য সচিব ও জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা সিদ্দিক মোহাম্মদ ইউসুফ রেজা বলেন, ‘চাঁদাবাজি ও দুর্নীতি নিয়ে আবদুল আমিনের বিরুদ্ধে কোনো শিক্ষক জেলা প্রশাসককে অভিযোগ করার বিষয়টি আমি অবগত নই। কেউ এমন অভিযোগ করে থাকলে সেটি ক্ষতিয়ে দেখা হবে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি বলেন, ‘উপজেলা যাচাই-বাছাই কমিটির সুপারিশের প্রেক্ষিতে নামটি আমাদের কাছে এসেছে। এখনো কাউকে চূড়ান্ত করা হয়নি। প্রাথমিক শিক্ষায় যারা বিশেষ অবদান রেখেছেন এমন যোগ্যদেরকে মূল্যায়ন করেই পদক দেয়া হবে। শীঘ্রই তালিকাটি প্রকাশ করা হবে।’

আরও পড়ুন:
যেখানেই যান, সেখানেই ‘ঘুষ-অনিয়মে’ সালাম

মন্তব্য

শিক্ষা
Bangladeshi Arnab selected as a representative at the University of Norway

নরওয়ের ইউনিভার্সিটিতে রিপ্রেজেন্ট নির্বাচিত বাংলাদেশি অর্ণব

নরওয়ের ইউনিভার্সিটিতে রিপ্রেজেন্ট নির্বাচিত বাংলাদেশি অর্ণব রাকিন আবসার অর্ণব
অর্ণব বলেন, ‘আমি নির্বাচনি প্রচারণার সময় লক্ষ্য নিয়েছিলাম ২ জন প্রধান রিপ্রেজেন্টেটিভের মধ্যে আমি একজন হবো। আশা করছি বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া ডিপার্টমেন্টের সমস্যা তুলে ধরা এবং সমাধানের জন্য প্রতিনিধি হিসেবে আমার উপর সকলে যেই আস্থা এনেছেন তা আমি বাস্তবায়ন করতে পারবো।’

নরওয়ের ভলডা ইউনিভার্সিটি কলেজের স্টুডেন্ট পার্লামেন্ট নির্বাচনে মিডিয়া ডিপার্টমেন্টের প্রধান রিপ্রেজেন্ট নির্বাচিত হয়েছেন বাংলাদেশি শিক্ষার্থী রাকিন আবসার অর্ণব ।

অর্ণব সেখানে মিডিয়ায় প্র‍্যাকটিসেস বিষয়ে মাস্টার্স করছেন। নির্বাচনে অন্য প্রার্থীর তুলনায় তিনি অনেক বেশি ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন।

অর্ণব বলেন, ‘আমি নির্বাচনি প্রচারণার সময় লক্ষ্য নিয়েছিলাম ২ জন প্রধান রিপ্রেজেন্টেটিভের মধ্যে আমি একজন হবো। আশা করছি বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া ডিপার্টমেন্টের সমস্যা তুলে ধরা এবং সমাধানের জন্য প্রতিনিধি হিসেবে আমার উপর সকলে যেই আস্থা এনেছেন তা আমি বাস্তবায়ন করতে পারবো।’

মূলত ভলডা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের স্টুডেন্ট পার্লামেন্ট মেম্বার নির্বাচনে ২২ জন প্রতিনিধি নির্বাচিত হন। এর মধ্যে ১১ জন থাকেন মূল সদস্য এবং ১১ জন সহযোগী সদস্য। প্রতি বিভাগ থেকে চারজন সদস্য নির্বাচিত হন। এর মধ্যে দুইজন মূল সদস্য, আর দুইজন সহযোগী।

এর আগে গত বছর প্রথমবারের মতো কোনো বাংলাদেশি শিক্ষার্থী হিসেবে ভলডা বিশ্ববিদ্যালয় কলেজের স্টুডেন্ট পার্লামেন্ট মেম্বার নির্বাচনে সহযোগী সদস্য নির্বাচিত হন অর্ণব।

বাংলাদেশে ছাত্রবস্থায় বাম ধারার সংগঠন ছাত্র মৈত্রীর সাথে যুক্ত ছিলেন অর্ণব। দুই দফা নেতৃত্ব পর্যায়ের দায়িত্ব পালন করেছেন। বাংলাদেশ ছাত্র মৈত্রীর রাজশাহী জেলা কমিটির সভাপতি ও বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রী ঢাকা মহানগের সভাপতির দায়িত্ব পালন করেছেন নরওয়ে যাওয়ার আগ পর্যন্ত।

মন্তব্য

শিক্ষা
Committee of Eden Chhatra League suspended expulsion 16

ইডেন ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত, বহিষ্কার ১৬

ইডেন ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত, বহিষ্কার ১৬ ইডেন মহিলা কলেজে রোববার সন্ধ্যায় সৃষ্ট সংঘর্ষে আহত ছাত্রলীগ সভাপতি রিভাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
স্থায়ী বহিষ্কার হওয়াদের মধ্যে ১০ জন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক আর চারজন কর্মী। তারা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ করে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন।

দুই পক্ষের হামলা-পাল্টাহামলার ঘটনায় রাজধানীর ইডেন কলেজে ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত করা হয়েছে। একই সঙ্গে সংগঠন থেকে স্থায়ী বহিষ্কার করা হয়েছে ১৬ জনকে।

রোববার মধ্যরাতে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্য স্বাক্ষরিত এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়াদের মধ্যে ১০ জন বর্তমান কমিটির সহসভাপতি, একজন যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক, একজন সাংগঠনিক সম্পাদক আর চারজন কর্মী।

তারা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে বিভিন্ন অভিযোগ করে কলেজ ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেছেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, সংগঠনের শৃঙ্খলা পরিপন্থি কার্যকলাপে জড়িত থাকার অপরাধে তাদের বহিষ্কার করা হয়েছে। আর এটির প্রাথমিক প্রমাণও পাওয়া গেছে।

কমিটি স্থগিতের বিষয়ে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের এক সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, ইডেন মহিলা কলেজ শাখার সাংগঠনিক কার্যক্রম স্থগিত করা হলো।

এতে আরও বলা হয়, অধিকতর তদন্তের মাধ্যমে এই বিশৃঙ্খলার সঙ্গে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের যারা জড়িত রয়েছেন তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

স্থায়ী বহিষ্কার হওয়া ছাত্রীরা হলেন ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সোনালি আক্তার, সুস্মিতা বাড়ৈ, জেবুন্নাহার শিলা, কল্পনা বেগম, জান্নাতুল ফেরদৌস, আফরোজা রশ্মি, মারজানা ঊর্মি, সানজিদা পারভীন চৌধুরী, এস এম মিলি ও সাদিয়া জাহান সাথী। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ফাতেমা খানম বিন্তি, সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখি এবং কর্মী রাফিয়া নীলা, নোশিন শার্মিলী, জান্নাতুল লিমা ও সূচনা আক্তার।

কীসের ভিত্তিতে বহিষ্কার করা হলো- এমন প্রশ্নে ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক বলেন, ‘আমরা একটা তদন্ত কমিটি করেছিলাম, তারা তাতে আস্থা রাখতে পারছে না। তাই আমরা সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকসহ একটি বডি মিলে এই ঘটনার প্রাথমিক তদন্ত করেছি। আমরা ভিডিও ফুটেজ দেখে হামলায় জড়িতদের চিহ্নিত করে তাদের বহিষ্কারের সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’

এ ঘটনায় আরও তদন্ত চলবে বলে জানান লেখক ভট্টাচার্য।

রোববার ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের নেত্রীরা অভিযোগ করেন কেন্দ্রীয় সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক তাদের ফোন ধরেন না, যার ফলে তারা কোনো অভিযোগ জানাতে পারেন না।

এ বিষয়ে লেখক ভট্টাচার্য বলেন, ‘তারা আমাদের কোনো ফোনই দেয়নি। সব কিছু নিয়ে মিথ্যাচার করছে। তারা যে সিট বাণিজ্য ও চাঁদাবাজির কথা বলছে, এটার কোনো প্রমাণ তো দিতে পারছে না তারা। কমিটি দেওয়ার পর থেকেই একটি অংশ বারবার কমিটিকে বিতর্কিত করার চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছিল।’

শনিবার রাতে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের এক সহসভাপতিকে মারধর করেন কলেজ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা। এর প্রতিবাদে রাতেই বিক্ষোভ করেন ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা।

রোববার সকালে সংবাদ সম্মেলন করে ওই ঘটনায় দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের ৪৩ সদস্যবিশিষ্ট কমিটির ২৫ জন। সন্ধ্যায় পাল্টা সংবাদ সম্মেলনের আয়োজন করে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদক গ্রুপ। বাকিরা এর প্রতিবাদ জানালে দুই পক্ষে আবারও সংঘর্ষ হয়।

আরও পড়ুন:
ইডেনের সংঘর্ষে দায়ীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিচ্ছে আ. লীগ
ইডেনের ক্যাম্পাসছাড়া রিভা-রাজিয়া
ছাত্র পেটানো তিলোত্তমার নেতৃত্বে কমিটি মানেন না ইডেনের কর্মীরা

মন্তব্য

শিক্ষা
10 injured including Riva in BCL clash in Eden

ইডেনের ক্যাম্পাসছাড়া রিভা-রাজিয়া

ইডেনের ক্যাম্পাসছাড়া রিভা-রাজিয়া ইডেন মহিলা কলেজে রোববার সন্ধ্যায় সৃষ্ট সংঘর্ষে আহত ছাত্রলীগ সভাপতি রিভাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা
ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা কলেজ অডিটোরিয়ামে সংবাদ সম্মেলন করতে এলে বিরোধীপক্ষের সঙ্গে সংঘর্ষে ১০ জন আহত হন। পরে আহত রিভাকে হাসপাতালে নেয়া হয়। আর পুলিশ পাহারায় রাজিয়াকে ক্যাম্পাসের বাইরে সরিয়ে নেয় কর্তৃপক্ষ।

রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজে ছাত্রলীগের দুই পক্ষের সংঘর্ষে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভাসহ কমপক্ষে ১০ জন আহত হয়েছেন। রোববার সন্ধ্যা ৬টায় ইডেন কলেজ অডিটোরিয়ামের সামনে এই সংঘর্ষ ও চেয়ার ছোড়াছুড়ির ঘটনা ঘটে।

আহতদের মধ্যে দুজনকে সন্ধ্যা পৌনে ৭টার দিকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে আসেন ইডেন কলেজের শিক্ষক নার্গিস আক্তার। তারা হলেন ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও যুগ্ম সম্পাদক রিতু আক্তার।

এদিকে পুলিশ পাহারায় ক্যাম্পাস থেকে কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাকে সরিয়ে নিয়েছে কলেজ প্রশাসন। রোববার রাত ৮টা ২০ মিনিটে তাকে কলেজের ৩ নম্বর গেট দিয়ে বের করে নেয়া হয়।

ইডেনের ক্যাম্পাসছাড়া রিভা-রাজিয়া
ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাকে রোববার রাতে পুলিশ পাহারায় ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে যাওয়া হয়। ছবি: নিউজবাংলা

রাজিয়া সুলতানাকে ক্যাম্পাস থেকে নিয়ে যাওয়ার ঘটনায় উল্লাস প্রকাশ করেছে বিরোধীপক্ষ। তারা বলছে, এর মধ্য দিয়ে কলেজ কলঙ্কমুক্ত হয়েছে।

এর আগে সন্ধ্যায় হওয়া হামলার পর পুলিশ প্রটোকলে সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়।

শিক্ষক নার্গিস আক্তার বলেন, ‘আহত যে দুজনকে এখানে নিয়ে এসেছি তাদের ওপর অমানুষিক নির্যাতন চালানো হয়েছে। চেয়ার ও লাঠি দিয়ে উপর্যুপরি আঘাত করা ছাড়াও চুল ধরে টেনেহিঁচড়ে তাদের নির্যাতন করা হয়েছে। ওই ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হলেও তাদের ঢাকা মেডিক্যালে আনা সম্ভব হয়নি।’

শনি থেকে রোববার দুপুর পর্যন্ত সংঘটিত ঘটনা নিয়ে ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানা সংবাদ সম্মেলন করতে আসেন। কলেজ অডিটোরিয়ামে এই সংবাদ সম্মেলন শুরুর পর ছাত্রলীগের দুই পক্ষে হাতাহাতি শুরু হয়। একপর্যায়ে তা হামলা-পাল্টা হামলায় গড়ায়। দুই পক্ষ পরস্পরের দিকে চেয়ার ছুড়ে মারতে থাকে। এ সময় অন্তত ১০ জন আহত হন।

এ বিষয়ে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি সানজিদা পারভিন চৌধুরী বলেন, ‘রিভা ও রাজিয়া সংবাদ সম্মেলন করতে এসেছেন। কিন্তু তাদের সেই সংবাদ সম্মেলনে হামলার ঘটনায় ভুক্তভোগীদের কেউ ছিল না। পরে আমরা সেই সংবাদ সম্মেলনে ভুক্তভোগীদের বসাতে গেলে তারা আমাদের ওপর হামলা চালায়। এতে আমাদের তিনজন আহত হয়েছেন। তারা হলেন শেখ সানজিদা, সুষ্মিতা ও স্বর্ণালি।’

সানজিদা বলেন, ‘ছাত্রলীগের এই কমিটির সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদককে আমরা ক্যাম্পাসে চাই না। রিভা চলে গেছেন। রাজিয়া এখনও আছেন। আমরা চাই তিনিও সসম্মানে ক্যাম্পাস থেকে বের হয়ে যাবেন।’

এক প্রশ্নের উত্তরে সানজিদা বলেন, ‘কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে আমাদের সঙ্গে এখনও কেউ যোগাযোগ করেননি। আমরা এই তদন্ত কমিটি মানি না।’

রিভা-রাজিয়া পক্ষের কেউ ঘটনাস্থলে উপস্থিত না থাকায় তাদের বক্তব্য জানা যায়নি।

এর আগে হামলার শিকার হয়ে তামান্না জেসমিন রিভা বলেন, ‘আমরা নেতৃত্বে আসার পর থেকে নিয়মিত চেষ্টা করছি ভালো কিছু করার জন্য। কিন্তু কমিটি থেকে সেন্ট্রালে পদ পাওয়া কয়েকজনের ইন্ধনে এসব করা হচ্ছে।’

ইডেনের ক্যাম্পাসছাড়া রিভা-রাজিয়া
কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকের বিরোধীপক্ষের নেত্রীরা রোববার রাতে ক্যাম্পাসে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন। ছবি: নিউজবাংলা

বিরোধীপক্ষের নেত্রীরা যা বললেন

হামলা-সংঘর্ষে আহত হয়ে পুলিশ পাহারায় ক্যাম্পাস থেকে কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি রিভাকে নেয়া হয়েছে হাসপাতালে। আর সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাকেও পুলিশের সহায়তায় ক্যাম্পাসের বাইরে নিয়ে গেছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।

রিভা ও রাজিয়া ক্যাম্পাসছাড়া হওয়ার পর রাতে কলেজ ছাত্রলীগের বিরোধীপক্ষের নেত্রীরা উল্লাস প্রকাশ করেন। তাদের পক্ষে কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি জেবুন্নাহার শীলা বলেন, ‘আজ থেকে ইডেন কলেজ কলঙ্কমুক্ত। ছাত্রী নির্যাতনকারী ছাত্রলীগ সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদক ক্যাম্পাসছাড়া হওয়ায় আমরা হাঁফ ছেড়ে বেঁচেছি। কারণ এ রকম অন্যায়কারী চাঁদাবাজ সভাপতি-সেক্রেটারি আমরা কখনই চাই না।’

আরেক সহসভাপতি সুষ্মিতা বাড়ৈ বলেন, ‘এই ইডেন কলেজ রিভা-রাজিয়ার ঘাঁটি নয়। এটা শেখ হাসিনার ঘাঁটি। এখানে রিভা-রাজিয়ার স্থান হবে না।

‘আজ দুপুরে সংবাদ সম্মেলনে আমাদের যে আট দাবি ছিল সেগুলোর ব্যাপারে রিভা ও রাজিয়াকে জবাব দিতে হবে। তারপর বিচার-বিশ্লেষণ করে বলতে পারব যে তাদের আমরা ক্যাম্পাসে আনব কি আনব না।’

এরপর কলেজ ক্যাম্পাসে উল্লাস প্রকাশ করে স্লোগান দেন বিরোধীপক্ষের ছাত্রলীগ নেত্রীরা। এ সময় তারা রিভা ও রাজিয়ার বিরুদ্ধেও নানা স্লোগান দেন।

আরও পড়ুন:
ফের বিতর্কে ছাত্রলীগ নেত্রী রিভা
অডিও ফাঁস: ক্ষমা চাইলেন ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি
ট্রাম্পকে পুড়িয়ে ছেলেসহ অবকাশে বাইডেন
ফের করোনা পজিটিভ বাইডেন
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট বাইডেন করোনায় আক্রান্ত

মন্তব্য

শিক্ষা
The workers of Eden did not accept the committee led by student Petano Tilottma

ছাত্র পেটানো তিলোত্তমার নেতৃত্বে কমিটি মানেন না ইডেনের কর্মীরা

ছাত্র পেটানো তিলোত্তমার নেতৃত্বে কমিটি মানেন না ইডেনের কর্মীরা ইডেন কলেজ প্রাঙ্গণে সংবাদ সম্মেলন কলেজ ছাত্রলীগের নেত্রীরা। ছবি: নিউজবাংলা
‘তদন্ত কমিটিতে রাখা হয়েছে নিশি ও তিলোত্তমাকে। এর আগে যখন রিভার অডিও ফাঁস হয়েছে সেটিরও তদন্ত করতে দেয়া হয় নিশি-তিলোত্তমাকে। তারা সেই তদন্তের কোনো রিপোর্ট আমাদের জানায়নি। নিশি আর তিলোত্তমার তদন্ত কমিটি আমরা মানব না।’

রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসকে মারধরের ঘটনায় গঠিত তদন্ত কমিটি মানেন না বলে জানিয়েছেন তার অনুসারীরা। তারা বলছেন, তদন্ত কমিটিতে রাখা হয়েছে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি তিলোত্তমা শিকদার এবং যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেনজির হোসেন নিশিকে। এর আগেও বিভিন্ন ঘটনায় তাদের সদস্য করে কমিটি গঠন করা হলেও তারা শেষ পর্যন্ত কোনো রিপোর্ট জমা দেননি।

এ ঘটনায় অভিযুক্ত কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানাকে বহিষ্কার না করা হলে গণপদত্যাগেরও ঘোষণা দিয়েছেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের ২৫ নেত্রী।

এরা সবাই কলেজ ছাত্রলীগের বর্তমান কমিটির পদধারী।

রোববার দুপুর সাড়ে ১২টায় ইডেন কলেজ প্রাঙ্গণে এক সংবাদ সম্মেলনে এই ঘোষণা দেয়া হয়।

এ সময় তারা এই দাবি মেনে নিতে ছাত্রলীগ সভাপতি আল নাহিয়ান খান জয় এবং সাধারণ সম্পাদক লেখক ভট্টাচার্যকে ২৪ ঘণ্টা সময় বেঁধে দেন।

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত থাকা ২৫ নেত্রী বর্তমান কলেজ ছাত্রলীগ কমিটির সহসভাপতি, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক এবং সাংগঠনিক সম্পাদক পদধারী।

জান্নাতুলের অনুসারীরা শনিবারের ঘটনা তদন্তে গঠিত কমিটি মানেন না জানিয়ে তারা বলেন, ‘তদন্ত কমিটিতে রাখা হয়েছে নিশি ও তিলোত্তমাকে। এর আগে যখন রিভার অডিও ফাঁস হয়েছে সেটিরও তদন্ত করতে দেয়া হয় নিশি-তিলোত্তমাকে। তারা সেই তদন্তের কোনো রিপোর্ট আমাদের জানায়নি। নিশি আর তিলোত্তমার তদন্ত কমিটি আমরা মানব না।’

উপস্থিত নেত্রীরা বলেন, ‘বারবার অপরাধ করেও কেন্দ্র থেকে ইডেন সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হচ্ছে না। এবার যদি কোনো ব্যবস্থা নেয়া না হয় তাহলে আমরা এখানে উপস্থিত ২৫ জনই গণহারে পদত্যাগ করব।’

গত ১৯ আগস্ট ইডেন কলেজ শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রিভার একটি অডিও সামাজিক যোগযোগমাধ্যমে ভাইরাল হয়। ছাত্রলীগের কর্মসূচিতে না যাওয়ায় শিক্ষার্থীদের হুমকির অডিও ছড়িয়ে যাওয়ার পর তা নিজের বলে গণমাধ্যমের কাছে স্বীকারও করেন তামান্না।

এদিকে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি তিলোত্তমা শিকদার নানা কারণে বারবার আলোচনায় এসেছেন।

এর আগে গত ২৬ মে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগ ও ছাত্রদলের সংঘর্ষের ঘটনায় তিলোত্তমার একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। এ সময় হাতে লাঠি ও হেলমেট পরা অবস্থায় দেখা যায় তাকে। এ ঘটনায় তিলোত্তমা শিকদারসহ ৩২ নেতার বিরুদ্ধে মামলাও হয়।

ইডেন কলেজের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে কথা বলায় নিজ অনুসারীদের দিয়ে কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসকে মারধরের অভিযোগ উঠেছে।

শনিবার রাতে হওয়া এই ঘটনায় ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে এবং গভীর রাতেই রিভা-রাজিয়া বিরোধীপক্ষের অনুসারী শিক্ষার্থীরা কলেজ প্রাঙ্গণে জড়ো হয়ে তারা রিভা ও রাজিয়ার শাস্তি দাবি করেন। এ সময় তারা রাজিয়া ও রিভাকে হল থেকে বের করে দেয়ারও দাবি জানান।

রোববারের সংবাদ সম্মেলন থেকে আট দাবি জানানো হয়।

দাবিগুলো হলো- জান্নাতুল ফেরদৌসের ওপর হওয়া হামলার সাংগঠনিক জবাব চাই, সাধারণ শিক্ষার্থীদের হেনস্তার সুষ্ঠু বিচার চাই, ক্যাম্পাসের সব সিসিটিভি ফুটেজ লুকানোর চেষ্টা করা যাবে না, মাতৃতুল্য অধ্যক্ষকে নিয়ে কটাক্ষ করার জবাব চাই, একচেটিয়া রাজনীতি এবং চাঁদাবাজির রাজনীতি বন্ধ করতে হবে, প্রত্যেক শিক্ষার্থীর নিরাপদে থাকার ব্যবস্থা নিতে হবে, প্রায় শতাধিক রুম দখলের হিসাব দিতে হবে এবং জান্নাতুল ফেরদৌসের যেসব ছবি তোলা হয়েছে তা সব নেতাদের সামনে ডিলিট করতে হবে এবং তার সব জিনিস ফেরত দিতে হবে।

সংবাদ সম্মেলন লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সামিয়া আক্তার বৈশাখী।

তিনি বলেন, ‘গতকাল জান্নাতুল ফেরদৌসের ওপর হওয়া হামলায় জড়িতদের মধ্যে বেশ কয়েকজনের নাম আমরা জানতে পেরেছি। তারা হলেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি নুজহাত ফারিয়া রোকসানা, আয়েশা সিদ্দিকা মিম, আর্ণিকা তাবাসসুম স্বর্ণা, শিরিনা আক্তার, সোমা মল্লিক পপি, জিনাত হাসনাইন, লিমা ফেরদৌস, আশরাফ লুবনা বিজলী আক্তার, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ঋতু আক্তার, সাংগঠনিক সম্পাদক কামরুন্নাহার জ্যোতি এবং ফারজানা ইয়াসমিন নীলা।’

বৈশাখী বলেন, ‘তবে মারধরের ঘণ্টাখানেক আগে সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের অনুসারীরা জান্নাতুলের রুমে হামলা চালায়। এ সময় তার রুমে থাকা ল্যাপটপ এবং অন্যান্য প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে যায়।

‘পরে হামলার সময় সহসভাপতি আয়েশা সিদ্দিকা মিম এবং রোকসানা জান্নাতুল ফেরদৌস এবং তার সঙ্গে থাকা ছোট বোনের মোবাইল ফোন কেড়ে নিয়ে সভাপতির হাতে তুলে দেন তারা।’

এ সময় রিভা-রাজিয়ার অনুসারীরা জান্নাতুলের গলার স্বর্ণের চেন, ব্যাগে থাকা নগদ ১৫ হাজার টাকা এবং ছোট বোনের হাতে থাকা আংটিও কেড়ে নেয় বলে অভিযোগ করেন বৈশাখী।

মন্তব্য

p
উপরে