× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Rashedul Hasan joined Exim Bank Agricultural University
hear-news
player
google_news print-icon

এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে যোগ দিলেন রাশেদুল হাসান

এক্সিম-ব্যাংক-কৃষি-বিশ্ববিদ্যালয়ে-যোগ-দিলেন-রাশেদুল-হাসান
এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর অধ্যাপক ড. এবিএম রাশেদুল হাসান। ছবি: সংগৃহীত
এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে যোগ দেয়ার আগে রাশেদুল হাসান নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার এবং অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে প্রফেসর ও ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশের ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে যোগ দিয়েছেন অধ্যাপক ড. এ বি এম রাশেদুল হাসান।

বৃহস্পতিবার তিনি ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে কাজে যোগ দেন।

এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

এর আগে রাশেদুল হাসান এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস চ্যান্সেলর (মনোনীত) হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেন।

এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভাইস চ্যান্সেলর হিসেবে যোগ দেয়ার আগে রাশেদুল হাসান নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। এক্সিম ব্যাংক কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ের ট্রেজারার এবং অতীশ দীপঙ্কর ইউনিভার্সিটি অফ সায়েন্স অ্যান্ড টেকনোলজিতে প্রফেসর ও ট্রেজারার হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন তিনি।

রাশেদুল হাসান মালয়েশিয়ার লিঙ্কন ইউনিভার্সিটি থেকে ডক্টর অফ বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (ডিবিএ) ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ব্যবস্থাপনায় স্নাতক ও স্নাতকোত্তর শেষ করেছেন। তিনি ইন্ডিয়ান অ্যাকাডেমিক রিসার্স অ্যাসোসিয়েশনের ফেলো এবং বাংলাদেশ শাখার সভাপতি।

তিনি ১৯৯১ সালে মাইডাস-এ প্রোগ্রাম অফিসার হিসেবে তার কর্মজীবন শুরু করেন। তারপর তিনি বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ ম্যানেজমেন্টে (বিআইএম) অ্যাসোসিয়েট ম্যানেজমেন্ট কাউন্সিলর হিসেবে যোগ দেন এবং তিনি একজন সিনিয়র ম্যানেজমেন্ট কাউন্সিলর হন। বিআইএম-এর সঙ্গে থাকাকালীন তিনি প্রাইভেটাইজেশন কমিশনের পরিচালক (পরিকল্পনা), দ্বিতীয় সচিব এবং মালয়েশিয়ার বাংলাদেশ হাইকমিশনের শ্রম শাখার প্রথম সচিব হিসেবে কাজ করেন।

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
National University Masters Result Released Pass 68 19

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ফল প্রকাশ, পাস ৬৮.১৯%

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের মাস্টার্সের ফল প্রকাশ, পাস ৬৮.১৯%
রোববার বিকেলে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ১৫ হাজার ৯০৯ জন। ১১৭টি কেন্দ্রে ১৭৫টি কলেজে ৩০টি বিষয়ে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে অনুষ্ঠিত ২০১৯ সালের মাস্টার্স শেষ পর্ব পরীক্ষায় পাসের হার ৬৮ দশমিক ১৯ শতাংশ।

রোববার বিকেলে এই ফলাফল ঘোষণা করা হয়। এতে মোট পরীক্ষার্থীর সংখ্যা ছিল ২ লাখ ১৫ হাজার ৯০৯ জন। ১১৭টি কেন্দ্রে ১৭৫টি কলেজে ৩০টি বিষয়ে এই পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়।

জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ পরিচালক মো. আতাউর রহমান সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এই ফলাফল জানানো হয়।

প্রকাশিত ফলে কোনো প্রকার অসংগতি বা ভুল পরিলক্ষিত হলে তা সংশোধন অথবা ফল সম্পূর্ণ বাতিল করার ক্ষমতা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় সংরক্ষণ করে।

মুঠোফোন থেকে এসএমএসের মাধ্যমে বা জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের ওয়েবসাইটে এই ফল পাওয়া যাবে।

আরও পড়ুন:
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ে এমফিল ও পিএইচডিতে ভর্তির আবেদন শুরু ১৪ জুন
অনার্স চতুর্থ বর্ষের ফল প্রকাশ
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ভর্তি আবেদন শুরু
জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রথম বর্ষের ভর্তির আবেদন শুরু ২২ মে
ডিগ্রি প্রথম বর্ষের ফল প্রকাশ

মন্তব্য

শিক্ষা
Comilla University closed due to BCL conflict

ছাত্রলীগের দ্বন্দ্বে বন্ধ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

ছাত্রলীগের দ্বন্দ্বে বন্ধ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শনিবার বিকেলে অস্ত্র হাতে মুখোমুখি অবস্থান নেয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ। ফাইল ছবি: নিউজবাংলা
আগামী ১০ থেকে ১৭ অক্টোবরের সব পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। রোববার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ছাত্রদের এবং সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত হলগুলো বন্ধ থাকবে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল বন্ধ ঘোষণা ও পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তির ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রোববার এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সভা শেষে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) আমিরুল হক চৌধুরী।

তিনি জানান, আগামী ১০ থেকে ১৭ অক্টোবরের সব পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। রোববার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ছাত্রদের এবং সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত হলগুলো বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিজস্ব পরিবহন ছাড়া সব পরিবহন বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার রাতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় নেতারা। ছাত্রলীগ সভাপতি ও সম্পাদকের সই করা এক বিজ্ঞপ্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ নিয়ে কুবি ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ তার ফেসবুক আইডিতে উল্লেখ করেন, ‘কমিটি বিলুপ্তির কোনো ঘটনা ঘটেনি। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি দেবে।’

শুক্রবার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আধিপত্য বিস্তারে শনিবার বেলা ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও বহিরাগতরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে মুখোমুখি অবস্থান নেন।

ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং ক্যাম্পাসে স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকবে। উপাচার্য স্যারসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জরুরি মিটিংয়ে আজকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটিও করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
ক্যাম্পাসে অস্ত্র হাতে ঘুরছে ছাত্রলীগের ২ গ্রুপ

মন্তব্য

শিক্ষা
Donations to schools and colleges are being eaten by rats Shahnawaz

স্কুল-কলেজে অনুদান ইঁদুরে খেয়ে ফেলছে: শাহনাওয়াজ

স্কুল-কলেজে অনুদান ইঁদুরে খেয়ে ফেলছে: শাহনাওয়াজ জাতীয় প্রেস ক্লাবে রোববার বাবেশিকফো আয়োজিত ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষায় বৈষম্য দূরীকরণ ও শিক্ষার মানোন্নয়নের একমাত্র উপায় জাতীয়করণ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় বক্তব্য দেন অধ্যাপক এ কে এম শাহনাওয়াজ। ছবি: নিউজবাংলা
আলোচনায় একাধিক বক্তার বক্তব্যের বিষয়ে অধ্যাপক শাহনাওয়াজ বলেন, ‘আপনারা শিক্ষকরা একটু আগে ইঙ্গিত দিলেন আপনাদের গভর্নিং বডি নিয়ে। আমি জানি সেগুলো। এই গভর্নিং বডির পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন যারা, যাদের অঙ্গুলি হেলনে এই কমিটিগুলো হয়...আপনাদের যে অনুদান আসে স্কুল-কলেজে, সেটা তো মাঝখানে ইঁদুরে খেয়ে ফেলছে। এই ইঁদুরে খেয়ে ফেলাটাও একটি পরিকল্পনার অংশ বলে আমি মনে করি।’

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক পর্যায়ে প্রতিষ্ঠানগুলোতে আসা অনুদান ইঁদুর খেয়ে ফেলছে বলে অভিযোগ করেছেন জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের অধ্যাপক ড. এ কে এম শাহনাওয়াজ।

জাতীয় প্রেস ক্লাবে রোববার বাংলাদেশ বেসরকারি শিক্ষক-কর্মচারী ফোরাম (বাবেশিকফো) আয়োজিত ‘এমপিওভুক্ত শিক্ষায় বৈষম্য দূরীকরণ ও শিক্ষার মানোন্নয়নের একমাত্র উপায় জাতীয়করণ’ শীর্ষক গোলটেবিল আলোচনায় তিনি এ অভিযোগ করেন।

আলোচনায় একাধিক বক্তার বক্তব্যের বিষয়ে শাহনাওয়াজ বলেন, ‘আপনারা শিক্ষকরা একটু আগে ইঙ্গিত দিলেন আপনাদের গভর্নিং বডি নিয়ে। আমি জানি সেগুলো। এই গভর্নিং বডির পেছনে দাঁড়িয়ে আছেন যারা, যাদের অঙ্গুলি হেলনে এই কমিটিগুলো হয়...আপনাদের যে অনুদান আসে স্কুল-কলেজে, সেটা তো মাঝখানে ইঁদুরে খেয়ে ফেলছে। এই ইঁদুরে খেয়ে ফেলাটাও একটি পরিকল্পনার অংশ বলে আমি মনে করি।’

বাংলাদেশের সরকার শিক্ষাবান্ধব নয় অভিযোগ করে জাবির এ শিক্ষক বলেন, ‘সাড়ে ১২ হাজার টাকা বেতন দেয়। আর ১ হাজার টাকা বাড়ি ভাড়া দেয়। এতে এখন মুরগির খোঁয়াড়ও ভাড়া পাওয়া যায় না। শিক্ষককে ভিক্ষুক মনে করা হয় কেন? আমাদের সরকার মোটেই শিক্ষাবান্ধব নয়। বক্তৃতায় উনারা যা-ই বলুন।’

তিনি বলেন, ‘আগেও আমরা দেখছি, শিক্ষকরা দিনের পর দিন এই দাবিতে পথে আন্দোলন করেছে, কিন্তু কোনো লাভ হয়নি। এটাই দুঃখজনক।’

আলোচনায় লিখিত বক্তব্যে বাবেশিকফোর সভাপতি অধ্যক্ষ মো. মাইন উদ্দিন বলেন, এন্ট্রি লেভেলের শিক্ষক নিয়োগে এনটিআরসিএ সুপারিশ করলেও এ নিয়ে উৎকোচ গ্রহণের অভিযোগ রয়েছে। এ অবস্থায় এমপিওভুক্তদের জাতীয়করণ জরুরি।

তিনি বলেন, ‘জাতীয়করণ করা হলে গ্রামের প্রান্তিক জনগোষ্ঠী লাভবান হবে। মেধাবীরা এই পেশায় আরও এগিয়ে আসবে। প্রতিষ্ঠানের ফান্ড থেকেই এটি বাস্তবায়ন সম্ভব।’

মাইন আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু এমপিওভুক্ত শিক্ষকদের উন্নয়নে কাজ করেছেন। এরই ধারাবাহিকতায় এমপিও শিক্ষা জাতীয়করণ সময়ের দাবি।’

আরও পড়ুন:
কুরুচিপূর্ণ আচরণের অভিযোগে শিক্ষকের অপসারণ চেয়ে বিক্ষোভ
বিয়ে না করেও সন্তানের শিক্ষাভাতা তোলেন শিক্ষক
বেত্রাঘাত করায় কলেজশিক্ষকের নামে মামলা
প্রধান শিক্ষকের বিরুদ্ধে সহকারীকে মারধরের অভিযোগ
অন্যের সন্তান দেখিয়ে মাতৃত্বকালীন ছুটি: শিক্ষক বরখাস্ত

মন্তব্য

শিক্ষা
SSC question leak Two more teachers remanded

এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: রিমান্ডে আরও দুই শিক্ষক

এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস: রিমান্ডে আরও দুই শিক্ষক রিমান্ড আদেশের পর আমিনুর ও জোবাইরকে আদালত থেকে নেয়া হচ্ছে। ছবি: নিউজবাংলা
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আজাহার আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই আসামির তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলেও শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে।’

কুড়িগ্রামে এসএসসির প্রশ্নপত্র ফাঁসের মামলায় গ্রেপ্তার ভূরুঙ্গামারী নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের বরখাস্ত আরও দুই শিক্ষককে দুই দিনের রিমান্ডে পেয়েছে পুলিশ।

রোববার সকালে কুড়িগ্রামের জ্যেষ্ঠ বিচারিক হাকিম আদালতের বিচারক সুমন আলী এ আদেশ দেন।

রাষ্ট্রপক্ষের সহকারি আইনজীবী দিলরুবা আহমেদ শিখা নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আসামিরা হলেন ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক জোবাইর রহমান ও ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক আমিনুর রহমান রাসেল। এর আগে গত বুধবার মামলার প্রধান আসামি একই বিদ্যালয়ের বরখাস্ত প্রধান শিক্ষক ও কেন্দ্র সচিব লুৎফর রহমানকে তিন দিনের রিমান্ডে পাঠিয়েছিল আদালত।

মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ভূরুঙ্গামারী থানার ওসি আজাহার আলী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘দুই আসামির তিন দিনের রিমান্ড আবেদন করা হলেও শুনানি শেষে বিজ্ঞ আদালত তাদের দুই দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদের অনুমতি দিয়েছে।

‘প্রধান আসামি লুৎফর রহমান তিন দিনের রিমান্ডে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দিয়েছেন। সেগুলো যাচাই বাছাই করে দেখা হচ্ছে।’

আইনজীবী দিলরুবা আহমেদ বলেন, ‘আসামিরা প্রশ্ন ফাঁস করে দেশ ও জাতির ক্ষতি করেছেন। তাদের সব্বোর্চ শাস্তি নিশ্চিত করতে চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’

২০ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলার নেহাল উদ্দিন পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে দিনাজপুর বোর্ডের ইংরেজি প্রথম পত্র ও দ্বিতীয় পত্র পরীক্ষার প্রশ্নপত্র ফাঁসের অভিযোগ উঠে। এরপর ওই কেন্দ্রের সচিব লুৎফর রহমান জিজ্ঞাসাবাদে প্রশ্নপত্র ফাঁসের কথা স্বীকার করেন। একই সঙ্গে তার কাছে কয়েকদিনের আগাম প্রশ্নপত্র রয়েছে বলে জানান।

এদিন মধ্যরাতে ট্যাগ অফিসার ও কুড়িগ্রামের ভুরুঙ্গামারী উপজেলা মৎস্য কর্মকর্তা আদম মালিক চৌধুরী মামলা করেন।

গ্রেপ্তার হন লুৎফর রহমান, ইংরেজি বিষয়ের সহকারী শিক্ষক আমিনুর রহমান, ইসলাম শিক্ষা বিষয়ের শিক্ষক জোবাইর রহমান, কৃষি বিজ্ঞানের শিক্ষক হামিদুল ইসলাম, বাংলা বিষয়ের শিক্ষক সোহের চৌধুরী ও অফিস সহায়ক সুজন মিয়া। এই ঘটনার পর ওই বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী মো. আবু হানিফ পলাতক রয়েছেন।

এদের সবাইকে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করেছে বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটি।

প্রশ্নপত্র ফাঁসের ঘটনার দুই দিন পর কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারী উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আব্দুর রহমান বরখাস্ত হন।

আরও পড়ুন:
পরীক্ষার হলে ফেসবুক লাইভ, ২ এসএসসি পরীক্ষার্থী বহিষ্কার
‘ভূরুঙ্গামারীর ইউএনওর অবহেলায়’ এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস
প্রশ্নফাঁস: কুড়িগ্রামের উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরখাস্ত
দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন ২ ঘণ্টা পরই
এসএসসি: দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত ৪ বিষয়ের সূচি ঘোষণা

মন্তব্য

শিক্ষা
UGC wants e documents in universities

বিশ্ববিদ্যালয়ে ই-নথি চায় ইউজিসি

বিশ্ববিদ্যালয়ে ই-নথি চায় ইউজিসি বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি আয়োজিত ই-নথি বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে অতিথিরা। ছবি: সংগৃহীত
দিল আফরোজা বলেন, ই-নথি ব্যবস্থার মাধ্যমে যেকোনো স্থান থেকেই ইন্টারন্টে সুবিধা ব্যবহারের মাধ্যমে নথি নিষ্পন্ন করা যাচ্ছে। ফলে দাপ্তরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হচ্ছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ে দাপ্তরিক কাজে গতি বৃদ্ধি, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহি নিশ্চিত করতে ই-নথি ব্যবস্থা জোরদারের আহ্বান জানিয়েছে বাংলাদেশ বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন (ইউজিসি)।

বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান মেরিটাইম ইউনিভার্সিটি আয়োজিত ই-নথি বিষয়ক তিন দিনব্যাপী প্রশিক্ষণের উদ্বোধন অনুষ্ঠানে শনিবার প্রধান অতিথির বক্তব্যে ইউজিসি চেয়ারম্যান (অতিরিক্ত দায়িত্ব) অধ্যাপক দিল আফরোজা বেগম এ আহ্বান জানান।

দিল আফরোজা বলেন, ই-নথি ব্যবস্থার মাধ্যমে যেকোনো স্থান থেকেই ইন্টারন্টে সুবিধা ব্যবহারের মাধ্যমে নথি নিষ্পন্ন করা যাচ্ছে। ফলে দাপ্তরিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ প্রক্রিয়া ত্বরান্বিত হচ্ছে।

সহজে ও দ্রুততম সময়ে প্রশাসনিক সিদ্ধান্ত গ্রহণের জন্য পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোতে ই-নথি কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ জোরদারের ওপর গুরুত্বারোপ করেন তিনি।

মেরিটাইম বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার কমডোর শেখ ফিরোজ আহমেদের সভাপতিত্বে প্রশিক্ষণের উদ্বোধনে বিশেষ অতিথি ছিলেন ইউজিসি সদস্য প্রফেসর ড. মো. সাজ্জাদ হোসন, মেরিটাইম ইউনিভার্সিটির উপাচার্য রিয়ার অ্যাডমিরাল (অব.) এম খালেদ ইকবাল ও ইউজিসি সচিব ড. ফেরদৌস জামান।

অনুষ্ঠানে বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদের ডিন, বিভাগের চেয়ারম্যান, আইসিটি সেলের পরিচালকসহ ইউজিসি এবং বিশ্ববিদ্যালয়টির সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

অনুষ্ঠানে অধ্যাপক সাজ্জাদ হোসেন বলেন, ‘ই-নথি ব্যবস্থা কার্যকর করতে সরকার ইতোমধ্যেই প্রয়োজনীয় প্রযুক্তিগত অবকাঠামো গড়ে তুলেছে। এসব অবকাঠামোর যথাযথ ব্যবহার নিশ্চিত করে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোকে কাগজের ফাইলের ওপর নির্ভরতা কমিয়ে আনতে হবে। এই ব্যবস্থায় নথিসংক্রান্ত সব তথ্য যথাযথভাবে সংরক্ষিত থাকে, ফলে দ্রুততম সময়ে সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যায়।’

তিন দিনের প্রশিক্ষণে ভার্চুয়াল অফিস ম্যানেজমেন্ট, ই-নথি সিস্টেম, প্রোফাইল ব্যবস্থাপনা, ডাক আপলোড প্রক্রিয়া, ডাক ব্যবস্থাপনা, ডাক নথিতে উপস্থাপন পদ্ধতি, নথি ও পত্রজারি, নথি ব্যবস্থাপনা এবং নথি মোবাইল অ্যাপ ব্যবহারের বিষয়গুলোর ওপর আলোচনা হবে।

প্রশিক্ষণে সেশন পরিচালনা করবেন ইউজিসির আইএমসিটি বিভাগের পরিচালক মোহাম্মদ মাকছুদুর রহমান ভূঁইয়া, একই বিভাগের উপপরিচালক মোহাম্মদ মনির উল্লাহ এবং প্রোগ্রামার দ্বিজন্দ্র চন্দ্র দাস।

আরও পড়ুন:
এপিএতে সই শিক্ষা মন্ত্রণালয় ইউজিসির
প্রতিবন্ধীদের উচ্চশিক্ষা নিশ্চিতে নীতিমালা করছে ইউজিসি
বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণায় সহায়তা করতে চায় এলসেভিয়ার
ইসলামি আরবি বিশ্ববিদ্যালয়ের অনিয়ম তদন্তে ইউজিসি
সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারী নিয়োগে আসছে নীতিমালা

মন্তব্য

শিক্ষা
SSC questions not leaked Education Minister

এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী

এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস হয়নি: শিক্ষামন্ত্রী চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে শনিবার দুপুরে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা
‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো কোনো চক্র বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে, মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে। কোনোভাবেই ধর্মীয় শিক্ষা নৈতিক শিক্ষা থেকে বাদ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ নৈতিক শিক্ষা অবশ্যই সঠিক শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ।’

এ বছর এসএসসি পরীক্ষায় প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

তিনি বলেন, ‘প্রযুক্তিগত ব্যবস্থা নেয়ার কারণে গত চার বছরে প্রশ্নপত্র ফাঁস হয়নি।’

শনিবার দুপুরে চাঁদপুর সদর উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে সম্প্রীতি সমাবেশ শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের উত্তরে তিনি এ কথা বলেন।

শিক্ষামন্ত্রী বলেন, ‘এবার দিনাজপুরে যা ঘটেছে তা অত্যন্ত দুঃখজনক। একটি পরীক্ষা কেন্দ্রের সচিব অনেক প্রশ্নপত্রের প্যাকেট একসঙ্গে নিয়ে গেছেন। এটি কী কারণে হলো, সেই বিষয়ে তদন্ত হচ্ছে। সেই শিক্ষককে সাময়িকভাবে বরখাস্ত করা হয়েছে। তার বিরুদ্ধে তদন্ত করে আইনি ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে কোনো কোনো চক্র বিভ্রান্তি ছড়ানোর চেষ্টা করছে, মিথ্যার আশ্রয় নিচ্ছে। কোনোভাবেই ধর্মীয় শিক্ষা নৈতিক শিক্ষা থেকে বাদ দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। কারণ নৈতিক শিক্ষা অবশ্যই সঠিক শিক্ষার অবিচ্ছেদ্য অংশ।’

এ সময় উপস্থিত ছিলেন জেলা প্রশাসক কামরুল হাসান, পুলিশ সুপার মিলন মাহমুদ, জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ডা. জে আর ওয়াদুদ টিপু, চাঁদপুর পৌরসভার মেয়র জিল্লুর রহমান জুয়েল, চাঁদপুর সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নুরুল ইসলাম নাজিম দেওয়ান ও চাঁদপুর প্রেস ক্লাব সভাপতি গিয়াসউদ্দিন মিলন।

আরও পড়ুন:
‘ভূরুঙ্গামারীর ইউএনওর অবহেলায়’ এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস
প্রশ্নফাঁস: কুড়িগ্রামের উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরখাস্ত
দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন ২ ঘণ্টা পরই
এসএসসি: দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত ৪ বিষয়ের সূচি ঘোষণা
এসএসসির ‘প্রশ্ন ফাঁস’: কুড়িগ্রামে গ্রেপ্তার আরও ৩

মন্তব্য

শিক্ষা
7 students could not take the exam the central secretary was exempted

পরীক্ষা দিতে পারেনি ৭ শিক্ষার্থী, কেন্দ্র সচিবকে অব্যাহতি

পরীক্ষা দিতে পারেনি ৭ শিক্ষার্থী, কেন্দ্র সচিবকে অব্যাহতি পরীক্ষা দিতে না পারা সাত শিক্ষার্থী। ছবি: নিউজবাংলা
বৃহস্পতিবার ছিল জীববিজ্ঞান বিষয়ে পরীক্ষার দিন। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পর পরীক্ষা দিতে যায় চরআবদুল্যাহ ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী জিয়া উদ্দিন, আকিব হোসেন, তাজরিন জাহান, আরমান হোসেন, রুমানা আক্তার, শরীফুল ইসলাম ও নুশরাত জাহান ইতি।

লক্ষ্মীপুরে রামগতিতে দাখিলের ৭ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে না পারায় দায়িত্বে অবহেলার অভিযোগে কেন্দ্র সচিব ও আলেকজান্ডার কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তৈয়ব আলীকে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেয়া হয়েছে।

এ ছাড়া চরআবদুল্যাহ মাদ্রারাসাতুল জামেয়াতুল ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবদুল হাকিমকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেয়া হয়েছে।

শুক্রবার বিকেলে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন জেলা প্রশাসক আনোয়ার হোছাইন আকন্দ।

তিনি বলেন, এ বিষয়ে রামগতি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

তবে জীববিজ্ঞান বিষয়ে ৭ শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে না পারলেও অন্য বিষয়ে পরীক্ষা দিতে পারবে।

আনোয়ার হোছাইন আকন্দ বলেন, ‘যেসব শিক্ষার্থী পরীক্ষা দিতে পারেনি, তাদেরও গাফিলতি ছিল। তারা রেগুলার মাদ্রাসায় আসা-যাওয়া না থাকায় এ সমস্যা হয়েছে। তারপরও বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

গতকাল বৃহস্পতিবার ছিল জীববিজ্ঞান বিষয়ে পরীক্ষার দিন। কিন্তু পরীক্ষা শুরুর ৩০ মিনিট পর পরীক্ষা দিতে যায় চরআবদুল্যাহ ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষার্থী জিয়া উদ্দিন, আকিব হোসেন, তাজরিন জাহান, আরমান হোসেন, রুমানা আক্তার, শরীফুল ইসলাম ও নুশরাত জাহান ইতি।

দেরিতে যাওয়ায় কেন্দ্র কর্তৃপক্ষ তাদের পরীক্ষা দিতে দেয়নি বলে অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।

তাদের অভিযোগ, পরীক্ষা হলে অনুপস্থিত থাকায় হল কর্তৃপক্ষ যোগাযোগ করলে নয় শিক্ষার্থীর দুইজন পরীক্ষা শুরু ১৫ মিনিট পর উপস্থিত হন। বাকিরা যথা সময়ে উপস্থিন না হওয়ায় পরীক্ষায় অংশ নিতে পারেনি।

পরে উপজেলা নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তাকে (একাডেমিক সুপারভাইজার) তাৎক্ষণিক উপস্থিত হয়ে শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করেন। কিন্তু মাদ্রাসার অধ্যক্ষ খামখেয়ালীপনার কারণে তারা পরীক্ষা দিতে পারেনি।

পরে শিক্ষার্থীরা ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নেয়ার দাবি জানায়।

শিক্ষার্থী জিয়া উদ্দিন বলেন, ‘চরআবদুল্যাহ ফাজিল মাদ্রাসার বিজ্ঞান বিভাগের ৯ শিক্ষার্থী অতিরিক্ত বিষয় হিসেবে কৃষিশিক্ষা বিষয়টি পাঠ্য হিসেবে অভ্যন্তরীণ পরীক্ষায় অংশ নিলেও প্রবেশপত্রে জীববিজ্ঞান এসেছে। প্রতিষ্ঠান থেকে জানানো হয় জীববিজ্ঞান বিষয়ের পরীক্ষা হবে না। এ কারণে নিয়মিত ক্লাসও হয়নি। এ জন্য নবম-দশম শ্রেণির দুবছরে একদিনও জীববিজ্ঞানের ক্লাস করাননি। জীববিজ্ঞান পরীক্ষা হবে না। স্যারের কথামত জীববিজ্ঞান পড়ি নাই।’

আরেক শিক্ষার্থী রুমানা আক্তার বলেন, ‘এ ছাড়া প্রাক নির্বাচনি ও নির্বাচনি পরীক্ষায় জীববিজ্ঞান পরীক্ষা নেয়া হয়নি। অ্যাডমিট কার্ডে জীববিজ্ঞান আসায় বিষয়টি অবগত করলেও বিজ্ঞান শিক্ষক রবি শংকর ও অধ্যক্ষ মাওলানা আবদুল হাকিম জীববিজ্ঞান পরীক্ষা হবে না বলে আমাদের নিশ্চিত করেছেন।’

অব্যাহতি পাওয়া কেন্দ্র সচিব ও আলেকজান্ডার কামিল মাদ্রাসার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ মাওলানা তৈয়ব আলী বলেন, ‘পরীক্ষা শুরুর পর অনুপস্থিত দেখে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে যোগাযোগ করি। এরপর ৯ পরীক্ষার্থীর দুইজন পরীক্ষা শুরু ১৫ মিনিট পর আসলে অন্যরা সময় মতো না আসায় পরীক্ষা নেয়া হয়নি। এর বেশি কিছু আমি অবগত নয়। এইখানে আমার কোনো অবহেলা ছিল না।’

চরআবদুল্যাহ মাদ্রারাসাতুল জামেয়াতুল ইসলামিয়া ফাজিল মাদ্রাসার অধ্যক্ষ আবদুল হাকিমকে বেশ কয়েকবার ফোন করা হলেও তিনি ধরেননি।

ইউএনও এসএম শান্তুনু চৌধুরী বলেন, ‘বিষয়টি খুবই দুঃখজনক। মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে শোকজ করা হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।

‘এ ছাড়া পাবলিক পরীক্ষা সংক্রান্ত নীতিমালা অনুযায়ী নির্ধারিত সময়ে উপস্থিত হতে না পারায় কেন্দ্র সচিব পরীক্ষায় অংশ নেয়ার সুযোগ দিতে পারেনি শিক্ষার্থীদের।’

আরও পড়ুন:
‘ভূরুঙ্গামারীর ইউএনওর অবহেলায়’ এসএসসির প্রশ্ন ফাঁস
প্রশ্নফাঁস: কুড়িগ্রামের উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বরখাস্ত
দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত পরীক্ষার সূচি পরিবর্তন ২ ঘণ্টা পরই
এসএসসি: দিনাজপুর বোর্ডে স্থগিত ৪ বিষয়ের সূচি ঘোষণা
এসএসসির ‘প্রশ্ন ফাঁস’: কুড়িগ্রামে গ্রেপ্তার আরও ৩

মন্তব্য

p
উপরে