× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট বাংলা কনভার্টার নামাজের সময়সূচি আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Admission to two units of Chabi resulted in a large average
google_news print-icon

চবির দুটি ইউনিটে ভর্তির ফলে বড় গড়বড়

চবির-দুটি-ইউনিটে-ভর্তির-ফলে-বড়-গড়বড়
আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘টেলিটক প্রথমবার আমাদের যে ডেটা পাঠিয়েছিল, সেটা অসম্পূর্ণ ছিল। ফলে আমরা আরেকবার ডেটা চাই। ডেটা পাঠানোর পর সেটা ভিন্ন ফর্মেটে ছিল, এখন কনভার্ট করতে কোনো সমস্যা হয় কি না আমরা নিশ্চিত নই। প্রথমে আমরা ভেবেছি টেলিটকের ভুল, পরে এনালাইসিস করে দেখি আমদের ভুল। ইউনিট কমিটিকে জানিয়েছি।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতকের ভর্তি পরীক্ষার ‘এ’ ও ‘সি’ ইউনিটে প্রকাশিত ফলাফলে বড় ধরনের অসংগতি ধরা পড়েছে। এক শিক্ষার্থীর দেয়া অভিযোগের ভিত্তিতে ফলাফলে অসংগতির বিষয়টি উঠে আসে।

এ ঘটনায় বুধবার দুপুরে জরুরি বৈঠকের কথা রয়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তিসংক্রান্ত কোর কমিটির।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয় ১২০ নম্বরে। এর মধ্যে ১০০ নম্বর লিখিত এবং ২০ নম্বর মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের জিপিএ থেকে নির্ধারণ করা হয়। জিপিএ থেকে প্রাপ্ত নম্বর নির্ধারণের জন্য মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিকের ফলাফলের ডেটাসংশ্লিষ্ট বোর্ড থেকে টেলিটকের মাধ্যমে সংগ্রহ করে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেল। কিন্তু এবার যশোর বোর্ডের জিপিএ নম্বরের ক্ষেত্রে প্রাপ্ত জিপিএতে দশমিকের পর শেষ দুই ডিজিটের শেষটি গণনা করা হয়নি বলে ‘এ’ ইউনিটের এক ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থী অভিযোগ করেছেন।

পরবর্তী সময়ে অভিযোগ খতিয়ে দেখতে গিয়ে ‘এ’ ও ‘সি’ দুই ইউনিটে একই অসংগতির প্রমাণ মিলেছে।

এ দুই ইউনিটের মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে ২২৫ জন ও ‘সি’ ইউনিটে ৫১ জন ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীর ফলাফলে এমনটা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আইসিটি সেলের পরিচালক।

সংশ্লিষ্ট ইউনিট কো-অর্ডিনেটরদের দাবি, আইসিটি বিভাগের সফটওয়্যারের যান্ত্রিক ত্রুটির কারণে এমন ভুল হয়েছে। তারা বলছেন, সংশ্লিষ্ট ইউনিট ১০০ নম্বরের ফলাফল প্রস্তুত করেছে। বাকি ২০ নম্বর প্রস্তুত করেছে আইসিটি সেল। তাই এ ভুলের দায়ভার আইসিটি সেলকেই নিতে হবে।

নিজেদের ভুলেই মেধাতালিকায় এমন অসংগতি হয়েছে বলে স্বীকার করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেল। দাবির বিষয়টি নজরে আসার পর মেধাতালিকা সংশোধনের জন্য ইউনিট কমিটিকে জানিয়েছে তারা।

এ বিষয়ে ‘সি’ ইউনিটের কো-অর্ডিনেটর ও ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদের ডিন অধ্যাপক মো. হেলাল উদ্দীন নিজামী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘আমরা আইসিটিতে ১০০ নম্বরের পরীক্ষার যে ফলাফল তৈরি করে পাঠিয়েছি, সেখানে কোনো ভুল নেই। বাকি ২০ নম্বর আইসিটি সেল প্রস্তুত করেছে। বিচ্যুতি ঘটেছে জিপিএ ২০ নম্বরের ক্ষেত্রে। তারা সেটা স্বীকার করেছেন।’

কার অবহেলায় এমন ঘটনা ঘটেছে, তা সুনির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত হওয়া প্রয়োজন বলেও মনে করেন তিনি। বলেন, ‘ফলাফলের ২০ মার্ক আইসিটি বিভাগ কন্ট্রোল করে। টেলিটক তো আমাদের ভুল তথ্য পাঠায়নি। এটি হয়তো আমাদের সার্ভার রিসিভ করতে পারেনি, অথবা রিসিভ করলে গ্রহণ করতে পারেনি কিংবা ইনপুট দেয়ার ক্ষেত্রে আইসিটির অপারেশনাল গাফিলতি থাকতে পারে।

‘সুতরাং যার কারণেই হোক বিষয়টি সুনির্দিষ্ট করতে হবে। কারণ যে ১০০ নম্বরের ফলাফল আমরা তৈরি করেছি, সেটায় কোনো বিচ্যুতি নেই, বিচ্যুতি আছে ২০ নম্বরের জিপিএতে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমাকে কোনো ব্লেম দেয়া যাবে না। আমি সব ঠিকঠাক পাঠিয়েছি। সুতরাং আইসিটি সেল জবাব দেবে কেন এটা ঘটেছে। জাতিরও এটা জানার প্রয়োজন আছে।’

আইসিটি সেল ভুলের বিষয়টি জেনেও প্রথমে তা গোপন রেখেছে বলে ধারণা এই অধ্যাপকের। তিনি বলেন, তারা হয়তো ভেবেছেন, এটা গোপন রেখেই চালিয়ে দিতে পারে। বিষয়টি যখন নিয়ন্ত্রণের বাইরে গেছে, তখনই তারা এক্সপোজ করতে বাধ্য হয়েছেন। তারা স্বীকার করলেন।

ফলাফল পরিবর্তনের সিদ্ধান্তের বিষয়ে তিনি বলেন, ‘এখন লিখিতভাবে স্বীকারোক্তি না দিলে, কারো মুখের কথায় আমরা ফলাফল পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত দিতে পারি না।’

আইসিটি সার্ভারের সফটওয়্যারের ত্রুটি থাকলে তা পরিবর্তন করে ঢেলে সাজানো উচিত বলে মনে করেন অধ্যাপক নিজামী। বলেন, ‘আমরা যদি ইগোইস্টিক ধারণা নিয়ে এখানে কোনো বিচ্যুতি নেই বলি, তাহলে মনে করতে হবে এখানে ব্যবসা করবার একটি অভিপ্রায় থাকতে পারে। এটি মেনে নেয়া যায় না।’

সফটওয়্যারের ত্রুটি নিয়ে বারবার বললেও বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ তা আমলে নেননি বলে অভিযোগ তার। তার ভাষ্য, ‘এ সফটওয়্যার নিয়ে আমরা অনেক কথা বলেছি, কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ আমলে নেয়নি। আইসিটি রিলেটেড সমন্বয় কমিটির প্রধান হচ্ছেন উপাচার্য, কিন্তু সেটিতো ইঞ্জিনারিং অনুষদের ডিনের দায়িত্বে থাকার দরকার ছিল। আমরা বলেছি, সমন্বয় কমিটির প্রধান হবে পদাধিকার বলে ইঞ্জিনারিং অনুষদের ডিন। সেটিও তারা মানতে রাজি নন।’

‘এ’ ইউনিট ভর্তি কমিটির কো-অর্ডিনেটর ও জীববিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. তৌহিদ হোসেন বলেন, ‘একজন ছেলে অভিযোগ করেছে, তার জিপিএ কাউন্টে ভুল হতে পারে। সে এটি অনুমান করেছে। এটি আমলে নিয়ে এনালাইসিস করে দেখে তার কথার সত্যতা আছে। আইসিটির জিপিএ আপলোডিংয়ে সমস্যা আছে। এটা আইসিটি সেলের কাজ। আমাদের আজকে বৈঠক আছে। কোনো সংশোধন থাকলে সেটা হতে পারে। তবে ভুলের দায় আমরা নেব না।’

নিজেদের ভুলেই মেধাতালিকায় এমন অসংগতি হয়েছে বলে স্বীকার করেছে বিশ্ববিদ্যালয়ের আইসিটি সেল। দাবি, বিষয়টি নজরে আসার পর মেধাতালিকা সংশোধনের জন্য ইউনিট কমিটিকে জানিয়েছে তারা।

ভুলের বিষয়টি স্বীকার করে এর ব্যাখ্যায় আইসিটি সেলের পরিচালক অধ্যাপক ড. খাইরুল ইসলাম নিউজবাংলাকে বলেন, ‘যশোর বোর্ডের এসএসসি ডেটায় একটু সমস্যা হয়েছে। এটা স্পেসিফিক কারণ বলা যাচ্ছে না, তবে টেকনিক্যাল কারণে হতে পারে। একটা এপ্লিক্যান্ট কমপ্লেইন করেছে, সেটা দেখতে গিয়েই হঠাৎ এটা চোখে পড়েছে। তখন আমি ইউনিট কমিটিকে জানিয়েছি।’

‘টেলিটক প্রথমবার আমাদের যে ডেটা পাঠিয়েছিল, সেটা অসম্পূর্ণ ছিল। ফলে আমরা আরেকবার ডেটা চাই। ডেটা পাঠানোর পরে সেটা ভিন্ন ফর্মেটে ছিল, কনভার্ট করতে কোনো সমস্যা হয়েছিল কি না আমরা নিশ্চিত না।’

তিনি আরও বলেন, ‘একটা সিস্টেমে শত শত, হাজার হাজার অপারেশন হয়। সেখানে একটা জায়গায় Error আসছে। এটা তো টেকনোলজিক্যাল সমস্যা। প্রথমে আমরা ভেবেছি টেলিটকের ভুল, পরে এনালাইসিস করে দেখি আমাদের ভুল।

‘আমি ইউনিট কমিটিকে বলেছি, ছাত্ররা যাতে বঞ্চিত না হয়। আমরা মেধাতালিকা সংশোধন করতে বলেছি। আমরা পরশু দিন তাদের রিপোর্ট করেছি।’

তিনি জানান, শুধু যশোর বোর্ডের এসএসসি ডেটায় ভুল হয়েছে। দশমিক এর পর দুই ডিজিট না ধরে এক ডিজিট কাউন্ট করা হয়েছে। বাকি সব বোর্ড ঠিক আছে। টেলিটক যদি প্রথমবার কারেক্ট ডেটা দিত- এমনটা হতো না বলেও মনে করেন তিনি।

দেরিতে জানানোর কারণ হিসেবে তিনি বলেন, ‘আমার চোখে পড়েছে অভিযোগ দেয়ার পর। আগে জানলে তো আমরা সংশোধন করেই দিতাম। এটি যেহেতু সময় থাকতে নজরে এসেছে, তাহলে নতুন করে সিদ্ধান্ত নিক।’

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Teachers students have raised 5 point demands including the removal of the proctor

প্রক্টরের অপসারণসহ ৫ দফা দাবি জাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের

প্রক্টরের অপসারণসহ ৫ দফা দাবি জাবি শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্রক্টরকে অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন জাবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
জাবির দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ‘একজন শিক্ষার্থী তার মেধার পরিচয় দিয়ে ভর্তি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এখানে পড়াশোনা করতে আসেন। আমরা যদি মাদকব্যবস্থার মূলোৎপাটন করতে না পারি তাহলে একের পর এক মেধাবী শিক্ষক বা শিক্ষার্থী ধর্ষক বা নিপীড়ক হয়ে ক্যাম্পাস থেকে বিদায় নেবে।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের (জাবি) প্রক্টর আ.স.ম ফিরোজ উল হাসান এবং মীর মশাররফ হোসেন হল ও বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর হলের প্রভোস্টদের দায়িত্ব থেকে অপসারণসহ পাঁচ দফা দাবি জানিয়েছেন শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের প্ল্যাটফর্ম ‘নিপীড়নবিরোধী মঞ্চ’।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনার সংলগ্ন সড়কে রোববার দুপুর ২টার দিকে মানববন্ধন করেন তারা।

নিপীড়নবিরোধী মঞ্চের দাবিগুলো হলো

গৃহবধূকে ধর্ষণের ঘটনায় অভিযুক্ত ধর্ষণকারী ও তার সহায়তাকারীদের সর্বোচ্চ শাস্তি নিশ্চিত করা, মেয়াদোত্তীর্ণ শিক্ষার্থীদের আবাসিক হল থেকে বের করে নিয়মিত শিক্ষার্থীদের আসন নিশ্চিত করা এবং র‍্যাগিং সংস্কৃতির সঙ্গে জড়িতদের চিহ্নিত করে বিচারের আওতায় আনা, ক্যাম্পাসে বিভিন্ন সময়ে নানাবিধ অপরাধে অভিযুক্তদের বিচার নিশ্চিত করা, বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ও মীর মশাররফ হোসেন হলের প্রভোস্টের অপরাধ তদন্ত করা এবং তদন্ত চলাকালীন প্রশাসনিক পদ থেকে তাকে অব্যাহতি প্রদান করা, মাদকের সিন্ডিকেট চিহ্নিত করে জড়িতদের ক্যাম্পাসে অবাঞ্ছিত ঘোষণাপূর্বক তাদের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেয়া।

মানববন্ধনে বিশ্ববিদ্যালয়ের দর্শন বিভাগের অধ্যাপক মোহাম্মদ কামরুল আহসান বলেন, ‘মাদকের কারণেই জনিদের জন্ম হয়। মাদকের কারণেই মোস্তাফিজদের জন্ম হয়েছে। এ জন্য ক্যাম্পাসকে মাদকমুক্ত করতে হবে।

একজন শিক্ষার্থী তার মেধার পরিচয় দিয়ে ভর্তি পরিক্ষায় উত্তীর্ণ হয়ে এখানে পড়াশোনা করতে আসেন।’
তিনি বলেন, ‘আমরা যদি মাদকব্যবস্থার মূলোৎপাটন করতে না পারি তাহলে একের পর এক মেধাবী শিক্ষক বা শিক্ষার্থী ধর্ষক বা নিপীড়ক হয়ে ক্যাম্পাস থেকে বিদায় নেবে। আর এসব দায় দায় প্রশাসন কোনোভাবেই এড়াতে পারবে না।’

এসব বক্তব্য প্রতিপক্ষ হিসেবে না নিয়ে সচেতনতার সঙ্গে গ্রহণ করার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনকে আহ্বান জানান তিনি।

সরকার ও রাজনীতি বিভাগের অধ্যাপক শামছুল আলম বলেন, ‘আজকে ধর্ষণকাণ্ডের তদন্ত কমিটির তদন্ত প্রতিবেদন জমা দেয়া হয়েছে। আশা করব দ্রুত প্রতিবেদনে উল্লিখিত বিষয়গুলো বাস্তবায়ন করবে প্রশাসন। ইতোমধ্যে আমাদের একটি দাবি সফল হয়েছে। আমাদের আরও চারটি দাবি রয়েছে। সেগুলোও দ্রুত বাস্তবায়ন করতে হবে। দাবিগুলো বাস্তবায়িত হলেই বিবেচনা করে আমরা পরবর্তী পদক্ষেপ নেব। আমরা একটি নৈতিক অবস্থান থেকে আন্দোলন করছি।

‘বিশ্ববিদ্যালয় যেন মনে না করে আমরা গুটিকয়েক মানুষ আন্দোলন করছি। আমরা এখানে গুটিকয়েক মানুষ থাকলেও ক্যাম্পাসের সর্বস্তরের মানুষের নৈতিক সমর্থন আমাদের সঙ্গে রয়েছে। আমরা এই নৈতিক সমর্থনের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে আন্দোলন চালিয়ে যাচ্ছি এবং সামনে আরও এগিয়ে যাব।’

নিপীড়ন বিরোধী মঞ্চের সদস্য সচিব মাহফুজ ইসলাম মেঘ বলেন, ‘আমাদের আন্দোলনের একটি অংশ সফল হয়েছে। আমরা জানি একজন শিক্ষক নৈতিক অবক্ষয়জনিত কাজে লিপ্ত থাকলে তার বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হয়, কিন্তু এ বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টরের বিরুদ্ধে এতগুলো নৈতিক অবক্ষয়জনিত কাজে লিপ্ত থাকার অভিযোগ থাকলেও তার বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয় না।’

আরও পড়ুন:
শ্রুতি লেখক পরিবর্তনের অভিযোগে জাবিতে ছয়জনের উত্তরপত্র বাতিল, গ্রেপ্তার ১
জাবিতে ভর্তিযুদ্ধ শুরু
জাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু বৃহস্পতিবার
যৌন নিপীড়নে অভিযুক্ত জাবি শিক্ষক জনি বরখাস্ত
ধর্ষণকারী যৌন নিপীড়কদের বিচার দাবিতে জাবিতে কুশপুত্তলিকা দাহ

মন্তব্য

শিক্ষা
Conducted Workshop on Role of Digital Media in Public Relations Department

‘জনসংযোগ বিভাগে ডিজিটাল মিডিয়ার ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

‘জনসংযোগ বিভাগে ডিজিটাল মিডিয়ার ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালা অনুষ্ঠিত কর্মশালায় নিউজবাংলার অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার ও ডিজিটাল মিডিয়া ফোরামের অ্যাডভাইজার জাকারিয়া হোসেন জয়ের হাতে পুরস্কার তুলে দেন ফোরামের প্রেসিডেন্ট দেলোয়ার হোসেন। ছবি: নিউজবাংলা
ডিজিটাল মিডিয়া ফোরামের আয়োজন ও কিউকমের সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের আরসি মজুমদার আর্টস অডিটোরিয়ামে শুক্রবার বেলা দুইটার দিকে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

রাজধানীতে ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগে ডিজিটাল মিডিয়ার ভূমিকা’ শীর্ষক কর্মশালা, সার্টিফিকেট বিতরণ ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

ডিজিটাল মিডিয়া ফোরামের আয়োজন ও কিউকমের সহযোগিতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কলাভবনের আরসি মজুমদার আর্টস অডিটোরিয়ামে শুক্রবার বেলা ২টার দিকে এ কর্মশালার আয়োজন করা হয়।

অনুষ্ঠানে সহযোগী হিসেবে ছিল প্রাইভেট ইউনিভার্সিটি পাবলিক রিলেশনস অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন তথা পিইউপিআরওএ বা পুপরোয়া।

অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশের মহাপরিচালক জাফর ওয়াজেদ।

তিনি বিশেষ প্রয়োজনে অনুষ্ঠানে উপস্থিত না থাকলেও এক বার্তায় সংগঠনের সাফল্য কামনা করেন। বার্তায় অতিথি ও কর্মশালায় অংশগ্রহণ করা সব বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয়ের জনসংযোগ বিভাগের কর্মকর্তা ও স্পন্সরকারী সব প্রতিষ্ঠানকে অভিনন্দন জানান তিনি।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক উপাচার্য ও ঢাবির অধ্যাপক ড. মীজানুর রহমান এবং ঢাবির গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের অধ্যাপক রোবায়েত ফেরদৌস।

অনুষ্ঠানে গেস্ট অফ অনার হিসেবে উপস্থিত ছিলেন গ্লোবাল টিভির সিইও সৈয়দ ইশতিয়াক রেজা, দৈনিক স্বদেশ প্রতিদিন সম্পাদক লুৎফর রহমান হিমেল, চ্যানেল টোয়েন্টিফোরের ডিজিটাল হেড রাজীব খান, প্রথম আলোর সিনিয়র ম্যানেজার (লিড) বিজনেস ডেভেলপমেন্ট কর্মকর্তা রুহুল আমিন রনি, গ্রিন ইউনিভার্সিটির সাংবাদিকতা বিভাগের লেকচারার সরজ মেহেদী, প্রাণ-আরএফএল গ্রুপের হেড অব মিডিয়া নাহিদ জাহান, এডফিনিক্সের বিজনেস ও গ্রোথ লিড হোসেন মোবারক অপু, নিউজবাংলার অ্যাসিস্ট্যান্ট জেনারেল ম্যানেজার জাকারিয়া হোসেন জয়, এক্সিলেন্স বাংলাদেশের সিইও বেনজির আবরারসহ অনেকে।

কর্মশালায় পাঁচটি সেশন অনুষ্ঠিত হয়। দেশের মিডিয়া ও করপোরেট প্রতিষ্ঠানের অভিজ্ঞরা প্রশিক্ষক হিসেবে উপস্থিত থেকে কর্মশালা পরিচালনা করেন।

এই কর্মশালায় প্রথমে বক্তব্য দেন পারপেল পেচ বিজনেস লিড আব্দুল ওয়াদুদ। তিনি তার পুরো প্রেজেন্টেশন প্রজেক্টরের মাধ্যমে প্রদর্শন করেন। ওই সময় তিনি বিভিন্ন তথ্য-উপাত্ত তুলে ধরেন।

তিনি বলেন, ‘জনসংযোগ বিভাগ হচ্ছে একটি প্রতিষ্ঠানের আয়নার মতো। এই বিভাগ যত দক্ষ, প্রতিষ্ঠানটি তত উন্নত। সুতরাং দক্ষতার বিকল্প কিছু নেই।’

আরও পড়ুন:
ঢাবিতে ভর্তিযুদ্ধ শুরু
শহীদ মিনারে থাকবে প্রধানমন্ত্রীর ২১টি পুস্পস্তবকের দুর্লভ ছবির প্রদর্শনী
মেয়াদ শেষ হওয়ার ২ মাস পর পূর্ণাঙ্গ হলো ঢাবি ছাত্রলীগের কমিটি
যৌন নিপীড়নের অভিযোগ: বাধ্যতামূলক ছুটিতে ঢাবি অধ্যাপক জুনাইদ
যৌন হয়রানিতে অভিযুক্ত অধ্যাপক জুনাইদের বিচার না হওয়া পর্যন্ত ক্লাস বর্জনের ঘোষণা শিক্ষার্থীদের

মন্তব্য

শিক্ষা
Applying for admission in a batch of three lakh centers is the top choice position

গুচ্ছে ভর্তির আবেদন তিন লক্ষাধিক, কেন্দ্র পছন্দের শীর্ষে জবি

গুচ্ছে ভর্তির আবেদন তিন লক্ষাধিক, কেন্দ্র পছন্দের শীর্ষে জবি জবিকে পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে পছন্দ করেছেন ৯০ হাজার ৮৪১ জন শিক্ষার্থী। ছবি: নিউজবাংলা
আগামী ২৭ এপ্রিল শনিবার (এ ইউনিট-বিজ্ঞান), ৩ মে শুক্রবার (বি ইউনিট-মানবিক) এবং ১০ মে শুক্রবার (সি ইউনিট-বাণিজ্য) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দুপুর ১২টা থেকে ১টা এবং অন্য দুই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

দেশের ২৪টি সাধারণ এবং বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে স্নাতক ও বিবিএ প্রথম বর্ষে শিক্ষার্থীদের ভর্তি পরীক্ষার আবেদন গ্রহণ শেষ হয়েছে।

এবার মোট ৩ লাখ ৫ হাজার ৩৪৬ আবেদন জমা হয়েছে। এদিকে শিক্ষার্থীদের পছন্দের পরীক্ষার কেন্দ্র হিসেবে ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় রয়েছে শীর্ষে।

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার টেকনিক্যাল কমিটির আহ্বায়ক এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. নাছিম আখতার শনিবার নিউজবাংলাকে এসব তথ্য জানান।

উপাচার্য অধ্যাপক নাছিম আখতার জানান, ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে গুচ্ছ ভর্তি ভর্তি পরীক্ষার প্রাথমিক আবেদন প্রক্রিয়া আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিটে শেষ হয়েছে। এবার মোট ৩ লাখ ৫ হাজার ৩৪৬টি আবেদন জমা পড়েছে। এর মধ্যে বিজ্ঞান শাখার ‘এ’ ইউনিটে ১ লাখ ৭০ হাজার ৫৯৯টি, মানবিক শাখার ‘বি’ ইউনিটে ৯৪ হাজার ৬৩১টি ও ব্যবসায় শিক্ষা শাখার ‘সি’ ইউনিটে ৪০ হাজার ১১৬টি আবেদন জমা পড়েছে।

তিনি জানান, ‘আবেদনকারীদের মধ্যে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা দেয়ার জন্য কেন্দ্র হিসেবে পছন্দ করেছেন ৯০ হাজার ৮৪১ জন শিক্ষার্থী। এদের মধ্যে ‘এ’ ইউনিটে ৫৩ হাজার ৮৩২ জন, ‘বি’ ইউনিটে ১৯ হাজার ৭৭০ জন, ‘সি’ ইউনিটে ১৭ হাজার ২৩৯ জন শিক্ষার্থী জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রে পরীক্ষা দিবে।’

এর আগে ১২ ফেব্রুয়ারি দুপুর ১২টা ০১ মিনিট থেকে ২৬ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত ভর্তিচ্ছু শিক্ষার্থীরা আবেদন করার সুযোগ পান। পরবর্তীতে ভর্তির আবেদন চলাকালীন কারিগরি ত্রুটির কারণে একদিন আবেদন কার্যক্রম বিঘ্নিত হওয়ায় ভর্তিচ্ছুদের সুবিধার্থে আবেদনের সময়সীমা আগামী ২৭ ফেব্রুয়ারি রাত ১১টা ৫৯ মিনিট পর্যন্ত একদিন বৃদ্ধি করা হয়।

এদিকে গুচ্ছ ভর্তিতে প্রাথমিক আবেদনের সময় আর বাড়ানো হবে না বলে ভর্তি কমিটির একাধিক সদস্য জানিয়েছেন।

জিএসটি গুচ্ছভুক্ত সমন্বিত ভর্তি কমিটির আহ্বায়ক ও যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ার হোসেন জানান, ‘প্রাথমিক আবেদনের সময় শেষ হয়েছে। এখন আর নতুন করে আবেদনের সময় বাড়ানো হবে না। এখন আমরা পরবর্তী ধাপের কাজ শুরু করব।’

আগামী ২৭ এপ্রিল শনিবার (এ ইউনিট-বিজ্ঞান), ৩ মে শুক্রবার (বি ইউনিট-মানবিক) এবং ১০ মে শুক্রবার (সি ইউনিট-বাণিজ্য) ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ‘এ’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা দুপুর ১২টা থেকে ১টা এবং অন্য দুই ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা বেলা ১১টা থেকে ১২টা পর্যন্ত অনুষ্ঠিত হবে।

২৪টি বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে ২২টি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র ঠিক করা হয়। তন্মধ্যে শিক্ষার্থীদের যেকোনো একটি কেন্দ্র নির্বাচন করতে হয়েছে। শিক্ষার্থীরা পরবর্তীতে ভর্তি পরীক্ষার কেন্দ্র পরিবর্তন করতে পারবে না বলেও কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।

ভর্তি পরীক্ষার সব তথ্য গুচ্ছভুক্ত বিশ্ববিদ্যালয়সমূহের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে পাওয়া যাবে।

এর আগে ২০২২-২৩ শিক্ষাবর্ষে তিনটি ইউনিটে সর্বমোট ৩ লাখ ৩ হাজার ২৩১টি আবেদন জমা পড়ে।

গুচ্ছভুক্ত ২৪টি উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠান হলো- জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাকা), ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয় (কুষ্টিয়া), শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সিলেট), খুলনা বিশ্ববিদ্যালয় (খুলনা), হাজী মোহাম্মদ দানেশ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (দিনাজপুর), মাওলানা ভাসানী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (টাঙ্গাইল), নোয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (নোয়াখালী), কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় (কুমিল্লা), জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় (ময়মনসিংহ), যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যশোর), বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয় (রংপুর), পাবনা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পাবনা), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (গোপালগঞ্জ), বরিশাল বিশ্ববিদ্যালয় (বরিশাল), রাঙামাটি বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (রাঙ্গামাটি), রবীন্দ্র বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ (সিরাজগঞ্জ), বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ডিজিটাল ইউনিভার্সিটি (গাজীপুর), শেখ হাসিনা বিশ্ববিদ্যালয় (নেত্রকোণা), বঙ্গমাতা শেখ ফজিলাতুন্নেছা মুজিব বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (জামালপুর), পটুয়াখালী বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পটুয়াখালী), কিশোরগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কিশোরগঞ্জ) এবং চাঁদপুর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চাঁদপুর), সুনামগঞ্জ বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (সুনামগঞ্জ) এবং বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (পিরোজপুর)

গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষায় আবেদনের যোগ্যতা

২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালের এসএসসি বা সমমান এবং ২০২২ ও ২০২৩ সালের এইচএসসি বা সমমান, ডিপ্লোমা-ইন-কমার্স, বাংলাদেশ কারিগরি শিক্ষা বোর্ডের অধীনে এইচএসসি (ভোকেশনাল), এ লেভেল এবং অন্যান্য সমমান পরীক্ষায় (সমমান নির্ধারণ কমিটি কর্তৃক অনুমোদনক্রমে) উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরাই কেবল ভর্তি পরীক্ষার জন্য আবেদন করতে পারবে। বিজ্ঞান, মানবিক ও বাণিজ্য শাখা হতে এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ শিক্ষার্থীরা নির্ধারিত যোগ্যতা সাপেক্ষে যথাক্রমে ইউনিট এ, ইউনিট বি ও ইউনিট সি-তে আবেদন করতে পারবে।

ইউনিট এ তে বিজ্ঞান শাখা হতে এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমান উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.৫০ সহ সর্বমোট জিপিএ কমপক্ষে ৮.০০ থাকতে হবে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বিজ্ঞান শাখাসহ মাদ্রাসা বোর্ড (বিজ্ঞান) এবং ভোকেশনাল (এইচএসসি) বিজ্ঞান শাখা হিসেবে বিবেচিত হবে।
ইউনিট বি তে মানবিক শাখা হতে এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমান উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ সহ সর্বমোট জিপিএ কমপক্ষে ৬.০০ থাকতে হবে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের মানবিক শাখাসহ মিউজিক, গার্হস্থ্য অর্থনীতি এবং মাদ্রাসা বোর্ড (সাধারণ, মুজাব্বিদ) মানবিক শাখা হিসেবে বিবেচিত হবে।

ইউনিট সি তে বাণিজ্য শাখা হতে এইচএসসি বা সমমান পরীক্ষায় উত্তীর্ণ আবেদনকারীদের এসএসসি বা সমমান ও এইচএসসি বা সমমান উভয় পরীক্ষায় চতুর্থ বিষয়সহ ন্যূনতম জিপিএ ৩.০০ সহ সর্বমোট জিপিএ কমপক্ষে ৬.৫০ থাকতে হবে। সাধারণ শিক্ষা বোর্ডের বাণিজ্য শাখাসহ ডিপ্লোমা ইন বিজনেস স্টাডিজ, ব্যবসায় ব্যবস্থাপনা (এইচএসসি) এবং ডিপ্লোমা ইন কমার্স বাণিজ্য শাখা হিসেবে বিবেচিত হবে।

জিসিই-এর ক্ষেত্রে আইজিসিএসই (ও লেভেল) পরীক্ষায় কমপক্ষে তিনটি বিষয়ে বি গ্রেডসহ ৫টি বিষয়ে পাস এবং আইএএল (এ লেভেল) পরীক্ষায় কমপক্ষে দুইটি বিষয়ে বি গ্রেডসহ তিনটি বিষয়ে পাস থাকতে হবে। এক্ষেত্রে অনলাইনে সংশ্লষ্টি নম্বরপত্র আপলোডসহ আবেদনের পর সমমান ও যোগ্যতা নির্ধারণ কমিটি কর্তৃক অনুমোদনক্রমে আবেদন করতে হবে।

আরও পড়ুন:
শ্রুতি লেখক পরিবর্তনের অভিযোগে জাবিতে ছয়জনের উত্তরপত্র বাতিল, গ্রেপ্তার ১
জবির নতুন ক্যাম্পাসের ঘাট-ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন
গুচ্ছে আবেদনের সময় বাড়ল
পৌনে ২০০ বছরের স্কুলের ভবন ভেঙে বহুতল ভবন নির্মাণের অভিযোগ
ঢাবির ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু, আসনপ্রতি পরীক্ষার্থী ৩৬

মন্তব্য

শিক্ষা
49 candidates per seat started on Saturday in Chabi

চবিতে ভর্তিযুদ্ধ শুরু শনিবার, আসনপ্রতি প্রার্থী ৪৯

চবিতে ভর্তিযুদ্ধ শুরু শনিবার, আসনপ্রতি প্রার্থী ৪৯
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের চারটি ইউনিট ও দুটি উপ-ইউনিটে চার হাজার ৯২৬টি আসনের জন্য চূড়ান্তভাবে আবেদন করেছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫৫৫ জন শিক্ষার্থী। এবার নিজ ক্যাম্পাস ছাড়াও ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে চবির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) ২০২৩-২৪ শিক্ষাবর্ষে প্রথম বর্ষ (সম্মান) ভর্তি পরীক্ষা শুরু হচ্ছে ২ মার্চ শনিবার। এবার চট্টগ্রাম, ঢাকা ও রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে একযোগে চবির ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হবে। ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ক্যাম্পাসে জোরদার করা হয়েছে নিরাপত্তা ও নজরদারি।

এদিকে ভর্তি ফরম বিক্রির টাকা কোন খাতে ব্যয় হয় প্রশাসন থেকে এর যথাযথ ব্যাখ্যা না পাওয়া পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষায় দায়িত্ব পালন করলেও সম্মানী (ভাতা) না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শিক্ষক সমিতি।

বিশ্ববিদ্যালয় সূত্রে জানা যায়, এবারের ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি আসনের বিপরীতে লড়বেন ৪৯ জন ভর্তিচ্ছু। চারটি ইউনিট ও দুটি উপ-ইউনিটে চার হাজার ৯২৬টি আসনের জন্য চূড়ান্তভাবে আবেদন করেছেন ২ লাখ ৪৩ হাজার ৫৫৫ জন শিক্ষার্থী।

আইসিটি সেল সূত্রে জানা যায়, ‘এ’ ইউনিটে ১ হাজার ২১৫টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ৯৯ হাজার ৫২১ জন শিক্ষার্থী। এই ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে ভর্তিচ্ছুর সংখ্যা ৮২ জন।

‘বি’ ইউনিটে ১ হাজার ২২১টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ৬৫ হাজার ২৬৭টি।

এই ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে ভর্তির জন্য লড়বেন ৫৪ জন।

‘সি’ ইউনিটে ৬৪০টি আসনের বিপরীতে আবেদন করেছেন ১৭ হাজার ৩০০ জন শিক্ষার্থী। এই ইউনিটে প্রতি আসনে ভর্তির জন্য লড়বেন ২৭ জন।

‘ডি’ ইউনিটে ৯৫৮টি আসনের বিপরীতে ৫৭ হাজার ৮০৪ জন আবেদন করেছেন। সম্মিলিত এই ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে ৬০ জন লড়বেন।

দুটি উপ-ইউনিটের মধ্যে ‘বি-১’ ইউনিটে ১২৫টি আসনের বিপরীতে আবেদন পড়েছে ১ হাজার ৬৬৯টি। এই উপ-ইউনিটে প্রতি আসনের বিপরীতে ভর্তির জন্য লড়ছেন ১৩ জন।

আর ‘ডি-১’ উপ-ইউনিটে ৩০টি আসনের বিপরীতে ১ হাজার ৯৯৪ জন প্রার্থী আবেদন করেছেন। অর্থাৎ এই উপ-ইউনিটে প্রতি আসনের জন্য লড়বেন ৬৭ জন শিক্ষার্থী।

সম্মানী ছাড়াই দায়িত্ব পালনের সিদ্ধান্ত শিক্ষকদের

ভর্তি ফরম বিক্রির টাকা কোন খাতে ব্যয় হয় প্রশাসন থেকে এর যথাযথ ব্যাখ্যা না পাওয়া পর্যন্ত ভর্তি পরীক্ষায় দায়িত্ব পালন করলেও সম্মানী (ভাতা) না নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে চবি শিক্ষক সমিতি।

বুধবার রাতে শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক আব্দুল হকের সই করা এক জরুরি সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। ২২ ফেব্রুয়ারি শিক্ষক সমিতির এক সাধারণ সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের আয়-ব্যয়ের হিসাব নিয়ে সংসদে প্রশ্ন ওঠায় চবি শিক্ষক সমিতি জরুরি সভা ডেকে এই সিদ্ধান্ত নেয়।

ভর্তি পরীক্ষা হবে ঢাকা-রাজশাহীতেও

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা এবার নিজ ক্যাম্পাস ছাড়াও ঢাকা ও রাজশাহী বিভাগে অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকা বিভাগের কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) ও রাজশাহী বিভাগের কেন্দ্র নির্ধারণ করা হয়েছে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় (রাবি) ক্যাম্পাস।

সি ইউনিটে পরীক্ষা নতুন নিয়মে

ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় এবার বেশকিছু পরিবর্তন আনা হয়েছে। অন্যান্যবার ব্যবসায় শিক্ষা, বিজ্ঞান ও মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের আলাদা প্রশ্নে পরীক্ষা হলেও এবার সব বিভাগ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের অভিন্ন প্রশ্নে পরীক্ষা নেয়া হবে। এবার ব্যবসায় শিক্ষা বিভাগ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য ৩২০টি, বিজ্ঞান বিভাগের জন্য ২৫৬টি ও মানবিক বিভাগ থেকে পাস করা শিক্ষার্থীদের জন্য ৩২টি আসন বরাদ্দ রাখার সিদ্ধান্ত হয়েছে।

এছাড়া নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী ‘সি’ ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষায় ইংরেজিতে ৪০, বিশ্লেষণ দক্ষতায় ৩০ ও সমস্যা সমাধান (প্রবলেম সলভিং) অংশে ৩০ নম্বর থাকবে।

পরীক্ষার সময়সূচি

শনিবার ২ মার্চ ‘এ’ ইউনিটের পরীক্ষা দিয়ে শুরু হবে ভর্তিযুদ্ধ। ৮ মার্চ ‘বি’ ইউনিট, ৯ মার্চ ‘সি’ ইউনিট এবং ১৬ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে ‘ডি’ ইউনিটের পরীক্ষা।

এছাড়া ‘বি-১’ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৩ মার্চ ও ‘ডি-১’ উপ-ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা ৪ মার্চ, ‘বি-১’ উপ-ইউনিটের ব্যবহারিক পরীক্ষা ১২, ১৩ ও ১৪ মার্চ এবং ‘ডি-১’ উপ-ইউনিটের ব্যবহারিক পরীক্ষা ১০ ও ১১ মার্চ অনুষ্ঠিত হবে।

পরীক্ষা পদ্ধতি

ভর্তি পরীক্ষা বরাবরের মতোই ১২০ নম্বরে অনুষ্ঠিত হবে। এর মধ্যে ১০০ নম্বর লিখিত পরীক্ষা (বহু নির্বাচনি) এবং বাকি ২০ নম্বর এসএসসি ও এইচএসসি জিপিএ থেকে যুক্ত হবে। বহু নির্বাচনী পদ্ধতির এই ভর্তি পরীক্ষায় প্রতি ভুল উত্তরের জন্য ০.২৫ নম্বর কাটা যাবে।

বিশেষ শাটল ট্রেন

ভর্তি পরীক্ষার্থীদের যাতায়াতের সুবিধার্থে বিশেষ শাটল ট্রেনের ব্যবস্থা করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন। ভর্তি পরীক্ষার দিনগুলোতে এই বিশেষ শাটল সার্ভিস চলবে।

নগরীর বটতলী রেলস্টেশন থেকে যথাক্রমে সকাল ৬টা, সাড়ে ৬টা, ৮টা ১৫ মিনিট, ৮টা ৪০ মিনিট, বেলা ২টা ৫০ মিনিট, ৩টা ৫০ মিনিট ও রাত সাড়ে ৮টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উদ্দেশে ছেড়ে যাবে এই বিশেষ শাটল ট্রেন।

অন্যদিকে বিশ্ববিদ্যালয় স্টেশন থেকে যথাক্রমে সকাল ৭টা ৫ মিনিট, ৭টা ৩৫ মিনিট, দুপুর ১টা, দুপুর দেড়টা, বিকেল ৪টা, ৫টা, সাড়ে ৫টা ও রাত সাড়ে ৯টায় নগরীর বটতলীর উদ্দেশে ছেড়ে যাবে ট্রেন।

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. নূরুল আজিম সিকদার বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষা সুষ্ঠু, শান্তিপূর্ণ ও নির্বিঘ্নে সুসম্পন্ন করতে ক্যাম্পাসের সার্বিক নিরাপত্তায় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সাত শতাধিক সদস্য নিয়োজিত থাকবেন। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে প্রক্টরিয়াল বডি সতর্ক অবস্থানে থাকবে।’

তিনি আরও বলেন, ‘ভর্তি পরীক্ষার সময় শহর থেকে ক্যাম্পাসে আসার রাস্তা যানজটমুক্ত রাখা হবে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের জন্য বিশেষ শাটল ট্রেন চলবে।’

আরও পড়ুন:
ভর্তি পরীক্ষার আয়-ব্যয়ের হিসাব সাধারণ শিক্ষকরা জানেন না
চবিতে দফায় দফায় সংঘর্ষ: কঠোর ব্যবস্থা নিতে বললেন শিক্ষামন্ত্রী
ধর্ষণচেষ্টায় অভিযুক্ত চবি শিক্ষককে অপসারণের সিদ্ধান্ত
চবিতে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ থামছেই না, এবার পুলিশসহ আহত ১৩
ফের সংঘর্ষে রণক্ষেত্র চবি, আহত ৭

মন্তব্য

শিক্ষা
DUs science unit admission test starts 66 candidates per seat

ঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, আসনপ্রতি পরীক্ষার্থী ৬৬

ঢাবির বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত, আসনপ্রতি পরীক্ষার্থী ৬৬ ঢাবি ক্যাম্পাস ও লোগো। ফাইল ছবি
গত বছর ইউনিটগুলোর নামও পরিবর্তন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। আগের ‘ক’ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে বিজ্ঞান ইউনিট, ‘খ’ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট, ‘গ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট এবং ‘চ’ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে চারুকলা ইউনিট।

আজ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) বিজ্ঞান ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়েছে। পূর্বে যেটির নাম ছিল ‘ক’ ইউনিট। সম্প্রতি প্রতিটি ইউনিটের নাম পরিবর্তন করেছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়।

বেলা ১১টা থেকে ঢাকাসহ দেশের আটটি বিভাগীয় শহরে একযোগে শুরু হয় এই ইউনিটের পরীক্ষা। চলে সাড়ে ১২টা পর্যন্ত।

উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এস এম মাকসুদ কামাল বেলা ১১টা পনেরো মিনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কার্জন হল কেন্দ্র পরিদর্শন করেন।

আসন, আবেদনকারী ও কেন্দ্র

এই ইউনিটে মোট আসন সংখ্যা রয়েছে ১ হাজার ৮৫১টি।। এর মধ্যে বিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ১ হাজার ৭৭৫টি, মানবিক বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ৫১টি এবং বাণিজ্য বিভাগের শিক্ষার্থীদের জন্য ২৫টি আসন বরাদ্দ রয়েছে।

বিজ্ঞান ইউনিটের মোট আসনের বিপরীতে ১ লক্ষ ২২ হাজার ৮২ জন শিক্ষার্থীর আবেদন জমা পড়েছে। যদি আবেদন করা সবাই ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নেয় তখন প্রতিটি আসনের বিপরীতে লড়তে হবে ৬৬ জন শিক্ষার্থীকে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এবারের ভর্তি পরীক্ষায় চারটি ইউনিটে মোট আসনসংখ্যা ৫ হাজার ৯৬৫। এসব আসনের বিপরীতে মোট ২ লাখ ৭৮ হাজার ৯৯৬ শিক্ষার্থী আবেদন করেছেন।

ইউনিটের সংখ্যা ও নাম পরিবর্তন

আগে পাঁচ ইউনিটে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হলেও গত বছর থেকে শুধু চারটি ইউনিটেই অনুষ্ঠিত হচ্ছে এই ভর্তি পরীক্ষা। বাদ দেয়া হয়েছে পূর্বের ঘ ইউনিট।

গত বছর ইউনিটগুলোর নামও পরিবর্তন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ।

আগের ‘ক’ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে বিজ্ঞান ইউনিট, ‘খ’ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিট, ‘গ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে রাখা হয়েছে ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিট এবং ‘চ’ ইউনিটের নাম পরিবর্তন করে চারুকলা ইউনিট।

গত ২৩ ফেব্রুয়ারি কলা, আইন ও সামাজিক বিজ্ঞান ইউনিটের পরীক্ষার মাধ্যমে শুরু হয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তিযুদ্ধ।

আরও পড়ুন:
ঢাবির ব্যবসায় শিক্ষা ইউনিটের ভর্তি পরীক্ষা শুরু, আসনপ্রতি পরীক্ষার্থী ৩৬
অফিস সহকারীকে কক্ষ পরিদর্শনে রেখে বনভোজনে শিক্ষক, খাতা উধাও
ঢাবিতে ভর্তিযুদ্ধ শুরু
জাবিতে ভর্তিযুদ্ধ শুরু
জাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু বৃহস্পতিবার

মন্তব্য

শিক্ষা
The police claim that there is evidence of student harassment against teacher Murad

শিক্ষক মুরাদের বিরুদ্ধে ছাত্রী হয়রানির প্রমাণ মিলেছে, দাবি পুলিশের

শিক্ষক মুরাদের বিরুদ্ধে ছাত্রী হয়রানির প্রমাণ মিলেছে, দাবি পুলিশের ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মুরাদ হোসেন। ছবি: সংগৃহীত
ডিএমপির অতিরিক্ত কমিশনার খ. মহিদ উদ্দিন বলেন, ‘কোচিং সেন্টারে ছাত্রীদের পড়ানোর নামে বিভিন্ন সময় তাদের শরীরে হাত দেয়াসহ নানা অশোভন আচরণের মাধ্যমে যৌন হয়রানি করেছেন শিক্ষক মুরাদ। তার প্রমাণ পাওয়া গেছে তার মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপে।’

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক মোহাম্মদ মুরাদ হোসেন সরকারের বিরুদ্ধে শিক্ষার্থীকে যৌন নিপীড়নের অভিযোগের সত্যতা পেয়েছে পুলিশ।

ঢাকা মহানগর পুলিশের (ডিএমপি) অতিরিক্ত কমিশনার খ. মহিদ উদ্দিন বৃহস্পতিবার ডিএমপির মিডিয়া সেন্টারে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে একথা জানান।

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘অভিযুক্ত ব্যক্তির ফোন ও ল্যাপটপ জব্দ করে কিছু অডিও-ভিডিও ক্লিপ পাওয়া যায়। ডিভাইস দুটি ফরেনসিক পরীক্ষার জন্য পাঠানো হবে।

‘ওই শিক্ষক আদালতে ফৌজদারি কার্যবিধির ২২ ধারায় সাক্ষ্য দিয়েছেন। আমরা অনেক তথ্য পাচ্ছি। আসামি এসব অভিযোগ এড়িয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন।’

সংবাদ সম্মেলনে অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, ‘স্কুলের পাশে কোচিং সেন্টারে ছাত্রীদের পড়ানোর নামে বিভিন্ন সময় তাদের শরীরে হাত দেয়াসহ নানা অশোভন আচরণের মাধ্যমে যৌন হয়রানি করেছেন শিক্ষক মুরাদ। যার প্রমাণ পাওয়া গেছে তার মোবাইল ফোন ও ল্যাপটপে।

‘একাধিক ছাত্রীর বেশকিছু অডিও রেকর্ডিং ও কথোপকথনে এর প্রমাণ মিলেছে। তিনি পড়ানোর সময় শিক্ষার্থীদের কুরুচিপূর্ণ কৌতুক শোনাতেন বলেও জানা গেছে।’

মুরাদকে রিমান্ডে নিয়ে কী তথ্য পাওয়া গেছে জানতে চাইলে অতিরিক্ত কমিশনার বলেন, ‘যে অভিযোগে গ্রেপ্তার করা হয়েছে পুলিশ হেফাজতে দুদিন জিজ্ঞাসাবাদ করার পর তার সত্যতা পাওয়া গেছে।

‘গত বছরের নভেম্বরে ওই শিক্ষার্থী যে যৌন নির্যাতনের শিকার হয়, তার প্রাথমিক সত্যতাও পেয়েছে পুলিশ। তবে ওই ঘটনা জানাজানি হলে মা-বাবার সম্মানহানি হবে এবং স্কুল থেকে তাকে বের করে দেয়া হবে এমন আশঙ্কায় নির্যাতিত ছাত্রী কাউকে কিছু জানায়নি।’

পুলিশের এই কর্মকর্তা বলেন, ‘২৬ ফেব্রুয়ারি এক শিক্ষার্থীর মা লালবাগ থানায় এসে অভিযোগ করেন, ভুক্তভোগী শিক্ষার্থী যখন সপ্তম শ্রেণিতে পড়ত, তখন সে ওই শিক্ষকের কোচিংয়ে পড়তে যেত। মেয়েটিকে গত বছরের ১০ মার্চসহ বিভিন্ন সময় নানাভাবে যৌন নিপীড়ন করেছেন শিক্ষক মুরাদ।’

তিনি বলেন, ‘এই শিক্ষকের বিরুদ্ধে আগেও এমন অভিযোগ এসেছে। এ নিয়ে কিছু অভিভাবক ও তাদের সন্তানদের বক্তব্য শোনেন কলেজের অধ্যক্ষ। তিনি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন। এ ঘটনায় স্কুলে মানববন্ধনও হয়। ২৬ ফেব্রুয়ারি মামলা হওয়ার পর ওই রাতে আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়।’

সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে মহিদ উদ্দিন বলেন, ‘ফৌজদারি অপরাধ কখনও তামাদি হয়ে যায় না। আর শ্লীলতাহানির অভিযোগ প্রমাণের জন্য মেডিক্যাল প্রতিবেদন জরুরি নয়। অভিযোগ প্রমাণের জন্য আরও অনেক প্রক্রিয়া রয়েছে।

‘আমরা প্রত্যেক নাগরিকের অধিকারের বিষয়ে সংবেদনশীল। যৌন নিপীড়ন সংক্রান্ত অপরাধ কত দিন, কত জায়গায়, কতবার হয়েছে, সবই তদন্তের আওতায় আনা হবে।’

অভিযুক্ত মুরাদ হোসেন সরকার ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর ক্যাম্পাসের দিবা শাখার গণিতের জ্যেষ্ঠ শিক্ষক। ২০১০ সাল থেকে তিনি বিদ্যালয়টিতে শিক্ষকতা করছেন। পাশাপাশি আজিমপুর এলাকার একটি ফ্ল্যাটে কোচিং সেন্টার খুলে ছাত্রীদের পড়াতেন।

শিক্ষক মুরাদ কারাগারে

যৌন হয়রানির মামলায় ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের আজিমপুর ক্যাম্পাসের গণিতের শিক্ষক মুরাদ হোসেন সরকারকে কারাগারে পাঠিয়েছে আদালত।

দুদিনের রিমান্ড শেষে বৃহস্পতিবার আদালতে হাজির করলে তাকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন ঢাকা মহানগর হাকিম মোহাম্মদ জসিম।

একইসঙ্গে আসামি পক্ষের আইনজীবী চিকিৎসার আবেদন করলে কারাবিধি মোতাবেক তার চিকিৎসার ব্যবস্থা নিতে নির্দেশ দেয় আদালত।

সোমবার রাত ১২টার দিকে রাজধানীর কলাবাগানের বাসা থেকে মুরাদকে গ্রেপ্তার করা হয়। ওই রাতেই ভিকারুননিসা স্কুলের গভর্নিং বডির জরুরি সভায় তাকে সাময়িক বরখাস্ত করা হয়।

এর আগে ৭ ফেব্রুয়ারি ওই শিক্ষকের বিরুদ্ধে যৌন হয়রানির অভিযোগ এনে অধ্যক্ষ বরাবর অভিযোগ করেন শিক্ষার্থীরা।

শিক্ষার্থীদের একাংশ ও তাদের অভিভাবকদের আন্দোলনের মুখে শনিবার স্কুল কর্তৃপক্ষ এই শিক্ষককে প্রত্যাহার করে অধ্যক্ষের কার্যালয়ে সংযুক্ত করে।

পরদিন প্রত্যাহারের সিদ্ধান্তের প্রতিবাদে এবং দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবিতে স্কুল ক্যাম্পাসে বিক্ষোভ করেন শিক্ষার্থী ও তাদের অভিভাবকরা।

আরও পড়ুন:
যৌন হয়রানিতে অভিযুক্ত ভিকারুননিসার শিক্ষক মুরাদ রিমান্ডে
যৌন হয়রানির মামলায় ভিকারুননিসার শিক্ষক মুরাদ গ্রেপ্তার

মন্তব্য

শিক্ষা
The Chief Justice wants to see the language movement memorial museum in DU

ঢাবিতে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি জাদুঘর দেখতে চান প্রধান বিচারপতি

ঢাবিতে ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি জাদুঘর দেখতে চান প্রধান বিচারপতি বুধবার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে ডুলা আয়োজিত ফোক ফেস্ট ও শীতকালীন পিঠা উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য দেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান। ছবি: সংগৃহীত
প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘১৯৪৭ সালে দেশভাগের ওপর ভিত্তি করে পাঞ্জাবের অমৃতসরে একটি জাদুঘর করা হয়েছে। সেখানে গেলে মনে হয়, ১৯৪৭ সালে ফিরে গিয়েছি। ঠিক একইভাবে আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি জাদুঘর করা হোক। যেখানে গেলে মনে হবে, আমি মনে হয় ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছি।’

নিজের জীবদ্দশায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) আঙিনায় ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি বহন করে এমন একটি জাদুঘর দেখে যাওয়ার অভিপ্রায় ব্যক্ত করেছেন প্রধান বিচারপতি ওবায়দুল হাসান।

বুধবার সুপ্রিমকোর্ট আইনজীবী সমিতি প্রাঙ্গণে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলএলএম ল’য়ার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডুলা) আয়োজিত ফোক ফেস্ট ও শীতকালীন পিঠা উৎসবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে এসব কথা বলেন তিনি।

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ভাষা আন্দোলনে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অনেক অবদান রয়েছে। এই অবদান সংরক্ষণ করা প্রয়োজন।

‘এটা ভাষার মাস। এই মাসে আমরা অনেক অনুষ্ঠান করে থাকি। এই অনুষ্ঠানগুলো আমরা বাংলায় করি। বাংলায় কথা বলার ওপর একটি চাপ আছে। বিশেষ করে, আমরা যারা এই আইন অঙ্গনে আছি, তাদের ওপর একটি বাড়তি চাপ আছে। উচ্চতর আদালতে কেন বাংলা ভাষা প্রচলন নেই বা বাংলা ভাষা কম কেন, সেই প্রশ্নেরও সম্মূখীন হতে হয়।’

তিনি বলেন, ‘আমরা চেষ্টা করছি বাংলা ভাষার ব্যবহার বাড়ানোর। আমাদের বন্ধুরা অনেকেই বাংলা ভাষায় রায় দেয়ারও চেষ্টা করছেন।’

ওবায়দুল হাসান বলেন, ‘একটি অনুষ্ঠানে ঢাবি ভিসিকে আমি বলেছিলাম, ভাষা আন্দোলন শুরু হয়েছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়ের আমতলা থেকে। ভাষা আন্দোলনের মিটিং হয়েছিল বর্তমান জহুরুল হক হলের পুকুর পাড় থেকে। সেই ঢাবিতে কি কোনো জাদুঘর আছে?

‘আমি কিছুদিন আগে দেখে এসেছি। ১৯৪৭ সালে দেশভাগের ওপর ভিত্তি করে পাঞ্জাবের অমৃতসরে একটি জাদুঘর করা হয়েছে। সেখানে গেলে মনে হয়, ১৯৪৭ সালে ফিরে গিয়েছি। ঠিক একইভাবে আমাদের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি ভাষা আন্দোলনের স্মৃতি জাদুঘর করা হোক। যেখানে গেলে মনে হবে, আমি মনে হয় ১৯৫২ সালের একুশে ফেব্রুয়ারি রাস্তায় স্লোগান দিচ্ছি।’

প্রধান বিচারপতি বলেন, ‘ভিসি তখন আমার কথা নোট নিয়েছেন এবং বলেছেন, তিনি এটা করবেন। তখন আমি বলেছি, আমারা জীবিত থাকা অবস্থায়ই যেন এটা করা হয়।’

সংগঠনের সভাপতি অ্যাডভোকেট শেখ আলী আহমেদ খোকনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে আরও বক্তব্য দেন আপিল বিভাগের বিভাগের বিচারপতি আশফাকুল ইসলাম, বিচারপতি আবু জাফর সিদ্দিকী, হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি মো. রেজাউল হাসান, সাবেক রেলমন্ত্রী নুরুল ইসলাম সুজন, সাবেক মন্ত্রী শ ম রেজাউল করিম, অ্যাটর্নি জেনারেল এ এম আমিন উদ্দিন, বারের সাবেক সভাপতি জয়নুল আবেদীন প্রমূখ।

অনুষ্ঠানে বিভিন্নরকম পিঠা তৈরির আয়োজন করা হয়।

মন্তব্য

p
উপরে