× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Application for admission of engineering batch started on August 20
hear-news
player
google_news print-icon

২০ আগস্ট শুরু প্রকৌশল গুচ্ছের ভর্তির আবেদন

২০-আগস্ট-শুরু-প্রকৌশল-গুচ্ছের-ভর্তির-আবেদন
ফাইল ছবি
ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. কে এম আজহারুল হাসান বলেন, মেধাস্থান প্রাপ্ত সব প্রার্থীকে আগামী ২০ আগস্ট থেকে ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে।

দেশের তিনটি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি কার্যক্রম আগামী ২০ আগস্ট শুরু হবে। চলবে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত। পরবর্তী সময়ে ২৮ আগস্ট একযোগে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. কে এম আজহারুল হাসান এবং সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আবু ইউসুফ শুক্রবার রাতে নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে ভর্তি বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানান তারা।

যে তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা হবে সেগুলো হলো চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. কে এম আজহারুল হাসান বলেন, মেধাস্থান প্রাপ্ত সব প্রার্থীকে আগামী ২০ আগস্ট থেকে ভর্তিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে।

ভর্তি প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষাসংক্রান্ত ওয়েবসাইট www.admissionckruet.ac.bd এই লিংকে আবেদন করা যাবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, মেধাস্থানপ্রাপ্ত সব প্রার্থীকে আগামী ২০ আগস্ট থেকে ভর্তিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগের পছন্দক্রম প্রদান করতে হবে।

ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য ৩৯টি পছন্দসহ একটি পছন্দক্রম পূরণ করতে হবে। এ ছাড়া স্থাপত্য বিভাগের জন্য ৩টি পছন্দসহ আলাদা একটি পছন্দক্রম পূরণ করতে হবে। ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য ও পছন্দক্রম ২৭ আগস্ট দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রার্থীরা পরিবর্তন করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চুয়েট, কুয়েট ও রুয়েট কেন্দ্রে একযোগে ভর্তি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থী যে কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ওই কেন্দ্রেই উপস্থিত হয়ে ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে দেশের তিনটি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মেধাস্থান অনুযায়ী মেধাতালিকা প্রকাশ, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগ পছন্দ প্রদানের নির্দেশনা, ভর্তির নিয়মাবলি ও ভর্তির তারিখ প্রকাশিত হয়।

গত ৪ জুলাই ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু হয় ৬ জুন সকাল ১০টা থেকে এবং শেষ হয় ১৯ জুন বিকেল ৫টায়।

ভর্তির তারিখ, ওরিয়েন্টেশন, ক্লাস শুরুর তারিখ ও সময় এবং ভর্তিসংক্রান্ত অন্য বিজ্ঞপ্তি প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ড, নিজস্ব ওয়েবসাইট এবং সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে জানানো হবে।

গত বছরও এসব বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিয়েছিল। এবার ভর্তি পরীক্ষার নেতৃত্বে রয়েছে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)। গতবারের পরীক্ষার নেতৃত্বে ছিল চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)।

প্রকৌশল গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আহ্বায়ক এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, এবার ভর্তীচ্ছুদের খাতা খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মূল্যায়ন করা হয়েছে। সেখানে রাজশাহী ও চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

গত ৬ আগস্ট প্রকৌশল গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার চুয়েট কেন্দ্রে ‘ক’ বিভাগে ৮ হাজার ৭৪০ জন এবং ‘খ’ বিভাগে ৭৩৭ জন মিলিয়ে মোট ৯ হাজার ৪৭৭ জন পরীক্ষার্থী; কুয়েট কেন্দ্রে ‘ক’ বিভাগে ৮ হাজার ৫৫৩ জন এবং ‘খ’ বিভাগে ৮৭০ জন মিলিয়ে মোট ৯ হাজার ৪২৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষার্থীয় অংশগ্রহণ করছেন।

রুয়েট কেন্দ্রে সর্বমোট ৯ হাজার ৪৯৫ জন ভর্তীচ্ছু অংশ নিচ্ছে। ‘ক’ গ্রুপের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে সর্বমোট ৮ হাজার ৮৭৩ জন এবং ‘খ’ গ্রুপে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগগুলোতে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং স্থাপত্য বিভাগে অংশ নিয়েছেন ৬২২ জন ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন:
গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটে পাস ৫৫.৬৩%
গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের প্রশ্ন নিয়ে নানা ‘প্রশ্ন’
রাজধানীর যে ৮ কেন্দ্রে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Motijheel ideal employment application fee 5 thousand

মতিঝিল আইডিয়ালে নিয়োগের আবেদন ফি ৫ হাজার!

মতিঝিল আইডিয়ালে নিয়োগের আবেদন ফি ৫ হাজার! ফাইল ছবি
সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে আবেদন ফি পাঁচ হাজার টাকা। প্রভাষক ও সহকারী প্রোগামারের জন্য আবেদন ফি তিন হাজার টাকা। প্রদর্শক পদের জন্য দিতে হবে দুই হাজার টাকা। চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী পদের জন্যও ফি ধরা হয়েছে এক হাজার টাকা।

রাজধানীর মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজে ১৪টি ক্যাটাগরিতে শিক্ষকসহ ১০০ জনবল নিয়োগ দেয়া হচ্ছে। এ জন্য ইতোমধ্যে নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে। আর এই বিজ্ঞপ্তিতে আবেদন ফি হিসেবে যে পরিমাণ টাকা ধার্য করা হয়েছে তা নিয়ে শুরু হয়েছে ব্যাপক আলোচনা-সমালোচনা।

মঙ্গলবার স্কুল ও কলেজ শাখার ওয়েবসাইটে প্রতিষ্ঠানটির স্কুল ও কলেজ শাখার বিভিন্ন পদে অস্থায়ী ভিত্তিতে নিয়োগের বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। পাশাপাশি দুটি পত্রিকাতেও প্রকাশ করা হয় সেটি।

তাতে দেখা গেছে, চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী পদে আবেদনের ফি ধরা হয়েছে এক হাজার টাকা। আর সহকারী প্রধান শিক্ষক পদে আবেদন করতে হলে ফি হিসেবে গুনতে হবে পাঁচ হাজার টাকা।

এ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তিতে বিশেষ করে সহকারী প্রধান শিক্ষক নিয়োগের আবেদন ফি নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা চলছে।

বিজ্ঞপ্তিতে দেখা যায়, সহকারী প্রধান শিক্ষক (বাংলা ও ইংরেজি মাধ্যম) এর জন্য আবেদন ফি ধরা হয়েছে পাঁচ হাজার টাকা। প্রভাষক ও সহকারী প্রোগামারের জন্য আবেদন ফি ঠিক করা হয়েছে তিন হাজার টাকা। প্রদর্শক পদে আবেদন করতে গেলেই গুনতে হবে দুই হাজার টাকা।

অন্য ছয়টি (সহকারী শিক্ষক ও নার্স) পদে আবেদন ফি ঠিক করা হয়েছে এক হাজার পাঁচ শ টাকা। সর্বনিম্ন আবেদন ফি চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী পদের জন্য, এক হাজার টাকা। সব আবেদন ফি অফেরতযোগ্য, যা ব্যাংক ড্রাফট করে জমা দিতে হবে।

মতিঝিল আইডিয়ালে নিয়োগের আবেদন ফি ৫ হাজার!

সুযোগ সুবিধা কী

উচ্চ ফি দিয়ে আবেদন করারও চাকরি কিন্তু সেই সোনার হরিণ। আর যেকোনোভাবে চাকরিটা জুটে গেলেও এর বিপরীতে সুযোগ-সুবিধা খুব আহামরি কিছু নয়।

সহকারী প্রধান শিক্ষকের বেতন কাঠামো ২৩০০০-৫৫৪৭০ টাকা। এই পদে আবেদনের জন্য থাকতে হবে ১০ বছরের অভিজ্ঞতা। সে সঙ্গে ইংরেজিতে পাঠদান ও কথোপকথনে পারদর্শী হতে হবে।

প্রভাষক পদে বেতন কাঠামো ২২০০০ থেকে ৫৩০৬০ টাকা। একই বেতন কাঠামো সহকারী প্রোগ্রামারের ক্ষেত্রেও। প্রদর্শকের বেতন কাঠামো ১৬০০০ থেকে ৩৮৬৪০ টাকা। সহকারী শিক্ষক থেকে নার্স পর্যন্ত বেতন কাঠামো ১২৫০০ থেকে ৩০,২৩০ টাকা।

অন্যান্য পদের বেতন কাঠামো হলো- অফিস সহকারী ও কম্পিউটার অপারেটর ৯৩০০-২২৪৯০, ল্যাব সহকারী ৮৮০০-২১৩১০, প্লাম্বার ৮৫০০-২০৫৭০ ও চতুর্থ শ্রেণীর কর্মচারী ৮২৫০-২০০১০ টাকা।

শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারী মিলিয়ে নিয়োগ দেয়া হবে ১০০ জন।

ফি নিয়ে প্রশ্ন শুনেই রেগে যান অধ্যক্ষ

মতিঝিল আইডিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ (ভারপ্রাপ্ত) ফাওজিয়া রাশেদীর কাছে নিউজবাংলার পক্ষ থেকে প্রশ্ন ছিল- চাকরির আবেদন ফির পরিমাণ এতো টাকা নির্ধারণের কারণটা জানতে পারি কি না।

মোবাইল ফোনে কথোপকথনের শুরুতে সাংবাদিক পরিচয় দিলে অধ্যক্ষ স্বাভাবিকভাবেই কথা বলেন। এর পর আবেদন ফি নিয়ে প্রশ্নটা শুনেই তিনি রেগে যান। বলেন, ‘এভাবে আমি আপনাকে বলতে পারব না। আপনাকে চিনি না জানি না। আপনি আমাকে ফোন করবেন আমি আপনাকে সব বিষয়ে বলে যাব তা হয় না। প্রতিষ্ঠানের বিষয়ে যা কিছু সিদ্ধান্ত হয় সেটা আমাদের গভর্নিং বডির সিদ্ধান্ত মোতাবেক হয়ে থাকে।’

নিউজবাংলার পরিচয় দিলে তিনি বলেন, ‘এভাবে অনেকেই কথা বলে। এভাবে আমি কথা বলব না।’

এ বিষয়ে প্রতিষ্ঠানটির পরিচালনা পর্ষদের সভাপতি ও পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ের বাস্তবায়ন পরিবীক্ষণ ও মূল্যায়ন বিভাগ-আইএমইডির সচিব আবু হেনা মোরশেদ জামানকে একাধিকবার কল দিলেও তিনি ফোন রিসিভ করেননি। পরে এসএমএস করা হলেও জবাব আসেনি। এরপর আবার কল করা হলে তিনি সংযোগ কেটে দেন।

মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের মহাপরিচালক নেহাল আহমেদকে কল দিলে তিনিও রিসিভ করেননি। পরে এসএমএস পাঠালেও তিনি জবাব দেননি।

আরও পড়ুন:
ধানমন্ডি আইডিয়ালের বরখাস্ত অধ্যক্ষের পাল্টা অভিযোগ
আইডিয়াল কলেজের অধ্যক্ষসহ তিন শিক্ষক বরখাস্ত
ধানমন্ডি আইডিয়াল অধ্যক্ষের পদত্যাগ দাবিতে একাট্টা শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য

শিক্ষা
Anticipatory bail of 14 people including president editor of Eden Chhatra League

ইডেন ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকসহ ১৪ জনের আগাম জামিন

ইডেন ছাত্রলীগের সভাপতি-সম্পাদকসহ ১৪ জনের আগাম জামিন ইডেন কলেজে সংঘর্ষের জেরে ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক ক্যাম্পাস ছাড়া হওয়ার পর বিরোধীপক্ষের উচ্ছ্বাস। ফাইল ছবি/ নিউজবাংলা
আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম আবুল হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান। মঙ্গলবার জামিন পাওয়া ১৪ জন হলেন-কামরুন্নাহার জ্যোতি, জিন্নাত জাহান লিমা, বিজলি আক্তার, সোমা মল্লিক, শাহানা রহমান, শিরিন সুমি, ফারজানা নীলা, তামান্না জেসমিন রিভা, রাজিয়া সুলতানা, রিতু আক্তার, মিম ইসলাম, নুজহাত ফারিয়া রোকসানা, নূর জাহান ও আনিকা তাবাসসুম স্বর্ণা।

মারামারির ঘটনায় লালবাগ থানায় করা মামলায় ইডেন মহিলা কলেজ ছাত্রলীগের স্থগিত কমিটির সভাপতি-সম্পাদকসহ ১৪ জনকে ছয় সপ্তাহের আগাম জামিন দিয়েছে হাইকোর্ট।

মঙ্গলবার আলাদা আবেদনের শুনানি নিয়ে বিচারপতি মোস্তফা জামান ইসলাম ও বিচারপতি মো. খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেয়।

এর আগে সোমবার কলেজ ছাত্রলীগের আরেক গ্রুপের ১২ নেতাকর্মী হাইকোর্ট থেকে আগাম জামিন নেন।

আদালতে আবেদনের পক্ষে ছিলেন আইনজীবী এস এম আবুল হোসেন। রাষ্ট্রপক্ষে ছিলেন ডেপুটি অ্যাটর্নি জেনারেল কাজী মাঈনুল হাসান।

মঙ্গলবার জামিন পাওয়া ১৪ জন হলেন- কামরুন্নাহার জ্যোতি, জিন্নাত জাহান লিমা, বিজলি আক্তার, সোমা মল্লিক, শাহানা রহমান, শিরিন সুমি, ফারজানা নীলা, তামান্না জেসমিন রিভা, রাজিয়া সুলতানা, রিতু আক্তার, মিম ইসলাম, নুজহাত ফারিয়া রোকসানা, নূর জাহান ও আনিকা তাবাসসুম স্বর্ণা।

গত ২৫ সেপ্টেম্বর ক্যাম্পাসে কলেজ ছাত্রলীগের সভাপতি রীভা ও সাধারণ সম্পাদক রাজিয়ার সমর্থকদের সঙ্গে সহসভাপতিদের সমর্থকদের মধ্যে মারামারির ঘটনায় ১০ জন আহত হন। ওই দিন রাতে ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের কমিটি স্থগিত করে সংগঠনটির কেন্দ্রীয় সংসদ।

একই সঙ্গে সাংগঠনিক শৃঙ্খলাভঙ্গের জন্য ১৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়।

পরে ২৮ সেপ্টেম্বর ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের সহ-সভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসী ঢাকা মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট সৈয়দ মোস্তফা রেজা নূরের আদালতে মামলার আবেদন করেন। আদালত সেটি আমলে নিয়ে তদন্তের নির্দেশ দেন।

দুই দিন পর লালবাগ থানায় সভাপতি গ্রুপের রিতু আক্তার পাল্টা আরেকটি মামলা করেন।

আরও পড়ুন:
ইডেনের ৯ ছাত্রলীগ কর্মীর আগাম জামিন
ছাত্রলীগের দ্বন্দ্বে বন্ধ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
ক্যাম্পাসে অস্ত্র হাতে ঘুরছে ছাত্রলীগের ২ গ্রুপ
ফরিদপুরে চাঁদাবাজির অভিযোগে ছাত্রলীগের ৩ জন গ্রেপ্তার

মন্তব্য

শিক্ষা
Why is the Chhatra League reckless in Comilla University?

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন বেপরোয়া ছাত্রলীগ

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন বেপরোয়া ছাত্রলীগ গত শনিবার বিকেলে অস্ত্র হাতে মুখোমুখি অবস্থান নেয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ। ফাইল ছবি: নিউজবাংলা
‘আমরা প্রথমে চিন্তা করেছি আমার কোনো শিক্ষার্থী যেন খুন না হয়, কোনো রক্তপাতের ঘটনা যেন না ঘটে। সে লক্ষ্যেই দ্রুত হল বন্ধ, পরীক্ষা বন্ধ করেছি। এতে করে কেউ যদি আমাদের দোষারোপ করে তাহলে বুঝতে হবে সেটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

আধিপত্য বিস্তার নিয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপের সশস্ত্র মুখোমুখিতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের হল বন্ধ করে দিয়েছে কর্তৃপক্ষ। গত ৩০ সেপ্টেম্বর রাতে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ফেসবুকে ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তির ঘটনার রেশ ধরেই এই মুখোমুখি হওয়ার ঘটনা ঘটে। পরদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলির ঘটনাও ঘটেছে।

ক্যাম্পাসে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে গতকাল রোববার এক জরুরি সভা শেষে আগামী ১০ থেকে ১৭ অক্টোবরের সব পরীক্ষা স্থগিত করে দেয় প্রশাসন। সেই সঙ্গে রোববার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যেই ছাত্রদের এবং সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে ছাত্রীদের হল ছাড়ার নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত হলগুলো বন্ধ থাকবে।

কেন এই অচলাবস্থা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ঘুরে গত কয়েক দিনে বেশ কিছু সাধারণ শিক্ষার্থী ও প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলেছেন নিউজবাংলার প্রতিবেদক। তারা বিভিন্ন ধরনের তথ্য দিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের এমন অস্থিরতা নিয়ে।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ যেকোনো সময় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে নতুন কমিটি দিতে পারেন, এমন খবর চাউর হয়েছে। খবর চাউরের পরই নিজেদের আধিপত্য জানান দিয়ে কেন্দ্রীয় নেতাদের মনোযোগে আসতে চেষ্টা শুরু করেছেন ছাত্রলীগের দুটি পক্ষ।

ক্যাম্পাসে সশস্ত্র মহড়া দেয়ার অভিযোগ উঠেছে হত্যা মামলার আসামি ও ছাত্রত্ব নেই এমন পদপ্রত্যাশীদের। তাদের উদ্দেশ্য, যে করেই হোক আগামী কমিটিতে সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকের পদ বাগিয়ে নেয়া।

তাদের বিরুদ্ধে অভিযোগ উঠেছে, প্রতিপক্ষের কর্মীদের ধাওয়া দিয়ে ক্যাম্পাস থেকে বের করে দেয়ার। কখনো প্রতিপক্ষের অনুসারীদের ক্যাম্পাস থেকে তুলে নিয়ে মারধর করারও।

এসব অভিযোগ হত্যা মামলার আসামি বিপ্লব চন্দ্র দাস ও রেজা ই এলাহীর বিরুদ্ধে।

তাদের কারণেই বিশ্ববিদ্যালয়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি বিরাজ করছে এবং হল বন্ধ করে দেয়ার পরিস্থিতি হয়েছে বলে অভিযোগ করেন কমপক্ষে ২০ শিক্ষার্থী।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন বেপরোয়া ছাত্রলীগ

২০১৬ সালের ১ আগস্টের প্রথম প্রহরে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের প্রতিকৃতিতে শ্রদ্ধা জানানো নিয়ে নিহত হন কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম হল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী খালিদ সাইফুল্লাহ।

ঘটনায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ একটি হত্যা মামলা করে। সে মামলায় ৫ দিন পর ৬ আগস্ট প্রধান আসামি ও মার্কেটিং চতুর্থ ব্যাচের শিক্ষার্থী বিপ্লব চন্দ্র দাসকে ঢাকা থেকে গ্রেপ্তার করে ডিবি পুলিশ। বিপ্লব হত্যার দায় স্বীকার করে আদালতে জবানবন্দি দেন। তবে তিনি এখন জামিনে মুক্ত।

শিক্ষার্থীদের অভিযোগ, জামিনে বেরিয়ে বিপ্লব আরও বেপরোয়া হয়েছেন। গত শনিবার মোটরসাইকেল নিয়ে ক্যাম্পাসে মহড়া দেন বিপ্লবের অনুসারীরা, ধারালো অস্ত্র নিয়ে পুলিশের সামনে তাদের দেখা যায়।

বিপ্লবকে সমর্থন দিচ্ছেন কুবি ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক রেজা ই এলাহী। তিনি নিজেও কাজী নজরুল ইসলাম হল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী খালিদ সাইফুল্লাহ হত্যা মামলার আসামি।

তার বিরুদ্ধে অটোরিকশাচালকসহ বহিরাগতদের নিয়ে ক্যাম্পাসে মহড়া দেয়ার অভিযোগ রয়েছে।

শিক্ষার্থীদের আশঙ্কা, এভাবে চলতে থাকলে যেকোনো সময় বিশ্ববিদ্যালয়ে বড় ধরনের সংঘর্ষ বাধতে পারে।

কী বলছেন গুলিতে নিহতের পরিবার

কাজী নজরুল ইসলাম হল ছাত্রলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মার্কেটিং বিভাগের শিক্ষার্থী খালিদ সাইফুল্লাহর মা ফাতেমা আক্তার আক্ষেপ করে বলেন, ৬ বছরেও তার সন্তান হত্যার বিচার পাননি।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘আমার ছেলের খুনিরা এখন ছাত্রলীগের পদ-পদবি চায়। এই বিপ্লব ও রেজা আমার ছেলের খুনের মামলার আসামি। বিপ্লব খুনের ঘটনা স্বীকারও করেছে। তারপরও কেন তাদের বিচার হচ্ছে না?’

তিনি আশঙ্কা করেন, আবারও তারা হত্যার রাজনীতি করবেন। তাই তাদের যেন কোনো পদ-পদবি না দেয়া হয়, সে জন্য কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ নেতাদের অনুরোধ করেন সাইফুল্লাহর মা ফাতেমা আক্তার।

যা বলছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রলীগের নেতারা

শহীদ ধীরেন্দ্রনাথ দত্ত হলের ছাত্রলীগের সভাপতি রাফিউল আলম দীপ্ত বলেন, ‘সেদিন আমরা দুপুরে খাওয়াদাওয়া সেরে হলে ঘুমাচ্ছিলাম। এ সময় আচমকা বহিরাগতরা এসে ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি ছোড়ে। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কোনো বিকার দেখলাম না। ঘটনায় যারা জড়িত সবাই বিশ্ববদ্যালয়ের সাবেক ছাত্র, তাদের মধ্যে বিশ্ববিদ্যালয় এলাকার অটো ও সিএনজি অটোরিকশার চালকদেরও দেখা যায়। যারা টাকার বিনিময়ে ধারালো অস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে।’

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন বেপরোয়া ছাত্রলীগ

কাজী নজরুল ইসলাম হলের ছাত্রলীগের ভারপ্রাপ্ত সভাপতি নাজমুল হাসান পলাশেরও একই প্রশ্ন, প্রধান ফটকে তালা মারা অবস্থায় বহিরাগতরা ক্যাম্পাসে ঢুকে পুলিশের সামনে দিয়ে অস্ত্র হাতে কীভাবে ককটেল বিস্ফোরণ করল, গুলি ছুড়ল।

তিনি এ জন্য বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ব্যর্থতা রয়েছে বলে জানান।

একই প্রশ্ন তুলেছেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক খায়রুল বাশার সাকিবও। তার আশা, সাধারণ শিক্ষার্থীদের দিকে তাকিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এমন ঘটনার সমাধান করবে। বহিরাগতদের প্রবেশ রুখে দেবে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন

সাধারণ শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের মূল ফটক বন্ধই থাকে। কিন্তু শনিবার বহিরাগতরা বিশ্ববিদ্যালয়ের সামনে আসার সঙ্গে সঙ্গে ফটক খুলে দেয়া হয়। তারা ককটেল বিস্ফোরণ ও গুলি ছুড়ে আতঙ্ক সৃষ্টির করে বেরিয়ে যাওয়ার সময় আবার তা খুলে দেয়া হয়।

কারা এভাবে ফটক খুলে বহিরাগতদের অস্ত্রের মহড়া দিতে দিয়েছে, সেটি জানে না প্রশাসন।

বিষয়টি নিয়ে জানতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) কাজী ওমর সিদ্দিকীকে বেশ কয়েকবার ফোন করেও পাওয়া যায়নি।

তবে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈন বলেন, সেদিন যে পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছিল তা নিয়ন্ত্রণ করতে প্রশাসনের সর্বোচ্চ আন্তরিকতা ছিল।

‘আমরা প্রথমে চিন্তা করেছি আমার কোনো শিক্ষার্থী যেন খুন না হয়, কোনো রক্তপাতের ঘটনা যেন না ঘটে। সে লক্ষ্যেই দ্রুত হল বন্ধ, পরীক্ষা বন্ধ করেছি। এতে করে কেউ যদি আমাদের দোষারোপ করে, তাহলে বুঝতে হবে সেটি উদ্দেশ্যপ্রণোদিত।’

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে কেন বেপরোয়া ছাত্রলীগ

ক্যাম্পাসে বহিরাগতদের প্রবেশ নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা রয়েছে- এমন প্রশ্নে ভিসি আবদুল মঈন বলেন, ‘আমরা সিদ্ধান্ত নিয়ে এখন থেকে বিশ্ববিদ্যালয়ে পরীক্ষা হোক আর ক্লাস সবাইকে তাদের পরিচয়পত্র দেখিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করানো হবে। আমরা সিদ্ধান্তে অটল।’

অস্ত্র উদ্ধারে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ভূমিকা

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর ভূমিকা নিয়ে অসন্তোষ প্রকাশ করেছে সাধারণ শিক্ষার্থীরা। বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থী দাবি করেন, পুলিশ যদি অনড় থাকে এবং অস্ত্র উদ্ধার করে তাহলে ক্যাম্পাসে কেউ হট্টগোল করে বের হয়ে যেতে পারবে না।

বিষয়টি নিয়ে কুমিল্লা পুলিশ সুপার আবদুল মান্নান বলেন, ‘আমরা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তার জন্য সম্ভব সব রকম কাজ করব। সে ক্ষেত্রে অবশ্যই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের সঙ্গে আমাদের সমন্বয় করতে হবে। বিষয়গুলো নিয়ে আমাদের কিছু পরিকল্পনা আছে।’

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের দ্বন্দ্বে বন্ধ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়
ক্যাম্পাসে অস্ত্র হাতে ঘুরছে ছাত্রলীগের ২ গ্রুপ

মন্তব্য

শিক্ষা
CUB workshop on career preparation

ক্যারিয়ার প্রস্তুতি নিয়ে সিইউবির কর্মশালা

ক্যারিয়ার প্রস্তুতি নিয়ে সিইউবির কর্মশালা কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের আয়োজনে ক্যারিয়ার বিষয়ক কর্মশালা। ছবি: নিউজবাংলা
কর্মশালায় মূল বক্তা মুনিম আহমেদ শিক্ষার্থীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন এবং কর্মজীবনের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত ও প্রস্তুতিমূলক কর্মকৌশল হাতেকলমে শিখিয়ে দেন।

'বিশ্ববিদ্যালয়ের গণ্ডি পেরিয়ে কর্মজীবনে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার লক্ষ্য থাকে সব শিক্ষার্থীর। সে লক্ষ্য পূরণে প্রতিযোগিতার এই যুগে কেবল ক্লাসরুমের পাঠ্যসূচি যথেষ্ট নয়। তাই ক্যারিয়ার গঠনে শিক্ষার পাশাপাশি নানা প্রশিক্ষণ, দক্ষতা, সামর্থ্য অর্জন জরুরি, যা এই সময়ে বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানগুলো উৎসাহিত করে।'

ক্যারিয়ার নিয়ে প্রস্তুতি, সঠিক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং দক্ষতা অর্জন বিষয়ে এক কর্মশালায় এসব কথা বলেন মোবাইল অপারেটর ‘রবি’র এইচআর টেক ও ট্যালেন্ট ম্যানেজমেন্টের মহাব্যবস্থাপক মুনিম আহমেদ।

কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের স্টুডেন্ট এফেয়ারস ডিপার্টমেন্ট কর্মশালার আয়োজন করে।

কর্মশালায় মূল বক্তা মুনিম আহমেদ শিক্ষার্থীদের নানা প্রশ্নের উত্তর দেন এবং কর্মজীবনের জন্য সঠিক সিদ্ধান্ত ও প্রস্তুতিমূলক কর্মকৌশল হাতেকলমে শিখিয়ে দেন।

অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশের উপাচার্য অধ্যাপক ড. এইচ এম জহিরুল হক।

এ ছাড়া উপস্থিত ছিলেন স্টুডেন্ট এফেয়ারস এর ডিরেক্টর মঞ্জুরুল হক, স্কুল অফ বিজনেসের প্রধান অধ্যাপক এস এম আরিফুজ্জামান, ইউনিভার্সিটির শিক্ষক ও অন্যান্যরা।

আরও পড়ুন:
সিইউবিতে ডেটা সায়েন্স নিয়ে সেমিনার
বড় বিনিয়োগের সুযোগ করে দিয়েছে পদ্মা সেতু: প্যাট্রিক
মিথ্যামুক্ত সমাজ গঠনে রাজধানীতে কর্মশালা
১১ স্কুলকে কোর্সের বিস্তারিত জানাল সিইউবি
দক্ষিণ এশিয়ার জ্ঞানব্যবস্থা নিয়ে সিইউবিতে সেমিনার

মন্তব্য

শিক্ষা
LEGAL NOTICE ON ELECTION OF PARENTAL REPRESENTATIVES OF VIKARUNNISA

ভিকারুননিসার অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন বন্ধে আইনি নোটিশ

ভিকারুননিসার অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন বন্ধে আইনি নোটিশ ফাইল ছবি
নোটিশে উল্লেখ করা হয়, যেহেতু তিন্না খুরশিদ আদালত কর্তৃক ওই শিক্ষার্থীর অভিভাবক মনোনীত হয়েছেন, সেহেতু অবশ্যই তার ভোটার হওয়ার আইনগত অধিকার রয়েছে। বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা এবং নির্বাচন অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হলো।

ভিকারুননিসা নূন স্কুল অ্যান্ড কলেজের ২০২২ সালের অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচন এবং নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা বন্ধ রাখার জন্য আইনি নোটিশ পাঠানো হয়েছে।

স্কুলের পঞ্চম শ্রেণির এক শিক্ষার্থীর অভিভাবক তিন্না খুরশিদ জাহানের পক্ষে সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার মোহাম্মদ হুমায়ন কবির সোমবার এ নোটিশ পাঠান।

শিক্ষাসচিব, ঢাকা বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা মাধ্যমিক ও উচ্চ মাধ্যমিক শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান, কলেজের এডহক কমিটির চেয়ারম্যান এবং অধ্যক্ষ বরাবর ডাকযোগে নোটিশ পাঠানো হয়।

হুমায়ন কবির সাংবাদিকদের এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

জানা যায়, তিন্না খুরশিদ তার ভাইয়ের মেয়ের অভিভাবক হিসেবে মনোনীত হন আদালতের আদেশে। এই আদেশের পরিপ্রেক্ষিতে স্কুল কর্তৃপক্ষ ওই শিক্ষার্থীর সিদ্ধান্ত নিয়ে তিন্না খুরশিদকে চিঠি লেখেন।

পরে ২০২২ সালের অভিভাবক প্রতিনিধি নির্বাচনের ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্তির জন্য তিন্না খুরশিদ অভিভাবক হিসেবে ফরম পূরণ করে জমা দেন। কিন্তু তার নাম অন্তর্ভুক্ত না করেই খসড়া ভোটার তালিকা প্রকাশ করা হয়।

একপর্যায়ে তিন্না খুরশিদ তার নাম চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় অন্তর্ভুক্ত করার জন্য শিক্ষাসচিব, ঢাকার বিভাগীয় কমিশনার, ঢাকা বোর্ডের চেয়ারম্যান, স্কুলের এডহক কমিটির চেয়ারম্যান এবং অধ্যক্ষ বরাবর আবেদন করেন। আবেদনে সাড়া না পেয়ে আইনি নোটিশ পাঠানো হয়।

নোটিশে উল্লেখ করা হয়, যেহেতু তিন্না খুরশিদ আদালত কর্তৃক উক্ত শিক্ষার্থীর অভিভাবক মনোনীত হয়েছেন, সেহেতু অবশ্যই তার ভোটার হওয়ার আইনগত অধিকার রয়েছে। বিষয়টি নিষ্পত্তি না হওয়া পর্যন্ত নির্বাচনি তফসিল ঘোষণা এবং নির্বাচন অনুষ্ঠান বন্ধ রাখার অনুরোধ করা হলো।

এ ব্যাপারে পদক্ষেপ না নিলে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেয়া হবে বলেও নোটিশে উল্লেখ করা হয়।

আরও পড়ুন:
ভিকারুননিসায় কামরুন নাহারের নিয়োগের বৈধতা চ্যালেঞ্জ
এ অধ্যক্ষ ছাড়া কি ভিকারুননিসা চলবে না: হাইকোর্ট
ভিকারুননিসার অধ্যক্ষ কামরুন নাহারের পদত্যাগ দাবি

মন্তব্য

শিক্ষা
Chubby student in hospital with snake bite

বিষধর সাপের ছোবলে হাসপাতালে চবি শিক্ষার্থী

বিষধর সাপের ছোবলে হাসপাতালে চবি শিক্ষার্থী আহত মারজান হোসাইন ঝুঁকিমুক্ত বলে জানিয়েছেন চবি ভেনম রিসার্চ সেন্টারের শিক্ষানবিশ গবেষক। ছবি নিউজবাংলা
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাণিবিদ্যা বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী ও ভেনম রিসার্চ সেন্টারের শিক্ষানবিশ গবেষক রফিক ইসলাম বলেন, ‘ছেলেটিকে বিষধর সবুজ বোড়া সাপ ছোবল দিয়েছে। তবে বিষের মাত্রা কম ছিল বলে মনে হচ্ছে, তাই এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা হয়নি। রাতেই তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে নিয়ে আসা হয়েছে। ডাক্তারদের পর্যবেক্ষণে তার চিকিৎসা চলছে। বর্তমানে সে নিরাপদ।’

বিষধর সাপের ছোবলে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের (চবি) এক শিক্ষার্থী আহত হয়েছেন। তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শাহজালাল হলসংলগ্ন একটি কটেজে রোববার রাত ১১টার দিকে এই ঘটনা ঘটে।

প্রাণিবিদ্যা বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী ও ভেনম রিসার্চ সেন্টারের শিক্ষানবিশ গবেষক রফিক ইসলাম নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

আহত ওই শিক্ষার্থীর নাম মারজান হোসাইন। তিনি রাজনীতি বিজ্ঞান ১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। তাকে প্রথমে বিশ্ববিদ্যালয় মেডিক্যালে নিয়ে যাওয়া হয়। পরে সেখান থেকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।

আহতের সঙ্গে থাকা চবি প্রাণিবিদ্যা বিভাগের স্নাতকোত্তর শিক্ষার্থী ও ভেনম রিসার্চ সেন্টারের শিক্ষানবিশ গবেষক রফিক ইসলাম বলেন, ‘ছেলেটিকে বিষধর সবুজ বোড়া সাপ ছোবল দিয়েছে। তবে বিষের মাত্রা কম ছিল বলে মনে হচ্ছে, তাই এখন পর্যন্ত কোনো সমস্যা হয়নি। রাতেই তাকে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ১৬ নম্বর ওয়ার্ডে নিয়ে আসা হয়েছে। ডাক্তারদের পর্যবেক্ষণে তার চিকিৎসা চলছে। বর্তমানে সে নিরাপদ।’

এই গবেষক আরও বলেন, ‘সাপটির নাম সবুজ বোড়া, ইংরেজিতে এটিকে Green Pit Viper সাপ বলে। এটি বিষধর, এর বিষে অনেক সময় ব্লাড সেল নষ্ট হয়ে যায় এবং রক্ত চলাচলে সমস্যা হয়। তাই সাপ ছোবল দিলে শরীরে কোনো ধরনের বাঁধ দিতে নিষেধ করা হয়। মৃত্যুঝুঁকি কম থাকলেও এই সাপের কামড়ে অঙ্গহানি ও অতিরিক্ত রক্তপাত ঘটতে পারে।

‘সবুজ বোড়া সাপের নির্দিষ্ট কোনো এন্টি ভেনম নেই। এর চিকিৎসা অন্য উপায়ে (এন্টিবায়োটিক দিয়ে) করা হয়।’

আরও পড়ুন:
‘মুরগি চোর’ কোলে নিয়ে ক্ষতিপূরণ দাবিতে বনদপ্তরে কৃষক
সাপের ছোবলে প্রাণ গেল স্কুলছাত্রীর
চবিতে ১০ ফুট লম্বা অজগর
ভাইয়ের শেষকৃত্যে এসে তারও মৃত্যু সাপের ছোবলে
সাপের ছোবলে প্রাণ গেল ২ মাদ্রাসাছাত্রের

মন্তব্য

শিক্ষা
Comilla University closed due to BCL conflict

ছাত্রলীগের দ্বন্দ্বে বন্ধ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়

ছাত্রলীগের দ্বন্দ্বে বন্ধ কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় শনিবার বিকেলে অস্ত্র হাতে মুখোমুখি অবস্থান নেয় কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ। ফাইল ছবি: নিউজবাংলা
আগামী ১০ থেকে ১৭ অক্টোবরের সব পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। রোববার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ছাত্রদের এবং সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত হলগুলো বন্ধ থাকবে।

কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সব হল বন্ধ ঘোষণা ও পরীক্ষা স্থগিত করা হয়েছে।

ফেসবুকে বিশ্ববিদ্যালয় শাখা ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্তির ঘোষণাকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে উদ্ভূত পরিস্থিতিতে রোববার এক জরুরি সভায় এ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

সভা শেষে নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন রেজিস্ট্রার (ভারপ্রাপ্ত) আমিরুল হক চৌধুরী।

তিনি জানান, আগামী ১০ থেকে ১৭ অক্টোবরের সব পরীক্ষা স্থগিত থাকবে। রোববার সন্ধ্যা ৬টার মধ্যে ছাত্রদের এবং সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে ছাত্রীদের হল ত্যাগের নির্দেশ দেয়া হয়েছে। পরবর্তী নির্দেশনা না দেয়া পর্যন্ত হলগুলো বন্ধ থাকবে।

এ ছাড়া শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের নিজস্ব পরিবহন ছাড়া সব পরিবহন বন্ধ থাকবে।

শুক্রবার রাতে কুমিল্লা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের কমিটি বিলুপ্ত ঘোষণা করেন কেন্দ্রীয় নেতারা। ছাত্রলীগ সভাপতি ও সম্পাদকের সই করা এক বিজ্ঞপ্তি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।

এ নিয়ে কুবি ছাত্রলীগের সভাপতি ইলিয়াস হোসেন সবুজ তার ফেসবুক আইডিতে উল্লেখ করেন, ‘কমিটি বিলুপ্তির কোনো ঘটনা ঘটেনি। কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ সম্মেলনের মাধ্যমে নতুন কমিটি দেবে।’

শুক্রবার রাতের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে আধিপত্য বিস্তারে শনিবার বেলা ৩টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগ ও বহিরাগতরা দেশীয় অস্ত্র নিয়ে ক্যাম্পাসে মুখোমুখি অবস্থান নেন।

ভারপ্রাপ্ত প্রক্টর কাজী ওমর সিদ্দিকী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এবং ক্যাম্পাসে স্থিতিশীল পরিবেশ তৈরি করতে প্রশাসন কঠোর অবস্থানে থাকবে। উপাচার্য স্যারসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন জরুরি মিটিংয়ে আজকে সিদ্ধান্ত নিয়েছে। পাশাপাশি এ ঘটনায় একটি তদন্ত কমিটিও করা হয়েছে।’

এ বিষয়ে জানতে উপাচার্য অধ্যাপক ড. এ এফ এম আবদুল মঈনের সঙ্গে একাধিকবার যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তার বক্তব্য পাওয়া যায়নি।

আরও পড়ুন:
ক্যাম্পাসে অস্ত্র হাতে ঘুরছে ছাত্রলীগের ২ গ্রুপ

মন্তব্য

p
উপরে