× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Full Committee of the Job Branch of the Science Fiction Society
hear-news
player
google_news print-icon

সায়েন্স ফিকশন সোসাইটির জবি শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি

সায়েন্স-ফিকশন-সোসাইটির-জবি-শাখার-পূর্ণাঙ্গ-কমিটি
বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি জবি শাখার কমিটিতে পদপ্রাপ্ত কয়েকজন। ছবি: সংগৃহীত
‘আজকের কল্পনা আগামীর বিজ্ঞান’ স্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৯ সালে কার্যক্রম শুরু করে বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি, জবি শাখা। এ নিয়ে দুইবার কমিটি গঠন হলো জবি শাখার।

বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখার পূর্ণাঙ্গ কমিটি গঠন করা হয়েছে।

সংগঠনটির সভাপতি জোবায়ের হোসেন রাহাত ও সাধারণ সম্পাদক রাফিয়া রহমান স্বাক্ষরিত মঙ্গলবারের বিজ্ঞপ্তিতে বিষয়টি জানানো হয়েছে।

কমিটিতে সহসভাপতি হিসেবে রয়েছেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের হেলাল উদ্দিন এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিভাগের রায়হান রিয়াজ। যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক করা হয়েছে পরিসংখ্যান বিভাগের মেহেরাবুল ইসলাম সৌদিপ।

কমিটিতে কোষাধ্যক্ষ হিসেবে রয়েছেন মার্কেটিং বিভাগের ইব্রাহিম শেখ। বিজ্ঞান ও সাহিত্য সম্পাদক হিসেবে আছেন কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের তামিম মাহমুদ।

অন্যান্য নেতাদের মধ্যে সহ-কোষাধ্যক্ষ পদ পেয়েছেন মো. সুলাইমান। সাংগঠনিক সম্পাদক হয়েছেন মো. মনিরুল ইসলাম। এ ছাড়া পল্লব কুমার সরকার ও মৃন্ময় রায় সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক, রেজাউল করিম দপ্তর সম্পাদক এবং সৌরভ রায় সহ-দপ্তর সম্পাদক হয়েছেন।

প্রচার সম্পাদক হিসেবে রয়েছেন আবদুল্লাহ আল রাফি সাকিব। সহ-প্রচার সম্পাদক হয়েছেন সৈয়দ মো. আল আমিন ও ইলমা আফরিন কথা। শাহাদাৎ হোসেইন সংস্কৃতিবিষয়ক সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন।

দায়িত্বরত সভাপতি জোবায়ের হোসেন রাহাত বলেন, ‘জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচিন্তা বিকশিত করতেই আমরা কাজ করে যাব। অনেকেই মনে করেন, বিজ্ঞানচিন্তা কেবল বিজ্ঞান নিয়ে যারা পড়াশোনা করে, তাদেরই কাজ। এই ভুল ধারণা থেকে বের করার জন্যই বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি, জবি শাখা কাজ করবে।’

‘আজকের কল্পনা আগামীর বিজ্ঞান’ স্লোগানকে সামনে রেখে ২০১৯ সালে কার্যক্রম শুরু করে বাংলাদেশ সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি, জবি শাখা। এ নিয়ে দুইবার কমিটি গঠন হলো জবি শাখার।

সংগঠনটি বিভিন্ন কুইজ প্রতিযোগিতা থেকে শুরু করে নিয়মিত বিজ্ঞান আড্ডার আয়োজন করে আসছে।

কুইজে অংশ নিয়ে বিজয়ীদের মধ্যে তিনজনকে কলকাতা ভ্রমণের সুযোগ করে দেয় সায়েন্স ফিকশন সোসাইটি। এ ছাড়াও ভাবনায় বিজ্ঞান প্রতিযোগিতা, বৃক্ষরোপণ কর্মসূচিসহ নানাবিধি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে সংগঠনটি।

আরও পড়ুন:
জবিতে লাইব্রেরি খুলে দেয়ার দাবিতে অবস্থান
গবেষণা ভাতার ব্যাপারে আগ্রহী নয় জবি প্রশাসন
জবিতে গুচ্ছ ভর্তির 'এ' ইউনিটের পরীক্ষা শুরু, যানজটে ভোগান্তি
জবি উপাচার্যসহ পাঁচজনকে লিগ্যাল নোটিশ
জবির ভবনগুলোতে নেই নামফলক

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Riva also humans can make mistakes Tilottama

রিভাও তো মানুষ, ভুল করতেই পারে: তিলোত্তমা

রিভাও তো মানুষ, ভুল করতেই পারে: তিলোত্তমা তিলোত্তমা শিকদার
অভিযোগগুলোর বিষয়ে ছাত্রলীগের অবস্থান কী জানতে চাইলে তিলোত্তমা বলেন, ‘সে জন্যই আমরা তাদের কমিটি স্থগিত রেখেছি। অধিকতর তদন্ত করা হবে। কিন্তু এখন ইডেনে তো তদন্ত করার পরিবেশই নেই। অধিকতর তদন্ত করে আমরা সেটি জানাব।’

রাজধানীর ইডেন মহিলা কলেজে এক ছাত্রীকে হুমকি দেয়ার অডিও নিয়ে অভিযুক্ত কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভার পক্ষে সমর্থন দিয়েছেন এ ঘটনায় দায়িত্বপ্রাপ্ত নেত্রী ও কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সহসভাপতি তিলোত্তমা শিকদারের।

সম্প্রতি ঘটা ওই ঘটনা নিয়ে বৃহস্পতিবার তিনি বলেন, ‘সেই কল রেকর্ডের জন্য রিভা সবার কাছে ক্ষমা চেয়েছে এবং ওই মেয়ের কাছেও ক্ষমা চেয়েছে। রিভা তো মানুষ। সে তো আর ফেরেশতা না। মানুষ তো ভুল করতেই পারে।

‘সেই ভুক্তভোগী মেয়েও বলেছে যে রিভার সঙ্গে তার আর কোনো সমস্যা নেই। সেই ভুল বোঝাবুঝির মীমাংসা হয়ে গেছে।’

বেশ কদিন ধরেই আলোচনায় ইডেন কলেজ ছাত্রলীগ। এ নিয়ে সর্বশেষ ছাত্রলীগের কলেজ কমিটি স্থগিত এবং এক পক্ষের ১২ জন পদধারী ও চার কর্মীকে সংগঠন থেকে স্থায়ীভাবে বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কৃতরা বলছেন, তারা কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের রোষানলের শিকার। অথচ কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে অডিও ফাঁস, নগ্ন করে ভিডিও ধারণের হুমকি, চাঁদাবাজিসহ বিভিন্ন অভিযোগ থাকলেও তাদের বিরুদ্ধে কোনো ব্যবস্থা নেয়া হয়নি।

অভিযোগগুলোর বিষয়ে ছাত্রলীগের অবস্থান কী জানতে চাইলে তিলোত্তমা বলেন, ‘সে জন্যই আমরা তাদের কমিটি স্থগিত রেখেছি। অধিকতর তদন্ত করা হবে। কিন্তু এখন ইডেনে তো তদন্ত করার পরিবেশই নেই। অধিকতর তদন্ত করে আমরা সেটি জানাব।’

ইডেন কলেজের সভাপতি তামান্না জেসমিন রিভা এবং সাধারণ সম্পাদক রাজিয়া সুলতানার বিরুদ্ধে গণমাধ্যমে কথা বলায় নিজ অনুসারীদের দিয়ে কলেজ ছাত্রলীগের সহসভাপতি জান্নাতুল ফেরদৌসকে মারধরের অভিযোগ ওঠার পর গত শনিবার মধ্যরাত থেকে কলেজে বিশৃঙ্খলার সূত্রপাত।

এর মাঝে ছড়িয়ে পড়ে রিভার হুমকি দেয়ার অডিও। ওই অডিওকে কেন্দ্র করেই দুই ছাত্রীকে ৭ ঘণ্টা আটকে রেখে নির্যাতন এবং নগ্ন করে ভিডিও ধারণ করে ভাইরাল করার হুমকির অভিযোগও ওঠে ছাত্রলীগের এই নেত্রীর বিরুদ্ধে।

পরে ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে দুই সদস্যবিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়। এক পর্যায়ে কলেজ ছাত্রলীগ সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের ওপর হামলা হলে জটিল পরিস্থিতি ধারণ করে। এরপর কমিটি স্থগিত করে ১৬ জনকে বহিষ্কার করা হয়।

তিলোত্তমা বলেন, ‘সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকের শান্তিপূর্ণ প্রেস কনফারেন্সে তারা অতর্কিত হামলা করেছে। এটি চারটি চ্যানেলে লাইভ প্রচারিত হয়েছে। এরপর আমরা ছাত্রলীগের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক, উপদপ্তর সম্পাদক সবার উপস্থিতিতে ভিডিও দেখে অপরাধীদের শনাক্ত করে হল প্রশাসনের সঙ্গে কথা বলে তাদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিয়েছি এবং কমিটি স্থগিত রেখেছি অধিকতর তদন্ত করার জন্য।’

অডিওর ব্যাপারটি মীমাংসা হয়ে গেছে বলে জানান তিনি।

তিলোত্তমা বলেন, ‘সংবাদ সম্মেলনে চারটা চ্যানেলের লাইভে সভাপতি সাধারণ সম্পাদককে চেয়ার দিয়ে মারা, লাঞ্ছিত করা, চুল টেনে শুইয়ে ফেলা এবং পাড়া দেওয়া এবং তাদের সঙ্গে যেসব সহসভাপতি এবং সাংগঠনিক সম্পাদক ছিল তাদের লাঞ্ছিত করা এবং মাননীয় নেত্রীর ছবিযুক্ত ব্যানার ছিঁড়ে ফেলা এবং সেগুলো পাড়া দেওয়া এগুলো আমাদের দলীয় ক্ষেত্রে অনেক বড় অপরাধ।

‘আর এই অপরাধের কারণে দল থেকে আমরা তাদের বহিষ্কার করেছি। ছাত্রলীগকে যারা বিতর্কিত করতে চায় তাদের ছাত্রলীগে থাকার কোনো দরকার নেই।’

‘কারণ দর্শানোর নোটিশ না দিয়ে, আমাদের কথা না শুনে কেন বহিষ্কার করা হয়েছে’ বহিষ্কৃতদের এমন প্রশ্নের বিষয়ে জানতে চাইলে তিলোত্তমা বলেন, ‘তারা কি আমাদের সঙ্গে কথা বলতে চেয়েছে নাকি তাদের কোনো দিন ডেকে পাওয়া গেছে! তাদের সঙ্গে কথা বলার জন্য আমরা এই ঘটনার আগে দুইদিন ৬ ঘণ্টা করে ইডেনে গিয়ে বসে ছিলাম। তারা আমাদের সঙ্গে কোনো কথা বলেনি, কোনো কো-অপারেটিভ আচরণ করেনি এবং কোনো অভিযোগ জানাতেও আমাদের কাছে আসেনি।’

ইডেনের ঘটনায় ছাত্রলীগের গঠিত তদন্ত কমিটির অন্য সদস্য ছিলেন ইডেন কলেজ ছাত্রলীগের দায়িত্বপ্রাপ্ত নেত্রী কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক বেনজীর হোসেন নিশি। পরে অবশ্য কমিটি নিয়ে কলেজ ছাত্রলীগের একাংশ আপত্তি জানালে তিনি কমিটি থেকে সরে আসেন।

কারণ দর্শানোর নোটিশ না দিয়ে স্থায়ী বহিষ্কার কেন জানতে চাইলে নিশি বলেন, ‘সেই ঘটনার তদন্ত করে আমরা কিছু তথ্য উপাত্ত ছাত্রলীগ সভাপতি সাধারণ সম্পাদকের কাছে দিয়েছি। আর উনাদের কাছেও হয়ত কিছু তথ্য ছিল। এসব তথ্য এবং অভিযোগগুলো যদি প্রমাণিত সত্য হয় তাহলে সভাপতি সাধারণ সম্পাদক শোকজ না করে তাদের স্থায়ী বহিষ্কার করতে পারে।’

বেনজির হোসেন নিশি রোকেয়া হল শাখা ছাত্রলীগের সাবেক যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক ফাল্গুনি দাস তন্বীকে মারধরের ঘটনায় হওয়া মামলার আসামি। সেই মামলা তদন্ত করে পিবিআই। তদন্ত প্রতিবেদনের ওপর ভিত্তি করে আদালত এ ছাত্রলীগ নেত্রীসহ তার পাঁচ সহযোগীর বিরুদ্ধে গ্রেপ্তারি পরোয়ানা জারি করে। পরে তারা আদালতে হাজির হয়ে জামিন প্রার্থনা করলে তা মঞ্জুর হয়। তবে সেই মামলা এখনো চলমান থাকলেও ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে নিশির বিরুদ্ধে এখনও কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।

সেই ঘটনা স্মরণ করিয়ে দিলে নিশি বলেন, ‘এটি বিচ্ছিন্ন ঘটনা। আমার ছোট বোনের সঙ্গে আমার গ্যাঞ্জাম হতে পারে। এটা আমাদের সংগঠনের ব্যাপার। সেই ঘটনাটি সভাপতি সাধারণ সম্পাদক তদন্ত করেছে। যেহেতু আমরা দুজনই একই সংগঠনের এবং দুইজনেরই যেহেতু একে অপরের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ ছিল সেজন্যই হয়তো কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগ কোনো ব্যবস্থা নেয়নি।’

আরও পড়ুন:
ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের নামে হত্যাচেষ্টার মামলা
ইডেন কলেজ বন্ধের খবরটি গুজব
ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের ‘আমরণ অনশন’ টিকল ১ ঘণ্টা

মন্তব্য

শিক্ষা
Chhatra League gave bicycles to 76 students on the occasion of Sheikh Hasinas birthday

শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিল ছাত্রলীগ

শেখ হাসিনার জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ ছাত্রীকে বাইসাইকেল দিল ছাত্রলীগ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে বৃহস্পতিবার ৭৬ ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার দিয়েছে ছাত্রলীগ। ছবি: নিউজবাংলা
প্রথমেই ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল উপহারের জন্য আবেদন ফর্ম বিতরণ করা হয় এবং পরে চূড়ান্তভাবে ৭৬ জন ছাত্রীকে ক্রমিক নম্বর সংবলিত টোকেন দেয়া হয়। এসব ছাত্রী প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ‘জন্মদিনের শুভেচ্ছা চিঠি’ লিখেন। তাদের মধ্য থেকে সেরা ১০ জনকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা বই উপহার দেয়া হয়।

প্রধানমন্ত্রী ও আওয়ামী লীগ সভাপতি শেখ হাসিনার ৭৬তম জন্মদিন উপলক্ষে ৭৬ ছাত্রীকে বাইসাইকেল উপহার দিয়েছে ছাত্রলীগ।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পাঁচটি ছাত্রী হল, ইডেন কলেজ, বেগম বদরুন্নেসা সরকারি মহিলা কলেজ এবং গভর্নমেন্ট কলেজ অফ অ্যাপ্লাইড হিউম্যান সায়েন্স কলেজের ছাত্রীদের শিক্ষা অনুষঙ্গ হিসেবে এই উপহার দেয়া হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিতে বৃহস্পতিবার এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।

ছাত্রলীগ সভাপতি আল-নাহিয়ান খান জয়ের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি আওয়ামী লীগের শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক সিদ্দিকুর রহমান। প্রধান আলোচক ছিলেন ত্রাণ ও সমাজকল্যাণ সম্পাদক সুজিত রায় নন্দী এবং বিশেষ অতিথি ছিলেন বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিব মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের অধ্যাপক ডা. নুজহাত চৌধুরী।

ছাত্রলীগ নেতাদের মধ্যে ছিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক সাদ্দাম হোসাইন, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের নেতৃবৃন্দ ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন হল ছাত্রলীগের নেতৃবৃন্দ।

কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানে ছিলেন ছাত্রলীগের ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ইমরান জমাদ্দার, উপ-ত্রাণ ও দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা সম্পাদক ফারুক আহম্মেদ এবং আনোয়ার হোসেন।

অনুষ্ঠানটি সফল করতে প্রথমেই ছাত্রীদের মাঝে বাইসাইকেল উপহারের জন্য আবেদন ফর্ম বিতরণ করা হয় এবং পরে চূড়ান্তভাবে ৭৬ জন ছাত্রীকে ক্রমিক নম্বর সংবলিত টোকেন দেয়া হয়।

এসব ছাত্রী প্রধানমন্ত্রীর জন্মদিন উপলক্ষে ‘জন্মদিনের শুভেচ্ছা চিঠি’ লিখেন। তাদের মধ্য থেকে সেরা ১০ জনকে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার লেখা বই উপহার দেয়া হয়।

উপহার প্রদান অনুষ্ঠানে অতিথিরা ‘দুর্যোগ দুর্বিপাকে, সংকট সংশয়ে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ’ শীর্ষক ম্যাগাজিনের মোড়ক উন্মোচন করেন।

আরও পড়ুন:
ছাত্রলীগের হামলায় আহত ছাত্রদলের ৬ নেতাকর্মী ঢাকা মেডিক্যালে
ইডেন কলেজ বন্ধের খবরটি গুজব
চবিতে সাংবাদিককে ‘মারধর’ ছাত্রলীগের
ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের ‘আমরণ অনশন’ টিকল ১ ঘণ্টা
‘ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদক কেন বহিষ্কার হলেন না?’

মন্তব্য

শিক্ষা
Seminar on Data Science at CUB

সিইউবিতে ডেটা সায়েন্স নিয়ে সেমিনার

সিইউবিতে ডেটা সায়েন্স নিয়ে সেমিনার ডেটা সায়েন্স নিয়ে সিইউবি আয়োজিত সেমিনারে উপস্থিত অতিথি ও অংশগ্রহণকারীরা। ছবি: নিউজবাংলা
সেমিনারে জাপানের রেকুটেনে কর্মরত ডেটা সায়েন্টিস্ট নিজাম উদ্দিন বলেন, ‘ডেটা সায়েন্স, ডেটা অ্যানালিটিকস, মেশিন লার্নিংয়ের মতো বিষয়ের চর্চা প্রযুক্তি শিল্পে অনেক বড় পরিবর্তন নিয়ে আসবে। প্রতিদিন ইন্টারনেটে যে পরিমাণ ডেটা উৎপন্ন হয়, সেটা বিশ্লেষণে ইতোমধ্যে বিশাল চাকরির বাজার উন্মুক্ত হয়েছে, এমনকি ফ্রিল্যান্সিংয়েও ডেটা সায়েন্সের কাজের চাহিদা শীর্ষে।’

আধুনিক যুগে সব প্রতিষ্ঠান তথ্য গভীরভাবে বিশ্লেষণ করে প্রয়োজনীয় ইনসাইট দেখতে চায়, যা ভবিষ্যতে গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে কাজে আসে। বিশ্বের অনেক দেশে ডেটা সায়েন্স ও ডেটা বিশেষজ্ঞদের গুরুত্ব তুঙ্গে। বাংলাদেশেও ডেটা বিশেষজ্ঞের চাহিদা বাড়ছে।

এমন বাস্তবতা মাথায় রেখে কানাডিয়ান ইউনিভার্সিটি অফ বাংলাদেশে (সিইউবি) তরুণ নেতৃত্বের জন্য ডেটা সায়েন্সবিষয়ক সেমিনার হয়েছে।

বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ ও ইংলিশ অলিম্পিয়াডের যৌথ আয়োজনে এ সেমিনার হয়।

মূল বক্তা হিসেবে সেমিনার পরিচালনা করেন জাপানের রেকুটেনে কর্মরত ডেটা সায়েন্টিস্ট নিজাম উদ্দিন।

তিনি বলেন, ‘ডেটা সায়েন্স, ডেটা অ্যানালিটিকস, মেশিন লার্নিংয়ের মতো বিষয়ের চর্চা প্রযুক্তি শিল্পে অনেক বড় পরিবর্তন নিয়ে আসবে। প্রতিদিন ইন্টারনেটে যে পরিমাণ ডেটা উৎপন্ন হয়, সেটা বিশ্লেষণে ইতোমধ্যে বিশাল চাকরির বাজার উন্মুক্ত হয়েছে, এমনকি ফ্রিল্যান্সিংয়েও ডেটা সায়েন্সের কাজের চাহিদা শীর্ষে।’

সেমিনার শেষে ধন্যবাদ জানান সিইউবির উপাচার্য অধ্যাপক ড. এইচ এম জহিরুল হক। এতে অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন সিইউবির স্টুডেন্ট অ্যাফেয়ার্স ডিরেক্টর মঞ্জুরুল হক খান, স্কুল অফ বিজনেসের প্রধান অধ্যাপক এস এম আরিফুজ্জামান, ইংলিশ অলিম্পিয়াডের প্রতিষ্ঠাতা সংগঠক আমান উল্লাহ, বিশ্ববিদ্যালয় ভর্তি ও বিপণনের উপপরিচালক আতিকুর রহমানসহ জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তারা।

উপাচার্য জহিরুল হক সেমিনারে প্রধান অতিথির হাতে ক্রেস্ট তুলে দেন।

আরও পড়ুন:
সিইউবিতে হয়ে গেল ‘এক্সিলারেট ইউর ক্যারিয়ার’
সিইউবিতে ‘মিট দ্য সিইও ক্যারিয়ার কাউন্সেলিং প্রোগ্রাম’
সিইউবির স্মার্ট ক্যাম্পাসের কাজ পুরোদমে চলছে: নাফিজ সরাফাত
সিইউবির সেমিনারে শিক্ষাজীবনেই চাকরির দক্ষতা গড়ার পরামর্শ
সমুদ্রসম্পদ ব্যবহারে মেরিটাইম এডুকেশনের বিকল্প নেই

মন্তব্য

শিক্ষা
Shabir expelled 7 students for sexual harassment

যৌন হয়রানির অভিযোগে শাবির ৭ ছাত্রকে বহিষ্কার

যৌন হয়রানির অভিযোগে শাবির ৭ ছাত্রকে বহিষ্কার
উপাচার্য বলেন, ‘তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্যাম্পাসে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে আমরা বদ্ধপরিকর।’

যৌন হয়রানির অভিযোগে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের (শাবি) ৭ শিক্ষার্থীকে বহিষ্কার করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের ২২৬তম সিন্ডিকেট সভায় বুধবার বিকেলে এই সিদ্ধান্ত হয়।

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য মো. ফরিদ উদ্দিন এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। তিনি জানান, হয়রানির তিনটি অভিযোগে বিভিন্ন মেয়াদে ওই শিক্ষার্থীদের বহিষ্কার করা হয়েছে।

এর মধ্যে বন ও পরিবেশ বিজ্ঞান বিভাগের আরিফুল ইসলাম ও মো. জায়েদ ইকবাল তানিমকে দুই বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

আর একই ডিপার্টমেন্টের ইমাম হোসেন ইমরান, মো. রিফাত হোসেন, মো. বিশাল আলী, লোকপ্রশাসন বিভাগের সুমন দাস ও মেকানিক্যাল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের সৈয়দ মুস্তাকিম সাকিবকে এক বছরের জন্য বহিষ্কার করা হয়েছে।

বহিষ্কারাদেশে বলা হয়েছে, এই সময়ের মধ্যে তাদের আবাসিক হলের সিট বাতিল থাকবে। তাদের জন্য ক্যাম্পাসে প্রবেশ নিষিদ্ধ থাকবে। কমিটির সিদ্ধান্ত বৃহস্পতিবার থেকে কার্যকর হবে।

উপাচার্য বলেন, ‘তদন্ত কমিটির সুপারিশের ভিত্তিতে সিন্ডিকেট এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ক্যাম্পাসে যৌন হয়রানি প্রতিরোধে আমরা বদ্ধপরিকর।’

আরও পড়ুন:
স্কুলে পানি খেয়ে ৬০ শিক্ষার্থী হাসপাতালে
কলেজছাত্রীকে ‘যৌন হয়রানি’: অভিযোগ তদন্তে কমিটি
শাবির উপাচার্যবিরোধী আন্দোলনের দাবিগুলোর কী হলো?
যৌন হয়রানির অভিযোগে শিক্ষক আটক
কেপিআই-২৯ ব্যাচের পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত

মন্তব্য

শিক্ষা
DU campus made terror sanctuary Sada Dal

ঢাবি ক্যাম্পাসকে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য করা হয়েছে: সাদা দল

ঢাবি ক্যাম্পাসকে সন্ত্রাসের অভয়ারণ্য করা হয়েছে: সাদা দল ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের পেটাচ্ছেন এফ রহমান হলের ছাত্রলীগের সভাপতিসহ (লাল টি-শার্ট পরা) অন্যরা । ছবি: নিউজবাংলা
বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রলীগের এই হামলাকে সন্ত্রাসী আক্রমণ আখ্যা দিয়ে হামলায় আহত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ এবং হামলার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি দাবি জানানো হয়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করতে গেলে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর ছাত্রলীগের অতর্কিত হামলাকে নির্মম, ন্যাক্কারজনক ও বর্বরোচিত আখ্যা দিয়ে হামলার নিন্দা জানিয়েছে বিএনপি-জামায়াতপন্থী শিক্ষকদের সংগঠন সাদা দল।

সাদা দল বলেছে, বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের নির্বিকার ভূমিকার সুযোগে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসকে সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অভয়ারণ্যে পরিণত করা হয়েছে। কিন্তু এ অবস্থা কোনোভাবেই কাম্য নয়। দ্রুত এর অবসান হওয়া প্রয়োজন।

বুধবার দুপুরে সাদা দলের আহ্বায়ক অধ্যাপক মো. লুৎফুর রহমান স্বাক্ষরিত গণমাধ্যমে পাঠানো এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে ছাত্রলীগের এই হামলাকে সন্ত্রাসী আক্রমণ আখ্যা দিয়ে হামলায় আহত ছাত্রদল নেতাকর্মীদের সুচিকিৎসার ব্যবস্থা গ্রহণ এবং হামলার ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে দ্রুত তাদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেয়ার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর প্রতি দাবি জানানো হয়।

বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ব্যর্থতার কারণেই ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা রক্তাক্ত হয়েছেন দাবি করে বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, ‘ছাত্রদলের নবগঠিত কমিটির নেতৃবৃন্দ যেহেতু মাননীয় উপাচার্যের কাছ থেকে সময় নিয়ে তার সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতের জন্য আসছিলেন সেহেতু তাদের নিরাপদে সাক্ষাতের বিষয়টি নিশ্চিত করা বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের দায়িত্ব ছিল।’

আমরা মনে করি বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন, বিশেষ করে প্রক্টরিয়াল বডি তা করতে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে। তাদের এ ব্যর্থতার কারণে ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা ছাত্রলীগের দুষ্কৃতিকারীদের হামলার শিকার হয়ে রক্তাক্ত ও আহত হয়েছেন।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, মুক্তবুদ্ধি ও স্বাধীন চিন্তা চর্চা ও লালনের প্রধান কেন্দ্র ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। এখানে ক্রিয়াশীল ছাত্র সংগঠনগুলো নির্বিঘ্নে তাদের কর্মসূচি পালন করবে এটিই প্রত্যাশিত।

‘কিন্তু আমরা উদ্বেগের সাথে লক্ষ্য করছি, গত এক যুগেরও বেশি সময় ধরে ক্যাম্পাসকে সরকার সমর্থক ছাত্র সংগঠনের একক আধিপত্যের লালনভূমিতে পরিণত করা হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ে সহাবস্থানের ঐতিহ্যকে ভূলুণ্ঠিত করা হয়েছে।’

বিজ্ঞপ্তিতে আরও বলা হয়, ‘ক্যাম্পাসে সকল দল-মতের সহাবস্থান এবং মুক্তবুদ্ধি চর্চার উপযুক্ত গণতান্ত্রিক পরিবেশ নিশ্চিতকরণে সংশ্লিষ্ট সকলকে সোচ্চার হওয়ার জন্য আমরা আহ্বান জানাচ্ছি।’

আরও পড়ুন:
ইডেন ছাত্রলীগ সভাপতি-সম্পাদকের নামে হত্যাচেষ্টার মামলা
চবিতে সাংবাদিককে ‘মারধর’ ছাত্রলীগের, তদন্তে কমিটি
ছাত্রদলের দুই গ্রুপ জয়বাংলা বলে হামলায় জড়িয়েছে: ছাত্রলীগ
ছাত্রলীগের হামলায় আহত ছাত্রদলের ৬ নেতাকর্মী ঢাকা মেডিক্যালে
ঢাবিতে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

মন্তব্য

শিক্ষা
Committee to investigate Chhatra League beating journalist in Chabi

চবিতে সাংবাদিককে ‘মারধর’ ছাত্রলীগের, তদন্তে কমিটি

চবিতে সাংবাদিককে ‘মারধর’ ছাত্রলীগের, তদন্তে কমিটি অভিযুক্ত আরশিল আজিম নিলয়, শোয়েব আতিক। ছবি: সংগৃহীত
বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার বলেন, ‘দ্রুত সময়ের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের এক শিক্ষার্থীকে মারধরের অভিযোগ তদন্তে তিন সদস্যের কমিটি গঠন করেছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

‘ভুক্তভোগী’ রেদওয়ান আহমদ বিশ্ববিদ্যালয়ের আরবি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র এবং অনলাইন নিউজ পোর্টাল ঢাকা মেইল ও দৈনিক নয়া শতাব্দীর বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিনিধি।

তার দাবি, বিজয় গ্রুপের এক কর্মীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে না যাওয়ায় তাকে রুমে গিয়ে মারধর করেছেন অভিযুক্তরা। এ ঘটনায় পরে প্রক্টর বরাবর লিখিত অভিযোগ দিন তিনি। এই অভিযোগের প্রেক্ষিতে তদন্ত কমিটি গঠন কিরা হলো।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার অধ্যাপক এস এম মনিরুল হাসান নিউজবাংলাকে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

কমিটিতে আহ্বায়ক হিসেবে আছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের অধ্যাপক ড. ইকবাল আহমেদ। সদস্য হিসেবে রাখা হয়েছে সহকারী প্রক্টর অরূপ বড়ুয়া ও সদস্য সচিব হিসেবে রাখা হয়েছে সহকারী প্রক্টর মুহাম্মদ ইয়াকুবকে।

রেজিস্ট্রারের সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে গঠিত তিন সদস্যের কমিটিকে এ ঘটনায় দায়ী ব্যক্তিদের চিহ্নিতকরণসহ বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের নিকট বিস্তারিত প্রতিবেদন প্রদানের জন্য বলা হয়।

অধ্যাপক মনিরুল হাসান নিউজবাংলকে বলেন, ‘দ্রুত সময়ের মধ্যে কমিটিকে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হয়েছে। প্রতিবেদনের ভিত্তিতে দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেয়া হবে।’

যাদের বিরুদ্ধে মারধরের অভিযোগ, লোকপ্রশাসন বিভাগের ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষের আরশিল আজিম নিলয়, নৃবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের শোয়েব আতিক। তারা দুজনই শাখা ছাত্রলীগের উপগ্রুপ বিজয়ের কর্মী হিসেবে ক্যাম্পাসে পরিচিত।

ভুক্তভোগীর অভিযোগ

শাখা ছাত্রলীগের বিজয় গ্রুপের এক কর্মীর জন্মদিনের অনুষ্ঠানে না যাওয়ায় তাকে রুমে এসে মারধর করেছেন অভিযুক্তরা।

রেদওয়ান আহমদ বলেন, ‘সোমবার বিজয় গ্রুপের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের এক কর্মীর জন্মদিন ছিল। এ জন্য ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের ১০ থেকে ১৫ জন আমার রুমে এসে জিজ্ঞাসা করে আমি জন্মদিনের প্রোগ্রামে যাইনি কেন। আমি জানাই যে, আমি এই রুমে পলিটিক্যাল কর্মী হিসেবে থাকি না। বিজয় গ্রুপের নেতা আল-আমিন ভাইয়ের সঙ্গে কথা বলে আমি এই রুমে উঠি, তবে পলিটিক্যাল কর্মী হিসেবে না। আমি মোবাইলে আল-আমিন ভাইয়ের সঙ্গে শোয়েব আতিকের কথা বলিয়ে দিই।

‘এর ১০ থেকে ১৫ মিনিট পরে আরশিল আজিম নিলয়, শোয়েব আতিক তারা আবার রুমে আসে এবং জন্মদিনে না যাওয়ার কারণ জিজ্ঞাসা করে। আরশিল আজিম নিলয় বলে, পলিটিক্স না করে কীভাবে হলে থাকি। একপর্যায়ে মারধরের হুমকি দেয়। আমি প্রতিবাদ করলে নিলয় তার জুনিয়রকে আমাকে মারধর করার নির্দেশ দেয়। পরে শোয়েব আতিক আমাকে নাকে-মুখে কিল-ঘুষি মারা শুরু করে। একপর্যায়ে আল-আমিন ভাইকে ফোন দিলে এর মধ্যেও আবার কিল-ঘুষি দেয়া শুরু করে। পরে আমি চবি সাংবাদিক সমিতিকে জানালে তারা ও প্রক্টরিয়াল টিম এসে আমাকে উদ্ধার করে।’

অভিযোগকারীর ভাষ্য, ‘মারধরের সময় তারা বলে, পলিটিক্স না করলে এই রুমে থাকতে পারবি না। রুমে থাকলে আবার মারধর করা হবে বলেও হুমকি দেয় তারা। আমি এই ঘটনায় প্রক্টর বরাবর রাতেই লিখিত অভিযোগ দিয়েছি।’

আরও পড়ুন:
ছাত্রদলের দুই গ্রুপ জয়বাংলা বলে হামলায় জড়িয়েছে: ছাত্রলীগ
ছাত্রলীগের হামলায় আহত ছাত্রদলের ৬ নেতাকর্মী ঢাকা মেডিক্যালে
ইডেন কলেজ বন্ধের খবরটি গুজব
চবিতে সাংবাদিককে ‘মারধর’ ছাত্রলীগের
ইডেন ছাত্রলীগের বহিষ্কৃতদের ‘আমরণ অনশন’ টিকল ১ ঘণ্টা

মন্তব্য

শিক্ষা
Chhatra League attack on Chhatra Dal in DU

ঢাবিতে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা

ঢাবিতে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের পেটাচ্ছেন এফ রহমান হলের ছাত্রলীগের সভাপতিসহ (লাল টিশার্ট পরা) অন্যরা । ছবি: নিউজবাংলা
হামলায় স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মুনেম শাহরিয়ার মুনকে নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের উপর অতর্কিত হামলা করেছে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা। হামলায় ছাত্রদলের তিনজন আহত হয়েছেন।

মঙ্গলবার বিকেলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের স্যার এ এফ রহমান হলের সামনে এই হামলার ঘটনা ঘঠেছে।

হামলায় স্যার এ এফ রহমান হল ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম, সাধারণ সম্পাদক মুনেম শাহরিয়ার মুনকে নেতৃত্ব দিতে দেখা গেছে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রদলের নতুন কমিটি হওয়ার পর পূর্ব ঘোষিত কর্মসূচি অনুযায়ী উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামানের সঙ্গে দেখা করতে যাচ্ছিলেন ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা। উপাচার্য তাদের বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে দেখা করার সময় দিয়েছিলেন।

ঢাবিতে ছাত্রদলের ওপর ছাত্রলীগের হামলা
ঢাবিতে ছাত্রদলের নেতাকর্মীদের ওপর হামলায় আহতরা। ছবি: নিউজবাংলা

সরেজমিনে দেখা যায়, ৪টা ২০ মিনিটে ছাত্রদলের ২০-২৫ জন নেতাকর্মী নীলক্ষেতের মুক্তি ও গণতন্ত্র তোরণের সামনে দিয়ে ক্যাম্পাসে প্রবেশ করে। তারা স্যার এ এফ রহমান হলের সামনে আসলেই ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা হল থেকে লাঠিসোটা নিয়ে ‘ধর ধর’ বলে তাদের দিকে তেড়ে যান।

এ সময় ছাত্রদলের নেতাকর্মীরা নীলক্ষেত পুলিশ ফাঁড়ির সামনে দাঁড়িয়ে যান। পরে রিয়াজ এবং মুনের নেতৃত্বে ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা তাদের উপর অতর্কিত হামলা করে।

এতে ছাত্রদলের তিনজন নেতাকে গুরুতর আহত হয়ে তাদের শরীর থেকে রক্ত পড়তে দেখা যায়।

ছাত্রদলের ঢাবি সভাপতি খোরশেদ আলম সোহেল দাবি করেন, ছাত্রলীগের হামলায় তাদের ১৫-২০ জনের বেশি নেতাকর্মী আহত হয়েছেন। তাদের ইসলামী ব্যাংক হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

হামলার পর স্যার এ এফ রহমান হল এবং বিজয় একাত্তর হল ছাত্রলীগের নেতাকর্মীরা নীলক্ষেত মোড়ে অবস্থান নেয়। সে সময় তারা ‘ছাত্রদলের চামড়া, তুলে নেব আমরা’, ‘ছাত্রদলের আস্তানা, এই ক্যাম্পাসে হবে না’, ‘হৈ হৈ রই রই, ছাত্রদল গেলি কই’ স্লোগান দিতে থাকে।

হামলায় এফ রহমান হলের সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ছাড়াও ছাত্রলীগের কর্মী আলী হাসান রিফাত, মেহেদি হাসান, মহিবুল্লাহ লিয়ন, সামি, হৃদয়, তানভীর হাসান শান্ত, আসিফ, মোমিন, শওকত, মেহেদি হাসান শান্ত, আলভী অংশ নেয়।

হামলার কারণ সম্পর্কে জানতে চাইলে এফ রহমান হল ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক মুনেম শাহরিয়ার মুন বলেন, ‘আজকে আমাদের উপাচার্যকে স্মারকলিপি দেয়ার কর্মসূচি ছিল। স্মারকলিপি দিয়ে আমরা সেখান থেকে হলের দিকে আসছিলাম। এ সময় অন্যপাশে থাকা আমাদের এক কর্মীকে তারা ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এ কারণে তাদের সাথে আমাদের কয়েকজন কর্মীর ঝামেলা হয়েছে।’

আপনাদেরই শুরুতে মারতে দেখা গেছে জানালে তিনি বলেন, ‘যখন আমাদের কর্মীর উপর হামলা হয়েছে, তখন বাকিরা তাদের উপর হামলা করেছে। এখানে একপাক্ষিক হামলা হয়নি। দুই পক্ষ থেকেই হামলা হয়েছে।’

এ এফ রহমান হল ছাত্রলীগের সভাপতি রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ছাত্রদলের অন্যায়কে প্রশ্রয় দিব না। সাধারণ শিক্ষার্থীদের নিয়ে তাদের আমরা প্রতিহত করব। তারা আমাদের এক কর্মীকে আহত করার পর আমরা তাদের প্রতিহত করতে গেছি।’

আহত কর্মীর নাম জানতে চাইলে রিয়াজুল ইসলাম বলেন, ‘কর্মীর নাম কেমনে বলতে পারব? তার নাম জানা নেই।’

আরও পড়ুন:
‘পচা মাংস’ দেয়ায় ঢাবি হলের দোকানে ভাঙচুর, মারধর
ছাত্রলীগ নেত্রীদের ‘ক্রেডিট নেয়ার’ স্মারকলিপি
ঢাবির হলে ‘ম্যানার’ ভাঙায় ৩ শিক্ষার্থীকে পিটুনি
অনুমতি না নিয়ে দূতাবাসে চাকরি: ঢাবি শিক্ষক বরখাস্ত
থিসিস জালিয়াতিতে ঢাবি শিক্ষকের পদাবনতি, বাতিল ডিগ্রিও

মন্তব্য

p
উপরে