× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Batch result re verification application from 20th August
hear-news
player
print-icon

গুচ্ছের ফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন ২০ আগস্ট থেকে

গুচ্ছের-ফল-পুনর্নিরীক্ষণের-আবেদন-২০-আগস্ট-থেকে
পরীক্ষায় বসেছেন শিক্ষার্থীরা। ফাইল ছবি
উপাচার্য ড. ইমদাদুল হক বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যদি মনে করে তাদের ফলাফলে অসংগতি রয়েছে, সে ক্ষেত্রে তারা ফল চ্যালেঞ্জের সুযোগ পাবে। তবে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শেষ হলে অর্থাৎ আগামী ২০ আগস্ট বাণিজ্য অনুষদের পরীক্ষা শেষে ফল চ্যালেঞ্জের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে প্রতি শিক্ষার্থীকে দুই হাজার টাকা ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে।’

গুচ্ছভুক্ত ২২ বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০২১-২২ শিক্ষাবর্ষের ভর্তি পরীক্ষার ফলাফল পুনর্নিরীক্ষণের আবেদন করা যাবে আগামী ২০ আগস্ট থেকে।

ওইদিন বাণিজ্য অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষা শেষে এই কার্যক্রম শুরু হবে। পরীক্ষার্থীদের এ জন্য ফি দিতে হবে দুই হাজার টাকা।

গুচ্ছ ভর্তি কমিটির যুগ্ম আহ্বায়ক ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক শুক্রবার নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন।

উপাচার্য ড. ইমদাদুল হক বলেন, ‘শিক্ষার্থীরা যদি মনে করে তাদের ফলাফলে অসংগতি রয়েছে, সে ক্ষেত্রে তারা ফল চ্যালেঞ্জের সুযোগ পাবে। তবে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শেষ হলে অর্থাৎ আগামী ২০ আগস্ট বাণিজ্য অনুষদের পরীক্ষা শেষে ফল চ্যালেঞ্জের সময়সীমা নির্ধারণ করে দেয়া হবে। এ ক্ষেত্রে প্রতি শিক্ষার্থীকে দুই হাজার টাকা ফি দিয়ে আবেদন করতে হবে।’

তিনি বলেন, ‘চ্যালেঞ্জ করার পর কোনো শিক্ষার্থীর ফল পরিবর্তন হলে সে আবেদন ফি অর্থাৎ দুই হাজার টাকা ফেরত পাবে। আর পরিবর্তন না হলে সব একই থাকবে। শিক্ষার্থীদের সার্বিক সুবিধা বিবেচনায় এই সুযোগ দেয়া হবে।’

আগামী ১৩ আগস্ট মানবিক অনুষদভুক্ত ‘বি’ ইউনিট এবং ২০ আগস্ট বাণিজ্য অনুষদভুক্ত ‘সি’ ইউনিটের পরীক্ষার মধ্য দিয়ে দ্বিতীয়বারের মতো আয়োজিত গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা শেষ হবে।

আরও পড়ুন:
জবিতে গুচ্ছ ভর্তির 'এ' ইউনিটের পরীক্ষা শুরু, যানজটে ভোগান্তি
জবি উপাচার্যসহ পাঁচজনকে লিগ্যাল নোটিশ

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Why did the teacher give equal marks to everyone?

কেন সবাইকে সমান নম্বর দিলেন শিক্ষক

কেন সবাইকে সমান নম্বর দিলেন শিক্ষক জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়। ফাইল ছবি
নাম প্রকাশ না করার শর্তে বিভাগের এক শিক্ষার্থী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সবাইকে প্রেজেন্টেশনে ১০ নম্বর দেয়া হয়েছে। ক্লাসে উপস্থিত না থেকেও অনেক শিক্ষার্থী পূর্ণ ১০ নম্বর পেয়েছে। এ ফলাফলের কারণে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাসে আসতে নিরুৎসাহিত হবেন।’

ময়মনসিংহের ত্রিশালে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় অনুষদের মার্কেটিং বিভাগের এক ব্যাচের সব শিক্ষার্থীকে সমান নম্বর দিয়েছেন এক শিক্ষক। ঘটনাটি জানাজানি হওয়ার পর সমালোচনার সৃষ্টি হয়েছে।

এ ঘটনায় হিল্লোল ফৌজদার নামের বিভাগীয় ওই শিক্ষককে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার ড. সাইফুল কবীর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘‘ব্যবস্থাপনা বিভাগের শিক্ষক হিল্লোল মার্কেটিং বিভাগের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ‘ইন্ট্রোডাকশন টু বিজনেস’ কোর্সটির কোর্স শিক্ষক ছিলেন। এই কোর্সের ইন্টারনাল সর্বমোট ৪০ নম্বরের মধ্যে ২৭ জন শিক্ষার্থী ছিলেন। গত ২২ জুলাই সব শিক্ষার্থীকে সমান ৩৭ নম্বর করে দিয়েছেন তিনি। তাকে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে।’’

নাম প্রকাশ না করার শর্তে একই বিভাগের এক শিক্ষার্থী নিউজবাংলাকে বলেন, ‘সবাইকে প্রেজেন্টেশনে ১০ নম্বর দেয়া হয়েছে। ক্লাসে নিয়মিত উপস্থিত না থাকলেও উপস্থিতিতে সবাইকে পূর্ণ ১০ নম্বর করে দেয়া হয়েছে।

‘এ ছাড়া দুটি মিড টার্ম মিলিয়ে সবাইকে ২০ নম্বরের মধ্যে ১৭ নম্বর করে দিয়েছেন আমাদের কোর্স শিক্ষক।’

এভাবে নম্বর দেয়া ঠিক হয়নি বলে মনে করেন এই শিক্ষার্থী। তিনি বলেন, ‘ক্লাসে উপস্থিত না থেকেও অনেক শিক্ষার্থী পূর্ণ ১০ নম্বর পেয়েছেন। এ ফলাফলের কারণে অনেক শিক্ষার্থী নিয়মিত ক্লাসে আসতে নিরুৎসাহিত হবেন।’

এভাবে নম্বর দেয়ার কারণ জানতে চাইলে শিক্ষক হিল্লোল ফৌজদার বলেন, পড়াশোনায় উৎসাহ দিতেই সবাইকে সমান নম্বর দেয়া হয়েছে। তার বর্ণনায়, ‘পড়াশোনায় কেউ যেন উৎসাহ না হারায়, এ জন্য সমান নম্বর দিয়েছিলাম। কিন্তু এভাবে সমালোচনা হবে বুঝতে পারিনি।’

পরীক্ষায় শিক্ষার্থীদের মূল্যায়নের এই পদ্ধতিকে ঠিক মনে করছেন না বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সৌমিত্র শেখর। নিউজবাংলাকে তিনি বলেন, ‘পরীক্ষার মাধ্যমেই শিক্ষার্থীদের মেধা যাচাই করা হয়। সবাইকে সমান নম্বর দিলে পরীক্ষার মূল্যায়ন থাকে না। ফলে এ ধরনের মানবিকতা দেখানো উচিত হয়নি।’

আরও পড়ুন:
কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের সংঘর্ষ
‘ছাত্রলীগ না করায়’ মারধর: তদন্ত প্রতিবেদন জমা
‘অপমানে’ শিক্ষার্থীর আত্মহত্যাচেষ্টা, ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি
কবি নজরুল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি ড. সৌমিত্র

মন্তব্য

শিক্ষা
Chhatra League leaders action by entering the girls washroom

মেয়েদের ওয়াশরুমে ঢুকে ছাত্রলীগ নেতার কাণ্ড

মেয়েদের ওয়াশরুমে ঢুকে ছাত্রলীগ নেতার কাণ্ড ছাত্রলীগ নেতা তানজীন আল আলামিন। ছবি: সংগৃহীত
অভিযোগের বিষয়ে তানজীন আল আমিন বলেন, ‘আমি মেয়েটাকে কোনোভাবে হেনস্তা করিনি। সে সময় আমি প্রাকৃতিক ডাকের চাপে ছিলাম। তাই ভুল করে মেয়েদের ওয়াশরুমে ঢুকে গেছি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র শিক্ষক কেন্দ্রে (টিএসসি) মেয়েদের ওয়াশরুমে ঢুকে বিশ্ববিদ্যালয়ের এক ছাত্রীকে হেনস্তার অভিযোগ উঠেছে ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় এক নেতার বিরুদ্ধে।

অভিযুক্ত তানজীন আল আলামিন মেয়েদের ওয়াশরুমে প্রবেশের কথা স্বীকার করলেও কাউকে হেনস্তা করা হয়নি বলে দাবি করেছেন।

কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের সংস্কৃতিবিষয়ক উপসম্পাদক তানজীন আল আলামিন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের টিএসসিকেন্দ্রিক সংগঠন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আবৃত্তি সংসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি।

অভিযোগ করা ছাত্রী বিশ্ববিদ্যালয়ের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী। তিনি বুধবার রাত ৮টা ২০ মিনিটে টিএসসিতে এই ঘটনার শিকার হন বলে দাবি করেছেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. এ কে এম গোলাম রব্বানীর পরামর্শে তিনি সহকারী প্রক্টর অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমানের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন বলে জানা গেছে।

অভিযোগ ইমেইলে পেয়েছেন জানিয়ে ড. মোহাম্মদ মাহবুবুর রহমান বলেন, ‘এটি খুব দুঃখজনক ঘটনা। আমাদের যা করণীয় আমরা সেটি করব।’

ছাত্রী তার অভিযোগে লিখেছেন, ‘গত ১৭ আগস্ট রাত আনুমানিক ৮টা ২০ মিনিটে আমি টিএসসিতে নারীদের জন্য নির্ধারিত ওয়াশরুম ব্যবহার করছিলাম। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ২০১৫-১৬ শিক্ষাবর্ষের রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী তানজীন আল আলামিন মদ্যপ অবস্থায় নারীদের ওয়াশরুমে ঢোকেন। তিনি একটি টয়লেটের দরজা খোলা রেখে অর্ধনগ্ন হয়ে মূত্রত্যাগ করতে থাকেন। একপর্যায়ে তিনি আমার দিকে অশ্লীল অঙ্গভঙ্গি করেন।

‘এতে আমি প্রচণ্ড ভীত ও উদ্বিগ্ন হয়ে পড়ি। পরে আমি বন্ধুদের নিয়ে তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তাচ্ছিল্যের সুরে কথা বলতে থাকেন। তিনি ভুল স্বীকার করেননি। বরং তার সঙ্গে থাকা কয়েকজন আমাকে দেখে নেয়ার হুমকি দেন। এমতাবস্থায় আমি হয়রানি ও হুমকির প্রেক্ষিতে অনিরাপদ বোধ করছি এবং মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছি।’

অভিযুক্ত ছাত্রলীগ নেতা ও তার সহযোগীদের কঠোর শাস্তির দাবি করেছেন শিক্ষার্থী।

এদিকে অভিযোগের বিষয়ে তানজীন আল আমিন বলেন, ‘আমি মেয়েটাকে কোনোভাবে হেনস্তা করিনি। সে সময় আমি প্রাকৃতিক ডাকের চাপে ছিলাম। তাই ভুল করে মেয়েদের ওয়াশরুমে ঢুকে গেছি।

‘ভুল বুঝতে পেরে আমি বের হয়ে পুরুষদের ওয়াশরুমে গেছি। পরে মেয়েটি এবং তার বন্ধুরা আমাকে জিজ্ঞাসা করেছেন। আমি তাকে এবং তার বন্ধুদের বারবার সরি বলেছি। আমি যখন হলে চলে আসি, তখন তারা আমাকে ফোন করেন। তখনও আমি বারবার সরি বলেছি। এটি মিস আন্ডারস্ট্যান্ডিং হয়েছে। এখন আমি মেয়েটির সাথে সরাসরি দেখা করব। তিনি যেভাবে বলবেন, সেভাবে করব আমি।’

মদ্যপ থাকার বিষয়ে তিনি বলেন, ‘মেয়েটার হয়তো এ রকম মনে হয়েছে। এ ব্যাপারে আমি কিছু জানি না।’

আরও পড়ুন:
যুবদল নেতাকর্মীদের গাড়িতে ভাঙচুর, আহত ৫
ছাত্রলীগ কর্মীদের লাঠিপেটা: আরও ৫ পুলিশ প্রত্যাহার

মন্তব্য

শিক্ষা
Barisal Medical protest suspended for 7 days

৭ দিনের জন্য স্থগিত বরিশাল মেডিক্যালের বিক্ষোভ

৭ দিনের জন্য স্থগিত বরিশাল মেডিক্যালের বিক্ষোভ
মে‌ডি‌ক্যাল ক‌লেজের অধ‌্যক্ষ ম‌নিরুজ্জামান শাহীন জানান, সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অনুরোধে শিক্ষার্থীরা ৭ দিনের জন্য বিক্ষোভ স্থগিত করেছে। এই ৭ দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিকল্প স্থানে রাখার ব্যবস্থা করা হবে।

নিরাপদ হলের দাবিতে দিনভর চলা বিক্ষোভ ৭ দিনের জন্য স্থগিত করেছে বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীরা।

কলেজ কর্তৃপক্ষ ও সিটি মেয়রের আশ্বাসের পরিপ্রেক্ষিতে বুধবার বিকেলে আন্দোলন স্থগিত করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন আন্দোলনকারীদের মুখপাত্র তাহসীন আহম্মেদ।

বুধবার সকাল ৮টা থেকে অধ্যক্ষের কার্যালয় ও প্রশাস‌নিক ভবনে তালা দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন শিক্ষার্থীরা।

মে‌ডি‌ক্যাল ক‌লেজের অধ‌্যক্ষ ম‌নিরুজ্জামান শাহীন জানান, সিটি মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর অনুরোধে শিক্ষার্থীরা ৭ দিনের জন্য বিক্ষোভ স্থগিত করেছে। এই ৭ দিনের মধ্যে শিক্ষার্থীদের বিকল্প স্থানে রাখার ব্যবস্থা করা হবে। নতুন করে হল নির্মাণের বিষয়ে মন্ত্রণালয় থেকে সিদ্বান্ত এলে সে অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

বিক্ষোভকারীরা সকালে জানিয়েছিলেন, মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য তিনটি করে আলাদা ছয়টি হল রয়েছে; যার প্রতিটি হলের অবস্থাই জরাজীর্ণ। প্রায় প্রতিনিয়তই হলগুলোর ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে। এতে অনেক সময় অনেক শিক্ষার্থী আহত হচ্ছেন।

অধ্যক্ষের কার্যালয় থেকে পাওয়া তথ্য অনুযায়ী, মেডিক্যাল কলেজের তিনটি ছাত্রাবাস ও তিনটি ছাত্রী নিবাসে মোট ১ হাজার ৪২৮ জন শিক্ষার্থীর জন্য আবাসিক সিট রয়েছে। এর মধ্যে ২ নম্বর ছাত্রাবাসের তৃতীয় তলা বসবাসের অনুপযোগী ঘোষণা করেছে গণপূর্ত দপ্তর। ১ নম্বর ছাত্রী নিবাস সম্পূর্ন বসবাসের অনুপযোগী। ২ নম্বর ছাত্রাবাসের তৃতীয় তলার ১৯টি কক্ষের ১৩৬ জন ও ১ নম্বর ছাত্রী নিবাসের ৮০টি কক্ষের ৩২০ জন এখন আসনবিহীন।

হলের আবা‌সিক শিক্ষার্থী লিসা আক্তার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ছাত্রী হ‌লের অবস্থা খুবই খারাপ। প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয় আমাদের। এখন নিরাপদ হল আমা‌দের দাবি।’

শিক্ষার্থী এহসান উল্লাহ বলেন, ‘ছেলেদের তিনটি ছাত্রাবাসের মধ্যে হাবিবুর রহমান ছাত্রাবাসের অবস্থা খুবই খারাপ। গত রাতেও আমাদের এক সহপাঠীর রুমের পলেস্তারা খসে পড়ে, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পায় সে। আমাদের একটাই দাবি, আমরা নিরাপদ হল চাই।’

তাহসিন আহ‌ম্মেদ বলেন, ‘হাবিবুর রহমান ছাত্রাবাস কর্তৃপক্ষ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে। দ্রুত এই ছাত্রদের পুনঃ আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।’

আরও পড়ুন:
নিরাপদ হলের দাবিতে ব‌রিশা‌লে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের বি‌ক্ষোভ
রাজপথে শক্তি দেখাতে নামছে আওয়ামী লীগও
হলে নিষিদ্ধ রাইসকুকার, মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ
সাংবাদিক মারধরে জড়িতদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবি
জ্বালানির দাম বৃদ্ধির প্রতিবাদ সমাবেশে পুলিশের পিটুনি: ঢাবিতে বিক্ষোভ

মন্তব্য

শিক্ষা
NRBC Bank gave AC bus to Dhaka University

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসি বাস দিল এনআরবিসি ব্যাংক

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে এসি বাস দিল এনআরবিসি ব্যাংক এনআরবিসি ব্যাংক ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে একটি এসি বাস উপহার দিয়েছে। ছবি: সংগৃহীত
উপাচার্য আখতারুজ্জামান বলেন, ‘এই আগস্টে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হন। তার শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করার প্রয়াসে এনআরবিসি ব্যাংকের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকল্পে এনআরবিসি ব্যাংকের এই উদ্যোগ স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’ 

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের গবেষণাকাজে সহায়তার জন্য শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) একটি বাস উপহার দিয়েছে এনআরবিসি ব্যাংক।

বুধবার সকালে ঢাবি নবাব নওয়াব আলী চৌধুরী সিনেট ভবনে এক অনুষ্ঠানে উপাচার্য অধ্যাপক মো. আখতারুজ্জামানের কাছে বাসটি হস্তান্তর করেন ব্যাংকের চেয়ারম্যান এস এম পারভেজ তমাল।

ব্যাংকের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

বাস উপহার পেয়ে ব্যাংকটিকে ধন্যবাদ জানিয়ে উপাচার্য বলেন, ‘এই আগস্টে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান সপরিবারে নির্মমভাবে নিহত হন। তার শোককে শক্তিতে রূপান্তরিত করার প্রয়াসে এনআরবিসি ব্যাংকের এই উদ্যোগ প্রশংসনীয়। বিশ্ববিদ্যালয়ের উন্নয়নকল্পে এনআরবিসি ব্যাংকের এই উদ্যোগ স্মরণীয় হয়ে থাকবে।’

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থার বিএসইসি চেয়ারম্যান শিবলী রুবাইয়াত-উল ইসলাম এ সময় উপস্থিত ছিলেন। তিনি বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা-গবেষণাকাজ এগিয়ে নেয়া সরকারের একার পক্ষে সম্ভব নয়। পৃথিবীর সব দেশে শিক্ষা-গবেষণায় বেসরকারি খাতের অংশগ্রহণ রয়েছে। এনআরবিসি ব্যাংকের এই উপহার বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষণাকাজকে এগিয়ে নিতে সহায়তা করবে।’

এনআরবিসি ব্যাংকের চেয়ারম্যান এস এম পারভেজ তমাল বলেন, ‘দেশের ইতিহাস-ঐতিহ্যের সঙ্গে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ওতপ্রোতভাবে সম্পৃক্ত। দেশের সর্বোচ্চ বিদ্যাপীঠের পাশে দাঁড়াতে পেরে আমরা গর্বিত।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) অধ্যাপক মুহম্মদ সামাদ, ব্যাংকের স্বতন্ত্র পরিচালক ও ব্যাংকিং অ্যান্ড ইন্স্যুরেন্স বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক রাদ মুজিব লালন, ব্যাংকের ডিএমডি ও সিএফও হারুনুর রশিদ, সাপোর্ট অ্যান্ড সার্ভিসেস বিভাগের প্রধান পারভেজ হাসান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক নিজামুল হক ভূঁইয়া, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সিনেটে ছাত্র প্রতিনিধি সাদ্দাম হোসেন এ সময় উপস্থিত ছিলেন।

এনআরবিসি ব্যাংকের করপোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (সিএসআর) তহবিলের শিক্ষা খাত থেকে এই উপহার দেয়। বাসটি ৪২ আসনের।

আরও পড়ুন:
ময়মনসিংহ-সিলেট রুটে ১২ দিন পর ঘুরল বাসের চাকা
প্রবাসীরাই বাতিঘর, প্রতিদিন পাঠাচ্ছেন ৮০০ কোটি টাকা
তেলের দাম সমান হলেও কলকাতায় বাস ভাড়া ঢাকার চেয়ে কম
স্বাস্থ্যের সাবেক ডিজিসহ ৬ জনের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য শুরু
বাসযোগ্য শহরের তালিকায় ঢাকা ১৬৬তম

মন্তব্য

শিক্ষা
Medical students protest in Barishal demanding safe halls

নিরাপদ হলের দাবিতে ব‌রিশা‌লে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের বি‌ক্ষোভ

নিরাপদ হলের দাবিতে ব‌রিশা‌লে মেডিক্যাল শিক্ষার্থীদের বি‌ক্ষোভ অধ্যক্ষের কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভকারীরা। ছবি: নিউজবাংলা
এহসান উল্লাহ বলেন, ‘ছেলেদের তিনটি ছাত্রাবাসের মধ্যে হাবিবুর রহমান ছাত্রাবাসের অবস্থা খুবই খারাপ। গত রাতেও আমাদের এক সহপাঠীর রুমের পলেস্তারা খসে পড়ে, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পায় সে। আমাদের একটাই দাবি, আমরা নিরাপদ হল চাই।’

নিরাপদ হলের দাবিতে অধ্যক্ষের কার্যালয় ঘেরাও করে বিক্ষোভ করছেন বরিশাল শের-ই-বাংলা মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষার্থীরা।

বুধবার সকাল ৮টা থেকে অধ্যক্ষের কার্যালয় ও প্রশাস‌নিক ভবনে তালা দিয়ে বিক্ষোভ শুরু করেন তারা।

বিক্ষোভকারীরা বলছেন, মেডিক্যাল কলেজের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য তিনটি করে আলাদা ছয়টি হল রয়েছে; যার প্রতিটি হলের অবস্থাই জরাজীর্ণ। প্রায় প্রতিনিয়তই হলগুলোর ছাদের পলেস্তারা খসে পড়ে। এতে অনেক সময় অনেক শিক্ষার্থী আহত হচ্ছেন।

কর্তৃপক্ষ বলছেন, শিগগির তারা সংস্কারকাজ শুরু করবে।

হলের আবা‌সিক শিক্ষার্থী লিসা আক্তার নিউজবাংলাকে বলেন, ‘ছাত্রী হ‌লের অবস্থা খুবই খারাপ। প্রতিনিয়ত আতঙ্কের মধ্যে থাকতে হয় আমাদের। এখন নিরাপদ হল আমা‌দের দাবি।’

শিক্ষার্থী এহসান উল্লাহ বলেন, ‘ছেলেদের তিনটি ছাত্রাবাসের মধ্যে হাবিবুর রহমান ছাত্রাবাসের অবস্থা খুবই খারাপ। গত রাতেও আমাদের এক সহপাঠীর রুমের পলেস্তারা খসে পড়ে, অল্পের জন্য প্রাণে রক্ষা পায় সে। আমাদের একটাই দাবি, আমরা নিরাপদ হল চাই।’

তাহসিন আহ‌ম্মেদ বলেন, ‘হাবিবুর রহমান ছাত্রাবাস কর্তৃপক্ষ পরিত্যক্ত ঘোষণা করেছে। দ্রুত এই ছাত্রদের পুনঃ আবাসনের ব্যবস্থা করতে হবে।’

আবাসনসংকট নিরসনের দাবি জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের অনেক প্রতিশ্রুতি দেয়া হয়েছে, কিন্তু হল নির্মাণ করা হয়নি। আবাসনসংকট নিরসনে নতুন হল নির্মাণে দৃশ্যমান অগ্রগতি না হলে আমাদের আন্দোলন চালিয়ে যাব।’

হুঁশিয়ারি দিয়ে চতুর্থ ব‌র্ষের শিক্ষার্থী সাগর ‌হো‌সেন ব‌লেন, ‘সাত দি‌নের ম‌ধ্যে হল নির্মাণের দৃশ্যমান কাজ দেখ‌তে চাই। এ ছাড়া ঝুঁকিপূর্ণ হ‌লের ছাত্র-ছাত্রী‌দের নিরাপদ স্থা‌নে রাখার দাবি জানাই। তা না হ‌লে অ‌নি‌র্দিষ্টকা‌লের জন্য অ্যাকা‌ডে‌মিক কার্যক্রম বন্ধ থাক‌বে।’

মেডিক্যাল ক‌লেজের অধ্যক্ষ ম‌নিরুজ্জামান শাহীন নিউজবাংলাকে ব‌লেন, ‘স‌চিব ম‌হোদয় কিছুক্ষণ আ‌গে ফোন ক‌রে হো‌স্টেল সংস্কা‌রের কথা ব‌লে‌ছেন। আমরা অ‌তি দ্রুত কাজ শুরু কর‌ব। এ ছাড়া ক‌লে‌জে দুটি হো‌স্টেল নির্মাণকাজ শিগগির শুরু হ‌বে।’

আরও পড়ুন:
চবিতে শাটল ট্রেনের চালককে ‘অপহরণ’
ভোলার ঘটনায় গায়েবানা জানাজা, বিক্ষোভ করবে বিএনপি
দাবি আদায়ে সড়ক অব‌রোধ
ফোনালাপ ফাঁস: এমপি পঙ্কজের বিরুদ্ধে মিছিল-সমাবেশ
এবার এমপির অনুসারীদের সড়ক অবরোধে ভোগান্তি

মন্তব্য

শিক্ষা
As a result the students of Khubi returned with the assurance of meeting the demands

দাবি মানার আশ্বাসে হলে ফিরেছেন খুবির শিক্ষার্থীরা

দাবি মানার আশ্বাসে হলে ফিরেছেন খুবির শিক্ষার্থীরা আন্দোলনে খুবি শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষার্থীরা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে অপরাজিতা হলের টয়লেটে গিয়ে এক ছাত্রী আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে গলায় বঁটি চালান। এ ঘটনায় সন্ধ্যায় অপরাজিতা হলে দা, বঁটি, চাকু এমনকি রাইস কুকারও নিষিদ্ধ করে হল কর্তৃপক্ষ। ছাত্রীদের রুমে রুমে গিয়ে সরঞ্জামগুলো জব্দ করা হয়। সবাইকে ডাইনিংয়ের খাবার খেতে নির্দেশ দেয়া হয়।

প্রশাসনের দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাসে মধ্যরাতে হলে ফিরে গেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

হল থেকে রাইস কুকার ও রান্নার অন্যান্য সরঞ্জাম সরানোর নির্দেশনা বাতিলসহ ১১ দফা দাবিতে মঙ্গলবার রাত ১১টার দিকে বিক্ষোভ শুরু করেন অপরাজিতা হলের ছাত্রীরা। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদি চত্বরে অবস্থান নেন তারা। সেখানে তাদের সঙ্গে যোগ দেন অন্যান্য হলের শিক্ষার্থীরাও।

রাত দেড়টার দিকে শিক্ষর্থীদের সব দাবি মেনে নিয়ে লিখিত দেন অপরাজিতা হলের প্রভোস্ট রহিমা নুসরাত রিম্মি। পরে শিক্ষার্থীরা নিজ নিজ হলে ফিরে যান।

শিক্ষার্থীরা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে অপরাজিতা হলের টয়লেটে গিয়ে এক ছাত্রী আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে গলায় বঁটি চালান। এ ঘটনায় সন্ধ্যায় অপরাজিতা হলে দা, বঁটি, চাকু এমনকি রাইস কুকারও নিষিদ্ধ করে হল কর্তৃপক্ষ। ছাত্রীদের রুমে রুমে গিয়ে সরঞ্জামগুলো জব্দ করা হয়। সবাইকে ডাইনিংয়ের খাবার খেতে নির্দেশ দেয়া হয়।

অপরাজিতা হলের ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার বলেন, ‘আমাদের ডাইনিংয়ের খাবারের মান খুবই খারাপ। তার মধ্যে রাইস কুকার নিষিদ্ধ করা হলো। রান্নার সব সরঞ্জামও হলে রাখতে নিষেধ করা হয়েছে।’

লীমা নামের আরেক ছাত্রী বলেন, ‘আন্দোলনে আসতে আমাদের বাধা দেয়া হয়েছিল। আমরা হলের দুটি তালা ভেঙে নেমেছিলাম।’

আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক মো. শরীফ হাসান লিমন এসেছিলেন। তবে তিনি শিক্ষার্থীদের আন্দোলন নিবৃত্ত করতে ব্যর্থ হয়ে একপর্যায়ে ফিরে যান।

পরে রাত দেড়টায় প্রভোস্ট শিক্ষার্থীদের ১১ দফা দাবি মেনে নেয়ার আশ্বাসে লিখিত দেন।

শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো-

১. রাইস কুকার ও হলের রান্নার সরঞ্জামাদি ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা তুলে নিতে হবে।

২. সেক্সুয়াল হ্যারাজমেন্টের প্রতিবাদে সোশ্যাল মিডিয়ায় কথা বলার কারণে ব্যক্তিগত আক্রমণ ও পারিবারিক শিক্ষা তুলে কথা বলায় ক্ষমা চাইতে হবে।

৩. হলে প্রয়োজনে অভিভাবক ও মহিলা আত্মীয়দের থাকার অনুমতি প্রদান করতে হবে।

৪. পানির পোকা ও খাবারের সমস্যার স্থায়ী সমাধান করতে হবে।

৫. প্রভোস্ট তার নিজ ডিসিপ্লিনের স্টুডেন্টদের ডেকে নিয়ে ব্যক্তিগত এবং অ্যাকাডেমিক বিষয়ে হয়রানি বন্ধ করতে হবে ও ক্ষমা চাইতে হবে।

৬. হলের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের দুর্ব্যবহার বন্ধ করতে হবে।

৭. যেকোনো পরিস্থিতিতে সিট বাতিলের হুমকি দেয়া বন্ধ করতে হবে।

৮. যেকোনো পরিস্থিতিতে হলের ছাত্রীদের মতামতকে প্রাধান্য দিতে হবে।

৯. হলের মিল খাওয়া বাধ্যতামূলক করা যাবে না।

১০. আন্দোলনের ঘটনাকে কেন্দ্র করে কোনো শিক্ষার্থীকে ব্যক্তিগতভাবে হুমকি দেয়া যাবে না।

১১. এ দাবিগুলো না মানলে প্রভোস্ট কমিটির পদত্যাগ করতে হবে।

আরও পড়ুন:
হলে নিষিদ্ধ রাইসকুকার, মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

মন্তব্য

শিক্ষা
Banned Rice Cooker in Hall midnight student protest

হলে নিষিদ্ধ রাইসকুকার, মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ

হলে নিষিদ্ধ রাইসকুকার, মধ্যরাতে শিক্ষার্থীদের প্রতিবাদ
শিক্ষার্থীরা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে অপরাজিতা হলের টয়লেটে গিয়ে এক ছাত্রী আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে গলায় বটি দিয়ে পোচ দেন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সন্ধ্যায় অপরাজিতা হলে দা, বটি, চাকু এমনকি রাইসকুকারও নিষিদ্ধ করে কর্তৃপক্ষ।

খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রী হলে রাইসকুকার ও রান্নার সরঞ্জাম নিষিদ্ধের প্রতিবাদে আন্দোলনে নেমেছেন শিক্ষার্থীরা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের অপরাজিতা হল গেটের সামনে মঙ্গলবার রাত ১১ টার দিকে ছাত্রীরা অবস্থান নিয়ে আন্দোলন শুরু করেন। তাদের সঙ্গে যোগ দেন ছাত্ররাও। রাত ১২টায় এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত আন্দোলন চলছে।

শিক্ষার্থীরা জানান, মঙ্গলবার দুপুরে অপরাজিতা হলের টয়লেটে গিয়ে এক ছাত্রী আত্মহত্যার উদ্দেশ্যে গলায় বটি দিয়ে পোচ দেন। এ ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে সন্ধ্যায় অপরাজিতা হলে দা, বটি, চাকু এমনকি রাইসকুকারও নিষিদ্ধ করে কর্তৃপক্ষ। ছাত্রীদের রুমে গিয়ে সরঞ্জামগুলো জব্দ করা হয়। সবাইকে ডাইনিংয়ের খাবার খেতে নির্দেশ দেয়া হয়।

অপরাজিতা হলের ছাত্রী সুমাইয়া আক্তার বলেন, ‘আমাদের ডাইনিংয়ের খাবারের মান খুবই খারাপ। তার মধ্যে রাইসকুকার নিষিদ্ধ করা হলো। রান্নার সব সরঞ্জামও হলে রাখতে নিষেধ করা হয়েছে। আমাদের দাবি মেনে না নেয়া হলে ফিরব না।’

লীমা নামের আরেক ছাত্রী বলেন, ‘আজকে আন্দোলনে আসতে আমাদের বাধা দেয়া হয়েছিল। আমরা হলের দুটি তালা ভেঙে নেমেছি।’

আন্দোলনের সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র বিষয়ক পরিচালক মো. শরীফ হাসান লিমন সেখানে যান।

তিনি বলেন, ‘আমি ছাত্রীদের আন্দোলন থেকে সরে আসতে বলেছিলাম। তবে তারা রাজি হয়নি।’

মন্তব্য

p
উপরে