× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Cant be afraid to take on challenges Canadas High Commissioner
hear-news
player
print-icon

চ্যালেঞ্জ নিতে ভয় পাওয়া যাবে না: কানাডার হাইকমিশনার

চ্যালেঞ্জ-নিতে-ভয়-পাওয়া-যাবে-না-কানাডার-হাইকমিশনার
সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটির নবীনবরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বক্তব্য দেন বাংলাদেশে কানাডার হাইকমিশনার লিলি নিকোলস। ছবি: নিউজবাংলা
বাংলাদেশে কানাডার হাইকমিশনার বলেন, শিক্ষিত হয়ে সমাজ ও দেশের উন্নয়নের জন্য অবদান রাখতে হবে। কখনও চ্যালেঞ্জ নিতে ভয় পাওয়া যাবে না। সফল হতে হলে ধৈর্যসহ লেগে থাকা খুব দরকার।

নিজেদের শিক্ষিত করে তোলা খুব জরুরি বলে মনে করেন বাংলাদেশে নিযুক্ত কানাডার হাইকমিশনার ড. লিলি নিকোলস।

তিনি বলেছেন, শিক্ষিত হয়ে সমাজ ও দেশের উন্নয়নের জন্য অবদান রাখতে হবে। কখনও চ্যালেঞ্জ নিতে ভয় পাওয়া যাবে না। সফল হতে হলে ধৈর্যসহ লেগে থাকা খুব দরকার।

সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটির (সিডব্লিউইউ) নবীনবরণ অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে এসব কথা বলেন হাইকমিশনার।

রাজধানীর হাটখোলায় বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে রোববার বেলা ১১টার দিকে এ অনুষ্ঠান হয়।

হাইকমিশনার বলেন, ‘বাংলাদেশ একটি চমৎকার দেশ। গত ৫০ বছরে বাংলাদেশ অভাবনীয় উন্নতি করেছে, যা কেউ ভাবতে পারেনি। এমন একটি দেশে এমন একটি সময়ে আপনারা জন্মেছেন। এটি খুব ভাগ্যের ব্যাপার।

‘বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর থেকেই কানাডার সঙ্গে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক রয়েছে এবং এই সম্পর্ক এখন আরও গভীর। আমরা দুই দেশই মানবাধিকার প্রতিষ্ঠাসহ নানা বিষয়ে সমমনা।’

নবীনদের উদ্দেশে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. পারভীন হাসান বলেন, ‘আমরা চাই তোমরা যেন লেখাপড়া করে নিজেদের প্রতিষ্ঠিত করতে পারো। আমাদের শিক্ষকদের সবাই খুব যোগ্য, মেধাবী ও নিবেদিতপ্রাণ। তোমাদের সহযোগিতা করতে তারা সব সময় প্রস্তুত। তোমরা শিক্ষকদের সঙ্গে সব সময় যোগাযোগ রাখবে। তারা সব সময় তোমাদের সঠিক দিকনির্দেশনা দেবেন।

‘তোমাদের অভিভাবকদেরও ধন্যবাদ দিতে চাই। তারা এই বিশ্ববিদ্যালয়কে তোমাদের পড়ালেখার জন্য বেছে নিয়েছেন। এখন আমি তাদের অনুরোধ করব, আপনাদের মেয়েদের পড়াশোনা সফলভাবে শেষ হওয়া পর্যন্ত সহযোগিতা করবেন। তারা যেন মাঝপথে ঝরে না পড়ে।’

চ্যালেঞ্জ নিতে ভয় পাওয়া যাবে না: কানাডার হাইকমিশনার

রেজিস্ট্রার ইলিয়াস আহমেদ বলেন, ‘সম্মানিত অতিথি হিসেবে ড. লিলি নিকোলস আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে এসেছেন। তাকে ধন্যবাদ। তার মতো একজন ব্যক্তির উপস্থিতি আমাদের সবার জন্য অনুপ্রেরণার। আমি আশা করব, ভবিষ্যতেও তাকে আমাদের সঙ্গে পাব।’

বিশ্ববিদ্যালয় প্রতিষ্ঠার উদ্দেশ্য তুলে ধরে ট্রাস্টি বোর্ডের চেয়ারম্যান কাজী জাহেদুল হাসান বলেন, ‘আমরা চেয়েছি কম খরচে যেন মেয়েরা মানসম্পন্ন শিক্ষা পেতে পারে। এ উদ্দেশ্য নিয়েই এই বিশ্ববিদ্যালয় যাত্রা শুরু করে। আমরা আমাদের লক্ষ্যে এগিয়ে যাচ্ছি। নিশ্চিত করতে চেষ্টা করছি, তোমরা যেন দরকারি সব সুযোগ-সুবিধা এখানে পেতে পারো।’

ইংলিশ ল্যাঙ্গুয়েজ অ্যান্ড লিটারেচার বিভাগের চেয়ারপারসন আবদুস সেলিম বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি লক্ষ্য হলো নারীর ক্ষমতায়ন। এ জন্য শিক্ষা খুব গুরুত্বপূর্ণ। বিশ্ববিদ্যালয়ের এই সময়কে কাজে লাগিয়ে তোমরা এগিয়ে যাবে।’

জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারপারসন সজীব সরকার বলেন, “জীবনে দুটি জিনিস হওয়ার সুযোগ আছে: ‘কিছু’ হওয়া আর ‘কিছু না হওয়া’। আপনাদের ‘কিছু’ হতে হবে এবং এ জন্য ক্ষমতায়ন দরকার। আর শিক্ষা আপনাদের ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করতে পারে, তবে শিক্ষা কেবল ক্লাসরুমেই পাওয়া যায়, তা নয়; ক্লাসরুমনির্ভর হয়ে না থেকে চারপাশের জগৎ থেকেও জীবনের জন্য দরকারি বিষয়গুলো শিখতে হবে।”

অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ শিক্ষার্থীদের উদ্দেশে বলেন, ‘পৃথিবীর অনেক নারী নোবেলসহ অনেক বড় পুরস্কার পেয়ে নিজেদের যোগ্যতা প্রমাণ করেছেন। তোমরাও নিজেদের যোগ্য করে তুলবে এবং সামনে এগিয়ে যাবে। শিক্ষার মাধ্যমেই নারীর ক্ষমতায়ন সম্ভব।’

অনুষ্ঠান শেষে হাইকমিশনার ড. লিলি নিকোলসকে উত্তরীয় পরিয়ে দিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের স্মারক ক্রেস্ট উপহার দেন ড. পারভীন হাসান। অনুষ্ঠানে নবীনদের উদ্দেশে আরও বক্তব্য দেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজনেস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন বিভাগের চেয়ারপারসন হাসান শিরাজী, কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের চেয়ারপারসন শাহনাজ পারভীন, সোশিওলজি অ্যান্ড জেন্ডার স্টাডিজ বিভাগের চেয়ারপারসন ড. ফজিলা বানু লিলি এবং বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক, শিক্ষার্থী ও অভিভাবকরা।

আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ কায়কোবাদ। অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন অধ্যাপক ড. মালেকা বেগম।

অনুষ্ঠান সঞ্চালনা করেন জার্নালিজম অ্যান্ড মিডিয়া স্টাডিজ বিভাগের লেকচারার জারিন তাসনিম।

আরও পড়ুন:
সেন্ট্রাল উইমেন্স ইউনিভার্সিটিতে স্বাধীনতা দিবস উদযাপন
মাতৃভাষার বিকাশে চর্চা জরুরি: সিরাজুল ইসলাম চৌধুরী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Former leaders did not talk about writing Chhatra League on the banner Buet VC

ব্যানারে ‘ছাত্রলীগ’ লেখার কথা বলেনি সাবেক নেতারা: বুয়েট ভিসি

ব্যানারে ‘ছাত্রলীগ’ লেখার কথা বলেনি সাবেক নেতারা: বুয়েট ভিসি
বুয়েট উপাচার্য সত্যপ্রসাদ মজুমদার বলেন, ‘কিন্তু ওরা ব্যানারের মধ্যে যেটা লিখছে সেটা আমরা জানতাম না। বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ এটা তারা পরে লিখেছে। আবেদনের সময় এটা ছিল না।’

বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থী আবরার ফাহাদ হত্যার পর ক্যাম্পাসে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ থাকলেও জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে আলোচনা সভা ও দোয়ার আয়োজন করে ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা। ছাত্রলীগের ব্যানারে শনিবার বিকেলে আয়োজনটি ঘিরে বিক্ষোভ করেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা আয়োজনটির জন্য কর্তৃপক্ষের কাছ থেকে অনুমতি নিলেও ব্যানারে ছাত্রলীগ রাখার বিষয়টি সম্পর্কে জানেন না বলে জানিয়েছেন বুয়েট উপাচার্য সত্যপ্রসাদ মজুমদার।

তিনি বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের বুঝিয়ে বলেছি। মূলত এটি আমরা পরে জানতে পেরেছি। আগে জানতাম না। প্রাক্তন শিক্ষার্থীদের অনুমতি দেয়া হয়েছিল। তারা যে আবেদন লিখেছে সেখানে বুয়েটের প্রাক্তন শিক্ষার্থী লিখা ছিল। সে জন্যই তাদের অনুমতি দেয়া হয়েছে।

‘কিন্তু ওরা ব্যানারের মধ্যে যেটা লিখছে সেটা আমরা জানতাম না। বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতৃবৃন্দ এটা তারা পরে লিখেছে। আবেদনের সময় এটা ছিল না।’

সত্যপ্রসাদ মজুমদার বলেন, ‘আমরা শোক দিবস পালন করি। ছাত্ররাও করে। এটি নিয়ে তাদের কোনো আপত্তি নেই। শুধু ছাত্রলীগ লিখা ছিল, এ জন্যই তাদের আপত্তি।’

বুয়েটে ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের ব্যানারের সে আলোচনা সভা ঘিরে জড়ো হয়ে ‘ছাত্রলীগের ঠিকানা, এই বুয়েটে হবে না’, ‘আবরারের রক্ত, বৃথা যেতে দিব না’ ইত্যাদি স্লোাগান দেন।

ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ হওয়া স্বত্ত্বেও ছাত্রলীগের ব্যানারে প্রোগ্রাম আয়োজন করতে দেয়ায় বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তুলেন শিক্ষার্থীরা।

এই ঘটনার প্রতিবাদে রাত সাড়ে ৮টায় শিক্ষার্থীরা সংবাদ সম্মেলন করেন। সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য দেয়া কোনো শিক্ষার্থীই তাদের পরিচয় বলেননি।

‘শিক্ষার্থীরা সাংগঠনিক ছাত্ররাজনীতির পুনরুত্থানের আশঙ্কায় আছে’

বুয়েটের সাধারণ শিক্ষার্থীরা সাংগঠনিক ছাত্ররাজনীতির পুনরুত্থানের আশঙ্কায় আছে উল্লেখ করে সংবাদ সম্মেলনে বলা হয়, ‘শোকের মাস আগস্ট। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট বাঙালি হারায় হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ সন্তান জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানকে।

‘তার আদর্শ অনুসরণ করেই আমরা নিরন্তর কাজ করে চলেছি বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নের সোনার বাংলাকে গড়ে তুলতে। তারই ধারাবাহিকতায় নিরাপদ এবং সন্ত্রাসমুক্ত শিক্ষাঙ্গন নিশ্চিত করা সকল শিক্ষার্থীর মৌলিক চাহিদার মধ্যে অন্যতম।’

‘অথচ দুঃখজনক হলেও সত্য, যে ছাত্ররাজনীতি একসময় দেশের ক্রান্তিলগ্নে অগ্রগণ্য ভূমিকা রেখেছিল, পরাধীনতার হাত থেকে যুক্ত করে জন্ম দিয়েছিল স্বাধীন বাংলাদেশের, সেই ছাত্ররাজনীতি আজ ক্ষমতার অপব্যবহারে কলুষিত।’

শিক্ষার্থীরা বলেন, বিশ্ববিদ্যালয়ের সুনির্দিষ্ট নীতিমালা থাকা সত্ত্বেও শনিবার সেমিনার হল বুয়েট অডিটোরিয়াম কমপ্লেক্সে ‘বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বুয়েটের সাবেক নেতৃবৃন্দ’ আয়োজনে একটি ব্যানার দেখা যায়।

গত ২ জুলাই বিশ্ববিদ্যালয়ের কাজী নজরুল ইসলাম হলে আরিফ রায়হান দিপের স্মৃতিফলকে বাংলাদেশ ছাত্রলীগের পক্ষ থেকে পুষ্পস্তবক অর্পণ এবং ৮ জুন সাবেকুন নাহার সনির স্মৃতিফলকে বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতাদের পক্ষ থেকে ব্যানার টানানো হয়।

ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধের সুস্পষ্ট নির্দেশনা থাকা সত্ত্বেও অত্র বিশ্ববিদ্যালয় প্রাঙ্গণে লেজুড়বৃত্তিক ছাত্র সংগঠনের বারবার নিজেদের উপস্থিতি জানিয়ে কার্যক্রম পরিচালনা করা এবং অনুষ্ঠান আয়োজনের অনুমতি পাওয়ায় বুয়েট কর্তৃপক্ষের সদিচ্ছা প্রশ্নবিদ্ধ হচ্ছে বলে দাবি করেন শিক্ষার্থীরা।

তারা বলেন, ‘এমন কার্যক্রমের ব্যাপারে আমরা, বুয়েটের সব সাধারণ শিক্ষার্থী, কর্তৃপক্ষের অবস্থান এবং সুস্পষ্ট জবাব আশা করছি।’

আরও পড়ুন:
বুয়েটে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের আয়োজন ঘিরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ
ছাত্রলীগ ও যুবদলের ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া
বাসায় বিচার দেয়ায় চবিতে ৪ ছাত্রলীগ নেত্রীর মারামারি
বিক্ষোভ মিছিলে বিএনপি-ছাত্রলীগ সংঘর্ষ
লক্ষ্মীপুরে বিএনপির সমাবেশে ‘ছাত্রলীগের’ হামলা

মন্তব্য

শিক্ষা
Noor is the best foodie in Chabi

চবিতে ‘সেরা খাদক’ নূর

চবিতে ‘সেরা খাদক’ নূর আগ্রহীদের মধ্য থেকে লটারির মাধ্যমে তিনজনকে প্রতিযোগিতার জন্য বাছাই করা হয়। ছবি: নিউজবাংলা
সেরা খাদকের ট্রফি বিজয়ের পর নূর বলেন, ‘আমি জানতাম যে আমি পারবো। আমি বংশগতভাবে ভোজনরসিক। আমার বংশ হচ্ছে খানেওয়ালা বংশ।’

এক কেজি চালের পোলাও, এক কেজি মুরগীর মাংস, সঙ্গে এক লিটার কোমল পানীয়। ২০ মিনিটের মধ্যে সবার আগে সব খেয়ে যিনি শেষ করতে পারবেন তিনিই জিতে নেবেন সেরা খাদকের ট্রফি।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে শনিবার এমনই এক ব্যতিক্রম প্রতিযোগিতার আয়োজন করে ইতিহাস বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র আজহারুল ইসলাম আশিক ও তার কয়েক বন্ধু। তারা তাদের ইউটিউব চ্যানেলে প্রচারের উদ্দেশে প্রতিযোগিতাটির আয়োজন করলেও তা ক্যাম্পাসে বেশ আলোচনার খোরাক হয়।

আয়োজকরা জানান, লটারির মাধ্যমে বাছাই করা তিন প্রতিযোগীর মধ্যে সবার আগে খাবার শেষ করে শিরোপা জিতেছেন শিক্ষা ও গবেষণা ইনিস্টিটিউটের ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের ছাত্র আব্দুল মোহাইমেন নূর। প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়া বাকি দুজন হলেন- পরিসংখ্যান ২০১৬-১৭ শিক্ষাবর্ষের রাহাতুল ইসলাম ও বাংলা ২০২০-২১ শিক্ষাবর্ষের শুভ আহমেদ সাকিব।

এর আগে শুক্রবার বিশ্ববিদ্যালয়ের একটি ফেইসবুক গ্রুপে এই প্রতিযোগিতার জন্য আগ্রহীদের আহ্বান জানানো হয়। সেখান থেকে লটারির মাধ্যমে ৩ জনকে বাছাই করা হয়।

শনিবার বিকেল ৩টায় ক্যাম্পাসের বুদ্ধিজীবী চত্বরে এই প্রতিযোগীতা হওয়ার কথা থাকলে বাধ সাধে বৃষ্টি। পরে বিশ্ববিদ্যালয়ের ব্যবসায় প্রশাসন অনুষদ প্রাঙ্গণে ৫টায় শুরু হয় সেরা খাদক প্রতিযোগীতা।

আয়োজকরা শুরুতে ২০ মিনিট সময় বেঁধে দিলেও পরে তা বাড়িয়ে ৩০ মিনিট করা হয়। প্রতিযোগিতার শুরুর ১০ মিনিট পর হার মেনে নেন পরিসংখ্যানের রাহাতুল ইসলাম। তবে শেষ পর্যন্ত খাওয়ার লড়াই চালিয়ে যান শুভ আহমেদ সাকিব ও আব্দুল মোহাইমেন নূর। প্রতিযোগিতা দেখতে এ সময় ভিড় জমান অসংখ্য শিক্ষার্থী।

হাড্ডাহাড্ডি লড়াই শেষে ৩০ মিনিটের মধ্যেই সব খাবার সবার আগে খেয়ে শেষ করে বিজয়ের শিরোপা জিতে নেন আব্দুল মোহাইমেন নূর।

চবিতে ‘সেরা খাদক’ নূর
জয়ের পর আয়োজকদের কাছ থেকে সেরা খাদকের ট্রফি নিচ্ছেন নূর

বিজয়ের পর নূর বলেন, ‘আমি জানতাম যে আমি পারবো। আমি বংশগতভাবে ভোজনরসিক। আমার বংশ হচ্ছে খানেওয়ালা বংশ। আমি প্রমাণ করেতে পেরেছি আমি খানেওয়ালা বংশের ছেলে।’

আয়োজক আজহারুল ইসলাম আশিক বলেন, ‘চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে এর আগে এমন প্রতিযোগিতা হয়নি। আমার চ্যানেলের জন্য এই প্রতিযোগিতার আয়োজন করেছি। খাদক চেয়ে ফেইসবুকে পোস্ট করলে অনেকেই প্রতিযোগিতায় অংশ নেয়ার আগ্রহ প্রকাশ করেছে। তাদের থেকে ৩ জন কে আমরা লটারি করে নির্বাচন করেছি।’

আরও পড়ুন:
ঈদে বিদেশি খাবার
ডায়রিয়ার প্রকোপ বাইরের খোলা খাবারে: মেডিক্যাল টিম
কটকট শব্দ নেই, চাহিদা আছে
রাতের খাবারে মাংস বাড়ায় মৃত্যুঝুঁকি
দুপুরের খাবার ১৫ টাকায়

মন্তব্য

শিক্ষা
Students protest over the organization of former Chhatra League leaders in Buet

বুয়েটে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের আয়োজন ঘিরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ

বুয়েটে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের আয়োজন ঘিরে শিক্ষার্থীদের বিক্ষোভ বুয়েটে সাবেক ছাত্রলীগ নেতাদের এক আয়োজনকে কেন্দ্র করে বিক্ষোভ করেছেন শিক্ষার্থীরা। ছবি: নিউজবাংলা
রাত ৮টার দিকে বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা যখন ক্যাফেটরিয়া থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন শিক্ষার্থীরা ‘ছাত্রলীগের ঠিকানা এই বুয়েটে হবে না’ বলেও স্লোগান দেন। এ সময় বুয়েটের বিভিন্ন ব্যাচের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

শিক্ষার্থী আবরার হত্যার পর বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে (বুয়েট) সব ধরনের রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিষিদ্ধ করে কর্তৃপক্ষ। রাজনীতি নিষিদ্ধের মধ্যেই ক্যাম্পাসে জাতীয় শোক দিবস উপলক্ষে দোয়া ও আলোচনা সভার আয়োজন করে বুয়েট ছাত্রলীগের সত্তর ও আশির দশকের সাবেক নেতারা। এ ঘটনার প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা।

শনিবার বিকেল ৫টা থেকে বুয়েট ক্যাফেটরিয়ার সেমিনারে বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, বুয়েটের সাবেক নেতাদের ব্যানারে আলোচনা সভা ও দোয়া অনুষ্ঠান শুরু হয়।

খবর পেয়ে সন্ধ্যা ৬টা থেকে সাধারণ শিক্ষার্থীরা ক্যাফেটরিয়ার বাইরে জড়ো হতে থাকেন।

এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে ‘ছাত্ররাজনীতির ঠিকানা, এই বুয়েটে হবে না’, ‘আমার ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দেব না’ ইত্যাদি লেখাসংবলিত প্ল্যাকার্ড দেখা যায়।

রাত ৮টার দিকে বুয়েট ছাত্রলীগের সাবেক নেতারা যখন ক্যাফেটরিয়া থেকে বেরিয়ে যাচ্ছিলেন, তখন শিক্ষার্থীরা ‘ছাত্রলীগের ঠিকানা এই বুয়েটে হবে না’ বলেও স্লোগান দেন। এ সময় বুয়েটের বিভিন্ন ব্যাচের পাঁচ শতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।

তার কিছুক্ষণ পর আশির দশকে বুয়েট ছাত্রলীগের এক নেতা শিক্ষার্থীদের সামনে আসেন। বলেন, ‘আমরা শুধুমাত্র জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এবং তার পরিবারের সদস্যদের জন্য দোয়া করতে আসছি।’

তখন শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুকে আমরা সবাই ভালোবাসি। বঙ্গবন্ধু সবার। ওনার জন্য দোয়া করতে ছাত্রলীগের ব্যানার কেন ব্যবহার করতে হবে? বিশ্ববিদ্যালয় তো ওনার জন্য দোয়া করতই।’

শিক্ষার্থীরা বলেন, ‘শোক দিবস পালন নিয়ে আমাদের কোনো আপত্তি নেই। আমাদের আপত্তি ব্যানারে ছাত্রলীগ শব্দ ব্যবহারে।’

সাবেক ওই ছাত্রলীগ নেতা বলেন, ‘আমরা জানি বুয়েটে ছাত্ররাজনীতি নিষিদ্ধ। আমাদের প্রোগ্রামে ছাত্রলীগের কোনো শিক্ষার্থী ছিল না। সবাই সত্তর-আশির দশকের নেতৃবৃন্দ ছিল। আমরা সবাই সাবেক।’

এ সময় শিক্ষার্থীরা বলে উঠেন, ‘সাবেক ছাত্রলীগই আবরার ভাইকে হত্যা করেছে। আপনারাই আবরার ভাইকে হত্যা করেছেন।’

শিক্ষার্থীরা তখন ‘ছাত্রলীগ খুনি’ বলে স্লোগান দেয়া শুরু করলে সাবেক নেতারা বেরিয়ে যান।

২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে বুয়েটের শের-ই-বাংলা হলে আবরার ফাহাদ রাব্বীকে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। এই ঘটনায় সংশ্লিষ্ট সবাই বুয়েটের শিক্ষার্থী।

হত্যার ঘটনায় ১৯ জনকে আসামি করে পরদিন ৭ অক্টোবর রাজধানীর চকবাজার থানায় একটি হত্যা মামলা করেন নিহতের বাবা বরকত উল্লাহ।

আবরার হত্যার ঘটনায় বিক্ষোভে ফেটে পড়ে বুয়েটের শিক্ষার্থীরা। লাগাতার বিক্ষোভ আন্দোলনের পর ক্যাম্পাসে ছাত্র রাজনীতি নিষিদ্ধ করে কর্তৃপক্ষ।

মামলাটির বিচারিক কাজ শেষে গত বছরের ৮ ডিসেম্বর ২০ জনের মৃত্যুদণ্ড ও ৫ জনের যাবজ্জীবন কারাদণ্ডের রায় দেন ঢাকার দ্রুত বিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামান।

আরও পড়ুন:
অস্ত্র দিয়ে ফাঁসানোর অভিযোগে পুলিশের বিরুদ্ধে মামলা
উপজেলা ছাত্রলীগ সম্পাদকের বিরুদ্ধে গৃহবধূর ধর্ষণ মামলা
কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
ছাত্রলীগের পদ ছাড়াই বিদায় নিতে হবে অনেক কর্মীকে
চবি ছাত্রলীগের কমিটিতে ‘বিতর্কিত’ নেতার ছড়াছড়ি

মন্তব্য

শিক্ষা
Application for admission of engineering batch started on August 20

২০ আগস্ট শুরু প্রকৌশল গুচ্ছের ভর্তির আবেদন

২০ আগস্ট শুরু প্রকৌশল গুচ্ছের ভর্তির আবেদন ফাইল ছবি
ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. কে এম আজহারুল হাসান বলেন, মেধাস্থান প্রাপ্ত সব প্রার্থীকে আগামী ২০ আগস্ট থেকে ভর্তি সংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে।

দেশের তিনটি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে ২০২১-২০২২ শিক্ষাবর্ষের স্নাতক প্রথম বর্ষের গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি কার্যক্রম আগামী ২০ আগস্ট শুরু হবে। চলবে ২৭ আগস্ট পর্যন্ত। পরবর্তী সময়ে ২৮ আগস্ট একযোগে তিনটি বিশ্ববিদ্যালয়ে ভর্তি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হবে।

কেন্দ্রীয় ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. কে এম আজহারুল হাসান এবং সদস্যসচিব অধ্যাপক ড. মোহাম্মাদ আবু ইউসুফ শুক্রবার রাতে নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানিয়েছেন। এর আগে ভর্তি বিজ্ঞপ্তিও প্রকাশ করা হয়েছে বলে জানান তারা।

যে তিন প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ে গুচ্ছ পদ্ধতির ভর্তি পরীক্ষা হবে সেগুলো হলো চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট), খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট) এবং রাজশাহী প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়।

ভর্তি কমিটির সভাপতি অধ্যাপক ড. কে এম আজহারুল হাসান বলেন, মেধাস্থান প্রাপ্ত সব প্রার্থীকে আগামী ২০ আগস্ট থেকে ভর্তিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে।

ভর্তি প্রক্রিয়া সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পরীক্ষাসংক্রান্ত ওয়েবসাইট www.admissionckruet.ac.bd এই লিংকে আবেদন করা যাবে।

এতে আরও বলা হয়েছে, মেধাস্থানপ্রাপ্ত সব প্রার্থীকে আগামী ২০ আগস্ট থেকে ভর্তিসংক্রান্ত ওয়েবসাইটে প্রবেশ করে প্রয়োজনীয় তথ্য পূরণ করতে হবে। একই সঙ্গে বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগের পছন্দক্রম প্রদান করতে হবে।

ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগের জন্য ৩৯টি পছন্দসহ একটি পছন্দক্রম পূরণ করতে হবে। এ ছাড়া স্থাপত্য বিভাগের জন্য ৩টি পছন্দসহ আলাদা একটি পছন্দক্রম পূরণ করতে হবে। ওয়েবসাইটে দেয়া তথ্য ও পছন্দক্রম ২৭ আগস্ট দুপুর ১২টা পর্যন্ত প্রার্থীরা পরিবর্তন করতে পারবেন।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, চুয়েট, কুয়েট ও রুয়েট কেন্দ্রে একযোগে ভর্তি কার্যক্রম অনুষ্ঠিত হবে। প্রার্থী যে কেন্দ্রে ভর্তি পরীক্ষায় অংশ নিয়েছেন ওই কেন্দ্রেই উপস্থিত হয়ে ভর্তির জন্য প্রয়োজনীয় কার্যক্রম সম্পন্ন করতে হবে।

এর আগে বৃহস্পতিবার দুপুরে দেশের তিনটি প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণকারী প্রার্থীদের মেধাস্থান অনুযায়ী মেধাতালিকা প্রকাশ, বিশ্ববিদ্যালয় ও বিভাগ পছন্দ প্রদানের নির্দেশনা, ভর্তির নিয়মাবলি ও ভর্তির তারিখ প্রকাশিত হয়।

গত ৪ জুলাই ভর্তি পরীক্ষায় অংশগ্রহণের জন্য যোগ্য প্রার্থীদের তালিকা প্রকাশ করা হয়। অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু হয় ৬ জুন সকাল ১০টা থেকে এবং শেষ হয় ১৯ জুন বিকেল ৫টায়।

ভর্তির তারিখ, ওরিয়েন্টেশন, ক্লাস শুরুর তারিখ ও সময় এবং ভর্তিসংক্রান্ত অন্য বিজ্ঞপ্তি প্রত্যেক বিশ্ববিদ্যালয়ের নোটিশ বোর্ড, নিজস্ব ওয়েবসাইট এবং সমন্বিত ভর্তি পরীক্ষার ওয়েবসাইটে জানানো হবে।

গত বছরও এসব বিশ্ববিদ্যালয় গুচ্ছ পদ্ধতিতে ভর্তি পরীক্ষা নিয়েছিল। এবার ভর্তি পরীক্ষার নেতৃত্বে রয়েছে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (কুয়েট)। গতবারের পরীক্ষার নেতৃত্বে ছিল চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (চুয়েট)।

প্রকৌশল গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষার আহ্বায়ক এবং খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. কাজী সাজ্জাদ হোসেন নিউজবাংলাকে বলেন, এবার ভর্তীচ্ছুদের খাতা খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে মূল্যায়ন করা হয়েছে। সেখানে রাজশাহী ও চট্টগ্রাম প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।

গত ৬ আগস্ট প্রকৌশল গুচ্ছের ভর্তি পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হয়। এবার চুয়েট কেন্দ্রে ‘ক’ বিভাগে ৮ হাজার ৭৪০ জন এবং ‘খ’ বিভাগে ৭৩৭ জন মিলিয়ে মোট ৯ হাজার ৪৭৭ জন পরীক্ষার্থী; কুয়েট কেন্দ্রে ‘ক’ বিভাগে ৮ হাজার ৫৫৩ জন এবং ‘খ’ বিভাগে ৮৭০ জন মিলিয়ে মোট ৯ হাজার ৪২৩ জন পরীক্ষার্থী পরীক্ষার্থীয় অংশগ্রহণ করছেন।

রুয়েট কেন্দ্রে সর্বমোট ৯ হাজার ৪৯৫ জন ভর্তীচ্ছু অংশ নিচ্ছে। ‘ক’ গ্রুপের ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগগুলো এবং নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগে সর্বমোট ৮ হাজার ৮৭৩ জন এবং ‘খ’ গ্রুপে ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগগুলোতে নগর ও অঞ্চল পরিকল্পনা বিভাগ এবং স্থাপত্য বিভাগে অংশ নিয়েছেন ৬২২ জন ভর্তীচ্ছু শিক্ষার্থী।

আরও পড়ুন:
গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটে পাস ৫৫.৬৩%
গুচ্ছের ‘এ’ ইউনিটের প্রশ্ন নিয়ে নানা ‘প্রশ্ন’
রাজধানীর যে ৮ কেন্দ্রে গুচ্ছ ভর্তি পরীক্ষা

মন্তব্য

শিক্ষা
4 Chhatra League leaders fight in Chabi due to trial at home

বাসায় বিচার দেয়ায় চবিতে ৪ ছাত্রলীগ নেত্রীর মারামারি

বাসায় বিচার দেয়ায় চবিতে ৪ ছাত্রলীগ নেত্রীর মারামারি ছবি: নিউজবাংলা
ঘটনার তদন্তে হলের সিনিয়র শিক্ষক ড. শাহ আলমকে আহ্বায়ক, আবাসিক শিক্ষক উম্মে হাবিবাকে সদস্যসচিব, সহকারী প্রক্টর আহসানুল কবির ও হাসান মুহাম্মদ রোমানকে সদস্য করে কমিটি করা হয়েছে।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের খালেদা জিয়া হলে মারামারিতে জড়িয়েছেন শাখা ছাত্রলীগের ৪ নেত্রী। এ ঘটনায় শুক্রবার রাতে চার সদস্যের একটি তদন্ত কমিটি করেছে হল প্রশাসন।

এ ছাড়া শৃঙখলা ভঙ্গ, খারাপ আচরণ ও হলের পরিবেশ নষ্টের অভিযোগে তাদের একজনকে শোকজ করা হয়েছে।

কমিটিতে হলের সিনিয়র শিক্ষক ড. শাহ আলমকে আহ্বায়ক, আবাসিক শিক্ষক উম্মে হাবিবাকে সদস্যসচিব, সহকারী প্রক্টর আহসানুল কবির ও হাসান মুহাম্মদ রোমানকে সদস্য করা হয়েছে।

বৃ্হস্পতিবার রাতে খালেদা জিয়া হলে মারামারির ওই ঘটনাটি ঘটে। এতে অংশ নেয়া ছাত্রলীগ নেত্রীরা হলেন শাখা ছাত্রলীগের নতুন কমিটির উপ-স্কুল বিষয়ক সম্পাদক সীমা আরা শিমু, উপছাত্রী বিষয়ক সম্পাদক সাজমুন নাহার ইষ্টি, উপ-কৃষি শিক্ষা সম্পাদক নির্জনা ইসলাম, উপ-তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক তাসফিয়া জাসারাত নোলক।

এদের মধ্যে হলের সাধারণ ছাত্রীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তাসফিয়া জাসারাত নোলককে শোকজ করা হয়েছে। ছাত্রীদের অভিযোগ, নোলক অসৌজন্যমূলক ও ঔদ্ধত্যপূর্ণ আচরণ করে হলের পরিবেশ নষ্ট করছেন।

খালেদা জিয়া হলের প্রভোস্ট অধ্যাপক ড. মো. সাইদুল ইসলাম সোহেল নিউজবাংলাকে জানান, হলের ২০৩ নম্বর কক্ষে ছাত্রীরা মারামারি করে। এ ঘটনায় তারা পাল্টাপাল্টি অভিযোগ দিয়েছে।

এক পক্ষ অভিযোগ করেছে, নোলক ও নির্জনার পরিবারের কাছে ফোন দিয়ে ইষ্টি বিচার দিয়েছিলেন। পরে কেন তাদের পরিবারের কাছে ফোন করা হয়েছে, ওই বিষয়ে জানতে চাইলে তর্কাতর্কি ও হাতাহাতির ঘটনা ঘটে।

অপর পক্ষের অভিযোগ, ইষ্টি তার পরিচিত সিনিয়র সীমা আরা শিমুকে ফোন করে নিয়ে আসেন তর্কাতর্কির সময়। শিমু এসে তাদের ছাড়ানোর চেষ্টা করেন।

শিমুর অভিযোগ, এ সময় তার গেঞ্জিতে টান দেয় অন্য পক্ষ। এতে তিনি আহত হন। একই অভিযোগ নোলকও করেছেন।

প্রভোস্ট বলেন, ‘কে অভিযুক্ত, কে ভুক্তভোগী সেটা তদন্তের পর বের করা যাবে।’

এ বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর ড. রবিউল হাসান ভুঁইয়া বলেন, ‘আমরা বিষয়টি জেনেছি। বিষয়টি নিয়ে হল প্রশাসন সিদ্ধান্ত নেবে।’

আরও পড়ুন:
কলেজছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে ছাত্রলীগ নেতাসহ ৫ জনের বিরুদ্ধে মামলা
ছাত্রলীগের পদ ছাড়াই বিদায় নিতে হবে অনেক কর্মীকে
চবি ছাত্রলীগের কমিটিতে ‘বিতর্কিত’ নেতার ছড়াছড়ি
বরগুনায় যুবদলের মিছিলে ছাত্রলীগের হামলার অভিযোগ
জাবিতে সাংবাদিক নির্যাতনের ঘটনা তদন্তে কমিটি

মন্তব্য

শিক্ষা
Stories made and sold in my name by the top people of DU Samia

আমার নামে গল্প বানিয়ে বিক্রি করেছে ঢাবির শীর্ষ ব্যক্তিরা: সামিয়া

আমার নামে গল্প বানিয়ে বিক্রি করেছে ঢাবির শীর্ষ ব্যক্তিরা: সামিয়া সামিয়া রহমান। ফেসবুক থেকে নেয়া
সামিয়া রহমান লিখেছেন, ‘ধৈর্য নিয়ে অপেক্ষা করেছি। সৃষ্টিকর্তা পরীক্ষা করলেও শেষ পর্যন্ত ন্যায়বিচার করেন বলেই বোধ হয় উচ্চ আদালত প্রমাণ দিয়েছে ওদের সিদ্ধান্ত অবৈধ। গত ৬ বছর ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ ব্যক্তিরা আমার নামে নানা গল্প বানিয়ে বছরের পর বছর গণমাধ্যমে বিক্রি করেছে।’

৬ বছর ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শীর্ষপদের ব্যক্তিরা তার নামে নানা গল্প বানিয়ে গণমাধ্যমে বিক্রি করেছেন বলে অভিযোগ তুলেছেন সামিয়া রহমান, যাকে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ পদাবনতি দেয়ার পর সম্প্রতি সেই আদেশ আবার অবৈধ ঘোষণা করেছে হাইকোর্ট।

শুক্রবার সকালে নিজের ফেসবুক অ্যাকাউন্টে এক পোস্টে ওই বিষয় নিয়ে কথা বলেন তিনি। ঢাবি কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে এ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন গণযোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের এই সাবেক শিক্ষক।

বর্তমানে দেশের বাইরে থাকা সামিয়া রহমান লিখেছেন, ‘গত ৬টা বছর ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষপদের ব্যক্তিদের হিংসা, প্রতিহিংসা, নোংরামি, ষড়যন্ত্র দেখতে দেখতে কখনো মনে হতো, আমিও ওদের মতোই ওদের ঘৃণা করি, ওদের প্রকৃত চরিত্র উন্মোচন করি।

‘আবার পরে মনে হতো, তাহলে আমিও তো ওদের পর্যায়েই নোংরামিতে নেমে গেলাম। তফাত আর থাকল কোথায়- মানুষে আর অমানুষে।’

তিনি লিখেছেন, ‘ধৈর্য নিয়ে অপেক্ষা করেছি। সৃষ্টিকর্তা পরীক্ষা করলেও শেষ পর্যন্ত ন্যায় বিচার করেন বলেই বোধহয় উচ্চ আদালত প্রমাণ দিয়েছে ওদের সিদ্ধান্ত অবৈধ। গত ৬ বছর ধরে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শীর্ষ ব্যক্তিরা আমার নামে নানা গল্প বানিয়ে বছরের পর বছর গণমাধ্যমে বিক্রি করেছে।’

সামিয়া ফেসবুকে লিখেছেন, ‘আমাকে তারা হুমকি-ধমকির মধ্যে রেখেছিল ক্রমাগত। আমি চাকরি না ছাড়লে, আমি গণমাধ্যমে বক্তব্য দিলে আমার ক্ষতি করবে- এমন প্রচণ্ড চাপের মধ্যে বছরের পর বছর আমি ছিলাম।

‘যে লেখাটিতে আমি জড়িত ছিলাম না, আমার স্বাক্ষর ছিল না, সেই লেখাটি নিয়ে আমার বিরুদ্ধে তারা ষড়যন্ত্র করে গেছে বছরের পর বছর। শিকাগো প্রেসের নাম করে মিথ্যা ফেইক চিঠি তৈরি করে আমার বিরুদ্ধে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন তদন্ত শুরু করে।’

এই শিক্ষক ফেসবুকে আরও লিখেছেন, ‘আদালতে তো প্রমাণিত হয়েছেই এটি মিথ্যা, ফেইক চিঠি। ট্রাইব্যুনাল বলেছে, প্লেজারিজম হয়নি। অথচ বিশ্ববিদ্যালয় শাস্তি দিল। কিসের ভিত্তিতে? এমনকি ট্রাইব্যুনালের রায়ের কপি পর্যন্ত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় আমাকে দিতে চায়নি মাসের পর মাস, পাছে সত্যি প্রমাণ হয়ে যায়।

‘মারজানের লিখিত স্বীকারোক্তিতে তার লেখা জমা দেবার, রিভিউ করা, স্বাক্ষর করার প্রমাণ ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে থাকা সত্ত্বেও একবারের জন্যও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বর্তমান প্রশাসন গণমাধ্যমে সেটি প্রকাশ করেনি। একবারের জন্যও প্রকাশ করেনি যে আমার কাছ থেকে তারা কোনো লেখা পায়নি এবং ডিন অফিস থেকেও কোনো লেখা আমার কাছে রিভিউ করার জন্য আসেনি।’

আমার নামে গল্প বানিয়ে বিক্রি করেছে ঢাবির শীর্ষ ব্যক্তিরা: সামিয়া

বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আগাম অবসর চেয়ে করা সামিয়া রহমানের আবেদন সম্প্রতি গ্রহণ করে তাকে অবসরের অনুমতি দিয়েছে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়। পাশাপাশি তার কাছ থেকে ১১ লাখ ৪১ হাজার ৬০১ টাকা পাবে জানিয়ে এই টাকা পরিশোধের নির্দেশ দেয়া হয়েছে।

ওই প্রসঙ্গে ফেসবুক পোস্টে তিনি লিখেছেন, ‘সবচেয়ে হাস্যকর বিষয় ৪ আগস্ট মামলায় হেরে বর্তমান প্রশাসন ৮ আগস্ট আমার কাছে টাকা দাবি করে একটা ই-মেইল পাঠায়। যে ই-মেইল ৮ আগস্ট পাঠানো, কিন্তু এর ভেতরে ব্যাক ডেটে হাতে লেখা ৩ আগস্ট। মামলায় হেরে যেয়ে কি এখন এই প্রতিহিংসা? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আমার কোনো দেনা নেই। বরং বিশ্ববিদ্যালয়ের কাছে আমার পাওনা আছে। আদালতে লড়াই করেছি। করে যাব। সৃষ্টিকর্তা বলেতো একজন আছেন। তিনিই ন্যায়বিচার করবেন।’

২০১৬ সালের ডিসেম্বরে সামিয়া রহমান ও সৈয়দ মাহফুজুল হক মারজানের যৌথভাবে লেখা ‘এ নিউ ডাইমেনশন অফ কলোনিয়ালিজম অ্যান্ড পপ কালচার: এ কেস স্টাডি অফ দ্য কালচারাল ইম্পেরিয়ালিজম’ শিরোনামের আট পৃষ্ঠার একটি গবেষণা প্রবন্ধ বিশ্ববিদ্যালয়ের ‘সোশ্যাল সায়েন্স রিভিউ’ জার্নালে প্রকাশ করা হয়।

এটি ১৯৮২ সালের শিকাগো ইউনিভার্সিটির জার্নাল ‘ক্রিটিক্যাল ইনকোয়ারি’তে প্রকাশিত ফরাসি দার্শনিক মিশেল ফুকোঁর ‘দ্য সাবজেক্ট অ্যান্ড পাওয়ার’ নামের একটি নিবন্ধ থেকে প্রায় পাঁচ পৃষ্ঠা হুবহু নকল বলে অভিযোগ ওঠে। ২০১৭ সালের সেপ্টেম্বরে এক লিখিত অভিযোগের মাধ্যমে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে এই চুরির কথা জানিয়েছিল ইউনিভার্সিটি অফ শিকাগো প্রেস।

শুধু ফুকোঁই নন, বুদ্ধিজীবী এডওয়ার্ড সাঈদের ‘কালচার অ্যান্ড ইম্পেরিয়ালিজম’ বইয়ের পাতার পর পাতা সামিয়া ও মারজান হুবহু নকল করেন বলে অভিযোগ ওঠে। তার পরিপ্রেক্ষিতে ২০১৭ সালের ২৭ সেপ্টেম্বর ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের তৎকালীন উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) অধ্যাপক নাসরীন আহমেদকে প্রধান করে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করে বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেট।

দীর্ঘদিন তদন্ত শেষে গত বছর ওই কমিটি প্রতিবেদন জমা দেয়। ওই প্রতিবেদনে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ায় ২৯ অক্টোবর তাদের অ্যাকাডেমিক অপরাধের শাস্তির সুপারিশ করতে আইন অনুষদের ভারপ্রাপ্ত ডিন ও সিন্ডিকেট সদস্য অধ্যাপক মো. রহমত উল্লাহকে আহ্বায়ক করে একটি ট্রাইব্যুনাল গঠন করা হয়। ট্রাইব্যুনাল বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে শাস্তির বিষয়ে সুপারিশ জমা দিলে সিন্ডিকেটের সভায় চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়।

গবেষণায় চৌর্যবৃত্তির বিষয়টি প্রমাণ পাওয়ার পর ২০২১ সালের ২৮ জানুয়ারি সিন্ডিকেট সভায় তাকে এক ধাপ পদাবনতি দিয়ে সহকারী অধ্যাপক করা হয়। তবে এই আদেশের বিরুদ্ধে তিনি উচ্চ আদালতে যান।

গত ৪ আগস্ট সামিয়া রহমানকে পদাবনতির আদেশ অবৈধ ও বাতিল ঘোষণা করে হাইকোর্ট। একই সঙ্গে সহযোগী অধ্যাপক হিসেবে তাকে সব সুযোগ-সুবিধা ফিরিয়ে দেয়ার নির্দেশ দেয় আদালত। তবে আগেই সামিয়া আগাম অবসরের আবেদন করায় এবং সেটি কর্তৃপক্ষ গ্রহণ করায় আপাতত ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ে তার শিক্ষকতা করা হচ্ছে না।

আরও পড়ুন:
সামিয়াকে আগাম অবসর, সাড়ে ১১ লাখ টাকা পাওনা দাবি ঢাবির
সামিয়াকে পদ ফিরিয়ে দিতে বলল হাইকোর্ট
গবেষণায় চুরি ধরতে ঢাবিতে সফটওয়্যার উদ্ভাবন

মন্তব্য

শিক্ষা
One day a week online class in Shabi on energy and electricity saving

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শাবিতে সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে ক্লাস

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে শাবিতে সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে ক্লাস শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় ফটক। ছবি: সংগৃহীত
শাবিপ্রবি রেজিস্ট্রার বলেন, ‘সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে ক্লাস নিলে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় হবে। সাশ্রয়ের লক্ষ্যে প্রতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবহন পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। সপ্তাহের অন্য দিনও পরিবহন সেবা কিছুটা হ্রাস করা হবে।’

জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের লক্ষ্যে সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (শাবিপ্রবি) প্রশাসন।

শুধু বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়া হবে। এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ের সব ধরনের পরিবহন সেবা বন্ধ থাকবে। সপ্তাহের অন্য দিনও পরিবহন সেবা কিছুটা শিথিল করার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে।

বৃহস্পতিবার বিকেলে এসব সিদ্ধান্তের কথা জানান বিশ্ববিদ্যালয়ের রেজিস্ট্রার মুহাম্মদ ইশফাকুল হোসেন।

তিনি বলেন, উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদের সভাপতিত্বে সভায় এ সিদ্ধান্ত নেয়া হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. মো. আনোয়ারুল ইসলামসহ বিভিন্ন অনুষদের ডিন ও বিভাগীয় প্রধানরা সভায় উপস্থিত ছিলেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন উপদেষ্টা কমিটির সুপারিশের আলোকে এসব সিদ্ধান্ত হয়।

রেজিস্ট্রার বলেন, ‘সপ্তাহে এক দিন অনলাইনে ক্লাস নিলে ২০ শতাংশ বিদ্যুৎ ও জ্বালানি সাশ্রয় হবে। সাশ্রয়ের লক্ষ্যে প্রতি সপ্তাহে বৃহস্পতিবার অনলাইনে ক্লাস নেয়ার সিদ্ধান্ত নেয়া হয়। নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এদিন বিশ্ববিদ্যালয়ে পরিবহন পুরোপুরি বন্ধ থাকবে। সপ্তাহের অন্য দিনও পরিবহন সেবা কিছুটা হ্রাস করা হবে।’

এ বিষয়ে উপাচার্য অধ্যাপক ফরিদ উদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আন্তর্জাতিক সমস্যার কারণে সৃষ্ট জাতীয় এ সমস্যায় আমরা দেশবাসীর পাশে থাকতে চাই। করোনা মহামারিতে ক্যাম্পাসে করোনা পরীক্ষার ব্যবস্থা করে দেশের মানুষের পাশে ছিল এই বিশ্ববিদ্যালয়। এবারও জ্বালানি ও বিদ্যুৎ সাশ্রয় করে আমরা মানুষের পাশে থাকব।’

এই সিদ্ধান্তে শিক্ষার্থীরা যেন কোনো ধরনের ক্ষতির সম্মুখীন না হয় সে ব্যাপারে বিভাগীয় প্রধান ও শিক্ষকদের দৃষ্টি রাখার আহ্বান জানিয়েছেন ভিসি।

আরও পড়ুন:
বাড়তি ভাড়া: বাসমালিকদের সুমতির আশায় কাদের
বিআরটিএ ঘুমিয়ে, ফায়দা নিয়েই যাচ্ছে রাইদা
জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি চ্যালেঞ্জ করে রিট
ঢাকা-ব‌রিশাল রু‌টে লঞ্চের খরচ বেড়ে দ্বিগুণ
পাম্পে পাম্পে হানা, কম তেলে জরিমানা

মন্তব্য

p
উপরে