× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট আমাদের সম্পর্কে যোগাযোগ প্রাইভেসি পলিসি

শিক্ষা
Corona Vaccine An initiative to create profiles for primary students
hear-news
player
print-icon

করোনার টিকা: প্রাথমিক শিক্ষার্থীদের প্রোফাইল তৈরির উদ্যোগ

করোনার-টিকা-প্রাথমিক-শিক্ষার্থীদের-প্রোফাইল-তৈরির-উদ্যোগ
সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্মসনদের মাধ্যমে বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত করার নির্দেশনা রয়েছে। শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য বর্তমান সরকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের কোভিড-১৯-এর টিকা কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ জন্য সব ছাত্র-ছাত্রীর জন্মসনদ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

করোনা প্রতিরোধী টিকা দিতে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের প্রোফাইল তৈরির উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। এর অংশ হিসেবে আগামী ২৫ জুলাইয়ের মধ্যে শিক্ষার্থীদের তথ্য সফটওয়্যারে এন্ট্রি দেয়ার নির্দেশনা দিয়েছে প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর।

মঙ্গলবার প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (বিদ্যালয়-২) নাসরিন সুলতানার সই করা অফিস আদেশ থেকে এ তথ্য জানা যায়।

এতে বলা হয়, সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের জন্মসনদের মাধ্যমে বিদ্যালয়ে ভর্তি নিশ্চিত করার নির্দেশনা রয়েছে। শিশু স্বাস্থ্য সুরক্ষার জন্য বর্তমান সরকার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাত্র-ছাত্রীদের কোভিড-১৯-এর টিকা কার্যক্রমের আওতায় নিয়ে আসার সিদ্ধান্ত নিয়েছেন। এ জন্য সব ছাত্র-ছাত্রীর জন্মসনদ নিশ্চিত করা প্রয়োজন।

আরও বলা হয়, এখনও যেসব শিশু শিক্ষার্থী জন্মনিবন্ধনহীন, তাদের জরুরি ভিত্তিতে জন্মনিবন্ধন সম্পন্ন করে, প্রধান শিক্ষক যাচাই করে সংরক্ষণের উদ্যোগ নেবেন। সে সঙ্গে উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার, সহকারী উপজেলা/থানা শিক্ষা অফিসার সংরক্ষিত তথ্যাদি যাচাই পরবর্তী ‘শিক্ষার্থীদের প্রোফাইল তৈরি’ সফটওয়্যারে এন্ট্রি নিশ্চিত করবেন।

২৫ জুলাইয়ের মধ্যে সফটওয়্যারে এন্ট্রির নির্দেশনা দেয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ শিক্ষা, তথ্য ও পরিসংখ্যান ব্যুরোর (ব্যানবেইস) ২০২০ সালের জরিপ অনুযায়ী, দেশে সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে ৬৫ হাজার ৫৬৬টি। এসব বিদ্যালয়ে কর্মরত শিক্ষকের সংখ্যা ৩ লাখ ৬৭ হাজার ৪৮০ জন। আর শিক্ষার্থীর সংখ্যা ১ কোটি ৭৬ লাখ ৭ হাজার ২৬৫ জন।

আরও পড়ুন:
করোনায় মৃত্যু ৭, বেড়েছে শনাক্তের হার
করোনায় ৩ মৃত্যু, শনাক্ত ১৭৯০
বিদ্যুৎ সাশ্রয়ে ৯টা-৩টা হতে পারে অফিস সময়
করোনায় ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ১৭২৮
চতুর্থ ঢেউয়ের জন্য দায়ী ওমিক্রনের উপ-ধরন

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Corona death 2 identified 572

করোনায় মৃত্যু ২, শনাক্ত ৫৭২

করোনায় মৃত্যু ২, শনাক্ত ৫৭২ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৪১৩টি নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

গত ২৪ ঘণ্টায় ৫৭২ জনের দেহে করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়েছে ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোববার জানায়, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৪১৩টি নমুনা পরীক্ষা করে শনাক্তের হার ১২ দশমিক ৯৬ শতাংশ।

তবে এ সময়ে করোনাভাইরাসে দুজনের মুত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায় দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয় গত রোববার।

দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ শুরুর পর ১১ আগস্ট প্রথমবারের মতো শনাক্ত হার ৫ শতাংশের নিচে নামে। ওইদিন ৪ হাজার ৮০৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ছিল ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। তার পর থেকে এই হার ওঠানামা করলেও তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়নি।

কিন্তু ৫ সেপ্টেম্বর থেকে বদলে যায় দৃশ্যপট। বাড়তে থাকে করোনা সংক্রমণ। ১৪ দিন ধরে তা ঊর্ধ্বমুখী। মাঝে এক-দুদিন শনাক্তের হার কমলেও তা কখনও ৫-এর নিচে নামেনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

আগের দিন শনিবার করোনা শনাক্তের হার ছিল ১৩ দশমিক ১২ শতাংশ।

এই সময়ে আরও দুই মৃত্যু নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৫৩ জনে দাঁড়াল।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২১ হাজার ৬৯০ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন৩৫৮ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬২ হাজার ৮৭২ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হানছে।

আরও পড়ুন:
পঞ্চম ঢেউয়ের দ্বিতীয় দিনে কমেছে শনাক্তের হার, মৃত্যু ১
করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে বাংলাদেশ
করোনা নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কারিগরি কমিটির ৫ দফা সুপারিশ
মৃত্যুহীন দিনে করোনা শনাক্ত ১৪১
আবারও ১০ ছাড়াল করোনা শনাক্তের হার, মৃত্যু ২

মন্তব্য

শিক্ষা
4 deaths detected in Corona 350

করোনায় ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৫০

করোনায় ৪ মৃত্যু, শনাক্ত ৩৫০ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ২ হাজার ৬৬৮টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩৫০ জনের দেহে।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্তের হার আগের দিনের চেয়ে কমলেও বেড়েছে মৃতের সংখ্যা।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে ২ হাজার ৬৬৮টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩৫০ জনের দেহে। এই সময়ে করোনা শনাক্ত হয়ে চারজনের মৃত্যু হয়েছে।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায় দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয় গত রোববার।

দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ শুরুর পর ১১ আগস্ট প্রথমবারের মতো শনাক্ত হার ৫ শতাংশের নিচে নামে। ওইদিন ৪ হাজার ৮০৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ছিল ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। তার পর থেকে এই হার ওঠানামা করলেও তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়নি।

কিন্তু ৫ সেপ্টেম্বর থেকে বদলে যায় দৃশ্যপট। বাড়তে থাকে করোনা সংক্রমণ। ১৫ দিন ধরে তা ঊর্ধ্বমুখী। মাঝে এক-দুদিন শনাক্তের হার কমলেও তা কখনও ৫-এর নিচে নামেনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর শনিবার জানায়, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ২ হাজার ৬৬৮টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৩৫০ জনের দেহে।

এতে গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার ১৩ দশমিক ১২ শতাংশ। আগের দিন শুক্রবার এই হার ছিল ১৫ দশমিক ৩৮ শতাংশ, যা ছিল পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হওয়ার পর সর্বোচ্চ।

চারজনের মৃত্যু নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৫১ জনে দাঁড়াল।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২১ হাজার ১১৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৩৫০ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬২ হাজার ৫১৪ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হানছে।

মন্তব্য

শিক্ষা
The detection rate of Corona has dropped to 15 percent

করোনায় শনাক্তের হার ছাড়াল ১৫ শতাংশ

করোনায় শনাক্তের হার ছাড়াল ১৫ শতাংশ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৩১টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬২০ জনের দেহে। নতুন শনাক্তদের ৪৭১ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

দেশে গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাসে শনাক্তের হার ছাড়িয়েছে ১৫ শতাংশ, যা দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হওয়ার পর সর্বোচ্চ। এ সময়ে করোনা শনাক্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে একজনের।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায় দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয় গত রোববার।

দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ শুরুর পর ১১ আগস্ট প্রথমবারের মতো শনাক্ত হার ৫ শতাংশের নিচে নামে। ওইদিন ৪ হাজার ৮০৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ছিল ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। তার পর থেকে এই হার ওঠানামা করলেও তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়নি।

কিন্তু ৫ সেপ্টেম্বর থেকে বদলে যায় দৃশ্যপট। বাড়তে থাকে করোনা সংক্রমণ। ১৪ দিন ধরে তা ঊর্ধ্বমুখী। মাঝে এক-দুদিন শনাক্তের হার কমলেও তা কখনও ৫-এর নিচে নামেনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

বৃহস্পতিবার শনাক্তের হার ছিল ১৪ দশমিক ১৩ শতাংশ। এর আগে বুধবার এই হার ছিল ১৪ দশমিক ৭৩ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর শুক্রবার জানায়, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৩১টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬২০ জনের দেহে। নতুন শনাক্তদের ৪৭১ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

এই সময়ে আরও একজনের মৃত্যু নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৪৭ জনে দাঁড়াল।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ২০ হাজার ৭৬৮ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৩৪৫ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬২ হাজার ১৬৪ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হানছে।

আরও পড়ুন:
করোনা: শনাক্তের হার ছাড়াল ১০ শতাংশ
মৃত্যুশূন্য দিনে শনাক্তের হার ৯ ছাড়াল
বাড়ছে করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ২
করোনা শনাক্তের হার ৮ শতাংশ ছাড়াল
মৃত্যুশূন্য দিনে করোনা শনাক্তের হার ৭ ছুঁইছুঁই

মন্তব্য

শিক্ষা
5 deaths due to corona in 24 hours

পঞ্চম ঢেউয়ের তৃতীয় দিনে করোনায় ৫ মৃত্যু

পঞ্চম ঢেউয়ের তৃতীয় দিনে করোনায় ৫ মৃত্যু ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
এই সময়ে দেশে করোনা শনাক্তের হারও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার বেড়ে হয়েছে ১২ দশমিক ৭৩, যা পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হওয়ার পর সর্বোচ্চ।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনাভাইরাস শনাক্ত হয়ে মৃত্যু হয়েছে ৫ জনের। দেশে করোনার পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হওয়ার তৃতীয় দিনে এত মৃত্যু দেখল দেশ।

এই সময়ে দেশে করোনা শনাক্তের হারও বেড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় শনাক্তের হার বেড়ে হয়েছে ১২ দশমিক ৭৩, যা পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হওয়ার পর সর্বোচ্চ।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায় দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয় রোববার।

দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ শুরুর পর ১১ আগস্ট প্রথমবারের মতো শনাক্ত হার ৫ শতাংশের নিচে নামে। ওইদিন ৪ হাজার ৮০৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ছিল ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। তার পর থেকে এই হার ওঠানামা করলেও তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়নি।

কিন্তু ৫ সেপ্টেম্বর থেকে বদলে যায় দৃশ্যপট। বাড়তে থাকে করোনা সংক্রমণ। ১৪ দিন ধরে তা ঊর্ধ্বমুখী। মাঝে এক-দুদিন শনাক্তের হার কমলেও তা কখনও ৫-এর নিচে নামেনি।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

রোববার করোনা শনাক্তের হার ছিল ১২ দশমিক ৭২ শতাংশ। সোমবার করোনা শনাক্তের হার রোববারের চেয়ে কিছুটা কমে হয় ১১ দশমিক ৬০ শতাংশ।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর মঙ্গলবার জানায়, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ৮৩১টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬১৪ জনের দেহে। নতুন শনাক্তদের ৪৬২ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

এই সময়ে আরও পাঁচ মৃত্যু নিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৪৫ জনে দাঁড়াল।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ১৮ হাজার ৮২৯ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২৮৩ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬১ হাজার ২৬০ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হানছে।

আরও পড়ুন:
মৃত্যুশূন্য দিনে শনাক্তের হার ৯ ছাড়াল
বাড়ছে করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ২
করোনা শনাক্তের হার ৮ শতাংশ ছাড়াল
মৃত্যুশূন্য দিনে করোনা শনাক্তের হার ৭ ছুঁইছুঁই
করোনা: বাড়ছে শনাক্তের হার, মৃত্যু ১

মন্তব্য

শিক্ষা
On the second day of the fifth wave the detection rate dropped to 1 death

পঞ্চম ঢেউয়ের দ্বিতীয় দিনে কমেছে শনাক্তের হার, মৃত্যু ১

পঞ্চম ঢেউয়ের দ্বিতীয় দিনে কমেছে শনাক্তের হার, মৃত্যু ১ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
গত ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৫ হাজার ১৭৯টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬০১ জনের দেহে। নতুন শনাক্তদের ৪৯৬ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হওয়ার পরদিন করোনাভাইরাস শনাক্তের হার কিছুটা কমেছে। এ সময়ে মৃত্যু হয়েছে একজনের।

টানা ১৪ দিন ধরে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায় দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয় রোববার।

দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ শুরুর পর ১১ আগস্ট প্রথমবারের মতো শনাক্ত হার ৫ শতাংশের নিচে নামে। ওইদিন ৪ হাজার ৮০৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ছিল ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। তার পর থেকে এই হার ওঠানামা করলেও তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়নি।

কিন্তু ৫ সেপ্টেম্বর থেকে বদলে যায় দৃশ্যপট। বাড়তে থাকে করোনা সংক্রমণ। ১৫ দিন ধরে তা ঊর্ধ্বমুখী। মাঝে এক-দুদিন শনাক্তের হার কমলেও তা কখনও ৫-এর নিচে নামেনি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সর্বশেষ সোমবার জানিয়েছে, করোনা শনাক্তের হার রোববারের চেয়ে কিছুটা কমে হয়েছে ১১ দশমিক ৬০ শতাংশ। রোববার এই হার ছিল ১২ দশমিক ৭২ শতাংশ। সে হিসাবে এক দিনের ব্যবধানে সংক্রমণ কমেছে ১ দশমিক ১২ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সোমবার আরও জানিয়েছে, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৫ হাজার ১৭৯টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৬০১ জনের দেহে। নতুন শনাক্তদের ৪৯৬ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

তবে এই সময়ে নতুন করে একজন মারা যাওয়ায় মোট মৃত্যুর সংখ্যা হয়েছে ২৯ হাজার ৩৪০ জন।

মারা যাওয়া ব্যক্তির বাড়ি ফরিদপুরে, তিনি একটি সরকারি হাসপাতালে চিকিৎসা নিচ্ছিলেন। নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ১৮ হাজার ২১৫ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ৩৬২ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬০ হাজার ৯৭৭ জন।

২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হানছে।

এদিকে করোনা নিয়ন্ত্রণে শনিবার জাতীয় কারিগরি কমিটি ৫ দফা সুপারিশ করেছে।

সর্বক্ষেত্রে শতভাগ সঠিকভাবে মাস্ক পরা ও হাত ধোয়া বা স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের জন্য জনসাধারণকে উৎসাহিত করতে সুপারিশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজের করোনার টিকা যারা নেননি, তাদের টিকা নিতে উদ্বুদ্ধ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

বদ্ধ স্থানে সভা করা থেকে বিরত থাকা ও দাপ্তরিক সভাগুলো যথাসম্ভব ভার্চুয়ালি করার সুপারিশ করেছে কমিটি। অপরিহার্য সামাজিক অনুষ্ঠান বা সভায় মাস্ক পরার সুপারিশ করা হয়েছে।

সেই সঙ্গে বেসরকারি পর্যায়ে কোভিড-১৯ পরীক্ষার ব্যয় কমানোর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কমিটি।

আরও পড়ুন:
বাড়ছে করোনা শনাক্ত, মৃত্যু ২
করোনা শনাক্তের হার ৮ শতাংশ ছাড়াল
মৃত্যুশূন্য দিনে করোনা শনাক্তের হার ৭ ছুঁইছুঁই
করোনা: বাড়ছে শনাক্তের হার, মৃত্যু ১
মৃত্যুশূন্য দিনে শনাক্তের হার ৭ ছুঁই ছুঁই

মন্তব্য

শিক্ষা
Bangladesh in the fifth wave of Corona

করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে বাংলাদেশ

করোনার পঞ্চম ঢেউয়ে বাংলাদেশ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
৫ সেপ্টেম্বর থেকে বদলে যায় দৃশ্যপট। বাড়তে থাকে করোনা সংক্রমণ। ১৪ দিন ধরে তা ঊর্ধ্বমুখী। মাঝে এক-দুদিন শনাক্তের হার কমলেও তা কখনও ৫-এর নিচে নামেনি।

চতুর্থ ঢেউকে নিয়ন্ত্রণে আনতে খুব একটা বেগ পেতে না হলেও তার সুফল ধরে রাখা সম্ভব হয়নি। টানা ১৪ দিন ধরে করোনাভাইরাস শনাক্তের হার ৫ শতাংশের ওপরে থাকায় দেশে পঞ্চম ঢেউ নিশ্চিত হয়েছে।

দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ শুরুর পর ১১ আগস্ট প্রথমবারের মতো শনাক্ত হার ৫ শতাংশের নিচে নামে। ওইদিন ৪ হাজার ৮০৬ জনের নমুনা পরীক্ষায় শনাক্তের হার ছিল ৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ। তার পর থেকে এই হার ওঠানামা করলেও তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়নি।

কিন্তু ৫ সেপ্টেম্বর থেকে বদলে যায় দৃশ্যপট। বাড়তে থাকে করোনা সংক্রমণ। ১৪ দিন ধরে তা ঊর্ধ্বমুখী। মাঝে এক-দুদিন শনাক্তের হার কমলেও তা কখনও ৫-এর নিচে নামেনি।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর সর্বশেষ রোববার জানিয়েছে, করোনা শনাক্তের হার বেড়ে হয়েছে ১২ দশমিক ৭২ শতাংশ।

শুক্রবারের তুলনায় শনিবার এই হার কমে হয়েছিল ৯ দশমিক ৬৬ শতাংশ। কিন্তু রোববার এসে তা বেড়েছে তিন ভাগেরও বেশি।

এক দিনের ব্যবধানে করোনা শনাক্ত বেড়েছে প্রায় ৩ দশমিক শূন্য ৬ শতাংশ।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার তথ্য অনুযায়ী, শনাক্তের হার ৫ শতাংশের নিচে থাকলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে বলা যায়।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তর রোববার আরও জানিয়েছে, এদিন সকাল ৮টা পর্যন্ত পূর্ববর্তী ২৪ ঘণ্টায় দেশে করোনাভাইরাসে ৪ হাজার ১৪৩টি নমুনা পরীক্ষায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ৫২৭ জনের দেহে। নতুন শনাক্তদের ৪৫০ জনই রাজধানী ঢাকার বাসিন্দা।

তবে এই সময়ে নতুন করে কারও মৃত্যুর খবর পাওয়া যায়নি। তাই মোট মৃত্যুর সংখ্যা ২৯ হাজার ৩৩৯ জনে রয়ে গেছে।

নতুন শনাক্ত রোগীদের নিয়ে দেশে এ পর্যন্ত ভাইরাসটিতে আক্রান্ত হয়েছেন ২০ লাখ ১৭ হাজার ৬১৪ জন।

গত ২৪ ঘণ্টায় করোনা থেকে সেরে উঠেছেন ২৮৪ জন। সব মিলিয়ে দেশে এ পর্যন্ত সুস্থ হয়েছেন ১৯ লাখ ৬০ হাজার ৬১৫ জন।
২০২০ সালের ৮ মার্চ দেশে করোনা সংক্রমণ শনাক্ত হওয়ার পর ২০২১ সালের ৩ ফেব্রুয়ারি তা নিয়ন্ত্রণে আসে। মার্চের শেষে আবার দ্বিতীয় ঢেউ আঘাত হানে। সেটি নিয়ন্ত্রণে আসে ওই বছরের ৪ অক্টোবর।

গত ২১ জানুয়ারি দেশে করোনার তৃতীয় ঢেউ দেখা দেয়। প্রায় তিন মাস পর ১১ মার্চ তা নিয়ন্ত্রণে আসে। তিন মাস করোনা স্বস্তিদায়ক পরিস্থিতিতে ছিল। এরপর ধারাবাহিকভাবে বাড়তে শুরু করে সংক্রমণ। তারপর চতুর্থ ঢেউ শেষে এখন পঞ্চম ঢেউ আঘাত হানছে।

এদিকে করোনা নিয়ন্ত্রণে শনিবার জাতীয় কারিগরি কমিটির ৫ দফা সুপারিশ করা হয়েছে।

সব ক্ষেত্রে শতভাগ সঠিকভাবে মাস্ক পরা ও হাত ধোয়া বা স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের জন্য জনসাধারণকে উৎসাহিত করতে সুপারিশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজের করোনার টিকা যারা নেননি, তাদের টিকা নিতে উদ্বুদ্ধ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

বদ্ধ স্থানে সভা করা থেকে বিরত থাকা ও দাপ্তরিক সভাগুলো যথাসম্ভব ভার্চুয়ালি করার সুপারিশ করেছে কমিটি। অপরিহার্য সামাজিক অনুষ্ঠান বা সভায় মাস্ক পরার সুপারিশ করা হয়েছে।

সেই সঙ্গে বেসরকারি পর্যায়ে কোভিড-১৯ পরীক্ষার ব্যয় কমানোর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কমিটি।

আরও পড়ুন:
করোনা শনাক্তের হার ৮ শতাংশ ছাড়াল
মৃত্যুশূন্য দিনে করোনা শনাক্তের হার ৭ ছুঁইছুঁই
করোনা: বাড়ছে শনাক্তের হার, মৃত্যু ১
মৃত্যুশূন্য দিনে শনাক্তের হার ৭ ছুঁই ছুঁই
শনাক্তের হার বেড়ে ৬.৫১, একজনের মৃত্যু

মন্তব্য

শিক্ষা
5 point recommendation of National Technical Committee to control Corona

করোনা নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কারিগরি কমিটির ৫ দফা সুপারিশ

করোনা নিয়ন্ত্রণে জাতীয় কারিগরি কমিটির ৫ দফা সুপারিশ ফাইল ছবি/নিউজবাংলা
বেসরকারি পর্যায়ে কোভিড-১৯ পরীক্ষার ব্যয় কমানোর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কমিটি।

বেসরকারি পর্যায়ে করোনাভাইরাস পরীক্ষার খরচ কমানোর সুপারিশসহ পাঁচ দফা সুপারিশ করেছে কোভিড-১৯-সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটি।

শনিবার রাতে এক বৈঠকে এসব সুপারিশ করা হয়।

কোভিড-১৯-সংক্রান্ত জাতীয় কারিগরি পরামর্শক কমিটির ৫৯তম সভায় সভাপতিত্ব করেন সভাপতি অধ্যাপক মোহাম্মদ সহিদুল্লা।

রোববার সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

দেশে করোনার চতুর্থ ঢেউ শুরুর পর ১১ আগস্ট প্রথমবারের মতো শনাক্ত হার ৫ শতাংশের নিচে নামে। তার পর থেকে এই হার ওঠানামা করলেও তা ৫ শতাংশ ছাড়ায়নি। কিন্তু ৫ সেপ্টেম্বর থেকে করোনার প্রকোপ বেড়ে শুক্রবার তা ছাপিয়ে ১০ দশমিক ৮৭ শতাংশে পৌঁছায়।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নীতিমালা অনুযায়ী, করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে থাকা অবস্থায় শনাক্তের হার পর পর দুই সপ্তাহ ৫ শতাংশের বেশি হলে পরবর্তী ঢেউ ছড়িয়েছে বলে ধরা হবে।

করোনা সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে পাঁচ দফা সুপারিশ করেছেন কারিগরি কমিটির সদস্যরা।

সব ক্ষেত্রে শতভাগ সঠিকভাবে মাস্ক পরা ও হাত ধোয়া বা স্যানিটাইজার ব্যবহার নিশ্চিত করাসহ স্বাস্থ্যবিধি অনুসরণের জন্য জনসাধারণকে উৎসাহিত করতে সুপারিশ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজের করোনার টিকা যারা নেননি, তাদের টিকা নিতে উদ্বুদ্ধ করার সুপারিশ করা হয়েছে।

বদ্ধ স্থানে সভা করা থেকে বিরত থাকা ও দাপ্তরিক সভাগুলো যথাসম্ভব ভার্চুয়ালি করার সুপারিশ করেছে কমিটি।

অপরিহার্য সামাজিক অনুষ্ঠান বা সভায় মাস্ক পরার সুপারিশ করা হয়েছে।

বেসরকারি পর্যায়ে কোভিড-১৯ পরীক্ষার ব্যয় কমানোর পদক্ষেপ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান জানিয়েছে কমিটি।

আরও পড়ুন:
মৃত্যুশূন্য দিনে করোনা শনাক্তের হার ৭ ছুঁইছুঁই
করোনা: বাড়ছে শনাক্তের হার, মৃত্যু ১
মৃত্যুশূন্য দিনে শনাক্তের হার ৭ ছুঁই ছুঁই
শনাক্তের হার বেড়ে ৬.৫১, একজনের মৃত্যু
২০ দিন পর করোনা শনাক্তের হার ৫ শতাংশের বেশি

মন্তব্য

p
উপরে