× হোম জাতীয় রাজধানী সারা দেশ অনুসন্ধান বিশেষ রাজনীতি আইন-অপরাধ ফলোআপ কৃষি বিজ্ঞান চাকরি-ক্যারিয়ার প্রযুক্তি উদ্যোগ আয়োজন ফোরাম অন্যান্য ঐতিহ্য বিনোদন সাহিত্য ইভেন্ট শিল্প উৎসব ধর্ম ট্রেন্ড রূপচর্চা টিপস ফুড অ্যান্ড ট্রাভেল সোশ্যাল মিডিয়া বিচিত্র সিটিজেন জার্নালিজম ব্যাংক পুঁজিবাজার বিমা বাজার অন্যান্য ট্রান্সজেন্ডার নারী পুরুষ পৌর নির্বাচন রেস অন্যান্য স্বপ্ন বাজেট আরব বিশ্ব পরিবেশ কী-কেন ১৫ আগস্ট আফগানিস্তান বিশ্লেষণ ইন্টারভিউ মুজিব শতবর্ষ ভিডিও ক্রিকেট প্রবাসী দক্ষিণ এশিয়া আমেরিকা ইউরোপ সিনেমা নাটক মিউজিক শোবিজ অন্যান্য ক্যাম্পাস পরীক্ষা শিক্ষক গবেষণা অন্যান্য কোভিড ১৯ শারীরিক স্বাস্থ্য মানসিক স্বাস্থ্য যৌনতা-প্রজনন অন্যান্য উদ্ভাবন আফ্রিকা ফুটবল ভাষান্তর অন্যান্য ব্লকচেইন অন্যান্য পডকাস্ট

শিক্ষা
Pre primary time increased
hear-news
player
print-icon

প্রাক-প্রাথমিক দুই বছর

প্রাক-প্রাথমিক-দুই-বছর
শিক্ষার্থীর বয়স চার বছর পূর্ণ হলে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে ভর্তি হবে। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষার্থীর বয়স চার বছর পূর্ণ হলে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে ভর্তি হবে। এ শ্রেণিতে দুই বছর অধ্যয়ন শেষে শিক্ষার্থীর বয়স ছয় বছর পূর্ণ হলে তারা প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হবে। এই দুই বছর প্রাক-প্রাথমিক ১ এবং দ্বিতীয় বছর প্রাক-প্রাথমিক ২ নামে পরিচিত হবে।

নতুন শিক্ষাক্রম অনুযায়ী প্রাক-প্রাথমিকের মেয়াদ আরও এক বছর বাড়ানো হয়েছে। অর্থাৎ আগামী বছর থেকে প্রাক-প্রাথমিকের মেয়াদ হবে দুই বছর, এতদিন যা ছিল এক বছর মেয়াদি। এই দুই বছরের মধ্যে প্রথম বছর হবে প্রাক-প্রাথমিক ১ এবং দ্বিতীয় বছর প্রাক-প্রাথমিক ২।

বৃহস্পতিবার নিউজবাংলাকে এ তথ্য জানান জাতীয় শিক্ষাক্রম ও পাঠ্যপুস্তক বোর্ডের (এনসিটিবি) চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. ফরহাদুল ইসলাম।

তিনি বলেন, ‘আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটে বুধবার জাতীয় শিক্ষাক্রম সমন্বয় কমিটির (এনসিসিসি) সভায় প্রাক-প্রাথমিকের মেয়াদ দুই বছর করার বিষয়টি অনুমোদন দেয়া হয়েছে; যা আগামী বছর থেকে কার্যকর হবে।

‘শিক্ষার্থীর বয়স চার বছর পূর্ণ হলে প্রাক-প্রাথমিক শ্রেণিতে ভর্তি হবে। এ শ্রেণিতে দুই বছর অধ্যয়ন শেষে শিক্ষার্থীর বয়স ছয় বছর পূর্ণ হলে তারা প্রথম শ্রেণিতে উত্তীর্ণ হবে। এই দুই বছর প্রাক-প্রাথমিক ১ এবং দ্বিতীয় বছর প্রাক-প্রাথমিক ২ নামে পরিচিত হবে।’

ইতোমধ্যে প্রাক-প্রাথমিকের কারিকুলাম তৈরি করা হয়েছে জানিয়ে তিনি বলেন, ‘প্রাক-প্রাথমিকের শিক্ষার্থীদের জন্য নতুন কারিকুলাম তৈরি করা হয়েছে। কারিকুলামে শিক্ষার্থীদের খেলার ছলে শেখার বিষয়টিতে জোর দেয়া হয়েছে।’

দেশে প্রথমে ২০১০ সালে স্বল্প পরিসরে প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু হয়। এরপর ২০১৪ সালে সব সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষা চালু হয়।

দেশে এতদিন সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়গুলোতে পাঁচ থেকে ছয় বছর বয়সী শিশুদের জন্য এক বছর মেয়াদি প্রাক-প্রাথমিক শিক্ষাস্তর চালু ছি,। যা ‘শিশু শ্রেণি’ নামে পরিচিত। ইংরেজি মাধ্যম ও কিন্ডারগার্টেনে প্লে, নার্সারি ও কেজি শ্রেণি প্রাক-প্রাথমিক স্তরের মধ্যে পড়ে।

জানা যায়, নতুন শিক্ষাক্রমে প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক পর্যন্ত শিক্ষাব্যবস্থায় বড় ধরনের সংস্কার আনছে সরকার। নতুন শিক্ষাক্রমে প্রাক-প্রাথমিক থেকে উচ্চ মাধ্যমিক স্তর পর্যন্ত পাবলিক পরীক্ষার সংখ্যা কমানো হয়েছে। একই সঙ্গে জোর দেয়া হয়েছে ধারাবাহিক মূল্যায়নে (শিখনকালীন)। অর্থাৎ মূল্যায়ন হবে সারা বছর ধরে চলা বিভিন্ন রকমের শিখন কার্যক্রমের ভিত্তিতে।

নতুন শিক্ষাক্রমে পঞ্চম ও অষ্টম শ্রেণির দুটি পাবলিক পরীক্ষা থাকবে না। একই সঙ্গে তৃতীয় শ্রেণি পর্যন্ত কোনো পরীক্ষাও থাকবে না। আর নবম ও দশম শ্রেণিতে মানবিক, বিজ্ঞান, ব্যবসায় শিক্ষা নামে বিভাগও তুলে দেয়া হবে। সেটি ঠিক হবে উচ্চ মাধ্যমিকে গিয়ে।

২০২৩ সাল থেকে শুরু হবে নতুন শিক্ষাক্রম বাস্তবায়ন। ওই বছর প্রাথমিকে প্রথম শ্রেণি ও দ্বিতীয় আর মাধ্যমিকে ষষ্ঠ ও সপ্তম শ্রেণিতে নতুন কারিকুলাম চালুর কথা ছিল। কিন্তু প্রস্তুতি সম্পন্ন করতে না পারায় ওই বছর দ্বিতীয় শ্রেণিতে নতুন কারিকুলাম চালু সম্ভব হবে না।

এরপর ২০২৪ সালে দ্বিতীয়, তৃতীয়, চতুর্থ, অষ্টম ও নবম শ্রেণি, ২০২৫ সালে পঞ্চম ও দশম শ্রেণি, ২০২৬ সালে একাদশ শ্রেণি এবং ২০২৭ সালে দ্বাদশ শ্রেণিতে চালু হবে নতুন শিক্ষাক্রম।

আরও পড়ুন:
সব স্কুলে হচ্ছে কিশোর-কিশোরী ক্লাব
করোনায় স্কুল ছেড়েছে ৩৫ শতাংশ শিক্ষার্থী

মন্তব্য

আরও পড়ুন

শিক্ষা
Why is Dhaka University at the bottom of the world list?

বিশ্ব তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তলানিতে কেন?

বিশ্ব তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় তলানিতে কেন? ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের লোগো ও কার্জন হল। ছবি কোলাজ: নিউজবাংলা
যেসব সূচকের ওপর ভিত্তি করে র‌্যাংকিং করা হয়, সেগুলোতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান তলানিতে। শিক্ষাবিদদের মতে, গবেষণা ক্ষেত্রে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে এ বিশ্ববিদ্যালয়। এখানকার গবেষণার মান নিচের দিকে। এ ছাড়া শিক্ষক অনুপাতে শিক্ষার্থী অনেক বেশি।

শতবর্ষ পুরোনো ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় বাংলাদেশ ভূখণ্ডের প্রথম বিশ্ববিদ্যালয় এবং এখনও এটি উচ্চশিক্ষার ক্ষেত্রে দেশের শিক্ষার্থীদের কাছে সবচেয়ে আকর্ষণীয় বিদ্যাপীঠ। অথচ বিশ্বজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মানের তালিকায় এ বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান অত্যন্ত করুণ। কোনোটিতে একেবারে তলানিতে; কোনো তালিকায় স্থানই নেই।

বিশ্বজুড়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের মান নিয়ে প্রতি বছর র‌্যাংকিং প্রকাশ করে বেশ কয়েকটি সংস্থা। এর মধ্যে সবচেয়ে গ্রহণযোগ্য হিসেবে ধরা হয় যুক্তরাজ্যভিত্তিক শিক্ষা ও গবেষণা সংস্থা কোয়াকোয়ারেলি সায়মন্ডসের (কিউএস) র‌্যাংকিংকে। গত পাঁচ বছরের মতো এবারও এ তালিকায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান একেবারে পেছনের সারিতে; ৮০১ থেকে হাজারের ঘরে।

র‌্যাংকিংয়ের শুরু যেভাবে

বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিংয়ের ধারণাটি ২০০৩ সালে প্রথম প্রকাশ করেন যুক্তরাজ্যের সিআইবি নেতা রিচার্ড ল্যাম্বার্ট। তিনি ‘দ্য ল্যাম্বার্ট রিভিউ অফ বিজনেস ইউনিভার্সিটি কোলাবোরেশন’ শীর্ষক এক প্রতিবেদনে এ ধারণাটি প্রথম উপস্থাপন করেন। এরপর থেকে বেশ কয়েকটি সংস্থা বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং প্রকাশ শুরু করে। এগুলোর মধ্যে যুক্তরাজ্যের টাইমস হায়ার এডুকেশন (টিএইচই), কিউএস এবং চীন থেকে প্রকাশিত অ্যাকাডেমিক র‌্যাংকিং অফ ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটিজ অন্যতম।

২০০৪ থেকে ২০০৯ সাল পর্যন্ত টিএইচই এবং কিউএস একত্রে বিশ্ববিদ্যালয়ের র‌্যাংকিং প্রকাশ করে, তবে ২০১০ সাল থেকে কিউএস এবং টিএইচই আলাদাভাবে র‌্যাংকিং প্রকাশ করছে।

সর্বশেষ প্রতিবেদনে যা আছে

কিউএস গত ৮ জুন সর্বশেষ র‌্যাংকিং প্রকাশ করে। ‘কিউএস ওয়ার্ল্ড ইউনিভার্সিটি র‌্যাংকিং ২০২৩’ শীর্ষক প্রতিবেদনে ১৪ শতাধিক বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকা প্রকাশ করা হয়।

সেই তালিকায় বিশ্বসেরা ৫০০ বিশ্ববিদ্যালয়ের তালিকায় স্থান নেই বাংলাদেশের কোনো উচ্চশিক্ষা প্রতিষ্ঠানের। এই র‍্যাংকিংয়ে সেরা পাঁচ শর নিচে থাকা বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর সুনির্দিষ্ট অবস্থান প্রকাশ করা হয় না। ফলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান সুনির্দিষ্টভাবে কত নম্বরে, তা উল্লেখ করেনি কিউএস।

এই বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান ৮০১ থেকে হাজারের ঘরে ফেলা হয়েছে। এর অর্থ হচ্ছে র‍্যাংকিংয়ের সেরা ১ হাজারের শেষ ২০০তে অবস্থান করছে এ বিশ্ববিদ্যালয়।

এর আগে কিউএসের ২০১৯, ২০২০ ও ২০২১ সালের র‍্যাংকিংয়েও ঢাবির অবস্থান ছিল ৮০১ থেকে হাজারের মধ্যে। ২০১৮ সালে বাংলাদেশ থেকে শুধু ঢাবি (৭০১-৭৫০তম) এই র‍্যাংকিংয়ে স্থান পায়।

যেভাবে র‌্যাংকিং করা হয়

কিউএস বিশ্ববিদ্যালয়ের র‍্যাংকিং নির্ণয়ে ছয়টি সূচকের মাধ্যমে সামগ্রিক মান নিরূপণ করে থাকে। এসব সূচক হলো শিক্ষক/গবেষকদের খ্যাতি বা অ্যাকাডেমিক খ্যাতি, নিয়োগকর্তা/নিয়োগের খ্যাতি বা চাকরির বাজারে সুনাম, শিক্ষক-শিক্ষার্থী অনুপাত, শিক্ষকপ্রতি গবেষণা উদ্ধৃতি সংখ্যা, আন্তর্জাতিক শিক্ষক অনুপাত এবং আন্তর্জাতিক শিক্ষার্থী অনুপাত।

ঢাবি তলানিতে কেন

যেসব সূচকের ওপর ভিত্তি করে র‌্যাংকিং করা হয় সেগুলোতে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান তলানিতে বলে মনে করেন শিক্ষাবিদরা। তাদের মতে, গবেষণা ক্ষেত্রে সবচেয়ে পিছিয়ে আছে এ বিশ্ববিদ্যালয়। এখানকার গবেষণার মান নিচের দিকে। এ ছাড়া শিক্ষক অনুপাতে শিক্ষার্থী অনেক বেশি। এ কারণেই র‌্যাংকিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এ দশা।

জানতে চাইলে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পদার্থবিজ্ঞান বিভাগের অধ্যাপক ড. কামরুল হাসান মামুন বলেন, ‘র‌্যাংকিংয়ে যেসব বিষয় দেখা হয়, যেমন: বিশ্ববিদ্যালয়ের বাজেট, শিক্ষক নিয়োগ পদ্ধতি, শিক্ষকের মান, গবেষণায় বরাদ্দ, ছাত্ররা কেমন পরিবেশে থাকে, ইত্যাদি বিষয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান কোথায়? যে অবস্থানে আমরা আছি তা-ই তো মিরাকল।’

র‌্যাংকিংয়ে যাওয়ার জন্য যে মানদণ্ডগুলো পূরণ করা দরকার, তার সামর্থ্য ও যোগ্যতা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের নেই বলে মনে করেন এই অধ্যাপক।

গবেষণায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পিছিয়ে থাকার কারণ উল্লেখ করে এ অধ্যাপক বলেন, ‘বাজেটে গবেষণায় বরাদ্দ বাড়াতে হবে, তবে এটাও ঠিক, শুধু বাজেট বাড়ালেই এ অবস্থার পরিবর্তন হবে না। কারণ গবেষণা করার মতো শিক্ষক আগে নিয়োগ দিতে হবে। এটাই তো এখানে হচ্ছে না।

‘একজন শিক্ষক যদি তিন-চার জায়গায় পার্ট টাইম ক্লাস নেন, তাহলে গবেষণা করবেন কীভাবে? অন্য সমস্যাগুলো সমাধান করা সহজ, কিন্তু মানসম্মত গবেষণা চাইলেই সম্ভব না।’

একই ধরনের মত দিলেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা ও গবেষণা ইনস্টিটিউটের অধ্যাপক এম ওহিদুজ্জামান।

তিনি বলেন, ‘র‌্যাংকিংয়ের জন্য যে সূচকগুলো আছে, তার মধ্যে একটা হলো শিক্ষক-শিক্ষার্থীর অনুপাত। আমাদের শিক্ষক-ছাত্রের অনুপাত বেশি। আমাদের অনেক বিভাগে ১৫০ থেকে ২০০ জন শিক্ষার্থী আছে। এখানে তো লেখাপড়া সম্ভব না। শিক্ষার্থী থাকবে ৫০ জন। এটি স্ট্যান্ডার্ড, কিন্তু আমরা সেটি করতে পারছি না বা করি না।’

গবেষণা কম হওয়াও র‌্যাংকিংয়ে পিছিয়ে যাওয়ার কারণ বলে মনে করেন ওহিদুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ে গবেষণা কম হচ্ছে, এ কথা অস্বীকার করার উপায় নেই। এ ছাড়া ডিজিটাল ইনডেক্স থাকা, প্রকাশনাগুলোকে ডিজিটালাইজড করার দিকেও আমাদের নজর দিতে হবে। অর্থাৎ আমরা যে কাজগুলো করছি, সেগুলোকে সিস্টেমে আনা যেন সেগুলো সবাই দেখতে পারে আর সাইটেশন করতে পারে।’

জার্নালের মান এবং ডিগ্রির মান বৃদ্ধি করা উচিত বলেও মনে করেন এ অধ্যাপক। তিনি বলেন, ‘ডিগ্রির মান নির্ণয়ের জন্য একটা নীতিমালা প্রয়োজন। কিশোরগঞ্জ বা মানিকগঞ্জের সংস্কৃতির ইতিহাস নিয়ে যদি পিএইচডি হয়, তাহলে এর থেকে আপনি কী পাবেন? প্রবন্ধ লেখা আর পিএইচডি ডিগ্রি থিসিস পেপার তো এক না। এগুলোই আমাদের বড় সমস্যা। এ জন্যই আমরা বারবার র‌্যাংকিংয়ে পিছিয়ে পড়ছি।’

তিনি আরও বলেন, “বিশ্ববিদ্যালয় থেকে যদি বলা হয় প্রমোশনের জন্য ১৮টা ডিগ্রি লাগবে, তাহলে একজন বছরে ১৬টা করবে। যে নোবেল পুরস্কার পায়, সে তো একটার ওপর গবেষণা করে নোবেল পায়। আমাদের ডিগ্রিগুলো এখন ‘ডিগ্রি ফর প্রমোশন’ হয়ে গেছে। ডিগ্রি ফর প্রমোশন যদি আমরা দিই, তাহলে সেই মানের গবেষণা হবে না। এগুলোর দিকে নজর দেয়া দরকার।”

মানসম্মত গবেষণা না হওয়ার পেছনে ব্যবস্থাকে দায়ী করে তিনি বলেন, ‘পদোন্নতি পেতে কোনো কোনো পদে পাঁচটি গবেষণা থাকতে হয়, কিন্তু ভালো জার্নালে মানসম্মত নিবন্ধ প্রকাশ করতে সময় প্রয়োজন। তাই এ ক্ষেত্রে শিক্ষকরা অনেক সময় তাড়াহুড়ো করে। এসব ক্ষেত্রে ছাড় দিতে হবে। না হলে কখনোই আপনি মানসম্মত গবেষণা পাবেন না।’

বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশনের সাবেক চেয়ারম্যান অধ্যাপক নজরুল ইসলাম মনে করেন, বিশ্ব র‌্যাংকিংয়ে যেসব ক্রাইটেরিয়া পূরণ করতে হয়, তা থেকে অনেক পিছিয়ে আছে দেশের বিশ্ববিদ্যালয়গুলো।

তিনি বলেন, ‘মোট ছয়টি সূচকের ওপর ভিত্তি করে র‌্যাংকিং করা হয়। এই সূচকগুলোতে আমরা অনেক পিছিয়ে আছি। উদাহরণ হিসেবে বলা হয়, অ্যাকাডেমিক খ্যাতি, গবেষণা ও আন্তর্জাতিক শিক্ষক অনুপাতে এগুলোয় আমরা অনেক পিছিয়ে আছি।’

বিশ্ববিদ্যালয়ে মানসম্মত গবেষণা হচ্ছে না বলে মনে করেন নজরুল। তিনি বলেন, ‘আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়গুলোয় মানসম্মত গবেষণা হচ্ছে না। এর জন্য বাজেট, বিশ্ববিদ্যালয় পরিবেশ, নিজের আগ্রহের মতো বিষয়গুলো জড়িত।’

কর্তৃপক্ষ যা বলছে

র‌্যাংকিংয়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অবস্থান এত নিচে কেন জানতে চাইলে উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো আখতারুজ্জামান বলেন, ‘কারা কী র‌্যাংকিং করল, এগুলো এখন একেবারেই দেখি না। কারণ র‌্যাংকিংয়ের জন্য কতগুলো মৌলিক প্যারামিটার আছে, সেই প্যারামিটারগুলো অ্যাড্রেস করার আগে র‌্যাংকিং বিষয়টা ভাবা উচিত নয়। এগুলোর উন্নয়ন না ঘটিয়ে র‌্যাংকিংয়ের বিষয়ে আমরা অ্যাটেনশন দেব না।’

আরও পড়ুন:
ঢাবি শিক্ষার্থীকে পিটিয়ে হলছাড়া করার অভিযোগ
‘বাংলাদেশ জিন্দাবাদ’ স্লোগান দেয়া নিয়ে ঢাবি সিনেটে হট্টগোল
ঢাবির ৯২২ কোটি টাকার বাজেট পাস
মহানবীকে কটূক্তির প্রতিবাদে ঢাবিতে ‘নাত’ পাঠ
ঢাবিতে নারী হেনস্তার বিচার চায় ছাত্র ইউনিয়ন

মন্তব্য

শিক্ষা
Joby received a Skyfinder subscription for the research

গবেষণার জন্য ‘স্কাইফাইন্ডার’ সাবস্ক্রিপশন পেল জবি

গবেষণার জন্য ‘স্কাইফাইন্ডার’ সাবস্ক্রিপশন পেল জবি
স্কাইফাইন্ডার সাবস্ক্রিপশনের ফলে রসায়ন বিভাগ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ফার্মেসি বিভাগ, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগ, প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার ক্ষেত্রে প্রকাশিত সব প্রয়োজনীয় তথ্য জার্নাল, কনফারেন্স, পেপার, অ্যাবস্ট্রাকট, প্যাটেন্ট ইত্যাদি দ্রুত ও সহজে সংগ্রহ করতে পারবে, যা মৌলিক গবেষণা তৈরি ও বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।

আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার জন্য দেশের দ্বিতীয় বিশ্ববিদ্যালয় হিসেবে ‘স্কাইফাইন্ডার’ সাবস্ক্রিপশনের অনুমোদন পেয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি)।

এতে দ্রুত ও সহজে তথ্য সংগ্রহ করে মৌলিক গবেষণা তৈরি ও বাস্তবায়নে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা সহায়তা পাবেন।

বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞান এবং লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদভুক্ত বিভাগসমূহের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার জন্য বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ স্কাইফাইন্ডার সাবস্ক্রিপশনের জন্য আর্থিক ও প্রশাসনিক অনুমোদন করেছে।

স্কাইফাইন্ডার সাবস্ক্রিপশনের ফলে রসায়ন বিভাগ, পদার্থবিজ্ঞান বিভাগ, ফার্মেসি বিভাগ, উদ্ভিদবিজ্ঞান বিভাগ, অণুজীব বিজ্ঞান বিভাগ, প্রাণরসায়ন ও অণুপ্রাণ বিজ্ঞান বিভাগ, জেনেটিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড বায়োটেকনোলজি বিভাগসহ বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীবৃন্দ আন্তর্জাতিক মানের গবেষণার ক্ষেত্রে প্রকাশিত সব প্রয়োজনীয় তথ্য জার্নাল, কনফারেন্স, পেপার, অ্যাবস্ট্রাকট, প্যাটেন্ট ইত্যাদি দ্রুত ও সহজে সংগ্রহ করতে পারবেন, যা মৌলিক গবেষণা তৈরি ও বাস্তবায়নে সহায়তা করবে।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাসে প্রথমবারের মতো স্কাইফাইন্ডার সাবস্ক্রিপশনের অনুমোদন প্রদান এবং আর্থিক সংস্থানের ব্যবস্থার জন্য বৃহস্পতিবার বিজ্ঞান এবং লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদভুক্ত বিভাগসমূহের শিক্ষকবৃন্দ ও শিক্ষার্থীরা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হকের কাছে কৃতজ্ঞতা জানিয়েছেন।

জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ে স্কাইফাইন্ডার সাবস্ক্রিপশনের জন্য রসায়ন বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ড. মো. মাহমুদুর রহমান উদ্যোগ গ্রহণ করেছিলেন। আগামী তিন বছরের জন্য স্কাইফাইন্ডার সাবস্ক্রিপশন বাবদ ৩১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৯২ টাকা বরাদ্দের অনুমোদন দেয়া হয়েছে।

রসায়ন বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক ড. শামসুন্নাহার বলেন, ‘স্কাইফাইন্ডার এ অ্যাকসেসের মাধ্যমে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকরা, বিশেষ করে বিজ্ঞান ও লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা সারা বিশ্বে চলমান তাদের গবেষণাসংক্রান্ত হালনাগাদ তথ্য জানতে পারবেন। এর ফলে আমাদের গবেষকরা আধুনিক মানের গবেষণার পরিচালনা ও পরিকল্পনা করা সহজতর হবে।’

বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক বলেন, ‘এটা আনন্দের খবর। আমরা গবেষণায় জোর দিচ্ছি। গবেষণা বাড়াতে আমরা ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সঙ্গে চুক্তি করেছি। গবেষণা বাড়াতে বাজেট বৃদ্ধিসহ নানা উদ্যোগ ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের সঙ্গে চুক্তি প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’

কোষাধ্যক্ষ অধ্যাপক ড. কামালউদ্দিন আহমেদ বলেন, ‘আমাদের শিক্ষক-শিক্ষার্থীদের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলেই আমরা আন্তর্জাতিক বিভিন্ন র‌্যাংকিংয়ে ভালো অবস্থান অর্জন করছি। আমাদের অনেক শিক্ষক বিভিন্ন গবেষণার জন্য আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃতি পেয়েছেন।’

স্পেনের সিমাগো ইনস্টিটিউশন র‌্যাংকিংয়ে বাংলাদেশের পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয়গুলোর মধ্যে রসায়ন বিষয়ে গবেষণা সূচকে প্রথম স্থান অর্জন করেছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়।

দেশে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পর জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় স্কাইফাইন্ডারে সাবস্ক্রিপশনের অনুমোদন পেয়েছে। বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদের (বিসিএসআইআর) এ অনুমোদন রয়েছে।

আরও পড়ুন:
জবির দুই অনুষদে নতুন ডিন
জবিতে সেমিস্টারে ভর্তিতে জরিমানার শর্ত সাময়িক শিথিল
চাকরি স্থায়ী করার দাবিতে জবিতে কর্মচারীদের অবস্থান
জবিতে গ্রীষ্মকালীন ছুটিতে বন্ধ ক্লাস, চলবে পরীক্ষা
নিজেদের দ্বিতল বাসে চড়বে জবি শিক্ষার্থীরা

মন্তব্য

শিক্ষা
Bangabandhu 100 Paddy Success in experimental cultivation

বঙ্গবন্ধু ১০০ ধান: পরীক্ষামূলক চাষেই সফলতা

বঙ্গবন্ধু ১০০ ধান: পরীক্ষামূলক চাষেই সফলতা চলতি বছর রংপুর অঞ্চলের চার জেলায় ৩০ হেক্টর জমিতে ধান প্রদর্শনী প্লট স্থাপনের মাধ্যমে ‘বঙ্গবন্ধু-১০০’ ধানের চাষ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। ছবি: নিউজবাংলা
‘বীজ রোপণ থেকে ধান কাটা পর্যন্ত ১৪৫ দিনে কৃষক ঘরে ধান তুলতে পারবেন। ধানটি উচ্চ ফলনশীল। প্রতি হেক্টর জমিতে সাড়ে সাত থেকে ৮ টন ধান উৎপাদিত হবে। এতে ব্লাস্ট রোগ হবে না। বিভিন্ন রোগের উপদ্রব কম হয়।

দেশে প্রথমবারের মতো রংপুরে চাষ হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু-১০০’ ধান। এতে পরীক্ষামূলক চাষে সফলতা পেয়েছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট।

চলতি বছর রংপুর অঞ্চলের চার জেলায় ৩০ হেক্টর জমিতে ধান প্রদর্শনী প্লট স্থাপনের মাধ্যমে এই ধানের চাষ আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয়। ভালো ফলন হওয়ায় আশাবাদী হয়ে উঠছেন কৃষক এবং কৃষিসংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা।

সম্প্রতি এসব ধান জমি থেকে কেটে মাড়াই করা হয়েছে।

রংপুর আঞ্চলিক কৃষি অফিসের এক কর্মকর্তা জানান, রংপুর অঞ্চলে এবার ‘বঙ্গবন্ধু-১০০’ ধান ৩০ হেক্টর জমিতে চাষ হয়েছে। এর মধ্যে রংপুরে ৮ হেক্টর, কুড়িগ্রামে ১৬, লালমনিরহাটে ৫, নীলফামারীতে ১ হেক্টর রয়েছে।

বঙ্গবন্ধু ১০০ ধান: পরীক্ষামূলক চাষেই সফলতা

উচ্চ ফলনশীল ‘বঙ্গবন্ধু-১০০’ জাতের ধান বীজ রোপণ থেকে কাটা পর্যন্ত ১৪৫ দিনে কৃষক ফসল ঘরে তুলতে পারবেন। ছবি: নিউজবাংলা

বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউটের রংপুর অফিসের ঊর্ধ্বতন বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ও প্রধান রকিবুল হাসান নিউজবাংলাকে বলেন, ‘এই ধান উদ্ভাবনের পর সরকারি অনুমোদন হয়। সেই অনুমোদন পাই ২০২১ সালে। এরপর এটি রিলিজের পর দেশের প্রথম রংপুর অঞ্চলে চাষ করা হয়েছে।

‘বীজ রোপণ থেকে ধান কাটা পর্যন্ত ১৪৫ দিনে কৃষক ঘরে ধান তুলতে পারবেন। ধানটি উচ্চ ফলনশীল। প্রতি হেক্টর জমিতে সাড়ে ৭ থেকে ৮ টন ধান উৎপাদন হবে। এতে ব্লাস্ট রোগ হবে না। বিভিন্ন রোগের উপদ্রব কম হয়। এ ধানের চালের আকৃতি মাঝারি চিকন, প্রতি কেজি চালে ২৫ দশমিক ৭ মিলিগ্রাম জিংক ছাড়াও পুষ্টিগুণে সমৃদ্ধ এবং খেতে সুস্বাদু।’

তিনি বলেন, ‘বঙ্গবন্ধু-১০০ জাতের ধানের ভালো ফলন হওয়ায় আমরা আশাবাদী হয়ে উঠছি। এই ধান চাষে কৃষকরা সহজে লাভবান হতে পারবেন।’

গঙ্গাচড়া সদর উপজেলার কৃষক আলা মিয়া বলেন, ‘আমার ৩৩ শতাংশ জমিতে একটি প্রদর্শনী প্লট স্থাপন করা হয়েছিল। গত বৃহস্পতিবার ধান কাটা হয়েছে।

‘আমি বিশ্বাসই করতে পারিনি যে, এত ভালো উৎপাদন হয়। এ ছাড়া কীটনাশক একইবারে কম দিতে হয়েছে।’

পাগলাপীরের হরকলি এলাকার কৃষক মফিজুল ইসলাম বলেন, ‘৩৩ শতকে প্রায় ২২ মণ ধান হয়েছে। এই জমিতে অন্য ধান এত আবাদ হতো না। এবার ভালো আবাদ হয়েছে। আগামী দিনে আমি আবার করব।

‘ধান এত সুন্দর হইছে যে জমিতেই প্রতি কেজি বীজ হিসাবে ৩০ টাকা করে বিক্রি করেছি। এক বিঘা জমিতে খরচ হয়েছে ১১ হাজার টাকা।’

কুড়িগ্রামের উলিপুর উপজেলার অর্জুনডারা এলাকার কৃষক মিজানুর রহমান বলেন, ‘এক একর জমিতে বঙ্গবন্ধু-১০০ জাতের ধান আবাদ করেছি। ধান ক্ষেতে কোনো রোগবালাই বা পোকামাকড়ের আক্রমণ না হওয়ায় ফলন ভালো হয়েছে।’

রাজারহাট উপজেলার কাশেম বাজার এলাকার আবুল কাশেম বলেন, ‘দেড় একর জমিতে নতুন জাতের এই ধান লাগিয়েছি। অর্ধেক ধান কেটে ঘরে তুলেছি। বিঘা প্রতি ৫ থেকে ৬ মণ ধান বেশি হইসে।

‘আগোত যদি ১৭ থাকি ১৮ মণ হয়, এই ধান হইসে ২৩ থাকি ২৪ মণ। তো এটা ভালো নোয়ায়, অনেক ভালো। তা ছাড়া খরচ একটু কম। ওষুধ কম দেওয়া লাগে।’

রংপুর সদরের পাগলাপির এলাকার দায়িত্বরত উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা পিজুষ চন্দ্র মহন্ত নিউজবাংলাকে বলেন, ‘চাষিরা ৩৫ দিনের চারা জমিতে রোপণ করতে পারবে, জমি তৈরির শেষ চাষে সার প্রয়োগ করবে। আগাছা দমন করতে ২৫ থেকে ৩০ দিনের মধ্যে। এরপর ১৫ দিনের মধ্যে প্রথম কিস্তির ইউরিয়া সার প্রয়োগ করতে হবে।

‘পরে আবার ১৫ দিনের মধ্যে আগাছা দমন করতে হবে। রোগবালাই না থাকায় তেমন কোনো ওষুধ প্রয়োগ করতে হয় না।’

সম্প্রতি দিনাজপুরের বিরলে ‘বঙ্গবন্ধু-১০০’ এর ধান ক্ষেত ও বীজ প্রক্রিয়াকরণ কার্যক্রম পরিদর্শন করেন বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন করপোরেশনের (বিএডিসি) সদস্য ও পরিচালক (বীজ ও উদ্যান) মোস্তাফিজুর রহমান।

তিনি বলেন, “মুজিব শতবর্ষ উপলক্ষে পুষ্টিগুণসম্পন্ন এবং উচ্চ ফলনশীল ‘ব্রি-১০০’ উদ্ভাবিত নতুন এ ধান জাতের নাম রাখা হয়েছে ‘বঙ্গবন্ধু-১০০’। চলতি বছর ‘বঙ্গবন্ধু-১০০’ ধানের ১৬০ মেট্রিক টন বীজ উৎপাদন করা হয়েছে। আগামী দিনে ১০ হাজার মেট্রিক টন বীজ উৎপাদন করা হবে। পাশাপাশি ধানটি চিকন ও এর ভাত সুস্বাদু হওয়ায় এটি ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করবে বলে আমরা ধারণা করছি।’

কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর রংপুর অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক এমদাদ হোসেন শেখ বলেন, ‘জিংক সমৃদ্ধ এই ধানের উদ্ভাবন করেছে বাংলাদেশ ধান গবেষণা ইনস্টিটিউট। এবারই প্রথম রংপুর বিভাগে এই ধানের চাষ করা হয়েছে।

‘আমরা উৎপাদনে যে আশা করেছিলাম তার চেয়ে বেশি ফলন হচ্ছে। এই ধান চাষে কৃষকরা লাভবান হওয়ার পাশাপাশি দেশের মানুষের পুষ্টির চাহিদাও মেটানো সম্ভব হবে।’

মন্তব্য

শিক্ষা
PM urges for climate tolerant crop production

জলবায়ু সহিষ্ণু শস্য উৎপাদনে প্রধানমন্ত্রীর তাগিদ

জলবায়ু সহিষ্ণু শস্য উৎপাদনে প্রধানমন্ত্রীর তাগিদ কানাডার চার সদস্যের প্রতিনিধি দল রোববার গণভবনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সঙ্গে দেখা করে। ছবি: বাসস
কানাডা ও বাংলাদেশের কৃষি গবেষকদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য গত বছর কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল ইনস্টিটিউ ফর ফুড সিকিউরিটি (জিআইএফএস) ঢাকায় এর আঞ্চলিক অফিস খুলেছে। প্রতিনিধি দলটি এই অফিস পরিদর্শন করতে এসেছে।

জলবায়ু সহিষ্ণু জাতের শস্য উদ্ভাবনে কৃষি বিজ্ঞানীদের পরামর্শ দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা।

কানাডার একটি প্রতিনিধি দল রোববার গণভবনে প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে গেলে তিনি এই পরামর্শ দেন। খাদ্য সংরক্ষণ, শস্য সংগ্রহের পর ক্ষতি কমানো এবং পুষ্টি বিজ্ঞান ও আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহারে তিনি জোর দেন।

প্রধানমন্ত্রীর সহকারী প্রেস সচিব এমএম ইমরুল কায়েস গণমাধ্যমকে এই তথ্য জানান।

কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবল ইনস্টিটিউট ফর ফুড সিকিউরিটি (জিআইএফএস) সিবিই ডিরেক্টর স্ট্র্যাটেজিক পার্টনারশিপ এবং চিফ অপারেটিং অফিসারর স্টিফেন ভিশার চার সদস্যের প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেন। দলটির অন্য সদস্যরা হচ্ছেন- সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাইস-প্রেসিডেন্ট (গবেষণা) ড. বালাজিৎ সিং, বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু রিসার্চ চেয়ার ইন ফুড সিকিউরিটি ড. এন্ড্রু শার্প ও ঢাকায় নিযুক্ত কানাডার হাই কমিশনার লিলি নিকলস।

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেন, ‘স্বাধীন রাষ্ট্র হিসেবে বাংলাদেশের অভ্যুদয়ের আগে থেকেই বাংলাদেশ ও কানাডার মধ্যে সম্পর্কের সূচনা। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের নেতৃত্বে ১৯৭০ সালের ৭ ডিসেম্বর সাধারণ নির্বাচনে আওয়ামী লীগ নিরঙ্কুশভাবে বিজয়ী হয়। তখন পাকিস্তানের ক্ষমতাসীন সরকারকে নির্বাচিত প্রতিনিধিদের হাতে শান্তিপূর্ণভাবে ক্ষমতা হস্তান্তরের অনুরোধ জানায় কানাডার তৎকালীন ট্রুডো সরকার।

‘কানাডা সরকার আমাদের মুক্তিযুদ্ধের সময় সমর্থন অব্যহত রাখে। স্বাধীনতার পর যে কয়েকটি দেশ বাংলাদেশকে তাৎক্ষণিকভাবেই স্বীকৃতি দেয়, কানাডা তাদের অন্যতম।’

কানাডা ও বাংলাদেশের কৃষি গবেষকদের মধ্যে সহযোগিতা বাড়ানোর জন্য গত বছর কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্লোবাল ইনস্টিটিউ ফর ফুড সিকিউরিটি (জিআইএফএস) ঢাকায় এর আঞ্চলিক অফিস খুলেছে। প্রতিনিধি দলটি এই অফিস পরিদর্শন করতে এসেছে।

বৈঠকে স্টিফেন ভিশার জানান, তারা জিআইএফএস এর ঢাকাস্থ আঞ্চলিক অফিসকে সব ধারণের কারিগরি সহায়তা দেবেন।

ড. বালাজিত সিং জানান, উচ্চশিক্ষার জন্য কেউ সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে গেলে, সর্বাত্মক সহায়তা দেয়া হবে।

প্রতিনিধি দলটি বাংলাদেশের কাঁঠালের বহুমুখী ব্যবহার ও গাছের প্রজনন নিয়ে কাজ করতে আগ্রহ প্রকাশ করে।

বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কৃষিমন্ত্রী ড. মো. আব্দুর রাজ্জাক, প্রধানমন্ত্রীর মুখ্য সচিব ড. আহমদ কায়কাউস, কৃষি সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম ও বাংলাদেশ এগ্রিকালচার রিসার্চ কাউন্সিলের (বিএআরসি) নির্বাহী চেয়ারম্যান ড. শেখ মোহাম্মদ বোখতিয়ার।

বিএআরসি ও সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের জিআইএফএস-এর মধ্যে ২০২০ সালের ১০ ফেব্রুয়ারি একটি সমঝোতা স্মারক সই হয়। এর মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান দুটির মধ্যে কৃষি গবেষণা ও উন্নয়নে অংশীদারিত্ব গড়ে ওঠে।

আরও পড়ুন:
জলবায়ু উদ্বাস্তুদের আশ্রয়ণ প্রকল্পের কাজ শেষ হবে ২০২৩ সালে: সেনাপ্রধান
‘জলবায়ুজনিত ক্ষতি কমাতে ন্যাপ জরুরি’
বৈশ্বিক উষ্ণতা বাদ দিয়েই গ্লাসগো চুক্তি সই

মন্তব্য

শিক্ষা
Technical curriculum will be refined Minister of Education

কারিগরি শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী

কারিগরি শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হবে: শিক্ষামন্ত্রী কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সার্বিক অগ্রগতি বিষয়ক সভায় শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি। ছবি: নিউজবাংলা
শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি বলেন, ‘দেশে কারিগরি শিক্ষার ব্যাপক বিস্তারে ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে অনলাইনভিত্তিক শিক্ষণ জোরদার করা হবে।’

কারিগরি শিক্ষার শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হবে বলে জানিয়েছেন শিক্ষামন্ত্রী দীপু মনি।

রাজধানীর কারিগরি শিক্ষা অধিদপ্তরে বুধবার কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সার্বিক অগ্রগতিবিষয়ক সভায় তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘কারিগরি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানে তত্ত্বীয় শিক্ষার চেয়ে হাতে-কলমে শেখানোর মাধ্যমে শিক্ষার্থীদের কর্মের উপযোগী করে তুলতে হবে। শিক্ষার্থীদের কর্মক্ষেত্রে নিয়ে শেখানোর জন্য অ্যাকাডেমিয়া ইন্ডাস্ট্রি সংযোগ বাড়ানোর উদ্যোগ নেয়া হবে। এ জন্য কারিগরি শিক্ষার শিক্ষাক্রম পরিমার্জন করা হবে।

‘দেশে কারিগরি শিক্ষার ব্যাপক বিস্তারে ডিজিটাল কনটেন্ট তৈরি করে অনলাইনভিত্তিক শিক্ষণ জোরদার করা হবে।’

অনুষ্ঠানে শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী দক্ষ পেশাদার ব্যক্তিদের কারিগরি প্রতিষ্ঠানে অতিথি প্রশিক্ষক হিসেবে কাজে লাগানোর পরামর্শ দেন।
কারিগরি ও মাদ্রাসা শিক্ষা বিভাগের সচিব কামাল হোসেনের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে এবং বিভিন্ন প্রকল্পের পরিচালক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ডিপ্লোমার ক্লাস অনলাইনে শুরু ৭ আগস্ট থেকে
ডিপ্লোমা ইন ইঞ্জিনিয়ারিংয়ের ফাইনাল পরীক্ষা স্থগিত

মন্তব্য

শিক্ষা
DU JOB will cooperate with each other in research

গবেষণায় একে অপরকে সহযোগিতা করবে ঢাবি-জবি

গবেষণায় একে অপরকে সহযোগিতা করবে ঢাবি-জবি ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে গবেষণা সহযোগিতা নিয়ে এমওইউ সই অনুষ্ঠানে উপস্থিতরা। ছবি: নিউজবাংলা
উভয় প্রতিষ্ঠানের রিসোর্স পারসন, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট অত্যাধুনিক গবেষণাগার ব্যবহার; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মাঝে নিয়মিত পরিদর্শন; যৌথ প্রকাশনা ও যৌথ প্রকল্পের মাধ্যমে অর্জিত ফলের পেটেন্ট প্রক্রিয়াকরণ এবং যৌথ উদ্দেশ্য অর্জনে যেকোনো সহযোগিতা করা হবে এই চুক্তির আওতায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের (জবি) মধ্যে গবেষণা সহযোগিতা বিষয়ে একটি সমঝোতা চুক্তি সই হয়েছে। ফলে এখন থেকে বিভিন্ন ধরনের গবেষণাকাজে এক বিশ্ববিদ্যালয় অন্য বিশ্ববিদ্যালয়কে সহযোগিতা করবে।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অফিসসংলগ্ন লাউঞ্জে রোববার বেলা সাড়ে ১২টায় ঢাকা ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের মধ্যে এই এমওইউ স্বাক্ষর হয়েছে।

চুক্তির আওতায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের ভৌত ও রসায়ন বিজ্ঞান, জীববিজ্ঞান এবং ভূগোল ও পরিবেশ বিজ্ঞানের শিক্ষক ও গবেষক, শিক্ষার্থীরা- গবেষণা প্রকল্প বাস্তবায়ন; প্রযুক্তিগত ও বৈজ্ঞানিক তথ্যের আদান-প্রদান; জার্নালের আদান-প্রদান; যৌথ উদ্যোগে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক ও প্রযুক্তিগত সেমিনার, সিম্পোজিয়াম ও কনফারেন্সের আয়োজন; উচ্চতর গবেষণার ক্ষেত্রে গবেষক ও শিক্ষার্থীদের পোস্ট গ্র্যাজুয়েট, এমফিল ও পিএইচডি ডিগ্রির যৌথ তত্ত্বাবধান করবেন।

এ ছাড়া উভয় প্রতিষ্ঠানের রিসোর্স পারসন, গবেষক ও শিক্ষার্থীদের সংশ্লিষ্ট অত্যাধুনিক গবেষণাগার ব্যবহার; ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় ও জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের গবেষকদের মাঝে নিয়মিত পরিদর্শন; যৌথ প্রকাশনা ও যৌথ প্রকল্পের মাধ্যমে অর্জিত ফলের পেটেন্ট প্রক্রিয়াকরণ এবং যৌথ উদ্দেশ্য অর্জনে যেকোনো সহযোগিতা করা হবে এ চুক্তির আওতায়।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. মমতাজ উদ্দীন আহমদ এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে ট্রেজারার অধ্যাপক ড. কামালউদ্দীন আহমদ চুক্তিতে সই করেন।

এ ছাড়া ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে রেজিস্ট্রার প্রবীর কুমার সরকার এবং জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের পক্ষে রেজিস্ট্রার প্রকৌশলী মো. ওহিদুজ্জামান ও পরিচালক (গবেষণা) অধ্যাপক ড. পরিমল বালা সাক্ষী হিসেবে চুক্তিতে সই করেন।

এ সময় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ড. মো. আখতারুজ্জামান, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. ইমদাদুল হক, কলা অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মো. রইছ উদদীন, বিজনেস স্টাডিজ অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. গোলাম মোস্তফা, সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. অরুণ কুমার গোস্বামী, লাইফ অ্যান্ড আর্থ সায়েন্স অনুষদের ডিন অধ্যাপক ড. মনিরুজ্জামান খন্দকার, পরিচালক ছাত্র-কল্যাণ অধ্যাপক ড. আইনুল ইসলাম, জনসংযোগ, তথ্য ও প্রকাশনা দপ্তরের পরিচালক অধ্যাপক ড. চঞ্চল কুমার বোস, জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক ড. আবুল হোসেন, সাধারণ সম্পাদক অধ্যাপক ড. আবুল কালাম মো. লুৎফর রহমানসহ শিক্ষক ও কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

আরও পড়ুন:
ঢাবিতে ভর্তি পরীক্ষা শুরু ৩ জুন, আবেদন ২০ এপ্রিল থেকে
ঢাবির ভর্তি পরীক্ষা এবারও বিভাগীয় শহরে, শুরু ৩ জুন
দুই বছর পর জবিতে মঙ্গল শোভাযাত্রার আয়োজন
জবির ১১ শিক্ষার্থী সাময়িক বহিষ্কার
জবি ডিবেটিং সোসাইটির নেতৃত্বে সাঈদ-রাজু

মন্তব্য

p
উপরে